মূলপাতা
লগইন

Color

Indigo
Red
Green
Teal
Blue
Purple
Rose

Mode

Light
EN

ওজন মেপে অণু গোনা: মোল ধারণা হাতে-কলমে

মোল হলো পদার্থের সেই পরিমাণ, যাতে ঠিক ৬.০২২ × ১০²³ সংখ্যক কণা (পরমাণু, অণু বা আয়ন) থাকে; এই সংখ্যাটির নাম অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা। এক মোল পদার্থের ভর গ্রামে মোলার ভরের সমান: ১৮ গ্রাম পানি এক মোল। আর এক মোল যেকোনো গ্যাস STP-তে ২২.৪ লিটার জায়গা নেয়।

HO

পাল্লায় ভর বদলাও: মোল আর কণার সংখ্যা সঙ্গে সঙ্গে বদলায়। গ্যাস হলে STP-তে আয়তনও দেখা যায়।

গতি

নিয়ন্ত্রণ

কী দেখবে

পদার্থ বাছো

১৮.০ g

পরিমাপ

মোলার ভর, M
১৮g/mol
ভর, m
১৮.০০g
মোল সংখ্যা, n
১.০০০mol
কণার সংখ্যা, N
৬.০২ × ১০²³
মোট পরমাণু
১.৮১ × ১০²⁴
STP-তে আয়তন, V
—

সিমুলেশনটি কীভাবে ব্যবহার করবে

  1. শুরুতে পাল্লায় ১৮ গ্রাম পানি আছে। ডানের বাক্সগুলো দেখো: মোল সংখ্যা ১.০০, অণুর সংখ্যা ৬.০২ × ১০²³। এটাই এক মোল পানি।
  2. “পদার্থ বাছো” থেকে অন্য পদার্থ নাও। “ভর” স্লাইডার টেনে পাল্লার ভর বদলাও এবং দেখো পাল্লার বিন্দু বাড়ছে, মোল আর কণার সংখ্যাও বাড়ছে। প্রতিটি বিন্দু কতটুকু পদার্থ বোঝায়, ওপরের ডানে লেখা থাকে।
  3. “ঠিক ১ মোল ওজন করো” চালু করো আর একে একে সব পদার্থ বেছে নাও: প্রতিবার ভর বদলায়, কিন্তু কণার সংখ্যা একই থাকে। অক্সিজেন বা কার্বন ডাই-অক্সাইড নিলে STP-তে আয়তনও আসে।
  4. ওপরের “অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা কত বড়” বেছে কাগজের পাতা, বালির কণা বা সেকেন্ড গোনো। সংখ্যা ১০ⁿ ধরে বাড়াও, তারপর “ঠিক ১ মোল গোনো” চালু করো। রেখার ওপর লাল বিন্দুটা কোথায় গিয়ে বসে দেখো।
  5. “শতকরা সংযুতি” বেছে গ্লুকোজ নাও। রঙিন পট্টিতে কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের ভরের ভাগ দেখা যাবে, নিচে হিসাবটাও লেখা থাকবে।

এক ডজন ডিম, এক রিম কাগজ, আর এক মোল পানি

দোকানে গিয়ে বললে “এক ডজন ডিম দাও”, দোকানদার ১২টা ডিম দেন। কখনো ভেবেছ, কেন তিনি “বারোটা ডিম” না বলে ডজন বলেন? কারণ ডজন একটা গোনার একক। বড় সংখ্যাকে একটা ছোট নামে বেঁধে ফেললে কথা বলা সহজ হয়। কাগজের দোকানে একইভাবে চলে রিম: এক রিমে ৫০০টি পাতা, আর পুরো স্তূপের উচ্চতা প্রায় ৫ সেমি।

রসায়নবিদদের সমস্যা আরও বড়। তাঁরা যে পরমাণু আর অণু নিয়ে কাজ করেন, সেগুলো এত ছোট যে একটা একটা করে গোনা তো দূরের কথা, একটা চিনির দানায়ই লাখ কোটি কোটি অণু থাকে। অথচ রাসায়নিক বিক্রিয়ায় কয়টা অণু কয়টা অণুর সাথে মেলে, সেটা না জানলে সমীকরণ মেলানোই যায় না।

সমাধানটা ব্যাংকের কর্মীর কাছ থেকে শেখা যায়। এক বস্তা খুচরা মুদ্রা তিনি একটা একটা করে গোনেন না; ওজন করেই বলে দেন কয়টা আছে, কারণ প্রতিটি মুদ্রার ওজন একই। রসায়নেও একই কৌশল: প্রতিটি পরমাণুর ভর জানা আছে, তাই ভর মেপে কণার সংখ্যা বের করা যায়। ওজন ও গোনার মাঝখানের সেতুটাই হলো মোল।

ধরো, এক মোল মানে এক ডজনের মতো একটা গোনার একক, তবে ডজনে ১২টা আর মোলে ৬.০২২ × ১০²³টা। আর এক মোলের ভর কত? সেটাও সুন্দর করে সাজানো: ১৮ গ্রাম পানিতে ঠিক এক মোল অণু আছে, অর্থাৎ প্রায় এক টেবিল চামচ পানিতে ৬.০২ × ১০²³টি অণু।

মোল ধারণা একদম শুরু থেকে

মোল (mole) হলো পদার্থের পরিমাণ মাপার এস আই একক, যার প্রতীক mol। এক মোল পদার্থে ঠিক ৬.০২২ × ১০²³ সংখ্যক মৌলিক কণা থাকে। কণাটা পরমাণু হতে পারে, অণু হতে পারে, আয়ন হতে পারে, কিংবা ইলেকট্রনও হতে পারে। তাই “এক মোল” বললে কোন কণার কথা হচ্ছে, সেটা বলে দিতে হয়: এক মোল অক্সিজেন পরমাণু আর এক মোল অক্সিজেন অণু এক জিনিস নয়।

