মূলপাতা
লগইন

Color

Indigo
Red
Green
Teal
Blue
Purple
Rose

Mode

Light
EN

তার দিয়ে ছোটা ইলেকট্রন: ড্যানিয়েল কোষ কীভাবে ব্যাটারি হয়ে ওঠে

গ্যালভানিক কোষ এমন একটি ব্যবস্থা, যেখানে স্বতঃস্ফূর্ত জারণ-বিজারণ বিক্রিয়াকে দুই আলাদা পাত্রে ভাগ করে ইলেকট্রনকে তারের ভেতর দিয়ে চালানো হয়, ফলে রাসায়নিক শক্তি বিদ্যুৎ হয়ে বেরোয়। ড্যানিয়েল কোষে Zn অ্যানোডে ক্ষয় হয়, Cu ক্যাথোডে জমে, আর আদর্শ EMF = ০.৩৪ − (-০.৭৬) = ১.১০ V।

ইলেকট্রনের প্রবাহ (Zn থেকে Cu)ক্যাটায়ন K⁺ ক্যাথোডের দিকেঅ্যানায়ন NO₃⁻ অ্যানোডের দিকেZn দণ্ডের ভর কমেCu দণ্ডের ভর বাড়ে

বর্তনী বন্ধ করে দেখো দস্তার দণ্ড সরু হয় আর তামার দণ্ড মোটা হয়। তারপর ঘনমাত্রার স্লাইডার সরাও: কোষ-ভোল্টেজ নার্নস্ট সূত্র মেনে ওঠানামা করে।

গতি

নিয়ন্ত্রণ

০.০
০.০

পরিমাপ

আদর্শ EMF (E°)
১.১০V
এখনকার EMF (নার্নস্ট)
১.১০০V
Q = [Zn²⁺] ÷ [Cu²⁺]
১.০০
[Zn²⁺]
১.০০M
[Cu²⁺]
১.০০M
Zn দণ্ডের ভর পরিবর্তন
০.০০০g
Cu দণ্ডের ভর পরিবর্তন
০.০০০g
বয়ে যাওয়া চার্জ
০C

সিমুলেশনটি কীভাবে ব্যবহার করবে

  1. ওপরে সমীকরণ আর ভোল্টমিটারে এখনকার EMF দেখো। বর্তনী বন্ধ থাকলে হলুদ ইলেকট্রন তার বেয়ে Zn থেকে Cu-র দিকে যায়।
  2. নিচের লেখচিত্রে দুটো দণ্ডের ভরের পরিবর্তন দেখো: দস্তা কমে, তামা বাড়ে। বর্তনী খুলে দিলে সব থেমে যায়, কিন্তু ভোল্টেজ থাকে।
  3. এবার Zn²⁺ আর Cu²⁺-এর স্লাইডার সরাও। Cu²⁺ কমালে EMF কমে, Zn²⁺ কমালে বাড়ে। এটাই নার্নস্ট সমীকরণ।
  4. কোষটা বেশিক্ষণ চালালে বিক্রিয়ক ফুরিয়ে আসে, Q বাড়ে আর EMF আস্তে আস্তে নামে। সিমুলেশনের গতি বাড়িয়ে নিলে সেটা দ্রুত দেখা যায়।

টর্চের ভেতরে কী হয়

টর্চের ব্যাটারি খুলে দেখলে ভেতরে কোনো যন্ত্র নেই, শুধু কিছু রাসায়নিক। তবু সুইচ টিপলেই বাল্ব জ্বলে। কীভাবে? ব্যাটারির এক প্রান্তে একটা পদার্থ ইলেকট্রন ছাড়তে চায়, আরেক প্রান্তে আরেকটা সেই ইলেকট্রন নিতে চায়। মাঝের তার পেলে ইলেকট্রন ওই পথেই ছোটে, আর পথে বাল্ব থাকলে জ্বলে ওঠে।

গ্যালভানিক কোষ ঠিক এই ব্যবস্থা। একটা বিক্রিয়া এমনিতেই ঘটতে চায়, কিন্তু আমরা তাকে এক পাত্রে ঘটতে দিই না। জারণ এক পাত্রে, বিজারণ আরেক পাত্রে। ইলেকট্রনকে তারের ভেতর দিয়ে যেতে বাধ্য করলে সেই দৌড়টাই বিদ্যুৎ।

সিমুলেশনে জিঙ্কের দণ্ড ইলেকট্রন ছাড়ে, তামার দ্রবণের Cu²⁺ সেগুলো নেয়। দুই প্রান্তের এই টানের পার্থক্যই ভোল্টমিটারে ১.১০ V হয়ে ওঠে।

ড্যানিয়েল কোষের অংশগুলো

১৮৩৬ সালে জন ড্যানিয়েল এই কোষ বানিয়েছিলেন। এর প্রতিটি অংশের একটা নির্দিষ্ট কাজ আছে।

অংশকী দিয়ে তৈরিকাজ
অ্যানোড (−)Zn দণ্ড, ZnSO₄ দ্রবণেএখানে জারণ ঘটে: Zn → Zn²⁺ + 2e⁻
ক্যাথোড (+)Cu দণ্ড, CuSO₄ দ্রবণেএখানে বিজারণ ঘটে: Cu²⁺ + 2e⁻ → Cu
বাইরের তারধাতব তারইলেকট্রন অ্যানোড থেকে ক্যাথোডে যায়
লবণ সেতুKNO₃ ভরা U-নলআয়ন চলাচলে বর্তনী সম্পূর্ণ করে, চার্জ ভারসাম্য রাখে
ভোল্টমিটারতারের মাঝেদুই দণ্ডের মধ্যে বিভব পার্থক্য (EMF) মাপে

