মূলপাতা
লগইন

Color

Indigo
Red
Green
Teal
Blue
Purple
Rose

Mode

Light
EN

দ্বিঘাত সমীকরণ: a, b, c বদলাও আর পরাবৃত্তকে নড়তে দেখো

যে সমীকরণে চলকের সর্বোচ্চ ঘাত ২, তা দ্বিঘাত সমীকরণ: ax² + bx + c = 0, যেখানে a ≠ 0। এর মূল x = (−b ± √(b² − 4ac)) / 2a। নিশ্চায়ক D = b² − 4ac ধনাত্মক হলে দুটি, শূন্য হলে সমান দুটি, ঋণাত্মক হলে কোনো বাস্তব মূল নেই। y = ax² + bx + c-এর লেখচিত্র পরাবৃত্ত।

শীর্ষবিন্দু টেনে সরাও

লেখচিত্রমূল (x-অক্ষে ছেদ)প্রতিসাম্য অক্ষশীর্ষবিন্দুy-অক্ষের ছেদবিন্দু

বর্গপূর্ণকরণ: আদর্শ রূপ থেকে শীর্ষবিন্দু রূপ

  1. ১. শুরুর ফাংশনy = x² − ২x − ৩
গতি

নিয়ন্ত্রণ

সমীকরণের রূপ

১.০
-২.০
-৩.০

পরিমাপ

শীর্ষবিন্দু (h, k)
(১, −৪)
প্রতিসাম্য অক্ষ
x = ১
নিশ্চায়ক, D = b² − 4ac
১৬
মূলের প্রকৃতি
দুটি ভিন্ন বাস্তব মূল
মূল নির্ণয়ের সূত্রে মূল
x = (২ ± √১৬) / ২ = ৩, −১
y-অক্ষের ছেদবিন্দু
(0, −৩)
পরাবৃত্তের মুখ
উপরের দিকে (a > 0)
মূলদ্বয়ের যোগফল, −b/a
২
মূলদ্বয়ের গুণফল, c/a
−৩
চলন্ত বিন্দু (x, y)
(০, −৩)

সিমুলেশনটি কীভাবে ব্যবহার করবে

  1. কিছু না ছুঁয়ে আগে দেখো: পর্দায় আছে x² − ২x − ৩। পরাবৃত্ত x-অক্ষকে −১ ও ৩ বিন্দুতে কাটছে, সবুজ বিন্দু দুটিই মূল।
  2. a-এর স্লাইডার বাঁদিকে টেনে ঋণাত্মক করো: পরাবৃত্তের মুখ উল্টে নিচের দিকে হয়ে যায়। একদম ০-তে আনলে লেখচিত্র সরলরেখা হয়ে যায়।
  3. c বাড়িয়ে পরাবৃত্তটাকে উপরে তোলো আর পরিমাপ প্যানেলে নিশ্চায়ক D দেখো: x-অক্ষ ছোঁয়ার মুহূর্তে D = ০, আর উপরে উঠে গেলে D ঋণাত্মক, বাস্তব মূল নেই।
  4. কমলা শীর্ষবিন্দুটি আঙুল বা মাউস দিয়ে টেনে সরাও, অথবা “শীর্ষবিন্দু রূপ” বেছে h ও k স্লাইডার দিয়ে সরাও। প্রতিসাম্য অক্ষও সাথে সাথে সরে যায়।
  5. “বর্গপূর্ণকরণ ধাপে ধাপে দেখাও” চালু রাখো: নিচে তোমার বেছে নেওয়া সংখ্যা দিয়েই পাঁচটি ধাপ একে একে আসে, শেষ ধাপে শীর্ষবিন্দু রূপ।
  6. “উৎপাদক রূপ” বেছে α ও β স্লাইডার দিয়ে মূল দুটি সরাসরি বসাও, তারপর পরিমাপে মূলদ্বয়ের যোগফল −b/a আর গুণফল c/a মিলিয়ে দেখো।

বল ছুড়ে মারো, ঝরনার পানি দেখো: সবখানেই একটা বাঁকা পথ

মাঠে দাঁড়িয়ে একটা ক্রিকেট বল উপরের দিকে একটু সামনে ছুড়ে দাও। বলটা উঠতে উঠতে ধীর হয়, একটা সর্বোচ্চ বিন্দুতে গিয়ে এক মুহূর্ত থামে, তারপর আবার নেমে আসে। পুরো পথটা আঁকলে দেখবে একটা সুন্দর উল্টো U-এর মতো আকার। গণিতে এই আকারের নাম পরাবৃত্ত, আর এই পরাবৃত্তের পেছনের সমীকরণটাই দ্বিঘাত সমীকরণ।

পার্কের ঝরনার পানির ধারা, বাসার ছাদে বসানো ডিশ অ্যান্টেনার বাটি, টর্চের ভেতরের আয়না, কিছু সেতুর ধনুকের মতো বাঁক: সবগুলো একই পরিবারের সদস্য। এরা সবাই y = ax² + bx + c ধরনের একটি সম্পর্ক মেনে চলে।

দোকানদারও না জেনে এই গণিত ব্যবহার করেন। দাম খুব কম রাখলে লাভ কম, দাম খুব বেশি রাখলে ক্রেতা আসে না, লাভ আবার কম। মাঝখানে কোথাও একটা দাম আছে যেখানে লাভ সবচেয়ে বেশি। লাভ বনাম দামের লেখচিত্রও একটা পরাবৃত্ত, আর সবচেয়ে বেশি লাভের দামটা হলো সেই পরাবৃত্তের শীর্ষবিন্দু।

এই পাতায় তুমি উপরের সিমুলেশনে a, b, c বদলে নিজের চোখে দেখবে কীভাবে পরাবৃত্ত নড়ে, কখন x-অক্ষকে দুই জায়গায় কাটে, কখন শুধু ছুঁয়ে যায় আর কখন একেবারেই ছোঁয় না। তারপর শিখবে সমীকরণটা তিনভাবে সমাধান করতে, আর SSC-HSC পরীক্ষার ধরনে অনেকগুলো অঙ্ক কষবে।

একদম শুরু থেকে: দ্বিঘাত সমীকরণ কাকে বলে

“ঘাত” মানে একটা চলক কতবার নিজের সাথে গুণ হয়েছে। x হলো এক ঘাত, x² দুই ঘাত, x³ তিন ঘাত। কোনো সমীকরণে চলকের সবচেয়ে বড় ঘাত যদি ২ হয়, তাহলে তাকে দ্বিঘাত সমীকরণ বলে। “দ্বি” মানে দুই। যেমন x² − ৫x + ৬ = ০ একটি দ্বিঘাত সমীকরণ, কারণ এখানে সবচেয়ে বড় ঘাত x²।

এক চলকবিশিষ্ট দ্বিঘাত সমীকরণের আদর্শ রূপ হলো ax² + bx + c = 0। এখানে a হলো x²-এর সহগ, b হলো x-এর সহগ আর c হলো ধ্রুবক পদ। a, b, c বাস্তব সংখ্যা, আর একটা শর্ত খুব জরুরি: a ≠ 0। কারণ a = 0 হলে x² পদটাই হারিয়ে যায়, সমীকরণটা হয়ে যায় bx + c = 0, যা একটা সরল (একঘাত) সমীকরণ।

b বা c শূন্য হতে পারে, তাতে সমস্যা নেই। x² − 9 = 0 (এখানে b = 0) এবং x² − 4x = 0 (এখানে c = 0) দুটোই দ্বিঘাত সমীকরণ। শুধু a শূন্য হতে পারে না। সিমুলেশনে a-এর স্লাইডার ০-তে আনলে দেখবে পরাবৃত্ত সোজা হয়ে সরলরেখা হয়ে গেছে, আর উপরে লেখা উঠবে যে এটা আর দ্বিঘাত নয়।

সমীকরণ আর ফাংশনের পার্থক্যটাও বুঝে নাও। ax² + bx + c = 0 একটা সমীকরণ: এটা একটা প্রশ্ন, “x-এর কোন মানে বাম পক্ষ শূন্য হয়?” আর y = ax² + bx + c একটা ফাংশন: প্রতিটি x-এর জন্য একটা করে y দেয়। ফাংশনের লেখচিত্র আঁকলে যে পরাবৃত্ত পাই, সেটা x-অক্ষকে (যেখানে y = 0) যেসব বিন্দুতে ছেদ করে, সেই x-গুলোই সমীকরণের মূল।

