নিয়ন্ত্রণ
পরিমাপ
- সর্বোচ্চ emf, E₀ = NBAω
- ৩১৪.২V
- আরএমএস emf, E₀/√2
- ২২২.১V
- কম্পাঙ্ক, f
- ৫০.০Hz
- পর্যায়কাল, T
- ২০.০ms
- কৌণিক দ্রুতি, ω
- ৩১৪.২rad/s
- এই মুহূর্তের emf, e
- ০.০V
- এক পাকের ফ্লাক্স, Φ
- ১০.০০mWb
সিমুলেশনটি কীভাবে ব্যবহার করবে
- চালু করো। কুণ্ডলী শুরু হয় নিরপেক্ষ তলে (θ = ০), অর্থাৎ ক্ষেত্রের মুখোমুখি। ডান পাশের লেখচিত্র শূন্য থেকে শুরু হয় আর বাতি নেভানো থাকে।
- কুণ্ডলীকে ৯০°-র দিকে ঘুরতে দেখো। emf সাইন রেখা বেয়ে ওঠে আর বাতি উজ্জ্বল হয়। ৯০°-তে কুণ্ডলী ক্ষেত্রের সমান্তরাল, ফ্লাক্স শূন্য, অথচ emf তখন সর্বোচ্চ: ৩১৪.২ V।
- কুণ্ডলীর দুই খাড়া বাহুর তীরগুলো দেখো। ওরা উল্টো দিকে যায়, তাই প্রবাহ পুরো লুপ ঘুরে আসে। ১৮০° পরে তীর দুটো দিক বদলায়; এই দিক বদলই প্রবাহকে পরিবর্তী করে।
- পাক সংখ্যা N-এর স্লাইডার টানো। দ্বিগুণ করলে E₀ দ্বিগুণ হয়, কারণ প্রতিটি পাক নিজের emf যোগ করে। ক্ষেত্রফল A আর ক্ষেত্র B নিয়েও একই সরলরৈখিক ফল পাবে।
- ঘূর্ণন দ্রুতি বাড়াও। তরঙ্গ চাপা হয় (কম্পাঙ্ক বাড়ে) আবার উঁচুও হয় (সর্বোচ্চ মান বাড়ে), কারণ E₀ = NBAω-তে ω আছে। দ্রুতি একসঙ্গে দুটোই বদলায়, খেয়াল করো।
- দ্রুতি ৩,০০০ rpm করো। কম্পাঙ্কের ঘরে ৫০ Hz দেখাবে, বাংলাদেশ ও ভারতের মেইন কম্পাঙ্ক। লেখচিত্রের ড্যাশ দেওয়া দুই রেখা মেলাও: একটি সর্বোচ্চ মান, অন্যটি কার্যকর মানের স্তর।
ঘূর্ণন থেকে বিদ্যুৎ
দেশের যে কোনো বিদ্যুৎকেন্দ্র, গ্যাসেই চলুক, কয়লায় চলুক, জলবিদ্যুতের বাঁধে হোক বা বাতাসে, শেষমেশ একটাই যন্ত্র আছে: জেনারেটর। বাষ্প বা পানি টারবাইনকে ঘোরায়, টারবাইন ঘোরায় শ্যাফট, আর শ্যাফট ঘোরায় চৌম্বক ক্ষেত্রের ভেতরের একটা কুণ্ডলী। পুরো কৌশল এটুকুই। যান্ত্রিক শক্তি ঢোকে, তড়িৎ শক্তি বেরোয়।
কুণ্ডলী ঘোরালে ভোল্টেজ তৈরি হয় কেন? ফ্যারাডের সূত্রের কারণে। কুণ্ডলীতে আবিষ্ট emf সমান তার ভেতর দিয়ে যাওয়া ফ্লাক্সের পরিবর্তনের হার। কুণ্ডলী ঘুরলে তার তল আর ক্ষেত্রের মধ্যবর্তী কোণ বদলাতে থাকে, তাই ফ্লাক্সও বদলাতে থাকে, তাই emf সবসময় থাকে। সূত্রটা বিস্তারিত বুঝতে চাইলে এই সাইটের তড়িৎচুম্বকীয় আবেশের সিমুলেশনে চুম্বক আর কুণ্ডলী নিয়ে খেলে দেখতে পারো।
এই সিমুলেশনে চারটা জিনিস তোমার হাতে: পাক সংখ্যা, কুণ্ডলীর ক্ষেত্রফল, ক্ষেত্রের তীব্রতা আর ঘোরার দ্রুতি। নিচে দেখবে এই চারটা কীভাবে একটা ছোট সূত্রে জুড়ে যায়।
যন্ত্রের অংশগুলো
একটা সরল এসি জেনারেটরে পাঁচটা অংশ থাকে, আর সিমুলেশনে সবকটাই আঁকা আছে।
- ক্ষেত্র চুম্বক: N আর S মেরু, যারা মাঝখানে প্রায় সুষম ক্ষেত্র B তৈরি করে। বড় যন্ত্রে তড়িৎচুম্বক ব্যবহার হয়, পদার্থবিজ্ঞান একই।
- আর্মেচার কুণ্ডলী: অন্তরিত তারের N পাকের একটা আয়তাকার লুপ, যা শ্যাফটে ঘোরে। এর ক্ষেত্রফল A।
- অক্ষদণ্ড ও চালক শক্তি: যা কুণ্ডলী ঘোরায়। বিদ্যুৎকেন্দ্রে বাষ্প বা পানির টারবাইন, সাইকেলের ডায়নামোতে চাকা।
- স্লিপ রিং: শ্যাফটের সঙ্গে আটকানো দুটো ধাতব বলয়, প্রতিটি কুণ্ডলীর এক প্রান্তের সঙ্গে যুক্ত। কুণ্ডলীর সঙ্গে ওরাও ঘোরে।
- ব্রাশ: কার্বনের দুটো স্থির স্পর্শক, বলয়ের গায়ে চেপে থাকে। ঘূর্ণায়মান কুণ্ডলীকে বাইরের স্থির বর্তনীর, এখানে একটা বাতির, সঙ্গে জুড়ে দেয়।
emf সাইন তরঙ্গ হয় কেন
ধরো θ হলো কুণ্ডলীর অভিলম্ব আর চৌম্বক ক্ষেত্রের মধ্যবর্তী কোণ। এক পাকের ফ্লাক্স হলো ক্ষেত্র গুণ ক্ষেত্রের মুখোমুখি ক্ষেত্রফল, অর্থাৎ B·A·cos θ। θ = ০ হলে কুণ্ডলী ক্ষেত্রের মুখোমুখি, ফ্লাক্স সর্বোচ্চ। θ = ৯০° হলে কুণ্ডলী ক্ষেত্রের সমান্তরাল, ফ্লাক্স শূন্য।
এবার কুণ্ডলী সমকৌণিক দ্রুতি ω-তে ঘুরছে, তাই θ = ωt। emf হলো মোট ফ্লাক্স সংযোগ N·Φ-এর পরিবর্তনের হারের ঋণাত্মক মান। cos ωt-কে অন্তরীকরণ করলে −ω sin ωt পাই, আর দুটো ঋণাত্মক চিহ্ন কাটাকাটি হয়ে যায়।
Φ = B A cos θএক পাকের ফ্লাক্স
e = −N dΦ/dt = N B A ω sin ωtঘূর্ণায়মান কুণ্ডলীতে ফ্যারাডের সূত্র
