মূলপাতা
লগইন

Color

Indigo
Red
Green
Teal
Blue
Purple
Rose

Mode

Light
EN

দূরত্ব ও উচ্চতা: না মেপেই টাওয়ারের উচ্চতা বের করো

দূরত্ব ও উচ্চতা অধ্যায়ে আমরা ত্রিকোণমিতিক অনুপাত ব্যবহার করে এমন উচ্চতা বা দূরত্ব বের করি যা সরাসরি মাপা যায় না — যেমন একটা টাওয়ারের উচ্চতা বা নদীর ওপারের দূরত্ব। মূল হাতিয়ার একটাই সমীকরণ: tan θ = লম্ব ÷ ভূমি, অর্থাৎ উচ্চতা = দূরত্ব × tan θ (৩০° কোণে ২০ মিটার দূরত্বে দাঁড়ালে উচ্চতা হয় ১৩.০৫ মিটার)।

পর্যবেক্ষককে টেনে সরাও, অথবা স্লাইডার দিয়ে দূরত্ব ও কোণ বদলাও

দৃষ্টিরেখাআনুভূমিক রেখা
গতি

নিয়ন্ত্রণ

পরিস্থিতি

লক্ষ্যবস্তু

২০ m
৩০ °
১.৫ m

পরিমাপ

ভূমি বরাবর দূরত্ব, d
২০m
কোণ, θ
৩০°
tan θ
০.৫৭৭৪
পর্যবেক্ষকের চোখের উচ্চতা
১.৫m
হিসাব করা উচ্চতা, H
১৩.০৫m
দৃষ্টিরেখার দৈর্ঘ্য
২৩.০৯m

সিমুলেশনটি কীভাবে ব্যবহার করবে

  1. শুরুতে "উন্নতি কোণ" মোডে আছ, ডিফল্ট মান দূরত্ব ২০ মি, কোণ ৩০°, চোখের উচ্চতা ১.৫ মি — নিচে হিসাব করা উচ্চতা H দেখো।
  2. পর্যবেক্ষককে বাঁয়ে-ডানে টেনে দূরত্ব বদলাও, অথবা স্লাইডার ব্যবহার করো। কোণ চালু (Play) করলে নিজে থেকেই ৩০° পর্যন্ত ঘুরবে, H কীভাবে বদলায় দেখো।
  3. লক্ষ্যবস্তু বদলে টাওয়ার, গাছ বা দালান করো — অঙ্কটা একই থাকে, শুধু ছবিটা বদলায়।
  4. "অবনতি কোণ" মোডে যাও: এবার পর্যবেক্ষক ওপরে, নৌকা নিচে। নৌকা টেনে দূরত্ব বদলাও আর "একান্তর কোণ" টিক দিয়ে দেখো নৌকা থেকে উন্নতি কোণ ঠিক একই মাপের।
  5. "দুই দফা পর্যবেক্ষণ" মোডে α, β আর x বদলে দেখো, টাওয়ারের উচ্চতা H পাল্টায় কিনা — এখানে টাওয়ারের প্রকৃত উচ্চতা কখনো সরাসরি বসানো হয় না, শুধু দুটো কোণ আর হাঁটা দূরত্ব থেকে হিসাব হয়।
  6. পরিমাপ প্যানেলের সংখ্যাগুলো ক্যালকুলেটরে নিজে হিসাব করে মিলিয়ে দেখো — এটাই পরীক্ষার খাতায় যা লিখবে।

যে উচ্চতা মাপা যায় না, তাও বের করা যায়

স্কুলের মাঠের পাশে একটা লম্বা তাল গাছ। কতটা লম্বা, কেউ জানে না — মই দিয়ে ওঠাও অসম্ভব, ফিতা দিয়ে মাপাও অসম্ভব। অথচ তুমি চাইলেই গাছটার উচ্চতা বলে দিতে পারো, শুধু একটা কৌণিক মাপযন্ত্র (বা মোবাইলের একটা অ্যাপ) আর একটা ফিতা দিয়ে মাটির দূরত্ব মেপে। কীভাবে? এটাই এই অধ্যায়ের গল্প।

প্রায় আড়াই হাজার বছর আগে গ্রিক গণিতবিদ থেলিস মিশরে গিয়ে পিরামিডের উচ্চতা মেপেছিলেন শুধু ছায়ার দৈর্ঘ্য দেখে — কোনো মই বা দড়ি ছাড়াই। একই বছরের একই মুহূর্তে তার নিজের ছায়া আর একটা লাঠির ছায়ার অনুপাত দিয়ে তিনি পিরামিডের উচ্চতা বের করে ফেলেছিলেন। আজকের ভাষায় সেটা ছিল একটা সদৃশ ত্রিভুজের সমস্যা; আমরা এখন সেই একই কাজ করি আরও সহজে, tan অনুপাত দিয়ে।

জাহাজের ক্যাপ্টেন বাতিঘর দেখে নিজের নৌকার দূরত্ব বোঝেন, পাইলট বিমান নামানোর সময় রানওয়ে থেকে তার উচ্চতা ও কোণ মিলিয়ে দেখেন, সার্ভেয়ার রাস্তা বানানোর আগে পাহাড়ের উচ্চতা মাপেন — সবার হাতিয়ার একটাই ত্রিভুজ আর একটাই অনুপাত। ওপরের সিমুলেশনে নিজে হাত দিয়ে টেনে দেখো, সংখ্যাগুলো কীভাবে বদলায়।

মজার বিষয় হলো, এই একই কৌশল দিয়ে তুমি নিজেই নিজের স্কুলের সবচেয়ে উঁচু গাছটার, মসজিদের মিনারের বা মোবাইল টাওয়ারের উচ্চতা মেপে ফেলতে পারো — লাগবে শুধু একটা প্রোট্র্যাক্টর বা কোণ-মাপা মোবাইল অ্যাপ, একটা লম্বা ফিতা, আর নিচের সূত্রটা।

একদম শুরু থেকে: দৃষ্টিরেখা, উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ

পর্যবেক্ষকের চোখ থেকে যে বস্তুটা দেখা হচ্ছে তার দিকে টানা সরলরেখাকে বলে দৃষ্টিরেখা। এই দৃষ্টিরেখা যদি ভূমির সমান্তরাল একটা রেখা থেকে ওপরের দিকে হেলে থাকে (অর্থাৎ বস্তুটা পর্যবেক্ষকের চেয়ে ওপরে), তাহলে ভূমি-সমান্তরাল রেখা ও দৃষ্টিরেখার মধ্যবর্তী কোণকে বলে উন্নতি কোণ।

উল্টো দিকে, বস্তুটা যদি পর্যবেক্ষকের চেয়ে নিচে থাকে (যেমন উঁচু বাতিঘর থেকে সমুদ্রে ভাসমান একটা নৌকা), তাহলে ভূমি-সমান্তরাল রেখা থেকে নিচের দিকে হেলে যাওয়া কোণকে বলে অবনতি কোণ। দুই ক্ষেত্রেই কোণটা মাপা হয় সবসময় ভূমি-সমান্তরাল রেখা থেকে, বস্তুর দিকের রেখা থেকে নয় — এই ভুলটাই পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশি হয়।