দুই অর্ধ-বিক্রিয়া, এক পূর্ণ বিক্রিয়া

দস্তার দণ্ড থেকে Zn পরমাণু ইলেকট্রন ছেড়ে Zn²⁺ আয়ন হয়ে দ্রবণে চলে যায়। তাই দণ্ড সরু হয়, ভর কমে। ইলেকট্রনগুলো তার বেয়ে তামার দণ্ডে পৌঁছায়। সেখানে দ্রবণের Cu²⁺ ইলেকট্রন নিয়ে Cu পরমাণু হয়ে দণ্ডের গায়ে জমে। তাই দণ্ড মোটা হয়, ভর বাড়ে।

দুই অর্ধ-বিক্রিয়া যোগ করলে পূর্ণ বিক্রিয়া: Zn + Cu²⁺ → Zn²⁺ + Cu। ইলেকট্রন দুই দিকে সমান, তাই n = ২।

অ্যানোড: Zn → Zn²⁺ + 2e⁻জারণ, ভর কমে

ক্যাথোড: Cu²⁺ + 2e⁻ → Cuবিজারণ, ভর বাড়ে

মোট: Zn + Cu²⁺ → Zn²⁺ + Cuকোষ বিক্রিয়া

Zn | Zn²⁺ ‖ Cu²⁺ | Cuকোষের সংকেত: বাঁয়ে অ্যানোড, ডানে ক্যাথোড, ‖ মানে লবণ সেতু

লবণ সেতু না থাকলে কী হতো

Zn²⁺ জমতে থাকলে বাঁ পাত্রে ধনাত্মক চার্জ বাড়ে। আর Cu²⁺ কমতে থাকলে ডান পাত্রে ঋণাত্মক সালফেট আয়ন বেশি পড়ে থাকে। এই চার্জের ভারসাম্য নষ্ট হলে ইলেকট্রন চলা থেমে যায়, কারণ পরের ইলেকট্রনকে আরও বেশি বাধা পেরোতে হয়।

লবণ সেতু এই গোলমাল মেটায়। K⁺ ক্যাটায়ন ক্যাথোডের দিকে আর NO₃⁻ অ্যানায়ন অ্যানোডের দিকে যায়। দুই পাত্রই নিরপেক্ষ থাকে, তাই বর্তনী পুরো হয়ে ইলেকট্রন চলতে থাকে।

সিমুলেশনে বর্তনী বন্ধ করলে নীল কণা ডানে আর লাল কণা বাঁয়ে ঘুরতে দেখবে। বর্তনী খুললে ওরাও থেমে যায়।

আদর্শ বিভব আর কোষ EMF

প্রতিটি ধাতু-আয়ন জোড়ার একটা আদর্শ বিজারণ বিভব E° আছে, যা হাইড্রোজেন ইলেকট্রোডের সঙ্গে তুলনা করে মাপা। Zn²⁺/Zn এর E° = -০.৭৬ V, Cu²⁺/Cu এর E° = +০.৩৪ V। যার E° বেশি সে ইলেকট্রন নিতে বেশি আগ্রহী, তাই সে ক্যাথোড।

কোষ EMF = ক্যাথোডের E° − অ্যানোডের E° = ০.৩৪ − (-০.৭৬) = ১.১০ V। এই মান ধনাত্মক, তাই বিক্রিয়াটা স্বতঃস্ফূর্ত। আর ধনাত্মক EMF মানে ΔG° ঋণাত্মক: ΔG° = −nFE° = −-২১২.৩ kJ।

অন্য ধাতুর সঙ্গে জোড়া বাঁধলে কে অ্যানোড হবে তা E° দেখেই বোঝা যায়। নিচে Cu-র সঙ্গে জোড়া:

E°কোষ = E°ক্যাথোড − E°অ্যানোডদুটোই বিজারণ বিভব

ΔG° = −nFE°F = ৯৬৪৮৫ C/mol

জোড়াE° (V)Cu-র সঙ্গে অ্যানোডকোষ EMF (V)
Mg²⁺/Mg-২.৩৭Mg২.৭১
Zn²⁺/Zn-০.৭৬Zn১.১০
Fe²⁺/Fe-০.৪৪Fe০.৭৮
Ag⁺/Ag০.৮০Cu০.৪৬

নার্নস্ট সমীকরণ: ঘনমাত্রা EMF বদলায়

আদর্শ মান পাওয়া যায় যখন দুই আয়নের ঘনমাত্রা ১ M। বাস্তবে ঘনমাত্রা আলাদা। তখন EMF হিসাব করতে নার্নস্ট সমীকরণ লাগে। Q হলো বিক্রিয়া-ভাগফল: উৎপাদের ঘনমাত্রা ÷ বিক্রিয়কের ঘনমাত্রা, এখানে [Zn²⁺] ÷ [Cu²⁺]।

২৫°C তাপমাত্রায় 2.303RT ÷ F = ০.০৫৯২ V। তাই n = ২ হলে সহগ হয় ০.০৫৯২ ÷ ২ = ০.০২৯৬।

Q বাড়লে (Zn²⁺ বেশি বা Cu²⁺ কম) EMF কমে। Q কমলে EMF বাড়ে। Q = ১ হলে EMF = E°। নিচের সারণি সিমুলেশনের স্লাইডারের সঙ্গে মিলিয়ে দেখো।

E = E° − (0.0592 ÷ n) × log₁₀ Q২৫°C-এ

Q = [Zn²⁺] ÷ [Cu²⁺]কঠিন ধাতু Q-তে ধরা হয় না

[Zn²⁺] (M)[Cu²⁺] (M)QEMF (V)
১.০০১.০০১.০০১.১০০
১.০০০.১০১০.০০১.০৭০
১.০০০.০১১০০.০০১.০৪১
০.১০১.০০০.১০১.১৩০
০.০১১.০০০.০১১.১৫৯
২.০০০.০৫৪০.০০১.০৫৩

