মূলপাতা
লগইন

Color

Indigo
Red
Green
Teal
Blue
Purple
Rose

Mode

Light
EN

দুই তরঙ্গ মিললে কী ঘটে: ব্যতিচার নিজে দেখো

দুটি সুসংগত উৎস থেকে আসা তরঙ্গ একই স্থানে মিলিত হলে উপরিপাতনের ফলে কোথাও লব্ধি বিস্তার বেড়ে যায়, আবার কোথাও কমে যায় বা শূন্য হয় — এই ঘটনাকে ব্যতিচার বলে। নিচের রিপল ট্যাংকে উৎস দুটি সরাও, তরঙ্গদৈর্ঘ্য ও দশা পার্থক্য বদলাও, আর দেখো উজ্জ্বল ও অন্ধকার ডোরা কোথায় তৈরি হয়।

S₁, S₂ উৎস বা P বিন্দু টেনে সরাও

তরঙ্গশীর্ষতরঙ্গপাদগঠনমূলক রেখা, Δ = nλধ্বংসাত্মক রেখা, Δ = (n + ½)λ
গতি

নিয়ন্ত্রণ

৩.০ cm
১২.০ cm
০ °
১.০০

দৃশ্য

পরিমাপ

S₁ থেকে দূরত্ব, r₁
২৬.৮cm
S₂ থেকে দূরত্ব, r₂
২৪.০cm
পথ পার্থক্য, Δ
২.৮৩cm
পথ পার্থক্য, Δ/λ
০.৯৪λ
P-তে দশা পার্থক্য, δ
২০°
লব্ধি বিস্তার (A₁ = ১)
১.৯৭
P বিন্দুতে ব্যতিচার
আংশিক
পর্দায় মাপা ডোরার প্রস্থ
১১.৫cm
β = λD/d (D ≫ d ধরে)
১১.০cm

সিমুলেশনটি কীভাবে ব্যবহার করবে

  1. S₁ ও S₂ উৎস টেনে সরাও, অথবা “উৎস দুটির দূরত্ব” স্লাইডার বদলাও — d বাড়ালে ডোরা ঘন হয়ে আসে।
  2. দৃশ্য “গড় তীব্রতা” করে দাও: চলমান তরঙ্গের জায়গায় স্থির উজ্জ্বল ও অন্ধকার ডোরা দেখা যাবে।
  3. P বিন্দুটি কোনো সবুজ রেখায় রাখো — পথ পার্থক্য λ-এর পূর্ণসংখ্যা গুণিতক হবে; লাল ড্যাশ রেখায় রাখলে হবে অর্ধ-পূর্ণসংখ্যা গুণিতক।
  4. দশা পার্থক্য φ = ১৮০° করো: সব ডোরা জায়গা বদলায়, মাঝের রেখাটি এখন অন্ধকার।

পুকুরে দুটি ঢিল: ব্যতিচারের সাথে প্রথম দেখা

শান্ত একটা পুকুরে পাশাপাশি দুটি ঢিল একসাথে ফেলে দেখেছ কখনো? প্রতিটি ঢিল থেকে গোল গোল ঢেউ ছড়িয়ে পড়ে। একটু পরে দুই সেট ঢেউ একে অপরের ওপর দিয়ে চলে যেতে থাকে, আর তখন একটা মজার নকশা তৈরি হয় — কিছু জায়গায় পানি খুব জোরে ওঠানামা করছে, আবার কিছু জায়গায় পানি প্রায় একদম স্থির।

এই “কোথাও জোরালো, কোথাও চুপচাপ” নকশাটাই ব্যতিচার। দুটি তরঙ্গ মিলে কোথাও একে অপরকে সাহায্য করে, কোথাও একে অপরকে বাতিল করে দেয়। আর সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো, নকশাটা এলোমেলো নয় — কোন জায়গায় জোরালো আর কোন জায়গায় চুপ হবে, সেটা হিসাব করে আগেই বলে দেওয়া যায়।

বৃষ্টির পরে ভেজা রাস্তায় পড়ে থাকা তেলের পাতলা স্তরে রংধনুর মতো রং, কিংবা সাবানের বুদবুদের গায়ে ঝলমলে রং — এগুলোও আলোর ব্যতিচারের ফল। এখানে ঢেউ পানির নয়, আলোর; কিন্তু নিয়মটা একই।

শুরু থেকে: তরঙ্গের কয়েকটি সহজ কথা

ব্যতিচার বুঝতে হলে আগে তরঙ্গের কয়েকটা শব্দ চিনে নিই। পানির ঢেউয়ের সবচেয়ে উঁচু অংশকে বলে তরঙ্গশীর্ষ, আর সবচেয়ে নিচু অংশকে তরঙ্গপাদ। পাশাপাশি দুটি তরঙ্গশীর্ষের মাঝের দূরত্ব হলো তরঙ্গদৈর্ঘ্য, যাকে λ (ল্যাম্বডা) দিয়ে লেখা হয়।

স্থির অবস্থান থেকে কণাটি সর্বোচ্চ যতটুকু সরে যায়, সেটা বিস্তার (A)। আর দশা বলতে বোঝায়, কোনো মুহূর্তে কণাটি তার কম্পনের কোন অবস্থায় আছে — ওপরে উঠছে, নিচে নামছে, নাকি শীর্ষে আছে। দুটি কণা যদি একই সাথে ওপরে ওঠে আর একই সাথে নামে, তারা একই দশায় আছে।

উপরিপাতন নীতি: তরঙ্গরা যোগ করতে জানে

একই মাধ্যমে দুই বা ততোধিক তরঙ্গ একসাথে কোনো কণার ওপর দিয়ে গেলে কণাটির লব্ধি সরণ হয় প্রতিটি তরঙ্গের আলাদা সরণের যোগফলের সমান। একেই তরঙ্গের উপরিপাতন নীতি বলে।

সহজ উদাহরণ: দুজন বন্ধু একটা দোলনাকে ঠেলছে। দুজন যদি একই দিকে, একই সময়ে ঠেলে, দোলনা অনেক উঁচুতে ওঠে। কিন্তু একজন সামনে আর আরেকজন উল্টো দিকে একই শক্তিতে ঠেললে দোলনা নড়েই না। তরঙ্গের ক্ষেত্রেও ঠিক তাই — সরণগুলো চিহ্নসহ যোগ হয়।

y = y₁ + y₂লব্ধি সরণ = আলাদা সরণগুলোর যোগফল

কয়েকটি জরুরি শব্দ এক নজরে

পরীক্ষায় সংজ্ঞাগুলো বারবার আসে, তাই একটা ছোট তালিকা বানিয়ে রাখলাম।

শব্দসহজ মানে
উপরিপাতনএকাধিক তরঙ্গ একই জায়গায় এলে সরণগুলো যোগ হওয়া
ব্যতিচারউপরিপাতনের ফলে কোথাও বিস্তার বেশি, কোথাও কম হওয়ার স্থায়ী নকশা
সুসংগত উৎসএকই কম্পাঙ্কের দুটি উৎস, যাদের দশা পার্থক্য সময়ের সাথে বদলায় না
পথ পার্থক্য (Δ)দুই উৎস থেকে কোনো বিন্দুর দূরত্বের পার্থক্য, |r₁ − r₂|
দশা পার্থক্য (δ)দুই তরঙ্গ কতটা এগিয়ে-পিছিয়ে আছে, কোণে মাপা
ডোরা বা ঝালরপর্দায় পরপর উজ্জ্বল ও অন্ধকার দাগ
ডোরার প্রস্থ (β)পাশাপাশি দুটি উজ্জ্বল (বা দুটি অন্ধকার) ডোরার মাঝের দূরত্ব

