নিয়ন্ত্রণ
কোন দৃশ্য
পরিমাপ
- লালের বিচ্যুতি
- ৩৮.৩২°
- বেগুনির বিচ্যুতি
- ৩৯.৯৯°
- কৌণিক বিচ্ছুরণ
- ১.৬৭°
- ন্যূনতম বিচ্যুতি (হলুদ)
- ৩৮.৮৪°
- তখন আপতন কোণ
- ৪৯.৪২°
- লালের প্রতিসরাঙ্ক
- ১.৫১৩
- বেগুনির প্রতিসরাঙ্ক
- ১.৫৩২
- বিচ্ছুরণ ক্ষমতা
- ০.০৩৭
- সংকট কোণ (লাল)
- ৪১.৪°
সিমুলেশনটি কীভাবে ব্যবহার করবে
- “প্রিজমে আলো” দৃশ্য দিয়ে শুরু করো। ৬০° কোণের প্রিজমের বাঁ তলে সাদা রশ্মি পড়ছে i = ৫০° কোণে। ডান তল থেকে ছয় রঙের রশ্মি বেরোচ্ছে। ডানের পর্দা দেখাচ্ছে লাল আর বেগুনি কোথায় পড়ল।
- রঙগুলো স্পষ্ট দেখতে নিয়ন্ত্রণের নিচে “রঙের ফারাক বড় করে দেখাও” টিক দাও। আসল ফারাক ছোট, এখানে মাত্র ১.৬৭°, তাই ছবিতে তা গুণ করে দেখানো হয়। ডানের পরিমাপগুলো সব সময় আসল মান।
- আপতন কোণ টানো। পুরো বর্ণালি ওপর-নিচে দুলবে, আর এক জায়গায় থেমে উল্টোদিকে ঘুরে যাবে। ওই ঘুরে যাওয়ার বিন্দুই ন্যূনতম বিচ্যুতি।
- এবার প্রিজম কোণ A টানো। বড় প্রিজম আলোকে বেশি বাঁকায় এবং রঙ বেশি ছড়ায়। A বড় আর i ছোট করলে একটা রঙ উধাও হয়ে যাবে: কাচের ভেতরেই সেটা পুরো ফিরে এসেছে।
- “বিচ্যুতি বনাম আপতন কোণ” দৃশ্যে যাও। প্রতিটি রঙের জন্য একটা U আকারের বক্ররেখা পাবে। সবুজ বিন্দু ন্যূনতম বিন্দু চিহ্নিত করে, সঙ্গে তার মান এবং কোন আপতন কোণে সেটা ঘটে।
- “রামধনু” দৃশ্য খোলো। ফোঁটার ওপর আপতন কোণ বদলাও এবং দেখো লাল ও বেগুনি কোথা দিয়ে বেরোচ্ছে। লেখচিত্র দেখাচ্ছে রশ্মিগুলো কেন ৪২°-এর কাছে ঠাসাঠাসি করে।
একটুকরো কাচ নিয়ে নিউটনের কৌশল
১৬৬৬ সালের আগে বেশির ভাগ মানুষ ভাবত প্রিজম আলোয় রঙ যোগ করে। নিউটন জানালার খড়খড়িতে ছোট ফুটো করলেন, সরু সূর্যরশ্মি প্রিজমে ফেললেন, আর দেয়ালে রঙিন একটা পট্টি ধরলেন। তারপর এল আসল চালাকি: একটা রঙকে দ্বিতীয় প্রিজমে পাঠিয়ে দেখলেন সেটা আর একটুও বদলায় না।
সিদ্ধান্ত হলো, সূর্যের আলো আগে থেকেই নানা রঙের মিশ্রণ, প্রিজম শুধু তাদের আলাদা করে। এই আলাদা হওয়াকে বলে বিচ্ছুরণ, আর রঙের পট্টিটা বর্ণালি, এক প্রান্তে লাল, অন্য প্রান্তে বেগুনি।
রামধনু, হীরার ঝিলিক, সস্তা লেন্সে উজ্জ্বল বস্তুর চারপাশের রঙিন কিনারা, সবকিছুর পেছনে বিচ্ছুরণ। পরীক্ষায় এর সঙ্গে আসে হাতে গোনা কয়েকটা সূত্র আর একটা বিখ্যাত লেখচিত্র, যার সবই সিমুলেশনে নিজে বানিয়ে ফেলতে পারবে।
রঙগুলো আলাদা হয় কেন
আলো কাচে ঢুকলে ধীর হয়ে যায়, আর এই ধীর হওয়ার ফলেই পথ বাঁকে। বাঁকের পরিমাণ ঠিক করে প্রতিসরাঙ্ক n = c/v। আসল কথা হলো কাচের প্রতিসরাঙ্ক সব রঙের জন্য সমান নয়। বেগুনি আলো লালের চেয়ে একটু বেশি ধীর হয়, তাই বেশি বাঁকে।
সাধারণ ক্রাউন কাচে লালের প্রতিসরাঙ্ক ১.৫১৩, বেগুনির ১.৫৩২, পার্থক্য মাত্র ০.০১৯। প্রিজমের দুই তলেই এই ছোট ফারাক জমে রঙগুলোকে পাখার মতো ছড়িয়ে দেয়। মাঝখানের হলুদের মান প্রায় ১.৫১৯।
এগুলো সাধারণ মান। কাচের ধরন ভেদে সংখ্যা বদলায়, আর লাল-বেগুনির ঠিক কোন তরঙ্গদৈর্ঘ্য ধরলে সেটার ওপরও সামান্য নির্ভর করে। ক্রম মনে রাখাই আসল: n(লাল) < n(কমলা) < n(হলুদ) < n(সবুজ) < n(নীল) < n(বেগুনি)।
প্রিজমের ভেতর দিয়ে একটি রশ্মির পথ
প্রিজমের দুটি তল শীর্ষকোণ A-তে মিলেছে। রশ্মি প্রথম তলে i আপতন কোণে পড়ে, অভিলম্বের দিকে বেঁকে ভেতরে r₁ কোণে চলে। দ্বিতীয় তলে সে r₂ কোণে পৌঁছায় এবং e কোণে বেরিয়ে যায়, এবার অভিলম্ব থেকে দূরে বেঁকে।
