আধান টেনে সরাও · দুবার ক্লিকে মুছে ফেলো · মাউস রাখলে সেই বিন্দুর E দেখাবে
নিয়ন্ত্রণ
আধানের বিন্যাস
আধানের প্রকৃতি
পরিমাপ
- নির্দিষ্ট বিন্দুতে তীব্রতা, E
- ৪.৪৬ × 10⁶N/C
- E-এর দিক (+x থেকে)
- ৫০°
- ওই বিন্দুর বিভব, V
- ২.৩২ × 10⁵V
- নিকটতম আধানের দূরত্ব, r
- ৬.৪cm
- পরীক্ষণ আধানের উপর বল, F
- ৪.৪৬ × 10⁻³N
- মোট আধান
- ০.০µC
সিমুলেশনটি কীভাবে ব্যবহার করবে
- “আধানের বিন্যাস” থেকে একক আধান, ডাইপোল, দুটি সমধর্মী আধান বা চারটি আধান বেছে নাও।
- যেকোনো আধান টেনে সরাও — বলরেখাগুলো সঙ্গে সঙ্গে নতুন করে আঁকা হবে। দুবার ক্লিক করলে আধানটি মুছে যাবে।
- কোনো আধানে ক্লিক করে নির্বাচন করো, তারপর স্লাইডারে তার মান বাড়াও-কমাও — দেখবে বলরেখার সংখ্যাও বদলায়।
- মাউস বা আঙুল যেকোনো বিন্দুতে রাখো: সেখানকার E-এর মান, দিক আর বিভব V পরিমাপ প্যানেলে ভেসে উঠবে।
- ▶ চাপলে কমলা রঙের পরীক্ষণ আধান (+১ nC) ছাড়া পায় — দেখো সেটি বলরেখা ধরে কোন দিকে ছুটে যায়।
চুলে ঘষা স্কেল কেন কাগজ টানে?
একটা প্লাস্টিকের স্কেল নিয়ে শুকনো চুলে কয়েকবার জোরে ঘষো, তারপর টেবিলের উপর রাখা ছোট ছোট কাগজের টুকরোর কাছে ধরো। স্কেলটা কাগজ ছোঁয়ার আগেই টুকরোগুলো লাফিয়ে উঠে স্কেলে লেগে যায়! মজার ব্যাপার হলো, স্কেল আর কাগজের মধ্যে কোনো সুতো নেই, কোনো ধাক্কা নেই — তবু বল কাজ করছে।
শীতকালে সোয়েটার খুলতে গিয়ে চিড়চিড় শব্দ আর ছোট্ট শক, কিংবা দরজার হাতলে হাত দিতেই হালকা ঝাঁকুনি — এগুলোও একই কাহিনি। আর কালবৈশাখীর আকাশে যে বিশাল বজ্রপাত দেখো, সেটা এর সবচেয়ে বড় রূপ: মেঘে জমা বিপুল আধান বাতাস ভেদ করে মাটিতে নেমে আসে।
এই প্রতিটি ঘটনার পেছনে আছে “আধান” আর তার চারপাশের এক অদৃশ্য প্রভাব-অঞ্চল — তড়িৎ ক্ষেত্র। এই পাতায় আমরা সেই অদৃশ্য জিনিসটাকে চোখে দেখার চেষ্টা করব, আর ধাপে ধাপে বুঝব এটা কীভাবে মাপা হয়।
একদম শুরু থেকে: আধান আর ক্ষেত্র
সব পদার্থ পরমাণু দিয়ে তৈরি, আর পরমাণুর ভেতরে আছে ধনাত্মক প্রোটন ও ঋণাত্মক ইলেকট্রন। সাধারণ অবস্থায় দুটো সমান থাকে, তাই বস্তু নিস্তড়িৎ। চুলে স্কেল ঘষলে কিছু ইলেকট্রন চুল থেকে স্কেলে চলে যায় — স্কেল হয়ে যায় ঋণাত্মক আধানযুক্ত, চুল ধনাত্মক। আধানের SI একক কুলম্ব (C)।
এখন ভাবো, পৃথিবী তোমাকে না ছুঁয়েও নিচে টানে — কারণ পৃথিবীর চারপাশে একটা মহাকর্ষ ক্ষেত্র আছে। চুম্বকের কাছে লোহার পিন নিলে সেটা ছুটে যায় — চুম্বকের চারপাশে চৌম্বক ক্ষেত্র আছে। ঠিক তেমনি, প্রতিটি আধান তার চারপাশের জায়গাটাকে “বদলে” দেয়। সেই জায়গায় অন্য কোনো আধান এলেই সে বল অনুভব করে।
আধানের চারপাশের এই প্রভাব-অঞ্চলকেই বলে তড়িৎ ক্ষেত্র। একটা সহজ তুলনা: কোনো বড় ভাই ক্লাসে ঢুকলে পুরো রুমের আবহাওয়া বদলে যায় — কেউ ছুঁয়ে না দেখলেও সবাই টের পায়। কাছে থাকলে প্রভাব বেশি, দূরে গেলে কম। তড়িৎ ক্ষেত্রও ঠিক এমন — আধানের কাছে তীব্র, দূরে দুর্বল।
দুই ধরনের আধানের নিয়ম মাত্র একটা লাইনে মনে রাখো: সমধর্মী আধান পরস্পরকে বিকর্ষণ করে, বিপরীতধর্মী আধান আকর্ষণ করে। ধনাত্মক-ধনাত্মক দূরে সরে, ধনাত্মক-ঋণাত্মক কাছে টানে।
যে শব্দগুলো বারবার আসবে
পড়তে পড়তে যেন আটকে না যাও, তাই আগেই শব্দগুলো এক জায়গায় রাখলাম:
| শব্দ | সহজ ভাষায় মানে | প্রতীক ও একক |
|---|---|---|
| আধান | পদার্থের যে ধর্মের জন্য সে তড়িৎ বল অনুভব করে বা প্রয়োগ করে | q, কুলম্ব (C) |
| কুলম্ব | আধানের SI একক; একটি ইলেকট্রনের আধান মাত্র ১.৬ × ১০⁻¹⁹ C | C |
| পরীক্ষণ আধান | খুব ছোট একটা ধনাত্মক আধান, যা দিয়ে ক্ষেত্র “মাপা” হয়, কিন্তু ক্ষেত্রকে নষ্ট করে না | q₀ |
| তড়িৎ তীব্রতা বা প্রাবল্য | কোনো বিন্দুতে একক ধনাত্মক আধান যে বল অনুভব করে | E, N C⁻¹ বা V m⁻¹ |
| তড়িৎ বলরেখা | কাল্পনিক রেখা যার প্রতিটি বিন্দুর স্পর্শক সেখানকার E-এর দিক দেখায় | — |
| তড়িৎ বিভব | অসীম থেকে একক ধনাত্মক আধান ওই বিন্দুতে আনতে যে কাজ করতে হয় | V, ভোল্ট (V) |
| ভেদনযোগ্যতা | মাধ্যম তড়িৎ বলকে কতটা “দুর্বল” করে তার পরিমাপ; শূন্যস্থানে ε₀ | ε₀ = ৮.৮৫ × ১০⁻¹² C² N⁻¹ m⁻² |
কুলম্বের সূত্র থেকে তড়িৎ তীব্রতা
