কোষের যেকোনো অংশে ক্লিক করো বা ওপরের তালিকা থেকে বেছে নাও। ছবি পরিকল্পিত, মাপ আনুমানিক।
নিয়ন্ত্রণ
কোষ
অঙ্গাণু বেছে নাও
পরিমাপ
- বাছাই করা অংশ
- সব অংশ
- কোথায় আছে
- —
- সাধারণ মাপ
- —
- কোষের প্রকৃত প্রস্থ (প্রাণী কোষ)
- ২০µm
- কোষের প্রকৃত প্রস্থ (উদ্ভিদ কোষ)
- ৫০µm
- ছবির প্রস্থ ৪০০× (প্রাণী কোষ)
- ৮.০mm
- ছবির প্রস্থ ৪০০× (উদ্ভিদ কোষ)
- ২০.০mm
সিমুলেশনটি কীভাবে ব্যবহার করবে
- ওপরের ছবিতে দুটি কোষ পাশাপাশি আছে: বাঁয়ে প্রাণী কোষ, ডানে উদ্ভিদ কোষ। ছোট নীল বিন্দুগুলো সাইটোপ্লাজমে ভেসে বেড়ানো থলি। উদ্ভিদ কোষে এরা বড় কোষগহ্বরকে ঘিরে ঘোরে, প্রাণী কোষে এলোমেলো ভেসে বেড়ায়।
- যেকোনো অংশে ক্লিক করো, যেমন সবুজ ক্লোরোপ্লাস্টে বা বেগুনি নিউক্লিয়াসে। বাছাই করা অংশ জ্বলজ্বল করবে, বাকিরা ঝাপসা হবে, আর ছবির নিচে নাম ও কাজ লেখা আসবে। কোথাও ফাঁকা জায়গায় ক্লিক করলে আবার সব অংশ ফিরে আসবে।
- মাউস ব্যবহার না করলে “অংশ বেছে নাও” তালিকা থেকে একই কাজ করতে পারবে। ডানদিকের পরিমাপ প্যানেলে দেখবে অংশটি কোন কোষে থাকে আর তার সাধারণ মাপ কত।
- “কোষ” থেকে শুধু উদ্ভিদ বা শুধু প্রাণী কোষ বেছে বড় করে দেখো। তারপর কোনো উদ্ভিদ-নির্দিষ্ট অংশ (কোষপ্রাচীর, ক্লোরোপ্লাস্ট, কোষগহ্বর) প্রাণী কোষে বেছে দেখো, ছবির নিচে লেখা আসবে যে অংশটি এই কোষে নেই।
- বিবর্ধনের স্লাইডার নাড়াও। কোষের প্রকৃত প্রস্থ স্থির, কিন্তু অণুবীক্ষণ যন্ত্রে তার ছবির প্রস্থ ঠিক বিবর্ধন গুণ করলেই পাওয়া যায়। এই অঙ্কটাই পরীক্ষায় আসে।
পেঁয়াজের খোসা ছাড়াও, দেয়াল গাঁথা ইট পাবে
রান্নাঘর থেকে একটি পেঁয়াজ আনো। বাইরের শুকনো খোসা সরিয়ে ভেতরের ভেজা পাতলা পর্দাটা ছাড়াও, আর অণুবীক্ষণ যন্ত্রের নিচে এক ফোঁটা পানিতে রাখো। যা দেখবে তা অবাক করার মতো: পর্দাটা অসংখ্য ছোট ছোট ঘরের সারি, ঠিক ইটের দেয়ালের মতো। প্রতিটি ঘরের দেয়াল স্পষ্ট, ভেতরে একটা গোল বিন্দু। ওই ঘরগুলোই কোষ।
একটা প্রাণী কোষের প্রস্থ প্রায় ২০ µm, উদ্ভিদ কোষের প্রায় ৫০ µm। এত ছোট বলে খালি চোখে একটাও দেখা যায় না, অথচ তোমার শরীরেই কোটি কোটি কোষ কাজ করছে। প্রতিটি কোষ আলাদা আলাদা কারখানার মতো: শক্তি বানায়, প্রোটিন বানায়, বর্জ্য ফেলে, নিজের কপি তৈরি করে। এই পাতায় সেই কারখানার ভেতরের প্রতিটি যন্ত্র চিনব।
পাঠ্যবইয়ে অঙ্গাণুর নাম আর কাজ মুখস্থ করতে বলা হয়, আর বেশির ভাগ শিক্ষার্থী তালিকা মুখস্থ করে পরীক্ষা শেষে ভুলে যায়। এখানে উল্টো কাজ করব। আগে একটা ছবি দেখো, তারপর প্রতিটি অংশকে একটা পরিচিত জিনিসের সাথে মেলাও, যেমন শহরের পরিচালনা দপ্তর, বিদ্যুৎকেন্দ্র, ডাকঘর। ছবি আর উপমা মাথায় থাকলে নাম আপনিই মনে আসবে।
কোষতত্ত্ব: একদম গোড়া থেকে
১৬৬৫ সালে রবার্ট হুক নিজের তৈরি অণুবীক্ষণ যন্ত্রে কর্কের পাতলা টুকরো দেখে সারি সারি ছোট ঘর পেলেন। মঠের ছোট ঘরের (সেল) সাথে মিল দেখে নাম দিলেন কোষ বা সেল। তিনি আসলে মরা কোষের দেয়াল দেখেছিলেন। কয়েক বছর পরে অ্যান্টনি ফন লিউয়েনহুক জীবন্ত কোষ, যেমন ব্যাকটেরিয়া আর শুক্রাণু, প্রথম দেখলেন।
১৮৩৮-৩৯ সালে ম্যাথিয়াস শ্লাইডেন (উদ্ভিদ নিয়ে) আর থিওডর শোয়ান (প্রাণী নিয়ে) বললেন, সব জীবই কোষ দিয়ে গড়া। ১৮৫৫ সালে রুডলফ ভিরশো যোগ করলেন যে নতুন কোষ আসে আগে থেকে থাকা কোষ ভেঙে, মাঝখান থেকে হঠাৎ করে জন্মায় না। এই তিনটি ধারণা মিলে হয়েছে কোষতত্ত্ব।
- সব জীব এক বা একাধিক কোষ দিয়ে গঠিত।
- কোষ জীবের গঠন ও কাজের মৌলিক একক।
- নতুন কোষ সবসময় আগে থেকে থাকা কোষ থেকে আসে।
নতুন শব্দগুলো এক নজরে
পড়তে পড়তে যেন হোঁচট না খাও, তাই আগেই শব্দগুলো সেরে নিই।
- অঙ্গাণু (অরগানেল): কোষের ভেতরের ছোট্ট কাজের অংশ, যার নির্দিষ্ট গঠন ও নির্দিষ্ট দায়িত্ব আছে।
- সাইটোপ্লাজম: কোষঝিল্লি আর নিউক্লিয়াসের মাঝের জেলির মতো তরল, যার ভেতর অঙ্গাণুগুলো ভাসে।
- ইউক্যারিওট: যে জীবের কোষে ঝিল্লিতে মোড়া সুগঠিত নিউক্লিয়াস আছে। উদ্ভিদ, প্রাণী, ছত্রাক, প্রোটোজোয়া।
- প্রোক্যারিওট: যে জীবের কোষে সুগঠিত নিউক্লিয়াস নেই, যেমন ব্যাকটেরিয়া।
- ঝিল্লিযুক্ত অঙ্গাণু: ঝিল্লির মোড়কওয়ালা অংশ, যেমন নিউক্লিয়াস, মাইটোকন্ড্রিয়া, ক্লোরোপ্লাস্ট।
- কলা: একই কাজের একই ধরনের কোষের দল।
- বিবর্ধন: অণুবীক্ষণ যন্ত্রে কোনো জিনিসকে তার আসল মাপের কত গুণ বড় দেখানো হচ্ছে।
অঙ্গাণু-ভ্রমণ: একটার পর একটা
