নিয়ন্ত্রণ
কী দেখবে
পরিমাপ
- স্কেল ফ্যাক্টর, k
- ১.৫
- DE ÷ AB
- ১.৫০০
- EF ÷ BC
- ১.৫০০
- FD ÷ CA
- ১.৫০০
- পরিসীমার অনুপাত
- ১.৫০০
- ABC-এর ক্ষেত্রফল
- ১২.৯৯সেমি²
- DEF-এর ক্ষেত্রফল
- ২৯.২৩সেমি²
- ক্ষেত্রফলের অনুপাত
- ২.২৫০
- ∠A = ∠D
- ৬০.০°
- ∠B = ∠E
- ৫১.১°
- ∠C = ∠F
- ৬৮.৯°
সিমুলেশনটি কীভাবে ব্যবহার করবে
- “স্কেল ও অনুপাত” মোড দিয়ে শুরু করো। নীল ত্রিভুজ ABC স্থির, আর DEF তারই k গুণ বড় প্রতিলিপি (শুরুতে k = ১.৫০)। Play চাপো আর দেখো প্রতিলিপি একই মাপ থেকে বাড়তে বাড়তে নিজের চূড়ান্ত মাপে পৌঁছায়, অথচ প্রতিটি অনুরূপ কোণের চিহ্ন একই থাকে।
- “স্কেল ফ্যাক্টর” স্লাইডার ০.৫ থেকে ৩-এর মধ্যে টানো। ১-এর কম হলে প্রতিলিপি ছোট হয়, ১ হলে একই ত্রিভুজ, ১-এর বেশি হলে বড়। রিডিংয়ে তিনটা বাহুর অনুপাতই k-এর সমান। পরিসীমার অনুপাতও k, কিন্তু ক্ষেত্রফলের অনুপাত k²।
- “কোণ A” বদলাও। তাতে পুরো পরিবারটাই বদলে যায়: শুরুর ত্রিভুজ আলাদা, প্রতিলিপিও আলাদা। তবু ABC আর DEF-এর কোণগুলো জোড়ায় জোড়ায় সমান থাকে, ঠিক যেটার প্রতিশ্রুতি “সদৃশ” শব্দটা দেয়।
- “সদৃশতার শর্ত” মোডে গিয়ে SSS, SAS বা AA বেছে নাও। বাঁ দিকে একটা আদর্শ ত্রিভুজ আছে। ডান দিকে স্লাইডার দিয়ে নিজের ত্রিভুজ বানাও; সিমুলেশন পূর্ণসংখ্যার নির্ভুল হিসাবে বলে দেবে দুটো সদৃশ কি না।
- প্রতিটি শর্ত ভাঙার চেষ্টা করো। SSS-এ একটা বাহু ১ বদলালেই তিন অনুপাত আর মেলে না। SAS-এ দুই অনুপাত সমান রেখে কোণটা একটু নাড়াও। AA-তে একটা কোণ বদলালে তৃতীয় কোণও সঙ্গে সঙ্গে সরে যায়।
- শেষে “ছায়া থেকে উচ্চতা” দেখো। সূর্যকে নিচে নামাও, দুটো ছায়াই একসঙ্গে লম্বা হয়। দুই ছায়ার অনুপাত বদলায় না, তাই মানুষের উচ্চতা আর দুই ছায়া থেকে পাওয়া গাছের উচ্চতাও একই থাকে।
ছবি জুম করলেও আকৃতি বদলায় না
ফোনে একটা ছবি খুলে ১৫০% জুম করো। সবকিছু বড় হয়, কিন্তু কারো মুখ লম্বা বা চওড়া হয়ে যায় না। পেছনের মিনারটা সামনের দরজার তুলনায় যতটা উঁচু ছিল, এখনও ততটাই। সদৃশ আকৃতির পুরো ধারণাটা এটাই: এমন নিখুঁত বড় বা ছোট করা, যা অনুপাত নষ্ট করে না। জুম করা ছবিটা প্রিন্ট করলে প্রতিটি দৈর্ঘ্য হতো আগের ১.৫০ গুণ, আর কাগজ লাগত ২.২৫ গুণ।
ত্রিভুজ হলো এই গুণের সবচেয়ে সহজ আকৃতি, আর সদৃশ ত্রিভুজ স্কুলের জ্যামিতির সবচেয়ে কাজের হাতিয়ারগুলোর একটা। জরিপকারীরা পাহাড়ের উচ্চতা মাপেন এ দিয়ে, স্থপতিরা নকশা ছোট-বড় করেন এ দিয়ে, এমনকি তোমার চোখও এটা ব্যবহার করে: দূরের গাড়িকে ছোট দেখায়, কারণ তার মাথা আর তলা থেকে চোখ পর্যন্ত যে ত্রিভুজ, তা কাছের গাড়ির ত্রিভুজেরই ছোট প্রতিলিপি।
“সদৃশ” বলতে আসলে কী বোঝায়
দুটো ত্রিভুজ ABC আর DEF সদৃশ হয় যখন একসঙ্গে দুটো জিনিস সত্য। এক, কোণগুলো জোড়ায় সমান: ∠A = ∠D, ∠B = ∠E আর ∠C = ∠F। দুই, অনুরূপ বাহুগুলোর অনুপাত একই: DE ÷ AB = EF ÷ BC = FD ÷ CA। এই সাধারণ অনুপাতই স্কেল ফ্যাক্টর k। আমরা লিখি ABC ~ DEF, আর অক্ষরের ক্রমটা জরুরি, কারণ কোন শীর্ষ কোনটার সঙ্গে মিলছে সেটা ওই ক্রম থেকেই বোঝা যায়।
