মূলপাতা
লগইন

Color

Indigo
Red
Green
Teal
Blue
Purple
Rose

Mode

Light
EN

স্থানাঙ্ক জ্যামিতি: জ্যামিতিকে গ্রিডে বসাও, বাকিটা বীজগণিত

স্থানাঙ্ক জ্যামিতিতে প্রতিটি বিন্দুকে দুটো সংখ্যা (x, y) দিয়ে বোঝানো হয়, ফলে জ্যামিতির প্রশ্ন বীজগণিতের অঙ্কে পরিণত হয়। (x₁, y₁) ও (x₂, y₂)-এর দূরত্ব √((x₂ − x₁)² + (y₂ − y₁)²), মধ্যবিন্দু স্থানাঙ্কের গড়, ঢাল হলো উল্লম্ব পরিবর্তন ÷ আনুভূমিক পরিবর্তন, আর বিভক্তিকরণ সূত্র দিয়ে রেখাংশকে যেকোনো অনুপাতে ভাগ করা বিন্দু পাওয়া যায়।

বিন্দু ধরে টানো

বিন্দু Aবিন্দু BAB রেখাংশ
গতি

নিয়ন্ত্রণ

কী দেখবে

পরিমাপ

A-এর স্থানাঙ্ক
(-৪, -২)
B-এর স্থানাঙ্ক
(৪, ৪)
Δx (x-এর পরিবর্তন)
৮
Δy (y-এর পরিবর্তন)
৬
দূরত্বের বর্গ
১০০
দূরত্ব AB
১০.০০০
মধ্যবিন্দু M
(০, ১)
ঢাল m
০.৭৫

সিমুলেশনটি কীভাবে ব্যবহার করবে

  1. “দূরত্ব, মধ্যবিন্দু, ঢাল” মোড দিয়ে শুরু করো। গ্রিডে A আর B নামে দুটো বিন্দু আছে (শুরুতে (-৪, -২) ও (৪, ৪))। যেকোনোটাকে টানো; বিন্দু পূর্ণসংখ্যার ঘরে বসে যায়। ড্যাশ-করা বাহু আর সমকোণের চিহ্নে দূরত্বের সূত্রের আড়ালে লুকিয়ে থাকা সমকোণী ত্রিভুজটা দেখা যায়।
  2. সংখ্যাগুলো পড়ো। Δx আর Δy হলো দুই বাহু, “দূরত্বের বর্গ” হলো Δx² + Δy², আর দূরত্ব তার বর্গমূল। শুরুতে AB = ১০.০০০। সবুজ বিন্দু M মধ্যবিন্দু, এখানে (০, ১)।
  3. A আর B-কে একই সমতলে (একই y) আনলে ঢাল ০ দেখাবে। একই খাড়া রেখায় (একই x) আনলে ঢাল “অসংজ্ঞায়িত”, কারণ খাড়া রেখার ঢাল হয় না। মাঝামাঝি অবস্থানে ঢাল = উল্লম্ব পরিবর্তন ÷ আনুভূমিক পরিবর্তন।
  4. “অনুপাতে বিভক্তিকরণ” মোডে যাও। দুটো স্লাইডার m আর n ঠিক করে (শুরুতে ২ ও ৩)। রেখাংশ ৫টা সমান ধাপে ভাগ হয় আর P বসে A থেকে ২ ধাপ দূরে, (-০.৮০, ০.৪০)-এ। রিডিংয়ে AP ÷ PB আর m ÷ n মিলিয়ে দেখো; দুটো সমান।
  5. “বহির্বিভক্তি” টিক দিলে P রেখাংশের বাইরে চলে যায়। এবার m = n করো: বহির্বিন্দুটা উধাও হয়ে যায়, কারণ তখন শূন্য দিয়ে ভাগ করতে হতো।
  6. শেষে “সঞ্চারপথ (সমদূরবর্তী)” মোডে যাও। সবুজ রেখাটা A ও B থেকে সমান দূরের সব বিন্দুর সেট। কমলা বিন্দু P-কে রেখার এপার-ওপার টানো: PA আর PB তখনই সমান যখন P ঠিক রেখার ওপর, আর সিদ্ধান্তে বলে কোন দিক কাছে।

গ্রিডের ওপর একটা রোবট

ভাবো একটা মেঝে বর্গাকার টাইলে মোড়া, আর তার ওপর একটা রোবট। তুমি বললে “চার টাইল ডানে, তিন টাইল ওপরে”, রোবট ঠিক জানে কোথায় থামবে। এবার কঠিন প্রশ্ন: শুরুর বিন্দু থেকে শেষ বিন্দু সোজা কত দূর, টাইল বেয়ে নয়? বা ঠিক মাঝখানের বিন্দুটা কোথায়? বা এক-তৃতীয়াংশ পথের বিন্দুটা?

স্কেল ছাড়াই স্থানাঙ্ক জ্যামিতি এসবের উত্তর দেয়। ১৬০০ সালের দিকে রেনে দেকার্তের বড় ধারণাটা ছিল প্রতিটি বিন্দুকে দুটো সংখ্যা দিয়ে চেনানো। বিন্দু যখন সংখ্যার জোড়া, তখন রেখা একটা সমীকরণ, বৃত্ত একটা সমীকরণ, আর জ্যামিতির ধাঁধা এমন হিসাব হয়ে যায় যা ক্যালকুলেটর শেষ করে দিতে পারে।

শূন্য থেকে স্থানাঙ্ক: অক্ষ, মূলবিন্দু ও চতুর্ভাগ

একটা আনুভূমিক সংখ্যারেখা আঁকো, x-অক্ষ, আর একটা খাড়া রেখা, y-অক্ষ। এরা যেখানে কাটে সেটা মূলবিন্দু, অর্থাৎ (0, 0)। সমতলের প্রতিটি বিন্দুর একটা ক্রমজোড় (x, y): x বলে x-অক্ষ বরাবর কতটা যেতে হবে (ডানে ধনাত্মক, বাঁয়ে ঋণাত্মক), আর y বলে ওপরে বা নিচে কতটা।

