নিয়ন্ত্রণ
একটি প্রজাতি সরিয়ে দিন
পরিমাপ
- শীর্ষ স্তরের শক্তি
- ১.০kJ
- প্রতি ধাপে পৌঁছায়
- ১০%
- শীর্ষে পৌঁছায়নি
- ৯৯.৯৯০%
- শৃঙ্খলের সর্বোচ্চ দৈর্ঘ্য
- ৫স্তর
- শীর্ষের ১ kJ-র জন্য উৎপাদকে লাগে
- ১০,০০০kJ
- টিকে থাকা প্রজাতি
- ৭ / ৭
- প্রভাবিত প্রজাতি
- ০
- সরানো প্রজাতি
- কেউ না
সিমুলেশনটি কীভাবে ব্যবহার করবে
- বাঁ দিকের জালটি দেখুন। প্রতিটি বৃত্ত একটি প্রজাতি, বৃত্তের ভেতরের সংখ্যা তার পুষ্টিস্তর। তীর যায় খাদ্য থেকে খাদকের দিকে, আর তীর বেয়ে ছোট বিন্দুগুলো শক্তির চলাচল দেখায়।
- ডান দিকের পিরামিডটি দেখুন। সব শক্তি নিয়ে উৎপাদক থাকে গোড়ায়; ওপরের প্রতিটি স্তরে নিচের স্তরের এক-দশমাংশ। দণ্ডের দৈর্ঘ্য লগ স্কেলে, কারণ সরল স্কেলে চূড়া চোখেই পড়ত না।
- শক্তির স্লাইডার টানুন। সব স্তর একসঙ্গে বদলায়, আর সর্বোচ্চ দৈর্ঘ্যের রিডিং বলে কয়টি স্তরে অন্তত ১ kJ থাকছে।
- হস্তান্তরের স্লাইডার ১০ % থেকে ২০ %-এর দিকে নিন, তারপর ৫ %-এ নামান। শীর্ষ স্তর বাড়ে নাকি প্রায় মিলিয়ে যায়, লক্ষ করুন।
- ‘একটি প্রজাতি সরিয়ে দিন’ নিয়ন্ত্রণটি ব্যবহার করুন। রিং আর ত্রিভুজ দেখায় কে কমছে, কে বাড়ছে, কে দুই দিক থেকে টান খাচ্ছে আর কে না খেয়ে শেষ। পিরামিডের নিচের প্যানেল একই কথা শব্দে লেখে।
- রিসেট চেপে সাধারণ অবস্থায় ফিরুন, তারপর নিচের সমাধান করা সমস্যার সঙ্গে রিডিং মেলান।
সিংহকে সিংহ খেতে দেখা যায় না কেন
গোধূলিতে ধানখেতের ভেতর দিয়ে হাঁটুন। পায়ের কাছ থেকে ঘাসফড়িং লাফিয়ে ওঠে, ব্যাঙ একটাকে লুফে নেয়, ব্যাঙের দিকে সাপ এগোয়। অনেক ওপরে ঈগল সাপের দিকে নজর রাখছে। এই প্রতিটি প্রাণী বেঁচে আছে একটি জিনিসের জন্য: ধান আর ঘাস সূর্যের আলো থেকে যে শক্তি ধরেছে।
এই শক্তি গোল হয়ে ঘুরতে থাকে না। সবুজ উদ্ভিদের মধ্য দিয়ে ঢোকে, কেউ কাউকে খেলেই এক ধাপ ওপরে ওঠে, আর প্রতি ধাপে তাপ হয়ে ছড়িয়ে যায়। এই একমুখী যাত্রার নাম শক্তির প্রবাহ, আর এ কারণেই হাজার হাজার ঘাসফড়িং থাকলেও ঈগল থাকে হাতে গোনা।
এই পাতায় আপনি নিজেই পরীক্ষা করতে পারবেন। স্লাইডার দিয়ে পিরামিড বানাবেন, প্রতি ধাপ কত দক্ষ তা বদলাবেন, তারপর জাল থেকে প্রজাতি মুছে দেখবেন বাকিরা কার ওপর নির্ভর করে।
খাদ্যশৃঙ্খল নাকি খাদ্যজাল?
খাদ্যশৃঙ্খল একটিমাত্র রেখা: ঘাস, ঘাসফড়িং, ব্যাঙ, সাপ, ঈগল। আঁকা সহজ, শেখাও সহজ, কিন্তু বাস্তবে প্রাণী খুব কমই একটিমাত্র খাবার খায়। সিমুলেশনের ইঁদুর ধান আর ঘাস দুটোই খায়, আবার তাকে খায় সাপ আর ঈগল দুজনেই।
কোনো আবাসের সব শৃঙ্খল একসঙ্গে জুড়লে পাওয়া যায় খাদ্যজাল: কে কাকে খায় তা দেখানো আড়াআড়ি তীরের জটলা। জাল বাস্তবের কাছাকাছি, আর বেশি স্থিতিশীলও, কারণ একটি খাদ্য হারালে প্রাণী আরেকটিতে সরে যেতে পারে।
| বৈশিষ্ট্য | খাদ্যশৃঙ্খল | খাদ্যজাল |
|---|---|---|
| আকৃতি | একটি সোজা রেখা | অনেক জোড়া লাগা শৃঙ্খল |
| প্রতিটি প্রজাতি খায় | ঠিক এক ধরনের খাবার | প্রায়ই একাধিক ধরনের |
| একটি প্রজাতি হারালে | তার ওপরের সবাই বিপদে | অন্যরা প্রায়ই খাবার বদলাতে পারে |
| বাস্তবতা | সরল করা একটি পথ | প্রকৃতির কাছাকাছি |
| কাজে লাগে | পুষ্টিস্তর ও শক্তি গুনতে | কে কার ওপর নির্ভর করে দেখতে |
সিমুলেশনের পুষ্টিস্তর
পুষ্টিস্তর মানে খাওয়ার ক্ষেত্রে একটি অবস্থান। স্তর গোনা হয় উৎপাদক থেকে ওপরের দিকে, আর সিমুলেশন প্রতিটি প্রজাতিকে তার স্তর দিয়েছে।
| স্তর | নাম | জালের প্রজাতি | কী খায় |
