নিয়ন্ত্রণ
কী দেখবে
বিট ঘরগুলো উল্টে দাও (বাঁ থেকে ডানে বড় থেকে ছোট)
পরিমাপ
- দশমিক
- ৪৫
- বাইনারি
- ১০১১০১₂
- অক্টাল
- ৫৫₈
- হেক্সাডেসিমাল
- ২D₁₆
- কয়টি ১
- ৪
- দরকারি বিট
- ৬
সিমুলেশনটি কীভাবে ব্যবহার করবে
- ক্লাসের আটটা ঘরের মাথায় লেখা আছে 2⁷ থেকে 2⁰। প্রতিটির নিচে একটি বাক্স, হয় ১ (চালু, রঙিন) নয়তো ০ (বন্ধ)। প্রতিটি বাক্স একটি সুইচ।
- নিয়ন্ত্রণের নিচের ছোট বিট বোতামে চাপ দাও, বা “দশমিক সংখ্যা” স্লাইডার টানো। বাক্সগুলো বদলাবে, আর রিডিংয়ে একই সংখ্যা দশমিক, বাইনারি, অক্টাল ও হেক্সায় দেখাবে।
- প্রথমে “স্থানীয় মান যোগ” দেখো। চালালে ঘরগুলো বাঁ থেকে একে একে জ্বলে ওঠে। যে ঘর চালু, সে নিজের স্থানীয় মান দেয়, আর সবুজ লাইনে সেগুলো যোগ হয়ে চলে।
- এবার “২ দিয়ে ভাগ” দেখো। সংখ্যাটা বারবার অর্ধেক হয়, প্রতিবারের ভাগশেষ ডান দিকের বাক্সে পড়ে। বাক্সগুলো নিচ থেকে উপরে পড়লেই বাইনারি সংখ্যা।
- “অক্টাল” আর “হেক্সা” চেষ্টা করো। বিটগুলো ডান থেকে ৩টি বা ৪টি করে রঙিন গ্রুপে ভাগ হয়, প্রতিটি গ্রুপ একটি অঙ্ক। পুরো সংখ্যায় কোনো হিসাব করতে হয় না, খেয়াল করো।
- “বাইনারি যোগ” খুলে দ্বিতীয় সংখ্যা ঠিক করো। ডান দিক থেকে ঘর ধরে ধরে যোগ হয়। ঘরের মাথায় লাল ১ মানে হাতে-রাখা। মঞ্চের নিচের লাইনে প্রতিটি ঘরের হিসাব লেখা থাকে।
কম্পিউটার কেন দুই দিয়ে গোনে
কম্পিউটারের ভেতরে সবকিছুই সুইচ। একটি ট্রানজিস্টর হয় বিদ্যুৎ যেতে দেয়, নয় দেয় না। ডিস্কের একটি দাগ হয় চকচকে, নয় ম্যাড়মেড়ে। একটি তারে ভোল্টেজ হয় বেশি, নয় কম। দুটি অবস্থা বানানো সহজ, নকল করা সস্তা, আর গুলিয়ে ফেলা কঠিন। দশটা অঙ্কের জন্য দশটা আলাদা ভোল্টেজ লাগত, আর গরমের দিনে লাইনে সামান্য গোলমাল হলেই সেগুলো গুলিয়ে যেত।
তাই কম্পিউটার সংখ্যা লেখে মাত্র দুটি চিহ্নে, ০ আর ১। প্রতিটিকে বলে বিট (বাইনারি ডিজিটের সংক্ষেপ)। গোনার নিয়ম ঠিক তোমার চেনা, শুধু বর্ণমালা ছোট। প্যাটার্নটা একবার ধরে ফেললে বাইনারি আর দশমিকের রূপান্তর রহস্য থাকে না, হয়ে যায় সোজা অভ্যাসের অঙ্ক।
স্থানীয় মান: প্রতিটি সংখ্যা পদ্ধতির পেছনের ধারণা
দশমিক সংখ্যা ৩,৫০৭ নাও। ৭ মানে সাতটা এক, ০ মানে কোনো দশ নেই, ৫ মানে পাঁচটা শ’, ৩ মানে তিনটা হাজার। প্রতিটি ঘর তার ডানের ঘরের দশ গুণ। এই দশই ভিত্তি (বেস), তাই দশমিককে বলি বেস ১০।
বাইনারিতে ঠিক একই ধারণা, তবে ভিত্তি ২। ডান থেকে ঘরগুলোর মান ১, ২, ৪, ৮, ১৬, ৩২, ৬৪, ১২৮… প্রতিবার দ্বিগুণ। অঙ্ক হয় ০ নয় ১, তাই একটা ঘর হয় একবার গোনা হয়, নয়তো একেবারেই না। “এই ঘরের তিনটা” বলে কিছু নেই। পুরো পদ্ধতিটা এটুকুই।
| ঘর | স্থানীয় মান |
|---|---|
| 2⁰ | ১ |
| 2¹ | ২ |
| 2² | ৪ |
| 2³ | ৮ |
| 2⁴ | ১৬ |
| 2⁵ | ৩২ |
| 2⁶ | ৬৪ |
| 2⁷ | ১২৮ |
| 2⁸ | ২৫৬ |
| 2⁹ | ৫১২ |
| 2¹⁰ | ১,০২৪ |
বাইনারি থেকে দশমিক: চালু ঘরের মান যোগ করো
২১৪ বাইনারিতে লিখলে ১১০১০১১০। এটা স্থানীয় মানের ঘরগুলোর নিচে বসাও, আর প্রতি ঘরে একটাই প্রশ্ন: সুইচ কি চালু? চালু হলে ঘরের মান নাও, নইলে শূন্য। তারপর যোগ।
চালু ঘরগুলো ১২৮ + ৬৪ + ১৬ + ৪ + ২, মানে আটটার মধ্যে ৫টি। যোগফল ২১৪। আর কিছুই লাগে না। সিমুলেশনের “স্থানীয় মান যোগ” দৃশ্যটা ঠিক এটাই।
১১০১০১১০₂ = ১২৮ + ৬৪ + ১৬ + ৪ + ২ = ২১৪শুধু যেসব ঘরে ১ আছে সেগুলো যোগ করো।
| ঘর | স্থানীয় মান | বিট | যা যোগ হয় |
|---|---|---|---|
| 2⁷ | ১২৮ | ১ | ১২৮ |
| 2⁶ | ৬৪ | ১ | ৬৪ |
| 2⁵ | ৩২ | ০ | ০ |
| 2⁴ | ১৬ | ১ | ১৬ |
| 2³ | ৮ | ০ | ০ |
| 2² | ৪ | ১ | ৪ |
| 2¹ | ২ | ১ | ২ |
