মূলপাতা
লগইন

Color

Indigo
Red
Green
Teal
Blue
Purple
Rose

Mode

Light
EN

যশোরের একটি সুবিধা আছে যা দেশের বেশিরভাগ শহরে নেই — শিক্ষা বোর্ডের সদর দপ্তরটি এখানেই। খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, কুষ্টিয়াসহ দশটি জেলার কলেজ এই বোর্ডের অধীন, আর সেই বোর্ডের অফিসট

যশোরের সেরা কলেজ — একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির তালিকা

To read this in English, visit: Best Colleges in Jashore — the Class XI Admission List

যশোরের একটি সুবিধা আছে যা দেশের বেশিরভাগ শহরে নেই — শিক্ষা বোর্ডের সদর দপ্তরটি এখানেই। খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, কুষ্টিয়াসহ দশটি জেলার কলেজ এই বোর্ডের অধীন, আর সেই বোর্ডের অফিসটি যশোর শহরে।

শুনতে প্রশাসনিক বিবরণ মনে হলেও এর ব্যবহারিক মূল্য আছে। নিবন্ধন সংশোধন, নামের বানান ঠিক করা, ফল পুনঃনিরীক্ষার খোঁজ, সনদ তোলা — উচ্চমাধ্যমিকের দুই বছরে এই কাজগুলো কমবেশি সবারই লাগে, আর অন্য জেলার শিক্ষার্থীকে সেজন্য যশোরেই আসতে হয়। শহরে থাকলে কাজটি এক সকালের।

তৃতীয় বিষয়টি হলো শহরের আকার। যশোরের কলেজসংখ্যা মাঝারি, শহরের ভেতরে প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা সীমিত, অথচ বোর্ডের গোটা এলাকা থেকে শিক্ষার্থী আসে। ফলে প্রধান কলেজগুলোতে প্রতিযোগিতা শহরের আকারের তুলনায় বেশি।

যশোরের সেরা কলেজ — তালিকা

কলেজকেন তালিকায়মূল তথ্য
সরকারি মাইকেল মধুসূদন কলেজ, যশোরস্থানীয়ভাবে এমএম কলেজ; জেলার সবচেয়ে বড় ও পরিচিত প্রতিষ্ঠান।কেন্দ্রীয় অনলাইন আবেদন · EIIN ১১৬১০১
যশোর সরকারি কলেজশহরের প্রধান সরকারি কলেজগুলোর একটি; তিন বিভাগেই ভর্তি নেয়।কেন্দ্রীয় অনলাইন আবেদন · EIIN ১৩৪৬১৬
সরকারি মহিলা কলেজ, যশোরছাত্রীদের জন্য শহরের প্রধান সরকারি কলেজ।কেন্দ্রীয় অনলাইন আবেদন · EIIN ১১৬১০৭
সরকারি সিটি কলেজ, যশোরশহরের ভেতরে, চাপ তুলনামূলকভাবে কম — নিরাপদ পছন্দ হিসেবে কার্যকর।কেন্দ্রীয় অনলাইন আবেদন · EIIN ১১৬১০৮
ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, যশোরসেনানিবাস-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান; ফল ধারাবাহিক, নিয়ম কড়া।কেন্দ্রীয় অনলাইন আবেদন · EIIN ১১৬১০৯
বিএএফ শাহীন কলেজ, যশোরবিমান বাহিনী পরিচালিত; ইংরেজি ও বিজ্ঞানে জোর দেওয়া হয়।কেন্দ্রীয় অনলাইন আবেদন · EIIN ১১৬১১৫
যশোর শিক্ষা বোর্ড সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজশিক্ষা বোর্ড পরিচালিত মডেল প্রতিষ্ঠান; স্কুল থেকে ধারাবাহিকতা আছে।কেন্দ্রীয় অনলাইন আবেদন · EIIN ১৩৩৮৩৪

এই তালিকা কীভাবে ব্যবহার করবে

বোর্ডসংক্রান্ত কাজের সুবিধাটি বাস্তব, কিন্তু কলেজ বাছাইয়ের একমাত্র কারণ হিসেবে যথেষ্ট নয়। পড়ানোর মান, বিভাগ ও যাতায়াত আগে দেখো; বোর্ড সদর কাছে থাকাটা বাড়তি সুবিধা হিসেবে ধরো, প্রধান বিবেচনা হিসেবে নয়।

বোর্ডের এলাকা বড় হওয়ায় খুলনা, কুষ্টিয়া, সাতক্ষীরা বা ঝিনাইদহের শিক্ষার্থীও যশোরের কলেজ তালিকায় রাখে। তুমি যদি যশোরেরই হও, এই বাড়তি প্রতিযোগিতাটা হিসাবে ধরে তালিকার নিচের দিকে নিজের এলাকার একটি কলেজ রেখে দাও।

শহরের বাইরের উপজেলা — চৌগাছা, ঝিকরগাছা, কেশবপুর, শার্শা — থেকে প্রতিদিন যাতায়াত কারও কারও পক্ষে সম্ভব, কারও পক্ষে নয়। সকাল শিফটে ক্লাস ধরার জন্য কত আগে বেরোতে হবে সেটি ভর্তির আগেই একবার বাস্তবে হিসাব করে নাও, অনুমানে নয়।

