নিয়ন্ত্রণ
চালনা
ইলেকট্রনকে যে কক্ষপথে পাঠাবেন, n
কক্ষপথ বা শক্তিস্তরে ক্লিক করেও ইলেকট্রনকে লাফ দেওয়াতে পারেন।
পরিমাপ
- ইলেকট্রনের কক্ষপথ, n
- ১
- কক্ষের ব্যাসার্ধ, rₙ = n²a₀
- ০.০৫৩nm
- শক্তি, Eₙ = −13.6 / n²
- -১৩.৬০eV
- কক্ষীয় বেগ, vₙ
- ২.১৯×10⁶ m/s
- শেষ লাফ
- —
- ফোটনের শক্তি
- —
- তরঙ্গদৈর্ঘ্য, λ
- —
- বর্ণালি-শ্রেণি
- —
- অঞ্চল
- —
সিমুলেশনটি কীভাবে ব্যবহার করবে
- ইলেকট্রন শুরুতে প্রথম কক্ষপথে, n = ১, নিউক্লিয়াসের সবচেয়ে কাছে। নিয়ন্ত্রণ “স্বয়ংক্রিয়” রেখে দেখো সে নির্দিষ্ট তালিকার কক্ষপথে ওঠানামা করছে, নয়তো “আমার পছন্দ” বেছে নাও।
- বোতাম থেকে উঁচু কক্ষপথ বাছো, ধরো n = ৩। প্রান্ত থেকে একটা রঙিন ফোটন উড়ে এসে ইলেকট্রনকে ধাক্কা দেয়, ইলেকট্রন সেটা শোষণ করে বাইরে লাফ দেয়। ফোটনের শক্তি হতে হয় ঠিক ১২.০৯ eV, এক চুল কমও নয়, বেশিও নয়, কারণ n = ১ আর n = ৩-এর ব্যবধান এটাই।
- এবার n = ২ বাছো। ইলেকট্রন নিচে নামে আর একটা ফোটন বেরিয়ে যায়। রিডিং দেখো: ফোটনের শক্তি ১.৮৯ eV, তরঙ্গদৈর্ঘ্য ৬৫৬.৩ nm, এটাই বামার শ্রেণির লাল রেখা।
- বাঁ দিকের শক্তিস্তরের চিত্রটা দেখো। তীরচিহ্ন শেষ লাফটা দেখায়। উজ্জ্বল করা স্তরে ইলেকট্রন এখন আছে। n বাড়লে স্তরগুলো গায়ে গায়ে ঘেঁষে আসে, 0 eV-এর দিকে, যেখানে ইলেকট্রন মুক্ত।
- নিচের বর্ণালির পট্টিতে তাকাও। সাদা চিহ্নটা তোমার শেষ লাফের রেখার ওপর বসে। লাইম্যান রেখা অতিবেগুনি, বামার রেখা বেশিরভাগ দৃশ্যমান আর পাশেন রেখা অবলোহিত।
- ছবির কোনো কক্ষপথে বা চিত্রের কোনো স্তরে ক্লিক করলে ইলেকট্রন সরাসরি সেখানে যায়। n = ৬ থেকে n = ২-তে এক লাফে নামো, তারপর দুই বা তিন ছোট লাফে নামো, আর ফোটনগুলো মিলিয়ে দেখো।
বোরকে যে ধাঁধা মেটাতে হয়েছিল
১৯১৩ সালে দুটো তথ্য কিছুতেই মিলছিল না। রাদারফোর্ড দেখিয়েছিলেন পরমাণু মানে ক্ষুদ্র একটা নিউক্লিয়াস আর তার চারপাশে কোথাও ইলেকট্রন। কিন্তু নিউক্লিয়াসের চারদিকে ঘুরন্ত ইলেকট্রন প্রতিমুহূর্তে ত্বরিত হচ্ছে, আর ত্বরিত আধান শক্তি বিকিরণ করে ফেলার কথা। তাহলে সে এক সেকেন্ডের ক্ষুদ্র ভগ্নাংশেই পাক খেয়ে নিউক্লিয়াসে পড়ে যেত। পরমাণুর টিকে থাকার কথাই নয়, অথচ সে টিকে আছে।
তারপর আছে আলোর ব্যাপার। জ্বলন্ত হাইড্রোজেন শুধু নির্দিষ্ট কয়েকটা তরঙ্গদৈর্ঘ্যে আলো দেয়। ইলেকট্রনের শক্তি যেকোনো মান হতে পারলে গ্যাসটা সব রঙের একটা মসৃণ ঝাপসা পট্টি দেওয়ার কথা। প্রিজম সেখানে দেখায় কয়েকটা আলাদা সরু রেখা।
বোর “কেন” প্রশ্নটা আপাতত সরিয়ে রেখে এমন কয়েকটা নিয়ম বেঁধে দিলেন, যেগুলো পর্যবেক্ষণের সঙ্গে মিলে যায়। তাঁর পরমাণু তিনটা নিয়ম মানে, আর তা দিয়েই হাইড্রোজেনের বর্ণালি বিস্ময়কর নির্ভুলতায় মেলে।
বোরের তিনটি স্বীকার্য
পুরো মডেলটা তিন বাক্যে এই।
- ইলেকট্রন শুধু কয়েকটা অনুমোদিত বৃত্তাকার কক্ষপথে ঘোরে, যাদের স্থির কক্ষপথ বলে। কোনো কক্ষপথে থাকা অবস্থায় সে বিকিরণ করে না।
- কোনো কক্ষপথ তখনই অনুমোদিত, যখন ইলেকট্রনের কৌণিক ভরবেগ h ÷ 2π-এর ঠিক n গুণ, যেখানে n একটা পূর্ণসংখ্যা। এই n = ১, ২, ৩ ইত্যাদি সংখ্যাই কক্ষপথের নাম।
- ইলেকট্রন শুধু দুই কক্ষপথের মধ্যে লাফ দেওয়ার সময় বিকিরণ নিঃসরণ বা শোষণ করে। ফোটনের শক্তি ঠিক দুই স্তরের শক্তির ব্যবধান: hf = E(উচ্চ) − E(নিম্ন)।
কক্ষপথ: ব্যাসার্ধ বাড়ে n²-এর হারে