একটা চমৎকার সত্য: A বিন্দু থেকে B বিন্দুর উন্নতি কোণ, ঠিক B থেকে A-এর অবনতি কোণের সমান। কারণ দুটো ভূমি-সমান্তরাল রেখা পরস্পর সমান্তরাল, আর একটা তির্যক রেখা (দৃষ্টিরেখা) তাদের ছেদ করলে একান্তর কোণ সমান হয়। এই একটা তথ্যই "অবনতি কোণ" মোডের নৌকার কাছের ছোট চাপটা ব্যাখ্যা করে।

যেহেতু ভূমি সবসময় অনুভূমিক আর টাওয়ার/পাহাড় সবসময় উল্লম্ব, তাই এই দুইয়ের মিলনস্থলে সবসময় একটা সমকোণ তৈরি হয়। ফলে "উচ্চতা বনাম দূরত্ব" প্রশ্ন আসলে সবসময় একটা সমকোণী ত্রিভুজের সমস্যা, আর সমকোণী ত্রিভুজ মানেই sin-cos-tan প্রযোজ্য।

প্রশ্নে প্রায়ই বলা হয় পর্যবেক্ষক বা বস্তু একটা "বিন্দু" — বাস্তবে অবশ্য মানুষের একটা উচ্চতা থাকে, নৌকারও একটা উচ্চতা থাকে। পরীক্ষার সুবিধার জন্য যেখানে আলাদা করে বলা থাকে না, সেখানে এই ছোট উচ্চতাগুলো উপেক্ষা করা হয়; বলা থাকলে অবশ্যই যোগ-বিয়োগে ধরতে হবে, ঠিক যেমন সিমুলেশনের চোখের উচ্চতা স্লাইডারে দেখানো হয়েছে।

জরুরি শব্দগুলো এক নজরে

সূত্রে যাওয়ার আগে পরিভাষাগুলো ঝালিয়ে নাও — পরীক্ষার সংজ্ঞা-প্রশ্ন এখান থেকেই আসে।

পরিভাষাপ্রতীকসহজ ভাষায় অর্থএকক
দৃষ্টিরেখা—চোখ থেকে বস্তুর দিকে টানা কাল্পনিক সরলরেখাm
ভূমি-সমান্তরাল রেখা—চোখের উচ্চতায় মাটির সমান্তরাল কাল্পনিক রেখা, যেখান থেকে কোণ মাপা হয়—
উন্নতি কোণθবস্তু ওপরে থাকলে অনুভূমিক রেখা থেকে ওপরের দিকে হেলে যাওয়া কোণ°
অবনতি কোণθবস্তু নিচে থাকলে অনুভূমিক রেখা থেকে নিচের দিকে হেলে যাওয়া কোণ°
লম্বHকোণের বিপরীত বাহু — এখানে উচ্চতা Hm
ভূমিdকোণসংলগ্ন বাহু — এখানে অনুভূমিক দূরত্ব dm
অতিভুজ—সমকোণের বিপরীত বাহু — এখানে দৃষ্টিরেখা নিজেইm
চোখের উচ্চতাeপর্যবেক্ষক মাটিতে দাঁড়ালে তার চোখ পর্যন্ত উচ্চতা; না দিলে পর্যবেক্ষককে একটা বিন্দু ধরা হয়m

সূত্র ও দুই দফা পর্যবেক্ষণের প্রতিপাদন

সমকোণী ত্রিভুজে কোণ θ-এর জন্য tan θ = লম্ব ÷ ভূমি। উন্নতি কোণের ক্ষেত্রে লম্ব হলো (H − চোখের উচ্চতা) আর ভূমি হলো d, তাই সূত্রটা দাঁড়ায় নিচের মতো।

tan θ = (H − e) / dউন্নতি কোণ: H পর্যবেক্ষণ-বিন্দুর উচ্চতা, e চোখের উচ্চতা, d দূরত্ব

H = e + d·tan θউচ্চতা সরাসরি বের করার রূপ — সিমুলেশনের রিডআউট এই সূত্রেই চলে

d = H / tan θঅবনতি কোণ: বাতিঘরের উচ্চতা H জানা থাকলে নৌকার দূরত্ব d

দুই দফা পর্যবেক্ষণ: টাওয়ারের উচ্চতা না জেনেও বের করা

ধরো টাওয়ারের উচ্চতা H অজানা। দূরের বিন্দু A থেকে উন্নতি কোণ α, সেখান থেকে x মিটার এগিয়ে কাছের বিন্দু B থেকে কোণ β (β সবসময় α-এর চেয়ে বড়, কারণ কাছে গেলে মাথা আরও বেশি উঁচু করতে হয়)।

A থেকে ভূমি বরাবর দূরত্ব d₁ = H·cot α, আর B থেকে দূরত্ব d₂ = H·cot β। যেহেতু A ও B-এর মধ্যে দূরত্বই হলো x, তাই d₁ − d₂ = x, অর্থাৎ H(cot α − cot β) = x।

এখান থেকে H = x ÷ (cot α − cot β)। চাইলে tan দিয়েও লেখা যায়: H = x·tan α·tan β ÷ (tan β − tan α) — দুটোই একই সূত্র, শুধু আলাদা রূপ।

H = x / (cot α − cot β) = x·tan α·tan β / (tan β − tan α)

সিমুলেশনে যা করে দেখবে

প্রতিটা ধাপ সিমুলেশনে হাত দিয়ে করার পর নিচের সমস্যাগুলোতে যাও — সংখ্যাগুলো তখন আর অচেনা লাগবে না।

১. পর্যবেক্ষককে টেনে দূরত্ব বদলাও

"উন্নতি কোণ" মোডে পর্যবেক্ষককে বাঁয়ে-ডানে টানো। কোণ স্লাইডার স্থির রাখলে, দূরত্ব বাড়ার সাথে সাথে হিসাব করা উচ্চতা H-ও বাড়বে। এখানে আসল বস্তুটার উচ্চতা বদলাচ্ছে না — বদলাচ্ছে "কত দূর থেকে, কত কোণে দেখলে কত উচ্চতা হিসাব হয়" এই সম্পর্কটা। বাস্তবে একটা প্রশ্নে d আর θ দুটোই মাপা তথ্য, H অজানা রাশি।

২. লক্ষ্যবস্তু বদলাও

টাওয়ার, গাছ বা দালানের মধ্যে বদলে দেখো — ছবি বদলায় কিন্তু ত্রিভুজ আর সূত্র একই থাকে। এটাই দেখায় যে গণিতটা বস্তুর আকৃতির ওপর নির্ভর করে না, শুধু তার উচ্চতা আর দূরত্বের ওপর নির্ভর করে।