| 2⁰ | ১ | ০ | ০ |
দশমিক থেকে বাইনারি: বারবার অর্ধেক করো
উল্টো দিকে যেতে অন্য প্রশ্ন করো: সংখ্যাটা জোড় না বিজোড়? ২ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষ লিখে রাখো, বিজোড় হলে ১, জোড় হলে ০। এরপর ভাগফল নিয়ে একই কাজ। ভাগফল ০ না হওয়া পর্যন্ত চলো। ৪৫-এর জন্য ৬ বার ভাগ লাগে।
প্রথম ভাগশেষটা এক-এর ঘরের (১), আর শেষটা সবচেয়ে বড় ঘরের (১)। তাই ভাগশেষ পড়তে হয় নিচ থেকে উপরে, তাতে পাই ১০১১০১। যে ক্রমে বের করেছ তার উল্টো। এই অধ্যায়ে সবচেয়ে বেশি ভুল হয় এখানেই।
৪৫ = ১০১১০১₂স্থানীয় মান যোগ করে মিলিয়ে দেখো: ৩২ + ৮ + ৪ + ১ = ৪৫।
| ভাগ | ভাগফল | ভাগশেষ |
|---|---|---|
| ৪৫ ÷ ২ | ২২ | ১ |
| ২২ ÷ ২ | ১১ | ০ |
| ১১ ÷ ২ | ৫ | ১ |
| ৫ ÷ ২ | ২ | ১ |
| ২ ÷ ২ | ১ | ০ |
| ১ ÷ ২ | ০ | ১ |
প্রথম ষোলটি সংখ্যা চার পদ্ধতিতে
এই ছকটা মাথায় রাখলে অধ্যায়ের অর্ধেক হয়ে গেল। চার বিটে ঠিক ০ থেকে ১৫ ধরে, তাই একটি হেক্সা অঙ্ক চার বিটের সমান। ৯-এর পর হেক্সায় অঙ্ক ফুরিয়ে যায়, তখন A থেকে F অক্ষর ধার নেওয়া হয়: A মানে দশ, B মানে এগারো, F মানে পনেরো।
| দশমিক | বাইনারি | অক্টাল | হেক্সা |
|---|---|---|---|
| ০ | ০০০০ | ০ | ০ |
| ১ | ০০০১ | ১ | ১ |
| ২ | ০০১০ | ২ | ২ |
| ৩ | ০০১১ | ৩ | ৩ |
| ৪ | ০১০০ | ৪ | ৪ |
| ৫ | ০১০১ | ৫ | ৫ |
| ৬ | ০১১০ | ৬ | ৬ |
| ৭ | ০১১১ | ৭ | ৭ |
| ৮ | ১০০০ | ১০ | ৮ |
| ৯ | ১০০১ | ১১ | ৯ |
| ১০ | ১০১০ | ১২ | A |
| ১১ | ১০১১ | ১৩ | B |
| ১২ | ১১০০ | ১৪ | C |
| ১৩ | ১১০১ | ১৫ | D |
| ১৪ | ১১১০ | ১৬ | E |
| ১৫ | ১১১১ | ১৭ | F |
অক্টাল: তিন বিটের গ্রুপ
বাইনারি সংখ্যা দ্রুত লম্বা হয়ে যায়। অক্টাল হলো সংক্ষিপ্ত রূপ, যাতে কোনো হিসাব লাগে না, কারণ আট হলো 2³ আর তিন বিটে ঠিক একটি অক্টাল অঙ্ক হয়। ডান থেকে তিনটি করে বিট আলাদা করো (দরকার হলে বাঁয়ে শূন্য বসাও) আর প্রতিটি গ্রুপ আলাদা পড়ো।
২১৪ = ১১০১০১১০-এর সামনে একটি শূন্য বসিয়ে কাটলে হয় ০১১ ০১০ ১১০। গ্রুপগুলোর মান বসালে ২১৪-এর অক্টাল রূপ ৩২৬₈।
| তিন বিটের গ্রুপ | অক্টাল অঙ্ক |
|---|---|
| ০১১ | ৩ |
| ০১০ | ২ |
| ১১০ | ৬ |
হেক্সাডেসিমাল: চার বিটের গ্রুপ
হেক্সাডেসিমাল মানে বেস ১৬, আর ষোলো হলো 2⁴, তাই প্রতি চার বিটে একটি হেক্সা অঙ্ক। প্রোগ্রামাররা এটাই বেশি পছন্দ করে, কারণ এক বাইট (আট বিট) সবসময় ঠিক দুটি হেক্সা অঙ্ক।
২১৪-এর জন্য ১১০১০১১০ চারটি করে কাটো: ১১০১ ০১১০। বাঁ গ্রুপের মান ১৩, লেখা হয় D, আর ডান গ্রুপ থেকে আসে অন্য অঙ্কটি। সব মিলিয়ে D৬₁₆।
| চার বিটের গ্রুপ | হেক্সা অঙ্ক | মান |
|---|---|---|
| ১১০১ | D | ১৩ |
| ০১১০ | ৬ | ৬ |
ক্যারিসহ বাইনারি যোগ
বাইনারি যোগে মনে রাখার মতো মাত্র চারটি তথ্য: ০ + ০ = ০, ০ + ১ = ১, ১ + ০ = ১ আর ১ + ১ = ১০ (অর্থাৎ ০ লিখে ১ হাতে)। এটা ঠিক স্কুলের ঘর ধরে যোগ, শুধু একটা ঘর ১০-এ নয়, ২-এ পৌঁছালেই উপচে পড়ে।
ডান থেকে শুরু করো। দুই বিট আর আসা-হাতের যোগ করো। মোট ০ বা ১ হলে লিখে দাও। মোট ২ হলে ০ লিখে ১ পরের ঘরে হাতে রাখো। মোট ৩ (১ + ১ + ১ হাতে) হলে ১ লিখে ১ হাতে। ১০১১০১ আর ১১০১১ (মানে ৪৫ + ২৭) যোগে ৬বার হাতে রাখতে হয়, উত্তর ১০০১০০০, অর্থাৎ ৭২।
| ঘর | বিট + বিট + আসা হাতে | মোট | লেখো | পরের ঘরে হাতে |
|---|---|---|---|---|
| ১ | ১ + ১ + ০ | ২ | ০ | ১ |
| ২ | ০ + ১ + ১ | ২ | ০ | ১ |
| ৩ | ১ + ০ + ১ | ২ | ০ | ১ |
| ৪ | ১ + ১ + ১ | ৩ | ১ | ১ |
| ৫ | ০ + ১ + ১ | ২ | ০ | ১ |
| ৬ | ১ + ০ + ১ | ২ | ০ | ১ |
| ৭ | ০ + ০ + ১ | ১ | ১ | ০ |
কত বিট লাগবে?