দণ্ডের ভর কতটা বদলায়: ফ্যারাডের হিসাব

তারে যত চার্জ বয়ে যায়, ঠিক তত মোল ইলেকট্রন সরে। ১ মোল ইলেকট্রনের চার্জ ৯৬,৪৮৫ C (ফ্যারাডে ধ্রুবক F)। Zn → Zn²⁺ + 2e⁻ অনুযায়ী ২ মোল ইলেকট্রনে ১ মোল Zn ক্ষয় হয়, আর ১ মোল Cu জমে।

সিমুলেশনে প্রতিটি পাত্র ১০০ mL। ১০ মিলিমোল বিক্রিয়া হলে Zn ক্ষয়ে ০.৬৫৪ g, Cu জমে ০.৬৩৬ g, আর ১,৯৩০ C চার্জ বয়। ফল: [Zn²⁺] হয় ১.১০ M, [Cu²⁺] হয় ০.৯০ M, EMF নামে ১.০৯৭ V।

m = (I × t × M) ÷ (n × F)I অ্যাম্পিয়ারে, t সেকেন্ডে, M g/mol-এ

Q (চার্জ) = I × tকুলম্বে

সিমুলেশনে নিজে করে দেখো

পরীক্ষাগুলো একটা একটা করে করো, আর প্রতিবার আগে অনুমান লিখে তারপর দেখো।

  • পরীক্ষা ১: দুটো স্লাইডারই 10⁰ M (১ M)-এ রেখে বর্তনী বন্ধ করো। EMF প্রায় ১.১০ V, আর চলার সঙ্গে সঙ্গে একটু একটু করে নামতে থাকে।
  • পরীক্ষা ২: বর্তনী খুলে দাও। ইলেকট্রন আর আয়ন, দুটোই থেমে যায়, ভর বদলায় না, কিন্তু ভোল্টমিটার তবু ভোল্টেজ দেখায়।
  • পরীক্ষা ৩: [Cu²⁺] স্লাইডার −২-এ নামাও (০.০১ M)। EMF নামে প্রায় ১.০৪১ V-এ, কারণ Q = ১০০।
  • পরীক্ষা ৪: [Zn²⁺] নামিয়ে ০.১ M করো, [Cu²⁺] ১ M রাখো। EMF বেড়ে ১.১৩০ V, কারণ Q ছোট।
  • পরীক্ষা ৫: [Cu²⁺] খুব কম রাখো আর গতি বাড়াও। অল্প সময়ে Cu²⁺ ফুরিয়ে যায়, কোষ “ফুরিয়েছে” দেখায়, ভর আর বাড়ে না।

সমাধান করা গাণিতিক সমস্যা

সব সংখ্যা সিমুলেশনের মডেল থেকে হিসাব করা, তাই পর্দার সঙ্গে মিলিয়ে নিতে পারবে।

সমস্যা ১: Zn-Cu কোষের আদর্শ EMF কত?

ক্যাথোড Cu (E° = ০.৩৪ V), অ্যানোড Zn (E° = -০.৭৬ V)। E° কোষ = ০.৩৪ − (-০.৭৬) = ১.১০ V।

সমস্যা ২: [Zn²⁺] = ০.১০ M, [Cu²⁺] = ১.০০ M হলে EMF কত?

Q = ০.১০ ÷ ১.০০ = ০.১০। E = ১.১০ − ০.০২৯৬ × log ০.১০ = ১.১৩০ V।

Q < ১ বলে log ঋণাত্মক, তাই আদর্শ মানের চেয়ে EMF বেশি।

সমস্যা ৩: [Zn²⁺] = ১.০০ M, [Cu²⁺] = ০.০১ M হলে EMF কত?

Q = ১.০০ ÷ ০.০১ = ১০০। log Q = ২। E = ১.১০ − ০.০২৯৬ × ২ = ১.০৪১ V।

আদর্শ মানের চেয়ে ০.০৫৯ V কম। ঘনমাত্রা একশো ভাগের এক ভাগ করলেও ভোল্টেজ বেশি নড়ে না।

সমস্যা ৪: ০.৫০ A তড়িৎ ৩০ মিনিট চললে Zn কতটা ক্ষয়ে আর Cu কতটা জমে?

চার্জ = ০.৫০ × ১,৮০০ = ৯০০ C। বিক্রিয়ার মাত্রা = ৯০০ ÷ (২ × ৯৬,৪৮৫) = ৪.৬৬৪ মিলিমোল, অর্থাৎ এত মিলিমোল Zn ক্ষয়ে।

Zn ক্ষয়: ৪.৬৬৪ মিলিমোল × ৬৫.৩৮ g/mol = ০.৩০৫ g। Cu জমা: ৪.৬৬৪ × ৬৩.৫৫ = ০.২৯৬ g।

সমস্যা ৫: Cu-Ag কোষে কে অ্যানোড, EMF কত, আর Zn-Cu কোষের সাম্য ধ্রুবক কত?

