মূলপাতা
লগইন

Color

Indigo
Red
Green
Teal
Blue
Purple
Rose

Mode

Light
EN

আমরা শ্বাস নিই কীভাবে: মধ্যচ্ছদা, পাঁজর আর চাপের খেলা

শ্বাসক্রিয়া হলো ফুসফুসে বাতাস ঢোকানো ও বের করার যান্ত্রিক প্রক্রিয়া। মধ্যচ্ছদা চ্যাপ্টা হয়, পাঁজর ওপরে ওঠে, বক্ষগহ্বরের আয়তন বাড়ে, ভেতরের চাপ বায়ুমণ্ডলের চেয়ে কমে যায় আর বাইরের বাতাস ভেতরে ঢোকে। মিনিটে ১৫ বার, প্রতিবার ৫০০ mL ধরলে মিনিটে ৭.৫ লিটার বাতাস ওঠানামা করে।

নড়াচড়া বাড়িয়ে দেখানো; সংখ্যাগুলো পাঠ্যবইয়ের আনুমানিক মান।

সংকুচিত পেশিবাতাসের প্রবাহঅক্সিজেন (O₂)কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO₂)অক্সিজেনহীন রক্তঅক্সিজেনযুক্ত রক্ত
গতি

নিয়ন্ত্রণ

১৫ বার/মিনিট
৫০০ mL

কাজের ধরন

মডেল

পরিমাপ

শ্বাসের হার
১৫বার/মিনিট
গভীরতা (টাইডাল ভলিউম)
৫০০mL
মিনিট ভেন্টিলেশন = হার × টাইডাল ভলিউম
৭.৫০L/min
এখনকার দশা
প্রশ্বাস (শ্বাস নেওয়া)
ফুসফুসের চাপ (বায়ুমণ্ডলের তুলনায়)
০.০০mm Hg
স্বাভাবিক স্তরের ওপরে ফুসফুসে বায়ু
০mL
প্রতি শ্বাসে শোষিত O₂ (প্রায়)
২৫.০mL
প্রতি শ্বাসে নির্গত CO₂ (প্রায়)
১৯.৮mL

সিমুলেশনটি কীভাবে ব্যবহার করবে

  1. চালু করে একটি পুরো শ্বাস লক্ষ করো: মধ্যচ্ছদা লাল হয়ে চ্যাপ্টা হয়, পাঁজর ওপরে-বাইরে সরে, চাপমাপকের কাঁটা বায়ুমণ্ডলের নিচে নামে আর শ্বাসনালি বেয়ে বাতাসের বিন্দু নামতে থাকে। সব শিথিল হলে চাপ বায়ুমণ্ডলের ওপরে ওঠে আর বাতাস বেরিয়ে যায়।
  2. স্পাইরোমিটার রেখা দেখো। প্রতিটি ঢেউ একটি শ্বাস, আর ড্যাশ দেওয়া রেখাটি টাইডাল ভলিউম, অর্থাৎ ঢেউয়ের উচ্চতা।
  3. বড় করে দেখানো বায়ুথলিতে লক্ষ করো: অক্সিজেন (সবুজ) পাতলা প্রাচীর পেরিয়ে রক্তে যায়, কার্বন ডাই-অক্সাইড (হলুদ-কমলা) উল্টো পথে বেরিয়ে আসে।
  4. শ্বাসের হার আর গভীরতার স্লাইডার নাড়িয়ে মিনিট ভেন্টিলেশন, অর্থাৎ হার × টাইডাল ভলিউমের পরিবর্তন দেখো।
  5. “ব্যায়ামে” বেছে নিলে দ্রুত ও গভীর শ্বাস আর নিঃশ্বাসেও পেশির কাজ দেখা যাবে। তারপর মডেলটি বেল জারে বদলে বুকের সাথে মিলিয়ে নাও।

এক মিনিট নিজের শ্বাস গুনে দেখো

চুপ করে বসো, ঘড়ির দিকে তাকাও আর এক মিনিটে তোমার বুক কতবার ওঠানামা করে গুনে ফেলো। শ্বাস নিয়ন্ত্রণ করতে যেয়ো না, মন দিলেই গতি বদলে যায়; পারলে বন্ধুকে দিয়ে গোনাও। বিশ্রামে বেশির ভাগ মানুষের সংখ্যা ১২ থেকে ১৮-র মধ্যে থাকে। তুমি এইমাত্র নিজের শ্বাসের হার মেপে ফেললে।

এবার একটু হিসাব। মিনিটে ১৫ বার শ্বাস নিলে আর প্রতিবারে প্রায় ৫০০ mL বাতাস ওঠানামা করলে মিনিটে ৭.৫ লিটার বাতাস ফুসফুসে ঢোকে-বেরোয়। একটি শ্বাস নিতে সময় লাগে প্রায় ৪ সেকেন্ড: ২ সেকেন্ড ভেতরে, ২ সেকেন্ড বাইরে। দিনে হয় প্রায় ২১,৬০০ বার শ্বাস আর ১০,৮০০ লিটার বাতাস, অথচ একবারও তুমি সিদ্ধান্ত নাওনি। মস্তিষ্ক পেছনে বসে হৃৎস্পন্দনের মতোই কাজটা চালিয়ে যাচ্ছে।

এই পাতায় দেখব এটা কীভাবে হয়। আশ্চর্যের কথা, ফুসফুসের নিজের কোনো পেশি নেই। সে নিজে বাতাস টেনে নিতে পারে না। আসলে একটা যান্ত্রিক কৌশল কাজ করে: পেশি ফুসফুসের বাক্সটার আকার বদলায়, আর বাতাস চাপের পেছনে পেছনে ছোটে। কৌশলটা বুঝে গেলে এই অধ্যায়ের প্রশ্নগুলো “এরপর কী ঘটে?” ধরনের ছোট একটা শিকলে দাঁড়িয়ে যায়।

শ্বাসক্রিয়া আর শ্বসন এক জিনিস নয়

পাঠ্যবইয়ে দুটো কাছাকাছি শব্দ আছে, আর এ অধ্যায়ে নম্বর হারানোর সবচেয়ে সাধারণ কারণ হলো দুটোকে গুলিয়ে ফেলা।

শ্বাসক্রিয়া (ইংরেজিতে ব্রিদিং বা ভেন্টিলেশন) হলো ফুসফুসে বাতাস ঢোকানো-বের করার ভৌত প্রক্রিয়া। এটা পেশি আর হাড়ের যান্ত্রিক কাজ, এই অ্যানিমেশনে ঠিক এটাই দেখানো হয়েছে। শ্বসন (রেসপিরেশন) হলো প্রতিটি জীবিত কোষের ভেতরে ঘটা রাসায়নিক প্রক্রিয়া, যেখানে অক্সিজেন দিয়ে গ্লুকোজ ভেঙে কোষের জন্য শক্তি তৈরি হয়। শ্বাসক্রিয়া অক্সিজেনকে রক্তে পৌঁছে দেয় আর কার্বন ডাই-অক্সাইডকে বের করে দেয়; শ্বসনের জন্যই দেহের অক্সিজেন দরকার।

C₆H₁₂O₆ + 6O₂ → 6CO₂ + 6H₂O + শক্তি (ATP)কোষীয় শ্বসন, মাইটোকন্ড্রিয়ায়

শ্বাসক্রিয়াশ্বসন (কোষীয়)
কীফুসফুসে বাতাস ঢোকা ও বেরোনোগ্লুকোজ ভেঙে শক্তি তৈরি
প্রকৃতিভৌত, যান্ত্রিকরাসায়নিক, উৎসেচক-নিয়ন্ত্রিত
কোথায় ঘটেনাক, শ্বাসনালি, ফুসফুস, বক্ষপ্রাচীরপ্রতিটি কোষে (মাইটোকন্ড্রিয়ায়)
শক্তিসামান্য শক্তি খরচ হয় (পেশির কাজ)শক্তি (ATP) মুক্ত হয়
ফুসফুস লাগে?মানুষের ক্ষেত্রে হ্যাঁনা: উদ্ভিদ, ইস্ট, ব্যাকটেরিয়াও শ্বসন করে

বাতাসের পথ: নাকের ফুটো থেকে বায়ুথলি

বাতাস একটা নির্দিষ্ট পথে যায়। নাকের ছিদ্র (বা মুখ) দিয়ে ঢুকে গলা আর স্বরযন্ত্র পেরিয়ে নেমে যায় শ্বাসনালি দিয়ে। শ্বাসনালি তরুণাস্থির C-আকৃতির আংটি দিয়ে খোলা থাকে, তাই ভেতরের চাপ কমলেও চুপসে যায় না। গলার সামনে আলতো চাপ দিলে এই আংটির আভাস পাবে।

নিচের দিকে শ্বাসনালি দুই ভাগ হয়ে দুটি ক্লোমশাখা (ব্রঙ্কাস) তৈরি করে, প্রতি ফুসফুসের জন্য একটি। প্রতিটি ক্লোমশাখা বারবার ভাগ হয়ে ক্রমশ সরু নালি, ক্ষুদ্র ক্লোমশাখায় (ব্রঙ্কিওল) পরিণত হয়, দেখতে উল্টো করে রাখা গাছের মতো। সবচেয়ে সরু নালিগুলোর মাথায় থাকে আঙুরের থোকার মতো ছোট ছোট বায়ুথলি, অ্যালভিওলাস। এগুলোর সংখ্যা কোটি কোটি, আর রক্ত আসলে বাতাসের সাথে দেখা করে এখানেই।

নাক আর শ্বাসনালির আস্তরণ আরেকটি কাজ করে। লোম আর আঠালো শ্লেষ্মা ধুলো ও জীবাণু আটকে রাখে, আর সূক্ষ্ম চুলের মতো সিলিয়া শ্লেষ্মাকে গলার দিকে ঠেলে দেয়, যেন তা গিলে ফেলা বা কেশে ফেলা যায়। পথে বাতাস গরম ও ভেজা হয়, ফলে কোমল বায়ুথলি পরিষ্কার, উষ্ণ, আর্দ্র বাতাস পায়।