৩. অবনতি কোণে একান্তর কোণ যাচাই করো

"অবনতি কোণ" মোডে "একান্তর কোণ" টিক দিয়ে রাখো। বাতিঘরের চূড়া থেকে নৌকার দিকে অবনতি কোণ আর নৌকা থেকে বাতিঘরের চূড়ার দিকে উন্নতি কোণ — দুটো চাপই ঠিক একই মাপ দেখাবে। নৌকা টেনে দূরত্ব বদলালেও এই সমতা কখনো ভাঙে না।

৪. দুই দফা পর্যবেক্ষণে α, β, x বদলাও

β সবসময় α-এর চেয়ে বড় রাখা বাধ্যতামূলক (স্লাইডারের সীমাতেই সেটা নিশ্চিত করা আছে), কারণ কাছে গেলে কোণ বাড়ে বই কমে না। x বাড়ালে হিসাব করা H-ও বাড়ে — বেশি হাঁটলে টাওয়ারটা তত বেশি লম্বা প্রমাণিত হবে, একই α ও β-তে।

৫. নিজে ক্যালকুলেটরে মিলিয়ে দেখো

পরিমাপ প্যানেলের tan θ মানটা ক্যালকুলেটরে (ডিগ্রি মোডে) নিজে বসিয়ে H = e + d·tan θ হিসাব করো। উত্তর মিলে গেলে বুঝবে খাতায় ঠিক এই পদ্ধতিতেই লিখতে হবে।

সমাধান করা সমস্যা

নয়টা সমস্যা — উন্নতি কোণ, অবনতি কোণ ও দুই দফা পর্যবেক্ষণ থেকে তিনটা করে, শেষে একটা ঘুড়ির বোনাস সমস্যা। প্রতিটার সংখ্যা এই পাতার কোডেই হিসাব করা, বসিয়ে দেওয়া নয়।

সমস্যা ১ (উন্নতি কোণ, সিমুলেশনের ডিফল্ট): d = ২০ মি, θ = ৩০°, চোখের উচ্চতা ১.৫ মি

tan ৩০° = ০.৫৭৭৪। তাই ভূমি থেকে চোখ পর্যন্ত অংশ বাদ দিয়ে ওপরের অংশ = d·tan θ = ২০ × ০.৫৭৭৪ = ১১.৫৫ মি।

মোট উচ্চতা H = চোখের উচ্চতা + এই অংশ = ১.৫ + ১১.৫৫ = ১৩.০৫ মিটার। সিমুলেশন খুললেই রিডআউটে এই সংখ্যাটাই দেখবে।

সমস্যা ২ (উন্নতি কোণ, আদর্শ কোণ ৪৫°): d = ১৫ মি, θ = ৪৫°

৪৫° কোণে tan সবসময় ১, তাই এখানে পর্যবেক্ষককে বিন্দু ধরে নিলে H = d × tan ৪৫° = ১৫ × ১ = ১৫ মিটার। এই আদর্শ কোণটাই পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশি আসে, কারণ হিসাবটা মাথায় মাথায় করা যায়।

সমস্যা ৩ (উন্নতি কোণ, আদর্শ কোণ ৬০°): d = ১২ মি, θ = ৬০°, চোখের উচ্চতা ১.৬ মি

tan ৬০° = √৩ ≈ ১.৭৩২। H = ১.৬ + ১২ × ১.৭৩২ = ২২.৩৮ মিটার। খেয়াল করো, ৬০° কোণে সামান্য দূরত্বেই উচ্চতা কত দ্রুত বেড়ে যায় — ৩০° আর ৬০°-এর জবাব তুলনা করলেই বোঝা যায়।

সমস্যা ৪ (উল্টো প্রশ্ন — ছায়া): একটা খুঁটির উচ্চতা ৬ মি, সূর্যের উন্নতি কোণ ৩০°; ছায়ার দৈর্ঘ্য বের করো

এবার H জানা, d অজানা। d = H ÷ tan θ = ৬ ÷ ০.৫৭৭৪ = ১০.৩৯ মিটার। এই ধরনের প্রশ্নেই সবচেয়ে বেশি ভুল হয় — অনেকে ভাগের বদলে গুণ করে বসে, তাই কোনটা H আর কোনটা d সবসময় আগে লিখে নাও।

সমস্যা ৫ (অবনতি কোণ, বাতিঘর): উচ্চতা ৫০ মি, নৌকার অবনতি কোণ ৩০°; নৌকার দূরত্ব বের করো

d = H ÷ tan θ = ৫০ ÷ ০.৫৭৭৪ = ৮৬.৬০ মিটার। লক্ষ করো, এখানেও একই সূত্র — শুধু ছবিটা উল্টো, পর্যবেক্ষক এবার ওপরে।

সমস্যা ৬ (অবনতি কোণ, দুইবার মাপা): একই বাতিঘর (উচ্চতা ৭৫ মি) থেকে একটা নৌকার অবনতি কোণ প্রথমে ৪৫°, কিছুক্ষণ পর ৩০°; নৌকা কত দূরে সরল?

প্রথমবার দূরত্ব d₁ = ৭৫ ÷ tan ৪৫° = ৭৫ ÷ ১ = ৭৫ মি। দ্বিতীয়বার d₂ = ৭৫ ÷ tan ৩০° = ৭৫ ÷ ০.৫৭৭ ≈ ১২৯.৯০ মি।

নৌকা সরেছে d₂ − d₁ = ১২৯.৯০ − ৭৫ ≈ ৫৪.৯০ মিটার। এটা আসলে "দুই দফা পর্যবেক্ষণ"-এরই একটা রূপ, শুধু H এবার জানা, x অজানা।

সমস্যা ৭ (দুই দফা পর্যবেক্ষণ, সিমুলেশনের ডিফল্ট): α = ৩০°, β = ৬০°, x = ২০ মি

cot ৩০° ≈ ১.৭৩২, cot ৬০° ≈ ০.৫৭৭। H = ২০ ÷ (১.৭৩২ − ০.৫৭৭) = ২০ ÷ ১.১৫৫ ≈ ১৭.৩২ মিটার।

d₁ = H·cot ৩০° ≈ ৩০ মি (A থেকে), d₂ = H·cot ৬০° ≈ ১০ মি (B থেকে) — বিয়োগফল ঠিক ২০ মিটার, যা x-এর সাথে মেলে।

সমস্যা ৮ (দুই দফা পর্যবেক্ষণ, দ্বিতীয় জোড়া কোণ): α = ৩০°, β = ৪৫°, x = ৪০ মি

cot ৩০° ≈ ১.৭৩২, cot ৪৫° = ১। H = ৪০ ÷ (১.৭৩২ − ১) = ৪০ ÷ ০.৭৩২ ≈ ৫৪.৬৪ মিটার।

যাচাই: d₁ ≈ ৯৪.৬৪ মি, d₂ ≈ ৫৪.৬৪ মি, এদের বিয়োগফল ঠিক ৪০ মিটার — মিলে গেলে বুঝবে হিসাব সঠিক।

বোনাস সমস্যা ৯ (ঘুড়ি): সুতার দৈর্ঘ্য ১০০ মি, ভূমির সাথে কোণ ৬০°; ঘুড়ির উচ্চতা ও অনুভূমিক দূরত্ব বের করো