Ag⁺/Ag-এর E° = ০.৮০ V, Cu-এর ০.৩৪ V। Cu-এর E° কম, তাই Cu অ্যানোড। EMF = ০.৮০ − ০.৩৪ = ০.৪৬ V।

Zn-Cu কোষে log K = nE° ÷ ০.০৫৯২ = ৩৭.২, তাই K ≈ ১.৫ × 10³⁷। বিক্রিয়া প্রায় সম্পূর্ণ হয়ে তবেই থামে।

যে ভুলগুলো সবাই করে

পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশি নম্বর কাটে এই জায়গাগুলোতে।

  • অ্যানোড-ক্যাথোড গুলিয়ে ফেলা: গ্যালভানিক কোষে অ্যানোড ঋণাত্মক, ক্যাথোড ধনাত্মক। তড়িৎ বিশ্লেষণে উল্টো।
  • E° কোষ হিসাবে বিয়োগের ক্রম উল্টে দেওয়া: ক্যাথোড বিয়োগ অ্যানোড, আর বিভব দুটোই বিজারণ বিভব।
  • E° কে মোলের সঙ্গে গুণ করা: বিভব নিবিড় ধর্ম, সহগ ২ দিয়ে গুণ করলে মান বদলায় না।
  • ইলেকট্রন লবণ সেতু দিয়ে যায় ভাবা: ইলেকট্রন তারে, আয়ন সেতুতে।
  • Q-তে কঠিন ধাতু লেখা: Zn বা Cu কঠিন, তাই Q শুধু আয়নের ঘনমাত্রা।
  • নার্নস্টে log Q-র চিহ্ন ভুল করা: Q = [উৎপাদ] ÷ [বিক্রিয়ক] আর E = E° − ...।

বাস্তব জীবনে গ্যালভানিক কোষ

ড্যানিয়েল কোষ এখন মিউজিয়ামে, কিন্তু একই নীতি আজকের সব ব্যাটারিতে।

  • টর্চ ও ঘড়ির ব্যাটারি: দস্তা-কার্বন বা ক্ষারীয় কোষ ঠিক এই নীতিতে চলে।
  • মোবাইলের ব্যাটারি: লিথিয়াম-আয়ন কোষ গ্যালভানিক কোষ, যা রিচার্জ করা যায়।
  • গাড়ির ব্যাটারি: সীসা-অ্যাসিড কোষ কয়েকটা কোষ সিরিজে জোড়া।
  • লোহায় মরিচ: লোহার সঙ্গে দস্তা লাগিয়ে (গ্যালভানাইজ) দিলে দস্তা অ্যানোড হয়ে আগে ক্ষয়ে যায়, লোহা বাঁচে।
  • জ্বালানি কোষ: হাইড্রোজেন আর অক্সিজেন থেকে সরাসরি বিদ্যুৎ।

পরীক্ষার কোণ (SSC, HSC)

নিচের প্রশ্নগুলো নিজে করে তারপর উত্তর মিলিয়ে নাও।

  • সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন: গ্যালভানিক কোষ কাকে বলে? লবণ সেতুর দুটো কাজ লেখো। অ্যানোড আর ক্যাথোডে কী ঘটে?
  • গাণিতিক: Zn-Cu কোষের আদর্শ EMF কত? উত্তর: ১.১০ V।
  • গাণিতিক: [Zn²⁺] = ০.১০ M, [Cu²⁺] = ১.০০ M হলে EMF? উত্তর: ১.১৩০ V।
  • গাণিতিক: ০.৫০ A, ৩০ মিনিটে Zn কতটা ক্ষয়ে? উত্তর: ০.৩০৫ g।
  • যুক্তি: সময় যত যায়, Zn-Cu কোষের ভোল্টেজ কেন কমে? Zn²⁺ বাড়ে, Cu²⁺ কমে, Q বাড়ে।
  • সংকেত: Zn-Cu কোষ সংকেতে লেখো। উত্তর: Zn | Zn²⁺ ‖ Cu²⁺ | Cu।

পুনরালোচনা: এক নজরে

পরীক্ষার আগের রাতে এই তালিকাটা পড়ে নাও।

  • গ্যালভানিক কোষ স্বতঃস্ফূর্ত রেডক্স বিক্রিয়া থেকে বিদ্যুৎ বানায়।
  • অ্যানোডে জারণ (ঋণাত্মক), ক্যাথোডে বিজারণ (ধনাত্মক); ইলেকট্রন তারে অ্যানোড থেকে ক্যাথোডে যায়।
  • লবণ সেতু আয়ন চালিয়ে চার্জ ভারসাম্য রাখে ও বর্তনী পূর্ণ করে।
  • E°কোষ = E°ক্যাথোড − E°অ্যানোড; Zn-Cu কোষে ১.১০ V।
  • নার্নস্ট: E = E° − (০.০৫৯২ ÷ n) log Q; Q বাড়লে EMF কমে।
  • Zn-র ভর কমে, Cu-র ভর বাড়ে; পরিমাণ m = I t M ÷ (n F)।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

গ্যালভানিক কোষ কাকে বলে?

যে বৈদ্যুতিক রাসায়নিক কোষে স্বতঃস্ফূর্ত জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ার রাসায়নিক শক্তি বিদ্যুৎ শক্তিতে বদলে যায়, তাকে গ্যালভানিক বা ভোল্টীয় কোষ বলে। ড্যানিয়েল কোষ এর একটি সহজ উদাহরণ।

ড্যানিয়েল কোষে কোন দণ্ড অ্যানোড আর কোনটি ক্যাথোড?

জিঙ্কের দণ্ড অ্যানোড (ঋণাত্মক), এখানে Zn জারিত হয়ে Zn²⁺ হয় ও দণ্ডের ভর কমে। তামার দণ্ড ক্যাথোড (ধনাত্মক), এখানে Cu²⁺ বিজারিত হয়ে Cu হয় ও ভর বাড়ে।

লবণ সেতুর কাজ কী?

লবণ সেতু দুই অর্ধ-কোষকে আয়নের পথ দিয়ে যুক্ত করে বর্তনী পূর্ণ করে এবং দুই দ্রবণে চার্জের ভারসাম্য রাখে। K⁺ ক্যাথোডের দিকে আর NO₃⁻ অ্যানোডের দিকে যায়।

Zn-Cu কোষের আদর্শ EMF কত?

E°কোষ = E°(Cu²⁺/Cu) − E°(Zn²⁺/Zn) = ০.৩৪ − (-০.৭৬) = ১.১০ V।

নার্নস্ট সমীকরণ কী বলে?