  • নাকের ছিদ্র: লোম ও শ্লেষ্মায় ছেঁকে নেয়, বাতাস গরম ও আর্দ্র করে।
  • শ্বাসনালি: তরুণাস্থির আংটিতে খোলা থাকা নল, ভেতরে সিলিয়া।
  • ক্লোমশাখা: দুটি শাখা, প্রতি ফুসফুসে একটি।
  • ক্ষুদ্র ক্লোমশাখা: ক্রমশ সরু শাখা।
  • বায়ুথলি: পাতলা প্রাচীরের থলি, যেখানে গ্যাসীয় বিনিময় ঘটে।

চলমান তলাওয়ালা একটি বাক্স: বক্ষগহ্বর

বক্ষগহ্বরকে একটা বাক্স ভাবো। পেছনের দেয়াল মেরুদণ্ড, সামনের দেয়াল বক্ষাস্থি (স্টার্নাম)। দুই পাশ তৈরি পর্শুকা বা পাঁজরের হাড়ে: বারো জোড়া বাঁকা হাড়, পেছনে মেরুদণ্ডের সাথে যুক্ত আর বেশির ভাগই সামনে বক্ষাস্থির সাথে। ছাদ গলার গোড়ায়। আর মেঝেটা গম্বুজের মতো উঁচু একটি পেশির পর্দা, মধ্যচ্ছদা, যা বুককে পেট থেকে আলাদা করে। ছবি পরিষ্কার রাখতে সিমুলেশনে ছয় জোড়া পাঁজর আঁকা হয়েছে।

পাশাপাশি দুটি পাঁজরের মাঝে পাতলা দুই স্তরের পেশি থাকে: আন্তঃপর্শুকা পেশি (আন্তঃ = মাঝে, পর্শুকা = পাঁজর)। বহিঃ আন্তঃপর্শুকা পেশির তন্তু নিচের দিকে সামনের পানে ঢালু, প্যান্টের পকেটে হাত ঢোকালে আঙুল যেদিকে যায় সেদিকে। অন্তঃ আন্তঃপর্শুকা পেশি তার নিচে, উল্টো ঢালে, ফলে দুই স্তর মিলে কাঁচির ফলার মতো ক্রস তৈরি হয়। বহিঃ পেশি সংকুচিত হলে প্রতিটি পাঁজর ওপরের পাঁজরের দিকে উঠে আসে, আর ওপরের পাঁজর স্থির থাকে বলে পুরো খাঁচাটা ওপরে-বাইরে দোলে। সিমুলেশনে পাঁজরের মাঝে লাল X চিহ্নগুলো খেয়াল করো।

ফুসফুস এই বাক্সের ভেতরে দুই স্তরের পর্দা, ফুসফুসাবরণী (প্লুরা), দিয়ে মোড়া। দুই স্তরের মাঝে সামান্য তরল থাকে, যা স্তরদুটিকে একটার ওপর আরেকটা পিছলে যেতে দেয়, আবার ফুসফুসের গা বক্ষপ্রাচীরের ভেতরে সেঁটে রাখে, ভেজা দুটো কাচের পাতের মতো, যারা পিছলায় কিন্তু আলাদা করা কঠিন। তাই বক্ষপ্রাচীর নড়লে ফুসফুস তার সাথে চলে। এই ফাঁকে বাতাস ঢুকে গেলে সেঁটে থাকার বাঁধন ছুটে যায় আর ফুসফুস চুপসে যেতে পারে।

অংশকীশ্বাসক্রিয়ায় ভূমিকা
মধ্যচ্ছদাফুসফুসের নিচে গম্বুজাকার পেশির পর্দাসংকুচিত হয়ে চ্যাপ্টা হয়ে বুককে ওপর-নিচে লম্বা করে
বহিঃ আন্তঃপর্শুকা পেশিপাঁজরের মাঝের পেশি, তন্তু নিচে-সামনে ঢালুসংকুচিত হয়ে পাঁজর ওপরে-বাইরে তোলে
অন্তঃ আন্তঃপর্শুকা পেশিগভীরের পেশি, উল্টো ঢালু তন্তুজোরে নিঃশ্বাসে সংকুচিত হয়ে পাঁজর নিচে-ভেতরে টানে
পাঁজর ও বক্ষাস্থিহাড়ের খাঁচাফুসফুস রক্ষা করে; বালতির হাতলের মতো ওপরে-বাইরে দোলে
ফুসফুসাবরণীভেতরে তরলসহ দ্বিস্তর পর্দাফুসফুসকে মসৃণভাবে বক্ষপ্রাচীরের সাথে চলতে দেয়
ফুসফুসস্থিতিস্থাপক, স্পঞ্জের মতো অঙ্গ, নিজের পেশি নেইনিষ্ক্রিয়: বুক বদলায় বলেই এর আকার বদলায়

সব কিছুর পেছনের সূত্র: বয়েলের সূত্র

রবার্ট বয়েল দেখিয়েছিলেন, নির্দিষ্ট পরিমাণ গ্যাসের তাপমাত্রা স্থির থাকলে চাপ ও আয়তন বিপরীত অনুপাতে বদলায়। পাত্র বড় করলে গ্যাস ছড়িয়ে যায়, ফলে দেয়ালের প্রতি বর্গসেন্টিমিটারে প্রতি সেকেন্ডে কম অণু আঘাত করে, মানে চাপ কমে। পাত্র ছোট করলে চাপ বাড়ে। সাইকেলের পাম্পের মুখে আঙুল চেপে হ্যান্ডেল ঠেললে চাপ বাড়তে টের পাবে।

এবার দ্বিতীয় অর্ধেক। বাতাস সবসময় বেশি চাপের জায়গা থেকে কম চাপের জায়গায় যায়, উল্টোটা কখনো নয়। তাই ফুসফুসের ভেতরের চাপ বাইরের বাতাসের চেয়ে সামান্য কম হলেই বাতাস শ্বাসপথ দিয়ে ভেতরে ঢোকে, যতক্ষণ না দুই চাপ সমান হয়। ভেতরের চাপ সামান্য বেশি হলে বাতাস বেরিয়ে যায়। শ্বাসক্রিয়া আসলে এটুকুই।

পেশির একমাত্র কাজ বুকের আয়তন বদলানো। চাপ আর প্রবাহ আপনা-আপনি তার পেছনে আসে।

P₁ × V₁ = P₂ × V₂বয়েলের সূত্র: তাপমাত্রা স্থির, গ্যাসের পরিমাণ নির্দিষ্ট

বাতাস বেশি চাপ থেকে কম চাপের দিকে যায়দিকের নিয়ম

প্রশ্বাস ধাপে ধাপে

প্রশ্বাস (ইনস্পিরেশন) সবসময় সক্রিয়: এর জন্য পেশিকে কাজ করতে হয়। পুরো ক্রমটা নিচে দেওয়া হলো, সিমুলেশনে ঠিক এই ক্রমেই দেখতে পাবে।

ধাপকী ঘটেকেন গুরুত্বপূর্ণ
১মস্তিষ্কের শ্বাসকেন্দ্র স্নায়ু বেয়ে সংকেত পাঠায় (মধ্যচ্ছদায় ফ্রেনিক স্নায়ু, পাঁজরের পেশিতে আন্তঃপর্শুকা স্নায়ু)নির্দেশ ছাড়া পেশি সংকুচিত হয় না
২মধ্যচ্ছদা সংকুচিত হয়, গম্বুজ চ্যাপ্টা হয়ে নিচে নামেবুক ওপর-নিচে লম্বা হয়
৩বহিঃ আন্তঃপর্শুকা পেশি সংকুচিত হয়, পাঁজর ও বক্ষাস্থি ওপরে-বাইরে সরেবুক চওড়া ও গভীর হয়
৪বক্ষগহ্বরের আয়তন বাড়ে; ফুসফুসাবরণীতে সেঁটে থাকা ফুসফুসও ফোলেফুসফুস বড় হয়
৫ফুসফুসের ভেতরের চাপ বায়ুমণ্ডলীয় চাপের চেয়ে কমে যায় (বয়েলের সূত্র)চাপের পার্থক্য তৈরি হয়
৬বাইরের (বেশি চাপের) বাতাস শ্বাসপথ দিয়ে বায়ুথলিতে (কম চাপে) ঢোকেফুসফুস ভরে যায়
৭ভেতরের ও বাইরের চাপ সমান হলে প্রবাহ থামেপ্রশ্বাস শেষ

নিঃশ্বাস ধাপে ধাপে

বিশ্রামের সময় নিঃশ্বাস (এক্সপিরেশন) ঘটাতে কোনো পেশির কাজ লাগে না, এটি নিষ্ক্রিয়। ফুসফুস স্থিতিস্থাপক, টানা বেলুনের মতো; পেশিগুলো টান ছেড়ে দিলে সে নিজেই আগের মাপে ফিরে যায়। এ কারণেই শান্ত শ্বাসে শক্তি খরচ খুব কম।

ধাপকী ঘটেকেন গুরুত্বপূর্ণ
১স্নায়ুর সংকেত থামে, মধ্যচ্ছদা ও বহিঃ আন্তঃপর্শুকা পেশি শিথিল হয়কেউ আর টানছে না
২মধ্যচ্ছদার গম্বুজ আবার ওপরে উঠে আসেবুক খাটো হয়
৩পাঁজর ও বক্ষাস্থি নিচে-ভেতরে নামে, অভিকর্ষ আর তরুণাস্থির স্থিতিস্থাপকতা সাহায্য করেবুক সরু হয়
৪বক্ষগহ্বরের আয়তন কমে; স্থিতিস্থাপক ফুসফুস সংকুচিত হয়ফুসফুস ছোট হয়
৫ফুসফুসের ভেতরের চাপ বায়ুমণ্ডলীয় চাপের চেয়ে বেড়ে যায়উল্টো দিকে চাপের পার্থক্য তৈরি হয়
৬বায়ুথলি থেকে বাতাস শ্বাসপথ দিয়ে দেহের বাইরে যায়ফুসফুস খালি হয়
৭চাপ আবার সমান হলে প্রবাহ থামেনিঃশ্বাস শেষ, পরের শ্বাসের জন্য প্রস্তুত