কোষকে একটা ছোট শহর ভাবো। এর পরিচালনা দপ্তর আছে, বিদ্যুৎকেন্দ্র আছে, কারখানা আছে, ডাকঘর আছে, জলের ট্যাংক আছে, আবর্জনা সাফাইয়ের দল আছে, আর চারপাশে ঘেরা সীমানা। উপমাটা পুরোপুরি নিখুঁত নয়, তবু শেখার জন্য দারুণ কাজ দেয়। সিমুলেশনে প্রতিটি অংশে ক্লিক করতে করতে নিচের অংশগুলো পড়ে যাও।
সীমানা: কোষপ্রাচীর আর কোষঝিল্লি
কোষঝিল্লি (প্লাজমামেমব্রেন) প্রতিটি কোষের বাইরের পর্দা, প্রাণী কোষেও, উদ্ভিদ কোষেও। এটি ফসফোলিপিডের দুই স্তরে গড়া অতি পাতলা ঝিল্লি, যার মাঝে প্রোটিন বসানো। এর কাজ নির্বাচনী: পানি, অক্সিজেন, পুষ্টি ঢুকতে দেয়, বর্জ্য বেরোতে দেয়, আর অবাঞ্ছিত জিনিস আটকায়। বাড়ির দারোয়ানের মতো, যে সবাইকে ঢুকতে দেয় না।
এই ঝিল্লি ভীষণ পাতলা। তার পুরুত্ব প্রায় ৮ nm, অথচ প্রাণী কোষের প্রস্থ ২০,০০০ nm। অর্থাৎ ২,৫০০টি ঝিল্লি গায়ে গা লাগিয়ে সাজালে তবে একটা কোষের প্রস্থ হবে।
কোষপ্রাচীর শুধু উদ্ভিদ কোষে (আর ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়ায়, যদিও তাদের উপাদান আলাদা) থাকে। উদ্ভিদে এটি প্রধানত সেলুলোজের তন্তুতে গড়া, কোষঝিল্লির বাইরে বসানো। এটি শক্ত, তাই কোষকে আকার আর যান্ত্রিক শক্তি দেয়, আর পানি ঢুকে ফুললেও কোষ ফাটে না। দেয়াল পূর্ণভেদ্য: পানি ও দ্রবণ অনায়াসে পার হয়, তাই নির্বাচনের কাজটা ঝিল্লিই করে। দেয়ালের ফাঁক দিয়ে পাশের কোষের সাথে সাইটোপ্লাজমের সূক্ষ্ম সুতা (প্লাজমোডেসমাটা) যোগাযোগ রাখে।
নিয়ন্ত্রণ কক্ষ: নিউক্লিয়াস আর নিউক্লিওলাস
নিউক্লিয়াস কোষের পরিচালনা দপ্তর। এর ভেতরে DNA থাকে, যাতে কোষ কী বানাবে আর কীভাবে চলবে তার নির্দেশ লেখা, আর বংশগতির তথ্যও। চারপাশে দুই স্তরের ঝিল্লি আছে, যাতে ছোট ছিদ্র থাকে যেন বার্তা বাইরে যেতে পারে। সাধারণ মাপ প্রায় ৬ µm, মানে কোষের অনেকটা জায়গা জুড়ে বসে। উদ্ভিদ কোষে বিশাল কোষগহ্বর নিউক্লিয়াসকে ঠেলে ধারের দিকে পাঠায়, প্রাণী কোষে সে প্রায়ই মাঝখানে থাকে।
নিউক্লিওলাস নিউক্লিয়াসের ভেতরের ঘন গোল বিন্দু, ঝিল্লি নেই। এখানে রাইবোজোমের উপাদান তৈরি হয়। প্রোটিন বেশি দরকার এমন কোষে নিউক্লিওলাস বড় হয়।
ব্যস্ত মাঝখান: সাইটোপ্লাজম আর তার স্রোত
সাইটোপ্লাজম জেলির মতো আধা-তরল, প্রধানত পানি, তাতে লবণ আর প্রোটিন গোলা। অঙ্গাণুরা এতেই ভাসে। শর্করা ভাঙার প্রথম ধাপের (গ্লাইকোলাইসিস) মতো বহু বিক্রিয়া সরাসরি এখানে ঘটে।
সিমুলেশনের নীল বিন্দুগুলো লক্ষ করো। জীবন্ত কোষে সাইটোপ্লাজম থেমে থাকে না, বইতে থাকে, একে বলে সাইটোপ্লাজমীয় স্রোত। উদ্ভিদ কোষে এটা বিশাল কোষগহ্বরকে ঘিরে ঘুরপাক খায়, যা পানিতে ডুবানো হাইড্রিলা পাতার কোষে অণুবীক্ষণ যন্ত্রে স্পষ্ট দেখা যায়। স্রোতের কাজ হলো পুষ্টি, বার্তা আর বাক্সবন্দি জিনিস কোষের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে পৌঁছে দেওয়া। বড় কোষে শুধু বিস্তরণের ওপর ভরসা করলে এ কাজ অনেক ধীরে হতো।
বিদ্যুৎকেন্দ্র: মাইটোকন্ড্রিয়া
মাইটোকন্ড্রিয়া (একবচনে মাইটোকন্ড্রিয়ন) কোষের শক্তিঘর। ডিম্বাকার বা সুতার মতো, দৈর্ঘ্য সাধারণত ২ µm-এর কাছাকাছি, মানে একটা প্রাণী কোষের প্রস্থে প্রায় ১০টি গায়ে গায়ে ধরবে। দুই স্তর ঝিল্লি আছে: বাইরেরটা মসৃণ, ভেতরেরটা ভাঁজ করা। ভাঁজগুলোর নাম ক্রিস্টি, যা উপরিতল বাড়িয়ে আরও বেশি বিক্রিয়ার জায়গা বানায়।
এখানে অক্সিজেনের সাহায্যে গ্লুকোজের ভাঙন শেষ হয়ে বিপুল ATP তৈরি হয়। ATP হলো কোষের শক্তির মুদ্রা, যা দিয়ে পেশি সংকোচন, স্নায়ুর সংকেত, প্রোটিন তৈরি সবই চলে। তাই পেশিকোষ ও যকৃতের কোষে মাইটোকন্ড্রিয়া অনেক বেশি। মজার তথ্য, এর নিজস্ব DNA ও রাইবোজোম আছে, আর নিজেই সংখ্যা বাড়াতে পারে।
সৌর রান্নাঘর: ক্লোরোপ্লাস্ট
ক্লোরোপ্লাস্ট সবুজ প্লাস্টিড, শুধু উদ্ভিদ কোষে (আর শৈবালে) থাকে। এর ভেতরে সবুজ রঞ্জক ক্লোরোফিল আলো ধরে, আর সেই শক্তিতে কার্বন ডাই-অক্সাইড ও পানি থেকে গ্লুকোজ ও অক্সিজেন তৈরি হয়, যাকে বলে সালোকসংশ্লেষণ। দৈর্ঘ্য প্রায় ৫ µm, ফলে ৫০ µm-এর একটি উদ্ভিদ কোষের প্রস্থে ১০টি পাশাপাশি বসতে পারে।
মাইটোকন্ড্রিয়ার মতোই এরও দুই স্তর ঝিল্লি, নিজস্ব DNA ও রাইবোজোম আছে। ভেতরে থলির মতো থাইলাকয়েড মুদ্রার স্তূপের (গ্রানা) আকারে সাজানো, আর তাদের ঘিরে থাকে তরল স্ট্রোমা। প্লাস্টিড অন্য রঙেরও হয়: লাল-হলুদ রঙের ক্রোমোপ্লাস্ট ফল ও ফুলে, রঙহীন লিউকোপ্লাস্ট আলুর মতো জায়গায় মণ্ড জমায়।
জলের ট্যাংক: বিশাল কোষগহ্বর
