শীর্ষবিন্দু টেনে নততলের কোণ সরাসরি বদলাতে পারো
নিয়ন্ত্রণ
পরিমাপ
- ওজন, mg
- ১৯.৬N
- ওজনের সমান্তরাল উপাংশ, mg sinθ
- ৯.৮N
- লম্ব প্রতিক্রিয়া বল, N
- ১৭.০N
- সর্বোচ্চ স্থিতি ঘর্ষণ, μₛN
- ৬.৮N
- বর্তমান ঘর্ষণ বল, f
- ৫.১N
- লব্ধি বল
- ৪.৭N
- ত্বরণ, a
- ২.৩৫m/s²
- বেগ, v
- ০.০০m/s
- অতিক্রান্ত পথ, s
- ০.০০m
- সময়, t
- ০.০s
- স্থিতি কোণ, θᵣ
- ২১.৮°
সিমুলেশনটি কীভাবে ব্যবহার করবে
- কোণ কম রেখে (যেমন ১০°) ছেড়ে দাও: mg sinθ ছোট, ঘর্ষণ সহজেই তা সামলে নেয়, ব্লক স্থির থেকে যায়, লব্ধি বল আর ত্বরণ দুটোই শূন্য।
- কোণ ধীরে ধীরে বাড়াও: কোন কোণে ব্লক প্রথম নড়া শুরু করে খেয়াল করো, তারপর “স্থিতি কোণ” রিডিং-এর সাথে মিলিয়ে দেখো, দুটো এক হওয়ার কথা।
- শীর্ষবিন্দু (apex) সরাসরি টেনে কোণ বদলাও: আর্ক আর কোণের লেখা দুটোই সাথে সাথে বদলে যাবে।
- “ওজনের উপাংশ” বন্ধ করে শুধু ওজন, N আর f দেখো, তারপর আবার চালু করে দুটো ড্যাশ করা উপাংশ কীভাবে ওজনকেই ভেঙে দেখাচ্ছে সেটা দেখো।
- ঘর্ষণ গুণাংক দুটোই শূন্যে নিয়ে যাও: এখন আর কোনো ঘর্ষণ নেই, ব্লক যত ছোট কোণেই ছাড়ো, সে পিছলে নামবে — ত্বরণ শুধু a = g sinθ।
ট্রাকে ফ্রিজ তোলার সময় কেন র্যাম্প ব্যবহার হয়
ভারী একটা ফ্রিজ সোজা উপরে তুলে ট্রাকে বসানো অনেক কঠিন কাজ, কিন্তু একটা তক্তা হেলিয়ে র্যাম্প বানিয়ে সেই একই ফ্রিজ গড়িয়ে তোলা অনেক সহজ। উচ্চতা একই থাকল, তবু বলটা কম লাগল কেন? কারণ ঢালু পথে পুরো ওজনটা কাজে লাগে না, শুধু তার একটা অংশ বস্তুকে নিচের দিকে ঠেলে, বাকিটা তল ধরে রাখে।
বালির স্তূপে বালি ঢালতে থাকলে স্তূপ একটা নির্দিষ্ট ঢাল পার হলেই উপরের বালি গড়িয়ে নিচে পড়তে শুরু করে, তারপর একটা মোটামুটি স্থির কোণে থিতু হয়ে যায়। কেউ সেই কোণ মাপার চেষ্টা না করলেও প্রকৃতি নিজেই একটা সীমা টেনে দেয় — এই সীমা কোণকেই বলে স্থিতি কোণ।
পাহাড়ি রাস্তায় প্রায়ই “১০%” বা “১৫%” লেখা সাইনবোর্ড দেখা যায়, যা রাস্তার ঢাল বোঝায়। ঢাল যত বেশি, গাড়ির ব্রেক আর টায়ারের ঘর্ষণের ওপর ভরসা তত বেশি — ঠিক এই পাতার নততলের মতোই হিসাব, শুধু ব্লকের জায়গায় গাড়ি।
একদম শুরু থেকে: নততল কাকে বলে, আর কেন ওজন ভাঙতে হয়
অনুভূমিক তলের সাথে কোণ করে থাকা কোনো সমতল তলকে নততল বলে। নততলে রাখা কোনো বস্তুর ওপর দুটো প্রধান বল কাজ করে: অভিকর্ষজ ওজন mg (সোজা নিচের দিকে) আর তলের লম্ব প্রতিক্রিয়া বল N (তলের সাথে লম্ব, তল থেকে বস্তুর দিকে)। ঘর্ষণ থাকলে তৃতীয় একটা বলও যুক্ত হয়, তল বরাবর।
সমস্যা হলো, ওজন mg সোজা নিচের দিকে, কিন্তু বস্তু যদি নড়ে তবে সে নড়বে তল বরাবর, নিচের দিকে নয়। তাই mg-কে সরাসরি তলের সাথে তুলনা করা যায় না — একে দুটো উপাংশে ভাগ করতে হয়: একটা তলের বরাবর (যেটা বস্তুকে ঠেলে), আর একটা তলের লম্ব দিকে (যেটা N-এর বিরুদ্ধে চাপ দেয়)।
জ্যামিতি থেকে দেখা যায়, তল অনুভূমিকের সাথে θ কোণ করলে, তল-বরাবর উপাংশ হয় mg sinθ আর তল-লম্ব উপাংশ হয় mg cosθ। θ বাড়লে sinθ বাড়ে আর cosθ কমে — মানে কোণ যত খাড়া হয়, বস্তুকে ঠেলে দেওয়ার উপাংশ তত বাড়ে আর তলে চেপে থাকার উপাংশ তত কমে। এই জন্যই খাড়া পাহাড়ে ওঠা কঠিন, আর প্রায় সমতল রাস্তায় সহজ।
নততলে অন্য কোনো উলম্ব বল না থাকলে (যেমন কেউ বস্তুকে চেপে ধরে না রাখলে), লম্ব দিকে বস্তু স্থির থাকে, তাই লম্ব প্রতিক্রিয়া বল ঠিক লম্ব উপাংশের সমান হতে বাধ্য: N = mg cosθ। এই N-এর ওপরই নির্ভর করে ঘর্ষণ বল কত হতে পারবে, কারণ ঘর্ষণের সূত্র সরাসরি N-এর সাথে জড়িত।
জরুরি শব্দগুলো একনজরে
সূত্রে যাওয়ার আগে শব্দগুলো ঝালিয়ে নিই। পরীক্ষার “কাকে বলে” প্রশ্ন এখান থেকেই আসে।
| শব্দ | প্রতীক | সহজ ভাষায় অর্থ | একক |
|---|---|---|---|
| নততলের কোণ | θ | তল আর অনুভূমিকের মধ্যবর্তী কোণ | ডিগ্রি (°) |
| লম্ব প্রতিক্রিয়া বল | N | তল বস্তুর ওপর যে বল প্রয়োগ করে, তলের সাথে লম্ব | নিউটন (N) |
| স্থিতি ঘর্ষণ গুণাংক | μₛ | বস্তু নড়া শুরু করার আগে ঘর্ষণ কতটুকু বল দিতে পারে, তার অনুপাত | একক নেই |
| গতি ঘর্ষণ গুণাংক | μₖ | বস্তু নড়তে শুরু করার পর ঘর্ষণ বল কতটুকু থাকে, তার অনুপাত | একক নেই |
| সর্বোচ্চ স্থিতি ঘর্ষণ | μₛN | নড়া শুরু হওয়ার ঠিক আগের মুহূর্তে ঘর্ষণ যতটুকু বল দিতে পারে | নিউটন (N) |
| স্থিতি কোণ (প্রশম কোণ) | θᵣ | যে কোণে বস্তু ঠিক নড়া শুরু করে, tanθᵣ = μₛ | ডিগ্রি (°) |
