মূলপাতা
লগইন

Color

Indigo
Red
Green
Teal
Blue
Purple
Rose

Mode

Light
EN

গড়, মধ্যক ও প্রচুরক: সংখ্যা রেখায় বিন্দু টেনে বুঝে নাও

কোনো উপাত্তগুচ্ছের প্রতিনিধিত্বকারী একটি মান বের করার তিনটি প্রধান উপায় হলো গড় (সব মানের যোগফল ভাগ ভাগফল), মধ্যক (সাজানো মানগুলোর মাঝের মান) আর প্রচুরক (সবচেয়ে বেশিবার আসা মান)। এদের ছড়িয়ে থাকার পরিমাপ হলো বিস্তার আর আদর্শ ব্যবিচলন। উদাহরণে ৭টি মানের গড় = ৬, মধ্যক = ৫।

বিন্দুতে ধরে টেনে সরাও, অথবা স্লাইডার ব্যবহার করো

গড়, x̄মধ্যকপ্রচুরকগড় ± ১ আদর্শ ব্যবিচলন

নিয়ন্ত্রণ

উপাত্তের ধরন

২
৪
৫
৫
৭
৯
১০

পরিমাপ

গড়, x̄
৬.০০
মধ্যক
৫.০০
প্রচুরক
৫
বিস্তার (সর্বোচ্চ − সর্বনিম্ন)
৮
আদর্শ ব্যবিচলন, σ
২.৬২

সিমুলেশনটি কীভাবে ব্যবহার করবে

  1. একক উপাত্ত মোডে সংখ্যা রেখার বিন্দুগুলো ধরে টেনে সরাও: গড়, মধ্যক আর প্রচুরকের চিহ্ন সাথে সাথে বদলে যায়।
  2. “একটি ব্যতিক্রমী মান (আউটলায়ার) যুক্ত করো” টিক দাও: গড়ের চিহ্ন অনেকটা দূরে সরে যায়, কিন্তু মধ্যকের চিহ্ন প্রায় জায়গায় থাকে।
  3. ছায়াময় ফিতাটা লক্ষ করো: এটা গড় ± ১ আদর্শ ব্যবিচলন দেখায়, যত বেশি ছড়িয়ে থাকা উপাত্ত তত চওড়া ফিতা।
  4. এবার “শ্রেণিবদ্ধ উপাত্ত” মোডে যাও: প্রতিটি শ্রেণির গণসংখ্যা স্লাইড করো, দেখো মধ্যক শ্রেণি আর প্রচুরক শ্রেণি কীভাবে বদলায়।
  5. একটি শ্রেণির গণসংখ্যা শূন্য করে দেখো: হিস্টোগ্রামের সেই দণ্ড উধাও হয়ে যায়, আর মধ্যক-প্রচুরক পাশের শ্রেণিতে সরে যায়।

ক্লাস টেস্টের নম্বর আর একটা বড় বেতনের গল্প

সাতজন বন্ধুর ক্লাস টেস্টে নম্বর: ২, ৪, ৫, ৫, ৭, ৯, ১০ (মোট ১০-এর মধ্যে)। কারো কাছে যদি জানতে চাও “তোমাদের দলের নম্বর কেমন”, একটামাত্র সংখ্যা দিয়ে উত্তর দিতে হলে কী বলবে? এই একটামাত্র প্রতিনিধি সংখ্যা বের করার তিনটি পথ নিয়েই এই পাতা।

এখন কল্পনা করো একটা ছোট অফিসে ৯ জন কর্মচারীর মাসিক বেতন প্রায় সমান, কিন্তু দশম জন হলেন মালিক, যার বেতন বাকি সবার চেয়ে বহুগুণ বেশি। “গড় বেতন” বললে একটা অবাস্তব বড় সংখ্যা আসবে, যা আসলে কারো বেতনের কাছাকাছিও নয়। অথচ “মধ্যক বেতন” বললে সেই একজনের প্রভাব প্রায় পড়েই না। এই পার্থক্যটাই সংখ্যাতত্ত্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা।

উপরের সিমুলেশনে ঠিক এই দৃশ্যটাই দেখা যায়: বিন্দুগুলো সংখ্যা রেখায় সাজানো থাকে, আর “আউটলায়ার” টিক দিলে অফিসের মালিকের মতো একটা দূরের মান যুক্ত হয়ে যায়।

ক্রিকেট খেলা দেখলেও এই তিনটে পরিমাপ চেনা লাগবে। একজন ব্যাটসম্যানের “গড়” বলতে তার সব ইনিংসের রান যোগ করে আউট হওয়ার সংখ্যা দিয়ে ভাগ করা বোঝানো হয়। কিন্তু একটামাত্র অসাধারণ বড় ইনিংস (যেমন দ্বিশতক) সেই গড়কে অনেকখানি উঁচুতে তুলে দিতে পারে, যদিও বাকি ইনিংসগুলোয় রান ছিল অনেক কম। তখন প্রশ্ন আসে: শুধু গড় দিয়ে কি খেলোয়াড়ের সত্যিকারের নিয়মিত পারফরম্যান্স বোঝা যায়, নাকি মধ্যক নিলে বেশি বাস্তব ছবি পাওয়া যাবে?

একদম শুরু থেকে: কেন্দ্রীয় প্রবণতা আর বিস্তার

একগুচ্ছ উপাত্তকে একটামাত্র সংখ্যায় প্রকাশ করার প্রচেষ্টাকে বলে কেন্দ্রীয় প্রবণতার পরিমাপ (measure of central tendency)। এর তিনটি প্রধান রূপ: গড় (mean), মধ্যক (median) আর প্রচুরক (mode)।

গড় হলো সব মান যোগ করে মোট সংখ্যা দিয়ে ভাগ করা ফল: x̄ = (Σx) ÷ n। মধ্যক হলো উপাত্তগুলো ছোট থেকে বড় সাজিয়ে ঠিক মাঝখানের মান (জোড় সংখ্যক মান হলে মাঝের দুটোর গড়)। প্রচুরক হলো যে মান সবচেয়ে বেশিবার এসেছে।

কিন্তু দুটো দলের গড় একই হলেও তাদের উপাত্ত সমানভাবে ছড়ানো নাও হতে পারে। এই ছড়িয়ে থাকার পরিমাপকে বলে বিস্তার-পরিমাপ (measure of dispersion), যার দুটো সহজ রূপ বিস্তার (সর্বোচ্চ − সর্বনিম্ন) আর আদর্শ ব্যবিচলন (গড় থেকে প্রতিটি মান কতটা দূরে, তার একটা গড় করা পরিমাপ)।

গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলো

সূত্রে যাওয়ার আগে শব্দগুলো ঝালিয়ে নিই। পরীক্ষার সংজ্ঞামূলক প্রশ্ন এখান থেকেই আসে।