অনুমোদিত কক্ষপথ হিসাব করলে একটা সুন্দর ফল আসে। n-তম কক্ষপথের ব্যাসার্ধ প্রথম কক্ষপথের ব্যাসার্ধের n² গুণ। প্রথম কক্ষপথের ব্যাসার্ধের নাম বোর ব্যাসার্ধ, a₀ = ০.০৫২৯ nm। তাই দ্বিতীয় কক্ষপথ প্রথমটার চার গুণ, তৃতীয়টা নয় গুণ, আর ষষ্ঠটা ছত্রিশ গুণ।
সিমুলেশনে পরমাণু মাপ ধরেই আঁকা। তাই প্রথম কক্ষপথ নিউক্লিয়াসের গা ঘেঁষা ছোট্ট বৃত্ত, আর ষষ্ঠ কক্ষপথ পুরো ছবি জুড়ে: দুটোর ব্যাসার্ধের অনুপাত ৩৬। বাইরের কক্ষপথে ইলেকট্রনের বেগও কম। n-তম কক্ষপথে বেগ হলো প্রথম কক্ষপথের বেগ ২.১৯ × 10⁶ m/s-কে n দিয়ে ভাগ।
rₙ = n² a₀a₀ = ০.০৫২৯ nm, বোর ব্যাসার্ধ
vₙ = v₁ ÷ nv₁ ≈ ২.১৯ × 10⁶ m/s
| কক্ষপথ n | ব্যাসার্ধ rₙ (nm) | বেগ vₙ (×10⁶ m/s) | শক্তি Eₙ (eV) |
|---|---|---|---|
| ১ | ০.০৫২৯ | ২.১৯ | -১৩.৬০ |
| ২ | ০.২১২ | ১.১০ | -৩.৪০ |
| ৩ | ০.৪৭৬ | ০.৭৩ | -১.৫১ |
| ৪ | ০.৮৪৬ | ০.৫৫ | -০.৮৫ |
| ৫ | ১.৩২৩ | ০.৪৪ | -০.৫৪ |
| ৬ | ১.৯০৪ | ০.৩৭ | -০.৩৮ |
শক্তিস্তর: ঋণাত্মক, আর গায়ে গায়ে ঘেঁষা
n-তম কক্ষপথে ইলেকট্রনের শক্তি দাঁড়ায় Eₙ = −১৩.৬ ÷ n² eV। বিয়োগ চিহ্নটা জরুরি। শূন্য শক্তি মানে ইলেকট্রন নিউক্লিয়াস থেকে বহু দূরে, স্থির, মুক্ত। নিউক্লিয়াসে বাঁধা ইলেকট্রনের শক্তি তার চেয়ে কম, তাই ঋণাত্মক। যত শক্ত বাঁধন, তত বেশি ঋণাত্মক।
ভূমি অবস্থায় (n = ১) শক্তি -১৩.৬০ eV। ইলেকট্রনকে পুরোপুরি ছিঁড়ে বের করতে হলে ১৩.৬ eV জোগাতে হয়। এটাই হাইড্রোজেনের আয়নায়ন শক্তি, আর পরীক্ষার ফলের সঙ্গে চমৎকার মেলে।
1 ÷ n²-এর কারণে n বাড়লে স্তরগুলো কাছাকাছি আসে। সিমুলেশনের বাঁ দিকের শক্তিস্তরের চিত্রে ৪, ৫ আর ৬ নম্বর স্তর প্রায় একটার ওপর আরেকটা, 0 eV রেখার গায়ে চাপা। বড় ফাঁকগুলো নিচে, তাই সবচেয়ে বড় ফোটন আসে সেই লাফ থেকে, যেটা n = ১-এ শেষ হয়।
Eₙ = −13.6 ÷ n² eVn-তম কক্ষপথে ইলেকট্রনের শক্তি
E(ফোটন) = E(উচ্চ) − E(নিম্ন)একটি লাফে নিঃসৃত আলোর শক্তি
লাফ, ফোটন আর রং
ইলেকট্রন উঁচু স্তর থেকে নিচু স্তরে নামলে শক্তির ব্যবধানটা একটা ফোটন হয়ে বেরিয়ে যায়। ওপরে ওঠা ঠিক উল্টো: পরমাণু একটা ফোটন গিলে ফেলে, তবে ফোটনের শক্তি ঠিক ব্যবধানের সমান হলেই। সামান্য বেশি বা কম শক্তির ফোটন সোজা পার হয়ে যায়। এজন্যই কোনো গ্যাস সেই রেখাগুলোই শোষণ করে, যেগুলো সে নিজে নিঃসরণ করে।
ব্যবধান বড় হলে ফোটনের শক্তি বেশি আর তরঙ্গদৈর্ঘ্য ছোট। সম্পর্কটা E = hc ÷ λ, কাজের এককে λ (nm) = ১,২৩৯.৮৪ ÷ E (eV)। n = ২ থেকে n = ১-এ লাফে ছাড়া পায় ১০.২০ eV, তাই λ = ১,২৩৯.৮৪ ÷ ১০.২০ = ১২১.৫ nm, গভীর অতিবেগুনি অঞ্চল। n = ৩ থেকে n = ২-এ লাফে ছাড়া পায় মাত্র ১.৮৯ eV, তাই λ = ৬৫৬.৩ nm, লাল আলো।
সিমুলেশনে ফোটনের রং তার তরঙ্গদৈর্ঘ্য থেকে ঠিক করা। দৃশ্যমান আলো প্রায় ৩৮০ nm (বেগুনি) থেকে ৭৫০ nm (লাল) পর্যন্ত। এর বাইরের ফোটন আমরা দেখতে পাই না, তাই তোমার অনুসরণের সুবিধার জন্য অতিবেগুনিকে ল্যাভেন্ডার আর অবলোহিতকে গোলাপি রঙে আঁকা হয়েছে।
রিডবার্গ সূত্র
বোরের বহু বছর আগে বর্ণালিবিদরা গবেষণাগারের হিসাব মিলিয়ে হাইড্রোজেন রেখার তরঙ্গদৈর্ঘ্যের একটা সূত্র বের করেছিলেন। বোরের মডেল মূল নীতি থেকে হুবহু সেই সূত্রটাই বের করে দিল, আর সেজন্যই মডেলটা এত বিশ্বাসযোগ্য হয়ে উঠল।
নিচের কক্ষপথ n₁ থেকে উপরের কক্ষপথ n₂-এর মধ্যে লাফের জন্য তরঙ্গদৈর্ঘ্যের অন্যোন্যক হলো R গুণ (1/n₁² − 1/n₂²)। রিডবার্গ ধ্রুবক R = ১.০৯৭ × 10⁷ m⁻¹।
1/λ = R (1/n₁² − 1/n₂²)n₂ > n₁, R = ১.০৯৭ × 10⁷ m⁻¹
বর্ণালি-শ্রেণি
