নিয়ন্ত্রণ
পরিমাপ
- বাষ্পমোচনের হার
- ৫৪.৮g/m²/h
- পুরো গাছ থেকে পানি
- ১০৯.৫mL/h
- জাইলেমে পানির গতি
- ২.১৯m/h
- জাইলেমের টান
- -০.৪৬MPa
- পত্ররন্ধ্র খোলা
- ৭৩%
- ফ্লোয়েমে খাদ্য প্রবাহ
- ৫১%
- ১২ ঘণ্টায় হারানো পানি
- ১.৩১L
- প্রধান কারণ
- আলো পত্ররন্ধ্র খুলছে
সিমুলেশনটি কীভাবে ব্যবহার করবে
- বাঁ দিকের গাছটি দেখুন। নীল বিন্দুগুলো জাইলেম বেয়ে ওপরে ওঠে, কমলা বিন্দুগুলো ফ্লোয়েম বেয়ে নামে। পাতার নিচের পিঠের পত্ররন্ধ্র থেকে ছোট ছোট বাষ্পের ফুঁ বেরোয়। ডান দিকের পত্ররন্ধ্রের ক্লোজ-আপে একই জিনিস বড় করে দেখা যায়।
- আলোর স্লাইডার টেনে শূন্যে নিন। রক্ষী কোষ ছিদ্র বন্ধ করে দেয়, বাষ্পমোচনের দণ্ড নিচে নেমে যায়, জাইলেমের বিন্দু ধীর হয় আর ফ্লোয়েমে শর্করার প্রবাহ প্রায় থেমে যায়।
- আলো আবার বাড়ান, তারপর আর্দ্রতা কমান। বাইরের বাতাস শুকনো হলে প্রতিটি পত্ররন্ধ্র দিয়ে বেশি পানি বেরোয়, তাই হারের মান বাড়ে।
- বাতাসের বেগ বাড়ান। বাঁ দিকে তীর বাড়ে আর পাতার গা থেকে বাষ্প সরে যায়, ফলে পত্ররন্ধ্র আরও না খুললেও হার বেড়ে যায়।
- প্রতিটি স্লাইডার নাড়ানোর সময় প্রধান নিয়ামক রিডিংটি লক্ষ করুন। তিনটির মধ্যে এখন কোনটি সবচেয়ে বেশি কাজ করছে, সেটিই এখানে লেখা থাকে।
- ওপরের রিসেট বোতাম চেপে সাধারণ দিনে ফিরে যান এবং নিচের সমাধান করা সমস্যার সঙ্গে আপনার সংখ্যা মিলিয়ে নিন।
উঁচু গাছের ধাঁধা
একটি আমগাছ বিশ মিটার পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। মগডালের পাতার প্রতিটি ফোঁটা পানি এসেছে মাটির নিচের মূলরোম থেকে, কোনো হৃৎপিণ্ড বা পাম্প ছাড়াই এত পথ বেয়ে। মানুষের হৃৎপিণ্ড রক্ত ঠেলে মাত্র এক-দুই মিটার, অথচ তার জন্যও মুঠোর সমান একটা পেশি লাগে।
তাহলে গাছ এটা পারে কীভাবে? অবাক করা উত্তর হলো, গাছ পানিকে ঠেলেই না, বরং টেনে তোলে। টানটা শুরু হয় পাতায়, যেখানে ছোট ছোট ছিদ্র দিয়ে পানি বাষ্প হয়ে উড়ে যায়, আর সেই টান পানির একটানা সুতো বেয়ে নিচে মূল পর্যন্ত পৌঁছে যায়।
ঠিক তখনই পাশের আরেকটি নালিতে একেবারে ভিন্ন কিছু ঘটছে। পাতা সালোকসংশ্লেষণে এইমাত্র শর্করা বানিয়েছে, নিজের দরকারের চেয়ে বেশি। সেই শর্করা পাতা থেকে নিচে নামে মূল, ফল আর বর্ধনশীল ডগার দিকে, যারা নিজেরা খাদ্য বানাতে পারে না। এই দ্বিতীয় প্রবাহ বাষ্পীভবনের টানে চলে না, এর কৌশল আলাদা।
এই পাতায় আপনি দুটি প্রবাহ নিয়েই খেলতে পারবেন। আলো, আর্দ্রতা আর বাতাস বদলাবেন, পত্ররন্ধ্র খুলতে-বন্ধ হতে দেখবেন, আর রিডিং প্যানেলের একই অঙ্কে বাষ্পমোচনের হার হিসাব করবেন।
দুটি নালি, দুটি কাজ
প্রতিটি সপুষ্পক উদ্ভিদের ভেতরে একটি নলপথ আছে, যার নাম পরিবহন টিস্যু। এর দুটি অংশ মূল, কাণ্ড আর পাতার শিরায় পাশাপাশি চলে, তাই কাণ্ড আড়াআড়ি কাটলে এদের গুচ্ছ আকারে দেখা যায়।
| বৈশিষ্ট্য | জাইলেম | ফ্লোয়েম |
|---|---|---|
| কী বহন করে | পানি ও দ্রবীভূত খনিজ লবণ | শর্করা (বেশিরভাগ সুক্রোজ) ও অন্যান্য জৈব খাদ্য |
| দিক | একমুখী: মূল থেকে পাতায় | দ্বিমুখী: উৎস থেকে গন্তব্যে |
| কোষ | মৃত, ফাঁপা ভেসেল ও ট্র্যাকিড, পুরু লিগনিনযুক্ত দেয়াল | জীবিত ছাঁকনি নালিকা ও সঙ্গী কোষ |
| চালিকা শক্তি | বাষ্পমোচন টান ও সংসক্তি | উৎস থেকে গন্তব্যে চাপ প্রবাহ |
| শক্তি | সরাসরি ATP লাগে না | সঙ্গী কোষ ATP খরচ করে শর্করা ভরে |
| আরও যা করে | গাছকে খাড়া থাকতে সাহায্য করে | হরমোন বহন করে |
আগে শব্দগুলো জেনে নিই
উদ্ভিদ পরিবহনে এক রকম দেখতে অনেক শব্দ আছে। জোড়ায় জোড়ায় শিখে নিন।
| শব্দ | অর্থ |
|---|---|