দুই অভিলম্বের জ্যামিতি থেকে r₁ + r₂ = A। প্রতিটি তলের বাঁক যোগ করলে রশ্মির মোট ঘোরা, অর্থাৎ বিচ্যুতি কোণ, δ = i + e − A। প্রতিটি তলে স্নেলের সূত্র কোণগুলোকে জোড়ে: sin i = n sin r₁ এবং sin e = n sin r₂।
sin i = n sin r₁প্রথম তলে স্নেলের সূত্র
r₁ + r₂ = Aপ্রিজমের জ্যামিতি
sin e = n sin r₂দ্বিতীয় তলে স্নেলের সূত্র
δ = i + e − Aবিচ্যুতি কোণ
সমাধান ১: লাল ও বেগুনির পথ খোঁজা
ক্রাউন কাচে লালের জন্য n = ১.৫১৩ এবং বেগুনির জন্য ১.৫৩২। সাদা আলো ৬০° প্রিজমে ৫০° কোণে পড়ে। প্রতিটি রঙের বিচ্যুতি এবং দুইয়ের মধ্যবর্তী কোণ বের করো।
লাল
sin r₁ = sin ৫০° / ১.৫১৩, তাই r₁ = ৩০.৪২°। তারপর r₂ = A − r₁, এবং sin e = ১.৫১৩ × sin r₂ থেকে e = ৪৮.৩২°।
δ(লাল) = ৫০ + ৪৮.৩২ − ৬০ = ৩৮.৩২°
বেগুনি
১.৫৩২ দিয়ে একই ধাপে পাই r₁ = ৩০.০০° এবং e = ৪৯.৯৯°।
δ(বেগুনি) = ৫০ + ৪৯.৯৯ − ৬০ = ৩৯.৯৯°
দুইয়ের মধ্যবর্তী কোণ
কৌণিক বিচ্ছুরণ হলো পার্থক্য: ৩৯.৯৯° − ৩৮.৩২° = ১.৬৭°। দুই মিটার দূরের পর্দায় বর্ণালির পট্টি কয়েক সেন্টিমিটার চওড়া হয়।
বিচ্যুতির লেখচিত্র ও ন্যূনতম মান
প্রিজম স্থির রেখে শুধু আপতন কোণ বদলাও। বিচ্যুতি সমানভাবে বাড়ে না। সে কমতে কমতে একটা সবচেয়ে ছোট মানে পৌঁছায়, এই ন্যূনতম বিচ্যুতি δₘ, তারপর আবার বাড়ে। লেখচিত্রটা একটা অগভীর U। “বিচ্যুতি বনাম আপতন কোণ” দৃশ্যে প্রতিটি রঙের জন্য একটা করে দেখতে পাবে।
U-এর ঠিক তলায় রশ্মি প্রিজমের ভেতর দিয়ে প্রতিসম পথে যায়: i = e এবং r₁ = r₂ = A/2। অন্য কোনো কোণে এটা হয় না। এ কারণেই স্পেকট্রোমিটার সব সময় ন্যূনতম বিচ্যুতিতে বসানো হয়: রশ্মি সবচেয়ে স্পষ্ট হয়, আর i-তে ছোট ভুল হলেও δ প্রায় বদলায় না।
সারণিতে A = ৬০° রেখে ছয়টি আপতন কোণে লাল ও বেগুনির মান দেওয়া আছে। লক্ষ করো, দুই কলামের ন্যূনতম বিন্দু একটু আলাদা কোণে আসে, আর বেগুনির বিচ্যুতি সব সময় বেশি। আপতন কোণ ২৮.৯° থেকে ৩০.৩°-এর মধ্যে লাল তখনও বেরোয়, কিন্তু বেগুনি ভেতরে আটকে গেছে, তাই প্রথম সারিতে বেগুনির ঘর ফাঁকা।
i = e, r₁ = r₂ = A / 2ন্যূনতম বিচ্যুতিতে শর্ত
n = sin((A + δₘ)/2) / sin(A/2)ন্যূনতম মান থেকে প্রতিসরাঙ্ক
| আপতন কোণ i (°) | লালের বিচ্যুতি (°) | বেগুনির বিচ্যুতি (°) | পার্থক্য (°) |
|---|---|---|---|
| ৩০ | ৫০.৬৪ | — | — |
| ৪০ | ৩৯.৮৬ | ৪২.০০ | ২.১৪ |
| ৫০ | ৩৮.৩২ | ৩৯.৯৯ | ১.৬৭ |
| ৬০ | ৩৯.৯০ | ৪১.৪১ | ১.৫১ |
| ৭০ | ৪৩.৮৬ | ৪৫.৩১ | ১.৪৬ |
| ৮০ | ৫০.১৫ | ৫১.৫৯ | ১.৪৪ |
ন্যূনতম বিচ্যুতি ও প্রিজম কোণ
স্নেলের সূত্রে r₁ = A/2 এবং i = (A + δₘ)/2 বসালে ওপরের বাক্সের নিচের সূত্র পাওয়া যায়। কাচের প্রতিসরাঙ্ক মাপার এটাই প্রচলিত উপায়: প্রিজম বানাও, স্পেকট্রোমিটারে ন্যূনতম মান খোঁজো, আর A ও δₘ বসাও।
প্রিজম কোণ বড় হলে বিচ্যুতি বড় হয়, রঙের ফারাকও বড় হয়। সারণিতে হলুদ আলো ধরা হয়েছে, n = ১.৫১৯, আর ন্যূনতম মানের পাশে সেটা কত আপতন কোণে ঘটে তা-ও দেওয়া আছে।
| প্রিজম কোণ A (°) | ন্যূনতম বিচ্যুতি (°) | ন্যূনতম বিন্দুতে আপতন কোণ (°) |
|---|---|---|
| ৩০ | ১৬.৩০ | ২৩.১৫ |
| ৪৫ | ২৬.০৮ | ৩৫.৫৪ |
| ৬০ | ৩৮.৮৪ | ৪৯.৪২ |
| ৭৫ | ৬০.২৫ | ৬৭.৬২ |
সমাধান ২: প্রতিসরাঙ্ক বের করা
৬০° কোণের একটি প্রিজমে হলুদ আলোর ন্যূনতম বিচ্যুতি ৩৯°। কাচের প্রতিসরাঙ্ক কত?
