মূলপাতা
লগইন

Color

Indigo
Red
Green
Teal
Blue
Purple
Rose

Mode

Light
EN

ঘুরন্ত বলকে বৃত্তে ধরে রাখে কোন বল

কোনো বস্তু সমদ্রুতিতে বৃত্তাকার পথে ঘুরলে তাকে সমদ্রুতিতে বৃত্তাকার গতি বলে। দ্রুতি ধ্রুব থাকলেও বেগের দিক প্রতি মুহূর্তে বদলায়, তাই সবসময় কেন্দ্রের দিকে একটি ত্বরণ a = v²/r থাকে এবং তার জন্য কেন্দ্রমুখী বল F = mv²/r লাগে। নিচে সুতা কেটে নিজেই দেখো বল কোন দিকে ছুটে যায়।

ওপর থেকে দেখা দৃশ্য: ঘর্ষণহীন টেবিলে সুতায় বাঁধা বল ঘুরছে

বেগ (স্পর্শক বরাবর)কেন্দ্রমুখী বলবৃত্তাকার পথ
গতি

নিয়ন্ত্রণ

দৃশ্য

১.০০ m
৩.০ m/s
০.৫ kg

পরিমাপ

দ্রুতি, v
৩.০০m/s
কৌণিক বেগ, ω
৩.০০rad/s
পর্যায়কাল, T
২.০৯s
কম্পাঙ্ক, f
০.৪৭৭Hz
কেন্দ্রমুখী ত্বরণ, a = v²/r
৯.০০m/s²
কেন্দ্রমুখী বল, F = mv²/r
৪.৫০N

সিমুলেশনটি কীভাবে ব্যবহার করবে

  1. “সুতায় ঘোরা বল” দৃশ্যে ব্যাসার্ধ ও দ্রুতি বদলাও: লাল তির (কেন্দ্রমুখী বল) আর কমলা তির (বেগ) কীভাবে বদলায় দেখো।
  2. দ্রুতি দ্বিগুণ করো — কেন্দ্রমুখী বল কতগুণ হলো পরিমাপ প্যানেলে দেখো।
  3. “সুতা কেটে দাও” চালু করো: বল বাইরের দিকে নয়, স্পর্শক বরাবর সোজা ছুটবে।
  4. “ঢালু বাঁক” দৃশ্যে ঢাল স্লাইডার সরিয়ে আদর্শ কোণ পর্যন্ত নাও; তখন প্রয়োজনীয় ঘর্ষণ শূন্য হবে।

মেলার নাগরদোলা আর ঘুরন্ত পাথর

মেলায় নাগরদোলায় চড়েছ কখনো? ঘুরতে ঘুরতে মনে হয় কেউ যেন তোমাকে বাইরের দিকে টানছে, শরীরটা একপাশে হেলে যায়। আবার বাঁকের মুখে বাস হঠাৎ মোড় নিলে পাশের যাত্রীর গায়ে গিয়ে পড়ো। দুটো অনুভূতির পেছনে একই গল্প।

ছোটবেলায় অনেকেই একটা সুতার মাথায় ঢিল বেঁধে মাথার ওপর বনবন করে ঘুরিয়েছে। সুতা ছিঁড়ে গেলে ঢিলটা কোথায় যেত বলো তো? অনেকে ভাবে বাইরের দিকে ছিটকে যায়। আসলে সে সোজা সেই মুহূর্তের চলার দিকে ছুটে যায়, বৃত্তকে স্পর্শ করে যেদিকে যাচ্ছিল সেদিকে। এই পাঠের সবচেয়ে বড় ভুল ধারণা এটাই, আর সিমুলেশনে তুমি নিজের চোখে সেটা ভেঙে দেখবে।

ঘূর্ণিত ফ্যান, চাকা, গ্রহ-উপগ্রহ, রেসের মাঠের বাঁক, ওয়াশিং মেশিনের ড্রায়ার — সবকিছুর মূলে এই একটি ধারণা: কিছু একটা বস্তুকে প্রতি মুহূর্তে সোজা পথ থেকে সরিয়ে বৃত্তের ভেতরের দিকে টানছে। সেই টানকেই আমরা বলি কেন্দ্রমুখী বল।

একদম শুরু থেকে: সোজা না গিয়ে ঘোরে কেন?

নিউটনের প্রথম সূত্র বলে, কোনো বল না লাগলে বস্তু সোজা সরলরেখায় সমবেগে চলে। তাই কোনো বস্তুকে বাঁক নিতে হলে নিশ্চয়ই কেউ তাকে পাশ থেকে ঠেলছে বা টানছে। সুতায় বাঁধা বলের ক্ষেত্রে সেই কাজটা করে সুতার টান; বাঁকের রাস্তায় করে চাকার ঘর্ষণ; আর গ্রহের ক্ষেত্রে করে মহাকর্ষ।

এবার “সমদ্রুতিতে” শব্দটা খেয়াল করো। এর মানে বলের দ্রুতি, অর্থাৎ স্পিডোমিটারের কাঁটা, একই থাকে। কিন্তু বেগ একটি ভেক্টর, তার মান আর দিক দুটোই গুরুত্বপূর্ণ। দিক বদলালে বেগও বদলায়। বেগ বদলালে ত্বরণ আছে। তাই সমদ্রুতিতে ঘুরলেও বস্তুর ত্বরণ আছে, শুধু সেই ত্বরণ গতির দিকে নয়, গতির সঙ্গে সমকোণে।

ত্বরণ গতির সঙ্গে সমকোণে হলে দ্রুতি বাড়ে না, কমেও না; শুধু দিক ঘোরে। কেন্দ্রমুখী বল তাই কোনো কাজ করে না, কারণ বল আর সরণ সবসময় লম্ব। এজন্যই সুতা ঘুরিয়ে বলের শক্তি বাড়ে না।

ছোট একটা পরীক্ষা: হাতে একটা চাবি সুতায় বেঁধে অনুভূমিক তলে ঘোরাও। তোমার হাত সুতাটাকে ভেতরের দিকে টেনে ধরে আছে, আর সুতা টানছে চাবিকে। আঙুলে টান টের পাবে। দ্রুত ঘোরালে টান বেশি; ছোট সুতায় ঘোরালেও টান বেশি। সূত্রে সেটাই ধরা পড়বে একটু পরে।

যে শব্দগুলো জানতেই হবে

বৃত্তাকার গতির অধ্যায়ে নিচের শব্দগুলো বারবার ঘুরেফিরে আসে। প্রতিটির সহজ মানে আর একটা চেনা উদাহরণ দেওয়া হলো।

রাশিসহজ মানেচেনা উদাহরণ
বৃত্তাকার গতিবস্তুর বৃত্তাকার পথে চলাঘড়ির কাঁটার মাথা, নাগরদোলার সিট
ব্যাসার্ধ ভেক্টরবৃত্তের কেন্দ্র থেকে বস্তু পর্যন্ত টানা ভেক্টর; এটি বস্তুর সঙ্গে ঘোরেসুতা বরাবর হাত থেকে বল পর্যন্ত তির
কৌণিক বেগ (ω)প্রতি সেকেন্ডে ব্যাসার্ধ ভেক্টর যত রেডিয়ান ঘোরে; একক rad/sফ্যানের পাখা কত দ্রুত ঘুরছে
পর্যায়কাল (T)একবার পূর্ণ ঘুরতে যে সময় লাগে, একক সেকেন্ডঘড়ির মিনিটের কাঁটার T = ৩৬০০ s
কম্পাঙ্ক (f)প্রতি সেকেন্ডে পূর্ণ আবর্তন সংখ্যা; f = 1/T, একক হার্জফ্যান প্রতি সেকেন্ডে কতবার ঘোরে
রৈখিক বেগ (v)বৃত্তের স্পর্শক বরাবর বেগ; মান v = rωসুতা ছিঁড়ে গেলে বল যে বেগে ছুটবে
কেন্দ্রমুখী ত্বরণকেন্দ্রের দিকে ত্বরণ, মান v²/rবাঁকে মোড় নেওয়া গাড়ির ত্বরণ
কেন্দ্রমুখী বলযে লব্ধি বল বস্তুকে কেন্দ্রের দিকে টানে, মান mv²/rসুতার টান, ঘর্ষণ, মহাকর্ষ