| লব্ধি বল | ΣF | তল বরাবর সব বলের যোগফল | নিউটন (N) |
সূত্র কোথা থেকে এলো: স্থিতি কোণ ও ত্বরণের প্রতিপাদন
ব্লকটা কখন স্থির থাকবে আর কখন পিছলাবে, তার সীমাটাই স্থিতি কোণ। নিচে দুটো প্রতিপাদন দেখানো হলো।
স্থিতি কোণ, θᵣ: tanθᵣ = μₛ কীভাবে এলো
ব্লক স্থির থাকতে হলে, তল বরাবর ঠেলে দেওয়া উপাংশ mg sinθ-কে ঘর্ষণ বল ঠিক সমান করে সামলাতে হবে। ঘর্ষণ বল বাড়তে বাড়তে সর্বোচ্চ যতটুকু হতে পারে, তা μₛN = μₛ mg cosθ। তাই স্থির থাকার শর্ত: mg sinθ ≤ μₛ mg cosθ।
দুই পাশ থেকে mg cosθ দিয়ে ভাগ করলে (cosθ শূন্য না হওয়া পর্যন্ত এটা করা নিরাপদ), sinθ/cosθ ≤ μₛ, অর্থাৎ tanθ ≤ μₛ। যে কোণে সমতা ঠিক মিলে যায় (tanθᵣ = μₛ), সেটাই স্থিতি কোণ θᵣ — এর চেয়ে বেশি কোণে ব্লক আর স্থির থাকতে পারে না।
লক্ষ করার মতো বিষয়: এই শর্তে ভর m কোথাও নেই। ভর দুই পাশেই (mg sinθ আর মাধ্যমে N-এও) একইভাবে গুণ হয়ে কেটে যায়। তাই স্থিতি কোণ শুধু উপাদানের ঘর্ষণ গুণাংকের ওপর নির্ভর করে, বস্তু কত ভারী তার ওপর না।
tanθᵣ = μₛθᵣ = tan⁻¹μₛ
পিছলানোর ত্বরণ, a = g(sinθ − μₖcosθ) কীভাবে এলো
কোণ স্থিতি কোণ পার হলে ব্লক পিছলাতে শুরু করে, তখন ঘর্ষণ বল আর সর্বোচ্চ সীমায় থাকে না, বরং গতি ঘর্ষণের সূত্র মানে: f = μₖN = μₖ mg cosθ, সবসময় গতির বিপরীতে (এখানে ঢাল বেয়ে ওঠার দিকে)।
নিউটনের দ্বিতীয় সূত্র তল বরাবর প্রয়োগ করলে, লব্ধি বল ΣF = mg sinθ − f = mg sinθ − μₖ mg cosθ। এই লব্ধি বল ভর দিয়ে ভাগ করলেই ত্বরণ, a = ΣF/m = g sinθ − μₖ g cosθ = g(sinθ − μₖcosθ)। ভর এখানেও কেটে যায়, তাই একই কোণ ও ঘর্ষণে ভারী আর হালকা ব্লক একই ত্বরণে নামে — পড়ন্ত বস্তুর মতোই।
ঘর্ষণ শূন্য হলে (μₖ = ০) সূত্রটা সহজ হয়ে যায়, a = g sinθ, যা মসৃণ নততলে নামার পরিচিত সূত্র।
a = g(sinθ − μₖcosθ)পিছলানোর সময় তল-বরাবর ত্বরণ
স্থিতি ঘর্ষণ বনাম গতি ঘর্ষণ: কেন দুটো ভিন্ন সংখ্যা
একটা ভুল ধারণা হলো ঘর্ষণ একটাই সংখ্যা। বাস্তবে বস্তু স্থির অবস্থায় থাকতে যে ঘর্ষণ কাজ করে (স্থিতি ঘর্ষণ) আর নড়া শুরু হওয়ার পর যে ঘর্ষণ কাজ করে (গতি ঘর্ষণ) — এই দুটো সাধারণত আলাদা, আর প্রায় সবসময় μₖ < μₛ।
স্থিতি ঘর্ষণ ধ্রুব কোনো সংখ্যা না, এটা প্রয়োজন মতো বদলায় — যতক্ষণ প্রযুক্ত বল তার সর্বোচ্চ সীমা μₛN-এর নিচে থাকে, স্থিতি ঘর্ষণ ঠিক সেই বলের সমান হয়ে ভারসাম্য রাখে। এই কারণেই সিমুলেশনে কোণ কম থাকলে ঘর্ষণ রিডিং mg sinθ-এর সমান দেখায়, μₛN-এর সমান না।
সীমা পার হওয়ার সাথে সাথে ঘর্ষণ আর “যত লাগে তত” থাকে না, বরং স্থির একটা মান μₖN-এ নেমে যায়। μₖ সাধারণত μₛ-এর চেয়ে কম হয় কারণ একবার নড়া শুরু হলে তল দুটোর মাঝের ক্ষুদ্র আঁকশি-বাঁধন ভেঙে যায়, তাই নড়তে থাকা বস্তুকে ধরে রাখা স্থির বস্তুকে ধরে রাখার চেয়ে সহজ। এই কারণেই ভারী আলমারি ঠেলে নড়ানোর প্রথম ধাক্কাটাই সবচেয়ে ভারী লাগে — একবার নড়া শুরু হয়ে গেলে চালিয়ে যাওয়া তুলনায় সহজ।
সিমুলেশনে নিজে পরীক্ষা করো
প্রতিটি পরীক্ষা আগে অনুমান করো, তারপর চালিয়ে মিলিয়ে দেখো।
- কোণ ৩০° রেখে μₛ = ০.৪০ আর μₖ = ০.৩০ রাখো (সিমুলেশনের নিজস্ব মান)। ব্লক পিছলাবে কি না আগে হাত দিয়ে হিসাব করো, তারপর চালিয়ে মিলিয়ে দেখো।
- কোণ কমাতে কমাতে দেখো কোন মুহূর্তে অবস্থা লেখাটা “ব্লক নততল বেয়ে নামছে” থেকে “ব্লক স্থির” হয়ে যায়। সেই কোণটাই “স্থিতি কোণ” রিডিং-এর সমান হওয়ার কথা।
- একই কোণে μₛ বাড়িয়ে দেখো: এক পর্যায়ে ব্লক আবার স্থির হয়ে যাবে, কারণ স্থিতি কোণ বেড়ে গেছে।
- μₖ কমিয়ে দেখো (μₛ একই রেখে): ব্লক পিছলানো শুরু করার কোণ বদলায় না (কারণ সেটা μₛ ঠিক করে), কিন্তু একবার পিছলাতে শুরু করলে ত্বরণ বেড়ে যায়, কারণ a = g(sinθ − μₖcosθ)-এ μₖ কমেছে।
- ভর দ্বিগুণ করো: ত্বরণ আর “ব্লক পিছলাবে কি না”র সিদ্ধান্ত অপরিবর্তিত থাকে, কারণ দুটো সূত্রেই ভর কেটে যায়। শুধু ওজন, N আর ঘর্ষণ বলের মান (নিউটনে) দ্বিগুণ হয়ে যায়।
গাণিতিক সমস্যা ও সমাধান
প্রতিটি সমাধানে প্রথমে জানা রাশি লিখব, তারপর সূত্র, তারপর মান বসাব। পরীক্ষাতেও এভাবে লিখলে পুরো নম্বর পাবে।
সমস্যা ১: ওজনের উপাংশ বের করা
৫ kg ভরের একটি বাক্স ৩০° কোণের একটি নততলে আছে। ওজন, তল-বরাবর উপাংশ ও তল-লম্ব উপাংশ বের করো।
mg = ৫ × ৯.৮ = ৪৯.০ N। mg sinθ = ৪৯.০ × sin৩০° = ২৪.৫ N। mg cosθ = ৪৯.০ × cos৩০° = ৪২.৪ N।
সমস্যা ২: বাক্সটি কি স্থির থাকবে?
