এটি পরিকল্পনা-চিত্র, মাপমতো আঁকা নয়; সংখ্যাগুলো পাঠ্যবইয়ের আনুমানিক মান।
নিয়ন্ত্রণ
কাজের ধরন
কোন সংবহন দেখবে
পরিমাপ
- হৃৎস্পন্দন হার
- ৭২বার/মিনিট
- স্ট্রোক ভলিউম (প্রতি স্পন্দনে)
- ৭০mL
- কার্ডিয়াক আউটপুট = হার × স্ট্রোক ভলিউম
- ৫.০৪L/min
- পুরো রক্ত একবার ঘুরতে সময়
- ৬০s
- দিনে পাম্প করা রক্ত
- ৭,২৫৮L
- এ পর্যন্ত স্পন্দন
- ০
- এ পর্যন্ত পাম্প করা রক্ত
- ০.০০L
সিমুলেশনটি কীভাবে ব্যবহার করবে
- চালু করে লাল-নীল কণাগুলোর পথ অনুসরণ করো: ডান নিলয় থেকে ফুসফুসে, ফুসফুস থেকে বাম অলিন্দ ও বাম নিলয় হয়ে দেহে, দেহ থেকে আবার ডান অলিন্দে। ফুসফুসের কৈশিকনালিতে নীল কণা লাল হয়, দেহের কৈশিকনালিতে লাল কণা নীল হয়।
- “কোন সংবহন দেখবে” থেকে ফুসফুসীয় বা সিস্টেমিক বেছে নাও। অন্য চক্র ঝাপসা হয়ে যাবে, ফলে একটি চক্রকে আলাদা করে অনুসরণ করা সহজ হবে।
- হৃৎস্পন্দন হারের স্লাইডার বাড়াও। কণাগুলো দ্রুত ছোটে আর পাশের প্যানেলে কার্ডিয়াক আউটপুট বাড়ে। স্ট্রোক ভলিউম বাড়ালে প্রতি স্পন্দনে বেশি রক্ত যায়, তাই কণার সংখ্যা বাড়ে।
- “বিশ্রামে”, “ব্যায়ামে” আর “প্রশিক্ষিত ক্রীড়াবিদ” বেছে তিনটি অবস্থার কার্ডিয়াক আউটপুট মিলিয়ে দেখো। ক্রীড়াবিদের হার কম, অথচ আউটপুট প্রায় সমান।
- ধমনি, শিরা ও কৈশিকনালির পার্থক্য দেখানোর বোতাম চালু রাখো: ধমনির প্রাচীর পুরু, শিরায় কপাটিকার চিহ্ন, কৈশিকনালি সরু আর সেখানে কণা সবচেয়ে ধীরে চলে।
ভাবো তো, রক্তের ঠিকানা কোথায়?
একটা সহজ প্রশ্ন দিয়ে শুরু করি। রক্ত কি দেহের ভেতরে তৈরি হয়ে কোথাও গিয়ে খরচ হয়ে যায়, না কি একই রক্ত বারবার ঘোরে? দুই হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে চিকিৎসকেরা ভাবতেন, যকৃৎ রক্ত বানায় আর দেহের কলা তা শুষে নেয়, জোয়ার-ভাটার মতো আসা-যাওয়া চলে মাত্র।
১৬২৮ সালে ইংরেজ চিকিৎসক উইলিয়াম হার্ভে একটা বুদ্ধিমান যুক্তি দিলেন। তিনি হিসাব করলেন, হৃৎপিণ্ড প্রতিবার যতটুকু রক্ত ঠেলে, সেটাকে মিনিটের স্পন্দনে গুণ করলে এক ঘণ্টায় যা পাওয়া যায়, তা দেহের পুরো রক্তের চেয়ে বহুগুণ বেশি। আমাদের সিমুলেশনের সংখ্যায় এক ঘণ্টায় পাম্প হয় প্রায় ৩০২.৪ লিটার, অথচ দেহে রক্ত আছে মোটে ৫ লিটারের মতো। অর্থাৎ ঘণ্টায় একই রক্ত প্রায় ৬০ বার ঘুরে আসে।
এত রক্ত প্রতি ঘণ্টায় নতুন করে তৈরি হওয়া অসম্ভব, কাজেই রক্তকে ঘুরতেই হয়। হার্ভের সিদ্ধান্ত ছিল: রক্ত একটা বদ্ধ পথে চক্রাকারে ঘোরে, হৃৎপিণ্ড তার পাম্প। তখনো অণুবীক্ষণ যন্ত্র ছিল না, তাই ধমনি আর শিরার মাঝের সূক্ষ্ম যোগসূত্রটা, মানে কৈশিকনালি, তিনি দেখতে পাননি। সেটা পরে আবিষ্কার করেন মার্সেলো মালপিঘি।
এই পাতার সিমুলেশনে তুমি হার্ভের সেই পথটাই চোখের সামনে ঘুরতে দেখবে।
রক্ত সংবহন কী, একদম শুরু থেকে
দেহের প্রতিটি কোষের দরকার অক্সিজেন আর খাবার, আবার প্রতিটি কোষ থেকে বর্জ্য সরানোও দরকার। একটা বড় শহরের কথা ভাবো: ঘরে ঘরে চাল-ডাল পৌঁছাতে হয়, আবার ময়লাও সরাতে হয়। দেহের সেই পরিবহন ব্যবস্থার নাম রক্ত সংবহন তন্ত্র। এর তিনটি অংশ: রক্ত (যা বহন করে), রক্তনালি (যে পথ দিয়ে বহন হয়) আর হৃৎপিণ্ড (যে পাম্প ঠেলে দেয়)।
রক্তনালি তিন ধরনের। যে নালি হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত দূরে নিয়ে যায়, তার নাম ধমনি। যে নালি রক্ত হৃৎপিণ্ডে ফিরিয়ে আনে, তার নাম শিরা। আর ধমনি ও শিরার মাঝে অতি সরু জালের মতো নালিগুলোর নাম কৈশিকনালি; কোষের সঙ্গে আসল লেনদেন হয় এখানেই।
মনে রাখার সহজ নিয়ম: নালির নাম ঠিক হয় রক্ত কোন দিকে যাচ্ছে তা দিয়ে, রক্তে অক্সিজেন আছে কি না তা দিয়ে নয়। হৃৎপিণ্ড থেকে বেরোলেই ধমনি, হৃৎপিণ্ডে ঢুকলেই শিরা। এই একটা নিয়ম বুঝে নিলে পরীক্ষার অনেক ফাঁদ এড়ানো যায়।
মানুষের হৃৎপিণ্ড একটাই, কিন্তু রক্ত তার ভেতর দিয়ে এক চক্করে দুইবার যায়। একবার ফুসফুস ঘুরে আসতে, আরেকবার পুরো দেহ ঘুরে আসতে। সেই কারণেই বলি দ্বি-সংবহন।
শব্দকোষ: পরীক্ষার আগে ঝালিয়ে নাও
নিচের শব্দগুলো সিমুলেশনের ছবিতে আর লেখায় বারবার আসবে। একবার চোখ বুলিয়ে নিলে বাকি অংশ পড়া সহজ হবে।
- রক্ত সংবহন: হৃৎপিণ্ডের পাম্পে রক্তের বদ্ধ নালিপথে চক্রাকারে ঘোরা।
- দ্বি-সংবহন: এক চক্করে রক্তের হৃৎপিণ্ডের ভেতর দিয়ে দুইবার যাওয়া, একবার ফুসফুসে আর একবার দেহে।