গঠনমূলক ও ধ্বংসাত্মক ব্যতিচারের শর্ত

কোনো বিন্দুতে দুই তরঙ্গ কী করবে, তা নির্ভর করে সেখানে তারা কোন দশায় পৌঁছায় তার ওপর। আর দশা নির্ভর করে পথ পার্থক্যের ওপর — একটি তরঙ্গকে অন্যটির চেয়ে কতটা বেশি পথ চলতে হয়েছে।

গঠনমূলক ব্যতিচার: শীর্ষে শীর্ষে মিলন

পথ পার্থক্য যদি তরঙ্গদৈর্ঘ্যের পূর্ণসংখ্যা গুণিতক হয় (০, λ, ২λ, …), তাহলে একটি তরঙ্গ ঠিক পুরো পুরো ঢেউ বেশি চলেছে। ফলে শীর্ষ এসে পড়ে শীর্ষের ওপর, পাদ পড়ে পাদের ওপর। বিস্তার দাঁড়ায় A₁ + A₂ — আলোর ক্ষেত্রে উজ্জ্বল ডোরা।

Δ = nλ, n = 0, 1, 2, …লব্ধি বিস্তার A₁ + A₂

ধ্বংসাত্মক ব্যতিচার: শীর্ষে পাদে কাটাকাটি

পথ পার্থক্য যদি অর্ধেক তরঙ্গদৈর্ঘ্যের বিজোড় গুণিতক হয় (λ/২, ৩λ/২, …), তাহলে একটির শীর্ষ এসে পড়ে অন্যটির পাদে। দুটো সরণ উল্টো দিকে, তাই একে অপরকে বাতিল করে। বিস্তার হয় |A₁ − A₂|; দুটো সমান হলে একদম শূন্য — অন্ধকার ডোরা।

Δ = (2n + 1)λ/2লব্ধি বিস্তার |A₁ − A₂|

পথ পার্থক্য থেকে দশা পার্থক্য

এক তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি পথ মানে পুরো এক চক্র, অর্থাৎ 2π রেডিয়ান বা ৩৬০° দশা পার্থক্য। তাই যেকোনো পথ পার্থক্যকে দশায় বদলানো যায় সহজ একটা অনুপাতে। দশা পার্থক্য δ হলে লব্ধি বিস্তারের সাধারণ সূত্রও আছে।

δ = (2π/λ)·Δদশা পার্থক্য

A² = A₁² + A₂² + 2A₁A₂cosδযেকোনো দশায় লব্ধি বিস্তার

কেন সুসংগত উৎস লাগে

দুটি আলাদা বাল্ব জ্বালিয়ে দেয়ালে ধরলে কোনো ডোরা দেখা যায় না। কারণ প্রতিটি বাল্বের আলো প্রতি সেকেন্ডে কোটি কোটি বার এলোমেলোভাবে দশা বদলায়। ফলে কোনো বিন্দুতে এক মুহূর্তে গঠনমূলক, পরের মুহূর্তেই ধ্বংসাত্মক — চোখে শুধু গড়পড়তা আলো পৌঁছায়।

স্থির নকশা পেতে হলে দুই উৎসের কম্পাঙ্ক এক হতে হবে এবং দশা পার্থক্য সময়ের সাথে ধ্রুব থাকতে হবে। এমন উৎসকে সুসংগত উৎস বলে। তাই সাধারণত একটি উৎসের আলোকেই দুই ভাগ করা হয় — যেমন ইয়ং-এর পরীক্ষায় দুটি সরু চিড় দিয়ে।

  • দুই উৎসের কম্পাঙ্ক (এবং তরঙ্গদৈর্ঘ্য) সমান হতে হবে।
  • দশা পার্থক্য ধ্রুব থাকতে হবে।
  • বিস্তার সমান বা কাছাকাছি হলে অন্ধকার ডোরা বেশি অন্ধকার হয়, নকশা পরিষ্কার দেখা যায়।
  • উৎস দুটি খুব কাছাকাছি এবং খুব সরু হওয়া ভালো।

ইয়ং-এর দ্বি-চিড় পরীক্ষা ধাপে ধাপে

১৮০১ সালের দিকে টমাস ইয়ং আলোর তরঙ্গ ধর্ম প্রমাণ করতে একটি সহজ কিন্তু বিখ্যাত পরীক্ষা করেন। আজও HSC পদার্থবিজ্ঞানে এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোর একটি।

পরীক্ষার সাজসজ্জা

একটি একবর্ণী আলোক উৎসের সামনে একটি সরু চিড় S রাখা হয়। তার সামনে খুব কাছাকাছি দুটি সরু চিড় S₁ ও S₂, যাদের মাঝের দূরত্ব d। অনেক দূরে, D দূরত্বে একটি পর্দা। S থেকে আসা একই তরঙ্গমুখ S₁ ও S₂-তে পৌঁছায় বলে এরা সুসংগত উৎসের মতো কাজ করে।

পর্দায় দেখা যায় সমান দূরত্বে পরপর উজ্জ্বল ও অন্ধকার ডোরা। মাঝখানে (যেখানে পথ পার্থক্য শূন্য) সবসময় উজ্জ্বল ডোরা থাকে — যদি উৎস দুটি একই দশায় থাকে।

ডোরার অবস্থান ও প্রস্থের সূত্র

পর্দার মাঝখান থেকে y দূরত্বে পথ পার্থক্য প্রায় Δ = yd/D (যখন D অনেক বড়)। উজ্জ্বল ডোরার জন্য Δ = nλ বসালে n-তম উজ্জ্বল ডোরার অবস্থান পাওয়া যায়। পাশাপাশি দুটির পার্থক্যই ডোরার প্রস্থ।

yₙ = nλD/dn-তম উজ্জ্বল ডোরার অবস্থান

β = λD/dডোরার প্রস্থ

  • λ বাড়লে β বাড়ে — লাল আলোর ডোরা নীল আলোর চেয়ে চওড়া।
  • পর্দা দূরে নিলে (D বাড়ালে) ডোরা চওড়া হয়।
  • চিড় দুটি কাছে আনলে (d কমালে) ডোরা চওড়া হয়।
  • পুরো ব্যবস্থা পানিতে ডুবালে λ কমে যায়, তাই ডোরা সরু হয়।