ন্যূনতম বিচ্যুতির সূত্র ব্যবহার
অর্ধযোগফল (A + δₘ)/2 = ৪৯.৫°, আর sin(A/2) = sin 30° = 0.5।
n = sin ৪৯.৫° / 0.5 = ১.৫২১। ক্রাউন কাচের মান প্রায় ১.৫১৯, তাই এটা মিলে যাচ্ছে, পরিমাপ ঠিক ছিল।
পাতলা প্রিজম, বিচ্ছুরণ ক্ষমতা ও গড় বিচ্যুতি
প্রিজম কোণ ছোট আর রশ্মি প্রায় লম্বভাবে পড়লে সব কোণই এত ছোট যে sin x ≈ x ধরা যায়। তখন বিচ্যুতি δ = (n − 1) A। এটাই পাতলা প্রিজমের সূত্র, চশমার প্রিজম আর লেন্সের আলোকবিজ্ঞানে ব্যবহার হয়।
A = ৫° ধরো। লাল বিচ্যুত হয় ২.৫৬৫°, বেগুনি ২.৬৬০°, কৌণিক বিচ্ছুরণ মাত্র ০.০৯৫°। গড় বিচ্যুতি ২.৫৯৫°।
বিচ্ছুরণ ক্ষমতা ω হলো কৌণিক বিচ্ছুরণ ও গড় বিচ্যুতির অনুপাত: ω = (n_v − n_r)/(n_y − 1)। এটা প্রিজম কোণ যা-ই হোক, শুধু কাচের বৈশিষ্ট্য। আমাদের ক্রাউন কাচের জন্য এটি ০.০৩৭। বড় ω-র কাচ, যেমন ফ্লিন্ট, একই বাঁকে রঙ বেশি ছড়ায়।
δ = (n − 1) Aপাতলা প্রিজম, ছোট কোণ
ω = (n_v − n_r) / (n_y − 1)কাচের বিচ্ছুরণ ক্ষমতা
যখন একটা রঙ উধাও হয়: পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
দ্বিতীয় তলে রশ্মি কাচ থেকে বাতাসে যায়, তাই r₂ সংকট কোণের চেয়ে ছোট হলেই সে বেরোতে পারে, sin c = 1/n। আমাদের ক্রাউন কাচে লালের c = ৪১.৪° এবং বেগুনির c = ৪০.৭°।
বেগুনির সংকট কোণ ছোট, তাই আপতন কোণ কমালে বেগুনি আগে আটকা পড়ে। সিমুলেশনে A = ৬০° রেখে i-কে ৩০.৩°-এর নিচে নামাও: বেগুনি রশ্মি ডান তলে থেমে ভেতরে ফিরে যায়, আর লাল ২৮.৯° পর্যন্ত বেরোতে থাকে।
লেখচিত্রে এই অংশ লাল রঙে ছায়া করা। পরীক্ষার ভাষায়: প্রিজম কোণ খুব বড় বা আপতন কোণ খুব ছোট হলে রশ্মি দ্বিতীয় তল দিয়ে বেরোতে পারে না। নির্দিষ্ট কাচের জন্য এমন একটা সর্বোচ্চ প্রিজম কোণ আছে যার বেশি হলে কোনো রশ্মিই পার হয় না।
রামধনু আসলে পানির ফোঁটার প্রিজম
সূর্যের আলো গোলাকার বৃষ্টির ফোঁটায় ঢুকে প্রতিসৃত হয়, প্রিজমের মতোই বেগুনি লালের চেয়ে বেশি বাঁকে। তারপর ফোঁটার পেছনের তলে প্রতিফলিত হয়ে সামনে দিয়ে বেরিয়ে আসে, দ্বিতীয়বার প্রতিসরণ ঘটে। পথটা হলো প্রতিসরণ, একবার অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন, প্রতিসরণ।
রশ্মির বিচ্যুতি D = 180° + 2i − 4r, যেখানে r ফোঁটার ভেতরে প্রতিসরণ কোণ। কিনারার কাছে (বড় i) আর কেন্দ্রের কাছে (ছোট i) ঢোকা রশ্মি অনেক আলাদাভাবে বাঁকে। কিন্তু একটা আপতন কোণে D ন্যূনতম হয়, আর তার আশেপাশে অনেক ভিন্ন রশ্মি প্রায় একই দিকে বেরোয়। সেখানেই তারা ঠাসাঠাসি করে উজ্জ্বল ধনুক গড়ে।
পানির জন্য লালের n = ১.৩৩১ আর বেগুনির ১.৩৪৩। ঠাসাঠাসি ঘটে লালের i = ৫৯.৫° এবং বেগুনির ৫৮.৮°-এ, আর ফিরে আসা রশ্মি ও সূর্য থেকে তোমার চোখের রেখার মধ্যবর্তী কোণ 4r − 2i লালের জন্য ৪২.৪° এবং বেগুনির জন্য ৪০.৬°-এ পৌঁছায়। বইয়ে যে প্রায় ৪২° ও ৪০° লেখা থাকে, এই হলো সেগুলো।
রঙের ক্রমও এখান থেকে বোঝা যায়। লাল ৪২.৪°-এ, তাই ধনুকের বাইরে; বেগুনি ৪০.৬°-এ, তাই ভেতরে। ধনুকের প্রস্থ ১.৭°। “রামধনু” দৃশ্যে স্লাইডার টেনে বিন্দুগুলোকে প্রতিটি বক্ররেখার চূড়ায় নাও, আর দেখো i সামান্য বদলালে কোণ প্রায় বদলায়ই না।
D = 180° + 2i − 4rবিচ্যুতি: প্রতিসরণ, একবার প্রতিফলন, প্রতিসরণ
দেখার কোণ = 180° − D = 4r − 2iসূর্যের বিপরীত বিন্দু থেকে কোণ
cos² i = (n² − 1) / 3দেখার কোণ সর্বোচ্চ হওয়ার আপতন কোণ
সমাধান ৩: রামধনুর কোণ
একটি রশ্মি বৃষ্টির ফোঁটায় i = ৫৯° কোণে পড়ে। লালের জন্য n = ১.৩৩১ এবং বেগুনির জন্য ১.৩৪৩ ধরে প্রতিটি রঙের দেখার কোণ বের করো এবং সর্বোচ্চ মানের সঙ্গে তুলনা করো।
4r − 2i প্রয়োগ
এই কোণে সিমুলেশন দেয় লালের জন্য ৪২.৪° এবং বেগুনির জন্য ৪০.৬°। সর্বোচ্চ মান i = ৫৯.৫° ও ৫৮.৮°-এ যথাক্রমে ৪২.৪° ও ৪০.৬°। ৫৯°-এ তুমি দুই বক্ররেখার প্রায় চূড়ার কাছে আছো।
গৌণ রামধনু
দুইবার অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনে D = 360° + 2i − 6r। চরম মান লালের ৫০.৪° এবং বেগুনির ৫৩.৫°-এ, এবং D আবারও ন্যূনতম, এবার D − 180° হিসেবে গোনা। রঙের ক্রম উল্টে যায়, বাইরে বেগুনি আর ভেতরে লাল, আর ধনুকটা ম্লান কারণ প্রতিটি প্রতিফলনে কিছু আলো বেরিয়ে যায়।