শব্দপ্রতীকসহজ ভাষায় অর্থ
গড়x̄সব মানের যোগফলকে মানের সংখ্যা দিয়ে ভাগ করা ফল
মধ্যকMedianছোট থেকে বড় সাজানো উপাত্তের ঠিক মাঝের মান
প্রচুরকModeউপাত্তে সবচেয়ে বেশিবার আসা মান
বিস্তারRangeসর্বোচ্চ মান বাদ সর্বনিম্ন মান
আদর্শ ব্যবিচলনσগড় থেকে প্রতিটি মানের দূরত্বের বর্গের গড়ের বর্গমূল
আউটলায়ার—বাকি উপাত্তের তুলনায় অস্বাভাবিক দূরে থাকা একটি মান
শ্রেণি ব্যবধানhশ্রেণিবদ্ধ উপাত্তে প্রতিটি শ্রেণির প্রস্থ (উচ্চ সীমা − নিম্ন সীমা)
মধ্যক শ্রেণি—যে শ্রেণিতে ক্রমযোজিত গণসংখ্যা প্রথমবার n/২ ছাড়িয়ে যায়

গড়, মধ্যক ও প্রচুরক নির্ণয়ের সূত্র

তিনটি পরিমাপের সংজ্ঞা থেকেই তাদের নির্ণয়ের নিয়ম বেরিয়ে আসে।

x̄ = (Σx) / nসব মানের যোগফল ভাগ মোট সংখ্যা দিয়ে

Median = ((n+1)/2)-তম মান, n বিজোড় হলেজোড় হলে মাঝের দুই মানের গড়

σ = √( Σ(x − x̄)² / n )গড় থেকে দূরত্বের বর্গের গড়, তারপর বর্গমূল

মধ্যক বের করার নিয়ম: জোড় বনাম বিজোড়

প্রথমে উপাত্তগুলো ছোট থেকে বড় সাজাও। মোট মানের সংখ্যা n বিজোড় হলে, মাঝের একটামাত্র মানই মধ্যক। n জোড় হলে ঠিক মাঝখানে দুটো মান পড়ে, তাদের গড়ই মধ্যক।

উদাহরণে (৭টি মান, বিজোড়): সাজানো ক্রম ২, ৪, ৫, ৫, ৭, ৯, ১০। মাঝের (৪র্থ) মান ৫, তাই মধ্যক = ৫।

কেন আদর্শ ব্যবিচলনে বর্গ করা হয়, তারপর বর্গমূল

প্রতিটি মান গড় থেকে কতটা দূরে (x − x̄) যোগ করলে সবসময় শূন্য হয়ে যায়, কারণ গড়ের চেয়ে বড় মানগুলোর ধনাত্মক দূরত্ব আর ছোট মানগুলোর ঋণাত্মক দূরত্ব একে অপরকে কাটাকাটি করে দেয়। এই সমস্যা এড়াতে প্রতিটা দূরত্বকে বর্গ করা হয় (ফলে সব সংখ্যা ধনাত্মক হয়ে যায়), তারপর তাদের গড় করে বর্গমূল নিয়ে আসল এককে ফিরিয়ে আনা হয়।

উদাহরণে গড় ৬। প্রতিটি মানের বিচলন আর তার বর্গ নিচের সারণিতে দেখানো আছে; বর্গগুলোর গড় ৬.৮৬, তার বর্গমূল σ = ২.৬২।

মধ্যক কেন আউটলায়ারে অটুট থাকে

গড় হিসাব করতে প্রতিটি মানের সঠিক পরিমাণ (magnitude) লাগে, তাই একটা অস্বাভাবিক বড় বা ছোট মান গড়কে তার দিকে টেনে নিয়ে যায়। কিন্তু মধ্যক হিসাব করতে দরকার শুধু ক্রম (কোনটা সাজানো তালিকায় কোথায় আছে), মান কতটা বড় তা নয়। একটা আউটলায়ার তালিকার এক প্রান্তে বসে, কিন্তু মাঝের অবস্থান একটুও বদলায় না।

উদাহরণে (৭টি মান): গড় ৬, মধ্যক ৫। এখন ৩৫ মানের একটা আউটলায়ার যুক্ত করলে (মোট ৮টি মান): গড় বেড়ে হয় ৯.৬২৫ — বিশাল পরিবর্তন। কিন্তু মধ্যক হয় শুধু ৬ — মাত্র একটু বদল, কারণ এটা এখনো মাঝের দুই মানের গড়, আর সেই দুই মান প্রায় একই আছে।

এই কারণেই বাস্তব জীবনে যেখানে চরম মান (খুব বড় বেতন, খুব দামী বাড়ি) থাকতে পারে, সেখানে “গড়” না বলে “মধ্যক” ব্যবহার করা হয় — যেমন কোনো দেশের “মধ্যক আয়” প্রকাশ করা হয়, কারণ কয়েকজন কোটিপতির আয় গড়কে অবাস্তব উঁচুতে তুলে দিত।

শ্রেণিবদ্ধ উপাত্ত: বড় তালিকাকে সংক্ষেপ করা

শত শত মান হাতে থাকলে প্রতিটি আলাদা মান লেখা কঠিন। তখন মানগুলোকে সমান প্রস্থের শ্রেণিতে (যেমন ০-৫, ৫-১০, ১০-১৫…) ভাগ করে প্রতি শ্রেণিতে কতটি মান পড়ল তা গোনা হয়, একে বলে গণসংখ্যা। এই সংক্ষিপ্ত রূপকে বলে শ্রেণিবদ্ধ উপাত্ত।

শ্রেণিবদ্ধ উপাত্তে প্রতিটি মানের সঠিক সংখ্যা জানা থাকে না, তাই ধরে নেওয়া হয় প্রতিটি মান তার শ্রেণির মধ্যবিন্দুতেই আছে। এই ধরে নেওয়ার কারণে সূত্রগুলো একটু আলাদা: গড় বের হয় মধ্যবিন্দু ব্যবহার করে, আর মধ্যক-প্রচুরক বের হয় একটা অন্তঃক্ষেপণ (interpolation) সূত্র দিয়ে, যা ধরে নেয় শ্রেণির ভেতরে মানগুলো সমানভাবে ছড়ানো।

x̄ = Σ(f × মধ্যবিন্দু) / Σfপ্রতিটি মান তার শ্রেণির মধ্যবিন্দুতে ধরে নেওয়া হয়

Median = L + ((n/2 − cf)/f) × hL = মধ্যক শ্রেণির নিম্ন সীমা, cf = আগের সব শ্রেণির যোগ গণসংখ্যা

Mode = L + ((f₁ − f₀)/(2f₁ − f₀ − f₂)) × hL = প্রচুরক শ্রেণির নিম্ন সীমা, f₁ তার গণসংখ্যা, f₀·f₂ আগে-পরের শ্রেণির গণসংখ্যা

সিমুলেশনের ডিফল্ট শ্রেণিবদ্ধ উপাত্তে মিলিয়ে দেখা

ডিফল্ট গণসংখ্যা ৪, ৮, ১০, ৬, ২ (শ্রেণি ০-৫, ৫-১০, ১০-১৫, ১৫-২০, ২০-২৫), মোট n = ৩০। গড় = ১১.৫, মধ্যক শ্রেণি ১০-১৫ (কারণ ক্রমযোজিত গণসংখ্যা ৪+৮ = ১২ থেকে ১২+১০ = ২২-এ উঠে n/২ = ১৫ ছাড়িয়ে যায়), মধ্যক = ১১.৫। এই শ্রেণিই সবচেয়ে বেশি গণসংখ্যার (১০), তাই প্রচুরক শ্রেণিও একই, প্রচুরক = ১১.৬৭।