ব্যতিচার ও অপবর্তনের পার্থক্য

এই প্রশ্নটা খুব বেশি আসে, কারণ দুটোতেই উজ্জ্বল-অন্ধকার ডোরা দেখা যায়। মূল পার্থক্য হলো তরঙ্গগুলো কোথা থেকে আসছে।

বিষয়ব্যতিচারঅপবর্তন
উৎসদুটি সুসংগত উৎসের তরঙ্গের মিলনএকই তরঙ্গমুখের বিভিন্ন অংশের তরঙ্গের মিলন
ডোরার প্রস্থসাধারণত সব ডোরা সমান চওড়ামাঝের ডোরা সবচেয়ে চওড়া, বাকিগুলো সরু
উজ্জ্বলতাউজ্জ্বল ডোরাগুলো প্রায় সমান উজ্জ্বলমাঝখান থেকে দূরে গেলে উজ্জ্বলতা দ্রুত কমে
অন্ধকার ডোরাপুরোপুরি অন্ধকার হতে পারেপুরোপুরি অন্ধকার হয় না
উদাহরণইয়ং-এর দ্বি-চিড় পরীক্ষাএকটি সরু চিড় বা ধারালো কিনারার পাশে আলো

সিমুলেশনে নিজে পরীক্ষা করো

ওপরের রিপল ট্যাংকটা আসলে একটা ছোট্ট ল্যাব। বই পড়ে যা শিখলে, এখানে হাতে-কলমে মিলিয়ে নাও।

  • তরঙ্গদৈর্ঘ্য λ বাড়াও: ঢেউগুলো লম্বা হয়, আর সবুজ-লাল রেখাগুলো দূরে দূরে সরে যায় — β = λD/d মনে পড়ছে?
  • উৎস দুটির দূরত্ব d কমাও: রেখার সংখ্যা কমে, ডোরা চওড়া হয়।
  • দশা পার্থক্য φ ধীরে ধীরে ০° থেকে ৩৬০° করো: পুরো নকশা পাশে সরে যায় আর ৩৬০°-এ আগের জায়গায় ফেরে।
  • বিস্তারের অনুপাত কমাও: অন্ধকার ডোরা আর পুরো অন্ধকার থাকে না, ধূসর হয়ে যায়।
  • P বিন্দুটি টেনে বিভিন্ন জায়গায় রাখো আর পরিমাপ প্যানেলে পথ পার্থক্য কত λ, দেখো।

সমাধান করা গাণিতিক উদাহরণ

নিচের প্রতিটি উদাহরণ ধাপে ধাপে করা হয়েছে। একক আগে SI-তে বদলে নিতে ভুলো না।

উদাহরণ ১: ডোরার প্রস্থ নির্ণয়

ইয়ং-এর পরীক্ষায় λ = ৬০০ nm, চিড় দুটির দূরত্ব d = ০.৫ mm এবং পর্দার দূরত্ব D = ১ m। ডোরার প্রস্থ কত?

β = λD/d = (৬০০ × 10⁻⁹ × ১) / (০.৫ × 10⁻³) = ১.২ mm। তাহলে মাঝখান থেকে ৩য় উজ্জ্বল ডোরা থাকবে y₃ = ৩β = ৩.৬ mm দূরে।

উদাহরণ ২: ডোরার প্রস্থ থেকে তরঙ্গদৈর্ঘ্য

একটি পরীক্ষায় মাপা ডোরার প্রস্থ ০.৭৫ mm, D = ১.৫ m এবং d = ১ mm। আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কত?

সূত্র উল্টে লিখি: λ = βd/D = (০.৭৫ × 10⁻³ × ১ × 10⁻³) / ১.৫ = ৫০০ nm — এটা সবুজ আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য।

উদাহরণ ৩: চিড়ের দূরত্ব অর্ধেক করলে

উদাহরণ ১-এর ব্যবস্থায় d-কে অর্ধেক করে ০.২৫ mm করা হলো। নতুন ডোরার প্রস্থ β′ = λD/(d/২) = ২.৪ mm — অর্থাৎ ঠিক দ্বিগুণ। β ও d ব্যস্তানুপাতিক, তাই এক দিক অর্ধেক হলে অন্যটি দ্বিগুণ।

উদাহরণ ৪: পথ পার্থক্য থেকে সিদ্ধান্ত

λ = ৬০০ nm আলোয় দুটি বিন্দুতে পথ পার্থক্য যথাক্রমে ১.৫ µm ও ১.৮ µm। প্রতিটিতে কী ধরনের ব্যতিচার হবে?

প্রথম বিন্দু: Δ/λ = ২.৫, অর্থাৎ অর্ধ-পূর্ণসংখ্যা। দশা পার্থক্য δ = (2π/λ)Δ = ৫π রেডিয়ান, যা π-এর বিজোড় গুণিতক — ধ্বংসাত্মক ব্যতিচার, অন্ধকার ডোরা।

দ্বিতীয় বিন্দু: Δ/λ = ৩, পূর্ণসংখ্যা। δ = ৬π রেডিয়ান, 2π-এর গুণিতক — গঠনমূলক ব্যতিচার, উজ্জ্বল ডোরা।

উদাহরণ ৫: অসমান বিস্তার

দুটি সুসংগত তরঙ্গের বিস্তার ৩ cm ও ১ cm। সর্বোচ্চ বিস্তার = ৩ + ১ = ৪ cm, সর্বনিম্ন বিস্তার = ৩ − ১ = ২ cm। তীব্রতা বিস্তারের বর্গের সমানুপাতিক, তাই Imax : Imin = ৪² : ২² = ৪ : ১।

দশা পার্থক্য ৬০° হলে A² = ৩² + ১² + ২ × ৩ × ১ × cos৬০° = ১৩, তাই A = ৩.৬১ cm।

যে ভুলগুলো সবাই করে

কয়েকটা সাধারণ ভুল আগে থেকে জেনে রাখলে পরীক্ষায় নম্বর বাঁচবে।

  • ডোরার প্রস্থের সূত্রে mm আর nm একসাথে বসিয়ে দেওয়া — আগে সব মিটারে নাও।
  • ভাবা যে অন্ধকার ডোরায় শক্তি নষ্ট হয় — আসলে শক্তি শুধু পুনর্বণ্টিত হয়।
  • d বাড়ালে ডোরা চওড়া হয় ভাবা — উল্টো, d বাড়লে β কমে।
  • দুটি আলাদা বাল্ব দিয়ে ব্যতিচার হবে ভাবা — তারা সুসংগত নয়।
  • ব্যতিচার আর অপবর্তন গুলিয়ে ফেলা — উৎস দুটি নাকি একটি তরঙ্গমুখ, সেটা দেখো।