E₀ = N B A ωসর্বোচ্চ emf
e = E₀ sin ωtতাৎক্ষণিক emf
প্রতিটি স্লাইডার কী করে
E₀ = NBAω শুধু গুণফল, তাই প্রতিটি রাশি সর্বোচ্চ মানকে সরলরেখায় বদলায়। ডিফল্ট কুণ্ডলী দিয়ে শুরু করি: N = ১০০ পাক, A = ২০০ cm² (মানে ০.০২০ m²), B = ০.৫০ T আর ৩,০০০ rpm।
আগে দ্রুতিকে বদলে নাও। মিনিটে ৩,০০০ পাক মানে সেকেন্ডে ৫০ পাক, তাই ω = 2π × ৫০ = ৩১৪.২ rad/s। তাহলে E₀ = ১০০ × ০.৫০ × ০.০২০ × ৩১৪.২ = ৩১৪.২ V। পাতা খোলার সময় পরিমাপ প্যানেলে এই সংখ্যাটাই দেখা যায়।
N দ্বিগুণ করলে সর্বোচ্চ মান হয় ৬২৮.৩ V। B অর্ধেক করলে নামে ১৫৭.১ V-এ। খেয়াল করো, কম্পাঙ্ক বদলায় শুধু rpm-এর স্লাইডারে; বাকি তিনটা শুধু তরঙ্গের উচ্চতা বদলায়।
| দ্রুতি (rpm) | কম্পাঙ্ক (Hz) | ω (rad/s) | সর্বোচ্চ emf E₀ (V) | কার্যকর emf (V) |
|---|---|---|---|---|
| ৬০০ | ১০ | ৬২.৮ | ৬২.৮ | ৪৪.৪ |
| ১,৫০০ | ২৫ | ১৫৭.১ | ১৫৭.১ | ১১১.১ |
| ৩,০০০ | ৫০ | ৩১৪.২ | ৩১৪.২ | ২২২.১ |
| ৩,৬০০ | ৬০ | ৩৭৭.০ | ৩৭৭.০ | ২৬৬.৬ |
লেখচিত্র পড়ার নিয়ম
অনুভূমিক অক্ষে ঘূর্ণন কোণ θ, দুই পূর্ণ পাক ধরে আঁকা। গাঢ় রেখাটা জেনারেটর এ পর্যন্ত যা তৈরি করেছে, কমলা বিন্দুটা বর্তমান অবস্থান। সামনের ফিকে রেখাটা এখনো আসেনি।
একই ডিফল্ট কুণ্ডলী কয়েকটা কোণে কেমন, নিচে দেখো। লক্ষ করো ফ্লাক্সের কলাম cosine, emf-এর কলাম sine, আর একটা আরেকটার থেকে সিকি পাক সরানো।
| θ (ডিগ্রি) | এক পাকের ফ্লাক্স (mWb) | emf e (V) |
|---|---|---|
| ০ | ১০.০০ | ০.০ |
| ৩০ | ৮.৬৬ | ১৫৭.১ |
| ৬০ | ৫.০০ | ২৭২.১ |
| ৯০ | ০.০০ | ৩১৪.২ |
| ১২০ | -৫.০০ | ২৭২.১ |
| ১৫০ | -৮.৬৬ | ১৫৭.১ |
| ১৮০ | -১০.০০ | ০.০ |
| ২৭০ | ০.০০ | -৩১৪.২ |
| ৩৬০ | ১০.০০ | ০.০ |
কম্পাঙ্ক ও ৫০ Hz সরবরাহ
কুণ্ডলীর এক পূর্ণ পাকে emf-এর এক পূর্ণ চক্র হয়, তাই হার্জে কম্পাঙ্ক সমান সেকেন্ডে পাক সংখ্যা। ৩,০০০ rpm-এ সেকেন্ডে ৫০ পাক, তাই f = ৫০ Hz আর পর্যায়কাল T = ২০ ms। শুরুর পর প্রথম শীর্ষে পৌঁছাতে লাগে এক পর্যায়কালের এক-চতুর্থাংশ, মানে ৫.০ ms।
বাংলাদেশ ও ভারতে মেইন সরবরাহ ৫০ Hz, অর্থাৎ ভোল্টেজ প্রতি সেকেন্ডে ১০০ বার দিক বদলায়। বিদ্যুৎকেন্দ্রের বড় অল্টারনেটরে কয়েক জোড়া মেরু থাকে, তাই পুরো ৩,০০০ rpm-এ ঘুরতে হয় না। দুই জোড়া মেরু হলে f = (rpm × জোড়া) ÷ ৬০ অনুযায়ী লাগে মাত্র ১,৫০০ rpm। যুক্তরাষ্ট্রসহ কিছু দেশে ৬০ Hz চলে, যার জন্য এক জোড়া মেরুতে ৩,৬০০ rpm লাগে।
এ কারণেই সিমুলেশনের বাতি ধীর গতিতে দেখানো। আসল মেইনের বাতি সেকেন্ডে ১০০ বার ঝিলিক দেয়, যা চোখ ধরতে পারে না। তাই ছবিটা আসল গতির মাত্র ৪% গতিতে চলে (৩,০০০ rpm-এ সেকেন্ডে ২.০ পাক), আর পরিমাপে আসল মানই থাকে।
সর্বোচ্চ মান ও কার্যকর মান
যে ভোল্টেজ +৩১৪.২ V থেকে −৩১৪.২ V পর্যন্ত দোলে, এক চক্রে তার গড় শূন্য। তা থেকে বোঝা যায় না সে কতটা কাজ করে। দরকার অন্য ধরনের গড়, যা ধনাত্মক আর ঋণাত্মক দুই অংশকেই সমান গুরুত্ব দেয়: কার্যকর মান বা rms। emf-কে বর্গ করো, এক চক্রে তার গড় নাও, তারপর বর্গমূল। সাইন তরঙ্গের বেলায় উত্তর হলো সর্বোচ্চ মান ÷ √২।
পরিবর্তী ভোল্টেজের কার্যকর মান হলো ওই ডিসি ভোল্টেজ, যা একই রোধকে একই হারে গরম করবে। তাই “২২০ V মেইন” বললে সবসময় ২২০ V rms বোঝায়। এর শীর্ষমান ২২০ × √২ = ৩১১ V, দেয়ালের ভেতরের অন্তরককে এটা সহ্য করতে হয়। আমাদের ডিফল্ট কুণ্ডলীর E₀ = ৩১৪.২ V থেকে E_rms = ২২২.১ V। লেখচিত্রের ড্যাশ রেখা দুটো ±E_rms-এ, শীর্ষের প্রায় ৭০.৭% উচ্চতায়।
E_rms = E₀ / √2 ≈ 0.707 E₀সাইন তরঙ্গের কার্যকর মান
E₀ = √2 × E_rms ≈ 1.414 E_rmsকার্যকর মান থেকে সর্বোচ্চ মান
f = rpm ÷ 60এক জোড়া মেরু
উদাহরণ ১: ডিফল্ট কুণ্ডলী
একটি কুণ্ডলীর ১০০ পাক, ক্ষেত্রফল ২০০ cm², ০.৫০ T ক্ষেত্রে ৩,০০০ rpm-এ ঘুরছে। সর্বোচ্চ emf, কার্যকর emf, কম্পাঙ্ক আর ৩০° কোণের emf বের করো।
একক বদলাও