তড়িৎ ক্ষেত্রকে সংখ্যায় মাপতে হলে আগে জানতে হবে দুটি আধানের মধ্যে বল কত। এর উত্তর দেয় কুলম্বের সূত্র।
কুলম্বের সূত্র
দুটি বিন্দু আধানের মধ্যে ক্রিয়াশীল আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বল আধান দুটির গুণফলের সমানুপাতিক এবং এদের মধ্যবর্তী দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক। বলটি আধান দুটির সংযোগ-সরলরেখা বরাবর ক্রিয়া করে।
“দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক” কথাটার মানে খুব গুরুত্বপূর্ণ: দূরত্ব দ্বিগুণ করলে বল হয়ে যায় চার ভাগের এক ভাগ, তিনগুণ করলে নয় ভাগের এক ভাগ। অর্থাৎ একটু দূরে সরলেই বল অনেক কমে যায়।
F = k·q₁q₂ / r²কুলম্বের সূত্র
k = 1/(4πε₀) ≈ 9 × 10⁹ N m² C⁻²শূন্যস্থানে কুলম্বের ধ্রুবক
তড়িৎ তীব্রতার সংজ্ঞা
ক্ষেত্রের কোনো বিন্দুতে একটি খুব ছোট ধনাত্মক পরীক্ষণ আধান q₀ রাখো। তার উপর যে বল F পড়বে, সেটাকে q₀ দিয়ে ভাগ করলেই পাবে ওই বিন্দুর তড়িৎ তীব্রতা। ভাগ কেন করছি? যাতে উত্তরটা পরীক্ষণ আধানের মাপের উপর নির্ভর না করে — শুধু ক্ষেত্রটার ধর্ম দেখায়।
কোনো বইয়ে এই রাশিকে “তড়িৎ তীব্রতা”, কোনো বইয়ে “তড়িৎ ক্ষেত্রের প্রাবল্য” বলা হয় — দুটো একই জিনিস, ঘাবড়ানোর কিছু নেই।
E = F / q₀তীব্রতার সংজ্ঞা
E = k·q / r²বিন্দু আধান q থেকে r দূরে তীব্রতা
দিক কীভাবে ঠিক করবে
তড়িৎ তীব্রতা একটি ভেক্টর রাশি — মান আর দিক দুটোই আছে। দিকটা মনে রাখার সহজ কৌশল: ধনাত্মক পরীক্ষণ আধানকে ওই বিন্দুতে বসিয়ে কল্পনা করো, সে যেদিকে ধাক্কা খাবে সেটাই E-এর দিক।
- ধনাত্মক আধানের ক্ষেত্রে E বাইরের দিকে, আধান থেকে দূরে।
- ঋণাত্মক আধানের ক্ষেত্রে E ভেতরের দিকে, আধানের দিকে।
- ঋণাত্মক আধান (যেমন ইলেকট্রন) ক্ষেত্রে রাখলে সে E-এর উল্টো দিকে বল পায়।
একাধিক আধান থাকলে: উপরিপাতন
একাধিক আধান থাকলে কোনো বিন্দুতে মোট তীব্রতা পেতে প্রতিটি আধানের জন্য আলাদা করে E বের করো, তারপর ভেক্টর নিয়মে যোগ করো। একই দিকে হলে সরাসরি যোগ, উল্টো দিকে হলে বিয়োগ, কোণ থাকলে ভেক্টর যোগের সূত্র।
E⃗ = E⃗₁ + E⃗₂ + E⃗₃ + …উপরিপাতন নীতি
তড়িৎ তীব্রতার একক
E = F/q₀ থেকে একক আসে নিউটন/কুলম্ব (N C⁻¹)। আবার অন্যভাবে হিসাব করলে একই রাশির একক হয় ভোল্ট/মিটার (V m⁻¹)। দুটো সমান: ১ N C⁻¹ = ১ V m⁻¹। পরীক্ষায় যেকোনোটা লিখতে পারো।
তড়িৎ বলরেখা: অদৃশ্য ক্ষেত্রের ছবি
ক্ষেত্রটা তো চোখে দেখা যায় না। বিজ্ঞানী ফ্যারাডে তাই একটা চমৎকার কৌশল দিলেন — কাল্পনিক রেখা আঁকো, যার প্রতিটি বিন্দুতে স্পর্শক টানলে সেটা ওই বিন্দুর E-এর দিক দেখাবে। এই রেখাগুলোই তড়িৎ বলরেখা। ওপরের সিমুলেশনে যে রেখাগুলো ভেসে বেড়াচ্ছে, সেগুলো ঠিক এভাবেই হিসাব করে আঁকা।
বলরেখার বৈশিষ্ট্য মুখস্থ না করে “কেন” বুঝে নাও — তাহলে আর ভুলবে না:
- বলরেখা ধনাত্মক আধান থেকে শুরু হয়ে ঋণাত্মক আধানে শেষ হয় — কারণ ধনাত্মক পরীক্ষণ আধান ধনাত্মক থেকে দূরে আর ঋণাত্মকের দিকে যায়।
- দুটি বলরেখা কখনো পরস্পরকে ছেদ করে না — ছেদ করলে ছেদবিন্দুতে দুটি স্পর্শক, মানে E-এর দুটি দিক হতো, যা অসম্ভব।
- যেখানে বলরেখা ঘন, সেখানে ক্ষেত্র প্রবল; যেখানে ফাঁকা, সেখানে দুর্বল — তাই আধানের কাছে রেখা ঘন, দূরে পাতলা।
- বলরেখা পরিবাহীর পৃষ্ঠে লম্বভাবে শুরু বা শেষ হয় — তির্যক হলে পৃষ্ঠ বরাবর একটা উপাংশ থাকত আর আধান গড়িয়ে চলত।
- বলরেখা কখনো বদ্ধ লুপ তৈরি করে না (স্থির আধানের ক্ষেত্রে) — এটা চৌম্বক বলরেখা থেকে বড় পার্থক্য।
- আধানের মান যত বেশি, তার থেকে তত বেশি বলরেখা বের হয় বা তাতে ঢোকে।
একক আধানের নকশা
একটি ধনাত্মক আধানের বলরেখা চাকার স্পোকের মতো চারদিকে সোজা বেরিয়ে যায়; ঋণাত্মক আধানে একই নকশা, শুধু তীর ভেতরের দিকে।
ডাইপোলের নকশা
সমান ও বিপরীত দুটি আধানকে পাশাপাশি রাখলে (ডাইপোল) বলরেখাগুলো ধনাত্মক থেকে বেঁকে গিয়ে ঋণাত্মকে ঢোকে — দেখতে অনেকটা দুই পাশে বাঁকা ধনুকের মতো। মাঝখানে রেখা সবচেয়ে ঘন।
দুটি সমধর্মী আধানের নকশা
দুটি ধনাত্মক আধানের বলরেখা একে অপরকে যেন “ঠেলে” সরিয়ে দেয়। ঠিক মাঝখানে একটা বিন্দু থাকে যেখানে দুই দিকের E সমান ও বিপরীত — সেটাই নিরপেক্ষ বিন্দু, সেখানে E = ০।
তড়িৎ ক্ষেত্র আর তড়িৎ বিভব কি একই?