যেসব লাফ একই নিচের কক্ষপথে শেষ হয়, তারা মিলে একটা পরিবার তৈরি করে, যার নাম বর্ণালি-শ্রেণি। প্রতিটি শ্রেণির আবিষ্কারকের নাম আলাদা, বর্ণালির অঞ্চলও আলাদা। একই শ্রেণির ভেতরে রেখাগুলো একটা সীমার দিকে ক্রমশ ঘন হয়ে আসে, কারণ ওপরের স্তরগুলো গায়ে গায়ে ঘেঁষা।
- লাইম্যান: শক্তির ব্যবধান সবচেয়ে বড়, তাই তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে ছোট। রেখাগুলো ১২১.৫ nm, ১০২.৬ nm, ৯৭.২ nm ইত্যাদি।
- বামার: একমাত্র শ্রেণি, যার রেখা আমরা দেখতে পাই। Hα (৩ → ২) লাল, ৬৫৬.৩ nm। Hβ (৪ → ২) নীলচে সবুজ, ৪৮৬.২ nm। Hγ (৫ → ২) বেগুনি, ৪৩৪.১ nm। Hδ (৬ → ২) বেগুনি, ৪১০.২ nm।
- পাশেন: ব্যবধান ছোট, তাই অবলোহিত অঞ্চলে বড় তরঙ্গদৈর্ঘ্য, যেমন ১,৮৭৫.২ nm, ১,২৮১.৯ nm, ১,০৯৩.৯ nm।
| শ্রেণি | শেষ হয় n₁-এ | প্রথম রেখা (nm) | শ্রেণির সীমা (nm) | অঞ্চল |
|---|---|---|---|---|
| লাইম্যান | ১ | ১২১.৫ | ৯১.২ | অতিবেগুনি |
| বামার | ২ | ৬৫৬.৩ | ৩৬৪.৬ | বেশিরভাগ দৃশ্যমান |
| পাশেন | ৩ | ১,৮৭৫.২ | ৮২০.৪ | অবলোহিত |
| ব্র্যাকেট | ৪ | ৪,০৫১.৫ | — | অবলোহিত |
উদাহরণ ১: বামার শ্রেণির নীলচে সবুজ রেখা
হাইড্রোজেনের ইলেকট্রন n = ৪ থেকে n = ২-এ নামলে তরঙ্গদৈর্ঘ্য আর ফোটনের শক্তি বের করো।
ধাপ ১: রিডবার্গ সূত্র বসাও
1/λ = R (1/2² − 1/4²) = ১.০৯৭ × 10⁷ × (1/4 − 1/16) = ২.০৫৬৯ × 10⁶ m⁻¹।
1/λ = R (1/n₁² − 1/n₂²)
ধাপ ২: উল্টে নাও আর একক বদলাও
λ = 1 ÷ (২.০৫৬৯ × 10⁶) m = ৪৮৬.২ nm। এটা নীলচে সবুজ Hβ রেখা।
ধাপ ৩: ফোটনের শক্তি
E = E₄ − E₂ = −13.6/16 − (−13.6/4) = ২.৫৫ eV। E = hc ÷ λ দিয়ে মিলিয়ে দেখো: ১,২৩৯.৮৪ ÷ ৪৮৬.২ = ২.৫৫ eV, আর এই শক্তি থেকে তরঙ্গদৈর্ঘ্য ফিরে আসে ৪৮৬.২ nm। দুই পথে একই উত্তর।
উদাহরণ ২: ফোটন শোষণ
ভূমি অবস্থার একটি হাইড্রোজেন পরমাণু একটা ফোটন শোষণ করে n = ৩-এ পৌঁছাল। ফোটনের শক্তি আর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কত হতে হবে?
দরকারি শক্তি E₃ − E₁ = -১.৫১ − (-১৩.৬০) = ১২.০৯ eV। তাহলে λ = ১,২৩৯.৮৪ ÷ ১২.০৯ = ১০২.৬ nm, অতিবেগুনি (লাইম্যান রেখা ৩ → ১-কে উল্টো দিকে চালালে যা হয়)। ১০ eV-এর ফোটন দুর্বল, আবার ১৩ eV-এর ফোটনও n = ৩-এ থামাতে পারবে না। পরমাণু শুধু ঠিক ব্যবধানটুকুই নেয়, যদি না ফোটনের শক্তি তাকে পুরোপুরি আয়নিত করার মতো বেশি হয়।
উদাহরণ ৩: n = ২ থেকে আয়নায়ন
যে ইলেকট্রন আগে থেকেই n = ২-এ আছে, তাকে মুক্ত করতে কত শক্তি লাগে? ওই স্তরের শক্তি -৩.৪০ eV, তাই 0 eV-এ পৌঁছাতে লাগে ৩.৪০ eV। এর জন্য ফোটনের তরঙ্গদৈর্ঘ্য ১,২৩৯.৮৪ ÷ ৩.৪০ = ৩৬৪.৭ nm, যা ঠিক বামার শ্রেণির সীমা।
ভূমি অবস্থা থেকে লাগে ১৩.৬ eV, অর্থাৎ ৯১.২ nm-এর ফোটন, যা লাইম্যান শ্রেণির সীমা। খেয়াল করো, শ্রেণির সীমা আসলে নিচের স্তরটির আয়নায়ন শক্তিই।
উদাহরণ ৪: একটি পরমাণু কয়টি রেখা দিতে পারে?
একটি ইলেকট্রন n = ৪-এ আছে। সে সরাসরি ৩, ২ বা ১-এ নামতে পারে, কিংবা পথে থেমে থেমেও নামতে পারে। সম্ভাব্য আলাদা লাফের সংখ্যা n(n − 1) ÷ 2, যা n = ৪-এর জন্য ৬।
- n = ৫ থেকে সম্ভাব্য রেখা ১০টি, আর n = ৬ থেকে ১৫টি।
- আসল গ্যাসে অসংখ্য পরমাণু একসঙ্গে অসংখ্য স্তরে থাকে, তাই এই সব রেখা একসাথে দেখা যায়। একটি পরমাণু একবারে একটাই লাফ দেয়।
| লাফ | তরঙ্গদৈর্ঘ্য (nm) |
|---|---|
| ৪ → ৩ | ১,৮৭৫.২ |
| ৪ → ২ | ৪৮৬.২ |
| ৪ → ১ | ৯৭.২ |
| ৩ → ২ | ৬৫৬.৩ |
| ৩ → ১ | ১০২.৬ |
| ২ → ১ | ১২১.৫ |
বোর মডেলের সীমাবদ্ধতা