এখানে সুতাটাই অতিভুজ, তাই এবার sin আর cos লাগবে, শুধু tan নয়।

উচ্চতা = সুতা × sin θ = ১০০ × sin ৬০° ≈ ৮৬.৬০ মিটার। অনুভূমিক দূরত্ব = সুতা × cos θ = ১০০ × cos ৬০° = ৫০ মিটার।

সাধারণ ভুলগুলো

দূরত্ব ও উচ্চতা অধ্যায়ে বেশিরভাগ নম্বর কাটা যায় ধারণায় নয়, ছোট ছোট অসাবধানতায়। নিচের তালিকাটা পরীক্ষার আগে একবার চোখ বুলিয়ে নাও, বিশেষ করে যেগুলো তোমার নিজের খাতায় আগে হয়েছে সেগুলোতে বাড়তি মনোযোগ দাও।

  • কোণ মাপা হয় সবসময় অনুভূমিক রেখা থেকে — বস্তুর দিকের রেখা থেকে নয়। ছবি না এঁকে সরাসরি সূত্রে বসালে এই ভুলটাই বেশি হয়।
  • উন্নতি আর অবনতি কোণ গুলিয়ে ফেলা: বস্তু ওপরে থাকলে উন্নতি, নিচে থাকলে অবনতি — দুটোতেই কোণটা একই রকম দেখতে লাগে বলে ভুল হয়।
  • চোখের উচ্চতা যোগ করতে ভুলে যাওয়া (বা যেখানে দেওয়া নেই সেখানে অকারণে বসিয়ে দেওয়া) — প্রশ্নে না থাকলে পর্যবেক্ষককে বিন্দু ধরাই নিয়ম।
  • ক্যালকুলেটর রেডিয়ান মোডে রেখে ডিগ্রির মান বসানো — উত্তর সম্পূর্ণ ভুল আসবে, কিন্তু দেখতে একটা সংখ্যাই লাগবে।
  • উল্টো প্রশ্নে (H জানা, d অজানা) গুণের বদলে ভাগ করতে ভুলে যাওয়া, বা তার উল্টোটা।
  • দুই দফা পর্যবেক্ষণে d₁ − d₂-এর বদলে সরাসরি হাইপোটেনিউজ দুটোর বিয়োগ করা — হাঁটা দূরত্ব x সবসময় ভূমি বরাবর, দৃষ্টিরেখা বরাবর নয়।
  • অবনতি কোণে একান্তর কোণের সমতা ভুলে গিয়ে আলাদা করে দুটো অজানা কোণ বসানোর চেষ্টা করা।

বাস্তব জীবনে ব্যবহার

দূরত্ব ও উচ্চতার অঙ্ক শুধু পরীক্ষার খাতায় থাকে না — অনেক পেশাতেই এটা রোজকার হাতিয়ার।

  • সার্ভেয়ার ও প্রকৌশলী: রাস্তা, সেতু বা পাহাড়ি এলাকায় নির্মাণের আগে জমির উচ্চতা-নিচতা মাপেন থিওডোলাইট দিয়ে, যেটা মূলত কোণ মাপার যন্ত্র।
  • নৌ-চলাচল: বাতিঘরের আলো দেখে ও তার পরিচিত উচ্চতা জেনে নাবিকরা নিজের নৌকার দূরত্ব অনুমান করেন।
  • বিমান চলাচল: অবতরণের সময় পাইলট রানওয়ে থেকে উচ্চতা ও অবনতি কোণ মিলিয়ে সঠিক পথে নামছেন কিনা যাচাই করেন।
  • বনবিদ্যা: গাছ না কেটেই তার উচ্চতা মাপতে ক্লিনোমিটার ব্যবহার করা হয় — ঠিক এই সিমুলেশনের গাছের মতো।
  • স্থাপত্য: ভবনের নকশায় ছায়া কতদূর পড়বে তা আগে থেকেই হিসাব করতে সূর্যের উন্নতি কোণ ব্যবহার হয়।
  • সামরিক বাহিনী: রাডার বা পর্যবেক্ষণ চৌকি থেকে কোনো লক্ষ্যবস্তুর দূরত্ব বের করতে একই সূত্র কাজে লাগে।
  • জ্যোতির্বিজ্ঞান: কোনো নক্ষত্র বা উপগ্রহ দিগন্ত থেকে কত ওপরে আছে, তা বোঝাতেও "উন্নতি কোণ" শব্দটাই ব্যবহার হয় — টেলিস্কোপ তাক করার প্রথম ধাপ এই কোণ মাপা।

পরীক্ষার কর্নার

SSC-তে দূরত্ব ও উচ্চতা থেকে সৃজনশীল প্রশ্নে সাধারণত একটা বাস্তব পরিস্থিতির বর্ণনা (একটা টাওয়ার, নদী বা বাতিঘর) দিয়ে ৪টা প্রশ্ন থাকে — জ্ঞানমূলক (সংজ্ঞা), অনুধাবনমূলক (ছবি এঁকে ব্যাখ্যা), প্রয়োগ (একটা কোণ ও দূরত্ব থেকে উচ্চতা) এবং উচ্চতর দক্ষতা (দুই দফা পর্যবেক্ষণ বা দুটো ভিন্ন বস্তুর তুলনা)।

বহুনির্বাচনিতে প্রায়ই সংজ্ঞা আর আদর্শ কোণের (৩০°, ৪৫°, ৬০°) tan/sin/cos মান জিজ্ঞেস করা হয় — এই মানগুলো মুখস্থ রাখলে সময় বাঁচবে।

খাতায় নম্বর পেতে তিনটা ধাপ বাধ্যতামূলক: একটা লেবেলযুক্ত ছবি আঁকা (কোণ, দূরত্ব, উচ্চতা চিহ্নিত করে), সঠিক সূত্র বসানো, আর শেষ ধাপের হিসাবটা দেখানো — শুধু উত্তর লিখলে ধাপের নম্বর কাটা যায়।

HSC উচ্চতর গণিত বা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার সাধারণ জ্ঞান অংশেও মাঝেমধ্যে এই ধরনের ব্যবহারিক ত্রিকোণমিতির প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে ন্যাভিগেশন বা সার্ভে-সম্পর্কিত প্রশ্নে — তাই ধারণাটা শুধু SSC-এর জন্য নয়, পরে কাজে লাগবে।

এক নজরে রিভিশন

পরীক্ষার ঠিক আগে এই টেবিলটা একবার দেখে নাও।

পরিস্থিতিজানা রাশিঅজানা রাশিসূত্র
উন্নতি কোণd, θ, চোখের উচ্চতা eউচ্চতা HH = e + d·tan θ
অবনতি কোণ (উচ্চতা জানা)H, θদূরত্ব dd = H / tan θ
ছায়া/উল্টো প্রশ্নH, θদূরত্ব dd = H / tan θ
দুই দফা পর্যবেক্ষণα, β, xউচ্চতা HH = x / (cot α − cot β)

সচরাচর জিজ্ঞাসা

উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণের মধ্যে পার্থক্য কী?