সমান কোণের বিপরীত বাহুগুলোকে বলে অনুরূপ বাহু। সিমুলেশনে অনুরূপ শীর্ষ হলো A ও D, B ও E, C ও F; তাই AB-এর সঙ্গে DE, BC-এর সঙ্গে EF আর CA-এর সঙ্গে FD মেলে। বাহু মেলাবে সব সময় কোণ দেখে, ছবিতে কেমন দেখাচ্ছে তা দেখে নয়, কারণ সদৃশ ত্রিভুজ ঘোরানো বা উল্টানো থাকতে পারে।
সর্বসম ত্রিভুজ হলো বিশেষ ক্ষেত্র যেখানে k = ১: আকৃতিও এক, মাপও এক। দুটো ত্রিভুজ সর্বসম হলে অবশ্যই সদৃশ, কিন্তু সদৃশ ত্রিভুজ প্রায় কখনোই সর্বসম নয়।
| প্রশ্ন | সর্বসম ত্রিভুজ | সদৃশ ত্রিভুজ |
|---|---|---|
| আকৃতি | এক | এক |
| মাপ | এক | আলাদা হতে পারে |
| অনুরূপ কোণ | সমান | সমান |
| অনুরূপ বাহু | সমান (k = ১) | অনুপাত k |
| চিহ্ন | ≅ | ~ |
| ক্ষেত্রফল | সমান | অনুপাত k² |
স্কেল ফ্যাক্টর আর k, k, k² নিয়ম
সদৃশ ত্রিভুজের সবকিছু একটা সংখ্যার ওপর দাঁড়িয়ে: স্কেল ফ্যাক্টর k। DEF যদি ABC-এর k গুণ বড় হয়, তাহলে DEF-এর প্রতিটি বাহু ABC-এর অনুরূপ বাহুর k গুণ। তিন বাহু যোগ করলে পরিসীমাও k গুণ হয়, কারণ পরিসীমা তো তিনটা দৈর্ঘ্যের যোগফল, আর প্রতিটা k গুণ।
ক্ষেত্রফল আলাদা। ক্ষেত্রফল সমতলের জায়গা মাপে, যার দুটো দিক আছে; তাই দৈর্ঘ্য আর প্রস্থ দুটোই k গুণ হয়, আর ক্ষেত্রফলে আসে k × k গুণক। সিমুলেশনের রিডিংয়ে ক্ষেত্রফলের অনুপাত সব সময় ঠিক k²-এ এসে থামে।
DE ÷ AB = EF ÷ BC = FD ÷ CA = kপ্রতিটি বাহুর অনুপাত
DEF-এর পরিসীমা ÷ ABC-এর পরিসীমা = kদৈর্ঘ্য k গুণ
DEF-এর ক্ষেত্রফল ÷ ABC-এর ক্ষেত্রফল = k²ক্ষেত্রফল k² গুণ
| k | বাহু (৩-৪-৫ ত্রিভুজ বড়-ছোট করে) | পরিসীমা | ক্ষেত্রফল | k² |
|---|---|---|---|---|
| ০.৫০ | ১.৫০, ২, ২.৫০ | ৬ | ১.৫০ | ০.২৫ |
| ১ | ৩, ৪, ৫ | ১২ | ৬ | ১ |
| ২ | ৬, ৮, ১০ | ২৪ | ২৪ | ৪ |
| ৩ | ৯, ১২, ১৫ | ৩৬ | ৫৪ | ৯ |
| ৪ | ১২, ১৬, ২০ | ৪৮ | ৯৬ | ১৬ |
তিনটি শর্ত: সবকিছু যাচাই করতে হয় না
সংজ্ঞা বলে তিন জোড়া কোণ আর তিনটা অনুপাত মেলাতে হবে। এটা অনেক কাজ। সৌভাগ্যক্রমে ত্রিভুজের আকৃতি এত শক্ত যে কয়েকটা তথ্যেই বাকিটা ঠিক হয়ে যায়। তিনটা শর্তই যথেষ্ট, আর পরীক্ষায় এগুলোই আসে।
AA: দুটো কোণ সমান
একটা ত্রিভুজের দুটো কোণ আরেকটার দুটো কোণের সমান হলে ত্রিভুজ দুটো সদৃশ। তৃতীয় কোণ দুটোও সমান হতে বাধ্য, কারণ যেকোনো ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি ১৮০°। সিমুলেশনের আদর্শ ত্রিভুজের কোণ ৫০°, ৬০° ও ৭০°। D = ৫০° আর E = ৬০° দিয়ে ত্রিভুজ বানালে সেটা সদৃশ, বাহু যতই লম্বা হোক।
∠A = ∠D এবং ∠B = ∠E ⇒ ABC ~ DEFAA শর্ত
SSS: তিন বাহু সমানুপাতিক
তিনটা বাহুর অনুপাত সমান হলে ত্রিভুজ দুটো সদৃশ। আদর্শ ত্রিভুজের বাহু ৪, ৬ ও ৮। যে ত্রিভুজের বাহু ৪k, ৬k ও ৮k, সেটা এর সদৃশ। ছোটটাকে ছোটটার সঙ্গে, মাঝেরটাকে মাঝেরটার সঙ্গে আর বড়টাকে বড়টার সঙ্গে মেলাও।