- ফুসফুসীয় সংবহন: ডান নিলয় থেকে ফুসফুস হয়ে বাম অলিন্দে ফেরার চক্র।
- সিস্টেমিক সংবহন: বাম নিলয় থেকে দেহের কলা হয়ে ডান অলিন্দে ফেরার চক্র।
- ধমনি: হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত বহনকারী নালি; প্রাচীর পুরু ও স্থিতিস্থাপক।
- শিরা: হৃৎপিণ্ডে রক্ত ফিরিয়ে আনা নালি; প্রাচীর পাতলা, ভেতরে কপাটিকা থাকে।
- কৈশিকনালি: অতি সরু নালি, প্রাচীর এক কোষ পুরু; রক্ত ও কলার মধ্যে গ্যাস ও পুষ্টির বিনিময় এখানে।
- মহাধমনি: বাম নিলয় থেকে বেরোনো সবচেয়ে বড় ধমনি।
- মহাশিরা: দেহ থেকে রক্ত এনে ডান অলিন্দে ঢালা বড় শিরা (ঊর্ধ্ব ও নিম্ন মহাশিরা)।
- স্ট্রোক ভলিউম: এক স্পন্দনে একটি নিলয় থেকে বেরোনো রক্তের আয়তন।
- কার্ডিয়াক আউটপুট: প্রতি মিনিটে একটি নিলয় থেকে বেরোনো রক্ত, অর্থাৎ হার × স্ট্রোক ভলিউম।
হৃৎপিণ্ডের চার ঘর, সংক্ষেপে
হৃৎপিণ্ড চারটি ঘরে ভাগ করা: ওপরে দুটি অলিন্দ (গ্রহণকারী ঘর) আর নিচে দুটি নিলয় (বহিষ্কারকারী ঘর)। মাঝখানে একটা প্রাচীর বা সেপ্টাম ডান আর বাম দিককে আলাদা রেখেছে। সিমুলেশনে ডান দিকের ঘরে নীল রক্ত আর বাম দিকের ঘরে লাল রক্ত, কারণ মাঝের প্রাচীর দুই ধরনের রক্ত মিশতে দেয় না।
ডান অলিন্দ দেহ থেকে ফেরা অক্সিজেনহীন রক্ত নেয়, ডান নিলয় সেই রক্ত ফুসফুসে পাঠায়। বাম অলিন্দ ফুসফুস থেকে ফেরা অক্সিজেনযুক্ত রক্ত নেয়, বাম নিলয় সেটা মহাধমনি দিয়ে সারা দেহে ঠেলে। বাম নিলয়ের দেয়াল সবচেয়ে পুরু, কারণ তাকে পুরো দেহে রক্ত পাঠানোর মতো জোর দিতে হয়।
কপাটিকা কীভাবে খোলে-বন্ধ হয়, হৃৎস্পন্দনের ধাপগুলো কী, সেটা আলাদা “মানব হৃৎপিণ্ড” অ্যানিমেশনে বিস্তারিত দেখানো আছে। এই পাতার ফোকাস ভিন্ন: হৃৎপিণ্ডের বাইরে রক্তের পুরো পথ, নালির ধরন আর মিনিটে কতটা রক্ত ঘোরে।
দুই চক্র, ধাপে ধাপে
রক্তের একটা কণা ধরে তার সফর অনুসরণ করা সবচেয়ে সহজ উপায়। সিমুলেশনেও ঠিক সেটাই করো।
ফুসফুসীয় সংবহন: অক্সিজেন ভরার পথ
ডান নিলয় থেকে শুরু করো। এখানে রক্ত নীল, কারণ দেহ ঘুরে আসার পথে অক্সিজেন খরচ হয়েছে আর কার্বন ডাই-অক্সাইড জমেছে।
- ডান নিলয় সংকুচিত হয়ে রক্ত ঠেলে ফুসফুসীয় ধমনিতে পাঠায়।
- ফুসফুসীয় ধমনি দুই ভাগ হয়ে ডান ও বাম ফুসফুসে যায়। এটি এমন ধমনি, যা অক্সিজেনহীন রক্ত বহন করে।
- ফুসফুসের কৈশিকনালিতে রক্ত বায়ুথলির গা ঘেঁষে যায়। এখানে অক্সিজেন রক্তে ঢোকে আর কার্বন ডাই-অক্সাইড বেরিয়ে নিঃশ্বাসে চলে যায়। সিমুলেশনে কণা নীল থেকে লাল হয়।
- ফুসফুসীয় শিরা অক্সিজেনযুক্ত রক্ত বাম অলিন্দে ফিরিয়ে আনে। এটি এমন শিরা, যা অক্সিজেনযুক্ত রক্ত বহন করে।
সিস্টেমিক সংবহন: দেহের সব কোণে পৌঁছানোর পথ
বাম অলিন্দ থেকে রক্ত বাম নিলয়ে নামে। এখান থেকে দীর্ঘ সফর শুরু।
- বাম নিলয় জোরে সংকুচিত হয়ে রক্ত ঠেলে মহাধমনিতে দেয়।
- মহাধমনি থেকে শাখা-প্রশাখা বেরিয়ে মাথা, হাত, পেট, পা, সব অঙ্গে যায়; ক্রমশ সরু হতে হতে কৈশিকনালিতে পরিণত হয়।
- কলার কৈশিকনালিতে অক্সিজেন ও পুষ্টি রক্ত থেকে কোষে যায়, কোষের কার্বন ডাই-অক্সাইড ও বর্জ্য রক্তে আসে। কণা লাল থেকে নীল হয়।
- কৈশিকনালি জুড়ে ক্রমে শিরা হয়, শিরা মিলে বড় হয়, শেষে ঊর্ধ্ব ও নিম্ন মহাশিরা হয়ে রক্ত ডান অলিন্দে ঢোকে।
দুই চক্র যেভাবে জোড়া লাগে
ডান অলিন্দ থেকে রক্ত ডান নিলয়ে নামে, আর চক্র আবার শুরু হয়। অর্থাৎ ফুসফুসীয় আর সিস্টেমিক চক্র আলাদা দুটি বৃত্ত নয়; একটি লম্বা আট-আকৃতির পথের দুই ফাঁস, আর মাঝখানের জংশনটা হৃৎপিণ্ড।
দুই নিলয় একই সময়ে একই পরিমাণ রক্ত ঠেলে। তাই এক মিনিটে ডান নিলয় ফুসফুসে যতটা রক্ত পাঠায়, বাম নিলয়ও দেহে ততটাই পাঠায়, বিশ্রামে যা প্রায় ৫.০৪ লিটার। দুই পাশের পরিমাণ মিলে না গেলে কোথাও রক্ত জমে ফুলে যেত।
এই পথের বাইরে আরেকটি ছোট চক্র আছে, যা হৃৎপিণ্ডের নিজের পেশিতে রক্ত দেয়, তার নাম করোনারি সংবহন। মহাধমনির গোড়া থেকে বেরোনো করোনারি ধমনিই হৃৎপিণ্ডকে খাবার ও অক্সিজেন জোগায়।
ধমনি, শিরা ও কৈশিকনালির তুলনা
তিন ধরনের নালির গড়ন তাদের কাজ অনুযায়ী বদলেছে। ধমনিকে হৃৎপিণ্ডের ধাক্কা সইতে হয়, তাই পুরু আর স্থিতিস্থাপক। শিরার ওপর চাপ কম, তাই পাতলা, কিন্তু রক্ত যেন পিছিয়ে না যায় সেজন্য ভেতরে কপাটিকা আছে। কৈশিকনালির কাজ লেনদেন, তাই দেয়াল যত পাতলা হওয়া সম্ভব, ততটাই।
