ছবি মাপমতো নয়: দূরত্ব ও প্রতিবিম্বের ব্যবধান বাড়িয়ে আঁকা।
যেকোনো অংশে ক্লিক করো বা তালিকা থেকে বেছে নাও
নিয়ন্ত্রণ
চোখের ধরন
পরিমাপ
- বস্তুর দূরত্ব
- ১০০cm
- লেন্সের ক্ষমতা P = 1/f
- ৪১.০০D
- ফোকাস দূরত্ব f
- ২.৪৪cm
- প্রতিবিম্ব দূরত্ব v (লেন্স থেকে রেটিনা)
- ২.৫০cm
- নিকট বিন্দু
- ২৫.০cm
- দূর বিন্দু
- ∞
- তারারন্ধ্রের ব্যাস
- ৫.০mm
- সিলিয়ারি পেশি
- শিথিল
- লেন্সের আকার
- পাতলা
- প্রতিবিম্ব পড়ছে
- রেটিনার ওপর (স্পষ্ট)
সিমুলেশনটি কীভাবে ব্যবহার করবে
- চালু করে বস্তুর দূরত্বের স্লাইডার নাড়ো। বস্তু কাছে এলে সিলিয়ারি পেশি লাল হয়ে মোটা হয়, সাসপেনসরি লিগামেন্ট ঢিলে হয়, লেন্স ফুলে ওঠে আর ক্ষমতা P বাড়ে। প্রতিবিম্ব তবু রেটিনার ওপরেই থাকে।
- আলোর তীব্রতার স্লাইডার নাড়ো। আলো বাড়লে আইরিস তারারন্ধ্রকে ছোট করে আনে, কমলে বড় করে। ঘরে লাইট জ্বালালে-নেভালে তোমার চোখেও ঠিক এটাই ঘটে।
- চোখের ধরন থেকে নিকট দৃষ্টি বা দূর দৃষ্টি বেছে নাও। প্রতিবিম্ব রেটিনার সামনে বা পেছনে পড়ে ঝাপসা হবে। এবার “সংশোধক লেন্স পরাও” চাপো: অবতল বা উত্তল লেন্স প্রতিবিম্বকে রেটিনায় ফিরিয়ে আনে।
- চিত্রের যেকোনো অংশে ক্লিক করো, অথবা “অংশ বেছে নাও” তালিকা থেকে নির্বাচন করো। অংশটি উজ্জ্বল হবে আর নিচে তার কাজ লেখা আসবে। ছোট পর্দায় নামের বদলে সংখ্যা দেখাবে, সংখ্যার তালিকা চিত্রের নিচে।
- ডান পাশের পরিমাপে লেন্সের ক্ষমতা, ফোকাস দূরত্ব, নিকট বিন্দু ও দূর বিন্দু দেখো। দূরত্ব ১০ cm-এ নামালে স্বাভাবিক চোখও ঝাপসা দেখবে: ওটা নিকট বিন্দুর ভেতরে।
আগে একটা পরীক্ষা: বিন্দুটাকে উধাও করে দাও
একটা সাদা কাগজে ছোট একটা যোগ চিহ্ন (+) আঁকো, আর তার ডান দিকে ৮ cm দূরে একটা মোটা বিন্দু। কাগজটা হাত লম্বা করে ধরো, বাঁ চোখ বন্ধ করে ডান চোখে শুধু যোগ চিহ্নটার দিকে তাকিয়ে থাকো। এবার বিন্দুর দিকে না তাকিয়ে কাগজটা আস্তে আস্তে মুখের কাছে আনো। প্রায় ৩০ cm দূরে এসে বিন্দুটা হঠাৎ উধাও হয়ে যাবে। আরও কাছে আনলে আবার ফিরে আসবে।
হিসাবটা সোজা। অন্ধবিন্দু পীতবিন্দু থেকে প্রায় ১৫° পাশে থাকে, তাই বিন্দুটা যে দূরত্বে ওই কোণে পড়ে সেটা ৮ ÷ tan ১৫° ≈ ৩০ cm। তুমি এইমাত্র নিজের চোখের একটি বিশেষ জায়গা খুঁজে পেলে, যেখানে আলোর কোনো সংবেদী কোষই নেই।
রোজ এটা টের পাও না, কারণ দুই চোখের অন্ধবিন্দু আলাদা জায়গায় পড়ে, আর মস্তিষ্ক আশপাশের ছবি দিয়ে ফাঁকটা ভরে দেয়। এই পাতায় চোখের ভেতরটা খুলে দেখব। আরও একটা অদ্ভুত কথা সামনে আসবে: রেটিনায় যে ছবিটা পড়ে সেটা পুরো উল্টো, তবু তুমি দুনিয়াটাকে সোজাই দেখো।
চোখ আসলে একটি জীবন্ত ক্যামেরা
ক্যামেরার সঙ্গে চোখের তুলনা করলে অংশগুলো মনে রাখা সহজ হয়। দুটোই একটা অন্ধকার বাক্সে আলো ঢুকিয়ে একটা পর্দায় ছবি ফেলে। তফাত হলো, চোখ নিজেই নিজের আলোর পরিমাণ, ফোকাস আর পর্দা ঠিক করে নেয়।
| ক্যামেরার অংশ | চোখের অংশ | কাজ |
|---|---|---|
| লেন্স | কর্নিয়া ও চোখের লেন্স | আলোকে বাঁকিয়ে এক বিন্দুতে জড়ো করে |
| ডায়াফ্রাম (অ্যাপারচার) | আইরিস ও তারারন্ধ্র | কতটা আলো ঢুকবে ঠিক করে |
| ফিল্ম বা সেন্সর | রেটিনা | আলো ধরে বৈদ্যুতিক সংকেত বানায় |
| অন্ধকার বাক্স | অক্ষিগোলক (স্ক্লেরা ও কোরয়েড) | বাড়তি আলো আটকে ছবি পরিষ্কার রাখে |
| লেন্স সরিয়ে ফোকাস | লেন্সের আকার বদল (উপযোজন) | কাছে-দূরে দেখার ফোকাস ঠিক করে |
| কেবল | দৃষ্টি স্নায়ু | সংকেত মস্তিষ্কে পাঠায় |
| লেন্স ঢাকনা | চোখের পাতা | ঢেকে রাখে ও ধুলো সরায় |
অংশগুলোকে চেনো: প্রত্যেকের একটাই কাজ
মানুষের অক্ষিগোলক প্রায় গোলাকার, ব্যাস মোটামুটি ২.৩ cm। বাইরে থেকে ভেতরে আলোর পথ ধরে ধরে অংশগুলো দেখা যাক। নিচের ছয়টি ভাগ পড়ার পর বারোটি অংশের সারণিতে সব এক জায়গায় পাবে। সিমুলেশনে প্রতিটি অংশে ক্লিক করেও মিলিয়ে নিতে পারো।
স্ক্লেরা আর কোরয়েড: বাইরের খোল
চোখের সাদা অংশটি স্ক্লেরা, শক্ত আর সাদা আবরণ। এটি চোখের আকার ধরে রাখে আর ভেতরের অংশ রক্ষা করে। তার নিচে কালচে কোরয়েড স্তর, যেখানে রক্তনালি আছে। কোরয়েড বাড়তি আলো শুষে নেয়, তাই ভেতরে আলো ছিটকে ছবি ঝাপসা করে না। ঠিক ক্যামেরার ভেতরে কালো রং করার মতো।
কর্নিয়া আর জলীয় রস: সামনের জানালা
সামনের স্বচ্ছ গম্বুজ হলো কর্নিয়া। এতে রক্তনালি নেই বলেই এটি স্বচ্ছ। আলোর বেশির ভাগ প্রতিসরণ ঘটে এখানেই, চোখের মোট ক্ষমতার প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ। কর্নিয়া আর লেন্সের মাঝের জায়গায় ভরা আছে জলীয় রস, স্বচ্ছ জলের মতো তরল। এটি কর্নিয়াকে ফুলিয়ে আকার ধরে রাখে, কর্নিয়া আর লেন্সকে পুষ্টি দেয়, আর আলোর প্রতিসরণে সামান্য সাহায্য করে।
আইরিস আর তারারন্ধ্র: সমন্বয়যোগ্য ছিদ্র