DE ÷ AB = EF ÷ BC = FD ÷ CA ⇒ ABC ~ DEFSSS শর্ত
SAS: দুই বাহু সমানুপাতিক আর তাদের অন্তর্ভুক্ত কোণ সমান
দুটো বাহু আর তাদের মাঝের কোণ নাও। আদর্শ ত্রিভুজে বাহু ৪ ও ৬, মাঝের কোণ ৫০°। তোমার ত্রিভুজে দুই বাহুর অনুপাত একই আর মাঝের কোণও ৫০° হলে ত্রিভুজ দুটো সদৃশ। কোণটা অবশ্যই ওই দুই বাহুর মাঝের কোণ হতে হবে, অন্য কোনো কোণ নয়।
DE ÷ AB = DF ÷ AC এবং ∠A = ∠D ⇒ ABC ~ DEFSAS শর্ত
সিমুলেশনে নিজে করে দেখো
পাঁচটা ছোট পরীক্ষা শর্তগুলোকে হাতে-কলমে বুঝিয়ে দেবে। শুধু পড়ো না, স্লাইডার নাড়াও।
- “স্কেল ও অনুপাত” মোডে k = ২.৫০ করো। ক্ষেত্রফলের অনুপাত ৬.২৫, মানে ২.৫০ × ২.৫০। এবার k = ৩ করলে অনুপাত হয় ৯।
- k = ১ করো। প্রতিলিপি ঠিক আগের মাপেই বসে, ত্রিভুজ দুটো সর্বসম। এটাই “k = ১” বিশেষ ক্ষেত্র।
- “সদৃশতার শর্ত” মোডে SSS বেছে d, e, f করো ৮, ১২, ১৬। সিদ্ধান্ত আসবে সদৃশ, k = ২। f বদলে ১৫ করলেই সিদ্ধান্ত উল্টে যাবে।
- SAS বেছে d আর e-কে ৪ ও ৬-এর সমানুপাতিক করো, যেমন ৮ ও ১২। অন্তর্ভুক্ত কোণ ঠিক ৫০° হলেই সদৃশ। ৫১° করলে আর মেলে না।
- AA বেছে D = ৫০° আর E = ৬০° করলে ত্রিভুজ সদৃশ। D = ৬০° আর E = ৫০° করলেও সদৃশ, শুধু ঘুরে গেছে, কারণ একই তিন কোণ ভিন্ন ক্রমে এসেছে।
অনুরূপতা ঠিকভাবে লেখা
সদৃশতার অঙ্কে বেশির ভাগ নম্বর কাটা যায় ভুল বাহু মেলাতে গিয়ে। একটা নিরাপদ নিয়ম ধরো। প্রথমে সমান কোণগুলো খুঁজে নাও। তারপর শীর্ষগুলো মিলিয়ে ক্রমে সদৃশতা লেখো, যেমন A = D, B = E, C = F হলে ABC ~ DEF। শেষে অক্ষর দেখেই অনুপাত লেখো: AB ÷ DE = BC ÷ EF = CA ÷ FD।
ছবিটা অন্যরকম দেখালে একটা ত্রিভুজ কাগজে আবার এমনভাবে আঁকো যাতে দুটোর দিক এক হয়। ঘুরিয়ে বা উল্টে নিলেও সদৃশ ত্রিভুজ সদৃশই থাকে, তাই এতে কোনো ক্ষতি নেই, বরং অনুরূপ বাহুগুলো চোখে পাশাপাশি পড়ে।
- বড়তম বাহু সব সময় বড়তম বাহুর সঙ্গে মেলে, ছোটতম ছোটতমের সঙ্গে।
- বাহু তার বিপরীত কোণের সঙ্গে বাঁধা, তাই সমান কোণ থেকে অনুরূপ বাহু পাওয়া যায়।
- অনুপাত “ছোট ত্রিভুজ ÷ বড় ত্রিভুজ” বা উল্টোটা লিখতে পারো, কিন্তু প্রতিটি ভগ্নাংশে একই দিক রাখো।
ত্রিভুজের ভেতরে সমান্তরাল রেখা
ত্রিভুজ ABC-এর BC বাহুর সমান্তরাল করে DE আঁকো, যেখানে D আছে AB-তে আর E আছে AC-তে। ছোট ত্রিভুজ ADE আর বড় ত্রিভুজ ABC-এর A কোণ সাধারণ, আর সমান্তরাল রেখার জন্য ∠ADE = ∠ABC এবং ∠AED = ∠ACB। এটা তো AA, তাই ADE ~ ABC।
এই সহজ ছবিটাই সমানুপাতিক উপপাদ্য (থালিসের উপপাদ্য): ত্রিভুজের এক বাহুর সমান্তরাল রেখা অন্য দুই বাহুকে একই অনুপাতে ভাগ করে। প্রমাণটা ওই সদৃশতাই, যা তুমি আগেই দেখেছ।
AD ÷ DB = AE ÷ ECকাটা বাহুদুটো সমানুপাতিক
DE ÷ BC = AD ÷ ABসমান্তরাল বাহুও একই অনুপাতে
ছায়া দিয়ে উঁচু গাছ মাপা