n বিটে 2ⁿ রকম প্যাটার্ন হয়, তাই ০ থেকে 2ⁿ − ১ পর্যন্ত সংখ্যা ধরে। আরেক বিট বাড়ালেই সংখ্যা দ্বিগুণ। এজন্যই আট বিটে (এক বাইট) ২৫৬টি মান ধরে, আর ৩২ ও ৬৪ বিটের কম্পিউটারের মেমোরির সংখ্যা বিশাল।
কোনো সংখ্যা N রাখতে কত বিট লাগে, তা বের করতে এমন ছোটতম n খোঁজো যাতে 2ⁿ, N-এর চেয়ে বড়। সহজ উপায়: N-এর ঠিক উপরের ২-এর ঘাতটা খুঁজে নাও।
| বিট | প্যাটার্ন (2ⁿ) | সবচেয়ে বড় সংখ্যা (2ⁿ − ১) |
|---|---|---|
| ১ | ২ | ১ |
| ৪ | ১৬ | ১৫ |
| ৮ | ২৫৬ | ২৫৫ |
| ১০ | ১,০২৪ | ১,০২৩ |
| ১৬ | ৬৫,৫৩৬ | ৬৫,৫৩৫ |
| ৩২ | ৪,২৯,৪৯,৬৭,২৯৬ | ৪,২৯,৪৯,৬৭,২৯৫ |
সিমুলেশনে নিজে করে দেখো
পাঁচটা ছোট পরীক্ষা। প্রতিটি এক মিনিটেরও কম, আর প্রতিটিতে নিয়ম গেঁথে যায়।
- শুধু একেবারে ডানের বাক্স চালু করো: সংখ্যা ১। শুধু তার পরেরটা: ২। প্রতিটি বাক্স আসলে ২-এর এক একটি ঘাত।
- আটটা বাক্সই চালু করো। এক বাইটের সবচেয়ে বড় সংখ্যা পাবে। ডানের বোতাম চেপে ১টা বন্ধ করো, সংখ্যা ঠিক ১ কমবে।
- যেকোনো সংখ্যা নিয়ে “২ দিয়ে ভাগ” চালাও, তারপর একই সংখ্যায় “স্থানীয় মান যোগ”। দুটো সম্পূর্ণ আলাদা পথ, উত্তর একই।
- “হেক্সা”-তে এমন সংখ্যা খোঁজো যার বাঁ গ্রুপ ১১১১। তার হেক্সা অঙ্ক F, একক অঙ্কের মধ্যে সর্বোচ্চ।
- “বাইনারি যোগ”-এ দুই সংখ্যাই ১২৭ করো। হাতের সংখ্যা গোনো: যোগফলে নবম ঘর লাগে, তাই এই সিমুলেশনে দ্বিতীয় সংখ্যা ১২৭ পর্যন্ত রাখা হয়েছে।
সমাধান করা অঙ্ক
অধ্যায়ের ছয়টি পরিচিত প্রশ্ন। নিচের প্রতিটি সংখ্যা সিমুলেশনের একই কোড দিয়ে হিসাব করা।
অঙ্ক ১: ১৫৬-কে বাইনারিতে লেখো
বারবার ২ দিয়ে ভাগ করো আর ভাগশেষ রাখো।
ভাগশেষ নিচ থেকে উপরে পড়লে ১০০১১১০০₂। তাই ১৫৬ = ১০০১১১০০₂।
| ভাগ | ভাগফল | ভাগশেষ |
|---|---|---|
| ১৫৬ ÷ ২ | ৭৮ | ০ |
| ৭৮ ÷ ২ | ৩৯ | ০ |
| ৩৯ ÷ ২ | ১৯ | ১ |
| ১৯ ÷ ২ | ৯ | ১ |
| ৯ ÷ ২ | ৪ | ১ |
| ৪ ÷ ২ | ২ | ০ |
| ২ ÷ ২ | ১ | ০ |
| ১ ÷ ২ | ০ | ১ |
অঙ্ক ২: ১০১১০১০১-কে দশমিকে লেখো
বিটগুলোর নিচে স্থানীয় মান বসাও, যেগুলো ১-এর নিচে পড়ে সেগুলো রাখো: ১২৮ + ৩২ + ১৬ + ৪ + ১।
যোগফল ১৮১। তাই ১০১১০১০১₂ = ১৮১।
অঙ্ক ৩: বাইনারি থেকে অক্টাল ও হেক্সা
১১১০১০১১₂-কে রূপান্তর করো (যার মান ২৩৫)।
অক্টালের জন্য বাঁয়ে একটি শূন্য বসিয়ে তিন তিন করে কাটো: ০১১ ১০১ ০১১, পড়লে ৩৫৩₈।
হেক্সার জন্য চার চার করে কাটো: ১১১০ ১০১১। বাঁ গ্রুপের মান ১৪, যা অক্ষর E, তাই উত্তর EB₁₆।
অঙ্ক ৪: ১০১১ আর ১১০ যোগ করো
দশমিকে ১১ + ৬ = ১৭। এবার বাইনারিতে করো: ডান থেকে যোগ, কোনো ঘর ২-এ পৌঁছালেই হাতে।
৩বার হাতে রাখতে হয় আর উত্তর ১০০০১₂, যা ১৭-এর সাথে মেলে।
অঙ্ক ৫: ১০০০ রাখতে কত বিট লাগে?