বাস্তব জীবনে ব্যতিচার

ব্যতিচার শুধু বইয়ের জিনিস নয়, চারপাশে প্রতিদিন ঘটছে।

  • সাবানের বুদবুদ ও তেলের স্তর: পাতলা স্তরের সামনের ও পেছনের তল থেকে প্রতিফলিত আলো ব্যতিচার ঘটায়। স্তরের পুরুত্ব অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন রং জোরালো হয়, তাই রংধনুর মতো দেখায়।
  • চশমা ও ক্যামেরার লেন্সের প্রতিফলন-রোধী প্রলেপ: খুব পাতলা একটা প্রলেপ দেওয়া হয়, যাতে দুই তল থেকে প্রতিফলিত আলো ধ্বংসাত্মক ব্যতিচারে একে অপরকে বাতিল করে। ফলে প্রতিফলন কমে, বেশি আলো লেন্স দিয়ে ঢোকে।
  • নয়েজ-ক্যান্সেলিং হেডফোন: মাইক্রোফোন বাইরের শব্দ শোনে, আর হেডফোন ঠিক উল্টো দশার (১৮০°) শব্দ তৈরি করে। দুটো মিলে ধ্বংসাত্মক ব্যতিচার — একটানা ইঞ্জিন বা ফ্যানের শব্দ অনেক কমে যায়।
  • রেডিও ও ওয়াই-ফাই সিগন্যাল: দেয়ালে প্রতিফলিত সিগন্যাল সরাসরি সিগন্যালের সাথে ব্যতিচার করে, তাই ঘরের কোনো কোনো কোণে সিগন্যাল দুর্বল পাওয়া যায়।

পরীক্ষার কর্নার: HSC সৃজনশীল প্রশ্ন

সৃজনশীল প্রশ্নে সাধারণত একটি উদ্দীপক থাকে: ধরো, “একটি ইয়ং-এর দ্বি-চিড় পরীক্ষায় চিড়দ্বয়ের দূরত্ব ০.৫ mm, পর্দার দূরত্ব ১ m এবং ব্যবহৃত আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য ৬০০ nm।” এরপর চারটি স্তরের প্রশ্ন আসে।

  • জ্ঞানমূলক: “সুসংগত উৎস কাকে বলে?” — একই কম্পাঙ্ক ও ধ্রুব দশা পার্থক্যের দুটি উৎস।
  • অনুধাবনমূলক: “দুটি আলাদা বাল্বের আলোয় ব্যতিচার হয় না কেন?” — এদের দশা পার্থক্য এলোমেলোভাবে বদলায়, তাই স্থায়ী নকশা হয় না।
  • প্রয়োগমূলক: “ডোরার প্রস্থ নির্ণয় করো।” — β = λD/d = ১.২ mm।
  • উচ্চতর দক্ষতা: “চিড়ের দূরত্ব অর্ধেক করলে পর্দায় কী পরিবর্তন হবে — গাণিতিক যুক্তিসহ বিশ্লেষণ করো।” — β দ্বিগুণ হয়ে ২.৪ mm, ডোরা কম ও চওড়া দেখাবে।

এক নজরে পুনরাবৃত্তি

পরীক্ষার আগের রাতে শুধু এই অংশটা পড়লেও মূল কথাগুলো মনে পড়ে যাবে।

  • উপরিপাতন: y = y₁ + y₂।
  • ব্যতিচারের জন্য সুসংগত উৎস লাগে।
  • গঠনমূলক: Δ = nλ, বিস্তার A₁ + A₂।
  • ধ্বংসাত্মক: Δ = (2n + 1)λ/2, বিস্তার |A₁ − A₂|।
  • দশা পার্থক্য δ = (2π/λ)Δ।
  • ডোরার প্রস্থ β = λD/d।
  • শক্তি নষ্ট হয় না, পুনর্বণ্টিত হয়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

উপরিপাতন নীতি কী?

একই মাধ্যমে একাধিক তরঙ্গ একসাথে কোনো কণার ওপর দিয়ে গেলে কণাটির লব্ধি সরণ প্রতিটি তরঙ্গের আলাদা সরণের যোগফলের সমান হয় — এটাই উপরিপাতন নীতি।

ব্যতিচার কাকে বলে?

দুটি সুসংগত উৎসের তরঙ্গ মিলিত হলে উপরিপাতনের ফলে কোনো স্থানে লব্ধি বিস্তার সর্বোচ্চ এবং কোনো স্থানে সর্বনিম্ন হওয়ার ঘটনাকে ব্যতিচার বলে।

ব্যতিচারের শর্ত কী?

উৎস দুটি সুসংগত হতে হবে (একই কম্পাঙ্ক, ধ্রুব দশা পার্থক্য), বিস্তার সমান বা কাছাকাছি হতে হবে, আর উৎস দুটি সরু ও কাছাকাছি হতে হবে। গঠনমূলকের জন্য Δ = nλ, ধ্বংসাত্মকের জন্য Δ = (2n + 1)λ/2।

ব্যতিচার ও অপবর্তনের পার্থক্য কী?

ব্যতিচারে দুটি সুসংগত উৎসের তরঙ্গ মেলে এবং ডোরাগুলো সমান চওড়া ও সমান উজ্জ্বল; অপবর্তনে একই তরঙ্গমুখের বিভিন্ন অংশ মেলে, মাঝের ডোরা সবচেয়ে চওড়া আর বাকিগুলো ক্রমশ ম্লান।

ব্যতিচার ঘটনার জন্য আলোর কোন ধর্ম দায়ী?

আলোর তরঙ্গ ধর্ম। কণা হিসেবে দুটি আলোক রশ্মি মিলে অন্ধকার তৈরি করতে পারে না; তরঙ্গ হিসেবে শীর্ষ-পাদ কাটাকাটি করলেই অন্ধকার ডোরা হয়।

ডোরার প্রস্থের সূত্র কী?

β = λD/d, যেখানে λ আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য, D চিড় থেকে পর্দার দূরত্ব এবং d চিড় দুটির মাঝের দূরত্ব।

ধ্বংসাত্মক ব্যতিচারে শক্তি কোথায় যায়?

শক্তি নষ্ট হয় না। অন্ধকার ডোরা থেকে সরে যাওয়া শক্তি উজ্জ্বল ডোরায় জমা হয়, তাই মোট শক্তি সংরক্ষিত থাকে — শুধু পুনর্বণ্টন ঘটে।

এই বিষয়ের আরও পড়াশোনা

অ্যানিমেশনে ধারণা পরিষ্কার হলো, এবার পরীক্ষার প্রস্তুতি: সিলেবাস, সাজেশন, বই আর ভর্তি পরীক্ষার গাইড নিচে।

SSC

এসএসসি পদার্থবিজ্ঞান: সিলেবাস ও প্রস্তুতি

HSC

এইচএসসি পদার্থবিজ্ঞান: সিলেবাস ও প্রস্তুতি

পাঠ্যবই

নবম-দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান বই

ভর্তি

ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি

ভর্তি

ঢাবি বিজ্ঞান ইউনিট ভর্তি ২০২৬-২৭

English

Composition: The Uses of Electricity (ইংরেজিতে)

বাংলা

প্রতিবেদন: বিজ্ঞান মেলা

English

Paragraph: Science in Everyday Life (ইংরেজিতে)

