মূলপাতা
লগইন

Color

Indigo
Red
Green
Teal
Blue
Purple
Rose

Mode

Light
EN

দাঁড়িপাল্লায় কি রোধ মাপা যায়? হুইটস্টোন ব্রিজের কৌশল

দোকানদার অজানা ওজনকে জানা ওজনের সঙ্গে মিলিয়ে দেখেন, কাঁটা মাঝখানে স্থির হলেই কাজ শেষ। হুইটস্টোন ব্রিজ রোধের জন্য ঠিক এই কাজটাই করে। চার বাহুর রোধ বদলে গ্যালভানোমিটারের কাঁটা শূন্যে আনো, তাহলে একটা ছোট সমীকরণ থেকেই অজানা রোধ বেরিয়ে আসে। তারপর মিটার ব্রিজ ব্যবস্থায় তারের ওপর জকি সরিয়ে দেখো।

তড়িৎ প্রবাহসাম্যাবস্থা: কাঁটা শূন্যেসাম্য নেই: কাঁটা সরেছে
গতি

নিয়ন্ত্রণ

কোন ব্যবস্থা

৬.০ V
১০ Ω
২০ Ω
১৫ Ω
২৫ Ω

পরিমাপ

গ্যালভানোমিটারের প্রবাহ
২.১৫mA
B বিন্দুর বিভব
৩.৯৯V
D বিন্দুর বিভব
৩.৭৭V

সিমুলেশনটি কীভাবে ব্যবহার করবে

  1. “হুইটস্টোন ব্রিজ” অবস্থায় ডিফল্ট মান নিয়ে শুরু করো: E = ৬ V, P = ১০ Ω, Q = ২০ Ω, R = ১৫ Ω, S = ২৫ Ω। P/Q = ০.৫০ আর R/S = ০.৬০ কাছাকাছি কিন্তু সমান নয়, তাই কাঁটা এক দিকে হেলে আছে আর গ্যালভানোমিটার দেখাচ্ছে ২.১৫ mA।
  2. S ধীরে ধীরে বাড়াও। কাঁটা শূন্যের দিকে এগোবে। S = ৩০ Ω হলে দুটি অনুপাত সমান, দুটোই ০.৫০। কাঁটা শূন্যে, আর প্যানেল বলবে ব্রিজ সাম্যাবস্থায়।
  3. ব্রিজ সাম্যাবস্থায় থাকা অবস্থায় ব্যাটারির বিভব পার্থক্য বদলাও। কাঁটা নড়বে না। সাম্য নির্ভর করে শুধু চার রোধের ওপর।
  4. S আরও বাড়িয়ে ৩০ Ω পেরিয়ে যাও, কাঁটা উল্টো দিকে হেলবে, কারণ গ্যালভানোমিটারের প্রবাহের দিক উল্টে গেছে।
  5. এবার “মিটার ব্রিজ” বেছে নাও। জকি শুরুতে l = ৪০ cm-এ। তারের ওপর সরিয়ে কাঁটা শূন্যে আনো। রিডিং প্যানেলে হিসাব করা X আর আসল X মিলিয়ে দেখো।
  6. জানা রোধ R বদলাও, আবার সাম্যবিন্দু খোঁজো। সাম্য দৈর্ঘ্য সরে যায়, কিন্তু X = R·l ÷ (100 − l) সূত্রে অজানা রোধ একই আসে।

রোধকে দাঁড়িপাল্লায় মাপা

পুরোনো দুই-পাল্লার দাঁড়িপাল্লার কথা ভাবো। এক পাল্লার পরম ওজন কত তা জানার দরকার নেই। কাঁটা শূন্যে থাকলেই বোঝা যায় দুই দিক সমান। হুইটস্টোন ব্রিজও এভাবেই কাজ করে, শুধু এখানে দুই পাল্লায় ওজনের বদলে বর্তনীর দুই দিকের বিভব মেলানো হয়।

এটা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ অ্যামিটার-ভোল্টমিটার পদ্ধতিতে দুটি যন্ত্রেরই ত্রুটি জমা হয়। শূন্য-নির্দেশক পদ্ধতিতে দরকার একটি সংবেদী যন্ত্র যা শূন্য দেখায়, আর শূন্য দেখা খুবই নির্ভুল। এ কারণেই স্যামুয়েল হান্টার ক্রিস্টি ব্রিজটি আবিষ্কার করার পর চার্লস হুইটস্টোন ১৮৪৩ সালে একে বিখ্যাত করে তোলেন, আর তখন থেকে নির্ভুল রোধ মাপার প্রচলিত উপায় এটাই।

পরীক্ষায় এই অধ্যায় থেকে তিন ধরনের প্রশ্ন আসে: সাম্যের শর্ত বিবৃত ও প্রতিপাদন, সাম্য ব্রিজ থেকে অজানা রোধ বের করা, আর মিটার ব্রিজের পাঠ থেকে অজানা রোধ বের করা। সিমুলেশনে তিনটিই করে দেখা যায়।

চার বাহু আর গ্যালভানোমিটার

P, Q, R, S চারটি রোধ মিলে A, B, C, D কোণওয়ালা একটা রম্বসের আকার নেয়। ব্যাটারি A–C কোণ দুটির মধ্যে লাগানো। একটি সংবেদী গ্যালভানোমিটার B–D কোণ দুটির মধ্যে যুক্ত, এটাই সেই “সেতু”, যার নামে বর্তনীর নাম।

A থেকে C পর্যন্ত প্রবাহের দুটি পথ: B দিয়ে P ও Q, অথবা D দিয়ে R ও S। B আর D-এর বিভব আলাদা হলে কিছু প্রবাহ গ্যালভানোমিটারের ভেতর দিয়েও যায়। কাঁটা দেখায় কতটা যাচ্ছে আর কোন দিকে।

ডিফল্টে ব্যাটারি ৬ V আর গ্যালভানোমিটারের নিজস্ব রোধ ১০০ Ω। বর্তনীটা নির্ভুলভাবে সমাধান করলে, C-এর সাপেক্ষে B-এর বিভব ৩.৯৯ V আর D-এর ৩.৭৭ V। B থেকে D-এর দিকে যে ২.১৫ mA যাচ্ছে, তা ওই সামান্য পার্থক্য থেকেই আসে।