৬.০২২ × ১০²³ সংখ্যাটির নাম অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা, প্রতীক Nₐ (বা N_A)। ইতালীয় বিজ্ঞানী আমেদেও অ্যাভোগেড্রোর নামে নাম হলেও তিনি নিজে সংখ্যাটা মাপেননি; তাঁর ধারণার ওপর ভিত্তি করে পরে বিজ্ঞানীরা এটি নির্ণয় করেন। সংখ্যাটা ঠিক এতটাই কেন? কারণ ঐতিহাসিকভাবে কার্বন-১২ আইসোটোপের ঠিক ১২ গ্রামে যতগুলো পরমাণু থাকে, সেটাকেই এক মোল ধরা হয়েছিল।

এই বাছাইয়ের কারণে চমৎকার একটা সুবিধা পাওয়া গেছে। কার্বনের পারমাণবিক ভর ১২, অর্থাৎ একটি কার্বন পরমাণু ১২ amu। তাই ১২ গ্রাম কার্বনে ৬.০২ × ১০²³টি পরমাণু। হাইড্রোজেনের পারমাণবিক ভর ১, তাই ১ গ্রাম হাইড্রোজেনেও ৬.০২ × ১০²³টি পরমাণু। যেকোনো পদার্থের এক মোলের ভর গ্রামে হিসাব করলে ঠিক সেই পদার্থের পারমাণবিক বা আণবিক ভরের সংখ্যাটাই পাওয়া যায়।

পানির (H₂O) আণবিক ভর ১৮, কারণ দুটি হাইড্রোজেন (১ × ২) আর একটি অক্সিজেন (১৬) যোগ করলে তা-ই হয়। তাই এক মোল পানির ভর ১৮ গ্রাম। এখানে একটা শব্দ আলাদা করে মনে রাখো: আণবিক ভরের একক amu (একটি অণুর ভর), আর মোলার ভরের একক g/mol (এক মোল অণুর ভর)। সংখ্যা এক, একক আলাদা।

সংখ্যাটা কত ছোট ভরকে টেনে আনে, দেখো: একটি পানির অণুর ভর ১৮ ÷ ৬.০২ × ১০²³ ≈ ২.৯৯ × ১০⁻²³ গ্রাম। এত ছোট জিনিস সরাসরি মাপা অসম্ভব, কিন্তু ৬.০২ × ১০²³টি এক সাথে মাপা যায়। মোল সেই পথটাই খুলে দেয়।

১ মোল = ৬.০২২ × ১০²³ টি কণাঅ্যাভোগেড্রো সংখ্যা: Nₐ

মোলার ভর (g/mol) = ১ মোল পদার্থের ভর (গ্রাম)সংখ্যাগতভাবে আণবিক বা পারমাণবিক ভরের সমান

গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলো

পরীক্ষায় সংজ্ঞা লিখতে এই শব্দগুলো নির্ভুল জানা দরকার। নিচের সারণিতে সংক্ষেপে রাখা হলো।

শব্দঅর্থএকক বা মান
মোল (mol)পদার্থের পরিমাণের একক; এক মোলে অ্যাভোগেড্রো সংখ্যক কণা থাকেmol
অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা (Nₐ)এক মোলে কণার সংখ্যা৬.০২২ × ১০²³ প্রতি মোল
পারমাণবিক ভরএকটি পরমাণুর গড় ভর, কার্বন-১২-এর বারো ভাগের এক ভাগের তুলনায়amu (u)
আণবিক ভরঅণুর সব পরমাণুর পারমাণবিক ভরের যোগফলamu (u)
মোলার ভর (M)এক মোল পদার্থের ভরg/mol
মোলার আয়তন (Vₘ)এক মোল গ্যাসের আয়তন; STP-তে সব গ্যাসের জন্য প্রায় একই২২.৪ L/mol
STPপ্রমাণ তাপমাত্রা ও চাপ: ০ °C এবং ১ atm০ °C, ১ atm
সংকেত এককআয়নিক যৌগের (যেমন NaCl) সবচেয়ে ছোট অনুপাতবাচক একক; এখানে “অণু” শব্দ খাটে না—
শতকরা সংযুতিযৌগের ১০০ ভাগ ভরে প্রতিটি মৌলের ভাগ%

রূপান্তরের ত্রিভুজ: ভর, মোল আর সংখ্যা

মোলের হিসাবে তিনটা রাশি ঘুরেফিরে আসে: ভর (গ্রামে), মোল সংখ্যা আর কণার সংখ্যা। মোল সংখ্যা হলো মাঝখানের সেতু। ভর থেকে সরাসরি কণার সংখ্যায় লাফ দেওয়া যায় না; আগে মোল, তারপর কণা।

গ্যাসের বেলায় চতুর্থ একটা রাশি যোগ হয়: আয়তন। ০ °C ও ১ atm-এ (STP) যেকোনো গ্যাসের এক মোল প্রায় ২২.৪ লিটার জায়গা নেয়। তাই গ্যাসের আয়তন থেকেও মোল বের করা যায়। সিমুলেশনের ডান পাশের ত্রিভুজে ঠিক এই চারটি রাশি আর তাদের সম্পর্ক সাজানো আছে।

মোল সংখ্যা, n = ভর, m ÷ মোলার ভর, Mভর থেকে মোল

কণার সংখ্যা, N = n × Nₐমোল থেকে কণা

আয়তন, V = n × ২২.৪ Lগ্যাসের মোল থেকে STP-তে আয়তন

ধাপে ধাপে অঙ্ক কষার কৌশল

যেকোনো মোলের অঙ্ক এই চার ধাপে হয়ে যায়।

  • ১. যে পদার্থের কথা বলা হয়েছে, তার সংকেত লেখো।
  • ২. পারমাণবিক ভর যোগ করে মোলার ভর বের করো।
  • ৩. যা দেওয়া আছে (ভর, মোল, সংখ্যা বা আয়তন), সেটাকে আগে মোলে রূপান্তর করো।
  • ৪. মোল থেকে যা চাওয়া হয়েছে (ভর, সংখ্যা বা আয়তন), সেদিকে যাও আর এককসহ উত্তর লেখো।

অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা আসলে কত বড়?