2⁹ = ৫১২ যা কম পড়ে, আর 2¹⁰ = ১,০২৪ যথেষ্ট। তাই ১,০০০ রাখতে ১০ বিট লাগে।
১০ বিটে সবচেয়ে বড় যে সংখ্যা রাখা যায় তা ১,০২৩।
অঙ্ক ৬: পরীক্ষার বাইরে কোথায় এর দেখা মেলে?
১৯২.১৬৮.১.১-এর মতো আইপি ঠিকানা মানে এক বাইট করে চারটি সংখ্যা। বাইনারিতে ১৯২ হলো ১১০০০০০০, আর ১৬৮ হলো ১০১০১০০০।
বড় হাতের A জমা থাকে ৬৫ কোড দিয়ে, যা ০১০০০০০১₂, আর হেক্সায় ৪১₁₆।
যেসব ভুল এড়াবে
এগুলোতে বারবার নম্বর কাটা যায়।
- ভাগশেষ উপর থেকে নিচে পড়া। পড়তে হবে নিচ থেকে উপরে।
- ভাগ ১-এ থামিয়ে দেওয়া, ০-তে নয়। শেষ ধাপ ১ ÷ ২-এ ভাগফল ০ আর ভাগশেষ ১, আর ওই ১-ই তোমার বাঁয়ের সবচেয়ে বড় বিট।
- অক্টাল বা হেক্সার গ্রুপ বাঁ দিক থেকে কাটা। সবসময় ডান থেকে কাটবে, আর একেবারে বাঁয়ের গ্রুপে শূন্য বসাবে।
- বাইনারিতে ১ + ১ = ২ লেখা। ২ নামে কোনো অঙ্ক নেই। উত্তর ১০, মানে ০ লিখে ১ হাতে।
- ভুলে যাওয়া যে হেক্সার অক্ষরও অঙ্ক: A = ১০, B = ১১, C = ১২, D = ১৩, E = ১৪, F = ১৫।
- বেসের সাবস্ক্রিপ্ট না লেখা। ১০১₂ লেখো, যাতে কেউ একশ এক না পড়ে।
বাইনারি কোথায় কাজে লাগে
ফোনের প্রতিটি ফাইল বিটের লম্বা সারি। ছবি, গান, এসএমএস, সবই ০ আর ১-এর প্যাটার্ন, আর সাধারণ একক হলো বাইট (আট বিট)। কিলোবাইট, মেগাবাইট, গিগাবাইট গোনা হয় ২-এর ঘাতে।
নেটওয়ার্কে ঠিকানা আসলে বাইনারি সংখ্যা, মানুষের জন্য দশমিকে লেখা। ওয়েব ডিজাইনে #1E90FF রঙ মানে তিনটি হেক্সা বাইট: লাল, সবুজ, নীল। প্রোগ্রামিংয়ে চালু বা বন্ধ একটি ফ্ল্যাগ মানে একটি বিট। তাই আইসিটির কম্পিউটার সিস্টেম, ডেটা উপস্থাপন, নেটওয়ার্ক আর ওয়েব ডিজাইনের অধ্যায়গুলো বারবার এই একই ধারণায় ফিরে আসে।
পরীক্ষার কোণ
এসএসসি, এইচএসসি ও ভর্তি পরীক্ষায় সংখ্যা পদ্ধতির প্রশ্নে এগুলো মনে রাখো।
- বাইনারি থেকে দশমিক: ডান থেকে ১, ২, ৪, ৮… বসাও আর যেখানে বিট ১ সেখানকার মান যোগ করো।
- দশমিক থেকে বাইনারি: ০ না আসা পর্যন্ত ২ দিয়ে ভাগ করো, ভাগশেষ উপর দিকে পড়ো।
- বাইনারি থেকে অক্টাল: ডান থেকে ৩ বিটের গ্রুপ। বাইনারি থেকে হেক্সা: ডান থেকে ৪ বিটের গ্রুপ।
- অক্টাল বা হেক্সা থেকে দশমিক: প্রতিটি অঙ্ককে ৮ বা ১৬-র ঘাত দিয়ে গুণ করে যোগ করো, নয়তো আগে বাইনারি করো।
- প্রতিটি সংখ্যার নিচে বেসের সাবস্ক্রিপ্ট লেখো আর প্রতিটি ধাপ দেখাও। শেষ অঙ্কে ভুল হলেও পদ্ধতির নম্বর পাওয়া যায়।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি কী?
এটি সংখ্যা লেখার একটি পদ্ধতি যেখানে মাত্র দুটি অঙ্ক ব্যবহার হয়, ০ আর ১। প্রতিটি ঘরের মান ডানের ঘরের দ্বিগুণ, তাই যেকোনো পূর্ণ সংখ্যাকে চালু স্থানীয় মানের সমষ্টি হিসেবে লেখা যায়।
দশমিক থেকে বাইনারিতে দ্রুত কীভাবে যাব?
সংখ্যাটাকে বারবার ২ দিয়ে ভাগ করে প্রতিবার ভাগশেষ লেখো, ভাগফল ০ না হওয়া পর্যন্ত। তারপর ভাগশেষগুলো নিচ থেকে উপরে পড়ো। ছোট সংখ্যায় সবচেয়ে বড় যে ২-এর ঘাত ঢোকে সেটা বারবার বিয়োগ করেও করা যায়।
কম্পিউটার কেন দশমিকের বদলে বাইনারি ব্যবহার করে?