মূল বা সমাধান মানে এমন সংখ্যা যা x-এর জায়গায় বসালে সমীকরণ সত্য হয়। একটি দ্বিঘাত সমীকরণের সর্বোচ্চ দুটি মূল থাকে। কখনো দুটি আলাদা মূল, কখনো দুটি মূল সমান (মানে আসলে একটাই মান), আর কখনো কোনো বাস্তব মূলই থাকে না। কোনটা হবে, সেটা বলে দেয় নিশ্চায়ক, একটু পরেই সেটা শিখবে।

দরকারি শব্দগুলো এক জায়গায়

সৃজনশীলের জ্ঞানমূলক প্রশ্ন সাধারণত এই শব্দগুলোর সংজ্ঞা থেকেই আসে, তাই টেবিলটা ভালো করে দেখে নাও।

পরিভাষাপ্রতীকঅর্থ
দ্বিঘাত সমীকরণax² + bx + c = 0চলকের সর্বোচ্চ ঘাত ২, আর a ≠ 0
সহগa, bচলকের সাথে গুণ হয়ে থাকা সংখ্যা
ধ্রুবক পদcযে পদে কোনো চলক নেই
মূল (সমাধান, বীজ)α, βযে মান বসালে সমীকরণ সত্য হয়
নিশ্চায়কD = b² − 4acমূল কেমন হবে তা নিশ্চিত করে দেয়
পরাবৃত্ত—y = ax² + bx + c-এর লেখচিত্র, U বা উল্টো U আকৃতি
শীর্ষবিন্দু(h, k)পরাবৃত্তের সর্বনিম্ন বা সর্বোচ্চ বিন্দু
প্রতিসাম্য অক্ষx = hশীর্ষবিন্দু দিয়ে যাওয়া খাড়া রেখা, যা পরাবৃত্তকে দুই সমান ভাগে ভাগ করে
বর্গপূর্ণকরণ(x + p)²সমীকরণকে একটি পূর্ণবর্গের রূপে সাজানোর কৌশল
y-অক্ষের ছেদবিন্দু(0, c)x = 0 বসালে লেখচিত্র y-অক্ষকে যেখানে কাটে

প্রথম পদ্ধতি: উৎপাদকে বিশ্লেষণ করে সমাধান

SSC গণিতে দ্বিঘাত সমীকরণ সমাধানের প্রথম আর সবচেয়ে দ্রুত পদ্ধতি হলো উৎপাদকে বিশ্লেষণ। মূল ধারণাটা খুব সহজ: দুটি সংখ্যার গুণফল শূন্য হলে অন্তত একটি সংখ্যা অবশ্যই শূন্য। 3 × 0 = 0, 0 × 7 = 0, কিন্তু 3 × 7 কখনো শূন্য নয়।

তাই যদি ax² + bx + c-কে দুটি একঘাত রাশির গুণফল হিসেবে লিখতে পারো, যেমন (x − p)(x − q) = 0, তাহলে হয় x − p = 0 নয়তো x − q = 0। মানে x = p অথবা x = q। দ্বিঘাত সমীকরণটা ভেঙে দুটো ছোট সরল সমীকরণ হয়ে গেল।

a = 1 হলে উৎপাদক খোঁজার কৌশল: এমন দুটি সংখ্যা খোঁজো যাদের গুণফল c আর যোগফল b। তারপর মাঝের পদ bx-কে ওই দুই সংখ্যা দিয়ে ভেঙে লেখো (মধ্যপদ বিভাজন)। a ≠ 1 হলে গুণফল হবে a × c, যোগফল b।

এই পদ্ধতির সীমাবদ্ধতাও আছে। মূল যদি ভগ্নাংশ বা অমূলদ হয় (যেমন 2 + √3), তাহলে পূর্ণসংখ্যার উৎপাদক খুঁজে পাবে না। তখন বর্গপূর্ণকরণ বা সূত্র লাগবে। সিমুলেশনের “উৎপাদক রূপ” তাই শুধু বাস্তব মূল থাকলেই কাজ করে।

ax² + bx + c = a(x − α)(x − β)α, β হলো মূল

pq = 0 ⇒ p = 0 অথবা q = 0শূন্য গুণফলের নিয়ম

দ্বিতীয় পদ্ধতি: বর্গপূর্ণকরণ

বর্গপূর্ণকরণ মানে সমীকরণটাকে এমনভাবে সাজানো যাতে এক পাশে একটা পূর্ণবর্গ (x + p)² থাকে। কেন? কারণ (x + p)² = r হলে সহজেই বর্গমূল নিয়ে x + p = ±√r লেখা যায়, তারপর x বের করা এক লাইনের কাজ।

মূল কৌশলটা এসেছে (x + p)² = x² + 2px + p² সূত্র থেকে। খেয়াল করো, x-এর সহগ 2p, আর শেষ পদ p²। মানে x-এর সহগের অর্ধেক নিয়ে বর্গ করলে যে সংখ্যা পাওয়া যায়, সেটা যোগ করলেই পূর্ণবর্গ তৈরি হয়। x² + 6x-এর সাথে (6/2)² = 9 যোগ করলে পাই x² + 6x + 9 = (x + 3)²।

ধাপগুলো সবসময় এক: (১) a দিয়ে পুরো সমীকরণ ভাগ করো যাতে x²-এর সহগ ১ হয়; (২) ধ্রুবক পদটা ডান পাশে পাঠাও; (৩) দুই পাশে (x-এর সহগের অর্ধেক)² যোগ করো; (৪) বাম পাশকে (x + p)² আকারে লেখো; (৫) বর্গমূল নাও, মনে রেখে ± চিহ্ন দিতে হবে।

এই পদ্ধতি সব দ্বিঘাত সমীকরণেই কাজ করে, উৎপাদক পাওয়া যাক বা না যাক। আর এর চেয়েও বড় কথা, এটাই দ্বিঘাত সূত্রের জন্মস্থান। সাধারণ ax² + bx + c = 0-এ ঠিক এই ধাপগুলো চালালেই শ্রীধর আচার্যের সূত্র বেরিয়ে আসে। সিমুলেশনের নিচে তোমার বেছে নেওয়া সংখ্যা দিয়েই ধাপগুলো একে একে দেখানো হয়।

তৃতীয় পদ্ধতি: দ্বিঘাত সূত্র প্রমাণসহ (শ্রীধর আচার্যের সূত্র)

ভারতীয় গণিতবিদ শ্রীধর আচার্য (আনুমানিক ৮৭০–৯৩০ খ্রিস্টাব্দ) বর্গপূর্ণকরণের ধারণা দিয়ে দ্বিঘাত সমীকরণ সমাধানের নিয়ম দিয়েছিলেন, তাই আমাদের পাঠ্যবইয়ে সূত্রটিকে শ্রীধর আচার্যের সূত্র বলা হয়। নিচে সাধারণ সমীকরণ ax² + bx + c = 0-এ বর্গপূর্ণকরণ চালিয়ে সূত্রটি প্রমাণ করা হলো। প্রতিটা লাইন আগের লাইন থেকে আসে, মুখস্থ না করে বুঝে নাও।

প্রথম লাইনে a দিয়ে ভাগ করা হয়েছে (a ≠ 0 বলেই ভাগ করা যায়)। দ্বিতীয় লাইনে c/a ডান পাশে গেছে। তৃতীয় লাইনে দুই পাশে (b/2a)² যোগ করা হয়েছে, কারণ x-এর সহগ b/a-এর অর্ধেক হলো b/2a। চতুর্থ লাইনে বাম পাশ পূর্ণবর্গ হয়েছে আর ডান পাশকে এক হর 4a²-এর নিচে আনা হয়েছে।