| বাষ্পমোচন | উদ্ভিদের বায়বীয় অংশ, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পত্ররন্ধ্র, দিয়ে জলীয় বাষ্প হিসেবে পানি হারানো। |
| পত্ররন্ধ্র | পাতার পৃষ্ঠের ক্ষুদ্র ছিদ্র, যার দুই পাশে দুটি রক্ষী কোষ থাকে। |
| রক্ষী কোষ | আকার বদলে পত্ররন্ধ্র খোলে ও বন্ধ করে, এমন জোড়া কোষের একটি। |
| মূলরোম | মূলের কোষের সরু প্রবৃদ্ধি, যা পানি ও খনিজ লবণ শোষণ করে। |
| সংসক্তি | পানির অণুগুলো একে অন্যের সঙ্গে লেগে থাকা, ফলে পানির স্তম্ভ ছেঁড়ে না। |
| আসঞ্জন | পানির অণু জাইলেমের দেয়ালের গায়ে লেগে থাকা। |
| বাষ্পমোচন টান | পাতা থেকে পানি বাষ্প হয়ে উড়লে যে শোষণ তৈরি হয় এবং নিচ থেকে আরও পানি টেনে আনে। |
| স্থানান্তর | ফ্লোয়েমে শর্করার চলাচল। |
| উৎস | যে অংশ শর্করা তৈরি করে বা ছাড়ে: পরিণত পাতা, অথবা সঞ্চয় অঙ্গ যখন তা ছাড়ছে। |
| গন্তব্য | যে অংশ শর্করা ব্যবহার বা জমা করে: মূল, ফল, কচি পাতা, কন্দ। |
| সুক্রোজ | ফ্লোয়েমে বাহিত প্রধান শর্করা। |
জাইলেম বেয়ে পানি ওঠা: সংসক্তি ও টান
মাটি থেকে আকাশ পর্যন্ত একটি পানির অণুর যাত্রা চার ধাপে অনুসরণ করুন। প্রতিটি ধাপ সিমুলেশনে দেখা যায়।
ধাপ ১: মূলরোমে পানি ঢোকে
মাটির পানি মূলরোমের কোষরসের চেয়ে পাতলা, তাই অভিস্রবণ ঘটে এবং কোষপর্দা পেরিয়ে পানি ভেতরে ঢোকে। মূলরোম এত বেশি যে শোষণের তল বিপুল পরিমাণে বেড়ে যায়।
ধাপ ২: পানি জাইলেমে পৌঁছায়
পানি মূলের কর্টেক্সের কোষ থেকে কোষে এবং কোষের ফাঁক দিয়ে পেরিয়ে মাঝখানের মৃত জাইলেম ভেসেলে ঢোকে।
ধাপ ৩: পানি ওপরে টানা হয়
পাতায় মেসোফিল কোষের ভেজা দেয়াল থেকে পানি বাষ্প হয়ে বায়ুকক্ষে যায় এবং খোলা পত্ররন্ধ্র দিয়ে বেরিয়ে যায়। যে পানির অণু বেরিয়ে যায়, সে পেছনের অণুটিকে টান দেয়, কারণ পানির অণুরা একে অন্যের সঙ্গে লেগে থাকে (সংসক্তি)। পুরো স্তম্ভটি দড়ি টানার মতো টানের মধ্যে থাকে। ভেসেল সরু আর দেয়াল শক্ত এবং পানির সঙ্গে লেগে থাকে (আসঞ্জন), তাই স্তম্ভ ছেঁড়ে না।
ধাপ ৪: পানি বাষ্প হয়ে বেরিয়ে যায়
বাষ্প পত্ররন্ধ্র দিয়ে বেরোয়। উদ্ভিদ যত পানি নেয় তার প্রায় ৯৯ % এভাবে হারিয়ে যায়; সালোকসংশ্লেষণে বা কোষে মাত্র সামান্য অংশ থাকে।
বাষ্পমোচনের হার কীসে ঠিক হয়
সিমুলেশনে ইচ্ছা করেই সহজ একটি মডেল রাখা হয়েছে, যাতে তিনটি উপাদান কীভাবে মেশে তা দেখা যায়। হার = ১৫০ × পত্ররন্ধ্রের খোলা অংশ × আর্দ্রতার ঘাটতি × বাতাসের গুণক, একক প্রতি বর্গমিটার পাতায় ঘণ্টায় কত গ্রাম পানি। তিনটিই স্লাইডার দিয়ে বদলানো যায়।
আলো পত্ররন্ধ্র নিয়ন্ত্রণ করে। আলোয় রক্ষী কোষ পানিতে ফুলে বেঁকে যায় ও ছিদ্র চওড়া হয়; অন্ধকারে কোষ নেতিয়ে যায় ও ছিদ্র বন্ধ হয়। মডেলে পুরো অন্ধকারেও পত্ররন্ধ্র ১০ % খোলা থাকে আর পূর্ণ আলোয় ১০০ % পর্যন্ত খোলে, তাই সাধারণ ৭০ % আলোয় তা ৭৩ % খোলা।
আর্দ্রতা নির্ধারণ করে ঢাল। পাতার ভেতরের বাতাস সম্পৃক্ত। বাইরের বাতাস যত শুকনো, ভেতর থেকে বাইরে জলীয় বাষ্পের ঢাল তত খাড়া আর ব্যাপন তত দ্রুত। ৬০ % আর্দ্রতায় ঘাটতি ৪০ %।
বাতাস পাতার গায়ে লেগে থাকা ভেজা স্তরটি সরিয়ে দেয়। বাতাস না থাকলে ওই স্তর মোটা হয়, ঢাল সমতল হয় আর বাষ্পমোচন কমে। মডেল হারকে ১ + বাতাস ÷ ২০ দিয়ে গুণ করে, যা ৫ km/h বেগে ১.২৫।
E = 150 × stomata × deficit × wind factorE-এর একক g প্রতি m² প্রতি ঘণ্টা
stomata = 0.1 + 0.9 × (light ÷ 100)খোলা অংশের ভগ্নাংশ, অন্ধকারে ০.১
deficit = (100 − humidity) ÷ 100আর্দ্রতা শতকরায়
wind factor = 1 + wind ÷ 20বাতাসের বেগ km/h-এ