কৌণিক বেগ, পর্যায়কাল আর রৈখিক বেগ

ধরো বল এক পূর্ণ বৃত্ত ঘুরতে T সেকেন্ড সময় নেয়। এক পূর্ণ বৃত্তে ঘোরা কোণ 2π রেডিয়ান আর পথ 2πr। তাই কোণ ধরে হিসাব করলে কৌণিক বেগ, পথ ধরে হিসাব করলে রৈখিক বেগ। দুটোর মধ্যে সম্পর্ক পরিষ্কার: v = rω।

ω = 2π/T = 2πfকৌণিক বেগ

T = 2πr/vপর্যায়কাল

f = 1/Tকম্পাঙ্ক

v = rωরৈখিক ও কৌণিক বেগের সম্পর্ক

একই চাকতির দুই বিন্দুর গল্প

একটা ঘুরন্ত রেকর্ড-চাকতির কিনারার কাছের একটা বিন্দু আর মাঝের কাছের একটা বিন্দু ভাবো। দুটোই একই সময়ে একবার ঘোরে, তাই T, f আর ω দুজনের একই। কিন্তু বাইরের বিন্দুটাকে বড় বৃত্ত পাড়ি দিতে হয় একই সময়ে, তাই তার রৈখিক বেগ v = rω বেশি।

এজন্যই কৌণিক বেগ ঘূর্ণনের “গতি” বোঝানোর ভালো রাশি: সে গোটা বস্তুর জন্য এক, আর প্রতিটি বিন্দুর রৈখিক বেগ নির্ভর করে সে কেন্দ্র থেকে কত দূরে।

ডিগ্রি নয়, রেডিয়ান

v = rω সূত্রটা তখনই খাটে যখন ω রেডিয়ান প্রতি সেকেন্ডে দেওয়া। এক পূর্ণ বৃত্ত 360° = 2π রেডিয়ান। প্রতি মিনিটে আবর্তন (rpm) থাকলে 2π দিয়ে গুণ করে ৬০ দিয়ে ভাগ করো। যেমন ১২০ rpm মানে প্রতি সেকেন্ডে ২ আবর্তন, f = ২ Hz, ω = 4π rad/s।

কেন্দ্রমুখী ত্বরণ আর কেন্দ্রমুখী বল

এবার মূল সূত্র। কেন্দ্রমুখী ত্বরণ বেগের বর্গের সমানুপাতিক আর ব্যাসার্ধের ব্যস্তানুপাতিক। কেন্দ্রমুখী বল পাই নিউটনের দ্বিতীয় সূত্র F = ma থেকে। লক্ষ করো দ্রুতি দ্বিগুণ হলে বল চারগুণ হয় — এটা নিয়ে পরে আমরা সিমুলেশনে পরীক্ষা করব।

a = v²/r = ω²rকেন্দ্রমুখী ত্বরণ

F = ma = mv²/r = mω²rকেন্দ্রমুখী বল

সূত্রটা কোথা থেকে এল (ছবি দিয়ে যুক্তি)

ক্ষুদ্র সময় Δt-তে বল ঘোরে Δφ = ωΔt কোণ। তখন বেগের তিরটিও Δφ কোণ ঘোরে, কিন্তু তার দৈর্ঘ্য v-ই থাকে। শুরুর আর শেষের বেগ দিয়ে একটা সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ হয়, যার ভূমি হলো বেগের পরিবর্তন Δv। ছোট কোণে ভূমি ≈ v·Δφ, আর সেটা ভেতরের দিকে, মানে কেন্দ্রের দিকে।

ত্বরণ = বেগের পরিবর্তন ÷ সময় = vΔφ/Δt = vω। এখন ω = v/r বসালে a = v²/r। ω = v/r না বসিয়ে v = rω বসালে a = ω²r। দুটোই একই জিনিস।

|Δv| ≈ vΔφ ⇒ a = vω = v²/r

সূত্র থেকে তিনটি শিক্ষা

দ্রুতি দ্বিগুণ হলে বল চারগুণ: ০.৫ kg ভর, ১ m ব্যাসার্ধ আর ৩ m/s দ্রুতিতে বল ৪.৫ N; দ্রুতি দ্বিগুণ করলে বল হয় ১৮.০ N।

ব্যাসার্ধ দ্বিগুণ করলে একই দ্রুতিতে বল অর্ধেক: ৪.৫ N থেকে ২.২৫ N।

ভর দ্বিগুণ করলে বল দ্বিগুণ — কিন্তু ত্বরণ একই থাকে, কারণ ত্বরণে ভর নেই।

সুতা কাটলে কী হয়: আসল ভুল ধারণা

এখন সেই বিখ্যাত প্রশ্ন। ঘুরন্ত বলের সুতা কেটে দিলে সে কোন দিকে যায়? সিমুলেশনে “সুতা কেটে দাও” চালু করে নিজে দেখো। ছুটে যাওয়ার সময় বলটা বৃত্তের স্পর্শক বরাবর সোজা চলে, সেই মুহূর্তের বেগেই, একই দ্রুতিতে।

কারণটা সোজা। কেন্দ্রমুখী বল ছিল সুতার টান। সুতা কাটার সঙ্গে সঙ্গে সেই বল শূন্য। বল শূন্য হলে নিউটনের প্রথম সূত্র বলে বস্তু যে বেগে ছিল সেই বেগেই সরলরেখায় চলবে। সেই মুহূর্তের বেগ ছিল স্পর্শক বরাবর, তাই বল ছুটবে স্পর্শক ধরে। বাইরের দিকে ঠেলে দেওয়ার মতো কোনো বল আসলে ছিলই না।

হিসাবে দেখো: ২ s পরে বল স্পর্শক বরাবর ৬ m এগিয়ে গেছে, আর কেন্দ্র থেকে তার দূরত্ব √(১² + ৬²) = ৬.০৮ m। সে বৃত্ত থেকে দূরে গেছে ঠিকই, কিন্তু সোজা পথে, বাঁক নিয়ে নয়।

তাহলে “বাইরের দিকে টান” অনুভব হয় কেন? ওটা তোমার জড়তা। গাড়ি বাঁক নিলে তোমার শরীর সোজা যেতে চায়, গাড়ির দরজা তোমাকে ভেতরে ঠেলে বাঁকিয়ে দেয়। তুমি দরজার ঠেলাটা অনুভব করো, আর মনে হয় যেন কেউ বাইরে টানছে। একে অনেক বই অলীক বল বা কেন্দ্রবিমুখ বল বলে। ঘূর্ণায়মান কাঠামোতে বসলে তা দিয়ে হিসাব চলে, কিন্তু মাটিতে দাঁড়ানো দর্শকের চোখে কেবল কেন্দ্রমুখী বলই আছে।

কেন্দ্রমুখী বল আলাদা কোনো বল নয়

ছাত্রছাত্রীরা প্রায়ই ফ্রি-বডি ডায়াগ্রামে “কেন্দ্রমুখী বল” নামে আলাদা একটা তির আঁকে। এটা ভুল। কেন্দ্রমুখী বল কোনো নতুন ধরনের বল নয়; এটা একটা ভূমিকার নাম। যে বা যে বলগুলোর লব্ধি কেন্দ্রের দিকে কাজ করে, তাদের সম্মিলিত ফলকেই এই নাম দিই।

সুতায় ঘোরা বলে সেই ভূমিকা পালন করে সুতার টান। সমতল রাস্তার বাঁকে করে চাকা-রাস্তার ঘর্ষণ। ঢালু বাঁকে করে অভিলম্ব প্রতিক্রিয়ার অনুভূমিক অংশ। চাঁদের ক্ষেত্রে করে পৃথিবীর মহাকর্ষ। নাগরদোলার ঘরে করে দেয়ালের ধাক্কা। তাই ছবি আঁকার সময় আসল বলগুলো আঁকো, তারপর বলো তাদের লব্ধি কেন্দ্রমুখী।

রাস্তার বাঁকে ব্যাংকিং

সমতল রাস্তায় বাঁক নিতে ঘর্ষণই ভরসা। বৃষ্টিতে রাস্তা পিচ্ছিল হলে ঘর্ষণ কমে যায়, গাড়ি বাইরে ছিটকে যায়। তাই বাঁকের রাস্তা বাইরের দিকে উঁচু করে ঢালু বানানো হয়, যাকে ব্যাংকিং বলে। ঢালের কারণে অভিলম্ব প্রতিক্রিয়া N একটু হেলে যায়, তার অনুভূমিক অংশ গাড়িকে কেন্দ্রের দিকে ঠেলে।