শেষে দুই পাশের বর্গমূল নিলে ± চিহ্ন আসে, কারণ একটা ধনাত্মক সংখ্যার দুটি বর্গমূল থাকে (যেমন 9-এর বর্গমূল +3 এবং −3)। তারপর b/2a ডান পাশে পাঠালেই সূত্র। খেয়াল করো, বর্গমূলের নিচের রাশি b² − 4ac, এটাই নিশ্চায়ক। এটা ঋণাত্মক হলে বর্গমূল বাস্তব সংখ্যা হয় না, তাই তখন বাস্তব মূলও থাকে না।

ax² + bx + c = 0a ≠ 0

x² + (b/a)x + c/a = 0a দিয়ে ভাগ

x² + (b/a)x = −c/aধ্রুবক ডান পাশে

x² + (b/a)x + (b/2a)² = (b/2a)² − c/aদুই পাশে (b/2a)² যোগ

(x + b/2a)² = (b² − 4ac) / 4a²পূর্ণবর্গ

x + b/2a = ±√(b² − 4ac) / 2aবর্গমূল, ± সহ

x = (−b ± √(b² − 4ac)) / 2aশ্রীধর আচার্যের সূত্র

নিশ্চায়ক: না কষেই মূলের প্রকৃতি বলে দেওয়া

সূত্রের বর্গমূলের নিচের রাশি b² − 4ac-কে নিশ্চায়ক বলে, লেখা হয় D দিয়ে। নামটা খুব মানানসই: এটা নিশ্চিত করে দেয় মূল কেমন হবে। পুরো সমাধান না করেই শুধু D-এর চিহ্ন দেখে বলা যায় মূল কয়টি আর কী ধরনের।

D > 0 হলে √D একটা ধনাত্মক বাস্তব সংখ্যা, তাই + আর − দিয়ে দুটি আলাদা বাস্তব মূল পাই। লেখচিত্রে পরাবৃত্ত x-অক্ষকে দুটি আলাদা বিন্দুতে ছেদ করে। D যদি আবার পূর্ণবর্গ সংখ্যা হয় (যেমন 16, 25) আর a, b, c মূলদ হয়, তাহলে মূল দুটিও মূলদ, মানে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করা যাবে। পূর্ণবর্গ না হলে মূল দুটি অমূলদ।

D = 0 হলে √D = 0, তাই + আর − একই উত্তর দেয়: x = −b/2a। বলা হয় মূল দুটি বাস্তব ও সমান। লেখচিত্রে পরাবৃত্ত x-অক্ষকে ঠিক শীর্ষবিন্দুতে স্পর্শ করে, কাটে না।

D < 0 হলে ঋণাত্মক সংখ্যার বর্গমূল লাগে, যা বাস্তব সংখ্যা নয়। তাই কোনো বাস্তব মূল নেই, পরাবৃত্ত x-অক্ষকে ছোঁয়ই না। SSC-তে এটুকু বললেই যথেষ্ট। HSC উচ্চতর গণিতে জটিল সংখ্যা শেখার পর বলা হয় মূল দুটি জটিল (অবাস্তব) ও পরস্পর অনুবন্ধী।

নিশ্চায়কের মানমূলের প্রকৃতিলেখচিত্রে যা দেখবে
D > 0, পূর্ণবর্গবাস্তব, অসমান ও মূলদx-অক্ষকে দুটি বিন্দুতে ছেদ
D > 0, পূর্ণবর্গ নয়বাস্তব, অসমান ও অমূলদx-অক্ষকে দুটি বিন্দুতে ছেদ
D = 0বাস্তব ও সমানx-অক্ষকে শীর্ষবিন্দুতে স্পর্শ
D < 0বাস্তব মূল নেই (জটিল মূল)x-অক্ষকে ছোঁয় না

মূল ও সহগের সম্পর্ক: যোগফল আর গুণফল

ax² + bx + c = 0-এর মূল দুটি α ও β হলে, সূত্র থেকে দুটি মূল যোগ করলে ± অংশ কেটে যায়, থাকে α + β = −b/a। আর গুণ করলে (a + b)(a − b) = a² − b² সূত্রে পাই αβ = c/a। এই দুটি সম্পর্ক SSC উচ্চতর গণিত ও HSC-তে খুব ঘন ঘন আসে।

এর সুবিধা হলো মূল দুটি আলাদা করে বের না করেই তাদের নিয়ে অনেক প্রশ্নের উত্তর দেওয়া যায়। যেমন α² + β² = (α + β)² − 2αβ, অথবা 1/α + 1/β = (α + β)/αβ। মূল অমূলদ হলে এই পথে হিসাব অনেক সহজ হয়।

উল্টো দিকেও কাজ হয়। মূল দুটি জানা থাকলে সমীকরণ গঠন করা যায়: x² − (মূলদ্বয়ের যোগফল)x + মূলদ্বয়ের গুণফল = 0। কারণ (x − α)(x − β) গুণ করলে ঠিক x² − (α + β)x + αβ পাওয়া যায়।

α + β = −b/aমূলদ্বয়ের যোগফল

αβ = c/aমূলদ্বয়ের গুণফল

x² − (α + β)x + αβ = 0মূল থেকে সমীকরণ গঠন

লেখচিত্র: পরাবৃত্ত, শীর্ষবিন্দু আর প্রতিসাম্য অক্ষ

y = ax² + bx + c-এর লেখচিত্র সবসময় একটি পরাবৃত্ত। a > 0 হলে এর মুখ উপরের দিকে (U আকৃতি), তখন শীর্ষবিন্দু হলো সর্বনিম্ন বিন্দু, আর ফাংশনের একটা ক্ষুদ্রতম মান থাকে। a < 0 হলে মুখ নিচের দিকে (উল্টো U), শীর্ষবিন্দু সর্বোচ্চ বিন্দু, আর ফাংশনের একটা বৃহত্তম মান থাকে।

|a| যত বড়, পরাবৃত্ত তত সরু আর খাড়া; |a| যত ছোট, তত চওড়া আর চ্যাপ্টা। সিমুলেশনে a-কে ৩ থেকে ০.৫-এ নামিয়ে দেখো, পরাবৃত্ত কেমন ছড়িয়ে যায়।

শীর্ষবিন্দুর স্থানাঙ্ক (h, k), যেখানে h = −b/2a আর k = c − b²/4a (অথবা x = h বসিয়ে y বের করো)। শীর্ষবিন্দু দিয়ে যাওয়া খাড়া রেখা x = h হলো প্রতিসাম্য অক্ষ। এই রেখা বরাবর ভাঁজ করলে পরাবৃত্তের দুই বাহু ঠিক মিলে যায়। তাই দুটি মূল থাকলে তারা অক্ষ থেকে সমান দূরে থাকে, আর h হলো মূল দুটির গড়।

বর্গপূর্ণকরণ করে লেখা y = a(x − h)² + k রূপটিকে শীর্ষবিন্দু রূপ বলে। (x − h)² কখনো ঋণাত্মক হয় না, তাই a > 0 হলে y-এর মান সবচেয়ে কম হয় যখন x = h, আর সেই মান k। এক নজরে শীর্ষবিন্দু পড়ে ফেলার এটাই সবচেয়ে সহজ রূপ।

b-এর প্রভাব একটু মজার: b বদলালে শীর্ষবিন্দু একটা বাঁকা পথে সরে, পুরো পরাবৃত্ত পাশে সরে না। আর c সবসময় y-অক্ষের ছেদবিন্দু, কারণ x = 0 বসালে y = c। শুরুর লেখচিত্রে এটা (০, −৩)।

h = −b / 2a, k = c − b² / 4aশীর্ষবিন্দু (h, k)

y = a(x − h)² + kশীর্ষবিন্দু রূপ

x = hপ্রতিসাম্য অক্ষের সমীকরণ

xy = x² − ২x − ৩অক্ষ থেকে দূরত্ব, x − h
−২৫−৩
−১০−২
০−৩−১
১−৪০
২−৩১
৩০২
৪৫৩

সিমুলেশনে নিজে করে দেখো

প্রতিটি পরীক্ষা এক-দুই মিনিটের। আগে অনুমান করো কী হবে, তারপর মিলিয়ে দেখো।

পরীক্ষা ১: c দিয়ে পরাবৃত্ত উপর-নিচ করো

আদর্শ রূপে থেকে শুধু c-এর স্লাইডার বাড়াও। পুরো পরাবৃত্তটা উপরে উঠছে, আকার বদলাচ্ছে না। মূল দুটি কাছে আসছে, একসময় মিলে একটা হয়ে যায় (D = ০), তারপর হারিয়ে যায় (D < ০)।

কোন c-তে ঠিক স্পর্শ করে? b² − 4ac = 0 থেকে c = b²/4a। শুরুর a ও b-এর জন্য হিসাব করে স্লাইডারে মিলিয়ে নাও।