গাছে উঠে ফিতা ধরে কেউ মাপতে চায় না। বরং রোদের দিনে গাছের পাশে দাঁড়াও। সূর্যের রশ্মি প্রায় সমান্তরাল, তাই গাছ আর তুমি একই কোণে আলো পাও। গাছ আর তার ছায়া একটা সমকোণী ত্রিভুজ বানায়, তুমি আর তোমার ছায়া বানায় আরেকটা, যার কোণগুলো একই। AA দিয়ে ত্রিভুজ দুটো সদৃশ।
তাই উচ্চতা ÷ ছায়া অনুপাত দুটোর জন্যই এক। নিজের উচ্চতা, নিজের ছায়া আর গাছের ছায়া মাপলেই একটা সমানুপাত থেকে গাছের উচ্চতা বেরিয়ে আসে। সিমুলেশনে “ছায়া থেকে উচ্চতা” মোডে সূর্য সরাও: ছায়া লম্বা হয়, কিন্তু দুই ছায়ার অনুপাত আর গাছের উচ্চতার হিসাব নড়ে না।
গাছের উচ্চতা ÷ গাছের ছায়া = মানুষের উচ্চতা ÷ মানুষের ছায়াসদৃশ সমকোণী ত্রিভুজ
গাছের উচ্চতা = মানুষের উচ্চতা × (গাছের ছায়া ÷ মানুষের ছায়া)
সমাধান করা অঙ্ক
নিচের প্রতিটি সংখ্যা সিমুলেশনের সূত্র দিয়েই হিসাব করা।
অঙ্ক ১: ৪-৫-৬ ত্রিভুজকে ২.৫০ গুণ করা
নতুন বাহুগুলো ৪ × ২.৫০ = ১০, ৫ × ২.৫০ = ১২.৫০ এবং ৬ × ২.৫০ = ১৫। পরিসীমা ১৫ থেকে ৩৭.৫০ হয়, মানে ২.৫০ গুণ। ক্ষেত্রফল ৯.৯২ থেকে ৬২.০১ হয়, মানে ৬.২৫ গুণ, কারণ ২.৫০ × ২.৫০ = ৬.২৫।
অঙ্ক ২: ক্ষেত্রফল ১৮ আর ৫০
দুটো সদৃশ ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল ১৮ বর্গসেমি আর ৫০ বর্গসেমি। ক্ষেত্রফলের অনুপাত ৫০ ÷ ১৮ = ২.৭৮, যা k²। তাই k = √২.৭৮ = ১.৬৭। ছোট ত্রিভুজের ৬ সেমি বাহুর অনুরূপ বাহু বড়টায় ৬ × ১.৬৭ = ১০ সেমি।
অঙ্ক ৩: দুই জোড়ায় SSS প্রয়োগ
ত্রিভুজ ১-এর বাহু ৩, ৫, ৭ আর ত্রিভুজ ২-এর বাহু ৯, ১৫, ২১। অনুপাতগুলো ৩, ৩, ৩। তিনটাই সমান, তাই SSS অনুসারে সদৃশ, k = ৩।
ত্রিভুজ ৩-এর বাহু ৪, ৬, ৯ আর ত্রিভুজ ৪-এর বাহু ৬, ৯, ১৩। অনুপাতগুলো ১.৫০০, ১.৫০০, ১.৪৪৪। তৃতীয়টা আলাদা, তাই দেখতে কাছাকাছি হলেও এরা সদৃশ নয়।
অঙ্ক ৪: অজানা কোণ বের করে AA যাচাই
ত্রিভুজ ABC-তে A = ৪০° ও B = ৬৫°, তাই C = ১৮০° − ১০৫° = ৭৫°। ত্রিভুজ DEF-এ D = ৪০° ও F = ৭৫°, তাই E = ১৮০° − ১১৫° = ৬৫°। কোণগুলো জোড়ায় জোড়ায় সমান, তাই AA অনুসারে ABC ~ DEF।
অঙ্ক ৫: ছায়া থেকে গাছের উচ্চতা
১.৫০ মিটার লম্বা একজন মানুষের ছায়া ২.৪০ মিটার। একই সময়ে গাছের ছায়া ১৬ মিটার। ছায়ার অনুপাত ১৬ ÷ ২.৪০ = ৬.৬৭। তাই গাছের উচ্চতা ১.৫০ × ৬.৬৭ = ১০ মিটার।
অঙ্ক ৬: দালান আর খুঁটি
৩ মিটার খুঁটির ছায়া ৫ মিটার, আর একই সময়ে দালানের ছায়া ৪০ মিটার। দালানের উচ্চতা ৩ ÷ ৫ × ৪০ = ২৪ মিটার।
অঙ্ক ৭: ত্রিভুজের ভেতরে সমান্তরাল রেখা
ত্রিভুজ ABC-তে DE ∥ BC, AD = ৪, DB = ৬, AE = ৩। AD ÷ DB = AE ÷ EC থেকে EC = ৩ × ৬ ÷ ৪ = ৪.৫০। আবার AB = ১০, তাই DE ÷ BC = ৪ ÷ ১০ = ০.৪০। BC = ১৫ হলে DE = ৬।
অঙ্ক ৮: স্কেল মডেল
একটা দালানের মডেল ১ : ২০০ স্কেলে বানানো, তাই k = ২০০। মডেলের ১২ সেমি উচ্চতা আসলে ১২ × ২০০ = ২৪ মিটার। মডেলের ৩০ বর্গসেমি মেঝে আসলে ৩০ × ৪০,০০০ বর্গসেমি = ১২০ বর্গমিটার, কারণ ক্ষেত্রফল k² গুণ হয়।
