নিয়ন্ত্রণ
বিকারের দ্রবণ
নির্দেশক
পরিমাপ
- pH
- ১.০০
- pOH
- ১৩.০০
- [H₃O⁺] ঘনমাত্রা
- ১.০০ × 10⁻¹M
- দ্রবণের প্রকৃতি
- অম্লীয়
- বুরেট থেকে যোগ করা আয়তন (NaOH)
- ০.০mL
- যোগ হওয়া বুরেটের দ্রবণ
- ০.০০mmol
- বিকারে শুরুর দ্রব (HCl)
- ২.৫০mmol
- সমতুল্য বিন্দুর আয়তন
- ২৫.০mL
- বিকারের দ্রবণের আয়তন + NaOH
- ২৫.০mL
সিমুলেশনটি কীভাবে ব্যবহার করবে
- “বিকারের দ্রবণ” থেকে HCl, CH₃COOH, NaOH বা বিশুদ্ধ পানি বেছে নাও। এসিড বা পানি হলে বুরেটে থাকবে NaOH, আর ক্ষার হলে বুরেটে থাকবে HCl।
- ▶ চাপো: বুরেট থেকে ফোঁটা পড়তে শুরু করবে, বিকারের রং বদলাবে, আর ডান পাশে টাইট্রেশন লেখচিত্র আঁকা হবে।
- “বুরেট থেকে যোগ করা আয়তন” স্লাইডার দিয়ে যেকোনো আয়তনে থেমে pH, pOH আর [H₃O⁺] মিলিয়ে দেখো।
- নির্দেশক বদলাও: ফেনলফথালিন ক্ষারীয় দ্রবণে গোলাপি হয়, মিথাইল অরেঞ্জ এসিডে লাল আর ক্ষারে হলুদ।
- “আয়নগুলো বড় করে দেখাও” চালু রাখলে গোল ঘরে লাল (H₃O⁺) আর নীল (OH⁻) আয়ন দেখবে: প্রতি এক pH এককে দুটো করে বিন্দু বাড়ে বা কমে, কারণ স্কেলটা লগারিদমিক।
- ঘনমাত্রা ও আয়তনের স্লাইডার বদলালে বিকার আবার ভরে যায়। সমতুল্য বিন্দুর আয়তন পরিমাপ প্যানেলে দেখো আর খাতায় M₁V₁ = M₂V₂ দিয়ে মিলিয়ে নাও।
লেবুর টক, সাবানের পিচ্ছিল ভাব আর পেট জ্বালা: সব এক গল্প
লেবু চিপে জিভে দিলে টক লাগে, তেঁতুলও টক, ভিনেগারও টক। আবার সাবান হাতে নিলে পিচ্ছিল লাগে, চুন মুখে গেলে কষা লাগে। খেয়াল করেছ, টক জিনিসগুলো একরকম আর পিচ্ছিল-কষা জিনিসগুলো আরেকরকম? রসায়নবিদেরা এই দুই দলের নাম দিয়েছেন এসিড (অম্ল) আর ক্ষারক।
বেশি ঝাল-তেলের খাবার খেলে অনেকের বুক জ্বালা করে। ডাক্তার তখন অ্যান্টাসিড দেন। কেন? কারণ পাকস্থলীতে থাকা হাইড্রোক্লোরিক এসিড বেশি হয়ে গেছে, আর অ্যান্টাসিড একটা মৃদু ক্ষারক যা সেই বাড়তি এসিডকে “ঠান্ডা” করে দেয়। এসিড আর ক্ষারক মিলে একে অপরের ধর্ম নষ্ট করে দেওয়াকে বলে প্রশমন। এটাই আজকের পাতার মূল নায়ক।
কিন্তু “কতটা টক” বা “কতটা ক্ষারীয়” সেটা মাপবে কীভাবে? জিভে দিয়ে তো আর ল্যাবের এসিড চাখা যায় না! এজন্য বিজ্ঞানীরা একটা সংখ্যা বানিয়েছেন: pH। ০ থেকে ১৪ পর্যন্ত এই সংখ্যাটা বলে দেয় দ্রবণ কতটা অম্লীয় বা ক্ষারীয়। নিচের সিমুলেশনে তুমি সেই সংখ্যাটা চোখের সামনে বদলাতে দেখবে।
একদম শুরু থেকে: এসিড, ক্ষারক আর ক্ষার কী
সবচেয়ে সহজ সংজ্ঞাটা দিয়েছিলেন সুইডিশ বিজ্ঞানী আরহেনিয়াস। তাঁর মতে, যে পদার্থ পানিতে দ্রবীভূত হয়ে হাইড্রোজেন আয়ন (H⁺) দেয় সেটা এসিড, আর যে পদার্থ পানিতে হাইড্রক্সাইড আয়ন (OH⁻) দেয় সেটা ক্ষার। যেমন HCl পানিতে ভেঙে H⁺ আর Cl⁻ হয়, তাই HCl এসিড; NaOH ভেঙে Na⁺ আর OH⁻ হয়, তাই NaOH ক্ষার।
একটা ছোট্ট সত্যি কথা: খালি H⁺ আয়ন (মানে শুধু একটা প্রোটন) পানিতে একা থাকতে পারে না। সে সঙ্গে সঙ্গে একটা পানির অণুর সাথে জুড়ে হাইড্রোনিয়াম আয়ন H₃O⁺ বানায়। তাই বইয়ে কোথাও H⁺ আর কোথাও H₃O⁺ লেখা দেখলে ঘাবড়ে যেও না: দুটো দিয়ে একই জিনিস বোঝানো হয়।
পরে ব্রনস্টেড আর লাউরি আরও বড় একটা সংজ্ঞা দিলেন: যে প্রোটন (H⁺) দান করে সে এসিড, আর যে প্রোটন গ্রহণ করে সে ক্ষারক। এই সংজ্ঞায় অ্যামোনিয়া (NH₃) ক্ষারক, কারণ সে পানির কাছ থেকে একটা প্রোটন নিয়ে NH₄⁺ হয়ে যায়, যদিও NH₃-এর মধ্যে কোনো OH নেই।
এবার ক্ষারক আর ক্ষারের পার্থক্যটা পরিষ্কার করি, কারণ SSC-তে এটা প্রায়ই আসে। যে পদার্থ এসিডের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ আর পানি দেয় সেটাই ক্ষারক, যেমন CuO, CaO, NaOH। এদের মধ্যে যেগুলো পানিতে দ্রবীভূত হয় (NaOH, KOH, Ca(OH)₂), শুধু সেগুলোকে বলে ক্ষার। তাই মনে রাখো: সব ক্ষার ক্ষারক, কিন্তু সব ক্ষারক ক্ষার নয়। কপার অক্সাইড ক্ষারক, কিন্তু পানিতে গলে না বলে ক্ষার নয়।
- এসিডের বৈশিষ্ট্য: স্বাদে টক, নীল লিটমাসকে লাল করে, সক্রিয় ধাতুর (Zn, Mg) সাথে বিক্রিয়ায় H₂ গ্যাস দেয়, কার্বনেটের সাথে CO₂ দেয়, জলীয় দ্রবণ বিদ্যুৎ পরিবহন করে।
- ক্ষারের বৈশিষ্ট্য: স্বাদে কষা, ছুঁলে পিচ্ছিল লাগে, লাল লিটমাসকে নীল করে, ফেনলফথালিনকে গোলাপি করে, এসিডের সাথে বিক্রিয়ায় লবণ ও পানি দেয়।
- লবণ: এসিডের H⁺ কোনো ধাতব আয়ন বা NH₄⁺ দিয়ে প্রতিস্থাপিত হলে যে যৌগ হয়, যেমন NaCl, KNO₃, CaSO₄।
গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলো এক নজরে
“কাকে বলে” ধরনের প্রশ্ন সবচেয়ে বেশি আসে এই শব্দগুলো থেকে। তাই টেবিলটা একবার ভালো করে পড়ে নাও।
| শব্দ | প্রতীক বা উদাহরণ | সহজ ভাষায় অর্থ |
|---|---|---|
| এসিড (অম্ল) | HCl, H₂SO₄, CH₃COOH | পানিতে H₃O⁺ আয়ন দেয়, বা প্রোটন দান করে |