ঘনমাত্রা আদর্শ না হলে EMF হয় E = E° − (০.০৫৯২ ÷ n) log Q (২৫°C-এ)। Zn-Cu কোষে Q = [Zn²⁺] ÷ [Cu²⁺]। যেমন [Cu²⁺] = ০.০১ M আর [Zn²⁺] = ১.০০ M হলে EMF ১.০৪১ V।

কোষের ভোল্টেজ সময়ের সঙ্গে কমে কেন?

বিক্রিয়া চলতে থাকলে Zn²⁺ বাড়ে ও Cu²⁺ কমে, তাই Q বাড়ে আর নার্নস্ট সমীকরণ অনুযায়ী EMF নামে। বিক্রিয়ক ফুরোলে ভোল্টেজ শূন্যের কাছে পৌঁছায়।

এই বিষয়ের আরও পড়াশোনা

অ্যানিমেশনে ধারণা পরিষ্কার হলো, এবার পরীক্ষার প্রস্তুতি: সিলেবাস, সাজেশন, বই আর ভর্তি পরীক্ষার গাইড নিচে।

HSC

এইচএসসি রসায়ন: সিলেবাস ও প্রস্তুতি

ভর্তি

ঢাবি বিজ্ঞান ইউনিট ভর্তি ২০২৬-২৭

ভর্তি

ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি

SSC

এসএসসি রসায়ন: সিলেবাস ও প্রস্তুতি

পাঠ্যবই

নবম-দশম শ্রেণির রসায়ন বই

ভর্তি

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি

English

Paragraph: Environment Pollution (ইংরেজিতে)

বাংলা

রচনা: পরিবেশ দূষণ

English

Composition: Wonders of Modern Science (ইংরেজিতে)

SSC

এসএসসি সাজেশন

HSC

এইচএসসি সাজেশন

ভর্তি

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার গাইড

SSC

এসএসসি সিলেবাস

HSC

এইচএসসি সিলেবাস

বিদেশে পড়াশোনা

দক্ষিণ কোরিয়ায় উচ্চশিক্ষা

স্কলারশিপ

জাপানের MEXT স্কলারশিপ

IELTS

IELTS Writing Task 1: process diagrams (ইংরেজিতে)

IELTS

English tests: IELTS, TOEFL, Duolingo (ইংরেজিতে)

টুল

Final grade calculator (ইংরেজিতে)

বিদেশে পড়াশোনা

How to write a statement of purpose (ইংরেজিতে)

আরও রসায়ন অ্যানিমেশন

SSC · HSC

পরমাণুর গঠন

পরমাণুর গঠন চিত্রসহ ব্যাখ্যা: প্রোটন, নিউট্রন, ইলেকট্রন, পারমাণবিক সংখ্যা, ভরসংখ্যা, আইসোটোপ ও ইলেকট্রন বিন্যাস। নিজে পরমাণু বানিয়ে দেখো, গাণিতিক উদাহরণসহ।

SSC · HSC

এসিড, ক্ষারক ও pH স্কেল

pH কি বা কাকে বলে, pH স্কেল কীভাবে কাজ করে, এসিড ও ক্ষারকের পার্থক্য, নির্দেশক ও প্রশমন বিক্রিয়া: বুরেট থেকে ফোঁটা ফেলে নিজে টাইট্রেশন করে দেখো, গাণিতিক সমস্যাসহ।

SSC · HSC

ইলেকট্রন বিন্যাস

ইলেকট্রন বিন্যাস কাকে বলে, লেখার সহজ নিয়ম, আউফবাউ, পাউলির বর্জন ও হুন্ডের নীতি, Cr-Cu ব্যতিক্রম, আয়ন: ইলেকট্রন একটি একটি করে বসতে দেখো, ১-৩৬ মৌলের তালিকাসহ।

SSC · HSC

গ্যাসের সূত্র: বয়েল, চার্লস ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ

বয়েলের সূত্র, চার্লসের সূত্র, চাপীয় সূত্র, অ্যাভোগেড্রোর সূত্র ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ PV = nRT: পিস্টন টেনে নিজে দেখো, লেখচিত্র, R-এর মান ও গাণিতিক সমস্যাসহ।

SSC · HSC

আয়নিক বন্ধন কীভাবে গঠিত হয়

আয়নিক বন্ধন কাকে বলে, কীভাবে ধাতুর ইলেকট্রন অধাতুতে গিয়ে আয়ন তৈরি করে, আর সংকেত কীভাবে চার্জ মিলিয়ে বের হয়: NaCl, MgO, CaCl₂ বেছে নিয়ে নিজে দেখো, সূত্র ও অঙ্কসহ।

SSC · HSC

তড়িৎ বিশ্লেষণ ও ফ্যারাডের সূত্র

তড়িৎ বিশ্লেষণ কাকে বলে, ক্যাথোড-অ্যানোডে কী উৎপন্ন হয়, আর ফ্যারাডের সূত্রে ভর কীভাবে হিসাব হয়: গলিত NaCl, CuSO₄ বা অম্লীভূত পানি বেছে নিয়ে নিজে দেখো, সূত্র ও অঙ্কসহ।

SSC · HSC

সমযোজী বন্ধন

সমযোজী বন্ধন কাকে বলে, একক-দ্বি-ত্রিবন্ধন কীভাবে গঠিত হয়, অক্টেট নিয়ম কী: H₂O, NH₃, CH₄, CO₂ অণুর ডট-ক্রস চিত্র সিমুলেশনে নিজে বানিয়ে দেখো, পোলারিটিসহ।

SSC · HSC

পর্যায়বৃত্ত ধর্ম

পর্যায়বৃত্ত ধর্ম কাকে বলে, পারমাণবিক ব্যাসার্ধ ও আয়নিকরণ শক্তি পর্যায় ও গ্রুপে কীভাবে বদলায়: প্রথম ৩৬টি মৌলের হিটম্যাপে নিজে পরীক্ষা করে দেখো, ব্যতিক্রমসহ।

