মূলপাতা
লগইন

Color

Indigo
Red
Green
Teal
Blue
Purple
Rose

Mode

Light
EN

জটিল সংখ্যা: সমতলে ঠেলে সরানো যায় এমন বিন্দু

জটিল সংখ্যা মানে সমতলের একটা বিন্দু। দুটো যোগ করা মানে ভেক্টর থেকে চেনা সামান্তরিক। গুণ করলে ঘটে নতুন আর সুন্দর কিছু: এক বিন্দু অন্যটার কোণে ঘুরে যায়, আর অন্যটার কেন্দ্র থেকে দূরত্ব অনুযায়ী টান খায়। ঘাত হয়ে যায় সর্পিল আর মূলগুলো হয় সুষম বহুভুজ।

বিন্দু টেনে সরাও

z₁z₂ফলএকক বৃত্ত
গতি

নিয়ন্ত্রণ

কী দেখাবে

২.০
১.০
১.০
২.০

পরিমাপ

z₁
২ + i
মডুলাস |z₁|
২.২৪
আর্গুমেন্ট arg z₁
২৬.৫৭°
z₂
১ + ২i
মডুলাস |z₂|
২.২৪
আর্গুমেন্ট arg z₂
৬৩.৪৩°
যোগফল z₁ + z₂
৩ + ৩i
যোগফলের মডুলাস
৪.২৪

সিমুলেশনটি কীভাবে ব্যবহার করবে

  1. আনুভূমিক অক্ষ বাস্তব অক্ষ, খাড়া অক্ষ কাল্পনিক অক্ষ। a + bi সংখ্যাটা বসে (a, b) বিন্দুতে। সমতলে শুরুতে দুটো সংখ্যা: প্রাথমিক রঙে z₁ = ২ + i আর দ্বিতীয় রঙে z₂ = ১ + ২i। বিন্দুযুক্ত বৃত্তটা একক বৃত্ত, ব্যাসার্ধ ১।
  2. পয়েন্টার দিয়ে z₁ বা z₂ টানো, অথবা স্লাইডারে অংশ ঠিক করো। বিন্দু এক-দশমাংশে আটকে যায়। রিডিংয়ে প্রতিটি সংখ্যা, তার মডুলাস (মূলবিন্দু থেকে দূরত্ব) আর আর্গুমেন্ট (ধনাত্মক বাস্তব অক্ষ থেকে কোণ) আছে।
  3. “যোগ” মোডে কমলা তীরটা z₁ + z₂, ছায়াযুক্ত সামান্তরিকের কর্ণ। এখানে এটা ৩ + ৩i।
  4. “গুণ” মোডে কমলা বিন্দুযুক্ত পথ দেখায় z₁ কীভাবে ঘুরে আর টান খেয়ে z₁z₂ হয়। রিডিংয়ে মডুলাস গুণ হয়, আর্গুমেন্ট যোগ হয়। শুরুর জোড়ায় পাই ৫i, কারণ ২৬.৫৭° + ৬৩.৪৩° = ৯০°।
  5. “অনুবন্ধী” z₁-কে বাস্তব অক্ষে আয়নায় দেখায়। “ঘাত zⁿ” z₁, z₁², z₁³ … সর্পিল হিসেবে বানায়, n আসে স্লাইডার থেকে। “z₁-এর n-তম মূল” আর “এককের n-তম মূল” n-টা বিন্দু বৃত্তে সমান দূরত্বে বসায়।

জটিল সংখ্যা কী?

x² = −১ সমীকরণের কোনো উত্তর সাধারণ সংখ্যায় নেই, কারণ কোনো বাস্তব সংখ্যার বর্গ ঋণাত্মক হয় না। তাই গণিতবিদরা বানালেন একটা নতুন সংখ্যা: i, যার সংজ্ঞা i² = −১। প্রতিটি জটিল সংখ্যা লেখা হয় a + bi আকারে, যেখানে a আর b সাধারণ বাস্তব সংখ্যা।

ছবিতে আনার কৌশল সহজ: a হলো কতটা ডানে, b কতটা ওপরে। তাহলে a + bi হলো সমতলের (a, b) বিন্দু। এই সমতলকে বলে আরগান্ড সমতল (বা আরগান্ড চিত্র)। বাস্তব সংখ্যারা থাকে আনুভূমিক অক্ষে, আর ২i-এর মতো সংখ্যারা খাড়া অক্ষে।

মডুলাস ও আর্গুমেন্ট

সমতলে ঠিকানা দেওয়ার দুটো উপায়। একটা: “a ডানে, b ওপরে”। অন্যটা: “r দূরে, θ কোণে”। দূরত্ব r হলো মডুলাস |z| = √(a² + b²), ভেক্টরের দৈর্ঘ্যের মতোই পিথাগোরাস। ধনাত্মক বাস্তব অক্ষ থেকে কোণ θ হলো আর্গুমেন্ট।

দুটো মিলে পাই পোলার আকার z = r(cos θ + i sin θ)। কয়েকটা চেনা বিন্দু নিচের ছকে। আর্গুমেন্ট ঘড়ির উল্টো দিকে মাপা হয়, আর এই সিমুলেশনে −১৮০° থেকে ১৮০°-এর মধ্যে রাখা হয়েছে।

|z| = √(a² + b²)মডুলাস

z = r (cos θ + i sin θ)পোলার আকার

  • ০-র আর্গুমেন্ট নেই (তার কোনো দিক নেই); রিডিংয়ে লেখা থাকে “নেই”।
  • আর্গুমেন্টে ৩৬০° যোগ করলে একই বিন্দু। সাধারণত −১৮০° থেকে ১৮০°-এর মানটাই বলা হয়।
z|z|arg z
১১.০০০°
১ + i১.৪১৪৫°
i১.০০৯০°
-১ + i১.৪১১৩৫°
-১১.০০১৮০°
−i১.০০-৯০°