সমস্যা ১-এর বাক্সের জন্য μₛ = ০.৫০ হলে, লম্ব প্রতিক্রিয়া বল N = ৪২.৪ N (কোণ ও ভর অপরিবর্তিত, তাই একই)। সর্বোচ্চ স্থিতি ঘর্ষণ কত, আর বাক্সটি স্থির থাকবে কি?
সর্বোচ্চ স্থিতি ঘর্ষণ = μₛN = ০.৫০ × ৪২.৪ = ২১.২ N। mg sinθ = ২৪.৫ N, যা সর্বোচ্চ স্থিতি ঘর্ষণের চেয়ে বেশি, তাই বাক্সটি স্থির থাকবে না, পিছলে নামবে।
সমস্যা ৩: স্থিতি কোণ বের করা
একটি তলের স্থিতি ঘর্ষণ গুণাংক μₛ = ০.৩৫। এই তলের স্থিতি কোণ কত?
tanθᵣ = μₛ = ০.৩৫, তাই θᵣ = tan⁻¹(০.৩৫) = ১৯.৩°। এই কোণের চেয়ে বেশি নততলে রাখলেই বস্তুটি আপনাআপনি পিছলে নামা শুরু করবে।
সমস্যা ৪: ঘর্ষণ থাকলে ও না থাকলে ত্বরণের তুলনা
একটি ব্লক ৪০° কোণের নততলে পিছলে নামছে। ঘর্ষণ না থাকলে এবং μₖ = ০.২০ থাকলে ত্বরণ কত হবে?
ঘর্ষণহীন: a = g sinθ = ৯.৮ × sin৪০° = ৬.৩০ m/s²। ঘর্ষণসহ: a = g(sinθ − μₖcosθ) = ৯.৮ × (sin৪০° − ০.২০ × cos৪০°) = ৪.৮০ m/s²। ঘর্ষণ ত্বরণ কমিয়ে দিয়েছে, কিন্তু শূন্য করতে পারেনি।
সমস্যা ৫: সিমুলেশনের শুরুর মান দিয়ে পূর্ণ হিসাব
সিমুলেশনের নিজস্ব মান: কোণ ৩০°, ভর ২ kg, μₛ = ০.৪০, μₖ = ০.৩০, নততলের দৈর্ঘ্য ৬ m। ব্লকটি কি স্থির থাকবে, আর যদি পিছলায় তবে তলায় পৌঁছাতে কত সময় ও বেগ লাগবে?
mg = ১৯.৬ N, mg sinθ = ৯.৮ N, N = ১৭.০ N, সর্বোচ্চ স্থিতি ঘর্ষণ = μₛN = ৬.৮ N। ৯.৮ > ৬.৮, তাই ব্লক পিছলাবে।
গতি ঘর্ষণ = μₖN = ৫.১ N। ত্বরণ, a = (mg sinθ − ঘর্ষণ) / m = (৯.৮ − ৫.১) / ২ = ২.৩৫ m/s²। ৬ m পথ যেতে সময়, t = √(2s/a) = ২.২৬ s, আর বেগ v = √(2as) = ৫.৩১ m/s। সিমুলেশন চালিয়ে ঠিক এই মানগুলোই মিলিয়ে দেখো।
সমস্যা ৬: একটি বাক্স যা পিছলাবে না
৩ kg ভরের একটি বাক্স ২৫° কোণের একটি নততলে আছে, যার μₛ = ০.৬০। বাক্সটি কি স্থির থাকবে?
এই তলের স্থিতি কোণ, θᵣ = tan⁻¹(০.৬০) = ৩১.০°, যা দেওয়া কোণ ২৫°-এর চেয়ে বেশি। তাই বাক্সটি স্থির থাকবে। যাচাই: N = ২৯.৪ × cos২৫° = ২৬.৬ N, সর্বোচ্চ স্থিতি ঘর্ষণ = ০.৬০ × ২৬.৬ = ১৬.০ N, আর mg sinθ = ২৯.৪ × sin২৫° = ১২.৪ N, যা ১৬.০-এর চেয়ে কম।
সমস্যা ৭: মসৃণ নততলে বেগ
একটি ব্লক ঘর্ষণহীন ৪৫° নততলে স্থির অবস্থা থেকে ছেড়ে দেওয়া হলো। ১০ m পিছলানোর পর তার বেগ কত হবে?
a = g sinθ = ৯.৮ × sin৪৫° = ৬.৯৩ m/s²। v = √(2as) = √(2 × ৬.৯৩ × ১০) = ১১.৭৭ m/s।
সমস্যা ৮: ঢাল বেয়ে ওপরে ওঠা ব্লকের থামার দূরত্ব
একটি ব্লককে ২০° নততল বেয়ে ওপরের দিকে ৮ m/s বেগে ছুড়ে দেওয়া হলো, μₖ = ০.২৫। ব্লকটি থামার আগে কতদূর যাবে?
ওপরে ওঠার সময় অভিকর্ষ আর ঘর্ষণ দুটোই বিপরীতে কাজ করে (ঘর্ষণ এবার নিচের দিকে, কারণ গতি ওপরের দিকে): a = g(sinθ + μₖcosθ) = ৯.৮ × (sin২০° + ০.২৫ × cos২০°) = ৫.৬৫ m/s². v² = u² − 2as থেকে, ০ = ৮² − ২ × ৫.৬৫ × s, তাই s = ৫.৬৬ m।
সমস্যা ৯: ধ্রুব বেগে নামার জন্য প্রয়োজনীয় μₖ
৩৫° নততলে একটি ব্লক পিছলে নামছে ঠিক ধ্রুব বেগে (ত্বরণ শূন্য)। μₖ কত হতে হবে?
