মূলপাতা
লগইন

Color

Indigo
Red
Green
Teal
Blue
Purple
Rose

Mode

Light
EN

পিথাগোরাসের উপপাদ্য: ত্রিভুজ টেনে নিজের চোখে প্রমাণ দেখো

পিথাগোরাসের উপপাদ্য বলে: সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজের উপর অঙ্কিত বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল অপর দুই বাহুর উপর অঙ্কিত বর্গক্ষেত্র দুটির ক্ষেত্রফলের সমষ্টির সমান, অর্থাৎ c² = a² + b²। যেমন ভূমি ৩ আর লম্ব ৪ হলে অতিভুজ ৫। নিচের সিমুলেশনে ত্রিভুজ টেনে বদলাও, বর্গগুলোর ক্ষেত্রফল সঙ্গে সঙ্গে মিলিয়ে দেখো।

লাল বিন্দু দুটো টেনে ত্রিভুজ বদলাও · ▶ চাপলে a² ও b²-এর “পানি” c²-এ ঢালা হবে

a-এর উপর বর্গb-এর উপর বর্গc-এর উপর বর্গ
গতি

নিয়ন্ত্রণ

কী দেখবে

৩.০
৪.০

পরিমাপ

a
৩
b
৪
অতিভুজ, c
৫
C
৯০°
a²
৯
b²
১৬
c²
২৫
a² + b²
২৫
a² + b² − c²
০
কোণ C অনুযায়ী ত্রিভুজ
সমকোণী
পূর্ণসংখ্যার ত্রয়ী?
হ্যাঁ

সিমুলেশনটি কীভাবে ব্যবহার করবে

  1. লাল বিন্দু দুটো টেনে ধরো: ডানের বিন্দু সরালে ভূমি a বদলায়, উপরের বিন্দু সরালে লম্ব b বদলায়। স্লাইডার দিয়েও একই কাজ করা যায়।
  2. ▶ চাপলে a² আর b² বর্গের রঙিন “পানি” কমতে থাকে আর c² বর্গ ঠিক ততটাই ভরে ওঠে: শেষে c² একদম কানায় কানায় পূর্ণ হয়, এক ফোঁটাও উপচে পড়ে না, কমও থাকে না।
  3. “সাজিয়ে প্রমাণ” বেছে নাও: চারটি একই ত্রিভুজ বড় বর্গের ভিতরে সরে যায়, আর ফাঁকা জায়গা একবার c², একবার a² + b² হয়। ফাঁকা জায়গা বদলায়নি, তাই দুটো সমান।
  4. “বিপরীত উপপাদ্য” বেছে নিয়ে কোণ C ৯০° থেকে সরাও: a² + b² − c² আর শূন্য থাকে না, আর পানি ঢাললে c² হয় উপচে পড়ে (সূক্ষ্মকোণী) নয়তো খালি থাকে (স্থূলকোণী)।
  5. “পিথাগোরীয় ত্রয়ীতে আটকে দাও” চালু করলে ত্রিভুজ শুধু ৩-৪-৫, ৬-৮-১০, ৫-১২-১৩ এর মতো পূর্ণসংখ্যার বাহুতে থামবে; পরিমাপ প্যানেলে “পূর্ণসংখ্যার ত্রয়ী? হ্যাঁ” দেখাবে।

মই, টিভি আর মাঠের কোনাকুনি পথ: সবখানেই পিথাগোরাস

ধরো দেয়ালে একটা মই হেলান দিয়ে রাখা। মিস্ত্রি জানতে চান মইটা দেয়ালের কত উঁচুতে পৌঁছাবে। তিনি ফিতা দিয়ে দেয়াল মাপতে উপরে ওঠেন না; শুধু মাটিতে মইয়ের গোড়া থেকে দেয়াল পর্যন্ত দূরত্ব মাপেন আর মইয়ের দৈর্ঘ্য জানেন। বাকিটা হিসাব করে বের করা যায়। কীভাবে? এই হিসাবের নামই পিথাগোরাসের উপপাদ্য।

দোকানে “৪০ ইঞ্চি টিভি” বললে টিভির চওড়া বা উচ্চতা বোঝায় না, বোঝায় পর্দার এক কোণা থেকে বিপরীত কোণা পর্যন্ত কোনাকুনি দৈর্ঘ্য। চওড়া আর উচ্চতা জানলে কোনাকুনি দৈর্ঘ্য বের করার উপায়ও এই একই সূত্র। স্কুলমাঠের এক কোণা থেকে বিপরীত কোণায় যেতে তুমি যে “শর্টকাট” কোনাকুনি হাঁটো, সেটা কত মিটার বাঁচায়, সেটাও পিথাগোরাস বলে দেয়।

প্রায় আড়াই হাজার বছর আগের গ্রিক গণিতবিদ পিথাগোরাসের নামে উপপাদ্যটি পরিচিত, যদিও ব্যাবিলন, মিশর, ভারত আর চীনের মানুষ তারও আগে সমকোণী ত্রিভুজের এই সম্পর্ক ব্যবহার করতেন। মিশরের জমি-মাপকরা দড়িতে সমান দূরে ১২টি গিঁট দিয়ে ৩-৪-৫ ত্রিভুজ বানিয়ে নিখুঁত সমকোণ তৈরি করতেন। অর্থাৎ এই উপপাদ্য শুধু পরীক্ষার অঙ্ক না, মানুষের হাজার বছরের কাজের হাতিয়ার।

পিথাগোরাসের উপপাদ্য কাকে বলে: বিবৃতি আর সূত্র

পাঠ্যবইয়ের ভাষায় বিবৃতি: “সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজের উপর অঙ্কিত বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল অপর দুই বাহুর উপর অঙ্কিত বর্গক্ষেত্রদ্বয়ের ক্ষেত্রফলের সমষ্টির সমান।” পরীক্ষায় “পিথাগোরাসের উপপাদ্যটি বিবৃত কর” বা “উপপাদ্যটি লেখ” এলে ঠিক এই বাক্যটিই লিখবে।

সহজ কথায়: একটা ত্রিভুজের একটা কোণ ঠিক ৯০° হলে সেই কোণের বিপরীত বাহুটা (যেটা সবচেয়ে লম্বা) হলো অতিভুজ। বাকি দুটো বাহু, যারা সমকোণ তৈরি করেছে, তাদের আমরা ভূমি আর লম্ব বলি। এখন প্রতিটি বাহুর উপর একটা করে বর্গ আঁকো। ছোট দুটো বর্গের ক্ষেত্রফল যোগ করলে ঠিক বড় বর্গের ক্ষেত্রফল পাওয়া যায়।