কোন পরিমাপ কখন বেছে নেবে

তিনটি পরিমাপই সঠিক, কিন্তু সব পরিস্থিতিতে সমান কার্যকর নয়।

পরিস্থিতিকোনটা বেছে নেবেকেন
উপাত্ত মোটামুটি সমান হারে ছড়ানো, চরম মান নেইগড়প্রতিটি মানের তথ্য ব্যবহার করে, সবচেয়ে বেশি তথ্যসমৃদ্ধ
কিছু চরম মান বা আউটলায়ার আছে (আয়, সম্পদ, বাড়ির দাম)মধ্যকঅবস্থান-ভিত্তিক, চরম মানে টানে না
উপাত্ত সংখ্যাগত নয়, শ্রেণিভিত্তিক (রং, জুতার মাপ, দল)প্রচুরকএকমাত্র পরিমাপ যা অ-সংখ্যাগত উপাত্তেও কাজ করে
প্রতিটি মানের সঠিক সংখ্যা নেই, শুধু শ্রেণির গণসংখ্যা আছেশ্রেণিবদ্ধ সূত্রঅন্তঃক্ষেপণ দিয়ে আনুমানিক মধ্যক-প্রচুরক দেয়

সিমুলেশনে নিজে পরীক্ষা করো

প্রতিটি পরীক্ষার আগে অনুমান করো, তারপর সিমুলেশন চালিয়ে মিলিয়ে দেখো।

  • একক উপাত্তে দুটি বিন্দু টেনে একই মানে বসিয়ে দাও: প্রচুরক রিডিং একটা নির্দিষ্ট সংখ্যা দেখাবে, আর বিন্দুগুলো সংখ্যা রেখার উপর একটার উপর একটা স্তূপ হয়ে জমবে।
  • সব বিন্দুকে আলাদা আলাদা মানে সরিয়ে দাও (কোনো পুনরাবৃত্তি না রেখে): প্রচুরক রিডিং “কোনো মান পুনরাবৃত্ত নয়” দেখাবে।
  • আউটলায়ার চালু করে ছায়াময় ফিতাটা (গড় ± ১ আদর্শ ব্যবিচলন) দেখো: আউটলায়ার যুক্ত হলে ফিতা অনেক চওড়া হয়ে যায়, কারণ ব্যবিচলন বেড়ে যায়।
  • শ্রেণিবদ্ধ মোডে একটা মাঝের শ্রেণির গণসংখ্যা সর্বোচ্চ করে দাও: সেই শ্রেণি প্রচুরক শ্রেণি হয়ে যাবে, আর মধ্যক শ্রেণিও প্রায়ই একই শ্রেণিতে চলে আসবে।
  • শ্রেণিবদ্ধ মোডে প্রথম আর শেষ শ্রেণির গণসংখ্যা শূন্য করে দাও: বাকি তিনটা শ্রেণি নিয়েই মধ্যক-প্রচুরক নতুন করে হিসাব হবে, সূত্র ঠিক একই থাকে।

গাণিতিক সমস্যা ও সমাধান

প্রতিটি সমাধানে প্রথমে উপাত্ত সাজানো, তারপর সূত্র, তারপর হিসাব — পরীক্ষায় এই ক্রম মেনে লিখলে পুরো নম্বর পাবে।

সমস্যা ১: সিমুলেশনের ডিফল্ট একক উপাত্ত

উপাত্ত: ২, ৪, ৫, ৫, ৭, ৯, ১০ (n = ৭)। গড় = (২+৪+৫+৫+৭+৯+১০)/৭ = ৬। সাজানো ক্রমে মাঝের মান = ৫, তাই মধ্যক = ৫। ৫ সংখ্যাটি দু'বার আসে, বাকিরা একবার, তাই প্রচুরক = ৫। বিস্তার = ১০ − ২ = ৮।

সমস্যা ২: একটি আউটলায়ার যুক্ত করলে কী বদলায়

সমস্যা ১-এর উপাত্তে ৩৫ যুক্ত করলে (n = ৮): নতুন গড় = (৪২+৩৫)/৮ = ৯.৬২৫, আগের ৬ থেকে বিশাল লাফ। কিন্তু নতুন মধ্যক = ৬, আগের ৫ থেকে সামান্য বদল, কারণ মাঝের দুই মান এখনও প্রায় একই জায়গায়।

সমস্যা ৩: সিমুলেশনের ডিফল্ট শ্রেণিবদ্ধ উপাত্ত

শ্রেণি ০-৫, ৫-১০, ১০-১৫, ১৫-২০, ২০-২৫-এর গণসংখ্যা ৪, ৮, ১০, ৬, ২ (মোট n = ৩০)। গড় = Σ(f×মধ্যবিন্দু)/n = ১১.৫। মধ্যক শ্রেণি ১০-১৫ (L=১০, cf=১২, f=১০, h=৫): Median = ১০ + ((১৫−১২)/১০)×৫ = ১১.৫। প্রচুরক শ্রেণিও ১০-১৫ (f₁=১০, f₀=৮, f₂=৬): Mode = ১০ + ((১০−৮)/(২০−৮−৬))×৫ = ১১.৬৭।

সমস্যা ৪: যখন প্রচুরক থাকে না

পাঁচ শিক্ষার্থীর নম্বর ৪৫, ৫০, ৫৫, ৬০, ৬৫ — সবগুলো ভিন্ন। গড় = (৪৫+৫০+৫৫+৬০+৬৫)/৫ = ৫৫। মধ্যক (মাঝের মান) = ৫৫। কিন্তু কোনো মানই পুনরাবৃত্ত নয়, তাই এখানে প্রচুরক নেই — এটা ভুল নয়, বাস্তব সম্ভাবনা।

সমস্যা ৫: যখন দুটি প্রচুরক থাকে

সাত জোড়া জুতার মাপ ৬, ৭, ৭, ৮, ৯, ৯, ১০। গড় = ৮, মধ্যক (৪র্থ মান) = ৮। এখানে ৭ আর ৯ দুটোই দু'বার করে এসেছে, বাকিরা একবার — তাই দুটি প্রচুরক আছে: ৭ ও ৯।

সমস্যা ৬: শ্রেণিবদ্ধ উপাত্তের নতুন উদাহরণ

৩০ জন শিক্ষার্থীর নম্বর শ্রেণি ০-১০, ১০-২০, ২০-৩০, ৩০-৪০, ৪০-৫০-এ ভাগ করলে গণসংখ্যা ৩, ৭, ১০, ৬, ৪ (মোট ৩০)। গড় = ২৫.৩৩। মধ্যক শ্রেণি ২০-৩০ (L=২০, cf=১০, f=১০, h=১০): Median = ২০ + ((১৫−১০)/১০)×১০ = ২৫। প্রচুরক শ্রেণিও ২০-৩০ (f₁=১০, f₀=৭, f₂=৬): Mode = ২০ + ((১০−৭)/(২০−৭−৬))×১০ = ২৪.২৯।

সমস্যা ৭: একই গড়, ভিন্ন বিস্তার

দল A: ৫, ৫, ৫, ৫, ৫। গড় = ৫, আদর্শ ব্যবিচলন = ০, কারণ কোনো মানই গড় থেকে সরে নেই। দল B: ১, ৩, ৫, ৭, ৯। গড়ও ৫, একই! কিন্তু আদর্শ ব্যবিচলন = ২.৮২৮, কারণ মানগুলো গড়ের চারপাশে অনেক ছড়ানো। শুধু গড় দেখে দুটো দলকে একই ভাবাটা ভুল হবে।