ত্বরণ শূন্য মানে mg sinθ = μₖ mg cosθ, তাই μₖ = tanθ = tan৩৫° = ০.৭০। লক্ষ করো, এটাই স্থিতি কোণের সূত্রের মতো দেখতে, শুধু এখানে গতি ঘর্ষণ ধ্রুব-বেগের শর্ত মেটাচ্ছে, স্থির অবস্থার ভারসাম্য না।
এক নজরে: চেনা উপাদানের ঘর্ষণ গুণাংক
নিচের আনুমানিক মানগুলো (গতি ঘর্ষণ) দেখায় উপাদান বদলালে ঘর্ষণ কতটা আলাদা হতে পারে। বরফের ওপর বরফ প্রায় ঘর্ষণহীন, রাবার-কংক্রিট প্রায় ঘর্ষণে ভরা।
| উপাদানের জোড় | আনুমানিক μₖ |
|---|---|
| বরফের ওপর বরফ | ০.০৩ |
| টেফলনের ওপর ইস্পাত | ০.০৫ |
| কাঠের ওপর কাঠ | ০.৩০ |
| ইস্পাতের ওপর ইস্পাত | ০.৫৫ |
| কংক্রিটের ওপর রাবার (টায়ার) | ০.৭০ |
যে ভুলগুলো সবাই করে
এই ভুলগুলো এড়ালে নততলের অঙ্কে নম্বর কাটার ভয় থাকে না।
- mg sinθ আর mg cosθ গুলিয়ে ফেলা। মনে রাখার সহজ উপায়: কোণ ছোট হলে (প্রায় সমতল) তল-বরাবর উপাংশ ছোট হওয়ার কথা, আর sinθ ছোট কোণে ছোটই থাকে, cosθ প্রায় ১।
- N = mg ধরে নেওয়া। নততলে N = mg cosθ, mg নয় — শুধু সমতল অনুভূমিক তলে N = mg হয়।
- স্থিতি ঘর্ষণকে সবসময় μₛN ধরে নেওয়া। বাস্তবে স্থিতি ঘর্ষণ প্রয়োজন অনুযায়ী বদলায়, সর্বোচ্চ μₛN পর্যন্তই যেতে পারে।
- μₖ আর μₛ-কে একই ভাবা। μₖ সাধারণত μₛ-এর চেয়ে কম, তাই একবার পিছলানো শুরু হলে তা থামানোর চেয়ে চালু রাখা সহজ।
- স্থিতি কোণকে ভরের ওপর নির্ভর করে ভাবা। tanθᵣ = μₛ সূত্রে ভর নেই, তাই ভারী বা হালকা বস্তু একই তলে একই কোণে পিছলানো শুরু করে।
- ত্বরণের সূত্রে cosθ ভুলে যাওয়া। ঘর্ষণ বল N-এর সাথে জড়িত, আর N = mg cosθ, তাই ঘর্ষণ পদে cosθ থাকতেই হবে।
বাস্তব জীবনে নততল
নততলের হিসাব শুধু পরীক্ষার খাতায় থেমে থাকে না, চারপাশের অনেক ঢালু পথের পেছনেই এই নিয়ম কাজ করে।
- হুইলচেয়ার র্যাম্প: নিয়ম করে দেওয়া থাকে ঢাল কতটুকু খাড়া হতে পারে, কারণ বেশি খাড়া হলে mg sinθ এত বেড়ে যায় যে হুইলচেয়ার ঠেলে ওঠা কষ্টকর হয়ে যায়।
- পাহাড়ি রাস্তার ঢাল-সাইনবোর্ড: ঢাল শতকরায় লেখা থাকে, ঢাল বেশি হলে গাড়ির ব্রেকের ওপর নির্ভরতা বাড়ে, কারণ নামার সময় mg sinθ বেড়ে যায়।
- শস্যভাণ্ডার বা বালির স্তূপ: শস্য বা বালি একটা নির্দিষ্ট কোণেই স্থির থাকতে পারে, তার বেশি হলেই গড়িয়ে পড়ে — এটাই স্থিতি কোণের সরাসরি প্রয়োগ।
- স্কি স্লোপ: ঢাল যত খাড়া, স্কিয়ারের ত্বরণ তত বেশি (a = g sinθ, ঘর্ষণ বরফে খুব কম), তাই খাড়া স্লোপে বেশি দক্ষতা লাগে।
- কনভেয়র বেল্ট: মালামাল ওপরে তুলতে বেল্টের ঢাল একটা সীমার মধ্যে রাখা হয়, নইলে মালামাল ঘর্ষণ হারিয়ে নিচে পিছলে পড়ে।
- সিঁড়ি: সিঁড়িকে একরকম ধাপে-ধাপে খাড়া নততল বলা যায়, তাই সিঁড়ির প্রতি ধাপের উচ্চতা-প্রস্থের অনুপাত সরাসরি এই নততলের অঙ্কের সাথে জড়িত।
পরীক্ষার কর্নার: SSC ও HSC
SSC ঘর্ষণ অধ্যায়ে ওজনের উপাংশ, স্থিতি ও গতি ঘর্ষণের পার্থক্য এবং স্থিতি কোণের সংজ্ঞা গুরুত্বপূর্ণ। HSC পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্রের ঘর্ষণ অধ্যায়ে স্থিতি কোণ ও ঘর্ষণ কোণের সম্পর্ক এবং নততলে ত্বরণের অঙ্ক নিয়মিত আসে। নিউটনের গতির সূত্র অ্যানিমেশনে যেমন সমতলে ঘর্ষণ দেখেছ, এখানে সেই একই ঘর্ষণ এখন একটা ঢালু তলে কাজ করছে — দুটো একসাথে পড়লে ধারণা আরও পরিষ্কার হয়।
একটি নমুনা সৃজনশীল প্রশ্ন
উদ্দীপক: একটি ২ kg ভরের বাক্স ৩০° কোণের একটি নততলে রাখা হলো, যার μₛ = ০.৪০ ও μₖ = ০.৩০।
ক) স্থিতি কোণ কাকে বলে? খ) স্থিতি ঘর্ষণ ও গতি ঘর্ষণের পার্থক্য লেখো। গ) বাক্সটি স্থির থাকবে কি না, গাণিতিকভাবে দেখাও। ঘ) “নততলের কোণ বাড়ালে ব্লকের ত্বরণও সরলরেখিকভাবে বাড়ে”— উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ করো।
গ-এর উত্তর: N = ১৭.০ N, সর্বোচ্চ স্থিতি ঘর্ষণ = ৬.৮ N, mg sinθ = ৯.৮ N যা তার চেয়ে বেশি, তাই বাক্সটি স্থির থাকবে না। ঘ-এর মূল কথা: a = g(sinθ − μₖcosθ) একটা sinθ আর cosθ-এর সমন্বয়, θ-এর সরলরেখিক (linear) ফাংশন নয় — তাই উক্তিটি ভুল, ত্বরণ কোণের সাথে সরলরেখিকভাবে বাড়ে না, বরং sinθ-cosθ-এর একটা জটিল সম্পর্কে বাড়ে।
রিভিশন: শেষ মুহূর্তের সারসংক্ষেপ
পরীক্ষার আগের রাতে শুধু এই তালিকাটা একবার দেখে নিলেই যথেষ্ট।
- ওজনের উপাংশ: তল-বরাবর mg sinθ, তল-লম্ব mg cosθ = N (অন্য উলম্ব বল না থাকলে)।
- স্থির থাকার শর্ত: mg sinθ ≤ μₛN, অর্থাৎ tanθ ≤ μₛ।
- স্থিতি কোণ: tanθᵣ = μₛ, θᵣ = tan⁻¹μₛ — ভরের ওপর নির্ভর করে না।
- পিছলানোর ত্বরণ: a = g(sinθ − μₖcosθ), ঘর্ষণহীন হলে a = g sinθ।
- μₖ সাধারণত μₛ-এর চেয়ে কম, তাই নড়া শুরু হওয়ার পর ঘর্ষণ বল কমে যায়।
- ধ্রুব বেগে নামার শর্ত: μₖ = tanθ, ত্বরণ শূন্য।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
নততল কাকে বলে?
অনুভূমিক তলের সাথে কোণ করে থাকা কোনো সমতল তলকে নততল বলে। এর ওপর রাখা বস্তুর ওজনকে তল-বরাবর ও তল-লম্ব দুটো উপাংশে ভাগ করে বিশ্লেষণ করা হয়।
নততলে ওজনের উপাংশগুলোর সূত্র কী?
তল-বরাবর উপাংশ mg sinθ, যা বস্তুকে নিচের দিকে ঠেলে। তল-লম্ব উপাংশ mg cosθ, যা লম্ব প্রতিক্রিয়া বল N-এর সমান হয়ে যায় (অন্য কোনো উলম্ব বল না থাকলে)।
স্থিতি কোণ কাকে বলে?
যে কোণে নততলে রাখা বস্তু ঠিক পিছলানো শুরু করে, তাকে স্থিতি কোণ (θᵣ) বলে। এর সূত্র tanθᵣ = μₛ, যেখানে μₛ স্থিতি ঘর্ষণ গুণাংক।
স্থিতি ঘর্ষণ ও গতি ঘর্ষণের পার্থক্য কী?