সিমুলেশনের শুরুর ত্রিভুজটাই দেখো: ভূমি a = ৩, লম্ব b = ৪। তাহলে a² = ৯, b² = ১৬, যোগফল ২৫। আর অতিভুজ c = ৫ হলে c² = ২৫। “এক একক বর্গের ঘর দেখাও” চালু রেখে ঘরগুলো গুনে দেখো: সবুজ বর্গে ৯টা ঘর, কমলা বর্গে ১৬টা, আর বড় বর্গে ঠিক ২৫টা।

c² = a² + b²c অতিভুজ, a ভূমি, b লম্ব

c = √(a² + b²)অতিভুজ নির্ণয়ের সূত্র

a = √(c² − b²)অতিভুজ জানা থাকলে একটি বাহু

b = √(c² − a²)অন্য বাহুটিও একইভাবে

শব্দঅর্থসিমুলেশনে কোথায়
সমকোণী ত্রিভুজযে ত্রিভুজের একটি কোণ ঠিক ৯০°C বিন্দুর ছোট বর্গ চিহ্ন
অতিভুজ (c)সমকোণের বিপরীত বাহু, সবচেয়ে বড় বাহুনীল বর্গটি এর উপর
ভূমি (a)সমকোণ তৈরি করা একটি বাহুসবুজ বর্গটি এর উপর
লম্ব (b)সমকোণ তৈরি করা অন্য বাহুকমলা বর্গটি এর উপর
উপপাদ্যযুক্তি দিয়ে প্রমাণ করতে হয় এমন গাণিতিক সত্যপুরো সিমুলেশন
পিথাগোরীয় ত্রয়ীতিনটি পূর্ণসংখ্যা যারা c² = a² + b² মানে“ত্রয়ীতে আটকে দাও” টগল

প্রমাণ ১: চারটি ত্রিভুজ সাজিয়ে (নবম-দশম শ্রেণির পদ্ধতি)

এই প্রমাণটাই সিমুলেশনের “সাজিয়ে প্রমাণ” অংশে নড়ছে। পরীক্ষার খাতায় একে উপপাদ্যের মতো করে লিখতে হয়: বিশেষ নির্বচন, অঙ্কন, প্রমাণ। নিচে ধাপগুলো দেওয়া হলো, প্রতিটা ধাপের পাশে তার যথার্থতা লিখবে।

বিশেষ নির্বচন

মনে করি, ABC একটি সমকোণী ত্রিভুজ, যার ∠C = এক সমকোণ, অতিভুজ AB = c, BC = a এবং AC = b। প্রমাণ করতে হবে যে, AB² = BC² + AC², অর্থাৎ c² = a² + b²।

অঙ্কন

a + b দৈর্ঘ্যের বাহুবিশিষ্ট একটি বর্গক্ষেত্র আঁকি। এর প্রতিটি বাহুকে এমনভাবে দুই ভাগ করি যেন একটি অংশ a আর অপর অংশ b হয়। ভাগ বিন্দুগুলো পরপর যোগ করলে বর্গের চার কোণে চারটি সমকোণী ত্রিভুজ তৈরি হয়, যাদের প্রতিটির বাহু a ও b এবং অতিভুজ c।

প্রমাণ

ধাপ ১: চারটি ত্রিভুজই মূল ত্রিভুজ ABC-এর সর্বসম (বাহু-কোণ-বাহু উপপাদ্য অনুযায়ী, কারণ দুই বাহু a ও b এবং অন্তর্ভুক্ত কোণ সমকোণ)। তাই প্রত্যেকের অতিভুজ c।

ধাপ ২: ভিতরের চতুর্ভুজের চারটি বাহুই c। এর প্রতিটি কোণ = ১৮০° − (ত্রিভুজের দুই সূক্ষ্মকোণের যোগফল) = ১৮০° − ৯০° = ৯০°। সুতরাং ভিতরের চতুর্ভুজটি c বাহুবিশিষ্ট একটি বর্গ।

ধাপ ৩: বড় বর্গের ক্ষেত্রফল = (a + b)²। আবার একই ক্ষেত্রফল = ভিতরের বর্গ + চারটি ত্রিভুজ = c² + ৪ × ½ab = c² + 2ab।

ধাপ ৪: সুতরাং (a + b)² = c² + 2ab, বা a² + 2ab + b² = c² + 2ab, বা a² + b² = c²। অর্থাৎ AB² = BC² + AC²। (প্রমাণিত)

(a + b)² = c² + 4 · ½abএকই ক্ষেত্রফল দুইভাবে

a² + 2ab + b² = c² + 2abবিস্তার করে

a² + b² = c²দুই পাশ থেকে 2ab বাদ দিয়ে

প্রমাণ ২: ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফল দিয়ে (অষ্টম শ্রেণির বিকল্প প্রমাণ)

অষ্টম শ্রেণিতে আর বোর্ড পরীক্ষায় “বিকল্প প্রমাণ” হিসেবে এই পদ্ধতি খুব আসে। একটি সমকোণী ত্রিভুজ ABC নাও (∠B = সমকোণ, BC = a, AB = b, AC = c)। BC-কে বাড়িয়ে D পর্যন্ত নাও যেন CD = AB = b। D বিন্দুতে DE ⊥ BD আঁকো যেন DE = BC = a। এখন A, E যোগ করো।

তাহলে ABDE একটি ট্রাপিজিয়াম, কারণ AB আর DE দুটোই BD-এর উপর লম্ব, তাই সমান্তরাল। এর সমান্তরাল বাহু দুটি b ও a, আর উচ্চতা BD = a + b। ট্রাপিজিয়ামের ভিতরে তিনটি ত্রিভুজ: ΔABC, ΔCDE আর ΔACE। প্রথম দুটি সর্বসম (দুই বাহু আর অন্তর্ভুক্ত সমকোণ সমান), আর ∠ACE = ৯০° (কারণ ∠ACB + ∠ECD = ৯০°)।

এখন ক্ষেত্রফল মেলাও: ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফল = ½(a + b)(a + b)। তিন ত্রিভুজের যোগফল = ½ab + ½ab + ½c²। দুটো সমান করে দুই পাশ ২ দিয়ে গুণ করলে (a + b)² = 2ab + c², অর্থাৎ a² + b² = c²। মজার তথ্য: আমেরিকার বিংশতম প্রেসিডেন্ট জেমস গারফিল্ড এই প্রমাণটা বের করেছিলেন, তাই একে “গারফিল্ডের প্রমাণ”ও বলে।

½(a + b)² = ½ab + ½ab + ½c²ট্রাপিজিয়াম = তিন ত্রিভুজ

(a + b)² = 2ab + c²২ দিয়ে গুণ করে

প্রমাণ ৩: সদৃশ ত্রিভুজ দিয়ে (উচ্চতর শ্রেণির জন্য)

সমকোণী ত্রিভুজ ABC-তে (∠C = ৯০°) সমকোণের শীর্ষ C থেকে অতিভুজ AB-এর উপর লম্ব CD আঁকো। এতে বড় ত্রিভুজটা দুটি ছোট ত্রিভুজে ভাগ হয়, আর তিনটি ত্রিভুজই পরস্পর সদৃশ, কারণ প্রত্যেকের একটি কোণ সমকোণ আর একটি কোণ সাধারণ।

সদৃশতা থেকে AC² = AD · AB আর BC² = BD · AB। যোগ করলে AC² + BC² = AB(AD + BD) = AB · AB = AB²। এই প্রমাণ ভারতের NCERT বইয়ে মূল প্রমাণ হিসেবে আছে, আর আমাদের উচ্চতর গণিত ও জ্যামিতিতেও এর ধারণা কাজে লাগে।

বিপরীত উপপাদ্য: উল্টো দিক থেকেও কি সত্যি?