আইরিস রঙিন পেশির পর্দা: কারো বাদামি, কারো নীল। এর মাঝখানের গোল ছিদ্রটি তারারন্ধ্র। আইরিসে দুই ধরনের পেশি আছে। বৃত্তাকার পেশি সংকুচিত হলে তারারন্ধ্র ছোট হয়, ব্যাসার্ধীয় পেশি সংকুচিত হলে বড় হয়। এভাবে আইরিস চোখের আলোর নিয়ন্ত্রক হিসেবে কাজ করে।
লেন্স, সিলিয়ারি পেশি আর সাসপেনসরি লিগামেন্ট: ফোকাস দল
চোখের লেন্স স্বচ্ছ, নমনীয় ও উত্তল। কর্নিয়া মোটা কাজটা করে ফেললে লেন্স সূক্ষ্ম সমন্বয় করে প্রতিবিম্বকে ঠিক রেটিনার ওপর বসায়। লেন্সকে ঘিরে থাকে সিলিয়ারি পেশির বলয়, আর সূক্ষ্ম সাসপেনসরি লিগামেন্ট লেন্সকে সেই বলয়ে ঝুলিয়ে রাখে। কাছে তাকালে সিলিয়ারি পেশি সংকুচিত হয়, লিগামেন্টের টান ঢিলে হয়, নমনীয় লেন্স নিজেই ফুলে মোটা হয়। দূরে তাকালে পেশি শিথিল হয়, লিগামেন্ট টান টান হয়ে লেন্সকে টেনে পাতলা করে।
কাচীয় রস: ভেতরের জেলি
লেন্সের পেছনের বড় প্রকোষ্ঠটি ভরা স্বচ্ছ, জেলির মতো কাচীয় রসে। এটি অক্ষিগোলককে গোল ও দৃঢ় রাখে এবং আলো এর ভেতর দিয়ে রেটিনা পর্যন্ত যায়। জলীয় রসের মতো এটিও স্বচ্ছ, নইলে ছবি পৌঁছাত না।
রেটিনা, পীতবিন্দু, অন্ধবিন্দু আর দৃষ্টি স্নায়ু: পর্দা ও তার তার
চোখের পেছনের ভেতরের দেয়াল জুড়ে রেটিনা। এখানে আলো-সংবেদী রড ও কোন কোষ থাকে। রেটিনার ঠিক মাঝে ছোট একটা গর্ত, পীতবিন্দু, যেখানে কোন কোষ ঠাসা; সবচেয়ে স্পষ্ট দৃষ্টি এখান থেকেই। তাই কোনো কিছুর দিকে তাকালে চোখ ঘুরে ছবিটাকে পীতবিন্দুতে ফেলে। পীতবিন্দুর পাশে এক জায়গা দিয়ে দৃষ্টি স্নায়ু চোখ ছেড়ে মস্তিষ্কে গেছে। ওখানে কোনো সংবেদী কোষ নেই, এটাই অন্ধবিন্দু, যা তুমি শুরুতে খুঁজে পেয়েছিলে।
| অংশ | কী | কাজ |
|---|---|---|
| কর্নিয়া | সামনের স্বচ্ছ গম্বুজ | আলোর বেশির ভাগ প্রতিসরণ |
| জলীয় রস | কর্নিয়া ও লেন্সের মাঝের তরল | আকার ধরে রাখা, পুষ্টি, সামান্য প্রতিসরণ |
| আইরিস | রঙিন পেশির পর্দা | তারারন্ধ্রের আকার বদলায় |
| তারারন্ধ্র | আইরিসের মাঝের ছিদ্র | আলো ঢোকার পথ |
| লেন্স | স্বচ্ছ উত্তল লেন্স | সূক্ষ্ম ফোকাস, উপযোজন |
| সিলিয়ারি পেশি | লেন্সের চারপাশের পেশি | সংকোচনে লেন্স মোটা করে |
| সাসপেনসরি লিগামেন্ট | পেশি ও লেন্সের মাঝের তন্তু | টান টান থাকলে লেন্স পাতলা রাখে |
| কাচীয় রস | লেন্সের পেছনের জেলি | আকার ধরে রাখা, আলো পাঠানো |
| রেটিনা | ভেতরের আলো-সংবেদী পর্দা | প্রতিবিম্বকে সংকেতে বদলায় |
| পীতবিন্দু | রেটিনার মাঝের গর্ত | সবচেয়ে স্পষ্ট ও রঙিন দৃষ্টি |
| অন্ধবিন্দু | যেখানে স্নায়ু বেরিয়েছে | কোনো সংবেদী কোষ নেই |
| দৃষ্টি স্নায়ু | রেটিনা থেকে মস্তিষ্কের তার | সংকেত বয়ে নেয় |
প্রতিবিম্ব তৈরি হয় কীভাবে
ধরো সামনে একটা গাছ। গাছের প্রতিটি বিন্দু থেকে আলো ছড়িয়ে পড়ে, তার একটা অংশ তোমার চোখে ঢোকে। পথটা ধাপে ধাপে দেখা যাক।
1/f = 1/v − 1/uলেন্স সূত্র, কার্তেসীয় চিহ্ন রীতিতে: বস্তু বাঁ দিকে বলে u ঋণাত্মক
P = 1/fক্ষমতা, f মিটারে হলে একক ডায়াপ্টার (D); f সেন্টিমিটারে হলে P = ১০০ ÷ f
- আলো কর্নিয়ায় পড়ে। কর্নিয়া তাকে সবচেয়ে বেশি বাঁকায়, আলো ভেতরের দিকে জড়ো হতে শুরু করে।
- জলীয় রস পেরিয়ে আলো তারারন্ধ্রে যায়। আইরিস ঠিক করে দেয় কতটা আলো ঢুকবে।
- লেন্স আলোকে আরও বাঁকিয়ে সূক্ষ্মভাবে জড়ো করে। কাছের বা দূরের বস্তুর জন্য এখানেই ফোকাস বদলায়।
- কাচীয় রস পেরিয়ে আলো রেটিনায় পৌঁছে একটি ছোট, উল্টো, বাস্তব প্রতিবিম্ব তৈরি করে।
- রড ও কোন কোষ আলো পেয়ে বৈদ্যুতিক সংকেত বানায়। দৃষ্টি স্নায়ু সেগুলো মস্তিষ্কে পাঠায়।
- মস্তিষ্ক উল্টো ছবিটাকে সোজা করে বুঝে নেয়, আর দুই চোখের ছবি মিলিয়ে গভীরতাও আঁচ করে।
উপযোজন: কাছে-দূরে ফোকাস বদলানো
প্রতিবিম্ব দূরত্ব v স্থির: লেন্স থেকে রেটিনা ২.৫ cm। অথচ বস্তু একবার ২৫ cm দূরে, একবার ১০০ মিটার দূরে হতে পারে। লেন্সের সূত্র বলে v স্থির থাকলে বস্তুর u বদলালে f-কেও বদলাতে হবে। চোখ এটাই করে, লেন্সের বক্রতা বদলে। এই ক্ষমতার নাম উপযোজন।
দূরের বস্তুর জন্য 1/u প্রায় শূন্য, তাই 1/f = 1/২.৫ = ০.৪০ cm⁻¹, মানে f = ২.৫ cm আর ক্ষমতা P = ৪০ D। ২৫ cm দূরের বস্তুর জন্য 1/f = ০.৪০ + ০.০৪ = ০.৪৪ cm⁻¹, তাই f = ২.২৭ cm আর P = ৪৪ D। মানে সিলিয়ারি পেশি পুরো সীমার মধ্যে লেন্সের ক্ষমতা মাত্র ৪ D বাড়ায়-কমায়। কর্নিয়া স্থির থাকে বলে এই সামান্য পরিবর্তনই যথেষ্ট।
যে ছোটতম দূরত্ব পর্যন্ত চোখ স্পষ্ট দেখে তা নিকট বিন্দু, স্বাভাবিক চোখে ২৫ cm। বাংলায় একে স্পষ্ট দর্শনের ন্যূনতম দূরত্বও বলে। যত দূরে খুশি স্পষ্ট দেখা যায়, অর্থাৎ দূর বিন্দু অসীম। তাই স্বাভাবিক চোখের পাল্লা ২৫ cm থেকে অসীম।
| দূরের বস্তু দেখা | কাছের বস্তু দেখা | |
|---|---|---|
| সিলিয়ারি পেশি | শিথিল | সংকুচিত |
| সাসপেনসরি লিগামেন্ট | টান টান | ঢিলে |