যোগ: সামান্তরিক

বাস্তব অংশ বাস্তব অংশের সঙ্গে, কাল্পনিক অংশ কাল্পনিকের সঙ্গে যোগ করো। z₁ = ২ + i আর z₂ = ১ + ২i হলে যোগফল ৩ + ৩i।

সমতলে এটা ভেক্টর যোগের সামান্তরিক: z₁ আর z₂ দুটো বাহু, আর যোগফল মূলবিন্দু থেকে কর্ণ। z₁ − z₂ হলো z₂ থেকে z₁ পর্যন্ত তীর।

দৈর্ঘ্যের দিকে খেয়াল করো। |z₁| = ২.২৪ আর |z₂| = ২.২৪, কিন্তু যোগফল তাদের সোজা যোগফল নয়। ত্রিভুজ অসমতা বলে |z₁ + z₂| ≤ |z₁| + |z₂|, সমান হয় শুধু দুটো একদিকে থাকলে।

গুণ: ঘোরাও আর টানো

জটিল সংখ্যার আসল শক্তি এখানে। দুটো গুণ করলে মডুলাস গুণ হয়, আর্গুমেন্ট যোগ হয়: |z₁z₂| = |z₁||z₂| এবং arg(z₁z₂) = arg z₁ + arg z₂।

সিমুলেশনে z₁ ঘোরে arg z₂ কোণে আর টান খায় |z₂| গুণ। শুরুর জোড়ায় ২৬.৫৭° + ৬৩.৪৩° = ৯০°, আর ২.২৪ × ২.২৪ = ৫, তাই z₁z₂ = ৫i। ঝকঝকে সমকোণ, কাল্পনিক অক্ষ বরাবর সোজা ওপরে।

মডুলাস ১ এমন সংখ্যা দিয়ে গুণ মানে নিখাদ ঘূর্ণন, কারণ টান নেই। ধনাত্মক বাস্তব সংখ্যা দিয়ে গুণ মানে নিখাদ টান, কারণ ঘোরা নেই।

|z₁z₂| = |z₁| |z₂|মডুলাস গুণ হয়

arg(z₁z₂) = arg z₁ + arg z₂আর্গুমেন্ট যোগ হয়

i-এর ঘাতমান৩ + ২i গুণ করলে
i⁰১৩ + ২i
ii-২ + ৩i
i²-১-৩ − ২i
i³−i২ − ৩i

অনুবন্ধী: বাস্তব অক্ষে আয়না

a + bi-এর অনুবন্ধী a − bi। সমতলে এটা বাস্তব অক্ষে আয়নার ছবি। ২ + i-এর অনুবন্ধী ২ − i।

z · z̄ সবসময় বাস্তব সংখ্যা, মান |z|²। এখানে ৫। জটিল সংখ্যা ভাগের গোপন কথা এটাই: লব আর হর দুটোকে হরের অনুবন্ধী দিয়ে গুণ করো, হর বাস্তব হয়ে যাবে।

z · z̄ = a² + b² = |z|²সবসময় বাস্তব

z + z̄ = 2aবাস্তব অংশের দ্বিগুণ

ঘাত: সর্পিল

গুণে আর্গুমেন্ট যোগ আর মডুলাস গুণ হয় বলে বারবার গুণ করলে নিয়মিত কিছু ঘটে। বর্গ করলে কোণ দ্বিগুণ, মডুলাসের বর্গ। ঘন করলে কোণ তিন গুণ। সাধারণভাবে zⁿ-এর মডুলাস rⁿ আর আর্গুমেন্ট nθ। এটাই ডি মোয়াভারের উপপাদ্য।

z, z², z³ … আঁকলে সর্পিল পাবে। |z| ১-এর চেয়ে বড় হলে সর্পিল বাইরে ছুটে যায়। ছোট হলে মূলবিন্দুর দিকে গুটিয়ে আসে। |z| = ১ হলে বিন্দুগুলো একক বৃত্তেই ঘুরতে থাকে।

(cos θ + i sin θ)ⁿ = cos nθ + i sin nθডি মোয়াভারের উপপাদ্য

মূল ও এককের মূল

n-তম মূল নেওয়া মানে ডি মোয়াভার উল্টো দিকে: মডুলাস হয় r^(1/n), আর্গুমেন্ট θ/n। কিন্তু ভাগের আগে θ-র সঙ্গে পূর্ণ এক পাক যোগ করলে ভিন্ন উত্তর পাওয়া যায়, তাই মূল মোট n-টা, বৃত্তে সমান দূরত্বে, ৩৬০°/n কোণের ব্যবধানে।