৬.০২ × ১০²³। সংখ্যাটা লিখতে সহজ, ভাবতে কঠিন। একটু ছবি এঁকে দেখা যাক। প্রতিটি পাতা ০.১ মিমি পুরু ধরলে এক মোল পাতা একটার ওপর একটা সাজালে স্তূপ হবে ৬.০২ × ১০¹⁹ মিটার উঁচু। এটা প্রায় ৬,৩৬৫ আলোকবর্ষ। পৃথিবী থেকে সূর্যের দূরত্বের ৪.০ × ১০⁸ গুণ।

বালি দিয়ে ভাবো। এক মোল বালির কণা (প্রতিটি ১ ঘন মিমি) পুরো বাংলাদেশে সমানভাবে ছড়ালে বালির স্তর হবে প্রায় ৪.১ কিলোমিটার গভীর। আর প্রতি সেকেন্ডে একটি করে এক মোল সেকেন্ড গুনতে লাগবে ১.৯১ × ১০¹⁶ বছর, যা মহাবিশ্বের বয়সের ১.৪ × ১০⁶ গুণ।

এ থেকে একটা কথা পরিষ্কার: মোল শুধু অতি ক্ষুদ্র কণার জন্য কাজের। বাইরের দুনিয়ার জিনিস গুনতে এত বড় সংখ্যার দরকারই পড়ে না।

কী গুনছিসংখ্যাফল
কাগজের পাতা৬.০২ × ১০²³৬.০২ × ১০¹⁹ m
বালির কণা৬.০২ × ১০²³৪,০৮০.৭৮ m
সেকেন্ড৬.০২ × ১০²³১.৯১ × ১০¹⁶ বছর

শতকরা সংযুতি: যৌগের মধ্যে কোন মৌল কত ভাগ

কোনো যৌগের ১০০ গ্রামে প্রতিটি মৌল কত গ্রাম আছে, তাকে ওই মৌলের শতকরা সংযুতি বলে। এটা বের করতে আলাদা পরীক্ষা লাগে না, শুধু সংকেত আর পারমাণবিক ভর জানলেই চলে।

ভাবো একটি কেকের রেসিপি: ময়দা, চিনি, ডিম মিলিয়ে মোট ওজন। প্রতিটি উপাদান মোটের কত ভাগ, সেটাই শতকরা হিসাব। যৌগে উপাদান হলো মৌল, আর মোট হলো মোলার ভর।

একটি মৌলের % = (সংকেতে ওই মৌলের মোট ভর ÷ যৌগের মোলার ভর) × ১০০সংকেতে পরমাণুর সংখ্যা দিয়ে গুণ করতে ভুলো না

হিসাবের ধাপ

এটাও চার ধাপের কাজ।

  • যৌগের সংকেত লেখো আর প্রতিটি মৌলের পরমাণু সংখ্যা দেখো।
  • প্রতিটি মৌলের জন্য: পরমাণু সংখ্যা × পারমাণবিক ভর।
  • সব যোগ করে মোলার ভর বের করো।
  • প্রতিটি মৌলের ভরকে মোলার ভর দিয়ে ভাগ করে ১০০ দিয়ে গুণ করো। শতকরার যোগফল ১০০ হওয়া উচিত।

সিমুলেশনে নিজে করে দেখো

এই পরীক্ষাগুলো একে একে করলে ধারণাটা হাতে বসে যাবে।

  • পরীক্ষা ১: পানি নাও, ভর ১৮ গ্রাম। মোল সংখ্যা ১.০০ দেখাবে। এবার ভর অর্ধেক করো, মোল সংখ্যাও অর্ধেক হবে।
  • পরীক্ষা ২: অক্সিজেন বেছে ভর ১৬ গ্রাম করো। মোল ০.৫০, আর STP-তে আয়তন ১১.২ লিটার। সাথে সাথে ভর দ্বিগুণ করে আয়তন দেখো।
  • পরীক্ষা ৩: “ঠিক ১ মোল ওজন করো” চালু রেখে সব পদার্থ একে একে বাছো। পাল্লার ভর বদলায়, কিন্তু কণার সংখ্যা বদলায় না। নিচের সারণি মিলিয়ে নাও।
  • পরীক্ষা ৪: গ্লুকোজ নিয়ে “শতকরা সংযুতি” দেখো, ভর ৯০ গ্রাম করো। তাতে কার্বন ৩৬.০ গ্রাম, হাইড্রোজেন ৬.০ গ্রাম আর অক্সিজেন ৪৮.০ গ্রাম।
  • পরীক্ষা ৫: “অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা কত বড়” বেছে কাগজ নাও আর ১০ⁿ-এর n ধরো ১২। স্তূপের উচ্চতা ১.০০ × ১০⁸ মিটার। এবার “ঠিক ১ মোল” চালু করে দেখো ফল কত লাফ দেয়।
পদার্থসংকেতএক মোলের ভরSTP-তে আয়তন
কার্বনC১২ g—
পানিH₂O১৮ g—
খাবার লবণNaCl৫৮.৫ g—
কার্বন ডাই-অক্সাইডCO₂৪৪ g২২.৪ L
অক্সিজেনO₂৩২ g২২.৪ L
লোহাFe৫৬ g—
গ্লুকোজC₆H₁₂O₆১৮০ g—

সমাধান করা গাণিতিক সমস্যা

পরীক্ষায় আসা পাঁচটি ধরনের অঙ্ক নিচে ধাপে ধাপে করা হলো। সব সংখ্যা হিসাব করে বের করা।

সমস্যা ১: ১৮ গ্রাম পানিতে কত মোল?

পানির সংকেত H₂O। মোলার ভর = ২ × ১ + ১৬ = ১৮ g/mol। দেওয়া ভর ১৮ গ্রাম।

n = ১৮ ÷ ১৮ = ১.০০ mol

সমস্যা ২: ৪৪ গ্রাম CO₂-এ কয়টি অণু আছে?

