মূলপাতা
লগইন

Color

Indigo
Red
Green
Teal
Blue
Purple
Rose

Mode

Light
EN

সোডিয়াম আর ক্লোরিন মিলে কীভাবে লবণ তৈরি হয়: আয়নিক বন্ধন নিজে দেখো

যখন একটি ধাতু পরমাণু তার যোজ্যতা ইলেকট্রন সম্পূর্ণভাবে একটি অধাতু পরমাণুকে দিয়ে দেয়, তখন ধাতুটি ধনাত্মক আয়ন (ক্যাটায়ন) আর অধাতুটি ঋণাত্মক আয়ন (অ্যানায়ন) হয়ে যায়। এই দুই বিপরীত চার্জের আয়নের মধ্যে স্থির-বৈদ্যুতিক আকর্ষণেই তৈরি হয় আয়নিক বন্ধন — যেমন সোডিয়াম (Na) ইলেকট্রন দিয়ে ক্লোরিনকে (Cl) দিলে তৈরি হয় NaCl।

চাপ দিলে একটি ইলেকট্রন ধাতু থেকে অধাতুতে যাবে

ধাতুর ইলেকট্রনঅধাতুর ইলেকট্রনস্থানান্তরিত ইলেকট্রনস্থির-বৈদ্যুতিক আকর্ষণ
গতি

নিয়ন্ত্রণ

যৌগ বেছে নাও

পরিমাপ

ধাতব আয়ন (ক্যাটায়ন)
Na⁺
অধাতব আয়ন (অ্যানায়ন)
Cl⁻
ধাতুর ইলেকট্রন বিন্যাস (আগে → পরে)
২, ৮, ১ → ২, ৮, ১
অধাতুর ইলেকট্রন বিন্যাস (আগে → পরে)
২, ৮, ৭ → ২, ৮, ৭
যৌগের সংকেত (চার্জ মিলিয়ে বের করা)
NaCl
সংকেত এককের মোট চার্জ
০
স্থানান্তরিত ইলেকট্রন
০ / ১
এই মুহূর্তে
ইলেকট্রন স্থানান্তরিত হচ্ছে

সিমুলেশনটি কীভাবে ব্যবহার করবে

  1. প্রথমে ডিফল্ট যৌগ NaCl দেখো: বাম পাশে সোডিয়াম পরমাণু, ডান পাশে ক্লোরিন পরমাণু। দুজনেরই সবচেয়ে বাইরের শক্তিস্তরে কয়টি ইলেকট্রন আছে খেয়াল করো।
  2. চালু চাপো বা সরাসরি স্টেজে ট্যাপ করো: সোডিয়ামের একটি ইলেকট্রন উড়ে গিয়ে ক্লোরিনে যোগ হবে। এবার দুজনেরই বাইরের স্তর ৮টি ইলেকট্রন দিয়ে পূর্ণ (অষ্টক) হয়ে যাবে।
  3. পরিমাপ প্যানেলে চার্জ আর সংকেত দেখো: Na⁺, Cl⁻ আর যৌগের সংকেত NaCl — সবই চার্জ মিলিয়ে হিসাব করে বের করা, টাইপ করা নয়।
  4. “যৌগ বেছে নাও” থেকে CaCl₂ বা Na₂O বেছে নাও: এবার একদিকে দুটো পরমাণু আর দুইটি ইলেকট্রন স্থানান্তর হতে দেখবে, তবু নিয়ম একই।
  5. “স্ফটিক জালিকা দেখাও” টিক দাও: একই আয়নগুলো পাশাপাশি সাজিয়ে দেখাবে, প্রতিটি আয়ন চারপাশের বিপরীত চার্জের আয়নকে কীভাবে টানছে।

লবণ, চুন আর শরীরের ভেতরের বিদ্যুৎ

ভাত রান্নায় যে লবণ দাও, সেটা রাসায়নিকভাবে সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl)। কখনো ভেবেছ, লবণের একটা দানার ভেতরে সোডিয়াম আর ক্লোরিন কীভাবে জোড়া লেগে থাকে? সোডিয়াম একটা ধাতু, নিজে থাকলে ছুরি দিয়ে কাটা যায় এমন নরম রুপালি জিনিস, পানিতে ফেললে বিস্ফোরণ হয়। ক্লোরিন একটা বিষাক্ত হলুদ-সবুজ গ্যাস। অথচ দুজন মিলে হয়ে যায় খাবারের সবচেয়ে সাধারণ উপাদান, যেটা ছাড়া রান্নাই অসম্পূর্ণ। এই আশ্চর্য বদলটাই আয়নিক বন্ধনের গল্প।

দেয়াল রং করার চুন (ক্যালসিয়াম অক্সাইড বা তা থেকে তৈরি ক্যালসিয়াম হাইড্রক্সাইড), হাড় মজবুত রাখা ক্যালসিয়াম, স্যালাইনের পানিতে থাকা সোডিয়াম আর ক্লোরাইড আয়ন — সবকিছুর পেছনে একই নীতি। এমনকি তোমার শরীরের প্রতিটা স্নায়ুকোষ সংকেত পাঠায় Na⁺ আর K⁺ আয়ন কোষের ভেতরে-বাইরে চলাচল করিয়ে। আয়ন ছাড়া শরীরে বিদ্যুৎ সংকেতই চলত না, হৃৎস্পন্দনও থেমে যেত।

প্রশ্ন হলো, একটা নিরপেক্ষ পরমাণু কীভাবে চার্জযুক্ত আয়নে বদলায়, আর দুটো আয়ন একসাথে জোড়া লাগলে অনুপাত কীভাবে ঠিক হয় (কেন NaCl কিন্তু CaCl₂, একটাতে একটা ক্লোরিন আরেকটাতে দুইটা)? এই পাতা আর উপরের সিমুলেশন মিলিয়ে উত্তরটা তুমি নিজেই বের করতে পারবে।

ডাক্তার যে স্যালাইন বা ওআরএস (খাবার স্যালাইন) খেতে বলেন ডায়রিয়া হলে, সেটাও মূলত সোডিয়াম, পটাশিয়াম আর ক্লোরাইড আয়নের সঠিক অনুপাতে গোলানো পানি। শরীর ঘামে বা পাতলা পায়খানায় আয়ন হারালে পেশিতে টান ধরে আর দুর্বল লাগে, কারণ ঠিক এই আয়নগুলোই পেশি সংকোচন আর স্নায়ু সংকেত চালাতে দরকার। তাই আয়নিক যৌগ বোঝা মানে শুধু পরীক্ষার অধ্যায় বোঝা না, নিজের শরীরটাকেও একটু বেশি বোঝা।

একদম শুরু থেকে: রাসায়নিক বন্ধন আর অষ্টক নিয়ম

দুই বা ততোধিক পরমাণু জোড়া লেগে থাকার পেছনের আকর্ষণী বলকে রাসায়নিক বন্ধন বলে। পরমাণুরা এমনি এমনি জোড়া লাগে না; জোড়া লাগলে তাদের শক্তি কমে যায় (স্থিতিশীল হয়) বলেই লাগে। প্রকৃতির নিয়ম হলো, কম শক্তির অবস্থা বেশি স্থিতিশীল — ঠিক যেমন উঁচু জায়গা থেকে বল গড়িয়ে নিচে এলে থিতু হয়, উঁচুতে ফিরে যায় না।