ক্ষেত্রফল: ২০০ cm² = ০.০২০ m²। দ্রুতি: ৩,০০০ rpm = সেকেন্ডে ৫০ পাক, তাই ω = 2π × ৫০ = ৩১৪.২ rad/s।
সর্বোচ্চ ও কার্যকর মান
E₀ = NBAω = ১০০ × ০.৫০ × ০.০২০ × ৩১৪.২ = ৩১৪.২ V। তাহলে E_rms = E₀/√2 = ২২২.১ V।
কম্পাঙ্ক এবং ৩০° কোণে emf
f = সেকেন্ডে ৫০ পাক = ৫০ Hz, T = ২০ ms। θ = ৩০° হলে e = E₀ sin ৩০° = ১৫৭.১ V, ঠিক সর্বোচ্চ মানের অর্ধেক, আর এক পাকের ফ্লাক্স ৮.৬৬ mWb।
উদাহরণ ২: ২২০ V পেতে কত পাক লাগবে?
ডিফল্টের মতো একই ক্ষেত্রফল, ক্ষেত্র আর দ্রুতি রেখে এমন জেনারেটর চাই, যার আউটপুট ২২০ V rms। তাহলে শীর্ষমান হতে হবে ২২০ × √২ = ৩১১ V।
E₀ = NBAω-কে N-এর জন্য সাজাও: N = E₀ ÷ (BAω) = ৩১১ ÷ (০.৫০ × ০.০২০ × ৩১৪.২) = ৯৯.০। অর্থাৎ প্রায় ১০০ পাক হলেই চলে। এ কারণেই ডিফল্টের ১০০ পাক মেইনের এত কাছের মান দেয়: ২২২.১ V rms।
উদাহরণ ৩: ছোট ডায়নামো
সাইকেলের ডায়নামোর কুণ্ডলীতে ৫০ পাক, ক্ষেত্রফল ৩০ cm², ক্ষেত্র ০.২ T, দ্রুতি ৬০০ rpm। তাহলে f = ১০ Hz আর E₀ = ৫০ × ০.২ × (৩০ × ১০⁻⁴) × ω = ১.৮৮৫ V, অর্থাৎ প্রায় ১,৮৮৫ mV। কার্যকর মান ১.৩৩৩ V।
শিক্ষা: ঘরের মাপের ভোল্টেজ পেতে চাই অনেক পাক, জোরালো ক্ষেত্র বা বেশি গতি। আসল যন্ত্রে শত শত পাক আর শক্তিশালী তড়িৎচুম্বক দিয়ে সেটা হয়।
উদাহরণ ৪: কোনো নির্দিষ্ট মুহূর্তের emf
ডিফল্ট কুণ্ডলী নিরপেক্ষ তলে থাকার ২.৫ ms পরে emf কত? পর্যায়কাল ২০ ms, তাই ২.৫ ms হলো এক পাকের ২.৫/২০ অংশ, অর্থাৎ θ = ৪৫°। তখন e = E₀ sin θ = ২২২.১ V, যা ঠিক E_rms-এর সমান। প্রতি চক্রে emf দুইবার কার্যকর মানের সমান হয়, ৪৫° ও ১৩৫°-তে, আর ঋণাত্মক চিহ্নসহ আরও দুইবার, ২২৫° ও ৩১৫°-তে।
শক্তি আসে কোথা থেকে
বাতিতে প্রবাহ চললে কুণ্ডলী নিজেই তড়িৎচুম্বক হয়ে যায়, আর ক্ষেত্র তাকে ব্রেকের মতো পিছনে টানে। লেঞ্জের সূত্র অনুযায়ী আবিষ্ট প্রবাহ সবসময় ঘূর্ণনের বিরোধিতা করে। টারবাইনকে এই চৌম্বক টানের বিরুদ্ধে ঠেলতে থাকতে হয়, আর সেই কাজটাই পাওয়া তড়িৎ শক্তি। বর্তনী খুলে দিলে টান উধাও, কুণ্ডলী অনায়াসে ঘোরে, কিন্তু বিদ্যুৎ মেলে না। জেনারেটর শূন্য থেকে কিছু তৈরি করে না।
সচরাচর ভুল
এই চারটা ভুলে প্রতি বছর নম্বর কাটা যায়।
- θ = ০-তে সর্বোচ্চ emf লেখা। কোণ ক্ষেত্র ও কুণ্ডলীর অভিলম্বের মধ্যে মাপলে θ = ০-তে emf শূন্য, ৯০°-তে সর্বোচ্চ। কোণ কুণ্ডলীর তল থেকে মাপলে কথাটা উল্টে যায়।
- E₀ = NBAω-তে cm² ব্যবহার করা। আগে ক্ষেত্রফলকে m² আর দ্রুতিকে rad/s-এ বদলাও।
- rpm-কেই ω ধরে নেওয়া। সেকেন্ডে পাক সংখ্যাকে 2π দিয়ে গুণ করতে হয়।
- প্রশ্নে “২২০ V” দেওয়া থাকলে সেটাকে শীর্ষমান ধরা। ঘরোয়া মান সবসময় rms, তাই শীর্ষ ৩১১ V।
পরীক্ষার প্রস্তুতি
সাধারণ প্রশ্ন: চিহ্নিত চিত্রসহ এসি জেনারেটরের নীতি ও কার্যপ্রণালি ব্যাখ্যা করো, e = NBAω sin ωt প্রতিপাদন করো, সর্বোচ্চ বা কার্যকর মান বের করো, অথবা দ্রুতি থেকে কম্পাঙ্ক বের করো। প্রতিপাদনে ফ্লাক্স লিখে একবার অন্তরীকরণ করো আর চিহ্ন লেঞ্জের সূত্র দিয়ে বোঝাও। সংখ্যাগত প্রশ্নে একক রূপান্তর আলাদা করে লিখো, আর ডিফল্ট কেসের উত্তর পরিমাপ প্যানেলের সঙ্গে মিলিয়ে নাও।
ধ্রুপদী পরের প্রশ্ন: দ্রুতি দ্বিগুণ করলে E₀ আর f-এর কী হয়? দুটোই দ্বিগুণ হয়। পাক সংখ্যা দ্বিগুণ করলে শুধু E₀ দ্বিগুণ হয়।
ঝটপট রিভিশন
না দেখে নিজেকে যাচাই করো।
- নীতি: ঘূর্ণায়মান কুণ্ডলীতে তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ।
- e = E₀ sin ωt, যেখানে E₀ = NBAω।
- কুণ্ডলী ক্ষেত্রের সমান্তরাল (ফ্লাক্স শূন্য) হলে emf সর্বোচ্চ।
- E_rms = E₀/√2, আর ২২০ V মেইনের শীর্ষমান প্রায় ৩১১ V।
- এক জোড়া মেরুতে f = rpm ÷ ৬০; বাংলাদেশ ও ভারতে মেইন ৫০ Hz।
- স্লিপ রিং দেয় এসি; স্প্লিট রিং কমিউটেটর দেয় ডিসি।
- চৌম্বক টানের বিরুদ্ধে করা যান্ত্রিক কাজই তড়িৎ শক্তি হয়ে ফেরে।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
এসি জেনারেটরের কার্যনীতি কী?
তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ। সুষম চৌম্বক ক্ষেত্রে ঘূর্ণায়মান কুণ্ডলীর ভেতর দিয়ে ফ্লাক্স বদলায়, ফলে e = NBAω sin ωt emf আবিষ্ট হয়। স্লিপ রিং ও ব্রাশ এই পরিবর্তী emf বাইরের বর্তনীতে পৌঁছে দেয়।
এসি জেনারেটরের সর্বোচ্চ emf-এর সূত্র কী?
E₀ = NBAω, যেখানে N পাক সংখ্যা, B টেসলায় ক্ষেত্র, A বর্গমিটারে ক্ষেত্রফল আর ω রেডিয়ান/সেকেন্ডে কৌণিক দ্রুতি।
কুণ্ডলী চৌম্বক ক্ষেত্রের সমান্তরাল হলে emf সর্বোচ্চ কেন?
কারণ তখন ফ্লাক্স সবচেয়ে দ্রুত বদলায়। ফ্লাক্স B·A·cos θ, আর ৯০°-তে সেটা সবচেয়ে খাড়া ঢালে শূন্য পার হয়। emf ঢালের সমানুপাতিক, তাই ওই মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি।
পরিবর্তী ভোল্টেজের কার্যকর মান (rms) কাকে বলে?
যে স্থির ডিসি ভোল্টেজ কোনো রোধে একই পরিমাণ তাপ উৎপন্ন করে। সাইন তরঙ্গে এটি সর্বোচ্চ মানকে √২ দিয়ে ভাগ করলে পাওয়া যায়, মানে শীর্ষের প্রায় ০.৭০৭ গুণ।
বাংলাদেশ ও ভারতে মেইন কম্পাঙ্ক ৫০ Hz কেন?
জাতীয় গ্রিডের জন্য এটাই নির্ধারিত মান। দুই মেরুর অল্টারনেটরকে ৫০ Hz-এর জন্য ৩০০০ rpm-এ ঘুরতে হয়, আর বেশি মেরু জোড়ার বড় যন্ত্র কম গতিতেই এই কম্পাঙ্ক পায়।
স্লিপ রিং আর কমিউটেটরের পার্থক্য কী?
স্লিপ রিং কুণ্ডলীর প্রতিটি প্রান্তকে একই বাইরের প্রান্তের সঙ্গে যুক্ত রাখে, তাই আউটপুট এসি। বিভক্ত বলয় কমিউটেটর প্রতি অর্ধ পাকে সংযোগ বদলায়, তাই আউটপুট একমুখী।
দ্রুতি দ্বিগুণ করলে কম্পাঙ্ক আর সর্বোচ্চ emf-এর কী হয়?
দুটোই দ্বিগুণ হয়। কম্পাঙ্ক সমান সেকেন্ডে পাক সংখ্যার, আর E₀ = NBAω সমানুপাতিক ω-র।
এই বিষয়ের আরও পড়াশোনা
অ্যানিমেশনে ধারণা পরিষ্কার হলো, এবার পরীক্ষার প্রস্তুতি: সিলেবাস, সাজেশন, বই আর ভর্তি পরীক্ষার গাইড নিচে।
HSC
এইচএসসি পদার্থবিজ্ঞান: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
পাঠ্যবই
নবম-দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান বই
ভর্তি
ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি
SSC
এসএসসি পদার্থবিজ্ঞান: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
ভর্তি
ঢাবি বিজ্ঞান ইউনিট ভর্তি ২০২৬-২৭
English
Composition: The Uses of Electricity (ইংরেজিতে)
বাংলা
প্রতিবেদন: বিজ্ঞান মেলা
English
Paragraph: Science in Everyday Life (ইংরেজিতে)
SSC
এসএসসি সাজেশন
HSC
এইচএসসি সাজেশন
ভর্তি
বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার গাইড
SSC
এসএসসি সিলেবাস
HSC
এইচএসসি সিলেবাস
বিদেশে পড়াশোনা
জার্মানিতে উচ্চশিক্ষা
টেস্ট
Digital SAT Math guide (ইংরেজিতে)
স্কলারশিপ
বিদেশে পড়াশোনার স্কলারশিপ
IELTS
IELTS vocabulary: science and research (ইংরেজিতে)
টুল
GPA calculator (ইংরেজিতে)
ক্যারিয়ার
Civil engineer resume example (ইংরেজিতে)
আরও পদার্থবিজ্ঞান অ্যানিমেশন
SSC · HSC
আলোর প্রতিসরণ
আলোর প্রতিসরণ কাকে বলে, প্রতিসরণের সূত্র, সংকট কোণ ও পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন — সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা, ইন্টারঅ্যাকটিভ অ্যানিমেশন ও গাণিতিক উদাহরণসহ।
SSC · HSC
ওহমের সূত্র
ওহমের সূত্র কাকে বলে, বিবৃতি ও ব্যাখ্যা, V-I লেখচিত্র — বিভব পার্থক্য ও রোধ বদলে তড়িৎ প্রবাহ দেখো। শ্রেণি ও সমান্তরাল সমবায়, গাণিতিক উদাহরণসহ।
HSC
প্রাসের গতি
প্রাস কাকে বলে? কোণ ও আদিবেগ বদলে প্রাসের গতিপথ দেখো — বিচরণকাল, সর্বাধিক উচ্চতা ও আনুভূমিক পাল্লার সূত্র, গাণিতিক উদাহরণসহ।
SSC · HSC
সরল দোলক
সরল দোলক কাকে বলে, দোলনকালের সূত্র T=2π√(L/g) ও দোলকের সূত্রসমূহ — দৈর্ঘ্য বদলে দেখো। অভিকর্ষজ ত্বরণ নির্ণয়ের গাণিতিক উদাহরণসহ।
SSC · HSC
তড়িৎ ক্ষেত্র