পরিণত উদ্ভিদ কোষের মাঝখানে একটাই বিশাল কোষগহ্বর থাকে, যা ঝিল্লি (টোনোপ্লাস্ট) দিয়ে মোড়া আর কোষরসে ভরা। কোষের ৫০ µm প্রস্থের মধ্যে এর ব্যাস ৩০ µm ধরলে প্রস্থের প্রায় ৬০% এই থলিই নেয়। প্রাণী কোষে গহ্বর থাকলে ছোট ও অনেক।
কাজ অনেক: পানি, খনিজ, শর্করা, রঞ্জক জমানো, বর্জ্য আলাদা করে রাখা, আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, চাপ বজায় রাখা। গহ্বর পানিতে ভরে কোষঝিল্লিকে দেয়ালের গায়ে ঠেসে ধরলে কোষ টান টান থাকে। একে স্ফীতি বলে। গাছে পানি কম পড়লে এই চাপ কমে, আর গাছ ঝিমিয়ে পড়ে।
কারখানার মেঝে: রাইবোজোম আর দুই ধরনের ER
রাইবোজোম অতি ক্ষুদ্র দানা, প্রায় ২৫ nm, ঝিল্লি নেই। এখানেই বার্তা পড়ে অ্যামাইনো অ্যাসিড জুড়ে জুড়ে প্রোটিন তৈরি হয়। কিছু সাইটোপ্লাজমে মুক্ত ভাসে, কিছু ER-এর গায়ে লাগানো।
এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম (ER) ঝিল্লির নল আর চ্যাপ্টা থলির জাল, যা নিউক্লিয়াসের ঝিল্লির সাথে যুক্ত। অমসৃণ ER-এর গায়ে রাইবোজোম লেগে থাকায় খসখসে দেখায়; এখানে প্রোটিন তৈরি হয়ে ভাঁজ হয়। মসৃণ ER-এ রাইবোজোম নেই; এখানে লিপিড ও স্টেরয়েড তৈরি হয়, আর যকৃতের কোষে বিষাক্ত পদার্থ নিষ্ক্রিয় হয়। দুটো ER এক জালেরই দুই অংশ।
ডাকঘর ও সাফাইকর্মী: গলজি বস্তু আর লাইসোজোম
গলজি বস্তু চ্যাপ্টা থলির স্তূপ, দেখতে পরপর সাজানো প্লেটের মতো। ER থেকে আসা প্রোটিন এখানে পরিবর্তিত হয়, বাছাই হয় আর ক্ষুদ্র থলিতে (ভেসিকল) মোড়কবন্দি হয়ে ঠিকানায় যায়, কোষঝিল্লিতে, লাইসোজোমে বা কোষের বাইরে। ডাকঘরের মতো বাছাই, সিল আর ঠিকানা বসানোর কাজ করে। এ কারণে গ্রন্থিকোষে গলজি বস্তু বেশ বড়।
লাইসোজোম এক স্তর ঝিল্লিতে মোড়া ছোট থলি, ভেতরে ক্ষতিকর নয় এমন পরিবেশে হজমকারী উৎসেচক ভরা। এটি খাদ্যকণা, পুরোনো ও ক্ষতিগ্রস্ত অঙ্গাণু, ঢুকে পড়া জীবাণু ভেঙে ফেলে। তাই একে কোষের সাফাইকর্মী বা হজমের থলি বলা হয়। উদ্ভিদ কোষে এই কাজ অনেকটা কোষগহ্বর করে, তাই সাধারণ পাঠ্যবইয়ের উদ্ভিদ কোষের ছবিতে লাইসোজোম আঁকা হয় না।
বিভাজনের সহকারী: সেন্ট্রোজোম
সেন্ট্রোজোমে সাধারণত দুটি সেন্ট্রিওল থাকে, পরস্পর সমকোণে বসানো ছোট নল। কোষবিভাজনের সময় এরা কোষের দুই মেরুতে সরে যায় আর সূত্রের মতো স্পিন্ডল তন্তু গড়ে, যা ক্রোমোজোমকে সমানভাবে ভাগ করে দেয়। প্রাণী কোষে এটি নিউক্লিয়াসের পাশেই থাকে।
উচ্চশ্রেণির উদ্ভিদ কোষে সেন্ট্রিওল থাকে না, তবু সেখানেও বিভাজন ঠিকঠাক হয়। কারণ স্পিন্ডল গড়ার অন্য ব্যবস্থা আছে। এই কারণে পরীক্ষার তালিকায় সেন্ট্রোজোম প্রাণী কোষের বৈশিষ্ট্য।
উদ্ভিদ কোষ আর প্রাণী কোষ: কোথায় আলাদা
দুই কোষেই নিউক্লিয়াস, সাইটোপ্লাজম, কোষঝিল্লি, মাইটোকন্ড্রিয়া, ER, রাইবোজোম আর গলজি বস্তু আছে। পার্থক্যগুলো কয়েকটা নির্দিষ্ট জায়গায়, আর সেগুলো আসে দুই জীবের জীবনযাত্রার তফাত থেকে। উদ্ভিদ এক জায়গায় দাঁড়িয়ে নিজের খাবার বানায়, তাই তার দরকার আলো ধরার যন্ত্র আর শক্ত কাঠামো। প্রাণী খাবার খুঁজে বেড়ায়, তাই তার নরম নমনীয় কোষ, আর খাবার হজমের থলি লাগে।
| বৈশিষ্ট্য | উদ্ভিদ কোষ | প্রাণী কোষ |
|---|---|---|
| কোষপ্রাচীর | আছে (সেলুলোজের) | নেই, শুধু কোষঝিল্লি |
| ক্লোরোপ্লাস্ট | আছে (সবুজ অংশে) | নেই |
| কোষগহ্বর | একটি বিশাল কেন্দ্রীয় | নেই বা ছোট ছোট, অনেক |
| সেন্ট্রিওল | উচ্চশ্রেণির উদ্ভিদে নেই | আছে |
| লাইসোজোম | সচরাচর দেখানো হয় না | আছে |
| নিউক্লিয়াসের অবস্থান | প্রায়ই ধারের দিকে | প্রায়ই মাঝখানে |
| আকৃতি | নির্দিষ্ট, প্রায় আয়তাকার | গোল বা অনিয়মিত |
| খাদ্য | নিজে তৈরি করে (স্বভোজী) | তৈরি খাবার খায় (পরভোজী) |
| সঞ্চিত খাদ্য | স্টার্চ | গ্লাইকোজেন |
প্রোক্যারিওট আর ইউক্যারিওট
এতক্ষণ যে দুই কোষ দেখলে দুটোই ইউক্যারিওট (গ্রিক “ইউ” মানে সত্যিকারের, “ক্যারিয়ন” মানে কেন্দ্রক)। এদের DNA ঝিল্লিতে মোড়া নিউক্লিয়াসে থাকে। ব্যাকটেরিয়ার মতো প্রোক্যারিওটে সেটা নেই। DNA ছড়িয়ে থাকে নিউক্লিয়য়েড নামের এলাকায়, ঝিল্লির কোনো পাঁচিল ছাড়া।
| বৈশিষ্ট্য | প্রোক্যারিওট | ইউক্যারিওট |
|---|---|---|
| নিউক্লিয়াস | সুগঠিত নেই, শুধু নিউক্লিয়য়েড | ঝিল্লিতে মোড়া সুগঠিত |
| ঝিল্লিযুক্ত অঙ্গাণু | নেই | মাইটোকন্ড্রিয়া, ER, গলজি ইত্যাদি আছে |
| DNA | সাধারণত একটি বৃত্তাকার | একাধিক রৈখিক ক্রোমোজোম |
| রাইবোজোম | ছোট (70S) | বড় (80S) |
| সাধারণ মাপ | প্রায় ১ থেকে ১০ µm | প্রায় ১০ থেকে ১০০ µm |
| উদাহরণ | ব্যাকটেরিয়া, সায়ানোব্যাকটেরিয়া | উদ্ভিদ, প্রাণী, ছত্রাক, প্রোটোজোয়া |