ক্রম গুরুত্বপূর্ণ। (3, 2) মানে তিন ধাপ ডানে আর দুই ধাপ ওপরে। (2, 3) সম্পূর্ণ অন্য জায়গা। দুই অক্ষ সমতলকে চার ভাগে কাটে, যাদের নম্বর ডান-ওপর থেকে ঘড়ির কাঁটার উল্টো দিকে।

চতুর্ভাগx-এর চিহ্নy-এর চিহ্নউদাহরণ
প্রথম (ডান-ওপর)ধনাত্মকধনাত্মক(3, 2)
দ্বিতীয় (বাঁ-ওপর)ঋণাত্মকধনাত্মক(−3, 2)
তৃতীয় (বাঁ-নিচ)ঋণাত্মকঋণাত্মক(−3, −2)
চতুর্থ (ডান-নিচ)ধনাত্মকঋণাত্মক(3, −2)
x-অক্ষের ওপরযেকোনোশূন্য(4, 0)
y-অক্ষের ওপরশূন্যযেকোনো(0, −5)

দূরত্বের সূত্র: ছদ্মবেশে পিথাগোরাস

A(x₁, y₁) থেকে B(x₂, y₂)-এর সোজা দূরত্ব বের করতে কিছু মাপতে হয় না। বরং A থেকে B-তে দুই চালে যাও: প্রথমে পাশে Δx = x₂ − x₁, তারপর ওপরে বা নিচে Δy = y₂ − y₁। এই দুই চাল একটা সমকোণী ত্রিভুজের দুই বাহু, আর সোজা রেখা AB তার অতিভুজ।

সিমুলেশনে ড্যাশ-করা বাহু আর সমকোণের চিহ্ন দিয়ে ত্রিভুজটা আঁকা আছে। পিথাগোরাস বলে অতিভুজের বর্গ = দুই বাহুর বর্গের যোগফল, তাই বর্গমূল নিলেই দূরত্ব। বর্গ করায় ঋণাত্মক চিহ্ন চলে যায়, তাই কোনটাকে A বলছ সেটা বিষয় নয়।

AB = √((x₂ − x₁)² + (y₂ − y₁)²)দূরত্বের সূত্র

AB² = Δx² + Δy²পিথাগোরাসের রূপ

মূলবিন্দু থেকে দূরত্ব = √(x² + y²)বিশেষ ক্ষেত্র, A = (0, 0)

ΔxΔyΔx² + Δy²দূরত্ব
৩৪২৫৫
৫১২১৬৯১৩
৮১৫২৮৯১৭
১১২১.৪১
২৩১৩৩.৬১

মধ্যবিন্দু: শুধু স্থানাঙ্কের গড়

AB-র মধ্যবিন্দু M ঠিক মাঝখানের বিন্দু। x-এ মাঝখান মানে দুই x-এর গড়, y-এ মাঝখান মানে দুই y-এর গড়। এর বেশি কিছু নেই।

সিমুলেশনে A বা B টানলে সবুজ বিন্দু M সরে যায়। শুরুতে সেটা (০, ১)-এ: x-গুলো যোগ করে অর্ধেক, y-গুলো যোগ করে অর্ধেক।

M = ((x₁ + x₂) ÷ 2, (y₁ + y₂) ÷ 2)মধ্যবিন্দুর সূত্র

x₂ = 2xₘ − x₁ এবং y₂ = 2yₘ − y₁মধ্যবিন্দু থেকে হারানো প্রান্ত বের করা

ঢাল: রেখাটা কতটা খাড়া?

A আর B দিয়ে যাওয়া রেখার ঢাল m হলো উল্লম্ব পরিবর্তন ÷ আনুভূমিক পরিবর্তন: ডানে এক একক গেলে রেখা কতটা ওঠে। ডানে ওপরে উঠলে ঢাল ধনাত্মক, নিচে নামলে ঋণাত্মক, সমতল রেখার ঢাল ০, আর খাড়া রেখার ঢাল নেই কারণ আনুভূমিক পরিবর্তন ০ আর ০ দিয়ে ভাগ চলে না।

ঢাল থেকে দুই রেখার সম্পর্কও বোঝা যায়। সমান্তরাল রেখার ঢাল সমান। লম্ব রেখার ঢালের গুণফল −১, যেমন ২ আর −১/২।

m = (y₂ − y₁) ÷ (x₂ − x₁)ঢাল

সমান্তরাল: m₁ = m₂একই খাড়াভাব

লম্ব: m₁ × m₂ = −1একটা ওপরে খাড়া, অন্যটা নিচে সমতল

বিভক্তিকরণ সূত্র: রেখাংশকে অনুপাতে কাটা

কখনো ঠিক মাঝখান চাই না। জরিপকারী সীমানার এক-তৃতীয়াংশ পথে একটা খুঁটি পুঁততে চান। খেলার ডিজাইনার চান শত্রু ফটক থেকে মিনারের দুই-পঞ্চমাংশ পথে হাজির হোক। এটাই রেখাংশ AB-কে m : n অনুপাতে ভাগ করা।

ভাবো AB কাটা হয়েছে m + n সমান ধাপে। বিন্দু P, A থেকে m ধাপ আর B থেকে n ধাপ দূরে। ধাপগুলো সমান বলে P হলো A আর B-র ভারযুক্ত গড়: B-র ভার m, A-র ভার n, তারপর m + n দিয়ে ভাগ। সিমুলেশন ধাপগুলোর দাগ এঁকে দেয়, যাতে গুনে দেখা যায়।

P = ((m·x₂ + n·x₁) ÷ (m + n), (m·y₂ + n·y₁) ÷ (m + n))অন্তর্বিভক্তি, অনুপাত m : n

P = ((m·x₂ − n·x₁) ÷ (m − n), (m·y₂ − n·y₁) ÷ (m − n))বহির্বিভক্তি (m ≠ n)

সঞ্চারপথ: দুই বিন্দু থেকে সমান দূরের সব বিন্দু

সঞ্চারপথ হলো একটা শর্ত মানে এমন সব বিন্দুর পথ। শর্ত ধরো “A থেকে আর B থেকে সমান দূরে”। কয়েকটা বিন্দু পরখ করো: মধ্যবিন্দু M মানে। M-এর ঠিক ওপরের বিন্দুও মানে, নিচেরটাও। সবগুলো জুড়লে M দিয়ে AB-এর ওপর লম্ব একটা সরলরেখা পাওয়া যায়: লম্বসমদ্বিখণ্ডক।