|---|---|---|---|
| ১ | উৎপাদক | ঘাস, ধান | সূর্যের আলো থেকে খাদ্য বানায় |
| ২ | প্রাথমিক খাদক (তৃণভোজী) | ঘাসফড়িং, ইঁদুর | উৎপাদক |
| ৩ | দ্বিতীয় স্তরের খাদক | ব্যাঙ | ঘাসফড়িং |
| ৪ | তৃতীয় স্তরের খাদক | সাপ | ব্যাঙ ও ইঁদুর |
| ৫ | শীর্ষ খাদক | ঈগল | সাপ ও ইঁদুর |
আগে শব্দগুলো জেনে নিই
বাস্তুবিদ্যায় এক রকম শোনায় এমন অনেক শব্দ আছে। জোড়ায় জোড়ায় শিখে নিন।
| শব্দ | অর্থ |
|---|---|
| উৎপাদক | যে জীব নিজের খাদ্য নিজে বানায়, সাধারণত সালোকসংশ্লেষণে: সবুজ উদ্ভিদ, শৈবাল। |
| খাদক | যে জীব অন্য জীব খেয়ে শক্তি পায়। |
| তৃণভোজী | উদ্ভিদ খায় এমন প্রাথমিক খাদক। |
| মাংসাশী | প্রাণী খায় এমন খাদক। |
| সর্বভুক | উদ্ভিদ ও প্রাণী দুটোই খায় এমন খাদক। |
| বিয়োজক | ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাক, যারা মৃত দেহ ভেঙে পুষ্টি মাটিতে ফিরিয়ে দেয়। |
| পুষ্টিস্তর | খাদ্যশৃঙ্খলে খাওয়ার ক্ষেত্রে একটি অবস্থান। |
| খাদ্যশৃঙ্খল | কে কাকে খায় তার একটিমাত্র ধারা। |
| খাদ্যজাল | অনেক খাদ্যশৃঙ্খল জোড়া লেগে তৈরি জাল। |
| শক্তির পিরামিড | প্রতিটি পুষ্টিস্তরে কতটা শক্তি আছে তার চিত্র। |
| মূল প্রজাতি | যে প্রজাতি সরালে সংখ্যায় যতটা মনে হয় তার চেয়ে অনেক বেশি পরিবর্তন হয়। |
১০ % নিয়ম
১৯৪২ সালে রেমন্ড লিন্ডেম্যান একটি হ্রদের শক্তি মেপে দেখেন, প্রতিটি স্তরে নিচের স্তরের অল্প একটি অংশই থাকে। সেখান থেকে এসেছে ১০ % নিয়ম (লিন্ডেম্যানের সূত্র): এক পুষ্টিস্তরের শক্তির প্রায় ১০ % পরের স্তরে যায়, বাকিটা হারিয়ে যায়।
বাকি ৯০ % কোথায় যায়? বেশিরভাগ পোড়ে শ্বসনে, প্রাণীকে গরম আর সচল রাখতে। কিছু বেরিয়ে যায় মল-মূত্রে, কিছু থাকে হাড়, লোম আর খোলসে যা পরের প্রাণী হজম করতে পারে না, আর কিছু থাকে যে প্রাণী না-খাওয়া অবস্থায় মরে বিয়োজকের হাতে যায় তার দেহে।
হিসাবটা শুধু বারবার গুণ। উৎপাদকে ১০,০০০ kJ থেকে শুরু করলে স্তর ২-এ ১০,০০০ × ১০ % = ১,০০০ kJ, স্তর ৩-এ ১০০ kJ, স্তর ৪-এ ১০ kJ আর স্তর ৫-এ ১ kJ। সিমুলেশন ঠিক এই হিসাবই করে, আপনার ঠিক করা হস্তান্তরের হারে।
E(n) = E(1) × (p ÷ 100)ⁿ⁻¹E(1) = উৎপাদকের শক্তি, p = হস্তান্তরের %, n = পুষ্টিস্তর
শীর্ষের আগে হারায় = 1 − (p ÷ 100)⁴পাঁচ স্তরের শৃঙ্খলের জন্য
অন্তত 1 kJ থাকা স্তর = ⌊ln E(1) ÷ ln(100 ÷ p)⌋ + 1ইনপুট যত লম্বা শৃঙ্খল টানতে পারে
তিন রকম পিরামিড
বাস্তুবিদরা তিনটি আলাদা রাশির পিরামিড আঁকেন। এর মধ্যে মাত্র একটি সবসময় সোজা থাকে।
| পিরামিড | কী মাপে | আকৃতি |
|---|---|---|
| শক্তি | প্রতি স্তরে প্রতি এলাকায় প্রতি বছর kJ | সবসময় সোজা: পাওয়ার চেয়ে বেশি শক্তি পরে দেওয়া যায় না |
| সংখ্যা | প্রতি স্তরে কতগুলো জীব | সাধারণত সোজা, কিন্তু একটি বড় গাছে হাজার পোকা থাকলে উল্টো |
| জৈব ভর | প্রতি স্তরে জীবন্ত বস্তুর শুকনো ভর | স্থলে সোজা, সাগরে কখনো উল্টো, যেখানে ক্ষুদ্র শৈবাল যত দ্রুত বাড়ে তত দ্রুত খাওয়া হয় |
একটি প্রজাতি সরালে কী হয়
সিমুলেশন জালে দুটি সরল নিয়ম প্রয়োগ করে। প্রথম, কোনো প্রজাতি যা যা খায় তার সবই চলে গেলে সে না খেয়ে শেষ হয় এবং ক্ষতি ওপরে ছড়ায়। দ্বিতীয়, কিছু খাবার হারালে প্রজাতি কমে, আর কোনো শিকারি হারালে সে বাড়ে। একটি প্রজাতি দুই দিক থেকেও টান খেতে পারে।
মাঝের একটি প্রজাতি সরান: ব্যাঙ