এক নজরে: আদর্শ ব্যবিচলনের হিসাব ধাপে ধাপে

সমস্যা ১-এর উপাত্তের জন্য প্রতিটি মানের বিচলন আর তার বর্গ এখানে দেখানো হলো। বর্গগুলোর গড় নিয়ে বর্গমূল করলেই σ পাওয়া যায়।

মান, xx − গড়(x − গড়)²
২-৪১৬
৪-২৪
৫-১১
৫-১১
৭১১
৯৩৯
১০৪১৬

যে ভুলগুলো সবাই করে

এই ভুলগুলো এড়ালে গড়-মধ্যক-প্রচুরকের অঙ্কে নম্বর কাটার ভয় থাকে না।

  • মধ্যক বের করতে গিয়ে উপাত্ত সাজাতে ভুলে যাওয়া — মধ্যকের সংজ্ঞাই সাজানো ক্রমের উপর নির্ভর করে।
  • জোড় সংখ্যক মানের বেলায় একটামাত্র মাঝের মান নেওয়া, দুটোর গড় না করা।
  • প্রচুরক বলতে সবচেয়ে বড় মান বোঝা — প্রচুরক মানে সবচেয়ে বেশিবার আসা মান, সবচেয়ে বড় মান না।
  • শ্রেণিবদ্ধ মধ্যক সূত্রে n ব্যবহার করা, n/২ না — সূত্রে অর্ধেক মোট গণসংখ্যা লাগে।
  • আদর্শ ব্যবিচলনে বর্গ না করে সরাসরি বিচলনগুলো গড় করা — এতে সবসময় শূন্য পাওয়া যায়, কারণ ধনাত্মক-ঋণাত্মক কাটাকাটি হয়ে যায়।
  • একটামাত্র আউটলায়ার দেখেই গড়টাকে “ভুল” বলা — গড় ভুল না, শুধু আউটলায়ারের প্রতি সংবেদনশীল, তাই এমন উপাত্তে মধ্যক বেশি বিশ্বাসযোগ্য।
  • শ্রেণিবদ্ধ প্রচুরকের সূত্রে f₀ ও f₂-কে গুলিয়ে ফেলা — f₀ সবসময় প্রচুরক শ্রেণির ঠিক আগের শ্রেণির গণসংখ্যা, আর f₂ ঠিক পরের শ্রেণির; উল্টে বসালে পুরো উত্তর ভুল হয়ে যায়।

বাস্তব জীবনে গড়, মধ্যক ও প্রচুরক

এই পরিমাপগুলো পরীক্ষার খাতার বাইরেও প্রতিদিন খবরের কাগজে, রিপোর্টে, এমনকি ক্রীড়া সাংবাদিকতায় দেখা যায়। যেকোনো জায়গায় “সাধারণত” বা “বেশিরভাগ ক্ষেত্রে” বোঝাতে আসলে এই তিনটি সংখ্যার একটাই ব্যবহার করা হয়, যদিও নামটা হয়তো কখনো উচ্চারণ করা হয় না।

  • দেশের “মধ্যক আয়” প্রকাশ করা হয়, “গড় আয়” না, কারণ কয়েকজন অতি ধনীর আয় গড়কে বিভ্রান্তিকরভাবে উঁচুতে তুলে দিত এবং সাধারণ মানুষের প্রকৃত আয়ের চিত্র ঢেকে দিত।
  • দোকানে সবচেয়ে বেশি বিক্রিত জুতার মাপ (প্রচুরক) জেনে দোকানদার সেই মাপের জুতা বেশি স্টক রাখেন, যাতে সবচেয়ে চাহিদাসম্পন্ন মাপ কখনো শেষ হয়ে না যায়।
  • পরীক্ষার ফল বিশ্লেষণে ক্লাসের গড় নম্বর আর মধ্যক নম্বর দুটোই দেখা হয়, দুটোর পার্থক্য বড় হলে বোঝা যায় কিছু শিক্ষার্থী খুব কম বা খুব বেশি নম্বর পেয়ে সামগ্রিক চিত্রটাকে একদিকে টেনে নিয়ে গেছে।
  • আবহাওয়ার পূর্বাভাসে কোনো মাসের “গড় তাপমাত্রা” বলার সাথে তার বিস্তার বা আদর্শ ব্যবিচলনও জরুরি, কারণ একই গড় তাপমাত্রার দুটো মাস হতে পারে একটা স্থিতিশীল, আরেকটা প্রচণ্ড ওঠানামা করা, যা শুধু গড় শুনে বোঝার উপায় নেই।
  • কারখানায় উৎপাদিত পণ্যের মাপের আদর্শ ব্যবিচলন কম রাখাই মান নিয়ন্ত্রণের মূল লক্ষ্য, কারণ কম ব্যবিচলন মানে বেশিরভাগ পণ্য নির্দিষ্ট মাপের কাছাকাছি, ফলে ক্রেতার হাতে যে কোনো একটা পণ্য গেলেও তা প্রত্যাশিত মাপেরই হবে।
  • ক্রিকেটে একজন বোলারের “ইকোনমি রেট” আর একজন ব্যাটসম্যানের “ব্যাটিং গড়” দুটোই মূলত গড়ের ধারণা, কিন্তু বিশেষজ্ঞরা প্রায়ই মধ্যক ব্যবহার করে বলেন খেলোয়াড়টি বেশিরভাগ ম্যাচে আসলে কেমন খেলেন, কারণ দুই-একটা অসাধারণ ম্যাচ গড়কে অতিরিক্ত উঁচু দেখাতে পারে।

পরীক্ষার কর্নার: SSC ও HSC

এসএসসি সাধারণ গণিতে পরিসংখ্যান অধ্যায়ে গড়-মধ্যক-প্রচুরক আর শ্রেণিবদ্ধ উপাত্তের মধ্যক-প্রচুরক নিয়মিত আসে; জ্ঞানমূলক প্রশ্নে সংজ্ঞা, অনুধাবনে “মধ্যক কেন আউটলায়ারে অটুট থাকে”, আর প্রয়োগ-উচ্চতর দক্ষতায় শ্রেণিবদ্ধ উপাত্তের মধ্যক-প্রচুরক নির্ণয়ের অঙ্ক থাকে।

একটি নমুনা সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক: একটি গ্রামে ১০ জন কৃষকের জমির পরিমাণ (বিঘায়) হলো ২, ৪, ৫, ৫, ৭, ৯, ১০ এবং একজন বড় জমির মালিকের ৩৫ বিঘা।

ক) মধ্যক কাকে বলে? খ) প্রথম ৭ জনের জমির গড় নির্ণয় করো। গ) সবাইকে (৮ জন) নিয়ে গড় ও মধ্যক নির্ণয় করো। ঘ) “বড় জমির মালিকের কারণে গড় জমির পরিমাণ বিভ্রান্তিকর, মধ্যক বেশি বিশ্বাসযোগ্য” উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ করো।