স্থিতি ঘর্ষণ বস্তু স্থির থাকা অবস্থায় কাজ করে, আর প্রয়োজন অনুযায়ী সর্বোচ্চ μₛN পর্যন্ত বদলায়। গতি ঘর্ষণ বস্তু নড়া শুরু করার পর কাজ করে, আর সাধারণত ধ্রুব মান μₖN নেয়, যেখানে μₖ < μₛ।
নততলে পিছলানোর সময় ত্বরণের সূত্র কী?
ঘর্ষণসহ পিছলানোর ত্বরণ a = g(sinθ − μₖcosθ)। ঘর্ষণ না থাকলে সহজ সূত্র a = g sinθ।
স্থিতি কোণ কি বস্তুর ভরের ওপর নির্ভর করে?
না। tanθᵣ = μₛ সূত্রে ভর নেই, কারণ ভর ওজনের উপাংশ ও লম্ব প্রতিক্রিয়া বল দুই জায়গাতেই একইভাবে গুণ হয়ে কেটে যায়। ভারী আর হালকা বস্তু একই তলে একই কোণে পিছলানো শুরু করে।
নততলে লম্ব প্রতিক্রিয়া বল কি সবসময় mg-এর সমান?
না। লম্ব প্রতিক্রিয়া বল N = mg cosθ, যা mg-এর চেয়ে কম (θ শূন্যের বেশি হলে)। শুধু সমতল অনুভূমিক তলে (θ = ০) N = mg হয়।
বেশি ভারী বস্তু কি নততলে বেশি সহজে পিছলায়?
না। স্থির থাকার শর্ত mg sinθ ≤ μₛN-এ mg ও N দুই পাশেই ভরের সমানুপাতিক, তাই ভর কেটে যায়। পিছলানো নির্ভর করে কোণ ও ঘর্ষণ গুণাংকের ওপর, ভরের ওপর না।
ধ্রুব বেগে নততল বেয়ে নামার শর্ত কী?
ত্বরণ শূন্য হতে হবে, অর্থাৎ mg sinθ = μₖ mg cosθ, তাই μₖ = tanθ। এই বিশেষ অবস্থায় গতি ঘর্ষণ ঠিক তল-বরাবর উপাংশের সমান হয়ে যায়।
এই বিষয়ের আরও পড়াশোনা
অ্যানিমেশনে ধারণা পরিষ্কার হলো, এবার পরীক্ষার প্রস্তুতি: সিলেবাস, সাজেশন, বই আর ভর্তি পরীক্ষার গাইড নিচে।
HSC
এইচএসসি পদার্থবিজ্ঞান: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
ভর্তি
ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি
SSC
এসএসসি পদার্থবিজ্ঞান: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
পাঠ্যবই
নবম-দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান বই
ভর্তি
ঢাবি বিজ্ঞান ইউনিট ভর্তি ২০২৬-২৭
English
Composition: The Uses of Electricity (ইংরেজিতে)
বাংলা
প্রতিবেদন: বিজ্ঞান মেলা
English
Paragraph: Science in Everyday Life (ইংরেজিতে)
SSC
এসএসসি সাজেশন
HSC
এইচএসসি সাজেশন
ভর্তি
বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার গাইড
SSC
এসএসসি সিলেবাস
HSC
এইচএসসি সিলেবাস
বিদেশে পড়াশোনা
জার্মানিতে উচ্চশিক্ষা
টেস্ট
Digital SAT Math guide (ইংরেজিতে)
স্কলারশিপ
বিদেশে পড়াশোনার স্কলারশিপ
IELTS
IELTS vocabulary: science and research (ইংরেজিতে)
টুল
GPA calculator (ইংরেজিতে)
ক্যারিয়ার
Civil engineer resume example (ইংরেজিতে)
আরও পদার্থবিজ্ঞান অ্যানিমেশন
SSC · HSC
আলোর প্রতিসরণ
আলোর প্রতিসরণ কাকে বলে, প্রতিসরণের সূত্র, সংকট কোণ ও পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন — সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা, ইন্টারঅ্যাকটিভ অ্যানিমেশন ও গাণিতিক উদাহরণসহ।
SSC · HSC
ওহমের সূত্র
ওহমের সূত্র কাকে বলে, বিবৃতি ও ব্যাখ্যা, V-I লেখচিত্র — বিভব পার্থক্য ও রোধ বদলে তড়িৎ প্রবাহ দেখো। শ্রেণি ও সমান্তরাল সমবায়, গাণিতিক উদাহরণসহ।
HSC
প্রাসের গতি
প্রাস কাকে বলে? কোণ ও আদিবেগ বদলে প্রাসের গতিপথ দেখো — বিচরণকাল, সর্বাধিক উচ্চতা ও আনুভূমিক পাল্লার সূত্র, গাণিতিক উদাহরণসহ।
SSC · HSC
সরল দোলক
সরল দোলক কাকে বলে, দোলনকালের সূত্র T=2π√(L/g) ও দোলকের সূত্রসমূহ — দৈর্ঘ্য বদলে দেখো। অভিকর্ষজ ত্বরণ নির্ণয়ের গাণিতিক উদাহরণসহ।
SSC · HSC
তড়িৎ ক্ষেত্র
তড়িৎ ক্ষেত্র কাকে বলে, তড়িৎ তীব্রতার সূত্র ও একক, বলরেখার বৈশিষ্ট্য — আধান বসিয়ে বলরেখা দেখো। কুলম্বের সূত্রের গাণিতিক উদাহরণসহ।
HSC
তরঙ্গের ব্যতিচার
তরঙ্গের উপরিপাতন নীতি ও ব্যতিচার কাকে বলে, গঠনমূলক ও ধ্বংসাত্মক ব্যতিচারের শর্ত, ডোরার প্রস্থ — দুই উৎস সরিয়ে নিজে দেখো, গাণিতিক উদাহরণসহ।
SSC · HSC
পড়ন্ত বস্তু ও পড়ন্ত বস্তুর সূত্র
পড়ন্ত বস্তুর তিনটি সূত্র কী, কে আবিষ্কার করেন, অভিকর্ষজ ত্বরণ ৯.৮ বলতে কী বোঝায়: মুদ্রা আর পালক ফেলে নিজে দেখো, সূত্র ও গাণিতিক সমস্যাসহ।
SSC · HSC
লেন্সে প্রতিবিম্ব গঠন
উত্তল লেন্স ও অবতল লেন্স কাকে বলে, প্রতিবিম্ব কীভাবে গঠিত হয়, লেন্সের সূত্র 1/u + 1/v = 1/f, বিবর্ধন ও লেন্সের ক্ষমতা: বস্তু টেনে সরিয়ে রশ্মি চিত্র নিজে দেখো।
SSC · HSC
নিউটনের গতির সূত্র
নিউটনের গতির তিনটি সূত্র, জড়তা, ভরবেগ, F = ma, ঘাত বল আর ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া: ট্রলি ঠেলে নিজে দেখো, সহজ উদাহরণ, সূত্র ও গাণিতিক সমস্যাসহ (SSC, HSC)।
SSC · HSC
গোলীয় দর্পণে প্রতিবিম্ব গঠন
অবতল দর্পণ ও উত্তল দর্পণ কাকে বলে, মেরু, বক্রতার কেন্দ্র, প্রধান ফোকাস, দর্পণের সূত্র 1/u + 1/v = 1/f ও বিবর্ধন: বস্তু টেনে সরিয়ে প্রতিবিম্ব গঠন নিজে দেখো।