ব্যাঙ না থাকলে ঘাসফড়িংকে আর কেউ খায় না, তাই তারা বাড়ে। সাপ তার দুই খাবারের একটি হারিয়ে কমে, তবে ইঁদুর খেয়ে টিকে থাকে। ২টি প্রজাতি প্রভাবিত হয় আর ৭টির মধ্যে ৬টি বেঁচে থাকে।
নির্ভরশীল আছে এমন প্রজাতি সরান: ঘাসফড়িং
ব্যাঙ শুধু ঘাসফড়িং খায়। ঘাসফড়িং না থাকলে ব্যাঙও না খেয়ে শেষ, তাই একটি সরানোয় ২টি প্রজাতি হারায়। সাপ ব্যাঙ হারিয়ে কমে, আর ঘাস ও ধান একটি ভক্ষক হারিয়ে বাড়ে। আরও ৩টি প্রজাতি প্রভাবিত হয়, আর ৭টির মধ্যে ৫টি টিকে থাকে।
বহুজনের খাদ্য এমন প্রজাতি সরান: ইঁদুর
ইঁদুর সাপ আর ঈগল দুজনেরই খাবার, তাই দুজনেই কমে, আর ধান ও ঘাস একটি ভক্ষক হারিয়ে বাড়ে। একটি ছোট প্রাণী হারালেই ৪টি প্রজাতি প্রভাবিত হয়, চূড়ার ঈগল হারালে যত হয় তার দ্বিগুণ।
চূড়া সরান: ঈগল
ঈগলকে কেউ খায় না, তাই কেউ না খেয়ে মরে না। কিন্তু সাপ আর ইঁদুর শিকারি হারিয়ে বাড়ে (২টি প্রজাতি প্রভাবিত)। এরপর বেশি ইঁদুর বেশি ধান খায়, সরল নিয়ম এই পরোক্ষ প্রভাব আঁকে না।
সিমুলেশনে নিজে করে দেখুন
দশ মিনিট এই পরীক্ষাগুলো করুন। প্রতিটি এমন প্রশ্ন, যা পরীক্ষায় আসতে পারে।
- শক্তি স্বাভাবিক রেখে প্রতিটি স্তরের শক্তি পড়ুন। প্রতিটি কি ঠিক নিচের স্তরের এক-দশমাংশ?
- হস্তান্তরের হার ২০ % করুন। ঈগল এখন কত শক্তি পায়, আর উৎপাদক কয়টি স্তর টানতে পারে?
- হার ৫ % করুন। শীর্ষ স্তরের কী হয়, আর সর্বোচ্চ দৈর্ঘ্যের রিডিং কী বলে?
- শক্তি ১,০০,০০০ kJ আর হার ১০ % দিন। খাদ্যজালে এখন কয়টি স্তর থাকতে পারে?
- সাতটি প্রজাতির প্রতিটি একে একে সরিয়ে কয়টি প্রভাবিত হয় লিখে রাখুন। কোনটি জালকে সবচেয়ে বেশি নাড়ায়?
- একটি উৎপাদক সরান। তৃণভোজীরা কমে, কিন্তু না খেয়ে শেষ হয় না কেন?
- লেবেল লুকিয়ে পাঁচটি পুষ্টিস্তরের নাম মুখস্থ বলুন, তারপর দেখিয়ে মিলিয়ে নিন।
সমাধান করা সমস্যা
প্রতিটি সমাধানে আগে সূত্র, পরে সংখ্যা বসানো হয়েছে। প্রতিটি মান সিমুলেশন চালানো একই কোড দিয়ে হিসাব করা।
সমস্যা ১: সাধারণ পিরামিড (১০,০০০ kJ, ১০ % হস্তান্তর)
E(n) = ১০,০০০ × (১০ ÷ ১০০)ⁿ⁻¹। স্তর ২: ১,০০০ kJ। স্তর ৩: ১০০ kJ। স্তর ৪: ১০ kJ। স্তর ৫: ১ kJ। প্রতিটি নিচের স্তরের এক-দশমাংশ।
সমস্যা ২: ঈগলের কাছে কতটা পৌঁছায় না?
ঈগল ১০,০০০ kJ-র মধ্যে পায় ১ kJ, অর্থাৎ (১০ ÷ ১০০)⁴ ভগ্নাংশ। তাই উৎপাদকের শক্তির ৯৯.৯৯ % পথেই হারায়: শ্বসনে পোড়ে, বর্জ্যে যায়, বা না-খাওয়া কলায় আটকে থাকে।
সমস্যা ৩: আরও দক্ষ শৃঙ্খল (২০ % হস্তান্তর)
E(5) = ১০,০০০ × (২০ ÷ ১০০)⁴ = ১৬ kJ, যা ১০ %-এর ১ kJ-র ১৬ গুণ। হার দ্বিগুণ করলে শীর্ষ স্তর ২⁴ = ১৬ গুণ হয়, কারণ লাভটি চারবার প্রয়োগ হয়।
সমস্যা ৪: কম দক্ষ শৃঙ্খল (৫ % হস্তান্তর)
E(5) = ১০,০০০ × (৫ ÷ ১০০)⁴ = ০.০৬৩ kJ, ১ kJ সীমার নিচে। সর্বোচ্চ দৈর্ঘ্য ⌊ln ১০,০০০ ÷ ln(১০০ ÷ ৫)⌋ + ১ = ৪ স্তর। অপচয়ী শৃঙ্খল আগে হারায় তার শীর্ষ খাদককে।
সমস্যা ৫: ফলনশীল খেত (১,০০,০০০ kJ)
সর্বোচ্চ দৈর্ঘ্য = ⌊ln ১,০০,০০০ ÷ ln ১০⌋ + ১ = ৬ স্তর, আর স্তর ৫-এ ১০ kJ। দশ গুণ শক্তি ঠিক একটি বাড়তি স্তর টানে, কারণ প্রতিটি অতিরিক্ত স্তরের দাম দশ গুণ। ১,০০০ kJ-তে শৃঙ্খল মাত্র ৪ স্তরের, আর স্তর ৫-এ থাকত ০.১ kJ।
সমস্যা ৬: এক কিলো ঈগলের জন্য কত কিলো ঘাস
শীর্ষে ১ kJ রাখতে উৎপাদকে চাই (১০০ ÷ ১০)⁴ = ১০,০০০ kJ। জৈব ভর শক্তির সঙ্গে চললে এক কিলো ঈগলের দেহের নিচে আছে প্রায় ১০,০০০ কিলো উদ্ভিদ। তাই শীর্ষ শিকারি বিরল আর তাদের এত বড় এলাকা লাগে।