“কম চাপ” মানে কতটা কম? সংখ্যায় দেখি

সমুদ্রতলে বায়ুমণ্ডল প্রায় ৭৬০ mm Hg চাপ দেয়। শান্ত শ্বাসে ফুসফুসের চাপ এর থেকে মাত্র প্রায় ১ mm Hg তফাত হয়: প্রশ্বাসে সামান্য কম, নিঃশ্বাসে সামান্য বেশি। এ কারণেই সিমুলেশনের চাপমাপক বায়ুমণ্ডলের তুলনায় মাপা হয়, মাঝখানে শূন্য। মিনিটে ১৫ বার আর ৫০০ mL, এই ডিফল্টে মডেলের মাপক প্রায় −১.০ থেকে +১.০ mm Hg-এর মধ্যে দোলে।

তফাতটা ছোট, কিন্তু বাতাস হালকা আর শ্বাসপথ চওড়া, তাই এটুকুই যথেষ্ট। প্রবাহ সবচেয়ে বেশি থাকে প্রতিটি অর্ধেকের মাঝামাঝি সময়ে, তখনই চাপের পার্থক্যও সবচেয়ে বেশি; প্রবাহ থামলে, প্রতিটি অর্ধেকের শেষে, পার্থক্য শূন্যে নামে। খেয়াল করো, প্রশ্বাসের শেষে ফুসফুস সবচেয়ে ভরা, তবু চাপমাপক শূন্য দেখায়। চাপের পার্থক্যই বাতাসকে চালায়; ফুসফুস ভরা মানে চাপ আছে, তা নয়।

শ্বাস/মিনিটটাইডাল ভলিউম (mL)মিনিট ভেন্টিলেশন (L/min)মডেলে চাপের দোলন (± mm Hg)
১২৫০০৬.০০.৮
১৫৫০০৭.৫১.০
১৮৫০০৯.০১.২
৩০২৫০৭.৫১.০
২৫১,৫০০৩৭.৫৫.০

বেল জার মডেল: এসএসসির পরিচিত চিত্র

প্রায় প্রতিটি পাঠ্যবইয়ে বেলুনসহ একটি বেল জারের ছবি থাকে। বয়েলের সূত্রটি চোখে দেখার সবচেয়ে সস্তা উপায় এটি, আর পরীক্ষায় এর প্রশ্নও খুব আসে। সিমুলেশনে “বেল জার মডেল” বেছে নিয়ে নড়াচড়া দেখো।

মডেলের প্রতিটি অংশ মানুষের বুকের একেকটা অংশের সাথে মেলে। কাচের বেল জার হলো বক্ষগহ্বর। ওপরের ছিপির মধ্য দিয়ে ঢোকানো Y-আকৃতির কাচের নলটি শ্বাসনালি ও দুই ক্লোমশাখা। Y-এর দুই বাহুতে বাঁধা দুটি বেলুন ফুসফুস। জারের নিচের মুখ ঢাকা টানটান রাবারের পর্দা হলো মধ্যচ্ছদা, মাঝখানে টানার জন্য একটি গুটি।

রাবারের পর্দা নিচে টানো। জারের ভেতরের আয়তন বাড়ে, তাই জারের বাতাসের চাপ বাইরের বায়ুমণ্ডলের চেয়ে কমে যায়। বাইরের বেশি চাপের বাতাস Y-নল দিয়ে হুড়মুড়িয়ে ঢোকে আর বেলুন ফুলে ওঠে। পর্দা ছেড়ে দিলে আয়তন কমে, জারের চাপ বাড়ে, আর বেলুন থেকে বাতাস বেরিয়ে চুপসে যায়। সিমুলেশনে দেখবে, পর্দা নামানো অবস্থায় জারের ভেতরের বাতাসের বিন্দুগুলো পাতলা হয়ে যায়।

মডেলের অংশদেহের অংশকাজ
বেল জারবক্ষগহ্বরফুসফুসকে ঘিরে রাখে
Y-নলশ্বাসনালি ও ক্লোমশাখাবাতাস ঢোকায় ও বের করে
বেলুনফুসফুসবাতাসে ফোলে ও চুপসায়
রাবারের পর্দামধ্যচ্ছদানিচে টানলে আয়তন বাড়ে

ফুসফুসের আয়তন ও স্পাইরোমিটার

স্পাইরোমিটার এমন একটি যন্ত্র, যা তুমি কতটা বাতাস নিচ্ছ-ছাড়ছ তা লিখে রাখে। প্রতিটি প্রশ্বাসে রেখা ওপরে ওঠে, প্রতিটি নিঃশ্বাসে নিচে নামে; তাই শান্ত শ্বাসে নিয়মিত ঢেউ আঁকা হয়, সিমুলেশনের ডান পাশের রেখাটির মতো।

একটি ঢেউয়ের উচ্চতাই টাইডাল ভলিউম (প্রবাহ আয়তন): স্বাভাবিক একটি শ্বাসে যতটা বাতাস ঢোকে বা বেরোয়। সুস্থ প্রাপ্তবয়স্কের বিশ্রামে এটি প্রায় ৫০০ mL। নামটা জোয়ার-ভাটা থেকে এসেছে: বাতাস ঢেউয়ের মতো আসে-যায়, আর ফুসফুস কখনো পুরো খালি হয় না। সিমুলেশনে ড্যাশ দেওয়া রেখা টাইডাল ভলিউম দেখায়; গভীরতার স্লাইডার সরালে রেখাটিও সরে যায়।

ইচ্ছে করে খুব গভীর শ্বাস নিয়ে স্পাইরোমিটার চালালে পাঠ্যবইয়ে আরও কয়েকটি আয়তনের নাম পাওয়া যায়। প্রশ্বাসীয় সঞ্চিত আয়তন হলো স্বাভাবিক প্রশ্বাসের পরেও জোর করে আরও যতটা বাতাস নেওয়া যায়। নিঃশ্বাসীয় সঞ্চিত আয়তন হলো স্বাভাবিক নিঃশ্বাসের পরেও জোর করে আরও যতটা বের করা যায়। অবশিষ্ট আয়তন হলো সর্বোচ্চ নিঃশ্বাসের পরও ফুসফুসে যে বাতাস থেকে যায়; এটি বায়ুথলিকে চুপসে যেতে দেয় না। ধারণক্ষমতা (ভাইটাল ক্যাপাসিটি) হলো এক শ্বাসে যতটা বাতাস সর্বোচ্চ নেওয়া-ছাড়া যায়। এই গভীর শ্বাসের মান মানুষভেদে অনেক আলাদা, তাই এই পাতায় আমরা শুধু টাইডাল ভলিউম ব্যবহার করছি।

মিনিট ভেন্টিলেশন = শ্বাসের হার × টাইডাল ভলিউম১৫ × ৫০০ mL = ৭,৫০০ mL/min = ৭.৫ L/min

গ্যাসীয় বিনিময়: বায়ুথলিতে কী ঘটে

বড় করে দেখানো অংশটিতে এই সব নড়াচড়ার আসল উদ্দেশ্য ধরা পড়ে। প্রতিটি বায়ুথলি এক কোষ পুরু প্রাচীরের একটি ক্ষুদ্র থলি, যাকে ঘিরে আছে রক্ত-কৈশিকনালির জাল, যার প্রাচীরও এক কোষ পুরু। দুই প্রাচীর এত কাছাকাছি যে সেকেন্ডের ভগ্নাংশে গ্যাস বাতাস আর রক্তের মধ্যে আসা-যাওয়া করে। প্রাচীর ভেজা থাকে, ফলে গ্যাস পেরোনোর সময় তাতে দ্রবীভূত হতে পারে।

পেরোনোর এই প্রক্রিয়া ব্যাপন: অণুরা যেখানে ঘন থেকে যেখানে কম, সেদিকে ছড়ায়। বায়ুথলির বাতাসে অক্সিজেন বেশি, কার্বন ডাই-অক্সাইড কম। কৈশিকনালিতে যে রক্ত আসে সে দেহ ঘুরে এসেছে, তাই তাতে অক্সিজেন কম, কার্বন ডাই-অক্সাইড বেশি। ফলে অক্সিজেন বাতাস থেকে রক্তে ব্যাপিত হয়, আর কার্বন ডাই-অক্সাইড রক্ত থেকে বাতাসে। প্রতিটি নতুন শ্বাস অক্সিজেন ভরে দেয় আর কার্বন ডাই-অক্সাইড ঝেঁটিয়ে বের করে, তাই পার্থক্যটা বড় থাকে। শ্বাসক্রিয়া কেন থামলে চলে না, তার দ্বিতীয় কারণ এটিই।

রক্তে অক্সিজেন লোহিত রক্তকণিকার হিমোগ্লোবিনের সাথে যুক্ত হয়ে হৃৎপিণ্ডে যায়, সেখান থেকে সারা দেহে। কার্বন ডাই-অক্সাইডের বেশির ভাগ বাইকার্বনেট হিসেবে রক্তরসে মিশে উল্টো পথে যায়। সিমুলেশনে দেখবে, বায়ুথলি পেরোনোর সময় কৈশিকনালির রং নীল (অক্সিজেনহীন) থেকে লাল (অক্সিজেনযুক্ত) হয়ে যায়।

ভেতরে যাওয়া বাতাস আর বেরিয়ে আসা বাতাস এক নয়। পাঠ্যবইয়ের আনুমানিক মানগুলো সারণিতে দেওয়া হলো। নিঃশ্বাসের বাতাসে কার্বন ডাই-অক্সাইড প্রায় ১০০ গুণ বেশি আর অক্সিজেন ৫ শতাংশ-বিন্দু কম, মানে ফুসফুস সত্যিই আসা বাতাসের একটি অংশ রেখে দেয়।

গ্যাসপ্রশ্বাসের বাতাস (প্রায়)নিঃশ্বাসের বাতাস (প্রায়)পরিবর্তন
অক্সিজেন২১%১৬%৫ শতাংশ-বিন্দু কম
কার্বন ডাই-অক্সাইড০.০৪%৪%প্রায় ১০০ গুণ বেশি
নাইট্রোজেনপ্রায় ৭৮%প্রায় ৭৮%দেহ কাজে লাগায় না
জলীয় বাষ্পআবহাওয়াভেদে বদলায়বেশি, প্রায় সম্পৃক্তশ্বাসপথ ও ফুসফুসে যুক্ত হয়