| বৈশিষ্ট্য | ধমনি | শিরা | কৈশিকনালি |
|---|---|---|---|
| রক্ত যায় | হৃৎপিণ্ড থেকে দূরে | হৃৎপিণ্ডের দিকে | ধমনি থেকে শিরার দিকে |
| প্রাচীর | পুরু, পেশি ও স্থিতিস্থাপক তন্তু বেশি | পাতলা, কম পেশি | এক কোষ পুরু |
| গহ্বর (ভেতরের ফাঁক) | সরু | প্রশস্ত | অতি সরু, একটি রক্তকণা কোনোমতে যায় |
| কপাটিকা | থাকে না (হৃৎপিণ্ডের গোড়া ছাড়া) | থাকে | থাকে না |
| রক্তচাপ | বেশি | কম | ধমনির চেয়ে কম, শিরার চেয়ে বেশি |
| প্রবাহের গতি | দ্রুত, স্পন্দনের সঙ্গে ঝাঁকুনি | মাঝারি, মসৃণ | সবচেয়ে ধীর |
| প্রধান কাজ | হৃৎপিণ্ডের ধাক্কা বহন | রক্ত ফিরিয়ে আনা | গ্যাস, পুষ্টি ও বর্জ্যের বিনিময় |
| রক্তের প্রকৃতি | সাধারণত অক্সিজেনযুক্ত (ফুসফুসীয় ধমনি ছাড়া) | সাধারণত অক্সিজেনহীন (ফুসফুসীয় শিরা ছাড়া) | প্রান্তভেদে বদলায় |
একক সংবহন বনাম দ্বি-সংবহন
সব প্রাণীর সংবহন মানুষের মতো নয়। মাছের হৃৎপিণ্ডে দুটি ঘর: একটি অলিন্দ আর একটি নিলয়। নিলয় রক্ত ঠেলে ফুলকায়, ফুলকা থেকে রক্ত সোজা দেহে যায়, তারপর হৃৎপিণ্ডে ফেরে। এক চক্করে রক্ত হৃৎপিণ্ডে একবারই আসে, তাই একক সংবহন।
একক সংবহনের দুর্বলতা হলো, ফুলকার সরু নালি পেরোতেই রক্তের চাপ অনেকটা পড়ে যায়, তাই দেহে পৌঁছানো রক্ত ধীরগতির। উষ্ণরক্তের প্রাণী, মানে পাখি আর স্তন্যপায়ী, প্রচুর শক্তি খরচ করে। তাদের দরকার দ্রুত অক্সিজেন সরবরাহ। তাই ফুসফুস পেরোনোর পর রক্তকে আবার হৃৎপিণ্ডে ফিরিয়ে নতুন করে ধাক্কা দেওয়া হয়। এটাই দ্বি-সংবহনের সুবিধা।
| প্রাণী | হৃৎপিণ্ডের ঘর | সংবহনের ধরন | অক্সিজেনযুক্ত-অক্সিজেনহীন রক্ত |
|---|---|---|---|
| মাছ | দুটি (একটি অলিন্দ, একটি নিলয়) | একক সংবহন | হৃৎপিণ্ডে শুধু অক্সিজেনহীন রক্ত থাকে |
| উভচর (ব্যাঙ) | তিনটি (দুটি অলিন্দ, একটি নিলয়) | অসম্পূর্ণ দ্বি-সংবহন | নিলয়ে কিছুটা মিশে যায় |
| সরীসৃপ (বেশির ভাগ) | তিনটি, আংশিক বিভক্ত নিলয় | অসম্পূর্ণ দ্বি-সংবহন | সামান্য মিশ্রণ; কুমিরের চারটি ঘর |
| পাখি ও স্তন্যপায়ী (মানুষ) | চারটি | সম্পূর্ণ দ্বি-সংবহন | দুই ধরনের রক্ত একেবারেই মেশে না |
কার্ডিয়াক আউটপুট: হৃৎপিণ্ডের মিনিটের হিসাব
স্ট্রোক ভলিউম হলো এক স্পন্দনে একটি নিলয় যতটা রক্ত ঠেলে। হৃৎস্পন্দন হার হলো মিনিটে কত স্পন্দন। দুটো গুণ করলে পাই মিনিটে কত রক্ত বেরোল, যার নাম কার্ডিয়াক আউটপুট।
কার্ডিয়াক আউটপুট = হৃৎস্পন্দন হার × স্ট্রোক ভলিউমএকক: mL/min; ভাগ করলে L/min
স্ট্রোক ভলিউম = কার্ডিয়াক আউটপুট ÷ হৃৎস্পন্দন হারমাপা আউটপুট থেকে উল্টো হিসাব
সংবহন সময় = রক্তের আয়তন ÷ কার্ডিয়াক আউটপুটপুরো রক্ত একবার পাম্প হতে যে সময় লাগে
বিশ্রামের একজন প্রাপ্তবয়স্ক
সিমুলেশনের শুরুর মান ৭২ বার/মিনিট আর ৭০ mL। গুণ করলে ৭২ × ৭০ = ৫,০৪০ mL/min, অর্থাৎ প্রায় ৫.০৪ L/min। পাঠ্যবইয়ে সাধারণত গোল করে মিনিটে ৫ লিটার বলা হয়। বিশ্রামের সুস্থ প্রাপ্তবয়স্কের হার সাধারণত ৬০ থেকে ১০০ বার/মিনিটের মধ্যে থাকে।
দুটি উপায়ে বাড়ে আউটপুট
আউটপুট বাড়াতে হৃৎপিণ্ডের হাতে দুটো সুইচ: হার বাড়ানো (দ্রুত স্পন্দন) অথবা স্ট্রোক ভলিউম বাড়ানো (প্রতি স্পন্দনে বেশি রক্ত, অর্থাৎ জোরালো সংকোচন)। ব্যায়ামে দুটোই বাড়ে। প্রশিক্ষিত হৃৎপিণ্ড বিশ্রামে মূলত স্ট্রোক ভলিউমের সুইচ ব্যবহার করে, তাই কম স্পন্দনেই কাজ চলে যায়।
সিমুলেশনে নিজে করে দেখো
পাঁচটা ছোট পরীক্ষা, প্রতিটা এক মিনিটের। প্রতিবারই আগে ভবিষ্যদ্বাণী করো, তারপর স্লাইডার নাড়াও।
- পরীক্ষা ১ (হার বাড়াও): স্ট্রোক ভলিউম ৭০ mL রেখে হার ৬০ থেকে ১৫০-এ তোলো। আউটপুট কত গুণ হলো? হার দ্বিগুণ হলে আউটপুটও দ্বিগুণ, কারণ সূত্রটা সরল গুণ।
- পরীক্ষা ২ (স্ট্রোক ভলিউম বাড়াও): হার ৭২-এ রেখে স্ট্রোক ভলিউম ৭০ থেকে ১১০ mL করো। কণার সংখ্যা বাড়ে, গতি বদলায় না। আউটপুট বাড়ে কিন্তু রক্ত কণার দৌড় আগের মতোই।
- পরীক্ষা ৩ (তিন অবস্থা): বিশ্রাম, ব্যায়াম আর প্রশিক্ষিত ক্রীড়াবিদ পালা করে বেছে নাও। ব্যায়ামে আউটপুট প্রায় ৩.৩ গুণ হয়। ক্রীড়াবিদের হার মাত্র ৫০, তবু আউটপুট প্রায় ৫.০ L/min।
- পরীক্ষা ৪ (এক চক্র দেখো): “ফুসফুসীয়” বেছে একটি কণা অনুসরণ করো, নীল থেকে লাল কোথায় হলো? তারপর “সিস্টেমিক” বেছে ওই কণাই দেখো। কোথায় লাল থেকে নীল হলো?