সমস্যা ৭: শস্য খাওয়া নাকি গরুর মাংস
যে ভাত বা গম খায় সে স্তর ২-এ খায়, যেখানে উদ্ভিদের ১০,০০০ kJ থেকে মেলে ১,০০০ kJ। যে ওই শস্যে পালা গরুর মাংস খায় সে স্তর ৩-এ খায়, যেখানে মাত্র ১০০ kJ বাকি। একই খেত শস্যে মাংসের চেয়ে ১০ গুণ বেশি মানুষ খাওয়ায়।
সমস্যা ৮: ক্ষতির হিসাব
ব্যাঙ সরালে ২টি প্রজাতি প্রভাবিত হয়। ঘাসফড়িং সরালে ২টি (সে নিজে আর ব্যাঙ) হারায়, আরও ৩টি প্রভাবিত হয়। ইঁদুর সরালে ৪টি প্রভাবিত। ঈগল সরালে ২টি প্রভাবিত, কিন্তু কেউ হারায় না। ঈগল চূড়ায়, তবু মাঝের ইঁদুরের নাগাল বেশি।
সাধারণ ভুল
এই ভুলগুলো প্রতি বছর নম্বর কাটায়।
- তীর খাদক থেকে খাদ্যের দিকে আঁকা। তীর শক্তির প্রবাহ দেখায়, তাই তা খাদকের দিকে যায়।
- শক্তি পুনর্ব্যবহৃত হয় বলা। পুষ্টি পুনর্ব্যবহৃত হয়; শক্তি একমুখী আর তাপ হয়ে চলে যায়।
- বিয়োজক ভুলে যাওয়া। প্রতিটি বাস্তব খাদ্যজালে তারা আছে, মৃত বস্তুর পুষ্টি তারা ফিরিয়ে দেয়।
- ১০ % জীব পরের স্তরে যায় বলা। নিয়মটি শক্তির, সংখ্যার বা ভরেরও নয়।
- শীর্ষ শিকারির সবচেয়ে বেশি শক্তি আছে ভাবা। তার আছে সবচেয়ে কম।
- সূর্যকে পুষ্টিস্তর গোনা। প্রথম স্তর উৎপাদক।
- ১০ %-কে নিখুঁত ধরা। এটি গড়, বাস্তবে প্রায় ৫ % থেকে ২০ % পর্যন্ত হয়।
বাস্তব জীবনে কোথায় দেখবেন
বাংলাদেশের মাছচাষিরা নিয়মটি জানেন। যে মাছ প্লাঙ্কটন খায় (নিম্ন পুষ্টিস্তর) তাকে পালা সস্তা, কারণ শক্তির ক্ষতি কম; আর মাংসাশী মাছের এক কিলো বাড়তে কয়েক কিলো ছোট মাছ লাগে।
শীর্ষ শিকারি হারানো সত্যিকারের বিপদ। সুন্দরবন থেকে বাঘ হারালে হরিণ আর শূকর বাড়তে পারে এবং কচি ম্যানগ্রোভের ক্ষতি করে। ১৯৯০-এর দশকে দক্ষিণ এশিয়ায় শকুন হঠাৎ কমলে মৃত পশু জমতে থাকে আর বুনো কুকুর বাড়ে।
বিষও একটি প্যাঁচ যোগ করে: ডিডিটি ও পারদ ভাঙে না, তাই প্রতি স্তরে জমে জমে শীর্ষ খাদকে সবচেয়ে বেশি হয়। একে জৈব বিবর্ধন বলে, আর এ কারণেই ঈগল ও বড় মাছ আগে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
পরীক্ষার কোণ
সাধারণ প্রশ্ন, আর পূর্ণ নম্বরের উত্তরে কী থাকে।
| প্রশ্ন | মূল পয়েন্ট |
|---|---|
| খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজালের সংজ্ঞা | খাওয়ার একটি ধারা বনাম অনেক জোড়া লাগা ধারা। |
| ১০ % সূত্র লেখ | পরের পুষ্টিস্তরে যায় প্রায় ১০ % শক্তি; বাকিটা তাপ, বর্জ্য ও শ্বসনে হারায়। |
| খাদ্যশৃঙ্খল ছোট কেন | প্রতি ধাপে শক্তি প্রায় ৯০ % কমে, তাই চার-পাঁচ স্তরের পরে খুব কম বাকি থাকে। |
| শক্তির পিরামিড সবসময় সোজা কেন | প্রতিটি স্তর নিচের স্তরের চেয়ে কম শক্তি পায়। |
| খাদ্যজাল বেশি স্থিতিশীল কেন | একটি খাবার কমলে প্রাণী অন্য খাবারে যেতে পারে। |
| শিকারি সরালে ফল | তার শিকার বাড়ে এবং নিচের স্তরকে অতিরিক্ত খেয়ে ফেলতে পারে। |
পুনরালোচনা
উৎপাদক সৌরশক্তি ধরে, খাদক তা পুষ্টিস্তর বেয়ে ওপরে পাঠায়, আর প্রতি ধাপে প্রায় ১০ % এগোয়, বাকিটা তাপ হয়ে যায়। উৎপাদকে ১০,০০০ kJ থাকলে পাঁচ স্তরে থাকে ১০,০০০, ১,০০০, ১০০, ১০ ও ১ kJ, আর ৯৯.৯৯ % শীর্ষে পৌঁছায় না। তাই শৃঙ্খল ছোট, শীর্ষ শিকারি বিরল, আর শৃঙ্খলের নিচে খেলে বেশি মানুষ খাওয়ানো যায়। খাদ্যজাল শৃঙ্খলের চেয়ে স্থিতিশীল, তবু যে প্রজাতিকে অনেকে খায় বা যে অনেককে খায় তাকে সরালে প্রভাব অনেকের ওপর ছড়ায়।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
বাস্তুবিদ্যায় ১০ শতাংশ নিয়ম কী?