CO₂-এর মোলার ভর = ১২ + ২ × ১৬ = ৪৪ g/mol। প্রথমে মোল বের করি, তারপর অণুর সংখ্যা।

প্রতিটি অণুতে তিনটি পরমাণু থাকায় মোট পরমাণু হবে ১.৮০৭ × ১০²⁴টি।

n = ৪৪ ÷ ৪৪ = ১.০০ mol

N = ১.০০ × ৬.০২২ × ১০²³ = ৬.০২২ × ১০²³ টি অণু

সমস্যা ৩: ০.২৫ মোল NaCl-এর ভর কত?

NaCl-এর মোলার ভর = ২৩ + ৩৫.৫ = ৫৮.৫ g/mol।

m = ০.২৫ × ৫৮.৫ = ১৪.৬২৫ g ≈ ১৪.৬ g

সমস্যা ৪: গ্লুকোজের (C₆H₁₂O₆) শতকরা সংযুতি কত?

মোলার ভর = ৬ × ১২ + ১২ × ১ + ৬ × ১৬ = ৭২ + ১২ + ৯৬ = ১৮০ g/mol।

তিনটি শতাংশের যোগফল ১০০ হলো, তাই হিসাব ঠিক আছে।

C = ৭২ ÷ ১৮০ × ১০০ = ৪০.০০%

H = ১২ ÷ ১৮০ × ১০০ = ৬.৬৭%

O = ৯৬ ÷ ১৮০ × ১০০ = ৫৩.৩৩%

সমস্যা ৫: STP-তে ২ মোল O₂-এর আয়তন ও ভর কত?

O₂-এর মোলার ভর ৩২ g/mol। আয়তন বের করতে মোলার আয়তন ২২.৪ L/mol দিয়ে গুণ করি।

V = ২ × ২২.৪ = ৪৪.৮ L

m = ২ × ৩২ = ৬৪ g

যে ভুলগুলো সবাই করে

এই ভুলগুলো চিনে রাখলে নম্বর কাটা যাবে না।

  • পরমাণু আর অণু গুলিয়ে ফেলা: অক্সিজেন গ্যাস O₂, তাই তার মোলার ভর ১৬ নয়, ৩২।
  • সংকেতে পরমাণুর সংখ্যা ধরতে ভুলে যাওয়া: H₂O-তে হাইড্রোজেনের ভর ১ নয়, দুই গুণ করে ২।
  • গ্রাম আর মোল গুলিয়ে ফেলা: ভরকে মোলার ভর দিয়ে ভাগ করতে হয়, গুণ নয়।
  • সব পদার্থেই ২২.৪ লিটার প্রয়োগ করা: এই মান শুধু গ্যাসের জন্য, এবং STP-তে। পানি বা লবণের বেলায় খাটে না।
  • আণবিক ভর আর মোলার ভরের একক এক ধরা: একটির একক amu, অপরটির g/mol।
  • NaCl-কে অণু বলা: এটি আয়নিক যৌগ, তাই “সংকেত একক” বলাই ঠিক।

বাস্তব জীবনে মোল

মোল শুধু পরীক্ষার জিনিস নয়, প্রতিদিনের কারখানা আর ল্যাবে এর হিসাব চলে।

  • ওষুধ তৈরিতে: প্রতিটি ট্যাবলেটে সক্রিয় উপাদান কত মোল, সেই হিসাবে ডোজ ঠিক হয়।
  • সার কারখানায়: ইউরিয়া তৈরিতে অ্যামোনিয়া আর কার্বন ডাই-অক্সাইড কত মোল অনুপাতে মিশবে, সেই হিসাবে কাঁচামাল কেনা হয়।
  • খাবারের লেবেলে: লবণ বা চিনির পরিমাণ গ্রামে লেখা থাকে, কিন্তু শরীরের হিসাব হয় মোলে, যেমন রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা।
  • পরিবেশ বিজ্ঞানে: বায়ুতে কার্বন ডাই-অক্সাইডের ভর থেকে কত মোল গ্যাস বের হলো, সেটা দিয়ে আয়তন ও দূষণ মাপা হয়।
  • ল্যাবে দ্রবণ বানাতে: ১ মোলার দ্রবণ মানে প্রতি লিটারে এক মোল দ্রবীভূত পদার্থ।

পরীক্ষার কোণ (SSC, HSC)

বোর্ড পরীক্ষায় মোল থেকে সাধারণত এ ধরনের প্রশ্ন আসে। প্রতিটির উত্তর এই পাতার সূত্র দিয়েই হয়।

  • জ্ঞানমূলক: মোল কাকে বলে? অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা কত? STP বলতে কী বোঝায়?
  • প্রয়োগমূলক: ০.৫ মোল পানির ভর কত? উত্তর: ৯ গ্রাম।
  • প্রয়োগমূলক: ১১ গ্রাম CO₂-এ কত মোল? উত্তর: ০.২৫ মোল।
  • অনুধাবনমূলক: ০.৫ মোল CO₂-এ অণু কয়টি? উত্তর: ৩.০১১ × ১০²³টি।
  • উচ্চতর দক্ষতা: NaCl-এ সোডিয়ামের শতকরা ভাগ কত? উত্তর: ৩৯.৩২%।

পুনরালোচনা: এক নজরে

পরীক্ষার আগের দিন এই তালিকাটা একবার পড়ে নাও।

  • এক মোলে ৬.০২২ × ১০²³ সংখ্যক কণা থাকে।
  • মোলার ভর (g/mol) সংখ্যাগতভাবে আণবিক বা পারমাণবিক ভরের সমান।
  • n = m ÷ M: ভর থেকে মোল।
  • N = n × Nₐ: মোল থেকে কণার সংখ্যা।
  • V = n × ২২.৪ L: STP-তে গ্যাসের আয়তন।
  • শতকরা সংযুতি = (মৌলের মোট ভর ÷ মোলার ভর) × ১০০।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

মোল কাকে বলে?