সিমুলেশনে নিজে করে দেখো
পড়ে বোঝার চেয়ে হাতে ধরে বোঝা অনেক জোরালো। নিচের পরীক্ষাগুলো এক এক করে করো।
- পরীক্ষা ১, ঠিকানা মেলাও: “সব অংশ” অবস্থায় একটা অজানা অংশে ক্লিক করো, নাম আন্দাজ করো, তারপর ছবির নিচের লেখা মিলিয়ে নাও। দশবার করলে সব নাম হাতে থাকবে।
- পরীক্ষা ২, শুধু উদ্ভিদে যা আছে: “উদ্ভিদ কোষ” বেছে কোষপ্রাচীর, ক্লোরোপ্লাস্ট আর কোষগহ্বরে ক্লিক করো। তারপর “প্রাণী কোষ” বেছে একই অংশ বাছতে গেলে দেখো ছবিতে কিছু জ্বলে না, আর লেখা আসে যে অংশটি এই কোষে নেই।
- পরীক্ষা ৩, স্রোত দেখো: “কোষ” বেছে সাইটোপ্লাজম নির্বাচন করো। নীল থলিগুলো বড় হয়ে স্পষ্ট হবে। উদ্ভিদ কোষে তারা কোষগহ্বরের চারপাশে ঘোরে কিনা, আর প্রাণী কোষে তাদের চলা কেমন, তুলনা করো।
- পরীক্ষা ৪, নাম লুকিয়ে পরীক্ষা: “অংশগুলোর নাম দেখাও” বন্ধ করে ছবি দেখে নিজেকে প্রশ্ন করো, তারপর বাছাই করে উত্তর মিলিয়ে দেখো। পরীক্ষায় নামহীন চিত্র আসে।
- পরীক্ষা ৫, বিবর্ধন: স্লাইডার ৪০ থেকে ১০০০-এর মধ্যে নাড়িয়ে কোষের ছবির প্রস্থ কীভাবে বদলায় দেখো। আসল প্রস্থ কেন বদলায় না, সেটা ভাবো।
- পরীক্ষা ৬, পাশাপাশি তুলনা: “পাশাপাশি তুলনা” বেছে একটা অংশ (যেমন মাইটোকন্ড্রিয়া) নির্বাচন করো। দুই কোষেই জ্বলে ওঠে। এবার ক্লোরোপ্লাস্ট বাছো, শুধু ডানেরটা জ্বলবে।
মাপের অঙ্ক: ছবি দেখে আসল মাপ বের করা
কোষের মাপ বলা হয় মাইক্রোমিটারে (µm)। ১ মিলিমিটার = ১০০০ µm, আর ১ µm = ১০০০ ন্যানোমিটার (nm)। এই রূপান্তরটা মুখস্থ থাকলে বাকি অঙ্ক সোজা।
আসল মাপ = ছবির মাপ ÷ বিবর্ধনছবি আর আসল জিনিস একই এককে নিতে হবে
বিবর্ধন = ছবির মাপ ÷ আসল মাপসূত্রটি উল্টো করে লেখা
অঙ্ক ১: পেঁয়াজের কোষের আসল দৈর্ঘ্য
অণুবীক্ষণ যন্ত্রে ৪০০ গুণ বিবর্ধনে তোলা ছবিতে একটি পেঁয়াজ-কোষের দৈর্ঘ্য মাপা হলো ১০০ mm। আসল দৈর্ঘ্য কত?
আসল দৈর্ঘ্য = ১০০ mm ÷ ৪০০ = ০.২৫ mmধাপ ১, সূত্র বসাও
০.২৫ mm × ১,০০০ = ২৫০ µmধাপ ২, µm-এ রূপান্তর
অঙ্ক ২: সিমুলেশনের কোষ ছবিতে কত বড়
ডিফল্ট বিবর্ধন ৪০০ গুণ। প্রাণী কোষ ২০ µm প্রশস্ত হলে ছবিতে তা ৮.০ mm, আর ৫০ µm-এর উদ্ভিদ কোষ ২০.০ mm। পরিমাপ প্যানেলের সংখ্যার সাথে মিলিয়ে দেখো, ঠিক এই সংখ্যাই বসবে।
ছবির মাপ = ২০ µm × ৪০০ = ৮.০ mm (প্রাণী)আসল × বিবর্ধন
ছবির মাপ = ৫০ µm × ৪০০ = ২০.০ mm (উদ্ভিদ)একই সূত্র, ভিন্ন কোষ
অঙ্ক ৩: নিউক্লিয়াসের গায়ে কয়টি রাইবোজোম ধরে
নিউক্লিয়াসের ব্যাস প্রায় ৬ µm আর একটি রাইবোজোম প্রায় ০.০২৫ µm (২৫ nm)। সারি করে বসালে কয়টি ধরবে?
৬ ÷ ০.০২৫ = ২৪০টিবড় মাপ ÷ ছোট মাপ, দুটোই µm-এ
অঙ্ক ৪: স্কেল-দণ্ড থেকে বিবর্ধন
মাইক্রোগ্রাফের নিচে ১০ µm লেখা একটি স্কেল-দণ্ড ছবিতে ২৫ mm লম্বা। ছবির বিবর্ধন কত?
২৫ mm = ২৫ × ১,০০০ µmএকই এককে আনো
বিবর্ধন = (২৫ × ১,০০০) ÷ ১০ = ২,৫০০ গুণছবি ÷ আসল
অঙ্ক ৫: এক মিলিমিটারে কতগুলো কোষ
১,০০০ µm লম্বা একটি রেখায় ২০ µm-এর প্রাণী কোষ গায়ে গা লাগিয়ে বসালে ৫০টি, আর ৫০ µm-এর উদ্ভিদ কোষ ২০টি ধরে।
১,০০০ ÷ ২০ = ৫০টি প্রাণী কোষরেখার দৈর্ঘ্য ÷ কোষের প্রস্থ
১,০০০ ÷ ৫০ = ২০টি উদ্ভিদ কোষএকই পদ্ধতি
| অংশ | সাধারণ মাপ (µm) | ২০ µm-এর কোষের প্রস্থে সারি করে ধরে (টি) |
|---|---|---|
| নিউক্লিয়াস | ৬.০ | ৩.৩ |
| নিউক্লিওলাস | ১.০ | ২০ |
| মাইটোকন্ড্রিয়া | ২.০ | ১০ |
| গলজি বস্তু | ২.০ | ১০ |
| লাইসোজোম | ০.৫ | ৪০ |
| রাইবোজোম | ০.০২৫ | ৮০০ |
| কোষঝিল্লি | ০.০০৮ | ২,৫০০ |
যে ভুলগুলো সবাই করে
এই প্রশ্নগুলোতে নম্বর হারানোর কারণ জ্ঞানের অভাব নয়, ছোট ছোট গোলমাল। কয়েকটা চেনা ফাঁদ।
- “সব কোষে নিউক্লিয়াস আছে”: ভুল। পরিণত লোহিত রক্তকণিকা আর উদ্ভিদের চালনি নল কোষে নিউক্লিয়াস থাকে না, আবার কঙ্কালপেশির তন্তুতে অনেক নিউক্লিয়াস থাকে।
- কোষপ্রাচীর আর কোষঝিল্লি এক ভাবা: প্রাচীর শক্ত, পূর্ণভেদ্য, শুধু উদ্ভিদে। ঝিল্লি পাতলা, নির্বাচনী, সব কোষে।
- “ক্লোরোপ্লাস্ট সব উদ্ভিদ কোষে আছে”: ভুল। শিকড়ের কোষে আলো পৌঁছায় না, তাই সেখানে ক্লোরোপ্লাস্ট নেই।
- “মাইটোকন্ড্রিয়া শক্তি তৈরি করে”: আসলে শক্তি সৃষ্টি হয় না, গ্লুকোজের রাসায়নিক শক্তি ATP-তে রূপ নেয়। লেখার সময় “শক্তি মুক্ত করে” বা “ATP তৈরি করে” লেখা নিরাপদ।
- লাইসোজোম আর ভ্যাকুওল এক ভাবা: লাইসোজোমে হজমকারী উৎসেচক থাকে, ভ্যাকুওল প্রধানত সঞ্চয় ও চাপ বজায় রাখার থলি।