গড়ে এক পুষ্টিস্তরের শক্তির প্রায় ১০ % পরের স্তরে যায়। বাকিটা শ্বসনের তাপে, বর্জ্যে এবং না-খাওয়া অংশে হারিয়ে যায়।
খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজালের পার্থক্য কী?
খাদ্যশৃঙ্খল খাওয়ার একটিমাত্র ধারা, আর খাদ্যজাল অনেক ধারাকে জোড়ে এবং দেখায় যে বেশিরভাগ প্রাণী একাধিক প্রজাতিকে খায় ও একাধিকের খাবার হয়।
শক্তির পিরামিডে উৎপাদক কেন সবার নিচে?
উৎপাদক সূর্যের সব শক্তি ধরে, আর বাকি প্রতিটি স্তর নিচের স্তরের শক্তির কেবল একটি অংশই পেতে পারে।
শীর্ষ শিকারি এত কম কেন?
চার-পাঁচ ধাপের পরে বাকি শক্তি আরেকটি স্তর টানার পক্ষে খুবই কম। সিমুলেশনে উৎপাদকের ১০,০০০ kJ থেকে পঞ্চম স্তরে থাকে মাত্র ১ kJ।
খাদ্যজাল থেকে একটি প্রজাতি সরালে কী হয়?
তার শিকারিরা খাবার হারিয়ে কমে বা না খেয়ে শেষ হয়, আর তার শিকাররা একজন শিকারি হারিয়ে বাড়ে। প্রভাব ছড়াতে পারে, বিশেষ করে যে প্রজাতিকে অনেকে খায় তার ক্ষেত্রে।
বিয়োজক কি খাদ্যশৃঙ্খলের অংশ?
হ্যাঁ। তারা প্রতি স্তরের মৃত জীব ও বর্জ্য ভেঙে পুষ্টি মাটিতে ফেরায়, যদিও সরল চিত্রে প্রায়ই বাদ পড়ে।
এই বিষয়ের আরও পড়াশোনা
অ্যানিমেশনে ধারণা পরিষ্কার হলো, এবার পরীক্ষার প্রস্তুতি: সিলেবাস, সাজেশন, বই আর ভর্তি পরীক্ষার গাইড নিচে।
SSC
এসএসসি জীববিজ্ঞান: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
HSC
এইচএসসি জীববিজ্ঞান: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
পাঠ্যবই
নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান বই
ভর্তি
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি
ভর্তি
মেডিকেল ভর্তি ২০২৬-২৭
ভর্তি
গুচ্ছ (GST) বিজ্ঞান ইউনিট ভর্তি ২০২৬-২৭
English
Composition: Climate Change (ইংরেজিতে)
বাংলা
রচনা: জলবায়ু পরিবর্তন
SSC
এসএসসি সাজেশন
HSC
এইচএসসি সাজেশন
ভর্তি
বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার গাইড
SSC
এসএসসি সিলেবাস
HSC
এইচএসসি সিলেবাস
বিদেশে পড়াশোনা
যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষা
স্কলারশিপ
চীনের CSC স্কলারশিপ
IELTS
IELTS Writing Task 1: process diagrams (ইংরেজিতে)
IELTS
IELTS preparation guide (ইংরেজিতে)
বিদেশে পড়াশোনা
Academic CV for study abroad (ইংরেজিতে)
ক্যারিয়ার
Dental hygienist resume example (ইংরেজিতে)
আরও জীববিজ্ঞান অ্যানিমেশন
SSC · HSC
মাইটোসিস কোষ বিভাজন
মাইটোসিস কাকে বলে, কোষ বিভাজন কত প্রকার ও কী কী? প্রোফেজ, মেটাফেজ, অ্যানাফেজ, টেলোফেজ ও সাইটোকাইনেসিস চলমান চিত্রে দেখো, ক্রোমোজোম গোনার নিয়মসহ।
SSC · HSC
ব্যাপন ও অভিস্রবণ
ব্যাপন ও অভিস্রবণ কাকে বলে, এদের মধ্যে পার্থক্য, প্লাজমোলাইসিস, রসস্ফীতি ও ইমবাইবিশন: কণার সিমুলেশনে নিজে দেখে সহজ ভাষায় শেখো, উদাহরণ ও গাণিতিক সমস্যাসহ।
SSC · HSC
সালোকসংশ্লেষণ
সালোকসংশ্লেষণ কাকে বলে, সমীকরণ, আলোক ও অন্ধকার পর্যায়, ক্যালভিন চক্র, প্রভাবক ও সীমাবদ্ধ উপাদান: পাতা, হাইড্রিলা আর ক্লোরোপ্লাস্টের অ্যানিমেশনে নিজে দেখো।
SSC · HSC
মানব হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কাজ
হৃৎপিণ্ডের চারটি প্রকোষ্ঠ, কপাটিকা, লাব-ডাব শব্দ আর চলমান ইসিজি একসাথে দেখো। দ্বিচক্রী সংবহন, হৃৎচক্র ও কার্ডিয়াক আউটপুট শেখো, গাণিতিক সমস্যাসহ।
SSC · HSC
মেন্ডেলের বংশগতি সূত্র
মেন্ডেলের সূত্র, একসংকর ও দ্বিসংকর জনন, টেস্ট ক্রস, অসম্পূর্ণ প্রকটতা, রক্তের গ্রুপ আর সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারণ — নিজে পানেট বর্গ বানিয়ে বংশগতির অনুপাত হিসাব করে দেখো।
HSC
ডিএনএ রেপ্লিকেশন