SSC · HSC

বিক্রিয়ার হার ও সংঘর্ষ তত্ত্ব

বিক্রিয়ার হার কীসের ওপর নির্ভর করে? সংঘর্ষ তত্ত্বের সিমুলেশনে তাপমাত্রা, ঘনমাত্রা আর প্রভাবক বদলে সক্রিয়ণ শক্তির লেখচিত্র ও উৎপাদের রেখা নিজের চোখে দেখো।

Class 9 · SSC

পদার্থের অবস্থা: কঠিন, তরল, গ্যাসীয় ও তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র

কঠিন, তরল ও গ্যাসীয় অবস্থায় কণা কেমন আচরণ করে নিজে দেখো। পানির তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র, গলন, স্ফুটন, সুপ্ততাপ, ঊর্ধ্বপাতন আর Q = mcΔT ও Q = mL-এর সমাধানসহ।

HSC

পরমাণুর অরবিটাল: s, p, d-এর আকৃতি, কোয়ান্টাম সংখ্যা ও নোড

1s, 2s, 2p ও 3d অরবিটাল ঘুরিয়ে 3D-তে দেখো। কক্ষপথ ও অরবিটালের পার্থক্য, চার কোয়ান্টাম সংখ্যা, রেডিয়াল ও কৌণিক নোড গোনা, উপস্তরের ইলেকট্রন ধারণক্ষমতা, সমাধানসহ।

HSC

আণবিক আকৃতি ও ভিএসইপিআর তত্ত্ব: বন্ধন জোড়, মুক্তজোড় ও বন্ধন কোণ

ত্রিমাত্রিক অণু বানিয়ে ঘোরাও। বন্ধন জোড় ও মুক্তজোড় ইলেকট্রন কীভাবে CH4, NH3, H2O, PCl5, SF6-এর আকৃতি, বন্ধন কোণ ও সংকরণ ঠিক করে, সমাধানসহ হাতেকলমে শেখো।

SSC · HSC

মোল ধারণা: মোলার ভর, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা ও মোলার আয়তন

মোল কাকে বলে, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা কত, মোলার ভর ও STP-তে মোলার আয়তন (২২.৪ লিটার) কী? পাল্লায় ওজন মেপে মোল ও অণুর সংখ্যা নিজে বের করো; শতকরা সংযুতি ও গাণিতিক সমস্যাসহ।

SSC · HSC

ব্যাপন ও নিঃসরণ: গ্রাহামের সূত্র

নলের ভেতর NH₃ ও HCl মিলে সাদা বলয় তৈরি করা দেখো, তারপর সূক্ষ্ম ছিদ্র দিয়ে গ্যাসের নিঃসরণের দৌড়। গ্রাহামের ব্যাপন সূত্রের প্রমাণ ও অঙ্ক সমাধানসহ।

SSC · HSC

রাসায়নিক সমীকরণ সমতাকরণ: পদ্ধতি, উদাহরণ ও অনুশীলন

রাসায়নিক সমীকরণ কীভাবে মেলাতে হয়? সহগ বদলে দুই পাশের পরমাণু গুনে দেখো। পানি, মিথেন, মরিচা, রান্নার গ্যাসসহ পাঁচটি সমীকরণ ধাপে ধাপে সমাধান, SSC ও HSC প্রস্তুতির জন্য।

HSC

রাসায়নিক সাম্যাবস্থা: সাম্যধ্রুবক Kc ও লা শাতেলিয়ের নীতি

রাসায়নিক সাম্যাবস্থা কী, সাম্যধ্রুবক Kc কীভাবে বের করে, আর ঘনমাত্রা, তাপ ও চাপ বদলালে বিক্রিয়া কোন দিকে সরে? হেবার প্রক্রিয়ার অ্যানিমেশনে হার-রেখা দেখে লা শাতেলিয়ের নীতি বোঝো।

SSC · HSC

টাইট্রেশন: অম্ল-ক্ষারের ঘনমাত্রা বের করার পদ্ধতি

টাইট্রেশন কী, ব্যুরেট ও নির্দেশক কীভাবে কাজ করে, শেষ বিন্দু আর সমতা বিন্দু কী এক জিনিস না, আর V₁M₁ = V₂M₂ দিয়ে ঘনমাত্রা কীভাবে বের করবে? pH লেখচিত্রসহ সিমুলেশনে হাতে-কলমে শেখো।

SSC · HSC

জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া: জারণ সংখ্যা, ইলেকট্রন স্থানান্তর ও অর্ধ-সমীকরণ

জারণ ও বিজারণ কী, জারণ সংখ্যা কীভাবে বের করে, কোনটা জারক আর কোনটা বিজারক? পাঁচটি বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের চলাচল দেখো, অর্ধ-সমীকরণ ও সমাধান করা অঙ্কসহ।

SSC · HSC

হাইড্রোকার্বন: অ্যালকেন, অ্যালকিন, অ্যালকাইন ও কাঠামোগত সমাণু ত্রিমাত্রায়

অ্যালকেন, অ্যালকিন ও অ্যালকাইনকে ঘূর্ণায়মান বল-স্টিক মডেলে দেখো। কার্বন সংখ্যা বদলাও, সাধারণ সংকেত ও IUPAC নাম পড়ো, আর বিউটেন, পেন্টেন, হেক্সেনের সব কাঠামোগত সমাণু দেখো।

HSC

কার্যকরী মূলক: অ্যালকোহল, অ্যালডিহাইড, কিটোন, অ্যাসিড, এস্টার ও অ্যামিন

কার্যকরী মূলক কী, অ্যালকোহল-অ্যালডিহাইড-কিটোন-অ্যাসিড-এস্টার-অ্যামিন কীভাবে চিনবে, IUPAC নাম কীভাবে লিখবে? আটটি পরিবারের গঠন দেখো, পরীক্ষা ও সমাধান করা অঙ্কসহ।