সাম্যাবস্থার শর্ত

গ্যালভানোমিটারে কোনো বিক্ষেপ না থাকলে ব্রিজ সাম্যাবস্থায় আছে। তার মানে B আর D-এর বিভব সমান, তাদের মধ্যে কোনো প্রবাহ নেই। এখন বাকি সব কিছু সাধারণ ওহমের সূত্র।

গ্যালভানোমিটারে প্রবাহ না থাকলে P ও Q-এর ভেতর দিয়ে একই প্রবাহ I₁ যায়, আর R ও S-এর ভেতর দিয়ে একই প্রবাহ I₂। B ও D সমবিভব, তাই A থেকে নামা বিভব পতন সমান: I₁P = I₂R। আবার C পর্যন্ত বিভব পতনও সমান: I₁Q = I₂S। প্রথমটাকে দ্বিতীয়টা দিয়ে ভাগ করলে I₁ আর I₂ কেটে যায়।

I₁P = I₂RA থেকে B পর্যন্ত আর A থেকে D পর্যন্ত বিভব পতন সমান

I₁Q = I₂SB থেকে C পর্যন্ত আর D থেকে C পর্যন্ত বিভব পতন সমান

P / Q = R / Sসাম্যাবস্থার শর্ত

সাম্যের একটু এদিক-ওদিক হলে কী হয়

নিচের ছকে P = ১০ Ω, Q = ২০ Ω, R = ১৫ Ω ধ্রুব রেখে শুধু S বদলানো হয়েছে। গ্যালভানোমিটারের প্রবাহ বর্তনীর নির্ভুল সমাধান থেকে এসেছে। শেষ কলামে সিমুলেশনের ডায়ালে কাঁটা কত ডিগ্রি হেলত তা দেওয়া আছে (প্রায় ৪২ ডিগ্রিতে গিয়ে সেটা সীমিত হয়ে যায়)।

S = ৩০ Ω-এর চেয়ে কম হলে R/S, P/Q-এর চেয়ে বড়, আর প্রবাহ B থেকে D-এর দিকে (ধনাত্মক)। বেশি হলে প্রবাহ উল্টে যায়। ঠিক ৩০ Ω-এ শূন্য। S-এর সামান্য বদলেই কাঁটা স্পষ্ট নড়ে, এ কারণেই ব্রিজ খুব ছোট তফাতও ধরতে পারে।

S (Ω)R / Sগ্যালভানোমিটারের প্রবাহ (mA)কাঁটা (ডিগ্রি)
২০০.৭৫৪.৯৬১৯.৩
২৫০.৬০২.১৫৮.৯
৩০০.৫০০.০০০.০
৩৫০.৪৩-১.৭১-৭.১
৪০০.৩৮-৩.০৯-১২.৬

গাণিতিক উদাহরণ: হারানো বাহু খোঁজা

উদাহরণ ১। একটি সাম্য ব্রিজে P = ১০ Ω, Q = ২০ Ω, R = ১৫ Ω। S কত?

P/Q = R/S থেকে S = Q × R ÷ P = ২০ × ১৫ ÷ ১০ = ৩০ Ω। সিমুলেশনে কাঁটা ঠিক এই মানেই শূন্যে আসে।

উদাহরণ ২। একটি ব্রিজ সাম্যাবস্থায় আছে, P = ৫ Ω, Q = ১৫ Ω, S = ৬০ Ω। R নির্ণয় করো। P/Q = ০.৩৩, তাই R = S × P ÷ Q = ৬০ × ৫ ÷ ১৫ = ২০ Ω।

উদাহরণ ৩ (একটা বাড়তি লাভ)। ডিফল্ট ব্রিজ যখন S = ৩০ Ω-এ সাম্যে, B–D দিয়ে কোনো প্রবাহ যায় না। তখন বর্তনীটা দুটি শ্রেণি জোড়ার সমান্তরাল সমবায়। তুল্য রোধ (১০ + ২০) × (১৫ + ৩০) ÷ (১০ + ২০ + ১৫ + ৩০) = ১৮.০০ Ω, আর ৬ V ব্যাটারি দেয় ০.৩৩ A। সমাধানকারীও একই বলে: ব্যাটারি দিচ্ছে ০.৩৩ A, আর গ্যালভানোমিটার দেখাচ্ছে ০.০০ mA।

মিটার ব্রিজ

মিটার ব্রিজ হলো টেবিলের ওপর বানানো একটা হুইটস্টোন ব্রিজ। দুটি স্থির রোধ Q ও S-এর বদলে এতে আছে মিটার স্কেলের পাশে টানা একটিমাত্র সুষম তার, ১০০ cm লম্বা। বাঁ ফাঁকে অজানা রোধ X, ডান ফাঁকে রোধ বাক্স R। দুই ফাঁকের মাঝের বিন্দু থেকে গ্যালভানোমিটার যুক্ত হয়েছে একটা চলমান স্পর্শকে, যার নাম জকি, যাকে তারের ওপর চেপে ধরা হয়।

জকির দুই পাশের তারের টুকরো দুটি অন্য দুই বাহুর কাজ করে। তার সুষম, তাই রোধ দৈর্ঘ্যের সমানুপাতিক। জকি বাঁ প্রান্ত থেকে l cm-এ থাকলে বাঁ টুকরার রোধ l-এর আর ডান টুকরার (100 − l)-এর সমানুপাতিক। জকি সরিয়ে গ্যালভানোমিটারে শূন্য আনলে পাওয়া যায় সাম্য দৈর্ঘ্য।

তখন P/Q = R/S শর্তটাই হয়ে যায় X/R = l/(100 − l)। তারের প্রতি সেন্টিমিটার রোধ কেটে যায়, তাই সেটা জানার দরকারই পড়ে না।

X / R = l / (100 − l)মিটার ব্রিজের সাম্যের শর্ত

X = R · l / (100 − l)সাম্য দৈর্ঘ্য থেকে অজানা রোধ

মিটার ব্রিজের উদাহরণ

উদাহরণ ৪। রোধ বাক্সে R = ১০ Ω, জকি l = ৬০ cm-এ থাকলে কাঁটা শূন্যে আসে। অন্য টুকরোটি 100 − ৬০ = ৪০ cm। তাহলে X = ১০ × ৬০ ÷ ৪০ = ১৫.০০ Ω।