না, এবং এটা খুব জনপ্রিয় প্রশ্ন। তড়িৎ তীব্রতা বলে “এখানে একক আধান কত জোরে কোন দিকে ধাক্কা খাবে”; বিভব বলে “এখানে একক আধান আনতে কত কাজ লাগবে”। একটা পাহাড়ের উদাহরণ ভাবো: বিভব হলো কোনো জায়গার উচ্চতা, আর তীব্রতা হলো ঢাল কতটা খাড়া।
| বিষয় | তড়িৎ তীব্রতা (E) | তড়িৎ বিভব (V) |
|---|---|---|
| রাশির ধরন | ভেক্টর — দিক আছে | স্কেলার — দিক নেই |
| সূত্র (বিন্দু আধান) | E = kq/r² | V = kq/r |
| দূরত্বের সাথে | r²-এর ব্যস্তানুপাতে কমে | r-এর ব্যস্তানুপাতে কমে |
| একক | N C⁻¹ বা V m⁻¹ | J C⁻¹ বা ভোল্ট (V) |
| একাধিক আধানে | ভেক্টর যোগ | সাধারণ বীজগাণিতিক যোগ |
| ডাইপোলের মাঝখানে | শূন্য নয় | শূন্য |
সিমুলেশনে নিজে পরীক্ষা করো
পড়া শেষ হলে ওপরের সিমুলেশনে ফিরে গিয়ে নিচের পরীক্ষাগুলো একে একে করো। প্রতিটি পরীক্ষা বইয়ের একটা নিয়মকে চোখের সামনে প্রমাণ করবে।
- “একক ধনাত্মক” বেছে নাও, মাউস আধানের কাছে থেকে দূরে সরাও — E-এর মান কীভাবে দ্রুত কমে, পরিমাপ প্যানেলে দেখো। দূরত্ব দ্বিগুণ হলে মান প্রায় চার ভাগের এক ভাগ হয় কি না মিলিয়ে নাও।
- “ডাইপোল” নিয়ে দুটি আধানের ঠিক মাঝখানে মাউস রাখো — E শূন্য নয়, আর দিক ধনাত্মক থেকে ঋণাত্মকের দিকে।
- “দুটি সমধর্মী” নিয়ে মাঝখানটা খোঁজো — এক জায়গায় E প্রায় শূন্য হয়ে যাবে। সেটাই নিরপেক্ষ বিন্দু।
- একটি আধানে ক্লিক করে তার মান বাড়াও — তার থেকে বের হওয়া বলরেখার সংখ্যাও বাড়বে।
- ▶ চাপো: কমলা পরীক্ষণ আধান বলরেখা ধরে এগোয় আর ঋণাত্মক আধানের দিকে যত যায় তত দ্রুত হয়।
ধাপে ধাপে গাণিতিক সমাধান
এখানে সব হিসাবে k = ৯ × 10⁹ N m² C⁻² ধরা হয়েছে। প্রতিটি প্রশ্নে আগে এককগুলো SI-তে বদলে নাও — µC-কে ১০⁻⁶ দিয়ে গুণ করে C বানাও, cm-কে m বানাও। বেশিরভাগ ভুল এখানেই হয়।
সমস্যা ১: দুটি আধানের মধ্যে বল
৩ µC ও −৪ µC আধান দুটি ০.২ m দূরে আছে। বল কত এবং কী ধরনের?
সমাধান: F = k·q₁q₂/r² = ৯ × 10⁹ × (৩ × ১০⁻⁶) × (৪ × ১০⁻⁶) / ০.০৪ = ২.৭০ N। আধান দুটি বিপরীতধর্মী, তাই বলটি আকর্ষণ।
সমস্যা ২: বিন্দু আধানের তীব্রতা ও বিভব
২ µC আধান থেকে ০.৩ m দূরে তড়িৎ তীব্রতা ও বিভব বের করো। সেখানে ১ nC পরীক্ষণ আধান রাখলে বল কত হবে?
সমাধান: E = kq/r² = ৯ × 10⁹ × ২ × ১০⁻⁶ / ০.০৯ = ২.০০ × 10⁵ N C⁻¹, দিক আধান থেকে বাইরের দিকে। V = kq/r = ৬.০০ × 10⁴ V। বল F = q₀E = ২.০০ × 10⁻⁴ N।
সমস্যা ৩: দূরত্ব দ্বিগুণ করলে
একই আধান থেকে ০.৬ m দূরে গেলে E = ৫.০০ × 10⁴ N C⁻¹ — আগের চেয়ে ৪ গুণ কম। কারণ E ∝ ১/r², দূরত্ব দ্বিগুণ মানে তীব্রতা চার ভাগের এক ভাগ। এটা সিমুলেশনে মাউস সরিয়ে নিজে মিলিয়ে দেখতে পারো।
সমস্যা ৪: ডাইপোলের মাঝবিন্দুতে তীব্রতা
+২ µC ও −২ µC আধান ০.২ m দূরে আছে। মাঝবিন্দুতে তীব্রতা কত?