দুটি অবস্থা, চালু আর বন্ধ, হার্ডওয়্যারে বানানো সহজ ও নির্ভরযোগ্য। দশটি ভোল্টেজ আলাদা করার সার্কিট ব্যয়বহুল ও ভুলপ্রবণ হতো, তাই কম্পিউটার দুটি অবস্থা দিয়েই বাকি সব গড়ে।
অক্টাল ও হেক্সাডেসিমাল কী কাজে লাগে?
লম্বা বাইনারি সংখ্যা ছোট করে লেখার উপায় এগুলো। তিন বিটে একটি অক্টাল অঙ্ক, চার বিটে একটি হেক্সা অঙ্ক, তাই রূপান্তর শুধু নতুন করে গ্রুপ করা, কোনো হিসাব নেই।
৮ বিটে কয়টি মান রাখা যায়?
আট বিটে ২৫৬টি আলাদা মান রাখা যায়, ০ থেকে ২৫৫ পর্যন্ত। এটাই এক বাইট।
এই বিষয়টি আইসিটি বইয়ে, না গণিত বইয়ে?
দুটোতেই। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সংখ্যা পদ্ধতি অধ্যায়ে ঠিক এই রূপান্তরগুলোই আছে, আর গণিতের ভিত্তি-বদলের প্রশ্নেও একই পদ্ধতি চলে।
এই বিষয়ের আরও পড়াশোনা
অ্যানিমেশনে ধারণা পরিষ্কার হলো, এবার পরীক্ষার প্রস্তুতি: সিলেবাস, সাজেশন, বই আর ভর্তি পরীক্ষার গাইড নিচে।
SSC
এসএসসি গণিত: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
বাংলা
রচনা: তথ্যপ্রযুক্তি ও বাংলাদেশ
পাঠ্যবই
নবম-দশম শ্রেণির গণিত বই
SSC
এসএসসি উচ্চতর গণিত: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
HSC
এইচএসসি উচ্চতর গণিত: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
পাঠ্যবই
নবম-দশম শ্রেণির উচ্চতর গণিত বই
ভর্তি
ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি
ভর্তি
জাবি গাণিতিক ও পদার্থবিষয়ক অনুষদ ভর্তি
English
Paragraph: Artificial Intelligence (ইংরেজিতে)
বাংলা
রচনা: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
SSC
এসএসসি সাজেশন
HSC
এইচএসসি সাজেশন
ভর্তি
বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার গাইড
SSC
এসএসসি সিলেবাস
HSC
এইচএসসি সিলেবাস
টেস্ট
GRE Quantitative Reasoning guide (ইংরেজিতে)
টেস্ট
Digital SAT Math guide (ইংরেজিতে)
স্কলারশিপ
বিদেশে পড়াশোনার স্কলারশিপ
টুল
Compound interest calculator (ইংরেজিতে)
ক্যারিয়ার
Data scientist resume example (ইংরেজিতে)
ক্যারিয়ার
Cover letter examples (ইংরেজিতে)
আরও গণিত অ্যানিমেশন
Class 8 · SSC
পিথাগোরাসের উপপাদ্য
পিথাগোরাসের উপপাদ্য কাকে বলে, সূত্র c² = a² + b², অষ্টম ও নবম-দশম শ্রেণির প্রমাণ, বিপরীত উপপাদ্য, পিথাগোরীয় ত্রয়ী ও সমাধানসহ অঙ্ক: ত্রিভুজ টেনে নিজে দেখো।
SSC · HSC
ত্রিকোণমিতিক অনুপাত ও একক বৃত্ত
ত্রিকোণমিতিক অনুপাত কাকে বলে, sin cos tan-এর মান ০° থেকে ৩৬০°, আদর্শ কোণের টেবিল, চতুর্ভাগের চিহ্ন ও সূত্র: একক বৃত্তে বিন্দু ঘুরিয়ে নিজে দেখো, সমাধানসহ।
SSC · HSC
দ্বিঘাত সমীকরণ ও দ্বিঘাত ফাংশনের লেখচিত্র
দ্বিঘাত সমীকরণ কাকে বলে, উৎপাদক ও বর্গপূর্ণকরণ পদ্ধতি, শ্রীধর আচার্যের সূত্র, নিশ্চায়ক দিয়ে মূলের প্রকৃতি, শীর্ষবিন্দু ও পরাবৃত্তের লেখচিত্র অ্যানিমেশনে।
SSC
বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য
বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য সহজে: কেন্দ্রস্থ ও বৃত্তস্থ কোণ, অর্ধবৃত্তস্থ কোণ, বৃত্তীয় চতুর্ভুজ, জ্যা ও স্পর্শক। SSC-র প্রমাণ আর সমাধানসহ অঙ্ক, বিন্দু টেনে নিজে দেখো।
SSC
দূরত্ব ও উচ্চতা: উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ
উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ কাকে বলে, দূরত্ব ও উচ্চতার সূত্র কীভাবে কাজ করে, আর দুই দফা পর্যবেক্ষণে না মেপেই টাওয়ারের উচ্চতা বের করা যায় কীভাবে — ইন্টারঅ্যাকটিভ সিমুলেশন ও সমাধানসহ।
SSC
সম্ভাবনা: পরীক্ষালব্ধ বনাম তাত্ত্বিক সম্ভাবনা
সম্ভাবনা কাকে বলে, নমুনা ক্ষেত্র ও সম্ভাবনার সূত্র P(E) = n(E)/n(S) কীভাবে কাজ করে, আর বহুবার নিক্ষেপ করলে পরীক্ষালব্ধ হার কীভাবে তাত্ত্বিক সম্ভাবনার কাছাকাছি চলে আসে — মুদ্রা, ছক্কা, দুই ছক্কা ও রঙিন বল দিয়ে ইন্টারঅ্যাকটিভ সিমুলেশন ও সমাধান করা অঙ্কসহ।