পরীক্ষা ২: a দিয়ে সরু, চওড়া আর উল্টো

a-কে ৩ থেকে ধীরে ধীরে কমাও। পরাবৃত্ত চওড়া হচ্ছে, ০-এর কাছে গিয়ে প্রায় সোজা, ঠিক ০-তে সরলরেখা, তারপর ঋণাত্মক হলে মুখ নিচের দিকে।

লক্ষ করো, a = ০-এ শীর্ষবিন্দু আর প্রতিসাম্য অক্ষ উধাও, কারণ সরলরেখার কোনো শীর্ষ নেই। তখন মূল একটাই: x = −c/b।

পরীক্ষা ৩: শীর্ষবিন্দু টেনে আনো

কমলা শীর্ষবিন্দুটা ধরে x-অক্ষের উপরে তোলো (a > 0 থাকা অবস্থায়)। মূল দুটি মিলিয়ে গিয়ে “বাস্তব মূল নেই” লেখা আসে। আবার নিচে নামাও, মূল ফিরে আসে।

টানার সময় b আর c কীভাবে বদলায় দেখো: শীর্ষবিন্দু রূপ থেকে b = −2ah আর c = ah² + k।

পরীক্ষা ৪: উৎপাদক রূপে মূল বসিয়ে সমীকরণ বানাও

“উৎপাদক রূপ” বেছে α = ২, β = ৫ বসাও। a = ১ হলে সমীকরণ দাঁড়ায় x² − ৭x + ১০ = ০। পরিমাপে যোগফল ৭ আর গুণফল ১০ মিলিয়ে দেখো।

এবার a = ২ করো: মূল একই থাকে, কিন্তু পরাবৃত্ত সরু হয়। একই মূলের অসংখ্য দ্বিঘাত সমীকরণ হয়, শুধু a আলাদা।

পরীক্ষা ৫: চলন্ত বিন্দু দিয়ে প্রতিসাম্য দেখো

চলন্ত বিন্দু চালু রাখো আর পরিমাপে (x, y) দেখো। বিন্দু যখন অক্ষের দুই পাশে সমান দূরে থাকে, y একই থাকে। বিন্দু শীর্ষবিন্দু পার হওয়ার সময় y কমা থেকে বাড়ায় (বা বাড়া থেকে কমায়) মোড় নেয়।

সমাধানকৃত উদাহরণ (সব সংখ্যা হিসাব করে বসানো)

নিচের প্রতিটি অঙ্ক পরীক্ষার ধাপ মেনে সাজানো। প্রথমটা সিমুলেশনের শুরুর লেখচিত্র, তাই পর্দার পরিমাপের সাথে মিলিয়ে দেখতে পারবে।

উদাহরণ ১: y = x² − ২x − ৩-এর সব বৈশিষ্ট্য

এখানে a = ১, b = −২, c = −৩। নিশ্চায়ক D = b² − 4ac = ৪ − (−১২) = ১৬ > ০ এবং পূর্ণবর্গ, তাই মূল দুটি বাস্তব, অসমান ও মূলদ।

সূত্রে x = (২ ± √১৬) / ২ = (২ ± ৪) / ২, তাই x = ৩ অথবা x = −১। উৎপাদক রূপ y = (x + ১)(x − ৩)।

শীর্ষবিন্দু h = −b/2a = ১, k = −৪; প্রতিসাম্য অক্ষ x = ১; a > ০ বলে মুখ উপরে আর সর্বনিম্ন মান −৪। y-অক্ষের ছেদবিন্দু (০, −৩)। যোগফল −b/a = ২, গুণফল c/a = −৩।

উদাহরণ ২: উৎপাদকে বিশ্লেষণ করে x² − ৫x + ৬ = ০ সমাধান

এমন দুটি সংখ্যা চাই যাদের গুণফল ৬ আর যোগফল −৫। সংখ্যা দুটি −২ ও −৩। তাই মধ্যপদ ভেঙে লিখি x² − ২x − ৩x + ৬ = ০।

সাজিয়ে পাই (x − ২)(x − ৩) = ০। সুতরাং x = ২ অথবা x = ৩। যাচাই: মূলদ্বয়ের যোগফল ও গুণফল সমীকরণের −b/a ও c/a-এর সাথে মেলে।

উদাহরণ ৩: বর্গপূর্ণকরণে ২x² + ৮x − ১০ = ০ সমাধান

২ দিয়ে ভাগ করে পাই x² + ৪x − ৫ = ০, অর্থাৎ x² + ৪x = ৫। x-এর সহগের অর্ধেক ২, তার বর্গ ৪; দুই পাশে যোগ করি: x² + ৪x + ৪ = ৫ + ৪।

তাহলে (x + ২)² = ৯, বর্গমূল নিয়ে x + ২ = ±৩। সুতরাং x = ১ অথবা x = −৫।

উদাহরণ ৪: সূত্র দিয়ে x² − ৪x + ১ = ০ (অমূলদ মূল)

D = ১২, পূর্ণবর্গ নয়, তাই মূল অমূলদ। x = (৪ ± √১২) / ২ = ২ ± √৩।

দশমিকে √১২ ≈ ৩.৪৬, তাই x ≈ ৩.৭৩ অথবা x ≈ ০.২৭। এই সমীকরণ পূর্ণসংখ্যার উৎপাদকে ভাঙে না, তাই সূত্রই এখানে সঠিক পথ।

উদাহরণ ৫: নিশ্চায়ক দিয়ে মূলের প্রকৃতি ও সমান মূলের শর্ত

নিচের তিনটি সমীকরণের মূল কেমন, সমাধান না করেই D দিয়ে বলা যায়:

২x² − ৬x + ৩ = ০: D = ৩৬ − ২৪ = ১২ > ০, পূর্ণবর্গ নয়, তাই মূল বাস্তব, অসমান ও অমূলদ। ৪x² − ১২x + ৯ = ০: D = ১৪৪ − ১৪৪ = ০, তাই মূল বাস্তব ও সমান। x² + x + ১ = ০: D = ১ − ৪ = −৩ < ০, তাই বাস্তব মূল নেই।

x² + kx + ১৬ = ০-এর মূল দুটি সমান হলে k কত? সমান মূলের শর্ত D = ০: k² − ৬৪ = ০, তাই k = ±৮।

উদাহরণ ৬: ৩x² − ৭x + ২ = ০-এর মূল α, β হলে α² + β² ও 1/α + 1/β

α + β = −b/a = ৭/৩ এবং αβ = c/a = ২/৩।

α² + β² = (α + β)² − 2αβ = ৪৯/৯ − ১২/৯ = ৩৭/৯ ≈ ৪.১১। আর 1/α + 1/β = (α + β)/αβ = ৭/২ = ৩.৫।

যাচাই: সূত্রে মূল দুটি ২ ও প্রায় ০.৩৩৩; এদের বর্গের যোগফলও একই দাঁড়ায়।

উদাহরণ ৭: যে সমীকরণের মূল ৪ ও −৩

যোগফল = ১, গুণফল = −১২। সূত্র x² − (যোগফল)x + গুণফল = ০ বসিয়ে সমীকরণ: x² − x − ১২ = ০।

উদাহরণ ৮: আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল থেকে দৈর্ঘ্য-প্রস্থ

একটি আয়তাকার বাগানের দৈর্ঘ্য প্রস্থের চেয়ে ৩ মিটার বেশি, ক্ষেত্রফল ৪০ বর্গমিটার। প্রস্থ x ধরলে x(x + ৩) = ৪০, অর্থাৎ x² + ৩x − ৪০ = ০।

D = ১৬৯, √D = ১৩, তাই x = (−৩ ± ১৩) / ২ = ৫ অথবা −৮। দৈর্ঘ্য ঋণাত্মক হতে পারে না, তাই প্রস্থ ৫ মিটার আর দৈর্ঘ্য ৮ মিটার। যাচাই: ৫ × ৮ = ৪০।

উদাহরণ ৯: উপরে ছোড়া বলের উচ্চতা

একটি বল ২০ m/s বেগে সোজা উপরে ছোড়া হলো। g ≈ ১০ m/s² ধরলে t সেকেন্ড পরে উচ্চতা h = ২০t − ৫t²। কখন বলটি ১৫ মিটার উচ্চতায় থাকবে?