সমাধান: মাঝবিন্দু প্রতিটি আধান থেকে ০.১ m দূরে। প্রতিটির জন্য E = ৯ × 10⁹ × ২ × ১০⁻⁶ / (০.১)² = ১.৮০ × 10⁶ N C⁻¹। ধনাত্মক আধানের E মাঝবিন্দু থেকে দূরে, অর্থাৎ ঋণাত্মকের দিকে; ঋণাত্মক আধানের E-ও ঋণাত্মকের দিকে। দুটো একই দিকে, তাই যোগ হবে: মোট E = ৩.৬০ × 10⁶ N C⁻¹, ঋণাত্মক আধানের দিকে।
যদি দুটিই +২ µC হতো, তাহলে মাঝবিন্দুতে দুটি E সমান ও বিপরীত — মোট E = ০। এটাই নিরপেক্ষ বিন্দু।
সমস্যা ৫: তড়িৎ ক্ষেত্রে ইলেকট্রন
১ × 10⁴ N C⁻¹ সুষম তড়িৎ ক্ষেত্রে একটি ইলেকট্রনের উপর বল ও ত্বরণ কত? (e = ১.৬ × 10⁻¹⁹ C, mₑ = ৯.১১ × 10⁻³¹ kg)
সমাধান: F = eE = ১.৬ × 10⁻¹⁵ N। ত্বরণ a = F/m = ১.৭৬ × 10¹⁵ m s⁻²! ইলেকট্রন এত হালকা বলে এত বিশাল ত্বরণ পায়। বল ক্ষেত্রের উল্টো দিকে, কারণ ইলেকট্রন ঋণাত্মক।
যে ভুলগুলো সবাই করে
পরীক্ষার খাতায় বারবার দেখা যায় এমন কয়েকটা ভুল, আগে থেকে জেনে রাখো:
- µC-কে C-তে না বদলে সরাসরি বসিয়ে দেওয়া — উত্তর ১০⁶ গুণ ভুল হয়ে যায়।
- r না লিখে r² ভুলে যাওয়া, অথবা বিভবের সূত্রে r² বসিয়ে দেওয়া।
- একাধিক আধানের E সরাসরি যোগ করে ফেলা, দিক না দেখে — E ভেক্টর, বিভব স্কেলার।
- ইলেকট্রনের উপর বলের দিক E-এর দিকেই লিখে ফেলা।
- বলরেখাকে পরীক্ষণ আধানের গতিপথ ভাবা — বলরেখা বলের দিক দেখায়, বেগের নয়।
বাস্তব জীবনে তড়িৎ ক্ষেত্র
তড়িৎ ক্ষেত্র শুধু বইয়ের জিনিস নয়, চারপাশে প্রতিদিন কাজ করছে:
- বজ্রনিরোধক দণ্ড: উঁচু ভবনের মাথায় সূচালো ধাতব দণ্ড থাকে, মোটা তার দিয়ে মাটির সাথে যুক্ত। বজ্রপাত হলে আধান ভবনের দেয়াল দিয়ে না গিয়ে এই সহজ পথে নিরাপদে মাটিতে চলে যায়।
- ফটোকপি মেশিন: একটি ড্রামের উপর আলো দিয়ে লেখার আকারে আধান সাজানো হয়; গুঁড়া কালি (টোনার) শুধু আধানযুক্ত জায়গাতেই লেগে কাগজে ছাপ পড়ে।
- কারখানার ধোঁয়া পরিষ্কার: চিমনিতে ধুলাবালিকে আধানযুক্ত করে বিপরীত আধানের প্লেটে টেনে নেওয়া হয়, ফলে বাতাসে কম ধুলা যায়।
- গাড়ির ভেতর নিরাপদ: বজ্রপাতের সময় ধাতব ছাদওয়ালা গাড়ির ভেতরে থাকা তুলনামূলক নিরাপদ, কারণ আধান ধাতব আবরণের বাইরের পৃষ্ঠ দিয়ে চলে যায় — একে ফ্যারাডে খাঁচা বলে।
- রং স্প্রে: গাড়ি রং করার সময় রঙের কণাকে আধানযুক্ত করা হয় যাতে সেগুলো ধাতব গায়ে সমানভাবে টেনে লেগে যায়, রং কম নষ্ট হয়।
পরীক্ষার কর্নার: SSC ও HSC
SSC-র “স্থির তড়িৎ” আর HSC পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্রের “স্থির তড়িৎ” অধ্যায় থেকে সৃজনশীল প্রশ্নে এই ধরনগুলো বারবার আসে। নিচে প্রশ্নের ধরন আর উত্তরের মূল কথা:
জ্ঞানমূলক
প্রশ্ন: তড়িৎ তীব্রতা কাকে বলে? উত্তর: তড়িৎ ক্ষেত্রের কোনো বিন্দুতে একক ধনাত্মক আধান স্থাপন করলে সেটি যে বল অনুভব করে, তার মান ও দিককে ওই বিন্দুর তড়িৎ তীব্রতা বলে।
অনুধাবনমূলক
প্রশ্ন: দুটি বলরেখা পরস্পরকে ছেদ করে না কেন? উত্তর: ছেদবিন্দুতে দুটি স্পর্শক আঁকা যেত, অর্থাৎ একই বিন্দুতে তীব্রতার দুটি দিক হতো — যা অসম্ভব। তাই বলরেখা কখনো ছেদ করে না।
প্রশ্ন: তড়িৎ ক্ষেত্রের সকল বিন্দুতে তীব্রতা সমান নয় কেন? উত্তর: E = kq/r², তাই দূরত্ব বাড়লে তীব্রতা দূরত্বের বর্গের অনুপাতে কমে।
প্রয়োগ ও উচ্চতর দক্ষতা
সাধারণত একটি উদ্দীপকে দুটি আধান আর তাদের দূরত্ব দেওয়া থাকে। প্রয়োগে বল বা কোনো বিন্দুর তীব্রতা বের করতে বলে (ওপরের সমস্যা ১ ও ৪-এর মতো); উচ্চতর দক্ষতায় জানতে চায় কোন বিন্দুতে তীব্রতা শূন্য হবে বা আধান বদলালে বল কীভাবে বদলাবে — উত্তরে গাণিতিক যুক্তি দেখাতে হয়।
এক নজরে পুরো অধ্যায়
রিভিশনের আগের রাতে শুধু এটুকু পড়লেও মূল কথাগুলো মনে পড়বে:
- তড়িৎ ক্ষেত্র: আধানের চারপাশের যে অঞ্চলে অন্য আধান বল অনুভব করে।
- কুলম্বের সূত্র: F = kq₁q₂/r², k ≈ ৯ × ১০⁹ N m² C⁻²।
- তড়িৎ তীব্রতা: E = F/q₀ = kq/r², ভেক্টর, একক N C⁻¹ = V m⁻¹।
- বিভব: V = kq/r, স্কেলার, একক ভোল্ট।
- বলরেখা ধনাত্মক থেকে ঋণাত্মকে যায়, ছেদ করে না, ঘনত্ব = ক্ষেত্রের প্রাবল্য।
- একাধিক আধানে তীব্রতা ভেক্টর যোগে, বিভব সাধারণ যোগে।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
তড়িৎ ক্ষেত্র কাকে বলে?
কোনো আধানের চারপাশে যে অঞ্চলজুড়ে অন্য কোনো আধান আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বল অনুভব করে, সেই অঞ্চলকে ওই আধানের তড়িৎ ক্ষেত্র বলে।
তড়িৎ ক্ষেত্র ও তড়িৎ তীব্রতা একই নয় কেন?
তড়িৎ ক্ষেত্র হলো একটি অঞ্চল, আর তড়িৎ তীব্রতা হলো সেই অঞ্চলের কোনো বিন্দুতে ক্ষেত্রের শক্তির মাপ — একক ধনাত্মক আধানের উপর বল। একটি জায়গা, অন্যটি সেই জায়গার পরিমাপ।
তড়িৎ ক্ষেত্রের সকল বিন্দুতে তীব্রতা সমান নয় কেন?
বিন্দু আধানের ক্ষেত্রে E = kq/r², তাই তীব্রতা দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক। আধান থেকে দূরে গেলে তীব্রতা দ্রুত কমে যায়।
তড়িৎ তীব্রতার একক কী?
SI একক নিউটন/কুলম্ব (N C⁻¹)। এর সমতুল্য একক ভোল্ট/মিটার (V m⁻¹)।
দুটি বলরেখা পরস্পরকে ছেদ করে না কেন?
ছেদবিন্দুতে দুটি স্পর্শক টানা যেত, অর্থাৎ একই বিন্দুতে তীব্রতার দুটি দিক হতো। কিন্তু কোনো বিন্দুতে তীব্রতার দিক একটিই, তাই বলরেখা ছেদ করে না।
নিরপেক্ষ বিন্দু কাকে বলে?
যে বিন্দুতে একাধিক আধানের তীব্রতা পরস্পরকে বাতিল করে মোট তীব্রতা শূন্য হয়, তাকে নিরপেক্ষ বিন্দু বলে। দুটি সমান সমধর্মী আধানের ঠিক মাঝবিন্দু এর উদাহরণ।
তড়িৎ তীব্রতা ভেক্টর না স্কেলার?