ঘর্ষণ না থাকলে অনুভূমিক ও উল্লম্ব সমীকরণ লিখি: N·cosθ = mg আর N·sinθ = mv²/r। ভাগ করলে tanθ = v²/(rg)। ৫০ m ব্যাসার্ধের বাঁকে ১৫ m/s দ্রুতির জন্য আদর্শ কোণ ২৪.৭°। এই কোণে গাড়ি চালালে ঘর্ষণ লাগেই না, এমনকি বরফের ওপরও বাঁক নেওয়া যায়।

N cosθ = mgউল্লম্ব দিকে ভারসাম্য

N sinθ = mv²/rঅনুভূমিক দিক, কেন্দ্রমুখী

tanθ = v²/(rg)আদর্শ ঢাল কোণ

v = √(rg·tanθ)ঢাল জানা থাকলে নিরাপদ দ্রুতি

ঢাল ঠিক না হলে

গাড়ি আদর্শ দ্রুতির চেয়ে বেশি জোরে গেলে একটু বেশি কেন্দ্রমুখী বল লাগে, তখন ঘর্ষণ কেন্দ্রের দিকে সাহায্য করে। কম জোরে গেলে ঘর্ষণ উল্টো দিকে অর্থাৎ ঢাল বেয়ে ওপরের দিকে কাজ করে যাতে গাড়ি নিচে না গড়ায়। সিমুলেশনে সবুজ তির এই ঘর্ষণ। সিমুলেশনে “ঘর্ষণ বল” রিডিং ধনাত্মক মানে ঘর্ষণ কেন্দ্রের দিকে, ঋণাত্মক মানে উল্টোদিকে।

গাড়ির ভর বদলালে আদর্শ কোণ বদলায় না — স্লাইডার সরিয়ে দেখো। কারণ সমীকরণে m দুই পাশেই কেটে যায়।

সিমুলেশনে নিজে পরীক্ষা করো

শুধু সূত্র মুখস্থ না করে হাত লাগাও। প্রতিটি পরীক্ষার আগে মুখে মুখে অনুমান করো কী হবে, তারপর স্লাইডার নাড়ো।

  • ব্যাসার্ধ ১ m রেখে দ্রুতি ১ থেকে ৬ m/s করো: কেন্দ্রমুখী বল কতগুণ হলো? (ছয়গুণ দ্রুতিতে ছত্রিশগুণ হওয়ার কথা।)
  • দ্রুতি ৩ m/s রেখে ব্যাসার্ধ ০.৫ m থেকে ২ m করো: কৌণিক বেগ ও বল কীভাবে বদলায়?
  • ভর ০.১ থেকে ২ kg করো: ত্বরণ বদলায় কি? বল বদলায় কি?
  • যেকোনো মুহূর্তে সুতা কেটে দাও এবং কমলা তিরের দিকে বলের যাত্রা মিলিয়ে দেখো।
  • আবার শুরু চাপো, ব্যাসার্ধ খুব ছোট করো আর দ্রুতি বেশি রাখো: বল কত বড় হয়ে যায়? বাস্তবে সুতা কি এত টান সইত?
  • “ঢালু বাঁক” দৃশ্যে দ্রুতি ১৫ m/s, ব্যাসার্ধ ৫০ m রেখে ঢাল সরিয়ে আদর্শ কোণে আনো: ঘর্ষণ রিডিং কত হলো?
  • ঢাল ০° করে দেখো: তখন সব কেন্দ্রমুখী বল ঘর্ষণকেই জোগাতে হয়।

ধাপে ধাপে গাণিতিক সমস্যার সমাধান

প্রতিটি অঙ্কে আগে দেওয়া রাশি লিখে নাও, একক SI-তে আনো, তারপর সূত্র বসাও। অন্য কিছু বলা না থাকলে g = ৯.৮ m/s²।

সমস্যা ১: সিমুলেশনের ডিফল্ট বল

০.৫ kg ভরের একটি বল ১ m ব্যাসার্ধের বৃত্তে ৩ m/s দ্রুতিতে ঘুরছে। কৌণিক বেগ ω = v/r = ৩/১ = ৩.০০ rad/s। পর্যায়কাল T = 2π/ω = ২.০৯৪ s, কম্পাঙ্ক f = 1/T = ০.৪৭৭ Hz।

কেন্দ্রমুখী ত্বরণ a = v²/r = ৩²/১ = ৯.০ m/s²। কেন্দ্রমুখী বল F = ma = ০.৫ × ৯.০ = ৪.৫ N। এই মানগুলো সিমুলেশনের পরিমাপ প্যানেলেও দেখতে পাবে।

সমস্যা ২: ঘুরন্ত রেকর্ড-প্লেয়ারের চাকতি

একটি চাকতি ১২০ rpm-এ ঘুরছে। কিনারার একটি বিন্দু কেন্দ্র থেকে ১৫ cm দূরে। ω = ১২০ × 2π/60 = ১২.৫৭ rad/s। রৈখিক বেগ v = rω = ১.৮৮ m/s। কেন্দ্রমুখী ত্বরণ a = ω²r = ২৩.৭ m/s²।

সমস্যা ৩: সুতা ছিঁড়ে যাওয়ার আগে সর্বোচ্চ দ্রুতি

একটি সুতা সর্বোচ্চ ২০ N টান সইতে পারে। এতে ০.৪ kg-এর একটি পাথর ০.৮ m ব্যাসার্ধে অনুভূমিক তলে ঘোরানো হচ্ছে। সুতার টানই কেন্দ্রমুখী বল, তাই T_max = mv²/r থেকে v_max = √(T_max·r/m) = √(২০ × ০.৮/০.৪) = ৬.৩২ m/s। সেই দ্রুতিতে ω = ৭.৯১ rad/s। এর বেশি জোরে ঘোরালে সুতা ছিঁড়বে আর পাথর স্পর্শক বরাবর ছুটবে।

সমস্যা ৪: সমতল বাঁকে নিরাপদ দ্রুতি

সমতল রাস্তায় ৫০ m ব্যাসার্ধের বাঁকে টায়ার ও রাস্তার ঘর্ষণ সহগ μ = ০.৪। ঘর্ষণ f = μmg কেন্দ্রমুখী বলের যোগান দেয়: μmg = mv²/r, ভর কেটে যায়, v_max = √(μrg) = √(০.৪ × ৫০ × ৯.৮) = ১৪.০ m/s, প্রায় ৫০ km/h। ভারী ট্রাক আর হালকা গাড়ির সীমা তাই একই।

সমস্যা ৫: ব্যাংকিং কোণ ও অভিলম্ব প্রতিক্রিয়া

৫০ m ব্যাসার্ধের বাঁকে ১৫ m/s দ্রুতিতে চলার জন্য ঘর্ষণহীন আদর্শ কোণ θ = tan⁻¹(v²/rg) = tan⁻¹(৪.৫/৯.৮) = ২৪.৭°। ১,০০০ kg ভরের গাড়ির জন্য কেন্দ্রমুখী বল ৪,৫০০ N আর N = m√(g² + a²) = ১০,৭৮৪ N, যা ওজন mg-এর চেয়ে বেশি।

সমস্যা ৬: ঢাল ১৫° হলে কী হবে

একই বাঁকে ঢাল যদি ১৫° হয় আর দ্রুতি ১৫ m/s, তবে আদর্শের চেয়ে ঢাল কম। প্রয়োজনীয় ঘর্ষণ f = m(a·cosθ − g·sinθ) = ১,৮১০ N, কেন্দ্রের দিকে। ঘর্ষণ না থাকলে গাড়ি বাইরে পিছলাত। ঘর্ষণহীন নিরাপদ দ্রুতি এই ঢালে v = √(rg·tanθ) = ১১.৫ m/s, প্রায় ৪১ km/h।