২০t − ৫t² = ১৫ সাজিয়ে পাই ৫t² − ২০t + ১৫ = ০, ৫ দিয়ে ভাগ করে t² − ৪t + ৩ = ০। তাই t = ১ s (উঠার পথে) এবং t = ৩ s (নামার পথে)। দুটি উত্তরই অর্থবহ।

সর্বোচ্চ উচ্চতা শীর্ষবিন্দুতে: t = ২ s-এ h = ২০ m। আর h = ০ হয় t = ০ ও t = ৪ s-এ, মানে বলটি ৪ সেকেন্ড পর হাতে ফেরে।

উদাহরণ ১০: সর্বোচ্চ লাভের দাম

একটি পণ্যের দাম x টাকা হলে দৈনিক লাভ P = −২x² + ৪০x − ১৫০ (হাজার টাকায়)। a < ০, তাই পরাবৃত্তের মুখ নিচে আর শীর্ষবিন্দুতেই সর্বোচ্চ লাভ।

x = −b/2a = ১০ টাকায় লাভ সর্বোচ্চ, P = ৫০ হাজার টাকা। লাভ শূন্য (লাভ-ক্ষতি সমান) হয় যখন x² − ২০x + ৭৫ = ০, অর্থাৎ x = ৫ বা ১৫ টাকায়; এর বাইরে দাম রাখলে লোকসান।

উদাহরণ ১১: y = ২x² − ১২x + ১৩-কে শীর্ষবিন্দু রূপে লেখা

x-যুক্ত পদ থেকে ২ বের করি: y = ২(x² − ৬x) + ১৩। বন্ধনীর ভেতরে x-এর সহগের অর্ধেক −৩, বর্গ ৯; যোগ-বিয়োগ করে সাজালে y = ২(x − ৩)² − ৫।

তাই শীর্ষবিন্দু (৩, −৫), সর্বনিম্ন মান −৫। D = ৪০ > ০, মূল x ≈ ৪.৫৮ ও ১.৪২, দুটিই অক্ষ x = ৩ থেকে সমান দূরে।

যে ভুলগুলো সবাই করে

এই ভুলগুলোতে পরীক্ষায় অনেক নম্বর কাটা যায়, তাই আগে থেকেই সাবধান হও।

  • সূত্রে −b লিখতে গিয়ে চিহ্ন ভুল করা: b = −২ হলে −b = +২, −২ নয়।
  • b² − 4ac হিসাবের সময় c ঋণাত্মক হলে −4ac যে যোগ হয়ে যায়, সেটা ভুলে যাওয়া।
  • বর্গমূল নেওয়ার সময় ± না দিয়ে শুধু ধনাত্মক মূল লেখা, ফলে একটা মূল হারিয়ে যায়।
  • সূত্রে পুরো লবকে 2a দিয়ে ভাগ না করে শুধু √ অংশকে ভাগ করা।
  • x² = 5x-এর দুই পাশ x দিয়ে ভাগ করে ফেলা: এতে x = ০ মূলটা হারিয়ে যায়। বরং x(x − 5) = ০ লেখো।
  • সমীকরণকে আগে ax² + bx + c = 0 আকারে না এনেই a, b, c পড়ে ফেলা।
  • বাস্তব সমস্যায় অর্থহীন মূল (ঋণাত্মক দৈর্ঘ্য, ঋণাত্মক সময়) বাদ না দেওয়া।
  • শীর্ষবিন্দুর x-কে b/2a লেখা, আসলে −b/2a।

বাস্তব জীবনে দ্বিঘাত সমীকরণ

পরাবৃত্ত আর দ্বিঘাত সমীকরণ আমাদের চারপাশে লুকিয়ে আছে:

  • ক্রিকেট বল, ফুটবলের কিক বা ছোড়া পাথরের পথ: বাতাসের বাধা বাদ দিলে এটা পরাবৃত্ত।
  • ডিশ অ্যান্টেনা ও টর্চের আয়না পরাবৃত্তাকার, কারণ পরাবৃত্ত সমান্তরাল রশ্মিকে এক বিন্দুতে (ফোকাসে) জড়ো করে।
  • ব্যবসায় সর্বোচ্চ লাভ বা সর্বনিম্ন খরচের হিসাব: লেখচিত্রের শীর্ষবিন্দু।
  • জমি, ঘর বা ফ্রেমের দৈর্ঘ্য-প্রস্থ ক্ষেত্রফল থেকে বের করা।
  • গাড়ির ব্রেক কষার দূরত্ব গতির বর্গের সাথে বাড়ে, তাই দ্বিগুণ গতিতে প্রায় চারগুণ দূরত্ব লাগে।
  • ঝুলন্ত সেতুর তার ও কিছু খিলানের আকার প্রায় পরাবৃত্ত।

পরীক্ষার কর্নার: SSC ও HSC

SSC গণিতে দ্বিঘাত সমীকরণ আসে উৎপাদকে বিশ্লেষণ আর বাস্তব সমস্যা (ক্ষেত্রফল, বয়স, সংখ্যা) হিসেবে। SSC উচ্চতর গণিতে আসে শ্রীধর আচার্যের সূত্র, নিশ্চায়ক আর মূলের প্রকৃতি। HSC উচ্চতর গণিতের বহুপদী ও বহুপদী সমীকরণ অধ্যায়ে মূল-সহগ সম্পর্ক, জটিল মূল আর সমীকরণ গঠন আরও গভীরে পড়ানো হয়।

সৃজনশীলে সাধারণত একটা উদ্দীপকে সমীকরণ বা একটা বাস্তব ঘটনা দেওয়া থাকে। (ক) অংশে নিশ্চায়ক বের করা বা মূলের প্রকৃতি বলা, (খ) অংশে সমাধান বা সমান মূলের শর্ত থেকে অজানা মান বের করা, (গ) অংশে মূল-সহগ সম্পর্ক দিয়ে নতুন সমীকরণ গঠন বা লেখচিত্র আঁকা আসে।

বহুনির্বাচনিতে দ্রুত উত্তরের জন্য মনে রাখো: মূলদ্বয়ের যোগফল −b/a, গুণফল c/a; D = ০ মানে সমান মূল; a ও c বিপরীত চিহ্নের হলে D অবশ্যই ধনাত্মক (কারণ −4ac তখন ধনাত্মক), তাই দুটি বাস্তব মূল নিশ্চিত।

এক পাতায় রিভিশন

পরীক্ষার আগের রাতে শুধু এটুকু দেখে নাও:

  • আদর্শ রূপ: ax² + bx + c = 0, শর্ত a ≠ 0।
  • তিন পদ্ধতি: উৎপাদকে বিশ্লেষণ, বর্গপূর্ণকরণ, সূত্র।
  • সূত্র: x = (−b ± √(b² − 4ac)) / 2a।
  • নিশ্চায়ক D = b² − 4ac: > ০ দুটি বাস্তব, = ০ সমান, < ০ বাস্তব মূল নেই।
  • α + β = −b/a, αβ = c/a; সমীকরণ গঠন x² − (α + β)x + αβ = 0।
  • লেখচিত্র পরাবৃত্ত; a > ০ মুখ উপরে, a < ০ মুখ নিচে।
  • শীর্ষবিন্দু (−b/2a, c − b²/4a); প্রতিসাম্য অক্ষ x = −b/2a; y-ছেদবিন্দু (০, c)।
  • শীর্ষবিন্দু রূপ y = a(x − h)² + k।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

দ্বিঘাত সমীকরণ কাকে বলে?

যে সমীকরণে চলকের সর্বোচ্চ ঘাত ২, তাকে দ্বিঘাত সমীকরণ বলে। আদর্শ রূপ ax² + bx + c = 0, যেখানে a, b, c বাস্তব সংখ্যা এবং a ≠ 0।

দ্বিঘাত সমীকরণের সূত্র কী?

x = (−b ± √(b² − 4ac)) / 2a। এটি শ্রীধর আচার্যের সূত্র নামে পরিচিত এবং বর্গপূর্ণকরণ পদ্ধতি থেকে প্রমাণ করা যায়।

নিশ্চায়ক কাকে বলে?

ax² + bx + c = 0-এর b² − 4ac রাশিকে নিশ্চায়ক বলে। এর চিহ্ন দেখে সমাধান না করেই মূলের প্রকৃতি নিশ্চিত করা যায়।

নিশ্চায়ক শূন্য হলে মূল কেমন হয়?