পিথাগোরাসের বিপরীত উপপাদ্য বলে: “কোনো ত্রিভুজের একটি বাহুর উপর অঙ্কিত বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল অপর দুই বাহুর উপর অঙ্কিত বর্গক্ষেত্রদ্বয়ের ক্ষেত্রফলের সমষ্টির সমান হলে, শেষোক্ত বাহুদ্বয়ের অন্তর্ভুক্ত কোণটি সমকোণ হবে।” মানে, শুধু তিনটি বাহু মেপে বলে দেওয়া যায় ত্রিভুজটা সমকোণী কিনা।

আরও মজা হলো, সমান না হলেও তথ্য পাওয়া যায়। যদি a² + b² > c² হয়, তাহলে c-এর বিপরীত কোণ ৯০°-এর চেয়ে ছোট, ত্রিভুজটি সূক্ষ্মকোণী। যদি a² + b² < c² হয়, কোণটি ৯০°-এর চেয়ে বড়, ত্রিভুজটি স্থূলকোণী। কেন? কোণ খুলে দিলে বিপরীত বাহু লম্বা হয়, কোণ বুজিয়ে দিলে ছোট হয়।

সিমুলেশনের “বিপরীত উপপাদ্য” মোডে ঠিক এটা দেখা যায়। C কোণ ১২০° করো: c বড় হয়ে যায়, আর ▶ চাপলে a² ও b²-এর পুরো পানি ঢেলেও c² ভরে না। কোণ ৬০° করো: c ছোট হয়, আর পানি উপচে পড়ে (লাল রং)। শুধু ঠিক ৯০°-তে পানি কানায় কানায় মেলে।

c² = a² + b² − 2ab·cos Cকোসাইন সূত্র (উচ্চতর গণিত); C = ৯০° হলে cos C = ০

পিথাগোরীয় ত্রয়ী: যেখানে তিনটি বাহুই পূর্ণসংখ্যা

বেশিরভাগ সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজ দশমিকে আসে, যেমন ভূমি ১ আর লম্ব ১ হলে অতিভুজ √২ ≈ ১.৪১৪। কিন্তু কিছু বিশেষ ত্রিভুজে তিনটি বাহুই পূর্ণসংখ্যা। এমন তিনটি সংখ্যাকে পিথাগোরীয় ত্রয়ী বলে। সবচেয়ে পরিচিত ৩, ৪, ৫।

কোনো ত্রয়ীকে যেকোনো পূর্ণসংখ্যা দিয়ে গুণ করলে আরেকটা ত্রয়ী পাওয়া যায়: ৩-৪-৫ থেকে ৬-৮-১০, ৯-১২-১৫, ১২-১৬-২০। নতুন ত্রয়ী বানানোর একটা সুন্দর সূত্রও আছে (ইউক্লিডের সূত্র): যেকোনো দুটি পূর্ণসংখ্যা m > n নাও, তাহলে m² − n², 2mn আর m² + n² সবসময় একটি ত্রয়ী। নিচের সারণির প্রতিটি সারি কোডে হিসাব করা, শেষ কলামে যাচাই।

(m² − n²)² + (2mn)² = (m² + n²)²ইউক্লিডের সূত্র, m > n > ০

m, na = m² − n²b = 2mnc = m² + n²a² + b² = c²?
২, ১৩৪৫২৫ = ২৫ ✓
৩, ২৫১২১৩১৬৯ = ১৬৯ ✓
৪, ১১৫৮১৭২৮৯ = ২৮৯ ✓
৪, ৩৭২৪২৫৬২৫ = ৬২৫ ✓
৫, ২২১২০২৯৮৪১ = ৮৪১ ✓
৫, ৪৯৪০৪১১,৬৮১ = ১,৬৮১ ✓
৬, ১৩৫১২৩৭১,৩৬৯ = ১,৩৬৯ ✓

দূরত্বের সূত্র আসলে পিথাগোরাসই

স্থানাঙ্ক জ্যামিতিতে দুটি বিন্দু (x₁, y₁) আর (x₂, y₂)-এর দূরত্বের সূত্র মুখস্থ করতে হয় না, পিথাগোরাস থেকে নিজেই বানিয়ে নেওয়া যায়। দুই বিন্দুর মাঝে আনুভূমিক দূরত্ব x₂ − x₁ আর উল্লম্ব দূরত্ব y₂ − y₁ একটা সমকোণী ত্রিভুজের ভূমি আর লম্ব। বিন্দু দুটির সরাসরি দূরত্ব হলো তার অতিভুজ।

এভাবে ভেক্টরের মান (|v| = √(x² + y²)), ত্রিমাত্রিক জগতে ঘনকের কর্ণ, এমনকি ত্রিকোণমিতির sin²θ + cos²θ = ১ সূত্রও আসলে পিথাগোরাসের উপপাদ্যের ছদ্মবেশ। তাই এই অধ্যায় ভালো বুঝলে উচ্চতর গণিত, পদার্থবিজ্ঞান আর ভর্তি পরীক্ষার অনেক অঙ্ক সহজ হয়ে যায়।

d = √[(x₂ − x₁)² + (y₂ − y₁)²]দুই বিন্দুর দূরত্ব

sin²θ + cos²θ = 1একক বৃত্তে পিথাগোরাস

সিমুলেশনে যা যা করে দেখবে

শুধু পড়ে গেলে উপপাদ্য মাথায় থাকে না; নিজে হাতে বদলে দেখলে থাকে। নিচের পরীক্ষাগুলো একে একে করে খাতায় ফলাফল লিখে রাখো।

  • a আর b দুটোই অর্ধেক করো: c-ও অর্ধেক হয়, কিন্তু তিনটি বর্গের ক্ষেত্রফল হয় এক-চতুর্থাংশ। দৈর্ঘ্য আর ক্ষেত্রফলের পার্থক্যটা খেয়াল করো।
  • a স্থির রেখে b বাড়াতে থাকো: c বাড়ে, কিন্তু কখনো a + b-এর সমান হয় না। ত্রিভুজের যেকোনো দুই বাহুর যোগফল তৃতীয় বাহুর চেয়ে বড়।
  • a = b করো (সমদ্বিবাহু সমকোণী ত্রিভুজ): অতিভুজ হয় a × √২, আর c² বর্গটা ঠিক দুটো ছোট বর্গের সমান।
  • “সাজিয়ে প্রমাণ” মোডে a আর b বদলে দেখো: যেকোনো মাপেই ফাঁকা অংশ দুই অবস্থায় সমান থাকে। একটা বিশেষ ত্রিভুজে কাজ করা মানে প্রমাণ নয়; সব ত্রিভুজে কাজ করলেই প্রমাণ।
  • “বিপরীত উপপাদ্য” মোডে কোণ C ধীরে ধীরে ৯০° পার করো আর “a² + b² − c²” পরিমাপটা দেখো: ধনাত্মক থেকে শূন্য হয়ে ঋণাত্মক হয়।

সমাধানসহ গাণিতিক উদাহরণ

প্রতিটি উদাহরণের সংখ্যা এই পাতার কোডে সূত্র দিয়ে হিসাব করা। নিজে খাতায় করে মিলিয়ে নাও।

উদাহরণ ১: ভূমি ৭ সেমি, লম্ব ৯ সেমি; অতিভুজ কত?

c² = ৭² + ৯² = ৪৯ + ৮১ = ১৩০। সুতরাং c = √১৩০ ≈ ১১.৪০ সেমি। এটা পূর্ণসংখ্যা নয়, তাই ৭, ৯ কোনো পিথাগোরীয় ত্রয়ীর অংশ নয়।