ভেক্টর। এর মান ও দিক দুটোই আছে — ধনাত্মক আধান থেকে বাইরের দিকে, ঋণাত্মক আধানের দিকে ভেতরে। অন্যদিকে বিভব স্কেলার।
এই বিষয়ের আরও পড়াশোনা
অ্যানিমেশনে ধারণা পরিষ্কার হলো, এবার পরীক্ষার প্রস্তুতি: সিলেবাস, সাজেশন, বই আর ভর্তি পরীক্ষার গাইড নিচে।
SSC
এসএসসি পদার্থবিজ্ঞান: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
HSC
এইচএসসি পদার্থবিজ্ঞান: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
পাঠ্যবই
নবম-দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান বই
ভর্তি
ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি
ভর্তি
ঢাবি বিজ্ঞান ইউনিট ভর্তি ২০২৬-২৭
English
Composition: The Uses of Electricity (ইংরেজিতে)
বাংলা
প্রতিবেদন: বিজ্ঞান মেলা
English
Paragraph: Science in Everyday Life (ইংরেজিতে)
SSC
এসএসসি সাজেশন
HSC
এইচএসসি সাজেশন
ভর্তি
বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার গাইড
SSC
এসএসসি সিলেবাস
HSC
এইচএসসি সিলেবাস
বিদেশে পড়াশোনা
জার্মানিতে উচ্চশিক্ষা
টেস্ট
Digital SAT Math guide (ইংরেজিতে)
স্কলারশিপ
বিদেশে পড়াশোনার স্কলারশিপ
IELTS
IELTS vocabulary: science and research (ইংরেজিতে)
টুল
GPA calculator (ইংরেজিতে)
ক্যারিয়ার
Civil engineer resume example (ইংরেজিতে)
আরও পদার্থবিজ্ঞান অ্যানিমেশন
SSC · HSC
আলোর প্রতিসরণ
আলোর প্রতিসরণ কাকে বলে, প্রতিসরণের সূত্র, সংকট কোণ ও পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন — সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা, ইন্টারঅ্যাকটিভ অ্যানিমেশন ও গাণিতিক উদাহরণসহ।
SSC · HSC
ওহমের সূত্র
ওহমের সূত্র কাকে বলে, বিবৃতি ও ব্যাখ্যা, V-I লেখচিত্র — বিভব পার্থক্য ও রোধ বদলে তড়িৎ প্রবাহ দেখো। শ্রেণি ও সমান্তরাল সমবায়, গাণিতিক উদাহরণসহ।
HSC
প্রাসের গতি
প্রাস কাকে বলে? কোণ ও আদিবেগ বদলে প্রাসের গতিপথ দেখো — বিচরণকাল, সর্বাধিক উচ্চতা ও আনুভূমিক পাল্লার সূত্র, গাণিতিক উদাহরণসহ।
SSC · HSC
সরল দোলক
সরল দোলক কাকে বলে, দোলনকালের সূত্র T=2π√(L/g) ও দোলকের সূত্রসমূহ — দৈর্ঘ্য বদলে দেখো। অভিকর্ষজ ত্বরণ নির্ণয়ের গাণিতিক উদাহরণসহ।
HSC
তরঙ্গের ব্যতিচার
তরঙ্গের উপরিপাতন নীতি ও ব্যতিচার কাকে বলে, গঠনমূলক ও ধ্বংসাত্মক ব্যতিচারের শর্ত, ডোরার প্রস্থ — দুই উৎস সরিয়ে নিজে দেখো, গাণিতিক উদাহরণসহ।
SSC · HSC
পড়ন্ত বস্তু ও পড়ন্ত বস্তুর সূত্র
পড়ন্ত বস্তুর তিনটি সূত্র কী, কে আবিষ্কার করেন, অভিকর্ষজ ত্বরণ ৯.৮ বলতে কী বোঝায়: মুদ্রা আর পালক ফেলে নিজে দেখো, সূত্র ও গাণিতিক সমস্যাসহ।
SSC · HSC
লেন্সে প্রতিবিম্ব গঠন
উত্তল লেন্স ও অবতল লেন্স কাকে বলে, প্রতিবিম্ব কীভাবে গঠিত হয়, লেন্সের সূত্র 1/u + 1/v = 1/f, বিবর্ধন ও লেন্সের ক্ষমতা: বস্তু টেনে সরিয়ে রশ্মি চিত্র নিজে দেখো।
SSC · HSC
নিউটনের গতির সূত্র
নিউটনের গতির তিনটি সূত্র, জড়তা, ভরবেগ, F = ma, ঘাত বল আর ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া: ট্রলি ঠেলে নিজে দেখো, সহজ উদাহরণ, সূত্র ও গাণিতিক সমস্যাসহ (SSC, HSC)।
SSC · HSC
গোলীয় দর্পণে প্রতিবিম্ব গঠন
অবতল দর্পণ ও উত্তল দর্পণ কাকে বলে, মেরু, বক্রতার কেন্দ্র, প্রধান ফোকাস, দর্পণের সূত্র 1/u + 1/v = 1/f ও বিবর্ধন: বস্তু টেনে সরিয়ে প্রতিবিম্ব গঠন নিজে দেখো।
SSC · HSC
তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ ও ফ্যারাডের সূত্র
তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ কাকে বলে, ফ্যারাডের সূত্র ও লেঞ্জের সূত্র কী বলে: চুম্বক টেনে কুণ্ডলীর ভেতর দিয়ে নিয়ে নিজে দেখো, গ্যালভানোমিটারের কাঁটা কেন দোলে, সূত্র ও অঙ্কসহ।
SSC · HSC
ভরবেগের সংরক্ষণ ও সংঘর্ষ
ভরবেগের সংরক্ষণ সূত্র কী, স্থিতিস্থাপক ও অস্থিতিস্থাপক সংঘর্ষের পার্থক্য কী: দুটো গাড়ি সংঘর্ষ করিয়ে নিজে দেখো, পুনরুদ্ধার সহগ e বদলে ভরবেগ ও গতিশক্তির বার-লেখচিত্র মিলিয়ে দেখো, সূত্র ও অঙ্কসহ।
SSC · HSC
কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি
কাজ কাকে বলে, গতিশক্তি ও বিভবশক্তির সূত্র কী, ক্ষমতা কীভাবে মাপা হয়: গড়িয়ে পড়া কার্টের সিমুলেশনে শক্তির রূপান্তর নিজে দেখো, সূত্র ও গাণিতিক সমস্যাসহ।
SSC · HSC
নততল
নততলে ওজন কীভাবে দুই উপাংশে ভাগ হয়, স্থিতি কোণ কী, ঘর্ষণ কীভাবে ব্লককে ধরে রাখে বা পিছলে দেয়: কোণ বদলে ব্লক নিজে ছেড়ে দিয়ে বল-চিত্র ও সূত্র দেখো।