সমস্যা ৭: চাঁদের কেন্দ্রমুখী ত্বরণ

পাঠ্যবইয়ের মান ধরে চাঁদ পৃথিবী থেকে ৩,৮৪,০০০ km দূরে ২৭.৩ দিনে একবার ঘোরে। v = 2πr/T = ১,০২৩ m/s। কেন্দ্রমুখী ত্বরণ a = v²/r = ২.৭২ mm/s²। এটি পৃথিবীপৃষ্ঠের g-এর প্রায় ১/৩,৫৯৭ অংশ — নিউটন এভাবেই বুঝেছিলেন, আপেলকে যে টান নামায় সেই টানই চাঁদকে ঘোরায়, শুধু দূরত্বের বর্গের সঙ্গে দুর্বল হয়।

দ্রুতি, ব্যাসার্ধ আর বলের তুলনা

নিচের টেবিলের প্রতিটি সংখ্যা হিসাব করা (ভর ০.৫ kg)। লক্ষ করো, একই ব্যাসার্ধে দ্রুতি ১ থেকে ২ হলে বল ৪ গুণ, ৬ হলে ৩৬ গুণ।

r (m)v (m/s)ω (rad/s)T (s)a (m/s²)F (N)
১.০১১.০০৬.২৮১.০০.৫০
১.০২২.০০৩.১৪৪.০২.০০
১.০৩৩.০০২.০৯৯.০৪.৫০
১.০৬৬.০০১.০৫৩৬.০১৮.০০
০.৫৩৬.০০১.০৫১৮.০৯.০০
২.০৩১.৫০৪.১৯৪.৫২.২৫

কত গতিতে কত ঢাল লাগে

৫০ m ও ১০০ m ব্যাসার্ধের বাঁকে বিভিন্ন গতির জন্য ঘর্ষণহীন আদর্শ ব্যাংকিং কোণ নিচে। দ্রুতি বাড়লে ঢাল দ্রুত বাড়ে, আর বড় বাঁকে কম ঢালেই চলে।

গতি (km/h)v (m/s)a (m/s²), r = ৫০ mআদর্শ θ, r = ৫০ mআদর্শ θ, r = ১০০ m
৩৬১০.০২.০০১১.৫°৫.৮°
৫৪১৫.০৪.৫০২৪.৭°১২.৯°
৭২২০.০৮.০০৩৯.২°২২.২°
৯০২৫.০১২.৫০৫১.৯°৩২.৫°

যে ভুলগুলো সবাই করে

পরীক্ষার খাতায় আর ক্লাসে এই ভুলগুলো বারবার ধরা পড়ে।

  • “সুতা কাটলে বল বাইরে ছিটকে যায়” — না, স্পর্শক বরাবর সোজা যায়।
  • “সমদ্রুতিতে ঘুরলে ত্বরণ শূন্য” — না, বেগের দিক বদলায় বলে ত্বরণ আছে, মান v²/r।
  • “কেন্দ্রমুখী বল আলাদা একটি বল” — না, এটা সুতার টান, ঘর্ষণ বা মহাকর্ষের মতো আসল বলগুলোর লব্ধি।
  • ω-কে ডিগ্রিতে বসানো — রেডিয়ান ছাড়া v = rω খাটে না।
  • দ্রুতি দ্বিগুণ হলে বল দ্বিগুণ ধরা — বল চারগুণ হয়, কারণ v²।
  • ঘূর্ণনের কাজ ধরা — কেন্দ্রমুখী বল গতির সঙ্গে লম্ব, তাই কোনো কাজ করে না।
  • বাঁকের ব্যাংকিং কোণ ভরের ওপর নির্ভর করে ভাবা — নির্ভর করে না।

বাস্তব জীবনে বৃত্তাকার গতি

ওয়াশিং মেশিনের ড্রায়ার: ড্রাম খুব দ্রুত ঘোরে। কাপড় ড্রামের গায়ের ফুটো দিয়ে বেরোতে পারে না, কিন্তু পানি ছিদ্র দিয়ে স্পর্শক বরাবর ছুটে বেরিয়ে যায়। সুতা কাটার পরীক্ষারই বড় সংস্করণ।

সাইকেল ও মোটরবাইক: বাঁকে সাইকেল চালক শরীর ভেতরের দিকে হেলায় যাতে মাটির প্রতিক্রিয়া আর ওজন মিলে কেন্দ্রমুখী বলের যোগান দেয়। দ্রুত গতিতে বেশি হেলতে হয়, ঠিক tanθ = v²/rg অনুযায়ী।

কৃত্রিম উপগ্রহ ও চাঁদ: মহাকর্ষ বলই কেন্দ্রমুখী বল। উপগ্রহ ক্রমাগত পৃথিবীর দিকে “পড়ছে”, কিন্তু তার স্পর্শক বেগ এত বেশি যে পৃথিবীর বক্রতা তাকে এড়িয়ে যায়।

সেন্ট্রিফিউজ: রক্ত পরীক্ষাগারে নলগুলো দ্রুত ঘোরানো হয়। ভারী কণাগুলো কেন্দ্রমুখী বলের জন্য যথেষ্ট জোরে ধরা পড়ে না, তাই তারা নলের তলায় জমে যায়।

রোলার কোস্টার ও নাগরদোলা: লুপে ওঠার সময় গাড়ির সিট তোমাকে ভেতরের দিকে ঠেলে বলেই তুমি পড়ে যাও না। ভারী বোধ হওয়াটা সিটের প্রতিক্রিয়ার ফল।

রেলপথ ও রেসট্র্যাক: বাঁকে বাইরের লাইন ভেতরের চেয়ে উঁচু করে বসানো হয়, রেসের মাঠের বাঁকও ঢালু, যাতে চাকার পাশের ওপর চাপ কম পড়ে।

পরীক্ষার প্রস্তুতি: সৃজনশীল প্রশ্নের ধরন

SSC ও HSC-তে বৃত্তাকার গতি থেকে সাধারণত একটি উদ্দীপক থাকে, যেমন “একটি সুতার প্রান্তে বাঁধা পাথর বৃত্তাকার পথে ঘুরছে” বা “একটি গাড়ি বাঁকে ঘুরছে”। তারপর চারটি অংশে জ্ঞান, অনুধাবন, প্রয়োগ ও উচ্চতর দক্ষতা যাচাই হয়। নিচে প্রতিটি ধরনের নমুনা।

জ্ঞানমূলক

প্রশ্ন: কেন্দ্রমুখী বল কাকে বলে? উত্তর: বৃত্তাকার পথে গতিশীল বস্তুর ওপর কেন্দ্রের দিকে ক্রিয়াশীল যে লব্ধি বল বস্তুকে বৃত্তাকার পথে রাখে, তাকে কেন্দ্রমুখী বল বলে।

প্রশ্ন: কৌণিক বেগ কাকে বলে? উত্তর: একক সময়ে ব্যাসার্ধ ভেক্টর যে কোণ ঘোরে, তাকে কৌণিক বেগ বলে। একক rad/s।

অনুধাবনমূলক

প্রশ্ন: সমদ্রুতিতে ঘুরলেও বৃত্তাকার গতি ত্বরিত গতি কেন? উত্তর: বেগের মান ধ্রুব থাকলেও দিক প্রতি মুহূর্তে বদলায়, ফলে বেগের পরিবর্তন হয় এবং কেন্দ্রের দিকে ত্বরণ থাকে।

প্রশ্ন: কেন্দ্রমুখী বল কোনো কাজ করে না কেন? উত্তর: বল সবসময় সরণের সঙ্গে লম্ব, তাই W = Fs·cos90° = 0।

প্রয়োগ ও উচ্চতর দক্ষতা

প্রয়োগ: ০.৫ kg ভরের বস্তু ১ m ব্যাসার্ধে ৩ m/s দ্রুতিতে ঘুরলে কেন্দ্রমুখী বল নির্ণয় করো। F = mv²/r = ৪.৫ N।

উচ্চতর দক্ষতা: “একটি বাঁকে ১৫ m/s দ্রুতিতে ঘর্ষণহীন চলার জন্য ঢাল কত হওয়া উচিত এবং দ্রুতি বাড়ালে ঘর্ষণ কোন দিকে কাজ করবে বিশ্লেষণ করো।” — আদর্শ কোণ ২৪.৭°; বেশি দ্রুতিতে ঘর্ষণ ঢাল বেয়ে নিচের দিকে, কেন্দ্রের দিকে কাজ করবে।

এক নজরে পুনরালোচনা

পরীক্ষার আগের রাতে এটুকু চোখ বুলিয়ে নিলেই মূল কথা মনে পড়বে।

  • সমদ্রুতিতে বৃত্তাকার গতি: দ্রুতি ধ্রুব, বেগ ধ্রুব নয়; কেন্দ্রের দিকে ত্বরণ আছে।
  • ω = 2π/T = 2πf, v = rω।
  • a = v²/r = ω²r, কেন্দ্রের দিকে।
  • F = mv²/r = mω²r; বল ∝ v², বল ∝ 1/r, বল ∝ m।
  • কেন্দ্রমুখী বল আলাদা বল নয়, আসল বলগুলোর লব্ধি; কাজ করে না।
  • সুতা কাটলে বস্তু স্পর্শক বরাবর সোজা ছোটে, বাইরের দিকে নয়।
  • ঘর্ষণহীন ব্যাংকিং: tanθ = v²/(rg), ভরের ওপর নির্ভর করে না।
  • সমতল বাঁকে নিরাপদ দ্রুতি v = √(μrg)।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

কেন্দ্রমুখী বল কাকে বলে?