- তাপমাত্রাও বাষ্পমোচন বাড়ায়, কারণ গরম বাতাস বেশি বাষ্প ধরে রাখতে পারে আর বাষ্পীভবন দ্রুত হয়। তিন স্লাইডার সহজে বোঝার জন্য মডেলে এটি বাদ দেওয়া হয়েছে।
- বাস্তবে পানির টান পড়লে আলো যাই হোক পত্ররন্ধ্র বন্ধ হয়ে যায়। এতে গাছ বাঁচে, কিন্তু CO₂ ঢোকাও বন্ধ হয়, ফলে সালোকসংশ্লেষণ ধীর হয়।
ফ্লোয়েম বেয়ে শর্করা নামা: উৎস থেকে গন্তব্যে
পরিণত পাতা হলো উৎস: সে নিজের দরকারের চেয়ে বেশি শর্করা বানায়। মূল, ফল বা বর্ধনশীল কুঁড়ি হলো গন্তব্য: সে শর্করা ব্যবহার বা জমা করে, কিন্তু যথেষ্ট বানাতে পারে না। ফ্লোয়েম শর্করা উৎস থেকে গন্তব্যে নিয়ে যায়, আর দিক কোনটা হবে তা নির্ভর করে কাছের উৎস ও গন্তব্য কোথায় তার ওপর। কচি চারায় বীজপত্র বেড়ে ওঠা অঙ্কুরকে খাওয়ায়; পূর্ণ গাছে পাতা খাওয়ায় মূল আর ফলকে।
গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা হলো চাপ-প্রবাহ প্রকল্প। উৎসে সঙ্গী কোষ ATP খরচ করে সুক্রোজ ছাঁকনি নালিকায় ঢুকিয়ে দেয়। অভিস্রবণে পানি আসে এবং সেখানে চাপ বাড়ে। গন্তব্যে শর্করা বের করে নেওয়া হয় ব্যবহার বা জমার জন্য, পানি বেরিয়ে যায় আর চাপ কমে। রস চাপের ঢাল বেয়ে উচ্চ থেকে নিম্নে বয়, ট্যাংক আর কলের মাঝের পাইপে পানির মতো।
সিমুলেশনে শর্করার প্রবাহ সালোকসংশ্লেষণের সমানুপাতিক, যার জন্য আলো আর খোলা পত্ররন্ধ্র (CO₂-এর জন্য) দুটোই লাগে। সাধারণ দিনে তা সর্বোচ্চের ৫১ %।
সিমুলেশনে নিজে করে দেখুন
দশ মিনিট এই পরীক্ষাগুলো করুন। প্রতিটি এমন প্রশ্ন, যা পরীক্ষায় আসতে পারে।
- আলো ০ করে পত্ররন্ধ্র আর হার দেখুন। বাষ্পমোচন কি ঠিক শূন্য? না হলে কেন?
- আলো ১০০, আর্দ্রতা সর্বনিম্ন আর বাতাস সর্বোচ্চ করুন। মডেল সর্বোচ্চ কত হার দিতে পারে, আর জাইলেমের বেগ কত?
- আলো ও বাতাস স্থির রেখে আর্দ্রতা ১০০ % থেকে ১০ %-এ নামান। হার কীভাবে বদলায়?
- বাতাস ০ করুন, তারপর ২০ km/h। হার কত গুণ বদলায়?
- শুধু আলোর স্লাইডার নাড়িয়ে শর্করার প্রবাহের রিডিং দেখুন। এটি পত্ররন্ধ্রের খোলা অংশের চেয়ে দ্রুত কমে কেন?
- লেবেল লুকিয়ে জাইলেম, ফ্লোয়েম, পত্ররন্ধ্র, রক্ষী কোষ আর গন্তব্যের নাম মুখস্থ বলুন, তারপর লেবেল দেখিয়ে মিলিয়ে নিন।
সমাধান করা সমস্যা
প্রতিটি সমাধানে আগে সূত্র, পরে সংখ্যা বসানো হয়েছে। প্রতিটি মান সিমুলেশন চালানো একই কোড দিয়ে হিসাব করা।
সমস্যা ১: সাধারণ দিন (আলো ৭০ %, আর্দ্রতা ৬০ %, বাতাস ৫ km/h)
পত্ররন্ধ্র = ০.১ + ০.৯ × ৭০ ÷ ১০০ = ০.৭৩, অর্থাৎ ৭৩ % খোলা। ঘাটতি = (১০০ − ৬০) ÷ ১০০ = ০.৪০। বাতাসের গুণক = ১ + ৫ ÷ ২০ = ১.২৫। E = ১৫০ × ০.৭৩ × ০.৪০ × ১.২৫ = ৫৪.৮ g/m²/h।
সমস্যা ২: একই বাতাস, রাতে
আলো = ০ হলে পত্ররন্ধ্র ১০ % খোলা, তাই E = ১৫০ × ০.১০ × ০.৪০ × ১.২৫ = ৭.৫ g/m²/h, দিনের মানের মাত্র ১৪ %। শূন্য হয় না, কারণ পত্ররন্ধ্র পুরোপুরি সিল হয় না আর কিউটিকল দিয়েও সামান্য পানি বেরোয়।
সমস্যা ৩: শুকনো বাতাস (২০ % আর্দ্রতা)
ঘাটতি = (১০০ − ২০) ÷ ১০০ = ০.৮০, আগের ০.৪০-এর বদলে। হার দাঁড়ায় ১০৯.৫ g/m²/h, যা সাধারণ দিনের ২.০ গুণ। শুকনো বাতাসে গাছ পত্ররন্ধ্র আরও না খুলেই প্রায় দ্বিগুণ দ্রুত পানি হারায়।
সমস্যা ৪: ২০ km/h বাতাস বনাম স্থির বাতাস
স্থির বাতাসে: গুণক = ১, E = ৪৩.৮ g/m²/h। ২০ km/h বেগে: গুণক = ১ + ২০ ÷ ২০ = ২.০, E = ৮৭.৬ g/m²/h। বাতাস ক্ষতি ২.০ গুণ করে দেয়।
সমস্যা ৫: পুরো গাছ
গাছটির পাতার ক্ষেত্রফল ২ m²। পুরো গাছের ক্ষতি = ৫৪.৮ × ২ = ঘণ্টায় ১০৯.৫ mL, কারণ ১ g পানি ১ mL। ১২ ঘণ্টার দিনে তা ১০৯.৫ × ১২ ÷ ১০০০ = ১.৩১ লিটার, রিডিং প্যানেলে ঠিক এই মানটিই দেখা যায়।
সমস্যা ৬: পানির স্তম্ভ কত দ্রুত চলে?