SSC

এসএসসি সাজেশন

HSC

এইচএসসি সাজেশন

ভর্তি

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার গাইড

SSC

এসএসসি সিলেবাস

HSC

এইচএসসি সিলেবাস

বিদেশে পড়াশোনা

জার্মানিতে উচ্চশিক্ষা

টেস্ট

Digital SAT Math guide (ইংরেজিতে)

স্কলারশিপ

বিদেশে পড়াশোনার স্কলারশিপ

IELTS

IELTS vocabulary: science and research (ইংরেজিতে)

টুল

GPA calculator (ইংরেজিতে)

ক্যারিয়ার

Civil engineer resume example (ইংরেজিতে)

আরও পদার্থবিজ্ঞান অ্যানিমেশন

SSC · HSC

আলোর প্রতিসরণ

আলোর প্রতিসরণ কাকে বলে, প্রতিসরণের সূত্র, সংকট কোণ ও পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন — সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা, ইন্টারঅ্যাকটিভ অ্যানিমেশন ও গাণিতিক উদাহরণসহ।

SSC · HSC

ওহমের সূত্র

ওহমের সূত্র কাকে বলে, বিবৃতি ও ব্যাখ্যা, V-I লেখচিত্র — বিভব পার্থক্য ও রোধ বদলে তড়িৎ প্রবাহ দেখো। শ্রেণি ও সমান্তরাল সমবায়, গাণিতিক উদাহরণসহ।

HSC

প্রাসের গতি

প্রাস কাকে বলে? কোণ ও আদিবেগ বদলে প্রাসের গতিপথ দেখো — বিচরণকাল, সর্বাধিক উচ্চতা ও আনুভূমিক পাল্লার সূত্র, গাণিতিক উদাহরণসহ।

SSC · HSC

সরল দোলক

সরল দোলক কাকে বলে, দোলনকালের সূত্র T=2π√(L/g) ও দোলকের সূত্রসমূহ — দৈর্ঘ্য বদলে দেখো। অভিকর্ষজ ত্বরণ নির্ণয়ের গাণিতিক উদাহরণসহ।

SSC · HSC

তড়িৎ ক্ষেত্র

তড়িৎ ক্ষেত্র কাকে বলে, তড়িৎ তীব্রতার সূত্র ও একক, বলরেখার বৈশিষ্ট্য — আধান বসিয়ে বলরেখা দেখো। কুলম্বের সূত্রের গাণিতিক উদাহরণসহ।

SSC · HSC

পড়ন্ত বস্তু ও পড়ন্ত বস্তুর সূত্র

পড়ন্ত বস্তুর তিনটি সূত্র কী, কে আবিষ্কার করেন, অভিকর্ষজ ত্বরণ ৯.৮ বলতে কী বোঝায়: মুদ্রা আর পালক ফেলে নিজে দেখো, সূত্র ও গাণিতিক সমস্যাসহ।

SSC · HSC

লেন্সে প্রতিবিম্ব গঠন

উত্তল লেন্স ও অবতল লেন্স কাকে বলে, প্রতিবিম্ব কীভাবে গঠিত হয়, লেন্সের সূত্র 1/u + 1/v = 1/f, বিবর্ধন ও লেন্সের ক্ষমতা: বস্তু টেনে সরিয়ে রশ্মি চিত্র নিজে দেখো।

SSC · HSC

নিউটনের গতির সূত্র

নিউটনের গতির তিনটি সূত্র, জড়তা, ভরবেগ, F = ma, ঘাত বল আর ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া: ট্রলি ঠেলে নিজে দেখো, সহজ উদাহরণ, সূত্র ও গাণিতিক সমস্যাসহ (SSC, HSC)।

SSC · HSC

গোলীয় দর্পণে প্রতিবিম্ব গঠন

অবতল দর্পণ ও উত্তল দর্পণ কাকে বলে, মেরু, বক্রতার কেন্দ্র, প্রধান ফোকাস, দর্পণের সূত্র 1/u + 1/v = 1/f ও বিবর্ধন: বস্তু টেনে সরিয়ে প্রতিবিম্ব গঠন নিজে দেখো।

SSC · HSC

তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ ও ফ্যারাডের সূত্র

তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ কাকে বলে, ফ্যারাডের সূত্র ও লেঞ্জের সূত্র কী বলে: চুম্বক টেনে কুণ্ডলীর ভেতর দিয়ে নিয়ে নিজে দেখো, গ্যালভানোমিটারের কাঁটা কেন দোলে, সূত্র ও অঙ্কসহ।

SSC · HSC

ভরবেগের সংরক্ষণ ও সংঘর্ষ

ভরবেগের সংরক্ষণ সূত্র কী, স্থিতিস্থাপক ও অস্থিতিস্থাপক সংঘর্ষের পার্থক্য কী: দুটো গাড়ি সংঘর্ষ করিয়ে নিজে দেখো, পুনরুদ্ধার সহগ e বদলে ভরবেগ ও গতিশক্তির বার-লেখচিত্র মিলিয়ে দেখো, সূত্র ও অঙ্কসহ।

SSC · HSC

কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি

কাজ কাকে বলে, গতিশক্তি ও বিভবশক্তির সূত্র কী, ক্ষমতা কীভাবে মাপা হয়: গড়িয়ে পড়া কার্টের সিমুলেশনে শক্তির রূপান্তর নিজে দেখো, সূত্র ও গাণিতিক সমস্যাসহ।

SSC · HSC

নততল

নততলে ওজন কীভাবে দুই উপাংশে ভাগ হয়, স্থিতি কোণ কী, ঘর্ষণ কীভাবে ব্লককে ধরে রাখে বা পিছলে দেয়: কোণ বদলে ব্লক নিজে ছেড়ে দিয়ে বল-চিত্র ও সূত্র দেখো।

SSC · HSC

বৃত্তাকার গতি

সুতায় ঘোরা বলের সিমুলেশনে বৃত্তাকার গতি, কেন্দ্রমুখী বল F=mv²/r, কৌণিক বেগ, পর্যায়কাল দেখো। সুতা কাটলে বল কোথায় যায়? ব্যাংকিং ও গাণিতিক সমাধানসহ।

SSC

অনুপ্রস্থ ও অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ

একই উৎস থেকে দড়ির অনুপ্রস্থ তরঙ্গ আর স্প্রিং বা শব্দের অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ পাশাপাশি দেখো। তরঙ্গশীর্ষ, তরঙ্গপাদ, সংকোচন, প্রসারণ, তরঙ্গদৈর্ঘ্য, v = fλ আর কণা কেন তরঙ্গের সাথে চলে না, গাণিতিক সমাধানসহ।

SSC · HSC

লিভার ও ভ্রামক

সিসম্যর সিমুলেশনে বলের ভ্রামক M = F × d, ভ্রামকের নীতি, লিভারের তিন শ্রেণি ও যান্ত্রিক সুবিধা নিজে হাতে পরীক্ষা করো। সমাধান ও সৃজনশীল প্রশ্নসহ।