নিষ্ক্রিয় গ্যাসগুলো (হিলিয়াম, নিয়ন, আর্গন...) সবচেয়ে স্থিতিশীল মৌল, আর লক্ষ করলে দেখবে তাদের সবার বাইরের শক্তিস্তরে ঠিক ৮টি ইলেকট্রন আছে (হিলিয়ামের ব্যতিক্রমে ২টি, কারণ তার প্রথম স্তরের ধারণক্ষমতাই ২)। এই পর্যবেক্ষণ থেকেই আসে অষ্টক নিয়ম: পরমাণুরা বন্ধন গঠনের সময় এমনভাবে ইলেকট্রন বিনিময় বা ভাগাভাগি করে, যাতে তাদের বাইরের স্তরে নিষ্ক্রিয় গ্যাসের মতো ৮টি ইলেকট্রন (অষ্টক) জমা হয়।

অষ্টক পূরণের দুটো পথ আছে। এক, ইলেকট্রন একজন থেকে আরেকজনে সম্পূর্ণ স্থানান্তরিত হওয়া — এতে তৈরি হয় আয়নিক বা তড়িৎযোজী বন্ধন। দুই, দুজনে মিলে ইলেকট্রন জোড়া ভাগাভাগি করে নেওয়া — এতে তৈরি হয় সমযোজী বন্ধন। কোন পথে যাবে, তা ঠিক করে দেয় দুই পরমাণুর ধরন: ধাতু আর অধাতু জোড়া লাগলে সাধারণত আয়নিক বন্ধন হয়, দুটো অধাতু জোড়া লাগলে সমযোজী বন্ধন।

ধাতুর বাইরের স্তরে ইলেকট্রন সংখ্যা কম (১, ২ বা ৩টা), তাই কয়েকটা ইলেকট্রন ছেড়ে দিলেই তার নিচের পূর্ণ স্তরটা বাইরের স্তর হয়ে যায় — এটাই সহজ পথ। অধাতুর বাইরের স্তরে ইলেকট্রন সংখ্যা বেশি (৫, ৬ বা ৭টা), তাই কয়েকটা ইলেকট্রন নিয়ে নিলেই ৮ পূর্ণ হয় — এটাও তার জন্য সহজ পথ। দুজনের এই বিপরীতমুখী “সহজ পথ” একসাথে মিললেই আয়নিক বন্ধন ঘটে।

আয়নিক বন্ধনের গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলো

সূত্রে যাওয়ার আগে শব্দগুলো ঝালিয়ে নিই। পরীক্ষার “কাকে বলে” প্রশ্ন এখান থেকেই আসে।

শব্দসহজ ভাষায় অর্থউদাহরণ
আয়নইলেকট্রন হারিয়ে বা পেয়ে চার্জযুক্ত হওয়া পরমাণু বা পরমাণুগুচ্ছNa⁺, Cl⁻
ক্যাটায়নইলেকট্রন হারিয়ে তৈরি হওয়া ধনাত্মক আয়নNa+১, Mg+২
অ্যানায়নইলেকট্রন পেয়ে তৈরি হওয়া ঋণাত্মক আয়নCl−১, O−২
আয়নিক (তড়িৎযোজী) বন্ধনবিপরীত চার্জের আয়নের মধ্যে স্থির-বৈদ্যুতিক আকর্ষণে গড়া বন্ধনNaCl
অষ্টক নিয়মবাইরের স্তরে ৮টি ইলেকট্রন হলে পরমাণু সবচেয়ে স্থিতিশীল হয়Na⁺-এর ২,৮
যোজ্যতা ইলেকট্রনপরমাণুর সবচেয়ে বাইরের শক্তিস্তরের ইলেকট্রন, যেগুলো বন্ধনে অংশ নেয়Na-এর ১টি
তড়িৎ ঋণাত্মকতাএকটি পরমাণুর বন্ধন-ইলেকট্রনকে নিজের দিকে টানার প্রবণতাCl বেশি, Na কম
সংকেত এককের চার্জযৌগের সব আয়নের মোট চার্জের যোগফল, যা সবসময় শূন্য হয়NaCl-এ ১(+১) + ১(−১) = ০

কেন ধাতু-অধাতু জোড়ায় আয়নিক বন্ধন হয়

ধাতু আর অধাতুর মধ্যে তড়িৎ ঋণাত্মকতার পার্থক্য অনেক বেশি হয়। তড়িৎ ঋণাত্মকতা মানে একটা পরমাণু বন্ধনের ইলেকট্রনকে নিজের দিকে কতটা জোরে টানে। ক্লোরিনের তড়িৎ ঋণাত্মকতা সোডিয়ামের চেয়ে অনেক বেশি, তাই দুজন জোড়া লাগলে ইলেকট্রনটা ভাগাভাগি না হয়ে পুরোপুরি ক্লোরিনের দিকে চলে যায়। পার্থক্য যথেষ্ট বড় হলে (মোটামুটি ধাতু-অধাতু জোড়ায় এমনটাই হয়) ইলেকট্রন সম্পূর্ণ স্থানান্তরিত হয়ে যায়, ভাগাভাগি করে না।

শক্তির হিসাবেও ব্যাপারটা লাভজনক। ধাতু থেকে ইলেকট্রন সরাতে কিছুটা শক্তি লাগে (একে আয়নিকরণ শক্তি বলে), আর অধাতু ইলেকট্রন নিলে কিছুটা শক্তি বেরিয়ে আসে (ইলেকট্রন আসক্তি)। এই দুই ধাপ মিলিয়ে সবসময় লাভ-ক্ষতির হিসাব সমান হয় না, কিন্তু বিপরীত চার্জের দুই আয়ন কাছাকাছি এলে যে বিশাল পরিমাণ স্থির-বৈদ্যুতিক শক্তি নির্গত হয় (একে জালিকা শক্তি বলে), সেটাই পুরো প্রক্রিয়াকে লাভজনক করে দেয়। HSC পর্যায়ে এই সম্পূর্ণ শক্তির হিসাবকে বর্ন-হেবার চক্র দিয়ে ধাপে ধাপে দেখানো হয়।

তাই মনে রাখো: আয়নিক বন্ধন একটামাত্র ধাপ না, তিনটে ধাপের সমষ্টি — ধাতুর ইলেকট্রন হারানো, অধাতুর ইলেকট্রন পাওয়া, আর তারপর বিপরীত চার্জের আয়ন কাছাকাছি এসে আটকে যাওয়া। সিমুলেশনে প্রথম দুটো ধাপ ইলেকট্রন উড়ে যাওয়া হিসেবে দেখা যায়, তৃতীয় ধাপটা দেখা যায় জালিকা টগল করলে।

সংকেত কীভাবে বের হয়: চার্জ মিলিয়ে (ক্রিস-ক্রস নিয়ম)

একটা যৌগে ধাতু কয়টা আর অধাতু কয়টা লাগবে, তা ঠিক হয় একটামাত্র শর্তে: যৌগের মোট চার্জ শূন্য হতে হবে। এটাকেই বলে চার্জ ভারসাম্য। সহজ করে করার উপায়টার নাম ক্রিস-ক্রস নিয়ম — একজনের চার্জের সংখ্যাটা (চিহ্ন বাদে) আরেকজনের সাবস্ক্রিপ্ট হয়ে বসে যায়।

ধাতুর চার্জ × ধাতুর সংখ্যা + অধাতুর চার্জ × অধাতুর সংখ্যা = ০চার্জ ভারসাম্যের মূল শর্ত

ধাতুর সংখ্যা = |অধাতুর চার্জ| ÷ গসাগু, অধাতুর সংখ্যা = |ধাতুর চার্জ| ÷ গসাগুক্রিস-ক্রস নিয়ম, গসাগু দিয়ে সরলীকৃত