দুটোই ভূমি-সমান্তরাল রেখা থেকে মাপা হয়। বস্তু পর্যবেক্ষকের চেয়ে ওপরে থাকলে ওপরের দিকে হেলে যাওয়া কোণকে বলে উন্নতি কোণ, নিচে থাকলে নিচের দিকে হেলে যাওয়া কোণকে বলে অবনতি কোণ।

দৃষ্টিরেখা কাকে বলে?

পর্যবেক্ষকের চোখ থেকে যে বস্তু দেখা হচ্ছে তার দিকে টানা কাল্পনিক সরলরেখাকে দৃষ্টিরেখা বলে। এটাই সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজ।

চোখের উচ্চতা কেন যোগ করতে হয়?

পর্যবেক্ষক মাটিতে দাঁড়ালে তার চোখ মাটি থেকে কিছুটা ওপরে থাকে (সাধারণত ১.৫–১.৬ মিটার)। কোণটা মাপা হয় সেই চোখের উচ্চতা থেকেই, তাই সম্পূর্ণ উচ্চতা পেতে d·tan θ-এর সাথে চোখের উচ্চতা যোগ করতে হয়। প্রশ্নে না বললে পর্যবেক্ষককে একটা বিন্দু ধরে নেওয়া হয়।

কেন সবসময় tan ব্যবহার হয়, sin বা cos নয় কেন?

কারণ বেশিরভাগ প্রশ্নে যে দুটো বাহু জড়িত (উচ্চতা ও অনুভূমিক দূরত্ব) সেগুলো লম্ব ও ভূমি, আর tan θ = লম্ব ÷ ভূমি। তবে ঘুড়ির সমস্যার মতো যেখানে অতিভুজ (সুতা) দেওয়া থাকে, সেখানে sin ও cos-ই লাগে।

দুই দফা পর্যবেক্ষণে β সবসময় α-এর চেয়ে বড় কেন?

কাছে গেলে মাথা আরও বেশি উঁচু করে তাকাতে হয়, তাই কোণ বাড়ে। দূরের বিন্দু A-এর কোণ α সবসময় কাছের বিন্দু B-এর কোণ β-এর চেয়ে ছোট বা সমান হবে; সমান হলে দুই বিন্দু আসলে একই জায়গায়।

A থেকে B-এর উন্নতি কোণ কি সবসময় B থেকে A-এর অবনতি কোণের সমান?

হ্যাঁ। দুটো ভূমি-সমান্তরাল রেখা পরস্পর সমান্তরাল, আর দৃষ্টিরেখা তাদের একটা তির্যক রেখা হিসেবে ছেদ করে — তাই একান্তর কোণ হিসেবে দুটো কোণ সবসময় সমান।

উচ্চতা ও দূরত্ব সমাধানে ক্যালকুলেটর কোন মোডে রাখতে হবে?

ডিগ্রি (DEG) মোডে। রেডিয়ান মোডে রেখে ডিগ্রির মান বসালে উত্তর সম্পূর্ণ ভুল আসবে, কিন্তু ভুলটা প্রথম দেখায় ধরা কঠিন।

৩০°, ৪৫°, ৬০° কোণের tan মান কত?

tan ৩০° = ১/√৩ ≈ ০.৫৭৭, tan ৪৫° = ১, tan ৬০° = √৩ ≈ ১.৭৩২। এই তিনটে মান মুখস্থ থাকলে বেশিরভাগ পরীক্ষার প্রশ্ন মুখে মুখে সমাধান করা যায়।

সিমুলেশনে টাওয়ারের উচ্চতা বদলাতে পারি না কেন?

কারণ বাস্তব প্রশ্নে টাওয়ারের উচ্চতাই থাকে অজানা রাশি (উন্নতি কোণ ও দুই দফা পর্যবেক্ষণ মোডে) অথবা আগে থেকে জানা ধ্রুবক (অবনতি কোণ মোডে) — সিমুলেশনটা তোমাকে ঠিক সেই প্রশ্নের মতোই দূরত্ব ও কোণ থেকে হিসাব করতে শেখায়, উল্টো দিক থেকে নয়।

দুই দফা পর্যবেক্ষণে হাঁটা দূরত্ব x কি সবসময় সোজা রেখায় হতে হবে?

হ্যাঁ, x ধরা হয় ভূমি বরাবর সরলরেখায় টাওয়ারের ভিত্তির দিকে হাঁটা দূরত্ব হিসেবে। বাঁকা পথে হাঁটলে বা টাওয়ারের ভিত্তি বরাবর সরলরেখায় না হাঁটলে সূত্রটা সরাসরি খাটে না।

বহুতল ভবনের ওপর থেকে দুটো ভিন্ন বস্তুর অবনতি কোণ দেওয়া থাকলে কীভাবে এগোব?

প্রতিটা বস্তুর জন্য আলাদা আলাদা সমকোণী ত্রিভুজ আঁকো, একই ভবনের উচ্চতা দুটো ত্রিভুজেই ব্যবহার হবে। প্রতিটার দূরত্ব আলাদাভাবে d = H ÷ tan θ দিয়ে বের করে, তারপর দুটো দূরত্বের পার্থক্য বা যোগফল নিয়ে মূল প্রশ্নের উত্তর দাও — একসাথে দুটো সমীকরণ গুলিয়ে ফেলো না।

এই বিষয়ের আরও পড়াশোনা

অ্যানিমেশনে ধারণা পরিষ্কার হলো, এবার পরীক্ষার প্রস্তুতি: সিলেবাস, সাজেশন, বই আর ভর্তি পরীক্ষার গাইড নিচে।

SSC

এসএসসি গণিত: সিলেবাস ও প্রস্তুতি

পাঠ্যবই

নবম-দশম শ্রেণির গণিত বই

SSC

এসএসসি উচ্চতর গণিত: সিলেবাস ও প্রস্তুতি

HSC

এইচএসসি উচ্চতর গণিত: সিলেবাস ও প্রস্তুতি

পাঠ্যবই

নবম-দশম শ্রেণির উচ্চতর গণিত বই

ভর্তি

ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি

ভর্তি

জাবি গাণিতিক ও পদার্থবিষয়ক অনুষদ ভর্তি

English

Paragraph: Artificial Intelligence (ইংরেজিতে)

বাংলা

রচনা: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

SSC

এসএসসি সাজেশন

HSC

এইচএসসি সাজেশন

ভর্তি

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার গাইড

SSC

এসএসসি সিলেবাস

HSC

এইচএসসি সিলেবাস

টেস্ট

GRE Quantitative Reasoning guide (ইংরেজিতে)

টেস্ট

Digital SAT Math guide (ইংরেজিতে)

স্কলারশিপ

বিদেশে পড়াশোনার স্কলারশিপ

টুল

Compound interest calculator (ইংরেজিতে)

ক্যারিয়ার

Data scientist resume example (ইংরেজিতে)

ক্যারিয়ার

Cover letter examples (ইংরেজিতে)