- চিত্রে ঝিল্লি বাদ দেওয়া: উদ্ভিদ কোষ আঁকার সময় কোষপ্রাচীরের ঠিক ভেতরে কোষঝিল্লির আলাদা রেখাটা আঁকতে ভুলে যায় অনেকে।
- RER আর SER গুলিয়ে ফেলা: গায়ে বিন্দু (রাইবোজোম) থাকলে RER।
বাস্তব জীবনে কোথায় কাজে লাগে
কোষের গঠন কোনো বিচ্ছিন্ন পাঠ নয়। চারপাশের অনেক ঘটনার ব্যাখ্যা এর মধ্যেই আছে।
- গাছ ঝিমিয়ে পড়ে কেন: পানির অভাবে কোষগহ্বরের চাপ কমে কোষ নরম হয়ে যায়। পানি দিলে আবার টান টান।
- মাংসপেশির ক্লান্তি: পেশিকোষে মাইটোকন্ড্রিয়া বেশি বলে অক্সিজেন কম পড়লে সবার আগে এরাই ভোগে।
- অ্যান্টিবায়োটিক কেন ব্যাকটেরিয়াকে মারে, মানুষকে না: বহু অ্যান্টিবায়োটিক ব্যাকটেরিয়ার কোষপ্রাচীর ও ছোট রাইবোজোমে আঘাত করে, যা মানুষের কোষে নেই।
- কিছু বংশগত রোগ: লাইসোজোমের উৎসেচক ঠিকমতো না থাকলে বর্জ্য জমে ক্ষতি হয়।
- উদ্ভিদজ খাদ্য আঁশ: সবজির আঁশ আসলে কোষপ্রাচীরের সেলুলোজ, যা আমরা হজম করতে পারি না।
- লবণ দিলে শসার পানি বের হয়: কোষের বাইরে ঘন দ্রবণ থাকলে অভিস্রবণে কোষগহ্বর ও সাইটোপ্লাজম থেকে পানি বেরিয়ে যায়।
পরীক্ষার কোণ: এসএসসি-এইচএসসি প্রশ্নের ধরন
কোষের গঠন এসএসসি জীববিজ্ঞানের “কোষ ও টিস্যু” অধ্যায় এবং এইচএসসি জীববিজ্ঞান প্রথম পত্রের “কোষ ও এর গঠন” অধ্যায়ের কেন্দ্রে। প্রশ্ন সাধারণত চার ধরনের।
- জ্ঞানমূলক: কোষপ্রাচীর কাকে বলে? মাইটোকন্ড্রিয়া কী? গলজি বস্তু কী? সংজ্ঞা এক লাইনে লিখে কাজ যোগ করো।
- অনুধাবনমূলক: মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের শক্তিঘর বলা হয় কেন? লাইসোজোমকে আত্মঘাতী থলি বলা হয় কেন? কারণসহ দুই-তিন বাক্যে।
- প্রয়োগ ও উচ্চতর দক্ষতা: উদ্দীপকে কোনো কোষের বর্ণনা বা চিত্র দেওয়া থাকবে, আর বলা হবে এটি কোন ধরনের কোষ, কেন, কোন অঙ্গাণু অনুপস্থিত হলে কী ঘটত।
- পার্থক্য: উদ্ভিদ ও প্রাণী কোষ, কোষপ্রাচীর ও কোষঝিল্লি, RER ও SER, প্রোক্যারিওট ও ইউক্যারিওটের পার্থক্য। সাধারণত চারটি পয়েন্টে ছক করে লেখা ভালো।
দ্রুত পুনরাবৃত্তি
পরীক্ষার আগের রাতে এই তালিকাটা একবার চোখ বুলিয়ে নিও।
- কোষ জীবের গঠন ও কাজের একক; কোষতত্ত্ব দিয়েছেন শ্লাইডেন, শোয়ান ও ভিরশো; কোষ নাম দিয়েছেন হুক।
- কোষঝিল্লি: সব কোষে, নির্বাচনী, ফসফোলিপিড ও প্রোটিনের তৈরি।
- কোষপ্রাচীর: শুধু উদ্ভিদে (সেলুলোজ), শক্ত, পূর্ণভেদ্য।
- নিউক্লিয়াস: DNA ও নিয়ন্ত্রণ; নিউক্লিওলাস: রাইবোজোমের উপাদান।
- মাইটোকন্ড্রিয়া: ATP তৈরি, দুই ঝিল্লি, ক্রিস্টি, নিজস্ব DNA।
- ক্লোরোপ্লাস্ট: সালোকসংশ্লেষণ, ক্লোরোফিল, গ্রানা, শুধু উদ্ভিদে।
- কোষগহ্বর: উদ্ভিদে একটি বিশাল, সঞ্চয় ও স্ফীতি বজায় রাখা।
- রাইবোজোম: প্রোটিন তৈরি; RER: রাইবোজোমসহ; SER: লিপিড ও বিষমুক্তি।
- গলজি বস্তু: বাছাই, পরিবর্তন, মোড়কবন্দি; লাইসোজোম: হজম ও সাফাই।
- সেন্ট্রোজোম: প্রাণী কোষে বিভাজনের স্পিন্ডল গড়ে।
- আসল মাপ = ছবির মাপ ÷ বিবর্ধন; ১ mm = ১,০০০ µm।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
কোষ কী এবং কেন একে জীবনের একক বলা হয়?
কোষ হলো জীবের গঠন ও কাজের ক্ষুদ্রতম একক। একটি কোষই নিজে খাদ্য থেকে শক্তি বানাতে, প্রোটিন তৈরি করতে, বর্জ্য ফেলতে আর নিজের কপি তৈরি করতে পারে, তাই একে জীবনের একক বলা হয়। অ্যামিবা এক কোষেই পুরো জীব।
উদ্ভিদ কোষ আর প্রাণী কোষের প্রধান পার্থক্য কী?
উদ্ভিদ কোষে সেলুলোজের কোষপ্রাচীর, ক্লোরোপ্লাস্ট আর একটি বিশাল কোষগহ্বর আছে। প্রাণী কোষে এগুলো নেই, কিন্তু আছে সেন্ট্রিওল আর লাইসোজোম। উদ্ভিদ কোষের আকৃতি স্থির, প্রাণী কোষের আকৃতি নমনীয়। উদ্ভিদ নিজে খাবার বানায়, প্রাণী তৈরি খাবার নেয়।
মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের শক্তিঘর বলা হয় কেন?
মাইটোকন্ড্রিয়ায় অক্সিজেনের সাহায্যে গ্লুকোজ সম্পূর্ণ ভেঙে বিপুল পরিমাণ ATP তৈরি হয়। ATP-ই কোষের সব কাজের জ্বালানি। যে কোষের শক্তি বেশি লাগে, যেমন পেশিকোষ, তাতে মাইটোকন্ড্রিয়াও বেশি থাকে।
কোষপ্রাচীর আর কোষঝিল্লির পার্থক্য কী?
কোষপ্রাচীর শুধু উদ্ভিদ কোষে থাকে, সেলুলোজের তৈরি, শক্ত ও পূর্ণভেদ্য। কোষঝিল্লি সব কোষে থাকে, ফসফোলিপিড ও প্রোটিনের তৈরি, পাতলা ও নির্বাচনী। উদ্ভিদে প্রাচীর বাইরে, ঝিল্লি তার ঠিক ভেতরে।
প্রাণী কোষে ক্লোরোপ্লাস্ট নেই কেন?
প্রাণী নিজে সালোকসংশ্লেষণ করে না, তৈরি খাবার খায়। তাই আলো ধরার যন্ত্র ক্লোরোপ্লাস্টের দরকার পড়ে না। তার বদলে খাবার থেকে শক্তি নিতে মাইটোকন্ড্রিয়া আছে।
লাইসোজোমকে আত্মঘাতী থলি বলা হয় কেন?