উদাহরণ ৫। R = ১২ Ω নিলে সাম্য আসে l = ৪৫ cm-এ। তখন X = ১২ × ৪৫ ÷ ৫৫ = ৯.৮২ Ω। লক্ষ করো, সাম্যবিন্দু ৫০ cm-এর কম, তাই X, R-এর চেয়ে ছোট।

উল্টো প্রশ্ন: সিমুলেশনের ডিফল্টে X = ১৫ Ω আর R = ১০ Ω। সাম্য আসার কথা l = 100 X ÷ (X + R) = ৬০.০ cm-এ। জকির শুরুর অবস্থান ৪০ cm-এ গ্যালভানোমিটার দেখায় -১১.০৭ mA, আর তখনকার l বসালে সূত্র ভুল করে X = ৬.৬৭ Ω দিত। জকিকে সাম্যবিন্দুতে নিলে ভুলটা চলে যায়।

ছকে R = 10 Ω ধরে দেখানো হয়েছে সাম্য দৈর্ঘ্যের সঙ্গে X কীভাবে বদলায়। দুই পাশের দৈর্ঘ্য সমান হলে X = R। ৭০ cm পেরোলে মান দ্রুত বাড়ে।

l (cm)100 − l (cm)l / (100 − l)R = 10 Ω হলে X
২০৮০০.২৫২.৫০
৩০৭০০.৪৩৪.২৯
৪০৬০০.৬৭৬.৬৭
৫০৫০১.০০১০.০০
৬০৪০১.৫০১৫.০০
৭০৩০২.৩৩২৩.৩৩
৮০২০৪.০০৪০.০০

সাম্যবিন্দু মাঝামাঝি হওয়া ভালো কেন

l পড়তে সবসময় কিছু ভুল হয়। ধরো তুমি স্কেল ০.১ cm পর্যন্ত পড়তে পারো। তাহলে X-এর আপেক্ষিক ত্রুটি হয় ০.১ × (1/l + 1/(100 − l)) × 100 শতাংশ।

l = 50 cm হলে ০.৪০ %। l = 25 cm-এ ০.৫৩ %। l = 10 cm বা 90 cm-এ ১.১১ % বা ১.১১ %। ত্রুটি সবচেয়ে কম মাঝামাঝিতে। তাই পরীক্ষাগারে R এমন নাও যাতে সাম্যবিন্দু প্রায় ৪০ থেকে ৬০ cm-এর মধ্যে আসে।

ত্রুটির উৎস ও সতর্কতা

ব্যবহারিক পরীক্ষা ও মৌখিক পরীক্ষায় এগুলো নিয়মিত আসে।

  • সংযোগের তার আর তামার পাতের সামান্য রোধ আছে। এই প্রান্ত রোধ তারের দুই মাথায় বেশি প্রভাব ফেলে, তাই মাঝামাঝি সাম্য আনা ভালো।
  • চাবি বেশিক্ষণ বন্ধ রেখো না। উত্তাপে তারের আর X-এর রোধ বদলে যায়।
  • জকি আলতো করে চাপো। তারের ওপর টেনে নিলে তার সরু হয়ে যায় আর সুষমতা নষ্ট হয়।
  • R আর X জায়গা বদল করে আবার পাঠ নাও, তারপর X-এর গড় করো। এতে প্রান্ত রোধের ত্রুটি কেটে যায়।
  • গ্যালভানোমিটার নাজুক। শুরুতে বড় শ্রেণি রোধ রাখো, সাম্যের কাছে এসে তবে সরাও।

ব্রিজ কোথায় কাজে লাগে

সেতু বা বিমানের ডানায় লাগানো স্ট্রেইন গেজ টানলে তার রোধ খুব সামান্য বদলে যায়। ব্রিজ বর্তনী সেই ছোট বদলকে অসাম্য হিসেবে ধরে ভোল্টেজে রূপ দেয়। অনেক ওজন মাপার যন্ত্র, চাপ সেন্সর আর থার্মোমিটার একইভাবে কাজ করে। আলো বা তাপমাত্রায় রোধ বদলায় এমন উপাদান এক বাহুতে বসালে ব্রিজ সেন্সর হয়ে যায়: রোধ বদলালে ব্রিজ সাম্য হারায়, আর কতটা হারাল তাই বলে দেয় রোধ কতটা বদলেছে।

কির্শফের সূত্রের সঙ্গেও এর যোগ আছে। ব্রিজ আসলে মাঝখানে একটা শাখাওয়ালা দুই-লুপ বর্তনী, আর কির্শফের সূত্রের অ্যানিমেশনে এমন বর্তনী ধাপে ধাপে সমাধান করা যায়।

সাধারণ ভুল

এই চারটি ভুলে সবচেয়ে বেশি নম্বর যায়।

  • শর্ত ভুল বাহু দিয়ে লেখা, যেমন P/R = Q/S। অনুপাত হবে ব্যাটারির একই পাশের দুই বাহুর: P ও Q আর R ও S।
  • মিটার ব্রিজে দৈর্ঘ্য উল্টো করে বসানো। কোন ফাঁকে অজানা রোধ আছে দেখে নাও। এই অ্যানিমেশনে X বাঁয়ে, l-এর পাশে।
  • ভাবা যে ব্যাটারির বিভব বা গ্যালভানোমিটারের রোধ সাম্যে প্রভাব ফেলে। ফেলে না।
  • ভুলে যাওয়া যে X = R·l ÷ (100 − l)-এ l মাপতে হয় তারের সেই মাথা থেকে, যেটা X-এর পাশে।

পরীক্ষার কোণ

“সাম্যের শর্ত প্রতিপাদন করো” প্রশ্নের পূর্ণ উত্তরে থাকে নামাঙ্কিত চিত্র, গ্যালভানোমিটারে প্রবাহ নেই এই কথা, সমান বিভব পতনের দুটি সমীকরণ আর ভাগ করার ধাপ। এতেই চার-পাঁচ নম্বর।

মিটার ব্রিজের অঙ্কে সাধারণত R আর l দিয়ে X চায়, কখনো R বদলালে নতুন সাম্য দৈর্ঘ্য কত হবে তা জানতে চায়। স্লাইডার নেড়ে দুই দিকেই অনুশীলন করো যতক্ষণ না সূত্রটা সহজ লাগে।

ঝালিয়ে নেওয়ার তালিকা

না দেখে নিজেকে যাচাই করো।

  • সাম্য ব্রিজে গ্যালভানোমিটারে প্রবাহ শূন্য: V_B = V_D।
  • সাম্যের শর্ত: P/Q = R/S।
  • সাম্য ব্যাটারির বিভব বা গ্যালভানোমিটারের রোধের ওপর নির্ভর করে না।
  • মিটার ব্রিজ: X = R · l ÷ (100 − l), l মাপা হয় X-এর পাশের প্রান্ত থেকে।
  • তার সুষম বলে রোধ দৈর্ঘ্যের সমানুপাতিক।
  • সাম্যবিন্দু ৫০ cm-এর কাছে হলে নির্ভুলতা সবচেয়ে বেশি।
  • R আর X অদলবদল করে গড় নিলে প্রান্ত ত্রুটি কাটে।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

হুইটস্টোন ব্রিজের সাম্যের শর্ত কী?