ডিএনএ রেপ্লিকেশন বা অনুলিপন কাকে বলে, অর্ধ-রক্ষণশীল পদ্ধতি, এনজাইমগুলোর কাজ আর মেসেলসন-স্টাল পরীক্ষা—সব অ্যানিমেশনে নিজে দেখো ও হিসাব করো।
SSC · HSC
কোষীয় শ্বসন
কোষীয় শ্বসন কাকে বলে, সবাত ও অবাত শ্বসনের পার্থক্য, গ্লাইকোলাইসিস, ক্রেবস চক্র, ইলেকট্রন প্রবাহতন্ত্র আর ATP হিসাব: মাইটোকন্ড্রিয়ার অ্যানিমেশনে নিজে দেখো ও গণনা করো।
SSC · HSC
এনজাইম ক্রিয়া
এনজাইম কী, সক্রিয় স্থান, তালা-চাবি ও আবিষ্ট মিলন মডেল, তাপমাত্রা-pH-এর প্রভাব, মিকেলিস-মেন্টেন সমীকরণ ও প্রতিবন্ধক — নিজে বদলে দেখো এনজাইম ক্রিয়ার অ্যানিমেশনে।
SSC · HSC
স্নায়ু উদ্দীপনার পরিবহন ও অ্যাকশন পটেনশিয়াল
প্রান্তিক মাত্রা (−৫৫ mV) পার হলেই অ্যাকশন পটেনশিয়াল তৈরি হয়ে অ্যাক্সন বেয়ে ছোটে, তারপর সিন্যাপসে নিউরোট্রান্সমিটার নিঃসৃত হয় — সিমুলেশনে নিজে চালিয়ে দেখো, সূত্র ও গাণিতিক উদাহরণসহ।
SSC · HSC
নেফ্রন ও মূত্র তৈরির প্রক্রিয়া
বৃক্ক প্রতিদিন প্রায় ১৮০ লিটার রক্ত ছেঁকে মাত্র দেড় লিটার মূত্র তৈরি করে কীভাবে? গ্লোমেরুলাসে ছাঁকন, নালিকায় পুনঃশোষণ আর গ্লুকোজের প্রান্তিক মাত্রা — সিমুলেশনে নিজে চালিয়ে দেখো, সূত্র ও অঙ্কসহ।
SSC · HSC
মিয়োসিস কোষ বিভাজন
মিয়োসিস কাকে বলে, ক্রসিং ওভার কী, মাইটোসিস ও মিয়োসিসের পার্থক্য কী: 2n = 4 কোষে প্রোফেজ I থেকে টেলোফেজ II পর্যন্ত নিজে চালিয়ে দেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।
SSC
পরিপাকতন্ত্র
পরিপাকতন্ত্র কী, কোন এনজাইম কোথায় কাজ করে, ভিলাই কীভাবে শোষণ করে: মুখ থেকে বৃহদান্ত্র পর্যন্ত খাদ্যের যাত্রা নিজে চালিয়ে দেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।
Class 9 · SSC
শ্বাসক্রিয়ার কৌশল: প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস
মধ্যচ্ছদা, পর্শুকা আর আন্তঃপর্শুকা পেশি কীভাবে ফুসফুসে বাতাস ঢোকায় ও বের করে, চলমান চিত্রে দেখো। চাপমাপক, স্পাইরোমিটার রেখা, বেল জার মডেল আর বায়ুথলিতে গ্যাসীয় বিনিময়, সমাধানসহ।
HSC
প্রোটিন সংশ্লেষণ
আরএনএ পলিমারেজ কীভাবে জিন থেকে mRNA বানায় আর রাইবোসোম কীভাবে কোডন পড়ে প্রোটিন গড়ে, অ্যানিমেশনে নিজে দেখো। জিন বদলাও, মিউটেশন ঘটাও, কোডন সারণি মেলাও।
SSC · HSC
রক্ত সংবহন: দ্বি-সংবহন ও কার্ডিয়াক আউটপুট
রক্ত কীভাবে হৃৎপিণ্ড থেকে ফুসফুসে, দেহে আর আবার হৃৎপিণ্ডে ফেরে, চলমান চিত্রে দেখো। ফুসফুসীয় ও সিস্টেমিক সংবহন, ধমনি-শিরা-কৈশিকনালির পার্থক্য, কার্ডিয়াক আউটপুটের অঙ্ক সমাধানসহ।
SSC · HSC
কোষের গঠন ও অঙ্গাণু: উদ্ভিদ কোষ বনাম প্রাণী কোষ
উদ্ভিদ কোষ আর প্রাণী কোষ পাশাপাশি দেখো। নিউক্লিয়াস, মাইটোকন্ড্রিয়া, ক্লোরোপ্লাস্ট, গলজি বস্তু, রাইবোজোমসহ প্রতিটি অঙ্গাণুতে ক্লিক করে কাজ জানো। পার্থক্যের ছক, বিবর্ধনের অঙ্ক ও এসএসসি-এইচএসসির প্রশ্নসহ।
SSC · HSC
প্রতিবর্ত ক্রিয়া ও প্রতিবর্ত চাপ
গরম কিছুতে হাত ঠেকালে সংকেত কীভাবে গ্রাহক, সংবেদী নিউরন, সুষুম্নাকাণ্ড, চেষ্টীয় নিউরন হয়ে পেশিতে পৌঁছায় নিজে চালিয়ে দেখো। প্রতিবর্তের সময় (২৪.৩৩ ms) হিসাব করো, আর দেখো ব্যথা কেন পরে টের পাওয়া যায়।
SSC · HSC
মানুষের চোখ: গঠন, প্রতিবিম্ব ও উপযোজন
কর্নিয়া, আইরিস, লেন্স, সিলিয়ারি পেশি, রেটিনা, পীতবিন্দু ও অন্ধবিন্দু কীভাবে কাজ করে, চলমান চিত্রে দেখো। উপযোজন, নিকট দৃষ্টি ও দূর দৃষ্টির সংশোধন, লেন্সের ক্ষমতার সমাধানসহ।
HSC
পেশি সংকোচন ও স্লাইডিং ফিলামেন্ট মডেল
সারকোমিয়ারের ভেতরে অ্যাকটিন ও মায়োসিনের সরে যাওয়া দেখুন। A ব্যান্ড থাকে ১.৬ µm, I ব্যান্ড ও H অঞ্চল ছোট হয়; ক্রস-ব্রিজ চক্র, ক্যালসিয়াম ও ATP ধাপে ধাপে শিখুন।
SSC · HSC
উদ্ভিদে পরিবহন: জাইলেম, ফ্লোয়েম ও বাষ্পমোচন