SSC · HSC
বৃত্তাকার গতি
সুতায় ঘোরা বলের সিমুলেশনে বৃত্তাকার গতি, কেন্দ্রমুখী বল F=mv²/r, কৌণিক বেগ, পর্যায়কাল দেখো। সুতা কাটলে বল কোথায় যায়? ব্যাংকিং ও গাণিতিক সমাধানসহ।
SSC
অনুপ্রস্থ ও অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ
একই উৎস থেকে দড়ির অনুপ্রস্থ তরঙ্গ আর স্প্রিং বা শব্দের অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ পাশাপাশি দেখো। তরঙ্গশীর্ষ, তরঙ্গপাদ, সংকোচন, প্রসারণ, তরঙ্গদৈর্ঘ্য, v = fλ আর কণা কেন তরঙ্গের সাথে চলে না, গাণিতিক সমাধানসহ।
SSC · HSC
লিভার ও ভ্রামক
সিসম্যর সিমুলেশনে বলের ভ্রামক M = F × d, ভ্রামকের নীতি, লিভারের তিন শ্রেণি ও যান্ত্রিক সুবিধা নিজে হাতে পরীক্ষা করো। সমাধান ও সৃজনশীল প্রশ্নসহ।
SSC · HSC
ভরকেন্দ্র
দণ্ডে আর পাতে ভর সরিয়ে ভরকেন্দ্র x = Σmx/Σm বের করো। অবলম্বন কোথায় রাখলে দণ্ড ভারসাম্যে থাকে, বাস কখন উল্টে যায়, সুস্থির-অস্থির-নিরপেক্ষ সাম্যাবস্থা: সিমুলেশন ও সমাধানসহ।
SSC · HSC
স্প্রিং-ভর ও সরল ছন্দিত স্পন্দন
স্প্রিংয়ে ঝোলানো ভরের সরল ছন্দিত স্পন্দন নিজে চালিয়ে দেখো। হুকের সূত্র, T = 2π√(m/k), শক্তির রূপান্তর, শ্রেণি ও সমান্তরাল স্প্রিং, সমাধান ও সৃজনশীল প্রশ্নসহ।
SSC · HSC
ভেক্টর যোগ: ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র
দুটি ভেক্টরের লব্ধি, ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র, উপাংশ, নদীতে নৌকা আর বৃষ্টিতে ছাতার আপেক্ষিক বেগ নিজে টেনে পরীক্ষা করো। সমাধান ও সৃজনশীল প্রশ্নসহ।
SSC · HSC
আপেক্ষিক বেগ: ট্রেন ও নদী পারাপার
দুই ট্রেন আর নদী পার হওয়া সাঁতারুকে নিজে চালিয়ে দেখো। আপেক্ষিক দ্রুতি, ট্রেন পার হওয়ার সময়, মুখের কোণ, ভাটিতে সরণ, সবচেয়ে কম সময় বনাম সবচেয়ে ছোট পথ, সমাধানসহ।
HSC
কেপলারের সূত্র ও উপবৃত্তাকার কক্ষপথ
উৎকেন্দ্রতা স্লাইডার টেনে কক্ষপথ লম্বা হতে দেখো। সমান সময়ে সমান ক্ষেত্রফলের সেক্টর, পর্যায়কালের সূত্র T² ∝ a³ আর মুক্তিবেগ, সমাধানসহ।
HSC
নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র, g ও কৃত্রিম উপগ্রহ
দুটি বস্তুর টান, ব্যস্তবর্গ সূত্রের লেখচিত্র, পৃথিবীর ওপরে-নিচে g আর উপগ্রহের কক্ষপথ নিজের হাতে চালিয়ে দেখো। কক্ষীয় বেগ, পর্যায়কাল, মুক্তিবেগ আর সমাধান করা অঙ্কসহ।
HSC
তার ও নলে স্থির তরঙ্গ
সিমুলেশনে তার টানো আর খোলা-বন্ধ নলে ফুঁ দাও। নোড, অ্যান্টিনোড, সমমেল দেখো এবং দৈর্ঘ্য, টান ও তাপমাত্রা কীভাবে সুর ঠিক করে তা শেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।
HSC
অনুনাদ নল ও শব্দের দ্রুতি
অনুনাদ নলে পানির স্তর সরিয়ে নিজেই জোর শব্দের জায়গা খুঁজুন। L১ = λ/৪ − e আর L২ = ৩λ/৪ − e দেখুন, v = 2f(L₂ − L₁) দিয়ে শব্দের দ্রুতি বের করুন, সমাধানসহ অঙ্ক অনুশীলন করুন।
HSC
স্বরকম্প: কাছাকাছি দুই সুরের স্পন্দন
প্রায় সমান কম্পাঙ্কের দুই তরঙ্গ যোগ করে শব্দের জোর-আস্তে স্পন্দন দেখুন। এনভেলপ আঁকা, স্বরকম্প কম্পাঙ্ক |f₁ − f₂| পড়া, শব্দ শোনা আর গিটার সুর মেলানোর পদ্ধতি শিখুন, সমাধানসহ।
HSC
ডপলার প্রভাব: চলমান উৎস, চলমান শ্রোতা ও সনিক বুম
শব্দের উৎসকে ধীরে-জোরে চালাও আর দেখো সামনে তরঙ্গমুখ কীভাবে ঠাসাঠাসি হয়, পেছনে কীভাবে ছড়িয়ে পড়ে। ডপলারের সূত্র, অ্যাম্বুলেন্স ও ট্রেনের অঙ্ক এবং সনিক বুম শেখো।
SSC · HSC
প্রিজম, আলোর বিচ্ছুরণ ও রামধনু
সাদা আলো প্রিজমে ফেলো, প্রিজম কোণ আর আপতন কোণ বদলাও, আর দেখো বর্ণালি কীভাবে তৈরি হয়। বিচ্যুতি, ন্যূনতম বিচ্যুতি, বিচ্ছুরণ ক্ষমতা এবং বৃষ্টির ফোঁটায় রামধনু সৃষ্টির অঙ্কসহ ব্যাখ্যা।
HSC
কির্শফের সূত্র: সংযোগ সূত্র ও বদ্ধ পথ সূত্র
দুটি ব্যাটারি আর তিনটি রোধের দুই-লুপ বর্তনী নিজে সাজাও। সংযোগ বিন্দুতে প্রবাহ ভাগ হওয়া দেখো, বিভবের যোগফল শূন্য হতে দেখো আর কির্শফের সূত্রের অঙ্ক ধাপে ধাপে করতে শেখো।
HSC
হুইটস্টোন ব্রিজ ও মিটার ব্রিজ
হুইটস্টোন ব্রিজের সাম্য নষ্ট করে গ্যালভানোমিটারের কাঁটা নড়তে দেখো। P/Q = R/S হলে কাঁটা শূন্যে আসে। মিটার ব্রিজে জকি সরিয়ে অজানা রোধ মাপো, গাণিতিক উদাহরণসহ।
HSC
একক চিড়ে অপবর্তন
চিড়ের প্রস্থ ও তরঙ্গদৈর্ঘ্য বদলে দেখো আলো কীভাবে ছড়ায়। তীব্রতার সূত্র I = I₀(sin β/β)², অন্ধকার পট্টির শর্ত a sin θ = mλ আর কেন্দ্রীয় পট্টির প্রস্থ 2λD/a, সমাধানসহ।