| লেন্স | পাতলা, কম বাঁকা | মোটা, বেশি বাঁকা |
| ফোকাস দূরত্ব f | বড়, ২.৫ cm | ছোট, ২.২৭ cm (২৫ cm দূরে) |
| ক্ষমতা P | কম, ৪০ D | বেশি, ৪৪ D |
তারারন্ধ্রের প্রতিবর্ত: নিজে নিজে চলা সানগ্লাস
অন্ধকার ঘরে ঢুকে প্রথমে কিছু দেখা যায় না, একটু পরে ধীরে ধীরে দেখা যায়। আবার আলোয় ফিরলে চোখ ধাঁধিয়ে যায়, তারপর ঠিক হয়। কারণ তারারন্ধ্র আলো অনুযায়ী আকার বদলায়। উজ্জ্বল আলোয় বৃত্তাকার পেশি সংকুচিত হয়, তারারন্ধ্রের ব্যাস ছোট হয়, এই সিমুলেশনে ২ mm পর্যন্ত। অন্ধকারে ব্যাসার্ধীয় পেশি টেনে তারারন্ধ্র বড় করে, সিমুলেশনে ৮ mm পর্যন্ত।
ব্যাস ৮ mm থেকে ২ mm হলে ছিদ্রের ক্ষেত্রফল ১৬ গুণ কমে যায়, কারণ ক্ষেত্রফল ব্যাসের বর্গের সঙ্গে বাড়ে। সিমুলেশনের আলো ৫০% হলে তারারন্ধ্র থাকে ৫.০ mm। প্রতিবর্ত ক্রিয়া মস্তিষ্ক না ভেবেই ঘটায়, তুমি ইচ্ছা করে তারারন্ধ্র ছোট-বড় করতে পারো না।
অন্ধকারে মানিয়ে নিতে আরও সময় লাগে, প্রায় আধ ঘণ্টা, কারণ তখন রেটিনার রড কোষের রঞ্জক আবার তৈরি হয়। তারারন্ধ্র কয়েক সেকেন্ডে সাড়া দেয়, রঞ্জকের কাজ ধীর।
রড আর কোন: রেটিনার দুই ধরনের কর্মী
রেটিনার আলো-সংবেদী কোষ প্রধানত দুই রকম। রড কোষ খুব অল্প আলোতেও সাড়া দেয়, কিন্তু রং চেনে না। রাতের আবছা আলোয় সবকিছু ধূসর দেখায় এ কারণেই। কোন কোষ উজ্জ্বল আলোয় কাজ করে, রং ও সূক্ষ্ম খুঁটিনাটি চেনে। কোন তিন রকম: লাল, সবুজ আর নীল আলোর প্রতি বেশি সংবেদী। এই তিনের মিশ্রণ থেকে মস্তিষ্ক সব রং বানায়।
| বৈশিষ্ট্য | রড কোষ | কোন কোষ |
|---|---|---|
| সংখ্যা (প্রায়) | প্রায় ১২ কোটি | প্রায় ৬০ লাখ |
| কখন কাজ করে | অল্প আলোয় | উজ্জ্বল আলোয় |
| রং চেনে? | না | হ্যাঁ |
| কোথায় বেশি | রেটিনার কিনারার দিকে | পীতবিন্দুতে ঠাসা |
| ধরনের সংখ্যা | এক ধরন | তিন ধরন (লাল, সবুজ, নীল) |
| সুবিধা | রাতে ও পাশ-দৃষ্টিতে ভালো | স্পষ্ট, রঙিন দৃষ্টি |
দৃষ্টিত্রুটি আর তার সংশোধন
যখন প্রতিবিম্ব ঠিক রেটিনার ওপর না পড়ে, দৃষ্টি ঝাপসা হয়। এই সিমুলেশনে দুটি প্রধান ত্রুটিকে দুইভাবে মডেল করা হয়েছে: লেন্স একই, শুধু রেটিনার দূরত্ব বদলেছে। আর সংশোধক লেন্স হলো একটি বাড়তি লেন্স, যা আলো চোখে ঢোকার আগেই তার দিক একটু বদলে দেয়।
নিকট দৃষ্টি: কাছে ভালো, দূরে ঝাপসা
ধরো রেটিনা লেন্স থেকে একটু বেশি দূরে, বা লেন্স একটু বেশিই বাঁকা। দূরের বস্তুর আলো রেটিনায় পৌঁছানোর আগেই জড়ো হয়ে আবার ছড়িয়ে পড়ে। প্রতিবিম্ব পড়ে রেটিনার সামনে। এই সিমুলেশনে রেটিনা ২.৫৮ cm দূরে, স্বাভাবিকের চেয়ে প্রায় ০.৮ mm পেছনে, ফলে দূর বিন্দু ৮০ cm-এ নেমে আসে।
ঠিক করতে এমন লেন্স লাগে যা দূরের বস্তুকে চোখের দূর বিন্দুতে একটি অবাস্তব প্রতিবিম্ব হিসেবে এনে দেয়। সেটা অবতল লেন্স, যার ক্ষমতা ঋণাত্মক, এখানে −১.২৫ D। পরালে দূরের বস্তুও চোখ ৮০ cm দূরের বস্তুর মতো দেখে নেয়, আর চোখের নিজের লেন্স তা ফোকাস করে।
দূর দৃষ্টি: দূরে ভালো, কাছে ঝাপসা
এখানে রেটিনা লেন্সের একটু বেশি কাছে, বা লেন্স একটু কম বাঁকে। কাছের বস্তুর আলো রেটিনায় পৌঁছেও জড়ো হতে পারে না; প্রতিবিম্ব পড়ে রেটিনার পেছনে। সিমুলেশনে রেটিনা ২.৩৩ cm দূরে, স্বাভাবিকের চেয়ে প্রায় ১.৭ mm এগিয়ে, তাই নিকট বিন্দু সরে যায় ১০০ cm-এ। অথচ দূরের বস্তু দেখতে চোখকে আগে থেকেই লেন্স বেশি বাঁকাতে হয়, সেটা ক্লান্তিকর।
সংশোধক লেন্স উত্তল, ক্ষমতা ধনাত্মক, এখানে +৩.০ D। ২৫ cm-এ রাখা বই এর ভেতর দিয়ে ১০০ cm দূরের অবাস্তব প্রতিবিম্ব হয়ে ওঠে, যা চোখ সহজে ফোকাস করে।
আরও তিনটি ত্রুটি, সংক্ষেপে
বয়স হলে (সাধারণত চল্লিশের পর) সিলিয়ারি পেশি দুর্বল আর লেন্স শক্ত হয়ে যায়, ফলে উপযোজন কমে। নিকট বিন্দু দূরে সরে যায়, কাছের লেখা পড়া কঠিন হয়। একে প্রেসবায়োপিয়া বলে। চশমার ওপরের অংশ অবতল আর নিচের অংশ উত্তল হলে (বাইফোকাল) একটাতেই দূর ও কাছ দুটোই চলে।
কর্নিয়া পুরোপুরি গোলাকার না হলে এক দিকের রেখা স্পষ্ট, অন্য দিকের ঝাপসা দেখায়। একে অ্যাস্টিগম্যাটিজম বলে, সংশোধনে বেলনাকার লেন্স লাগে। আর লেন্স ঘোলাটে হয়ে গেলে ছানি (ক্যাটারাক্ট) পড়ে। তখন ঘোলা লেন্স অস্ত্রোপচারে সরিয়ে কৃত্রিম লেন্স বসানো হয়।
কোন কোষের কোনো এক ধরন কাজ না করলে বর্ণান্ধতা হয়, সবচেয়ে সাধারণ লাল-সবুজ গুলিয়ে ফেলা। এটি বংশগত, আর ছেলেদের মধ্যে বেশি দেখা যায়।
| নিকট দৃষ্টি (মায়োপিয়া) | দূর দৃষ্টি (হাইপারমেট্রোপিয়া) | |
|---|---|---|
| সমস্যা | দূরের জিনিস ঝাপসা | কাছের জিনিস ঝাপসা |
| কারণ | অক্ষিগোলক লম্বা, বা লেন্স বেশি বাঁকা | অক্ষিগোলক খাটো, বা লেন্স কম বাঁকা |
| প্রতিবিম্ব পড়ে | রেটিনার সামনে | রেটিনার পেছনে |
| সংশোধক লেন্স | অবতল (অপসারী) | উত্তল (অভিসারী) |