D = ০ হলে মূল দুটি বাস্তব ও সমান, দুটিই −b/2a। লেখচিত্রে পরাবৃত্ত x-অক্ষকে শীর্ষবিন্দুতে শুধু স্পর্শ করে।

নিশ্চায়ক ঋণাত্মক হলে কী হয়?

তখন কোনো বাস্তব মূল নেই, কারণ ঋণাত্মক সংখ্যার বর্গমূল বাস্তব নয়। পরাবৃত্ত x-অক্ষকে ছোঁয় না। HSC-তে বলা হয় মূল দুটি জটিল ও অনুবন্ধী।

মূলদ্বয়ের যোগফল ও গুণফল কত?

ax² + bx + c = 0-এর মূল α, β হলে α + β = −b/a এবং αβ = c/a।

মূল দেওয়া থাকলে সমীকরণ কীভাবে গঠন করব?

x² − (মূলদ্বয়ের যোগফল)x + মূলদ্বয়ের গুণফল = ০ লেখো। যেমন মূল ২ ও ৩ হলে x² − ৫x + ৬ = ০।

পরাবৃত্তের শীর্ষবিন্দু কীভাবে বের করব?

h = −b/2a বের করো, তারপর x = h বসিয়ে k = y বের করো। শীর্ষবিন্দু (h, k), আর প্রতিসাম্য অক্ষ x = h।

a = 0 হলে কী হয়?

x² পদ থাকে না, সমীকরণটি একঘাত bx + c = 0 হয়ে যায় আর লেখচিত্র সরলরেখা। তাই দ্বিঘাত সমীকরণের সংজ্ঞায় a ≠ 0 শর্ত দেওয়া থাকে।

বর্গপূর্ণকরণ কেন শিখব, সূত্র তো আছেই?

সূত্রটাই বর্গপূর্ণকরণ থেকে এসেছে, আর শীর্ষবিন্দু রূপ, বৃত্ত ও কণিকের সমীকরণ, সর্বোচ্চ-সর্বনিম্ন মানের প্রশ্নে এই কৌশল সরাসরি লাগে।

এই বিষয়ের আরও পড়াশোনা

অ্যানিমেশনে ধারণা পরিষ্কার হলো, এবার পরীক্ষার প্রস্তুতি: সিলেবাস, সাজেশন, বই আর ভর্তি পরীক্ষার গাইড নিচে।

পাঠ্যবই

নবম-দশম শ্রেণির উচ্চতর গণিত বই

ভর্তি

চুয়েট ভর্তি ২০২৬-২৭

SSC

এসএসসি গণিত: সিলেবাস ও প্রস্তুতি

SSC

এসএসসি উচ্চতর গণিত: সিলেবাস ও প্রস্তুতি

HSC

এইচএসসি উচ্চতর গণিত: সিলেবাস ও প্রস্তুতি

পাঠ্যবই

নবম-দশম শ্রেণির গণিত বই

ভর্তি

ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি

ভর্তি

জাবি গাণিতিক ও পদার্থবিষয়ক অনুষদ ভর্তি

English

Paragraph: Artificial Intelligence (ইংরেজিতে)

বাংলা

রচনা: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

SSC

এসএসসি সাজেশন

HSC

এইচএসসি সাজেশন

ভর্তি

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার গাইড

SSC

এসএসসি সিলেবাস

HSC

এইচএসসি সিলেবাস

টেস্ট

GRE Quantitative Reasoning guide (ইংরেজিতে)

টেস্ট

Digital SAT Math guide (ইংরেজিতে)

স্কলারশিপ

বিদেশে পড়াশোনার স্কলারশিপ

টুল

Compound interest calculator (ইংরেজিতে)

ক্যারিয়ার

Data scientist resume example (ইংরেজিতে)

ক্যারিয়ার

Cover letter examples (ইংরেজিতে)

আরও গণিত অ্যানিমেশন

Class 8 · SSC

পিথাগোরাসের উপপাদ্য

পিথাগোরাসের উপপাদ্য কাকে বলে, সূত্র c² = a² + b², অষ্টম ও নবম-দশম শ্রেণির প্রমাণ, বিপরীত উপপাদ্য, পিথাগোরীয় ত্রয়ী ও সমাধানসহ অঙ্ক: ত্রিভুজ টেনে নিজে দেখো।

SSC · HSC

ত্রিকোণমিতিক অনুপাত ও একক বৃত্ত

ত্রিকোণমিতিক অনুপাত কাকে বলে, sin cos tan-এর মান ০° থেকে ৩৬০°, আদর্শ কোণের টেবিল, চতুর্ভাগের চিহ্ন ও সূত্র: একক বৃত্তে বিন্দু ঘুরিয়ে নিজে দেখো, সমাধানসহ।

SSC

বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য

বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য সহজে: কেন্দ্রস্থ ও বৃত্তস্থ কোণ, অর্ধবৃত্তস্থ কোণ, বৃত্তীয় চতুর্ভুজ, জ্যা ও স্পর্শক। SSC-র প্রমাণ আর সমাধানসহ অঙ্ক, বিন্দু টেনে নিজে দেখো।

SSC

দূরত্ব ও উচ্চতা: উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ

উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ কাকে বলে, দূরত্ব ও উচ্চতার সূত্র কীভাবে কাজ করে, আর দুই দফা পর্যবেক্ষণে না মেপেই টাওয়ারের উচ্চতা বের করা যায় কীভাবে — ইন্টারঅ্যাকটিভ সিমুলেশন ও সমাধানসহ।

SSC

সম্ভাবনা: পরীক্ষালব্ধ বনাম তাত্ত্বিক সম্ভাবনা

সম্ভাবনা কাকে বলে, নমুনা ক্ষেত্র ও সম্ভাবনার সূত্র P(E) = n(E)/n(S) কীভাবে কাজ করে, আর বহুবার নিক্ষেপ করলে পরীক্ষালব্ধ হার কীভাবে তাত্ত্বিক সম্ভাবনার কাছাকাছি চলে আসে — মুদ্রা, ছক্কা, দুই ছক্কা ও রঙিন বল দিয়ে ইন্টারঅ্যাকটিভ সিমুলেশন ও সমাধান করা অঙ্কসহ।

SSC · HSC

সমান্তর ও গুণোত্তর ধারা

সমান্তর ধারা ও গুণোত্তর ধারার n-তম পদ ও যোগফল সূত্র, গাউসের জোড়া বাঁধার কৌশল আর অসীম ধারার সূত্র a/(1−r): বার-চার্ট অ্যানিমেশনে নিজে টেনে দেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।

SSC

গড়, মধ্যক ও প্রচুরক

গড়, মধ্যক ও প্রচুরক নির্ণয়ের সূত্র, আউটলায়ারে মধ্যক কেন অটুট থাকে, আর শ্রেণিবদ্ধ উপাত্তের মধ্যক-প্রচুরক সূত্র: বিন্দু টেনে সংখ্যা রেখায় নিজে দেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।

Class 9 · SSC

সেট ও ভেনচিত্র

সংযোগ সেট, ছেদ সেট, অন্তর সেট, পূরক সেট আর ডি মরগানের সূত্র ভেনচিত্রে হাতে-কলমে দেখো: অঞ্চল রাঙাও, সংখ্যা বসাও, n(A ∪ B) সূত্র যাচাই করো, সমাধান করা অঙ্কসহ।

Class 8 · SSC

সরল সহসমীকরণ ও সরলরেখার লেখচিত্র

ঢাল, ছেদক ও ছেদবিন্দু অ্যানিমেশনে দেখো। দুটি সরল সমীকরণ লেখচিত্রে এঁকে সমাধান করো, সমঞ্জস-অসমঞ্জস চেনো এবং অনুপাত পরীক্ষা কষে নাও, SSC-র ধাঁচে।

SSC · HSC

sin, cos, tan-এর লেখচিত্র

y = A sin(Bx + C) + D আঁকো স্লাইডার টেনে: বিস্তার, পর্যায়কাল, দশা সরণ, মানের পরিসর আর tan-এর অসীমতট নিজে দেখো। সমাধানসহ ত্রিকোণমিতিক লেখচিত্র।