SSC · HSC
সমান্তর ও গুণোত্তর ধারা
সমান্তর ধারা ও গুণোত্তর ধারার n-তম পদ ও যোগফল সূত্র, গাউসের জোড়া বাঁধার কৌশল আর অসীম ধারার সূত্র a/(1−r): বার-চার্ট অ্যানিমেশনে নিজে টেনে দেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।
SSC
গড়, মধ্যক ও প্রচুরক
গড়, মধ্যক ও প্রচুরক নির্ণয়ের সূত্র, আউটলায়ারে মধ্যক কেন অটুট থাকে, আর শ্রেণিবদ্ধ উপাত্তের মধ্যক-প্রচুরক সূত্র: বিন্দু টেনে সংখ্যা রেখায় নিজে দেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।
Class 9 · SSC
সেট ও ভেনচিত্র
সংযোগ সেট, ছেদ সেট, অন্তর সেট, পূরক সেট আর ডি মরগানের সূত্র ভেনচিত্রে হাতে-কলমে দেখো: অঞ্চল রাঙাও, সংখ্যা বসাও, n(A ∪ B) সূত্র যাচাই করো, সমাধান করা অঙ্কসহ।
Class 8 · SSC
সরল সহসমীকরণ ও সরলরেখার লেখচিত্র
ঢাল, ছেদক ও ছেদবিন্দু অ্যানিমেশনে দেখো। দুটি সরল সমীকরণ লেখচিত্রে এঁকে সমাধান করো, সমঞ্জস-অসমঞ্জস চেনো এবং অনুপাত পরীক্ষা কষে নাও, SSC-র ধাঁচে।
SSC · HSC
sin, cos, tan-এর লেখচিত্র
y = A sin(Bx + C) + D আঁকো স্লাইডার টেনে: বিস্তার, পর্যায়কাল, দশা সরণ, মানের পরিসর আর tan-এর অসীমতট নিজে দেখো। সমাধানসহ ত্রিকোণমিতিক লেখচিত্র।
Class 9 · SSC
পূর্ণবর্গ পদ্ধতি ও দ্বিঘাত সমীকরণের সমাধান
টালি সাজিয়ে পূর্ণবর্গ পদ্ধতি দেখো, দ্বিঘাত সমীকরণের মূল ও শীর্ষবিন্দু বের করো এবং সূত্রটা কেন কাজ করে বুঝে নাও। অ্যানিমেশন ও সমাধানসহ।
Class 8 · SSC
বৃত্তের ক্ষেত্রফল: সূত্র, প্রমাণ ও সমাধান
বৃত্তকে টুকরো করে সাজিয়ে আয়তক্ষেত্র বানাও আর দেখো ক্ষেত্রফল কীভাবে πr² হয়। পরিধি, পাই, বৃত্তকলা, বৃত্তচাপ ও সমাধানসহ ফ্রি ইন্টারঅ্যাকটিভ সিমুলেশন।
Class 8 · SSC
ঘনবস্তুর আয়তন ও তলের ক্ষেত্রফল: ঘনক, আয়তঘন, বেলন, কোণক, গোলক
ছয়টি ঘনবস্তু ৩ডি-তে ঘোরাও, জাল খুলে দেখো আর কোণকের পানি বেলনে ঢেলে বোঝো কেন ঠিক তিন বারে ভরে। আয়তন, বক্রতল ও সমগ্রতলের সূত্র আর সমাধানসহ বিনামূল্যের সিমুলেশন।
Class 9 · SSC
সদৃশ ত্রিভুজ: স্কেল ফ্যাক্টর, AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়া থেকে উচ্চতা
স্লাইডার টেনে ত্রিভুজকে বড়-ছোট করো আর দেখো কোণ সমান থাকে, বাহুর অনুপাত k থাকে, ক্ষেত্রফল k² গুণ হয়। সদৃশতার AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়ার অঙ্কসহ বিনামূল্যের সিমুলেশন।
Class 9 · SSC
স্থানাঙ্ক জ্যামিতি: দূরত্ব, মধ্যবিন্দু, ঢাল, বিভক্তিকরণ সূত্র ও সঞ্চারপথ
গ্রিডে বিন্দু টেনে দেখো দূরত্বের সূত্র, মধ্যবিন্দু, ঢাল আর বিভক্তিকরণ সূত্র কীভাবে বদলায়। লম্বসমদ্বিখণ্ডক সঞ্চারপথ ও সমাধান করা অঙ্কসহ বিনামূল্যের সিমুলেশন।
HSC
শাঙ্কব ছেদ: বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত ও অধিবৃত্ত
দ্বিশঙ্কুর মধ্য দিয়ে তল কাত করে দেখো বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত আর অধিবৃত্ত কীভাবে তৈরি হয়। সমীকরণ, ফোকাস ও উৎকেন্দ্রিকতাসহ বিনামূল্যের সিমুলেশন ও সমাধান করা অঙ্ক।
Class 9 · SSC
ফাংশনের রূপান্তর: সরানো, টানা ও উল্টানো
x², |x|, √x, sin x বা 2^x বেছে a, b, h, k স্লাইডার নাড়াও। দেখো লেখচিত্র কীভাবে সরে, টানে, চাপে আর উল্টে যায়, পেছনে ফিকে মূল লেখচিত্রসহ। বিনামূল্যের সিমুলেশন ও সমাধান করা অঙ্ক।
HSC
অন্তরীকরণ: স্পর্শকের ঢাল ও ছেদক থেকে স্পর্শক
x², x³, sin x, eˣ বা 1/x বক্ররেখায় P বিন্দু টানো আর ব্যবধান h শূন্যের দিকে কমাও। ছেদক কীভাবে স্পর্শক হয় আর তার ঢাল কীভাবে অন্তরজ হয় তা দেখো। নিচে অন্তরজের লেখচিত্রও আছে। বিনামূল্যে সিমুলেশন।
HSC