সিমুলেশনে কমলা বিন্দু P টানো। PA আর PB দূরত্ব দেখাচ্ছে। দুটো সমান হলে P ঠিক সবুজ রেখার ওপর, আর সিদ্ধান্ত সবুজ হয়। রেখার এক পাশে P, A-র কাছে; অন্য পাশে B-র কাছে। ছোট সবুজ বিন্দু Q রেখা বেয়ে চলে, যেখানেই যাক QA আর QB সমান থাকে।

সমীকরণ পেতে PA² = PB² লিখে বিস্তার করো। x² আর y² কাটাকাটি হয়ে যায়, বাকি থাকে একটা সরলরেখা: Δx · x + Δy · y = (|B|² − |A|²) ÷ 2, যেখানে |B|² মানে x₂² + y₂²। রিডিংয়ে তোমার বিন্দুর জন্য সমীকরণটা লেখা থাকে।

PA = PB ⇔ PA² = PB²মূল এড়াতে দুই পক্ষ বর্গ করো

(x₂ − x₁)x + (y₂ − y₁)y = (x₂² + y₂² − x₁² − y₁²) ÷ 2AB-র লম্বসমদ্বিখণ্ডক

সিমুলেশনে নিজে করে দেখো

পাঁচটা ছোট পরীক্ষা সূত্রগুলোকে হাতে-কলমে বুঝিয়ে দেবে। শুধু পড়ো না, বিন্দু আর স্লাইডার নাড়াও।

  • B-কে এমন জায়গায় টানো যাতে Δx = ৩ আর Δy = ৪। দূরত্ব ঠিক ৫। এবার Δx = ৫, Δy = ১২ করলে ১৩।
  • A ও B-কে একই আনুভূমিক রেখায় আনো। দূরত্ব শুধু |Δx| আর ঢাল ০। খাড়া রেখায় আনলে ঢাল অসংজ্ঞায়িত।
  • “অনুপাতে বিভক্তিকরণ”-এ m = n করো। P মধ্যবিন্দুতে বসে। m বাড়াও আর দেখো P ক্রমে B-র দিকে সরছে।
  • “বহির্বিভক্তি” টিক দিয়ে m = ৩, n = ২ করো। P লাফ দিয়ে B-র ওপারে যায়। AP ÷ PB তবু m ÷ n, কিন্তু P রেখাংশের বাইরে।
  • “সঞ্চারপথ”-এ P-কে কোনাকুনি টানো আর PA, PB দেখো। লম্বসমদ্বিখণ্ডক কাটে এমন প্রতিটি রেখায় ঠিক একটা বিন্দুতেই দুটো সমান।

সমাধান করা অঙ্ক

নিচের প্রতিটি উত্তর সিমুলেশনের একই ফাংশন দিয়ে হিসাব করা।

অঙ্ক ১: (-২, ৩) ও (৪, ১১)-এর দূরত্ব

Δx = ৪ − (-২) = ৬ আর Δy = ১১ − ৩ = ৮। তাই AB² = ৬² + ৮² = ৩৬ + ৬৪ = ১০০, এবং AB = √১০০ = ১০।

অঙ্ক ২: পূর্ণসংখ্যা নয় এমন দূরত্ব, (১, ১) থেকে (৪, ৩)

Δx = ৩, Δy = ২, তাই AB² = ১৩ এবং AB = √১৩ ≈ ৩.৬০৬। সঠিক মান চাইলে উত্তর √১৩ রাখো।

অঙ্ক ৩: (-৩, ৪) ও (৫, -২)-এর মধ্যবিন্দু এবং হারানো প্রান্ত

স্থানাঙ্ক যোগ করো: x-এর যোগফল ২, y-এর যোগফল ২। অর্ধেক করলে মধ্যবিন্দু (১, ১)।

উল্টোটা: মধ্যবিন্দু (১, ১) আর এক প্রান্ত (৬, ৯) হলে অন্য প্রান্তের x = ২ × ১ − ৬ আর y = ২ × ১ − ৯, মানে (-৪, -৭)।

অঙ্ক ৪: ঢাল, সমান্তরাল ও লম্ব

(১, ২) ও (৫, ১০) দিয়ে যাওয়া রেখার ঢাল = ৮ ÷ ৪ = ২। (-২, ১) ও (২, ৯) দিয়ে যাওয়া রেখার ঢাল = ৮ ÷ ৪ = ২। ঢাল সমান, তাই রেখা দুটো সমান্তরাল।

এবার (০, ০) থেকে (৬, -৩)-এর ঢাল -৩ ÷ ৬ = -০.৫০, আর (০, ০) থেকে (২, ৪)-এর ঢাল ৪ ÷ ২ = ২। গুণফল -১, তাই এরা পরস্পর লম্ব।

অঙ্ক ৫: (২, ৩) ও (১২, ৮)-কে ২ : ৩ অনুপাতে অন্তর্বিভক্তি

m = ২, n = ৩, m + n = ৫। x = (২ × ১২ + ৩ × ২) ÷ ৫ = ৩০ ÷ ৫, আর y = ২৫ ÷ ৫। তাই P = (৬, ৫)। যাচাই: AP = ৪.৪৭, PB = ৬.৭১, আর AP ÷ PB = ০.৬৭ = ০.৬৭, যেমনটা হওয়ার কথা।

অঙ্ক ৬: (১, ২) ও (৪, ৬)-কে ৩ : ২ অনুপাতে বহির্বিভক্তি

এবার হর m − n = ১। x = (৩ × ৪ − ২ × ১) ÷ ১ = ১০ ÷ ১, আর y = ১৪ ÷ ১। তাই P = (১০, ১৪)। এটা B-র ওপারে, আর PA ÷ PB = ১.৫০।

অঙ্ক ৭: (২, -৩) ও (৫, ৬) যোগকারী রেখাকে x-অক্ষ কোন অনুপাতে কাটে?