জাইলেমের মোট প্রস্থচ্ছেদ ০.৫ cm²। বেগ = ঘণ্টায় আয়তন ÷ ক্ষেত্রফল = ১০৯.৫ ÷ ০.৫ = ২১৯ cm/h = ২.১৯ m/h। বাস্তবে উঁচু গাছে দুপুরে রস ঘণ্টায় এক থেকে ছয় মিটার চলে, অর্থাৎ মাত্রা ঠিক আছে।
সমস্যা ৭: শোষণ দিয়ে কি ১০০ m পানি তোলা যায়?
পানির স্তম্ভ ধরে রাখতে চাপ লাগে ρ g h। ১০ m-এর জন্য তা ১০০০ × ৯.৮ × ১০ = ০.০৯৮ MPa, প্রায় এক বায়ুমণ্ডলের সমান। তাই মাটিতে বসানো সাকশন পাম্প ১০ m-এর বেশি পানি তুলতে পারে না: নিচ থেকে বায়ুমণ্ডলীয় চাপের বেশি টান দেওয়া যায় না। ১০০ m-এর জন্য মান ০.৯৮ MPa। গাছ এটা পারে কারণ স্তম্ভটি ওপর থেকে টানের (ঋণাত্মক চাপ) মধ্যে থাকে, নিচ থেকে ঠেলা হয় না; সাধারণ দিনে মডেলের জাইলেম টান -০.৪৬ MPa।
সমস্যা ৮: মেঘলা দিন (আলো ৩০ %)
শর্করার প্রবাহ = (আলো ÷ ১০০) × পত্ররন্ধ্র × ১০০। ৭০ % আলোয় তা ৫১ %; ৩০ % আলোয় ১১ %। শর্করার প্রবাহ ৪.৬ গুণ কমে, আলোর কমার চেয়েও বেশি, কারণ আলো কমলে পত্ররন্ধ্রও বন্ধ হয় আর CO₂ ঢোকা কমে।
সাধারণ ভুল
প্রতি বছর এই ভুলগুলোতে নম্বর কাটা যায়।
- শুধু মূলজ চাপে জাইলেমে পানি ওঠে বলে লেখা। ছোট গাছে রাতে মূলজ চাপ সাহায্য করে; প্রধান বল হলো বাষ্পমোচন টান।
- ফ্লোয়েম শুধু নিচের দিকে বয় বলা। এটি উৎস থেকে গন্তব্যে বয়, যা ফলের দিকে ওপরে বা মূলের দিকে নিচে হতে পারে।
- জাইলেম জীবিত লেখা। পরিণত জাইলেম ভেসেল মৃত, ফাঁপা নালি।
- স্থানান্তর আর বাষ্পমোচন গুলিয়ে ফেলা। একটি ফ্লোয়েমে শর্করা বহন করে, অন্যটি জলীয় বাষ্প হারায়।
- ভুলে যাওয়া যে পত্ররন্ধ্র আলোয় খোলে আর অন্ধকারে বন্ধ হয় (আলোয় রক্ষী কোষ পানিতে ফুলে বেঁকে যায়)।
- আর্দ্রতা পত্ররন্ধ্র বন্ধ করে বলা। আর্দ্রতা ঢাল বদলায়, ছিদ্রের খোলা অংশ নয়।
বাস্তব জীবনে কোথায় দেখবেন
রঙিন পানিতে রাখা সেলারির ডাঁটা কয়েক ঘণ্টায় শিরা বরাবর রং ধরে: রং জাইলেম চিনিয়ে দেয়। ডালের চারপাশে গোল করে ছাল কেটে দিলে (গার্ডলিং) তার ওপরের অংশ মরে যায়, কারণ ফ্লোয়েম কাটা পড়ে, যদিও জাইলেম অক্ষত থাকে।
গরম, হাওয়াদার দুপুরে গাছ নেতিয়ে পড়া মানে বাষ্পমোচন সরবরাহকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে। মূল যত দ্রুত পানি পাঠাতে পারে, পাতা তার চেয়ে দ্রুত হারায়, কোষের চাপ কমে আর পাতা ঝুলে পড়ে। গোড়ায় পানি দিলে এক ঘণ্টার মধ্যে সেরে ওঠে।
আখ ও খেজুরের রসচাষিরা ফ্লোয়েমের রস সংগ্রহ করেন, আর জাবপোকা মুখের সূচ ঢুকিয়ে একটিমাত্র ছাঁকনি নালিকা থেকে রস খায়। গ্রিনহাউসে আর্দ্রতা বেশি রাখা হয় আংশিকভাবে বাষ্পমোচন, অর্থাৎ পানির খরচ, কম রাখার জন্য।
পরীক্ষার কোণ
সাধারণ প্রশ্ন আর পূর্ণ নম্বরের উত্তরে যা থাকা চাই।
| প্রশ্ন | মূল পয়েন্ট |
|---|---|
| বাষ্পমোচনের সংজ্ঞা দাও | উদ্ভিদের বায়বীয় অংশ থেকে, বেশিরভাগ পত্ররন্ধ্র দিয়ে, জলীয় বাষ্প হিসেবে পানি হারানো। |
| জাইলেম ও ফ্লোয়েমের পার্থক্য | বাহিত পদার্থ, দিক, কোষ জীবিত না মৃত, চালিকা শক্তি। |
| বাষ্পমোচনকে প্রভাবিত করার উপাদান | আলো, আর্দ্রতা, বাতাস, তাপমাত্রা, পানির সরবরাহ। |
| পত্ররন্ধ্র কীভাবে খোলে ব্যাখ্যা করো | আলোয় রক্ষী কোষ পানি নিয়ে ফুলে বেঁকে যায়; ছিদ্র খোলে। |
| সংসক্তি-টান তত্ত্ব | বাষ্পীভবন টান তৈরি করে; সংসক্তি ও আসঞ্জন তা জাইলেম বেয়ে নিচে পৌঁছায়। |
| উৎস ও গন্তব্য | উৎস শর্করা তৈরি বা ছাড়ে, গন্তব্য ব্যবহার বা জমা করে; ফ্লোয়েম দুইয়ের মাঝে বহন করে। |
সংক্ষিপ্ত পুনরালোচনা
পানি অভিস্রবণে মূলরোমে ঢোকে, বাষ্পমোচন টানে মৃত জাইলেম ভেসেল বেয়ে ওপরে ওঠে এবং সংসক্তিতে একসঙ্গে থাকে, তারপর পত্ররন্ধ্র দিয়ে বাষ্প হয়ে বেরিয়ে যায়। হার আলোয় বাড়ে (পত্ররন্ধ্র খোলে), আর্দ্রতায় কমে (ঢাল ছোট হয়) এবং বাতাসে বাড়ে (ভেজা বাতাস সরে যায়)। সাধারণ দিনে হার ৫৪.৮ g/m²/h, পুরো গাছের জন্য ১০৯.৫ mL/h। উৎস পাতায় তৈরি শর্করা জীবিত ফ্লোয়েম ছাঁকনি নালিকা বেয়ে চাপ-প্রবাহে গন্তব্যে যায়, ভরার সময় ATP লাগে।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
জাইলেম ও ফ্লোয়েমের পার্থক্য কী?