গ-এর উত্তর: গড় = ৯.৬২৫, মধ্যক = ৬। ঘ-এর মূল কথা: গড় ৬ থেকে ৯.৬২৫-এ বিশাল লাফ দিয়েছে, কিন্তু মধ্যক ৫ থেকে সামান্য বেড়ে ৬ হয়েছে, তাই উক্তিটি যথার্থ।

রিভিশন: শেষ মুহূর্তের সারসংক্ষেপ

পরীক্ষার আগের রাতে শুধু এই তালিকা আর উপরের সারণিগুলো একবার দেখে নিলেই যথেষ্ট।

  • গড় x̄ = (Σx)/n — প্রতিটি মানের তথ্য ব্যবহার করে, আউটলায়ারে সংবেদনশীল।
  • মধ্যক = সাজানো উপাত্তের মাঝের মান — অবস্থান-নির্ভর, আউটলায়ারে অটুট।
  • প্রচুরক = সবচেয়ে বেশিবার আসা মান — কোনো মান পুনরাবৃত্ত না হলে প্রচুরক নেই, একাধিক মান সমান বেশিবার এলে একাধিক প্রচুরক।
  • বিস্তার = সর্বোচ্চ − সর্বনিম্ন; আদর্শ ব্যবিচলন σ = √(Σ(x−x̄)²/n)।
  • শ্রেণিবদ্ধ উপাত্তে গড় মধ্যবিন্দু দিয়ে, মধ্যক-প্রচুরক অন্তঃক্ষেপণ সূত্র দিয়ে বের হয়।
  • উপাত্তে আউটলায়ার থাকলে মধ্যক বেশি বিশ্বাসযোগ্য প্রতিনিধি সংখ্যা।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

গড়, মধ্যক ও প্রচুরকের মধ্যে পার্থক্য কী?

গড় সব মানের যোগফলকে সংখ্যা দিয়ে ভাগ করে পাওয়া মান; মধ্যক সাজানো উপাত্তের মাঝের মান; প্রচুরক সবচেয়ে বেশিবার আসা মান। তিনটাই কেন্দ্রীয় প্রবণতার পরিমাপ, কিন্তু ভিন্নভাবে হিসাব হয়।

মধ্যক নির্ণয়ের সূত্র কী?

উপাত্ত ছোট থেকে বড় সাজিয়ে, n বিজোড় হলে মাঝের ((n+1)/২)-তম মানই মধ্যক; n জোড় হলে মাঝের দুই মানের গড়ই মধ্যক। উদাহরণে ৭টি মানের মাঝের মান ৫, তাই মধ্যক ৫।

শ্রেণিবদ্ধ উপাত্তের মধ্যক ও প্রচুরকের সূত্র কী?

মধ্যক = L + ((n/২ − cf)/f) × h, যেখানে L মধ্যক শ্রেণির নিম্ন সীমা, cf আগের শ্রেণিগুলোর যোগ গণসংখ্যা, f মধ্যক শ্রেণির গণসংখ্যা, h শ্রেণি ব্যবধান। প্রচুরক = L + ((f₁−f₀)/(2f₁−f₀−f₂)) × h, যেখানে f₁ প্রচুরক শ্রেণির গণসংখ্যা, f₀ ও f₂ আগে ও পরের শ্রেণির গণসংখ্যা।

আউটলায়ার থাকলে গড় আর মধ্যকের কোনটা বেছে নেব?

আউটলায়ার থাকলে মধ্যক বেছে নেওয়া ভালো, কারণ এটা অবস্থান-নির্ভর, তাই চরম মানে টানে না। উদাহরণে ৩৫ যুক্ত হলে গড় ৬ থেকে ৯.৬২৫-এ লাফ দেয়, কিন্তু মধ্যক প্রায় অটুট থাকে।

কোনো মানের প্রচুরক না থাকা কি সম্ভব?

হ্যাঁ। উপাত্তের সব মান আলাদা আলাদা হলে, কোনো মানই পুনরাবৃত্ত না হলে, প্রচুরক থাকে না। এটা কোনো ভুল না, বাস্তব একটা সম্ভাবনা।

একাধিক প্রচুরক থাকতে পারে?

হ্যাঁ। দুই বা তার বেশি মান সমান সংখ্যক বার (এবং তা সর্বোচ্চ সংখ্যক বার) এলে সেই সব মানই প্রচুরক হয়। তখন বলা হয় দ্বি-প্রচুরক বা বহু-প্রচুরক উপাত্ত।

আদর্শ ব্যবিচলন কী বোঝায়?

আদর্শ ব্যবিচলন বলে দেয় উপাত্ত গড়ের চারপাশে কতটা ছড়ানো। ছোট আদর্শ ব্যবিচলন মানে মানগুলো গড়ের কাছাকাছি জমাট; বড় আদর্শ ব্যবিচলন মানে মানগুলো অনেক ছড়ানো, এমনকি গড় একই হলেও।

গড় সবসময় বিশ্বাসযোগ্য নয় কেন?

কারণ গড় প্রতিটি মানের সঠিক পরিমাণ ব্যবহার করে হিসাব হয়, তাই একটা অস্বাভাবিক বড় বা ছোট মান (আউটলায়ার) গড়কে তার দিকে অনেকখানি টেনে নিয়ে যেতে পারে, যেমন একজন অতি ধনীর আয় দলের গড় আয়কে বাস্তবতার চেয়ে বেশি দেখায়।

বিস্তার আর আদর্শ ব্যবিচলনের পার্থক্য কী?

বিস্তার হলো সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন মানের ব্যবধান — মাত্র দুটো মানের ওপর নির্ভর করে। আদর্শ ব্যবিচলন প্রতিটি মানের গড় থেকে দূরত্ব বিবেচনা করে, তাই ছড়িয়ে থাকার একটা বেশি নির্ভরযোগ্য পরিমাপ।

শ্রেণিবদ্ধ উপাত্তের গড় নির্ণয়ে মধ্যবিন্দু কেন ব্যবহার করা হয়?

শ্রেণিবদ্ধ উপাত্তে প্রতিটি মানের সঠিক সংখ্যা জানা থাকে না, শুধু জানা থাকে সে কোন শ্রেণিতে পড়েছে। তাই প্রতিটি মানকে তার শ্রেণির মধ্যবিন্দুতে আছে বলে ধরে নিয়ে একটা আনুমানিক গড় হিসাব করা হয়।

এই বিষয়ের আরও পড়াশোনা

অ্যানিমেশনে ধারণা পরিষ্কার হলো, এবার পরীক্ষার প্রস্তুতি: সিলেবাস, সাজেশন, বই আর ভর্তি পরীক্ষার গাইড নিচে।

পাঠ্যবই

নবম-দশম শ্রেণির গণিত বই

SSC

এসএসসি গণিত: সিলেবাস ও প্রস্তুতি

SSC

এসএসসি উচ্চতর গণিত: সিলেবাস ও প্রস্তুতি

HSC

এইচএসসি উচ্চতর গণিত: সিলেবাস ও প্রস্তুতি

পাঠ্যবই

নবম-দশম শ্রেণির উচ্চতর গণিত বই

ভর্তি

ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি

ভর্তি

জাবি গাণিতিক ও পদার্থবিষয়ক অনুষদ ভর্তি

English

Paragraph: Artificial Intelligence (ইংরেজিতে)