সবচেয়ে বিখ্যাত উদাহরণ এককের n-তম মূল, অর্থাৎ zⁿ = ১ সমীকরণের সমাধান। এরা একক বৃত্তে বসে আর ১-এ এক কোণ রেখে সুষম বহুভুজ বানায়। ১-এর পরের মূলটাকে বলি ω; বাকিরা তার ঘাত ω², ω³ ইত্যাদি।

zₖ = r^(1/n) (cos((θ + 360°k) / n) + i sin((θ + 360°k) / n))k = 0, 1, …, n − 1

  • এককের মূলগুলোর যোগফল সবসময় ০ (n ≥ ২ হলে), রিডিংয়েও দেখবে।
  • তাদের গুণফল ±১, আর প্রতিটি মূল প্রথমটার ঘাত।
  • একটা w-র জন্য zⁿ = w-র মূল জানা থাকলে বাকিগুলো পাওয়া যায় এককের মূল দিয়ে গুণ করে।
kএককের চতুর্থ মূলআর্গুমেন্ট
০১০°
১i৯০°
২-১১৮০°
৩−i-৯০°

সিমুলেশনে নিজে করে দেখো

ছয়টা ছোট পরীক্ষা, প্রতিটা এক মিনিটের।

  • “যোগ”-এ z₂-কে z₁-এর উল্টো পাশে মূলবিন্দুর ওপারে নাও। যোগফল ছোট হয়। z₂ = −z₁ হলে যোগফল ০।
  • “গুণ”-এ z₂ = ০ + ১i (অর্থাৎ i) করো। গুণফল হলো z₁-কে এক-চতুর্থাংশ ঘোরানো, দৈর্ঘ্য একই।
  • “গুণ”-এ z₂-কে একক বৃত্তে রাখো। গুণফলের মডুলাস z₁-এর সমান থাকে, শুধু ঘোরে।
  • “অনুবন্ধী”-তে z₁-কে বাস্তব অক্ষ পেরিয়ে টানো, দেখো z₁ আর z̄₁ জায়গা বদলাচ্ছে।
  • “ঘাত zⁿ”-এ z₁ প্রায় ১.১ + ০i রাখো আর n বাড়িয়ে ৮ করো। দেখো বিন্দুগুলো কত দ্রুত ছুটে যায়।
  • “এককের n-তম মূল”-এ n ২ থেকে ৮ পর্যন্ত বাড়াও। বহুভুজ একটা করে কোণ পায়, আর মূলগুলোর যোগফল ০-ই থাকে।

সমাধান করা সমস্যা

ছয়টা চেনা প্রশ্ন। নিচের প্রতিটি সংখ্যা সিমুলেশনের একই ফাংশন দিয়ে হিসাব করা।

সমস্যা ১: দুটি সংখ্যার গুণ

(৩ + ৪i)(১ − ২i) বের করো।

বিস্তার করো: ৩ − ৬i + ৪i − ৮i², আর i² = −১ বলে −৮i² = +৮। ফল ১১ − ২i। মডুলাস দিয়ে মেলাও: ৫ × √৫ = ১১.১৮, আর |১১ − ২i| = ১১.১৮। মিলে গেল।

সমস্যা ২: মডুলাস ও আর্গুমেন্ট

-১ + i-এর মডুলাস ও আর্গুমেন্ট বের করো।

মডুলাস: √((−১)² + ১²) = ১.৪১৪। বিন্দুটা ওপরে-বামে, দ্বিতীয় চতুর্ভাগে, তাই আর্গুমেন্ট ১৩৫°। মিলিয়ে দেখো: ১.৪১৪ × cos ১৩৫° = -১, বাস্তব অংশ।

সমস্যা ৩: ভাগ

(১ + ২i) ÷ (৩ − i) বের করো।

লব আর হরকে হরের অনুবন্ধী ৩ + i দিয়ে গুণ করো। লব হয় ১ + ৭i। হর হয় ৩² + ১² = ১০, বাস্তব। উত্তর ০.১ + ০.৭i।

সমস্যা ৪: বড় ঘাত

(১ + i)⁸ বের করো। আটবার বিস্তার করতে গেলে অনন্তকাল লাগবে। পোলারে যাও: মডুলাস √২ (প্রায় ১.৪১৪) আর আর্গুমেন্ট ৪৫°।

৮ ঘাতে: মডুলাস ১৬, আর্গুমেন্ট ৮ × ৪৫° = ৩৬০°, পুরো এক পাক। তাই (১ + i)⁸ = ১৬।

সমস্যা ৫: এককের ঘনমূল

z³ = ১ সমাধান করো। মূল তিনটা ১, ω = -০.৫ + ০.৮৭i আর ω² = -০.৫ − ০.৮৭i। এরা ০°, ১২০° আর ২৪০°-তে, একক বৃত্তে একটা ত্রিভুজ।

তথ্যগুলো মিলিয়ে নাও: ১ + ω + ω² = ০, গুণফল ω · ω² = ১ (অর্থাৎ ১), আর ω-র বর্গ -০.৫ − ০.৮৭i তৃতীয় মূল।

সমস্যা ৬: −১৬-র চতুর্থ মূল

z⁴ = −১৬ সমাধান করো। −১৬-র মডুলাস ১৬ আর আর্গুমেন্ট ১৮০°। তাই প্রতিটি মূলের মডুলাস ১৬^(১/৪) = ২, আর আর্গুমেন্ট (১৮০° + ৩৬০°k) ÷ ৪ = ৪৫°, ১৩৫°, ২২৫°, ৩১৫°।

মূলগুলো ১.৪১ + ১.৪১i, -১.৪১ + ১.৪১i, -১.৪১ − ১.৪১i, ১.৪১ − ১.৪১i। মিলিয়ে দেখো: প্রথমটার চতুর্থ ঘাত -১৬।