- পরীক্ষা ৫ (গতি বনাম নালি): ধমনি-শিরা-কৈশিকনালির পার্থক্য বোতাম চালু রেখে লক্ষ করো কোন অংশে কণা ধীর। এরপর বোতাম বন্ধ করে দেখো, সব জায়গায় একই গতি হয়ে যায়; বাস্তবে এমন হয় না।
সমাধানসহ অঙ্ক
প্রতিটি অঙ্কে সংখ্যাগুলো ওপরের সিমুলেশনের মান থেকে হিসাব করা। নিজে করে তারপর মিলিয়ে নাও।
অঙ্ক ১: কার্ডিয়াক আউটপুট বের করো
একজনের হৃৎস্পন্দন হার ৮০ বার/মিনিট আর স্ট্রোক ভলিউম ৬৫ mL। কার্ডিয়াক আউটপুট কত?
৮০ × ৬৫ = ৫,২০০ mL/min = ৫.২ L/min
অঙ্ক ২: স্ট্রোক ভলিউম বের করো
কার্ডিয়াক আউটপুট ৪.৮ L/min আর হার ৬০ বার/মিনিট হলে স্ট্রোক ভলিউম কত?
৪,৮০০ ÷ ৬০ = ৮০ mL
অঙ্ক ৩: হৃৎস্পন্দন হার বের করো
আউটপুট ৬ L/min আর স্ট্রোক ভলিউম ৭৫ mL হলে হার কত?
৬,০০০ ÷ ৭৫ = ৮০ বার/মিনিট
অঙ্ক ৪: এক দিনে হৃৎপিণ্ড কত রক্ত পাম্প করে?
সিমুলেশনের মান ধরো: ৭২ বার/মিনিট, ৭০ mL। একদিনে ১,৪৪০ মিনিট।
৫.০৪ L/min × ১,৪৪০ মিনিট ≈ ৭,২৫৮ Lপ্রায় সাত হাজার লিটারের কাছাকাছি, প্রতিদিন
৭২ × ১,৪৪০ = ১,০৩,৬৮০ স্পন্দনএকই দিনে স্পন্দনের সংখ্যা
অঙ্ক ৫: সারা জীবনে কত স্পন্দন?
একই হারে ৭০ বছর বাঁচলে মোট স্পন্দন কত?
১,০৩,৬৮০ × ৩৬৫ = ৩,৭৮,৪৩,২০০ স্পন্দন/বছর
৩,৭৮,৪৩,২০০ × ৭০ ≈ ২,৬৪,৯০,২৪,০০০প্রায় ২.৬৫ বিলিয়ন বার, থামা ছাড়াই
অঙ্ক ৬: সব রক্ত একবার ঘুরতে কত সময় লাগে?
দেহে রক্ত ধরো ৫,০০০ mL। বিশ্রামের আউটপুট ৫,০৪০ mL/min। আর ব্যায়ামে (১৫০ বার/মিনিট, ১১০ mL) কত?
৫,০০০ ÷ ৫,০৪০ × ৬০ ≈ ৫৯.৫ সেকেন্ডবিশ্রামে প্রায় এক মিনিট
৫,০০০ ÷ (১৫০ × ১১০) × ৬০ ≈ ১৮.২ সেকেন্ডব্যায়ামে মাত্র কয়েক সেকেন্ড
অঙ্ক ৭: ক্রীড়াবিদের হৃৎপিণ্ড কত স্পন্দন বাঁচায়?
সাধারণ মানুষের হার ৭২, প্রশিক্ষিত ক্রীড়াবিদের ৫০ (স্ট্রোক ভলিউম ১০০ mL)। আউটপুট মিলিয়ে দিনে স্পন্দনের ব্যবধান কত?
৫০ × ১০০ ÷ ১,০০০ = ৫.০ L/minপ্রায় সাধারণ মানুষের সমান
(৭২ − ৫০) × ১,৪৪০ = ৩১,৬৮০ স্পন্দনক্রীড়াবিদের হৃৎপিণ্ড দিনে এতবার কম স্পন্দিত হয়
যে ভুলগুলো সবাই করে
এই ভুলগুলো পরীক্ষার খাতায় সবচেয়ে বেশি নম্বর কাটায়। প্রতিটার পাশে সঠিক উত্তরও লেখা আছে।
- ভুল: ধমনি মানেই অক্সিজেনযুক্ত রক্ত। ঠিক: ধমনি মানে হৃৎপিণ্ড থেকে বেরোনো নালি। ফুসফুসীয় ধমনি অক্সিজেনহীন রক্ত বহন করে!
- ভুল: শিরা মানেই অক্সিজেনহীন রক্ত। ঠিক: ফুসফুসীয় শিরা অক্সিজেনযুক্ত রক্ত বাম অলিন্দে আনে।
- ভুল: দ্বি-সংবহন মানে দুটি আলাদা হৃৎপিণ্ড। ঠিক: হৃৎপিণ্ড একটাই, কিন্তু রক্ত তার ভেতর দিয়ে এক চক্করে দুবার যায়।
- ভুল: ফুসফুসীয় চক্রে গ্যাস বিনিময় দেহের কলায় হয়। ঠিক: ফুসফুসে বিনিময় হয় বায়ুথলি-কৈশিকনালিতে, কলার বিনিময় আলাদা সিস্টেমিক কৈশিকনালিতে।
- ভুল: শিরার রক্ত নীল। ঠিক: অক্সিজেনহীন রক্তও গাঢ় লালচে। ছবিতে নীল রং রাখা হয় শুধু পার্থক্য বোঝাতে।
- ভুল: কৈশিকনালির প্রাচীরে পেশি আছে। ঠিক: প্রাচীর এক স্তর চ্যাপ্টা কোষ দিয়ে তৈরি, তাতে পেশি বা কপাটিকা নেই।
- ভুল: হার বাড়লেই কার্ডিয়াক আউটপুট সব সময় বাড়ে। ঠিক: অতি দ্রুত হারে নিলয় ভরার সময় পায় না, স্ট্রোক ভলিউম কমে যায়, তাই আউটপুট আর বাড়ে না।
বাস্তব জীবনের সঙ্গে মিল
রক্তচাপ মাপা মানে ধমনিতে রক্তের চাপ দেখা। দুটি সংখ্যা লেখা হয়, যেমন ১২০/৮০ mm Hg (পাঠ্যবইয়ের আনুমানিক মান): প্রথমটি নিলয় সংকোচনের সময়ের চাপ, দ্বিতীয়টি শিথিল অবস্থার। ফুসফুসের ধমনির চাপ তুলনায় অনেক কম, প্রায় ২৫/৮ mm Hg, কারণ ফুসফুস হৃৎপিণ্ডের খুব কাছে আর তার নালিগুলো নরম। তাই ডান নিলয়ের দেয়াল বাম নিলয়ের চেয়ে পাতলা।
কবজিতে যে নাড়ি টের পাও, সেটা ধমনির ফোলা-চুপসানো। ধমনি স্থিতিস্থাপক বলে প্রতিটি স্পন্দনে সামান্য ফুলে ওঠে। শিরায় নাড়ি টের পাওয়া যায় না, কারণ সেখানে স্পন্দনের ঝাঁকুনি মিলিয়ে গেছে। পায়ের শিরায় রক্ত ওপরে ওঠে পেশির চাপে আর কপাটিকার সাহায্যে; দীর্ঘক্ষণ নড়াচড়া না করে দাঁড়িয়ে থাকলে পা ফুলে যেতে পারে।