HSC

পলিমারকরণ: যোজন ও ঘনীভবন পলিমার, পলিথিন ও নাইলন

পলিমার কী, যোজন ও ঘনীভবন পলিমারকরণে পার্থক্য কী? ইথিন থেকে পলিথিন আর নাইলন-৬,৬ তৈরি দেখো, শিকলের আণবিক ভর ও নির্গত পানির হিসাবসহ।

SSC · HSC

মিশ্রণ আলাদা করার পদ্ধতি: ছাঁকন, পাতন, ক্রোমাটোগ্রাফি, স্ফটিকীকরণ

ছাঁকন, সরল ও আংশিক পাতন, কাগজ ক্রোমাটোগ্রাফি আর স্ফটিকীকরণ চোখের সামনে চলতে দেখো। Rf-এর হিসাব, পাতনের তাপমাত্রা-রেখা আর স্ফটিকের ফলন হাতে-কলমে।

HSC

কেলাস জালক: SC, BCC ও FCC একক কোষ, প্যাকিং দক্ষতা ও ঘনত্ব

সরল, দেহকেন্দ্রিক ও ফলককেন্দ্রিক ঘন একক কোষ ঘুরিয়ে দেখো। প্রতি কোষে পরমাণু, সন্নিবেশ সংখ্যা, প্যাকিং দক্ষতা (৫২.৪%, ৬৮%, ৭৪%) আর ঘনত্বের হিসাব।

HSC

তেজস্ক্রিয়তা: আলফা, বিটা, গামা ক্ষয় ও অর্ধায়ু

আলফা, বিটা, গামা ক্ষয়ে A ও Z কীভাবে বদলায় দেখো, পারমাণবিক সমীকরণ মেলাও, ১০০ পরমাণুর এলোমেলো ক্ষয় অর্ধায়ু রেখা ধরে চলতে দেখো। কার্বন-১৪ কালনির্ণয়সহ বিনা মূল্যের সিমুলেশন।

অন্য বিষয়ের অ্যানিমেশন

পদার্থবিজ্ঞান

আলোর প্রতিসরণ

পদার্থবিজ্ঞান

ওহমের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

প্রাসের গতি

পদার্থবিজ্ঞান

সরল দোলক

পদার্থবিজ্ঞান

তড়িৎ ক্ষেত্র

পদার্থবিজ্ঞান

তরঙ্গের ব্যতিচার

পদার্থবিজ্ঞান

পড়ন্ত বস্তু ও পড়ন্ত বস্তুর সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

লেন্সে প্রতিবিম্ব গঠন

পদার্থবিজ্ঞান

নিউটনের গতির সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

গোলীয় দর্পণে প্রতিবিম্ব গঠন

পদার্থবিজ্ঞান

তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ ও ফ্যারাডের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

ভরবেগের সংরক্ষণ ও সংঘর্ষ

পদার্থবিজ্ঞান

কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি

পদার্থবিজ্ঞান

নততল

পদার্থবিজ্ঞান

বৃত্তাকার গতি

পদার্থবিজ্ঞান

অনুপ্রস্থ ও অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ

পদার্থবিজ্ঞান

লিভার ও ভ্রামক

পদার্থবিজ্ঞান

ভরকেন্দ্র

পদার্থবিজ্ঞান

স্প্রিং-ভর ও সরল ছন্দিত স্পন্দন

পদার্থবিজ্ঞান

ভেক্টর যোগ: ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

আপেক্ষিক বেগ: ট্রেন ও নদী পারাপার

পদার্থবিজ্ঞান

কেপলারের সূত্র ও উপবৃত্তাকার কক্ষপথ

পদার্থবিজ্ঞান

নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র, g ও কৃত্রিম উপগ্রহ

পদার্থবিজ্ঞান

তার ও নলে স্থির তরঙ্গ

পদার্থবিজ্ঞান

অনুনাদ নল ও শব্দের দ্রুতি

পদার্থবিজ্ঞান

স্বরকম্প: কাছাকাছি দুই সুরের স্পন্দন

পদার্থবিজ্ঞান

ডপলার প্রভাব: চলমান উৎস, চলমান শ্রোতা ও সনিক বুম

পদার্থবিজ্ঞান

প্রিজম, আলোর বিচ্ছুরণ ও রামধনু

পদার্থবিজ্ঞান

কির্শফের সূত্র: সংযোগ সূত্র ও বদ্ধ পথ সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

হুইটস্টোন ব্রিজ ও মিটার ব্রিজ

পদার্থবিজ্ঞান

একক চিড়ে অপবর্তন

পদার্থবিজ্ঞান

চোখের ত্রুটি ও তার প্রতিকার

পদার্থবিজ্ঞান

আলোর সমবর্তন: ম্যালাসের সূত্র ও ব্রুস্টারের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

ক্যাপাসিটরের আহিতকরণ ও নিরাহিতকরণ: আরসি সময় ধ্রুবক

পদার্থবিজ্ঞান

চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা: দণ্ডচুম্বক, তড়িৎবাহী সরল তার ও সলিনয়েড

পদার্থবিজ্ঞান

এসি জেনারেটর

পদার্থবিজ্ঞান

ট্রান্সফর্মার

পদার্থবিজ্ঞান

তাপের সঞ্চালন: পরিবহন, পরিচলন ও বিকিরণ

পদার্থবিজ্ঞান

আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া: আইনস্টাইনের সমীকরণ ও নিবৃত্তি বিভব