জাইলেম বেয়ে পানি ওঠা আর ফ্লোয়েম বেয়ে শর্করা নামা দেখুন। আলো, আর্দ্রতা ও বাতাস বদলে বাষ্পমোচনের হার হিসাব করুন (সাধারণ দিনে ৫৪.৮ g/m²/h)।
HSC
জনসংখ্যা বৃদ্ধি: সূচকীয় ও লজিস্টিক রেখা
r আর ধারণক্ষমতা K টানুন এবং সূচকীয় ও লজিস্টিক রেখা আলাদা হতে দেখুন। r = ০.৪০ প্রতি ঘণ্টা আর K = ১,০০০ হলে কালচার প্রতি ১.৭৩ ঘণ্টায় দ্বিগুণ হয় এবং K-এর কাছে থামে।
HSC
প্রাকৃতিক নির্বাচন: পেপার্ড মথ ও কালিঝুলি মাখা গাছ
কালিঝুলির মাত্রা বাড়িয়ে-কমিয়ে দেখো পাখি কোন মথ ধরে। ৮০% কালি ও ৪০% নির্বাচনে গাঢ় মথ ১০% থেকে ১৫ প্রজন্মে ৯০% ছাড়িয়ে যায়।
SSC · HSC
রোগপ্রতিরোধ: প্রাথমিক ও গৌণ অ্যান্টিবডি সাড়া
টিকা নেওয়া ও না নেওয়া ব্যক্তির অ্যান্টিবডির মাত্রা এক গ্রাফে মিলিয়ে দেখো। এই মডেলে স্মৃতির কারণে সুরক্ষা পেতে ৮.১ দিনের জায়গায় লাগে ২.৫ দিন, আর চূড়া ৫.১ গুণ ওঠে।
SSC · HSC
পরাগায়ন ও নিষেক
পরাগধানী থেকে গর্ভমুণ্ড, পরাগনালি বেয়ে ডিম্বকে পরাগরেণুর যাত্রা দেখো। দ্বিনিষেকে ১৪ ক্রোমোজোমের জাইগোট ও ২১ ক্রোমোজোমের ভ্রূণপোষ কীভাবে তৈরি হয়, তারপর বীজ ও ফল।
অন্য বিষয়ের অ্যানিমেশন
পদার্থবিজ্ঞান
আলোর প্রতিসরণ
পদার্থবিজ্ঞান
ওহমের সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
প্রাসের গতি
পদার্থবিজ্ঞান
সরল দোলক
পদার্থবিজ্ঞান
তড়িৎ ক্ষেত্র
পদার্থবিজ্ঞান
তরঙ্গের ব্যতিচার
পদার্থবিজ্ঞান
পড়ন্ত বস্তু ও পড়ন্ত বস্তুর সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
লেন্সে প্রতিবিম্ব গঠন
পদার্থবিজ্ঞান
নিউটনের গতির সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
গোলীয় দর্পণে প্রতিবিম্ব গঠন
পদার্থবিজ্ঞান
তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ ও ফ্যারাডের সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
ভরবেগের সংরক্ষণ ও সংঘর্ষ
পদার্থবিজ্ঞান
কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি
পদার্থবিজ্ঞান
নততল
পদার্থবিজ্ঞান
বৃত্তাকার গতি
পদার্থবিজ্ঞান
অনুপ্রস্থ ও অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ
পদার্থবিজ্ঞান
লিভার ও ভ্রামক
পদার্থবিজ্ঞান
ভরকেন্দ্র
পদার্থবিজ্ঞান
স্প্রিং-ভর ও সরল ছন্দিত স্পন্দন
পদার্থবিজ্ঞান
ভেক্টর যোগ: ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
আপেক্ষিক বেগ: ট্রেন ও নদী পারাপার
পদার্থবিজ্ঞান
কেপলারের সূত্র ও উপবৃত্তাকার কক্ষপথ
পদার্থবিজ্ঞান
নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র, g ও কৃত্রিম উপগ্রহ
পদার্থবিজ্ঞান
তার ও নলে স্থির তরঙ্গ
পদার্থবিজ্ঞান
অনুনাদ নল ও শব্দের দ্রুতি
পদার্থবিজ্ঞান
স্বরকম্প: কাছাকাছি দুই সুরের স্পন্দন
পদার্থবিজ্ঞান
ডপলার প্রভাব: চলমান উৎস, চলমান শ্রোতা ও সনিক বুম
পদার্থবিজ্ঞান
প্রিজম, আলোর বিচ্ছুরণ ও রামধনু
পদার্থবিজ্ঞান
কির্শফের সূত্র: সংযোগ সূত্র ও বদ্ধ পথ সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
হুইটস্টোন ব্রিজ ও মিটার ব্রিজ
পদার্থবিজ্ঞান
একক চিড়ে অপবর্তন
পদার্থবিজ্ঞান
চোখের ত্রুটি ও তার প্রতিকার
পদার্থবিজ্ঞান
আলোর সমবর্তন: ম্যালাসের সূত্র ও ব্রুস্টারের সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
ক্যাপাসিটরের আহিতকরণ ও নিরাহিতকরণ: আরসি সময় ধ্রুবক
পদার্থবিজ্ঞান
চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা: দণ্ডচুম্বক, তড়িৎবাহী সরল তার ও সলিনয়েড
পদার্থবিজ্ঞান
এসি জেনারেটর
পদার্থবিজ্ঞান
ট্রান্সফর্মার
পদার্থবিজ্ঞান
তাপের সঞ্চালন: পরিবহন, পরিচলন ও বিকিরণ
পদার্থবিজ্ঞান
আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া: আইনস্টাইনের সমীকরণ ও নিবৃত্তি বিভব
পদার্থবিজ্ঞান