SSC · HSC

ভরকেন্দ্র

দণ্ডে আর পাতে ভর সরিয়ে ভরকেন্দ্র x = Σmx/Σm বের করো। অবলম্বন কোথায় রাখলে দণ্ড ভারসাম্যে থাকে, বাস কখন উল্টে যায়, সুস্থির-অস্থির-নিরপেক্ষ সাম্যাবস্থা: সিমুলেশন ও সমাধানসহ।

SSC · HSC

স্প্রিং-ভর ও সরল ছন্দিত স্পন্দন

স্প্রিংয়ে ঝোলানো ভরের সরল ছন্দিত স্পন্দন নিজে চালিয়ে দেখো। হুকের সূত্র, T = 2π√(m/k), শক্তির রূপান্তর, শ্রেণি ও সমান্তরাল স্প্রিং, সমাধান ও সৃজনশীল প্রশ্নসহ।

SSC · HSC

ভেক্টর যোগ: ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র

দুটি ভেক্টরের লব্ধি, ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র, উপাংশ, নদীতে নৌকা আর বৃষ্টিতে ছাতার আপেক্ষিক বেগ নিজে টেনে পরীক্ষা করো। সমাধান ও সৃজনশীল প্রশ্নসহ।

SSC · HSC

আপেক্ষিক বেগ: ট্রেন ও নদী পারাপার

দুই ট্রেন আর নদী পার হওয়া সাঁতারুকে নিজে চালিয়ে দেখো। আপেক্ষিক দ্রুতি, ট্রেন পার হওয়ার সময়, মুখের কোণ, ভাটিতে সরণ, সবচেয়ে কম সময় বনাম সবচেয়ে ছোট পথ, সমাধানসহ।

HSC

কেপলারের সূত্র ও উপবৃত্তাকার কক্ষপথ

উৎকেন্দ্রতা স্লাইডার টেনে কক্ষপথ লম্বা হতে দেখো। সমান সময়ে সমান ক্ষেত্রফলের সেক্টর, পর্যায়কালের সূত্র T² ∝ a³ আর মুক্তিবেগ, সমাধানসহ।

HSC

নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র, g ও কৃত্রিম উপগ্রহ

দুটি বস্তুর টান, ব্যস্তবর্গ সূত্রের লেখচিত্র, পৃথিবীর ওপরে-নিচে g আর উপগ্রহের কক্ষপথ নিজের হাতে চালিয়ে দেখো। কক্ষীয় বেগ, পর্যায়কাল, মুক্তিবেগ আর সমাধান করা অঙ্কসহ।

HSC

তার ও নলে স্থির তরঙ্গ

সিমুলেশনে তার টানো আর খোলা-বন্ধ নলে ফুঁ দাও। নোড, অ্যান্টিনোড, সমমেল দেখো এবং দৈর্ঘ্য, টান ও তাপমাত্রা কীভাবে সুর ঠিক করে তা শেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।

HSC

অনুনাদ নল ও শব্দের দ্রুতি

অনুনাদ নলে পানির স্তর সরিয়ে নিজেই জোর শব্দের জায়গা খুঁজুন। L১ = λ/৪ − e আর L২ = ৩λ/৪ − e দেখুন, v = 2f(L₂ − L₁) দিয়ে শব্দের দ্রুতি বের করুন, সমাধানসহ অঙ্ক অনুশীলন করুন।

HSC

স্বরকম্প: কাছাকাছি দুই সুরের স্পন্দন

প্রায় সমান কম্পাঙ্কের দুই তরঙ্গ যোগ করে শব্দের জোর-আস্তে স্পন্দন দেখুন। এনভেলপ আঁকা, স্বরকম্প কম্পাঙ্ক |f₁ − f₂| পড়া, শব্দ শোনা আর গিটার সুর মেলানোর পদ্ধতি শিখুন, সমাধানসহ।

HSC

ডপলার প্রভাব: চলমান উৎস, চলমান শ্রোতা ও সনিক বুম

শব্দের উৎসকে ধীরে-জোরে চালাও আর দেখো সামনে তরঙ্গমুখ কীভাবে ঠাসাঠাসি হয়, পেছনে কীভাবে ছড়িয়ে পড়ে। ডপলারের সূত্র, অ্যাম্বুলেন্স ও ট্রেনের অঙ্ক এবং সনিক বুম শেখো।

SSC · HSC

প্রিজম, আলোর বিচ্ছুরণ ও রামধনু

সাদা আলো প্রিজমে ফেলো, প্রিজম কোণ আর আপতন কোণ বদলাও, আর দেখো বর্ণালি কীভাবে তৈরি হয়। বিচ্যুতি, ন্যূনতম বিচ্যুতি, বিচ্ছুরণ ক্ষমতা এবং বৃষ্টির ফোঁটায় রামধনু সৃষ্টির অঙ্কসহ ব্যাখ্যা।

HSC

কির্শফের সূত্র: সংযোগ সূত্র ও বদ্ধ পথ সূত্র

দুটি ব্যাটারি আর তিনটি রোধের দুই-লুপ বর্তনী নিজে সাজাও। সংযোগ বিন্দুতে প্রবাহ ভাগ হওয়া দেখো, বিভবের যোগফল শূন্য হতে দেখো আর কির্শফের সূত্রের অঙ্ক ধাপে ধাপে করতে শেখো।

HSC

হুইটস্টোন ব্রিজ ও মিটার ব্রিজ

হুইটস্টোন ব্রিজের সাম্য নষ্ট করে গ্যালভানোমিটারের কাঁটা নড়তে দেখো। P/Q = R/S হলে কাঁটা শূন্যে আসে। মিটার ব্রিজে জকি সরিয়ে অজানা রোধ মাপো, গাণিতিক উদাহরণসহ।

HSC

একক চিড়ে অপবর্তন

চিড়ের প্রস্থ ও তরঙ্গদৈর্ঘ্য বদলে দেখো আলো কীভাবে ছড়ায়। তীব্রতার সূত্র I = I₀(sin β/β)², অন্ধকার পট্টির শর্ত a sin θ = mλ আর কেন্দ্রীয় পট্টির প্রস্থ 2λD/a, সমাধানসহ।

SSC · HSC

চোখের ত্রুটি ও তার প্রতিকার

স্বাভাবিক, ক্ষীণদৃষ্টি, দীর্ঘদৃষ্টি ও বার্ধক্যের চোখ বদলে বদলে দেখো। প্রতিবিম্ব কেন রেটিনার সামনে বা পেছনে পড়ে, আর কোন লেন্স কত ডায়োপ্টারে তা ঠিক করে, সিমুলেশনে হাতে-কলমে শেখো।