উদাহরণ ২: অতিভুজ ১৩ সেমি, একটি বাহু ৫ সেমি; অপর বাহু কত?

b² = c² − a² = ১৬৯ − ২৫ = ১৪৪, তাই b = ১২ সেমি। সাবধান: এখানে বর্গ বিয়োগ করতে হয়, যোগ নয়, কারণ খুঁজছি ছোট বাহু।

উদাহরণ ৩: ১০ মিটার লম্বা মই, গোড়া দেয়াল থেকে ২.৮ মিটার দূরে

মই হলো অতিভুজ (দেয়াল আর মাটি সমকোণ বানায়)। উচ্চতা h² = ১০০ − ৭.৮৪ = ৯২.১৬, তাই h ≈ ৯.৬০ মিটার।

এখন গোড়া পিছলে দেয়াল থেকে ৬ মিটার দূরে গেলে উচ্চতা হয় √(১০০ − ৩৬) = ৮.০০ মিটার, অর্থাৎ মইয়ের মাথা ১.৬০ মিটার নিচে নেমে গেল।

উদাহরণ ৪: টিভির পর্দা ৮৮.৬ সেমি চওড়া, ৪৯.৮ সেমি উঁচু; এটা কত ইঞ্চির টিভি?

কোনাকুনি² = ৭,৮৪৯.৯৬ + ২,৪৮০.০৪ = ১০,৩৩০.০০, তাই কোনাকুনি ≈ ১০১.৬৪ সেমি। ১ ইঞ্চি = ২.৫৪ সেমি, তাই ১০১.৬৪ ÷ ২.৫৪ ≈ ৪০ ইঞ্চি। দোকানে একেই “৪০ ইঞ্চি টিভি” বলে।

উদাহরণ ৫: ৬ সেমি বাহুর ঘনকের তলের কর্ণ ও ঘনকের কর্ণ

তলের কর্ণ = √(৬² + ৬²) = √৭২ ≈ ৮.৪৯ সেমি। এবার তলের কর্ণ আর খাড়া একটি ধার মিলে আরেকটা সমকোণী ত্রিভুজ: ঘনকের কর্ণ = √(৭২ + ৩৬) = √১০৮ ≈ ১০.৩৯ সেমি। অর্থাৎ পিথাগোরাস দুবার ব্যবহার করলেই ত্রিমাত্রিক দূরত্ব।

উদাহরণ ৬: m = ৫, n = ২ দিয়ে একটি পিথাগোরীয় ত্রয়ী বানাও

a = ৫² − ২² = ২১, b = ২ × ৫ × ২ = ২০, c = ৫² + ২² = ২৯। যাচাই: ৪৪১ + ৪০০ = ৮৪১ = ২৯²। সুতরাং ২১, ২০, ২৯ একটি ত্রয়ী।

উদাহরণ ৭: কোন ত্রিভুজ সমকোণী, সূক্ষ্মকোণী না স্থূলকোণী?

বাহু ৭, ২৪, ২৫: ৭² + ২৪² = ৬২৫ আর ২৫² = ৬২৫, তাই ত্রিভুজটি সমকোণী।

বাহু ৬, ৭, ৯: ৬² + ৭² = ৮৫ আর ৯² = ৮১, তাই ত্রিভুজটি সূক্ষ্মকোণী।

বাহু ৫, ৮, ১১: ৫² + ৮² = ৮৯ আর ১১² = ১২১, তাই ত্রিভুজটি স্থূলকোণী।

উদাহরণ ৮: (২, -১) ও (৭, ১১) বিন্দুর দূরত্ব

আনুভূমিক পার্থক্য ৫, উল্লম্ব পার্থক্য ১২। দূরত্ব = √(২৫ + ১৪৪) = ১৩ একক। খেয়াল করো, এটা ৫-১২-১৩ ত্রয়ী!

উদাহরণ ৯: সমদ্বিবাহু সমকোণী ত্রিভুজ আর সমবাহু ত্রিভুজের উচ্চতা

সমান দুই বাহু ৫ সেমি হলে অতিভুজ = ৫√২ ≈ ৭.০৭ সেমি। আর ১০ সেমি বাহুর সমবাহু ত্রিভুজের উচ্চতা নামালে ভূমি দুই ভাগ হয় (৫ + ৫), তাই উচ্চতা = √(১০² − ৫²) ≈ ৮.৬৬ সেমি।

উদাহরণ ১০: ১২ কিমি উত্তরে, তারপর ৯ কিমি পূর্বে গেলে শুরু থেকে কত দূরে?

উত্তর আর পূর্ব পরস্পর লম্ব, তাই দূরত্ব = √(১২² + ৯²) = ১৫ কিমি। একইভাবে ৪০ মি × ৩০ মি মাঠের কিনারা ধরে হাঁটলে ৭০ মি, কোনাকুনি গেলে ৫০ মি; শর্টকাটে ২০ মি বাঁচে।

যে ভুলগুলো সবাই করে

পরীক্ষায় নম্বর কাটে সূত্র না জানার জন্য না, এই ছোট ছোট ভুলের জন্য।

  • অতিভুজ না চিনে ভুল বাহুকে c ধরা। অতিভুজ সবসময় সমকোণের বিপরীতে এবং সবচেয়ে বড়; আগে সেটা চিহ্নিত করো।
  • c = a + b লিখে ফেলা। বর্গের যোগ আর বাহুর যোগ এক না: ৩ + ৪ = ৭ হলেও অতিভুজ ৫।
  • বর্গমূল নিতে ভুলে যাওয়া: c² = ২৫ পেয়ে উত্তর ২৫ লিখে দেওয়া। শেষ ধাপে √ নিতে হবে।
  • অ-সমকোণী ত্রিভুজে সূত্রটা খাটানো। শর্তই হলো একটা কোণ ঠিক ৯০°; নইলে কোসাইন সূত্র লাগে।
  • প্রমাণে যথার্থতা না লেখা। “কেন” লেখা ছাড়া ধাপগুলো পূর্ণ নম্বর পায় না।
  • এককের গোলমাল: এক বাহু সেমিতে, আরেকটা মিটারে রেখে হিসাব করা। আগে একক এক করো।

বাস্তব জীবনে পিথাগোরাস

স্থপতি আর রাজমিস্ত্রি ঘরের কোণ সমকোণ কিনা যাচাই করেন ৩-৪-৫ দিয়ে। জমি জরিপে কোনাকুনি দূরত্ব মাপা হয় এভাবে। মোবাইলের জিপিএস দুই স্থানের দূরত্ব বের করার সময় ছোট দূরত্বে কার্যত এই হিসাবই করে। কম্পিউটার গেমে দুটি চরিত্রের দূরত্ব, স্ক্রিনে মাউসের দূরত্ব, সবকিছুতে √(dx² + dy²)।

পদার্থবিজ্ঞানে দুটি লম্ব বেগ বা বলের লব্ধি বের করতে পিথাগোরাস লাগে: নদী পার হওয়া নৌকার প্রকৃত বেগ, প্রাসের যেকোনো মুহূর্তের বেগ। ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে এসি সার্কিটের ইম্পিডেন্সও একই সূত্রে আসে। তাই এটাকে শুধু জ্যামিতির একটা অধ্যায় ভাবলে ভুল হবে; এটা গণিতের সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত সূত্রগুলোর একটি।