x-অক্ষে y = ০। y-এর জন্য বিভক্তিকরণ সূত্রে: (m × ৬ + n × (-৩)) ÷ (m + n) = ০, তাই m × ৬ = n × ৩ এবং m : n = ৩ : ৬ = ১ : ২। কাটার বিন্দু (৩, ০)।

অঙ্ক ৮: (১, ২) ও (৫, ৬) থেকে সমদূরবর্তী বিন্দুর সঞ্চারপথ

ধরো P(x, y) এমন একটা বিন্দু। PA² = PB² থেকে (x − ১)² + (y − ২)² = (x − ৫)² + (y − ৬)²। বিস্তার করলে x² আর y² কাটা যায়, থাকে ৪x + ৪y = ২৮, যা সরল করলে x + y = ৭। এটা মধ্যবিন্দু (৩, ৪) দিয়ে যায়, আর (৩, ৪)-ও এর ওপর।

সচরাচর ভুল

এই ভুলগুলোতে প্রতি বছর নম্বর কাটা যায়। খাতা জমা দেওয়ার আগে মিলিয়ে নাও।

  • ঋণাত্মক পার্থক্যের বর্গ করতে ভুলে যাওয়া। (−৪)² হলো ১৬, −১৬ নয়, ৪-ও নয়।
  • দূরত্বের সূত্রে x আর y-এর বিয়োগ আলাদা ক্রমে করা। বর্গে চিহ্ন চাপা পড়ে, তবু প্রতিটি জোড়া নিজের মধ্যে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।
  • বিভক্তিকরণ সূত্রে ভার উল্টে ফেলা। B-র সঙ্গে m আর A-র সঙ্গে n, উল্টো নয়।
  • বহির্বিভক্তিতে m = n হলে m − n দিয়ে ভাগ করা। এমন কোনো বিন্দু নেই।
  • ঢালকে আনুভূমিক ÷ উল্লম্ব লেখা, বা খাড়া রেখার ঢাল ০ বলা। এটা অসংজ্ঞায়িত; সমতল রেখার ঢাল ০।

বাস্তব জীবনে স্থানাঙ্ক

প্রতিটি ম্যাপ অ্যাপ স্থানাঙ্ক জ্যামিতি। তোমার ফোন অবস্থানকে সংখ্যার জোড়ায় বদলায়, জোড়াগুলোর দূরত্ব মাপে আর “মাঝামাঝি দেখা করি” সাজেশনের জন্য মধ্যবিন্দু বের করে। ভিডিও গেমে প্রতিটি চরিত্র স্থানাঙ্ক, আর সংঘর্ষ ধরা মানে সেকেন্ডে হাজারবার দূরত্বের সূত্র চালানো।

প্রকৌশলীরা সেতু আর রাস্তা স্থানাঙ্ক গ্রিডে নকশা করেন, স্থপতিরা দেয়াল-দরজার অবস্থানও তাই করেন। বিভক্তিকরণ সূত্র সীমানার এক-তৃতীয়াংশ পথে খুঁটি বসায়, আর সঞ্চারপথের ধারণা ঠিক করে দুই গ্রামের সমান দূরে নতুন স্কুল কোথায় হবে।

কম্পিউটার গ্রাফিক্স, রোবটিক্স, এমনকি আবহাওয়ার পূর্বাভাসও একই ধারণায় চলে: জগৎটাকে সংখ্যা দিয়ে বর্ণনা করো, তারপর হিসাব করো।

পরীক্ষার কোণ

নবম থেকে একাদশ শ্রেণির স্থানাঙ্কের প্রশ্ন বেশির ভাগই পাঁচ ধরনের। লেখা শুরুর আগে ধরনটা চিনে নাও।

  • দূরত্ব: AB বের করা, বা দূরত্ব তুলনা করে ত্রিভুজ সমদ্বিবাহু, সমবাহু বা সমকোণী প্রমাণ করা।
  • মধ্যবিন্দু: মধ্যবিন্দু বের করা, বা হারানো প্রান্ত অথবা প্যারামিটার নির্ণয়।
  • ঢাল: সমান্তরাল, লম্ব বা সমরেখ বিন্দু যাচাই।
  • বিভক্তিকরণ সূত্র: অনুপাতে ভাগ, অনুপাত নির্ণয়, বা অক্ষ রেখাকে কোথায় কাটে।
  • সঞ্চারপথ: দুই বিন্দু থেকে সমদূরবর্তী বিন্দুর সমীকরণ।

দ্রুত পুনরালোচনা

এই পাতা থেকে কিছু মনে রাখতে হলে এই লাইনগুলো রাখো।

AB = √((x₂ − x₁)² + (y₂ − y₁)²)

M = ((x₁ + x₂) ÷ 2, (y₁ + y₂) ÷ 2)

m = (y₂ − y₁) ÷ (x₂ − x₁)

P = ((m·x₂ + n·x₁) ÷ (m + n), (m·y₂ + n·y₁) ÷ (m + n))অন্তর্বিভক্তি

PA = PBলম্বসমদ্বিখণ্ডক

  • দূরত্ব মানে Δx আর Δy বাহুর ওপর পিথাগোরাস।
  • মধ্যবিন্দু গড়; বিভক্তিকরণ বিন্দু ভারযুক্ত গড়।
  • সমান্তরাল: ঢাল সমান। লম্ব: গুণফল −১।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

দূরত্বের সূত্র কী?

(x₁, y₁) আর (x₂, y₂)-এর দূরত্ব √((x₂ − x₁)² + (y₂ − y₁)²)। এটা আনুভূমিক আর উল্লম্ব পার্থক্যের ওপর পিথাগোরাসের উপপাদ্য।

মধ্যবিন্দুর সূত্র কী?

রেখাংশের মধ্যবিন্দু প্রান্ত দুটোর স্থানাঙ্কের গড়: ((x₁ + x₂) ÷ 2, (y₁ + y₂) ÷ 2)।

বিভক্তিকরণ সূত্র কী?