| ক্ষারক | CuO, CaO, NaOH | এসিডকে প্রশমিত করে লবণ ও পানি দেয় |
| ক্ষার | NaOH, KOH, Ca(OH)₂ | পানিতে দ্রবণীয় ক্ষারক, OH⁻ দেয় |
| লবণ | NaCl, CaSO₄ | এসিড ও ক্ষারকের প্রশমনে তৈরি আয়নিক যৌগ |
| pH | pH = −log[H₃O⁺] | অম্লত্ব বা ক্ষারকত্বের মাপ, সাধারণত ০ থেকে ১৪ |
| pOH | pOH = −log[OH⁻] | OH⁻ আয়নের ঘনমাত্রার মাপ; pH + pOH = ১৪ |
| ঘনমাত্রা (মোলারিটি) | M = mol/L | এক লিটার দ্রবণে কত মোল দ্রব আছে |
| নির্দেশক | লিটমাস, ফেনলফথালিন | যে পদার্থ দ্রবণের pH অনুযায়ী রং বদলায় |
| প্রশমন | HCl + NaOH → NaCl + H₂O | এসিড ও ক্ষারক মিলে লবণ ও পানি তৈরি |
| টাইট্রেশন | বুরেট + পিপেট | জানা ঘনমাত্রার দ্রবণ দিয়ে অজানা দ্রবণের ঘনমাত্রা বের করা |
| সমতুল্য বিন্দু | M₁V₁ = M₂V₂ | যেখানে এসিড ও ক্ষারের মোল ঠিক সমান হয় |
pH কি এবং pH কি নির্দেশ করে
বিশুদ্ধ পানিও সামান্য পরিমাণে নিজে নিজে ভেঙে যায়: H₂O + H₂O ⇌ H₃O⁺ + OH⁻। ২৫ °C-এ এক লিটার বিশুদ্ধ পানিতে H₃O⁺ থাকে মাত্র ১.০ × 10⁻⁷ মোল, আর OH⁻-ও ঠিক ততটাই। দুটো সমান, তাই পানি নিরপেক্ষ।
এত ছোট সংখ্যা নিয়ে কাজ করা কষ্টকর। তাই ১৯০৯ সালে ড্যানিশ রসায়নবিদ সোরেনসেন একটা বুদ্ধি বের করলেন: ঘনমাত্রার লগারিদম নিয়ে মাইনাস চিহ্ন বসিয়ে দাও। তাতে ১.০ × 10⁻⁷ হয়ে যায় সুন্দর একটা ৭। এই সংখ্যাটাই pH। “p” মানে “power” বা ঘাত, আর “H” মানে হাইড্রোজেন আয়ন।
তাহলে pH কি নির্দেশ করে? pH নির্দেশ করে দ্রবণে হাইড্রোজেন (হাইড্রোনিয়াম) আয়নের ঘনমাত্রা কত। pH যত কম, H₃O⁺ তত বেশি, দ্রবণ তত বেশি অম্লীয়। pH যত বেশি, H₃O⁺ তত কম আর OH⁻ তত বেশি, দ্রবণ তত বেশি ক্ষারীয়।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথাটা এখানে: pH স্কেল লগারিদমিক। pH ১ কমলে H₃O⁺ ১০ গুণ বাড়ে, ২ কমলে ১০০ গুণ। তাই pH ৩-এর ভিনেগার pH ৬-এর দুধের চেয়ে দ্বিগুণ নয়, পুরো ১,০০০ গুণ বেশি অম্লীয়! সিমুলেশনের গোল ঘরে এজন্যই প্রতি pH এককে একই সংখ্যক বিন্দু বাড়ে-কমে: বিন্দুগুলো লগ স্কেলে আঁকা।
pH = −log₁₀[H₃O⁺][H₃O⁺] মোল/লিটারে
pOH = −log₁₀[OH⁻][OH⁻] মোল/লিটারে
[H₃O⁺][OH⁻] = Kw = ১.০ × 10⁻¹⁴২৫ °C-এ পানির আয়নিক গুণফল
pH + pOH = 14২৫ °C-এ, যেকোনো জলীয় দ্রবণে
[H₃O⁺] = 10⁻ᵖᴴpH জানা থাকলে ঘনমাত্রা বের করার উল্টো সূত্র
pH স্কেল: ০ থেকে ১৪ পর্যন্ত চেনা জিনিসগুলো
সিমুলেশনের নিচের রঙিন দাগটাই pH স্কেল। বাম দিকে লাল (খুব অম্লীয়), মাঝখানে সবুজ (নিরপেক্ষ), ডানে নীল-বেগুনি (খুব ক্ষারীয়)। সার্বজনীন নির্দেশকের রংও ঠিক এভাবে বদলায়, তাই স্কেলটা ওই রং দিয়েই আঁকা।
আমাদের চারপাশের জিনিসগুলো এই স্কেলে কোথায় বসে, দেখো। মনে রাখবে, প্রাকৃতিক জিনিসের pH একটু ওঠানামা করে, তাই নিচের মানগুলো আনুমানিক।
| জিনিস | আনুমানিক pH | প্রকৃতি |
|---|---|---|
| পাকস্থলীর রস | ১–৩ | তীব্র অম্লীয় |
| লেবুর রস | ২ | অম্লীয় |
| ভিনেগার | ৩ | অম্লীয় |
| কোমল পানীয়, টমেটো | ৩–৪ | অম্লীয় |
| বৃষ্টির পানি (স্বাভাবিক) | ৫.৬ | মৃদু অম্লীয় |
| দুধ | ৬.৫ | প্রায় নিরপেক্ষ |
| বিশুদ্ধ পানি | ৭ | নিরপেক্ষ |
| রক্ত | ৭.৪ | মৃদু ক্ষারীয় |
| খাবার সোডার দ্রবণ | ৮–৯ | মৃদু ক্ষারীয় |
| সাবান পানি | ৯–১০ | ক্ষারীয় |
| চুনের পানি | ১২ | তীব্র ক্ষারীয় |
| ব্লিচ | ১২–১৩ | তীব্র ক্ষারীয় |
তীব্র আর মৃদু এসিড: সবাই সমান টক নয়
HCl পানিতে দিলে প্রায় প্রতিটি অণুই ভেঙে আয়ন হয়ে যায়। একে বলে তীব্র এসিড। তাই ০.০১ M HCl-এ [H₃O⁺] সরাসরি ০.০১ M, আর হিসাব খুব সোজা।
কিন্তু ভিনেগারের অ্যাসিটিক এসিড (CH₃COOH) পানিতে দিলে খুব অল্প কিছু অণু ভাঙে, বেশিরভাগ অণু আস্ত থেকে যায়। একে বলে মৃদু এসিড। এর “ভাঙার প্রবণতা” মাপা হয় বিয়োজন ধ্রুবক Ka দিয়ে; অ্যাসিটিক এসিডের Ka = ১.৮ × 10⁻⁵, মানে pKa = ৪.৭৪।
ফল কী দাঁড়ায়? একই ০.১ M ঘনমাত্রায় HCl-এর pH ১.০০, অথচ অ্যাসিটিক এসিডের pH ২.৮৮। মাত্র ১.৩৩% অণু ভাঙে! সিমুলেশনে বিকারের দ্রবণ HCl থেকে CH₃COOH করে দেখো: শুরুর pH অনেক বেড়ে যায়, আর লেখচিত্রের শুরুটা খাড়া না হয়ে একটা সমতল “কাঁধ” তৈরি করে।
তীব্র আর ঘন এক জিনিস নয়, এটা পরীক্ষায় খুব ধরা হয়। “তীব্র” মানে কতটা ভাঙে, আর “ঘন” মানে এক লিটারে কতটা আছে। খুব পাতলা HCl-ও তীব্র এসিড, আর খুব ঘন অ্যাসিটিক এসিডও মৃদু এসিড।
- তীব্র এসিড: HCl, HNO₃, H₂SO₄ (প্রথম ধাপ)।
- মৃদু এসিড: CH₃COOH (ভিনেগার), H₂CO₃ (কোমল পানীয়), সাইট্রিক এসিড (লেবু), টারটারিক এসিড (তেঁতুল)।
- তীব্র ক্ষার: NaOH, KOH।
- মৃদু ক্ষার: NH₄OH (অ্যামোনিয়ার দ্রবণ), Mg(OH)₂ (অ্যান্টাসিডে থাকে)।
নির্দেশক: দ্রবণ নিজেই রং দিয়ে কথা বলে