যে ভুলে নম্বর কাটা যায়
উত্তর শেষ করার আগে এগুলো দেখে নাও।
- প্রিজম রঙ তৈরি করে বলে লেখা। সে শুধু সাদা আলোয় আগে থেকে থাকা রঙগুলোকে আলাদা করে।
- ক্রম উল্টে ফেলা। বেগুনি সবচেয়ে বেশি বাঁকে এবং সবচেয়ে বেশি বিচ্যুত হয়, তাই ভূমির সবচেয়ে কাছে বেরোয়।
- বড় প্রিজমে পাতলা প্রিজমের সূত্র δ = (n − 1) A বসানো।
- ন্যূনতম বিচ্যুতির সূত্রে অর্ধকোণ (A + δₘ)/2 ও A/2 ভুলে যাওয়া।
- বৃষ্টির ফোঁটার জন্য কাচের প্রতিসরাঙ্ক ব্যবহার করা। ফোঁটা পানির, তার n প্রায় ১.৩৩।
- রামধনু আঁকার সময় সূর্যকে সামনে রাখা। সূর্য সব সময় দর্শকের পেছনে।
বিচ্ছুরণ যেখানে গুরুত্বপূর্ণ
লেন্সে বিচ্ছুরণ ঘটালে বর্ণাপেরণ হয়: লাল আর নীল আলাদা বিন্দুতে ফোকাস করে, তাই উজ্জ্বল বস্তুর কিনারে রঙিন আভা পড়ে। ক্যামেরার লেন্সে ভিন্ন বিচ্ছুরণ ক্ষমতার কাচ জোড়া দিয়ে এটা ঠিক করা হয়।
স্পেকট্রোমিটার প্রিজম বা গ্রেটিং দিয়ে তারা বা শিখার আলো ভেঙে রেখা পড়ে মৌল শনাক্ত করে। দূরের গ্রহের বায়ুমণ্ডল পরীক্ষাতেও একই ধারণা কাজে লাগে।
রঙ ছাড়া মূল প্রতিসরণ দেখতে চাইলে আগে আলোর প্রতিসরণ অ্যানিমেশনটি দেখো। লেন্স রশ্মিগুলোকে কী করে বুঝতে এরপর লেন্সের রশ্মিচিত্র অ্যানিমেশন খুলো।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
আলোর বিচ্ছুরণ কী?
প্রিজমের মতো প্রতিসারক মাধ্যমের ভেতর দিয়ে যাওয়ার সময় সাদা আলোর উপাদান রঙগুলোতে ভেঙে যাওয়াকে বিচ্ছুরণ বলে। প্রতিসরাঙ্ক তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ওপর নির্ভর করে বলে এটা ঘটে।
প্রিজমে কোন রঙ সবচেয়ে বেশি বাঁকে?
বেগুনি। কাচে তার প্রতিসরাঙ্ক সবচেয়ে বেশি, তাই সে সবচেয়ে বেশি ধীর হয় এবং সবচেয়ে বেশি বিচ্যুত হয়। লাল সবচেয়ে কম বিচ্যুত হয়।
প্রিজমের বিচ্যুতি কোণের সূত্র কী?
δ = i + e − A, যেখানে i আপতন কোণ, e নির্গমন কোণ আর A প্রিজম কোণ।
ন্যূনতম বিচ্যুতি কী?
বিচ্যুতি কোণের সবচেয়ে ছোট মান, যা পাওয়া যায় রশ্মি প্রিজমের ভেতর দিয়ে প্রতিসম পথে, অর্থাৎ i = e হলে। তখন n = sin((A + δₘ)/2) / sin(A/2)।
বিচ্ছুরণ ক্ষমতা কী?
বেগুনি ও লালের মধ্যবর্তী কৌণিক বিচ্ছুরণ এবং গড় বিচ্যুতির অনুপাত, ω = (n_v − n_r)/(n_y − 1)। এটি শুধু কাচের ওপর নির্ভর করে।
রামধনু কীভাবে তৈরি হয়?
সূর্যের আলো বৃষ্টির ফোঁটায় প্রতিসৃত হয়ে ঢোকে, পেছনের তলে একবার প্রতিফলিত হয় এবং আবার প্রতিসৃত হয়ে বেরোয়। বিচ্যুতির একটি ন্যূনতম মান থাকায় রশ্মিগুলো সূর্যের বিপরীত বিন্দু থেকে প্রায় ৪২°-এর কাছে জমা হয়, আর ভিন্ন রঙ সামান্য ভিন্ন কোণে জমে।
গৌণ রামধনু ম্লান এবং উল্টো কেন?
রশ্মি দুইবার অভ্যন্তরীণ প্রতিফলিত হয় এবং প্রতিবার কিছু আলো বেরিয়ে যায়, তাই ধনুক দুর্বল হয়। বাড়তি প্রতিফলনে রঙের ক্রমও উল্টে যায়।
এই বিষয়ের আরও পড়াশোনা
অ্যানিমেশনে ধারণা পরিষ্কার হলো, এবার পরীক্ষার প্রস্তুতি: সিলেবাস, সাজেশন, বই আর ভর্তি পরীক্ষার গাইড নিচে।
SSC
এসএসসি পদার্থবিজ্ঞান: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
HSC
এইচএসসি পদার্থবিজ্ঞান: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
পাঠ্যবই
নবম-দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান বই
ভর্তি
ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি
ভর্তি
ঢাবি বিজ্ঞান ইউনিট ভর্তি ২০২৬-২৭
English
Composition: The Uses of Electricity (ইংরেজিতে)
বাংলা
প্রতিবেদন: বিজ্ঞান মেলা
English
Paragraph: Science in Everyday Life (ইংরেজিতে)
SSC
এসএসসি সাজেশন
HSC
এইচএসসি সাজেশন
ভর্তি
বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার গাইড
SSC
এসএসসি সিলেবাস
HSC
এইচএসসি সিলেবাস
বিদেশে পড়াশোনা
জার্মানিতে উচ্চশিক্ষা
টেস্ট
Digital SAT Math guide (ইংরেজিতে)
স্কলারশিপ
বিদেশে পড়াশোনার স্কলারশিপ
IELTS
IELTS vocabulary: science and research (ইংরেজিতে)
টুল