ব্যায়ামের সময় পেশির অক্সিজেন চাহিদা বাড়ে, তাই হার আর স্ট্রোক ভলিউম দুটোই বাড়ে। নিয়মিত ব্যায়ামে হৃৎপিণ্ডের পেশি শক্ত হয়, স্ট্রোক ভলিউম বাড়ে আর বিশ্রামের হার কমে। এ কারণেই চিকিৎসকেরা হাঁটা, সাইকেল চালানোর মতো ব্যায়ামে উৎসাহ দেন।
ধমনির ভেতরে চর্বি জমে সরু হলে রক্তপ্রবাহ কমে। এটা করোনারি ধমনিতে হলে হৃৎপিণ্ডের পেশি অক্সিজেন কম পায়, যার চরম রূপ হার্ট অ্যাটাক। উচ্চ রক্তচাপ, ধূমপান আর চর্বিযুক্ত খাবার এই ঝুঁকি বাড়ায়। এটি সাধারণ জ্ঞান, চিকিৎসা পরামর্শ নয়; অসুস্থ বোধ করলে চিকিৎসকের কাছে যাও।
রক্তের লোহিত কণিকা প্রায় ১২০ দিন বাঁচে, অর্থাৎ একটা কণা তার জীবনে কয়েক লাখ চক্কর দেয়। প্রতিটি চক্করে ফুসফুসে অক্সিজেন ভরে, কলায় তা নামিয়ে দেয়।
পরীক্ষার কোণ (SSC/HSC)
এই প্রশ্নগুলো বোর্ড পরীক্ষায় ঘুরেফিরে আসে। উত্তর লেখার সময় চিত্র এঁকে নালির নাম বসিয়ে দিলে নম্বর বাড়ে।
- দ্বি-সংবহন কাকে বলে? উত্তরে লেখো: যে সংবহনে রক্ত এক চক্করে হৃৎপিণ্ডের মধ্য দিয়ে দুইবার যায়, তাকে দ্বি-সংবহন বলে।
- ধমনি ও শিরার পাঁচটি পার্থক্য লেখো: প্রাচীর, গহ্বর, কপাটিকা, রক্তের দিক ও রক্তচাপ নিয়ে।
- ফুসফুসীয় ও সিস্টেমিক সংবহনের পার্থক্য: শুরু ও শেষ, নালির নাম, রক্তের প্রকৃতি, কাজ।
- চিত্রসহ রক্ত সংবহনের পথ বর্ণনা করো: ডান অলিন্দ থেকে শুরু করে ডান অলিন্দে ফিরে এসো।
- কৈশিকনালির কাজ কী ও কেন তার প্রাচীর পাতলা?
- কার্ডিয়াক আউটপুটের হিসাব: হার ৮০, স্ট্রোক ভলিউম ৬৫ mL হলে আউটপুট কত L/min? (উত্তর ৫.২)
- কেন বাম নিলয়ের দেয়াল ডান নিলয়ের চেয়ে পুরু?
এক নজরে ঝালিয়ে নাও
পরীক্ষার আগের রাতে এই তালিকাটা একবার পড়ে নিলেই চলবে।
- রক্ত বদ্ধ নালিপথে হৃৎপিণ্ডের পাম্পে চক্রাকারে ঘোরে; একে রক্ত সংবহন বলে।
- মানুষের সংবহন দ্বি-সংবহন: একটি হৃৎপিণ্ড, দুটি চক্র, চারটি ঘর।
- ফুসফুসীয় সংবহন: ডান নিলয় → ফুসফুসীয় ধমনি → ফুসফুস → ফুসফুসীয় শিরা → বাম অলিন্দ।
- সিস্টেমিক সংবহন: বাম নিলয় → মহাধমনি → দেহের কলা → মহাশিরা → ডান অলিন্দ।
- ধমনি হৃৎপিণ্ড থেকে দূরে নেয়, শিরা হৃৎপিণ্ডের দিকে আনে, কৈশিকনালিতে বিনিময় হয়।
- ফুসফুসীয় ধমনিতে অক্সিজেনহীন, ফুসফুসীয় শিরায় অক্সিজেনযুক্ত রক্ত বহে।
- কার্ডিয়াক আউটপুট = হৃৎস্পন্দন হার × স্ট্রোক ভলিউম; বিশ্রামে প্রায় ৫ L/min।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
রক্ত সংবহন কাকে বলে?
হৃৎপিণ্ডের পাম্পের চাপে রক্তের বদ্ধ রক্তনালির মধ্য দিয়ে চক্রাকারে ঘুরে সারা দেহে অক্সিজেন, পুষ্টি পৌঁছানো এবং বর্জ্য সরিয়ে নেওয়াকে রক্ত সংবহন বলে।
দ্বি-সংবহন কেন বলা হয়?
কারণ এক পূর্ণ চক্করে রক্ত হৃৎপিণ্ডের মধ্য দিয়ে দুইবার যায়: একবার ডান দিক হয়ে ফুসফুসে, আরেকবার বাম দিক হয়ে পুরো দেহে।
ফুসফুসীয় ধমনিতে কোন রক্ত থাকে?
অক্সিজেনহীন রক্ত। এটি ডান নিলয় থেকে ফুসফুসে রক্ত নিয়ে যায়। নামে ধমনি, কারণ সে হৃৎপিণ্ড থেকে দূরে নিয়ে যায়।
ফুসফুসীয় শিরা ও মহাশিরার মধ্যে পার্থক্য কী?
ফুসফুসীয় শিরা ফুসফুস থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত বাম অলিন্দে আনে। মহাশিরা দেহ থেকে অক্সিজেনহীন রক্ত ডান অলিন্দে আনে।
কৈশিকনালির দেয়াল এত পাতলা কেন?
কারণ গ্যাস ও পুষ্টির বিনিময় এখান দিয়েই হয়। এক কোষ পুরু দেয়াল পেরোতে অক্সিজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইডের দূরত্ব খুব কম, তাই বিনিময় দ্রুত হয়।
কার্ডিয়াক আউটপুট বের করার সূত্র কী?
কার্ডিয়াক আউটপুট = হৃৎস্পন্দন হার × স্ট্রোক ভলিউম। যেমন ৭২ বার/মিনিট ও ৭০ mL হলে ৫,০৪০ mL/min, অর্থাৎ প্রায় ৫.০৪ L/min।
ধমনির প্রাচীর শিরার চেয়ে পুরু কেন?
কারণ ধমনিকে হৃৎপিণ্ডের জোরালো ধাক্কা ও উচ্চ চাপ সহ্য করতে হয়। শিরায় চাপ কম, তাই প্রাচীর পাতলা, তবে কপাটিকা থাকে।
বাম নিলয়ের দেয়াল ডান নিলয়ের চেয়ে পুরু কেন?
কারণ বাম নিলয়কে পুরো দেহে রক্ত ঠেলতে হয়, যেখানে উচ্চ চাপ লাগে। ডান নিলয় রক্ত পাঠায় কাছের ফুসফুসে, যেখানে কম চাপেই চলে।
হৃৎপিণ্ডের কপাটিকা ও স্পন্দনচক্র কোথায় দেখব?