জাইলেম মৃত, ফাঁপা ভেসেলে মূল থেকে ওপরে পানি ও খনিজ লবণ বয়, চালায় বাষ্পমোচন টান। ফ্লোয়েম জীবিত ছাঁকনি নালিকায় উৎস থেকে গন্তব্যে শর্করা বয়, চালায় চাপ-প্রবাহ।
বাষ্পমোচন টান কী?
পত্ররন্ধ্র দিয়ে পাতার কোষ থেকে পানি বাষ্প হয়ে উড়লে যে শোষণ তৈরি হয়। সংসক্তি সেই টান জাইলেমের পানির স্তম্ভ বেয়ে মূল পর্যন্ত পৌঁছে দেয়।
আলো বাষ্পমোচনকে কীভাবে প্রভাবিত করে?
আলোয় রক্ষী কোষ ফুলে ওঠে ও পত্ররন্ধ্র খোলে। এই মডেলে পত্ররন্ধ্র অন্ধকারে ১০ % ও পূর্ণ আলোয় ১০০ % খোলা, তাই আলো বাড়লে বাষ্পমোচন বাড়ে।
বাতাস বাষ্পমোচন বাড়ায় কেন?
বাতাস পাতার গায়ের আর্দ্র বাতাসের স্তর উড়িয়ে নেয়। ফলে ভেতর-বাইরের ঢাল খাড়া থাকে, আর জলীয় বাষ্প দ্রুত ব্যাপিত হয়ে বেরোয়।
উদ্ভিদে উৎস ও গন্তব্য কী?
উৎস, যেমন পরিণত পাতা, শর্করা তৈরি বা ছাড়ে। গন্তব্য, যেমন মূল, ফল বা কুঁড়ি, তা ব্যবহার বা জমা করে। ফ্লোয়েম শর্করা উৎস থেকে গন্তব্যে বয়ে নেয়।
ফ্লোয়েমে কি শক্তি লাগে?
উৎসে ছাঁকনি নালিকায় সুক্রোজ ভরতে এবং গন্তব্যে খালি করতে ATP লাগে। মাঝের প্রবাহ নিষ্ক্রিয়, চাপের পার্থক্যে চলে।
এই বিষয়ের আরও পড়াশোনা
অ্যানিমেশনে ধারণা পরিষ্কার হলো, এবার পরীক্ষার প্রস্তুতি: সিলেবাস, সাজেশন, বই আর ভর্তি পরীক্ষার গাইড নিচে।
SSC
এসএসসি জীববিজ্ঞান: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
HSC
এইচএসসি জীববিজ্ঞান: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
পাঠ্যবই
নবম-দশম শ্রেণির বিজ্ঞান বই
পাঠ্যবই
নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান বই
ভর্তি
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি
ভর্তি
মেডিকেল ভর্তি ২০২৬-২৭
ভর্তি
গুচ্ছ (GST) বিজ্ঞান ইউনিট ভর্তি ২০২৬-২৭
English
Composition: Climate Change (ইংরেজিতে)
বাংলা
রচনা: জলবায়ু পরিবর্তন
SSC
এসএসসি সাজেশন
HSC
এইচএসসি সাজেশন
ভর্তি
বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার গাইড
SSC
এসএসসি সিলেবাস
HSC
এইচএসসি সিলেবাস
বিদেশে পড়াশোনা
যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষা
স্কলারশিপ
চীনের CSC স্কলারশিপ
IELTS
IELTS Writing Task 1: process diagrams (ইংরেজিতে)
IELTS
IELTS preparation guide (ইংরেজিতে)
বিদেশে পড়াশোনা
Academic CV for study abroad (ইংরেজিতে)
ক্যারিয়ার
Dental hygienist resume example (ইংরেজিতে)
আরও জীববিজ্ঞান অ্যানিমেশন
SSC · HSC
মাইটোসিস কোষ বিভাজন
মাইটোসিস কাকে বলে, কোষ বিভাজন কত প্রকার ও কী কী? প্রোফেজ, মেটাফেজ, অ্যানাফেজ, টেলোফেজ ও সাইটোকাইনেসিস চলমান চিত্রে দেখো, ক্রোমোজোম গোনার নিয়মসহ।
SSC · HSC
ব্যাপন ও অভিস্রবণ
ব্যাপন ও অভিস্রবণ কাকে বলে, এদের মধ্যে পার্থক্য, প্লাজমোলাইসিস, রসস্ফীতি ও ইমবাইবিশন: কণার সিমুলেশনে নিজে দেখে সহজ ভাষায় শেখো, উদাহরণ ও গাণিতিক সমস্যাসহ।
SSC · HSC
সালোকসংশ্লেষণ
সালোকসংশ্লেষণ কাকে বলে, সমীকরণ, আলোক ও অন্ধকার পর্যায়, ক্যালভিন চক্র, প্রভাবক ও সীমাবদ্ধ উপাদান: পাতা, হাইড্রিলা আর ক্লোরোপ্লাস্টের অ্যানিমেশনে নিজে দেখো।
SSC · HSC
মানব হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কাজ
হৃৎপিণ্ডের চারটি প্রকোষ্ঠ, কপাটিকা, লাব-ডাব শব্দ আর চলমান ইসিজি একসাথে দেখো। দ্বিচক্রী সংবহন, হৃৎচক্র ও কার্ডিয়াক আউটপুট শেখো, গাণিতিক সমস্যাসহ।
SSC · HSC
মেন্ডেলের বংশগতি সূত্র
মেন্ডেলের সূত্র, একসংকর ও দ্বিসংকর জনন, টেস্ট ক্রস, অসম্পূর্ণ প্রকটতা, রক্তের গ্রুপ আর সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারণ — নিজে পানেট বর্গ বানিয়ে বংশগতির অনুপাত হিসাব করে দেখো।
HSC
ডিএনএ রেপ্লিকেশন