মোটর ক্রিয়া: তড়িৎবাহী তারের ওপর বল ও ডিসি মোটর
পদার্থবিজ্ঞান
গ্যাসের অণু ও গতিতত্ত্ব: চাপ, তাপমাত্রা ও দ্রুতি
পদার্থবিজ্ঞান
অর্ধপরিবাহী ডায়োড: p–n সন্ধি, I–V বক্ররেখা ও রেক্টিফায়ার
পদার্থবিজ্ঞান
তেজস্ক্রিয় ক্ষয়: অর্ধায়ু, ক্ষয় সূত্র ও বিকিরণের ভেদন ক্ষমতা
পদার্থবিজ্ঞান
বোর পরমাণু মডেল: কক্ষপথ, শক্তিস্তর ও হাইড্রোজেনের বর্ণালি
রসায়ন
পরমাণুর গঠন
রসায়ন
এসিড, ক্ষারক ও pH স্কেল
রসায়ন
ইলেকট্রন বিন্যাস
রসায়ন
গ্যাসের সূত্র: বয়েল, চার্লস ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ
রসায়ন
আয়নিক বন্ধন কীভাবে গঠিত হয়
রসায়ন
তড়িৎ বিশ্লেষণ ও ফ্যারাডের সূত্র
রসায়ন
সমযোজী বন্ধন
রসায়ন
পর্যায়বৃত্ত ধর্ম
রসায়ন
বিক্রিয়ার হার ও সংঘর্ষ তত্ত্ব
রসায়ন
পদার্থের অবস্থা: কঠিন, তরল, গ্যাসীয় ও তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র
রসায়ন
পরমাণুর অরবিটাল: s, p, d-এর আকৃতি, কোয়ান্টাম সংখ্যা ও নোড
রসায়ন
আণবিক আকৃতি ও ভিএসইপিআর তত্ত্ব: বন্ধন জোড়, মুক্তজোড় ও বন্ধন কোণ
রসায়ন
মোল ধারণা: মোলার ভর, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা ও মোলার আয়তন
রসায়ন
ব্যাপন ও নিঃসরণ: গ্রাহামের সূত্র
রসায়ন
রাসায়নিক সমীকরণ সমতাকরণ: পদ্ধতি, উদাহরণ ও অনুশীলন
রসায়ন
রাসায়নিক সাম্যাবস্থা: সাম্যধ্রুবক Kc ও লা শাতেলিয়ের নীতি
রসায়ন
টাইট্রেশন: অম্ল-ক্ষারের ঘনমাত্রা বের করার পদ্ধতি
রসায়ন
গ্যালভানিক কোষ: ড্যানিয়েল কোষ, EMF ও নার্নস্ট সমীকরণ
রসায়ন
জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া: জারণ সংখ্যা, ইলেকট্রন স্থানান্তর ও অর্ধ-সমীকরণ
রসায়ন
হাইড্রোকার্বন: অ্যালকেন, অ্যালকিন, অ্যালকাইন ও কাঠামোগত সমাণু ত্রিমাত্রায়
রসায়ন
কার্যকরী মূলক: অ্যালকোহল, অ্যালডিহাইড, কিটোন, অ্যাসিড, এস্টার ও অ্যামিন
রসায়ন
পলিমারকরণ: যোজন ও ঘনীভবন পলিমার, পলিথিন ও নাইলন
রসায়ন
মিশ্রণ আলাদা করার পদ্ধতি: ছাঁকন, পাতন, ক্রোমাটোগ্রাফি, স্ফটিকীকরণ
রসায়ন
কেলাস জালক: SC, BCC ও FCC একক কোষ, প্যাকিং দক্ষতা ও ঘনত্ব
রসায়ন
তেজস্ক্রিয়তা: আলফা, বিটা, গামা ক্ষয় ও অর্ধায়ু
গণিত
পিথাগোরাসের উপপাদ্য
গণিত
ত্রিকোণমিতিক অনুপাত ও একক বৃত্ত
গণিত
দ্বিঘাত সমীকরণ ও দ্বিঘাত ফাংশনের লেখচিত্র
গণিত
বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য
গণিত
দূরত্ব ও উচ্চতা: উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ
গণিত
সম্ভাবনা: পরীক্ষালব্ধ বনাম তাত্ত্বিক সম্ভাবনা
গণিত
সমান্তর ও গুণোত্তর ধারা
গণিত
গড়, মধ্যক ও প্রচুরক
গণিত
সেট ও ভেনচিত্র
গণিত
সরল সহসমীকরণ ও সরলরেখার লেখচিত্র
গণিত
sin, cos, tan-এর লেখচিত্র
গণিত
পূর্ণবর্গ পদ্ধতি ও দ্বিঘাত সমীকরণের সমাধান
গণিত
বৃত্তের ক্ষেত্রফল: সূত্র, প্রমাণ ও সমাধান
গণিত
ঘনবস্তুর আয়তন ও তলের ক্ষেত্রফল: ঘনক, আয়তঘন, বেলন, কোণক, গোলক
গণিত
সদৃশ ত্রিভুজ: স্কেল ফ্যাক্টর, AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়া থেকে উচ্চতা
গণিত
স্থানাঙ্ক জ্যামিতি: দূরত্ব, মধ্যবিন্দু, ঢাল, বিভক্তিকরণ সূত্র ও সঞ্চারপথ
গণিত
শাঙ্কব ছেদ: বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত ও অধিবৃত্ত
গণিত
ফাংশনের রূপান্তর: সরানো, টানা ও উল্টানো
গণিত
অন্তরীকরণ: স্পর্শকের ঢাল ও ছেদক থেকে স্পর্শক
গণিত
রিম্যান যোগফল ও সমাকলন: বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফল
গণিত
সীমা ও ε–δ সংজ্ঞা: ছবিতে বোঝা
গণিত
ত্রিমাত্রিক ভেক্টর: যোগ, ডট গুণ ও ক্রস গুণ
গণিত
ম্যাট্রিক্স রূপান্তর: ঘূর্ণন, প্রতিফলন, শিয়ার ও নির্ণায়ক
গণিত
জটিল সংখ্যা: আরগান্ড সমতলে যোগ, গুণ, ঘাত ও মূল
গণিত






