| সিমুলেশনে বিন্দু | দূর বিন্দু ৮০ cm, নিকট বিন্দু ১৯.০ cm | নিকট বিন্দু ১০০ cm, দূর বিন্দু অসীম |
সিমুলেশনে নিজে করে দেখো
প্রতিটি পরীক্ষা এক মিনিটের কম, আর একেকটা ধারণা পাকা হয়ে যায়।
১. কাছে আনো, লেন্সকে ফুলতে দেখো
দূরত্বের স্লাইডার ডান প্রান্তে (৫০০ cm) রাখো। সিলিয়ারি পেশি প্রায় শিথিল, লেন্স পাতলা, ক্ষমতা প্রায় ৪০ D। এবার ধীরে ধীরে ২৫ cm-এ আনো। সিলিয়ারি পেশি মোটা হতে থাকে, লিগামেন্ট ঢেউ খেলানো ঢিলে হয়, লেন্স ফুলে ওঠে আর ক্ষমতা ৪৪ D-এ পৌঁছায়। প্রতিবিম্ব এই পুরো সময় রেটিনায় থাকে।
২. নিকট বিন্দুর ওপারে
স্বাভাবিক চোখে দূরত্ব ২৫ cm-এর চেয়ে কমালে প্রতিবিম্ব রেটিনার পেছনে সরে যায় আর ঝাপসা হয়। কারণ ক্ষমতা সর্বোচ্চ ৪৪ D-এ আটকে গেছে। ১০ cm-এ ঠিক চাইলে ৫০ D লাগত, চোখের সাধ্যের বাইরে। বই এত কাছে ধরলে অক্ষর ঝাপসা হয় এ কারণেই।
৩. আলো কমাও-বাড়াও
আলোর স্লাইডার ০%-এ নামাও: তারারন্ধ্র প্রসারিত হয়ে ৮ mm, রশ্মির গুচ্ছ চওড়া। ১০০%-এ তুললে ২ mm, গুচ্ছ সরু। আইরিসের সংকেত তৎক্ষণাৎ চলে, কিন্তু তারারন্ধ্র ধীরে ধীরে সাড়া দেয়, ঠিক বাস্তবের মতো।
৪. নিকট দৃষ্টি চালু করো
চোখের ধরনে “নিকট দৃষ্টি” বেছে নাও আর বস্তুকে দূরে (৫০০ cm) নিয়ে যাও। প্রতিবিম্ব রেটিনার সামনে, রশ্মিগুলো আগেই মিলে আবার ছড়াচ্ছে। রেটিনায় ঝাপসা দাগ। এবার বস্তুকে ৮০ cm-এ আনো: পরিষ্কার! এটাই এই চোখের দূর বিন্দু।
৫. অবতল লেন্স পরাও
“সংশোধক লেন্স পরাও” চাপো। চোখের সামনে অবতল লেন্স আসে, রশ্মিগুলো আলাদা হয়ে বেরোয়। প্রতিবিম্ব রেটিনায় ফিরে আসে, দূর বিন্দু অসীমে সরে যায়। ২৫ cm-এ পড়ার সময় ঠিক থাকে, কারণ সংশোধিত চোখের নিকট বিন্দু আবার ২৫ cm।
৬. দূর দৃষ্টি আর উত্তল লেন্স
চোখের ধরন “দূর দৃষ্টি” করো, বস্তুকে ২৫ cm-এ আনো: প্রতিবিম্ব রেটিনার পেছনে। এবার লেন্স পরাও: উত্তল লেন্স রশ্মিকে আগে থেকে একটু জড়ো করে, প্রতিবিম্ব রেটিনায় বসে, নিকট বিন্দু ১০০ cm থেকে ২৫ cm-এ ফেরে।
সমাধান করা সমস্যা
সব উত্তর সিমুলেশনের মডেল থেকে হিসাব করা। কার্তেসীয় চিহ্ন রীতিতে বস্তু লেন্সের বাঁ দিকে, তাই u ঋণাত্মক; প্রতিবিম্ব রেটিনায়, তাই v = +২.৫ cm।
সমস্যা ১: নিকট বিন্দুতে চোখের লেন্সের ক্ষমতা
স্বাভাবিক চোখে রেটিনা লেন্স থেকে ২.৫ cm দূরে। ২৫ cm দূরের বস্তু দেখতে লেন্সের ক্ষমতা কত লাগবে?
u = −২৫ cm, v = +২.৫ cm। 1/f = 1/v − 1/u = 1/২.৫ + 1/২৫ = ০.৪০ + ০.০৪ = ০.৪৪ cm⁻¹। f = ২.২৭ cm। P = ১০০ ÷ ২.২৭ = ৪৪ D।
সমস্যা ২: অসীম দূরের বস্তু
একই চোখ দিয়ে খুব দূরের পাহাড় দেখতে লেন্সের ক্ষমতা কত লাগে?
u = −∞ হলে 1/u = ০। 1/f = 1/২.৫ = ০.৪০ cm⁻¹, f = ২.৫ cm, P = ৪০ D। এ অবস্থায় সিলিয়ারি পেশি শিথিল, লেন্স সবচেয়ে পাতলা।
সমস্যা ৩: ৪ D পার্থক্য
একজন ছাত্র ২৫ cm থেকে পাহাড়ের দিকে তাকাল। চোখের লেন্সের ক্ষমতা কত বদলাল?
২৫ cm-এ ৪৪ D, অসীমে ৪০ D। বদল = ৪৪ − ৪০ = ৪ D। এটাই উপযোজনের পাল্লা। মাঝামাঝি ৫০ cm-এ P = ৪২ D, f = ২.৩৮ cm।
সমস্যা ৪: সিমুলেশনের ডিফল্ট দূরত্ব
বস্তু ১০০ cm দূরে। লেন্সের ক্ষমতা ও ফোকাস দূরত্ব বের করো।
1/f = ০.৪০ + ০.০১ cm⁻¹। P = ৪১ D, f = ২.৪৪ cm। সিমুলেশন চালু হলে পরিমাপ প্যানেলেও এই মান দেখাবে।
সমস্যা ৫: রেটিনায় গাছের ছবি কত বড়
৫ মিটার উঁচু একটি গাছ ৫০ মিটার দূরে। রেটিনায় প্রতিবিম্ব কত বড়? (v = ২.৫ cm)
বিবর্ধন m = v ÷ u, মানে প্রতিবিম্বের উচ্চতা = বস্তুর উচ্চতা × v ÷ দূরত্ব = ৫০০ × ২.৫ ÷ ৫,০০০ = ০.২৫ cm = ২.৫ mm। এত ছোট প্রতিবিম্বে এত খুঁটিনাটি ধরা পড়ে কারণ পীতবিন্দুতে কোন কোষ ঠাসা।
সমস্যা ৬: নিকট দৃষ্টির চশমা
একজনের দূর বিন্দু ৮০ cm। দূরের জিনিস দেখতে কত ক্ষমতার লেন্স লাগবে?
দূরের বস্তু থেকে আলো সমান্তরাল, u = −∞। লেন্স এমন হতে হবে যেন প্রতিবিম্ব হয় v = −৮০ cm-এ। 1/f = 1/v − 1/u = −1/৮০ − ০ = −১.২৫ ÷ ১০০। f = −৮০ cm, P = −১.২৫ D। অবতল লেন্স।
সমস্যা ৭: আরও দুর্বল নিকট দৃষ্টি
দূর বিন্দু ২০০ cm (২ মিটার) হলে ক্ষমতা কত? ৫০ cm হলে?
P = −১০০ ÷ দূর বিন্দু। ২০০ cm-এর জন্য P = −০.৫০ D; ৫০ cm-এর জন্য P = −২.০০ D। দূর বিন্দু যত কাছে, চশমা তত শক্তিশালী।
সমস্যা ৮: দূর দৃষ্টির চশমা
একজনের নিকট বিন্দু ১০০ cm। ২৫ cm-এ বই পড়তে কত ক্ষমতার লেন্স লাগবে?
বই u = −২৫ cm-এ। লেন্স এমন হতে হবে যেন প্রতিবিম্ব হয় v = −১০০ cm-এ (নিকট বিন্দুতে, অবাস্তব)। 1/f = 1/v − 1/u = −1/১০০ + 1/২৫ = ০.০৩ cm⁻¹। f = ৩৩.৩ cm, P = +৩.০ D। উত্তল লেন্স।
সমস্যা ৯: আরেকটি দূর দৃষ্টি
নিকট বিন্দু ৫০ cm হলে ২৫ cm-এ পড়ার জন্য লেন্সের ক্ষমতা কত?
P = ১০০ ÷ ২৫ − ১০০ ÷ ৫০ = +২.০ D, f = ৫০ cm। উত্তল।
সমস্যা ১০: তারারন্ধ্রের ক্ষেত্রফল
তারারন্ধ্রের ব্যাস ৮ mm থেকে ২ mm হলে চোখে আলো ঢোকা কত গুণ কমে?