SSC · HSC
চোখের ত্রুটি ও তার প্রতিকার
স্বাভাবিক, ক্ষীণদৃষ্টি, দীর্ঘদৃষ্টি ও বার্ধক্যের চোখ বদলে বদলে দেখো। প্রতিবিম্ব কেন রেটিনার সামনে বা পেছনে পড়ে, আর কোন লেন্স কত ডায়োপ্টারে তা ঠিক করে, সিমুলেশনে হাতে-কলমে শেখো।
HSC
আলোর সমবর্তন: ম্যালাসের সূত্র ও ব্রুস্টারের সূত্র
পোলারাইজারের পেছনে অ্যানালাইজার ঘুরিয়ে গ্রাফে I = I₀cos²θ দেখো, তারপর কাচে আলো ফেলে ব্রুস্টার কোণ খুঁজে বের করো। পোলারয়েড সানগ্লাস, তিন ফিল্টারের ধাঁধা ও সমাধান করা অঙ্কসহ।
HSC
ক্যাপাসিটরের আহিতকরণ ও নিরাহিতকরণ: আরসি সময় ধ্রুবক
রোধের মধ্য দিয়ে ক্যাপাসিটর আহিত ও নিরাহিত করো। E, R, C বদলে V = E(1 − e^(−t/RC)) আর প্রবাহের বক্রেখা আঁকা দেখো, ৬৩% সময় ধ্রুবক আর সঞ্চিত শক্তি বের করো।
SSC · HSC
চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা: দণ্ডচুম্বক, তড়িৎবাহী সরল তার ও সলিনয়েড
দণ্ডচুম্বক, সরল তার ও সলিনয়েডের চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা দেখো। কম্পাস টানো, প্রবাহের দিক উল্টাও আর শেখো B = μ₀I/2πr, B = μ₀nI ও ডান হাতের মুষ্টি নিয়ম।
HSC
এসি জেনারেটর
চুম্বকের দুই মেরুর মাঝে কুণ্ডলী ঘুরিয়ে এসি জেনারেটরের সাইন তরঙ্গ নিজের চোখে দেখো। N, A, B আর rpm বদলে E₀ = NBAω ও কার্যকর মান বের করো, জানো কেন বাংলাদেশে মেইন ৫০ Hz।
SSC · HSC
ট্রান্সফর্মার
ট্রান্সফর্মারের প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি পাক বদলে দেখো ভোল্টেজ কীভাবে বাড়ে-কমে। Vs = Vp·Ns/Np, ক্ষমতার সংরক্ষণ, বাস্তব দক্ষতা আর উচ্চ ভোল্টেজে বিদ্যুৎ পাঠানোর কারণ বোঝো।
SSC · HSC
তাপের সঞ্চালন: পরিবহন, পরিচলন ও বিকিরণ
তামা, অ্যালুমিনিয়াম, কাচ বা কাঠের দণ্ড গরম করে Q/t = kAΔT/L দেখো, বিকারে পরিচলন স্রোত ঘুরতে দেখো, আর T⁴ মেনে বিকিরিত ক্ষমতা কীভাবে বাড়ে তা যাচাই করো। সারণি ও সমাধান করা অঙ্কসহ।
HSC
আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া: আইনস্টাইনের সমীকরণ ও নিবৃত্তি বিভব
ভ্যাকুয়াম নলে সোডিয়াম, দস্তা বা তামার পাতে যেকোনো তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো ফেলো। সূচন কম্পাঙ্কের নিচে ইলেকট্রন বের হয় না কেন, K = hf − φ কীভাবে নিবৃত্তি বিভব ঠিক করে, আর উজ্জ্বলতা কেন শুধু প্রবাহ বদলায় তা নিজে দেখো।
SSC · HSC
মোটর ক্রিয়া: তড়িৎবাহী তারের ওপর বল ও ডিসি মোটর
চৌম্বক ক্ষেত্রে তড়িৎবাহী তার রাখলে সেটা কীভাবে ধাক্কা খায় নিজের চোখে দেখো। B, I, L আর কোণ বদলাও, ফ্লেমিংয়ের বাম হাতের নিয়ম মিলিয়ে নাও, তারপর বিভক্ত-বলয় কম্যুটেটরসহ ডিসি মোটর ঘুরিয়ে টর্কের লেখচিত্র দেখো।
HSC
গ্যাসের অণু ও গতিতত্ত্ব: চাপ, তাপমাত্রা ও দ্রুতি
বাক্সের ভেতরে গ্যাসের অণুদের ছোটাছুটি দেখো। তাপমাত্রা বাড়াও, গ্যাস বদলাও, আয়তন চেপে ধরো, আর দেখো দেয়ালে ধাক্কা গুনে পাওয়া চাপ PV = NkT-এর সঙ্গে মিলে যাচ্ছে। ম্যাক্সওয়েল-বোল্টজম্যান বক্ররেখার সঙ্গে দ্রুতি মেলাও এবং গড়বর্গমূল দ্রুতির অঙ্ক করো।
HSC
অর্ধপরিবাহী ডায়োড: p–n সন্ধি, I–V বক্ররেখা ও রেক্টিফায়ার
p–n সন্ধিতে বায়াস দিয়ে দেখো নিঃশেষিত স্তর কীভাবে সরু বা চওড়া হয়, বাহক কীভাবে পার হয় আর শকলির I–V বক্ররেখা কেমন হয়। সিলিকন ও জার্মেনিয়ামের তুলনা, ভাঙন আর অর্ধতরঙ্গ রেক্টিফায়ার হাতে-কলমে।
SSC · HSC
তেজস্ক্রিয় ক্ষয়: অর্ধায়ু, ক্ষয় সূত্র ও বিকিরণের ভেদন ক্ষমতা
২৪০টি নিউক্লিয়াসকে এলোমেলোভাবে ক্ষয় হতে দেখো, N = N₀e^(−λt) সূত্র মিলিয়ে নাও, লেখচিত্র থেকে অর্ধায়ু মাপো, আর দেখো আলফা, বিটা ও গামা কাগজ, অ্যালুমিনিয়াম ও সীসা কতটা ভেদ করে।
HSC
বোর পরমাণু মডেল: কক্ষপথ, শক্তিস্তর ও হাইড্রোজেনের বর্ণালি
হাইড্রোজেনের ইলেকট্রনকে n = ১ থেকে ৬ কক্ষপথে লাফ দেওয়াও, 1/λ = R(1/n₁² − 1/n₂²) থেকে ফোটনের রং বের করো আর শক্তিস্তরের চিত্র ও বর্ণালির পট্টিতে লাইম্যান, বামার, পাশেন শ্রেণি দেখো।
অন্য বিষয়ের অ্যানিমেশন
রসায়ন
পরমাণুর গঠন
রসায়ন
এসিড, ক্ষারক ও pH স্কেল
রসায়ন
ইলেকট্রন বিন্যাস
রসায়ন
গ্যাসের সূত্র: বয়েল, চার্লস ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ
রসায়ন
আয়নিক বন্ধন কীভাবে গঠিত হয়
রসায়ন
তড়িৎ বিশ্লেষণ ও ফ্যারাডের সূত্র
রসায়ন
সমযোজী বন্ধন
রসায়ন
পর্যায়বৃত্ত ধর্ম