যেসব ভুল এড়িয়ে চলবে

এই ভুলগুলোতে বারবার নম্বর কাটা যায়।

  • i² = −১ ভুলে গিয়ে উত্তরে i² রেখে দেওয়া।
  • গুণের সময় মডুলাস যোগ করা। মডুলাস গুণ হয়; যোগ হয় আর্গুমেন্ট।
  • চতুর্ভাগ না দেখে tan⁻¹(b/a) থেকে আর্গুমেন্ট নেওয়া। −১ + i দ্বিতীয় চতুর্ভাগে, চতুর্থে নয়।
  • অনুবন্ধী দিয়ে গুণ না করেই ভাগ করা।
  • n-তম মূলের মাত্র একটা বের করা। মূল n-টা, ৩৬০°/n ব্যবধানে।
  • |z|² আর z² সমান ধরা। z অঋণাত্মক বাস্তব না হলে এরা সমান নয়।

জটিল সংখ্যার ব্যবহার কোথায়

বৈদ্যুতিক প্রকৌশলীরা পরিবর্তী প্রবাহ লেখেন জটিল সংখ্যায়, কারণ ঘূর্ণায়মান তীরই তরঙ্গের স্বাভাবিক ছবি। সিগন্যাল প্রসেসিং, রেডিও আর ওয়াই-ফাই ফুরিয়ার রূপান্তরের মাধ্যমে একই ধারণায় চলে।

কম্পিউটার গ্রাফিক্সে ২ডি ঘোরানোর দ্রুত উপায় জটিল গুণ, আর ম্যান্ডেলব্রট সেটের মতো ফ্র্যাক্টাল আসে জটিল সংখ্যা বারবার বর্গ করে। কোয়ান্টাম পদার্থবিজ্ঞান এদের ছাড়া লেখাই যায় না।

পরীক্ষার কোণ

এইচএসসি উচ্চতর গণিত আর ভর্তি পরীক্ষার জন্য মনে রাখো।

  • z = a + bi বসে (a, b)-তে। |z| = √(a² + b²)। আর্গুমেন্ট বের করার সময় চতুর্ভাগ দেখো।
  • গুণফলে মডুলাস গুণ, আর্গুমেন্ট যোগ। ভাগফলে মডুলাস ভাগ, আর্গুমেন্ট বিয়োগ।
  • সাধারণ আকারে ভাগ করতে লব ও হরকে হরের অনুবন্ধী দিয়ে গুণ করো।
  • ডি মোয়াভার: (r cis θ)ⁿ = rⁿ cis nθ। মূল: কোণকে n দিয়ে ভাগ করো, আর ৩৬০°k ÷ n যোগ করো।
  • z³ = ১-এর মূল ১, ω, ω², আর ১ + ω + ω² = ০, ω³ = ১।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

আরগান্ড চিত্র কী?

এটা এমন একটা সমতল, যেখানে জটিল সংখ্যা a + bi কে (a, b) বিন্দু হিসেবে আঁকা হয়: বাস্তব অংশ আনুভূমিক অক্ষ বরাবর, কাল্পনিক অংশ খাড়া অক্ষ বরাবর।

জটিল সংখ্যার মডুলাস ও আর্গুমেন্ট কী?

মডুলাস হলো মূলবিন্দু থেকে দূরত্ব, √(a² + b²)। আর্গুমেন্ট হলো মূলবিন্দু থেকে বিন্দু পর্যন্ত রেখা ধনাত্মক বাস্তব অক্ষের সঙ্গে ঘড়ির উল্টো দিকে যে কোণ করে।

জটিল সংখ্যার গুণ জ্যামিতিকভাবে কী?

মডুলাস গুণ করো আর আর্গুমেন্ট যোগ করো। প্রথম সংখ্যাটা দ্বিতীয়টার কোণে ঘোরে আর দ্বিতীয়টার মডুলাসের গুণে টান খায়।

অনুবন্ধী জটিল সংখ্যা কী?

a + bi-এর অনুবন্ধী a − bi, বাস্তব অক্ষে আয়নার ছবি। কোনো সংখ্যা আর তার অনুবন্ধীর গুণফল তার মডুলাসের বর্গ, যা বাস্তব।

ডি মোয়াভারের উপপাদ্য কী বলে?

বলে (cos θ + i sin θ)ⁿ = cos nθ + i sin nθ। কথায়: n ঘাতে তুললে আর্গুমেন্ট n গুণ হয় আর মডুলাসের n ঘাত হয়।

এককের n-তম মূলগুলো সুষম বহুভুজ বানায় কেন?

সবার মডুলাস ১, তাই তারা একক বৃত্তে থাকে, আর পরপর দুই মূলের কোণের ব্যবধান একই ৩৬০°/n। বৃত্তে সমান কোণ মানে সুষম বহুভুজ।

এই বিষয়ের আরও পড়াশোনা

অ্যানিমেশনে ধারণা পরিষ্কার হলো, এবার পরীক্ষার প্রস্তুতি: সিলেবাস, সাজেশন, বই আর ভর্তি পরীক্ষার গাইড নিচে।

HSC

এইচএসসি উচ্চতর গণিত: সিলেবাস ও প্রস্তুতি

পাঠ্যবই

নবম-দশম শ্রেণির উচ্চতর গণিত বই

ভর্তি

ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি

SSC

এসএসসি গণিত: সিলেবাস ও প্রস্তুতি

SSC

এসএসসি উচ্চতর গণিত: সিলেবাস ও প্রস্তুতি

পাঠ্যবই

নবম-দশম শ্রেণির গণিত বই

ভর্তি

জাবি গাণিতিক ও পদার্থবিষয়ক অনুষদ ভর্তি

English

Paragraph: Artificial Intelligence (ইংরেজিতে)