ক্ষেত্রফল ∝ ব্যাস²। অনুপাত = (৮ ÷ ২)² = ১৬। তারারন্ধ্র যত ছোট, তত কম আলো ঢোকে, ১৬ গুণ পর্যন্ত।
সাধারণ ভুল
এই অধ্যায়ে নম্বর হারানোর কারণগুলো বেশির ভাগ একই। উত্তর জমা দেওয়ার আগে একটা একটা মিলিয়ে নাও।
- প্রতিবিম্বকে সোজা লেখা। রেটিনার প্রতিবিম্ব উল্টো, বাস্তব ও ছোট; সোজা করে মস্তিষ্ক।
- উপযোজনে লেন্স সামনে-পেছনে সরে বলা। লেন্স সরে না, তার বক্রতা বদলায়।
- কাছে তাকালে সিলিয়ারি পেশি শিথিল হয় লেখা। কাছে তাকালে পেশি সংকুচিত হয়, লেন্স মোটা হয়।
- নিকট দৃষ্টিতে উত্তল লেন্স লেখা। নিকট দৃষ্টিতে অবতল, দূর দৃষ্টিতে উত্তল।
- নিকট দৃষ্টি মানে “নিকটের জিনিস দেখতে পারে না” ভাবা। উল্টো: নিকটের জিনিস দেখতে পারে, দূরেরটা পারে না।
- প্রতিসরণের বেশির ভাগ লেন্সে ঘটে বলা। বেশির ভাগ হয় কর্নিয়ায়; লেন্স শুধু সূক্ষ্ম সমন্বয় করে।
- অন্ধবিন্দু আর পীতবিন্দু গুলিয়ে ফেলা। পীতবিন্দুতে সবচেয়ে বেশি কোন কোষ, সবচেয়ে স্পষ্ট দৃষ্টি। অন্ধবিন্দুতে কোনো সংবেদী কোষ নেই।
- রড-কোনের ভূমিকা উল্টে দেওয়া। রড অল্প আলো, রং নয়; কোন উজ্জ্বল আলো ও রং।
- ক্ষমতার একক ভুল লেখা। ডায়াপ্টার (D) = ১ ÷ ফোকাস দূরত্ব (মিটারে)। cm-এ থাকলে ১০০ ÷ f।
- অবতল লেন্সের ক্ষমতা ধনাত্মক লেখা। অবতল লেন্সের f আর P ঋণাত্মক।
চোখের যত্ন
পাঠ্যবইয়ের স্তরে কয়েকটি সাধারণ পরামর্শ। এটি চিকিৎসা-পরামর্শ নয়; চোখে সমস্যা মনে হলে চক্ষু চিকিৎসকের কাছে যাওয়াই ঠিক।
একটানা কাছে তাকিয়ে থাকলে সিলিয়ারি পেশি ক্লান্ত হয়। প্রতি ২০ মিনিট পর ২০ সেকেন্ড দূরের কিছুর দিকে তাকাও; তখন পেশি শিথিল হয়, বিশ্রাম পায়। পড়ার সময় যথেষ্ট আলো রাখো, বই চোখ থেকে প্রায় ২৫ cm দূরে ধরো। শুয়ে বা চলন্ত গাড়িতে পড়লে বইয়ের দূরত্ব বারবার বদলায় বলে চোখের চাপ বাড়ে।
সরাসরি সূর্য বা খুব তীব্র আলোর দিকে তাকিয়ো না। রেটিনা পুড়ে যেতে পারে। ধুলো-ময়লা হাতে চোখ কচলিয়ো না, কর্নিয়া আঁচড়ে যায়। চোখে কিছু পড়লে পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে নাও।
ভিটামিন এ-সমৃদ্ধ খাবার খাও: গাজর, মিষ্টি কুমড়া, ডিম, কলিজা, লালশাক। বছরে অন্তত একবার চোখ পরীক্ষা করালে নিকট বা দূর দৃষ্টির ত্রুটি আগেভাগে ধরা পড়ে।
মৃত্যুর পর চোখ দান করলে কর্নিয়া প্রতিস্থাপনে অন্য একজনের দৃষ্টি ফিরতে পারে। শুধু কর্নিয়াই প্রতিস্থাপন করা যায়, আর সেটা মৃত্যুর অল্প কয়েক ঘণ্টার মধ্যে করতে হয়। বিষয়টা পরিবারের সঙ্গে আগে আলোচনা করে রাখা ভালো।
পরীক্ষার কোণ: এসএসসি ও এইচএসসি
চোখ এমন একটি বিষয়, যেখানে জীববিজ্ঞান আর পদার্থবিজ্ঞান একসাথে আসে, তাই দুই বিষয়েই প্রশ্ন পাবে। এসএসসি ও এইচএসসি জীববিজ্ঞানে গঠন ও কাজ, আর পদার্থবিজ্ঞানে আলোর প্রতিসরণ, লেন্সের ক্ষমতা ও দৃষ্টিত্রুটি অংশে প্রায়ই আসে।
জ্ঞানমূলক: “উপযোজন কাকে বলে?”, “অন্ধবিন্দু কী?”, “লেন্সের ক্ষমতার একক কী?”। চিত্র: চোখের লম্বচ্ছেদ এঁকে কর্নিয়া, আইরিস, তারারন্ধ্র, লেন্স, সিলিয়ারি পেশি, কাচীয় রস, রেটিনা, পীতবিন্দু ও দৃষ্টি স্নায়ু চিহ্নিত করা। অংশগুলোর নাম আলোর পথ ধরে ক্রমানুসারে লিখলে চিহ্নিতকরণ মেলানো সহজ।
অনুধাবনমূলক: “কাছে তাকালে সিলিয়ারি পেশি সংকুচিত হয় কেন?”, “অন্ধকারে তারারন্ধ্র বড় হয় কেন?”, “রেটিনায় উল্টো ছবি হলেও আমরা সোজা দেখি কেন?”। প্রয়োগমূলক: দূর বিন্দু বা নিকট বিন্দু দিয়ে চশমার ক্ষমতা। প্রথমে 1/f = 1/v − 1/u লিখে চিহ্নসহ বসাও, শেষে একক D। উচ্চতর দক্ষতা: নির্দিষ্ট ত্রুটিযুক্ত ব্যক্তির জন্য কেন অবতল বা উত্তল লেন্স, তার ব্যাখ্যা।
বহুনির্বাচনিতে ঘুরে ফিরে আসে: কোন অংশে প্রতিসরণ বেশি, কোথায় কোন কোষ বেশি, কোন লেন্স কোন ত্রুটি সারায়। তুলনা-সারণিতে নিকট ও দূর দৃষ্টির সারি রাখো: কারণ, প্রতিবিম্ব কোথায় পড়ে, কোন লেন্স। উত্তরে সবসময় চিত্র ও একক দাও।
এক নজরে পুনরালোচনা
পরীক্ষার আগে এটি পড়ে নাও; প্রতিটি লাইন একটি সম্ভাব্য প্রশ্ন।
- আলোর পথ: কর্নিয়া, জলীয় রস, তারারন্ধ্র, লেন্স, কাচীয় রস, রেটিনা।
- রেটিনায় প্রতিবিম্ব উল্টো, বাস্তব ও ছোট; মস্তিষ্ক সোজা করে বোঝে।
- প্রতিসরণের বেশির ভাগ কর্নিয়ায়; লেন্স সূক্ষ্ম ফোকাস করে। v প্রায় ২.৫ cm স্থির।
- উপযোজন: কাছে তাকালে সিলিয়ারি পেশি সংকুচিত, লিগামেন্ট ঢিলে, লেন্স মোটা, P বেশি (৪৪ D); দূরে তাকালে উল্টো (৪০ D)।
- স্বাভাবিক চোখের নিকট বিন্দু ২৫ cm, দূর বিন্দু অসীম।
- আইরিস তারারন্ধ্র ছোট-বড় করে: উজ্জ্বল আলোয় ছোট, অন্ধকারে বড়।
- রড: অল্প আলো, রং নেই। কোন: উজ্জ্বল আলো, রং। পীতবিন্দুতে কোন সবচেয়ে বেশি।
- অন্ধবিন্দুতে কোনো সংবেদী কোষ নেই, কারণ ওখান দিয়ে দৃষ্টি স্নায়ু বেরিয়েছে।
- নিকট দৃষ্টি: প্রতিবিম্ব রেটিনার সামনে, অবতল লেন্স, P ঋণাত্মক।
- দূর দৃষ্টি: প্রতিবিম্ব রেটিনার পেছনে, উত্তল লেন্স, P ধনাত্মক।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
চোখের প্রতিবিম্ব উল্টো হয় কেন?
চোখের কর্নিয়া ও লেন্স মিলে একটি উত্তল লেন্সের মতো কাজ করে। উত্তল লেন্স যে বাস্তব প্রতিবিম্ব তৈরি করে সেটা উল্টো হয়। রেটিনা শুধু সংকেত পাঠায়, আর মস্তিষ্ক জন্মের পর থেকে শিখে নেয় সেই সংকেতকে সোজা ছবি হিসেবে বুঝতে।
উপযোজন কাকে বলে?