আরও গণিত অ্যানিমেশন

Class 8 · SSC

পিথাগোরাসের উপপাদ্য

পিথাগোরাসের উপপাদ্য কাকে বলে, সূত্র c² = a² + b², অষ্টম ও নবম-দশম শ্রেণির প্রমাণ, বিপরীত উপপাদ্য, পিথাগোরীয় ত্রয়ী ও সমাধানসহ অঙ্ক: ত্রিভুজ টেনে নিজে দেখো।

SSC · HSC

ত্রিকোণমিতিক অনুপাত ও একক বৃত্ত

ত্রিকোণমিতিক অনুপাত কাকে বলে, sin cos tan-এর মান ০° থেকে ৩৬০°, আদর্শ কোণের টেবিল, চতুর্ভাগের চিহ্ন ও সূত্র: একক বৃত্তে বিন্দু ঘুরিয়ে নিজে দেখো, সমাধানসহ।

SSC · HSC

দ্বিঘাত সমীকরণ ও দ্বিঘাত ফাংশনের লেখচিত্র

দ্বিঘাত সমীকরণ কাকে বলে, উৎপাদক ও বর্গপূর্ণকরণ পদ্ধতি, শ্রীধর আচার্যের সূত্র, নিশ্চায়ক দিয়ে মূলের প্রকৃতি, শীর্ষবিন্দু ও পরাবৃত্তের লেখচিত্র অ্যানিমেশনে।

SSC

বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য

বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য সহজে: কেন্দ্রস্থ ও বৃত্তস্থ কোণ, অর্ধবৃত্তস্থ কোণ, বৃত্তীয় চতুর্ভুজ, জ্যা ও স্পর্শক। SSC-র প্রমাণ আর সমাধানসহ অঙ্ক, বিন্দু টেনে নিজে দেখো।

SSC

সম্ভাবনা: পরীক্ষালব্ধ বনাম তাত্ত্বিক সম্ভাবনা

সম্ভাবনা কাকে বলে, নমুনা ক্ষেত্র ও সম্ভাবনার সূত্র P(E) = n(E)/n(S) কীভাবে কাজ করে, আর বহুবার নিক্ষেপ করলে পরীক্ষালব্ধ হার কীভাবে তাত্ত্বিক সম্ভাবনার কাছাকাছি চলে আসে — মুদ্রা, ছক্কা, দুই ছক্কা ও রঙিন বল দিয়ে ইন্টারঅ্যাকটিভ সিমুলেশন ও সমাধান করা অঙ্কসহ।

SSC · HSC

সমান্তর ও গুণোত্তর ধারা

সমান্তর ধারা ও গুণোত্তর ধারার n-তম পদ ও যোগফল সূত্র, গাউসের জোড়া বাঁধার কৌশল আর অসীম ধারার সূত্র a/(1−r): বার-চার্ট অ্যানিমেশনে নিজে টেনে দেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।

SSC

গড়, মধ্যক ও প্রচুরক

গড়, মধ্যক ও প্রচুরক নির্ণয়ের সূত্র, আউটলায়ারে মধ্যক কেন অটুট থাকে, আর শ্রেণিবদ্ধ উপাত্তের মধ্যক-প্রচুরক সূত্র: বিন্দু টেনে সংখ্যা রেখায় নিজে দেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।

Class 9 · SSC

সেট ও ভেনচিত্র

সংযোগ সেট, ছেদ সেট, অন্তর সেট, পূরক সেট আর ডি মরগানের সূত্র ভেনচিত্রে হাতে-কলমে দেখো: অঞ্চল রাঙাও, সংখ্যা বসাও, n(A ∪ B) সূত্র যাচাই করো, সমাধান করা অঙ্কসহ।

Class 8 · SSC

সরল সহসমীকরণ ও সরলরেখার লেখচিত্র

ঢাল, ছেদক ও ছেদবিন্দু অ্যানিমেশনে দেখো। দুটি সরল সমীকরণ লেখচিত্রে এঁকে সমাধান করো, সমঞ্জস-অসমঞ্জস চেনো এবং অনুপাত পরীক্ষা কষে নাও, SSC-র ধাঁচে।

SSC · HSC

sin, cos, tan-এর লেখচিত্র

y = A sin(Bx + C) + D আঁকো স্লাইডার টেনে: বিস্তার, পর্যায়কাল, দশা সরণ, মানের পরিসর আর tan-এর অসীমতট নিজে দেখো। সমাধানসহ ত্রিকোণমিতিক লেখচিত্র।

Class 9 · SSC

পূর্ণবর্গ পদ্ধতি ও দ্বিঘাত সমীকরণের সমাধান

টালি সাজিয়ে পূর্ণবর্গ পদ্ধতি দেখো, দ্বিঘাত সমীকরণের মূল ও শীর্ষবিন্দু বের করো এবং সূত্রটা কেন কাজ করে বুঝে নাও। অ্যানিমেশন ও সমাধানসহ।

Class 8 · SSC

বৃত্তের ক্ষেত্রফল: সূত্র, প্রমাণ ও সমাধান

বৃত্তকে টুকরো করে সাজিয়ে আয়তক্ষেত্র বানাও আর দেখো ক্ষেত্রফল কীভাবে πr² হয়। পরিধি, পাই, বৃত্তকলা, বৃত্তচাপ ও সমাধানসহ ফ্রি ইন্টারঅ্যাকটিভ সিমুলেশন।

Class 8 · SSC

ঘনবস্তুর আয়তন ও তলের ক্ষেত্রফল: ঘনক, আয়তঘন, বেলন, কোণক, গোলক

ছয়টি ঘনবস্তু ৩ডি-তে ঘোরাও, জাল খুলে দেখো আর কোণকের পানি বেলনে ঢেলে বোঝো কেন ঠিক তিন বারে ভরে। আয়তন, বক্রতল ও সমগ্রতলের সূত্র আর সমাধানসহ বিনামূল্যের সিমুলেশন।

Class 9 · SSC

সদৃশ ত্রিভুজ: স্কেল ফ্যাক্টর, AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়া থেকে উচ্চতা

স্লাইডার টেনে ত্রিভুজকে বড়-ছোট করো আর দেখো কোণ সমান থাকে, বাহুর অনুপাত k থাকে, ক্ষেত্রফল k² গুণ হয়। সদৃশতার AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়ার অঙ্কসহ বিনামূল্যের সিমুলেশন।

Class 9 · SSC

স্থানাঙ্ক জ্যামিতি: দূরত্ব, মধ্যবিন্দু, ঢাল, বিভক্তিকরণ সূত্র ও সঞ্চারপথ

গ্রিডে বিন্দু টেনে দেখো দূরত্বের সূত্র, মধ্যবিন্দু, ঢাল আর বিভক্তিকরণ সূত্র কীভাবে বদলায়। লম্বসমদ্বিখণ্ডক সঞ্চারপথ ও সমাধান করা অঙ্কসহ বিনামূল্যের সিমুলেশন।