কোনো বস্তু বৃত্তাকার পথে ঘুরলে তার ওপর সবসময় বৃত্তের কেন্দ্রের দিকে যে লব্ধি বল ক্রিয়া করে এবং বস্তুকে সেই পথে ধরে রাখে, তাকে কেন্দ্রমুখী বল বলে। মান F = mv²/r = mω²r। এটি আলাদা কোনো বল নয়; সুতার টান, ঘর্ষণ বা মহাকর্ষের মতো আসল বলই এই ভূমিকা পালন করে।

সমদ্রুতিতে বৃত্তাকার গতিতে ত্বরণ থাকে কেন?

কারণ ত্বরণ মানে বেগের পরিবর্তনের হার, আর বেগ ভেক্টর। দ্রুতি ধ্রুব থাকলেও দিক সর্বক্ষণ বদলায়। এই পরিবর্তন কেন্দ্রের দিকে হয়, তাই ত্বরণের মান v²/r আর দিক কেন্দ্রমুখী।

সুতা কেটে দিলে বল কোন দিকে যায়?

বল বৃত্তের ওই বিন্দুর স্পর্শক বরাবর সোজা ছুটে যায়, বাইরের দিকে নয়। কেন্দ্রমুখী বল ছিল সুতার টান, সুতা কাটলে বল শূন্য, তাই নিউটনের প্রথম সূত্র অনুযায়ী বস্তু শেষ বেগে সমবেগে চলে।

কৌণিক বেগ ও রৈখিক বেগের সম্পর্ক কী?

v = rω, যেখানে ω রেডিয়ান প্রতি সেকেন্ডে। একই ঘূর্ণায়মান বস্তুর সব বিন্দুর ω সমান, কিন্তু কেন্দ্র থেকে যত দূরে, রৈখিক বেগ তত বেশি।

কেন্দ্রমুখী বল কোনো কাজ করে কি?

না। বল সবসময় বেগের সঙ্গে সমকোণে, তাই সরণের দিকে বলের কোনো উপাংশ নেই এবং কাজ W = F·s·cos90° = 0। এজন্য বলের গতিশক্তি ও দ্রুতি ধ্রুব থাকে।

ব্যাংকিং কোণের সূত্র কী?

ঘর্ষণহীন বাঁকের জন্য tanθ = v²/(rg)। যেমন r = ৫০ m, v = ১৫ m/s হলে θ = ২৪.৭°। কোণ গাড়ির ভরের ওপর নির্ভর করে না।

সমতল বাঁকে গাড়ির সর্বোচ্চ নিরাপদ দ্রুতি কত?

ঘর্ষণ সহগ μ হলে v_max = √(μrg)। μ = ০.৪, r = ৫০ m, g = ৯.৮ m/s² হলে v_max = ১৪.০ m/s, মানে প্রায় ৫০ km/h। এর বেশি জোরে গেলে গাড়ি পিছলে বাইরে সরে যাবে।

বাইরের দিকে টানা বলকে কী বলে, ওটা কি সত্যিই আছে?

ওই বলকে কেন্দ্রবিমুখ বা অলীক বল বলা হয়। ঘূর্ণায়মান কাঠামোতে বসা পর্যবেক্ষকের কাছে জড়তার কারণে তা অনুভূত হয়, কিন্তু স্থির পর্যবেক্ষকের হিসাবে এমন কোনো বাস্তব বল নেই।

এই বিষয়ের আরও পড়াশোনা

অ্যানিমেশনে ধারণা পরিষ্কার হলো, এবার পরীক্ষার প্রস্তুতি: সিলেবাস, সাজেশন, বই আর ভর্তি পরীক্ষার গাইড নিচে।

SSC

এসএসসি পদার্থবিজ্ঞান: সিলেবাস ও প্রস্তুতি

HSC

এইচএসসি পদার্থবিজ্ঞান: সিলেবাস ও প্রস্তুতি

পাঠ্যবই

নবম-দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান বই

ভর্তি

ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি

ভর্তি

ঢাবি বিজ্ঞান ইউনিট ভর্তি ২০২৬-২৭

English

Composition: The Uses of Electricity (ইংরেজিতে)

বাংলা

প্রতিবেদন: বিজ্ঞান মেলা

English

Paragraph: Science in Everyday Life (ইংরেজিতে)

SSC

এসএসসি সাজেশন

HSC

এইচএসসি সাজেশন

ভর্তি

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার গাইড

SSC

এসএসসি সিলেবাস

HSC

এইচএসসি সিলেবাস

বিদেশে পড়াশোনা

জার্মানিতে উচ্চশিক্ষা

টেস্ট

Digital SAT Math guide (ইংরেজিতে)

স্কলারশিপ

বিদেশে পড়াশোনার স্কলারশিপ

IELTS

IELTS vocabulary: science and research (ইংরেজিতে)

টুল

GPA calculator (ইংরেজিতে)

ক্যারিয়ার

Civil engineer resume example (ইংরেজিতে)

আরও পদার্থবিজ্ঞান অ্যানিমেশন

SSC · HSC

আলোর প্রতিসরণ

আলোর প্রতিসরণ কাকে বলে, প্রতিসরণের সূত্র, সংকট কোণ ও পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন — সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা, ইন্টারঅ্যাকটিভ অ্যানিমেশন ও গাণিতিক উদাহরণসহ।

SSC · HSC

ওহমের সূত্র

ওহমের সূত্র কাকে বলে, বিবৃতি ও ব্যাখ্যা, V-I লেখচিত্র — বিভব পার্থক্য ও রোধ বদলে তড়িৎ প্রবাহ দেখো। শ্রেণি ও সমান্তরাল সমবায়, গাণিতিক উদাহরণসহ।

HSC

প্রাসের গতি

প্রাস কাকে বলে? কোণ ও আদিবেগ বদলে প্রাসের গতিপথ দেখো — বিচরণকাল, সর্বাধিক উচ্চতা ও আনুভূমিক পাল্লার সূত্র, গাণিতিক উদাহরণসহ।

SSC · HSC

সরল দোলক

সরল দোলক কাকে বলে, দোলনকালের সূত্র T=2π√(L/g) ও দোলকের সূত্রসমূহ — দৈর্ঘ্য বদলে দেখো। অভিকর্ষজ ত্বরণ নির্ণয়ের গাণিতিক উদাহরণসহ।

SSC · HSC

তড়িৎ ক্ষেত্র

তড়িৎ ক্ষেত্র কাকে বলে, তড়িৎ তীব্রতার সূত্র ও একক, বলরেখার বৈশিষ্ট্য — আধান বসিয়ে বলরেখা দেখো। কুলম্বের সূত্রের গাণিতিক উদাহরণসহ।

HSC

তরঙ্গের ব্যতিচার

তরঙ্গের উপরিপাতন নীতি ও ব্যতিচার কাকে বলে, গঠনমূলক ও ধ্বংসাত্মক ব্যতিচারের শর্ত, ডোরার প্রস্থ — দুই উৎস সরিয়ে নিজে দেখো, গাণিতিক উদাহরণসহ।