মডেলটা একটা ধাপ, শেষ উত্তর নয়। হাইড্রোজেন আর এক ইলেকট্রনওয়ালা হাইড্রোজেনসদৃশ আয়নের জন্য এটা কাজ করে। একটা ইলেকট্রন সরানো হিলিয়াম He⁺-এর জন্য শক্তিগুলো নিউক্লিয়াসের আধানের বর্গ দিয়ে গুণ হয়ে যায়, তাই ভূমি অবস্থার শক্তি ৫৪.৪ eV। দুই বা তার বেশি ইলেকট্রনের পরমাণুতে মডেলটা ব্যর্থ।
কেন কিছু রেখা অন্যগুলোর চেয়ে উজ্জ্বল, চৌম্বক ক্ষেত্রে কেন রেখা ভেঙে যায়, কিংবা বৃত্তে ঘুরেও ইলেকট্রন কেন বিকিরণ করে না, এসব মডেল ব্যাখ্যা করতে পারে না। আধুনিক কোয়ান্টাম বলবিদ্যা তীক্ষ্ণ বৃত্তাকার কক্ষপথের জায়গায় এনেছে সম্ভাবনার ঝাপসা মেঘ, যার নাম অরবিটাল। তবু শক্তিস্তরগুলো ঠিকই মেলে, আর বর্ণালি প্রথম বোঝার সময় বোরের সিঁড়ির ছবিই এখনো সবাই ব্যবহার করে।
সচরাচর ভুল
এই ভুলগুলোতে প্রতিবছর নম্বর কাটা যায়।
- বিয়োগ চিহ্ন ফেলে দেওয়া। Eₙ ঋণাত্মক, আর লাফের শক্তি দুটি ঋণাত্মক সংখ্যার ব্যবধান।
- রিডবার্গ সূত্রে n₁ আর n₂ উল্টে ফেলে ঋণাত্মক তরঙ্গদৈর্ঘ্য পাওয়া। ছোট n আগে বসে।
- R-এর একক m⁻¹ ভুলে যাওয়া। একদম শেষে মিটারকে ন্যানোমিটারে বদলাও।
- ভাবা যে ব্যবধানের চেয়ে বেশি শক্তির যেকোনো ফোটনেই চলবে। বাঁধা দুই স্তরের মধ্যে লাফে শক্তি ঠিক মিলতে হবে।
- রেখার সংখ্যা ভুল গোনা। একটা ইলেকট্রন একবারে একটাই লাফ দেয়, কিন্তু গ্যাসে সবগুলো একসঙ্গে দেখা যায়।
- বলা যে বামার শ্রেণির সব রেখা দৃশ্যমান। Hα থেকে Hδ দৃশ্যমান, কিন্তু ৩৬৪.৬ nm-এর শ্রেণির সীমা অতিবেগুনি।
পরীক্ষার আগে ঝালিয়ে নাও
পরীক্ষার আগে জোরে জোরে আওড়াও।
- rₙ = n² a₀, যেখানে a₀ = ০.০৫২৯ nm। vₙ = v₁ ÷ n।
- Eₙ = −13.6 ÷ n² eV। ভূমি অবস্থা -১৩.৬০ eV, আয়নায়ন শক্তি ১৩.৬ eV।
- ফোটনের শক্তি = E(উচ্চ) − E(নিম্ন) = hf = hc ÷ λ। λ (nm) = ১,২৩৯.৮৪ ÷ E (eV)।
- 1/λ = R (1/n₁² − 1/n₂²), R = ১.০৯৭ × 10⁷ m⁻¹।
- লাইম্যান (n₁ = ১) অতিবেগুনি, বামার (২) দৃশ্যমান, পাশেন (৩) অবলোহিত।
- n-তম স্তর থেকে সম্ভাব্য রেখা n(n − 1) ÷ 2টি।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
হাইড্রোজেনের n-তম কক্ষপথে ইলেকট্রনের শক্তি কত?
Eₙ = −13.6 ÷ n² eV। n = ১ হলে -১৩.৬০ eV, n = ২ হলে -৩.৪০ eV, n = ৩ হলে -১.৫১ eV। ঋণাত্মক চিহ্নের মানে ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসে বাঁধা।
ইলেকট্রনের শক্তি ঋণাত্মক কেন?
শূন্য ধরা হয় অসীম দূরে স্থির ইলেকট্রনকে। বাঁধা ইলেকট্রনকে টেনে সরাতে শক্তি লাগে, তাই বাঁধা অবস্থায় তার শক্তি শূন্যের কম। সংখ্যাটা যত বেশি ঋণাত্মক, বাঁধন তত শক্ত।
বোর ব্যাসার্ধ কী?
হাইড্রোজেনের প্রথম কক্ষপথের ব্যাসার্ধ, a₀ = ০.০৫২৯ nm। n-তম কক্ষপথের ব্যাসার্ধ এর n² গুণ, যেমন n = ৩-এ ০.৪৭৬ nm।
হাইড্রোজেন রেখার তরঙ্গদৈর্ঘ্য কীভাবে বের করব?
1/λ = R (1/n₁² − 1/n₂²) ব্যবহার করো, R = ১.০৯৭ × 10⁷ m⁻¹, আর n₁ হলো নিচের কক্ষপথ। ৩ → ২ লাফে পাবে ৬৫৬.৩ nm, লাল Hα রেখা। চাইলে শক্তির ব্যবধান বের করে λ (nm) = ১,২৩৯.৮৪ ÷ E (eV) ব্যবহার করতে পারো।
কোন শ্রেণিটি দৃশ্যমান?
বামার শ্রেণি, যেখানে ইলেকট্রন n = ২-এ শেষ করে। রেখাগুলো ৬৫৬.৩, ৪৮৬.২, ৪৩৪.১ আর ৪১০.২ nm-এ। লাইম্যান রেখা অতিবেগুনি আর পাশেন রেখা অবলোহিত।
গ্যাস যে তরঙ্গদৈর্ঘ্য নিঃসরণ করে, সেটাই শোষণ করে কেন?
কারণ স্তরগুলোর শক্তির ব্যবধান ওঠার সময়ও যা, নামার সময়ও তা। ব্যবধানের সঙ্গে মেলে এমন ফোটন শোষিত হয়ে ইলেকট্রনকে ওপরে তোলে, না মিললে সোজা বেরিয়ে যায়। এজন্যই সূর্যালোকের কালো শোষণ রেখাগুলো গবেষণাগারের উজ্জ্বল নিঃসরণ রেখার সঙ্গে মিলে যায়।
ইলেকট্রন কি সত্যিই বৃত্তে ঘোরে?