নির্দেশক হলো এমন রাসায়নিক পদার্থ, যার রং দ্রবণের pH অনুযায়ী বদলে যায়। অধিকাংশ নির্দেশক নিজেরাই মৃদু এসিড বা মৃদু ক্ষারক; H⁺ নিলে একরকম রং, H⁺ ছাড়লে আরেকরকম।
প্রতিটি নির্দেশকের একটা নির্দিষ্ট “রং বদলের পরিসর” আছে। টাইট্রেশনে সঠিক নির্দেশক বাছাই করতে হয় এমনভাবে যেন তার রং বদলের পরিসর সমতুল্য বিন্দুর খাড়া লাফের মধ্যে পড়ে।
| নির্দেশক | এসিডে রং | ক্ষারে রং | রং বদলের pH পরিসর |
|---|---|---|---|
| লিটমাস | লাল | নীল | প্রায় ৫–৮ |
| ফেনলফথালিন | বর্ণহীন | গোলাপি | প্রায় ৮.২–১০ |
| মিথাইল অরেঞ্জ | লাল | হলুদ | প্রায় ৩.১–৪.৪ |
| সার্বজনীন নির্দেশক | লাল → কমলা → হলুদ | সবুজ → নীল → বেগুনি | ০–১৪ (প্রতিটি pH-এ আলাদা রং) |
| হলুদের রস (ঘরোয়া) | হলুদ | লালচে বাদামি | ক্ষারে রং বদলায় |
| লাল বাঁধাকপির রস (ঘরোয়া) | লাল-গোলাপি | সবুজ-হলুদ | বহু পরিসরে রং বদলায় |
প্রশমন বিক্রিয়া কাকে বলে
এসিড ও ক্ষারক পরস্পরের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করলে তাকে প্রশমন বিক্রিয়া বলে। বিক্রিয়ার পর এসিডের অম্লত্ব আর ক্ষারের ক্ষারকত্ব দুটোই “প্রশমিত” হয়, মানে নষ্ট হয়ে যায়।
আসল ঘটনাটা ঘটে আয়নের স্তরে। Na⁺ আর Cl⁻ দর্শকের মতো দ্রবণে ভেসে থাকে (এদের দর্শক আয়ন বলে); কাজ করে শুধু H₃O⁺ আর OH⁻, যারা মিলে পানি হয়ে যায়। সিমুলেশনের গোল ঘরে লাল বিন্দু কমে নীল বিন্দু বাড়তে থাকা মানে এটাই।
প্রশমন বিক্রিয়া তাপ উৎপাদী। তীব্র এসিড আর তীব্র ক্ষারের প্রশমনে প্রতি মোল পানি তৈরিতে প্রায় ৫৭ কিলোজুল তাপ বের হয়, তাই বিকার হাত দিলে একটু গরম লাগে। আবার এটা রেডক্স বিক্রিয়া নয়, কারণ কোনো মৌলের জারণ সংখ্যা বদলায় না: H +১ থেকে +১, O −২ থেকে −২ থাকে।
HCl + NaOH → NaCl + H₂Oআণবিক সমীকরণ
H₃O⁺ + OH⁻ → 2H₂Oনিট আয়নিক সমীকরণ
H₂SO₄ + 2KOH → K₂SO₄ + 2H₂Oদ্বিক্ষারীয় এসিডে দুই মোল ক্ষার লাগে
CH₃COOH + NaOH → CH₃COONa + H₂Oমৃদু এসিডের প্রশমন
টাইট্রেশন: অজানা ঘনমাত্রা খুঁজে বের করার কৌশল
ধরো তোমার কাছে একটা NaOH দ্রবণ আছে, কিন্তু ঘনমাত্রা জানা নেই। তুমি পিপেট দিয়ে নির্দিষ্ট আয়তন কনিক্যাল ফ্লাস্কে নিলে, কয়েক ফোঁটা নির্দেশক দিলে, আর বুরেট থেকে জানা ঘনমাত্রার HCl ফোঁটায় ফোঁটায় যোগ করতে থাকলে। যে মুহূর্তে নির্দেশকের রং স্থায়ীভাবে বদলায় (প্রান্তবিন্দু), তখন বুরেটের পাঠ নাও। এই পুরো প্রক্রিয়ার নাম টাইট্রেশন।
সমতুল্য বিন্দুতে এসিডের মোল = ক্ষারের মোল (এক-ক্ষারীয় এসিড আর এক-অম্লীয় ক্ষারের ক্ষেত্রে)। মোল = ঘনমাত্রা × আয়তন, তাই সূত্রটা দাঁড়ায় M₁V₁ = M₂V₂। তিনটি জানা থাকলে চতুর্থটা বের করা যায়।
সিমুলেশনের শুরুর সেটআপে ২৫ mL ০.১ M HCl-এ ০.১ M NaOH যোগ করা হচ্ছে। তাই সমতুল্য বিন্দু ২৫ mL-এ। শুরুর pH ১.০০। খেয়াল করো, প্রথম ২০ mL যোগ করার পরেও pH খুব একটা বাড়ে না, কিন্তু সমতুল্য বিন্দুর ঠিক আগে-পরে মাত্র ০.২ mL (৪ ফোঁটা!) যোগ করলেই pH ৩.৭০ থেকে লাফিয়ে ১০.৩০ হয়ে যায়। প্রায় ৬.৬ pH এককের এই খাড়া লাফই টাইট্রেশনের প্রাণ; এজন্যই শেষের দিকে ফোঁটা ফোঁটা করে যোগ করতে হয়।
মোল = M × VV লিটারে; mL-এ নিলে উত্তর মিলিমোলে
M₁V₁ = M₂V₂সমতুল্য বিন্দুতে (১:১ অনুপাতের বিক্রিয়ায়)
n₁M₁V₁ = n₂M₂V₂n = প্রতি অণুতে H⁺ বা OH⁻-এর সংখ্যা (H₂SO₄-এর জন্য n = 2)
| যোগ করা NaOH | pH | [H₃O⁺] (M) | প্রকৃতি |
|---|---|---|---|
| ০.০ mL | ১.০০ | ১.০০ × 10⁻¹ | অম্লীয় |
| ১০.০ mL | ১.৩৭ | ৪.২৯ × 10⁻² | অম্লীয় |
| ২০.০ mL | ১.৯৫ | ১.১১ × 10⁻² | অম্লীয় |
| ২৪.০ mL | ২.৬৯ | ২.০৪ × 10⁻³ | অম্লীয় |
| ২৪.৯ mL | ৩.৭০ | ২.০০ × 10⁻⁴ | অম্লীয় |
| ২৫.০ mL | ৭.০০ | ১.০০ × 10⁻⁷ | নিরপেক্ষ |
| ২৫.১ mL | ১০.৩০ | ৫.০১ × 10⁻¹¹ | ক্ষারীয় |
| ২৬.০ mL | ১১.২৯ | ৫.১০ × 10⁻¹² | ক্ষারীয় |
| ৩০.০ mL | ১১.৯৬ | ১.১০ × 10⁻¹² | ক্ষারীয় |
| ৫০.০ mL | ১২.৫২ | ৩.০০ × 10⁻¹³ | ক্ষারীয় |
সিমুলেশনে নিজে করে দেখো: ৬টি ছোট পরীক্ষা
পড়ে বোঝার চেয়ে নিজে করে বোঝা অনেক পাকা হয়। নিচের পরীক্ষাগুলো একে একে করো, আর প্রতিবার আগে অনুমান করো কী ঘটবে।
পরীক্ষা ১: খাড়া লাফটা ধরো
শুরুর সেটআপ রেখে “যোগ করা আয়তন” স্লাইডার ২৪ mL-এ আনো, তারপর ০.১ করে বাড়াও। ২৫ mL পার হওয়ার সময় রং হঠাৎ লাল-কমলা থেকে বেগুনি-নীলে চলে যাবে। বাস্তব ল্যাবে এটাই প্রান্তবিন্দু।
পরীক্ষা ২: মৃদু এসিডের কাঁধ
বিকারে CH₃COOH দাও। শুরুর pH ২.৮৮, আর অর্ধেক প্রশমনে (১২.৫ mL) pH হয় ৪.৭৫, যা pKa-এর সমান। এই সমতল অংশটা বাফার অঞ্চল: এখানে ক্ষার যোগ করলেও pH সহজে বদলায় না। সমতুল্য বিন্দুতে pH ৮.৭২, মানে ৭ নয়, ক্ষারীয়!