মোল হলো পদার্থের পরিমাণের একক। এক মোল পদার্থে ঠিক ৬.০২২ × ১০²³ সংখ্যক কণা (পরমাণু, অণু বা আয়ন) থাকে। এই সংখ্যাকে অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা বলে।

অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা কত এবং কেন?

অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা ৬.০২ × ১০²³ প্রতি মোল। ঐতিহাসিকভাবে ১২ গ্রাম কার্বন-১২-এ যত পরমাণু থাকে, সেটাকে এক মোল ধরা হয়েছিল বলে সংখ্যাটা এমন। এতে সব পদার্থের মোলার ভর সংখ্যাগতভাবে আণবিক ভরের সমান হয়ে যায়।

আণবিক ভর আর মোলার ভরের পার্থক্য কী?

সংখ্যা একই, একক আলাদা। আণবিক ভর একটি অণুর ভর (amu)। মোলার ভর এক মোল অণুর ভর (g/mol)। পানির আণবিক ভর ১৮ amu, মোলার ভর ১৮ g/mol।

STP-তে মোলার আয়তন ২২.৪ লিটার কেন?

আদর্শ গ্যাস সমীকরণ PV = nRT-তে ০ °C ও ১ atm বসালে এক মোল গ্যাসের আয়তন প্রায় ২২.৪ লিটার আসে। গ্যাসের অণু অনেক দূরে দূরে থাকে, তাই আয়তন অণুর আকারের ওপর নির্ভর করে না; সব গ্যাসেই মান প্রায় একই।

IUPAC-এর নতুন STP-তে মোলার আয়তন কত?

IUPAC এখন চাপ ধরে ১ বার, ১ atm নয়। তখন মোলার আয়তন প্রায় ২২.৭ লিটার। বাংলাদেশের SSC ও HSC পাঠ্যবইয়ে এখনো ২২.৪ লিটার ব্যবহার হয়, তাই পরীক্ষায় সেটাই লিখবে।

গ্রাম-অণু আর গ্রাম-পরমাণু কী?

এগুলো পুরোনো শব্দ। এক গ্রাম-অণু মানে এক মোল অণু, আর এক গ্রাম-পরমাণু মানে এক মোল পরমাণু। কোনো কোনো বইয়ে এখনো এ শব্দ দেখা যায়।

NaCl-এর ক্ষেত্রে অণুর সংখ্যা বলা যায় না কেন?

NaCl আয়নিক যৌগ। এতে আলাদা কোনো NaCl অণু নেই; Na⁺ আর Cl⁻ আয়ন স্ফটিকে সাজানো থাকে। তাই এক মোল NaCl-এ ৬.০২ × ১০²³টি সংকেত একক থাকে।

গ্যাস না হলে কি মোলার আয়তন ব্যবহার করা যায়?

না। ২২.৪ লিটার মান শুধু STP-তে গ্যাসের জন্য। কঠিন বা তরলের আয়তন তার ঘনত্ব থেকে বের করতে হয়।

এই বিষয়ের আরও পড়াশোনা

অ্যানিমেশনে ধারণা পরিষ্কার হলো, এবার পরীক্ষার প্রস্তুতি: সিলেবাস, সাজেশন, বই আর ভর্তি পরীক্ষার গাইড নিচে।

আরও রসায়ন অ্যানিমেশন

SSC · HSC

পরমাণুর গঠন

পরমাণুর গঠন চিত্রসহ ব্যাখ্যা: প্রোটন, নিউট্রন, ইলেকট্রন, পারমাণবিক সংখ্যা, ভরসংখ্যা, আইসোটোপ ও ইলেকট্রন বিন্যাস। নিজে পরমাণু বানিয়ে দেখো, গাণিতিক উদাহরণসহ।

SSC · HSC

এসিড, ক্ষারক ও pH স্কেল

pH কি বা কাকে বলে, pH স্কেল কীভাবে কাজ করে, এসিড ও ক্ষারকের পার্থক্য, নির্দেশক ও প্রশমন বিক্রিয়া: বুরেট থেকে ফোঁটা ফেলে নিজে টাইট্রেশন করে দেখো, গাণিতিক সমস্যাসহ।

SSC · HSC

ইলেকট্রন বিন্যাস

ইলেকট্রন বিন্যাস কাকে বলে, লেখার সহজ নিয়ম, আউফবাউ, পাউলির বর্জন ও হুন্ডের নীতি, Cr-Cu ব্যতিক্রম, আয়ন: ইলেকট্রন একটি একটি করে বসতে দেখো, ১-৩৬ মৌলের তালিকাসহ।

SSC · HSC

গ্যাসের সূত্র: বয়েল, চার্লস ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ

বয়েলের সূত্র, চার্লসের সূত্র, চাপীয় সূত্র, অ্যাভোগেড্রোর সূত্র ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ PV = nRT: পিস্টন টেনে নিজে দেখো, লেখচিত্র, R-এর মান ও গাণিতিক সমস্যাসহ।

SSC · HSC

আয়নিক বন্ধন কীভাবে গঠিত হয়

আয়নিক বন্ধন কাকে বলে, কীভাবে ধাতুর ইলেকট্রন অধাতুতে গিয়ে আয়ন তৈরি করে, আর সংকেত কীভাবে চার্জ মিলিয়ে বের হয়: NaCl, MgO, CaCl₂ বেছে নিয়ে নিজে দেখো, সূত্র ও অঙ্কসহ।

SSC · HSC

তড়িৎ বিশ্লেষণ ও ফ্যারাডের সূত্র

তড়িৎ বিশ্লেষণ কাকে বলে, ক্যাথোড-অ্যানোডে কী উৎপন্ন হয়, আর ফ্যারাডের সূত্রে ভর কীভাবে হিসাব হয়: গলিত NaCl, CuSO₄ বা অম্লীভূত পানি বেছে নিয়ে নিজে দেখো, সূত্র ও অঙ্কসহ।