সেটা আলাদা “মানব হৃৎপিণ্ড” অ্যানিমেশনে বিস্তারিত আছে। এই পাতায় তুমি হৃৎপিণ্ডের বাইরের রক্তপথ, দুই চক্র ও কার্ডিয়াক আউটপুট দেখছ।
এই বিষয়ের আরও পড়াশোনা
অ্যানিমেশনে ধারণা পরিষ্কার হলো, এবার পরীক্ষার প্রস্তুতি: সিলেবাস, সাজেশন, বই আর ভর্তি পরীক্ষার গাইড নিচে।
SSC
এসএসসি জীববিজ্ঞান: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
পাঠ্যবই
নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান বই
ভর্তি
মেডিকেল ভর্তি ২০২৬-২৭
HSC
এইচএসসি জীববিজ্ঞান: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
ভর্তি
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি
ভর্তি
গুচ্ছ (GST) বিজ্ঞান ইউনিট ভর্তি ২০২৬-২৭
English
Composition: Climate Change (ইংরেজিতে)
বাংলা
রচনা: জলবায়ু পরিবর্তন
SSC
এসএসসি সাজেশন
HSC
এইচএসসি সাজেশন
ভর্তি
বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার গাইড
SSC
এসএসসি সিলেবাস
HSC
এইচএসসি সিলেবাস
বিদেশে পড়াশোনা
যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষা
স্কলারশিপ
চীনের CSC স্কলারশিপ
IELTS
IELTS Writing Task 1: process diagrams (ইংরেজিতে)
IELTS
IELTS preparation guide (ইংরেজিতে)
বিদেশে পড়াশোনা
Academic CV for study abroad (ইংরেজিতে)
ক্যারিয়ার
Dental hygienist resume example (ইংরেজিতে)
আরও জীববিজ্ঞান অ্যানিমেশন
SSC · HSC
মাইটোসিস কোষ বিভাজন
মাইটোসিস কাকে বলে, কোষ বিভাজন কত প্রকার ও কী কী? প্রোফেজ, মেটাফেজ, অ্যানাফেজ, টেলোফেজ ও সাইটোকাইনেসিস চলমান চিত্রে দেখো, ক্রোমোজোম গোনার নিয়মসহ।
SSC · HSC
ব্যাপন ও অভিস্রবণ
ব্যাপন ও অভিস্রবণ কাকে বলে, এদের মধ্যে পার্থক্য, প্লাজমোলাইসিস, রসস্ফীতি ও ইমবাইবিশন: কণার সিমুলেশনে নিজে দেখে সহজ ভাষায় শেখো, উদাহরণ ও গাণিতিক সমস্যাসহ।
SSC · HSC
সালোকসংশ্লেষণ
সালোকসংশ্লেষণ কাকে বলে, সমীকরণ, আলোক ও অন্ধকার পর্যায়, ক্যালভিন চক্র, প্রভাবক ও সীমাবদ্ধ উপাদান: পাতা, হাইড্রিলা আর ক্লোরোপ্লাস্টের অ্যানিমেশনে নিজে দেখো।
SSC · HSC
মানব হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কাজ
হৃৎপিণ্ডের চারটি প্রকোষ্ঠ, কপাটিকা, লাব-ডাব শব্দ আর চলমান ইসিজি একসাথে দেখো। দ্বিচক্রী সংবহন, হৃৎচক্র ও কার্ডিয়াক আউটপুট শেখো, গাণিতিক সমস্যাসহ।
SSC · HSC
মেন্ডেলের বংশগতি সূত্র
মেন্ডেলের সূত্র, একসংকর ও দ্বিসংকর জনন, টেস্ট ক্রস, অসম্পূর্ণ প্রকটতা, রক্তের গ্রুপ আর সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারণ — নিজে পানেট বর্গ বানিয়ে বংশগতির অনুপাত হিসাব করে দেখো।
HSC
ডিএনএ রেপ্লিকেশন
ডিএনএ রেপ্লিকেশন বা অনুলিপন কাকে বলে, অর্ধ-রক্ষণশীল পদ্ধতি, এনজাইমগুলোর কাজ আর মেসেলসন-স্টাল পরীক্ষা—সব অ্যানিমেশনে নিজে দেখো ও হিসাব করো।
SSC · HSC
কোষীয় শ্বসন
কোষীয় শ্বসন কাকে বলে, সবাত ও অবাত শ্বসনের পার্থক্য, গ্লাইকোলাইসিস, ক্রেবস চক্র, ইলেকট্রন প্রবাহতন্ত্র আর ATP হিসাব: মাইটোকন্ড্রিয়ার অ্যানিমেশনে নিজে দেখো ও গণনা করো।
SSC · HSC
এনজাইম ক্রিয়া
এনজাইম কী, সক্রিয় স্থান, তালা-চাবি ও আবিষ্ট মিলন মডেল, তাপমাত্রা-pH-এর প্রভাব, মিকেলিস-মেন্টেন সমীকরণ ও প্রতিবন্ধক — নিজে বদলে দেখো এনজাইম ক্রিয়ার অ্যানিমেশনে।
SSC · HSC
স্নায়ু উদ্দীপনার পরিবহন ও অ্যাকশন পটেনশিয়াল
প্রান্তিক মাত্রা (−৫৫ mV) পার হলেই অ্যাকশন পটেনশিয়াল তৈরি হয়ে অ্যাক্সন বেয়ে ছোটে, তারপর সিন্যাপসে নিউরোট্রান্সমিটার নিঃসৃত হয় — সিমুলেশনে নিজে চালিয়ে দেখো, সূত্র ও গাণিতিক উদাহরণসহ।
SSC · HSC
নেফ্রন ও মূত্র তৈরির প্রক্রিয়া
বৃক্ক প্রতিদিন প্রায় ১৮০ লিটার রক্ত ছেঁকে মাত্র দেড় লিটার মূত্র তৈরি করে কীভাবে? গ্লোমেরুলাসে ছাঁকন, নালিকায় পুনঃশোষণ আর গ্লুকোজের প্রান্তিক মাত্রা — সিমুলেশনে নিজে চালিয়ে দেখো, সূত্র ও অঙ্কসহ।
SSC · HSC
মিয়োসিস কোষ বিভাজন
মিয়োসিস কাকে বলে, ক্রসিং ওভার কী, মাইটোসিস ও মিয়োসিসের পার্থক্য কী: 2n = 4 কোষে প্রোফেজ I থেকে টেলোফেজ II পর্যন্ত নিজে চালিয়ে দেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।
SSC
পরিপাকতন্ত্র
পরিপাকতন্ত্র কী, কোন এনজাইম কোথায় কাজ করে, ভিলাই কীভাবে শোষণ করে: মুখ থেকে বৃহদান্ত্র পর্যন্ত খাদ্যের যাত্রা নিজে চালিয়ে দেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।
Class 9 · SSC
শ্বাসক্রিয়ার কৌশল: প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস
মধ্যচ্ছদা, পর্শুকা আর আন্তঃপর্শুকা পেশি কীভাবে ফুসফুসে বাতাস ঢোকায় ও বের করে, চলমান চিত্রে দেখো। চাপমাপক, স্পাইরোমিটার রেখা, বেল জার মডেল আর বায়ুথলিতে গ্যাসীয় বিনিময়, সমাধানসহ।