পরীক্ষা ৩: উল্টো টাইট্রেশন
বিকারে NaOH দাও। এবার বুরেটে HCl, আর লেখচিত্রটা উপর থেকে নিচে নামে। ফেনলফথালিন বেছে নিলে শুরুতে গোলাপি থাকে, সমতুল্য বিন্দু পার হতেই বর্ণহীন হয়ে যায়।
পরীক্ষা ৪: পানিতে ক্ষার
বিকারে বিশুদ্ধ পানি রাখো। শুরুতে pH ঠিক ৭। প্রথম কয়েক ফোঁটা NaOH পড়তেই pH লাফিয়ে ১১-এর ওপরে চলে যায়, কারণ পানিতে প্রশমিত করার মতো কোনো এসিড নেই। এখানে কোনো সমতুল্য বিন্দু নেই।
পরীক্ষা ৫: ঘনমাত্রা বদলে দেখো
বিকারের HCl ০.১ থেকে ০.২ M করো। সমতুল্য বিন্দু ২৫ থেকে ৫০ mL-এ সরে যাবে, কারণ দ্বিগুণ মোল প্রশমিত করতে দ্বিগুণ ক্ষার লাগে। আবার বুরেটের NaOH ০.২ M করলে সমতুল্য বিন্দু অর্ধেকে নামে। M₁V₁ = M₂V₂ চোখের সামনে!
পরীক্ষা ৬: আয়ন গুনে দেখো
গোল ঘরে pH ১-এ প্রায় ২৬টি লাল আর ২টি নীল বিন্দু থাকে, pH ৭-এ দুটোই ১৪টি করে। বিন্দুগুলো লগ স্কেলে, তাই আসল সংখ্যার অনুপাত আরও বিশাল: pH ১-এ H₃O⁺ আয়ন OH⁻-এর চেয়ে ১,০০০,০০০,০০০,০০০ গুণ বেশি!
গাণিতিক সমস্যা: ধাপে ধাপে সমাধান
নিচের প্রতিটি উত্তর সিমুলেশনের একই সমীকরণ দিয়ে হিসাব করা (তাপমাত্রা ২৫ °C ধরে)। প্রথমে নিজে করো, তারপর মিলিয়ে নাও।
সমস্যা ১: ০.০১ M HCl দ্রবণের pH কত?
HCl তীব্র এসিড, পুরোটা বিয়োজিত হয়। তাই [H₃O⁺] = ০.০১ M = 10⁻² M। pH = −log(10⁻²) = ২.০০।
সমস্যা ২: ০.০০১ M NaOH দ্রবণের pH কত?
NaOH তীব্র ক্ষার, তাই [OH⁻] = ০.০০১ M। pOH = −log(10⁻³) = ৩.০০। তাহলে pH = 14 − pOH = ১১.০০। মনে রাখো, ক্ষারের pH সরাসরি বের হয় না; আগে pOH, তারপর ১৪ থেকে বিয়োগ।
সমস্যা ৩: পাতলা করলে pH কত বাড়ে?
০.১ M HCl-এর ১০ mL নিয়ে পানি মিশিয়ে ১,০০০ mL করা হলো। M₁V₁ = M₂V₂ থেকে নতুন ঘনমাত্রা = ০.১ × ১০ ÷ ১,০০০ = ০.০০১ M। pH ১.০০ থেকে বেড়ে হলো ৩.০০। ১০০ গুণ পাতলা করায় pH ঠিক ২ বেড়েছে, লগ স্কেলের জন্য।
সমস্যা ৪: এসিড আর ক্ষার মেশালে pH কত?
০.১ M HCl-এর ২৫ mL-এ ০.১ M NaOH-এর ২০ mL মেশানো হলো। HCl = ২.৫ mmol, NaOH = ২.০ mmol। প্রশমনের পর বাড়তি HCl = ০.৫ mmol, মোট আয়তন ৪৫ mL। তাই [H₃O⁺] = ০.৫ ÷ ৪৫ = ০.০১১১ M, আর pH = ১.৯৫। সিমুলেশনে স্লাইডার ২০ mL-এ এনে মিলিয়ে দেখো।
সমস্যা ৫: টাইট্রেশন থেকে অজানা ঘনমাত্রা
২০ mL NaOH দ্রবণকে প্রশমিত করতে ০.০৮ M HCl-এর ২৫ mL লাগল। NaOH-এর ঘনমাত্রা কত? M₁V₁ = M₂V₂ থেকে, M(NaOH) = ০.০৮ × ২৫ ÷ ২০ = ০.১০ M। (যোগ হওয়া HCl = ২.০ mmol, NaOH-ও তাই ২.০ mmol।)
সমস্যা ৬: মৃদু এসিডের pH
০.১ M অ্যাসিটিক এসিডের pH কত? (Ka = ১.৮ × 10⁻⁵) মৃদু এসিডে [H₃O⁺] ≈ √(Ka × C)। হিসাব করলে pH ≈ ২.৮৮। একই ঘনমাত্রার HCl-এর pH ১.০০, তাই মৃদু এসিড অনেক কম অম্লীয়।
সমস্যা ৭: pH থেকে ঘনমাত্রা
একটি দ্রবণের pH ৪.৫। [H₃O⁺] = 10⁻⁴·⁵ = ৩.১৬ × 10⁻⁵ M। pOH = ৯.৫, আর [OH⁻] = Kw ÷ [H₃O⁺] = ৩.১৬ × 10⁻¹⁰ M।
সমস্যা ৮: কতগুণ বেশি অম্লীয়?