রিম্যান যোগফল ও সমাকলন: বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফল
x², x³, sin x, eˣ বা √x বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফলকে ১০০টি পর্যন্ত ফালিতে ভাগ করো, বাঁ, ডান, মধ্যবিন্দু ও ট্রাপিজিয়াম যোগফলকে সঠিক সমাকলনের সঙ্গে মেলাও। ভুল কমতে দেখো। বিনামূল্যে সিমুলেশন।
HSC
সীমা ও ε–δ সংজ্ঞা: ছবিতে বোঝা
ε–δ সংজ্ঞায় সীমা চোখে দেখো। ফাংশন বেছে ε ছোট করো, δ ব্যান্ড কীভাবে সরু হয় দেখো। বাম-ডান সীমা, গর্ত, sin x / x আর লাফ, যেখানে কোনো δ কাজ করে না। বিনামূল্যে সিমুলেশন।
HSC
ত্রিমাত্রিক ভেক্টর: যোগ, ডট গুণ ও ক্রস গুণ
দুটি ত্রিমাত্রিক ভেক্টর টেনে ঘুরিয়ে দেখো। যোগফল সামান্তরিক হয়ে, ডট গুণ ছায়া ও কোণ হয়ে, আর ক্রস গুণ লম্ব তীর হয়ে ধরা দেবে, যার দৈর্ঘ্য ক্ষেত্রফল। বিনামূল্যে সিমুলেশন।
HSC
ম্যাট্রিক্স রূপান্তর: ঘূর্ণন, প্রতিফলন, শিয়ার ও নির্ণায়ক
২×২ ম্যাট্রিক্স বদলে দেখো ছক, একক বর্গ আর একটা F-আকৃতি কীভাবে নড়ে। î আর ĵ কোথায় যায়, নির্ণায়ক কীভাবে চিহ্নযুক্ত ক্ষেত্রফল, আর বিপরীত ম্যাট্রিক্স। বিনামূল্যে সিমুলেশন।
HSC
জটিল সংখ্যা: আরগান্ড সমতলে যোগ, গুণ, ঘাত ও মূল
আরগান্ড সমতলে দুটি জটিল সংখ্যা টেনে সরাও। যোগফল সামান্তরিক হয়ে, গুণফল ঘূর্ণন ও টান হয়ে, অনুবন্ধী, ঘাত সর্পিল হয়ে এবং এককের মূল ধরা দেবে। বিনামূল্যে সিমুলেশন।
অন্য বিষয়ের অ্যানিমেশন
পদার্থবিজ্ঞান
আলোর প্রতিসরণ
পদার্থবিজ্ঞান
ওহমের সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
প্রাসের গতি
পদার্থবিজ্ঞান
সরল দোলক
পদার্থবিজ্ঞান
তড়িৎ ক্ষেত্র
পদার্থবিজ্ঞান
তরঙ্গের ব্যতিচার
পদার্থবিজ্ঞান
পড়ন্ত বস্তু ও পড়ন্ত বস্তুর সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
লেন্সে প্রতিবিম্ব গঠন
পদার্থবিজ্ঞান
নিউটনের গতির সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
গোলীয় দর্পণে প্রতিবিম্ব গঠন
পদার্থবিজ্ঞান
তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ ও ফ্যারাডের সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
ভরবেগের সংরক্ষণ ও সংঘর্ষ
পদার্থবিজ্ঞান
কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি
পদার্থবিজ্ঞান
নততল
পদার্থবিজ্ঞান
বৃত্তাকার গতি
পদার্থবিজ্ঞান
অনুপ্রস্থ ও অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ
পদার্থবিজ্ঞান
লিভার ও ভ্রামক
পদার্থবিজ্ঞান
ভরকেন্দ্র
পদার্থবিজ্ঞান
স্প্রিং-ভর ও সরল ছন্দিত স্পন্দন
পদার্থবিজ্ঞান
ভেক্টর যোগ: ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
আপেক্ষিক বেগ: ট্রেন ও নদী পারাপার
পদার্থবিজ্ঞান
কেপলারের সূত্র ও উপবৃত্তাকার কক্ষপথ
পদার্থবিজ্ঞান
নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র, g ও কৃত্রিম উপগ্রহ
পদার্থবিজ্ঞান
তার ও নলে স্থির তরঙ্গ
পদার্থবিজ্ঞান
অনুনাদ নল ও শব্দের দ্রুতি
পদার্থবিজ্ঞান
স্বরকম্প: কাছাকাছি দুই সুরের স্পন্দন
পদার্থবিজ্ঞান
ডপলার প্রভাব: চলমান উৎস, চলমান শ্রোতা ও সনিক বুম
পদার্থবিজ্ঞান
প্রিজম, আলোর বিচ্ছুরণ ও রামধনু
পদার্থবিজ্ঞান
কির্শফের সূত্র: সংযোগ সূত্র ও বদ্ধ পথ সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
হুইটস্টোন ব্রিজ ও মিটার ব্রিজ
পদার্থবিজ্ঞান
একক চিড়ে অপবর্তন
পদার্থবিজ্ঞান
চোখের ত্রুটি ও তার প্রতিকার
পদার্থবিজ্ঞান
আলোর সমবর্তন: ম্যালাসের সূত্র ও ব্রুস্টারের সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
ক্যাপাসিটরের আহিতকরণ ও নিরাহিতকরণ: আরসি সময় ধ্রুবক
পদার্থবিজ্ঞান
চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা: দণ্ডচুম্বক, তড়িৎবাহী সরল তার ও সলিনয়েড
পদার্থবিজ্ঞান
এসি জেনারেটর
পদার্থবিজ্ঞান
ট্রান্সফর্মার
পদার্থবিজ্ঞান