(x₁, y₁) থেকে (x₂, y₂) রেখাংশকে m : n অনুপাতে অন্তর্বিভক্ত করা বিন্দু ((m x₂ + n x₁) ÷ (m + n), (m y₂ + n y₁) ÷ (m + n))। বহির্বিভক্তিতে যোগ চিহ্ন বিয়োগ হয় আর হর হয় m − n।

দুই বিন্দু দিয়ে যাওয়া রেখার ঢাল কীভাবে বের করব?

y-এর পরিবর্তনকে x-এর পরিবর্তন দিয়ে ভাগ করো: (y₂ − y₁) ÷ (x₂ − x₁)। খাড়া রেখার ঢাল নেই, কারণ হর শূন্য।

দুই রেখা সমান্তরাল না লম্ব তা কীভাবে দেখাব?

সমান্তরাল রেখার ঢাল সমান। লম্ব রেখার ঢালের গুণফল −১, তবে একটা খাড়া আর অন্যটা সমতল হলে তারা লম্ব।

দুই বিন্দু থেকে সমদূরবর্তী বিন্দুর সঞ্চারপথ কী?

সেটা বিন্দু দুটো যোগকারী রেখাংশের লম্বসমদ্বিখণ্ডক: মধ্যবিন্দু দিয়ে রেখাংশের ওপর লম্ব একটা সরলরেখা। সমীকরণের জন্য PA² = PB² লেখো।

অন্তর্বিভক্তি আর বহির্বিভক্তির পার্থক্য কী?

অন্তর্বিভক্তিতে P থাকে A ও B-র মাঝে। বহির্বিভক্তিতে P থাকে AB রেখার ওপর কিন্তু রেখাংশের বাইরে। অনুপাত m : n একই ধারণা, শুধু সূত্রে বিয়োগ চিহ্ন বসে, আর m ≠ n লাগে।

সিমুলেশনের বিন্দুগুলো কি পূর্ণসংখ্যায় বসে?

হ্যাঁ। স্থানাঙ্ক পূর্ণসংখ্যা রাখায় PA = PB-র মতো প্রতিটি সমতা পূর্ণসংখ্যায় নির্ভুলভাবে যাচাই হয়, তাই গোলাকার করার ভুলে কখনো ভুয়া মিল দেখায় না।

এই বিষয়ের আরও পড়াশোনা

অ্যানিমেশনে ধারণা পরিষ্কার হলো, এবার পরীক্ষার প্রস্তুতি: সিলেবাস, সাজেশন, বই আর ভর্তি পরীক্ষার গাইড নিচে।

পাঠ্যবই

নবম-দশম শ্রেণির গণিত বই

SSC

এসএসসি গণিত: সিলেবাস ও প্রস্তুতি

HSC

এইচএসসি উচ্চতর গণিত: সিলেবাস ও প্রস্তুতি

SSC

এসএসসি উচ্চতর গণিত: সিলেবাস ও প্রস্তুতি

পাঠ্যবই

নবম-দশম শ্রেণির উচ্চতর গণিত বই

ভর্তি

ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি

ভর্তি

জাবি গাণিতিক ও পদার্থবিষয়ক অনুষদ ভর্তি

English

Paragraph: Artificial Intelligence (ইংরেজিতে)

বাংলা

রচনা: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

SSC

এসএসসি সাজেশন

HSC

এইচএসসি সাজেশন

ভর্তি

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার গাইড

SSC

এসএসসি সিলেবাস

HSC

এইচএসসি সিলেবাস

টেস্ট

GRE Quantitative Reasoning guide (ইংরেজিতে)

টেস্ট

Digital SAT Math guide (ইংরেজিতে)

স্কলারশিপ

বিদেশে পড়াশোনার স্কলারশিপ

টুল

Compound interest calculator (ইংরেজিতে)

ক্যারিয়ার

Data scientist resume example (ইংরেজিতে)

ক্যারিয়ার

Cover letter examples (ইংরেজিতে)

আরও গণিত অ্যানিমেশন

Class 8 · SSC

পিথাগোরাসের উপপাদ্য

পিথাগোরাসের উপপাদ্য কাকে বলে, সূত্র c² = a² + b², অষ্টম ও নবম-দশম শ্রেণির প্রমাণ, বিপরীত উপপাদ্য, পিথাগোরীয় ত্রয়ী ও সমাধানসহ অঙ্ক: ত্রিভুজ টেনে নিজে দেখো।

SSC · HSC

ত্রিকোণমিতিক অনুপাত ও একক বৃত্ত

ত্রিকোণমিতিক অনুপাত কাকে বলে, sin cos tan-এর মান ০° থেকে ৩৬০°, আদর্শ কোণের টেবিল, চতুর্ভাগের চিহ্ন ও সূত্র: একক বৃত্তে বিন্দু ঘুরিয়ে নিজে দেখো, সমাধানসহ।

SSC · HSC

দ্বিঘাত সমীকরণ ও দ্বিঘাত ফাংশনের লেখচিত্র

দ্বিঘাত সমীকরণ কাকে বলে, উৎপাদক ও বর্গপূর্ণকরণ পদ্ধতি, শ্রীধর আচার্যের সূত্র, নিশ্চায়ক দিয়ে মূলের প্রকৃতি, শীর্ষবিন্দু ও পরাবৃত্তের লেখচিত্র অ্যানিমেশনে।

SSC

বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য

বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য সহজে: কেন্দ্রস্থ ও বৃত্তস্থ কোণ, অর্ধবৃত্তস্থ কোণ, বৃত্তীয় চতুর্ভুজ, জ্যা ও স্পর্শক। SSC-র প্রমাণ আর সমাধানসহ অঙ্ক, বিন্দু টেনে নিজে দেখো।

SSC

দূরত্ব ও উচ্চতা: উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ

উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ কাকে বলে, দূরত্ব ও উচ্চতার সূত্র কীভাবে কাজ করে, আর দুই দফা পর্যবেক্ষণে না মেপেই টাওয়ারের উচ্চতা বের করা যায় কীভাবে — ইন্টারঅ্যাকটিভ সিমুলেশন ও সমাধানসহ।