pH ৩ আর pH ৬-এর দ্রবণের মধ্যে প্রথমটি কতগুণ বেশি অম্লীয়? পার্থক্য ৩ একক, তাই 10³ = ১,০০০ গুণ।
যে ভুলগুলো সবাই করে
পরীক্ষার খাতা দেখতে গিয়ে শিক্ষকেরা বারবার একই ভুল পান। তুমি এগুলো এড়িয়ে চলো।
- pH ৩-এর দ্রবণকে pH ৬-এর চেয়ে “দ্বিগুণ” অম্লীয় বলা। আসলে ১০০০ গুণ, কারণ স্কেল লগারিদমিক।
- ক্ষারের pH বের করতে সরাসরি −log[OH⁻] লিখে সেটাকেই pH বলা। ওটা pOH; pH = 14 − pOH।
- “তীব্র” আর “ঘন” গুলিয়ে ফেলা। পাতলা HCl-ও তীব্র এসিড।
- সব ক্ষারককে ক্ষার বলা। শুধু পানিতে দ্রবণীয় ক্ষারকই ক্ষার।
- প্রশমনের পর দ্রবণ সবসময় নিরপেক্ষ (pH ৭) ভাবা। মৃদু এসিড-তীব্র ক্ষারের সমতুল্য বিন্দুতে pH ৭-এর বেশি হয়।
- M₁V₁ = M₂V₂ ব্যবহার করার সময় দ্বিক্ষারীয় এসিড (H₂SO₄)-এর জন্য n না বসানো।
- mL আর L মিশিয়ে ফেলা। দুই পাশে একই একক রাখলে সমস্যা নেই, কিন্তু মোল বের করতে লিটার লাগবে।
বাস্তব জীবনে pH আর প্রশমন
পাকস্থলী খাবার হজমের জন্য HCl তৈরি করে (pH ১–৩)। বেশি হলে অম্বল বা বুক জ্বালা হয়। অ্যান্টাসিডে থাকে Mg(OH)₂ বা Al(OH)₃-এর মতো মৃদু ক্ষারক, যা বাড়তি এসিডকে প্রশমিত করে।
মাটির pH ফসলের জন্য খুব জরুরি। বেশিরভাগ ফসল pH ৬–৭.৫-এ ভালো হয়। মাটি বেশি অম্লীয় হলে কৃষকেরা চুন (CaO বা CaCO₃) দেন, আর বেশি ক্ষারীয় হলে জৈব সার বা জিপসাম দেন। বাংলাদেশের অনেক পাহাড়ি ও উত্তরাঞ্চলের মাটি অম্লীয়, তাই সেখানে চুন দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
কলকারখানা থেকে বের হওয়া সালফার ডাইঅক্সাইড ও নাইট্রোজেনের অক্সাইড বৃষ্টির পানিতে মিশে অম্লবৃষ্টি হয় (pH ৫.৬-এর কম)। এটা গাছপালা, মাছ আর মার্বেলের ভবনের ক্ষতি করে।
খাওয়ার পর মুখের ব্যাকটেরিয়া এসিড তৈরি করে দাঁতের এনামেল ক্ষয় করে। টুথপেস্ট মৃদু ক্ষারীয়, তাই দাঁত মাজলে সেই এসিড প্রশমিত হয়।
মৌমাছির হুলে থাকে এসিড, তাই আক্রান্ত জায়গায় খাবার সোডার মতো মৃদু ক্ষার লাগালে আরাম হয়। বোলতার হুলে ক্ষারীয় পদার্থ থাকে বলে সেখানে ভিনেগারের মতো মৃদু এসিড লাগানোর কথা বলা হয়। পিঁপড়ার কামড়েও ফরমিক এসিড থাকে।
রক্তের pH ৭.৩৫–৭.৪৫-এর মধ্যে রাখতে শরীরে বাফার ব্যবস্থা কাজ করে। এর বাইরে গেলে গুরুতর অসুস্থতা হয়।
পরীক্ষার কোণ: SSC ও HSC সৃজনশীল প্রশ্নে কী আসে
SSC রসায়নে “এসিড-ক্ষারক সমতা” এবং HSC রসায়ন প্রথম পত্রে “রাসায়নিক পরিবর্তন” অধ্যায়ে এই বিষয়গুলো পড়ানো হয়। সৃজনশীল প্রশ্নে সাধারণত একটা দৃশ্যকল্প দেওয়া থাকে (যেমন দুটি বিকারে দুটি দ্রবণ), আর তার ওপর চার স্তরের প্রশ্ন।
- জ্ঞানমূলক (ক): pH কাকে বলে? প্রশমন বিক্রিয়া কাকে বলে? নির্দেশক কী? এক লাইনের সংজ্ঞা, বইয়ের ভাষায় লেখো।
- অনুধাবনমূলক (খ): সব ক্ষার ক্ষারক কিন্তু সব ক্ষারক ক্ষার নয়, ব্যাখ্যা করো। প্রশমন একটি নন-রেডক্স বিক্রিয়া কেন? pH স্কেল লগারিদমিক বলতে কী বোঝায়?
- প্রয়োগমূলক (গ): দেওয়া দ্রবণের pH হিসাব করো, বা M₁V₁ = M₂V₂ দিয়ে ঘনমাত্রা বের করো। একক আর লগের ধাপ পরিষ্কার লেখো।
- উচ্চতর দক্ষতা (ঘ): দুটি দ্রবণ মেশালে মিশ্রণ অম্লীয় না ক্ষারীয় হবে, মোল হিসাব করে বিশ্লেষণ করো; বা কোন নির্দেশক উপযুক্ত, যুক্তি দাও।
- বহুনির্বাচনি: pH ও pOH-এর যোগফল, নির্দেশকের রং, লবণের সংকেত, কোনটি ক্ষার নয়, এমন প্রশ্ন প্রায় প্রতি বছর থাকে।
এক পাতায় রিভিশন
পরীক্ষার আগের রাতে শুধু এই তালিকাটা পড়ে নাও।
- এসিড পানিতে H₃O⁺ দেয়, ক্ষার OH⁻ দেয়; পানিতে দ্রবণীয় ক্ষারকই ক্ষার।
- pH = −log[H₃O⁺]; pOH = −log[OH⁻]; ২৫ °C-এ pH + pOH = 14।
- pH < 7 অম্লীয়, = 7 নিরপেক্ষ, > 7 ক্ষারীয়; প্রতি এক একক = ১০ গুণ।
- তীব্র এসিড প্রায় পুরোপুরি বিয়োজিত হয়, মৃদু এসিড সামান্য।
- প্রশমন: এসিড + ক্ষারক → লবণ + পানি; নিট আয়নিক: H₃O⁺ + OH⁻ → 2H₂O; তাপ উৎপাদী।
- টাইট্রেশনে সমতুল্য বিন্দুতে M₁V₁ = M₂V₂; সেখানে pH খাড়াভাবে লাফ দেয়।
- ফেনলফথালিন: এসিডে বর্ণহীন, ক্ষারে গোলাপি; মিথাইল অরেঞ্জ: এসিডে লাল, ক্ষারে হলুদ।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
pH কি বা কাকে বলে?
কোনো জলীয় দ্রবণের হাইড্রোজেন (হাইড্রোনিয়াম) আয়নের মোলার ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদমকে pH বলে: pH = −log[H₃O⁺]। এটা দ্রবণ কতটা অম্লীয় বা ক্ষারীয় তা নির্দেশ করে।
pH-এর পূর্ণরূপ কী?
pH-এর “p” এসেছে ফরাসি “puissance” বা জার্মান “Potenz” (অর্থ: ঘাত বা শক্তি) থেকে, আর “H” মানে হাইড্রোজেন। তাই pH মানে “হাইড্রোজেনের ঘাত” বা “power of hydrogen”।
pH কি নির্দেশ করে?
pH নির্দেশ করে দ্রবণে H₃O⁺ আয়ন কতটা আছে। pH ৭-এর কম মানে অম্লীয়, ৭ মানে নিরপেক্ষ (২৫ °C-এ), ৭-এর বেশি মানে ক্ষারীয়।
এসিড ও ক্ষারকের মধ্যে পার্থক্য কী?
এসিড পানিতে H₃O⁺ দেয় বা প্রোটন দান করে, স্বাদে টক, নীল লিটমাসকে লাল করে। ক্ষারক এসিডকে প্রশমিত করে লবণ ও পানি দেয় বা প্রোটন গ্রহণ করে; পানিতে দ্রবণীয় ক্ষারক (ক্ষার) কষা ও পিচ্ছিল, লাল লিটমাসকে নীল করে।
প্রশমন বিক্রিয়া কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
এসিড ও ক্ষারক বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি তৈরি করলে তাকে প্রশমন বিক্রিয়া বলে। উদাহরণ: HCl + NaOH → NaCl + H₂O; H₂SO₄ + 2KOH → K₂SO₄ + 2H₂O।
প্রশমন বিক্রিয়া একটি নন-রেডক্স বিক্রিয়া কেন?
কারণ প্রশমনে কোনো মৌলের জারণ সংখ্যা বদলায় না। Na +১, Cl −১, H +১ ও O −২ বিক্রিয়ার আগে ও পরে একই থাকে; শুধু আয়নগুলো নতুনভাবে জোড়া বাঁধে।
বিশুদ্ধ পানির pH ৭ কেন?