যশোরে তালিকা বানানোর আগে একটি খসড়া

আগে কাগজে একটি খসড়া করো: ওপরে স্বপ্নের কলেজ, মাঝে সম্ভাব্য কলেজ, নিচে নিরাপদ কলেজ। এরপর প্রতিটির দূরত্ব ও থাকার ব্যবস্থা পাশে লিখে ফেলো।

খসড়া শেষ হলে কয়েক ঘণ্টা সরে থাকো, তারপর আবার পড়ো। যে নামগুলো তখনও ঠিক মনে হয়, সেগুলোই চূড়ান্ত তালিকায় যাক।

যশোরের মতো শহরে একটি ভুল খুব সহজে ঘটে: পরিচিত কলেজের নাম দেখে সবটুকু জায়গা ভরে ফেলা। তার বদলে প্রতিটি স্লটকে একটি আলাদা কাজ দাও — একটি আশার জন্য, কয়েকটি বাস্তব সম্ভাবনার জন্য, একটি নিরাপত্তার জন্য। এভাবে ভাবলে তালিকা ছোট হোক বা বড়, প্রতিটি নামের একটি যুক্তি থাকে।

একাদশ ভর্তি ২০২৬-২৭ — কোন ধাপ কবে (১ম ও ২য় ধাপ শেষ, ৩য় ধাপের আবেদনও বন্ধ)

১ম ধাপে আবেদন করেছিল প্রায় ৯ লাখ ৯৫ হাজার ২৩০ শিক্ষার্থী; মেধাতালিকায় কলেজ পেয়েছে ৯ লাখ ৮০ হাজার ৮১৫ জন, আর ১৪ হাজার ৪১৫ জন কোনো কলেজ পায়নি — তাদের মধ্যে জিপিএ-৫ পাওয়া ২ হাজার ২০৫ জনও আছে। মাইগ্রেশন শেষে চূড়ান্তভাবে মনোনীত হয়েছে ৮ লাখ ৫৩ হাজার ৪৪১ জন, অথচ আসন ২৬ লাখ ১ হাজার ৭৭৯টি — অর্থাৎ আসনের সংকট নয়, পছন্দক্রমের ভুলই বেশির ভাগকে বাদ রেখেছে।

ধাপতারিখ
এসএসসি ২০২৬ ফল প্রকাশ১০ আগস্ট ২০২৬
ভর্তি নীতিমালা প্রকাশ২৪ আগস্ট ২০২৬
১ম ধাপ: অনলাইন আবেদন২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ – ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রাত ৮টা
১ম ধাপ: বাড়তি আবেদনের সুযোগ১২–১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রাত ৮টা পর্যন্ত
১ম ধাপ: মেধাতালিকা১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রাত ৮টা
১ম ধাপ: নিশ্চায়ন১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রাত ৮টা
১ম ধাপ: মাইগ্রেশনের ফল১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রাত ৮টা
কলেজে ভর্তি (১ম ধাপ)২০–২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ক্লাস শুরু২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২য় ধাপ: অনলাইন আবেদন২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (রবিবার) – ১ অক্টোবর ২০২৬, রাত ৮টা
২য় ধাপ: ফল৫ অক্টোবর ২০২৬, রাত ৮টা
২য় ধাপ: নিশ্চায়ন৮ অক্টোবর ২০২৬, রাত ৮টা পর্যন্ত
২য় ধাপ: মাইগ্রেশনের ফল৯ অক্টোবর ২০২৬, রাত ৮টা
২য় ধাপ: কলেজে ভর্তি১১–১৩ অক্টোবর ২০২৬
৩য় (চূড়ান্ত) ধাপ: অনলাইন আবেদন২৬ অক্টোবর ২০২৬ (সোমবার) – ২৭ অক্টোবর ২০২৬ (মঙ্গলবার), রাত ৮টা
৩য় ধাপ: ফল৩০ অক্টোবর ২০২৬ (শুক্রবার), রাত ৮টা (নির্ধারিত তারিখ; ফল xiclassadmission.gov.bd-তে দেখো)
৩য় ধাপ: নিশ্চায়ন৩০–৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৩১ অক্টোবর রাত ৮টা পর্যন্ত
৩য় ধাপ: মাইগ্রেশনের ফল১ নভেম্বর ২০২৬ (রবিবার), রাত ৮টা
৩য় ধাপ: কলেজে ভর্তি২–৩ নভেম্বর ২০২৬ (সোম–মঙ্গলবার)
আবেদনের ঠিকানাxiclassadmission.gov.bd

২য় ধাপের আবেদন ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (রবিবার) থেকে ১ অক্টোবর ২০২৬, রাত ৮টা পর্যন্ত চলেছিল এবং তা শেষ। এরপর আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির বিজ্ঞপ্তিতে একটি ৩য় (চূড়ান্ত) ধাপ ঘোষিত হয়েছিল; তার আবেদনও ২৭ অক্টোবর ২০২৬ (মঙ্গলবার), রাত ৮টা বন্ধ হয়ে গেছে। ৩য় ধাপের ফল ৩০ অক্টোবর ২০২৬ রাত ৮টায় হওয়ার কথা ছিল; আমরা এখনো নিশ্চিত সূত্রে তা যাচাই করিনি — xiclassadmission.gov.bd দেখো।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

আমাদের সাথে যুক্ত থাকো

পড়াশোনার আপডেট, সাজেশন ও প্রশ্নোত্তর সবার আগে পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ ও গ্রুপে যুক্ত হও।