উদাহরণ ১ (গসাগু = ১): CaCl₂

ক্যালসিয়াম আয়ন Ca+২, ক্লোরাইড আয়ন Cl−১। চার্জ দুটোর (চিহ্ন বাদে ১ ও ২-এর) গসাগু ১। তাই ক্যালসিয়াম লাগবে |Cl-এর চার্জ| ÷ ১ = ১টা, ক্লোরিন লাগবে |Ca-এর চার্জ| ÷ ১ = ২টা।

যাচাই: ১ × (+২) + ২ × (−১) = ০। সংকেত CaCl₂।

উদাহরণ ২ (গসাগু কেটে সরল হয়): MgO

ম্যাগনেসিয়াম আয়ন Mg+২, অক্সাইড আয়ন O−২। দুটো চার্জই সমান মাপের (২ আর ২), তাই সাবস্ক্রিপ্ট বসানোর পর দুটোকেই ২ দিয়ে ভাগ করে সরল করতে হয়, ফল ১ : ১। সংকেত হয় MgO, MgO₂ নয়।

এই ধাপটাই সবচেয়ে বেশি ভুল হয়: সাবস্ক্রিপ্ট বসিয়ে দেওয়ার পর সরল করতে ভুলে গেলে ভুল সংকেত বেরিয়ে আসে।

সিমুলেশনে নিজে পরীক্ষা করো

প্রতিটা পরীক্ষায় আগে অনুমান করো (কয়টা ইলেকট্রন যাবে, সংকেত কী হবে), তারপর চালিয়ে মিলিয়ে দেখো।

  • NaCl খোলা অবস্থায় স্টেজে ট্যাপ করো একবার: একটামাত্র ইলেকট্রন উড়ে যায়, দুজনেরই অষ্টক পূর্ণ হয়ে যায় একধাপে।
  • CaCl₂ বেছে নাও: এবার একটা ক্যালসিয়াম থেকে দুইটা আলাদা ক্লোরিন পরমাণুতে দুইটা আলাদা ইলেকট্রন যেতে দেখবে।
  • Na₂O বেছে নাও এবং লক্ষ করো: এবার দুটো আলাদা সোডিয়াম পরমাণু থেকে একটামাত্র অক্সিজেন পরমাণুতে ইলেকট্রন আসছে।
  • যেকোনো যৌগে ইলেকট্রন স্থানান্তর শেষ হওয়ার পরে পরিমাপ প্যানেলে “সংকেত এককের মোট চার্জ” দেখো, সবসময় শূন্য থাকবে।
  • “স্ফটিক জালিকা দেখাও” টিক দাও: মাঝের জোড়াটা একটু জ্বলজ্বল করবে, বোঝাতে যে ওখানেই আকর্ষণ দেখানো হচ্ছে; আসলে প্রতিটা আয়ন তার চারপাশের সবগুলো বিপরীত চার্জের আয়নকেই টানে।

গাণিতিক সমস্যা ও সমাধান

প্রতিটা সমাধানে প্রথমে দুই পরমাণুর ইলেকট্রন বিন্যাস লিখব, তারপর কে কয়টা ইলেকট্রন দিচ্ছে/নিচ্ছে বের করব, তারপর চার্জ মিলিয়ে সংকেত বসাব।

সমস্যা ১: NaCl (সিমুলেশনের ডিফল্ট জোড়া)

Na (Z=১১)-এর বিন্যাস ২, ৮, ১, বাইরের স্তরে ১টি ইলেকট্রন। Cl (Z=১৭)-এর বিন্যাস ২, ৮, ৭, বাইরের স্তরে ৭টি। Na ১টা ইলেকট্রন দিলে হয় ২, ৮ (Na+১), Cl সেটা নিলে হয় ২, ৮, ৮ (Cl−১)।

চার্জ ভারসাম্য: ১ × (+১) + ১ × (−১) = ০, তাই সংকেত NaCl।

সমস্যা ২: MgO

Mg-এর বিন্যাস ২, ৮, ২ → ২টি ইলেকট্রন দিয়ে ২, ৮ (Mg+২)। O-এর বিন্যাস ২, ৬ → ২টি ইলেকট্রন নিয়ে ২, ৮ (O−২)।

দুই চার্জই সমান মাপের বলে অনুপাত ১:১, সংকেত MgO।

সমস্যা ৩: CaCl₂

Ca-এর বিন্যাস ২, ৮, ৮, ২ → ২টি ইলেকট্রন দিয়ে ২, ৮, ৮ (Ca+২)। একটা Ca-এর দেওয়া মোট ২টা ইলেকট্রন লাগে দুটো আলাদা Cl পরমাণুর অষ্টক পূরণ করতে, প্রতিটা Cl মাত্র ১টা করে নেয়।

তাই Ca : Cl = ১ : ২, সংকেত CaCl₂। যাচাই: ১(+২) + ২(−১) = ০।

সমস্যা ৪: MgCl₂

Mg+২ আর Cl−১ — একই রকম হিসাব CaCl₂-এর মতো, শুধু ধাতু বদলেছে। Mg : Cl = ১ : ২, সংকেত MgCl₂।

লক্ষ করো, Ca আর Mg দুজনেরই বাইরের স্তরে ২টা ইলেকট্রন, তাই দুজনেরই ক্লোরিনের সাথে সংকেত একই ধরনের অনুপাতে গড়ে।

সমস্যা ৫: Na₂O

O−২-এর অষ্টক পূরণ করতে ২টা ইলেকট্রন লাগে, কিন্তু একটা Na মাত্র ১টা করে দিতে পারে (Na+১)। তাই ২টা আলাদা Na পরমাণু লাগে, প্রতিটা ১টা করে ইলেকট্রন দেয়, মোট ২টা।

Na : O = ২ : ১, সংকেত Na₂O। যাচাই: ২(+১) + ১(−২) = ০।

সমস্যা ৬: KBr

K-এর বিন্যাস ২, ৮, ৮, ১ → ১টা ইলেকট্রন দিয়ে ২, ৮, ৮ (K+১)। Br-এর বিন্যাস ২, ৮, ১৮, ৭ → ১টা ইলেকট্রন নিয়ে ২, ৮, ১৮, ৮ (Br−১)।

দুই চার্জই মাপে ১, তাই অনুপাত ১:১, সংকেত KBr। ব্রোমিনের তৃতীয় স্তর (M) পূর্ণ ১৮টা ইলেকট্রন নিয়ে, তাও অষ্টক নিয়ম খাটে শুধু সবচেয়ে বাইরের স্তরে।

সমস্যা ৭ (সম্প্রসারণ): অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড, তিনটার বেশি চার্জ হলে

অ্যালুমিনিয়ামের বাইরের স্তরে ৩টা ইলেকট্রন, তাই আয়ন হয় Al+৩। অক্সিজেনের আয়ন O−২। গসাগু(৩, ২) = ১, তাই সরাসরি ক্রিস-ক্রস: অ্যালুমিনিয়াম লাগবে ২টা, অক্সিজেন লাগবে ৩টা।

সংকেত Al₂O₃। এভাবেই ৩ চার্জযুক্ত আয়ন হলেও একই নিয়ম কাজ করে, শুধু সংখ্যাগুলো বড় হয়।

ছয়টি আয়নিক যৌগের পাশাপাশি তুলনা

উপরের সাতটা সমস্যার হিসাবগুলো একসাথে সাজালে একটা প্যাটার্ন চোখে পড়ে: ধাতুর চার্জ যত বেশি, অধাতুর সংখ্যা তত বেশি লাগতে পারে, আর দুই চার্জ সমান হলে অনুপাত সবসময় ১:১-এ নেমে আসে।