HSC
প্রোটিন সংশ্লেষণ
আরএনএ পলিমারেজ কীভাবে জিন থেকে mRNA বানায় আর রাইবোসোম কীভাবে কোডন পড়ে প্রোটিন গড়ে, অ্যানিমেশনে নিজে দেখো। জিন বদলাও, মিউটেশন ঘটাও, কোডন সারণি মেলাও।
SSC · HSC
কোষের গঠন ও অঙ্গাণু: উদ্ভিদ কোষ বনাম প্রাণী কোষ
উদ্ভিদ কোষ আর প্রাণী কোষ পাশাপাশি দেখো। নিউক্লিয়াস, মাইটোকন্ড্রিয়া, ক্লোরোপ্লাস্ট, গলজি বস্তু, রাইবোজোমসহ প্রতিটি অঙ্গাণুতে ক্লিক করে কাজ জানো। পার্থক্যের ছক, বিবর্ধনের অঙ্ক ও এসএসসি-এইচএসসির প্রশ্নসহ।
SSC · HSC
প্রতিবর্ত ক্রিয়া ও প্রতিবর্ত চাপ
গরম কিছুতে হাত ঠেকালে সংকেত কীভাবে গ্রাহক, সংবেদী নিউরন, সুষুম্নাকাণ্ড, চেষ্টীয় নিউরন হয়ে পেশিতে পৌঁছায় নিজে চালিয়ে দেখো। প্রতিবর্তের সময় (২৪.৩৩ ms) হিসাব করো, আর দেখো ব্যথা কেন পরে টের পাওয়া যায়।
SSC · HSC
মানুষের চোখ: গঠন, প্রতিবিম্ব ও উপযোজন
কর্নিয়া, আইরিস, লেন্স, সিলিয়ারি পেশি, রেটিনা, পীতবিন্দু ও অন্ধবিন্দু কীভাবে কাজ করে, চলমান চিত্রে দেখো। উপযোজন, নিকট দৃষ্টি ও দূর দৃষ্টির সংশোধন, লেন্সের ক্ষমতার সমাধানসহ।
HSC
পেশি সংকোচন ও স্লাইডিং ফিলামেন্ট মডেল
সারকোমিয়ারের ভেতরে অ্যাকটিন ও মায়োসিনের সরে যাওয়া দেখুন। A ব্যান্ড থাকে ১.৬ µm, I ব্যান্ড ও H অঞ্চল ছোট হয়; ক্রস-ব্রিজ চক্র, ক্যালসিয়াম ও ATP ধাপে ধাপে শিখুন।
SSC · HSC
উদ্ভিদে পরিবহন: জাইলেম, ফ্লোয়েম ও বাষ্পমোচন
জাইলেম বেয়ে পানি ওঠা আর ফ্লোয়েম বেয়ে শর্করা নামা দেখুন। আলো, আর্দ্রতা ও বাতাস বদলে বাষ্পমোচনের হার হিসাব করুন (সাধারণ দিনে ৫৪.৮ g/m²/h)।
SSC · HSC
খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজাল: শক্তির প্রবাহ ও ১০ % নিয়ম
খাদ্যজাল তৈরি করুন, একটি প্রজাতি সরিয়ে প্রভাব দেখুন, আর শক্তি পিরামিডে ১০ % নিয়ম চালান (উৎপাদকের ১০,০০০ kJ থেকে শীর্ষে থাকে মাত্র ১ kJ)।
HSC
জনসংখ্যা বৃদ্ধি: সূচকীয় ও লজিস্টিক রেখা
r আর ধারণক্ষমতা K টানুন এবং সূচকীয় ও লজিস্টিক রেখা আলাদা হতে দেখুন। r = ০.৪০ প্রতি ঘণ্টা আর K = ১,০০০ হলে কালচার প্রতি ১.৭৩ ঘণ্টায় দ্বিগুণ হয় এবং K-এর কাছে থামে।
HSC
প্রাকৃতিক নির্বাচন: পেপার্ড মথ ও কালিঝুলি মাখা গাছ
কালিঝুলির মাত্রা বাড়িয়ে-কমিয়ে দেখো পাখি কোন মথ ধরে। ৮০% কালি ও ৪০% নির্বাচনে গাঢ় মথ ১০% থেকে ১৫ প্রজন্মে ৯০% ছাড়িয়ে যায়।
SSC · HSC
রোগপ্রতিরোধ: প্রাথমিক ও গৌণ অ্যান্টিবডি সাড়া
টিকা নেওয়া ও না নেওয়া ব্যক্তির অ্যান্টিবডির মাত্রা এক গ্রাফে মিলিয়ে দেখো। এই মডেলে স্মৃতির কারণে সুরক্ষা পেতে ৮.১ দিনের জায়গায় লাগে ২.৫ দিন, আর চূড়া ৫.১ গুণ ওঠে।
SSC · HSC
পরাগায়ন ও নিষেক
পরাগধানী থেকে গর্ভমুণ্ড, পরাগনালি বেয়ে ডিম্বকে পরাগরেণুর যাত্রা দেখো। দ্বিনিষেকে ১৪ ক্রোমোজোমের জাইগোট ও ২১ ক্রোমোজোমের ভ্রূণপোষ কীভাবে তৈরি হয়, তারপর বীজ ও ফল।
অন্য বিষয়ের অ্যানিমেশন
পদার্থবিজ্ঞান
আলোর প্রতিসরণ
পদার্থবিজ্ঞান
ওহমের সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
প্রাসের গতি
পদার্থবিজ্ঞান
সরল দোলক
পদার্থবিজ্ঞান
তড়িৎ ক্ষেত্র
পদার্থবিজ্ঞান
তরঙ্গের ব্যতিচার
পদার্থবিজ্ঞান
পড়ন্ত বস্তু ও পড়ন্ত বস্তুর সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
লেন্সে প্রতিবিম্ব গঠন
পদার্থবিজ্ঞান
নিউটনের গতির সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
গোলীয় দর্পণে প্রতিবিম্ব গঠন
পদার্থবিজ্ঞান
তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ ও ফ্যারাডের সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
ভরবেগের সংরক্ষণ ও সংঘর্ষ
পদার্থবিজ্ঞান
কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি
পদার্থবিজ্ঞান
নততল
পদার্থবিজ্ঞান
বৃত্তাকার গতি
পদার্থবিজ্ঞান
অনুপ্রস্থ ও অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ
পদার্থবিজ্ঞান
লিভার ও ভ্রামক
পদার্থবিজ্ঞান
ভরকেন্দ্র
পদার্থবিজ্ঞান
স্প্রিং-ভর ও সরল ছন্দিত স্পন্দন
পদার্থবিজ্ঞান
ভেক্টর যোগ: ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
আপেক্ষিক বেগ: ট্রেন ও নদী পারাপার
পদার্থবিজ্ঞান
কেপলারের সূত্র ও উপবৃত্তাকার কক্ষপথ
পদার্থবিজ্ঞান
নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র, g ও কৃত্রিম উপগ্রহ
পদার্থবিজ্ঞান
তার ও নলে স্থির তরঙ্গ
পদার্থবিজ্ঞান
অনুনাদ নল ও শব্দের দ্রুতি
পদার্থবিজ্ঞান
স্বরকম্প: কাছাকাছি দুই সুরের স্পন্দন
পদার্থবিজ্ঞান
ডপলার প্রভাব: চলমান উৎস, চলমান শ্রোতা ও সনিক বুম
পদার্থবিজ্ঞান
প্রিজম, আলোর বিচ্ছুরণ ও রামধনু