পরীক্ষার কর্নার: অষ্টম শ্রেণি, এসএসসি ও এইচএসসি

অষ্টম শ্রেণির সৃজনশীলে সাধারণত (ক) অংশে অতিভুজ বা একটি বাহু নির্ণয়, (খ) অংশে পিথাগোরাসের উপপাদ্য প্রমাণ, আর (গ) অংশে বাস্তব সমস্যা (মই, খুঁটি, মাঠ) আসে। এসএসসি গণিতে উপপাদ্যটি প্রমাণসহ লেখা, বিপরীত উপপাদ্য, আর ত্রিভুজের প্রকার নির্ণয় গুরুত্বপূর্ণ।

এইচএসসি উচ্চতর গণিতে সরাসরি উপপাদ্য না এলেও দূরত্বের সূত্র, ভেক্টরের মান, ত্রিকোণমিতিক অভেদ আর কোসাইন সূত্রে এটা বারবার লাগে। বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার MCQ-তে পিথাগোরীয় ত্রয়ী চিনে ফেলতে পারলে অনেক সময় বাঁচে।

  • বিবৃতি হুবহু মুখস্থ রাখো: “সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজের উপর অঙ্কিত বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল …”
  • প্রমাণে চিত্র আঁকো, বিশেষ নির্বচন লেখো, অঙ্কনের প্রতিটি রেখা উল্লেখ করো।
  • অন্তত দুটি প্রমাণ (চার ত্রিভুজ ও ট্রাপিজিয়াম) লিখে অনুশীলন করো; প্রশ্নে “বিকল্প প্রমাণ” চাইতে পারে।
  • উত্তরে একক লিখতে ভুলো না, আর বর্গমূল দশমিকে এলে দুই ঘর পর্যন্ত লেখো।

এক নজরে পুনরালোচনা

পরীক্ষার আগের রাতে শুধু এই অংশটা পড়লেই পুরো অধ্যায় মনে পড়বে।

  • শর্ত: ত্রিভুজের একটি কোণ ৯০°।
  • সূত্র: অতিভুজ² = ভূমি² + লম্ব², c² = a² + b²।
  • অতিভুজ: c = √(a² + b²); বাহু: a = √(c² − b²)।
  • বিপরীত: a² + b² = c² হলে সমকোণী; > হলে সূক্ষ্মকোণী; < হলে স্থূলকোণী।
  • ত্রয়ী: ৩-৪-৫, ৫-১২-১৩, ৮-১৫-১৭, ৭-২৪-২৫; ইউক্লিড: m² − n², 2mn, m² + n²।
  • দূরত্ব: d = √[(x₂ − x₁)² + (y₂ − y₁)²]।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

পিথাগোরাসের উপপাদ্য কাকে বলে?

সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজের উপর অঙ্কিত বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল অপর দুই বাহুর উপর অঙ্কিত বর্গক্ষেত্রদ্বয়ের ক্ষেত্রফলের সমষ্টির সমান। একেই পিথাগোরাসের উপপাদ্য বলে; সংক্ষেপে c² = a² + b²।

পিথাগোরাসের সূত্র কী?

অতিভুজ² = ভূমি² + লম্ব², অর্থাৎ c² = a² + b²। অতিভুজ বের করতে c = √(a² + b²), আর একটি বাহু বের করতে a = √(c² − b²) ব্যবহার করা হয়।

পিথাগোরাসের উপপাদ্যের সহজ প্রমাণ কোনটি?

সবচেয়ে সহজ হলো (a + b) বাহুর বর্গের ভিতরে চারটি সর্বসম সমকোণী ত্রিভুজ সাজানোর প্রমাণ: বড় বর্গের ক্ষেত্রফল (a + b)² = c² + 2ab, সেখান থেকে a² + b² = c²। এই পাতার সিমুলেশনের “সাজিয়ে প্রমাণ” মোডে প্রমাণটি নড়তে দেখা যায়।

পিথাগোরাসের বিপরীত উপপাদ্য কী?

কোনো ত্রিভুজের একটি বাহুর বর্গ অপর দুই বাহুর বর্গের সমষ্টির সমান হলে শেষোক্ত দুই বাহুর অন্তর্ভুক্ত কোণটি সমকোণ। যেমন ৭, ২৪, ২৫ বাহুর ত্রিভুজ সমকোণী, কারণ ৪৯ + ৫৭৬ = ৬২৫।

পিথাগোরীয় ত্রয়ী কাকে বলে?

যে তিনটি ধনাত্মক পূর্ণসংখ্যা a, b, c এর জন্য a² + b² = c² সত্য, তাদের পিথাগোরীয় ত্রয়ী বলে, যেমন ৩-৪-৫ বা ৫-১২-১৩। যেকোনো m > n নিলে m² − n², 2mn, m² + n² একটি ত্রয়ী দেয়।

সব ত্রিভুজে কি পিথাগোরাসের সূত্র খাটে?

না, শুধু সমকোণী ত্রিভুজে। অন্য ত্রিভুজে কোসাইন সূত্র c² = a² + b² − 2ab·cos C লাগে। C = ৯০° হলে cos C = ০, তখন এটাই পিথাগোরাসের সূত্র হয়ে যায়।

অতিভুজ কীভাবে চিনব?

সমকোণের (৯০° কোণের) ঠিক বিপরীত দিকের বাহুটাই অতিভুজ। এটা সবসময় ত্রিভুজের সবচেয়ে বড় বাহু। চিত্রে ছোট বর্গ চিহ্ন দেওয়া কোণটা খুঁজে তার উল্টো দিকের বাহু নাও।

পিথাগোরাসের উপপাদ্য কোন শ্রেণিতে পড়ানো হয়?

বাংলাদেশে অষ্টম শ্রেণির গণিতে উপপাদ্যটি ও এর প্রয়োগ পড়ানো হয়, আর নবম-দশম শ্রেণির জ্যামিতিতে প্রমাণসহ আবার আসে। পরে উচ্চতর গণিত, পদার্থবিজ্ঞান ও ভর্তি পরীক্ষায় এর প্রয়োগ লাগে।

পিথাগোরাস কে ছিলেন?

পিথাগোরাস খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতকের একজন গ্রিক দার্শনিক ও গণিতবিদ। উপপাদ্যটি তাঁর নামে পরিচিত হলেও ব্যাবিলন, মিশর ও ভারতের প্রাচীন গণিতে এর ব্যবহার তাঁর আগেও ছিল; ভারতের বৌধায়ন শুল্বসূত্রে এর বিবরণ পাওয়া যায়।

এই বিষয়ের আরও পড়াশোনা

অ্যানিমেশনে ধারণা পরিষ্কার হলো, এবার পরীক্ষার প্রস্তুতি: সিলেবাস, সাজেশন, বই আর ভর্তি পরীক্ষার গাইড নিচে।

পাঠ্যবই

অষ্টম শ্রেণির গণিত বই

ভর্তি

গুচ্ছ (GST) বিজ্ঞান ইউনিট ভর্তি ২০২৬-২৭

SSC

এসএসসি গণিত: সিলেবাস ও প্রস্তুতি

SSC

এসএসসি উচ্চতর গণিত: সিলেবাস ও প্রস্তুতি

HSC

এইচএসসি উচ্চতর গণিত: সিলেবাস ও প্রস্তুতি

পাঠ্যবই

নবম-দশম শ্রেণির গণিত বই

পাঠ্যবই

নবম-দশম শ্রেণির উচ্চতর গণিত বই

ভর্তি

ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি

ভর্তি

জাবি গাণিতিক ও পদার্থবিষয়ক অনুষদ ভর্তি

English

Paragraph: Artificial Intelligence (ইংরেজিতে)