তড়িৎ ক্ষেত্র কাকে বলে, তড়িৎ তীব্রতার সূত্র ও একক, বলরেখার বৈশিষ্ট্য — আধান বসিয়ে বলরেখা দেখো। কুলম্বের সূত্রের গাণিতিক উদাহরণসহ।
HSC
তরঙ্গের ব্যতিচার
তরঙ্গের উপরিপাতন নীতি ও ব্যতিচার কাকে বলে, গঠনমূলক ও ধ্বংসাত্মক ব্যতিচারের শর্ত, ডোরার প্রস্থ — দুই উৎস সরিয়ে নিজে দেখো, গাণিতিক উদাহরণসহ।
SSC · HSC
পড়ন্ত বস্তু ও পড়ন্ত বস্তুর সূত্র
পড়ন্ত বস্তুর তিনটি সূত্র কী, কে আবিষ্কার করেন, অভিকর্ষজ ত্বরণ ৯.৮ বলতে কী বোঝায়: মুদ্রা আর পালক ফেলে নিজে দেখো, সূত্র ও গাণিতিক সমস্যাসহ।
SSC · HSC
লেন্সে প্রতিবিম্ব গঠন
উত্তল লেন্স ও অবতল লেন্স কাকে বলে, প্রতিবিম্ব কীভাবে গঠিত হয়, লেন্সের সূত্র 1/u + 1/v = 1/f, বিবর্ধন ও লেন্সের ক্ষমতা: বস্তু টেনে সরিয়ে রশ্মি চিত্র নিজে দেখো।
SSC · HSC
নিউটনের গতির সূত্র
নিউটনের গতির তিনটি সূত্র, জড়তা, ভরবেগ, F = ma, ঘাত বল আর ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া: ট্রলি ঠেলে নিজে দেখো, সহজ উদাহরণ, সূত্র ও গাণিতিক সমস্যাসহ (SSC, HSC)।
SSC · HSC
গোলীয় দর্পণে প্রতিবিম্ব গঠন
অবতল দর্পণ ও উত্তল দর্পণ কাকে বলে, মেরু, বক্রতার কেন্দ্র, প্রধান ফোকাস, দর্পণের সূত্র 1/u + 1/v = 1/f ও বিবর্ধন: বস্তু টেনে সরিয়ে প্রতিবিম্ব গঠন নিজে দেখো।
SSC · HSC
তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ ও ফ্যারাডের সূত্র
তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ কাকে বলে, ফ্যারাডের সূত্র ও লেঞ্জের সূত্র কী বলে: চুম্বক টেনে কুণ্ডলীর ভেতর দিয়ে নিয়ে নিজে দেখো, গ্যালভানোমিটারের কাঁটা কেন দোলে, সূত্র ও অঙ্কসহ।
SSC · HSC
ভরবেগের সংরক্ষণ ও সংঘর্ষ
ভরবেগের সংরক্ষণ সূত্র কী, স্থিতিস্থাপক ও অস্থিতিস্থাপক সংঘর্ষের পার্থক্য কী: দুটো গাড়ি সংঘর্ষ করিয়ে নিজে দেখো, পুনরুদ্ধার সহগ e বদলে ভরবেগ ও গতিশক্তির বার-লেখচিত্র মিলিয়ে দেখো, সূত্র ও অঙ্কসহ।
SSC · HSC
কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি
কাজ কাকে বলে, গতিশক্তি ও বিভবশক্তির সূত্র কী, ক্ষমতা কীভাবে মাপা হয়: গড়িয়ে পড়া কার্টের সিমুলেশনে শক্তির রূপান্তর নিজে দেখো, সূত্র ও গাণিতিক সমস্যাসহ।
SSC · HSC
নততল
নততলে ওজন কীভাবে দুই উপাংশে ভাগ হয়, স্থিতি কোণ কী, ঘর্ষণ কীভাবে ব্লককে ধরে রাখে বা পিছলে দেয়: কোণ বদলে ব্লক নিজে ছেড়ে দিয়ে বল-চিত্র ও সূত্র দেখো।
SSC · HSC
বৃত্তাকার গতি
সুতায় ঘোরা বলের সিমুলেশনে বৃত্তাকার গতি, কেন্দ্রমুখী বল F=mv²/r, কৌণিক বেগ, পর্যায়কাল দেখো। সুতা কাটলে বল কোথায় যায়? ব্যাংকিং ও গাণিতিক সমাধানসহ।
SSC
অনুপ্রস্থ ও অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ
একই উৎস থেকে দড়ির অনুপ্রস্থ তরঙ্গ আর স্প্রিং বা শব্দের অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ পাশাপাশি দেখো। তরঙ্গশীর্ষ, তরঙ্গপাদ, সংকোচন, প্রসারণ, তরঙ্গদৈর্ঘ্য, v = fλ আর কণা কেন তরঙ্গের সাথে চলে না, গাণিতিক সমাধানসহ।
SSC · HSC
লিভার ও ভ্রামক
সিসম্যর সিমুলেশনে বলের ভ্রামক M = F × d, ভ্রামকের নীতি, লিভারের তিন শ্রেণি ও যান্ত্রিক সুবিধা নিজে হাতে পরীক্ষা করো। সমাধান ও সৃজনশীল প্রশ্নসহ।
SSC · HSC
ভরকেন্দ্র
দণ্ডে আর পাতে ভর সরিয়ে ভরকেন্দ্র x = Σmx/Σm বের করো। অবলম্বন কোথায় রাখলে দণ্ড ভারসাম্যে থাকে, বাস কখন উল্টে যায়, সুস্থির-অস্থির-নিরপেক্ষ সাম্যাবস্থা: সিমুলেশন ও সমাধানসহ।
SSC · HSC
স্প্রিং-ভর ও সরল ছন্দিত স্পন্দন
স্প্রিংয়ে ঝোলানো ভরের সরল ছন্দিত স্পন্দন নিজে চালিয়ে দেখো। হুকের সূত্র, T = 2π√(m/k), শক্তির রূপান্তর, শ্রেণি ও সমান্তরাল স্প্রিং, সমাধান ও সৃজনশীল প্রশ্নসহ।
SSC · HSC
ভেক্টর যোগ: ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র