বাংলা

রচনা: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

SSC

এসএসসি সাজেশন

HSC

এইচএসসি সাজেশন

ভর্তি

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার গাইড

SSC

এসএসসি সিলেবাস

HSC

এইচএসসি সিলেবাস

টেস্ট

GRE Quantitative Reasoning guide (ইংরেজিতে)

টেস্ট

Digital SAT Math guide (ইংরেজিতে)

স্কলারশিপ

বিদেশে পড়াশোনার স্কলারশিপ

টুল

Compound interest calculator (ইংরেজিতে)

ক্যারিয়ার

Data scientist resume example (ইংরেজিতে)

ক্যারিয়ার

Cover letter examples (ইংরেজিতে)

আরও গণিত অ্যানিমেশন

Class 8 · SSC

পিথাগোরাসের উপপাদ্য

পিথাগোরাসের উপপাদ্য কাকে বলে, সূত্র c² = a² + b², অষ্টম ও নবম-দশম শ্রেণির প্রমাণ, বিপরীত উপপাদ্য, পিথাগোরীয় ত্রয়ী ও সমাধানসহ অঙ্ক: ত্রিভুজ টেনে নিজে দেখো।

SSC · HSC

ত্রিকোণমিতিক অনুপাত ও একক বৃত্ত

ত্রিকোণমিতিক অনুপাত কাকে বলে, sin cos tan-এর মান ০° থেকে ৩৬০°, আদর্শ কোণের টেবিল, চতুর্ভাগের চিহ্ন ও সূত্র: একক বৃত্তে বিন্দু ঘুরিয়ে নিজে দেখো, সমাধানসহ।

SSC · HSC

দ্বিঘাত সমীকরণ ও দ্বিঘাত ফাংশনের লেখচিত্র

দ্বিঘাত সমীকরণ কাকে বলে, উৎপাদক ও বর্গপূর্ণকরণ পদ্ধতি, শ্রীধর আচার্যের সূত্র, নিশ্চায়ক দিয়ে মূলের প্রকৃতি, শীর্ষবিন্দু ও পরাবৃত্তের লেখচিত্র অ্যানিমেশনে।

SSC

বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য

বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য সহজে: কেন্দ্রস্থ ও বৃত্তস্থ কোণ, অর্ধবৃত্তস্থ কোণ, বৃত্তীয় চতুর্ভুজ, জ্যা ও স্পর্শক। SSC-র প্রমাণ আর সমাধানসহ অঙ্ক, বিন্দু টেনে নিজে দেখো।

SSC

দূরত্ব ও উচ্চতা: উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ

উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ কাকে বলে, দূরত্ব ও উচ্চতার সূত্র কীভাবে কাজ করে, আর দুই দফা পর্যবেক্ষণে না মেপেই টাওয়ারের উচ্চতা বের করা যায় কীভাবে — ইন্টারঅ্যাকটিভ সিমুলেশন ও সমাধানসহ।

SSC

সম্ভাবনা: পরীক্ষালব্ধ বনাম তাত্ত্বিক সম্ভাবনা

সম্ভাবনা কাকে বলে, নমুনা ক্ষেত্র ও সম্ভাবনার সূত্র P(E) = n(E)/n(S) কীভাবে কাজ করে, আর বহুবার নিক্ষেপ করলে পরীক্ষালব্ধ হার কীভাবে তাত্ত্বিক সম্ভাবনার কাছাকাছি চলে আসে — মুদ্রা, ছক্কা, দুই ছক্কা ও রঙিন বল দিয়ে ইন্টারঅ্যাকটিভ সিমুলেশন ও সমাধান করা অঙ্কসহ।

SSC · HSC

সমান্তর ও গুণোত্তর ধারা

সমান্তর ধারা ও গুণোত্তর ধারার n-তম পদ ও যোগফল সূত্র, গাউসের জোড়া বাঁধার কৌশল আর অসীম ধারার সূত্র a/(1−r): বার-চার্ট অ্যানিমেশনে নিজে টেনে দেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।

SSC

গড়, মধ্যক ও প্রচুরক

গড়, মধ্যক ও প্রচুরক নির্ণয়ের সূত্র, আউটলায়ারে মধ্যক কেন অটুট থাকে, আর শ্রেণিবদ্ধ উপাত্তের মধ্যক-প্রচুরক সূত্র: বিন্দু টেনে সংখ্যা রেখায় নিজে দেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।

Class 9 · SSC

সেট ও ভেনচিত্র

সংযোগ সেট, ছেদ সেট, অন্তর সেট, পূরক সেট আর ডি মরগানের সূত্র ভেনচিত্রে হাতে-কলমে দেখো: অঞ্চল রাঙাও, সংখ্যা বসাও, n(A ∪ B) সূত্র যাচাই করো, সমাধান করা অঙ্কসহ।

Class 8 · SSC

সরল সহসমীকরণ ও সরলরেখার লেখচিত্র

ঢাল, ছেদক ও ছেদবিন্দু অ্যানিমেশনে দেখো। দুটি সরল সমীকরণ লেখচিত্রে এঁকে সমাধান করো, সমঞ্জস-অসমঞ্জস চেনো এবং অনুপাত পরীক্ষা কষে নাও, SSC-র ধাঁচে।