Class 9 · SSC

পূর্ণবর্গ পদ্ধতি ও দ্বিঘাত সমীকরণের সমাধান

টালি সাজিয়ে পূর্ণবর্গ পদ্ধতি দেখো, দ্বিঘাত সমীকরণের মূল ও শীর্ষবিন্দু বের করো এবং সূত্রটা কেন কাজ করে বুঝে নাও। অ্যানিমেশন ও সমাধানসহ।

Class 8 · SSC

বৃত্তের ক্ষেত্রফল: সূত্র, প্রমাণ ও সমাধান

বৃত্তকে টুকরো করে সাজিয়ে আয়তক্ষেত্র বানাও আর দেখো ক্ষেত্রফল কীভাবে πr² হয়। পরিধি, পাই, বৃত্তকলা, বৃত্তচাপ ও সমাধানসহ ফ্রি ইন্টারঅ্যাকটিভ সিমুলেশন।

Class 8 · SSC

ঘনবস্তুর আয়তন ও তলের ক্ষেত্রফল: ঘনক, আয়তঘন, বেলন, কোণক, গোলক

ছয়টি ঘনবস্তু ৩ডি-তে ঘোরাও, জাল খুলে দেখো আর কোণকের পানি বেলনে ঢেলে বোঝো কেন ঠিক তিন বারে ভরে। আয়তন, বক্রতল ও সমগ্রতলের সূত্র আর সমাধানসহ বিনামূল্যের সিমুলেশন।

Class 9 · SSC

সদৃশ ত্রিভুজ: স্কেল ফ্যাক্টর, AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়া থেকে উচ্চতা

স্লাইডার টেনে ত্রিভুজকে বড়-ছোট করো আর দেখো কোণ সমান থাকে, বাহুর অনুপাত k থাকে, ক্ষেত্রফল k² গুণ হয়। সদৃশতার AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়ার অঙ্কসহ বিনামূল্যের সিমুলেশন।

Class 9 · SSC

স্থানাঙ্ক জ্যামিতি: দূরত্ব, মধ্যবিন্দু, ঢাল, বিভক্তিকরণ সূত্র ও সঞ্চারপথ

গ্রিডে বিন্দু টেনে দেখো দূরত্বের সূত্র, মধ্যবিন্দু, ঢাল আর বিভক্তিকরণ সূত্র কীভাবে বদলায়। লম্বসমদ্বিখণ্ডক সঞ্চারপথ ও সমাধান করা অঙ্কসহ বিনামূল্যের সিমুলেশন।

HSC

শাঙ্কব ছেদ: বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত ও অধিবৃত্ত

দ্বিশঙ্কুর মধ্য দিয়ে তল কাত করে দেখো বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত আর অধিবৃত্ত কীভাবে তৈরি হয়। সমীকরণ, ফোকাস ও উৎকেন্দ্রিকতাসহ বিনামূল্যের সিমুলেশন ও সমাধান করা অঙ্ক।

Class 9 · SSC

ফাংশনের রূপান্তর: সরানো, টানা ও উল্টানো

x², |x|, √x, sin x বা 2^x বেছে a, b, h, k স্লাইডার নাড়াও। দেখো লেখচিত্র কীভাবে সরে, টানে, চাপে আর উল্টে যায়, পেছনে ফিকে মূল লেখচিত্রসহ। বিনামূল্যের সিমুলেশন ও সমাধান করা অঙ্ক।

HSC

অন্তরীকরণ: স্পর্শকের ঢাল ও ছেদক থেকে স্পর্শক

x², x³, sin x, eˣ বা 1/x বক্ররেখায় P বিন্দু টানো আর ব্যবধান h শূন্যের দিকে কমাও। ছেদক কীভাবে স্পর্শক হয় আর তার ঢাল কীভাবে অন্তরজ হয় তা দেখো। নিচে অন্তরজের লেখচিত্রও আছে। বিনামূল্যে সিমুলেশন।

HSC

রিম্যান যোগফল ও সমাকলন: বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফল

x², x³, sin x, eˣ বা √x বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফলকে ১০০টি পর্যন্ত ফালিতে ভাগ করো, বাঁ, ডান, মধ্যবিন্দু ও ট্রাপিজিয়াম যোগফলকে সঠিক সমাকলনের সঙ্গে মেলাও। ভুল কমতে দেখো। বিনামূল্যে সিমুলেশন।

HSC

সীমা ও ε–δ সংজ্ঞা: ছবিতে বোঝা

ε–δ সংজ্ঞায় সীমা চোখে দেখো। ফাংশন বেছে ε ছোট করো, δ ব্যান্ড কীভাবে সরু হয় দেখো। বাম-ডান সীমা, গর্ত, sin x / x আর লাফ, যেখানে কোনো δ কাজ করে না। বিনামূল্যে সিমুলেশন।

HSC

ত্রিমাত্রিক ভেক্টর: যোগ, ডট গুণ ও ক্রস গুণ

দুটি ত্রিমাত্রিক ভেক্টর টেনে ঘুরিয়ে দেখো। যোগফল সামান্তরিক হয়ে, ডট গুণ ছায়া ও কোণ হয়ে, আর ক্রস গুণ লম্ব তীর হয়ে ধরা দেবে, যার দৈর্ঘ্য ক্ষেত্রফল। বিনামূল্যে সিমুলেশন।

HSC

ম্যাট্রিক্স রূপান্তর: ঘূর্ণন, প্রতিফলন, শিয়ার ও নির্ণায়ক

২×২ ম্যাট্রিক্স বদলে দেখো ছক, একক বর্গ আর একটা F-আকৃতি কীভাবে নড়ে। î আর ĵ কোথায় যায়, নির্ণায়ক কীভাবে চিহ্নযুক্ত ক্ষেত্রফল, আর বিপরীত ম্যাট্রিক্স। বিনামূল্যে সিমুলেশন।

HSC

জটিল সংখ্যা: আরগান্ড সমতলে যোগ, গুণ, ঘাত ও মূল

আরগান্ড সমতলে দুটি জটিল সংখ্যা টেনে সরাও। যোগফল সামান্তরিক হয়ে, গুণফল ঘূর্ণন ও টান হয়ে, অনুবন্ধী, ঘাত সর্পিল হয়ে এবং এককের মূল ধরা দেবে। বিনামূল্যে সিমুলেশন।

SSC · HSC

বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি: স্থানীয় মান, রূপান্তর ও যোগ

বিট উল্টে দেখো দশমিক, বাইনারি, অক্টাল ও হেক্সা একসাথে বদলায়। ২ দিয়ে ভাগ, ৩-৪ বিটের গ্রুপ আর ক্যারিসহ বাইনারি যোগ হাতে-কলমে। বিনা মূল্যে, সমাধান করা অঙ্কসহ।

অন্য বিষয়ের অ্যানিমেশন

পদার্থবিজ্ঞান

আলোর প্রতিসরণ

পদার্থবিজ্ঞান

ওহমের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

প্রাসের গতি

পদার্থবিজ্ঞান

সরল দোলক

পদার্থবিজ্ঞান

তড়িৎ ক্ষেত্র

পদার্থবিজ্ঞান

তরঙ্গের ব্যতিচার

পদার্থবিজ্ঞান

পড়ন্ত বস্তু ও পড়ন্ত বস্তুর সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

লেন্সে প্রতিবিম্ব গঠন

পদার্থবিজ্ঞান

নিউটনের গতির সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

গোলীয় দর্পণে প্রতিবিম্ব গঠন

পদার্থবিজ্ঞান

তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ ও ফ্যারাডের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