বাংলা

রচনা: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

SSC

এসএসসি সাজেশন

HSC

এইচএসসি সাজেশন

ভর্তি

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার গাইড

SSC

এসএসসি সিলেবাস

HSC

এইচএসসি সিলেবাস

টেস্ট

GRE Quantitative Reasoning guide (ইংরেজিতে)

টেস্ট

Digital SAT Math guide (ইংরেজিতে)

স্কলারশিপ

বিদেশে পড়াশোনার স্কলারশিপ

টুল

Compound interest calculator (ইংরেজিতে)

ক্যারিয়ার

Data scientist resume example (ইংরেজিতে)

ক্যারিয়ার

Cover letter examples (ইংরেজিতে)

আরও গণিত অ্যানিমেশন

Class 8 · SSC

পিথাগোরাসের উপপাদ্য

পিথাগোরাসের উপপাদ্য কাকে বলে, সূত্র c² = a² + b², অষ্টম ও নবম-দশম শ্রেণির প্রমাণ, বিপরীত উপপাদ্য, পিথাগোরীয় ত্রয়ী ও সমাধানসহ অঙ্ক: ত্রিভুজ টেনে নিজে দেখো।

SSC · HSC

ত্রিকোণমিতিক অনুপাত ও একক বৃত্ত

ত্রিকোণমিতিক অনুপাত কাকে বলে, sin cos tan-এর মান ০° থেকে ৩৬০°, আদর্শ কোণের টেবিল, চতুর্ভাগের চিহ্ন ও সূত্র: একক বৃত্তে বিন্দু ঘুরিয়ে নিজে দেখো, সমাধানসহ।

SSC · HSC

দ্বিঘাত সমীকরণ ও দ্বিঘাত ফাংশনের লেখচিত্র

দ্বিঘাত সমীকরণ কাকে বলে, উৎপাদক ও বর্গপূর্ণকরণ পদ্ধতি, শ্রীধর আচার্যের সূত্র, নিশ্চায়ক দিয়ে মূলের প্রকৃতি, শীর্ষবিন্দু ও পরাবৃত্তের লেখচিত্র অ্যানিমেশনে।

SSC

বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য

বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য সহজে: কেন্দ্রস্থ ও বৃত্তস্থ কোণ, অর্ধবৃত্তস্থ কোণ, বৃত্তীয় চতুর্ভুজ, জ্যা ও স্পর্শক। SSC-র প্রমাণ আর সমাধানসহ অঙ্ক, বিন্দু টেনে নিজে দেখো।

SSC

দূরত্ব ও উচ্চতা: উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ

উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ কাকে বলে, দূরত্ব ও উচ্চতার সূত্র কীভাবে কাজ করে, আর দুই দফা পর্যবেক্ষণে না মেপেই টাওয়ারের উচ্চতা বের করা যায় কীভাবে — ইন্টারঅ্যাকটিভ সিমুলেশন ও সমাধানসহ।

SSC

সম্ভাবনা: পরীক্ষালব্ধ বনাম তাত্ত্বিক সম্ভাবনা

সম্ভাবনা কাকে বলে, নমুনা ক্ষেত্র ও সম্ভাবনার সূত্র P(E) = n(E)/n(S) কীভাবে কাজ করে, আর বহুবার নিক্ষেপ করলে পরীক্ষালব্ধ হার কীভাবে তাত্ত্বিক সম্ভাবনার কাছাকাছি চলে আসে — মুদ্রা, ছক্কা, দুই ছক্কা ও রঙিন বল দিয়ে ইন্টারঅ্যাকটিভ সিমুলেশন ও সমাধান করা অঙ্কসহ।

SSC · HSC

সমান্তর ও গুণোত্তর ধারা

সমান্তর ধারা ও গুণোত্তর ধারার n-তম পদ ও যোগফল সূত্র, গাউসের জোড়া বাঁধার কৌশল আর অসীম ধারার সূত্র a/(1−r): বার-চার্ট অ্যানিমেশনে নিজে টেনে দেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।

Class 9 · SSC

সেট ও ভেনচিত্র

সংযোগ সেট, ছেদ সেট, অন্তর সেট, পূরক সেট আর ডি মরগানের সূত্র ভেনচিত্রে হাতে-কলমে দেখো: অঞ্চল রাঙাও, সংখ্যা বসাও, n(A ∪ B) সূত্র যাচাই করো, সমাধান করা অঙ্কসহ।

Class 8 · SSC

সরল সহসমীকরণ ও সরলরেখার লেখচিত্র

ঢাল, ছেদক ও ছেদবিন্দু অ্যানিমেশনে দেখো। দুটি সরল সমীকরণ লেখচিত্রে এঁকে সমাধান করো, সমঞ্জস-অসমঞ্জস চেনো এবং অনুপাত পরীক্ষা কষে নাও, SSC-র ধাঁচে।

SSC · HSC

sin, cos, tan-এর লেখচিত্র

y = A sin(Bx + C) + D আঁকো স্লাইডার টেনে: বিস্তার, পর্যায়কাল, দশা সরণ, মানের পরিসর আর tan-এর অসীমতট নিজে দেখো। সমাধানসহ ত্রিকোণমিতিক লেখচিত্র।

Class 9 · SSC

পূর্ণবর্গ পদ্ধতি ও দ্বিঘাত সমীকরণের সমাধান

টালি সাজিয়ে পূর্ণবর্গ পদ্ধতি দেখো, দ্বিঘাত সমীকরণের মূল ও শীর্ষবিন্দু বের করো এবং সূত্রটা কেন কাজ করে বুঝে নাও। অ্যানিমেশন ও সমাধানসহ।

Class 8 · SSC

বৃত্তের ক্ষেত্রফল: সূত্র, প্রমাণ ও সমাধান

বৃত্তকে টুকরো করে সাজিয়ে আয়তক্ষেত্র বানাও আর দেখো ক্ষেত্রফল কীভাবে πr² হয়। পরিধি, পাই, বৃত্তকলা, বৃত্তচাপ ও সমাধানসহ ফ্রি ইন্টারঅ্যাকটিভ সিমুলেশন।

Class 8 · SSC

ঘনবস্তুর আয়তন ও তলের ক্ষেত্রফল: ঘনক, আয়তঘন, বেলন, কোণক, গোলক

ছয়টি ঘনবস্তু ৩ডি-তে ঘোরাও, জাল খুলে দেখো আর কোণকের পানি বেলনে ঢেলে বোঝো কেন ঠিক তিন বারে ভরে। আয়তন, বক্রতল ও সমগ্রতলের সূত্র আর সমাধানসহ বিনামূল্যের সিমুলেশন।

Class 9 · SSC

সদৃশ ত্রিভুজ: স্কেল ফ্যাক্টর, AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়া থেকে উচ্চতা

স্লাইডার টেনে ত্রিভুজকে বড়-ছোট করো আর দেখো কোণ সমান থাকে, বাহুর অনুপাত k থাকে, ক্ষেত্রফল k² গুণ হয়। সদৃশতার AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়ার অঙ্কসহ বিনামূল্যের সিমুলেশন।