SSC · HSC

sin, cos, tan-এর লেখচিত্র

y = A sin(Bx + C) + D আঁকো স্লাইডার টেনে: বিস্তার, পর্যায়কাল, দশা সরণ, মানের পরিসর আর tan-এর অসীমতট নিজে দেখো। সমাধানসহ ত্রিকোণমিতিক লেখচিত্র।

Class 9 · SSC

পূর্ণবর্গ পদ্ধতি ও দ্বিঘাত সমীকরণের সমাধান

টালি সাজিয়ে পূর্ণবর্গ পদ্ধতি দেখো, দ্বিঘাত সমীকরণের মূল ও শীর্ষবিন্দু বের করো এবং সূত্রটা কেন কাজ করে বুঝে নাও। অ্যানিমেশন ও সমাধানসহ।

Class 8 · SSC

বৃত্তের ক্ষেত্রফল: সূত্র, প্রমাণ ও সমাধান

বৃত্তকে টুকরো করে সাজিয়ে আয়তক্ষেত্র বানাও আর দেখো ক্ষেত্রফল কীভাবে πr² হয়। পরিধি, পাই, বৃত্তকলা, বৃত্তচাপ ও সমাধানসহ ফ্রি ইন্টারঅ্যাকটিভ সিমুলেশন।

Class 8 · SSC

ঘনবস্তুর আয়তন ও তলের ক্ষেত্রফল: ঘনক, আয়তঘন, বেলন, কোণক, গোলক

ছয়টি ঘনবস্তু ৩ডি-তে ঘোরাও, জাল খুলে দেখো আর কোণকের পানি বেলনে ঢেলে বোঝো কেন ঠিক তিন বারে ভরে। আয়তন, বক্রতল ও সমগ্রতলের সূত্র আর সমাধানসহ বিনামূল্যের সিমুলেশন।

Class 9 · SSC

সদৃশ ত্রিভুজ: স্কেল ফ্যাক্টর, AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়া থেকে উচ্চতা

স্লাইডার টেনে ত্রিভুজকে বড়-ছোট করো আর দেখো কোণ সমান থাকে, বাহুর অনুপাত k থাকে, ক্ষেত্রফল k² গুণ হয়। সদৃশতার AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়ার অঙ্কসহ বিনামূল্যের সিমুলেশন।

Class 9 · SSC

স্থানাঙ্ক জ্যামিতি: দূরত্ব, মধ্যবিন্দু, ঢাল, বিভক্তিকরণ সূত্র ও সঞ্চারপথ

গ্রিডে বিন্দু টেনে দেখো দূরত্বের সূত্র, মধ্যবিন্দু, ঢাল আর বিভক্তিকরণ সূত্র কীভাবে বদলায়। লম্বসমদ্বিখণ্ডক সঞ্চারপথ ও সমাধান করা অঙ্কসহ বিনামূল্যের সিমুলেশন।

HSC

শাঙ্কব ছেদ: বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত ও অধিবৃত্ত

দ্বিশঙ্কুর মধ্য দিয়ে তল কাত করে দেখো বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত আর অধিবৃত্ত কীভাবে তৈরি হয়। সমীকরণ, ফোকাস ও উৎকেন্দ্রিকতাসহ বিনামূল্যের সিমুলেশন ও সমাধান করা অঙ্ক।

Class 9 · SSC

ফাংশনের রূপান্তর: সরানো, টানা ও উল্টানো

x², |x|, √x, sin x বা 2^x বেছে a, b, h, k স্লাইডার নাড়াও। দেখো লেখচিত্র কীভাবে সরে, টানে, চাপে আর উল্টে যায়, পেছনে ফিকে মূল লেখচিত্রসহ। বিনামূল্যের সিমুলেশন ও সমাধান করা অঙ্ক।

HSC

অন্তরীকরণ: স্পর্শকের ঢাল ও ছেদক থেকে স্পর্শক

x², x³, sin x, eˣ বা 1/x বক্ররেখায় P বিন্দু টানো আর ব্যবধান h শূন্যের দিকে কমাও। ছেদক কীভাবে স্পর্শক হয় আর তার ঢাল কীভাবে অন্তরজ হয় তা দেখো। নিচে অন্তরজের লেখচিত্রও আছে। বিনামূল্যে সিমুলেশন।

HSC

রিম্যান যোগফল ও সমাকলন: বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফল

x², x³, sin x, eˣ বা √x বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফলকে ১০০টি পর্যন্ত ফালিতে ভাগ করো, বাঁ, ডান, মধ্যবিন্দু ও ট্রাপিজিয়াম যোগফলকে সঠিক সমাকলনের সঙ্গে মেলাও। ভুল কমতে দেখো। বিনামূল্যে সিমুলেশন।

HSC

সীমা ও ε–δ সংজ্ঞা: ছবিতে বোঝা

ε–δ সংজ্ঞায় সীমা চোখে দেখো। ফাংশন বেছে ε ছোট করো, δ ব্যান্ড কীভাবে সরু হয় দেখো। বাম-ডান সীমা, গর্ত, sin x / x আর লাফ, যেখানে কোনো δ কাজ করে না। বিনামূল্যে সিমুলেশন।

HSC

ত্রিমাত্রিক ভেক্টর: যোগ, ডট গুণ ও ক্রস গুণ

দুটি ত্রিমাত্রিক ভেক্টর টেনে ঘুরিয়ে দেখো। যোগফল সামান্তরিক হয়ে, ডট গুণ ছায়া ও কোণ হয়ে, আর ক্রস গুণ লম্ব তীর হয়ে ধরা দেবে, যার দৈর্ঘ্য ক্ষেত্রফল। বিনামূল্যে সিমুলেশন।