SSC · HSC

পড়ন্ত বস্তু ও পড়ন্ত বস্তুর সূত্র

পড়ন্ত বস্তুর তিনটি সূত্র কী, কে আবিষ্কার করেন, অভিকর্ষজ ত্বরণ ৯.৮ বলতে কী বোঝায়: মুদ্রা আর পালক ফেলে নিজে দেখো, সূত্র ও গাণিতিক সমস্যাসহ।

SSC · HSC

লেন্সে প্রতিবিম্ব গঠন

উত্তল লেন্স ও অবতল লেন্স কাকে বলে, প্রতিবিম্ব কীভাবে গঠিত হয়, লেন্সের সূত্র 1/u + 1/v = 1/f, বিবর্ধন ও লেন্সের ক্ষমতা: বস্তু টেনে সরিয়ে রশ্মি চিত্র নিজে দেখো।

SSC · HSC

নিউটনের গতির সূত্র

নিউটনের গতির তিনটি সূত্র, জড়তা, ভরবেগ, F = ma, ঘাত বল আর ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া: ট্রলি ঠেলে নিজে দেখো, সহজ উদাহরণ, সূত্র ও গাণিতিক সমস্যাসহ (SSC, HSC)।

SSC · HSC

গোলীয় দর্পণে প্রতিবিম্ব গঠন

অবতল দর্পণ ও উত্তল দর্পণ কাকে বলে, মেরু, বক্রতার কেন্দ্র, প্রধান ফোকাস, দর্পণের সূত্র 1/u + 1/v = 1/f ও বিবর্ধন: বস্তু টেনে সরিয়ে প্রতিবিম্ব গঠন নিজে দেখো।

SSC · HSC

তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ ও ফ্যারাডের সূত্র

তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ কাকে বলে, ফ্যারাডের সূত্র ও লেঞ্জের সূত্র কী বলে: চুম্বক টেনে কুণ্ডলীর ভেতর দিয়ে নিয়ে নিজে দেখো, গ্যালভানোমিটারের কাঁটা কেন দোলে, সূত্র ও অঙ্কসহ।

SSC · HSC

ভরবেগের সংরক্ষণ ও সংঘর্ষ

ভরবেগের সংরক্ষণ সূত্র কী, স্থিতিস্থাপক ও অস্থিতিস্থাপক সংঘর্ষের পার্থক্য কী: দুটো গাড়ি সংঘর্ষ করিয়ে নিজে দেখো, পুনরুদ্ধার সহগ e বদলে ভরবেগ ও গতিশক্তির বার-লেখচিত্র মিলিয়ে দেখো, সূত্র ও অঙ্কসহ।

SSC · HSC

কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি

কাজ কাকে বলে, গতিশক্তি ও বিভবশক্তির সূত্র কী, ক্ষমতা কীভাবে মাপা হয়: গড়িয়ে পড়া কার্টের সিমুলেশনে শক্তির রূপান্তর নিজে দেখো, সূত্র ও গাণিতিক সমস্যাসহ।

SSC · HSC

নততল

নততলে ওজন কীভাবে দুই উপাংশে ভাগ হয়, স্থিতি কোণ কী, ঘর্ষণ কীভাবে ব্লককে ধরে রাখে বা পিছলে দেয়: কোণ বদলে ব্লক নিজে ছেড়ে দিয়ে বল-চিত্র ও সূত্র দেখো।

SSC

অনুপ্রস্থ ও অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ

একই উৎস থেকে দড়ির অনুপ্রস্থ তরঙ্গ আর স্প্রিং বা শব্দের অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ পাশাপাশি দেখো। তরঙ্গশীর্ষ, তরঙ্গপাদ, সংকোচন, প্রসারণ, তরঙ্গদৈর্ঘ্য, v = fλ আর কণা কেন তরঙ্গের সাথে চলে না, গাণিতিক সমাধানসহ।

SSC · HSC

লিভার ও ভ্রামক

সিসম্যর সিমুলেশনে বলের ভ্রামক M = F × d, ভ্রামকের নীতি, লিভারের তিন শ্রেণি ও যান্ত্রিক সুবিধা নিজে হাতে পরীক্ষা করো। সমাধান ও সৃজনশীল প্রশ্নসহ।

SSC · HSC

ভরকেন্দ্র

দণ্ডে আর পাতে ভর সরিয়ে ভরকেন্দ্র x = Σmx/Σm বের করো। অবলম্বন কোথায় রাখলে দণ্ড ভারসাম্যে থাকে, বাস কখন উল্টে যায়, সুস্থির-অস্থির-নিরপেক্ষ সাম্যাবস্থা: সিমুলেশন ও সমাধানসহ।

SSC · HSC

স্প্রিং-ভর ও সরল ছন্দিত স্পন্দন

স্প্রিংয়ে ঝোলানো ভরের সরল ছন্দিত স্পন্দন নিজে চালিয়ে দেখো। হুকের সূত্র, T = 2π√(m/k), শক্তির রূপান্তর, শ্রেণি ও সমান্তরাল স্প্রিং, সমাধান ও সৃজনশীল প্রশ্নসহ।

SSC · HSC

ভেক্টর যোগ: ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র

দুটি ভেক্টরের লব্ধি, ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র, উপাংশ, নদীতে নৌকা আর বৃষ্টিতে ছাতার আপেক্ষিক বেগ নিজে টেনে পরীক্ষা করো। সমাধান ও সৃজনশীল প্রশ্নসহ।

SSC · HSC

আপেক্ষিক বেগ: ট্রেন ও নদী পারাপার

দুই ট্রেন আর নদী পার হওয়া সাঁতারুকে নিজে চালিয়ে দেখো। আপেক্ষিক দ্রুতি, ট্রেন পার হওয়ার সময়, মুখের কোণ, ভাটিতে সরণ, সবচেয়ে কম সময় বনাম সবচেয়ে ছোট পথ, সমাধানসহ।

HSC

কেপলারের সূত্র ও উপবৃত্তাকার কক্ষপথ

উৎকেন্দ্রতা স্লাইডার টেনে কক্ষপথ লম্বা হতে দেখো। সমান সময়ে সমান ক্ষেত্রফলের সেক্টর, পর্যায়কালের সূত্র T² ∝ a³ আর মুক্তিবেগ, সমাধানসহ।

HSC

নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র, g ও কৃত্রিম উপগ্রহ

দুটি বস্তুর টান, ব্যস্তবর্গ সূত্রের লেখচিত্র, পৃথিবীর ওপরে-নিচে g আর উপগ্রহের কক্ষপথ নিজের হাতে চালিয়ে দেখো। কক্ষীয় বেগ, পর্যায়কাল, মুক্তিবেগ আর সমাধান করা অঙ্কসহ।

HSC

তার ও নলে স্থির তরঙ্গ

সিমুলেশনে তার টানো আর খোলা-বন্ধ নলে ফুঁ দাও। নোড, অ্যান্টিনোড, সমমেল দেখো এবং দৈর্ঘ্য, টান ও তাপমাত্রা কীভাবে সুর ঠিক করে তা শেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।

HSC

অনুনাদ নল ও শব্দের দ্রুতি

অনুনাদ নলে পানির স্তর সরিয়ে নিজেই জোর শব্দের জায়গা খুঁজুন। L১ = λ/৪ − e আর L২ = ৩λ/৪ − e দেখুন, v = 2f(L₂ − L₁) দিয়ে শব্দের দ্রুতি বের করুন, সমাধানসহ অঙ্ক অনুশীলন করুন।

HSC

স্বরকম্প: কাছাকাছি দুই সুরের স্পন্দন

প্রায় সমান কম্পাঙ্কের দুই তরঙ্গ যোগ করে শব্দের জোর-আস্তে স্পন্দন দেখুন। এনভেলপ আঁকা, স্বরকম্প কম্পাঙ্ক |f₁ − f₂| পড়া, শব্দ শোনা আর গিটার সুর মেলানোর পদ্ধতি শিখুন, সমাধানসহ।

HSC

ডপলার প্রভাব: চলমান উৎস, চলমান শ্রোতা ও সনিক বুম

শব্দের উৎসকে ধীরে-জোরে চালাও আর দেখো সামনে তরঙ্গমুখ কীভাবে ঠাসাঠাসি হয়, পেছনে কীভাবে ছড়িয়ে পড়ে। ডপলারের সূত্র, অ্যাম্বুলেন্স ও ট্রেনের অঙ্ক এবং সনিক বুম শেখো।