HSC

শাঙ্কব ছেদ: বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত ও অধিবৃত্ত

দ্বিশঙ্কুর মধ্য দিয়ে তল কাত করে দেখো বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত আর অধিবৃত্ত কীভাবে তৈরি হয়। সমীকরণ, ফোকাস ও উৎকেন্দ্রিকতাসহ বিনামূল্যের সিমুলেশন ও সমাধান করা অঙ্ক।

Class 9 · SSC

ফাংশনের রূপান্তর: সরানো, টানা ও উল্টানো

x², |x|, √x, sin x বা 2^x বেছে a, b, h, k স্লাইডার নাড়াও। দেখো লেখচিত্র কীভাবে সরে, টানে, চাপে আর উল্টে যায়, পেছনে ফিকে মূল লেখচিত্রসহ। বিনামূল্যের সিমুলেশন ও সমাধান করা অঙ্ক।

HSC

অন্তরীকরণ: স্পর্শকের ঢাল ও ছেদক থেকে স্পর্শক

x², x³, sin x, eˣ বা 1/x বক্ররেখায় P বিন্দু টানো আর ব্যবধান h শূন্যের দিকে কমাও। ছেদক কীভাবে স্পর্শক হয় আর তার ঢাল কীভাবে অন্তরজ হয় তা দেখো। নিচে অন্তরজের লেখচিত্রও আছে। বিনামূল্যে সিমুলেশন।

HSC

রিম্যান যোগফল ও সমাকলন: বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফল

x², x³, sin x, eˣ বা √x বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফলকে ১০০টি পর্যন্ত ফালিতে ভাগ করো, বাঁ, ডান, মধ্যবিন্দু ও ট্রাপিজিয়াম যোগফলকে সঠিক সমাকলনের সঙ্গে মেলাও। ভুল কমতে দেখো। বিনামূল্যে সিমুলেশন।

HSC

সীমা ও ε–δ সংজ্ঞা: ছবিতে বোঝা

ε–δ সংজ্ঞায় সীমা চোখে দেখো। ফাংশন বেছে ε ছোট করো, δ ব্যান্ড কীভাবে সরু হয় দেখো। বাম-ডান সীমা, গর্ত, sin x / x আর লাফ, যেখানে কোনো δ কাজ করে না। বিনামূল্যে সিমুলেশন।

HSC

ত্রিমাত্রিক ভেক্টর: যোগ, ডট গুণ ও ক্রস গুণ

দুটি ত্রিমাত্রিক ভেক্টর টেনে ঘুরিয়ে দেখো। যোগফল সামান্তরিক হয়ে, ডট গুণ ছায়া ও কোণ হয়ে, আর ক্রস গুণ লম্ব তীর হয়ে ধরা দেবে, যার দৈর্ঘ্য ক্ষেত্রফল। বিনামূল্যে সিমুলেশন।

HSC

ম্যাট্রিক্স রূপান্তর: ঘূর্ণন, প্রতিফলন, শিয়ার ও নির্ণায়ক

২×২ ম্যাট্রিক্স বদলে দেখো ছক, একক বর্গ আর একটা F-আকৃতি কীভাবে নড়ে। î আর ĵ কোথায় যায়, নির্ণায়ক কীভাবে চিহ্নযুক্ত ক্ষেত্রফল, আর বিপরীত ম্যাট্রিক্স। বিনামূল্যে সিমুলেশন।

HSC

জটিল সংখ্যা: আরগান্ড সমতলে যোগ, গুণ, ঘাত ও মূল

আরগান্ড সমতলে দুটি জটিল সংখ্যা টেনে সরাও। যোগফল সামান্তরিক হয়ে, গুণফল ঘূর্ণন ও টান হয়ে, অনুবন্ধী, ঘাত সর্পিল হয়ে এবং এককের মূল ধরা দেবে। বিনামূল্যে সিমুলেশন।

SSC · HSC

বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি: স্থানীয় মান, রূপান্তর ও যোগ

বিট উল্টে দেখো দশমিক, বাইনারি, অক্টাল ও হেক্সা একসাথে বদলায়। ২ দিয়ে ভাগ, ৩-৪ বিটের গ্রুপ আর ক্যারিসহ বাইনারি যোগ হাতে-কলমে। বিনা মূল্যে, সমাধান করা অঙ্কসহ।

অন্য বিষয়ের অ্যানিমেশন

পদার্থবিজ্ঞান

আলোর প্রতিসরণ

পদার্থবিজ্ঞান

ওহমের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

প্রাসের গতি

পদার্থবিজ্ঞান

সরল দোলক

পদার্থবিজ্ঞান

তড়িৎ ক্ষেত্র

পদার্থবিজ্ঞান

তরঙ্গের ব্যতিচার

পদার্থবিজ্ঞান

পড়ন্ত বস্তু ও পড়ন্ত বস্তুর সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

লেন্সে প্রতিবিম্ব গঠন

পদার্থবিজ্ঞান

নিউটনের গতির সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

গোলীয় দর্পণে প্রতিবিম্ব গঠন

পদার্থবিজ্ঞান

তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ ও ফ্যারাডের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

ভরবেগের সংরক্ষণ ও সংঘর্ষ

পদার্থবিজ্ঞান

কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি

পদার্থবিজ্ঞান

নততল

পদার্থবিজ্ঞান

বৃত্তাকার গতি

পদার্থবিজ্ঞান

অনুপ্রস্থ ও অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ

পদার্থবিজ্ঞান

লিভার ও ভ্রামক

পদার্থবিজ্ঞান

ভরকেন্দ্র

পদার্থবিজ্ঞান

স্প্রিং-ভর ও সরল ছন্দিত স্পন্দন

পদার্থবিজ্ঞান

ভেক্টর যোগ: ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

আপেক্ষিক বেগ: ট্রেন ও নদী পারাপার

পদার্থবিজ্ঞান

কেপলারের সূত্র ও উপবৃত্তাকার কক্ষপথ

পদার্থবিজ্ঞান

নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র, g ও কৃত্রিম উপগ্রহ

পদার্থবিজ্ঞান

তার ও নলে স্থির তরঙ্গ

পদার্থবিজ্ঞান

অনুনাদ নল ও শব্দের দ্রুতি

পদার্থবিজ্ঞান

স্বরকম্প: কাছাকাছি দুই সুরের স্পন্দন

পদার্থবিজ্ঞান

ডপলার প্রভাব: চলমান উৎস, চলমান শ্রোতা ও সনিক বুম

পদার্থবিজ্ঞান

প্রিজম, আলোর বিচ্ছুরণ ও রামধনু

পদার্থবিজ্ঞান

কির্শফের সূত্র: সংযোগ সূত্র ও বদ্ধ পথ সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

হুইটস্টোন ব্রিজ ও মিটার ব্রিজ

পদার্থবিজ্ঞান

একক চিড়ে অপবর্তন

পদার্থবিজ্ঞান

চোখের ত্রুটি ও তার প্রতিকার

পদার্থবিজ্ঞান

আলোর সমবর্তন: ম্যালাসের সূত্র ও ব্রুস্টারের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