বাংলা

রচনা: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

SSC

এসএসসি সাজেশন

HSC

এইচএসসি সাজেশন

ভর্তি

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার গাইড

SSC

এসএসসি সিলেবাস

HSC

এইচএসসি সিলেবাস

টেস্ট

GRE Quantitative Reasoning guide (ইংরেজিতে)

টেস্ট

Digital SAT Math guide (ইংরেজিতে)

স্কলারশিপ

বিদেশে পড়াশোনার স্কলারশিপ

টুল

Compound interest calculator (ইংরেজিতে)

ক্যারিয়ার

Data scientist resume example (ইংরেজিতে)

ক্যারিয়ার

Cover letter examples (ইংরেজিতে)

আরও গণিত অ্যানিমেশন

SSC · HSC

ত্রিকোণমিতিক অনুপাত ও একক বৃত্ত

ত্রিকোণমিতিক অনুপাত কাকে বলে, sin cos tan-এর মান ০° থেকে ৩৬০°, আদর্শ কোণের টেবিল, চতুর্ভাগের চিহ্ন ও সূত্র: একক বৃত্তে বিন্দু ঘুরিয়ে নিজে দেখো, সমাধানসহ।

SSC · HSC

দ্বিঘাত সমীকরণ ও দ্বিঘাত ফাংশনের লেখচিত্র

দ্বিঘাত সমীকরণ কাকে বলে, উৎপাদক ও বর্গপূর্ণকরণ পদ্ধতি, শ্রীধর আচার্যের সূত্র, নিশ্চায়ক দিয়ে মূলের প্রকৃতি, শীর্ষবিন্দু ও পরাবৃত্তের লেখচিত্র অ্যানিমেশনে।

SSC

বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য

বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য সহজে: কেন্দ্রস্থ ও বৃত্তস্থ কোণ, অর্ধবৃত্তস্থ কোণ, বৃত্তীয় চতুর্ভুজ, জ্যা ও স্পর্শক। SSC-র প্রমাণ আর সমাধানসহ অঙ্ক, বিন্দু টেনে নিজে দেখো।

SSC

দূরত্ব ও উচ্চতা: উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ

উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ কাকে বলে, দূরত্ব ও উচ্চতার সূত্র কীভাবে কাজ করে, আর দুই দফা পর্যবেক্ষণে না মেপেই টাওয়ারের উচ্চতা বের করা যায় কীভাবে — ইন্টারঅ্যাকটিভ সিমুলেশন ও সমাধানসহ।

SSC

সম্ভাবনা: পরীক্ষালব্ধ বনাম তাত্ত্বিক সম্ভাবনা

সম্ভাবনা কাকে বলে, নমুনা ক্ষেত্র ও সম্ভাবনার সূত্র P(E) = n(E)/n(S) কীভাবে কাজ করে, আর বহুবার নিক্ষেপ করলে পরীক্ষালব্ধ হার কীভাবে তাত্ত্বিক সম্ভাবনার কাছাকাছি চলে আসে — মুদ্রা, ছক্কা, দুই ছক্কা ও রঙিন বল দিয়ে ইন্টারঅ্যাকটিভ সিমুলেশন ও সমাধান করা অঙ্কসহ।

SSC · HSC

সমান্তর ও গুণোত্তর ধারা

সমান্তর ধারা ও গুণোত্তর ধারার n-তম পদ ও যোগফল সূত্র, গাউসের জোড়া বাঁধার কৌশল আর অসীম ধারার সূত্র a/(1−r): বার-চার্ট অ্যানিমেশনে নিজে টেনে দেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।

SSC

গড়, মধ্যক ও প্রচুরক

গড়, মধ্যক ও প্রচুরক নির্ণয়ের সূত্র, আউটলায়ারে মধ্যক কেন অটুট থাকে, আর শ্রেণিবদ্ধ উপাত্তের মধ্যক-প্রচুরক সূত্র: বিন্দু টেনে সংখ্যা রেখায় নিজে দেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।

Class 9 · SSC

সেট ও ভেনচিত্র

সংযোগ সেট, ছেদ সেট, অন্তর সেট, পূরক সেট আর ডি মরগানের সূত্র ভেনচিত্রে হাতে-কলমে দেখো: অঞ্চল রাঙাও, সংখ্যা বসাও, n(A ∪ B) সূত্র যাচাই করো, সমাধান করা অঙ্কসহ।

Class 8 · SSC

সরল সহসমীকরণ ও সরলরেখার লেখচিত্র

ঢাল, ছেদক ও ছেদবিন্দু অ্যানিমেশনে দেখো। দুটি সরল সমীকরণ লেখচিত্রে এঁকে সমাধান করো, সমঞ্জস-অসমঞ্জস চেনো এবং অনুপাত পরীক্ষা কষে নাও, SSC-র ধাঁচে।

SSC · HSC

sin, cos, tan-এর লেখচিত্র

y = A sin(Bx + C) + D আঁকো স্লাইডার টেনে: বিস্তার, পর্যায়কাল, দশা সরণ, মানের পরিসর আর tan-এর অসীমতট নিজে দেখো। সমাধানসহ ত্রিকোণমিতিক লেখচিত্র।

Class 9 · SSC

পূর্ণবর্গ পদ্ধতি ও দ্বিঘাত সমীকরণের সমাধান

টালি সাজিয়ে পূর্ণবর্গ পদ্ধতি দেখো, দ্বিঘাত সমীকরণের মূল ও শীর্ষবিন্দু বের করো এবং সূত্রটা কেন কাজ করে বুঝে নাও। অ্যানিমেশন ও সমাধানসহ।

Class 8 · SSC

বৃত্তের ক্ষেত্রফল: সূত্র, প্রমাণ ও সমাধান

বৃত্তকে টুকরো করে সাজিয়ে আয়তক্ষেত্র বানাও আর দেখো ক্ষেত্রফল কীভাবে πr² হয়। পরিধি, পাই, বৃত্তকলা, বৃত্তচাপ ও সমাধানসহ ফ্রি ইন্টারঅ্যাকটিভ সিমুলেশন।

Class 8 · SSC

ঘনবস্তুর আয়তন ও তলের ক্ষেত্রফল: ঘনক, আয়তঘন, বেলন, কোণক, গোলক

ছয়টি ঘনবস্তু ৩ডি-তে ঘোরাও, জাল খুলে দেখো আর কোণকের পানি বেলনে ঢেলে বোঝো কেন ঠিক তিন বারে ভরে। আয়তন, বক্রতল ও সমগ্রতলের সূত্র আর সমাধানসহ বিনামূল্যের সিমুলেশন।

Class 9 · SSC

সদৃশ ত্রিভুজ: স্কেল ফ্যাক্টর, AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়া থেকে উচ্চতা

স্লাইডার টেনে ত্রিভুজকে বড়-ছোট করো আর দেখো কোণ সমান থাকে, বাহুর অনুপাত k থাকে, ক্ষেত্রফল k² গুণ হয়। সদৃশতার AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়ার অঙ্কসহ বিনামূল্যের সিমুলেশন।