GPA calculator (ইংরেজিতে)
ক্যারিয়ার
Civil engineer resume example (ইংরেজিতে)
আরও পদার্থবিজ্ঞান অ্যানিমেশন
SSC · HSC
আলোর প্রতিসরণ
আলোর প্রতিসরণ কাকে বলে, প্রতিসরণের সূত্র, সংকট কোণ ও পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন — সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা, ইন্টারঅ্যাকটিভ অ্যানিমেশন ও গাণিতিক উদাহরণসহ।
SSC · HSC
ওহমের সূত্র
ওহমের সূত্র কাকে বলে, বিবৃতি ও ব্যাখ্যা, V-I লেখচিত্র — বিভব পার্থক্য ও রোধ বদলে তড়িৎ প্রবাহ দেখো। শ্রেণি ও সমান্তরাল সমবায়, গাণিতিক উদাহরণসহ।
HSC
প্রাসের গতি
প্রাস কাকে বলে? কোণ ও আদিবেগ বদলে প্রাসের গতিপথ দেখো — বিচরণকাল, সর্বাধিক উচ্চতা ও আনুভূমিক পাল্লার সূত্র, গাণিতিক উদাহরণসহ।
SSC · HSC
সরল দোলক
সরল দোলক কাকে বলে, দোলনকালের সূত্র T=2π√(L/g) ও দোলকের সূত্রসমূহ — দৈর্ঘ্য বদলে দেখো। অভিকর্ষজ ত্বরণ নির্ণয়ের গাণিতিক উদাহরণসহ।
SSC · HSC
তড়িৎ ক্ষেত্র
তড়িৎ ক্ষেত্র কাকে বলে, তড়িৎ তীব্রতার সূত্র ও একক, বলরেখার বৈশিষ্ট্য — আধান বসিয়ে বলরেখা দেখো। কুলম্বের সূত্রের গাণিতিক উদাহরণসহ।
HSC
তরঙ্গের ব্যতিচার
তরঙ্গের উপরিপাতন নীতি ও ব্যতিচার কাকে বলে, গঠনমূলক ও ধ্বংসাত্মক ব্যতিচারের শর্ত, ডোরার প্রস্থ — দুই উৎস সরিয়ে নিজে দেখো, গাণিতিক উদাহরণসহ।
SSC · HSC
পড়ন্ত বস্তু ও পড়ন্ত বস্তুর সূত্র
পড়ন্ত বস্তুর তিনটি সূত্র কী, কে আবিষ্কার করেন, অভিকর্ষজ ত্বরণ ৯.৮ বলতে কী বোঝায়: মুদ্রা আর পালক ফেলে নিজে দেখো, সূত্র ও গাণিতিক সমস্যাসহ।
SSC · HSC
লেন্সে প্রতিবিম্ব গঠন
উত্তল লেন্স ও অবতল লেন্স কাকে বলে, প্রতিবিম্ব কীভাবে গঠিত হয়, লেন্সের সূত্র 1/u + 1/v = 1/f, বিবর্ধন ও লেন্সের ক্ষমতা: বস্তু টেনে সরিয়ে রশ্মি চিত্র নিজে দেখো।
SSC · HSC
নিউটনের গতির সূত্র
নিউটনের গতির তিনটি সূত্র, জড়তা, ভরবেগ, F = ma, ঘাত বল আর ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া: ট্রলি ঠেলে নিজে দেখো, সহজ উদাহরণ, সূত্র ও গাণিতিক সমস্যাসহ (SSC, HSC)।
SSC · HSC
গোলীয় দর্পণে প্রতিবিম্ব গঠন
অবতল দর্পণ ও উত্তল দর্পণ কাকে বলে, মেরু, বক্রতার কেন্দ্র, প্রধান ফোকাস, দর্পণের সূত্র 1/u + 1/v = 1/f ও বিবর্ধন: বস্তু টেনে সরিয়ে প্রতিবিম্ব গঠন নিজে দেখো।
SSC · HSC
তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ ও ফ্যারাডের সূত্র
তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ কাকে বলে, ফ্যারাডের সূত্র ও লেঞ্জের সূত্র কী বলে: চুম্বক টেনে কুণ্ডলীর ভেতর দিয়ে নিয়ে নিজে দেখো, গ্যালভানোমিটারের কাঁটা কেন দোলে, সূত্র ও অঙ্কসহ।
SSC · HSC
ভরবেগের সংরক্ষণ ও সংঘর্ষ
ভরবেগের সংরক্ষণ সূত্র কী, স্থিতিস্থাপক ও অস্থিতিস্থাপক সংঘর্ষের পার্থক্য কী: দুটো গাড়ি সংঘর্ষ করিয়ে নিজে দেখো, পুনরুদ্ধার সহগ e বদলে ভরবেগ ও গতিশক্তির বার-লেখচিত্র মিলিয়ে দেখো, সূত্র ও অঙ্কসহ।
SSC · HSC
কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি
কাজ কাকে বলে, গতিশক্তি ও বিভবশক্তির সূত্র কী, ক্ষমতা কীভাবে মাপা হয়: গড়িয়ে পড়া কার্টের সিমুলেশনে শক্তির রূপান্তর নিজে দেখো, সূত্র ও গাণিতিক সমস্যাসহ।
SSC · HSC
নততল
নততলে ওজন কীভাবে দুই উপাংশে ভাগ হয়, স্থিতি কোণ কী, ঘর্ষণ কীভাবে ব্লককে ধরে রাখে বা পিছলে দেয়: কোণ বদলে ব্লক নিজে ছেড়ে দিয়ে বল-চিত্র ও সূত্র দেখো।
SSC · HSC
বৃত্তাকার গতি
সুতায় ঘোরা বলের সিমুলেশনে বৃত্তাকার গতি, কেন্দ্রমুখী বল F=mv²/r, কৌণিক বেগ, পর্যায়কাল দেখো। সুতা কাটলে বল কোথায় যায়? ব্যাংকিং ও গাণিতিক সমাধানসহ।
SSC
অনুপ্রস্থ ও অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ
একই উৎস থেকে দড়ির অনুপ্রস্থ তরঙ্গ আর স্প্রিং বা শব্দের অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ পাশাপাশি দেখো। তরঙ্গশীর্ষ, তরঙ্গপাদ, সংকোচন, প্রসারণ, তরঙ্গদৈর্ঘ্য, v = fλ আর কণা কেন তরঙ্গের সাথে চলে না, গাণিতিক সমাধানসহ।
SSC · HSC
লিভার ও ভ্রামক