বস্তু কাছে বা দূরে গেলেও চোখের লেন্সের ফোকাস দূরত্ব বদলে প্রতিবিম্ব রেটিনায় ফেলার ক্ষমতাকে উপযোজন বলে। সিলিয়ারি পেশি সংকুচিত বা শিথিল হয়ে লেন্সকে মোটা বা পাতলা করে।
স্বাভাবিক চোখের নিকট বিন্দু ও দূর বিন্দু কত?
নিকট বিন্দু (স্পষ্ট দর্শনের ন্যূনতম দূরত্ব) প্রায় ২৫ cm, আর দূর বিন্দু অসীম। অর্থাৎ ২৫ cm থেকে অসীম পর্যন্ত সব জিনিস স্পষ্ট দেখা যায়। বয়সের সঙ্গে নিকট বিন্দু দূরে সরে যায়।
নিকট দৃষ্টি আর দূর দৃষ্টির পার্থক্য কী?
নিকট দৃষ্টিতে কাছের জিনিস পরিষ্কার, দূরেরটা ঝাপসা; প্রতিবিম্ব রেটিনার সামনে পড়ে এবং অবতল লেন্সে সারে। দূর দৃষ্টিতে দূরের জিনিস পরিষ্কার, কাছেরটা ঝাপসা; প্রতিবিম্ব রেটিনার পেছনে পড়ে এবং উত্তল লেন্সে সারে।
পীতবিন্দু আর অন্ধবিন্দুর পার্থক্য কী?
পীতবিন্দু রেটিনার মাঝের ছোট গর্ত, যেখানে কোন কোষ সবচেয়ে বেশি, তাই স্পষ্টতম দৃষ্টি। অন্ধবিন্দু হলো যেখানে দৃষ্টি স্নায়ু রেটিনা ছেড়েছে; সেখানে কোনো আলো-সংবেদী কোষ নেই, তাই ওখানে পড়া ছবি দেখা যায় না।
রড কোষ আর কোন কোষের কাজ কী?
রড কোষ অল্প আলোয় দেখতে সাহায্য করে কিন্তু রং চেনে না। কোন কোষ উজ্জ্বল আলোয় কাজ করে, রং ও সূক্ষ্ম খুঁটিনাটি চেনে। কোন তিন রকম: লাল, সবুজ ও নীল আলোর প্রতি সংবেদী।
আলোয় গেলে তারারন্ধ্র ছোট হয় কেন?
বেশি আলো রেটিনার ক্ষতি করতে পারে। তাই উজ্জ্বল আলোয় আইরিসের বৃত্তাকার পেশি সংকুচিত হয়ে তারারন্ধ্র ছোট করে দেয়, কম আলো ঢোকে। অন্ধকারে ব্যাসার্ধীয় পেশি তারারন্ধ্র বড় করে বেশি আলো ঢুকতে দেয়। এটি মস্তিষ্কের স্বয়ংক্রিয় প্রতিবর্ত।
লেন্সের ক্ষমতার একক ডায়াপ্টার কী?
ফোকাস দূরত্ব মিটারে মাপলে তার বিপরীত সংখ্যাকে লেন্সের ক্ষমতা বলে, একক ডায়াপ্টার (D)। ১ মিটার ফোকাস দূরত্বের লেন্সের ক্ষমতা ১ D। উত্তল লেন্সের ক্ষমতা ধনাত্মক, অবতলের ঋণাত্মক।
চশমার লেন্স কীভাবে ঝাপসা দৃষ্টি ঠিক করে?
চশমা আলো চোখে ঢোকার আগে তার অভিসরণ বা অপসরণ সামান্য বদলে দেয়, ফলে চোখের নিজের ফোকাসিং ব্যবস্থা প্রতিবিম্বকে ঠিক রেটিনায় ফেলতে পারে। অবতল লেন্স আলোকে ছড়ায়, উত্তল লেন্স জড়ো করে।
এই বিষয়ের আরও পড়াশোনা
অ্যানিমেশনে ধারণা পরিষ্কার হলো, এবার পরীক্ষার প্রস্তুতি: সিলেবাস, সাজেশন, বই আর ভর্তি পরীক্ষার গাইড নিচে।
SSC
এসএসসি জীববিজ্ঞান: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
SSC
এসএসসি পদার্থবিজ্ঞান: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
ভর্তি
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি
HSC
এইচএসসি জীববিজ্ঞান: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
পাঠ্যবই
নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান বই
ভর্তি
মেডিকেল ভর্তি ২০২৬-২৭
ভর্তি
গুচ্ছ (GST) বিজ্ঞান ইউনিট ভর্তি ২০২৬-২৭
English
Composition: Climate Change (ইংরেজিতে)
বাংলা
রচনা: জলবায়ু পরিবর্তন
SSC
এসএসসি সাজেশন
HSC
এইচএসসি সাজেশন
ভর্তি
বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার গাইড
SSC
এসএসসি সিলেবাস
HSC
এইচএসসি সিলেবাস
বিদেশে পড়াশোনা
যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষা
স্কলারশিপ
চীনের CSC স্কলারশিপ
IELTS
IELTS Writing Task 1: process diagrams (ইংরেজিতে)
IELTS
IELTS preparation guide (ইংরেজিতে)
বিদেশে পড়াশোনা
Academic CV for study abroad (ইংরেজিতে)
ক্যারিয়ার
Dental hygienist resume example (ইংরেজিতে)
আরও জীববিজ্ঞান অ্যানিমেশন
SSC · HSC
মাইটোসিস কোষ বিভাজন
মাইটোসিস কাকে বলে, কোষ বিভাজন কত প্রকার ও কী কী? প্রোফেজ, মেটাফেজ, অ্যানাফেজ, টেলোফেজ ও সাইটোকাইনেসিস চলমান চিত্রে দেখো, ক্রোমোজোম গোনার নিয়মসহ।
SSC · HSC
ব্যাপন ও অভিস্রবণ
ব্যাপন ও অভিস্রবণ কাকে বলে, এদের মধ্যে পার্থক্য, প্লাজমোলাইসিস, রসস্ফীতি ও ইমবাইবিশন: কণার সিমুলেশনে নিজে দেখে সহজ ভাষায় শেখো, উদাহরণ ও গাণিতিক সমস্যাসহ।
SSC · HSC
সালোকসংশ্লেষণ
সালোকসংশ্লেষণ কাকে বলে, সমীকরণ, আলোক ও অন্ধকার পর্যায়, ক্যালভিন চক্র, প্রভাবক ও সীমাবদ্ধ উপাদান: পাতা, হাইড্রিলা আর ক্লোরোপ্লাস্টের অ্যানিমেশনে নিজে দেখো।
SSC · HSC
মানব হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কাজ
হৃৎপিণ্ডের চারটি প্রকোষ্ঠ, কপাটিকা, লাব-ডাব শব্দ আর চলমান ইসিজি একসাথে দেখো। দ্বিচক্রী সংবহন, হৃৎচক্র ও কার্ডিয়াক আউটপুট শেখো, গাণিতিক সমস্যাসহ।
SSC · HSC
মেন্ডেলের বংশগতি সূত্র
মেন্ডেলের সূত্র, একসংকর ও দ্বিসংকর জনন, টেস্ট ক্রস, অসম্পূর্ণ প্রকটতা, রক্তের গ্রুপ আর সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারণ — নিজে পানেট বর্গ বানিয়ে বংশগতির অনুপাত হিসাব করে দেখো।
HSC
ডিএনএ রেপ্লিকেশন
ডিএনএ রেপ্লিকেশন বা অনুলিপন কাকে বলে, অর্ধ-রক্ষণশীল পদ্ধতি, এনজাইমগুলোর কাজ আর মেসেলসন-স্টাল পরীক্ষা—সব অ্যানিমেশনে নিজে দেখো ও হিসাব করো।
SSC · HSC
কোষীয় শ্বসন
কোষীয় শ্বসন কাকে বলে, সবাত ও অবাত শ্বসনের পার্থক্য, গ্লাইকোলাইসিস, ক্রেবস চক্র, ইলেকট্রন প্রবাহতন্ত্র আর ATP হিসাব: মাইটোকন্ড্রিয়ার অ্যানিমেশনে নিজে দেখো ও গণনা করো।
SSC · HSC
এনজাইম ক্রিয়া
এনজাইম কী, সক্রিয় স্থান, তালা-চাবি ও আবিষ্ট মিলন মডেল, তাপমাত্রা-pH-এর প্রভাব, মিকেলিস-মেন্টেন সমীকরণ ও প্রতিবন্ধক — নিজে বদলে দেখো এনজাইম ক্রিয়ার অ্যানিমেশনে।