হার ও গভীরতা: বিশ্রাম আর ব্যায়ামে শ্বাস

সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক বিশ্রামে মিনিটে প্রায় ১২ থেকে ১৮ বার শ্বাস নেয়। মিনিট ভেন্টিলেশন হলো এক মিনিটে ওঠানামা করা বাতাসের মোট আয়তন। এটি হার ও টাইডাল ভলিউমের গুণফল, তাই ৫০০ mL করে নিলে ওই পরিসর দাঁড়ায় ৬.০ থেকে ৯.০ L/min।

সিঁড়ি বেয়ে দৌড়ে উঠলে পেশিকোষ দ্রুত শ্বসন করে। অক্সিজেন বেশি লাগে, কার্বন ডাই-অক্সাইডও বেশি তৈরি হয়, আর রক্ত বাড়তি কার্বন ডাই-অক্সাইড ফুসফুসে ফিরিয়ে আনে। মস্তিষ্কের মেডুলায় (মস্তিষ্ককাণ্ড) শ্বাসকেন্দ্র আছে, যে রক্তে কার্বন ডাই-অক্সাইডের মাত্রা নজরে রাখে। মাত্রা বাড়লে সে আরও দ্রুত ও জোরালো সংকেত পাঠায়: তুমি দ্রুত (হার বাড়ে) আর গভীরভাবে (টাইডাল ভলিউম বাড়ে) শ্বাস নাও, মিনিট ভেন্টিলেশন লাফিয়ে বাড়ে। প্রধান উদ্দীপক কার্বন ডাই-অক্সাইডের বৃদ্ধি, অক্সিজেনের হ্রাস নয়, যা অনেকে ভুল ভাবে।

সিমুলেশনের “ব্যায়ামে” বোতামে মিনিটে ২৫ বার আর ১,৫০০ mL ধরা হয়েছে, ফলে মিনিট ভেন্টিলেশন ৩৭.৫ L/min। পরিবর্তনটা পরিষ্কার দেখানোর জন্য এগুলো উদাহরণ-মান, চিকিৎসার মান নয়: ব্যক্তি আর পরিশ্রমভেদে দেহ কতটা বাড়ায় তা আলাদা।

সিমুলেশনে নিজে করে দেখো

প্রতিটি পরীক্ষায় এক মিনিটের কম সময় লাগে, আর একেকটি ধারণা মনে গেঁথে যায়।

১. একটি শ্বাস শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অনুসরণ করো

গতি ০.২৫× করে একটি পুরো শ্বাস দেখো। প্রথমে মধ্যচ্ছদা লাল হয়ে চ্যাপ্টা হয়, পাঁজর ওঠে, মাপকের কাঁটা শূন্যের নিচে নামে আর বাতাসের বিন্দুগুলো শ্বাসনালি বেয়ে নামে। তারপর সব নিস্তেজ হয়ে গম্বুজ ওপরে ফিরে যায়; কাঁটা শূন্যের ওপরে উঠে আসে আর বিন্দুগুলো বেরিয়ে যায়।

২. সবচেয়ে কম চাপের মুহূর্ত খোঁজো

প্রশ্বাসের মাঝামাঝি সময়ে থামাও। মাপকে দেখাবে প্রায় −১.০ mm Hg, কারণ তখন বাতাসের প্রবাহ সবচেয়ে বেশি। এবার প্রশ্বাসের শেষ পর্যন্ত চালাও: ফুসফুস সবচেয়ে বড়, কিন্তু মাপক আবার ০। বাতাসকে চালায় চাপের পার্থক্য, আকার নয়।

৩. স্পাইরোমিটার থেকে টাইডাল ভলিউম পড়ো

ডিফল্ট সেটিংসে রেখাটি পর্দা ভরতে দাও। ড্যাশ দেওয়া রেখা ৫০০ mL-এ থাকে, আর ঢেউগুলো ঠিক ওই রেখা ছোঁয়। এবার গভীরতার স্লাইডার বাড়াও: ঢেউ বড় হয় আর ড্যাশ রেখা তার সাথে সরে।

৪. একই মোট, আলাদা ধরন

হার ৩০ আর গভীরতা ২৫০ mL করো। মিনিট ভেন্টিলেশন ৭.৫ L/min, ঠিক ডিফল্ট ৭.৫ L/min-এর সমান, যদিও স্পাইরোমিটারে এখন দ্বিগুণ ঢেউ, প্রতিটি অর্ধেক উঁচু। সূত্র শুধু দুই সংখ্যার গুণফল দেখে।

৫. ব্যায়ামে যাও

“ব্যায়ামে” চাপো। হার বেড়ে ২৫, গভীরতা ১,৫০০ mL আর মিনিট ভেন্টিলেশন ৩৭.৫ L/min, বিশ্রামের প্রায় ৫ গুণ। মাপক দুদিকে অনেক বেশি দোলে (প্রায় ৫.০ mm Hg), আর নিঃশ্বাসের সময় অন্তঃ আন্তঃপর্শুকা ও পেটের পেশি এখন লাল হয়। “বিশ্রামে” ফিরলে ওরা আবার চুপ।

৬. বুকের বদলে বেল জার

“বেল জার মডেল” বেছে নাও। রাবারের পর্দা নিচে নামতে আর বেলুন ফুলতে দেখো, আর খেয়াল করো পর্দা নামানো অবস্থায় জারের ধূসর বাতাসের বিন্দুগুলো পাতলা হয়ে যায়। তারপর জারের প্রতিটি অংশকে বুকের অনুরূপ অংশের সাথে মেলাও।

সমাধান করা সমস্যা

প্রতিটি উত্তর সিমুলেশনের নিজের মডেল থেকে হিসাব করা, তাই পরিমাপ প্যানেলের সাথে মিলিয়ে নিতে পারবে।

সমস্যা ১: বিশ্রামে মিনিট ভেন্টিলেশন

একজন শিক্ষার্থী মিনিটে ১৫ বার শ্বাস নেয় এবং প্রতিবারে ৫০০ mL বাতাস ওঠানামা করে। মিনিট ভেন্টিলেশন লিটার/মিনিটে কত?

মিনিট ভেন্টিলেশন = হার × টাইডাল ভলিউম

  • মিনিট ভেন্টিলেশন = ১৫ × ৫০০ = ৭,৫০০ mL/min
  • লিটারে আনতে ১,০০০ দিয়ে ভাগ: ৭.৫ L/min

সমস্যা ২: পুরো একদিনের শ্বাস

সমস্যা ১-এর মান ধরে, একজন মানুষ দিনে কতবার শ্বাস নেয় এবং কতটা বাতাস ফুসফুসের ভেতর দিয়ে যায়?

শ্বাস: মিনিটে ১৫ বার × দিনে ১,৪৪০ মিনিট = ২১,৬০০ বার। বাতাস: ৭.৫ L/min × ১,৪৪০ = দিনে ১০,৮০০ লিটার।

সমস্যা ৩: আধ মিনিট গুনে হার বের করা

একজন নার্স ৩০ সেকেন্ডে ৮টি শ্বাস গুনলেন। শ্বাসের হার কত? প্রতি শ্বাসে ৫০০ mL হলে মিনিট ভেন্টিলেশন কত?

পুরো এক মিনিট পেতে ২ দিয়ে গুণ: ৮ × ২ = ১৬ বার/মিনিট। মিনিট ভেন্টিলেশন = ১৬ × ৫০০ mL = ৮,০০০ mL/min = ৮.০ L/min।

সমস্যা ৪: টাইডাল ভলিউম বের করা

একজন মানুষ মিনিটে ১৮ বার শ্বাস নেয় আর মিনিট ভেন্টিলেশন ৯ L/min। টাইডাল ভলিউম কত?

মিনিট ভেন্টিলেশন রূপান্তর: ৯ L = ৯,০০০ mL। টাইডাল ভলিউম = মিনিট ভেন্টিলেশন ÷ হার = ৯,০০০ ÷ ১৮ = ৫০০ mL।

সমস্যা ৫: এক শ্বাসে শোষিত অক্সিজেন

পাঠ্যবইয়ের আনুমানিক মান ধরো (প্রশ্বাসের বাতাসে ২১% অক্সিজেন, নিঃশ্বাসে ১৬%)। ৫০০ mL এর একটি শ্বাস থেকে দেহ কত অক্সিজেন নেয়, আর মিনিটে ১৫ শ্বাসে কত?

পার্থক্য ২১ − ১৬ = ৫ শতাংশ-বিন্দু। প্রতি শ্বাসে: ৫০০ × ৫ ÷ ১০০ = ২৫ mL। প্রতি মিনিটে: ১৫ × ২৫ = ৩৭৫ mL। এটি গোলাকার পাঠ্যবইয়ের শতাংশ থেকে করা মোটামুটি হিসাব, ধারণা বুঝতে কাজে লাগে, কোনো মানুষের মাপ হিসেবে নয়।

সমস্যা ৬: বেরিয়ে যাওয়া কার্বন ডাই-অক্সাইড

প্রশ্বাসের বাতাসে ০.০৪% এবং নিঃশ্বাসের বাতাসে প্রায় ৪% কার্বন ডাই-অক্সাইড থাকলে ৫০০ mL এর একটি শ্বাস কতটা কার্বন ডাই-অক্সাইড যোগ করে? নিঃশ্বাসের বাতাস কত গুণ বেশি কার্বন ডাই-অক্সাইডসমৃদ্ধ?

পার্থক্য: ৪ − ০.০৪ = ৩.৯৬ শতাংশ-বিন্দু। প্রতি শ্বাসে যোগ: ৫০০ × ৩.৯৬ ÷ ১০০ = ১৯.৮ mL। অনুপাত: ৪ ÷ ০.০৪ = ১০০ গুণ।

সমস্যা ৭: বন্ধ ফুসফুসে বয়েলের সূত্র

একটি চিন্তা-পরীক্ষা: ধরো বাইরের সাথে সম্পূর্ণ বন্ধ একটি ফুসফুসে ৭৬০ mm Hg চাপে ২,৫০০ mL বাতাস আছে। বক্ষগহ্বর ৫০০ mL বাড়লে ফুসফুস হয় ৩,০০০ mL। চাপ কত হবে?