না। বৃত্তাকার কক্ষপথ একটা মডেল। কোয়ান্টাম বলবিদ্যায় ইলেকট্রনের নির্দিষ্ট কোনো পথ নেই, আছে নিউক্লিয়াসের চারপাশে সম্ভাবনার মেঘ। তবু বোরের মডেল হাইড্রোজেনের শক্তিস্তর ঠিকঠাক দেয়, তাই এটাই প্রথম শেখার আদর্শ ছবি।
এই বিষয়ের আরও পড়াশোনা
অ্যানিমেশনে ধারণা পরিষ্কার হলো, এবার পরীক্ষার প্রস্তুতি: সিলেবাস, সাজেশন, বই আর ভর্তি পরীক্ষার গাইড নিচে।
HSC
এইচএসসি পদার্থবিজ্ঞান: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
HSC
এইচএসসি রসায়ন: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
ভর্তি
ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি
SSC
এসএসসি পদার্থবিজ্ঞান: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
পাঠ্যবই
নবম-দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান বই
ভর্তি
ঢাবি বিজ্ঞান ইউনিট ভর্তি ২০২৬-২৭
English
Composition: The Uses of Electricity (ইংরেজিতে)
বাংলা
প্রতিবেদন: বিজ্ঞান মেলা
English
Paragraph: Science in Everyday Life (ইংরেজিতে)
SSC
এসএসসি সাজেশন
HSC
এইচএসসি সাজেশন
ভর্তি
বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার গাইড
SSC
এসএসসি সিলেবাস
HSC
এইচএসসি সিলেবাস
বিদেশে পড়াশোনা
জার্মানিতে উচ্চশিক্ষা
টেস্ট
Digital SAT Math guide (ইংরেজিতে)
স্কলারশিপ
বিদেশে পড়াশোনার স্কলারশিপ
IELTS
IELTS vocabulary: science and research (ইংরেজিতে)
টুল
GPA calculator (ইংরেজিতে)
ক্যারিয়ার
Civil engineer resume example (ইংরেজিতে)
আরও পদার্থবিজ্ঞান অ্যানিমেশন
SSC · HSC
আলোর প্রতিসরণ
আলোর প্রতিসরণ কাকে বলে, প্রতিসরণের সূত্র, সংকট কোণ ও পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন — সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা, ইন্টারঅ্যাকটিভ অ্যানিমেশন ও গাণিতিক উদাহরণসহ।
SSC · HSC
ওহমের সূত্র
ওহমের সূত্র কাকে বলে, বিবৃতি ও ব্যাখ্যা, V-I লেখচিত্র — বিভব পার্থক্য ও রোধ বদলে তড়িৎ প্রবাহ দেখো। শ্রেণি ও সমান্তরাল সমবায়, গাণিতিক উদাহরণসহ।
HSC
প্রাসের গতি
প্রাস কাকে বলে? কোণ ও আদিবেগ বদলে প্রাসের গতিপথ দেখো — বিচরণকাল, সর্বাধিক উচ্চতা ও আনুভূমিক পাল্লার সূত্র, গাণিতিক উদাহরণসহ।
SSC · HSC
সরল দোলক
সরল দোলক কাকে বলে, দোলনকালের সূত্র T=2π√(L/g) ও দোলকের সূত্রসমূহ — দৈর্ঘ্য বদলে দেখো। অভিকর্ষজ ত্বরণ নির্ণয়ের গাণিতিক উদাহরণসহ।
SSC · HSC
তড়িৎ ক্ষেত্র
তড়িৎ ক্ষেত্র কাকে বলে, তড়িৎ তীব্রতার সূত্র ও একক, বলরেখার বৈশিষ্ট্য — আধান বসিয়ে বলরেখা দেখো। কুলম্বের সূত্রের গাণিতিক উদাহরণসহ।
HSC
তরঙ্গের ব্যতিচার
তরঙ্গের উপরিপাতন নীতি ও ব্যতিচার কাকে বলে, গঠনমূলক ও ধ্বংসাত্মক ব্যতিচারের শর্ত, ডোরার প্রস্থ — দুই উৎস সরিয়ে নিজে দেখো, গাণিতিক উদাহরণসহ।
SSC · HSC
পড়ন্ত বস্তু ও পড়ন্ত বস্তুর সূত্র
পড়ন্ত বস্তুর তিনটি সূত্র কী, কে আবিষ্কার করেন, অভিকর্ষজ ত্বরণ ৯.৮ বলতে কী বোঝায়: মুদ্রা আর পালক ফেলে নিজে দেখো, সূত্র ও গাণিতিক সমস্যাসহ।
SSC · HSC
লেন্সে প্রতিবিম্ব গঠন
উত্তল লেন্স ও অবতল লেন্স কাকে বলে, প্রতিবিম্ব কীভাবে গঠিত হয়, লেন্সের সূত্র 1/u + 1/v = 1/f, বিবর্ধন ও লেন্সের ক্ষমতা: বস্তু টেনে সরিয়ে রশ্মি চিত্র নিজে দেখো।
SSC · HSC
নিউটনের গতির সূত্র
নিউটনের গতির তিনটি সূত্র, জড়তা, ভরবেগ, F = ma, ঘাত বল আর ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া: ট্রলি ঠেলে নিজে দেখো, সহজ উদাহরণ, সূত্র ও গাণিতিক সমস্যাসহ (SSC, HSC)।
SSC · HSC
গোলীয় দর্পণে প্রতিবিম্ব গঠন
অবতল দর্পণ ও উত্তল দর্পণ কাকে বলে, মেরু, বক্রতার কেন্দ্র, প্রধান ফোকাস, দর্পণের সূত্র 1/u + 1/v = 1/f ও বিবর্ধন: বস্তু টেনে সরিয়ে প্রতিবিম্ব গঠন নিজে দেখো।
SSC · HSC
তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ ও ফ্যারাডের সূত্র
তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ কাকে বলে, ফ্যারাডের সূত্র ও লেঞ্জের সূত্র কী বলে: চুম্বক টেনে কুণ্ডলীর ভেতর দিয়ে নিয়ে নিজে দেখো, গ্যালভানোমিটারের কাঁটা কেন দোলে, সূত্র ও অঙ্কসহ।
SSC · HSC
ভরবেগের সংরক্ষণ ও সংঘর্ষ
ভরবেগের সংরক্ষণ সূত্র কী, স্থিতিস্থাপক ও অস্থিতিস্থাপক সংঘর্ষের পার্থক্য কী: দুটো গাড়ি সংঘর্ষ করিয়ে নিজে দেখো, পুনরুদ্ধার সহগ e বদলে ভরবেগ ও গতিশক্তির বার-লেখচিত্র মিলিয়ে দেখো, সূত্র ও অঙ্কসহ।