যৌগসংকেত (হিসাব করা)ধাতব আয়নঅধাতব আয়নঅনুপাত (ধাতু : অধাতু)
সোডিয়াম ক্লোরাইডNaClNa⁺Cl⁻১ : ১
ম্যাগনেসিয়াম অক্সাইডMgOMg²⁺O²⁻১ : ১
ক্যালসিয়াম ক্লোরাইডCaCl₂Ca²⁺Cl⁻১ : ২
ম্যাগনেসিয়াম ক্লোরাইডMgCl₂Mg²⁺Cl⁻১ : ২
সোডিয়াম অক্সাইডNa₂ONa⁺O²⁻২ : ১
পটাশিয়াম ব্রোমাইডKBrK⁺Br⁻১ : ১

আয়নিক যৌগের ভৌত বৈশিষ্ট্য

আয়নিক বন্ধনের ধরন থেকেই আয়নিক যৌগের চেনা বৈশিষ্ট্যগুলো বোঝা যায়। জালিকার প্রতিটা আয়ন চারদিক থেকে বিপরীত চার্জের আয়নে ঘেরা থাকে, আর এই আকর্ষণ চার দিক থেকেই টানে বলে বন্ধনটা খুব শক্ত।

বৈশিষ্ট্যকারণ
গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক অনেক বেশিজালিকার সব আয়নের মধ্যকার আকর্ষণ একসাথে ভাঙতে অনেক তাপশক্তি লাগে (NaCl প্রায় ৮০১°C-এ গলে)
কঠিন অবস্থায় বিদ্যুৎ পরিবহন করে নাআয়নগুলো জালিকায় নির্দিষ্ট জায়গায় আটকে থাকে, মুক্তভাবে চলাচল করতে পারে না
গলিত বা পানিতে দ্রবীভূত অবস্থায় বিদ্যুৎ পরিবহন করেআয়নগুলো তখন মুক্তভাবে চলাচল করতে পারে, চার্জ বহন করে নিয়ে যায়
ভঙ্গুর (আঘাত করলে ভেঙে যায়, বাঁকে না)আঘাতে এক সারি আয়ন সরে গেলে একই চার্জের আয়ন মুখোমুখি চলে আসে, বিকর্ষণে জালিকা ভেঙে যায়
পানির মতো পোলার দ্রাবকে সহজে দ্রবীভূত হয় (অনেকগুলোই)পানির অণু নিজেই ছোট আয়নের মতো আচরণ করে আয়নগুলোকে ঘিরে জালিকা থেকে টেনে বের করে আনে

স্ফটিক জালিকা: প্রতিটা আয়ন চারদিক থেকে টানে

একটা মাত্র Na⁺ আর একটা মাত্র Cl⁻ নিয়ে গল্প শেষ হয় না। বাস্তব লবণের দানায় লক্ষ কোটি Na⁺ আর Cl⁻ পরপর সাজানো থাকে, প্রতিটা Na⁺ ছয়টা Cl⁻-এ ঘেরা আর প্রতিটা Cl⁻ ছয়টা Na⁺-এ ঘেরা — একটা ত্রিমাত্রিক পুনরাবৃত্ত কাঠামো, যাকে বলে স্ফটিক জালিকা। উপরের সিমুলেশনের জালিকা দৃশ্যটা এই ধারণার একটা সরল দ্বিমাত্রিক (২-ডি) ছবি: পাশাপাশি বিপরীত চার্জের আয়ন, একে অন্যকে টানছে।

বাস্তবে NaCl-এর জালিকা ঘনকাকার (রক-সল্ট গঠন), কিন্তু CaCl₂ বা Na₂O-এর জালিকা ভিন্ন আকৃতির — কারণ আয়নের আকার আর অনুপাত ভিন্ন। সিমুলেশনের ২-ডি চেকারবোর্ড ছবিটা তাই একেবারে হুবহু কোনো নির্দিষ্ট যৌগের গঠন আঁকছে না, বরং সব আয়নিক যৌগেরই সাধারণ নীতিটা দেখাচ্ছে: বিপরীত চার্জের আয়ন সবসময় একে অপরকে চারদিক থেকে টানে।

এই সবদিক থেকে টানাটানিই ব্যাখ্যা করে কেন আয়নিক যৌগ এত শক্ত অথচ ভঙ্গুর: বন্ধন ভাঙতে অনেক শক্তি লাগে (তাই গলনাঙ্ক বেশি), কিন্তু একটা সারি একটু সরে গেলেই একই চার্জের আয়ন মুখোমুখি হয়ে বিকর্ষণ করে, পুরো স্ফটিকটাই ফেটে যায়।

যে ভুলগুলো সবাই করে

এই ভুলগুলো এড়ালে আয়নিক বন্ধনের অঙ্কে আর সংজ্ঞায় নম্বর কাটার ভয় থাকে না।

  • “আয়নিক বন্ধনে ইলেকট্রন ভাগাভাগি হয়” লেখা। ভাগাভাগি সমযোজী বন্ধনে হয়; আয়নিক বন্ধনে ইলেকট্রন সম্পূর্ণ স্থানান্তরিত হয়, একজনের থেকে আরেকজনে চলে যায়।
  • সংকেতে সাবস্ক্রিপ্ট বসিয়ে সরল করতে ভুলে যাওয়া। Mg²⁺ আর O²⁻ থেকে সরাসরি Mg₂O₂ লিখলে ভুল হবে; দুটোকেই ২ দিয়ে ভাগ করে MgO লিখতে হয়।
  • ক্যাটায়ন আর অ্যানায়ন গুলিয়ে ফেলা। মনে রাখার উপায়: cation-এ “t” আছে, t মানে positive (ধনাত্মক) ভাবতে পারো; anion ঋণাত্মক।
  • সব ধাতু-অধাতু জোড়ায় ১:১ অনুপাত ধরে নেওয়া। অনুপাত নির্ভর করে দুজনের চার্জের ওপর, তাই CaCl₂-তে ১:২ হয়, NaCl-এ ১:১।
  • অষ্টক নিয়মে ব্যতিক্রম আছে ভুলে যাওয়া (যেমন হাইড্রোজেনের পূর্ণ স্তরে ২টা ইলেকট্রন লাগে, ৮টা না); ভাগ্যক্রমে আমাদের ছয়টা যৌগের কোনোটাতেই এই ব্যতিক্রম আসে না।
  • আয়নিক যৌগকে “অণু” বলা। NaCl কোনো একক অণু নয়, এটা লক্ষ কোটি আয়নের একটানা জালিকা; “সংকেত একক” বলাই সঠিক।

বাস্তব জীবনে আয়নিক যৌগ

আয়নিক বন্ধন শুধু পরীক্ষার জন্য না, রান্নাঘর থেকে শুরু করে নির্মাণকাজ পর্যন্ত চারপাশের অনেক কিছুর পেছনেই এই বন্ধন।