২৫ °C-এ পানির আয়নিক গুণফল Kw = 10⁻¹⁴, আর বিশুদ্ধ পানিতে [H₃O⁺] = [OH⁻], তাই প্রতিটি 10⁻⁷ M। তাহলে pH = −log(10⁻⁷) = 7।
ফেনলফথালিন ক্ষারে কী রং দেয়?
ফেনলফথালিন এসিডীয় ও নিরপেক্ষ দ্রবণে বর্ণহীন, আর pH প্রায় ৮.২-এর বেশি হলে গোলাপি হয়। তাই ক্ষার শনাক্ত করতে ও টাইট্রেশনের প্রান্তবিন্দু বুঝতে এটি খুব ব্যবহৃত হয়।
pH ০-এর কম বা ১৪-এর বেশি হতে পারে?
হ্যাঁ। খুব ঘন তীব্র এসিডে [H₃O⁺] ১ M-এর বেশি হলে pH ঋণাত্মক হয়, আর খুব ঘন ক্ষারে pH ১৪ ছাড়িয়ে যায়। স্কুলের বেশিরভাগ দ্রবণ ০–১৪-এর মধ্যে পড়ে বলে স্কেলটা সাধারণত এভাবে দেখানো হয়।
রক্তের pH কত?
মানুষের রক্তের pH প্রায় ৭.৩৫ থেকে ৭.৪৫, মানে মৃদু ক্ষারীয়। শরীরের বাফার ব্যবস্থা এই সরু সীমা ধরে রাখে।
এই বিষয়ের আরও পড়াশোনা
অ্যানিমেশনে ধারণা পরিষ্কার হলো, এবার পরীক্ষার প্রস্তুতি: সিলেবাস, সাজেশন, বই আর ভর্তি পরীক্ষার গাইড নিচে।
পাঠ্যবই
অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান বই
বাংলা
দরখাস্ত: বিজ্ঞানাগার স্থাপনের আবেদন
SSC
এসএসসি রসায়ন: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
HSC
এইচএসসি রসায়ন: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
পাঠ্যবই
নবম-দশম শ্রেণির রসায়ন বই
ভর্তি
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি
ভর্তি
ঢাবি বিজ্ঞান ইউনিট ভর্তি ২০২৬-২৭
English
Paragraph: Environment Pollution (ইংরেজিতে)
বাংলা
রচনা: পরিবেশ দূষণ
English
Composition: Wonders of Modern Science (ইংরেজিতে)
SSC
এসএসসি সাজেশন
HSC
এইচএসসি সাজেশন
ভর্তি
বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার গাইড
SSC
এসএসসি সিলেবাস
HSC
এইচএসসি সিলেবাস
বিদেশে পড়াশোনা
দক্ষিণ কোরিয়ায় উচ্চশিক্ষা
স্কলারশিপ
জাপানের MEXT স্কলারশিপ
IELTS
IELTS Writing Task 1: process diagrams (ইংরেজিতে)
IELTS
English tests: IELTS, TOEFL, Duolingo (ইংরেজিতে)
টুল
Final grade calculator (ইংরেজিতে)
বিদেশে পড়াশোনা
How to write a statement of purpose (ইংরেজিতে)
আরও রসায়ন অ্যানিমেশন
SSC · HSC
পরমাণুর গঠন
পরমাণুর গঠন চিত্রসহ ব্যাখ্যা: প্রোটন, নিউট্রন, ইলেকট্রন, পারমাণবিক সংখ্যা, ভরসংখ্যা, আইসোটোপ ও ইলেকট্রন বিন্যাস। নিজে পরমাণু বানিয়ে দেখো, গাণিতিক উদাহরণসহ।
SSC · HSC
ইলেকট্রন বিন্যাস
ইলেকট্রন বিন্যাস কাকে বলে, লেখার সহজ নিয়ম, আউফবাউ, পাউলির বর্জন ও হুন্ডের নীতি, Cr-Cu ব্যতিক্রম, আয়ন: ইলেকট্রন একটি একটি করে বসতে দেখো, ১-৩৬ মৌলের তালিকাসহ।
SSC · HSC
গ্যাসের সূত্র: বয়েল, চার্লস ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ
বয়েলের সূত্র, চার্লসের সূত্র, চাপীয় সূত্র, অ্যাভোগেড্রোর সূত্র ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ PV = nRT: পিস্টন টেনে নিজে দেখো, লেখচিত্র, R-এর মান ও গাণিতিক সমস্যাসহ।
SSC · HSC
আয়নিক বন্ধন কীভাবে গঠিত হয়
আয়নিক বন্ধন কাকে বলে, কীভাবে ধাতুর ইলেকট্রন অধাতুতে গিয়ে আয়ন তৈরি করে, আর সংকেত কীভাবে চার্জ মিলিয়ে বের হয়: NaCl, MgO, CaCl₂ বেছে নিয়ে নিজে দেখো, সূত্র ও অঙ্কসহ।
SSC · HSC
তড়িৎ বিশ্লেষণ ও ফ্যারাডের সূত্র
তড়িৎ বিশ্লেষণ কাকে বলে, ক্যাথোড-অ্যানোডে কী উৎপন্ন হয়, আর ফ্যারাডের সূত্রে ভর কীভাবে হিসাব হয়: গলিত NaCl, CuSO₄ বা অম্লীভূত পানি বেছে নিয়ে নিজে দেখো, সূত্র ও অঙ্কসহ।
SSC · HSC
সমযোজী বন্ধন
সমযোজী বন্ধন কাকে বলে, একক-দ্বি-ত্রিবন্ধন কীভাবে গঠিত হয়, অক্টেট নিয়ম কী: H₂O, NH₃, CH₄, CO₂ অণুর ডট-ক্রস চিত্র সিমুলেশনে নিজে বানিয়ে দেখো, পোলারিটিসহ।
SSC · HSC
পর্যায়বৃত্ত ধর্ম
পর্যায়বৃত্ত ধর্ম কাকে বলে, পারমাণবিক ব্যাসার্ধ ও আয়নিকরণ শক্তি পর্যায় ও গ্রুপে কীভাবে বদলায়: প্রথম ৩৬টি মৌলের হিটম্যাপে নিজে পরীক্ষা করে দেখো, ব্যতিক্রমসহ।
SSC · HSC
বিক্রিয়ার হার ও সংঘর্ষ তত্ত্ব
বিক্রিয়ার হার কীসের ওপর নির্ভর করে? সংঘর্ষ তত্ত্বের সিমুলেশনে তাপমাত্রা, ঘনমাত্রা আর প্রভাবক বদলে সক্রিয়ণ শক্তির লেখচিত্র ও উৎপাদের রেখা নিজের চোখে দেখো।
Class 9 · SSC
পদার্থের অবস্থা: কঠিন, তরল, গ্যাসীয় ও তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র
কঠিন, তরল ও গ্যাসীয় অবস্থায় কণা কেমন আচরণ করে নিজে দেখো। পানির তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র, গলন, স্ফুটন, সুপ্ততাপ, ঊর্ধ্বপাতন আর Q = mcΔT ও Q = mL-এর সমাধানসহ।
HSC
পরমাণুর অরবিটাল: s, p, d-এর আকৃতি, কোয়ান্টাম সংখ্যা ও নোড
1s, 2s, 2p ও 3d অরবিটাল ঘুরিয়ে 3D-তে দেখো। কক্ষপথ ও অরবিটালের পার্থক্য, চার কোয়ান্টাম সংখ্যা, রেডিয়াল ও কৌণিক নোড গোনা, উপস্তরের ইলেকট্রন ধারণক্ষমতা, সমাধানসহ।
HSC
আণবিক আকৃতি ও ভিএসইপিআর তত্ত্ব: বন্ধন জোড়, মুক্তজোড় ও বন্ধন কোণ