পদার্থবিজ্ঞান

মোটর ক্রিয়া: তড়িৎবাহী তারের ওপর বল ও ডিসি মোটর

পদার্থবিজ্ঞান

গ্যাসের অণু ও গতিতত্ত্ব: চাপ, তাপমাত্রা ও দ্রুতি

পদার্থবিজ্ঞান

অর্ধপরিবাহী ডায়োড: p–n সন্ধি, I–V বক্ররেখা ও রেক্টিফায়ার

পদার্থবিজ্ঞান

তেজস্ক্রিয় ক্ষয়: অর্ধায়ু, ক্ষয় সূত্র ও বিকিরণের ভেদন ক্ষমতা

পদার্থবিজ্ঞান

বোর পরমাণু মডেল: কক্ষপথ, শক্তিস্তর ও হাইড্রোজেনের বর্ণালি

জীববিজ্ঞান

মাইটোসিস কোষ বিভাজন

জীববিজ্ঞান

ব্যাপন ও অভিস্রবণ

জীববিজ্ঞান

সালোকসংশ্লেষণ

জীববিজ্ঞান

মানব হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কাজ

জীববিজ্ঞান

মেন্ডেলের বংশগতি সূত্র

জীববিজ্ঞান

ডিএনএ রেপ্লিকেশন

জীববিজ্ঞান

কোষীয় শ্বসন

জীববিজ্ঞান

এনজাইম ক্রিয়া

জীববিজ্ঞান

স্নায়ু উদ্দীপনার পরিবহন ও অ্যাকশন পটেনশিয়াল

জীববিজ্ঞান

নেফ্রন ও মূত্র তৈরির প্রক্রিয়া

জীববিজ্ঞান

মিয়োসিস কোষ বিভাজন

জীববিজ্ঞান

পরিপাকতন্ত্র

জীববিজ্ঞান

শ্বাসক্রিয়ার কৌশল: প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস

জীববিজ্ঞান

প্রোটিন সংশ্লেষণ

জীববিজ্ঞান

রক্ত সংবহন: দ্বি-সংবহন ও কার্ডিয়াক আউটপুট

জীববিজ্ঞান

কোষের গঠন ও অঙ্গাণু: উদ্ভিদ কোষ বনাম প্রাণী কোষ

জীববিজ্ঞান

প্রতিবর্ত ক্রিয়া ও প্রতিবর্ত চাপ

জীববিজ্ঞান

মানুষের চোখ: গঠন, প্রতিবিম্ব ও উপযোজন

জীববিজ্ঞান

পেশি সংকোচন ও স্লাইডিং ফিলামেন্ট মডেল

জীববিজ্ঞান

উদ্ভিদে পরিবহন: জাইলেম, ফ্লোয়েম ও বাষ্পমোচন

জীববিজ্ঞান

খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজাল: শক্তির প্রবাহ ও ১০ % নিয়ম

জীববিজ্ঞান

জনসংখ্যা বৃদ্ধি: সূচকীয় ও লজিস্টিক রেখা

জীববিজ্ঞান

প্রাকৃতিক নির্বাচন: পেপার্ড মথ ও কালিঝুলি মাখা গাছ

জীববিজ্ঞান

রোগপ্রতিরোধ: প্রাথমিক ও গৌণ অ্যান্টিবডি সাড়া

জীববিজ্ঞান

পরাগায়ন ও নিষেক

গণিত

পিথাগোরাসের উপপাদ্য

গণিত

ত্রিকোণমিতিক অনুপাত ও একক বৃত্ত

গণিত

দ্বিঘাত সমীকরণ ও দ্বিঘাত ফাংশনের লেখচিত্র

গণিত

বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য

গণিত

দূরত্ব ও উচ্চতা: উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ

গণিত

সম্ভাবনা: পরীক্ষালব্ধ বনাম তাত্ত্বিক সম্ভাবনা

গণিত

সমান্তর ও গুণোত্তর ধারা

গণিত

গড়, মধ্যক ও প্রচুরক

গণিত

সেট ও ভেনচিত্র

গণিত

সরল সহসমীকরণ ও সরলরেখার লেখচিত্র

গণিত

sin, cos, tan-এর লেখচিত্র

গণিত

পূর্ণবর্গ পদ্ধতি ও দ্বিঘাত সমীকরণের সমাধান

গণিত

বৃত্তের ক্ষেত্রফল: সূত্র, প্রমাণ ও সমাধান

গণিত

ঘনবস্তুর আয়তন ও তলের ক্ষেত্রফল: ঘনক, আয়তঘন, বেলন, কোণক, গোলক

গণিত

সদৃশ ত্রিভুজ: স্কেল ফ্যাক্টর, AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়া থেকে উচ্চতা

গণিত

স্থানাঙ্ক জ্যামিতি: দূরত্ব, মধ্যবিন্দু, ঢাল, বিভক্তিকরণ সূত্র ও সঞ্চারপথ

গণিত

শাঙ্কব ছেদ: বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত ও অধিবৃত্ত

গণিত

ফাংশনের রূপান্তর: সরানো, টানা ও উল্টানো

গণিত

অন্তরীকরণ: স্পর্শকের ঢাল ও ছেদক থেকে স্পর্শক

গণিত

রিম্যান যোগফল ও সমাকলন: বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফল

গণিত

সীমা ও ε–δ সংজ্ঞা: ছবিতে বোঝা

গণিত

ত্রিমাত্রিক ভেক্টর: যোগ, ডট গুণ ও ক্রস গুণ

গণিত

ম্যাট্রিক্স রূপান্তর: ঘূর্ণন, প্রতিফলন, শিয়ার ও নির্ণায়ক

গণিত

জটিল সংখ্যা: আরগান্ড সমতলে যোগ, গুণ, ঘাত ও মূল

গণিত

বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি: স্থানীয় মান, রূপান্তর ও যোগ