SSC · HSC
তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ ও ফ্যারাডের সূত্র
তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ কাকে বলে, ফ্যারাডের সূত্র ও লেঞ্জের সূত্র কী বলে: চুম্বক টেনে কুণ্ডলীর ভেতর দিয়ে নিয়ে নিজে দেখো, গ্যালভানোমিটারের কাঁটা কেন দোলে, সূত্র ও অঙ্কসহ।
SSC · HSC
ভরবেগের সংরক্ষণ ও সংঘর্ষ
ভরবেগের সংরক্ষণ সূত্র কী, স্থিতিস্থাপক ও অস্থিতিস্থাপক সংঘর্ষের পার্থক্য কী: দুটো গাড়ি সংঘর্ষ করিয়ে নিজে দেখো, পুনরুদ্ধার সহগ e বদলে ভরবেগ ও গতিশক্তির বার-লেখচিত্র মিলিয়ে দেখো, সূত্র ও অঙ্কসহ।
SSC · HSC
কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি
কাজ কাকে বলে, গতিশক্তি ও বিভবশক্তির সূত্র কী, ক্ষমতা কীভাবে মাপা হয়: গড়িয়ে পড়া কার্টের সিমুলেশনে শক্তির রূপান্তর নিজে দেখো, সূত্র ও গাণিতিক সমস্যাসহ।
SSC · HSC
বৃত্তাকার গতি
সুতায় ঘোরা বলের সিমুলেশনে বৃত্তাকার গতি, কেন্দ্রমুখী বল F=mv²/r, কৌণিক বেগ, পর্যায়কাল দেখো। সুতা কাটলে বল কোথায় যায়? ব্যাংকিং ও গাণিতিক সমাধানসহ।
SSC
অনুপ্রস্থ ও অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ
একই উৎস থেকে দড়ির অনুপ্রস্থ তরঙ্গ আর স্প্রিং বা শব্দের অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ পাশাপাশি দেখো। তরঙ্গশীর্ষ, তরঙ্গপাদ, সংকোচন, প্রসারণ, তরঙ্গদৈর্ঘ্য, v = fλ আর কণা কেন তরঙ্গের সাথে চলে না, গাণিতিক সমাধানসহ।
SSC · HSC
লিভার ও ভ্রামক
সিসম্যর সিমুলেশনে বলের ভ্রামক M = F × d, ভ্রামকের নীতি, লিভারের তিন শ্রেণি ও যান্ত্রিক সুবিধা নিজে হাতে পরীক্ষা করো। সমাধান ও সৃজনশীল প্রশ্নসহ।
SSC · HSC
ভরকেন্দ্র
দণ্ডে আর পাতে ভর সরিয়ে ভরকেন্দ্র x = Σmx/Σm বের করো। অবলম্বন কোথায় রাখলে দণ্ড ভারসাম্যে থাকে, বাস কখন উল্টে যায়, সুস্থির-অস্থির-নিরপেক্ষ সাম্যাবস্থা: সিমুলেশন ও সমাধানসহ।
SSC · HSC
স্প্রিং-ভর ও সরল ছন্দিত স্পন্দন
স্প্রিংয়ে ঝোলানো ভরের সরল ছন্দিত স্পন্দন নিজে চালিয়ে দেখো। হুকের সূত্র, T = 2π√(m/k), শক্তির রূপান্তর, শ্রেণি ও সমান্তরাল স্প্রিং, সমাধান ও সৃজনশীল প্রশ্নসহ।
SSC · HSC
ভেক্টর যোগ: ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র
দুটি ভেক্টরের লব্ধি, ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র, উপাংশ, নদীতে নৌকা আর বৃষ্টিতে ছাতার আপেক্ষিক বেগ নিজে টেনে পরীক্ষা করো। সমাধান ও সৃজনশীল প্রশ্নসহ।
SSC · HSC
আপেক্ষিক বেগ: ট্রেন ও নদী পারাপার
দুই ট্রেন আর নদী পার হওয়া সাঁতারুকে নিজে চালিয়ে দেখো। আপেক্ষিক দ্রুতি, ট্রেন পার হওয়ার সময়, মুখের কোণ, ভাটিতে সরণ, সবচেয়ে কম সময় বনাম সবচেয়ে ছোট পথ, সমাধানসহ।
HSC
কেপলারের সূত্র ও উপবৃত্তাকার কক্ষপথ
উৎকেন্দ্রতা স্লাইডার টেনে কক্ষপথ লম্বা হতে দেখো। সমান সময়ে সমান ক্ষেত্রফলের সেক্টর, পর্যায়কালের সূত্র T² ∝ a³ আর মুক্তিবেগ, সমাধানসহ।
HSC
নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র, g ও কৃত্রিম উপগ্রহ
দুটি বস্তুর টান, ব্যস্তবর্গ সূত্রের লেখচিত্র, পৃথিবীর ওপরে-নিচে g আর উপগ্রহের কক্ষপথ নিজের হাতে চালিয়ে দেখো। কক্ষীয় বেগ, পর্যায়কাল, মুক্তিবেগ আর সমাধান করা অঙ্কসহ।
HSC
তার ও নলে স্থির তরঙ্গ
সিমুলেশনে তার টানো আর খোলা-বন্ধ নলে ফুঁ দাও। নোড, অ্যান্টিনোড, সমমেল দেখো এবং দৈর্ঘ্য, টান ও তাপমাত্রা কীভাবে সুর ঠিক করে তা শেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।
HSC
অনুনাদ নল ও শব্দের দ্রুতি
অনুনাদ নলে পানির স্তর সরিয়ে নিজেই জোর শব্দের জায়গা খুঁজুন। L১ = λ/৪ − e আর L২ = ৩λ/৪ − e দেখুন, v = 2f(L₂ − L₁) দিয়ে শব্দের দ্রুতি বের করুন, সমাধানসহ অঙ্ক অনুশীলন করুন।
HSC
স্বরকম্প: কাছাকাছি দুই সুরের স্পন্দন
প্রায় সমান কম্পাঙ্কের দুই তরঙ্গ যোগ করে শব্দের জোর-আস্তে স্পন্দন দেখুন। এনভেলপ আঁকা, স্বরকম্প কম্পাঙ্ক |f₁ − f₂| পড়া, শব্দ শোনা আর গিটার সুর মেলানোর পদ্ধতি শিখুন, সমাধানসহ।
HSC
ডপলার প্রভাব: চলমান উৎস, চলমান শ্রোতা ও সনিক বুম
শব্দের উৎসকে ধীরে-জোরে চালাও আর দেখো সামনে তরঙ্গমুখ কীভাবে ঠাসাঠাসি হয়, পেছনে কীভাবে ছড়িয়ে পড়ে। ডপলারের সূত্র, অ্যাম্বুলেন্স ও ট্রেনের অঙ্ক এবং সনিক বুম শেখো।
SSC · HSC
প্রিজম, আলোর বিচ্ছুরণ ও রামধনু
সাদা আলো প্রিজমে ফেলো, প্রিজম কোণ আর আপতন কোণ বদলাও, আর দেখো বর্ণালি কীভাবে তৈরি হয়। বিচ্যুতি, ন্যূনতম বিচ্যুতি, বিচ্ছুরণ ক্ষমতা এবং বৃষ্টির ফোঁটায় রামধনু সৃষ্টির অঙ্কসহ ব্যাখ্যা।
HSC
কির্শফের সূত্র: সংযোগ সূত্র ও বদ্ধ পথ সূত্র