  • খাবার লবণ (NaCl): রান্নার অপরিহার্য উপাদান, শরীরে স্নায়ু সংকেত পরিবহনেও দরকারি।
  • চুন ও সিমেন্ট শিল্প (CaO, Ca(OH)₂): দেয়াল রং, মাটির অম্লত্ব কমাতে আর নির্মাণকাজে ব্যবহৃত হয়।
  • ম্যাগনেসিয়াম অক্সাইড (MgO): উচ্চ গলনাঙ্কের কারণে চুল্লির ভেতরের আস্তরণ (রিফ্র্যাক্টরি) হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
  • ম্যাগনেসিয়াম ক্লোরাইড (MgCl₂): শীতপ্রধান দেশে রাস্তার বরফ গলাতে আর টোফু তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
  • পটাশিয়াম ব্রোমাইড (KBr): পুরনো দিনের ওষুধে আর ইনফ্রারেড স্পেকট্রোস্কোপির যন্ত্রাংশে ব্যবহৃত হতো।
  • শরীরের ভেতরে: রক্তে ও কোষে দ্রবীভূত Na⁺, K⁺, Ca²⁺, Cl⁻ আয়ন স্নায়ু সংকেত, পেশি সংকোচন আর হৃদস্পন্দন নিয়ন্ত্রণ করে।

পরীক্ষার কর্নার: SSC ও HSC

SSC রসায়নের ৫ম অধ্যায় “রাসায়নিক বন্ধন”-এ আয়নিক বন্ধন নিয়মিত আসে। জ্ঞানমূলক প্রশ্নে সংজ্ঞা, অনুধাবনে “কেন ধাতু-অধাতু জোড়ায় আয়নিক বন্ধন হয়”, আর প্রয়োগ-উচ্চতর দক্ষতায় ইলেকট্রন বিন্যাস দেখে সংকেত বের করার অঙ্ক থাকে। HSC-তে একই ধারণা আরও গভীরভাবে আসে জালিকা শক্তি আর বর্ন-হেবার চক্রের সাথে।

একটি নমুনা সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক: ‘X’ মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা ১২, ‘Y’ মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা ৮। দুজন বিক্রিয়া করে একটি সাদা কঠিন যৌগ তৈরি করে।

ক) আয়নিক বন্ধন কাকে বলে? খ) অষ্টক নিয়মটি লেখো। গ) X ও Y-এর ইলেকট্রন বিন্যাস দেখিয়ে তাদের আয়নে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করো। ঘ) “X ও Y-এর সংযোগে গঠিত যৌগটির গলনাঙ্ক NaCl-এর চেয়ে বেশি”— বিশ্লেষণ করো।

গ-এর উত্তর: X (Mg) ২, ৮, ২ থেকে ২ ইলেকট্রন দিয়ে ২, ৮ হয় (Mg+২); Y (O) ২, ৬ থেকে ২ ইলেকট্রন নিয়ে ২, ৮ হয় (O−২); সংকেত MgO। ঘ-এর মূল কথা: MgO-র দুই আয়নেরই চার্জ ২, তাই আকর্ষণ NaCl-এর (চার্জ ১) চেয়ে জোরালো, ফলে গলনাঙ্কও বেশি।

রিভিশন: শেষ মুহূর্তের সারসংক্ষেপ

পরীক্ষার আগের রাতে শুধু এই তালিকা আর উপরের সংকেতের সারণিটা একবার দেখে নিলেই যথেষ্ট।

  • আয়নিক বন্ধন: ধাতুর ইলেকট্রন অধাতুতে সম্পূর্ণ স্থানান্তরিত হয়ে দুজনই অষ্টক (৮টি বাইরের ইলেকট্রন) পায়।
  • ধাতু হারায় ইলেকট্রন → ক্যাটায়ন (ধনাত্মক); অধাতু পায় ইলেকট্রন → অ্যানায়ন (ঋণাত্মক)।
  • চার্জ ভারসাম্য (ক্রিস-ক্রস নিয়ম): সংকেতের অনুপাত বের হয় দুই আয়নের চার্জ থেকে, গসাগু দিয়ে সরল করে।
  • ছয়টা উদাহরণ: NaCl, MgO, CaCl₂, MgCl₂, Na₂O, KBr।
  • আয়নিক যৌগ: গলনাঙ্ক বেশি, কঠিন অবস্থায় অপরিবাহী কিন্তু গলিত/দ্রবীভূত অবস্থায় পরিবাহী, ভঙ্গুর।
  • একাধিক আয়ন মিলে ত্রিমাত্রিক স্ফটিক জালিকা গড়ে, প্রতিটা আয়ন চারপাশের বিপরীত চার্জের আয়নকে টানে।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

আয়নিক বন্ধন কাকে বলে?

একটি ধাতু পরমাণু তার এক বা একাধিক যোজ্যতা ইলেকট্রন সম্পূর্ণভাবে একটি অধাতু পরমাণুকে দিয়ে দিলে ধাতুটি ধনাত্মক আয়ন (ক্যাটায়ন) আর অধাতুটি ঋণাত্মক আয়ন (অ্যানায়ন) হয়ে যায়; এই দুই বিপরীত চার্জের আয়নের মধ্যে স্থির-বৈদ্যুতিক আকর্ষণে গঠিত বন্ধনকেই আয়নিক বা তড়িৎযোজী বন্ধন বলে।

আয়নিক বন্ধন আর সমযোজী বন্ধনের পার্থক্য কী?

আয়নিক বন্ধনে ইলেকট্রন সম্পূর্ণ স্থানান্তরিত হয় (ধাতু থেকে অধাতুতে), সমযোজী বন্ধনে দুই অধাতু ইলেকট্রন জোড়া ভাগাভাগি করে নেয়। আয়নিক যৌগ সাধারণত কঠিন ও উচ্চ গলনাঙ্কের, সমযোজী যৌগ প্রায়ই তরল বা গ্যাসীয় ও নিম্ন গলনাঙ্কের হয়।

সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl) কীভাবে গঠিত হয়?

সোডিয়াম (Na) তার বাইরের স্তরের ১টি ইলেকট্রন ক্লোরিনকে (Cl) দিয়ে দেয়। ফলে Na+১ (বিন্যাস ২, ৮) আর Cl−১ (বিন্যাস ২, ৮, ৮) তৈরি হয়; দুজনেরই বাইরের স্তর অষ্টক দিয়ে পূর্ণ হয়। এই বিপরীত চার্জের আকর্ষণেই তৈরি হয় NaCl।

কীভাবে বুঝব কোনো যৌগের সংকেতে কয়টা করে পরমাণু বসবে?

চার্জ ভারসাম্যের নিয়ম দিয়ে: ধাতুর আয়নের চার্জ (চিহ্ন বাদে) অধাতুর সাবস্ক্রিপ্ট হয়, আর অধাতুর চার্জ ধাতুর সাবস্ক্রিপ্ট হয়। এরপর দুই সাবস্ক্রিপ্টের সাধারণ গুণনীয়ক (গসাগু) থাকলে দিয়ে ভাগ করে সরল করতে হয়, যেমন MgO-তে ২,২ সরল হয়ে ১,১ হয়ে যায়।

অষ্টক নিয়ম কী?

পরমাণুরা রাসায়নিক বন্ধন গঠনের সময় এমনভাবে ইলেকট্রন হারায়, পায় বা ভাগাভাগি করে, যাতে তাদের বাইরের শক্তিস্তরে নিষ্ক্রিয় গ্যাসের মতো ৮টি ইলেকট্রন জমা হয়ে সবচেয়ে স্থিতিশীল অবস্থা তৈরি হয়; একেই অষ্টক নিয়ম বলে।

CaCl₂-তে একটা ক্যালসিয়ামের সাথে দুইটা ক্লোরিন কেন লাগে?

ক্যালসিয়াম দুইটা ইলেকট্রন হারিয়ে Ca+২ হয়, কিন্তু প্রতিটা ক্লোরিন মাত্র একটা ইলেকট্রন নিতে পারে (Cl−১)। তাই ক্যালসিয়ামের দুইটা ইলেকট্রন নিতে দুইটা আলাদা ক্লোরিন পরমাণু লাগে, সংকেত হয় CaCl₂।

ক্যাটায়ন আর অ্যানায়নের মধ্যে পার্থক্য কী?