ডিএনএ রেপ্লিকেশন বা অনুলিপন কাকে বলে, অর্ধ-রক্ষণশীল পদ্ধতি, এনজাইমগুলোর কাজ আর মেসেলসন-স্টাল পরীক্ষা—সব অ্যানিমেশনে নিজে দেখো ও হিসাব করো।
SSC · HSC
কোষীয় শ্বসন
কোষীয় শ্বসন কাকে বলে, সবাত ও অবাত শ্বসনের পার্থক্য, গ্লাইকোলাইসিস, ক্রেবস চক্র, ইলেকট্রন প্রবাহতন্ত্র আর ATP হিসাব: মাইটোকন্ড্রিয়ার অ্যানিমেশনে নিজে দেখো ও গণনা করো।
SSC · HSC
এনজাইম ক্রিয়া
এনজাইম কী, সক্রিয় স্থান, তালা-চাবি ও আবিষ্ট মিলন মডেল, তাপমাত্রা-pH-এর প্রভাব, মিকেলিস-মেন্টেন সমীকরণ ও প্রতিবন্ধক — নিজে বদলে দেখো এনজাইম ক্রিয়ার অ্যানিমেশনে।
SSC · HSC
স্নায়ু উদ্দীপনার পরিবহন ও অ্যাকশন পটেনশিয়াল
প্রান্তিক মাত্রা (−৫৫ mV) পার হলেই অ্যাকশন পটেনশিয়াল তৈরি হয়ে অ্যাক্সন বেয়ে ছোটে, তারপর সিন্যাপসে নিউরোট্রান্সমিটার নিঃসৃত হয় — সিমুলেশনে নিজে চালিয়ে দেখো, সূত্র ও গাণিতিক উদাহরণসহ।
SSC · HSC
নেফ্রন ও মূত্র তৈরির প্রক্রিয়া
বৃক্ক প্রতিদিন প্রায় ১৮০ লিটার রক্ত ছেঁকে মাত্র দেড় লিটার মূত্র তৈরি করে কীভাবে? গ্লোমেরুলাসে ছাঁকন, নালিকায় পুনঃশোষণ আর গ্লুকোজের প্রান্তিক মাত্রা — সিমুলেশনে নিজে চালিয়ে দেখো, সূত্র ও অঙ্কসহ।
SSC · HSC
মিয়োসিস কোষ বিভাজন
মিয়োসিস কাকে বলে, ক্রসিং ওভার কী, মাইটোসিস ও মিয়োসিসের পার্থক্য কী: 2n = 4 কোষে প্রোফেজ I থেকে টেলোফেজ II পর্যন্ত নিজে চালিয়ে দেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।
SSC
পরিপাকতন্ত্র
পরিপাকতন্ত্র কী, কোন এনজাইম কোথায় কাজ করে, ভিলাই কীভাবে শোষণ করে: মুখ থেকে বৃহদান্ত্র পর্যন্ত খাদ্যের যাত্রা নিজে চালিয়ে দেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।
Class 9 · SSC
শ্বাসক্রিয়ার কৌশল: প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস
মধ্যচ্ছদা, পর্শুকা আর আন্তঃপর্শুকা পেশি কীভাবে ফুসফুসে বাতাস ঢোকায় ও বের করে, চলমান চিত্রে দেখো। চাপমাপক, স্পাইরোমিটার রেখা, বেল জার মডেল আর বায়ুথলিতে গ্যাসীয় বিনিময়, সমাধানসহ।
HSC
প্রোটিন সংশ্লেষণ
আরএনএ পলিমারেজ কীভাবে জিন থেকে mRNA বানায় আর রাইবোসোম কীভাবে কোডন পড়ে প্রোটিন গড়ে, অ্যানিমেশনে নিজে দেখো। জিন বদলাও, মিউটেশন ঘটাও, কোডন সারণি মেলাও।
SSC · HSC
রক্ত সংবহন: দ্বি-সংবহন ও কার্ডিয়াক আউটপুট
রক্ত কীভাবে হৃৎপিণ্ড থেকে ফুসফুসে, দেহে আর আবার হৃৎপিণ্ডে ফেরে, চলমান চিত্রে দেখো। ফুসফুসীয় ও সিস্টেমিক সংবহন, ধমনি-শিরা-কৈশিকনালির পার্থক্য, কার্ডিয়াক আউটপুটের অঙ্ক সমাধানসহ।
SSC · HSC
কোষের গঠন ও অঙ্গাণু: উদ্ভিদ কোষ বনাম প্রাণী কোষ
উদ্ভিদ কোষ আর প্রাণী কোষ পাশাপাশি দেখো। নিউক্লিয়াস, মাইটোকন্ড্রিয়া, ক্লোরোপ্লাস্ট, গলজি বস্তু, রাইবোজোমসহ প্রতিটি অঙ্গাণুতে ক্লিক করে কাজ জানো। পার্থক্যের ছক, বিবর্ধনের অঙ্ক ও এসএসসি-এইচএসসির প্রশ্নসহ।
SSC · HSC
প্রতিবর্ত ক্রিয়া ও প্রতিবর্ত চাপ
গরম কিছুতে হাত ঠেকালে সংকেত কীভাবে গ্রাহক, সংবেদী নিউরন, সুষুম্নাকাণ্ড, চেষ্টীয় নিউরন হয়ে পেশিতে পৌঁছায় নিজে চালিয়ে দেখো। প্রতিবর্তের সময় (২৪.৩৩ ms) হিসাব করো, আর দেখো ব্যথা কেন পরে টের পাওয়া যায়।
SSC · HSC
মানুষের চোখ: গঠন, প্রতিবিম্ব ও উপযোজন
কর্নিয়া, আইরিস, লেন্স, সিলিয়ারি পেশি, রেটিনা, পীতবিন্দু ও অন্ধবিন্দু কীভাবে কাজ করে, চলমান চিত্রে দেখো। উপযোজন, নিকট দৃষ্টি ও দূর দৃষ্টির সংশোধন, লেন্সের ক্ষমতার সমাধানসহ।
HSC
পেশি সংকোচন ও স্লাইডিং ফিলামেন্ট মডেল
সারকোমিয়ারের ভেতরে অ্যাকটিন ও মায়োসিনের সরে যাওয়া দেখুন। A ব্যান্ড থাকে ১.৬ µm, I ব্যান্ড ও H অঞ্চল ছোট হয়; ক্রস-ব্রিজ চক্র, ক্যালসিয়াম ও ATP ধাপে ধাপে শিখুন।
SSC · HSC
খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজাল: শক্তির প্রবাহ ও ১০ % নিয়ম