Class 9 · SSC

স্থানাঙ্ক জ্যামিতি: দূরত্ব, মধ্যবিন্দু, ঢাল, বিভক্তিকরণ সূত্র ও সঞ্চারপথ

গ্রিডে বিন্দু টেনে দেখো দূরত্বের সূত্র, মধ্যবিন্দু, ঢাল আর বিভক্তিকরণ সূত্র কীভাবে বদলায়। লম্বসমদ্বিখণ্ডক সঞ্চারপথ ও সমাধান করা অঙ্কসহ বিনামূল্যের সিমুলেশন।

HSC

শাঙ্কব ছেদ: বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত ও অধিবৃত্ত

দ্বিশঙ্কুর মধ্য দিয়ে তল কাত করে দেখো বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত আর অধিবৃত্ত কীভাবে তৈরি হয়। সমীকরণ, ফোকাস ও উৎকেন্দ্রিকতাসহ বিনামূল্যের সিমুলেশন ও সমাধান করা অঙ্ক।

Class 9 · SSC

ফাংশনের রূপান্তর: সরানো, টানা ও উল্টানো

x², |x|, √x, sin x বা 2^x বেছে a, b, h, k স্লাইডার নাড়াও। দেখো লেখচিত্র কীভাবে সরে, টানে, চাপে আর উল্টে যায়, পেছনে ফিকে মূল লেখচিত্রসহ। বিনামূল্যের সিমুলেশন ও সমাধান করা অঙ্ক।

HSC

অন্তরীকরণ: স্পর্শকের ঢাল ও ছেদক থেকে স্পর্শক

x², x³, sin x, eˣ বা 1/x বক্ররেখায় P বিন্দু টানো আর ব্যবধান h শূন্যের দিকে কমাও। ছেদক কীভাবে স্পর্শক হয় আর তার ঢাল কীভাবে অন্তরজ হয় তা দেখো। নিচে অন্তরজের লেখচিত্রও আছে। বিনামূল্যে সিমুলেশন।

HSC

রিম্যান যোগফল ও সমাকলন: বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফল

x², x³, sin x, eˣ বা √x বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফলকে ১০০টি পর্যন্ত ফালিতে ভাগ করো, বাঁ, ডান, মধ্যবিন্দু ও ট্রাপিজিয়াম যোগফলকে সঠিক সমাকলনের সঙ্গে মেলাও। ভুল কমতে দেখো। বিনামূল্যে সিমুলেশন।

HSC

সীমা ও ε–δ সংজ্ঞা: ছবিতে বোঝা

ε–δ সংজ্ঞায় সীমা চোখে দেখো। ফাংশন বেছে ε ছোট করো, δ ব্যান্ড কীভাবে সরু হয় দেখো। বাম-ডান সীমা, গর্ত, sin x / x আর লাফ, যেখানে কোনো δ কাজ করে না। বিনামূল্যে সিমুলেশন।

HSC

ত্রিমাত্রিক ভেক্টর: যোগ, ডট গুণ ও ক্রস গুণ

দুটি ত্রিমাত্রিক ভেক্টর টেনে ঘুরিয়ে দেখো। যোগফল সামান্তরিক হয়ে, ডট গুণ ছায়া ও কোণ হয়ে, আর ক্রস গুণ লম্ব তীর হয়ে ধরা দেবে, যার দৈর্ঘ্য ক্ষেত্রফল। বিনামূল্যে সিমুলেশন।

HSC

ম্যাট্রিক্স রূপান্তর: ঘূর্ণন, প্রতিফলন, শিয়ার ও নির্ণায়ক

২×২ ম্যাট্রিক্স বদলে দেখো ছক, একক বর্গ আর একটা F-আকৃতি কীভাবে নড়ে। î আর ĵ কোথায় যায়, নির্ণায়ক কীভাবে চিহ্নযুক্ত ক্ষেত্রফল, আর বিপরীত ম্যাট্রিক্স। বিনামূল্যে সিমুলেশন।

HSC

জটিল সংখ্যা: আরগান্ড সমতলে যোগ, গুণ, ঘাত ও মূল

আরগান্ড সমতলে দুটি জটিল সংখ্যা টেনে সরাও। যোগফল সামান্তরিক হয়ে, গুণফল ঘূর্ণন ও টান হয়ে, অনুবন্ধী, ঘাত সর্পিল হয়ে এবং এককের মূল ধরা দেবে। বিনামূল্যে সিমুলেশন।

SSC · HSC

বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি: স্থানীয় মান, রূপান্তর ও যোগ

বিট উল্টে দেখো দশমিক, বাইনারি, অক্টাল ও হেক্সা একসাথে বদলায়। ২ দিয়ে ভাগ, ৩-৪ বিটের গ্রুপ আর ক্যারিসহ বাইনারি যোগ হাতে-কলমে। বিনা মূল্যে, সমাধান করা অঙ্কসহ।

অন্য বিষয়ের অ্যানিমেশন

পদার্থবিজ্ঞান

আলোর প্রতিসরণ

পদার্থবিজ্ঞান

ওহমের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

প্রাসের গতি

পদার্থবিজ্ঞান

সরল দোলক

পদার্থবিজ্ঞান

তড়িৎ ক্ষেত্র

পদার্থবিজ্ঞান

তরঙ্গের ব্যতিচার

পদার্থবিজ্ঞান

পড়ন্ত বস্তু ও পড়ন্ত বস্তুর সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

লেন্সে প্রতিবিম্ব গঠন

পদার্থবিজ্ঞান

নিউটনের গতির সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

গোলীয় দর্পণে প্রতিবিম্ব গঠন

পদার্থবিজ্ঞান

তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ ও ফ্যারাডের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

ভরবেগের সংরক্ষণ ও সংঘর্ষ

পদার্থবিজ্ঞান

কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি

পদার্থবিজ্ঞান

নততল

পদার্থবিজ্ঞান

বৃত্তাকার গতি

পদার্থবিজ্ঞান

অনুপ্রস্থ ও অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ

পদার্থবিজ্ঞান

লিভার ও ভ্রামক

পদার্থবিজ্ঞান

ভরকেন্দ্র

পদার্থবিজ্ঞান

স্প্রিং-ভর ও সরল ছন্দিত স্পন্দন

পদার্থবিজ্ঞান

ভেক্টর যোগ: ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

আপেক্ষিক বেগ: ট্রেন ও নদী পারাপার

পদার্থবিজ্ঞান

কেপলারের সূত্র ও উপবৃত্তাকার কক্ষপথ

পদার্থবিজ্ঞান

নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র, g ও কৃত্রিম উপগ্রহ

পদার্থবিজ্ঞান

তার ও নলে স্থির তরঙ্গ

পদার্থবিজ্ঞান

অনুনাদ নল ও শব্দের দ্রুতি

পদার্থবিজ্ঞান

স্বরকম্প: কাছাকাছি দুই সুরের স্পন্দন

পদার্থবিজ্ঞান

ডপলার প্রভাব: চলমান উৎস, চলমান শ্রোতা ও সনিক বুম

পদার্থবিজ্ঞান

প্রিজম, আলোর বিচ্ছুরণ ও রামধনু

পদার্থবিজ্ঞান

কির্শফের সূত্র: সংযোগ সূত্র ও বদ্ধ পথ সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