ভরবেগের সংরক্ষণ ও সংঘর্ষ

পদার্থবিজ্ঞান

কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি

পদার্থবিজ্ঞান

নততল

পদার্থবিজ্ঞান

বৃত্তাকার গতি

পদার্থবিজ্ঞান

অনুপ্রস্থ ও অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ

পদার্থবিজ্ঞান

লিভার ও ভ্রামক

পদার্থবিজ্ঞান

ভরকেন্দ্র

পদার্থবিজ্ঞান

স্প্রিং-ভর ও সরল ছন্দিত স্পন্দন

পদার্থবিজ্ঞান

ভেক্টর যোগ: ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

আপেক্ষিক বেগ: ট্রেন ও নদী পারাপার

পদার্থবিজ্ঞান

কেপলারের সূত্র ও উপবৃত্তাকার কক্ষপথ

পদার্থবিজ্ঞান

নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র, g ও কৃত্রিম উপগ্রহ

পদার্থবিজ্ঞান

তার ও নলে স্থির তরঙ্গ

পদার্থবিজ্ঞান

অনুনাদ নল ও শব্দের দ্রুতি

পদার্থবিজ্ঞান

স্বরকম্প: কাছাকাছি দুই সুরের স্পন্দন

পদার্থবিজ্ঞান

ডপলার প্রভাব: চলমান উৎস, চলমান শ্রোতা ও সনিক বুম

পদার্থবিজ্ঞান

প্রিজম, আলোর বিচ্ছুরণ ও রামধনু

পদার্থবিজ্ঞান

কির্শফের সূত্র: সংযোগ সূত্র ও বদ্ধ পথ সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

হুইটস্টোন ব্রিজ ও মিটার ব্রিজ

পদার্থবিজ্ঞান

একক চিড়ে অপবর্তন

পদার্থবিজ্ঞান

চোখের ত্রুটি ও তার প্রতিকার

পদার্থবিজ্ঞান

আলোর সমবর্তন: ম্যালাসের সূত্র ও ব্রুস্টারের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

ক্যাপাসিটরের আহিতকরণ ও নিরাহিতকরণ: আরসি সময় ধ্রুবক

পদার্থবিজ্ঞান

চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা: দণ্ডচুম্বক, তড়িৎবাহী সরল তার ও সলিনয়েড

পদার্থবিজ্ঞান

এসি জেনারেটর

পদার্থবিজ্ঞান

ট্রান্সফর্মার

পদার্থবিজ্ঞান

তাপের সঞ্চালন: পরিবহন, পরিচলন ও বিকিরণ

পদার্থবিজ্ঞান

আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া: আইনস্টাইনের সমীকরণ ও নিবৃত্তি বিভব

পদার্থবিজ্ঞান

মোটর ক্রিয়া: তড়িৎবাহী তারের ওপর বল ও ডিসি মোটর

পদার্থবিজ্ঞান

গ্যাসের অণু ও গতিতত্ত্ব: চাপ, তাপমাত্রা ও দ্রুতি

পদার্থবিজ্ঞান

অর্ধপরিবাহী ডায়োড: p–n সন্ধি, I–V বক্ররেখা ও রেক্টিফায়ার

পদার্থবিজ্ঞান

তেজস্ক্রিয় ক্ষয়: অর্ধায়ু, ক্ষয় সূত্র ও বিকিরণের ভেদন ক্ষমতা

পদার্থবিজ্ঞান

বোর পরমাণু মডেল: কক্ষপথ, শক্তিস্তর ও হাইড্রোজেনের বর্ণালি

রসায়ন

পরমাণুর গঠন

রসায়ন

এসিড, ক্ষারক ও pH স্কেল

রসায়ন

ইলেকট্রন বিন্যাস

রসায়ন

গ্যাসের সূত্র: বয়েল, চার্লস ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ

রসায়ন

আয়নিক বন্ধন কীভাবে গঠিত হয়

রসায়ন

তড়িৎ বিশ্লেষণ ও ফ্যারাডের সূত্র

রসায়ন

সমযোজী বন্ধন

রসায়ন

পর্যায়বৃত্ত ধর্ম

রসায়ন

বিক্রিয়ার হার ও সংঘর্ষ তত্ত্ব

রসায়ন

পদার্থের অবস্থা: কঠিন, তরল, গ্যাসীয় ও তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র

রসায়ন

পরমাণুর অরবিটাল: s, p, d-এর আকৃতি, কোয়ান্টাম সংখ্যা ও নোড

রসায়ন

আণবিক আকৃতি ও ভিএসইপিআর তত্ত্ব: বন্ধন জোড়, মুক্তজোড় ও বন্ধন কোণ

রসায়ন

মোল ধারণা: মোলার ভর, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা ও মোলার আয়তন

রসায়ন

ব্যাপন ও নিঃসরণ: গ্রাহামের সূত্র

রসায়ন

রাসায়নিক সমীকরণ সমতাকরণ: পদ্ধতি, উদাহরণ ও অনুশীলন

রসায়ন

রাসায়নিক সাম্যাবস্থা: সাম্যধ্রুবক Kc ও লা শাতেলিয়ের নীতি

রসায়ন

টাইট্রেশন: অম্ল-ক্ষারের ঘনমাত্রা বের করার পদ্ধতি

রসায়ন

গ্যালভানিক কোষ: ড্যানিয়েল কোষ, EMF ও নার্নস্ট সমীকরণ

রসায়ন

জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া: জারণ সংখ্যা, ইলেকট্রন স্থানান্তর ও অর্ধ-সমীকরণ

রসায়ন

হাইড্রোকার্বন: অ্যালকেন, অ্যালকিন, অ্যালকাইন ও কাঠামোগত সমাণু ত্রিমাত্রায়

রসায়ন

কার্যকরী মূলক: অ্যালকোহল, অ্যালডিহাইড, কিটোন, অ্যাসিড, এস্টার ও অ্যামিন

রসায়ন

পলিমারকরণ: যোজন ও ঘনীভবন পলিমার, পলিথিন ও নাইলন

রসায়ন

মিশ্রণ আলাদা করার পদ্ধতি: ছাঁকন, পাতন, ক্রোমাটোগ্রাফি, স্ফটিকীকরণ

রসায়ন

কেলাস জালক: SC, BCC ও FCC একক কোষ, প্যাকিং দক্ষতা ও ঘনত্ব

রসায়ন

তেজস্ক্রিয়তা: আলফা, বিটা, গামা ক্ষয় ও অর্ধায়ু

জীববিজ্ঞান

মাইটোসিস কোষ বিভাজন

জীববিজ্ঞান

ব্যাপন ও অভিস্রবণ

জীববিজ্ঞান

সালোকসংশ্লেষণ

জীববিজ্ঞান

মানব হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কাজ

জীববিজ্ঞান

মেন্ডেলের বংশগতি সূত্র

জীববিজ্ঞান

ডিএনএ রেপ্লিকেশন

জীববিজ্ঞান

কোষীয় শ্বসন

জীববিজ্ঞান

এনজাইম ক্রিয়া

জীববিজ্ঞান

স্নায়ু উদ্দীপনার পরিবহন ও অ্যাকশন পটেনশিয়াল

জীববিজ্ঞান

নেফ্রন ও মূত্র তৈরির প্রক্রিয়া

জীববিজ্ঞান

মিয়োসিস কোষ বিভাজন

জীববিজ্ঞান

পরিপাকতন্ত্র

জীববিজ্ঞান

শ্বাসক্রিয়ার কৌশল: প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস

জীববিজ্ঞান

প্রোটিন সংশ্লেষণ

জীববিজ্ঞান

রক্ত সংবহন: দ্বি-সংবহন ও কার্ডিয়াক আউটপুট

জীববিজ্ঞান

কোষের গঠন ও অঙ্গাণু: উদ্ভিদ কোষ বনাম প্রাণী কোষ

জীববিজ্ঞান

প্রতিবর্ত ক্রিয়া ও প্রতিবর্ত চাপ

জীববিজ্ঞান

মানুষের চোখ: গঠন, প্রতিবিম্ব ও উপযোজন

জীববিজ্ঞান

পেশি সংকোচন ও স্লাইডিং ফিলামেন্ট মডেল

জীববিজ্ঞান

উদ্ভিদে পরিবহন: জাইলেম, ফ্লোয়েম ও বাষ্পমোচন

জীববিজ্ঞান

খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজাল: শক্তির প্রবাহ ও ১০ % নিয়ম

জীববিজ্ঞান

জনসংখ্যা বৃদ্ধি: সূচকীয় ও লজিস্টিক রেখা

জীববিজ্ঞান

প্রাকৃতিক নির্বাচন: পেপার্ড মথ ও কালিঝুলি মাখা গাছ

জীববিজ্ঞান

রোগপ্রতিরোধ: প্রাথমিক ও গৌণ অ্যান্টিবডি সাড়া

জীববিজ্ঞান

পরাগায়ন ও নিষেক