SSC · HSC

প্রিজম, আলোর বিচ্ছুরণ ও রামধনু

সাদা আলো প্রিজমে ফেলো, প্রিজম কোণ আর আপতন কোণ বদলাও, আর দেখো বর্ণালি কীভাবে তৈরি হয়। বিচ্যুতি, ন্যূনতম বিচ্যুতি, বিচ্ছুরণ ক্ষমতা এবং বৃষ্টির ফোঁটায় রামধনু সৃষ্টির অঙ্কসহ ব্যাখ্যা।

HSC

কির্শফের সূত্র: সংযোগ সূত্র ও বদ্ধ পথ সূত্র

দুটি ব্যাটারি আর তিনটি রোধের দুই-লুপ বর্তনী নিজে সাজাও। সংযোগ বিন্দুতে প্রবাহ ভাগ হওয়া দেখো, বিভবের যোগফল শূন্য হতে দেখো আর কির্শফের সূত্রের অঙ্ক ধাপে ধাপে করতে শেখো।

HSC

হুইটস্টোন ব্রিজ ও মিটার ব্রিজ

হুইটস্টোন ব্রিজের সাম্য নষ্ট করে গ্যালভানোমিটারের কাঁটা নড়তে দেখো। P/Q = R/S হলে কাঁটা শূন্যে আসে। মিটার ব্রিজে জকি সরিয়ে অজানা রোধ মাপো, গাণিতিক উদাহরণসহ।

HSC

একক চিড়ে অপবর্তন

চিড়ের প্রস্থ ও তরঙ্গদৈর্ঘ্য বদলে দেখো আলো কীভাবে ছড়ায়। তীব্রতার সূত্র I = I₀(sin β/β)², অন্ধকার পট্টির শর্ত a sin θ = mλ আর কেন্দ্রীয় পট্টির প্রস্থ 2λD/a, সমাধানসহ।

SSC · HSC

চোখের ত্রুটি ও তার প্রতিকার

স্বাভাবিক, ক্ষীণদৃষ্টি, দীর্ঘদৃষ্টি ও বার্ধক্যের চোখ বদলে বদলে দেখো। প্রতিবিম্ব কেন রেটিনার সামনে বা পেছনে পড়ে, আর কোন লেন্স কত ডায়োপ্টারে তা ঠিক করে, সিমুলেশনে হাতে-কলমে শেখো।

HSC

আলোর সমবর্তন: ম্যালাসের সূত্র ও ব্রুস্টারের সূত্র

পোলারাইজারের পেছনে অ্যানালাইজার ঘুরিয়ে গ্রাফে I = I₀cos²θ দেখো, তারপর কাচে আলো ফেলে ব্রুস্টার কোণ খুঁজে বের করো। পোলারয়েড সানগ্লাস, তিন ফিল্টারের ধাঁধা ও সমাধান করা অঙ্কসহ।

HSC

ক্যাপাসিটরের আহিতকরণ ও নিরাহিতকরণ: আরসি সময় ধ্রুবক

রোধের মধ্য দিয়ে ক্যাপাসিটর আহিত ও নিরাহিত করো। E, R, C বদলে V = E(1 − e^(−t/RC)) আর প্রবাহের বক্রেখা আঁকা দেখো, ৬৩% সময় ধ্রুবক আর সঞ্চিত শক্তি বের করো।

SSC · HSC

চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা: দণ্ডচুম্বক, তড়িৎবাহী সরল তার ও সলিনয়েড

দণ্ডচুম্বক, সরল তার ও সলিনয়েডের চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা দেখো। কম্পাস টানো, প্রবাহের দিক উল্টাও আর শেখো B = μ₀I/2πr, B = μ₀nI ও ডান হাতের মুষ্টি নিয়ম।

HSC

এসি জেনারেটর

চুম্বকের দুই মেরুর মাঝে কুণ্ডলী ঘুরিয়ে এসি জেনারেটরের সাইন তরঙ্গ নিজের চোখে দেখো। N, A, B আর rpm বদলে E₀ = NBAω ও কার্যকর মান বের করো, জানো কেন বাংলাদেশে মেইন ৫০ Hz।

SSC · HSC

ট্রান্সফর্মার

ট্রান্সফর্মারের প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি পাক বদলে দেখো ভোল্টেজ কীভাবে বাড়ে-কমে। Vs = Vp·Ns/Np, ক্ষমতার সংরক্ষণ, বাস্তব দক্ষতা আর উচ্চ ভোল্টেজে বিদ্যুৎ পাঠানোর কারণ বোঝো।

SSC · HSC

তাপের সঞ্চালন: পরিবহন, পরিচলন ও বিকিরণ

তামা, অ্যালুমিনিয়াম, কাচ বা কাঠের দণ্ড গরম করে Q/t = kAΔT/L দেখো, বিকারে পরিচলন স্রোত ঘুরতে দেখো, আর T⁴ মেনে বিকিরিত ক্ষমতা কীভাবে বাড়ে তা যাচাই করো। সারণি ও সমাধান করা অঙ্কসহ।

HSC

আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া: আইনস্টাইনের সমীকরণ ও নিবৃত্তি বিভব

ভ্যাকুয়াম নলে সোডিয়াম, দস্তা বা তামার পাতে যেকোনো তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো ফেলো। সূচন কম্পাঙ্কের নিচে ইলেকট্রন বের হয় না কেন, K = hf − φ কীভাবে নিবৃত্তি বিভব ঠিক করে, আর উজ্জ্বলতা কেন শুধু প্রবাহ বদলায় তা নিজে দেখো।

SSC · HSC

মোটর ক্রিয়া: তড়িৎবাহী তারের ওপর বল ও ডিসি মোটর

চৌম্বক ক্ষেত্রে তড়িৎবাহী তার রাখলে সেটা কীভাবে ধাক্কা খায় নিজের চোখে দেখো। B, I, L আর কোণ বদলাও, ফ্লেমিংয়ের বাম হাতের নিয়ম মিলিয়ে নাও, তারপর বিভক্ত-বলয় কম্যুটেটরসহ ডিসি মোটর ঘুরিয়ে টর্কের লেখচিত্র দেখো।

HSC

গ্যাসের অণু ও গতিতত্ত্ব: চাপ, তাপমাত্রা ও দ্রুতি

বাক্সের ভেতরে গ্যাসের অণুদের ছোটাছুটি দেখো। তাপমাত্রা বাড়াও, গ্যাস বদলাও, আয়তন চেপে ধরো, আর দেখো দেয়ালে ধাক্কা গুনে পাওয়া চাপ PV = NkT-এর সঙ্গে মিলে যাচ্ছে। ম্যাক্সওয়েল-বোল্টজম্যান বক্ররেখার সঙ্গে দ্রুতি মেলাও এবং গড়বর্গমূল দ্রুতির অঙ্ক করো।

HSC

অর্ধপরিবাহী ডায়োড: p–n সন্ধি, I–V বক্ররেখা ও রেক্টিফায়ার

p–n সন্ধিতে বায়াস দিয়ে দেখো নিঃশেষিত স্তর কীভাবে সরু বা চওড়া হয়, বাহক কীভাবে পার হয় আর শকলির I–V বক্ররেখা কেমন হয়। সিলিকন ও জার্মেনিয়ামের তুলনা, ভাঙন আর অর্ধতরঙ্গ রেক্টিফায়ার হাতে-কলমে।

SSC · HSC

তেজস্ক্রিয় ক্ষয়: অর্ধায়ু, ক্ষয় সূত্র ও বিকিরণের ভেদন ক্ষমতা

২৪০টি নিউক্লিয়াসকে এলোমেলোভাবে ক্ষয় হতে দেখো, N = N₀e^(−λt) সূত্র মিলিয়ে নাও, লেখচিত্র থেকে অর্ধায়ু মাপো, আর দেখো আলফা, বিটা ও গামা কাগজ, অ্যালুমিনিয়াম ও সীসা কতটা ভেদ করে।