SSC · HSC

সমযোজী বন্ধন

সমযোজী বন্ধন কাকে বলে, একক-দ্বি-ত্রিবন্ধন কীভাবে গঠিত হয়, অক্টেট নিয়ম কী: H₂O, NH₃, CH₄, CO₂ অণুর ডট-ক্রস চিত্র সিমুলেশনে নিজে বানিয়ে দেখো, পোলারিটিসহ।

SSC · HSC

পর্যায়বৃত্ত ধর্ম

পর্যায়বৃত্ত ধর্ম কাকে বলে, পারমাণবিক ব্যাসার্ধ ও আয়নিকরণ শক্তি পর্যায় ও গ্রুপে কীভাবে বদলায়: প্রথম ৩৬টি মৌলের হিটম্যাপে নিজে পরীক্ষা করে দেখো, ব্যতিক্রমসহ।

SSC · HSC

বিক্রিয়ার হার ও সংঘর্ষ তত্ত্ব

বিক্রিয়ার হার কীসের ওপর নির্ভর করে? সংঘর্ষ তত্ত্বের সিমুলেশনে তাপমাত্রা, ঘনমাত্রা আর প্রভাবক বদলে সক্রিয়ণ শক্তির লেখচিত্র ও উৎপাদের রেখা নিজের চোখে দেখো।

Class 9 · SSC

পদার্থের অবস্থা: কঠিন, তরল, গ্যাসীয় ও তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র

কঠিন, তরল ও গ্যাসীয় অবস্থায় কণা কেমন আচরণ করে নিজে দেখো। পানির তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র, গলন, স্ফুটন, সুপ্ততাপ, ঊর্ধ্বপাতন আর Q = mcΔT ও Q = mL-এর সমাধানসহ।

HSC

পরমাণুর অরবিটাল: s, p, d-এর আকৃতি, কোয়ান্টাম সংখ্যা ও নোড

1s, 2s, 2p ও 3d অরবিটাল ঘুরিয়ে 3D-তে দেখো। কক্ষপথ ও অরবিটালের পার্থক্য, চার কোয়ান্টাম সংখ্যা, রেডিয়াল ও কৌণিক নোড গোনা, উপস্তরের ইলেকট্রন ধারণক্ষমতা, সমাধানসহ।

HSC

আণবিক আকৃতি ও ভিএসইপিআর তত্ত্ব: বন্ধন জোড়, মুক্তজোড় ও বন্ধন কোণ

ত্রিমাত্রিক অণু বানিয়ে ঘোরাও। বন্ধন জোড় ও মুক্তজোড় ইলেকট্রন কীভাবে CH4, NH3, H2O, PCl5, SF6-এর আকৃতি, বন্ধন কোণ ও সংকরণ ঠিক করে, সমাধানসহ হাতেকলমে শেখো।

SSC · HSC

ব্যাপন ও নিঃসরণ: গ্রাহামের সূত্র

নলের ভেতর NH₃ ও HCl মিলে সাদা বলয় তৈরি করা দেখো, তারপর সূক্ষ্ম ছিদ্র দিয়ে গ্যাসের নিঃসরণের দৌড়। গ্রাহামের ব্যাপন সূত্রের প্রমাণ ও অঙ্ক সমাধানসহ।

SSC · HSC

রাসায়নিক সমীকরণ সমতাকরণ: পদ্ধতি, উদাহরণ ও অনুশীলন

রাসায়নিক সমীকরণ কীভাবে মেলাতে হয়? সহগ বদলে দুই পাশের পরমাণু গুনে দেখো। পানি, মিথেন, মরিচা, রান্নার গ্যাসসহ পাঁচটি সমীকরণ ধাপে ধাপে সমাধান, SSC ও HSC প্রস্তুতির জন্য।

HSC

রাসায়নিক সাম্যাবস্থা: সাম্যধ্রুবক Kc ও লা শাতেলিয়ের নীতি

রাসায়নিক সাম্যাবস্থা কী, সাম্যধ্রুবক Kc কীভাবে বের করে, আর ঘনমাত্রা, তাপ ও চাপ বদলালে বিক্রিয়া কোন দিকে সরে? হেবার প্রক্রিয়ার অ্যানিমেশনে হার-রেখা দেখে লা শাতেলিয়ের নীতি বোঝো।

SSC · HSC

টাইট্রেশন: অম্ল-ক্ষারের ঘনমাত্রা বের করার পদ্ধতি

টাইট্রেশন কী, ব্যুরেট ও নির্দেশক কীভাবে কাজ করে, শেষ বিন্দু আর সমতা বিন্দু কী এক জিনিস না, আর V₁M₁ = V₂M₂ দিয়ে ঘনমাত্রা কীভাবে বের করবে? pH লেখচিত্রসহ সিমুলেশনে হাতে-কলমে শেখো।

HSC

গ্যালভানিক কোষ: ড্যানিয়েল কোষ, EMF ও নার্নস্ট সমীকরণ

গ্যালভানিক কোষ কীভাবে বিদ্যুৎ বানায়? ড্যানিয়েল কোষে ইলেকট্রন আর লবণ সেতুর আয়ন কোন দিকে যায়, দণ্ডের ভর কীভাবে বদলায়, আদর্শ ও নার্নস্ট EMF কত? সিমুলেশনে ঘনমাত্রা বদলে নিজে দেখো।

SSC · HSC

জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া: জারণ সংখ্যা, ইলেকট্রন স্থানান্তর ও অর্ধ-সমীকরণ

জারণ ও বিজারণ কী, জারণ সংখ্যা কীভাবে বের করে, কোনটা জারক আর কোনটা বিজারক? পাঁচটি বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের চলাচল দেখো, অর্ধ-সমীকরণ ও সমাধান করা অঙ্কসহ।

SSC · HSC

হাইড্রোকার্বন: অ্যালকেন, অ্যালকিন, অ্যালকাইন ও কাঠামোগত সমাণু ত্রিমাত্রায়

অ্যালকেন, অ্যালকিন ও অ্যালকাইনকে ঘূর্ণায়মান বল-স্টিক মডেলে দেখো। কার্বন সংখ্যা বদলাও, সাধারণ সংকেত ও IUPAC নাম পড়ো, আর বিউটেন, পেন্টেন, হেক্সেনের সব কাঠামোগত সমাণু দেখো।