SSC · HSC
স্নায়ু উদ্দীপনার পরিবহন ও অ্যাকশন পটেনশিয়াল
প্রান্তিক মাত্রা (−৫৫ mV) পার হলেই অ্যাকশন পটেনশিয়াল তৈরি হয়ে অ্যাক্সন বেয়ে ছোটে, তারপর সিন্যাপসে নিউরোট্রান্সমিটার নিঃসৃত হয় — সিমুলেশনে নিজে চালিয়ে দেখো, সূত্র ও গাণিতিক উদাহরণসহ।
SSC · HSC
নেফ্রন ও মূত্র তৈরির প্রক্রিয়া
বৃক্ক প্রতিদিন প্রায় ১৮০ লিটার রক্ত ছেঁকে মাত্র দেড় লিটার মূত্র তৈরি করে কীভাবে? গ্লোমেরুলাসে ছাঁকন, নালিকায় পুনঃশোষণ আর গ্লুকোজের প্রান্তিক মাত্রা — সিমুলেশনে নিজে চালিয়ে দেখো, সূত্র ও অঙ্কসহ।
SSC · HSC
মিয়োসিস কোষ বিভাজন
মিয়োসিস কাকে বলে, ক্রসিং ওভার কী, মাইটোসিস ও মিয়োসিসের পার্থক্য কী: 2n = 4 কোষে প্রোফেজ I থেকে টেলোফেজ II পর্যন্ত নিজে চালিয়ে দেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।
SSC
পরিপাকতন্ত্র
পরিপাকতন্ত্র কী, কোন এনজাইম কোথায় কাজ করে, ভিলাই কীভাবে শোষণ করে: মুখ থেকে বৃহদান্ত্র পর্যন্ত খাদ্যের যাত্রা নিজে চালিয়ে দেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।
Class 9 · SSC
শ্বাসক্রিয়ার কৌশল: প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস
মধ্যচ্ছদা, পর্শুকা আর আন্তঃপর্শুকা পেশি কীভাবে ফুসফুসে বাতাস ঢোকায় ও বের করে, চলমান চিত্রে দেখো। চাপমাপক, স্পাইরোমিটার রেখা, বেল জার মডেল আর বায়ুথলিতে গ্যাসীয় বিনিময়, সমাধানসহ।
HSC
প্রোটিন সংশ্লেষণ
আরএনএ পলিমারেজ কীভাবে জিন থেকে mRNA বানায় আর রাইবোসোম কীভাবে কোডন পড়ে প্রোটিন গড়ে, অ্যানিমেশনে নিজে দেখো। জিন বদলাও, মিউটেশন ঘটাও, কোডন সারণি মেলাও।
SSC · HSC
রক্ত সংবহন: দ্বি-সংবহন ও কার্ডিয়াক আউটপুট
রক্ত কীভাবে হৃৎপিণ্ড থেকে ফুসফুসে, দেহে আর আবার হৃৎপিণ্ডে ফেরে, চলমান চিত্রে দেখো। ফুসফুসীয় ও সিস্টেমিক সংবহন, ধমনি-শিরা-কৈশিকনালির পার্থক্য, কার্ডিয়াক আউটপুটের অঙ্ক সমাধানসহ।
SSC · HSC
কোষের গঠন ও অঙ্গাণু: উদ্ভিদ কোষ বনাম প্রাণী কোষ
উদ্ভিদ কোষ আর প্রাণী কোষ পাশাপাশি দেখো। নিউক্লিয়াস, মাইটোকন্ড্রিয়া, ক্লোরোপ্লাস্ট, গলজি বস্তু, রাইবোজোমসহ প্রতিটি অঙ্গাণুতে ক্লিক করে কাজ জানো। পার্থক্যের ছক, বিবর্ধনের অঙ্ক ও এসএসসি-এইচএসসির প্রশ্নসহ।
SSC · HSC
প্রতিবর্ত ক্রিয়া ও প্রতিবর্ত চাপ
গরম কিছুতে হাত ঠেকালে সংকেত কীভাবে গ্রাহক, সংবেদী নিউরন, সুষুম্নাকাণ্ড, চেষ্টীয় নিউরন হয়ে পেশিতে পৌঁছায় নিজে চালিয়ে দেখো। প্রতিবর্তের সময় (২৪.৩৩ ms) হিসাব করো, আর দেখো ব্যথা কেন পরে টের পাওয়া যায়।
HSC
পেশি সংকোচন ও স্লাইডিং ফিলামেন্ট মডেল
সারকোমিয়ারের ভেতরে অ্যাকটিন ও মায়োসিনের সরে যাওয়া দেখুন। A ব্যান্ড থাকে ১.৬ µm, I ব্যান্ড ও H অঞ্চল ছোট হয়; ক্রস-ব্রিজ চক্র, ক্যালসিয়াম ও ATP ধাপে ধাপে শিখুন।
SSC · HSC
উদ্ভিদে পরিবহন: জাইলেম, ফ্লোয়েম ও বাষ্পমোচন
জাইলেম বেয়ে পানি ওঠা আর ফ্লোয়েম বেয়ে শর্করা নামা দেখুন। আলো, আর্দ্রতা ও বাতাস বদলে বাষ্পমোচনের হার হিসাব করুন (সাধারণ দিনে ৫৪.৮ g/m²/h)।
SSC · HSC
খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজাল: শক্তির প্রবাহ ও ১০ % নিয়ম
খাদ্যজাল তৈরি করুন, একটি প্রজাতি সরিয়ে প্রভাব দেখুন, আর শক্তি পিরামিডে ১০ % নিয়ম চালান (উৎপাদকের ১০,০০০ kJ থেকে শীর্ষে থাকে মাত্র ১ kJ)।
HSC
জনসংখ্যা বৃদ্ধি: সূচকীয় ও লজিস্টিক রেখা
r আর ধারণক্ষমতা K টানুন এবং সূচকীয় ও লজিস্টিক রেখা আলাদা হতে দেখুন। r = ০.৪০ প্রতি ঘণ্টা আর K = ১,০০০ হলে কালচার প্রতি ১.৭৩ ঘণ্টায় দ্বিগুণ হয় এবং K-এর কাছে থামে।
HSC
প্রাকৃতিক নির্বাচন: পেপার্ড মথ ও কালিঝুলি মাখা গাছ
কালিঝুলির মাত্রা বাড়িয়ে-কমিয়ে দেখো পাখি কোন মথ ধরে। ৮০% কালি ও ৪০% নির্বাচনে গাঢ় মথ ১০% থেকে ১৫ প্রজন্মে ৯০% ছাড়িয়ে যায়।
SSC · HSC
রোগপ্রতিরোধ: প্রাথমিক ও গৌণ অ্যান্টিবডি সাড়া
টিকা নেওয়া ও না নেওয়া ব্যক্তির অ্যান্টিবডির মাত্রা এক গ্রাফে মিলিয়ে দেখো। এই মডেলে স্মৃতির কারণে সুরক্ষা পেতে ৮.১ দিনের জায়গায় লাগে ২.৫ দিন, আর চূড়া ৫.১ গুণ ওঠে।
SSC · HSC
পরাগায়ন ও নিষেক
পরাগধানী থেকে গর্ভমুণ্ড, পরাগনালি বেয়ে ডিম্বকে পরাগরেণুর যাত্রা দেখো। দ্বিনিষেকে ১৪ ক্রোমোজোমের জাইগোট ও ২১ ক্রোমোজোমের ভ্রূণপোষ কীভাবে তৈরি হয়, তারপর বীজ ও ফল।
অন্য বিষয়ের অ্যানিমেশন
পদার্থবিজ্ঞান
আলোর প্রতিসরণ
পদার্থবিজ্ঞান
ওহমের সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
প্রাসের গতি
পদার্থবিজ্ঞান
সরল দোলক
পদার্থবিজ্ঞান
তড়িৎ ক্ষেত্র
পদার্থবিজ্ঞান
তরঙ্গের ব্যতিচার
পদার্থবিজ্ঞান
পড়ন্ত বস্তু ও পড়ন্ত বস্তুর সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
লেন্সে প্রতিবিম্ব গঠন
পদার্থবিজ্ঞান
নিউটনের গতির সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
গোলীয় দর্পণে প্রতিবিম্ব গঠন
পদার্থবিজ্ঞান
তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ ও ফ্যারাডের সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
ভরবেগের সংরক্ষণ ও সংঘর্ষ
পদার্থবিজ্ঞান
কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি
পদার্থবিজ্ঞান
নততল
পদার্থবিজ্ঞান
বৃত্তাকার গতি
পদার্থবিজ্ঞান
অনুপ্রস্থ ও অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ
পদার্থবিজ্ঞান
লিভার ও ভ্রামক
পদার্থবিজ্ঞান
ভরকেন্দ্র
পদার্থবিজ্ঞান
স্প্রিং-ভর ও সরল ছন্দিত স্পন্দন
পদার্থবিজ্ঞান
ভেক্টর যোগ: ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
আপেক্ষিক বেগ: ট্রেন ও নদী পারাপার
পদার্থবিজ্ঞান
কেপলারের সূত্র ও উপবৃত্তাকার কক্ষপথ
পদার্থবিজ্ঞান
নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র, g ও কৃত্রিম উপগ্রহ
পদার্থবিজ্ঞান
তার ও নলে স্থির তরঙ্গ
পদার্থবিজ্ঞান
অনুনাদ নল ও শব্দের দ্রুতি
পদার্থবিজ্ঞান
স্বরকম্প: কাছাকাছি দুই সুরের স্পন্দন
পদার্থবিজ্ঞান
ডপলার প্রভাব: চলমান উৎস, চলমান শ্রোতা ও সনিক বুম
পদার্থবিজ্ঞান
প্রিজম, আলোর বিচ্ছুরণ ও রামধনু
পদার্থবিজ্ঞান
কির্শফের সূত্র: সংযোগ সূত্র ও বদ্ধ পথ সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
হুইটস্টোন ব্রিজ ও মিটার ব্রিজ
পদার্থবিজ্ঞান
একক চিড়ে অপবর্তন
পদার্থবিজ্ঞান
চোখের ত্রুটি ও তার প্রতিকার
পদার্থবিজ্ঞান
আলোর সমবর্তন: ম্যালাসের সূত্র ও ব্রুস্টারের সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
ক্যাপাসিটরের আহিতকরণ ও নিরাহিতকরণ: আরসি সময় ধ্রুবক
পদার্থবিজ্ঞান
চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা: দণ্ডচুম্বক, তড়িৎবাহী সরল তার ও সলিনয়েড
পদার্থবিজ্ঞান
এসি জেনারেটর
পদার্থবিজ্ঞান
ট্রান্সফর্মার
পদার্থবিজ্ঞান
তাপের সঞ্চালন: পরিবহন, পরিচলন ও বিকিরণ
পদার্থবিজ্ঞান
আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া: আইনস্টাইনের সমীকরণ ও নিবৃত্তি বিভব
পদার্থবিজ্ঞান
মোটর ক্রিয়া: তড়িৎবাহী তারের ওপর বল ও ডিসি মোটর
পদার্থবিজ্ঞান
গ্যাসের অণু ও গতিতত্ত্ব: চাপ, তাপমাত্রা ও দ্রুতি
পদার্থবিজ্ঞান
অর্ধপরিবাহী ডায়োড: p–n সন্ধি, I–V বক্ররেখা ও রেক্টিফায়ার
পদার্থবিজ্ঞান
তেজস্ক্রিয় ক্ষয়: অর্ধায়ু, ক্ষয় সূত্র ও বিকিরণের ভেদন ক্ষমতা
পদার্থবিজ্ঞান
বোর পরমাণু মডেল: কক্ষপথ, শক্তিস্তর ও হাইড্রোজেনের বর্ণালি
রসায়ন
পরমাণুর গঠন
রসায়ন
এসিড, ক্ষারক ও pH স্কেল
রসায়ন
ইলেকট্রন বিন্যাস
রসায়ন
গ্যাসের সূত্র: বয়েল, চার্লস ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ
রসায়ন
আয়নিক বন্ধন কীভাবে গঠিত হয়
রসায়ন
তড়িৎ বিশ্লেষণ ও ফ্যারাডের সূত্র
রসায়ন
সমযোজী বন্ধন
রসায়ন
পর্যায়বৃত্ত ধর্ম
রসায়ন
বিক্রিয়ার হার ও সংঘর্ষ তত্ত্ব
রসায়ন
পদার্থের অবস্থা: কঠিন, তরল, গ্যাসীয় ও তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র
রসায়ন
পরমাণুর অরবিটাল: s, p, d-এর আকৃতি, কোয়ান্টাম সংখ্যা ও নোড
রসায়ন
আণবিক আকৃতি ও ভিএসইপিআর তত্ত্ব: বন্ধন জোড়, মুক্তজোড় ও বন্ধন কোণ
রসায়ন
মোল ধারণা: মোলার ভর, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা ও মোলার আয়তন
রসায়ন
ব্যাপন ও নিঃসরণ: গ্রাহামের সূত্র
রসায়ন
রাসায়নিক সমীকরণ সমতাকরণ: পদ্ধতি, উদাহরণ ও অনুশীলন
রসায়ন
রাসায়নিক সাম্যাবস্থা: সাম্যধ্রুবক Kc ও লা শাতেলিয়ের নীতি
রসায়ন
টাইট্রেশন: অম্ল-ক্ষারের ঘনমাত্রা বের করার পদ্ধতি
রসায়ন
গ্যালভানিক কোষ: ড্যানিয়েল কোষ, EMF ও নার্নস্ট সমীকরণ
রসায়ন
জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া: জারণ সংখ্যা, ইলেকট্রন স্থানান্তর ও অর্ধ-সমীকরণ
রসায়ন
হাইড্রোকার্বন: অ্যালকেন, অ্যালকিন, অ্যালকাইন ও কাঠামোগত সমাণু ত্রিমাত্রায়
রসায়ন
কার্যকরী মূলক: অ্যালকোহল, অ্যালডিহাইড, কিটোন, অ্যাসিড, এস্টার ও অ্যামিন
রসায়ন
পলিমারকরণ: যোজন ও ঘনীভবন পলিমার, পলিথিন ও নাইলন
রসায়ন
মিশ্রণ আলাদা করার পদ্ধতি: ছাঁকন, পাতন, ক্রোমাটোগ্রাফি, স্ফটিকীকরণ
রসায়ন
কেলাস জালক: SC, BCC ও FCC একক কোষ, প্যাকিং দক্ষতা ও ঘনত্ব
রসায়ন
তেজস্ক্রিয়তা: আলফা, বিটা, গামা ক্ষয় ও অর্ধায়ু
গণিত
পিথাগোরাসের উপপাদ্য
গণিত
ত্রিকোণমিতিক অনুপাত ও একক বৃত্ত
গণিত
দ্বিঘাত সমীকরণ ও দ্বিঘাত ফাংশনের লেখচিত্র
গণিত
বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য
গণিত
দূরত্ব ও উচ্চতা: উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ
গণিত
সম্ভাবনা: পরীক্ষালব্ধ বনাম তাত্ত্বিক সম্ভাবনা
গণিত
সমান্তর ও গুণোত্তর ধারা
গণিত
গড়, মধ্যক ও প্রচুরক
গণিত
সেট ও ভেনচিত্র
গণিত
সরল সহসমীকরণ ও সরলরেখার লেখচিত্র
গণিত
sin, cos, tan-এর লেখচিত্র
গণিত
পূর্ণবর্গ পদ্ধতি ও দ্বিঘাত সমীকরণের সমাধান
গণিত
বৃত্তের ক্ষেত্রফল: সূত্র, প্রমাণ ও সমাধান
গণিত
ঘনবস্তুর আয়তন ও তলের ক্ষেত্রফল: ঘনক, আয়তঘন, বেলন, কোণক, গোলক
গণিত
সদৃশ ত্রিভুজ: স্কেল ফ্যাক্টর, AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়া থেকে উচ্চতা
গণিত
স্থানাঙ্ক জ্যামিতি: দূরত্ব, মধ্যবিন্দু, ঢাল, বিভক্তিকরণ সূত্র ও সঞ্চারপথ
গণিত
শাঙ্কব ছেদ: বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত ও অধিবৃত্ত
গণিত
ফাংশনের রূপান্তর: সরানো, টানা ও উল্টানো
গণিত
অন্তরীকরণ: স্পর্শকের ঢাল ও ছেদক থেকে স্পর্শক
গণিত
রিম্যান যোগফল ও সমাকলন: বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফল
গণিত
সীমা ও ε–δ সংজ্ঞা: ছবিতে বোঝা
গণিত
ত্রিমাত্রিক ভেক্টর: যোগ, ডট গুণ ও ক্রস গুণ
গণিত
ম্যাট্রিক্স রূপান্তর: ঘূর্ণন, প্রতিফলন, শিয়ার ও নির্ণায়ক
গণিত
জটিল সংখ্যা: আরগান্ড সমতলে যোগ, গুণ, ঘাত ও মূল
গণিত






