P/Q = R/S। এটি সত্য হলে B ও D বিন্দুর বিভব সমান, তাই মাঝখানে যুক্ত গ্যালভানোমিটারে কোনো প্রবাহ যায় না।

সাম্যে গ্যালভানোমিটারে প্রবাহ থাকে না কেন?

কারণ গ্যালভানোমিটারের দুই প্রান্ত সমবিভবে। বিভব পার্থক্য না থাকলে ওহমের সূত্র অনুযায়ী প্রবাহ শূন্য।

ব্যাটারির বিভব কি ব্রিজের সাম্য বদলায়?

না। সাম্যের শর্ত P/Q = R/S-এ শুধু চার রোধ আছে। বড় ব্যাটারি লাগালে ব্রিজ অসাম্য থাকলে কাঁটা বেশি নড়ে, এইটুকুই।

মিটার ব্রিজের সূত্র কী?

X = R × l ÷ (100 − l), যেখানে R জানা রোধ, X অজানা রোধ, আর l হলো তারের X-এর পাশের প্রান্ত থেকে সেন্টিমিটারে মাপা সাম্য দৈর্ঘ্য।

মিটার ব্রিজ ৫০ cm-এর কাছে সবচেয়ে নির্ভুল কেন?

l পড়ায় নির্দিষ্ট ভুল থাকলে X-এর আপেক্ষিক ত্রুটি সবচেয়ে কম হয় l যখন ৫০ cm-এর কাছে থাকে। তাই সাম্যবিন্দু প্রায় ৪০ থেকে ৬০ cm-এর মধ্যে রাখা উচিত।

মিটার ব্রিজের তার সুষম হওয়া দরকার কেন?

সুষম তারে প্রতি একক দৈর্ঘ্যে রোধ সমান, তাই যেকোনো টুকরার রোধ তার দৈর্ঘ্যের সমানুপাতিক। এতে সূত্রে রোধের জায়গায় দৈর্ঘ্য বসানো যায়।

হুইটস্টোন ব্রিজ কি শুধু রোধ মাপতেই লাগে?

না। স্ট্রেইন গেজ, লোড সেল আর বহু তাপমাত্রা ও চাপ সেন্সরের মূলেও ব্রিজ আছে, যেখানে এক বাহুর সামান্য বদলে ব্রিজ অসাম্য হয় এবং মাপার মতো সংকেত তৈরি হয়।

এই বিষয়ের আরও পড়াশোনা

অ্যানিমেশনে ধারণা পরিষ্কার হলো, এবার পরীক্ষার প্রস্তুতি: সিলেবাস, সাজেশন, বই আর ভর্তি পরীক্ষার গাইড নিচে।

HSC

এইচএসসি পদার্থবিজ্ঞান: সিলেবাস ও প্রস্তুতি

পাঠ্যবই

নবম-দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান বই

ভর্তি

ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি

SSC

এসএসসি পদার্থবিজ্ঞান: সিলেবাস ও প্রস্তুতি

ভর্তি

ঢাবি বিজ্ঞান ইউনিট ভর্তি ২০২৬-২৭

English

Composition: The Uses of Electricity (ইংরেজিতে)

বাংলা

প্রতিবেদন: বিজ্ঞান মেলা

English

Paragraph: Science in Everyday Life (ইংরেজিতে)

SSC

এসএসসি সাজেশন

HSC

এইচএসসি সাজেশন

ভর্তি

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার গাইড

SSC

এসএসসি সিলেবাস

HSC

এইচএসসি সিলেবাস

বিদেশে পড়াশোনা

জার্মানিতে উচ্চশিক্ষা

টেস্ট

Digital SAT Math guide (ইংরেজিতে)

স্কলারশিপ

বিদেশে পড়াশোনার স্কলারশিপ

IELTS

IELTS vocabulary: science and research (ইংরেজিতে)

টুল

GPA calculator (ইংরেজিতে)

ক্যারিয়ার

Civil engineer resume example (ইংরেজিতে)

আরও পদার্থবিজ্ঞান অ্যানিমেশন

SSC · HSC

আলোর প্রতিসরণ

আলোর প্রতিসরণ কাকে বলে, প্রতিসরণের সূত্র, সংকট কোণ ও পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন — সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা, ইন্টারঅ্যাকটিভ অ্যানিমেশন ও গাণিতিক উদাহরণসহ।

SSC · HSC

ওহমের সূত্র

ওহমের সূত্র কাকে বলে, বিবৃতি ও ব্যাখ্যা, V-I লেখচিত্র — বিভব পার্থক্য ও রোধ বদলে তড়িৎ প্রবাহ দেখো। শ্রেণি ও সমান্তরাল সমবায়, গাণিতিক উদাহরণসহ।

HSC

প্রাসের গতি

প্রাস কাকে বলে? কোণ ও আদিবেগ বদলে প্রাসের গতিপথ দেখো — বিচরণকাল, সর্বাধিক উচ্চতা ও আনুভূমিক পাল্লার সূত্র, গাণিতিক উদাহরণসহ।

SSC · HSC

সরল দোলক

সরল দোলক কাকে বলে, দোলনকালের সূত্র T=2π√(L/g) ও দোলকের সূত্রসমূহ — দৈর্ঘ্য বদলে দেখো। অভিকর্ষজ ত্বরণ নির্ণয়ের গাণিতিক উদাহরণসহ।

SSC · HSC

তড়িৎ ক্ষেত্র

তড়িৎ ক্ষেত্র কাকে বলে, তড়িৎ তীব্রতার সূত্র ও একক, বলরেখার বৈশিষ্ট্য — আধান বসিয়ে বলরেখা দেখো। কুলম্বের সূত্রের গাণিতিক উদাহরণসহ।