লাইসোজোমের ভেতরের হজমকারী উৎসেচক যেকোনো জৈব পদার্থ ভাঙতে পারে। কোষ মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হলে বা মরে গেলে থলি ফেটে উৎসেচক ছড়িয়ে পড়ে কোষটিকে নিজেই হজম করে ফেলে। তাই এই নাম।
সাইটোপ্লাজমীয় স্রোত কী?
জীবন্ত কোষের সাইটোপ্লাজমের ধীর, নিয়মিত বয়ে চলাকে সাইটোপ্লাজমীয় স্রোত বলে। এর ফলে পুষ্টি, বার্তা আর বাক্সবন্দি জিনিস কোষের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে দ্রুত পৌঁছায়। বড় উদ্ভিদ কোষে এটা কোষগহ্বরের চারপাশে ঘোরে।
অণুবীক্ষণ যন্ত্রে কোষের আসল মাপ কীভাবে বের করব?
আসল মাপ = ছবির মাপ ÷ বিবর্ধন। দুটোকে একই এককে আনতে ভুলো না। যেমন ৪০০ গুণ বিবর্ধনে ছবির মাপ ১০০ mm হলে আসল মাপ ০.২৫ mm, অর্থাৎ ২৫০ µm।
সব কোষেই কি নিউক্লিয়াস থাকে?
না। প্রোক্যারিওট কোষে সুগঠিত নিউক্লিয়াস নেই, আর মানুষের পরিণত লোহিত রক্তকণিকা ও উদ্ভিদের চালনি নল কোষে নিউক্লিয়াস থাকে না। আবার কঙ্কালপেশির তন্তুতে একাধিক নিউক্লিয়াস থাকে।
এই বিষয়ের আরও পড়াশোনা
অ্যানিমেশনে ধারণা পরিষ্কার হলো, এবার পরীক্ষার প্রস্তুতি: সিলেবাস, সাজেশন, বই আর ভর্তি পরীক্ষার গাইড নিচে।
পাঠ্যবই
নবম-দশম শ্রেণির বিজ্ঞান বই
SSC
এসএসসি জীববিজ্ঞান: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
ভর্তি
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি
HSC
এইচএসসি জীববিজ্ঞান: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
পাঠ্যবই
নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান বই
ভর্তি
মেডিকেল ভর্তি ২০২৬-২৭
ভর্তি
গুচ্ছ (GST) বিজ্ঞান ইউনিট ভর্তি ২০২৬-২৭
English
Composition: Climate Change (ইংরেজিতে)
বাংলা
রচনা: জলবায়ু পরিবর্তন
SSC
এসএসসি সাজেশন
HSC
এইচএসসি সাজেশন
ভর্তি
বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার গাইড
SSC
এসএসসি সিলেবাস
HSC
এইচএসসি সিলেবাস
বিদেশে পড়াশোনা
যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষা
স্কলারশিপ
চীনের CSC স্কলারশিপ
IELTS
IELTS Writing Task 1: process diagrams (ইংরেজিতে)
IELTS
IELTS preparation guide (ইংরেজিতে)
বিদেশে পড়াশোনা
Academic CV for study abroad (ইংরেজিতে)
ক্যারিয়ার
Dental hygienist resume example (ইংরেজিতে)
আরও জীববিজ্ঞান অ্যানিমেশন
SSC · HSC
মাইটোসিস কোষ বিভাজন
মাইটোসিস কাকে বলে, কোষ বিভাজন কত প্রকার ও কী কী? প্রোফেজ, মেটাফেজ, অ্যানাফেজ, টেলোফেজ ও সাইটোকাইনেসিস চলমান চিত্রে দেখো, ক্রোমোজোম গোনার নিয়মসহ।
SSC · HSC
ব্যাপন ও অভিস্রবণ
ব্যাপন ও অভিস্রবণ কাকে বলে, এদের মধ্যে পার্থক্য, প্লাজমোলাইসিস, রসস্ফীতি ও ইমবাইবিশন: কণার সিমুলেশনে নিজে দেখে সহজ ভাষায় শেখো, উদাহরণ ও গাণিতিক সমস্যাসহ।
SSC · HSC
সালোকসংশ্লেষণ
সালোকসংশ্লেষণ কাকে বলে, সমীকরণ, আলোক ও অন্ধকার পর্যায়, ক্যালভিন চক্র, প্রভাবক ও সীমাবদ্ধ উপাদান: পাতা, হাইড্রিলা আর ক্লোরোপ্লাস্টের অ্যানিমেশনে নিজে দেখো।
SSC · HSC
মানব হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কাজ
হৃৎপিণ্ডের চারটি প্রকোষ্ঠ, কপাটিকা, লাব-ডাব শব্দ আর চলমান ইসিজি একসাথে দেখো। দ্বিচক্রী সংবহন, হৃৎচক্র ও কার্ডিয়াক আউটপুট শেখো, গাণিতিক সমস্যাসহ।
SSC · HSC
মেন্ডেলের বংশগতি সূত্র
মেন্ডেলের সূত্র, একসংকর ও দ্বিসংকর জনন, টেস্ট ক্রস, অসম্পূর্ণ প্রকটতা, রক্তের গ্রুপ আর সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারণ — নিজে পানেট বর্গ বানিয়ে বংশগতির অনুপাত হিসাব করে দেখো।
HSC
ডিএনএ রেপ্লিকেশন
ডিএনএ রেপ্লিকেশন বা অনুলিপন কাকে বলে, অর্ধ-রক্ষণশীল পদ্ধতি, এনজাইমগুলোর কাজ আর মেসেলসন-স্টাল পরীক্ষা—সব অ্যানিমেশনে নিজে দেখো ও হিসাব করো।
SSC · HSC
কোষীয় শ্বসন
কোষীয় শ্বসন কাকে বলে, সবাত ও অবাত শ্বসনের পার্থক্য, গ্লাইকোলাইসিস, ক্রেবস চক্র, ইলেকট্রন প্রবাহতন্ত্র আর ATP হিসাব: মাইটোকন্ড্রিয়ার অ্যানিমেশনে নিজে দেখো ও গণনা করো।
SSC · HSC
এনজাইম ক্রিয়া
এনজাইম কী, সক্রিয় স্থান, তালা-চাবি ও আবিষ্ট মিলন মডেল, তাপমাত্রা-pH-এর প্রভাব, মিকেলিস-মেন্টেন সমীকরণ ও প্রতিবন্ধক — নিজে বদলে দেখো এনজাইম ক্রিয়ার অ্যানিমেশনে।
SSC · HSC
স্নায়ু উদ্দীপনার পরিবহন ও অ্যাকশন পটেনশিয়াল
প্রান্তিক মাত্রা (−৫৫ mV) পার হলেই অ্যাকশন পটেনশিয়াল তৈরি হয়ে অ্যাক্সন বেয়ে ছোটে, তারপর সিন্যাপসে নিউরোট্রান্সমিটার নিঃসৃত হয় — সিমুলেশনে নিজে চালিয়ে দেখো, সূত্র ও গাণিতিক উদাহরণসহ।
SSC · HSC
নেফ্রন ও মূত্র তৈরির প্রক্রিয়া
বৃক্ক প্রতিদিন প্রায় ১৮০ লিটার রক্ত ছেঁকে মাত্র দেড় লিটার মূত্র তৈরি করে কীভাবে? গ্লোমেরুলাসে ছাঁকন, নালিকায় পুনঃশোষণ আর গ্লুকোজের প্রান্তিক মাত্রা — সিমুলেশনে নিজে চালিয়ে দেখো, সূত্র ও অঙ্কসহ।
SSC · HSC
মিয়োসিস কোষ বিভাজন