HSC

আলোর সমবর্তন: ম্যালাসের সূত্র ও ব্রুস্টারের সূত্র

পোলারাইজারের পেছনে অ্যানালাইজার ঘুরিয়ে গ্রাফে I = I₀cos²θ দেখো, তারপর কাচে আলো ফেলে ব্রুস্টার কোণ খুঁজে বের করো। পোলারয়েড সানগ্লাস, তিন ফিল্টারের ধাঁধা ও সমাধান করা অঙ্কসহ।

HSC

ক্যাপাসিটরের আহিতকরণ ও নিরাহিতকরণ: আরসি সময় ধ্রুবক

রোধের মধ্য দিয়ে ক্যাপাসিটর আহিত ও নিরাহিত করো। E, R, C বদলে V = E(1 − e^(−t/RC)) আর প্রবাহের বক্রেখা আঁকা দেখো, ৬৩% সময় ধ্রুবক আর সঞ্চিত শক্তি বের করো।

SSC · HSC

চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা: দণ্ডচুম্বক, তড়িৎবাহী সরল তার ও সলিনয়েড

দণ্ডচুম্বক, সরল তার ও সলিনয়েডের চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা দেখো। কম্পাস টানো, প্রবাহের দিক উল্টাও আর শেখো B = μ₀I/2πr, B = μ₀nI ও ডান হাতের মুষ্টি নিয়ম।

HSC

এসি জেনারেটর

চুম্বকের দুই মেরুর মাঝে কুণ্ডলী ঘুরিয়ে এসি জেনারেটরের সাইন তরঙ্গ নিজের চোখে দেখো। N, A, B আর rpm বদলে E₀ = NBAω ও কার্যকর মান বের করো, জানো কেন বাংলাদেশে মেইন ৫০ Hz।

SSC · HSC

ট্রান্সফর্মার

ট্রান্সফর্মারের প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি পাক বদলে দেখো ভোল্টেজ কীভাবে বাড়ে-কমে। Vs = Vp·Ns/Np, ক্ষমতার সংরক্ষণ, বাস্তব দক্ষতা আর উচ্চ ভোল্টেজে বিদ্যুৎ পাঠানোর কারণ বোঝো।

SSC · HSC

তাপের সঞ্চালন: পরিবহন, পরিচলন ও বিকিরণ

তামা, অ্যালুমিনিয়াম, কাচ বা কাঠের দণ্ড গরম করে Q/t = kAΔT/L দেখো, বিকারে পরিচলন স্রোত ঘুরতে দেখো, আর T⁴ মেনে বিকিরিত ক্ষমতা কীভাবে বাড়ে তা যাচাই করো। সারণি ও সমাধান করা অঙ্কসহ।

HSC

আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া: আইনস্টাইনের সমীকরণ ও নিবৃত্তি বিভব

ভ্যাকুয়াম নলে সোডিয়াম, দস্তা বা তামার পাতে যেকোনো তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো ফেলো। সূচন কম্পাঙ্কের নিচে ইলেকট্রন বের হয় না কেন, K = hf − φ কীভাবে নিবৃত্তি বিভব ঠিক করে, আর উজ্জ্বলতা কেন শুধু প্রবাহ বদলায় তা নিজে দেখো।

SSC · HSC

মোটর ক্রিয়া: তড়িৎবাহী তারের ওপর বল ও ডিসি মোটর

চৌম্বক ক্ষেত্রে তড়িৎবাহী তার রাখলে সেটা কীভাবে ধাক্কা খায় নিজের চোখে দেখো। B, I, L আর কোণ বদলাও, ফ্লেমিংয়ের বাম হাতের নিয়ম মিলিয়ে নাও, তারপর বিভক্ত-বলয় কম্যুটেটরসহ ডিসি মোটর ঘুরিয়ে টর্কের লেখচিত্র দেখো।

HSC

গ্যাসের অণু ও গতিতত্ত্ব: চাপ, তাপমাত্রা ও দ্রুতি

বাক্সের ভেতরে গ্যাসের অণুদের ছোটাছুটি দেখো। তাপমাত্রা বাড়াও, গ্যাস বদলাও, আয়তন চেপে ধরো, আর দেখো দেয়ালে ধাক্কা গুনে পাওয়া চাপ PV = NkT-এর সঙ্গে মিলে যাচ্ছে। ম্যাক্সওয়েল-বোল্টজম্যান বক্ররেখার সঙ্গে দ্রুতি মেলাও এবং গড়বর্গমূল দ্রুতির অঙ্ক করো।

HSC

অর্ধপরিবাহী ডায়োড: p–n সন্ধি, I–V বক্ররেখা ও রেক্টিফায়ার

p–n সন্ধিতে বায়াস দিয়ে দেখো নিঃশেষিত স্তর কীভাবে সরু বা চওড়া হয়, বাহক কীভাবে পার হয় আর শকলির I–V বক্ররেখা কেমন হয়। সিলিকন ও জার্মেনিয়ামের তুলনা, ভাঙন আর অর্ধতরঙ্গ রেক্টিফায়ার হাতে-কলমে।

SSC · HSC

তেজস্ক্রিয় ক্ষয়: অর্ধায়ু, ক্ষয় সূত্র ও বিকিরণের ভেদন ক্ষমতা

২৪০টি নিউক্লিয়াসকে এলোমেলোভাবে ক্ষয় হতে দেখো, N = N₀e^(−λt) সূত্র মিলিয়ে নাও, লেখচিত্র থেকে অর্ধায়ু মাপো, আর দেখো আলফা, বিটা ও গামা কাগজ, অ্যালুমিনিয়াম ও সীসা কতটা ভেদ করে।

HSC

বোর পরমাণু মডেল: কক্ষপথ, শক্তিস্তর ও হাইড্রোজেনের বর্ণালি

হাইড্রোজেনের ইলেকট্রনকে n = ১ থেকে ৬ কক্ষপথে লাফ দেওয়াও, 1/λ = R(1/n₁² − 1/n₂²) থেকে ফোটনের রং বের করো আর শক্তিস্তরের চিত্র ও বর্ণালির পট্টিতে লাইম্যান, বামার, পাশেন শ্রেণি দেখো।

অন্য বিষয়ের অ্যানিমেশন

রসায়ন

পরমাণুর গঠন

রসায়ন

এসিড, ক্ষারক ও pH স্কেল

রসায়ন

ইলেকট্রন বিন্যাস

রসায়ন

গ্যাসের সূত্র: বয়েল, চার্লস ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ

রসায়ন

আয়নিক বন্ধন কীভাবে গঠিত হয়

রসায়ন

তড়িৎ বিশ্লেষণ ও ফ্যারাডের সূত্র

রসায়ন

সমযোজী বন্ধন

রসায়ন

পর্যায়বৃত্ত ধর্ম

রসায়ন

বিক্রিয়ার হার ও সংঘর্ষ তত্ত্ব

রসায়ন

পদার্থের অবস্থা: কঠিন, তরল, গ্যাসীয় ও তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র

রসায়ন

পরমাণুর অরবিটাল: s, p, d-এর আকৃতি, কোয়ান্টাম সংখ্যা ও নোড

রসায়ন

আণবিক আকৃতি ও ভিএসইপিআর তত্ত্ব: বন্ধন জোড়, মুক্তজোড় ও বন্ধন কোণ

রসায়ন

মোল ধারণা: মোলার ভর, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা ও মোলার আয়তন