HSC

তরঙ্গের ব্যতিচার

তরঙ্গের উপরিপাতন নীতি ও ব্যতিচার কাকে বলে, গঠনমূলক ও ধ্বংসাত্মক ব্যতিচারের শর্ত, ডোরার প্রস্থ — দুই উৎস সরিয়ে নিজে দেখো, গাণিতিক উদাহরণসহ।

SSC · HSC

পড়ন্ত বস্তু ও পড়ন্ত বস্তুর সূত্র

পড়ন্ত বস্তুর তিনটি সূত্র কী, কে আবিষ্কার করেন, অভিকর্ষজ ত্বরণ ৯.৮ বলতে কী বোঝায়: মুদ্রা আর পালক ফেলে নিজে দেখো, সূত্র ও গাণিতিক সমস্যাসহ।

SSC · HSC

লেন্সে প্রতিবিম্ব গঠন

উত্তল লেন্স ও অবতল লেন্স কাকে বলে, প্রতিবিম্ব কীভাবে গঠিত হয়, লেন্সের সূত্র 1/u + 1/v = 1/f, বিবর্ধন ও লেন্সের ক্ষমতা: বস্তু টেনে সরিয়ে রশ্মি চিত্র নিজে দেখো।

SSC · HSC

নিউটনের গতির সূত্র

নিউটনের গতির তিনটি সূত্র, জড়তা, ভরবেগ, F = ma, ঘাত বল আর ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া: ট্রলি ঠেলে নিজে দেখো, সহজ উদাহরণ, সূত্র ও গাণিতিক সমস্যাসহ (SSC, HSC)।

SSC · HSC

গোলীয় দর্পণে প্রতিবিম্ব গঠন

অবতল দর্পণ ও উত্তল দর্পণ কাকে বলে, মেরু, বক্রতার কেন্দ্র, প্রধান ফোকাস, দর্পণের সূত্র 1/u + 1/v = 1/f ও বিবর্ধন: বস্তু টেনে সরিয়ে প্রতিবিম্ব গঠন নিজে দেখো।

SSC · HSC

তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ ও ফ্যারাডের সূত্র

তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ কাকে বলে, ফ্যারাডের সূত্র ও লেঞ্জের সূত্র কী বলে: চুম্বক টেনে কুণ্ডলীর ভেতর দিয়ে নিয়ে নিজে দেখো, গ্যালভানোমিটারের কাঁটা কেন দোলে, সূত্র ও অঙ্কসহ।

SSC · HSC

ভরবেগের সংরক্ষণ ও সংঘর্ষ

ভরবেগের সংরক্ষণ সূত্র কী, স্থিতিস্থাপক ও অস্থিতিস্থাপক সংঘর্ষের পার্থক্য কী: দুটো গাড়ি সংঘর্ষ করিয়ে নিজে দেখো, পুনরুদ্ধার সহগ e বদলে ভরবেগ ও গতিশক্তির বার-লেখচিত্র মিলিয়ে দেখো, সূত্র ও অঙ্কসহ।

SSC · HSC

কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি

কাজ কাকে বলে, গতিশক্তি ও বিভবশক্তির সূত্র কী, ক্ষমতা কীভাবে মাপা হয়: গড়িয়ে পড়া কার্টের সিমুলেশনে শক্তির রূপান্তর নিজে দেখো, সূত্র ও গাণিতিক সমস্যাসহ।

SSC · HSC

নততল

নততলে ওজন কীভাবে দুই উপাংশে ভাগ হয়, স্থিতি কোণ কী, ঘর্ষণ কীভাবে ব্লককে ধরে রাখে বা পিছলে দেয়: কোণ বদলে ব্লক নিজে ছেড়ে দিয়ে বল-চিত্র ও সূত্র দেখো।

SSC · HSC

বৃত্তাকার গতি

সুতায় ঘোরা বলের সিমুলেশনে বৃত্তাকার গতি, কেন্দ্রমুখী বল F=mv²/r, কৌণিক বেগ, পর্যায়কাল দেখো। সুতা কাটলে বল কোথায় যায়? ব্যাংকিং ও গাণিতিক সমাধানসহ।

SSC

অনুপ্রস্থ ও অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ

একই উৎস থেকে দড়ির অনুপ্রস্থ তরঙ্গ আর স্প্রিং বা শব্দের অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ পাশাপাশি দেখো। তরঙ্গশীর্ষ, তরঙ্গপাদ, সংকোচন, প্রসারণ, তরঙ্গদৈর্ঘ্য, v = fλ আর কণা কেন তরঙ্গের সাথে চলে না, গাণিতিক সমাধানসহ।

SSC · HSC

লিভার ও ভ্রামক

সিসম্যর সিমুলেশনে বলের ভ্রামক M = F × d, ভ্রামকের নীতি, লিভারের তিন শ্রেণি ও যান্ত্রিক সুবিধা নিজে হাতে পরীক্ষা করো। সমাধান ও সৃজনশীল প্রশ্নসহ।

SSC · HSC

ভরকেন্দ্র

দণ্ডে আর পাতে ভর সরিয়ে ভরকেন্দ্র x = Σmx/Σm বের করো। অবলম্বন কোথায় রাখলে দণ্ড ভারসাম্যে থাকে, বাস কখন উল্টে যায়, সুস্থির-অস্থির-নিরপেক্ষ সাম্যাবস্থা: সিমুলেশন ও সমাধানসহ।

SSC · HSC

স্প্রিং-ভর ও সরল ছন্দিত স্পন্দন

স্প্রিংয়ে ঝোলানো ভরের সরল ছন্দিত স্পন্দন নিজে চালিয়ে দেখো। হুকের সূত্র, T = 2π√(m/k), শক্তির রূপান্তর, শ্রেণি ও সমান্তরাল স্প্রিং, সমাধান ও সৃজনশীল প্রশ্নসহ।

SSC · HSC

ভেক্টর যোগ: ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র

দুটি ভেক্টরের লব্ধি, ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র, উপাংশ, নদীতে নৌকা আর বৃষ্টিতে ছাতার আপেক্ষিক বেগ নিজে টেনে পরীক্ষা করো। সমাধান ও সৃজনশীল প্রশ্নসহ।