মিয়োসিস কাকে বলে, ক্রসিং ওভার কী, মাইটোসিস ও মিয়োসিসের পার্থক্য কী: 2n = 4 কোষে প্রোফেজ I থেকে টেলোফেজ II পর্যন্ত নিজে চালিয়ে দেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।
SSC
পরিপাকতন্ত্র
পরিপাকতন্ত্র কী, কোন এনজাইম কোথায় কাজ করে, ভিলাই কীভাবে শোষণ করে: মুখ থেকে বৃহদান্ত্র পর্যন্ত খাদ্যের যাত্রা নিজে চালিয়ে দেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।
Class 9 · SSC
শ্বাসক্রিয়ার কৌশল: প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস
মধ্যচ্ছদা, পর্শুকা আর আন্তঃপর্শুকা পেশি কীভাবে ফুসফুসে বাতাস ঢোকায় ও বের করে, চলমান চিত্রে দেখো। চাপমাপক, স্পাইরোমিটার রেখা, বেল জার মডেল আর বায়ুথলিতে গ্যাসীয় বিনিময়, সমাধানসহ।
HSC
প্রোটিন সংশ্লেষণ
আরএনএ পলিমারেজ কীভাবে জিন থেকে mRNA বানায় আর রাইবোসোম কীভাবে কোডন পড়ে প্রোটিন গড়ে, অ্যানিমেশনে নিজে দেখো। জিন বদলাও, মিউটেশন ঘটাও, কোডন সারণি মেলাও।
SSC · HSC
রক্ত সংবহন: দ্বি-সংবহন ও কার্ডিয়াক আউটপুট
রক্ত কীভাবে হৃৎপিণ্ড থেকে ফুসফুসে, দেহে আর আবার হৃৎপিণ্ডে ফেরে, চলমান চিত্রে দেখো। ফুসফুসীয় ও সিস্টেমিক সংবহন, ধমনি-শিরা-কৈশিকনালির পার্থক্য, কার্ডিয়াক আউটপুটের অঙ্ক সমাধানসহ।
SSC · HSC
প্রতিবর্ত ক্রিয়া ও প্রতিবর্ত চাপ
গরম কিছুতে হাত ঠেকালে সংকেত কীভাবে গ্রাহক, সংবেদী নিউরন, সুষুম্নাকাণ্ড, চেষ্টীয় নিউরন হয়ে পেশিতে পৌঁছায় নিজে চালিয়ে দেখো। প্রতিবর্তের সময় (২৪.৩৩ ms) হিসাব করো, আর দেখো ব্যথা কেন পরে টের পাওয়া যায়।
SSC · HSC
মানুষের চোখ: গঠন, প্রতিবিম্ব ও উপযোজন
কর্নিয়া, আইরিস, লেন্স, সিলিয়ারি পেশি, রেটিনা, পীতবিন্দু ও অন্ধবিন্দু কীভাবে কাজ করে, চলমান চিত্রে দেখো। উপযোজন, নিকট দৃষ্টি ও দূর দৃষ্টির সংশোধন, লেন্সের ক্ষমতার সমাধানসহ।
HSC
পেশি সংকোচন ও স্লাইডিং ফিলামেন্ট মডেল
সারকোমিয়ারের ভেতরে অ্যাকটিন ও মায়োসিনের সরে যাওয়া দেখুন। A ব্যান্ড থাকে ১.৬ µm, I ব্যান্ড ও H অঞ্চল ছোট হয়; ক্রস-ব্রিজ চক্র, ক্যালসিয়াম ও ATP ধাপে ধাপে শিখুন।
SSC · HSC
উদ্ভিদে পরিবহন: জাইলেম, ফ্লোয়েম ও বাষ্পমোচন
জাইলেম বেয়ে পানি ওঠা আর ফ্লোয়েম বেয়ে শর্করা নামা দেখুন। আলো, আর্দ্রতা ও বাতাস বদলে বাষ্পমোচনের হার হিসাব করুন (সাধারণ দিনে ৫৪.৮ g/m²/h)।
SSC · HSC
খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজাল: শক্তির প্রবাহ ও ১০ % নিয়ম
খাদ্যজাল তৈরি করুন, একটি প্রজাতি সরিয়ে প্রভাব দেখুন, আর শক্তি পিরামিডে ১০ % নিয়ম চালান (উৎপাদকের ১০,০০০ kJ থেকে শীর্ষে থাকে মাত্র ১ kJ)।
HSC
জনসংখ্যা বৃদ্ধি: সূচকীয় ও লজিস্টিক রেখা
r আর ধারণক্ষমতা K টানুন এবং সূচকীয় ও লজিস্টিক রেখা আলাদা হতে দেখুন। r = ০.৪০ প্রতি ঘণ্টা আর K = ১,০০০ হলে কালচার প্রতি ১.৭৩ ঘণ্টায় দ্বিগুণ হয় এবং K-এর কাছে থামে।
HSC
প্রাকৃতিক নির্বাচন: পেপার্ড মথ ও কালিঝুলি মাখা গাছ
কালিঝুলির মাত্রা বাড়িয়ে-কমিয়ে দেখো পাখি কোন মথ ধরে। ৮০% কালি ও ৪০% নির্বাচনে গাঢ় মথ ১০% থেকে ১৫ প্রজন্মে ৯০% ছাড়িয়ে যায়।
SSC · HSC
রোগপ্রতিরোধ: প্রাথমিক ও গৌণ অ্যান্টিবডি সাড়া
টিকা নেওয়া ও না নেওয়া ব্যক্তির অ্যান্টিবডির মাত্রা এক গ্রাফে মিলিয়ে দেখো। এই মডেলে স্মৃতির কারণে সুরক্ষা পেতে ৮.১ দিনের জায়গায় লাগে ২.৫ দিন, আর চূড়া ৫.১ গুণ ওঠে।
SSC · HSC
পরাগায়ন ও নিষেক
পরাগধানী থেকে গর্ভমুণ্ড, পরাগনালি বেয়ে ডিম্বকে পরাগরেণুর যাত্রা দেখো। দ্বিনিষেকে ১৪ ক্রোমোজোমের জাইগোট ও ২১ ক্রোমোজোমের ভ্রূণপোষ কীভাবে তৈরি হয়, তারপর বীজ ও ফল।
অন্য বিষয়ের অ্যানিমেশন
পদার্থবিজ্ঞান
আলোর প্রতিসরণ
পদার্থবিজ্ঞান
ওহমের সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
প্রাসের গতি
পদার্থবিজ্ঞান
সরল দোলক
পদার্থবিজ্ঞান
তড়িৎ ক্ষেত্র
পদার্থবিজ্ঞান
তরঙ্গের ব্যতিচার
পদার্থবিজ্ঞান
পড়ন্ত বস্তু ও পড়ন্ত বস্তুর সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
লেন্সে প্রতিবিম্ব গঠন
পদার্থবিজ্ঞান
নিউটনের গতির সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
গোলীয় দর্পণে প্রতিবিম্ব গঠন
পদার্থবিজ্ঞান
তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ ও ফ্যারাডের সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
ভরবেগের সংরক্ষণ ও সংঘর্ষ
পদার্থবিজ্ঞান
কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি
পদার্থবিজ্ঞান
নততল
পদার্থবিজ্ঞান
বৃত্তাকার গতি
পদার্থবিজ্ঞান
অনুপ্রস্থ ও অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ
পদার্থবিজ্ঞান
লিভার ও ভ্রামক
পদার্থবিজ্ঞান
ভরকেন্দ্র
পদার্থবিজ্ঞান
স্প্রিং-ভর ও সরল ছন্দিত স্পন্দন
পদার্থবিজ্ঞান
ভেক্টর যোগ: ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
আপেক্ষিক বেগ: ট্রেন ও নদী পারাপার
পদার্থবিজ্ঞান
কেপলারের সূত্র ও উপবৃত্তাকার কক্ষপথ
পদার্থবিজ্ঞান
নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র, g ও কৃত্রিম উপগ্রহ