রসায়ন

ব্যাপন ও নিঃসরণ: গ্রাহামের সূত্র

রসায়ন

রাসায়নিক সমীকরণ সমতাকরণ: পদ্ধতি, উদাহরণ ও অনুশীলন

রসায়ন

রাসায়নিক সাম্যাবস্থা: সাম্যধ্রুবক Kc ও লা শাতেলিয়ের নীতি

রসায়ন

টাইট্রেশন: অম্ল-ক্ষারের ঘনমাত্রা বের করার পদ্ধতি

রসায়ন

গ্যালভানিক কোষ: ড্যানিয়েল কোষ, EMF ও নার্নস্ট সমীকরণ

রসায়ন

জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া: জারণ সংখ্যা, ইলেকট্রন স্থানান্তর ও অর্ধ-সমীকরণ

রসায়ন

হাইড্রোকার্বন: অ্যালকেন, অ্যালকিন, অ্যালকাইন ও কাঠামোগত সমাণু ত্রিমাত্রায়

রসায়ন

কার্যকরী মূলক: অ্যালকোহল, অ্যালডিহাইড, কিটোন, অ্যাসিড, এস্টার ও অ্যামিন

রসায়ন

পলিমারকরণ: যোজন ও ঘনীভবন পলিমার, পলিথিন ও নাইলন

রসায়ন

মিশ্রণ আলাদা করার পদ্ধতি: ছাঁকন, পাতন, ক্রোমাটোগ্রাফি, স্ফটিকীকরণ

রসায়ন

কেলাস জালক: SC, BCC ও FCC একক কোষ, প্যাকিং দক্ষতা ও ঘনত্ব

রসায়ন

তেজস্ক্রিয়তা: আলফা, বিটা, গামা ক্ষয় ও অর্ধায়ু

জীববিজ্ঞান

মাইটোসিস কোষ বিভাজন

জীববিজ্ঞান

ব্যাপন ও অভিস্রবণ

জীববিজ্ঞান

সালোকসংশ্লেষণ

জীববিজ্ঞান

মানব হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কাজ

জীববিজ্ঞান

মেন্ডেলের বংশগতি সূত্র

জীববিজ্ঞান

ডিএনএ রেপ্লিকেশন

জীববিজ্ঞান

কোষীয় শ্বসন

জীববিজ্ঞান

এনজাইম ক্রিয়া

জীববিজ্ঞান

স্নায়ু উদ্দীপনার পরিবহন ও অ্যাকশন পটেনশিয়াল

জীববিজ্ঞান

নেফ্রন ও মূত্র তৈরির প্রক্রিয়া

জীববিজ্ঞান

মিয়োসিস কোষ বিভাজন

জীববিজ্ঞান

পরিপাকতন্ত্র

জীববিজ্ঞান

শ্বাসক্রিয়ার কৌশল: প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস

জীববিজ্ঞান

প্রোটিন সংশ্লেষণ

জীববিজ্ঞান

রক্ত সংবহন: দ্বি-সংবহন ও কার্ডিয়াক আউটপুট

জীববিজ্ঞান

কোষের গঠন ও অঙ্গাণু: উদ্ভিদ কোষ বনাম প্রাণী কোষ

জীববিজ্ঞান

প্রতিবর্ত ক্রিয়া ও প্রতিবর্ত চাপ

জীববিজ্ঞান

মানুষের চোখ: গঠন, প্রতিবিম্ব ও উপযোজন

জীববিজ্ঞান

পেশি সংকোচন ও স্লাইডিং ফিলামেন্ট মডেল

জীববিজ্ঞান

উদ্ভিদে পরিবহন: জাইলেম, ফ্লোয়েম ও বাষ্পমোচন

জীববিজ্ঞান

খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজাল: শক্তির প্রবাহ ও ১০ % নিয়ম

জীববিজ্ঞান

জনসংখ্যা বৃদ্ধি: সূচকীয় ও লজিস্টিক রেখা

জীববিজ্ঞান

প্রাকৃতিক নির্বাচন: পেপার্ড মথ ও কালিঝুলি মাখা গাছ

জীববিজ্ঞান

রোগপ্রতিরোধ: প্রাথমিক ও গৌণ অ্যান্টিবডি সাড়া

জীববিজ্ঞান

পরাগায়ন ও নিষেক

গণিত

পিথাগোরাসের উপপাদ্য

গণিত

ত্রিকোণমিতিক অনুপাত ও একক বৃত্ত

গণিত

দ্বিঘাত সমীকরণ ও দ্বিঘাত ফাংশনের লেখচিত্র

গণিত

বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য

গণিত

দূরত্ব ও উচ্চতা: উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ

গণিত

সম্ভাবনা: পরীক্ষালব্ধ বনাম তাত্ত্বিক সম্ভাবনা

গণিত

সমান্তর ও গুণোত্তর ধারা

গণিত

গড়, মধ্যক ও প্রচুরক

গণিত

সেট ও ভেনচিত্র

গণিত

সরল সহসমীকরণ ও সরলরেখার লেখচিত্র

গণিত

sin, cos, tan-এর লেখচিত্র

গণিত

পূর্ণবর্গ পদ্ধতি ও দ্বিঘাত সমীকরণের সমাধান

গণিত

বৃত্তের ক্ষেত্রফল: সূত্র, প্রমাণ ও সমাধান

গণিত

ঘনবস্তুর আয়তন ও তলের ক্ষেত্রফল: ঘনক, আয়তঘন, বেলন, কোণক, গোলক

গণিত

সদৃশ ত্রিভুজ: স্কেল ফ্যাক্টর, AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়া থেকে উচ্চতা

গণিত

স্থানাঙ্ক জ্যামিতি: দূরত্ব, মধ্যবিন্দু, ঢাল, বিভক্তিকরণ সূত্র ও সঞ্চারপথ

গণিত

শাঙ্কব ছেদ: বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত ও অধিবৃত্ত

গণিত

ফাংশনের রূপান্তর: সরানো, টানা ও উল্টানো

গণিত

অন্তরীকরণ: স্পর্শকের ঢাল ও ছেদক থেকে স্পর্শক

গণিত

রিম্যান যোগফল ও সমাকলন: বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফল

গণিত

সীমা ও ε–δ সংজ্ঞা: ছবিতে বোঝা

গণিত

ত্রিমাত্রিক ভেক্টর: যোগ, ডট গুণ ও ক্রস গুণ

গণিত

ম্যাট্রিক্স রূপান্তর: ঘূর্ণন, প্রতিফলন, শিয়ার ও নির্ণায়ক

গণিত

জটিল সংখ্যা: আরগান্ড সমতলে যোগ, গুণ, ঘাত ও মূল

গণিত

বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি: স্থানীয় মান, রূপান্তর ও যোগ