HSC

কার্যকরী মূলক: অ্যালকোহল, অ্যালডিহাইড, কিটোন, অ্যাসিড, এস্টার ও অ্যামিন

কার্যকরী মূলক কী, অ্যালকোহল-অ্যালডিহাইড-কিটোন-অ্যাসিড-এস্টার-অ্যামিন কীভাবে চিনবে, IUPAC নাম কীভাবে লিখবে? আটটি পরিবারের গঠন দেখো, পরীক্ষা ও সমাধান করা অঙ্কসহ।

HSC

পলিমারকরণ: যোজন ও ঘনীভবন পলিমার, পলিথিন ও নাইলন

পলিমার কী, যোজন ও ঘনীভবন পলিমারকরণে পার্থক্য কী? ইথিন থেকে পলিথিন আর নাইলন-৬,৬ তৈরি দেখো, শিকলের আণবিক ভর ও নির্গত পানির হিসাবসহ।

SSC · HSC

মিশ্রণ আলাদা করার পদ্ধতি: ছাঁকন, পাতন, ক্রোমাটোগ্রাফি, স্ফটিকীকরণ

ছাঁকন, সরল ও আংশিক পাতন, কাগজ ক্রোমাটোগ্রাফি আর স্ফটিকীকরণ চোখের সামনে চলতে দেখো। Rf-এর হিসাব, পাতনের তাপমাত্রা-রেখা আর স্ফটিকের ফলন হাতে-কলমে।

HSC

কেলাস জালক: SC, BCC ও FCC একক কোষ, প্যাকিং দক্ষতা ও ঘনত্ব

সরল, দেহকেন্দ্রিক ও ফলককেন্দ্রিক ঘন একক কোষ ঘুরিয়ে দেখো। প্রতি কোষে পরমাণু, সন্নিবেশ সংখ্যা, প্যাকিং দক্ষতা (৫২.৪%, ৬৮%, ৭৪%) আর ঘনত্বের হিসাব।

HSC

তেজস্ক্রিয়তা: আলফা, বিটা, গামা ক্ষয় ও অর্ধায়ু

আলফা, বিটা, গামা ক্ষয়ে A ও Z কীভাবে বদলায় দেখো, পারমাণবিক সমীকরণ মেলাও, ১০০ পরমাণুর এলোমেলো ক্ষয় অর্ধায়ু রেখা ধরে চলতে দেখো। কার্বন-১৪ কালনির্ণয়সহ বিনা মূল্যের সিমুলেশন।

অন্য বিষয়ের অ্যানিমেশন

পদার্থবিজ্ঞান

আলোর প্রতিসরণ

পদার্থবিজ্ঞান

ওহমের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

প্রাসের গতি

পদার্থবিজ্ঞান

সরল দোলক

পদার্থবিজ্ঞান

তড়িৎ ক্ষেত্র

পদার্থবিজ্ঞান

তরঙ্গের ব্যতিচার

পদার্থবিজ্ঞান

পড়ন্ত বস্তু ও পড়ন্ত বস্তুর সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

লেন্সে প্রতিবিম্ব গঠন

পদার্থবিজ্ঞান

নিউটনের গতির সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

গোলীয় দর্পণে প্রতিবিম্ব গঠন

পদার্থবিজ্ঞান

তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ ও ফ্যারাডের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

ভরবেগের সংরক্ষণ ও সংঘর্ষ

পদার্থবিজ্ঞান

কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি

পদার্থবিজ্ঞান

নততল

পদার্থবিজ্ঞান

বৃত্তাকার গতি

পদার্থবিজ্ঞান

অনুপ্রস্থ ও অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ

পদার্থবিজ্ঞান

লিভার ও ভ্রামক

পদার্থবিজ্ঞান

ভরকেন্দ্র

পদার্থবিজ্ঞান

স্প্রিং-ভর ও সরল ছন্দিত স্পন্দন

পদার্থবিজ্ঞান

ভেক্টর যোগ: ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

আপেক্ষিক বেগ: ট্রেন ও নদী পারাপার

পদার্থবিজ্ঞান

কেপলারের সূত্র ও উপবৃত্তাকার কক্ষপথ

পদার্থবিজ্ঞান

নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র, g ও কৃত্রিম উপগ্রহ

পদার্থবিজ্ঞান

তার ও নলে স্থির তরঙ্গ

পদার্থবিজ্ঞান

অনুনাদ নল ও শব্দের দ্রুতি

পদার্থবিজ্ঞান

স্বরকম্প: কাছাকাছি দুই সুরের স্পন্দন

পদার্থবিজ্ঞান

ডপলার প্রভাব: চলমান উৎস, চলমান শ্রোতা ও সনিক বুম

পদার্থবিজ্ঞান

প্রিজম, আলোর বিচ্ছুরণ ও রামধনু

পদার্থবিজ্ঞান

কির্শফের সূত্র: সংযোগ সূত্র ও বদ্ধ পথ সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

হুইটস্টোন ব্রিজ ও মিটার ব্রিজ

পদার্থবিজ্ঞান

একক চিড়ে অপবর্তন

পদার্থবিজ্ঞান

চোখের ত্রুটি ও তার প্রতিকার

পদার্থবিজ্ঞান

আলোর সমবর্তন: ম্যালাসের সূত্র ও ব্রুস্টারের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

ক্যাপাসিটরের আহিতকরণ ও নিরাহিতকরণ: আরসি সময় ধ্রুবক

পদার্থবিজ্ঞান

চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা: দণ্ডচুম্বক, তড়িৎবাহী সরল তার ও সলিনয়েড

পদার্থবিজ্ঞান

এসি জেনারেটর

পদার্থবিজ্ঞান

ট্রান্সফর্মার

পদার্থবিজ্ঞান

তাপের সঞ্চালন: পরিবহন, পরিচলন ও বিকিরণ

পদার্থবিজ্ঞান

আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া: আইনস্টাইনের সমীকরণ ও নিবৃত্তি বিভব