SSC · HSC

আপেক্ষিক বেগ: ট্রেন ও নদী পারাপার

দুই ট্রেন আর নদী পার হওয়া সাঁতারুকে নিজে চালিয়ে দেখো। আপেক্ষিক দ্রুতি, ট্রেন পার হওয়ার সময়, মুখের কোণ, ভাটিতে সরণ, সবচেয়ে কম সময় বনাম সবচেয়ে ছোট পথ, সমাধানসহ।

HSC

কেপলারের সূত্র ও উপবৃত্তাকার কক্ষপথ

উৎকেন্দ্রতা স্লাইডার টেনে কক্ষপথ লম্বা হতে দেখো। সমান সময়ে সমান ক্ষেত্রফলের সেক্টর, পর্যায়কালের সূত্র T² ∝ a³ আর মুক্তিবেগ, সমাধানসহ।

HSC

নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র, g ও কৃত্রিম উপগ্রহ

দুটি বস্তুর টান, ব্যস্তবর্গ সূত্রের লেখচিত্র, পৃথিবীর ওপরে-নিচে g আর উপগ্রহের কক্ষপথ নিজের হাতে চালিয়ে দেখো। কক্ষীয় বেগ, পর্যায়কাল, মুক্তিবেগ আর সমাধান করা অঙ্কসহ।

HSC

তার ও নলে স্থির তরঙ্গ

সিমুলেশনে তার টানো আর খোলা-বন্ধ নলে ফুঁ দাও। নোড, অ্যান্টিনোড, সমমেল দেখো এবং দৈর্ঘ্য, টান ও তাপমাত্রা কীভাবে সুর ঠিক করে তা শেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।

HSC

অনুনাদ নল ও শব্দের দ্রুতি

অনুনাদ নলে পানির স্তর সরিয়ে নিজেই জোর শব্দের জায়গা খুঁজুন। L১ = λ/৪ − e আর L২ = ৩λ/৪ − e দেখুন, v = 2f(L₂ − L₁) দিয়ে শব্দের দ্রুতি বের করুন, সমাধানসহ অঙ্ক অনুশীলন করুন।

HSC

স্বরকম্প: কাছাকাছি দুই সুরের স্পন্দন

প্রায় সমান কম্পাঙ্কের দুই তরঙ্গ যোগ করে শব্দের জোর-আস্তে স্পন্দন দেখুন। এনভেলপ আঁকা, স্বরকম্প কম্পাঙ্ক |f₁ − f₂| পড়া, শব্দ শোনা আর গিটার সুর মেলানোর পদ্ধতি শিখুন, সমাধানসহ।

HSC

ডপলার প্রভাব: চলমান উৎস, চলমান শ্রোতা ও সনিক বুম

শব্দের উৎসকে ধীরে-জোরে চালাও আর দেখো সামনে তরঙ্গমুখ কীভাবে ঠাসাঠাসি হয়, পেছনে কীভাবে ছড়িয়ে পড়ে। ডপলারের সূত্র, অ্যাম্বুলেন্স ও ট্রেনের অঙ্ক এবং সনিক বুম শেখো।

SSC · HSC

প্রিজম, আলোর বিচ্ছুরণ ও রামধনু

সাদা আলো প্রিজমে ফেলো, প্রিজম কোণ আর আপতন কোণ বদলাও, আর দেখো বর্ণালি কীভাবে তৈরি হয়। বিচ্যুতি, ন্যূনতম বিচ্যুতি, বিচ্ছুরণ ক্ষমতা এবং বৃষ্টির ফোঁটায় রামধনু সৃষ্টির অঙ্কসহ ব্যাখ্যা।

HSC

কির্শফের সূত্র: সংযোগ সূত্র ও বদ্ধ পথ সূত্র

দুটি ব্যাটারি আর তিনটি রোধের দুই-লুপ বর্তনী নিজে সাজাও। সংযোগ বিন্দুতে প্রবাহ ভাগ হওয়া দেখো, বিভবের যোগফল শূন্য হতে দেখো আর কির্শফের সূত্রের অঙ্ক ধাপে ধাপে করতে শেখো।

HSC

একক চিড়ে অপবর্তন

চিড়ের প্রস্থ ও তরঙ্গদৈর্ঘ্য বদলে দেখো আলো কীভাবে ছড়ায়। তীব্রতার সূত্র I = I₀(sin β/β)², অন্ধকার পট্টির শর্ত a sin θ = mλ আর কেন্দ্রীয় পট্টির প্রস্থ 2λD/a, সমাধানসহ।

SSC · HSC

চোখের ত্রুটি ও তার প্রতিকার

স্বাভাবিক, ক্ষীণদৃষ্টি, দীর্ঘদৃষ্টি ও বার্ধক্যের চোখ বদলে বদলে দেখো। প্রতিবিম্ব কেন রেটিনার সামনে বা পেছনে পড়ে, আর কোন লেন্স কত ডায়োপ্টারে তা ঠিক করে, সিমুলেশনে হাতে-কলমে শেখো।

HSC

আলোর সমবর্তন: ম্যালাসের সূত্র ও ব্রুস্টারের সূত্র

পোলারাইজারের পেছনে অ্যানালাইজার ঘুরিয়ে গ্রাফে I = I₀cos²θ দেখো, তারপর কাচে আলো ফেলে ব্রুস্টার কোণ খুঁজে বের করো। পোলারয়েড সানগ্লাস, তিন ফিল্টারের ধাঁধা ও সমাধান করা অঙ্কসহ।

HSC

ক্যাপাসিটরের আহিতকরণ ও নিরাহিতকরণ: আরসি সময় ধ্রুবক

রোধের মধ্য দিয়ে ক্যাপাসিটর আহিত ও নিরাহিত করো। E, R, C বদলে V = E(1 − e^(−t/RC)) আর প্রবাহের বক্রেখা আঁকা দেখো, ৬৩% সময় ধ্রুবক আর সঞ্চিত শক্তি বের করো।

SSC · HSC

চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা: দণ্ডচুম্বক, তড়িৎবাহী সরল তার ও সলিনয়েড

দণ্ডচুম্বক, সরল তার ও সলিনয়েডের চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা দেখো। কম্পাস টানো, প্রবাহের দিক উল্টাও আর শেখো B = μ₀I/2πr, B = μ₀nI ও ডান হাতের মুষ্টি নিয়ম।