SSC

সম্ভাবনা: পরীক্ষালব্ধ বনাম তাত্ত্বিক সম্ভাবনা

সম্ভাবনা কাকে বলে, নমুনা ক্ষেত্র ও সম্ভাবনার সূত্র P(E) = n(E)/n(S) কীভাবে কাজ করে, আর বহুবার নিক্ষেপ করলে পরীক্ষালব্ধ হার কীভাবে তাত্ত্বিক সম্ভাবনার কাছাকাছি চলে আসে — মুদ্রা, ছক্কা, দুই ছক্কা ও রঙিন বল দিয়ে ইন্টারঅ্যাকটিভ সিমুলেশন ও সমাধান করা অঙ্কসহ।

SSC · HSC

সমান্তর ও গুণোত্তর ধারা

সমান্তর ধারা ও গুণোত্তর ধারার n-তম পদ ও যোগফল সূত্র, গাউসের জোড়া বাঁধার কৌশল আর অসীম ধারার সূত্র a/(1−r): বার-চার্ট অ্যানিমেশনে নিজে টেনে দেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।

SSC

গড়, মধ্যক ও প্রচুরক

গড়, মধ্যক ও প্রচুরক নির্ণয়ের সূত্র, আউটলায়ারে মধ্যক কেন অটুট থাকে, আর শ্রেণিবদ্ধ উপাত্তের মধ্যক-প্রচুরক সূত্র: বিন্দু টেনে সংখ্যা রেখায় নিজে দেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।

Class 9 · SSC

সেট ও ভেনচিত্র

সংযোগ সেট, ছেদ সেট, অন্তর সেট, পূরক সেট আর ডি মরগানের সূত্র ভেনচিত্রে হাতে-কলমে দেখো: অঞ্চল রাঙাও, সংখ্যা বসাও, n(A ∪ B) সূত্র যাচাই করো, সমাধান করা অঙ্কসহ।

Class 8 · SSC

সরল সহসমীকরণ ও সরলরেখার লেখচিত্র

ঢাল, ছেদক ও ছেদবিন্দু অ্যানিমেশনে দেখো। দুটি সরল সমীকরণ লেখচিত্রে এঁকে সমাধান করো, সমঞ্জস-অসমঞ্জস চেনো এবং অনুপাত পরীক্ষা কষে নাও, SSC-র ধাঁচে।

SSC · HSC

sin, cos, tan-এর লেখচিত্র

y = A sin(Bx + C) + D আঁকো স্লাইডার টেনে: বিস্তার, পর্যায়কাল, দশা সরণ, মানের পরিসর আর tan-এর অসীমতট নিজে দেখো। সমাধানসহ ত্রিকোণমিতিক লেখচিত্র।

Class 9 · SSC

পূর্ণবর্গ পদ্ধতি ও দ্বিঘাত সমীকরণের সমাধান

টালি সাজিয়ে পূর্ণবর্গ পদ্ধতি দেখো, দ্বিঘাত সমীকরণের মূল ও শীর্ষবিন্দু বের করো এবং সূত্রটা কেন কাজ করে বুঝে নাও। অ্যানিমেশন ও সমাধানসহ।

Class 8 · SSC

বৃত্তের ক্ষেত্রফল: সূত্র, প্রমাণ ও সমাধান

বৃত্তকে টুকরো করে সাজিয়ে আয়তক্ষেত্র বানাও আর দেখো ক্ষেত্রফল কীভাবে πr² হয়। পরিধি, পাই, বৃত্তকলা, বৃত্তচাপ ও সমাধানসহ ফ্রি ইন্টারঅ্যাকটিভ সিমুলেশন।

Class 8 · SSC

ঘনবস্তুর আয়তন ও তলের ক্ষেত্রফল: ঘনক, আয়তঘন, বেলন, কোণক, গোলক

ছয়টি ঘনবস্তু ৩ডি-তে ঘোরাও, জাল খুলে দেখো আর কোণকের পানি বেলনে ঢেলে বোঝো কেন ঠিক তিন বারে ভরে। আয়তন, বক্রতল ও সমগ্রতলের সূত্র আর সমাধানসহ বিনামূল্যের সিমুলেশন।

Class 9 · SSC

সদৃশ ত্রিভুজ: স্কেল ফ্যাক্টর, AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়া থেকে উচ্চতা

স্লাইডার টেনে ত্রিভুজকে বড়-ছোট করো আর দেখো কোণ সমান থাকে, বাহুর অনুপাত k থাকে, ক্ষেত্রফল k² গুণ হয়। সদৃশতার AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়ার অঙ্কসহ বিনামূল্যের সিমুলেশন।

HSC

শাঙ্কব ছেদ: বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত ও অধিবৃত্ত

দ্বিশঙ্কুর মধ্য দিয়ে তল কাত করে দেখো বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত আর অধিবৃত্ত কীভাবে তৈরি হয়। সমীকরণ, ফোকাস ও উৎকেন্দ্রিকতাসহ বিনামূল্যের সিমুলেশন ও সমাধান করা অঙ্ক।

Class 9 · SSC

ফাংশনের রূপান্তর: সরানো, টানা ও উল্টানো

x², |x|, √x, sin x বা 2^x বেছে a, b, h, k স্লাইডার নাড়াও। দেখো লেখচিত্র কীভাবে সরে, টানে, চাপে আর উল্টে যায়, পেছনে ফিকে মূল লেখচিত্রসহ। বিনামূল্যের সিমুলেশন ও সমাধান করা অঙ্ক।

HSC

অন্তরীকরণ: স্পর্শকের ঢাল ও ছেদক থেকে স্পর্শক

x², x³, sin x, eˣ বা 1/x বক্ররেখায় P বিন্দু টানো আর ব্যবধান h শূন্যের দিকে কমাও। ছেদক কীভাবে স্পর্শক হয় আর তার ঢাল কীভাবে অন্তরজ হয় তা দেখো। নিচে অন্তরজের লেখচিত্রও আছে। বিনামূল্যে সিমুলেশন।

HSC

রিম্যান যোগফল ও সমাকলন: বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফল

x², x³, sin x, eˣ বা √x বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফলকে ১০০টি পর্যন্ত ফালিতে ভাগ করো, বাঁ, ডান, মধ্যবিন্দু ও ট্রাপিজিয়াম যোগফলকে সঠিক সমাকলনের সঙ্গে মেলাও। ভুল কমতে দেখো। বিনামূল্যে সিমুলেশন।