পদার্থবিজ্ঞান
তার ও নলে স্থির তরঙ্গ
পদার্থবিজ্ঞান
অনুনাদ নল ও শব্দের দ্রুতি
পদার্থবিজ্ঞান
স্বরকম্প: কাছাকাছি দুই সুরের স্পন্দন
পদার্থবিজ্ঞান
ডপলার প্রভাব: চলমান উৎস, চলমান শ্রোতা ও সনিক বুম
পদার্থবিজ্ঞান
প্রিজম, আলোর বিচ্ছুরণ ও রামধনু
পদার্থবিজ্ঞান
কির্শফের সূত্র: সংযোগ সূত্র ও বদ্ধ পথ সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
হুইটস্টোন ব্রিজ ও মিটার ব্রিজ
পদার্থবিজ্ঞান
একক চিড়ে অপবর্তন
পদার্থবিজ্ঞান
চোখের ত্রুটি ও তার প্রতিকার
পদার্থবিজ্ঞান
আলোর সমবর্তন: ম্যালাসের সূত্র ও ব্রুস্টারের সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
ক্যাপাসিটরের আহিতকরণ ও নিরাহিতকরণ: আরসি সময় ধ্রুবক
পদার্থবিজ্ঞান
চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা: দণ্ডচুম্বক, তড়িৎবাহী সরল তার ও সলিনয়েড
পদার্থবিজ্ঞান
এসি জেনারেটর
পদার্থবিজ্ঞান
ট্রান্সফর্মার
পদার্থবিজ্ঞান
তাপের সঞ্চালন: পরিবহন, পরিচলন ও বিকিরণ
পদার্থবিজ্ঞান
আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া: আইনস্টাইনের সমীকরণ ও নিবৃত্তি বিভব
পদার্থবিজ্ঞান
মোটর ক্রিয়া: তড়িৎবাহী তারের ওপর বল ও ডিসি মোটর
পদার্থবিজ্ঞান
গ্যাসের অণু ও গতিতত্ত্ব: চাপ, তাপমাত্রা ও দ্রুতি
পদার্থবিজ্ঞান
অর্ধপরিবাহী ডায়োড: p–n সন্ধি, I–V বক্ররেখা ও রেক্টিফায়ার
পদার্থবিজ্ঞান
তেজস্ক্রিয় ক্ষয়: অর্ধায়ু, ক্ষয় সূত্র ও বিকিরণের ভেদন ক্ষমতা
পদার্থবিজ্ঞান
বোর পরমাণু মডেল: কক্ষপথ, শক্তিস্তর ও হাইড্রোজেনের বর্ণালি
রসায়ন
পরমাণুর গঠন
রসায়ন
এসিড, ক্ষারক ও pH স্কেল
রসায়ন
ইলেকট্রন বিন্যাস
রসায়ন
গ্যাসের সূত্র: বয়েল, চার্লস ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ
রসায়ন
আয়নিক বন্ধন কীভাবে গঠিত হয়
রসায়ন
তড়িৎ বিশ্লেষণ ও ফ্যারাডের সূত্র
রসায়ন
সমযোজী বন্ধন
রসায়ন
পর্যায়বৃত্ত ধর্ম
রসায়ন
বিক্রিয়ার হার ও সংঘর্ষ তত্ত্ব
রসায়ন
পদার্থের অবস্থা: কঠিন, তরল, গ্যাসীয় ও তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র
রসায়ন
পরমাণুর অরবিটাল: s, p, d-এর আকৃতি, কোয়ান্টাম সংখ্যা ও নোড
রসায়ন
আণবিক আকৃতি ও ভিএসইপিআর তত্ত্ব: বন্ধন জোড়, মুক্তজোড় ও বন্ধন কোণ
রসায়ন
মোল ধারণা: মোলার ভর, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা ও মোলার আয়তন
রসায়ন
ব্যাপন ও নিঃসরণ: গ্রাহামের সূত্র
রসায়ন
রাসায়নিক সমীকরণ সমতাকরণ: পদ্ধতি, উদাহরণ ও অনুশীলন
রসায়ন
রাসায়নিক সাম্যাবস্থা: সাম্যধ্রুবক Kc ও লা শাতেলিয়ের নীতি
রসায়ন
টাইট্রেশন: অম্ল-ক্ষারের ঘনমাত্রা বের করার পদ্ধতি
রসায়ন
গ্যালভানিক কোষ: ড্যানিয়েল কোষ, EMF ও নার্নস্ট সমীকরণ
রসায়ন
জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া: জারণ সংখ্যা, ইলেকট্রন স্থানান্তর ও অর্ধ-সমীকরণ
রসায়ন
হাইড্রোকার্বন: অ্যালকেন, অ্যালকিন, অ্যালকাইন ও কাঠামোগত সমাণু ত্রিমাত্রায়
রসায়ন
কার্যকরী মূলক: অ্যালকোহল, অ্যালডিহাইড, কিটোন, অ্যাসিড, এস্টার ও অ্যামিন
রসায়ন
পলিমারকরণ: যোজন ও ঘনীভবন পলিমার, পলিথিন ও নাইলন
রসায়ন
মিশ্রণ আলাদা করার পদ্ধতি: ছাঁকন, পাতন, ক্রোমাটোগ্রাফি, স্ফটিকীকরণ
রসায়ন
কেলাস জালক: SC, BCC ও FCC একক কোষ, প্যাকিং দক্ষতা ও ঘনত্ব
রসায়ন
তেজস্ক্রিয়তা: আলফা, বিটা, গামা ক্ষয় ও অর্ধায়ু
গণিত
পিথাগোরাসের উপপাদ্য
গণিত
ত্রিকোণমিতিক অনুপাত ও একক বৃত্ত
গণিত
দ্বিঘাত সমীকরণ ও দ্বিঘাত ফাংশনের লেখচিত্র
গণিত
বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য
গণিত
দূরত্ব ও উচ্চতা: উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ
গণিত
সম্ভাবনা: পরীক্ষালব্ধ বনাম তাত্ত্বিক সম্ভাবনা
গণিত
সমান্তর ও গুণোত্তর ধারা
গণিত
গড়, মধ্যক ও প্রচুরক
গণিত
সেট ও ভেনচিত্র
গণিত
সরল সহসমীকরণ ও সরলরেখার লেখচিত্র
গণিত
sin, cos, tan-এর লেখচিত্র
গণিত
পূর্ণবর্গ পদ্ধতি ও দ্বিঘাত সমীকরণের সমাধান
গণিত
বৃত্তের ক্ষেত্রফল: সূত্র, প্রমাণ ও সমাধান
গণিত
ঘনবস্তুর আয়তন ও তলের ক্ষেত্রফল: ঘনক, আয়তঘন, বেলন, কোণক, গোলক
গণিত
সদৃশ ত্রিভুজ: স্কেল ফ্যাক্টর, AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়া থেকে উচ্চতা
গণিত
স্থানাঙ্ক জ্যামিতি: দূরত্ব, মধ্যবিন্দু, ঢাল, বিভক্তিকরণ সূত্র ও সঞ্চারপথ
গণিত
শাঙ্কব ছেদ: বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত ও অধিবৃত্ত
গণিত
ফাংশনের রূপান্তর: সরানো, টানা ও উল্টানো
গণিত
অন্তরীকরণ: স্পর্শকের ঢাল ও ছেদক থেকে স্পর্শক
গণিত
রিম্যান যোগফল ও সমাকলন: বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফল
গণিত
সীমা ও ε–δ সংজ্ঞা: ছবিতে বোঝা
গণিত
ত্রিমাত্রিক ভেক্টর: যোগ, ডট গুণ ও ক্রস গুণ
গণিত
ম্যাট্রিক্স রূপান্তর: ঘূর্ণন, প্রতিফলন, শিয়ার ও নির্ণায়ক
গণিত
জটিল সংখ্যা: আরগান্ড সমতলে যোগ, গুণ, ঘাত ও মূল
গণিত






