পদার্থবিজ্ঞান

মোটর ক্রিয়া: তড়িৎবাহী তারের ওপর বল ও ডিসি মোটর

পদার্থবিজ্ঞান

গ্যাসের অণু ও গতিতত্ত্ব: চাপ, তাপমাত্রা ও দ্রুতি

পদার্থবিজ্ঞান

অর্ধপরিবাহী ডায়োড: p–n সন্ধি, I–V বক্ররেখা ও রেক্টিফায়ার

পদার্থবিজ্ঞান

তেজস্ক্রিয় ক্ষয়: অর্ধায়ু, ক্ষয় সূত্র ও বিকিরণের ভেদন ক্ষমতা

পদার্থবিজ্ঞান

বোর পরমাণু মডেল: কক্ষপথ, শক্তিস্তর ও হাইড্রোজেনের বর্ণালি

জীববিজ্ঞান

মাইটোসিস কোষ বিভাজন

জীববিজ্ঞান

ব্যাপন ও অভিস্রবণ

জীববিজ্ঞান

সালোকসংশ্লেষণ

জীববিজ্ঞান

মানব হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কাজ

জীববিজ্ঞান

মেন্ডেলের বংশগতি সূত্র

জীববিজ্ঞান

ডিএনএ রেপ্লিকেশন

জীববিজ্ঞান

কোষীয় শ্বসন

জীববিজ্ঞান

এনজাইম ক্রিয়া

জীববিজ্ঞান

স্নায়ু উদ্দীপনার পরিবহন ও অ্যাকশন পটেনশিয়াল

জীববিজ্ঞান

নেফ্রন ও মূত্র তৈরির প্রক্রিয়া

জীববিজ্ঞান

মিয়োসিস কোষ বিভাজন

জীববিজ্ঞান

পরিপাকতন্ত্র

জীববিজ্ঞান

শ্বাসক্রিয়ার কৌশল: প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস

জীববিজ্ঞান

প্রোটিন সংশ্লেষণ

জীববিজ্ঞান

রক্ত সংবহন: দ্বি-সংবহন ও কার্ডিয়াক আউটপুট

জীববিজ্ঞান

কোষের গঠন ও অঙ্গাণু: উদ্ভিদ কোষ বনাম প্রাণী কোষ

জীববিজ্ঞান

প্রতিবর্ত ক্রিয়া ও প্রতিবর্ত চাপ

জীববিজ্ঞান

মানুষের চোখ: গঠন, প্রতিবিম্ব ও উপযোজন

জীববিজ্ঞান

পেশি সংকোচন ও স্লাইডিং ফিলামেন্ট মডেল

জীববিজ্ঞান

উদ্ভিদে পরিবহন: জাইলেম, ফ্লোয়েম ও বাষ্পমোচন

জীববিজ্ঞান

খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজাল: শক্তির প্রবাহ ও ১০ % নিয়ম

জীববিজ্ঞান

জনসংখ্যা বৃদ্ধি: সূচকীয় ও লজিস্টিক রেখা

জীববিজ্ঞান

প্রাকৃতিক নির্বাচন: পেপার্ড মথ ও কালিঝুলি মাখা গাছ

জীববিজ্ঞান

রোগপ্রতিরোধ: প্রাথমিক ও গৌণ অ্যান্টিবডি সাড়া

জীববিজ্ঞান

পরাগায়ন ও নিষেক

গণিত

পিথাগোরাসের উপপাদ্য

গণিত

ত্রিকোণমিতিক অনুপাত ও একক বৃত্ত

গণিত

দ্বিঘাত সমীকরণ ও দ্বিঘাত ফাংশনের লেখচিত্র

গণিত

বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য

গণিত

দূরত্ব ও উচ্চতা: উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ

গণিত

সম্ভাবনা: পরীক্ষালব্ধ বনাম তাত্ত্বিক সম্ভাবনা

গণিত

সমান্তর ও গুণোত্তর ধারা

গণিত

গড়, মধ্যক ও প্রচুরক

গণিত

সেট ও ভেনচিত্র

গণিত

সরল সহসমীকরণ ও সরলরেখার লেখচিত্র

গণিত

sin, cos, tan-এর লেখচিত্র

গণিত

পূর্ণবর্গ পদ্ধতি ও দ্বিঘাত সমীকরণের সমাধান

গণিত

বৃত্তের ক্ষেত্রফল: সূত্র, প্রমাণ ও সমাধান

গণিত

ঘনবস্তুর আয়তন ও তলের ক্ষেত্রফল: ঘনক, আয়তঘন, বেলন, কোণক, গোলক

গণিত

সদৃশ ত্রিভুজ: স্কেল ফ্যাক্টর, AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়া থেকে উচ্চতা

গণিত

স্থানাঙ্ক জ্যামিতি: দূরত্ব, মধ্যবিন্দু, ঢাল, বিভক্তিকরণ সূত্র ও সঞ্চারপথ

গণিত

শাঙ্কব ছেদ: বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত ও অধিবৃত্ত

গণিত

ফাংশনের রূপান্তর: সরানো, টানা ও উল্টানো

গণিত

অন্তরীকরণ: স্পর্শকের ঢাল ও ছেদক থেকে স্পর্শক

গণিত

রিম্যান যোগফল ও সমাকলন: বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফল

গণিত

সীমা ও ε–δ সংজ্ঞা: ছবিতে বোঝা

গণিত

ত্রিমাত্রিক ভেক্টর: যোগ, ডট গুণ ও ক্রস গুণ

গণিত

ম্যাট্রিক্স রূপান্তর: ঘূর্ণন, প্রতিফলন, শিয়ার ও নির্ণায়ক

গণিত

জটিল সংখ্যা: আরগান্ড সমতলে যোগ, গুণ, ঘাত ও মূল

গণিত

বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি: স্থানীয় মান, রূপান্তর ও যোগ