দুটি ব্যাটারি আর তিনটি রোধের দুই-লুপ বর্তনী নিজে সাজাও। সংযোগ বিন্দুতে প্রবাহ ভাগ হওয়া দেখো, বিভবের যোগফল শূন্য হতে দেখো আর কির্শফের সূত্রের অঙ্ক ধাপে ধাপে করতে শেখো।
HSC
হুইটস্টোন ব্রিজ ও মিটার ব্রিজ
হুইটস্টোন ব্রিজের সাম্য নষ্ট করে গ্যালভানোমিটারের কাঁটা নড়তে দেখো। P/Q = R/S হলে কাঁটা শূন্যে আসে। মিটার ব্রিজে জকি সরিয়ে অজানা রোধ মাপো, গাণিতিক উদাহরণসহ।
HSC
একক চিড়ে অপবর্তন
চিড়ের প্রস্থ ও তরঙ্গদৈর্ঘ্য বদলে দেখো আলো কীভাবে ছড়ায়। তীব্রতার সূত্র I = I₀(sin β/β)², অন্ধকার পট্টির শর্ত a sin θ = mλ আর কেন্দ্রীয় পট্টির প্রস্থ 2λD/a, সমাধানসহ।
SSC · HSC
চোখের ত্রুটি ও তার প্রতিকার
স্বাভাবিক, ক্ষীণদৃষ্টি, দীর্ঘদৃষ্টি ও বার্ধক্যের চোখ বদলে বদলে দেখো। প্রতিবিম্ব কেন রেটিনার সামনে বা পেছনে পড়ে, আর কোন লেন্স কত ডায়োপ্টারে তা ঠিক করে, সিমুলেশনে হাতে-কলমে শেখো।
HSC
আলোর সমবর্তন: ম্যালাসের সূত্র ও ব্রুস্টারের সূত্র
পোলারাইজারের পেছনে অ্যানালাইজার ঘুরিয়ে গ্রাফে I = I₀cos²θ দেখো, তারপর কাচে আলো ফেলে ব্রুস্টার কোণ খুঁজে বের করো। পোলারয়েড সানগ্লাস, তিন ফিল্টারের ধাঁধা ও সমাধান করা অঙ্কসহ।
HSC
ক্যাপাসিটরের আহিতকরণ ও নিরাহিতকরণ: আরসি সময় ধ্রুবক
রোধের মধ্য দিয়ে ক্যাপাসিটর আহিত ও নিরাহিত করো। E, R, C বদলে V = E(1 − e^(−t/RC)) আর প্রবাহের বক্রেখা আঁকা দেখো, ৬৩% সময় ধ্রুবক আর সঞ্চিত শক্তি বের করো।
SSC · HSC
চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা: দণ্ডচুম্বক, তড়িৎবাহী সরল তার ও সলিনয়েড
দণ্ডচুম্বক, সরল তার ও সলিনয়েডের চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা দেখো। কম্পাস টানো, প্রবাহের দিক উল্টাও আর শেখো B = μ₀I/2πr, B = μ₀nI ও ডান হাতের মুষ্টি নিয়ম।
HSC
এসি জেনারেটর
চুম্বকের দুই মেরুর মাঝে কুণ্ডলী ঘুরিয়ে এসি জেনারেটরের সাইন তরঙ্গ নিজের চোখে দেখো। N, A, B আর rpm বদলে E₀ = NBAω ও কার্যকর মান বের করো, জানো কেন বাংলাদেশে মেইন ৫০ Hz।
SSC · HSC
ট্রান্সফর্মার
ট্রান্সফর্মারের প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি পাক বদলে দেখো ভোল্টেজ কীভাবে বাড়ে-কমে। Vs = Vp·Ns/Np, ক্ষমতার সংরক্ষণ, বাস্তব দক্ষতা আর উচ্চ ভোল্টেজে বিদ্যুৎ পাঠানোর কারণ বোঝো।
SSC · HSC
তাপের সঞ্চালন: পরিবহন, পরিচলন ও বিকিরণ
তামা, অ্যালুমিনিয়াম, কাচ বা কাঠের দণ্ড গরম করে Q/t = kAΔT/L দেখো, বিকারে পরিচলন স্রোত ঘুরতে দেখো, আর T⁴ মেনে বিকিরিত ক্ষমতা কীভাবে বাড়ে তা যাচাই করো। সারণি ও সমাধান করা অঙ্কসহ।
HSC
আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া: আইনস্টাইনের সমীকরণ ও নিবৃত্তি বিভব
ভ্যাকুয়াম নলে সোডিয়াম, দস্তা বা তামার পাতে যেকোনো তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো ফেলো। সূচন কম্পাঙ্কের নিচে ইলেকট্রন বের হয় না কেন, K = hf − φ কীভাবে নিবৃত্তি বিভব ঠিক করে, আর উজ্জ্বলতা কেন শুধু প্রবাহ বদলায় তা নিজে দেখো।
SSC · HSC
মোটর ক্রিয়া: তড়িৎবাহী তারের ওপর বল ও ডিসি মোটর
চৌম্বক ক্ষেত্রে তড়িৎবাহী তার রাখলে সেটা কীভাবে ধাক্কা খায় নিজের চোখে দেখো। B, I, L আর কোণ বদলাও, ফ্লেমিংয়ের বাম হাতের নিয়ম মিলিয়ে নাও, তারপর বিভক্ত-বলয় কম্যুটেটরসহ ডিসি মোটর ঘুরিয়ে টর্কের লেখচিত্র দেখো।
HSC
গ্যাসের অণু ও গতিতত্ত্ব: চাপ, তাপমাত্রা ও দ্রুতি
বাক্সের ভেতরে গ্যাসের অণুদের ছোটাছুটি দেখো। তাপমাত্রা বাড়াও, গ্যাস বদলাও, আয়তন চেপে ধরো, আর দেখো দেয়ালে ধাক্কা গুনে পাওয়া চাপ PV = NkT-এর সঙ্গে মিলে যাচ্ছে। ম্যাক্সওয়েল-বোল্টজম্যান বক্ররেখার সঙ্গে দ্রুতি মেলাও এবং গড়বর্গমূল দ্রুতির অঙ্ক করো।
HSC
অর্ধপরিবাহী ডায়োড: p–n সন্ধি, I–V বক্ররেখা ও রেক্টিফায়ার
p–n সন্ধিতে বায়াস দিয়ে দেখো নিঃশেষিত স্তর কীভাবে সরু বা চওড়া হয়, বাহক কীভাবে পার হয় আর শকলির I–V বক্ররেখা কেমন হয়। সিলিকন ও জার্মেনিয়ামের তুলনা, ভাঙন আর অর্ধতরঙ্গ রেক্টিফায়ার হাতে-কলমে।
SSC · HSC
তেজস্ক্রিয় ক্ষয়: অর্ধায়ু, ক্ষয় সূত্র ও বিকিরণের ভেদন ক্ষমতা
২৪০টি নিউক্লিয়াসকে এলোমেলোভাবে ক্ষয় হতে দেখো, N = N₀e^(−λt) সূত্র মিলিয়ে নাও, লেখচিত্র থেকে অর্ধায়ু মাপো, আর দেখো আলফা, বিটা ও গামা কাগজ, অ্যালুমিনিয়াম ও সীসা কতটা ভেদ করে।
HSC
বোর পরমাণু মডেল: কক্ষপথ, শক্তিস্তর ও হাইড্রোজেনের বর্ণালি
হাইড্রোজেনের ইলেকট্রনকে n = ১ থেকে ৬ কক্ষপথে লাফ দেওয়াও, 1/λ = R(1/n₁² − 1/n₂²) থেকে ফোটনের রং বের করো আর শক্তিস্তরের চিত্র ও বর্ণালির পট্টিতে লাইম্যান, বামার, পাশেন শ্রেণি দেখো।
অন্য বিষয়ের অ্যানিমেশন
রসায়ন
পরমাণুর গঠন
রসায়ন
এসিড, ক্ষারক ও pH স্কেল