P₂ = P₁ × V₁ ÷ V₂ = ৭৬০ × ২,৫০০ ÷ ৩,০০০ = ৬৩৩.৩ mm Hg, মানে ১২৬.৭ mm Hg কমে যেত। আসল ফুসফুসে শ্বাসপথ খোলা, তাই সামান্য পার্থক্য তৈরি হতেই বাতাস ঢুকে পড়ে আর চাপ প্রায় ১ mm Hg-র বেশি কমে না। বন্ধ ফুসফুসের হিসাবটা দেখায় বাতাস কেন ঢুকতেই হয়: নইলে চাপ অনেক নেমে যেত।

সমস্যা ৮: ব্যায়ামের সময় শ্বাস

সিমুলেশনের ব্যায়াম সেটিংসে হার ২৫ বার/মিনিট আর টাইডাল ভলিউম ১,৫০০ mL। মিনিট ভেন্টিলেশন বের করো, বিশ্রামের সাথে তুলনা করো, আর একই শতাংশ দিয়ে প্রতি শ্বাসে শোষিত অক্সিজেন অনুমান করো।

মিনিট ভেন্টিলেশন = ২৫ × ১,৫০০ = ৩৭,৫০০ mL/min = ৩৭.৫ L/min। বিশ্রামের ৭.৫ L/min-এর তুলনায় এটি ৫ গুণ। প্রতি শ্বাসে অক্সিজেন ≈ ১,৫০০ × ৫ ÷ ১০০ = ৭৫ mL। আসল ব্যায়ামে নিঃশ্বাসের অক্সিজেনের শতাংশ বদলে যায়, তাই এটিকে মাত্রার ধারণা হিসেবেই নাও।

সাধারণ ভুল

এই বিষয়ে নম্বর কাটা যায় মূলত কয়েকটি ভুলে। খাতা জমা দেওয়ার আগে একটা একটা মিলিয়ে নাও।

  • “ফুসফুস বাতাস টেনে নেয়” লেখা। ফুসফুসের পেশি নেই; মধ্যচ্ছদা ও পাঁজরের পেশি বুকের আয়তন বদলায় আর চাপের পার্থক্য বাতাসকে চালায়।
  • শ্বাসক্রিয়া আর শ্বসনকে এক বলা। শ্বাসক্রিয়া বাতাসের যান্ত্রিক চলাচল; শ্বসন কোষে গ্লুকোজ থেকে শক্তি মুক্ত করার রাসায়নিক প্রক্রিয়া।
  • প্রশ্বাসে মধ্যচ্ছদা ওপরে ওঠে লেখা। সে সংকুচিত হয়, চ্যাপ্টা হয় এবং নিচে নামে।
  • প্রশ্বাসে পাঁজর নিচে-ভেতরে যায় লেখা। যায় ওপরে-বাইরে।
  • চাপ উল্টো লেখা: প্রশ্বাসে ফুসফুসের চাপ বায়ুমণ্ডলের চেয়ে কম, বেশি নয়।
  • শান্ত নিঃশ্বাসকে সক্রিয় বলা। বিশ্রামে এটি নিষ্ক্রিয়: পেশি শিথিল হয়, স্থিতিস্থাপক ফুসফুস সংকুচিত হয়।
  • ভাবা যে আমরা শুধু কার্বন ডাই-অক্সাইড ছাড়ি। নিঃশ্বাসের বাতাসেও প্রায় ১৬% অক্সিজেন আর প্রায় ৭৮% নাইট্রোজেন থাকে।
  • বেল জারে প্রশ্বাসে পর্দা ওপরে উঠছে আঁকা। পর্দা নিচে টানা হয়।
  • হিসাবে একক ভুলে যাওয়া: L/min-এ মিনিট ভেন্টিলেশন দিতে হলে আগে mL-কে লিটারে বদলাও।

বাস্তব জীবন ও স্বাস্থ্য

ওপরের সবটা সুস্থ ফুসফুসের কথা। দৈনন্দিন স্বাস্থ্যের অনেক বিষয় আসলে এই শিকলের কোনো একটি কড়া বিগড়ে গেলে কী হয়, তা নিয়ে। এটি পাঠ্যবইয়ের স্তরের পটভূমি, চিকিৎসা-পরামর্শ নয়; প্রকৃত কারো সমস্যায় ডাক্তারই সঠিক ব্যক্তি।

হাঁপানি (অ্যাজমা) একটি দীর্ঘস্থায়ী অবস্থা, যেখানে শ্বাসপথ ফুলে সরু হয়ে যায়, ফলে বাতাস চলাচল কঠিন হয়, বিশেষ করে বের করা। ডাক্তারের দেওয়া ইনহেলারের ওষুধ শ্বাসপথকে শিথিল করে খুলে দেয়।

ধূমপান পুরো ব্যবস্থার ক্ষতি করে। তামাকের ধোঁয়ার আলকাতরা ও রাসায়নিক সিলিয়াকে নষ্ট করে, ফলে শ্লেষ্মা ও জীবাণু আর ঝাঁট দিয়ে বের হয় না। বছরের পর বছরে শ্বাসপথ প্রদাহিত হয়, বায়ুথলির পাতলা প্রাচীর ভেঙে যেতে পারে, ফলে ছোট ছোট থলির জায়গায় কম সংখ্যক বড় ফাঁকা জায়গা থাকে আর গ্যাস বিনিময়ের তল কমে যায়। ধোঁয়ার কার্বন মনোক্সাইড হিমোগ্লোবিনের সাথে যুক্ত হয়ে রক্তের অক্সিজেন বহনের ক্ষমতাও কমায়।

বায়ুদূষণ অনেক শহরের রোজকার ব্যাপার, শুকনো মৌসুমে ঢাকাতেও, যখন ধুলো আর ধোঁয়ার কণা শ্বাসের সাথে গভীরে ঢোকে। মাস্ক, পরিচ্ছন্ন জ্বালানি আর কম আবর্জনা পোড়ানো শ্বাসপথের ওপর চাপ কমায়।

চাপ আর আয়তনের একই ধারণা উদ্ধারকারী শ্বাসের পেছনেও আছে। নিঃশ্বাসের বাতাসে এখনও প্রায় ১৬% অক্সিজেন থাকে, তাই প্রশিক্ষিত উদ্ধারকারীর দেওয়া শ্বাস যে মানুষের শ্বাস থেমে গেছে তাকে সাহায্য করতে পারে। এটি এবং বুকে চাপ দেওয়ার কৌশল যে কেউ প্রত্যয়িত প্রাথমিক চিকিৎসা প্রশিক্ষণে শিখতে পারে, আর পাতা পড়ে নয়, সরাসরি প্রশিক্ষকের কাছ থেকে শেখাই ভালো। জরুরি অবস্থায় সবার আগে জরুরি সেবার নম্বরে ফোন করতে হয়।

উঁচু পাহাড়ে মানুষ দ্রুত শ্বাস নেয়, কারণ পাতলা বাতাসের প্রতিটি ঢোকে অক্সিজেন কম। আর দম আটকে রাখলে শ্বাস নেওয়ার তাড়না আসে মূলত রক্তে কার্বন ডাই-অক্সাইড জমা হওয়ায়, অক্সিজেন ফুরিয়ে যাওয়ায় নয়।

পরীক্ষার কোণ: এসএসসি ও এইচএসসি

এই বিষয় থেকে প্রতিটি স্তরেই অনুমানযোগ্য প্রশ্ন আসে। না দেখে লিখতে পারা পর্যন্ত অনুশীলন করো।

এসএসসি জীববিজ্ঞানের গ্যাসীয় বিনিময় এবং এইচএসসি প্রাণিবিজ্ঞানের শ্বসন ও শ্বাসক্রিয়া সংক্রান্ত অংশে শ্বাসক্রিয়ার কৌশল প্রায় নিশ্চিত প্রশ্ন। সংজ্ঞা: শ্বাসক্রিয়া, শ্বসন, প্রশ্বাস, নিঃশ্বাস, টাইডাল ভলিউম। চিত্র: শ্বাসনালি, ক্লোমশাখা, ফুসফুস, বায়ুথলি ও মধ্যচ্ছদা চিহ্নিত মানব শ্বসনতন্ত্র; চার অংশ চিহ্নিত বেল জার মডেল; কৈশিকনালিসহ বায়ুথলির বড় চিত্রে অক্সিজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইডের তীর। গতির দিক বোঝাতে সবসময় তীর দাও।

সৃজনশীল প্রশ্নের উদ্দীপকে প্রায়ই একটি বেল জারের ছবি বা কোনো রোগীর শ্বাসের হার ও আয়তন থাকে। জ্ঞানমূলক: “শ্বাসক্রিয়া কাকে বলে?”, “টাইডাল ভলিউম কী?”। অনুধাবনমূলক: “প্রশ্বাসে ফুসফুসের চাপ কমে কেন?”, “বেল জারের রাবারের পর্দা কীসের প্রতিনিধিত্ব করে?”। প্রয়োগমূলক: হার ও টাইডাল ভলিউম থেকে মিনিট ভেন্টিলেশনের হিসাব। উচ্চতর দক্ষতা: ধূমপায়ীর ফুসফুস কেন কম কার্যকর, যুক্তিসহ বিশ্লেষণ।

বহুনির্বাচনিতে বারবার আসে: প্রশ্বাসে মধ্যচ্ছদার অবস্থা, নিঃশ্বাসের বাতাসে কার্বন ডাই-অক্সাইডের শতাংশ, শ্বাসকেন্দ্র কোথায় থাকে, বেল জারের কোন অংশ কী। তুলনামূলক প্রশ্নে প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাসকে সারণিতে মধ্যচ্ছদা, পাঁজর, বক্ষগহ্বরের আয়তন, ফুসফুসের চাপ ও বাতাসের গতির সারিতে তুলনা করো। হিসাবের প্রশ্নে আগে সূত্র লেখো, একক সহ সংখ্যা বসাও, উত্তরে একক দাও।