দুটি ভেক্টরের লব্ধি, ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র, উপাংশ, নদীতে নৌকা আর বৃষ্টিতে ছাতার আপেক্ষিক বেগ নিজে টেনে পরীক্ষা করো। সমাধান ও সৃজনশীল প্রশ্নসহ।
SSC · HSC
আপেক্ষিক বেগ: ট্রেন ও নদী পারাপার
দুই ট্রেন আর নদী পার হওয়া সাঁতারুকে নিজে চালিয়ে দেখো। আপেক্ষিক দ্রুতি, ট্রেন পার হওয়ার সময়, মুখের কোণ, ভাটিতে সরণ, সবচেয়ে কম সময় বনাম সবচেয়ে ছোট পথ, সমাধানসহ।
HSC
কেপলারের সূত্র ও উপবৃত্তাকার কক্ষপথ
উৎকেন্দ্রতা স্লাইডার টেনে কক্ষপথ লম্বা হতে দেখো। সমান সময়ে সমান ক্ষেত্রফলের সেক্টর, পর্যায়কালের সূত্র T² ∝ a³ আর মুক্তিবেগ, সমাধানসহ।
HSC
নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র, g ও কৃত্রিম উপগ্রহ
দুটি বস্তুর টান, ব্যস্তবর্গ সূত্রের লেখচিত্র, পৃথিবীর ওপরে-নিচে g আর উপগ্রহের কক্ষপথ নিজের হাতে চালিয়ে দেখো। কক্ষীয় বেগ, পর্যায়কাল, মুক্তিবেগ আর সমাধান করা অঙ্কসহ।
HSC
তার ও নলে স্থির তরঙ্গ
সিমুলেশনে তার টানো আর খোলা-বন্ধ নলে ফুঁ দাও। নোড, অ্যান্টিনোড, সমমেল দেখো এবং দৈর্ঘ্য, টান ও তাপমাত্রা কীভাবে সুর ঠিক করে তা শেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।
HSC
অনুনাদ নল ও শব্দের দ্রুতি
অনুনাদ নলে পানির স্তর সরিয়ে নিজেই জোর শব্দের জায়গা খুঁজুন। L১ = λ/৪ − e আর L২ = ৩λ/৪ − e দেখুন, v = 2f(L₂ − L₁) দিয়ে শব্দের দ্রুতি বের করুন, সমাধানসহ অঙ্ক অনুশীলন করুন।
HSC
স্বরকম্প: কাছাকাছি দুই সুরের স্পন্দন
প্রায় সমান কম্পাঙ্কের দুই তরঙ্গ যোগ করে শব্দের জোর-আস্তে স্পন্দন দেখুন। এনভেলপ আঁকা, স্বরকম্প কম্পাঙ্ক |f₁ − f₂| পড়া, শব্দ শোনা আর গিটার সুর মেলানোর পদ্ধতি শিখুন, সমাধানসহ।
HSC
ডপলার প্রভাব: চলমান উৎস, চলমান শ্রোতা ও সনিক বুম
শব্দের উৎসকে ধীরে-জোরে চালাও আর দেখো সামনে তরঙ্গমুখ কীভাবে ঠাসাঠাসি হয়, পেছনে কীভাবে ছড়িয়ে পড়ে। ডপলারের সূত্র, অ্যাম্বুলেন্স ও ট্রেনের অঙ্ক এবং সনিক বুম শেখো।
SSC · HSC
প্রিজম, আলোর বিচ্ছুরণ ও রামধনু
সাদা আলো প্রিজমে ফেলো, প্রিজম কোণ আর আপতন কোণ বদলাও, আর দেখো বর্ণালি কীভাবে তৈরি হয়। বিচ্যুতি, ন্যূনতম বিচ্যুতি, বিচ্ছুরণ ক্ষমতা এবং বৃষ্টির ফোঁটায় রামধনু সৃষ্টির অঙ্কসহ ব্যাখ্যা।
HSC
কির্শফের সূত্র: সংযোগ সূত্র ও বদ্ধ পথ সূত্র
দুটি ব্যাটারি আর তিনটি রোধের দুই-লুপ বর্তনী নিজে সাজাও। সংযোগ বিন্দুতে প্রবাহ ভাগ হওয়া দেখো, বিভবের যোগফল শূন্য হতে দেখো আর কির্শফের সূত্রের অঙ্ক ধাপে ধাপে করতে শেখো।
HSC
হুইটস্টোন ব্রিজ ও মিটার ব্রিজ
হুইটস্টোন ব্রিজের সাম্য নষ্ট করে গ্যালভানোমিটারের কাঁটা নড়তে দেখো। P/Q = R/S হলে কাঁটা শূন্যে আসে। মিটার ব্রিজে জকি সরিয়ে অজানা রোধ মাপো, গাণিতিক উদাহরণসহ।
HSC
একক চিড়ে অপবর্তন
চিড়ের প্রস্থ ও তরঙ্গদৈর্ঘ্য বদলে দেখো আলো কীভাবে ছড়ায়। তীব্রতার সূত্র I = I₀(sin β/β)², অন্ধকার পট্টির শর্ত a sin θ = mλ আর কেন্দ্রীয় পট্টির প্রস্থ 2λD/a, সমাধানসহ।
SSC · HSC
চোখের ত্রুটি ও তার প্রতিকার
স্বাভাবিক, ক্ষীণদৃষ্টি, দীর্ঘদৃষ্টি ও বার্ধক্যের চোখ বদলে বদলে দেখো। প্রতিবিম্ব কেন রেটিনার সামনে বা পেছনে পড়ে, আর কোন লেন্স কত ডায়োপ্টারে তা ঠিক করে, সিমুলেশনে হাতে-কলমে শেখো।
HSC
আলোর সমবর্তন: ম্যালাসের সূত্র ও ব্রুস্টারের সূত্র
পোলারাইজারের পেছনে অ্যানালাইজার ঘুরিয়ে গ্রাফে I = I₀cos²θ দেখো, তারপর কাচে আলো ফেলে ব্রুস্টার কোণ খুঁজে বের করো। পোলারয়েড সানগ্লাস, তিন ফিল্টারের ধাঁধা ও সমাধান করা অঙ্কসহ।
HSC
ক্যাপাসিটরের আহিতকরণ ও নিরাহিতকরণ: আরসি সময় ধ্রুবক
রোধের মধ্য দিয়ে ক্যাপাসিটর আহিত ও নিরাহিত করো। E, R, C বদলে V = E(1 − e^(−t/RC)) আর প্রবাহের বক্রেখা আঁকা দেখো, ৬৩% সময় ধ্রুবক আর সঞ্চিত শক্তি বের করো।
SSC · HSC
চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা: দণ্ডচুম্বক, তড়িৎবাহী সরল তার ও সলিনয়েড
দণ্ডচুম্বক, সরল তার ও সলিনয়েডের চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা দেখো। কম্পাস টানো, প্রবাহের দিক উল্টাও আর শেখো B = μ₀I/2πr, B = μ₀nI ও ডান হাতের মুষ্টি নিয়ম।
SSC · HSC
ট্রান্সফর্মার
ট্রান্সফর্মারের প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি পাক বদলে দেখো ভোল্টেজ কীভাবে বাড়ে-কমে। Vs = Vp·Ns/Np, ক্ষমতার সংরক্ষণ, বাস্তব দক্ষতা আর উচ্চ ভোল্টেজে বিদ্যুৎ পাঠানোর কারণ বোঝো।
SSC · HSC
তাপের সঞ্চালন: পরিবহন, পরিচলন ও বিকিরণ
তামা, অ্যালুমিনিয়াম, কাচ বা কাঠের দণ্ড গরম করে Q/t = kAΔT/L দেখো, বিকারে পরিচলন স্রোত ঘুরতে দেখো, আর T⁴ মেনে বিকিরিত ক্ষমতা কীভাবে বাড়ে তা যাচাই করো। সারণি ও সমাধান করা অঙ্কসহ।
HSC
আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া: আইনস্টাইনের সমীকরণ ও নিবৃত্তি বিভব
ভ্যাকুয়াম নলে সোডিয়াম, দস্তা বা তামার পাতে যেকোনো তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো ফেলো। সূচন কম্পাঙ্কের নিচে ইলেকট্রন বের হয় না কেন, K = hf − φ কীভাবে নিবৃত্তি বিভব ঠিক করে, আর উজ্জ্বলতা কেন শুধু প্রবাহ বদলায় তা নিজে দেখো।
SSC · HSC
মোটর ক্রিয়া: তড়িৎবাহী তারের ওপর বল ও ডিসি মোটর
চৌম্বক ক্ষেত্রে তড়িৎবাহী তার রাখলে সেটা কীভাবে ধাক্কা খায় নিজের চোখে দেখো। B, I, L আর কোণ বদলাও, ফ্লেমিংয়ের বাম হাতের নিয়ম মিলিয়ে নাও, তারপর বিভক্ত-বলয় কম্যুটেটরসহ ডিসি মোটর ঘুরিয়ে টর্কের লেখচিত্র দেখো।
HSC
গ্যাসের অণু ও গতিতত্ত্ব: চাপ, তাপমাত্রা ও দ্রুতি
বাক্সের ভেতরে গ্যাসের অণুদের ছোটাছুটি দেখো। তাপমাত্রা বাড়াও, গ্যাস বদলাও, আয়তন চেপে ধরো, আর দেখো দেয়ালে ধাক্কা গুনে পাওয়া চাপ PV = NkT-এর সঙ্গে মিলে যাচ্ছে। ম্যাক্সওয়েল-বোল্টজম্যান বক্ররেখার সঙ্গে দ্রুতি মেলাও এবং গড়বর্গমূল দ্রুতির অঙ্ক করো।
HSC
অর্ধপরিবাহী ডায়োড: p–n সন্ধি, I–V বক্ররেখা ও রেক্টিফায়ার
p–n সন্ধিতে বায়াস দিয়ে দেখো নিঃশেষিত স্তর কীভাবে সরু বা চওড়া হয়, বাহক কীভাবে পার হয় আর শকলির I–V বক্ররেখা কেমন হয়। সিলিকন ও জার্মেনিয়ামের তুলনা, ভাঙন আর অর্ধতরঙ্গ রেক্টিফায়ার হাতে-কলমে।
SSC · HSC
তেজস্ক্রিয় ক্ষয়: অর্ধায়ু, ক্ষয় সূত্র ও বিকিরণের ভেদন ক্ষমতা
২৪০টি নিউক্লিয়াসকে এলোমেলোভাবে ক্ষয় হতে দেখো, N = N₀e^(−λt) সূত্র মিলিয়ে নাও, লেখচিত্র থেকে অর্ধায়ু মাপো, আর দেখো আলফা, বিটা ও গামা কাগজ, অ্যালুমিনিয়াম ও সীসা কতটা ভেদ করে।
HSC
বোর পরমাণু মডেল: কক্ষপথ, শক্তিস্তর ও হাইড্রোজেনের বর্ণালি
হাইড্রোজেনের ইলেকট্রনকে n = ১ থেকে ৬ কক্ষপথে লাফ দেওয়াও, 1/λ = R(1/n₁² − 1/n₂²) থেকে ফোটনের রং বের করো আর শক্তিস্তরের চিত্র ও বর্ণালির পট্টিতে লাইম্যান, বামার, পাশেন শ্রেণি দেখো।
অন্য বিষয়ের অ্যানিমেশন
রসায়ন
পরমাণুর গঠন
রসায়ন
এসিড, ক্ষারক ও pH স্কেল
রসায়ন
ইলেকট্রন বিন্যাস
রসায়ন
গ্যাসের সূত্র: বয়েল, চার্লস ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ
রসায়ন
আয়নিক বন্ধন কীভাবে গঠিত হয়
রসায়ন
তড়িৎ বিশ্লেষণ ও ফ্যারাডের সূত্র
রসায়ন
সমযোজী বন্ধন
রসায়ন
পর্যায়বৃত্ত ধর্ম
রসায়ন
বিক্রিয়ার হার ও সংঘর্ষ তত্ত্ব
রসায়ন
পদার্থের অবস্থা: কঠিন, তরল, গ্যাসীয় ও তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র
রসায়ন
পরমাণুর অরবিটাল: s, p, d-এর আকৃতি, কোয়ান্টাম সংখ্যা ও নোড
রসায়ন
আণবিক আকৃতি ও ভিএসইপিআর তত্ত্ব: বন্ধন জোড়, মুক্তজোড় ও বন্ধন কোণ
রসায়ন
মোল ধারণা: মোলার ভর, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা ও মোলার আয়তন
রসায়ন
ব্যাপন ও নিঃসরণ: গ্রাহামের সূত্র
রসায়ন
রাসায়নিক সমীকরণ সমতাকরণ: পদ্ধতি, উদাহরণ ও অনুশীলন