খাদ্যজাল তৈরি করুন, একটি প্রজাতি সরিয়ে প্রভাব দেখুন, আর শক্তি পিরামিডে ১০ % নিয়ম চালান (উৎপাদকের ১০,০০০ kJ থেকে শীর্ষে থাকে মাত্র ১ kJ)।
HSC
জনসংখ্যা বৃদ্ধি: সূচকীয় ও লজিস্টিক রেখা
r আর ধারণক্ষমতা K টানুন এবং সূচকীয় ও লজিস্টিক রেখা আলাদা হতে দেখুন। r = ০.৪০ প্রতি ঘণ্টা আর K = ১,০০০ হলে কালচার প্রতি ১.৭৩ ঘণ্টায় দ্বিগুণ হয় এবং K-এর কাছে থামে।
HSC
প্রাকৃতিক নির্বাচন: পেপার্ড মথ ও কালিঝুলি মাখা গাছ
কালিঝুলির মাত্রা বাড়িয়ে-কমিয়ে দেখো পাখি কোন মথ ধরে। ৮০% কালি ও ৪০% নির্বাচনে গাঢ় মথ ১০% থেকে ১৫ প্রজন্মে ৯০% ছাড়িয়ে যায়।
SSC · HSC
রোগপ্রতিরোধ: প্রাথমিক ও গৌণ অ্যান্টিবডি সাড়া
টিকা নেওয়া ও না নেওয়া ব্যক্তির অ্যান্টিবডির মাত্রা এক গ্রাফে মিলিয়ে দেখো। এই মডেলে স্মৃতির কারণে সুরক্ষা পেতে ৮.১ দিনের জায়গায় লাগে ২.৫ দিন, আর চূড়া ৫.১ গুণ ওঠে।
SSC · HSC
পরাগায়ন ও নিষেক
পরাগধানী থেকে গর্ভমুণ্ড, পরাগনালি বেয়ে ডিম্বকে পরাগরেণুর যাত্রা দেখো। দ্বিনিষেকে ১৪ ক্রোমোজোমের জাইগোট ও ২১ ক্রোমোজোমের ভ্রূণপোষ কীভাবে তৈরি হয়, তারপর বীজ ও ফল।
অন্য বিষয়ের অ্যানিমেশন
পদার্থবিজ্ঞান
আলোর প্রতিসরণ
পদার্থবিজ্ঞান
ওহমের সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
প্রাসের গতি
পদার্থবিজ্ঞান
সরল দোলক
পদার্থবিজ্ঞান
তড়িৎ ক্ষেত্র
পদার্থবিজ্ঞান
তরঙ্গের ব্যতিচার
পদার্থবিজ্ঞান
পড়ন্ত বস্তু ও পড়ন্ত বস্তুর সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
লেন্সে প্রতিবিম্ব গঠন
পদার্থবিজ্ঞান
নিউটনের গতির সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
গোলীয় দর্পণে প্রতিবিম্ব গঠন
পদার্থবিজ্ঞান
তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ ও ফ্যারাডের সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
ভরবেগের সংরক্ষণ ও সংঘর্ষ
পদার্থবিজ্ঞান
কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি
পদার্থবিজ্ঞান
নততল
পদার্থবিজ্ঞান
বৃত্তাকার গতি
পদার্থবিজ্ঞান
অনুপ্রস্থ ও অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ
পদার্থবিজ্ঞান
লিভার ও ভ্রামক
পদার্থবিজ্ঞান
ভরকেন্দ্র
পদার্থবিজ্ঞান
স্প্রিং-ভর ও সরল ছন্দিত স্পন্দন
পদার্থবিজ্ঞান
ভেক্টর যোগ: ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
আপেক্ষিক বেগ: ট্রেন ও নদী পারাপার
পদার্থবিজ্ঞান
কেপলারের সূত্র ও উপবৃত্তাকার কক্ষপথ
পদার্থবিজ্ঞান
নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র, g ও কৃত্রিম উপগ্রহ
পদার্থবিজ্ঞান
তার ও নলে স্থির তরঙ্গ
পদার্থবিজ্ঞান
অনুনাদ নল ও শব্দের দ্রুতি
পদার্থবিজ্ঞান
স্বরকম্প: কাছাকাছি দুই সুরের স্পন্দন
পদার্থবিজ্ঞান
ডপলার প্রভাব: চলমান উৎস, চলমান শ্রোতা ও সনিক বুম
পদার্থবিজ্ঞান
প্রিজম, আলোর বিচ্ছুরণ ও রামধনু
পদার্থবিজ্ঞান
কির্শফের সূত্র: সংযোগ সূত্র ও বদ্ধ পথ সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
হুইটস্টোন ব্রিজ ও মিটার ব্রিজ
পদার্থবিজ্ঞান
একক চিড়ে অপবর্তন
পদার্থবিজ্ঞান
চোখের ত্রুটি ও তার প্রতিকার
পদার্থবিজ্ঞান
আলোর সমবর্তন: ম্যালাসের সূত্র ও ব্রুস্টারের সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
ক্যাপাসিটরের আহিতকরণ ও নিরাহিতকরণ: আরসি সময় ধ্রুবক
পদার্থবিজ্ঞান
চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা: দণ্ডচুম্বক, তড়িৎবাহী সরল তার ও সলিনয়েড
পদার্থবিজ্ঞান
এসি জেনারেটর
পদার্থবিজ্ঞান
ট্রান্সফর্মার
পদার্থবিজ্ঞান
তাপের সঞ্চালন: পরিবহন, পরিচলন ও বিকিরণ
পদার্থবিজ্ঞান
আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া: আইনস্টাইনের সমীকরণ ও নিবৃত্তি বিভব
পদার্থবিজ্ঞান