সিসম্যর সিমুলেশনে বলের ভ্রামক M = F × d, ভ্রামকের নীতি, লিভারের তিন শ্রেণি ও যান্ত্রিক সুবিধা নিজে হাতে পরীক্ষা করো। সমাধান ও সৃজনশীল প্রশ্নসহ।
SSC · HSC
ভরকেন্দ্র
দণ্ডে আর পাতে ভর সরিয়ে ভরকেন্দ্র x = Σmx/Σm বের করো। অবলম্বন কোথায় রাখলে দণ্ড ভারসাম্যে থাকে, বাস কখন উল্টে যায়, সুস্থির-অস্থির-নিরপেক্ষ সাম্যাবস্থা: সিমুলেশন ও সমাধানসহ।
SSC · HSC
স্প্রিং-ভর ও সরল ছন্দিত স্পন্দন
স্প্রিংয়ে ঝোলানো ভরের সরল ছন্দিত স্পন্দন নিজে চালিয়ে দেখো। হুকের সূত্র, T = 2π√(m/k), শক্তির রূপান্তর, শ্রেণি ও সমান্তরাল স্প্রিং, সমাধান ও সৃজনশীল প্রশ্নসহ।
SSC · HSC
ভেক্টর যোগ: ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র
দুটি ভেক্টরের লব্ধি, ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র, উপাংশ, নদীতে নৌকা আর বৃষ্টিতে ছাতার আপেক্ষিক বেগ নিজে টেনে পরীক্ষা করো। সমাধান ও সৃজনশীল প্রশ্নসহ।
SSC · HSC
আপেক্ষিক বেগ: ট্রেন ও নদী পারাপার
দুই ট্রেন আর নদী পার হওয়া সাঁতারুকে নিজে চালিয়ে দেখো। আপেক্ষিক দ্রুতি, ট্রেন পার হওয়ার সময়, মুখের কোণ, ভাটিতে সরণ, সবচেয়ে কম সময় বনাম সবচেয়ে ছোট পথ, সমাধানসহ।
HSC
কেপলারের সূত্র ও উপবৃত্তাকার কক্ষপথ
উৎকেন্দ্রতা স্লাইডার টেনে কক্ষপথ লম্বা হতে দেখো। সমান সময়ে সমান ক্ষেত্রফলের সেক্টর, পর্যায়কালের সূত্র T² ∝ a³ আর মুক্তিবেগ, সমাধানসহ।
HSC
নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র, g ও কৃত্রিম উপগ্রহ
দুটি বস্তুর টান, ব্যস্তবর্গ সূত্রের লেখচিত্র, পৃথিবীর ওপরে-নিচে g আর উপগ্রহের কক্ষপথ নিজের হাতে চালিয়ে দেখো। কক্ষীয় বেগ, পর্যায়কাল, মুক্তিবেগ আর সমাধান করা অঙ্কসহ।
HSC
তার ও নলে স্থির তরঙ্গ
সিমুলেশনে তার টানো আর খোলা-বন্ধ নলে ফুঁ দাও। নোড, অ্যান্টিনোড, সমমেল দেখো এবং দৈর্ঘ্য, টান ও তাপমাত্রা কীভাবে সুর ঠিক করে তা শেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।
HSC
অনুনাদ নল ও শব্দের দ্রুতি
অনুনাদ নলে পানির স্তর সরিয়ে নিজেই জোর শব্দের জায়গা খুঁজুন। L১ = λ/৪ − e আর L২ = ৩λ/৪ − e দেখুন, v = 2f(L₂ − L₁) দিয়ে শব্দের দ্রুতি বের করুন, সমাধানসহ অঙ্ক অনুশীলন করুন।
HSC
স্বরকম্প: কাছাকাছি দুই সুরের স্পন্দন
প্রায় সমান কম্পাঙ্কের দুই তরঙ্গ যোগ করে শব্দের জোর-আস্তে স্পন্দন দেখুন। এনভেলপ আঁকা, স্বরকম্প কম্পাঙ্ক |f₁ − f₂| পড়া, শব্দ শোনা আর গিটার সুর মেলানোর পদ্ধতি শিখুন, সমাধানসহ।
HSC
ডপলার প্রভাব: চলমান উৎস, চলমান শ্রোতা ও সনিক বুম
শব্দের উৎসকে ধীরে-জোরে চালাও আর দেখো সামনে তরঙ্গমুখ কীভাবে ঠাসাঠাসি হয়, পেছনে কীভাবে ছড়িয়ে পড়ে। ডপলারের সূত্র, অ্যাম্বুলেন্স ও ট্রেনের অঙ্ক এবং সনিক বুম শেখো।
HSC
কির্শফের সূত্র: সংযোগ সূত্র ও বদ্ধ পথ সূত্র
দুটি ব্যাটারি আর তিনটি রোধের দুই-লুপ বর্তনী নিজে সাজাও। সংযোগ বিন্দুতে প্রবাহ ভাগ হওয়া দেখো, বিভবের যোগফল শূন্য হতে দেখো আর কির্শফের সূত্রের অঙ্ক ধাপে ধাপে করতে শেখো।
HSC
হুইটস্টোন ব্রিজ ও মিটার ব্রিজ
হুইটস্টোন ব্রিজের সাম্য নষ্ট করে গ্যালভানোমিটারের কাঁটা নড়তে দেখো। P/Q = R/S হলে কাঁটা শূন্যে আসে। মিটার ব্রিজে জকি সরিয়ে অজানা রোধ মাপো, গাণিতিক উদাহরণসহ।
HSC
একক চিড়ে অপবর্তন
চিড়ের প্রস্থ ও তরঙ্গদৈর্ঘ্য বদলে দেখো আলো কীভাবে ছড়ায়। তীব্রতার সূত্র I = I₀(sin β/β)², অন্ধকার পট্টির শর্ত a sin θ = mλ আর কেন্দ্রীয় পট্টির প্রস্থ 2λD/a, সমাধানসহ।
SSC · HSC
চোখের ত্রুটি ও তার প্রতিকার
স্বাভাবিক, ক্ষীণদৃষ্টি, দীর্ঘদৃষ্টি ও বার্ধক্যের চোখ বদলে বদলে দেখো। প্রতিবিম্ব কেন রেটিনার সামনে বা পেছনে পড়ে, আর কোন লেন্স কত ডায়োপ্টারে তা ঠিক করে, সিমুলেশনে হাতে-কলমে শেখো।
HSC
আলোর সমবর্তন: ম্যালাসের সূত্র ও ব্রুস্টারের সূত্র
পোলারাইজারের পেছনে অ্যানালাইজার ঘুরিয়ে গ্রাফে I = I₀cos²θ দেখো, তারপর কাচে আলো ফেলে ব্রুস্টার কোণ খুঁজে বের করো। পোলারয়েড সানগ্লাস, তিন ফিল্টারের ধাঁধা ও সমাধান করা অঙ্কসহ।
HSC
ক্যাপাসিটরের আহিতকরণ ও নিরাহিতকরণ: আরসি সময় ধ্রুবক