ক্যাটায়ন হলো ইলেকট্রন হারিয়ে তৈরি হওয়া ধনাত্মক আয়ন (যেমন Na⁺, Mg²⁺), সাধারণত ধাতু থেকে তৈরি হয়। অ্যানায়ন হলো ইলেকট্রন পেয়ে তৈরি হওয়া ঋণাত্মক আয়ন (যেমন Cl⁻, O²⁻), সাধারণত অধাতু থেকে তৈরি হয়।

আয়নিক যৌগ কঠিন অবস্থায় বিদ্যুৎ পরিবহন করে না কেন?

কঠিন অবস্থায় প্রতিটা আয়ন স্ফটিক জালিকায় নির্দিষ্ট জায়গায় শক্তভাবে আটকে থাকে, মুক্তভাবে চলাচল করতে পারে না। বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য চার্জবাহী কণার মুক্ত চলাচল দরকার, তাই গলিয়ে বা পানিতে দ্রবীভূত করলেই কেবল আয়নিক যৌগ বিদ্যুৎ পরিবহন করে।

আয়নিক বন্ধন গঠনে কি সবসময় একটামাত্র ইলেকট্রন স্থানান্তরিত হয়?

না। কয়টা ইলেকট্রন যাবে তা নির্ভর করে ধাতুর বাইরের স্তরের ইলেকট্রন সংখ্যার ওপর। Na মাত্র ১টা দেয়, কিন্তু Mg বা Ca ২টা করে দেয় (Mg+২, Ca+২), আর অ্যালুমিনিয়াম ৩টা দেয়।

এই বিষয়ের আরও পড়াশোনা

অ্যানিমেশনে ধারণা পরিষ্কার হলো, এবার পরীক্ষার প্রস্তুতি: সিলেবাস, সাজেশন, বই আর ভর্তি পরীক্ষার গাইড নিচে।

আরও রসায়ন অ্যানিমেশন

SSC · HSC

পরমাণুর গঠন

পরমাণুর গঠন চিত্রসহ ব্যাখ্যা: প্রোটন, নিউট্রন, ইলেকট্রন, পারমাণবিক সংখ্যা, ভরসংখ্যা, আইসোটোপ ও ইলেকট্রন বিন্যাস। নিজে পরমাণু বানিয়ে দেখো, গাণিতিক উদাহরণসহ।

SSC · HSC

এসিড, ক্ষারক ও pH স্কেল

pH কি বা কাকে বলে, pH স্কেল কীভাবে কাজ করে, এসিড ও ক্ষারকের পার্থক্য, নির্দেশক ও প্রশমন বিক্রিয়া: বুরেট থেকে ফোঁটা ফেলে নিজে টাইট্রেশন করে দেখো, গাণিতিক সমস্যাসহ।

SSC · HSC

ইলেকট্রন বিন্যাস

ইলেকট্রন বিন্যাস কাকে বলে, লেখার সহজ নিয়ম, আউফবাউ, পাউলির বর্জন ও হুন্ডের নীতি, Cr-Cu ব্যতিক্রম, আয়ন: ইলেকট্রন একটি একটি করে বসতে দেখো, ১-৩৬ মৌলের তালিকাসহ।

SSC · HSC

গ্যাসের সূত্র: বয়েল, চার্লস ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ

বয়েলের সূত্র, চার্লসের সূত্র, চাপীয় সূত্র, অ্যাভোগেড্রোর সূত্র ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ PV = nRT: পিস্টন টেনে নিজে দেখো, লেখচিত্র, R-এর মান ও গাণিতিক সমস্যাসহ।

SSC · HSC

তড়িৎ বিশ্লেষণ ও ফ্যারাডের সূত্র

তড়িৎ বিশ্লেষণ কাকে বলে, ক্যাথোড-অ্যানোডে কী উৎপন্ন হয়, আর ফ্যারাডের সূত্রে ভর কীভাবে হিসাব হয়: গলিত NaCl, CuSO₄ বা অম্লীভূত পানি বেছে নিয়ে নিজে দেখো, সূত্র ও অঙ্কসহ।

SSC · HSC

সমযোজী বন্ধন

সমযোজী বন্ধন কাকে বলে, একক-দ্বি-ত্রিবন্ধন কীভাবে গঠিত হয়, অক্টেট নিয়ম কী: H₂O, NH₃, CH₄, CO₂ অণুর ডট-ক্রস চিত্র সিমুলেশনে নিজে বানিয়ে দেখো, পোলারিটিসহ।

SSC · HSC

পর্যায়বৃত্ত ধর্ম

পর্যায়বৃত্ত ধর্ম কাকে বলে, পারমাণবিক ব্যাসার্ধ ও আয়নিকরণ শক্তি পর্যায় ও গ্রুপে কীভাবে বদলায়: প্রথম ৩৬টি মৌলের হিটম্যাপে নিজে পরীক্ষা করে দেখো, ব্যতিক্রমসহ।

SSC · HSC

বিক্রিয়ার হার ও সংঘর্ষ তত্ত্ব

বিক্রিয়ার হার কীসের ওপর নির্ভর করে? সংঘর্ষ তত্ত্বের সিমুলেশনে তাপমাত্রা, ঘনমাত্রা আর প্রভাবক বদলে সক্রিয়ণ শক্তির লেখচিত্র ও উৎপাদের রেখা নিজের চোখে দেখো।

Class 9 · SSC

পদার্থের অবস্থা: কঠিন, তরল, গ্যাসীয় ও তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র

কঠিন, তরল ও গ্যাসীয় অবস্থায় কণা কেমন আচরণ করে নিজে দেখো। পানির তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র, গলন, স্ফুটন, সুপ্ততাপ, ঊর্ধ্বপাতন আর Q = mcΔT ও Q = mL-এর সমাধানসহ।

HSC

পরমাণুর অরবিটাল: s, p, d-এর আকৃতি, কোয়ান্টাম সংখ্যা ও নোড

1s, 2s, 2p ও 3d অরবিটাল ঘুরিয়ে 3D-তে দেখো। কক্ষপথ ও অরবিটালের পার্থক্য, চার কোয়ান্টাম সংখ্যা, রেডিয়াল ও কৌণিক নোড গোনা, উপস্তরের ইলেকট্রন ধারণক্ষমতা, সমাধানসহ।

HSC

আণবিক আকৃতি ও ভিএসইপিআর তত্ত্ব: বন্ধন জোড়, মুক্তজোড় ও বন্ধন কোণ

ত্রিমাত্রিক অণু বানিয়ে ঘোরাও। বন্ধন জোড় ও মুক্তজোড় ইলেকট্রন কীভাবে CH4, NH3, H2O, PCl5, SF6-এর আকৃতি, বন্ধন কোণ ও সংকরণ ঠিক করে, সমাধানসহ হাতেকলমে শেখো।

SSC · HSC

মোল ধারণা: মোলার ভর, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা ও মোলার আয়তন

মোল কাকে বলে, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা কত, মোলার ভর ও STP-তে মোলার আয়তন (২২.৪ লিটার) কী? পাল্লায় ওজন মেপে মোল ও অণুর সংখ্যা নিজে বের করো; শতকরা সংযুতি ও গাণিতিক সমস্যাসহ।