সচরাচর ভুল
এই ভুলগুলোতে প্রতিবার পরীক্ষায় নম্বর কাটা যায়। খাতা জমা দেওয়ার আগে মিলিয়ে নাও।
- পাতার অবস্থান দেখে বাহু মেলানো, অথচ মেলাতে হবে বিপরীত কোণ দেখে। দরকার হলে ছবি আবার আঁকো।
- ক্ষেত্রফলের অনুপাতকে বাহুর অনুপাত ভাবা। ক্ষেত্রফলের অনুপাত ৯ : ২৫ হলে বাহুর অনুপাত ৩ : ৫, ৯ : ২৫ নয়।
- SSS-এ মাত্র দুটো অনুপাত মেলানো। তিনটাই মিলতে হবে।
- SAS-এ বেছে নেওয়া দুই বাহুর মাঝের কোণ না নিয়ে অন্য কোণ নেওয়া।
- শুধু কোণ সমান হলেই সর্বসম ভাবা। কোণ সমান হলে সদৃশ হয়; সর্বসম হতে হলে অন্তত একটা বাহুও সমান লাগে।
বাস্তব জীবনে সদৃশ ত্রিভুজ
মানচিত্র আঁকিয়েরা সদৃশতার ওপর নির্ভর করেন: মানচিত্র হলো জমির ছোট করা প্রতিলিপি, যার স্কেল ফ্যাক্টর হয়তো ১ : ৫০,০০০। দূরত্ব ৫০,০০০ গুণ, আর ক্ষেত্রফল ৫০,০০০ × ৫০,০০০ গুণ হয়। স্থপতির নকশা আর গাড়ি-প্লেন-দালানের মডেল সবই k দিয়ে বানানো।
ছবি ক্রপ আর রিসাইজ করার সময় আলোকচিত্রী এটা ব্যবহার করেন। চিত্রশিল্পী গ্রিড দিয়ে ছোট স্কেচ দেয়ালে বড় করেন। জরিপকারী নদী পার না হয়েই তার প্রস্থ মাপেন: নিজের পাড়ে ছোট একটা ত্রিভুজ বানান, যা নদী ছুঁয়ে যাওয়া বড় ত্রিভুজের সদৃশ।
এমনকি ভিডিও গেমে দূরের জিনিস ছোট হয়ে যাওয়ার পেছনেও এই ত্রিভুজই। যেখানেই মাপ বদলালেও আকৃতি ঠিক রাখতে হয়, সেখানেই সদৃশ ত্রিভুজ আছে।
পরীক্ষার কোণ
অষ্টম থেকে দশম শ্রেণির সদৃশ ত্রিভুজের প্রশ্ন বেশির ভাগই পাঁচ ধরনের। লেখা শুরুর আগে ধরনটা চিনে নাও।
- দুটো ত্রিভুজ সদৃশ প্রমাণ: দুই জোড়া সমান কোণ (AA) বা তিন সমানুপাতিক বাহু (SSS) খোঁজো।
- অজানা বাহু: অক্ষর মিলিয়ে সমানুপাত লিখে আড়গুণন করো।
- ক্ষেত্রফল ও পরিসীমা: ক্ষেত্রফলে অনুপাতের বর্গ, পরিসীমায় সাধারণ অনুপাত।
- ত্রিভুজের ভেতরে সমান্তরাল রেখা: AD ÷ DB = AE ÷ EC আর DE ÷ BC = AD ÷ AB ব্যবহার করো।
- উচ্চতা ও ছায়া: উচ্চতা আর ছায়ার সমানুপাত বানাও।
দ্রুত পুনরালোচনা
এই পাতা থেকে কিছু মনে রাখতে হলে এই লাইনগুলো রাখো।
ABC ~ DEF ⇒ ∠A = ∠D, ∠B = ∠E, ∠C = ∠F
DE ÷ AB = EF ÷ BC = FD ÷ CA = k
পরিসীমার অনুপাত = k
ক্ষেত্রফলের অনুপাত = k²
AA · SSS · SASতিনটি শর্ত
- k = ১ হলে ত্রিভুজ সর্বসম।
- বাহু মেলাও যে কোণের বিপরীতে তাকে দেখে।
- একই সময়ের ছায়া সদৃশ সমকোণী ত্রিভুজ বানায়।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
সদৃশ ত্রিভুজ কাকে বলে?
যে দুটো ত্রিভুজের আকৃতি এক, অর্থাৎ অনুরূপ কোণগুলো সমান আর অনুরূপ বাহুগুলোর অনুপাত একই, তারা সদৃশ। একটা আরেকটার বড় বা ছোট করা রূপ। সাধারণ অনুপাতটা স্কেল ফ্যাক্টর k।
সদৃশ ও সর্বসম ত্রিভুজের পার্থক্য কী?
সর্বসম ত্রিভুজের আকৃতি ও মাপ দুই-ই এক, তাই k = ১। সদৃশ ত্রিভুজের আকৃতি এক কিন্তু মাপ আলাদা হতে পারে। প্রতিটি সর্বসম জোড়া সদৃশ, কিন্তু প্রতিটি সদৃশ জোড়া সর্বসম নয়।
সদৃশ ত্রিভুজের শর্ত কী কী?