Class 9 · SSC

স্থানাঙ্ক জ্যামিতি: দূরত্ব, মধ্যবিন্দু, ঢাল, বিভক্তিকরণ সূত্র ও সঞ্চারপথ

গ্রিডে বিন্দু টেনে দেখো দূরত্বের সূত্র, মধ্যবিন্দু, ঢাল আর বিভক্তিকরণ সূত্র কীভাবে বদলায়। লম্বসমদ্বিখণ্ডক সঞ্চারপথ ও সমাধান করা অঙ্কসহ বিনামূল্যের সিমুলেশন।

HSC

শাঙ্কব ছেদ: বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত ও অধিবৃত্ত

দ্বিশঙ্কুর মধ্য দিয়ে তল কাত করে দেখো বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত আর অধিবৃত্ত কীভাবে তৈরি হয়। সমীকরণ, ফোকাস ও উৎকেন্দ্রিকতাসহ বিনামূল্যের সিমুলেশন ও সমাধান করা অঙ্ক।

Class 9 · SSC

ফাংশনের রূপান্তর: সরানো, টানা ও উল্টানো

x², |x|, √x, sin x বা 2^x বেছে a, b, h, k স্লাইডার নাড়াও। দেখো লেখচিত্র কীভাবে সরে, টানে, চাপে আর উল্টে যায়, পেছনে ফিকে মূল লেখচিত্রসহ। বিনামূল্যের সিমুলেশন ও সমাধান করা অঙ্ক।

HSC

অন্তরীকরণ: স্পর্শকের ঢাল ও ছেদক থেকে স্পর্শক

x², x³, sin x, eˣ বা 1/x বক্ররেখায় P বিন্দু টানো আর ব্যবধান h শূন্যের দিকে কমাও। ছেদক কীভাবে স্পর্শক হয় আর তার ঢাল কীভাবে অন্তরজ হয় তা দেখো। নিচে অন্তরজের লেখচিত্রও আছে। বিনামূল্যে সিমুলেশন।

HSC

রিম্যান যোগফল ও সমাকলন: বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফল

x², x³, sin x, eˣ বা √x বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফলকে ১০০টি পর্যন্ত ফালিতে ভাগ করো, বাঁ, ডান, মধ্যবিন্দু ও ট্রাপিজিয়াম যোগফলকে সঠিক সমাকলনের সঙ্গে মেলাও। ভুল কমতে দেখো। বিনামূল্যে সিমুলেশন।

HSC

সীমা ও ε–δ সংজ্ঞা: ছবিতে বোঝা

ε–δ সংজ্ঞায় সীমা চোখে দেখো। ফাংশন বেছে ε ছোট করো, δ ব্যান্ড কীভাবে সরু হয় দেখো। বাম-ডান সীমা, গর্ত, sin x / x আর লাফ, যেখানে কোনো δ কাজ করে না। বিনামূল্যে সিমুলেশন।

HSC

ত্রিমাত্রিক ভেক্টর: যোগ, ডট গুণ ও ক্রস গুণ

দুটি ত্রিমাত্রিক ভেক্টর টেনে ঘুরিয়ে দেখো। যোগফল সামান্তরিক হয়ে, ডট গুণ ছায়া ও কোণ হয়ে, আর ক্রস গুণ লম্ব তীর হয়ে ধরা দেবে, যার দৈর্ঘ্য ক্ষেত্রফল। বিনামূল্যে সিমুলেশন।

HSC

ম্যাট্রিক্স রূপান্তর: ঘূর্ণন, প্রতিফলন, শিয়ার ও নির্ণায়ক

২×২ ম্যাট্রিক্স বদলে দেখো ছক, একক বর্গ আর একটা F-আকৃতি কীভাবে নড়ে। î আর ĵ কোথায় যায়, নির্ণায়ক কীভাবে চিহ্নযুক্ত ক্ষেত্রফল, আর বিপরীত ম্যাট্রিক্স। বিনামূল্যে সিমুলেশন।

HSC

জটিল সংখ্যা: আরগান্ড সমতলে যোগ, গুণ, ঘাত ও মূল

আরগান্ড সমতলে দুটি জটিল সংখ্যা টেনে সরাও। যোগফল সামান্তরিক হয়ে, গুণফল ঘূর্ণন ও টান হয়ে, অনুবন্ধী, ঘাত সর্পিল হয়ে এবং এককের মূল ধরা দেবে। বিনামূল্যে সিমুলেশন।

SSC · HSC

বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি: স্থানীয় মান, রূপান্তর ও যোগ

বিট উল্টে দেখো দশমিক, বাইনারি, অক্টাল ও হেক্সা একসাথে বদলায়। ২ দিয়ে ভাগ, ৩-৪ বিটের গ্রুপ আর ক্যারিসহ বাইনারি যোগ হাতে-কলমে। বিনা মূল্যে, সমাধান করা অঙ্কসহ।

অন্য বিষয়ের অ্যানিমেশন

পদার্থবিজ্ঞান

আলোর প্রতিসরণ

পদার্থবিজ্ঞান

ওহমের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

প্রাসের গতি

পদার্থবিজ্ঞান

সরল দোলক

পদার্থবিজ্ঞান

তড়িৎ ক্ষেত্র

পদার্থবিজ্ঞান

তরঙ্গের ব্যতিচার

পদার্থবিজ্ঞান

পড়ন্ত বস্তু ও পড়ন্ত বস্তুর সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

লেন্সে প্রতিবিম্ব গঠন

পদার্থবিজ্ঞান

নিউটনের গতির সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

গোলীয় দর্পণে প্রতিবিম্ব গঠন

পদার্থবিজ্ঞান

তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ ও ফ্যারাডের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

ভরবেগের সংরক্ষণ ও সংঘর্ষ

পদার্থবিজ্ঞান

কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি

পদার্থবিজ্ঞান

নততল

পদার্থবিজ্ঞান

বৃত্তাকার গতি

পদার্থবিজ্ঞান

অনুপ্রস্থ ও অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ

পদার্থবিজ্ঞান

লিভার ও ভ্রামক

পদার্থবিজ্ঞান

ভরকেন্দ্র

পদার্থবিজ্ঞান

স্প্রিং-ভর ও সরল ছন্দিত স্পন্দন

পদার্থবিজ্ঞান

ভেক্টর যোগ: ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

আপেক্ষিক বেগ: ট্রেন ও নদী পারাপার

পদার্থবিজ্ঞান

কেপলারের সূত্র ও উপবৃত্তাকার কক্ষপথ

পদার্থবিজ্ঞান

নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র, g ও কৃত্রিম উপগ্রহ

পদার্থবিজ্ঞান

তার ও নলে স্থির তরঙ্গ

পদার্থবিজ্ঞান

অনুনাদ নল ও শব্দের দ্রুতি

পদার্থবিজ্ঞান

স্বরকম্প: কাছাকাছি দুই সুরের স্পন্দন

পদার্থবিজ্ঞান

ডপলার প্রভাব: চলমান উৎস, চলমান শ্রোতা ও সনিক বুম

পদার্থবিজ্ঞান

প্রিজম, আলোর বিচ্ছুরণ ও রামধনু

পদার্থবিজ্ঞান

কির্শফের সূত্র: সংযোগ সূত্র ও বদ্ধ পথ সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