মোটর ক্রিয়া: তড়িৎবাহী তারের ওপর বল ও ডিসি মোটর
পদার্থবিজ্ঞান
গ্যাসের অণু ও গতিতত্ত্ব: চাপ, তাপমাত্রা ও দ্রুতি
পদার্থবিজ্ঞান
অর্ধপরিবাহী ডায়োড: p–n সন্ধি, I–V বক্ররেখা ও রেক্টিফায়ার
পদার্থবিজ্ঞান
তেজস্ক্রিয় ক্ষয়: অর্ধায়ু, ক্ষয় সূত্র ও বিকিরণের ভেদন ক্ষমতা
পদার্থবিজ্ঞান
বোর পরমাণু মডেল: কক্ষপথ, শক্তিস্তর ও হাইড্রোজেনের বর্ণালি
রসায়ন
পরমাণুর গঠন
রসায়ন
এসিড, ক্ষারক ও pH স্কেল
রসায়ন
ইলেকট্রন বিন্যাস
রসায়ন
গ্যাসের সূত্র: বয়েল, চার্লস ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ
রসায়ন
আয়নিক বন্ধন কীভাবে গঠিত হয়
রসায়ন
তড়িৎ বিশ্লেষণ ও ফ্যারাডের সূত্র
রসায়ন
সমযোজী বন্ধন
রসায়ন
পর্যায়বৃত্ত ধর্ম
রসায়ন
বিক্রিয়ার হার ও সংঘর্ষ তত্ত্ব
রসায়ন
পদার্থের অবস্থা: কঠিন, তরল, গ্যাসীয় ও তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র
রসায়ন
পরমাণুর অরবিটাল: s, p, d-এর আকৃতি, কোয়ান্টাম সংখ্যা ও নোড
রসায়ন
আণবিক আকৃতি ও ভিএসইপিআর তত্ত্ব: বন্ধন জোড়, মুক্তজোড় ও বন্ধন কোণ
রসায়ন
মোল ধারণা: মোলার ভর, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা ও মোলার আয়তন
রসায়ন
ব্যাপন ও নিঃসরণ: গ্রাহামের সূত্র
রসায়ন
রাসায়নিক সমীকরণ সমতাকরণ: পদ্ধতি, উদাহরণ ও অনুশীলন
রসায়ন
রাসায়নিক সাম্যাবস্থা: সাম্যধ্রুবক Kc ও লা শাতেলিয়ের নীতি
রসায়ন
টাইট্রেশন: অম্ল-ক্ষারের ঘনমাত্রা বের করার পদ্ধতি
রসায়ন
গ্যালভানিক কোষ: ড্যানিয়েল কোষ, EMF ও নার্নস্ট সমীকরণ
রসায়ন
জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া: জারণ সংখ্যা, ইলেকট্রন স্থানান্তর ও অর্ধ-সমীকরণ
রসায়ন
হাইড্রোকার্বন: অ্যালকেন, অ্যালকিন, অ্যালকাইন ও কাঠামোগত সমাণু ত্রিমাত্রায়
রসায়ন
কার্যকরী মূলক: অ্যালকোহল, অ্যালডিহাইড, কিটোন, অ্যাসিড, এস্টার ও অ্যামিন
রসায়ন
পলিমারকরণ: যোজন ও ঘনীভবন পলিমার, পলিথিন ও নাইলন
রসায়ন
মিশ্রণ আলাদা করার পদ্ধতি: ছাঁকন, পাতন, ক্রোমাটোগ্রাফি, স্ফটিকীকরণ
রসায়ন
কেলাস জালক: SC, BCC ও FCC একক কোষ, প্যাকিং দক্ষতা ও ঘনত্ব
রসায়ন
তেজস্ক্রিয়তা: আলফা, বিটা, গামা ক্ষয় ও অর্ধায়ু
গণিত
পিথাগোরাসের উপপাদ্য
গণিত
ত্রিকোণমিতিক অনুপাত ও একক বৃত্ত
গণিত
দ্বিঘাত সমীকরণ ও দ্বিঘাত ফাংশনের লেখচিত্র
গণিত
বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য
গণিত
দূরত্ব ও উচ্চতা: উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ
গণিত
সম্ভাবনা: পরীক্ষালব্ধ বনাম তাত্ত্বিক সম্ভাবনা
গণিত
সমান্তর ও গুণোত্তর ধারা
গণিত
গড়, মধ্যক ও প্রচুরক
গণিত
সেট ও ভেনচিত্র
গণিত
সরল সহসমীকরণ ও সরলরেখার লেখচিত্র
গণিত
sin, cos, tan-এর লেখচিত্র
গণিত
পূর্ণবর্গ পদ্ধতি ও দ্বিঘাত সমীকরণের সমাধান
গণিত
বৃত্তের ক্ষেত্রফল: সূত্র, প্রমাণ ও সমাধান
গণিত
ঘনবস্তুর আয়তন ও তলের ক্ষেত্রফল: ঘনক, আয়তঘন, বেলন, কোণক, গোলক
গণিত
সদৃশ ত্রিভুজ: স্কেল ফ্যাক্টর, AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়া থেকে উচ্চতা
গণিত
স্থানাঙ্ক জ্যামিতি: দূরত্ব, মধ্যবিন্দু, ঢাল, বিভক্তিকরণ সূত্র ও সঞ্চারপথ
গণিত
শাঙ্কব ছেদ: বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত ও অধিবৃত্ত
গণিত
ফাংশনের রূপান্তর: সরানো, টানা ও উল্টানো
গণিত
অন্তরীকরণ: স্পর্শকের ঢাল ও ছেদক থেকে স্পর্শক
গণিত
রিম্যান যোগফল ও সমাকলন: বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফল
গণিত
সীমা ও ε–δ সংজ্ঞা: ছবিতে বোঝা
গণিত
ত্রিমাত্রিক ভেক্টর: যোগ, ডট গুণ ও ক্রস গুণ
গণিত
ম্যাট্রিক্স রূপান্তর: ঘূর্ণন, প্রতিফলন, শিয়ার ও নির্ণায়ক
গণিত
জটিল সংখ্যা: আরগান্ড সমতলে যোগ, গুণ, ঘাত ও মূল
গণিত






