HSC

এসি জেনারেটর

চুম্বকের দুই মেরুর মাঝে কুণ্ডলী ঘুরিয়ে এসি জেনারেটরের সাইন তরঙ্গ নিজের চোখে দেখো। N, A, B আর rpm বদলে E₀ = NBAω ও কার্যকর মান বের করো, জানো কেন বাংলাদেশে মেইন ৫০ Hz।

SSC · HSC

ট্রান্সফর্মার

ট্রান্সফর্মারের প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি পাক বদলে দেখো ভোল্টেজ কীভাবে বাড়ে-কমে। Vs = Vp·Ns/Np, ক্ষমতার সংরক্ষণ, বাস্তব দক্ষতা আর উচ্চ ভোল্টেজে বিদ্যুৎ পাঠানোর কারণ বোঝো।

SSC · HSC

তাপের সঞ্চালন: পরিবহন, পরিচলন ও বিকিরণ

তামা, অ্যালুমিনিয়াম, কাচ বা কাঠের দণ্ড গরম করে Q/t = kAΔT/L দেখো, বিকারে পরিচলন স্রোত ঘুরতে দেখো, আর T⁴ মেনে বিকিরিত ক্ষমতা কীভাবে বাড়ে তা যাচাই করো। সারণি ও সমাধান করা অঙ্কসহ।

HSC

আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া: আইনস্টাইনের সমীকরণ ও নিবৃত্তি বিভব

ভ্যাকুয়াম নলে সোডিয়াম, দস্তা বা তামার পাতে যেকোনো তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো ফেলো। সূচন কম্পাঙ্কের নিচে ইলেকট্রন বের হয় না কেন, K = hf − φ কীভাবে নিবৃত্তি বিভব ঠিক করে, আর উজ্জ্বলতা কেন শুধু প্রবাহ বদলায় তা নিজে দেখো।

SSC · HSC

মোটর ক্রিয়া: তড়িৎবাহী তারের ওপর বল ও ডিসি মোটর

চৌম্বক ক্ষেত্রে তড়িৎবাহী তার রাখলে সেটা কীভাবে ধাক্কা খায় নিজের চোখে দেখো। B, I, L আর কোণ বদলাও, ফ্লেমিংয়ের বাম হাতের নিয়ম মিলিয়ে নাও, তারপর বিভক্ত-বলয় কম্যুটেটরসহ ডিসি মোটর ঘুরিয়ে টর্কের লেখচিত্র দেখো।

HSC

গ্যাসের অণু ও গতিতত্ত্ব: চাপ, তাপমাত্রা ও দ্রুতি

বাক্সের ভেতরে গ্যাসের অণুদের ছোটাছুটি দেখো। তাপমাত্রা বাড়াও, গ্যাস বদলাও, আয়তন চেপে ধরো, আর দেখো দেয়ালে ধাক্কা গুনে পাওয়া চাপ PV = NkT-এর সঙ্গে মিলে যাচ্ছে। ম্যাক্সওয়েল-বোল্টজম্যান বক্ররেখার সঙ্গে দ্রুতি মেলাও এবং গড়বর্গমূল দ্রুতির অঙ্ক করো।

HSC

অর্ধপরিবাহী ডায়োড: p–n সন্ধি, I–V বক্ররেখা ও রেক্টিফায়ার

p–n সন্ধিতে বায়াস দিয়ে দেখো নিঃশেষিত স্তর কীভাবে সরু বা চওড়া হয়, বাহক কীভাবে পার হয় আর শকলির I–V বক্ররেখা কেমন হয়। সিলিকন ও জার্মেনিয়ামের তুলনা, ভাঙন আর অর্ধতরঙ্গ রেক্টিফায়ার হাতে-কলমে।

SSC · HSC

তেজস্ক্রিয় ক্ষয়: অর্ধায়ু, ক্ষয় সূত্র ও বিকিরণের ভেদন ক্ষমতা

২৪০টি নিউক্লিয়াসকে এলোমেলোভাবে ক্ষয় হতে দেখো, N = N₀e^(−λt) সূত্র মিলিয়ে নাও, লেখচিত্র থেকে অর্ধায়ু মাপো, আর দেখো আলফা, বিটা ও গামা কাগজ, অ্যালুমিনিয়াম ও সীসা কতটা ভেদ করে।

HSC

বোর পরমাণু মডেল: কক্ষপথ, শক্তিস্তর ও হাইড্রোজেনের বর্ণালি

হাইড্রোজেনের ইলেকট্রনকে n = ১ থেকে ৬ কক্ষপথে লাফ দেওয়াও, 1/λ = R(1/n₁² − 1/n₂²) থেকে ফোটনের রং বের করো আর শক্তিস্তরের চিত্র ও বর্ণালির পট্টিতে লাইম্যান, বামার, পাশেন শ্রেণি দেখো।

অন্য বিষয়ের অ্যানিমেশন

রসায়ন

পরমাণুর গঠন

রসায়ন

এসিড, ক্ষারক ও pH স্কেল

রসায়ন

ইলেকট্রন বিন্যাস

রসায়ন

গ্যাসের সূত্র: বয়েল, চার্লস ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ

রসায়ন

আয়নিক বন্ধন কীভাবে গঠিত হয়

রসায়ন

তড়িৎ বিশ্লেষণ ও ফ্যারাডের সূত্র

রসায়ন

সমযোজী বন্ধন

রসায়ন

পর্যায়বৃত্ত ধর্ম

রসায়ন

বিক্রিয়ার হার ও সংঘর্ষ তত্ত্ব

রসায়ন

পদার্থের অবস্থা: কঠিন, তরল, গ্যাসীয় ও তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র

রসায়ন

পরমাণুর অরবিটাল: s, p, d-এর আকৃতি, কোয়ান্টাম সংখ্যা ও নোড

রসায়ন

আণবিক আকৃতি ও ভিএসইপিআর তত্ত্ব: বন্ধন জোড়, মুক্তজোড় ও বন্ধন কোণ

রসায়ন

মোল ধারণা: মোলার ভর, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা ও মোলার আয়তন

রসায়ন

ব্যাপন ও নিঃসরণ: গ্রাহামের সূত্র

রসায়ন

রাসায়নিক সমীকরণ সমতাকরণ: পদ্ধতি, উদাহরণ ও অনুশীলন

রসায়ন

রাসায়নিক সাম্যাবস্থা: সাম্যধ্রুবক Kc ও লা শাতেলিয়ের নীতি

রসায়ন

টাইট্রেশন: অম্ল-ক্ষারের ঘনমাত্রা বের করার পদ্ধতি

রসায়ন

গ্যালভানিক কোষ: ড্যানিয়েল কোষ, EMF ও নার্নস্ট সমীকরণ

রসায়ন

জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া: জারণ সংখ্যা, ইলেকট্রন স্থানান্তর ও অর্ধ-সমীকরণ