SSC · HSC

ব্যাপন ও নিঃসরণ: গ্রাহামের সূত্র

নলের ভেতর NH₃ ও HCl মিলে সাদা বলয় তৈরি করা দেখো, তারপর সূক্ষ্ম ছিদ্র দিয়ে গ্যাসের নিঃসরণের দৌড়। গ্রাহামের ব্যাপন সূত্রের প্রমাণ ও অঙ্ক সমাধানসহ।

SSC · HSC

রাসায়নিক সমীকরণ সমতাকরণ: পদ্ধতি, উদাহরণ ও অনুশীলন

রাসায়নিক সমীকরণ কীভাবে মেলাতে হয়? সহগ বদলে দুই পাশের পরমাণু গুনে দেখো। পানি, মিথেন, মরিচা, রান্নার গ্যাসসহ পাঁচটি সমীকরণ ধাপে ধাপে সমাধান, SSC ও HSC প্রস্তুতির জন্য।

HSC

রাসায়নিক সাম্যাবস্থা: সাম্যধ্রুবক Kc ও লা শাতেলিয়ের নীতি

রাসায়নিক সাম্যাবস্থা কী, সাম্যধ্রুবক Kc কীভাবে বের করে, আর ঘনমাত্রা, তাপ ও চাপ বদলালে বিক্রিয়া কোন দিকে সরে? হেবার প্রক্রিয়ার অ্যানিমেশনে হার-রেখা দেখে লা শাতেলিয়ের নীতি বোঝো।

SSC · HSC

টাইট্রেশন: অম্ল-ক্ষারের ঘনমাত্রা বের করার পদ্ধতি

টাইট্রেশন কী, ব্যুরেট ও নির্দেশক কীভাবে কাজ করে, শেষ বিন্দু আর সমতা বিন্দু কী এক জিনিস না, আর V₁M₁ = V₂M₂ দিয়ে ঘনমাত্রা কীভাবে বের করবে? pH লেখচিত্রসহ সিমুলেশনে হাতে-কলমে শেখো।

HSC

গ্যালভানিক কোষ: ড্যানিয়েল কোষ, EMF ও নার্নস্ট সমীকরণ

গ্যালভানিক কোষ কীভাবে বিদ্যুৎ বানায়? ড্যানিয়েল কোষে ইলেকট্রন আর লবণ সেতুর আয়ন কোন দিকে যায়, দণ্ডের ভর কীভাবে বদলায়, আদর্শ ও নার্নস্ট EMF কত? সিমুলেশনে ঘনমাত্রা বদলে নিজে দেখো।

SSC · HSC

জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া: জারণ সংখ্যা, ইলেকট্রন স্থানান্তর ও অর্ধ-সমীকরণ

জারণ ও বিজারণ কী, জারণ সংখ্যা কীভাবে বের করে, কোনটা জারক আর কোনটা বিজারক? পাঁচটি বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের চলাচল দেখো, অর্ধ-সমীকরণ ও সমাধান করা অঙ্কসহ।

SSC · HSC

হাইড্রোকার্বন: অ্যালকেন, অ্যালকিন, অ্যালকাইন ও কাঠামোগত সমাণু ত্রিমাত্রায়

অ্যালকেন, অ্যালকিন ও অ্যালকাইনকে ঘূর্ণায়মান বল-স্টিক মডেলে দেখো। কার্বন সংখ্যা বদলাও, সাধারণ সংকেত ও IUPAC নাম পড়ো, আর বিউটেন, পেন্টেন, হেক্সেনের সব কাঠামোগত সমাণু দেখো।

HSC

কার্যকরী মূলক: অ্যালকোহল, অ্যালডিহাইড, কিটোন, অ্যাসিড, এস্টার ও অ্যামিন

কার্যকরী মূলক কী, অ্যালকোহল-অ্যালডিহাইড-কিটোন-অ্যাসিড-এস্টার-অ্যামিন কীভাবে চিনবে, IUPAC নাম কীভাবে লিখবে? আটটি পরিবারের গঠন দেখো, পরীক্ষা ও সমাধান করা অঙ্কসহ।

HSC

পলিমারকরণ: যোজন ও ঘনীভবন পলিমার, পলিথিন ও নাইলন

পলিমার কী, যোজন ও ঘনীভবন পলিমারকরণে পার্থক্য কী? ইথিন থেকে পলিথিন আর নাইলন-৬,৬ তৈরি দেখো, শিকলের আণবিক ভর ও নির্গত পানির হিসাবসহ।

SSC · HSC

মিশ্রণ আলাদা করার পদ্ধতি: ছাঁকন, পাতন, ক্রোমাটোগ্রাফি, স্ফটিকীকরণ

ছাঁকন, সরল ও আংশিক পাতন, কাগজ ক্রোমাটোগ্রাফি আর স্ফটিকীকরণ চোখের সামনে চলতে দেখো। Rf-এর হিসাব, পাতনের তাপমাত্রা-রেখা আর স্ফটিকের ফলন হাতে-কলমে।

HSC

কেলাস জালক: SC, BCC ও FCC একক কোষ, প্যাকিং দক্ষতা ও ঘনত্ব

সরল, দেহকেন্দ্রিক ও ফলককেন্দ্রিক ঘন একক কোষ ঘুরিয়ে দেখো। প্রতি কোষে পরমাণু, সন্নিবেশ সংখ্যা, প্যাকিং দক্ষতা (৫২.৪%, ৬৮%, ৭৪%) আর ঘনত্বের হিসাব।

HSC

তেজস্ক্রিয়তা: আলফা, বিটা, গামা ক্ষয় ও অর্ধায়ু

আলফা, বিটা, গামা ক্ষয়ে A ও Z কীভাবে বদলায় দেখো, পারমাণবিক সমীকরণ মেলাও, ১০০ পরমাণুর এলোমেলো ক্ষয় অর্ধায়ু রেখা ধরে চলতে দেখো। কার্বন-১৪ কালনির্ণয়সহ বিনা মূল্যের সিমুলেশন।

অন্য বিষয়ের অ্যানিমেশন

পদার্থবিজ্ঞান

আলোর প্রতিসরণ

পদার্থবিজ্ঞান

ওহমের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

প্রাসের গতি

পদার্থবিজ্ঞান

সরল দোলক

পদার্থবিজ্ঞান

তড়িৎ ক্ষেত্র

পদার্থবিজ্ঞান

তরঙ্গের ব্যতিচার

পদার্থবিজ্ঞান

পড়ন্ত বস্তু ও পড়ন্ত বস্তুর সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

লেন্সে প্রতিবিম্ব গঠন

পদার্থবিজ্ঞান

নিউটনের গতির সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

গোলীয় দর্পণে প্রতিবিম্ব গঠন

পদার্থবিজ্ঞান

তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ ও ফ্যারাডের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

ভরবেগের সংরক্ষণ ও সংঘর্ষ

পদার্থবিজ্ঞান

কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি

পদার্থবিজ্ঞান

নততল

পদার্থবিজ্ঞান

বৃত্তাকার গতি

পদার্থবিজ্ঞান

অনুপ্রস্থ ও অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ

পদার্থবিজ্ঞান

লিভার ও ভ্রামক

পদার্থবিজ্ঞান

ভরকেন্দ্র

পদার্থবিজ্ঞান

স্প্রিং-ভর ও সরল ছন্দিত স্পন্দন

পদার্থবিজ্ঞান

ভেক্টর যোগ: ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

আপেক্ষিক বেগ: ট্রেন ও নদী পারাপার

পদার্থবিজ্ঞান

কেপলারের সূত্র ও উপবৃত্তাকার কক্ষপথ

পদার্থবিজ্ঞান

নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র, g ও কৃত্রিম উপগ্রহ

পদার্থবিজ্ঞান

তার ও নলে স্থির তরঙ্গ

পদার্থবিজ্ঞান

অনুনাদ নল ও শব্দের দ্রুতি

পদার্থবিজ্ঞান

স্বরকম্প: কাছাকাছি দুই সুরের স্পন্দন

পদার্থবিজ্ঞান

ডপলার প্রভাব: চলমান উৎস, চলমান শ্রোতা ও সনিক বুম

পদার্থবিজ্ঞান

প্রিজম, আলোর বিচ্ছুরণ ও রামধনু

পদার্থবিজ্ঞান

কির্শফের সূত্র: সংযোগ সূত্র ও বদ্ধ পথ সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