SSC · HSC
কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি
কাজ কাকে বলে, গতিশক্তি ও বিভবশক্তির সূত্র কী, ক্ষমতা কীভাবে মাপা হয়: গড়িয়ে পড়া কার্টের সিমুলেশনে শক্তির রূপান্তর নিজে দেখো, সূত্র ও গাণিতিক সমস্যাসহ।
SSC · HSC
নততল
নততলে ওজন কীভাবে দুই উপাংশে ভাগ হয়, স্থিতি কোণ কী, ঘর্ষণ কীভাবে ব্লককে ধরে রাখে বা পিছলে দেয়: কোণ বদলে ব্লক নিজে ছেড়ে দিয়ে বল-চিত্র ও সূত্র দেখো।
SSC · HSC
বৃত্তাকার গতি
সুতায় ঘোরা বলের সিমুলেশনে বৃত্তাকার গতি, কেন্দ্রমুখী বল F=mv²/r, কৌণিক বেগ, পর্যায়কাল দেখো। সুতা কাটলে বল কোথায় যায়? ব্যাংকিং ও গাণিতিক সমাধানসহ।
SSC
অনুপ্রস্থ ও অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ
একই উৎস থেকে দড়ির অনুপ্রস্থ তরঙ্গ আর স্প্রিং বা শব্দের অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ পাশাপাশি দেখো। তরঙ্গশীর্ষ, তরঙ্গপাদ, সংকোচন, প্রসারণ, তরঙ্গদৈর্ঘ্য, v = fλ আর কণা কেন তরঙ্গের সাথে চলে না, গাণিতিক সমাধানসহ।
SSC · HSC
লিভার ও ভ্রামক
সিসম্যর সিমুলেশনে বলের ভ্রামক M = F × d, ভ্রামকের নীতি, লিভারের তিন শ্রেণি ও যান্ত্রিক সুবিধা নিজে হাতে পরীক্ষা করো। সমাধান ও সৃজনশীল প্রশ্নসহ।
SSC · HSC
ভরকেন্দ্র
দণ্ডে আর পাতে ভর সরিয়ে ভরকেন্দ্র x = Σmx/Σm বের করো। অবলম্বন কোথায় রাখলে দণ্ড ভারসাম্যে থাকে, বাস কখন উল্টে যায়, সুস্থির-অস্থির-নিরপেক্ষ সাম্যাবস্থা: সিমুলেশন ও সমাধানসহ।
SSC · HSC
স্প্রিং-ভর ও সরল ছন্দিত স্পন্দন
স্প্রিংয়ে ঝোলানো ভরের সরল ছন্দিত স্পন্দন নিজে চালিয়ে দেখো। হুকের সূত্র, T = 2π√(m/k), শক্তির রূপান্তর, শ্রেণি ও সমান্তরাল স্প্রিং, সমাধান ও সৃজনশীল প্রশ্নসহ।
SSC · HSC
ভেক্টর যোগ: ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র
দুটি ভেক্টরের লব্ধি, ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র, উপাংশ, নদীতে নৌকা আর বৃষ্টিতে ছাতার আপেক্ষিক বেগ নিজে টেনে পরীক্ষা করো। সমাধান ও সৃজনশীল প্রশ্নসহ।
SSC · HSC
আপেক্ষিক বেগ: ট্রেন ও নদী পারাপার
দুই ট্রেন আর নদী পার হওয়া সাঁতারুকে নিজে চালিয়ে দেখো। আপেক্ষিক দ্রুতি, ট্রেন পার হওয়ার সময়, মুখের কোণ, ভাটিতে সরণ, সবচেয়ে কম সময় বনাম সবচেয়ে ছোট পথ, সমাধানসহ।
HSC
কেপলারের সূত্র ও উপবৃত্তাকার কক্ষপথ
উৎকেন্দ্রতা স্লাইডার টেনে কক্ষপথ লম্বা হতে দেখো। সমান সময়ে সমান ক্ষেত্রফলের সেক্টর, পর্যায়কালের সূত্র T² ∝ a³ আর মুক্তিবেগ, সমাধানসহ।
HSC
নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র, g ও কৃত্রিম উপগ্রহ
দুটি বস্তুর টান, ব্যস্তবর্গ সূত্রের লেখচিত্র, পৃথিবীর ওপরে-নিচে g আর উপগ্রহের কক্ষপথ নিজের হাতে চালিয়ে দেখো। কক্ষীয় বেগ, পর্যায়কাল, মুক্তিবেগ আর সমাধান করা অঙ্কসহ।
HSC
তার ও নলে স্থির তরঙ্গ
সিমুলেশনে তার টানো আর খোলা-বন্ধ নলে ফুঁ দাও। নোড, অ্যান্টিনোড, সমমেল দেখো এবং দৈর্ঘ্য, টান ও তাপমাত্রা কীভাবে সুর ঠিক করে তা শেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।
HSC
অনুনাদ নল ও শব্দের দ্রুতি
অনুনাদ নলে পানির স্তর সরিয়ে নিজেই জোর শব্দের জায়গা খুঁজুন। L১ = λ/৪ − e আর L২ = ৩λ/৪ − e দেখুন, v = 2f(L₂ − L₁) দিয়ে শব্দের দ্রুতি বের করুন, সমাধানসহ অঙ্ক অনুশীলন করুন।
HSC
স্বরকম্প: কাছাকাছি দুই সুরের স্পন্দন
প্রায় সমান কম্পাঙ্কের দুই তরঙ্গ যোগ করে শব্দের জোর-আস্তে স্পন্দন দেখুন। এনভেলপ আঁকা, স্বরকম্প কম্পাঙ্ক |f₁ − f₂| পড়া, শব্দ শোনা আর গিটার সুর মেলানোর পদ্ধতি শিখুন, সমাধানসহ।
HSC
ডপলার প্রভাব: চলমান উৎস, চলমান শ্রোতা ও সনিক বুম
শব্দের উৎসকে ধীরে-জোরে চালাও আর দেখো সামনে তরঙ্গমুখ কীভাবে ঠাসাঠাসি হয়, পেছনে কীভাবে ছড়িয়ে পড়ে। ডপলারের সূত্র, অ্যাম্বুলেন্স ও ট্রেনের অঙ্ক এবং সনিক বুম শেখো।
SSC · HSC
প্রিজম, আলোর বিচ্ছুরণ ও রামধনু
সাদা আলো প্রিজমে ফেলো, প্রিজম কোণ আর আপতন কোণ বদলাও, আর দেখো বর্ণালি কীভাবে তৈরি হয়। বিচ্যুতি, ন্যূনতম বিচ্যুতি, বিচ্ছুরণ ক্ষমতা এবং বৃষ্টির ফোঁটায় রামধনু সৃষ্টির অঙ্কসহ ব্যাখ্যা।
HSC
কির্শফের সূত্র: সংযোগ সূত্র ও বদ্ধ পথ সূত্র
দুটি ব্যাটারি আর তিনটি রোধের দুই-লুপ বর্তনী নিজে সাজাও। সংযোগ বিন্দুতে প্রবাহ ভাগ হওয়া দেখো, বিভবের যোগফল শূন্য হতে দেখো আর কির্শফের সূত্রের অঙ্ক ধাপে ধাপে করতে শেখো।
HSC
হুইটস্টোন ব্রিজ ও মিটার ব্রিজ