রোধের মধ্য দিয়ে ক্যাপাসিটর আহিত ও নিরাহিত করো। E, R, C বদলে V = E(1 − e^(−t/RC)) আর প্রবাহের বক্রেখা আঁকা দেখো, ৬৩% সময় ধ্রুবক আর সঞ্চিত শক্তি বের করো।
SSC · HSC
চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা: দণ্ডচুম্বক, তড়িৎবাহী সরল তার ও সলিনয়েড
দণ্ডচুম্বক, সরল তার ও সলিনয়েডের চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা দেখো। কম্পাস টানো, প্রবাহের দিক উল্টাও আর শেখো B = μ₀I/2πr, B = μ₀nI ও ডান হাতের মুষ্টি নিয়ম।
HSC
এসি জেনারেটর
চুম্বকের দুই মেরুর মাঝে কুণ্ডলী ঘুরিয়ে এসি জেনারেটরের সাইন তরঙ্গ নিজের চোখে দেখো। N, A, B আর rpm বদলে E₀ = NBAω ও কার্যকর মান বের করো, জানো কেন বাংলাদেশে মেইন ৫০ Hz।
SSC · HSC
ট্রান্সফর্মার
ট্রান্সফর্মারের প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি পাক বদলে দেখো ভোল্টেজ কীভাবে বাড়ে-কমে। Vs = Vp·Ns/Np, ক্ষমতার সংরক্ষণ, বাস্তব দক্ষতা আর উচ্চ ভোল্টেজে বিদ্যুৎ পাঠানোর কারণ বোঝো।
SSC · HSC
তাপের সঞ্চালন: পরিবহন, পরিচলন ও বিকিরণ
তামা, অ্যালুমিনিয়াম, কাচ বা কাঠের দণ্ড গরম করে Q/t = kAΔT/L দেখো, বিকারে পরিচলন স্রোত ঘুরতে দেখো, আর T⁴ মেনে বিকিরিত ক্ষমতা কীভাবে বাড়ে তা যাচাই করো। সারণি ও সমাধান করা অঙ্কসহ।
HSC
আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া: আইনস্টাইনের সমীকরণ ও নিবৃত্তি বিভব
ভ্যাকুয়াম নলে সোডিয়াম, দস্তা বা তামার পাতে যেকোনো তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো ফেলো। সূচন কম্পাঙ্কের নিচে ইলেকট্রন বের হয় না কেন, K = hf − φ কীভাবে নিবৃত্তি বিভব ঠিক করে, আর উজ্জ্বলতা কেন শুধু প্রবাহ বদলায় তা নিজে দেখো।
SSC · HSC
মোটর ক্রিয়া: তড়িৎবাহী তারের ওপর বল ও ডিসি মোটর
চৌম্বক ক্ষেত্রে তড়িৎবাহী তার রাখলে সেটা কীভাবে ধাক্কা খায় নিজের চোখে দেখো। B, I, L আর কোণ বদলাও, ফ্লেমিংয়ের বাম হাতের নিয়ম মিলিয়ে নাও, তারপর বিভক্ত-বলয় কম্যুটেটরসহ ডিসি মোটর ঘুরিয়ে টর্কের লেখচিত্র দেখো।
HSC
গ্যাসের অণু ও গতিতত্ত্ব: চাপ, তাপমাত্রা ও দ্রুতি
বাক্সের ভেতরে গ্যাসের অণুদের ছোটাছুটি দেখো। তাপমাত্রা বাড়াও, গ্যাস বদলাও, আয়তন চেপে ধরো, আর দেখো দেয়ালে ধাক্কা গুনে পাওয়া চাপ PV = NkT-এর সঙ্গে মিলে যাচ্ছে। ম্যাক্সওয়েল-বোল্টজম্যান বক্ররেখার সঙ্গে দ্রুতি মেলাও এবং গড়বর্গমূল দ্রুতির অঙ্ক করো।
HSC
অর্ধপরিবাহী ডায়োড: p–n সন্ধি, I–V বক্ররেখা ও রেক্টিফায়ার
p–n সন্ধিতে বায়াস দিয়ে দেখো নিঃশেষিত স্তর কীভাবে সরু বা চওড়া হয়, বাহক কীভাবে পার হয় আর শকলির I–V বক্ররেখা কেমন হয়। সিলিকন ও জার্মেনিয়ামের তুলনা, ভাঙন আর অর্ধতরঙ্গ রেক্টিফায়ার হাতে-কলমে।
SSC · HSC
তেজস্ক্রিয় ক্ষয়: অর্ধায়ু, ক্ষয় সূত্র ও বিকিরণের ভেদন ক্ষমতা
২৪০টি নিউক্লিয়াসকে এলোমেলোভাবে ক্ষয় হতে দেখো, N = N₀e^(−λt) সূত্র মিলিয়ে নাও, লেখচিত্র থেকে অর্ধায়ু মাপো, আর দেখো আলফা, বিটা ও গামা কাগজ, অ্যালুমিনিয়াম ও সীসা কতটা ভেদ করে।
HSC
বোর পরমাণু মডেল: কক্ষপথ, শক্তিস্তর ও হাইড্রোজেনের বর্ণালি
হাইড্রোজেনের ইলেকট্রনকে n = ১ থেকে ৬ কক্ষপথে লাফ দেওয়াও, 1/λ = R(1/n₁² − 1/n₂²) থেকে ফোটনের রং বের করো আর শক্তিস্তরের চিত্র ও বর্ণালির পট্টিতে লাইম্যান, বামার, পাশেন শ্রেণি দেখো।
অন্য বিষয়ের অ্যানিমেশন
রসায়ন
পরমাণুর গঠন
রসায়ন
এসিড, ক্ষারক ও pH স্কেল
রসায়ন
ইলেকট্রন বিন্যাস
রসায়ন
গ্যাসের সূত্র: বয়েল, চার্লস ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ
রসায়ন
আয়নিক বন্ধন কীভাবে গঠিত হয়
রসায়ন
তড়িৎ বিশ্লেষণ ও ফ্যারাডের সূত্র
রসায়ন
সমযোজী বন্ধন
রসায়ন
পর্যায়বৃত্ত ধর্ম
রসায়ন
বিক্রিয়ার হার ও সংঘর্ষ তত্ত্ব
রসায়ন
পদার্থের অবস্থা: কঠিন, তরল, গ্যাসীয় ও তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র
রসায়ন
পরমাণুর অরবিটাল: s, p, d-এর আকৃতি, কোয়ান্টাম সংখ্যা ও নোড
রসায়ন
আণবিক আকৃতি ও ভিএসইপিআর তত্ত্ব: বন্ধন জোড়, মুক্তজোড় ও বন্ধন কোণ