রসায়ন

হাইড্রোকার্বন: অ্যালকেন, অ্যালকিন, অ্যালকাইন ও কাঠামোগত সমাণু ত্রিমাত্রায়

রসায়ন

কার্যকরী মূলক: অ্যালকোহল, অ্যালডিহাইড, কিটোন, অ্যাসিড, এস্টার ও অ্যামিন

রসায়ন

পলিমারকরণ: যোজন ও ঘনীভবন পলিমার, পলিথিন ও নাইলন

রসায়ন

মিশ্রণ আলাদা করার পদ্ধতি: ছাঁকন, পাতন, ক্রোমাটোগ্রাফি, স্ফটিকীকরণ

রসায়ন

কেলাস জালক: SC, BCC ও FCC একক কোষ, প্যাকিং দক্ষতা ও ঘনত্ব

রসায়ন

তেজস্ক্রিয়তা: আলফা, বিটা, গামা ক্ষয় ও অর্ধায়ু

জীববিজ্ঞান

মাইটোসিস কোষ বিভাজন

জীববিজ্ঞান

ব্যাপন ও অভিস্রবণ

জীববিজ্ঞান

সালোকসংশ্লেষণ

জীববিজ্ঞান

মানব হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কাজ

জীববিজ্ঞান

মেন্ডেলের বংশগতি সূত্র

জীববিজ্ঞান

ডিএনএ রেপ্লিকেশন

জীববিজ্ঞান

কোষীয় শ্বসন

জীববিজ্ঞান

এনজাইম ক্রিয়া

জীববিজ্ঞান

স্নায়ু উদ্দীপনার পরিবহন ও অ্যাকশন পটেনশিয়াল

জীববিজ্ঞান

নেফ্রন ও মূত্র তৈরির প্রক্রিয়া

জীববিজ্ঞান

মিয়োসিস কোষ বিভাজন

জীববিজ্ঞান

পরিপাকতন্ত্র

জীববিজ্ঞান

শ্বাসক্রিয়ার কৌশল: প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস

জীববিজ্ঞান

প্রোটিন সংশ্লেষণ

জীববিজ্ঞান

রক্ত সংবহন: দ্বি-সংবহন ও কার্ডিয়াক আউটপুট

জীববিজ্ঞান

কোষের গঠন ও অঙ্গাণু: উদ্ভিদ কোষ বনাম প্রাণী কোষ

জীববিজ্ঞান

প্রতিবর্ত ক্রিয়া ও প্রতিবর্ত চাপ

জীববিজ্ঞান

মানুষের চোখ: গঠন, প্রতিবিম্ব ও উপযোজন

জীববিজ্ঞান

পেশি সংকোচন ও স্লাইডিং ফিলামেন্ট মডেল

জীববিজ্ঞান

উদ্ভিদে পরিবহন: জাইলেম, ফ্লোয়েম ও বাষ্পমোচন

জীববিজ্ঞান

খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজাল: শক্তির প্রবাহ ও ১০ % নিয়ম

জীববিজ্ঞান

জনসংখ্যা বৃদ্ধি: সূচকীয় ও লজিস্টিক রেখা

জীববিজ্ঞান

প্রাকৃতিক নির্বাচন: পেপার্ড মথ ও কালিঝুলি মাখা গাছ

জীববিজ্ঞান

রোগপ্রতিরোধ: প্রাথমিক ও গৌণ অ্যান্টিবডি সাড়া

জীববিজ্ঞান

পরাগায়ন ও নিষেক

গণিত

পিথাগোরাসের উপপাদ্য

গণিত

ত্রিকোণমিতিক অনুপাত ও একক বৃত্ত

গণিত

দ্বিঘাত সমীকরণ ও দ্বিঘাত ফাংশনের লেখচিত্র

গণিত

বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য

গণিত

দূরত্ব ও উচ্চতা: উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ

গণিত

সম্ভাবনা: পরীক্ষালব্ধ বনাম তাত্ত্বিক সম্ভাবনা

গণিত

সমান্তর ও গুণোত্তর ধারা

গণিত

গড়, মধ্যক ও প্রচুরক

গণিত

সেট ও ভেনচিত্র

গণিত

সরল সহসমীকরণ ও সরলরেখার লেখচিত্র

গণিত

sin, cos, tan-এর লেখচিত্র

গণিত

পূর্ণবর্গ পদ্ধতি ও দ্বিঘাত সমীকরণের সমাধান

গণিত

বৃত্তের ক্ষেত্রফল: সূত্র, প্রমাণ ও সমাধান

গণিত

ঘনবস্তুর আয়তন ও তলের ক্ষেত্রফল: ঘনক, আয়তঘন, বেলন, কোণক, গোলক

গণিত

সদৃশ ত্রিভুজ: স্কেল ফ্যাক্টর, AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়া থেকে উচ্চতা

গণিত

স্থানাঙ্ক জ্যামিতি: দূরত্ব, মধ্যবিন্দু, ঢাল, বিভক্তিকরণ সূত্র ও সঞ্চারপথ

গণিত

শাঙ্কব ছেদ: বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত ও অধিবৃত্ত

গণিত

ফাংশনের রূপান্তর: সরানো, টানা ও উল্টানো

গণিত

অন্তরীকরণ: স্পর্শকের ঢাল ও ছেদক থেকে স্পর্শক

গণিত

রিম্যান যোগফল ও সমাকলন: বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফল

গণিত

সীমা ও ε–δ সংজ্ঞা: ছবিতে বোঝা

গণিত

ত্রিমাত্রিক ভেক্টর: যোগ, ডট গুণ ও ক্রস গুণ

গণিত

ম্যাট্রিক্স রূপান্তর: ঘূর্ণন, প্রতিফলন, শিয়ার ও নির্ণায়ক

গণিত

জটিল সংখ্যা: আরগান্ড সমতলে যোগ, গুণ, ঘাত ও মূল

গণিত

বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি: স্থানীয় মান, রূপান্তর ও যোগ