রসায়ন
বিক্রিয়ার হার ও সংঘর্ষ তত্ত্ব
রসায়ন
পদার্থের অবস্থা: কঠিন, তরল, গ্যাসীয় ও তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র
রসায়ন
পরমাণুর অরবিটাল: s, p, d-এর আকৃতি, কোয়ান্টাম সংখ্যা ও নোড
রসায়ন
আণবিক আকৃতি ও ভিএসইপিআর তত্ত্ব: বন্ধন জোড়, মুক্তজোড় ও বন্ধন কোণ
রসায়ন
মোল ধারণা: মোলার ভর, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা ও মোলার আয়তন
রসায়ন
ব্যাপন ও নিঃসরণ: গ্রাহামের সূত্র
রসায়ন
রাসায়নিক সমীকরণ সমতাকরণ: পদ্ধতি, উদাহরণ ও অনুশীলন
রসায়ন
রাসায়নিক সাম্যাবস্থা: সাম্যধ্রুবক Kc ও লা শাতেলিয়ের নীতি
রসায়ন
টাইট্রেশন: অম্ল-ক্ষারের ঘনমাত্রা বের করার পদ্ধতি
রসায়ন
গ্যালভানিক কোষ: ড্যানিয়েল কোষ, EMF ও নার্নস্ট সমীকরণ
রসায়ন
জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া: জারণ সংখ্যা, ইলেকট্রন স্থানান্তর ও অর্ধ-সমীকরণ
রসায়ন
হাইড্রোকার্বন: অ্যালকেন, অ্যালকিন, অ্যালকাইন ও কাঠামোগত সমাণু ত্রিমাত্রায়
রসায়ন
কার্যকরী মূলক: অ্যালকোহল, অ্যালডিহাইড, কিটোন, অ্যাসিড, এস্টার ও অ্যামিন
রসায়ন
পলিমারকরণ: যোজন ও ঘনীভবন পলিমার, পলিথিন ও নাইলন
রসায়ন
মিশ্রণ আলাদা করার পদ্ধতি: ছাঁকন, পাতন, ক্রোমাটোগ্রাফি, স্ফটিকীকরণ
রসায়ন
কেলাস জালক: SC, BCC ও FCC একক কোষ, প্যাকিং দক্ষতা ও ঘনত্ব
রসায়ন
তেজস্ক্রিয়তা: আলফা, বিটা, গামা ক্ষয় ও অর্ধায়ু
জীববিজ্ঞান
মাইটোসিস কোষ বিভাজন
জীববিজ্ঞান
ব্যাপন ও অভিস্রবণ
জীববিজ্ঞান
সালোকসংশ্লেষণ
জীববিজ্ঞান
মানব হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কাজ
জীববিজ্ঞান
মেন্ডেলের বংশগতি সূত্র
জীববিজ্ঞান
ডিএনএ রেপ্লিকেশন
জীববিজ্ঞান
কোষীয় শ্বসন
জীববিজ্ঞান
এনজাইম ক্রিয়া
জীববিজ্ঞান
স্নায়ু উদ্দীপনার পরিবহন ও অ্যাকশন পটেনশিয়াল
জীববিজ্ঞান
নেফ্রন ও মূত্র তৈরির প্রক্রিয়া
জীববিজ্ঞান
মিয়োসিস কোষ বিভাজন
জীববিজ্ঞান
পরিপাকতন্ত্র
জীববিজ্ঞান
শ্বাসক্রিয়ার কৌশল: প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস
জীববিজ্ঞান
প্রোটিন সংশ্লেষণ
জীববিজ্ঞান
রক্ত সংবহন: দ্বি-সংবহন ও কার্ডিয়াক আউটপুট
জীববিজ্ঞান
কোষের গঠন ও অঙ্গাণু: উদ্ভিদ কোষ বনাম প্রাণী কোষ
জীববিজ্ঞান
প্রতিবর্ত ক্রিয়া ও প্রতিবর্ত চাপ
জীববিজ্ঞান
মানুষের চোখ: গঠন, প্রতিবিম্ব ও উপযোজন
জীববিজ্ঞান
পেশি সংকোচন ও স্লাইডিং ফিলামেন্ট মডেল
জীববিজ্ঞান
উদ্ভিদে পরিবহন: জাইলেম, ফ্লোয়েম ও বাষ্পমোচন
জীববিজ্ঞান
খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজাল: শক্তির প্রবাহ ও ১০ % নিয়ম
জীববিজ্ঞান
জনসংখ্যা বৃদ্ধি: সূচকীয় ও লজিস্টিক রেখা
জীববিজ্ঞান
প্রাকৃতিক নির্বাচন: পেপার্ড মথ ও কালিঝুলি মাখা গাছ
জীববিজ্ঞান
রোগপ্রতিরোধ: প্রাথমিক ও গৌণ অ্যান্টিবডি সাড়া
জীববিজ্ঞান
পরাগায়ন ও নিষেক
গণিত
পিথাগোরাসের উপপাদ্য
গণিত
ত্রিকোণমিতিক অনুপাত ও একক বৃত্ত
গণিত
দ্বিঘাত সমীকরণ ও দ্বিঘাত ফাংশনের লেখচিত্র
গণিত
বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য
গণিত
দূরত্ব ও উচ্চতা: উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ
গণিত
সম্ভাবনা: পরীক্ষালব্ধ বনাম তাত্ত্বিক সম্ভাবনা
গণিত
সমান্তর ও গুণোত্তর ধারা
গণিত
গড়, মধ্যক ও প্রচুরক
গণিত
সেট ও ভেনচিত্র
গণিত
সরল সহসমীকরণ ও সরলরেখার লেখচিত্র
গণিত
sin, cos, tan-এর লেখচিত্র
গণিত
পূর্ণবর্গ পদ্ধতি ও দ্বিঘাত সমীকরণের সমাধান
গণিত
বৃত্তের ক্ষেত্রফল: সূত্র, প্রমাণ ও সমাধান
গণিত
ঘনবস্তুর আয়তন ও তলের ক্ষেত্রফল: ঘনক, আয়তঘন, বেলন, কোণক, গোলক
গণিত
সদৃশ ত্রিভুজ: স্কেল ফ্যাক্টর, AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়া থেকে উচ্চতা
গণিত
স্থানাঙ্ক জ্যামিতি: দূরত্ব, মধ্যবিন্দু, ঢাল, বিভক্তিকরণ সূত্র ও সঞ্চারপথ
গণিত
শাঙ্কব ছেদ: বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত ও অধিবৃত্ত
গণিত
ফাংশনের রূপান্তর: সরানো, টানা ও উল্টানো
গণিত
অন্তরীকরণ: স্পর্শকের ঢাল ও ছেদক থেকে স্পর্শক
গণিত
রিম্যান যোগফল ও সমাকলন: বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফল
গণিত
সীমা ও ε–δ সংজ্ঞা: ছবিতে বোঝা
গণিত
ত্রিমাত্রিক ভেক্টর: যোগ, ডট গুণ ও ক্রস গুণ
গণিত
ম্যাট্রিক্স রূপান্তর: ঘূর্ণন, প্রতিফলন, শিয়ার ও নির্ণায়ক
গণিত
জটিল সংখ্যা: আরগান্ড সমতলে যোগ, গুণ, ঘাত ও মূল
গণিত






