ক্যাপাসিটরের আহিতকরণ ও নিরাহিতকরণ: আরসি সময় ধ্রুবক

পদার্থবিজ্ঞান

চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা: দণ্ডচুম্বক, তড়িৎবাহী সরল তার ও সলিনয়েড

পদার্থবিজ্ঞান

এসি জেনারেটর

পদার্থবিজ্ঞান

ট্রান্সফর্মার

পদার্থবিজ্ঞান

তাপের সঞ্চালন: পরিবহন, পরিচলন ও বিকিরণ

পদার্থবিজ্ঞান

আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া: আইনস্টাইনের সমীকরণ ও নিবৃত্তি বিভব

পদার্থবিজ্ঞান

মোটর ক্রিয়া: তড়িৎবাহী তারের ওপর বল ও ডিসি মোটর

পদার্থবিজ্ঞান

গ্যাসের অণু ও গতিতত্ত্ব: চাপ, তাপমাত্রা ও দ্রুতি

পদার্থবিজ্ঞান

অর্ধপরিবাহী ডায়োড: p–n সন্ধি, I–V বক্ররেখা ও রেক্টিফায়ার

পদার্থবিজ্ঞান

তেজস্ক্রিয় ক্ষয়: অর্ধায়ু, ক্ষয় সূত্র ও বিকিরণের ভেদন ক্ষমতা

পদার্থবিজ্ঞান

বোর পরমাণু মডেল: কক্ষপথ, শক্তিস্তর ও হাইড্রোজেনের বর্ণালি

রসায়ন

পরমাণুর গঠন

রসায়ন

এসিড, ক্ষারক ও pH স্কেল

রসায়ন

ইলেকট্রন বিন্যাস

রসায়ন

গ্যাসের সূত্র: বয়েল, চার্লস ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ

রসায়ন

আয়নিক বন্ধন কীভাবে গঠিত হয়

রসায়ন

তড়িৎ বিশ্লেষণ ও ফ্যারাডের সূত্র

রসায়ন

সমযোজী বন্ধন

রসায়ন

পর্যায়বৃত্ত ধর্ম

রসায়ন

বিক্রিয়ার হার ও সংঘর্ষ তত্ত্ব

রসায়ন

পদার্থের অবস্থা: কঠিন, তরল, গ্যাসীয় ও তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র

রসায়ন

পরমাণুর অরবিটাল: s, p, d-এর আকৃতি, কোয়ান্টাম সংখ্যা ও নোড

রসায়ন

আণবিক আকৃতি ও ভিএসইপিআর তত্ত্ব: বন্ধন জোড়, মুক্তজোড় ও বন্ধন কোণ

রসায়ন

মোল ধারণা: মোলার ভর, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা ও মোলার আয়তন

রসায়ন

ব্যাপন ও নিঃসরণ: গ্রাহামের সূত্র

রসায়ন

রাসায়নিক সমীকরণ সমতাকরণ: পদ্ধতি, উদাহরণ ও অনুশীলন

রসায়ন

রাসায়নিক সাম্যাবস্থা: সাম্যধ্রুবক Kc ও লা শাতেলিয়ের নীতি

রসায়ন

টাইট্রেশন: অম্ল-ক্ষারের ঘনমাত্রা বের করার পদ্ধতি

রসায়ন

গ্যালভানিক কোষ: ড্যানিয়েল কোষ, EMF ও নার্নস্ট সমীকরণ

রসায়ন

জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া: জারণ সংখ্যা, ইলেকট্রন স্থানান্তর ও অর্ধ-সমীকরণ

রসায়ন

হাইড্রোকার্বন: অ্যালকেন, অ্যালকিন, অ্যালকাইন ও কাঠামোগত সমাণু ত্রিমাত্রায়

রসায়ন

কার্যকরী মূলক: অ্যালকোহল, অ্যালডিহাইড, কিটোন, অ্যাসিড, এস্টার ও অ্যামিন

রসায়ন

পলিমারকরণ: যোজন ও ঘনীভবন পলিমার, পলিথিন ও নাইলন

রসায়ন

মিশ্রণ আলাদা করার পদ্ধতি: ছাঁকন, পাতন, ক্রোমাটোগ্রাফি, স্ফটিকীকরণ

রসায়ন

কেলাস জালক: SC, BCC ও FCC একক কোষ, প্যাকিং দক্ষতা ও ঘনত্ব

রসায়ন

তেজস্ক্রিয়তা: আলফা, বিটা, গামা ক্ষয় ও অর্ধায়ু

জীববিজ্ঞান

মাইটোসিস কোষ বিভাজন

জীববিজ্ঞান

ব্যাপন ও অভিস্রবণ

জীববিজ্ঞান

সালোকসংশ্লেষণ

জীববিজ্ঞান

মানব হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কাজ

জীববিজ্ঞান

মেন্ডেলের বংশগতি সূত্র

জীববিজ্ঞান

ডিএনএ রেপ্লিকেশন

জীববিজ্ঞান

কোষীয় শ্বসন

জীববিজ্ঞান

এনজাইম ক্রিয়া

জীববিজ্ঞান

স্নায়ু উদ্দীপনার পরিবহন ও অ্যাকশন পটেনশিয়াল

জীববিজ্ঞান

নেফ্রন ও মূত্র তৈরির প্রক্রিয়া

জীববিজ্ঞান

মিয়োসিস কোষ বিভাজন

জীববিজ্ঞান

পরিপাকতন্ত্র

জীববিজ্ঞান

শ্বাসক্রিয়ার কৌশল: প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস

জীববিজ্ঞান

প্রোটিন সংশ্লেষণ

জীববিজ্ঞান

রক্ত সংবহন: দ্বি-সংবহন ও কার্ডিয়াক আউটপুট

জীববিজ্ঞান

কোষের গঠন ও অঙ্গাণু: উদ্ভিদ কোষ বনাম প্রাণী কোষ

জীববিজ্ঞান

প্রতিবর্ত ক্রিয়া ও প্রতিবর্ত চাপ

জীববিজ্ঞান

মানুষের চোখ: গঠন, প্রতিবিম্ব ও উপযোজন

জীববিজ্ঞান

পেশি সংকোচন ও স্লাইডিং ফিলামেন্ট মডেল

জীববিজ্ঞান

উদ্ভিদে পরিবহন: জাইলেম, ফ্লোয়েম ও বাষ্পমোচন

জীববিজ্ঞান

খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজাল: শক্তির প্রবাহ ও ১০ % নিয়ম

জীববিজ্ঞান

জনসংখ্যা বৃদ্ধি: সূচকীয় ও লজিস্টিক রেখা

জীববিজ্ঞান

প্রাকৃতিক নির্বাচন: পেপার্ড মথ ও কালিঝুলি মাখা গাছ

জীববিজ্ঞান

রোগপ্রতিরোধ: প্রাথমিক ও গৌণ অ্যান্টিবডি সাড়া

জীববিজ্ঞান

পরাগায়ন ও নিষেক