AA: দুটো কোণ সমান। SSS: তিন বাহুর অনুপাত সমান। SAS: দুই বাহুর অনুপাত সমান আর অন্তর্ভুক্ত কোণ সমান। এর যেকোনো একটাই যথেষ্ট।
সদৃশ ত্রিভুজের ক্ষেত্রফলের অনুপাত কত?
ক্ষেত্রফলের অনুপাত স্কেল ফ্যাক্টরের বর্গ, k²। বাহুর অনুপাত ২ : ৩ হলে ক্ষেত্রফলের অনুপাত ৪ : ৯। পরিসীমা দৈর্ঘ্য বলে তার অনুপাত সাধারণ k।
ছায়া থেকে গাছের উচ্চতা কীভাবে বের করব?
একই সময়ে নিজের উচ্চতা, নিজের ছায়া আর গাছের ছায়া মাপো। দুই সমকোণী ত্রিভুজ সদৃশ, তাই গাছের উচ্চতা ÷ গাছের ছায়া = তোমার উচ্চতা ÷ তোমার ছায়া। এ থেকে গাছের উচ্চতা বের করো।
AAA কি সদৃশতার বৈধ শর্ত?
হ্যাঁ, কিন্তু এটা আসলে AA-ই। দুটো কোণ সমান হলে তৃতীয়টাও সমান হয়, কারণ তিন কোণের সমষ্টি ১৮০°, তাই দুই জোড়াই যথেষ্ট।
সদৃশ ত্রিভুজ কি একই দিকে থাকতে হয়?
না। সদৃশ ত্রিভুজ ঘোরানো বা উল্টানো থাকতে পারে। জরুরি হলো কোণ আর বাহুর অনুপাত ঠিক ক্রমে মেলা, আর সে জন্যই শীর্ষ মিলিয়ে ABC ~ DEF লেখা হয়।
সিমুলেশন কি শর্তগুলো প্রমাণ করে?
এটা তোমার নিজের সংখ্যা দিয়ে শর্তগুলো যাচাই করতে দেয়। SSS, SAS আর AA পূর্ণসংখ্যার নির্ভুল হিসাবে ঠিক করা হয়, তাই প্রায় মেলাকে কখনো মেলা ধরা হয় না। প্রমাণগুলো পাঠ্যবইয়ের সর্বসমতা আর সমান্তরাল রেখার উপপাদ্য থেকে আসে।
এই বিষয়ের আরও পড়াশোনা
অ্যানিমেশনে ধারণা পরিষ্কার হলো, এবার পরীক্ষার প্রস্তুতি: সিলেবাস, সাজেশন, বই আর ভর্তি পরীক্ষার গাইড নিচে।
পাঠ্যবই
নবম-দশম শ্রেণির গণিত বই
SSC
এসএসসি গণিত: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
SSC
এসএসসি উচ্চতর গণিত: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
HSC
এইচএসসি উচ্চতর গণিত: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
পাঠ্যবই
নবম-দশম শ্রেণির উচ্চতর গণিত বই
ভর্তি
ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি
ভর্তি
জাবি গাণিতিক ও পদার্থবিষয়ক অনুষদ ভর্তি
English
Paragraph: Artificial Intelligence (ইংরেজিতে)
বাংলা
রচনা: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
SSC
এসএসসি সাজেশন
HSC
এইচএসসি সাজেশন
ভর্তি
বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার গাইড
SSC
এসএসসি সিলেবাস
HSC
এইচএসসি সিলেবাস
টেস্ট
GRE Quantitative Reasoning guide (ইংরেজিতে)
টেস্ট
Digital SAT Math guide (ইংরেজিতে)
স্কলারশিপ
বিদেশে পড়াশোনার স্কলারশিপ
টুল
Compound interest calculator (ইংরেজিতে)
ক্যারিয়ার
Data scientist resume example (ইংরেজিতে)
ক্যারিয়ার
Cover letter examples (ইংরেজিতে)
আরও গণিত অ্যানিমেশন
Class 8 · SSC
পিথাগোরাসের উপপাদ্য
পিথাগোরাসের উপপাদ্য কাকে বলে, সূত্র c² = a² + b², অষ্টম ও নবম-দশম শ্রেণির প্রমাণ, বিপরীত উপপাদ্য, পিথাগোরীয় ত্রয়ী ও সমাধানসহ অঙ্ক: ত্রিভুজ টেনে নিজে দেখো।
SSC · HSC
ত্রিকোণমিতিক অনুপাত ও একক বৃত্ত
ত্রিকোণমিতিক অনুপাত কাকে বলে, sin cos tan-এর মান ০° থেকে ৩৬০°, আদর্শ কোণের টেবিল, চতুর্ভাগের চিহ্ন ও সূত্র: একক বৃত্তে বিন্দু ঘুরিয়ে নিজে দেখো, সমাধানসহ।
SSC · HSC
দ্বিঘাত সমীকরণ ও দ্বিঘাত ফাংশনের লেখচিত্র
দ্বিঘাত সমীকরণ কাকে বলে, উৎপাদক ও বর্গপূর্ণকরণ পদ্ধতি, শ্রীধর আচার্যের সূত্র, নিশ্চায়ক দিয়ে মূলের প্রকৃতি, শীর্ষবিন্দু ও পরাবৃত্তের লেখচিত্র অ্যানিমেশনে।
SSC
বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য
বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য সহজে: কেন্দ্রস্থ ও বৃত্তস্থ কোণ, অর্ধবৃত্তস্থ কোণ, বৃত্তীয় চতুর্ভুজ, জ্যা ও স্পর্শক। SSC-র প্রমাণ আর সমাধানসহ অঙ্ক, বিন্দু টেনে নিজে দেখো।
SSC
দূরত্ব ও উচ্চতা: উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ
উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ কাকে বলে, দূরত্ব ও উচ্চতার সূত্র কীভাবে কাজ করে, আর দুই দফা পর্যবেক্ষণে না মেপেই টাওয়ারের উচ্চতা বের করা যায় কীভাবে — ইন্টারঅ্যাকটিভ সিমুলেশন ও সমাধানসহ।
SSC
সম্ভাবনা: পরীক্ষালব্ধ বনাম তাত্ত্বিক সম্ভাবনা
সম্ভাবনা কাকে বলে, নমুনা ক্ষেত্র ও সম্ভাবনার সূত্র P(E) = n(E)/n(S) কীভাবে কাজ করে, আর বহুবার নিক্ষেপ করলে পরীক্ষালব্ধ হার কীভাবে তাত্ত্বিক সম্ভাবনার কাছাকাছি চলে আসে — মুদ্রা, ছক্কা, দুই ছক্কা ও রঙিন বল দিয়ে ইন্টারঅ্যাকটিভ সিমুলেশন ও সমাধান করা অঙ্কসহ।
SSC · HSC
সমান্তর ও গুণোত্তর ধারা
সমান্তর ধারা ও গুণোত্তর ধারার n-তম পদ ও যোগফল সূত্র, গাউসের জোড়া বাঁধার কৌশল আর অসীম ধারার সূত্র a/(1−r): বার-চার্ট অ্যানিমেশনে নিজে টেনে দেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।
SSC
গড়, মধ্যক ও প্রচুরক
গড়, মধ্যক ও প্রচুরক নির্ণয়ের সূত্র, আউটলায়ারে মধ্যক কেন অটুট থাকে, আর শ্রেণিবদ্ধ উপাত্তের মধ্যক-প্রচুরক সূত্র: বিন্দু টেনে সংখ্যা রেখায় নিজে দেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।
Class 9 · SSC
সেট ও ভেনচিত্র
সংযোগ সেট, ছেদ সেট, অন্তর সেট, পূরক সেট আর ডি মরগানের সূত্র ভেনচিত্রে হাতে-কলমে দেখো: অঞ্চল রাঙাও, সংখ্যা বসাও, n(A ∪ B) সূত্র যাচাই করো, সমাধান করা অঙ্কসহ।
Class 8 · SSC
সরল সহসমীকরণ ও সরলরেখার লেখচিত্র
ঢাল, ছেদক ও ছেদবিন্দু অ্যানিমেশনে দেখো। দুটি সরল সমীকরণ লেখচিত্রে এঁকে সমাধান করো, সমঞ্জস-অসমঞ্জস চেনো এবং অনুপাত পরীক্ষা কষে নাও, SSC-র ধাঁচে।
SSC · HSC
sin, cos, tan-এর লেখচিত্র
y = A sin(Bx + C) + D আঁকো স্লাইডার টেনে: বিস্তার, পর্যায়কাল, দশা সরণ, মানের পরিসর আর tan-এর অসীমতট নিজে দেখো। সমাধানসহ ত্রিকোণমিতিক লেখচিত্র।
Class 9 · SSC
পূর্ণবর্গ পদ্ধতি ও দ্বিঘাত সমীকরণের সমাধান
টালি সাজিয়ে পূর্ণবর্গ পদ্ধতি দেখো, দ্বিঘাত সমীকরণের মূল ও শীর্ষবিন্দু বের করো এবং সূত্রটা কেন কাজ করে বুঝে নাও। অ্যানিমেশন ও সমাধানসহ।
Class 8 · SSC
বৃত্তের ক্ষেত্রফল: সূত্র, প্রমাণ ও সমাধান
বৃত্তকে টুকরো করে সাজিয়ে আয়তক্ষেত্র বানাও আর দেখো ক্ষেত্রফল কীভাবে πr² হয়। পরিধি, পাই, বৃত্তকলা, বৃত্তচাপ ও সমাধানসহ ফ্রি ইন্টারঅ্যাকটিভ সিমুলেশন।
Class 8 · SSC
ঘনবস্তুর আয়তন ও তলের ক্ষেত্রফল: ঘনক, আয়তঘন, বেলন, কোণক, গোলক
ছয়টি ঘনবস্তু ৩ডি-তে ঘোরাও, জাল খুলে দেখো আর কোণকের পানি বেলনে ঢেলে বোঝো কেন ঠিক তিন বারে ভরে। আয়তন, বক্রতল ও সমগ্রতলের সূত্র আর সমাধানসহ বিনামূল্যের সিমুলেশন।
Class 9 · SSC
স্থানাঙ্ক জ্যামিতি: দূরত্ব, মধ্যবিন্দু, ঢাল, বিভক্তিকরণ সূত্র ও সঞ্চারপথ
গ্রিডে বিন্দু টেনে দেখো দূরত্বের সূত্র, মধ্যবিন্দু, ঢাল আর বিভক্তিকরণ সূত্র কীভাবে বদলায়। লম্বসমদ্বিখণ্ডক সঞ্চারপথ ও সমাধান করা অঙ্কসহ বিনামূল্যের সিমুলেশন।
HSC
শাঙ্কব ছেদ: বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত ও অধিবৃত্ত