হুইটস্টোন ব্রিজ ও মিটার ব্রিজ

পদার্থবিজ্ঞান

একক চিড়ে অপবর্তন

পদার্থবিজ্ঞান

চোখের ত্রুটি ও তার প্রতিকার

পদার্থবিজ্ঞান

আলোর সমবর্তন: ম্যালাসের সূত্র ও ব্রুস্টারের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

ক্যাপাসিটরের আহিতকরণ ও নিরাহিতকরণ: আরসি সময় ধ্রুবক

পদার্থবিজ্ঞান

চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা: দণ্ডচুম্বক, তড়িৎবাহী সরল তার ও সলিনয়েড

পদার্থবিজ্ঞান

এসি জেনারেটর

পদার্থবিজ্ঞান

ট্রান্সফর্মার

পদার্থবিজ্ঞান

তাপের সঞ্চালন: পরিবহন, পরিচলন ও বিকিরণ

পদার্থবিজ্ঞান

আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া: আইনস্টাইনের সমীকরণ ও নিবৃত্তি বিভব

পদার্থবিজ্ঞান

মোটর ক্রিয়া: তড়িৎবাহী তারের ওপর বল ও ডিসি মোটর

পদার্থবিজ্ঞান

গ্যাসের অণু ও গতিতত্ত্ব: চাপ, তাপমাত্রা ও দ্রুতি

পদার্থবিজ্ঞান

অর্ধপরিবাহী ডায়োড: p–n সন্ধি, I–V বক্ররেখা ও রেক্টিফায়ার

পদার্থবিজ্ঞান

তেজস্ক্রিয় ক্ষয়: অর্ধায়ু, ক্ষয় সূত্র ও বিকিরণের ভেদন ক্ষমতা

পদার্থবিজ্ঞান

বোর পরমাণু মডেল: কক্ষপথ, শক্তিস্তর ও হাইড্রোজেনের বর্ণালি

রসায়ন

পরমাণুর গঠন

রসায়ন

এসিড, ক্ষারক ও pH স্কেল

রসায়ন

ইলেকট্রন বিন্যাস

রসায়ন

গ্যাসের সূত্র: বয়েল, চার্লস ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ

রসায়ন

আয়নিক বন্ধন কীভাবে গঠিত হয়

রসায়ন

তড়িৎ বিশ্লেষণ ও ফ্যারাডের সূত্র

রসায়ন

সমযোজী বন্ধন

রসায়ন

পর্যায়বৃত্ত ধর্ম

রসায়ন

বিক্রিয়ার হার ও সংঘর্ষ তত্ত্ব

রসায়ন

পদার্থের অবস্থা: কঠিন, তরল, গ্যাসীয় ও তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র

রসায়ন

পরমাণুর অরবিটাল: s, p, d-এর আকৃতি, কোয়ান্টাম সংখ্যা ও নোড

রসায়ন

আণবিক আকৃতি ও ভিএসইপিআর তত্ত্ব: বন্ধন জোড়, মুক্তজোড় ও বন্ধন কোণ

রসায়ন

মোল ধারণা: মোলার ভর, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা ও মোলার আয়তন

রসায়ন

ব্যাপন ও নিঃসরণ: গ্রাহামের সূত্র

রসায়ন

রাসায়নিক সমীকরণ সমতাকরণ: পদ্ধতি, উদাহরণ ও অনুশীলন

রসায়ন

রাসায়নিক সাম্যাবস্থা: সাম্যধ্রুবক Kc ও লা শাতেলিয়ের নীতি

রসায়ন

টাইট্রেশন: অম্ল-ক্ষারের ঘনমাত্রা বের করার পদ্ধতি

রসায়ন

গ্যালভানিক কোষ: ড্যানিয়েল কোষ, EMF ও নার্নস্ট সমীকরণ

রসায়ন

জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া: জারণ সংখ্যা, ইলেকট্রন স্থানান্তর ও অর্ধ-সমীকরণ

রসায়ন

হাইড্রোকার্বন: অ্যালকেন, অ্যালকিন, অ্যালকাইন ও কাঠামোগত সমাণু ত্রিমাত্রায়

রসায়ন

কার্যকরী মূলক: অ্যালকোহল, অ্যালডিহাইড, কিটোন, অ্যাসিড, এস্টার ও অ্যামিন

রসায়ন

পলিমারকরণ: যোজন ও ঘনীভবন পলিমার, পলিথিন ও নাইলন

রসায়ন

মিশ্রণ আলাদা করার পদ্ধতি: ছাঁকন, পাতন, ক্রোমাটোগ্রাফি, স্ফটিকীকরণ

রসায়ন

কেলাস জালক: SC, BCC ও FCC একক কোষ, প্যাকিং দক্ষতা ও ঘনত্ব

রসায়ন

তেজস্ক্রিয়তা: আলফা, বিটা, গামা ক্ষয় ও অর্ধায়ু

জীববিজ্ঞান

মাইটোসিস কোষ বিভাজন

জীববিজ্ঞান

ব্যাপন ও অভিস্রবণ

জীববিজ্ঞান

সালোকসংশ্লেষণ

জীববিজ্ঞান

মানব হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কাজ

জীববিজ্ঞান

মেন্ডেলের বংশগতি সূত্র

জীববিজ্ঞান

ডিএনএ রেপ্লিকেশন

জীববিজ্ঞান

কোষীয় শ্বসন

জীববিজ্ঞান

এনজাইম ক্রিয়া

জীববিজ্ঞান

স্নায়ু উদ্দীপনার পরিবহন ও অ্যাকশন পটেনশিয়াল

জীববিজ্ঞান

নেফ্রন ও মূত্র তৈরির প্রক্রিয়া

জীববিজ্ঞান

মিয়োসিস কোষ বিভাজন

জীববিজ্ঞান

পরিপাকতন্ত্র

জীববিজ্ঞান

শ্বাসক্রিয়ার কৌশল: প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস

জীববিজ্ঞান

প্রোটিন সংশ্লেষণ

জীববিজ্ঞান

রক্ত সংবহন: দ্বি-সংবহন ও কার্ডিয়াক আউটপুট

জীববিজ্ঞান

কোষের গঠন ও অঙ্গাণু: উদ্ভিদ কোষ বনাম প্রাণী কোষ

জীববিজ্ঞান

প্রতিবর্ত ক্রিয়া ও প্রতিবর্ত চাপ

জীববিজ্ঞান

মানুষের চোখ: গঠন, প্রতিবিম্ব ও উপযোজন

জীববিজ্ঞান

পেশি সংকোচন ও স্লাইডিং ফিলামেন্ট মডেল

জীববিজ্ঞান

উদ্ভিদে পরিবহন: জাইলেম, ফ্লোয়েম ও বাষ্পমোচন

জীববিজ্ঞান

খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজাল: শক্তির প্রবাহ ও ১০ % নিয়ম

জীববিজ্ঞান

জনসংখ্যা বৃদ্ধি: সূচকীয় ও লজিস্টিক রেখা

জীববিজ্ঞান

প্রাকৃতিক নির্বাচন: পেপার্ড মথ ও কালিঝুলি মাখা গাছ

জীববিজ্ঞান

রোগপ্রতিরোধ: প্রাথমিক ও গৌণ অ্যান্টিবডি সাড়া

জীববিজ্ঞান

পরাগায়ন ও নিষেক