হুইটস্টোন ব্রিজের সাম্য নষ্ট করে গ্যালভানোমিটারের কাঁটা নড়তে দেখো। P/Q = R/S হলে কাঁটা শূন্যে আসে। মিটার ব্রিজে জকি সরিয়ে অজানা রোধ মাপো, গাণিতিক উদাহরণসহ।
HSC
একক চিড়ে অপবর্তন
চিড়ের প্রস্থ ও তরঙ্গদৈর্ঘ্য বদলে দেখো আলো কীভাবে ছড়ায়। তীব্রতার সূত্র I = I₀(sin β/β)², অন্ধকার পট্টির শর্ত a sin θ = mλ আর কেন্দ্রীয় পট্টির প্রস্থ 2λD/a, সমাধানসহ।
SSC · HSC
চোখের ত্রুটি ও তার প্রতিকার
স্বাভাবিক, ক্ষীণদৃষ্টি, দীর্ঘদৃষ্টি ও বার্ধক্যের চোখ বদলে বদলে দেখো। প্রতিবিম্ব কেন রেটিনার সামনে বা পেছনে পড়ে, আর কোন লেন্স কত ডায়োপ্টারে তা ঠিক করে, সিমুলেশনে হাতে-কলমে শেখো।
HSC
আলোর সমবর্তন: ম্যালাসের সূত্র ও ব্রুস্টারের সূত্র
পোলারাইজারের পেছনে অ্যানালাইজার ঘুরিয়ে গ্রাফে I = I₀cos²θ দেখো, তারপর কাচে আলো ফেলে ব্রুস্টার কোণ খুঁজে বের করো। পোলারয়েড সানগ্লাস, তিন ফিল্টারের ধাঁধা ও সমাধান করা অঙ্কসহ।
HSC
ক্যাপাসিটরের আহিতকরণ ও নিরাহিতকরণ: আরসি সময় ধ্রুবক
রোধের মধ্য দিয়ে ক্যাপাসিটর আহিত ও নিরাহিত করো। E, R, C বদলে V = E(1 − e^(−t/RC)) আর প্রবাহের বক্রেখা আঁকা দেখো, ৬৩% সময় ধ্রুবক আর সঞ্চিত শক্তি বের করো।
SSC · HSC
চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা: দণ্ডচুম্বক, তড়িৎবাহী সরল তার ও সলিনয়েড
দণ্ডচুম্বক, সরল তার ও সলিনয়েডের চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা দেখো। কম্পাস টানো, প্রবাহের দিক উল্টাও আর শেখো B = μ₀I/2πr, B = μ₀nI ও ডান হাতের মুষ্টি নিয়ম।
HSC
এসি জেনারেটর
চুম্বকের দুই মেরুর মাঝে কুণ্ডলী ঘুরিয়ে এসি জেনারেটরের সাইন তরঙ্গ নিজের চোখে দেখো। N, A, B আর rpm বদলে E₀ = NBAω ও কার্যকর মান বের করো, জানো কেন বাংলাদেশে মেইন ৫০ Hz।
SSC · HSC
ট্রান্সফর্মার
ট্রান্সফর্মারের প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি পাক বদলে দেখো ভোল্টেজ কীভাবে বাড়ে-কমে। Vs = Vp·Ns/Np, ক্ষমতার সংরক্ষণ, বাস্তব দক্ষতা আর উচ্চ ভোল্টেজে বিদ্যুৎ পাঠানোর কারণ বোঝো।
SSC · HSC
তাপের সঞ্চালন: পরিবহন, পরিচলন ও বিকিরণ
তামা, অ্যালুমিনিয়াম, কাচ বা কাঠের দণ্ড গরম করে Q/t = kAΔT/L দেখো, বিকারে পরিচলন স্রোত ঘুরতে দেখো, আর T⁴ মেনে বিকিরিত ক্ষমতা কীভাবে বাড়ে তা যাচাই করো। সারণি ও সমাধান করা অঙ্কসহ।
HSC
আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া: আইনস্টাইনের সমীকরণ ও নিবৃত্তি বিভব
ভ্যাকুয়াম নলে সোডিয়াম, দস্তা বা তামার পাতে যেকোনো তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো ফেলো। সূচন কম্পাঙ্কের নিচে ইলেকট্রন বের হয় না কেন, K = hf − φ কীভাবে নিবৃত্তি বিভব ঠিক করে, আর উজ্জ্বলতা কেন শুধু প্রবাহ বদলায় তা নিজে দেখো।
SSC · HSC
মোটর ক্রিয়া: তড়িৎবাহী তারের ওপর বল ও ডিসি মোটর
চৌম্বক ক্ষেত্রে তড়িৎবাহী তার রাখলে সেটা কীভাবে ধাক্কা খায় নিজের চোখে দেখো। B, I, L আর কোণ বদলাও, ফ্লেমিংয়ের বাম হাতের নিয়ম মিলিয়ে নাও, তারপর বিভক্ত-বলয় কম্যুটেটরসহ ডিসি মোটর ঘুরিয়ে টর্কের লেখচিত্র দেখো।
HSC
গ্যাসের অণু ও গতিতত্ত্ব: চাপ, তাপমাত্রা ও দ্রুতি
বাক্সের ভেতরে গ্যাসের অণুদের ছোটাছুটি দেখো। তাপমাত্রা বাড়াও, গ্যাস বদলাও, আয়তন চেপে ধরো, আর দেখো দেয়ালে ধাক্কা গুনে পাওয়া চাপ PV = NkT-এর সঙ্গে মিলে যাচ্ছে। ম্যাক্সওয়েল-বোল্টজম্যান বক্ররেখার সঙ্গে দ্রুতি মেলাও এবং গড়বর্গমূল দ্রুতির অঙ্ক করো।
HSC
অর্ধপরিবাহী ডায়োড: p–n সন্ধি, I–V বক্ররেখা ও রেক্টিফায়ার
p–n সন্ধিতে বায়াস দিয়ে দেখো নিঃশেষিত স্তর কীভাবে সরু বা চওড়া হয়, বাহক কীভাবে পার হয় আর শকলির I–V বক্ররেখা কেমন হয়। সিলিকন ও জার্মেনিয়ামের তুলনা, ভাঙন আর অর্ধতরঙ্গ রেক্টিফায়ার হাতে-কলমে।
SSC · HSC
তেজস্ক্রিয় ক্ষয়: অর্ধায়ু, ক্ষয় সূত্র ও বিকিরণের ভেদন ক্ষমতা
২৪০টি নিউক্লিয়াসকে এলোমেলোভাবে ক্ষয় হতে দেখো, N = N₀e^(−λt) সূত্র মিলিয়ে নাও, লেখচিত্র থেকে অর্ধায়ু মাপো, আর দেখো আলফা, বিটা ও গামা কাগজ, অ্যালুমিনিয়াম ও সীসা কতটা ভেদ করে।
অন্য বিষয়ের অ্যানিমেশন
রসায়ন
পরমাণুর গঠন
রসায়ন
এসিড, ক্ষারক ও pH স্কেল
রসায়ন
ইলেকট্রন বিন্যাস
রসায়ন
গ্যাসের সূত্র: বয়েল, চার্লস ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ
রসায়ন
আয়নিক বন্ধন কীভাবে গঠিত হয়
রসায়ন
তড়িৎ বিশ্লেষণ ও ফ্যারাডের সূত্র
রসায়ন
সমযোজী বন্ধন