HSC

বোর পরমাণু মডেল: কক্ষপথ, শক্তিস্তর ও হাইড্রোজেনের বর্ণালি

হাইড্রোজেনের ইলেকট্রনকে n = ১ থেকে ৬ কক্ষপথে লাফ দেওয়াও, 1/λ = R(1/n₁² − 1/n₂²) থেকে ফোটনের রং বের করো আর শক্তিস্তরের চিত্র ও বর্ণালির পট্টিতে লাইম্যান, বামার, পাশেন শ্রেণি দেখো।

অন্য বিষয়ের অ্যানিমেশন

রসায়ন

পরমাণুর গঠন

রসায়ন

এসিড, ক্ষারক ও pH স্কেল

রসায়ন

ইলেকট্রন বিন্যাস

রসায়ন

গ্যাসের সূত্র: বয়েল, চার্লস ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ

রসায়ন

আয়নিক বন্ধন কীভাবে গঠিত হয়

রসায়ন

তড়িৎ বিশ্লেষণ ও ফ্যারাডের সূত্র

রসায়ন

সমযোজী বন্ধন

রসায়ন

পর্যায়বৃত্ত ধর্ম

রসায়ন

বিক্রিয়ার হার ও সংঘর্ষ তত্ত্ব

রসায়ন

পদার্থের অবস্থা: কঠিন, তরল, গ্যাসীয় ও তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র

রসায়ন

পরমাণুর অরবিটাল: s, p, d-এর আকৃতি, কোয়ান্টাম সংখ্যা ও নোড

রসায়ন

আণবিক আকৃতি ও ভিএসইপিআর তত্ত্ব: বন্ধন জোড়, মুক্তজোড় ও বন্ধন কোণ

রসায়ন

মোল ধারণা: মোলার ভর, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা ও মোলার আয়তন

রসায়ন

ব্যাপন ও নিঃসরণ: গ্রাহামের সূত্র

রসায়ন

রাসায়নিক সমীকরণ সমতাকরণ: পদ্ধতি, উদাহরণ ও অনুশীলন

রসায়ন

রাসায়নিক সাম্যাবস্থা: সাম্যধ্রুবক Kc ও লা শাতেলিয়ের নীতি

রসায়ন

টাইট্রেশন: অম্ল-ক্ষারের ঘনমাত্রা বের করার পদ্ধতি

রসায়ন

গ্যালভানিক কোষ: ড্যানিয়েল কোষ, EMF ও নার্নস্ট সমীকরণ

রসায়ন

জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া: জারণ সংখ্যা, ইলেকট্রন স্থানান্তর ও অর্ধ-সমীকরণ

রসায়ন

হাইড্রোকার্বন: অ্যালকেন, অ্যালকিন, অ্যালকাইন ও কাঠামোগত সমাণু ত্রিমাত্রায়

রসায়ন

কার্যকরী মূলক: অ্যালকোহল, অ্যালডিহাইড, কিটোন, অ্যাসিড, এস্টার ও অ্যামিন

রসায়ন

পলিমারকরণ: যোজন ও ঘনীভবন পলিমার, পলিথিন ও নাইলন

রসায়ন

মিশ্রণ আলাদা করার পদ্ধতি: ছাঁকন, পাতন, ক্রোমাটোগ্রাফি, স্ফটিকীকরণ

রসায়ন

কেলাস জালক: SC, BCC ও FCC একক কোষ, প্যাকিং দক্ষতা ও ঘনত্ব

রসায়ন

তেজস্ক্রিয়তা: আলফা, বিটা, গামা ক্ষয় ও অর্ধায়ু

জীববিজ্ঞান

মাইটোসিস কোষ বিভাজন

জীববিজ্ঞান

ব্যাপন ও অভিস্রবণ

জীববিজ্ঞান

সালোকসংশ্লেষণ

জীববিজ্ঞান

মানব হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কাজ

জীববিজ্ঞান

মেন্ডেলের বংশগতি সূত্র

জীববিজ্ঞান

ডিএনএ রেপ্লিকেশন

জীববিজ্ঞান

কোষীয় শ্বসন

জীববিজ্ঞান

এনজাইম ক্রিয়া

জীববিজ্ঞান

স্নায়ু উদ্দীপনার পরিবহন ও অ্যাকশন পটেনশিয়াল

জীববিজ্ঞান

নেফ্রন ও মূত্র তৈরির প্রক্রিয়া

জীববিজ্ঞান

মিয়োসিস কোষ বিভাজন

জীববিজ্ঞান

পরিপাকতন্ত্র

জীববিজ্ঞান

শ্বাসক্রিয়ার কৌশল: প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস

জীববিজ্ঞান

প্রোটিন সংশ্লেষণ

জীববিজ্ঞান

রক্ত সংবহন: দ্বি-সংবহন ও কার্ডিয়াক আউটপুট

জীববিজ্ঞান

কোষের গঠন ও অঙ্গাণু: উদ্ভিদ কোষ বনাম প্রাণী কোষ

জীববিজ্ঞান

প্রতিবর্ত ক্রিয়া ও প্রতিবর্ত চাপ

জীববিজ্ঞান

মানুষের চোখ: গঠন, প্রতিবিম্ব ও উপযোজন

জীববিজ্ঞান

পেশি সংকোচন ও স্লাইডিং ফিলামেন্ট মডেল

জীববিজ্ঞান

উদ্ভিদে পরিবহন: জাইলেম, ফ্লোয়েম ও বাষ্পমোচন

জীববিজ্ঞান

খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজাল: শক্তির প্রবাহ ও ১০ % নিয়ম

জীববিজ্ঞান

জনসংখ্যা বৃদ্ধি: সূচকীয় ও লজিস্টিক রেখা

জীববিজ্ঞান

প্রাকৃতিক নির্বাচন: পেপার্ড মথ ও কালিঝুলি মাখা গাছ

জীববিজ্ঞান

রোগপ্রতিরোধ: প্রাথমিক ও গৌণ অ্যান্টিবডি সাড়া

জীববিজ্ঞান

পরাগায়ন ও নিষেক

গণিত

পিথাগোরাসের উপপাদ্য

গণিত

ত্রিকোণমিতিক অনুপাত ও একক বৃত্ত

গণিত

দ্বিঘাত সমীকরণ ও দ্বিঘাত ফাংশনের লেখচিত্র

গণিত

বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য

গণিত

দূরত্ব ও উচ্চতা: উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ

গণিত

সম্ভাবনা: পরীক্ষালব্ধ বনাম তাত্ত্বিক সম্ভাবনা

গণিত

সমান্তর ও গুণোত্তর ধারা

গণিত

গড়, মধ্যক ও প্রচুরক

গণিত

সেট ও ভেনচিত্র

গণিত

সরল সহসমীকরণ ও সরলরেখার লেখচিত্র

গণিত

sin, cos, tan-এর লেখচিত্র

গণিত

পূর্ণবর্গ পদ্ধতি ও দ্বিঘাত সমীকরণের সমাধান

গণিত

বৃত্তের ক্ষেত্রফল: সূত্র, প্রমাণ ও সমাধান

গণিত

ঘনবস্তুর আয়তন ও তলের ক্ষেত্রফল: ঘনক, আয়তঘন, বেলন, কোণক, গোলক

গণিত

সদৃশ ত্রিভুজ: স্কেল ফ্যাক্টর, AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়া থেকে উচ্চতা

গণিত

স্থানাঙ্ক জ্যামিতি: দূরত্ব, মধ্যবিন্দু, ঢাল, বিভক্তিকরণ সূত্র ও সঞ্চারপথ

গণিত

শাঙ্কব ছেদ: বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত ও অধিবৃত্ত

গণিত

ফাংশনের রূপান্তর: সরানো, টানা ও উল্টানো

গণিত

অন্তরীকরণ: স্পর্শকের ঢাল ও ছেদক থেকে স্পর্শক

গণিত

রিম্যান যোগফল ও সমাকলন: বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফল

গণিত

সীমা ও ε–δ সংজ্ঞা: ছবিতে বোঝা

গণিত

ত্রিমাত্রিক ভেক্টর: যোগ, ডট গুণ ও ক্রস গুণ

গণিত

ম্যাট্রিক্স রূপান্তর: ঘূর্ণন, প্রতিফলন, শিয়ার ও নির্ণায়ক

গণিত

জটিল সংখ্যা: আরগান্ড সমতলে যোগ, গুণ, ঘাত ও মূল

গণিত

বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি: স্থানীয় মান, রূপান্তর ও যোগ