পদার্থবিজ্ঞান
কির্শফের সূত্র: সংযোগ সূত্র ও বদ্ধ পথ সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
হুইটস্টোন ব্রিজ ও মিটার ব্রিজ
পদার্থবিজ্ঞান
একক চিড়ে অপবর্তন
পদার্থবিজ্ঞান
চোখের ত্রুটি ও তার প্রতিকার
পদার্থবিজ্ঞান
আলোর সমবর্তন: ম্যালাসের সূত্র ও ব্রুস্টারের সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
ক্যাপাসিটরের আহিতকরণ ও নিরাহিতকরণ: আরসি সময় ধ্রুবক
পদার্থবিজ্ঞান
চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা: দণ্ডচুম্বক, তড়িৎবাহী সরল তার ও সলিনয়েড
পদার্থবিজ্ঞান
এসি জেনারেটর
পদার্থবিজ্ঞান
ট্রান্সফর্মার
পদার্থবিজ্ঞান
তাপের সঞ্চালন: পরিবহন, পরিচলন ও বিকিরণ
পদার্থবিজ্ঞান
আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া: আইনস্টাইনের সমীকরণ ও নিবৃত্তি বিভব
পদার্থবিজ্ঞান
মোটর ক্রিয়া: তড়িৎবাহী তারের ওপর বল ও ডিসি মোটর
পদার্থবিজ্ঞান
গ্যাসের অণু ও গতিতত্ত্ব: চাপ, তাপমাত্রা ও দ্রুতি
পদার্থবিজ্ঞান
অর্ধপরিবাহী ডায়োড: p–n সন্ধি, I–V বক্ররেখা ও রেক্টিফায়ার
পদার্থবিজ্ঞান
তেজস্ক্রিয় ক্ষয়: অর্ধায়ু, ক্ষয় সূত্র ও বিকিরণের ভেদন ক্ষমতা
পদার্থবিজ্ঞান
বোর পরমাণু মডেল: কক্ষপথ, শক্তিস্তর ও হাইড্রোজেনের বর্ণালি
রসায়ন
পরমাণুর গঠন
রসায়ন
এসিড, ক্ষারক ও pH স্কেল
রসায়ন
ইলেকট্রন বিন্যাস
রসায়ন
গ্যাসের সূত্র: বয়েল, চার্লস ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ
রসায়ন
আয়নিক বন্ধন কীভাবে গঠিত হয়
রসায়ন
তড়িৎ বিশ্লেষণ ও ফ্যারাডের সূত্র
রসায়ন
সমযোজী বন্ধন
রসায়ন
পর্যায়বৃত্ত ধর্ম
রসায়ন
বিক্রিয়ার হার ও সংঘর্ষ তত্ত্ব
রসায়ন
পদার্থের অবস্থা: কঠিন, তরল, গ্যাসীয় ও তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র
রসায়ন
পরমাণুর অরবিটাল: s, p, d-এর আকৃতি, কোয়ান্টাম সংখ্যা ও নোড
রসায়ন
আণবিক আকৃতি ও ভিএসইপিআর তত্ত্ব: বন্ধন জোড়, মুক্তজোড় ও বন্ধন কোণ
রসায়ন
মোল ধারণা: মোলার ভর, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা ও মোলার আয়তন
রসায়ন
ব্যাপন ও নিঃসরণ: গ্রাহামের সূত্র
রসায়ন
রাসায়নিক সমীকরণ সমতাকরণ: পদ্ধতি, উদাহরণ ও অনুশীলন
রসায়ন
রাসায়নিক সাম্যাবস্থা: সাম্যধ্রুবক Kc ও লা শাতেলিয়ের নীতি
রসায়ন
টাইট্রেশন: অম্ল-ক্ষারের ঘনমাত্রা বের করার পদ্ধতি
রসায়ন
গ্যালভানিক কোষ: ড্যানিয়েল কোষ, EMF ও নার্নস্ট সমীকরণ
রসায়ন
জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া: জারণ সংখ্যা, ইলেকট্রন স্থানান্তর ও অর্ধ-সমীকরণ
রসায়ন
হাইড্রোকার্বন: অ্যালকেন, অ্যালকিন, অ্যালকাইন ও কাঠামোগত সমাণু ত্রিমাত্রায়
রসায়ন
কার্যকরী মূলক: অ্যালকোহল, অ্যালডিহাইড, কিটোন, অ্যাসিড, এস্টার ও অ্যামিন
রসায়ন
পলিমারকরণ: যোজন ও ঘনীভবন পলিমার, পলিথিন ও নাইলন
রসায়ন
মিশ্রণ আলাদা করার পদ্ধতি: ছাঁকন, পাতন, ক্রোমাটোগ্রাফি, স্ফটিকীকরণ
রসায়ন
কেলাস জালক: SC, BCC ও FCC একক কোষ, প্যাকিং দক্ষতা ও ঘনত্ব
রসায়ন
তেজস্ক্রিয়তা: আলফা, বিটা, গামা ক্ষয় ও অর্ধায়ু
গণিত
পিথাগোরাসের উপপাদ্য
গণিত
ত্রিকোণমিতিক অনুপাত ও একক বৃত্ত
গণিত
দ্বিঘাত সমীকরণ ও দ্বিঘাত ফাংশনের লেখচিত্র
গণিত
বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য
গণিত
দূরত্ব ও উচ্চতা: উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ
গণিত
সম্ভাবনা: পরীক্ষালব্ধ বনাম তাত্ত্বিক সম্ভাবনা
গণিত
সমান্তর ও গুণোত্তর ধারা
গণিত
গড়, মধ্যক ও প্রচুরক
গণিত
সেট ও ভেনচিত্র
গণিত
সরল সহসমীকরণ ও সরলরেখার লেখচিত্র
গণিত
sin, cos, tan-এর লেখচিত্র
গণিত
পূর্ণবর্গ পদ্ধতি ও দ্বিঘাত সমীকরণের সমাধান
গণিত
বৃত্তের ক্ষেত্রফল: সূত্র, প্রমাণ ও সমাধান
গণিত
ঘনবস্তুর আয়তন ও তলের ক্ষেত্রফল: ঘনক, আয়তঘন, বেলন, কোণক, গোলক
গণিত
সদৃশ ত্রিভুজ: স্কেল ফ্যাক্টর, AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়া থেকে উচ্চতা
গণিত
স্থানাঙ্ক জ্যামিতি: দূরত্ব, মধ্যবিন্দু, ঢাল, বিভক্তিকরণ সূত্র ও সঞ্চারপথ
গণিত
শাঙ্কব ছেদ: বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত ও অধিবৃত্ত
গণিত
ফাংশনের রূপান্তর: সরানো, টানা ও উল্টানো
গণিত
অন্তরীকরণ: স্পর্শকের ঢাল ও ছেদক থেকে স্পর্শক
গণিত
রিম্যান যোগফল ও সমাকলন: বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফল
গণিত
সীমা ও ε–δ সংজ্ঞা: ছবিতে বোঝা
গণিত
ত্রিমাত্রিক ভেক্টর: যোগ, ডট গুণ ও ক্রস গুণ
গণিত
ম্যাট্রিক্স রূপান্তর: ঘূর্ণন, প্রতিফলন, শিয়ার ও নির্ণায়ক
গণিত
জটিল সংখ্যা: আরগান্ড সমতলে যোগ, গুণ, ঘাত ও মূল
গণিত






