রসায়ন
পর্যায়বৃত্ত ধর্ম
রসায়ন
বিক্রিয়ার হার ও সংঘর্ষ তত্ত্ব
রসায়ন
পদার্থের অবস্থা: কঠিন, তরল, গ্যাসীয় ও তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র
রসায়ন
পরমাণুর অরবিটাল: s, p, d-এর আকৃতি, কোয়ান্টাম সংখ্যা ও নোড
রসায়ন
আণবিক আকৃতি ও ভিএসইপিআর তত্ত্ব: বন্ধন জোড়, মুক্তজোড় ও বন্ধন কোণ
রসায়ন
মোল ধারণা: মোলার ভর, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা ও মোলার আয়তন
রসায়ন
ব্যাপন ও নিঃসরণ: গ্রাহামের সূত্র
রসায়ন
রাসায়নিক সমীকরণ সমতাকরণ: পদ্ধতি, উদাহরণ ও অনুশীলন
রসায়ন
রাসায়নিক সাম্যাবস্থা: সাম্যধ্রুবক Kc ও লা শাতেলিয়ের নীতি
রসায়ন
টাইট্রেশন: অম্ল-ক্ষারের ঘনমাত্রা বের করার পদ্ধতি
রসায়ন
গ্যালভানিক কোষ: ড্যানিয়েল কোষ, EMF ও নার্নস্ট সমীকরণ
রসায়ন
জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া: জারণ সংখ্যা, ইলেকট্রন স্থানান্তর ও অর্ধ-সমীকরণ
রসায়ন
হাইড্রোকার্বন: অ্যালকেন, অ্যালকিন, অ্যালকাইন ও কাঠামোগত সমাণু ত্রিমাত্রায়
রসায়ন
কার্যকরী মূলক: অ্যালকোহল, অ্যালডিহাইড, কিটোন, অ্যাসিড, এস্টার ও অ্যামিন
রসায়ন
পলিমারকরণ: যোজন ও ঘনীভবন পলিমার, পলিথিন ও নাইলন
রসায়ন
মিশ্রণ আলাদা করার পদ্ধতি: ছাঁকন, পাতন, ক্রোমাটোগ্রাফি, স্ফটিকীকরণ
রসায়ন
কেলাস জালক: SC, BCC ও FCC একক কোষ, প্যাকিং দক্ষতা ও ঘনত্ব
রসায়ন
তেজস্ক্রিয়তা: আলফা, বিটা, গামা ক্ষয় ও অর্ধায়ু
জীববিজ্ঞান
মাইটোসিস কোষ বিভাজন
জীববিজ্ঞান
ব্যাপন ও অভিস্রবণ
জীববিজ্ঞান
সালোকসংশ্লেষণ
জীববিজ্ঞান
মানব হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কাজ
জীববিজ্ঞান
মেন্ডেলের বংশগতি সূত্র
জীববিজ্ঞান
ডিএনএ রেপ্লিকেশন
জীববিজ্ঞান
কোষীয় শ্বসন
জীববিজ্ঞান
এনজাইম ক্রিয়া
জীববিজ্ঞান
স্নায়ু উদ্দীপনার পরিবহন ও অ্যাকশন পটেনশিয়াল
জীববিজ্ঞান
নেফ্রন ও মূত্র তৈরির প্রক্রিয়া
জীববিজ্ঞান
মিয়োসিস কোষ বিভাজন
জীববিজ্ঞান
পরিপাকতন্ত্র
জীববিজ্ঞান
শ্বাসক্রিয়ার কৌশল: প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস
জীববিজ্ঞান
প্রোটিন সংশ্লেষণ
জীববিজ্ঞান
রক্ত সংবহন: দ্বি-সংবহন ও কার্ডিয়াক আউটপুট
জীববিজ্ঞান
কোষের গঠন ও অঙ্গাণু: উদ্ভিদ কোষ বনাম প্রাণী কোষ
জীববিজ্ঞান
প্রতিবর্ত ক্রিয়া ও প্রতিবর্ত চাপ
জীববিজ্ঞান
মানুষের চোখ: গঠন, প্রতিবিম্ব ও উপযোজন
জীববিজ্ঞান
পেশি সংকোচন ও স্লাইডিং ফিলামেন্ট মডেল
জীববিজ্ঞান
উদ্ভিদে পরিবহন: জাইলেম, ফ্লোয়েম ও বাষ্পমোচন
জীববিজ্ঞান
খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজাল: শক্তির প্রবাহ ও ১০ % নিয়ম
জীববিজ্ঞান
জনসংখ্যা বৃদ্ধি: সূচকীয় ও লজিস্টিক রেখা
জীববিজ্ঞান
প্রাকৃতিক নির্বাচন: পেপার্ড মথ ও কালিঝুলি মাখা গাছ
জীববিজ্ঞান
রোগপ্রতিরোধ: প্রাথমিক ও গৌণ অ্যান্টিবডি সাড়া
জীববিজ্ঞান
পরাগায়ন ও নিষেক
গণিত
পিথাগোরাসের উপপাদ্য
গণিত
ত্রিকোণমিতিক অনুপাত ও একক বৃত্ত
গণিত
দ্বিঘাত সমীকরণ ও দ্বিঘাত ফাংশনের লেখচিত্র
গণিত
বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য
গণিত
দূরত্ব ও উচ্চতা: উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ
গণিত
সম্ভাবনা: পরীক্ষালব্ধ বনাম তাত্ত্বিক সম্ভাবনা
গণিত
সমান্তর ও গুণোত্তর ধারা
গণিত
গড়, মধ্যক ও প্রচুরক
গণিত
সেট ও ভেনচিত্র
গণিত
সরল সহসমীকরণ ও সরলরেখার লেখচিত্র
গণিত
sin, cos, tan-এর লেখচিত্র
গণিত
পূর্ণবর্গ পদ্ধতি ও দ্বিঘাত সমীকরণের সমাধান
গণিত
বৃত্তের ক্ষেত্রফল: সূত্র, প্রমাণ ও সমাধান
গণিত
ঘনবস্তুর আয়তন ও তলের ক্ষেত্রফল: ঘনক, আয়তঘন, বেলন, কোণক, গোলক
গণিত
সদৃশ ত্রিভুজ: স্কেল ফ্যাক্টর, AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়া থেকে উচ্চতা
গণিত
স্থানাঙ্ক জ্যামিতি: দূরত্ব, মধ্যবিন্দু, ঢাল, বিভক্তিকরণ সূত্র ও সঞ্চারপথ
গণিত
শাঙ্কব ছেদ: বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত ও অধিবৃত্ত
গণিত
ফাংশনের রূপান্তর: সরানো, টানা ও উল্টানো
গণিত
অন্তরীকরণ: স্পর্শকের ঢাল ও ছেদক থেকে স্পর্শক
গণিত
রিম্যান যোগফল ও সমাকলন: বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফল
গণিত
সীমা ও ε–δ সংজ্ঞা: ছবিতে বোঝা
গণিত
ত্রিমাত্রিক ভেক্টর: যোগ, ডট গুণ ও ক্রস গুণ
গণিত
ম্যাট্রিক্স রূপান্তর: ঘূর্ণন, প্রতিফলন, শিয়ার ও নির্ণায়ক
গণিত
জটিল সংখ্যা: আরগান্ড সমতলে যোগ, গুণ, ঘাত ও মূল
গণিত






