ত্রিমাত্রিক অণু বানিয়ে ঘোরাও। বন্ধন জোড় ও মুক্তজোড় ইলেকট্রন কীভাবে CH4, NH3, H2O, PCl5, SF6-এর আকৃতি, বন্ধন কোণ ও সংকরণ ঠিক করে, সমাধানসহ হাতেকলমে শেখো।
SSC · HSC
মোল ধারণা: মোলার ভর, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা ও মোলার আয়তন
মোল কাকে বলে, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা কত, মোলার ভর ও STP-তে মোলার আয়তন (২২.৪ লিটার) কী? পাল্লায় ওজন মেপে মোল ও অণুর সংখ্যা নিজে বের করো; শতকরা সংযুতি ও গাণিতিক সমস্যাসহ।
SSC · HSC
ব্যাপন ও নিঃসরণ: গ্রাহামের সূত্র
নলের ভেতর NH₃ ও HCl মিলে সাদা বলয় তৈরি করা দেখো, তারপর সূক্ষ্ম ছিদ্র দিয়ে গ্যাসের নিঃসরণের দৌড়। গ্রাহামের ব্যাপন সূত্রের প্রমাণ ও অঙ্ক সমাধানসহ।
SSC · HSC
রাসায়নিক সমীকরণ সমতাকরণ: পদ্ধতি, উদাহরণ ও অনুশীলন
রাসায়নিক সমীকরণ কীভাবে মেলাতে হয়? সহগ বদলে দুই পাশের পরমাণু গুনে দেখো। পানি, মিথেন, মরিচা, রান্নার গ্যাসসহ পাঁচটি সমীকরণ ধাপে ধাপে সমাধান, SSC ও HSC প্রস্তুতির জন্য।
HSC
রাসায়নিক সাম্যাবস্থা: সাম্যধ্রুবক Kc ও লা শাতেলিয়ের নীতি
রাসায়নিক সাম্যাবস্থা কী, সাম্যধ্রুবক Kc কীভাবে বের করে, আর ঘনমাত্রা, তাপ ও চাপ বদলালে বিক্রিয়া কোন দিকে সরে? হেবার প্রক্রিয়ার অ্যানিমেশনে হার-রেখা দেখে লা শাতেলিয়ের নীতি বোঝো।
SSC · HSC
টাইট্রেশন: অম্ল-ক্ষারের ঘনমাত্রা বের করার পদ্ধতি
টাইট্রেশন কী, ব্যুরেট ও নির্দেশক কীভাবে কাজ করে, শেষ বিন্দু আর সমতা বিন্দু কী এক জিনিস না, আর V₁M₁ = V₂M₂ দিয়ে ঘনমাত্রা কীভাবে বের করবে? pH লেখচিত্রসহ সিমুলেশনে হাতে-কলমে শেখো।
HSC
গ্যালভানিক কোষ: ড্যানিয়েল কোষ, EMF ও নার্নস্ট সমীকরণ
গ্যালভানিক কোষ কীভাবে বিদ্যুৎ বানায়? ড্যানিয়েল কোষে ইলেকট্রন আর লবণ সেতুর আয়ন কোন দিকে যায়, দণ্ডের ভর কীভাবে বদলায়, আদর্শ ও নার্নস্ট EMF কত? সিমুলেশনে ঘনমাত্রা বদলে নিজে দেখো।
SSC · HSC
জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া: জারণ সংখ্যা, ইলেকট্রন স্থানান্তর ও অর্ধ-সমীকরণ
জারণ ও বিজারণ কী, জারণ সংখ্যা কীভাবে বের করে, কোনটা জারক আর কোনটা বিজারক? পাঁচটি বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের চলাচল দেখো, অর্ধ-সমীকরণ ও সমাধান করা অঙ্কসহ।
SSC · HSC
হাইড্রোকার্বন: অ্যালকেন, অ্যালকিন, অ্যালকাইন ও কাঠামোগত সমাণু ত্রিমাত্রায়
অ্যালকেন, অ্যালকিন ও অ্যালকাইনকে ঘূর্ণায়মান বল-স্টিক মডেলে দেখো। কার্বন সংখ্যা বদলাও, সাধারণ সংকেত ও IUPAC নাম পড়ো, আর বিউটেন, পেন্টেন, হেক্সেনের সব কাঠামোগত সমাণু দেখো।
HSC
কার্যকরী মূলক: অ্যালকোহল, অ্যালডিহাইড, কিটোন, অ্যাসিড, এস্টার ও অ্যামিন
কার্যকরী মূলক কী, অ্যালকোহল-অ্যালডিহাইড-কিটোন-অ্যাসিড-এস্টার-অ্যামিন কীভাবে চিনবে, IUPAC নাম কীভাবে লিখবে? আটটি পরিবারের গঠন দেখো, পরীক্ষা ও সমাধান করা অঙ্কসহ।
HSC
পলিমারকরণ: যোজন ও ঘনীভবন পলিমার, পলিথিন ও নাইলন
পলিমার কী, যোজন ও ঘনীভবন পলিমারকরণে পার্থক্য কী? ইথিন থেকে পলিথিন আর নাইলন-৬,৬ তৈরি দেখো, শিকলের আণবিক ভর ও নির্গত পানির হিসাবসহ।
SSC · HSC
মিশ্রণ আলাদা করার পদ্ধতি: ছাঁকন, পাতন, ক্রোমাটোগ্রাফি, স্ফটিকীকরণ
ছাঁকন, সরল ও আংশিক পাতন, কাগজ ক্রোমাটোগ্রাফি আর স্ফটিকীকরণ চোখের সামনে চলতে দেখো। Rf-এর হিসাব, পাতনের তাপমাত্রা-রেখা আর স্ফটিকের ফলন হাতে-কলমে।
HSC
কেলাস জালক: SC, BCC ও FCC একক কোষ, প্যাকিং দক্ষতা ও ঘনত্ব
সরল, দেহকেন্দ্রিক ও ফলককেন্দ্রিক ঘন একক কোষ ঘুরিয়ে দেখো। প্রতি কোষে পরমাণু, সন্নিবেশ সংখ্যা, প্যাকিং দক্ষতা (৫২.৪%, ৬৮%, ৭৪%) আর ঘনত্বের হিসাব।
HSC
তেজস্ক্রিয়তা: আলফা, বিটা, গামা ক্ষয় ও অর্ধায়ু
আলফা, বিটা, গামা ক্ষয়ে A ও Z কীভাবে বদলায় দেখো, পারমাণবিক সমীকরণ মেলাও, ১০০ পরমাণুর এলোমেলো ক্ষয় অর্ধায়ু রেখা ধরে চলতে দেখো। কার্বন-১৪ কালনির্ণয়সহ বিনা মূল্যের সিমুলেশন।
অন্য বিষয়ের অ্যানিমেশন
পদার্থবিজ্ঞান
আলোর প্রতিসরণ
পদার্থবিজ্ঞান
ওহমের সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
প্রাসের গতি
পদার্থবিজ্ঞান
সরল দোলক
পদার্থবিজ্ঞান
তড়িৎ ক্ষেত্র
পদার্থবিজ্ঞান
তরঙ্গের ব্যতিচার
পদার্থবিজ্ঞান
পড়ন্ত বস্তু ও পড়ন্ত বস্তুর সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
লেন্সে প্রতিবিম্ব গঠন
পদার্থবিজ্ঞান
নিউটনের গতির সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
গোলীয় দর্পণে প্রতিবিম্ব গঠন
পদার্থবিজ্ঞান
তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ ও ফ্যারাডের সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
ভরবেগের সংরক্ষণ ও সংঘর্ষ
পদার্থবিজ্ঞান
কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি
পদার্থবিজ্ঞান
নততল
পদার্থবিজ্ঞান
বৃত্তাকার গতি
পদার্থবিজ্ঞান
অনুপ্রস্থ ও অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ
পদার্থবিজ্ঞান
লিভার ও ভ্রামক
পদার্থবিজ্ঞান