তাপের সঞ্চালন: পরিবহন, পরিচলন ও বিকিরণ
পদার্থবিজ্ঞান
আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া: আইনস্টাইনের সমীকরণ ও নিবৃত্তি বিভব
পদার্থবিজ্ঞান
মোটর ক্রিয়া: তড়িৎবাহী তারের ওপর বল ও ডিসি মোটর
পদার্থবিজ্ঞান
গ্যাসের অণু ও গতিতত্ত্ব: চাপ, তাপমাত্রা ও দ্রুতি
পদার্থবিজ্ঞান
অর্ধপরিবাহী ডায়োড: p–n সন্ধি, I–V বক্ররেখা ও রেক্টিফায়ার
পদার্থবিজ্ঞান
তেজস্ক্রিয় ক্ষয়: অর্ধায়ু, ক্ষয় সূত্র ও বিকিরণের ভেদন ক্ষমতা
পদার্থবিজ্ঞান
বোর পরমাণু মডেল: কক্ষপথ, শক্তিস্তর ও হাইড্রোজেনের বর্ণালি
রসায়ন
পরমাণুর গঠন
রসায়ন
এসিড, ক্ষারক ও pH স্কেল
রসায়ন
ইলেকট্রন বিন্যাস
রসায়ন
গ্যাসের সূত্র: বয়েল, চার্লস ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ
রসায়ন
আয়নিক বন্ধন কীভাবে গঠিত হয়
রসায়ন
তড়িৎ বিশ্লেষণ ও ফ্যারাডের সূত্র
রসায়ন
সমযোজী বন্ধন
রসায়ন
পর্যায়বৃত্ত ধর্ম
রসায়ন
বিক্রিয়ার হার ও সংঘর্ষ তত্ত্ব
রসায়ন
পদার্থের অবস্থা: কঠিন, তরল, গ্যাসীয় ও তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র
রসায়ন
পরমাণুর অরবিটাল: s, p, d-এর আকৃতি, কোয়ান্টাম সংখ্যা ও নোড
রসায়ন
আণবিক আকৃতি ও ভিএসইপিআর তত্ত্ব: বন্ধন জোড়, মুক্তজোড় ও বন্ধন কোণ
রসায়ন
মোল ধারণা: মোলার ভর, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা ও মোলার আয়তন
রসায়ন
ব্যাপন ও নিঃসরণ: গ্রাহামের সূত্র
রসায়ন
রাসায়নিক সমীকরণ সমতাকরণ: পদ্ধতি, উদাহরণ ও অনুশীলন
রসায়ন
রাসায়নিক সাম্যাবস্থা: সাম্যধ্রুবক Kc ও লা শাতেলিয়ের নীতি
রসায়ন
টাইট্রেশন: অম্ল-ক্ষারের ঘনমাত্রা বের করার পদ্ধতি
রসায়ন
গ্যালভানিক কোষ: ড্যানিয়েল কোষ, EMF ও নার্নস্ট সমীকরণ
রসায়ন
জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া: জারণ সংখ্যা, ইলেকট্রন স্থানান্তর ও অর্ধ-সমীকরণ
রসায়ন
হাইড্রোকার্বন: অ্যালকেন, অ্যালকিন, অ্যালকাইন ও কাঠামোগত সমাণু ত্রিমাত্রায়
রসায়ন
কার্যকরী মূলক: অ্যালকোহল, অ্যালডিহাইড, কিটোন, অ্যাসিড, এস্টার ও অ্যামিন
রসায়ন
পলিমারকরণ: যোজন ও ঘনীভবন পলিমার, পলিথিন ও নাইলন
রসায়ন
মিশ্রণ আলাদা করার পদ্ধতি: ছাঁকন, পাতন, ক্রোমাটোগ্রাফি, স্ফটিকীকরণ
রসায়ন
কেলাস জালক: SC, BCC ও FCC একক কোষ, প্যাকিং দক্ষতা ও ঘনত্ব
রসায়ন
তেজস্ক্রিয়তা: আলফা, বিটা, গামা ক্ষয় ও অর্ধায়ু
জীববিজ্ঞান
মাইটোসিস কোষ বিভাজন
জীববিজ্ঞান
ব্যাপন ও অভিস্রবণ
জীববিজ্ঞান
সালোকসংশ্লেষণ
জীববিজ্ঞান
মানব হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কাজ
জীববিজ্ঞান
মেন্ডেলের বংশগতি সূত্র
জীববিজ্ঞান
ডিএনএ রেপ্লিকেশন
জীববিজ্ঞান
কোষীয় শ্বসন
জীববিজ্ঞান
এনজাইম ক্রিয়া
জীববিজ্ঞান
স্নায়ু উদ্দীপনার পরিবহন ও অ্যাকশন পটেনশিয়াল
জীববিজ্ঞান
নেফ্রন ও মূত্র তৈরির প্রক্রিয়া
জীববিজ্ঞান
মিয়োসিস কোষ বিভাজন
জীববিজ্ঞান
পরিপাকতন্ত্র
জীববিজ্ঞান
শ্বাসক্রিয়ার কৌশল: প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস
জীববিজ্ঞান
প্রোটিন সংশ্লেষণ
জীববিজ্ঞান
রক্ত সংবহন: দ্বি-সংবহন ও কার্ডিয়াক আউটপুট
জীববিজ্ঞান
কোষের গঠন ও অঙ্গাণু: উদ্ভিদ কোষ বনাম প্রাণী কোষ
জীববিজ্ঞান
প্রতিবর্ত ক্রিয়া ও প্রতিবর্ত চাপ
জীববিজ্ঞান
মানুষের চোখ: গঠন, প্রতিবিম্ব ও উপযোজন
জীববিজ্ঞান
পেশি সংকোচন ও স্লাইডিং ফিলামেন্ট মডেল
জীববিজ্ঞান
উদ্ভিদে পরিবহন: জাইলেম, ফ্লোয়েম ও বাষ্পমোচন
জীববিজ্ঞান
খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজাল: শক্তির প্রবাহ ও ১০ % নিয়ম
জীববিজ্ঞান
জনসংখ্যা বৃদ্ধি: সূচকীয় ও লজিস্টিক রেখা
জীববিজ্ঞান
প্রাকৃতিক নির্বাচন: পেপার্ড মথ ও কালিঝুলি মাখা গাছ
জীববিজ্ঞান
রোগপ্রতিরোধ: প্রাথমিক ও গৌণ অ্যান্টিবডি সাড়া
জীববিজ্ঞান






