এক নজরে পুনরালোচনা

পরীক্ষার আগের রাতে এটি পড়ে নাও; প্রতিটি লাইন একটি সম্ভাব্য প্রশ্ন।

  • শ্বাসক্রিয়া যান্ত্রিক (বাতাস ঢোকা-বেরোনো); শ্বসন রাসায়নিক (কোষে গ্লুকোজ ও অক্সিজেন থেকে শক্তি)।
  • বাতাসের পথ: নাক, শ্বাসনালি, ক্লোমশাখা, ক্ষুদ্র ক্লোমশাখা, বায়ুথলি।
  • প্রশ্বাস: মধ্যচ্ছদা সংকুচিত ও চ্যাপ্টা, বহিঃ আন্তঃপর্শুকা পেশি পাঁজর তোলে, আয়তন বাড়ে, চাপ কমে, বাতাস ঢোকে।
  • বিশ্রামের নিঃশ্বাস: পেশি শিথিল, মধ্যচ্ছদা ওপরে, পাঁজর নিচে, আয়তন কমে, চাপ বাড়ে, বাতাস বেরোয়।
  • জোরে নিঃশ্বাসে অন্তঃ আন্তঃপর্শুকা ও পেটের পেশি কাজ করে।
  • বয়েলের সূত্র: চাপ × আয়তন স্থির; বাতাস বেশি চাপ থেকে কম চাপের দিকে যায়।
  • বেল জার: জার = বক্ষগহ্বর, Y-নল = শ্বাসপথ, বেলুন = ফুসফুস, রাবারের পর্দা = মধ্যচ্ছদা।
  • বিশ্রামে টাইডাল ভলিউম ≈ ৫০০ mL; মিনিট ভেন্টিলেশন = হার × টাইডাল ভলিউম = ১৫ × ৫০০ = ৭.৫ L/min।
  • প্রশ্বাসের বাতাস ≈ ২১% O₂ ও ০.০৪% CO₂; নিঃশ্বাসের বাতাস ≈ ১৬% O₂ ও ৪% CO₂।
  • গ্যাসীয় বিনিময় ব্যাপনে, এক কোষ পুরু প্রাচীর পেরিয়ে: O₂ রক্তে, CO₂ বাইরে।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

শ্বাসক্রিয়ার কৌশল কী?

পেশি বুকের আয়তন বদলায় আর চাপ বাকি কাজ করে। প্রশ্বাসে মধ্যচ্ছদা সংকুচিত হয়ে চ্যাপ্টা হয় আর বহিঃ আন্তঃপর্শুকা পেশি পাঁজর তোলে, ফলে আয়তন বাড়ে, চাপ বায়ুমণ্ডলের চেয়ে কমে, বাতাস ঢোকে। নিঃশ্বাসে পেশি শিথিল হয়, আয়তন কমে, চাপ বাড়ে, বাতাস বেরোয়।

শ্বাসক্রিয়ায় মধ্যচ্ছদার ভূমিকা কী?

মধ্যচ্ছদা ফুসফুসের নিচের গম্বুজাকার পেশি। সংকুচিত হলে এটি চ্যাপ্টা হয়ে নিচে নামে, বুক লম্বা হয় আর ভেতরের চাপ কমে। শিথিল হলে গম্বুজ ওপরে উঠে বাতাস বের করে দেয়। শান্ত শ্বাসের বেশির ভাগ কাজ এই পেশিই করে।

শ্বাসক্রিয়া ও শ্বসনের পার্থক্য কী?

শ্বাসক্রিয়া ফুসফুসে বাতাস ঢোকা-বেরোনোর যান্ত্রিক প্রক্রিয়া। শ্বসন প্রতিটি কোষের রাসায়নিক প্রক্রিয়া, যেখানে অক্সিজেন দিয়ে গ্লুকোজ ভেঙে শক্তি মুক্ত হয়। শ্বাসক্রিয়া শ্বসনের জন্য অক্সিজেন জোগায় আর তার তৈরি কার্বন ডাই-অক্সাইড সরায়।

প্রশ্বাসে ফুসফুসে বাতাস ঢোকে কেন?

কারণ ফুসফুসের ভেতরের চাপ বায়ুমণ্ডলীয় চাপের চেয়ে কম হয়ে যায়। বুক বড় হলে আয়তন বাড়ে, আর বয়েলের সূত্রে চাপ কমে। বাতাস সবসময় বেশি চাপ থেকে কম চাপের দিকে যায়, তাই শ্বাসপথ দিয়ে ভেতরে ঢোকে।

নিঃশ্বাস কি সক্রিয় না নিষ্ক্রিয়?

বিশ্রামে এটি নিষ্ক্রিয়: মধ্যচ্ছদা ও বহিঃ আন্তঃপর্শুকা পেশি শিথিল হয়, স্থিতিস্থাপক ফুসফুস সংকুচিত হয়। ব্যায়ামে বা জোরে ফুঁ দিলে এটি সক্রিয়, কারণ অন্তঃ আন্তঃপর্শুকা ও পেটের পেশি সংকুচিত হয়ে বাতাস দ্রুত বের করে।

টাইডাল ভলিউম কাকে বলে?

স্বাভাবিক একটি শ্বাসে যতটা বাতাস ফুসফুসে ঢোকে বা বেরোয়, তাকে টাইডাল ভলিউম বলে। সুস্থ প্রাপ্তবয়স্কের বিশ্রামে এটি প্রায় ৫০০ mL। শ্বাসের হার দিয়ে গুণ করলে মিনিট ভেন্টিলেশন পাওয়া যায়।

মিনিট ভেন্টিলেশন কীভাবে বের করতে হয়?

শ্বাসের হারকে টাইডাল ভলিউম দিয়ে গুণ করো। মিনিটে ১৫ বার আর প্রতিবার ৫০০ mL হলে মিনিট ভেন্টিলেশন ১৫ × ৫০০ = ৭,৫০০ mL, অর্থাৎ ৭.৫ লিটার/মিনিট। mL-কে ১,০০০ দিয়ে ভাগ করলে লিটার হয়।

বেল জার মডেল শ্বাসক্রিয়াকে কীভাবে দেখায়?

বেল জার বক্ষগহ্বর, Y-নল শ্বাসনালি ও ক্লোমশাখা, বেলুন ফুসফুস আর রাবারের পর্দা মধ্যচ্ছদা। পর্দা নিচে টানলে জারের আয়তন বাড়ে, চাপ কমে আর বেলুন ফোলে। ছেড়ে দিলে সবকিছু উল্টো ঘটে।

প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাসের বাতাসের উপাদান কী?

আনুমানিকভাবে প্রশ্বাসের বাতাসে ২১% অক্সিজেন ও ০.০৪% কার্বন ডাই-অক্সাইড থাকে। নিঃশ্বাসের বাতাসে থাকে প্রায় ১৬% অক্সিজেন ও ৪% কার্বন ডাই-অক্সাইড, আর তা উষ্ণ ও আর্দ্র। নাইট্রোজেন, প্রায় ৭৮%, প্রায় অপরিবর্তিত।

ব্যায়ামের সময় আমরা দ্রুত শ্বাস নিই কেন?

কাজ করা পেশি দ্রুত শ্বসন করে, বেশি অক্সিজেন লাগে আর বেশি কার্বন ডাই-অক্সাইড তৈরি হয়। রক্তে কার্বন ডাই-অক্সাইড বাড়লে মস্তিষ্কের শ্বাসকেন্দ্র তা টের পেয়ে শ্বাস দ্রুত ও গভীর করে, যাতে ফুসফুস দ্রুত অক্সিজেন জোগাতে ও কার্বন ডাই-অক্সাইড সরাতে পারে।

ফুসফুস চুপসে যায় না কেন?

ফুসফুস ফুসফুসাবরণী নামের দ্বিস্তর পর্দায় মোড়া, যার স্তরের মাঝে পাতলা তরল থাকে। এই তরল ফুসফুসের গা বক্ষপ্রাচীরের ভেতরে সেঁটে রাখে, তাই ফুসফুস বুকের সাথে ফোলে-সংকুচিত হয়, চুপসে যায় না।

এই বিষয়ের আরও পড়াশোনা

অ্যানিমেশনে ধারণা পরিষ্কার হলো, এবার পরীক্ষার প্রস্তুতি: সিলেবাস, সাজেশন, বই আর ভর্তি পরীক্ষার গাইড নিচে।

SSC

এসএসসি জীববিজ্ঞান: সিলেবাস ও প্রস্তুতি

পাঠ্যবই

নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান বই

HSC

এইচএসসি জীববিজ্ঞান: সিলেবাস ও প্রস্তুতি

ভর্তি

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি

ভর্তি

মেডিকেল ভর্তি ২০২৬-২৭

ভর্তি

গুচ্ছ (GST) বিজ্ঞান ইউনিট ভর্তি ২০২৬-২৭

English

Composition: Climate Change (ইংরেজিতে)

বাংলা

রচনা: জলবায়ু পরিবর্তন

SSC

এসএসসি সাজেশন

HSC

এইচএসসি সাজেশন

ভর্তি

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার গাইড

SSC

এসএসসি সিলেবাস

HSC

এইচএসসি সিলেবাস

বিদেশে পড়াশোনা

যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষা

স্কলারশিপ

চীনের CSC স্কলারশিপ

IELTS

IELTS Writing Task 1: process diagrams (ইংরেজিতে)

IELTS

IELTS preparation guide (ইংরেজিতে)

বিদেশে পড়াশোনা

Academic CV for study abroad (ইংরেজিতে)

ক্যারিয়ার

Dental hygienist resume example (ইংরেজিতে)

আরও জীববিজ্ঞান অ্যানিমেশন

SSC · HSC

মাইটোসিস কোষ বিভাজন

মাইটোসিস কাকে বলে, কোষ বিভাজন কত প্রকার ও কী কী? প্রোফেজ, মেটাফেজ, অ্যানাফেজ, টেলোফেজ ও সাইটোকাইনেসিস চলমান চিত্রে দেখো, ক্রোমোজোম গোনার নিয়মসহ।