রসায়ন
রাসায়নিক সাম্যাবস্থা: সাম্যধ্রুবক Kc ও লা শাতেলিয়ের নীতি
রসায়ন
টাইট্রেশন: অম্ল-ক্ষারের ঘনমাত্রা বের করার পদ্ধতি
রসায়ন
গ্যালভানিক কোষ: ড্যানিয়েল কোষ, EMF ও নার্নস্ট সমীকরণ
রসায়ন
জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া: জারণ সংখ্যা, ইলেকট্রন স্থানান্তর ও অর্ধ-সমীকরণ
রসায়ন
হাইড্রোকার্বন: অ্যালকেন, অ্যালকিন, অ্যালকাইন ও কাঠামোগত সমাণু ত্রিমাত্রায়
রসায়ন
কার্যকরী মূলক: অ্যালকোহল, অ্যালডিহাইড, কিটোন, অ্যাসিড, এস্টার ও অ্যামিন
রসায়ন
পলিমারকরণ: যোজন ও ঘনীভবন পলিমার, পলিথিন ও নাইলন
রসায়ন
মিশ্রণ আলাদা করার পদ্ধতি: ছাঁকন, পাতন, ক্রোমাটোগ্রাফি, স্ফটিকীকরণ
রসায়ন
কেলাস জালক: SC, BCC ও FCC একক কোষ, প্যাকিং দক্ষতা ও ঘনত্ব
রসায়ন
তেজস্ক্রিয়তা: আলফা, বিটা, গামা ক্ষয় ও অর্ধায়ু
জীববিজ্ঞান
মাইটোসিস কোষ বিভাজন
জীববিজ্ঞান
ব্যাপন ও অভিস্রবণ
জীববিজ্ঞান
সালোকসংশ্লেষণ
জীববিজ্ঞান
মানব হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কাজ
জীববিজ্ঞান
মেন্ডেলের বংশগতি সূত্র
জীববিজ্ঞান
ডিএনএ রেপ্লিকেশন
জীববিজ্ঞান
কোষীয় শ্বসন
জীববিজ্ঞান
এনজাইম ক্রিয়া
জীববিজ্ঞান
স্নায়ু উদ্দীপনার পরিবহন ও অ্যাকশন পটেনশিয়াল
জীববিজ্ঞান
নেফ্রন ও মূত্র তৈরির প্রক্রিয়া
জীববিজ্ঞান
মিয়োসিস কোষ বিভাজন
জীববিজ্ঞান
পরিপাকতন্ত্র
জীববিজ্ঞান
শ্বাসক্রিয়ার কৌশল: প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস
জীববিজ্ঞান
প্রোটিন সংশ্লেষণ
জীববিজ্ঞান
রক্ত সংবহন: দ্বি-সংবহন ও কার্ডিয়াক আউটপুট
জীববিজ্ঞান
কোষের গঠন ও অঙ্গাণু: উদ্ভিদ কোষ বনাম প্রাণী কোষ
জীববিজ্ঞান
প্রতিবর্ত ক্রিয়া ও প্রতিবর্ত চাপ
জীববিজ্ঞান
মানুষের চোখ: গঠন, প্রতিবিম্ব ও উপযোজন
জীববিজ্ঞান
পেশি সংকোচন ও স্লাইডিং ফিলামেন্ট মডেল
জীববিজ্ঞান
উদ্ভিদে পরিবহন: জাইলেম, ফ্লোয়েম ও বাষ্পমোচন
জীববিজ্ঞান
খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজাল: শক্তির প্রবাহ ও ১০ % নিয়ম
জীববিজ্ঞান
জনসংখ্যা বৃদ্ধি: সূচকীয় ও লজিস্টিক রেখা
জীববিজ্ঞান
প্রাকৃতিক নির্বাচন: পেপার্ড মথ ও কালিঝুলি মাখা গাছ
জীববিজ্ঞান
রোগপ্রতিরোধ: প্রাথমিক ও গৌণ অ্যান্টিবডি সাড়া
জীববিজ্ঞান
পরাগায়ন ও নিষেক
গণিত
পিথাগোরাসের উপপাদ্য
গণিত
ত্রিকোণমিতিক অনুপাত ও একক বৃত্ত
গণিত
দ্বিঘাত সমীকরণ ও দ্বিঘাত ফাংশনের লেখচিত্র
গণিত
বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য
গণিত
দূরত্ব ও উচ্চতা: উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ
গণিত
সম্ভাবনা: পরীক্ষালব্ধ বনাম তাত্ত্বিক সম্ভাবনা
গণিত
সমান্তর ও গুণোত্তর ধারা
গণিত
গড়, মধ্যক ও প্রচুরক
গণিত
সেট ও ভেনচিত্র
গণিত
সরল সহসমীকরণ ও সরলরেখার লেখচিত্র
গণিত
sin, cos, tan-এর লেখচিত্র
গণিত
পূর্ণবর্গ পদ্ধতি ও দ্বিঘাত সমীকরণের সমাধান
গণিত
বৃত্তের ক্ষেত্রফল: সূত্র, প্রমাণ ও সমাধান
গণিত
ঘনবস্তুর আয়তন ও তলের ক্ষেত্রফল: ঘনক, আয়তঘন, বেলন, কোণক, গোলক
গণিত
সদৃশ ত্রিভুজ: স্কেল ফ্যাক্টর, AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়া থেকে উচ্চতা
গণিত
স্থানাঙ্ক জ্যামিতি: দূরত্ব, মধ্যবিন্দু, ঢাল, বিভক্তিকরণ সূত্র ও সঞ্চারপথ
গণিত
শাঙ্কব ছেদ: বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত ও অধিবৃত্ত
গণিত
ফাংশনের রূপান্তর: সরানো, টানা ও উল্টানো
গণিত
অন্তরীকরণ: স্পর্শকের ঢাল ও ছেদক থেকে স্পর্শক
গণিত
রিম্যান যোগফল ও সমাকলন: বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফল
গণিত
সীমা ও ε–δ সংজ্ঞা: ছবিতে বোঝা
গণিত
ত্রিমাত্রিক ভেক্টর: যোগ, ডট গুণ ও ক্রস গুণ
গণিত
ম্যাট্রিক্স রূপান্তর: ঘূর্ণন, প্রতিফলন, শিয়ার ও নির্ণায়ক
গণিত
জটিল সংখ্যা: আরগান্ড সমতলে যোগ, গুণ, ঘাত ও মূল
গণিত






