ভরকেন্দ্র
পদার্থবিজ্ঞান
স্প্রিং-ভর ও সরল ছন্দিত স্পন্দন
পদার্থবিজ্ঞান
ভেক্টর যোগ: ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
আপেক্ষিক বেগ: ট্রেন ও নদী পারাপার
পদার্থবিজ্ঞান
কেপলারের সূত্র ও উপবৃত্তাকার কক্ষপথ
পদার্থবিজ্ঞান
নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র, g ও কৃত্রিম উপগ্রহ
পদার্থবিজ্ঞান
তার ও নলে স্থির তরঙ্গ
পদার্থবিজ্ঞান
অনুনাদ নল ও শব্দের দ্রুতি
পদার্থবিজ্ঞান
স্বরকম্প: কাছাকাছি দুই সুরের স্পন্দন
পদার্থবিজ্ঞান
ডপলার প্রভাব: চলমান উৎস, চলমান শ্রোতা ও সনিক বুম
পদার্থবিজ্ঞান
প্রিজম, আলোর বিচ্ছুরণ ও রামধনু
পদার্থবিজ্ঞান
কির্শফের সূত্র: সংযোগ সূত্র ও বদ্ধ পথ সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
হুইটস্টোন ব্রিজ ও মিটার ব্রিজ
পদার্থবিজ্ঞান
একক চিড়ে অপবর্তন
পদার্থবিজ্ঞান
চোখের ত্রুটি ও তার প্রতিকার
পদার্থবিজ্ঞান
আলোর সমবর্তন: ম্যালাসের সূত্র ও ব্রুস্টারের সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
ক্যাপাসিটরের আহিতকরণ ও নিরাহিতকরণ: আরসি সময় ধ্রুবক
পদার্থবিজ্ঞান
চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা: দণ্ডচুম্বক, তড়িৎবাহী সরল তার ও সলিনয়েড
পদার্থবিজ্ঞান
এসি জেনারেটর
পদার্থবিজ্ঞান
ট্রান্সফর্মার
পদার্থবিজ্ঞান
তাপের সঞ্চালন: পরিবহন, পরিচলন ও বিকিরণ
পদার্থবিজ্ঞান
আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া: আইনস্টাইনের সমীকরণ ও নিবৃত্তি বিভব
পদার্থবিজ্ঞান
মোটর ক্রিয়া: তড়িৎবাহী তারের ওপর বল ও ডিসি মোটর
পদার্থবিজ্ঞান
গ্যাসের অণু ও গতিতত্ত্ব: চাপ, তাপমাত্রা ও দ্রুতি
পদার্থবিজ্ঞান
অর্ধপরিবাহী ডায়োড: p–n সন্ধি, I–V বক্ররেখা ও রেক্টিফায়ার
পদার্থবিজ্ঞান
তেজস্ক্রিয় ক্ষয়: অর্ধায়ু, ক্ষয় সূত্র ও বিকিরণের ভেদন ক্ষমতা
পদার্থবিজ্ঞান
বোর পরমাণু মডেল: কক্ষপথ, শক্তিস্তর ও হাইড্রোজেনের বর্ণালি
জীববিজ্ঞান
মাইটোসিস কোষ বিভাজন
জীববিজ্ঞান
ব্যাপন ও অভিস্রবণ
জীববিজ্ঞান
সালোকসংশ্লেষণ
জীববিজ্ঞান
মানব হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কাজ
জীববিজ্ঞান
মেন্ডেলের বংশগতি সূত্র
জীববিজ্ঞান
ডিএনএ রেপ্লিকেশন
জীববিজ্ঞান
কোষীয় শ্বসন
জীববিজ্ঞান
এনজাইম ক্রিয়া
জীববিজ্ঞান
স্নায়ু উদ্দীপনার পরিবহন ও অ্যাকশন পটেনশিয়াল
জীববিজ্ঞান
নেফ্রন ও মূত্র তৈরির প্রক্রিয়া
জীববিজ্ঞান
মিয়োসিস কোষ বিভাজন
জীববিজ্ঞান
পরিপাকতন্ত্র
জীববিজ্ঞান
শ্বাসক্রিয়ার কৌশল: প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস
জীববিজ্ঞান
প্রোটিন সংশ্লেষণ
জীববিজ্ঞান
রক্ত সংবহন: দ্বি-সংবহন ও কার্ডিয়াক আউটপুট
জীববিজ্ঞান
কোষের গঠন ও অঙ্গাণু: উদ্ভিদ কোষ বনাম প্রাণী কোষ
জীববিজ্ঞান
প্রতিবর্ত ক্রিয়া ও প্রতিবর্ত চাপ
জীববিজ্ঞান
মানুষের চোখ: গঠন, প্রতিবিম্ব ও উপযোজন
জীববিজ্ঞান
পেশি সংকোচন ও স্লাইডিং ফিলামেন্ট মডেল
জীববিজ্ঞান
উদ্ভিদে পরিবহন: জাইলেম, ফ্লোয়েম ও বাষ্পমোচন
জীববিজ্ঞান
খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজাল: শক্তির প্রবাহ ও ১০ % নিয়ম
জীববিজ্ঞান
জনসংখ্যা বৃদ্ধি: সূচকীয় ও লজিস্টিক রেখা
জীববিজ্ঞান
প্রাকৃতিক নির্বাচন: পেপার্ড মথ ও কালিঝুলি মাখা গাছ
জীববিজ্ঞান
রোগপ্রতিরোধ: প্রাথমিক ও গৌণ অ্যান্টিবডি সাড়া
জীববিজ্ঞান
পরাগায়ন ও নিষেক
গণিত
পিথাগোরাসের উপপাদ্য
গণিত
ত্রিকোণমিতিক অনুপাত ও একক বৃত্ত
গণিত
দ্বিঘাত সমীকরণ ও দ্বিঘাত ফাংশনের লেখচিত্র
গণিত
বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য
গণিত
দূরত্ব ও উচ্চতা: উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ
গণিত
সম্ভাবনা: পরীক্ষালব্ধ বনাম তাত্ত্বিক সম্ভাবনা
গণিত
সমান্তর ও গুণোত্তর ধারা
গণিত
গড়, মধ্যক ও প্রচুরক
গণিত
সেট ও ভেনচিত্র
গণিত
সরল সহসমীকরণ ও সরলরেখার লেখচিত্র
গণিত
sin, cos, tan-এর লেখচিত্র
গণিত
পূর্ণবর্গ পদ্ধতি ও দ্বিঘাত সমীকরণের সমাধান
গণিত
বৃত্তের ক্ষেত্রফল: সূত্র, প্রমাণ ও সমাধান
গণিত
ঘনবস্তুর আয়তন ও তলের ক্ষেত্রফল: ঘনক, আয়তঘন, বেলন, কোণক, গোলক
গণিত
সদৃশ ত্রিভুজ: স্কেল ফ্যাক্টর, AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়া থেকে উচ্চতা
গণিত
স্থানাঙ্ক জ্যামিতি: দূরত্ব, মধ্যবিন্দু, ঢাল, বিভক্তিকরণ সূত্র ও সঞ্চারপথ
গণিত
শাঙ্কব ছেদ: বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত ও অধিবৃত্ত
গণিত
ফাংশনের রূপান্তর: সরানো, টানা ও উল্টানো
গণিত
অন্তরীকরণ: স্পর্শকের ঢাল ও ছেদক থেকে স্পর্শক
গণিত
রিম্যান যোগফল ও সমাকলন: বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফল
গণিত
সীমা ও ε–δ সংজ্ঞা: ছবিতে বোঝা
গণিত
ত্রিমাত্রিক ভেক্টর: যোগ, ডট গুণ ও ক্রস গুণ
গণিত
ম্যাট্রিক্স রূপান্তর: ঘূর্ণন, প্রতিফলন, শিয়ার ও নির্ণায়ক
গণিত
জটিল সংখ্যা: আরগান্ড সমতলে যোগ, গুণ, ঘাত ও মূল
গণিত






