HSC

সীমা ও ε–δ সংজ্ঞা: ছবিতে বোঝা

ε–δ সংজ্ঞায় সীমা চোখে দেখো। ফাংশন বেছে ε ছোট করো, δ ব্যান্ড কীভাবে সরু হয় দেখো। বাম-ডান সীমা, গর্ত, sin x / x আর লাফ, যেখানে কোনো δ কাজ করে না। বিনামূল্যে সিমুলেশন।

HSC

ত্রিমাত্রিক ভেক্টর: যোগ, ডট গুণ ও ক্রস গুণ

দুটি ত্রিমাত্রিক ভেক্টর টেনে ঘুরিয়ে দেখো। যোগফল সামান্তরিক হয়ে, ডট গুণ ছায়া ও কোণ হয়ে, আর ক্রস গুণ লম্ব তীর হয়ে ধরা দেবে, যার দৈর্ঘ্য ক্ষেত্রফল। বিনামূল্যে সিমুলেশন।

HSC

ম্যাট্রিক্স রূপান্তর: ঘূর্ণন, প্রতিফলন, শিয়ার ও নির্ণায়ক

২×২ ম্যাট্রিক্স বদলে দেখো ছক, একক বর্গ আর একটা F-আকৃতি কীভাবে নড়ে। î আর ĵ কোথায় যায়, নির্ণায়ক কীভাবে চিহ্নযুক্ত ক্ষেত্রফল, আর বিপরীত ম্যাট্রিক্স। বিনামূল্যে সিমুলেশন।

HSC

জটিল সংখ্যা: আরগান্ড সমতলে যোগ, গুণ, ঘাত ও মূল

আরগান্ড সমতলে দুটি জটিল সংখ্যা টেনে সরাও। যোগফল সামান্তরিক হয়ে, গুণফল ঘূর্ণন ও টান হয়ে, অনুবন্ধী, ঘাত সর্পিল হয়ে এবং এককের মূল ধরা দেবে। বিনামূল্যে সিমুলেশন।

SSC · HSC

বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি: স্থানীয় মান, রূপান্তর ও যোগ

বিট উল্টে দেখো দশমিক, বাইনারি, অক্টাল ও হেক্সা একসাথে বদলায়। ২ দিয়ে ভাগ, ৩-৪ বিটের গ্রুপ আর ক্যারিসহ বাইনারি যোগ হাতে-কলমে। বিনা মূল্যে, সমাধান করা অঙ্কসহ।

অন্য বিষয়ের অ্যানিমেশন

পদার্থবিজ্ঞান

আলোর প্রতিসরণ

পদার্থবিজ্ঞান

ওহমের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

প্রাসের গতি

পদার্থবিজ্ঞান

সরল দোলক

পদার্থবিজ্ঞান

তড়িৎ ক্ষেত্র

পদার্থবিজ্ঞান

তরঙ্গের ব্যতিচার

পদার্থবিজ্ঞান

পড়ন্ত বস্তু ও পড়ন্ত বস্তুর সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

লেন্সে প্রতিবিম্ব গঠন

পদার্থবিজ্ঞান

নিউটনের গতির সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

গোলীয় দর্পণে প্রতিবিম্ব গঠন

পদার্থবিজ্ঞান

তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ ও ফ্যারাডের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

ভরবেগের সংরক্ষণ ও সংঘর্ষ

পদার্থবিজ্ঞান

কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি

পদার্থবিজ্ঞান

নততল

পদার্থবিজ্ঞান

বৃত্তাকার গতি

পদার্থবিজ্ঞান

অনুপ্রস্থ ও অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ

পদার্থবিজ্ঞান

লিভার ও ভ্রামক

পদার্থবিজ্ঞান

ভরকেন্দ্র

পদার্থবিজ্ঞান

স্প্রিং-ভর ও সরল ছন্দিত স্পন্দন

পদার্থবিজ্ঞান

ভেক্টর যোগ: ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

আপেক্ষিক বেগ: ট্রেন ও নদী পারাপার

পদার্থবিজ্ঞান

কেপলারের সূত্র ও উপবৃত্তাকার কক্ষপথ

পদার্থবিজ্ঞান

নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র, g ও কৃত্রিম উপগ্রহ

পদার্থবিজ্ঞান

তার ও নলে স্থির তরঙ্গ

পদার্থবিজ্ঞান

অনুনাদ নল ও শব্দের দ্রুতি

পদার্থবিজ্ঞান

স্বরকম্প: কাছাকাছি দুই সুরের স্পন্দন

পদার্থবিজ্ঞান

ডপলার প্রভাব: চলমান উৎস, চলমান শ্রোতা ও সনিক বুম

পদার্থবিজ্ঞান

প্রিজম, আলোর বিচ্ছুরণ ও রামধনু

পদার্থবিজ্ঞান

কির্শফের সূত্র: সংযোগ সূত্র ও বদ্ধ পথ সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

হুইটস্টোন ব্রিজ ও মিটার ব্রিজ

পদার্থবিজ্ঞান

একক চিড়ে অপবর্তন

পদার্থবিজ্ঞান

চোখের ত্রুটি ও তার প্রতিকার

পদার্থবিজ্ঞান

আলোর সমবর্তন: ম্যালাসের সূত্র ও ব্রুস্টারের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

ক্যাপাসিটরের আহিতকরণ ও নিরাহিতকরণ: আরসি সময় ধ্রুবক

পদার্থবিজ্ঞান

চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা: দণ্ডচুম্বক, তড়িৎবাহী সরল তার ও সলিনয়েড

পদার্থবিজ্ঞান

এসি জেনারেটর

পদার্থবিজ্ঞান

ট্রান্সফর্মার

পদার্থবিজ্ঞান

তাপের সঞ্চালন: পরিবহন, পরিচলন ও বিকিরণ

পদার্থবিজ্ঞান

আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া: আইনস্টাইনের সমীকরণ ও নিবৃত্তি বিভব