হুইটস্টোন ব্রিজ ও মিটার ব্রিজ

পদার্থবিজ্ঞান

একক চিড়ে অপবর্তন

পদার্থবিজ্ঞান

চোখের ত্রুটি ও তার প্রতিকার

পদার্থবিজ্ঞান

আলোর সমবর্তন: ম্যালাসের সূত্র ও ব্রুস্টারের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

ক্যাপাসিটরের আহিতকরণ ও নিরাহিতকরণ: আরসি সময় ধ্রুবক

পদার্থবিজ্ঞান

চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা: দণ্ডচুম্বক, তড়িৎবাহী সরল তার ও সলিনয়েড

পদার্থবিজ্ঞান

এসি জেনারেটর

পদার্থবিজ্ঞান

ট্রান্সফর্মার

পদার্থবিজ্ঞান

তাপের সঞ্চালন: পরিবহন, পরিচলন ও বিকিরণ

পদার্থবিজ্ঞান

আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া: আইনস্টাইনের সমীকরণ ও নিবৃত্তি বিভব

পদার্থবিজ্ঞান

মোটর ক্রিয়া: তড়িৎবাহী তারের ওপর বল ও ডিসি মোটর

পদার্থবিজ্ঞান

গ্যাসের অণু ও গতিতত্ত্ব: চাপ, তাপমাত্রা ও দ্রুতি

পদার্থবিজ্ঞান

অর্ধপরিবাহী ডায়োড: p–n সন্ধি, I–V বক্ররেখা ও রেক্টিফায়ার

পদার্থবিজ্ঞান

তেজস্ক্রিয় ক্ষয়: অর্ধায়ু, ক্ষয় সূত্র ও বিকিরণের ভেদন ক্ষমতা

পদার্থবিজ্ঞান

বোর পরমাণু মডেল: কক্ষপথ, শক্তিস্তর ও হাইড্রোজেনের বর্ণালি

রসায়ন

পরমাণুর গঠন

রসায়ন

এসিড, ক্ষারক ও pH স্কেল

রসায়ন

ইলেকট্রন বিন্যাস

রসায়ন

গ্যাসের সূত্র: বয়েল, চার্লস ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ

রসায়ন

আয়নিক বন্ধন কীভাবে গঠিত হয়

রসায়ন

তড়িৎ বিশ্লেষণ ও ফ্যারাডের সূত্র

রসায়ন

সমযোজী বন্ধন

রসায়ন

পর্যায়বৃত্ত ধর্ম

রসায়ন

বিক্রিয়ার হার ও সংঘর্ষ তত্ত্ব

রসায়ন

পদার্থের অবস্থা: কঠিন, তরল, গ্যাসীয় ও তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র

রসায়ন

পরমাণুর অরবিটাল: s, p, d-এর আকৃতি, কোয়ান্টাম সংখ্যা ও নোড

রসায়ন

আণবিক আকৃতি ও ভিএসইপিআর তত্ত্ব: বন্ধন জোড়, মুক্তজোড় ও বন্ধন কোণ

রসায়ন

মোল ধারণা: মোলার ভর, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা ও মোলার আয়তন

রসায়ন

ব্যাপন ও নিঃসরণ: গ্রাহামের সূত্র

রসায়ন

রাসায়নিক সমীকরণ সমতাকরণ: পদ্ধতি, উদাহরণ ও অনুশীলন

রসায়ন

রাসায়নিক সাম্যাবস্থা: সাম্যধ্রুবক Kc ও লা শাতেলিয়ের নীতি

রসায়ন

টাইট্রেশন: অম্ল-ক্ষারের ঘনমাত্রা বের করার পদ্ধতি

রসায়ন

গ্যালভানিক কোষ: ড্যানিয়েল কোষ, EMF ও নার্নস্ট সমীকরণ

রসায়ন

জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া: জারণ সংখ্যা, ইলেকট্রন স্থানান্তর ও অর্ধ-সমীকরণ

রসায়ন

হাইড্রোকার্বন: অ্যালকেন, অ্যালকিন, অ্যালকাইন ও কাঠামোগত সমাণু ত্রিমাত্রায়

রসায়ন

কার্যকরী মূলক: অ্যালকোহল, অ্যালডিহাইড, কিটোন, অ্যাসিড, এস্টার ও অ্যামিন

রসায়ন

পলিমারকরণ: যোজন ও ঘনীভবন পলিমার, পলিথিন ও নাইলন

রসায়ন

মিশ্রণ আলাদা করার পদ্ধতি: ছাঁকন, পাতন, ক্রোমাটোগ্রাফি, স্ফটিকীকরণ

রসায়ন

কেলাস জালক: SC, BCC ও FCC একক কোষ, প্যাকিং দক্ষতা ও ঘনত্ব

রসায়ন

তেজস্ক্রিয়তা: আলফা, বিটা, গামা ক্ষয় ও অর্ধায়ু

জীববিজ্ঞান

মাইটোসিস কোষ বিভাজন

জীববিজ্ঞান

ব্যাপন ও অভিস্রবণ

জীববিজ্ঞান

সালোকসংশ্লেষণ

জীববিজ্ঞান

মানব হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কাজ

জীববিজ্ঞান

মেন্ডেলের বংশগতি সূত্র

জীববিজ্ঞান

ডিএনএ রেপ্লিকেশন

জীববিজ্ঞান

কোষীয় শ্বসন

জীববিজ্ঞান

এনজাইম ক্রিয়া

জীববিজ্ঞান

স্নায়ু উদ্দীপনার পরিবহন ও অ্যাকশন পটেনশিয়াল

জীববিজ্ঞান

নেফ্রন ও মূত্র তৈরির প্রক্রিয়া

জীববিজ্ঞান

মিয়োসিস কোষ বিভাজন

জীববিজ্ঞান

পরিপাকতন্ত্র

জীববিজ্ঞান

শ্বাসক্রিয়ার কৌশল: প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস

জীববিজ্ঞান

প্রোটিন সংশ্লেষণ

জীববিজ্ঞান

রক্ত সংবহন: দ্বি-সংবহন ও কার্ডিয়াক আউটপুট

জীববিজ্ঞান

কোষের গঠন ও অঙ্গাণু: উদ্ভিদ কোষ বনাম প্রাণী কোষ

জীববিজ্ঞান

প্রতিবর্ত ক্রিয়া ও প্রতিবর্ত চাপ

জীববিজ্ঞান

মানুষের চোখ: গঠন, প্রতিবিম্ব ও উপযোজন

জীববিজ্ঞান

পেশি সংকোচন ও স্লাইডিং ফিলামেন্ট মডেল

জীববিজ্ঞান

উদ্ভিদে পরিবহন: জাইলেম, ফ্লোয়েম ও বাষ্পমোচন

জীববিজ্ঞান

খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজাল: শক্তির প্রবাহ ও ১০ % নিয়ম

জীববিজ্ঞান

জনসংখ্যা বৃদ্ধি: সূচকীয় ও লজিস্টিক রেখা

জীববিজ্ঞান

প্রাকৃতিক নির্বাচন: পেপার্ড মথ ও কালিঝুলি মাখা গাছ

জীববিজ্ঞান

রোগপ্রতিরোধ: প্রাথমিক ও গৌণ অ্যান্টিবডি সাড়া

জীববিজ্ঞান

পরাগায়ন ও নিষেক