রসায়ন
মোল ধারণা: মোলার ভর, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা ও মোলার আয়তন
রসায়ন
ব্যাপন ও নিঃসরণ: গ্রাহামের সূত্র
রসায়ন
রাসায়নিক সমীকরণ সমতাকরণ: পদ্ধতি, উদাহরণ ও অনুশীলন
রসায়ন
রাসায়নিক সাম্যাবস্থা: সাম্যধ্রুবক Kc ও লা শাতেলিয়ের নীতি
রসায়ন
টাইট্রেশন: অম্ল-ক্ষারের ঘনমাত্রা বের করার পদ্ধতি
রসায়ন
গ্যালভানিক কোষ: ড্যানিয়েল কোষ, EMF ও নার্নস্ট সমীকরণ
রসায়ন
জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া: জারণ সংখ্যা, ইলেকট্রন স্থানান্তর ও অর্ধ-সমীকরণ
রসায়ন
হাইড্রোকার্বন: অ্যালকেন, অ্যালকিন, অ্যালকাইন ও কাঠামোগত সমাণু ত্রিমাত্রায়
রসায়ন
কার্যকরী মূলক: অ্যালকোহল, অ্যালডিহাইড, কিটোন, অ্যাসিড, এস্টার ও অ্যামিন
রসায়ন
পলিমারকরণ: যোজন ও ঘনীভবন পলিমার, পলিথিন ও নাইলন
রসায়ন
মিশ্রণ আলাদা করার পদ্ধতি: ছাঁকন, পাতন, ক্রোমাটোগ্রাফি, স্ফটিকীকরণ
রসায়ন
কেলাস জালক: SC, BCC ও FCC একক কোষ, প্যাকিং দক্ষতা ও ঘনত্ব
রসায়ন
তেজস্ক্রিয়তা: আলফা, বিটা, গামা ক্ষয় ও অর্ধায়ু
জীববিজ্ঞান
মাইটোসিস কোষ বিভাজন
জীববিজ্ঞান
ব্যাপন ও অভিস্রবণ
জীববিজ্ঞান
সালোকসংশ্লেষণ
জীববিজ্ঞান
মানব হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কাজ
জীববিজ্ঞান
মেন্ডেলের বংশগতি সূত্র
জীববিজ্ঞান
ডিএনএ রেপ্লিকেশন
জীববিজ্ঞান
কোষীয় শ্বসন
জীববিজ্ঞান
এনজাইম ক্রিয়া
জীববিজ্ঞান
স্নায়ু উদ্দীপনার পরিবহন ও অ্যাকশন পটেনশিয়াল
জীববিজ্ঞান
নেফ্রন ও মূত্র তৈরির প্রক্রিয়া
জীববিজ্ঞান
মিয়োসিস কোষ বিভাজন
জীববিজ্ঞান
পরিপাকতন্ত্র
জীববিজ্ঞান
শ্বাসক্রিয়ার কৌশল: প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস
জীববিজ্ঞান
প্রোটিন সংশ্লেষণ
জীববিজ্ঞান
রক্ত সংবহন: দ্বি-সংবহন ও কার্ডিয়াক আউটপুট
জীববিজ্ঞান
কোষের গঠন ও অঙ্গাণু: উদ্ভিদ কোষ বনাম প্রাণী কোষ
জীববিজ্ঞান
প্রতিবর্ত ক্রিয়া ও প্রতিবর্ত চাপ
জীববিজ্ঞান
মানুষের চোখ: গঠন, প্রতিবিম্ব ও উপযোজন
জীববিজ্ঞান
পেশি সংকোচন ও স্লাইডিং ফিলামেন্ট মডেল
জীববিজ্ঞান
উদ্ভিদে পরিবহন: জাইলেম, ফ্লোয়েম ও বাষ্পমোচন
জীববিজ্ঞান
খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজাল: শক্তির প্রবাহ ও ১০ % নিয়ম
জীববিজ্ঞান
জনসংখ্যা বৃদ্ধি: সূচকীয় ও লজিস্টিক রেখা
জীববিজ্ঞান
প্রাকৃতিক নির্বাচন: পেপার্ড মথ ও কালিঝুলি মাখা গাছ
জীববিজ্ঞান
রোগপ্রতিরোধ: প্রাথমিক ও গৌণ অ্যান্টিবডি সাড়া
জীববিজ্ঞান
পরাগায়ন ও নিষেক
গণিত
পিথাগোরাসের উপপাদ্য
গণিত
ত্রিকোণমিতিক অনুপাত ও একক বৃত্ত
গণিত
দ্বিঘাত সমীকরণ ও দ্বিঘাত ফাংশনের লেখচিত্র
গণিত
বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য
গণিত
দূরত্ব ও উচ্চতা: উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ
গণিত
সম্ভাবনা: পরীক্ষালব্ধ বনাম তাত্ত্বিক সম্ভাবনা
গণিত
সমান্তর ও গুণোত্তর ধারা
গণিত
গড়, মধ্যক ও প্রচুরক
গণিত
সেট ও ভেনচিত্র
গণিত
সরল সহসমীকরণ ও সরলরেখার লেখচিত্র
গণিত
sin, cos, tan-এর লেখচিত্র
গণিত
পূর্ণবর্গ পদ্ধতি ও দ্বিঘাত সমীকরণের সমাধান
গণিত
বৃত্তের ক্ষেত্রফল: সূত্র, প্রমাণ ও সমাধান
গণিত
ঘনবস্তুর আয়তন ও তলের ক্ষেত্রফল: ঘনক, আয়তঘন, বেলন, কোণক, গোলক
গণিত
সদৃশ ত্রিভুজ: স্কেল ফ্যাক্টর, AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়া থেকে উচ্চতা
গণিত
স্থানাঙ্ক জ্যামিতি: দূরত্ব, মধ্যবিন্দু, ঢাল, বিভক্তিকরণ সূত্র ও সঞ্চারপথ
গণিত
শাঙ্কব ছেদ: বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত ও অধিবৃত্ত
গণিত
ফাংশনের রূপান্তর: সরানো, টানা ও উল্টানো
গণিত
অন্তরীকরণ: স্পর্শকের ঢাল ও ছেদক থেকে স্পর্শক
গণিত
রিম্যান যোগফল ও সমাকলন: বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফল
গণিত
সীমা ও ε–δ সংজ্ঞা: ছবিতে বোঝা
গণিত
ত্রিমাত্রিক ভেক্টর: যোগ, ডট গুণ ও ক্রস গুণ
গণিত
ম্যাট্রিক্স রূপান্তর: ঘূর্ণন, প্রতিফলন, শিয়ার ও নির্ণায়ক
গণিত
জটিল সংখ্যা: আরগান্ড সমতলে যোগ, গুণ, ঘাত ও মূল
গণিত






