পদার্থবিজ্ঞান

মোটর ক্রিয়া: তড়িৎবাহী তারের ওপর বল ও ডিসি মোটর

পদার্থবিজ্ঞান

গ্যাসের অণু ও গতিতত্ত্ব: চাপ, তাপমাত্রা ও দ্রুতি

পদার্থবিজ্ঞান

অর্ধপরিবাহী ডায়োড: p–n সন্ধি, I–V বক্ররেখা ও রেক্টিফায়ার

পদার্থবিজ্ঞান

তেজস্ক্রিয় ক্ষয়: অর্ধায়ু, ক্ষয় সূত্র ও বিকিরণের ভেদন ক্ষমতা

পদার্থবিজ্ঞান

বোর পরমাণু মডেল: কক্ষপথ, শক্তিস্তর ও হাইড্রোজেনের বর্ণালি

রসায়ন

পরমাণুর গঠন

রসায়ন

এসিড, ক্ষারক ও pH স্কেল

রসায়ন

ইলেকট্রন বিন্যাস

রসায়ন

গ্যাসের সূত্র: বয়েল, চার্লস ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ

রসায়ন

আয়নিক বন্ধন কীভাবে গঠিত হয়

রসায়ন

তড়িৎ বিশ্লেষণ ও ফ্যারাডের সূত্র

রসায়ন

সমযোজী বন্ধন

রসায়ন

পর্যায়বৃত্ত ধর্ম

রসায়ন

বিক্রিয়ার হার ও সংঘর্ষ তত্ত্ব

রসায়ন

পদার্থের অবস্থা: কঠিন, তরল, গ্যাসীয় ও তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র

রসায়ন

পরমাণুর অরবিটাল: s, p, d-এর আকৃতি, কোয়ান্টাম সংখ্যা ও নোড

রসায়ন

আণবিক আকৃতি ও ভিএসইপিআর তত্ত্ব: বন্ধন জোড়, মুক্তজোড় ও বন্ধন কোণ

রসায়ন

মোল ধারণা: মোলার ভর, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা ও মোলার আয়তন

রসায়ন

ব্যাপন ও নিঃসরণ: গ্রাহামের সূত্র

রসায়ন

রাসায়নিক সমীকরণ সমতাকরণ: পদ্ধতি, উদাহরণ ও অনুশীলন

রসায়ন

রাসায়নিক সাম্যাবস্থা: সাম্যধ্রুবক Kc ও লা শাতেলিয়ের নীতি

রসায়ন

টাইট্রেশন: অম্ল-ক্ষারের ঘনমাত্রা বের করার পদ্ধতি

রসায়ন

গ্যালভানিক কোষ: ড্যানিয়েল কোষ, EMF ও নার্নস্ট সমীকরণ

রসায়ন

জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া: জারণ সংখ্যা, ইলেকট্রন স্থানান্তর ও অর্ধ-সমীকরণ

রসায়ন

হাইড্রোকার্বন: অ্যালকেন, অ্যালকিন, অ্যালকাইন ও কাঠামোগত সমাণু ত্রিমাত্রায়

রসায়ন

কার্যকরী মূলক: অ্যালকোহল, অ্যালডিহাইড, কিটোন, অ্যাসিড, এস্টার ও অ্যামিন

রসায়ন

পলিমারকরণ: যোজন ও ঘনীভবন পলিমার, পলিথিন ও নাইলন

রসায়ন

মিশ্রণ আলাদা করার পদ্ধতি: ছাঁকন, পাতন, ক্রোমাটোগ্রাফি, স্ফটিকীকরণ

রসায়ন

কেলাস জালক: SC, BCC ও FCC একক কোষ, প্যাকিং দক্ষতা ও ঘনত্ব

রসায়ন

তেজস্ক্রিয়তা: আলফা, বিটা, গামা ক্ষয় ও অর্ধায়ু

জীববিজ্ঞান

মাইটোসিস কোষ বিভাজন

জীববিজ্ঞান

ব্যাপন ও অভিস্রবণ

জীববিজ্ঞান

সালোকসংশ্লেষণ

জীববিজ্ঞান

মানব হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কাজ

জীববিজ্ঞান

মেন্ডেলের বংশগতি সূত্র

জীববিজ্ঞান

ডিএনএ রেপ্লিকেশন

জীববিজ্ঞান

কোষীয় শ্বসন

জীববিজ্ঞান

এনজাইম ক্রিয়া

জীববিজ্ঞান

স্নায়ু উদ্দীপনার পরিবহন ও অ্যাকশন পটেনশিয়াল

জীববিজ্ঞান

নেফ্রন ও মূত্র তৈরির প্রক্রিয়া

জীববিজ্ঞান

মিয়োসিস কোষ বিভাজন

জীববিজ্ঞান

পরিপাকতন্ত্র

জীববিজ্ঞান

শ্বাসক্রিয়ার কৌশল: প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস

জীববিজ্ঞান

প্রোটিন সংশ্লেষণ

জীববিজ্ঞান

রক্ত সংবহন: দ্বি-সংবহন ও কার্ডিয়াক আউটপুট

জীববিজ্ঞান

কোষের গঠন ও অঙ্গাণু: উদ্ভিদ কোষ বনাম প্রাণী কোষ

জীববিজ্ঞান

প্রতিবর্ত ক্রিয়া ও প্রতিবর্ত চাপ

জীববিজ্ঞান

মানুষের চোখ: গঠন, প্রতিবিম্ব ও উপযোজন

জীববিজ্ঞান

পেশি সংকোচন ও স্লাইডিং ফিলামেন্ট মডেল

জীববিজ্ঞান

উদ্ভিদে পরিবহন: জাইলেম, ফ্লোয়েম ও বাষ্পমোচন

জীববিজ্ঞান

খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজাল: শক্তির প্রবাহ ও ১০ % নিয়ম

জীববিজ্ঞান

জনসংখ্যা বৃদ্ধি: সূচকীয় ও লজিস্টিক রেখা

জীববিজ্ঞান

প্রাকৃতিক নির্বাচন: পেপার্ড মথ ও কালিঝুলি মাখা গাছ

জীববিজ্ঞান

রোগপ্রতিরোধ: প্রাথমিক ও গৌণ অ্যান্টিবডি সাড়া

জীববিজ্ঞান

পরাগায়ন ও নিষেক