SSC · HSC

ব্যাপন ও অভিস্রবণ

ব্যাপন ও অভিস্রবণ কাকে বলে, এদের মধ্যে পার্থক্য, প্লাজমোলাইসিস, রসস্ফীতি ও ইমবাইবিশন: কণার সিমুলেশনে নিজে দেখে সহজ ভাষায় শেখো, উদাহরণ ও গাণিতিক সমস্যাসহ।

SSC · HSC

সালোকসংশ্লেষণ

সালোকসংশ্লেষণ কাকে বলে, সমীকরণ, আলোক ও অন্ধকার পর্যায়, ক্যালভিন চক্র, প্রভাবক ও সীমাবদ্ধ উপাদান: পাতা, হাইড্রিলা আর ক্লোরোপ্লাস্টের অ্যানিমেশনে নিজে দেখো।

SSC · HSC

মানব হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কাজ

হৃৎপিণ্ডের চারটি প্রকোষ্ঠ, কপাটিকা, লাব-ডাব শব্দ আর চলমান ইসিজি একসাথে দেখো। দ্বিচক্রী সংবহন, হৃৎচক্র ও কার্ডিয়াক আউটপুট শেখো, গাণিতিক সমস্যাসহ।

SSC · HSC

মেন্ডেলের বংশগতি সূত্র

মেন্ডেলের সূত্র, একসংকর ও দ্বিসংকর জনন, টেস্ট ক্রস, অসম্পূর্ণ প্রকটতা, রক্তের গ্রুপ আর সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারণ — নিজে পানেট বর্গ বানিয়ে বংশগতির অনুপাত হিসাব করে দেখো।

HSC

ডিএনএ রেপ্লিকেশন

ডিএনএ রেপ্লিকেশন বা অনুলিপন কাকে বলে, অর্ধ-রক্ষণশীল পদ্ধতি, এনজাইমগুলোর কাজ আর মেসেলসন-স্টাল পরীক্ষা—সব অ্যানিমেশনে নিজে দেখো ও হিসাব করো।

SSC · HSC

কোষীয় শ্বসন

কোষীয় শ্বসন কাকে বলে, সবাত ও অবাত শ্বসনের পার্থক্য, গ্লাইকোলাইসিস, ক্রেবস চক্র, ইলেকট্রন প্রবাহতন্ত্র আর ATP হিসাব: মাইটোকন্ড্রিয়ার অ্যানিমেশনে নিজে দেখো ও গণনা করো।

SSC · HSC

এনজাইম ক্রিয়া

এনজাইম কী, সক্রিয় স্থান, তালা-চাবি ও আবিষ্ট মিলন মডেল, তাপমাত্রা-pH-এর প্রভাব, মিকেলিস-মেন্টেন সমীকরণ ও প্রতিবন্ধক — নিজে বদলে দেখো এনজাইম ক্রিয়ার অ্যানিমেশনে।

SSC · HSC

স্নায়ু উদ্দীপনার পরিবহন ও অ্যাকশন পটেনশিয়াল

প্রান্তিক মাত্রা (−৫৫ mV) পার হলেই অ্যাকশন পটেনশিয়াল তৈরি হয়ে অ্যাক্সন বেয়ে ছোটে, তারপর সিন্যাপসে নিউরোট্রান্সমিটার নিঃসৃত হয় — সিমুলেশনে নিজে চালিয়ে দেখো, সূত্র ও গাণিতিক উদাহরণসহ।

SSC · HSC

নেফ্রন ও মূত্র তৈরির প্রক্রিয়া

বৃক্ক প্রতিদিন প্রায় ১৮০ লিটার রক্ত ছেঁকে মাত্র দেড় লিটার মূত্র তৈরি করে কীভাবে? গ্লোমেরুলাসে ছাঁকন, নালিকায় পুনঃশোষণ আর গ্লুকোজের প্রান্তিক মাত্রা — সিমুলেশনে নিজে চালিয়ে দেখো, সূত্র ও অঙ্কসহ।

SSC · HSC

মিয়োসিস কোষ বিভাজন

মিয়োসিস কাকে বলে, ক্রসিং ওভার কী, মাইটোসিস ও মিয়োসিসের পার্থক্য কী: 2n = 4 কোষে প্রোফেজ I থেকে টেলোফেজ II পর্যন্ত নিজে চালিয়ে দেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।

SSC

পরিপাকতন্ত্র

পরিপাকতন্ত্র কী, কোন এনজাইম কোথায় কাজ করে, ভিলাই কীভাবে শোষণ করে: মুখ থেকে বৃহদান্ত্র পর্যন্ত খাদ্যের যাত্রা নিজে চালিয়ে দেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।

HSC

প্রোটিন সংশ্লেষণ

আরএনএ পলিমারেজ কীভাবে জিন থেকে mRNA বানায় আর রাইবোসোম কীভাবে কোডন পড়ে প্রোটিন গড়ে, অ্যানিমেশনে নিজে দেখো। জিন বদলাও, মিউটেশন ঘটাও, কোডন সারণি মেলাও।

SSC · HSC

রক্ত সংবহন: দ্বি-সংবহন ও কার্ডিয়াক আউটপুট

রক্ত কীভাবে হৃৎপিণ্ড থেকে ফুসফুসে, দেহে আর আবার হৃৎপিণ্ডে ফেরে, চলমান চিত্রে দেখো। ফুসফুসীয় ও সিস্টেমিক সংবহন, ধমনি-শিরা-কৈশিকনালির পার্থক্য, কার্ডিয়াক আউটপুটের অঙ্ক সমাধানসহ।

SSC · HSC

কোষের গঠন ও অঙ্গাণু: উদ্ভিদ কোষ বনাম প্রাণী কোষ

উদ্ভিদ কোষ আর প্রাণী কোষ পাশাপাশি দেখো। নিউক্লিয়াস, মাইটোকন্ড্রিয়া, ক্লোরোপ্লাস্ট, গলজি বস্তু, রাইবোজোমসহ প্রতিটি অঙ্গাণুতে ক্লিক করে কাজ জানো। পার্থক্যের ছক, বিবর্ধনের অঙ্ক ও এসএসসি-এইচএসসির প্রশ্নসহ।

SSC · HSC

প্রতিবর্ত ক্রিয়া ও প্রতিবর্ত চাপ

গরম কিছুতে হাত ঠেকালে সংকেত কীভাবে গ্রাহক, সংবেদী নিউরন, সুষুম্নাকাণ্ড, চেষ্টীয় নিউরন হয়ে পেশিতে পৌঁছায় নিজে চালিয়ে দেখো। প্রতিবর্তের সময় (২৪.৩৩ ms) হিসাব করো, আর দেখো ব্যথা কেন পরে টের পাওয়া যায়।

SSC · HSC

মানুষের চোখ: গঠন, প্রতিবিম্ব ও উপযোজন

কর্নিয়া, আইরিস, লেন্স, সিলিয়ারি পেশি, রেটিনা, পীতবিন্দু ও অন্ধবিন্দু কীভাবে কাজ করে, চলমান চিত্রে দেখো। উপযোজন, নিকট দৃষ্টি ও দূর দৃষ্টির সংশোধন, লেন্সের ক্ষমতার সমাধানসহ।

HSC

পেশি সংকোচন ও স্লাইডিং ফিলামেন্ট মডেল

সারকোমিয়ারের ভেতরে অ্যাকটিন ও মায়োসিনের সরে যাওয়া দেখুন। A ব্যান্ড থাকে ১.৬ µm, I ব্যান্ড ও H অঞ্চল ছোট হয়; ক্রস-ব্রিজ চক্র, ক্যালসিয়াম ও ATP ধাপে ধাপে শিখুন।

SSC · HSC

উদ্ভিদে পরিবহন: জাইলেম, ফ্লোয়েম ও বাষ্পমোচন

জাইলেম বেয়ে পানি ওঠা আর ফ্লোয়েম বেয়ে শর্করা নামা দেখুন। আলো, আর্দ্রতা ও বাতাস বদলে বাষ্পমোচনের হার হিসাব করুন (সাধারণ দিনে ৫৪.৮ g/m²/h)।

SSC · HSC

খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজাল: শক্তির প্রবাহ ও ১০ % নিয়ম

খাদ্যজাল তৈরি করুন, একটি প্রজাতি সরিয়ে প্রভাব দেখুন, আর শক্তি পিরামিডে ১০ % নিয়ম চালান (উৎপাদকের ১০,০০০ kJ থেকে শীর্ষে থাকে মাত্র ১ kJ)।

HSC

জনসংখ্যা বৃদ্ধি: সূচকীয় ও লজিস্টিক রেখা

r আর ধারণক্ষমতা K টানুন এবং সূচকীয় ও লজিস্টিক রেখা আলাদা হতে দেখুন। r = ০.৪০ প্রতি ঘণ্টা আর K = ১,০০০ হলে কালচার প্রতি ১.৭৩ ঘণ্টায় দ্বিগুণ হয় এবং K-এর কাছে থামে।

HSC

প্রাকৃতিক নির্বাচন: পেপার্ড মথ ও কালিঝুলি মাখা গাছ

কালিঝুলির মাত্রা বাড়িয়ে-কমিয়ে দেখো পাখি কোন মথ ধরে। ৮০% কালি ও ৪০% নির্বাচনে গাঢ় মথ ১০% থেকে ১৫ প্রজন্মে ৯০% ছাড়িয়ে যায়।

SSC · HSC

রোগপ্রতিরোধ: প্রাথমিক ও গৌণ অ্যান্টিবডি সাড়া

টিকা নেওয়া ও না নেওয়া ব্যক্তির অ্যান্টিবডির মাত্রা এক গ্রাফে মিলিয়ে দেখো। এই মডেলে স্মৃতির কারণে সুরক্ষা পেতে ৮.১ দিনের জায়গায় লাগে ২.৫ দিন, আর চূড়া ৫.১ গুণ ওঠে।