HSC

ম্যাট্রিক্স রূপান্তর: ঘূর্ণন, প্রতিফলন, শিয়ার ও নির্ণায়ক

২×২ ম্যাট্রিক্স বদলে দেখো ছক, একক বর্গ আর একটা F-আকৃতি কীভাবে নড়ে। î আর ĵ কোথায় যায়, নির্ণায়ক কীভাবে চিহ্নযুক্ত ক্ষেত্রফল, আর বিপরীত ম্যাট্রিক্স। বিনামূল্যে সিমুলেশন।

SSC · HSC

বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি: স্থানীয় মান, রূপান্তর ও যোগ

বিট উল্টে দেখো দশমিক, বাইনারি, অক্টাল ও হেক্সা একসাথে বদলায়। ২ দিয়ে ভাগ, ৩-৪ বিটের গ্রুপ আর ক্যারিসহ বাইনারি যোগ হাতে-কলমে। বিনা মূল্যে, সমাধান করা অঙ্কসহ।

অন্য বিষয়ের অ্যানিমেশন

পদার্থবিজ্ঞান

আলোর প্রতিসরণ

পদার্থবিজ্ঞান

ওহমের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

প্রাসের গতি

পদার্থবিজ্ঞান

সরল দোলক

পদার্থবিজ্ঞান

তড়িৎ ক্ষেত্র

পদার্থবিজ্ঞান

তরঙ্গের ব্যতিচার

পদার্থবিজ্ঞান

পড়ন্ত বস্তু ও পড়ন্ত বস্তুর সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

লেন্সে প্রতিবিম্ব গঠন

পদার্থবিজ্ঞান

নিউটনের গতির সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

গোলীয় দর্পণে প্রতিবিম্ব গঠন

পদার্থবিজ্ঞান

তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ ও ফ্যারাডের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

ভরবেগের সংরক্ষণ ও সংঘর্ষ

পদার্থবিজ্ঞান

কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি

পদার্থবিজ্ঞান

নততল

পদার্থবিজ্ঞান

বৃত্তাকার গতি

পদার্থবিজ্ঞান

অনুপ্রস্থ ও অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ

পদার্থবিজ্ঞান

লিভার ও ভ্রামক

পদার্থবিজ্ঞান

ভরকেন্দ্র

পদার্থবিজ্ঞান

স্প্রিং-ভর ও সরল ছন্দিত স্পন্দন

পদার্থবিজ্ঞান

ভেক্টর যোগ: ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

আপেক্ষিক বেগ: ট্রেন ও নদী পারাপার

পদার্থবিজ্ঞান

কেপলারের সূত্র ও উপবৃত্তাকার কক্ষপথ

পদার্থবিজ্ঞান

নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র, g ও কৃত্রিম উপগ্রহ

পদার্থবিজ্ঞান

তার ও নলে স্থির তরঙ্গ

পদার্থবিজ্ঞান

অনুনাদ নল ও শব্দের দ্রুতি

পদার্থবিজ্ঞান

স্বরকম্প: কাছাকাছি দুই সুরের স্পন্দন

পদার্থবিজ্ঞান

ডপলার প্রভাব: চলমান উৎস, চলমান শ্রোতা ও সনিক বুম

পদার্থবিজ্ঞান

প্রিজম, আলোর বিচ্ছুরণ ও রামধনু

পদার্থবিজ্ঞান

কির্শফের সূত্র: সংযোগ সূত্র ও বদ্ধ পথ সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

হুইটস্টোন ব্রিজ ও মিটার ব্রিজ

পদার্থবিজ্ঞান

একক চিড়ে অপবর্তন

পদার্থবিজ্ঞান

চোখের ত্রুটি ও তার প্রতিকার

পদার্থবিজ্ঞান

আলোর সমবর্তন: ম্যালাসের সূত্র ও ব্রুস্টারের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

ক্যাপাসিটরের আহিতকরণ ও নিরাহিতকরণ: আরসি সময় ধ্রুবক

পদার্থবিজ্ঞান

চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা: দণ্ডচুম্বক, তড়িৎবাহী সরল তার ও সলিনয়েড

পদার্থবিজ্ঞান

এসি জেনারেটর

পদার্থবিজ্ঞান

ট্রান্সফর্মার

পদার্থবিজ্ঞান

তাপের সঞ্চালন: পরিবহন, পরিচলন ও বিকিরণ

পদার্থবিজ্ঞান

আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া: আইনস্টাইনের সমীকরণ ও নিবৃত্তি বিভব

পদার্থবিজ্ঞান

মোটর ক্রিয়া: তড়িৎবাহী তারের ওপর বল ও ডিসি মোটর

পদার্থবিজ্ঞান

গ্যাসের অণু ও গতিতত্ত্ব: চাপ, তাপমাত্রা ও দ্রুতি

পদার্থবিজ্ঞান

অর্ধপরিবাহী ডায়োড: p–n সন্ধি, I–V বক্ররেখা ও রেক্টিফায়ার

পদার্থবিজ্ঞান

তেজস্ক্রিয় ক্ষয়: অর্ধায়ু, ক্ষয় সূত্র ও বিকিরণের ভেদন ক্ষমতা

পদার্থবিজ্ঞান

বোর পরমাণু মডেল: কক্ষপথ, শক্তিস্তর ও হাইড্রোজেনের বর্ণালি

রসায়ন

পরমাণুর গঠন

রসায়ন

এসিড, ক্ষারক ও pH স্কেল

রসায়ন

ইলেকট্রন বিন্যাস

রসায়ন

গ্যাসের সূত্র: বয়েল, চার্লস ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ

রসায়ন

আয়নিক বন্ধন কীভাবে গঠিত হয়

রসায়ন

তড়িৎ বিশ্লেষণ ও ফ্যারাডের সূত্র

রসায়ন

সমযোজী বন্ধন

রসায়ন

পর্যায়বৃত্ত ধর্ম

রসায়ন

বিক্রিয়ার হার ও সংঘর্ষ তত্ত্ব

রসায়ন

পদার্থের অবস্থা: কঠিন, তরল, গ্যাসীয় ও তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র

রসায়ন

পরমাণুর অরবিটাল: s, p, d-এর আকৃতি, কোয়ান্টাম সংখ্যা ও নোড

রসায়ন

আণবিক আকৃতি ও ভিএসইপিআর তত্ত্ব: বন্ধন জোড়, মুক্তজোড় ও বন্ধন কোণ

রসায়ন

মোল ধারণা: মোলার ভর, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা ও মোলার আয়তন

রসায়ন

ব্যাপন ও নিঃসরণ: গ্রাহামের সূত্র

রসায়ন

রাসায়নিক সমীকরণ সমতাকরণ: পদ্ধতি, উদাহরণ ও অনুশীলন

রসায়ন

রাসায়নিক সাম্যাবস্থা: সাম্যধ্রুবক Kc ও লা শাতেলিয়ের নীতি

রসায়ন

টাইট্রেশন: অম্ল-ক্ষারের ঘনমাত্রা বের করার পদ্ধতি

রসায়ন

গ্যালভানিক কোষ: ড্যানিয়েল কোষ, EMF ও নার্নস্ট সমীকরণ

রসায়ন

জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া: জারণ সংখ্যা, ইলেকট্রন স্থানান্তর ও অর্ধ-সমীকরণ

রসায়ন

হাইড্রোকার্বন: অ্যালকেন, অ্যালকিন, অ্যালকাইন ও কাঠামোগত সমাণু ত্রিমাত্রায়

রসায়ন

কার্যকরী মূলক: অ্যালকোহল, অ্যালডিহাইড, কিটোন, অ্যাসিড, এস্টার ও অ্যামিন

রসায়ন

পলিমারকরণ: যোজন ও ঘনীভবন পলিমার, পলিথিন ও নাইলন

রসায়ন

মিশ্রণ আলাদা করার পদ্ধতি: ছাঁকন, পাতন, ক্রোমাটোগ্রাফি, স্ফটিকীকরণ

রসায়ন

কেলাস জালক: SC, BCC ও FCC একক কোষ, প্যাকিং দক্ষতা ও ঘনত্ব

রসায়ন

তেজস্ক্রিয়তা: আলফা, বিটা, গামা ক্ষয় ও অর্ধায়ু

জীববিজ্ঞান

মাইটোসিস কোষ বিভাজন

জীববিজ্ঞান

ব্যাপন ও অভিস্রবণ

জীববিজ্ঞান

সালোকসংশ্লেষণ

জীববিজ্ঞান

মানব হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কাজ

জীববিজ্ঞান

মেন্ডেলের বংশগতি সূত্র

জীববিজ্ঞান

ডিএনএ রেপ্লিকেশন

জীববিজ্ঞান

কোষীয় শ্বসন

জীববিজ্ঞান

এনজাইম ক্রিয়া

জীববিজ্ঞান

স্নায়ু উদ্দীপনার পরিবহন ও অ্যাকশন পটেনশিয়াল

জীববিজ্ঞান

নেফ্রন ও মূত্র তৈরির প্রক্রিয়া

জীববিজ্ঞান

মিয়োসিস কোষ বিভাজন

জীববিজ্ঞান

পরিপাকতন্ত্র

জীববিজ্ঞান

শ্বাসক্রিয়ার কৌশল: প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস

জীববিজ্ঞান

প্রোটিন সংশ্লেষণ

জীববিজ্ঞান

রক্ত সংবহন: দ্বি-সংবহন ও কার্ডিয়াক আউটপুট

জীববিজ্ঞান

কোষের গঠন ও অঙ্গাণু: উদ্ভিদ কোষ বনাম প্রাণী কোষ

জীববিজ্ঞান

প্রতিবর্ত ক্রিয়া ও প্রতিবর্ত চাপ

জীববিজ্ঞান

মানুষের চোখ: গঠন, প্রতিবিম্ব ও উপযোজন

জীববিজ্ঞান

পেশি সংকোচন ও স্লাইডিং ফিলামেন্ট মডেল

জীববিজ্ঞান

উদ্ভিদে পরিবহন: জাইলেম, ফ্লোয়েম ও বাষ্পমোচন

জীববিজ্ঞান

খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজাল: শক্তির প্রবাহ ও ১০ % নিয়ম

জীববিজ্ঞান

জনসংখ্যা বৃদ্ধি: সূচকীয় ও লজিস্টিক রেখা

জীববিজ্ঞান

প্রাকৃতিক নির্বাচন: পেপার্ড মথ ও কালিঝুলি মাখা গাছ

জীববিজ্ঞান

রোগপ্রতিরোধ: প্রাথমিক ও গৌণ অ্যান্টিবডি সাড়া

জীববিজ্ঞান

পরাগায়ন ও নিষেক