রসায়ন
ইলেকট্রন বিন্যাস
রসায়ন
গ্যাসের সূত্র: বয়েল, চার্লস ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ
রসায়ন
আয়নিক বন্ধন কীভাবে গঠিত হয়
রসায়ন
তড়িৎ বিশ্লেষণ ও ফ্যারাডের সূত্র
রসায়ন
সমযোজী বন্ধন
রসায়ন
পর্যায়বৃত্ত ধর্ম
রসায়ন
বিক্রিয়ার হার ও সংঘর্ষ তত্ত্ব
রসায়ন
পদার্থের অবস্থা: কঠিন, তরল, গ্যাসীয় ও তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র
রসায়ন
পরমাণুর অরবিটাল: s, p, d-এর আকৃতি, কোয়ান্টাম সংখ্যা ও নোড
রসায়ন
আণবিক আকৃতি ও ভিএসইপিআর তত্ত্ব: বন্ধন জোড়, মুক্তজোড় ও বন্ধন কোণ
রসায়ন
মোল ধারণা: মোলার ভর, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা ও মোলার আয়তন
রসায়ন
ব্যাপন ও নিঃসরণ: গ্রাহামের সূত্র
রসায়ন
রাসায়নিক সমীকরণ সমতাকরণ: পদ্ধতি, উদাহরণ ও অনুশীলন
রসায়ন
রাসায়নিক সাম্যাবস্থা: সাম্যধ্রুবক Kc ও লা শাতেলিয়ের নীতি
রসায়ন
টাইট্রেশন: অম্ল-ক্ষারের ঘনমাত্রা বের করার পদ্ধতি
রসায়ন
গ্যালভানিক কোষ: ড্যানিয়েল কোষ, EMF ও নার্নস্ট সমীকরণ
রসায়ন
জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া: জারণ সংখ্যা, ইলেকট্রন স্থানান্তর ও অর্ধ-সমীকরণ
রসায়ন
হাইড্রোকার্বন: অ্যালকেন, অ্যালকিন, অ্যালকাইন ও কাঠামোগত সমাণু ত্রিমাত্রায়
রসায়ন
কার্যকরী মূলক: অ্যালকোহল, অ্যালডিহাইড, কিটোন, অ্যাসিড, এস্টার ও অ্যামিন
রসায়ন
পলিমারকরণ: যোজন ও ঘনীভবন পলিমার, পলিথিন ও নাইলন
রসায়ন
মিশ্রণ আলাদা করার পদ্ধতি: ছাঁকন, পাতন, ক্রোমাটোগ্রাফি, স্ফটিকীকরণ
রসায়ন
কেলাস জালক: SC, BCC ও FCC একক কোষ, প্যাকিং দক্ষতা ও ঘনত্ব
রসায়ন
তেজস্ক্রিয়তা: আলফা, বিটা, গামা ক্ষয় ও অর্ধায়ু
জীববিজ্ঞান
মাইটোসিস কোষ বিভাজন
জীববিজ্ঞান
ব্যাপন ও অভিস্রবণ
জীববিজ্ঞান
সালোকসংশ্লেষণ
জীববিজ্ঞান
মানব হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কাজ
জীববিজ্ঞান
মেন্ডেলের বংশগতি সূত্র
জীববিজ্ঞান
ডিএনএ রেপ্লিকেশন
জীববিজ্ঞান
কোষীয় শ্বসন
জীববিজ্ঞান
এনজাইম ক্রিয়া
জীববিজ্ঞান
স্নায়ু উদ্দীপনার পরিবহন ও অ্যাকশন পটেনশিয়াল
জীববিজ্ঞান
নেফ্রন ও মূত্র তৈরির প্রক্রিয়া
জীববিজ্ঞান
মিয়োসিস কোষ বিভাজন
জীববিজ্ঞান
পরিপাকতন্ত্র
জীববিজ্ঞান
শ্বাসক্রিয়ার কৌশল: প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস
জীববিজ্ঞান
প্রোটিন সংশ্লেষণ
জীববিজ্ঞান
রক্ত সংবহন: দ্বি-সংবহন ও কার্ডিয়াক আউটপুট
জীববিজ্ঞান
কোষের গঠন ও অঙ্গাণু: উদ্ভিদ কোষ বনাম প্রাণী কোষ
জীববিজ্ঞান
প্রতিবর্ত ক্রিয়া ও প্রতিবর্ত চাপ
জীববিজ্ঞান
মানুষের চোখ: গঠন, প্রতিবিম্ব ও উপযোজন
জীববিজ্ঞান
পেশি সংকোচন ও স্লাইডিং ফিলামেন্ট মডেল
জীববিজ্ঞান
উদ্ভিদে পরিবহন: জাইলেম, ফ্লোয়েম ও বাষ্পমোচন
জীববিজ্ঞান
খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজাল: শক্তির প্রবাহ ও ১০ % নিয়ম
জীববিজ্ঞান
জনসংখ্যা বৃদ্ধি: সূচকীয় ও লজিস্টিক রেখা
জীববিজ্ঞান
প্রাকৃতিক নির্বাচন: পেপার্ড মথ ও কালিঝুলি মাখা গাছ
জীববিজ্ঞান
রোগপ্রতিরোধ: প্রাথমিক ও গৌণ অ্যান্টিবডি সাড়া
জীববিজ্ঞান
পরাগায়ন ও নিষেক
গণিত
পিথাগোরাসের উপপাদ্য
গণিত
ত্রিকোণমিতিক অনুপাত ও একক বৃত্ত
গণিত
দ্বিঘাত সমীকরণ ও দ্বিঘাত ফাংশনের লেখচিত্র
গণিত
বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য
গণিত
দূরত্ব ও উচ্চতা: উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ
গণিত
সম্ভাবনা: পরীক্ষালব্ধ বনাম তাত্ত্বিক সম্ভাবনা
গণিত
সমান্তর ও গুণোত্তর ধারা
গণিত
গড়, মধ্যক ও প্রচুরক
গণিত
সেট ও ভেনচিত্র
গণিত
সরল সহসমীকরণ ও সরলরেখার লেখচিত্র
গণিত
sin, cos, tan-এর লেখচিত্র
গণিত
পূর্ণবর্গ পদ্ধতি ও দ্বিঘাত সমীকরণের সমাধান
গণিত
বৃত্তের ক্ষেত্রফল: সূত্র, প্রমাণ ও সমাধান
গণিত
ঘনবস্তুর আয়তন ও তলের ক্ষেত্রফল: ঘনক, আয়তঘন, বেলন, কোণক, গোলক
গণিত
সদৃশ ত্রিভুজ: স্কেল ফ্যাক্টর, AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়া থেকে উচ্চতা
গণিত
স্থানাঙ্ক জ্যামিতি: দূরত্ব, মধ্যবিন্দু, ঢাল, বিভক্তিকরণ সূত্র ও সঞ্চারপথ
গণিত
শাঙ্কব ছেদ: বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত ও অধিবৃত্ত
গণিত
ফাংশনের রূপান্তর: সরানো, টানা ও উল্টানো
গণিত
অন্তরীকরণ: স্পর্শকের ঢাল ও ছেদক থেকে স্পর্শক
গণিত
রিম্যান যোগফল ও সমাকলন: বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফল
গণিত
সীমা ও ε–δ সংজ্ঞা: ছবিতে বোঝা
গণিত
ত্রিমাত্রিক ভেক্টর: যোগ, ডট গুণ ও ক্রস গুণ
গণিত
ম্যাট্রিক্স রূপান্তর: ঘূর্ণন, প্রতিফলন, শিয়ার ও নির্ণায়ক
গণিত
জটিল সংখ্যা: আরগান্ড সমতলে যোগ, গুণ, ঘাত ও মূল
গণিত






