SSC · HSC

পরাগায়ন ও নিষেক

পরাগধানী থেকে গর্ভমুণ্ড, পরাগনালি বেয়ে ডিম্বকে পরাগরেণুর যাত্রা দেখো। দ্বিনিষেকে ১৪ ক্রোমোজোমের জাইগোট ও ২১ ক্রোমোজোমের ভ্রূণপোষ কীভাবে তৈরি হয়, তারপর বীজ ও ফল।

অন্য বিষয়ের অ্যানিমেশন

পদার্থবিজ্ঞান

আলোর প্রতিসরণ

পদার্থবিজ্ঞান

ওহমের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

প্রাসের গতি

পদার্থবিজ্ঞান

সরল দোলক

পদার্থবিজ্ঞান

তড়িৎ ক্ষেত্র

পদার্থবিজ্ঞান

তরঙ্গের ব্যতিচার

পদার্থবিজ্ঞান

পড়ন্ত বস্তু ও পড়ন্ত বস্তুর সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

লেন্সে প্রতিবিম্ব গঠন

পদার্থবিজ্ঞান

নিউটনের গতির সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

গোলীয় দর্পণে প্রতিবিম্ব গঠন

পদার্থবিজ্ঞান

তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ ও ফ্যারাডের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

ভরবেগের সংরক্ষণ ও সংঘর্ষ

পদার্থবিজ্ঞান

কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি

পদার্থবিজ্ঞান

নততল

পদার্থবিজ্ঞান

বৃত্তাকার গতি

পদার্থবিজ্ঞান

অনুপ্রস্থ ও অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ

পদার্থবিজ্ঞান

লিভার ও ভ্রামক

পদার্থবিজ্ঞান

ভরকেন্দ্র

পদার্থবিজ্ঞান

স্প্রিং-ভর ও সরল ছন্দিত স্পন্দন

পদার্থবিজ্ঞান

ভেক্টর যোগ: ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

আপেক্ষিক বেগ: ট্রেন ও নদী পারাপার

পদার্থবিজ্ঞান

কেপলারের সূত্র ও উপবৃত্তাকার কক্ষপথ

পদার্থবিজ্ঞান

নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র, g ও কৃত্রিম উপগ্রহ

পদার্থবিজ্ঞান

তার ও নলে স্থির তরঙ্গ

পদার্থবিজ্ঞান

অনুনাদ নল ও শব্দের দ্রুতি

পদার্থবিজ্ঞান

স্বরকম্প: কাছাকাছি দুই সুরের স্পন্দন

পদার্থবিজ্ঞান

ডপলার প্রভাব: চলমান উৎস, চলমান শ্রোতা ও সনিক বুম

পদার্থবিজ্ঞান

প্রিজম, আলোর বিচ্ছুরণ ও রামধনু

পদার্থবিজ্ঞান

কির্শফের সূত্র: সংযোগ সূত্র ও বদ্ধ পথ সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

হুইটস্টোন ব্রিজ ও মিটার ব্রিজ

পদার্থবিজ্ঞান

একক চিড়ে অপবর্তন

পদার্থবিজ্ঞান

চোখের ত্রুটি ও তার প্রতিকার

পদার্থবিজ্ঞান

আলোর সমবর্তন: ম্যালাসের সূত্র ও ব্রুস্টারের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

ক্যাপাসিটরের আহিতকরণ ও নিরাহিতকরণ: আরসি সময় ধ্রুবক

পদার্থবিজ্ঞান

চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা: দণ্ডচুম্বক, তড়িৎবাহী সরল তার ও সলিনয়েড

পদার্থবিজ্ঞান

এসি জেনারেটর

পদার্থবিজ্ঞান

ট্রান্সফর্মার

পদার্থবিজ্ঞান

তাপের সঞ্চালন: পরিবহন, পরিচলন ও বিকিরণ

পদার্থবিজ্ঞান

আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া: আইনস্টাইনের সমীকরণ ও নিবৃত্তি বিভব

পদার্থবিজ্ঞান

মোটর ক্রিয়া: তড়িৎবাহী তারের ওপর বল ও ডিসি মোটর

পদার্থবিজ্ঞান

গ্যাসের অণু ও গতিতত্ত্ব: চাপ, তাপমাত্রা ও দ্রুতি

পদার্থবিজ্ঞান

অর্ধপরিবাহী ডায়োড: p–n সন্ধি, I–V বক্ররেখা ও রেক্টিফায়ার

পদার্থবিজ্ঞান

তেজস্ক্রিয় ক্ষয়: অর্ধায়ু, ক্ষয় সূত্র ও বিকিরণের ভেদন ক্ষমতা

পদার্থবিজ্ঞান

বোর পরমাণু মডেল: কক্ষপথ, শক্তিস্তর ও হাইড্রোজেনের বর্ণালি

রসায়ন

পরমাণুর গঠন

রসায়ন

এসিড, ক্ষারক ও pH স্কেল

রসায়ন

ইলেকট্রন বিন্যাস

রসায়ন

গ্যাসের সূত্র: বয়েল, চার্লস ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ

রসায়ন

আয়নিক বন্ধন কীভাবে গঠিত হয়

রসায়ন

তড়িৎ বিশ্লেষণ ও ফ্যারাডের সূত্র

রসায়ন

সমযোজী বন্ধন

রসায়ন

পর্যায়বৃত্ত ধর্ম

রসায়ন

বিক্রিয়ার হার ও সংঘর্ষ তত্ত্ব

রসায়ন

পদার্থের অবস্থা: কঠিন, তরল, গ্যাসীয় ও তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র

রসায়ন

পরমাণুর অরবিটাল: s, p, d-এর আকৃতি, কোয়ান্টাম সংখ্যা ও নোড

রসায়ন

আণবিক আকৃতি ও ভিএসইপিআর তত্ত্ব: বন্ধন জোড়, মুক্তজোড় ও বন্ধন কোণ

রসায়ন

মোল ধারণা: মোলার ভর, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা ও মোলার আয়তন

রসায়ন

ব্যাপন ও নিঃসরণ: গ্রাহামের সূত্র

রসায়ন

রাসায়নিক সমীকরণ সমতাকরণ: পদ্ধতি, উদাহরণ ও অনুশীলন

রসায়ন

রাসায়নিক সাম্যাবস্থা: সাম্যধ্রুবক Kc ও লা শাতেলিয়ের নীতি

রসায়ন

টাইট্রেশন: অম্ল-ক্ষারের ঘনমাত্রা বের করার পদ্ধতি

রসায়ন

গ্যালভানিক কোষ: ড্যানিয়েল কোষ, EMF ও নার্নস্ট সমীকরণ

রসায়ন

জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া: জারণ সংখ্যা, ইলেকট্রন স্থানান্তর ও অর্ধ-সমীকরণ

রসায়ন

হাইড্রোকার্বন: অ্যালকেন, অ্যালকিন, অ্যালকাইন ও কাঠামোগত সমাণু ত্রিমাত্রায়

রসায়ন

কার্যকরী মূলক: অ্যালকোহল, অ্যালডিহাইড, কিটোন, অ্যাসিড, এস্টার ও অ্যামিন

রসায়ন

পলিমারকরণ: যোজন ও ঘনীভবন পলিমার, পলিথিন ও নাইলন

রসায়ন

মিশ্রণ আলাদা করার পদ্ধতি: ছাঁকন, পাতন, ক্রোমাটোগ্রাফি, স্ফটিকীকরণ

রসায়ন

কেলাস জালক: SC, BCC ও FCC একক কোষ, প্যাকিং দক্ষতা ও ঘনত্ব

রসায়ন

তেজস্ক্রিয়তা: আলফা, বিটা, গামা ক্ষয় ও অর্ধায়ু

গণিত

পিথাগোরাসের উপপাদ্য

গণিত

ত্রিকোণমিতিক অনুপাত ও একক বৃত্ত

গণিত

দ্বিঘাত সমীকরণ ও দ্বিঘাত ফাংশনের লেখচিত্র

গণিত

বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য

গণিত

দূরত্ব ও উচ্চতা: উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ

গণিত

সম্ভাবনা: পরীক্ষালব্ধ বনাম তাত্ত্বিক সম্ভাবনা

গণিত

সমান্তর ও গুণোত্তর ধারা

গণিত

গড়, মধ্যক ও প্রচুরক

গণিত

সেট ও ভেনচিত্র

গণিত

সরল সহসমীকরণ ও সরলরেখার লেখচিত্র

গণিত

sin, cos, tan-এর লেখচিত্র

গণিত

পূর্ণবর্গ পদ্ধতি ও দ্বিঘাত সমীকরণের সমাধান

গণিত

বৃত্তের ক্ষেত্রফল: সূত্র, প্রমাণ ও সমাধান

গণিত

ঘনবস্তুর আয়তন ও তলের ক্ষেত্রফল: ঘনক, আয়তঘন, বেলন, কোণক, গোলক

গণিত

সদৃশ ত্রিভুজ: স্কেল ফ্যাক্টর, AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়া থেকে উচ্চতা

গণিত

স্থানাঙ্ক জ্যামিতি: দূরত্ব, মধ্যবিন্দু, ঢাল, বিভক্তিকরণ সূত্র ও সঞ্চারপথ

গণিত

শাঙ্কব ছেদ: বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত ও অধিবৃত্ত

গণিত

ফাংশনের রূপান্তর: সরানো, টানা ও উল্টানো

গণিত

অন্তরীকরণ: স্পর্শকের ঢাল ও ছেদক থেকে স্পর্শক

গণিত

রিম্যান যোগফল ও সমাকলন: বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফল

গণিত

সীমা ও ε–δ সংজ্ঞা: ছবিতে বোঝা

গণিত

ত্রিমাত্রিক ভেক্টর: যোগ, ডট গুণ ও ক্রস গুণ

গণিত

ম্যাট্রিক্স রূপান্তর: ঘূর্ণন, প্রতিফলন, শিয়ার ও নির্ণায়ক

গণিত

জটিল সংখ্যা: আরগান্ড সমতলে যোগ, গুণ, ঘাত ও মূল

গণিত

বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি: স্থানীয় মান, রূপান্তর ও যোগ