হুইটস্টোন ব্রিজ ও মিটার ব্রিজ

পদার্থবিজ্ঞান

একক চিড়ে অপবর্তন

পদার্থবিজ্ঞান

চোখের ত্রুটি ও তার প্রতিকার

পদার্থবিজ্ঞান

আলোর সমবর্তন: ম্যালাসের সূত্র ও ব্রুস্টারের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

ক্যাপাসিটরের আহিতকরণ ও নিরাহিতকরণ: আরসি সময় ধ্রুবক

পদার্থবিজ্ঞান

চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা: দণ্ডচুম্বক, তড়িৎবাহী সরল তার ও সলিনয়েড

পদার্থবিজ্ঞান

এসি জেনারেটর

পদার্থবিজ্ঞান

ট্রান্সফর্মার

পদার্থবিজ্ঞান

তাপের সঞ্চালন: পরিবহন, পরিচলন ও বিকিরণ

পদার্থবিজ্ঞান

আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া: আইনস্টাইনের সমীকরণ ও নিবৃত্তি বিভব

পদার্থবিজ্ঞান

মোটর ক্রিয়া: তড়িৎবাহী তারের ওপর বল ও ডিসি মোটর

পদার্থবিজ্ঞান

গ্যাসের অণু ও গতিতত্ত্ব: চাপ, তাপমাত্রা ও দ্রুতি

পদার্থবিজ্ঞান

অর্ধপরিবাহী ডায়োড: p–n সন্ধি, I–V বক্ররেখা ও রেক্টিফায়ার

পদার্থবিজ্ঞান

তেজস্ক্রিয় ক্ষয়: অর্ধায়ু, ক্ষয় সূত্র ও বিকিরণের ভেদন ক্ষমতা

পদার্থবিজ্ঞান

বোর পরমাণু মডেল: কক্ষপথ, শক্তিস্তর ও হাইড্রোজেনের বর্ণালি

জীববিজ্ঞান

মাইটোসিস কোষ বিভাজন

জীববিজ্ঞান

ব্যাপন ও অভিস্রবণ

জীববিজ্ঞান

সালোকসংশ্লেষণ

জীববিজ্ঞান

মানব হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কাজ

জীববিজ্ঞান

মেন্ডেলের বংশগতি সূত্র

জীববিজ্ঞান

ডিএনএ রেপ্লিকেশন

জীববিজ্ঞান

কোষীয় শ্বসন

জীববিজ্ঞান

এনজাইম ক্রিয়া

জীববিজ্ঞান

স্নায়ু উদ্দীপনার পরিবহন ও অ্যাকশন পটেনশিয়াল

জীববিজ্ঞান

নেফ্রন ও মূত্র তৈরির প্রক্রিয়া

জীববিজ্ঞান

মিয়োসিস কোষ বিভাজন

জীববিজ্ঞান

পরিপাকতন্ত্র

জীববিজ্ঞান

শ্বাসক্রিয়ার কৌশল: প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস

জীববিজ্ঞান

প্রোটিন সংশ্লেষণ

জীববিজ্ঞান

রক্ত সংবহন: দ্বি-সংবহন ও কার্ডিয়াক আউটপুট

জীববিজ্ঞান

কোষের গঠন ও অঙ্গাণু: উদ্ভিদ কোষ বনাম প্রাণী কোষ

জীববিজ্ঞান

প্রতিবর্ত ক্রিয়া ও প্রতিবর্ত চাপ

জীববিজ্ঞান

মানুষের চোখ: গঠন, প্রতিবিম্ব ও উপযোজন

জীববিজ্ঞান

পেশি সংকোচন ও স্লাইডিং ফিলামেন্ট মডেল

জীববিজ্ঞান

উদ্ভিদে পরিবহন: জাইলেম, ফ্লোয়েম ও বাষ্পমোচন

জীববিজ্ঞান

খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজাল: শক্তির প্রবাহ ও ১০ % নিয়ম

জীববিজ্ঞান

জনসংখ্যা বৃদ্ধি: সূচকীয় ও লজিস্টিক রেখা

জীববিজ্ঞান

প্রাকৃতিক নির্বাচন: পেপার্ড মথ ও কালিঝুলি মাখা গাছ

জীববিজ্ঞান

রোগপ্রতিরোধ: প্রাথমিক ও গৌণ অ্যান্টিবডি সাড়া

জীববিজ্ঞান

পরাগায়ন ও নিষেক

গণিত

পিথাগোরাসের উপপাদ্য

গণিত

ত্রিকোণমিতিক অনুপাত ও একক বৃত্ত

গণিত

দ্বিঘাত সমীকরণ ও দ্বিঘাত ফাংশনের লেখচিত্র

গণিত

বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য

গণিত

দূরত্ব ও উচ্চতা: উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ

গণিত

সম্ভাবনা: পরীক্ষালব্ধ বনাম তাত্ত্বিক সম্ভাবনা

গণিত

সমান্তর ও গুণোত্তর ধারা

গণিত

গড়, মধ্যক ও প্রচুরক

গণিত

সেট ও ভেনচিত্র

গণিত

সরল সহসমীকরণ ও সরলরেখার লেখচিত্র

গণিত

sin, cos, tan-এর লেখচিত্র

গণিত

পূর্ণবর্গ পদ্ধতি ও দ্বিঘাত সমীকরণের সমাধান

গণিত

বৃত্তের ক্ষেত্রফল: সূত্র, প্রমাণ ও সমাধান

গণিত

ঘনবস্তুর আয়তন ও তলের ক্ষেত্রফল: ঘনক, আয়তঘন, বেলন, কোণক, গোলক

গণিত

সদৃশ ত্রিভুজ: স্কেল ফ্যাক্টর, AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়া থেকে উচ্চতা

গণিত

স্থানাঙ্ক জ্যামিতি: দূরত্ব, মধ্যবিন্দু, ঢাল, বিভক্তিকরণ সূত্র ও সঞ্চারপথ

গণিত

শাঙ্কব ছেদ: বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত ও অধিবৃত্ত

গণিত

ফাংশনের রূপান্তর: সরানো, টানা ও উল্টানো

গণিত

অন্তরীকরণ: স্পর্শকের ঢাল ও ছেদক থেকে স্পর্শক

গণিত

রিম্যান যোগফল ও সমাকলন: বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফল

গণিত

সীমা ও ε–δ সংজ্ঞা: ছবিতে বোঝা

গণিত

ত্রিমাত্রিক ভেক্টর: যোগ, ডট গুণ ও ক্রস গুণ

গণিত

ম্যাট্রিক্স রূপান্তর: ঘূর্ণন, প্রতিফলন, শিয়ার ও নির্ণায়ক

গণিত

জটিল সংখ্যা: আরগান্ড সমতলে যোগ, গুণ, ঘাত ও মূল

গণিত

বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি: স্থানীয় মান, রূপান্তর ও যোগ