দ্বিশঙ্কুর মধ্য দিয়ে তল কাত করে দেখো বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত আর অধিবৃত্ত কীভাবে তৈরি হয়। সমীকরণ, ফোকাস ও উৎকেন্দ্রিকতাসহ বিনামূল্যের সিমুলেশন ও সমাধান করা অঙ্ক।
Class 9 · SSC
ফাংশনের রূপান্তর: সরানো, টানা ও উল্টানো
x², |x|, √x, sin x বা 2^x বেছে a, b, h, k স্লাইডার নাড়াও। দেখো লেখচিত্র কীভাবে সরে, টানে, চাপে আর উল্টে যায়, পেছনে ফিকে মূল লেখচিত্রসহ। বিনামূল্যের সিমুলেশন ও সমাধান করা অঙ্ক।
HSC
অন্তরীকরণ: স্পর্শকের ঢাল ও ছেদক থেকে স্পর্শক
x², x³, sin x, eˣ বা 1/x বক্ররেখায় P বিন্দু টানো আর ব্যবধান h শূন্যের দিকে কমাও। ছেদক কীভাবে স্পর্শক হয় আর তার ঢাল কীভাবে অন্তরজ হয় তা দেখো। নিচে অন্তরজের লেখচিত্রও আছে। বিনামূল্যে সিমুলেশন।
HSC
রিম্যান যোগফল ও সমাকলন: বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফল
x², x³, sin x, eˣ বা √x বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফলকে ১০০টি পর্যন্ত ফালিতে ভাগ করো, বাঁ, ডান, মধ্যবিন্দু ও ট্রাপিজিয়াম যোগফলকে সঠিক সমাকলনের সঙ্গে মেলাও। ভুল কমতে দেখো। বিনামূল্যে সিমুলেশন।
HSC
সীমা ও ε–δ সংজ্ঞা: ছবিতে বোঝা
ε–δ সংজ্ঞায় সীমা চোখে দেখো। ফাংশন বেছে ε ছোট করো, δ ব্যান্ড কীভাবে সরু হয় দেখো। বাম-ডান সীমা, গর্ত, sin x / x আর লাফ, যেখানে কোনো δ কাজ করে না। বিনামূল্যে সিমুলেশন।
HSC
ত্রিমাত্রিক ভেক্টর: যোগ, ডট গুণ ও ক্রস গুণ
দুটি ত্রিমাত্রিক ভেক্টর টেনে ঘুরিয়ে দেখো। যোগফল সামান্তরিক হয়ে, ডট গুণ ছায়া ও কোণ হয়ে, আর ক্রস গুণ লম্ব তীর হয়ে ধরা দেবে, যার দৈর্ঘ্য ক্ষেত্রফল। বিনামূল্যে সিমুলেশন।
HSC
ম্যাট্রিক্স রূপান্তর: ঘূর্ণন, প্রতিফলন, শিয়ার ও নির্ণায়ক
২×২ ম্যাট্রিক্স বদলে দেখো ছক, একক বর্গ আর একটা F-আকৃতি কীভাবে নড়ে। î আর ĵ কোথায় যায়, নির্ণায়ক কীভাবে চিহ্নযুক্ত ক্ষেত্রফল, আর বিপরীত ম্যাট্রিক্স। বিনামূল্যে সিমুলেশন।
HSC
জটিল সংখ্যা: আরগান্ড সমতলে যোগ, গুণ, ঘাত ও মূল
আরগান্ড সমতলে দুটি জটিল সংখ্যা টেনে সরাও। যোগফল সামান্তরিক হয়ে, গুণফল ঘূর্ণন ও টান হয়ে, অনুবন্ধী, ঘাত সর্পিল হয়ে এবং এককের মূল ধরা দেবে। বিনামূল্যে সিমুলেশন।
SSC · HSC
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি: স্থানীয় মান, রূপান্তর ও যোগ
বিট উল্টে দেখো দশমিক, বাইনারি, অক্টাল ও হেক্সা একসাথে বদলায়। ২ দিয়ে ভাগ, ৩-৪ বিটের গ্রুপ আর ক্যারিসহ বাইনারি যোগ হাতে-কলমে। বিনা মূল্যে, সমাধান করা অঙ্কসহ।
অন্য বিষয়ের অ্যানিমেশন
পদার্থবিজ্ঞান
আলোর প্রতিসরণ
পদার্থবিজ্ঞান
ওহমের সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
প্রাসের গতি
পদার্থবিজ্ঞান
সরল দোলক
পদার্থবিজ্ঞান
তড়িৎ ক্ষেত্র
পদার্থবিজ্ঞান
তরঙ্গের ব্যতিচার
পদার্থবিজ্ঞান
পড়ন্ত বস্তু ও পড়ন্ত বস্তুর সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
লেন্সে প্রতিবিম্ব গঠন
পদার্থবিজ্ঞান
নিউটনের গতির সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
গোলীয় দর্পণে প্রতিবিম্ব গঠন
পদার্থবিজ্ঞান
তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ ও ফ্যারাডের সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
ভরবেগের সংরক্ষণ ও সংঘর্ষ
পদার্থবিজ্ঞান
কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি
পদার্থবিজ্ঞান
নততল
পদার্থবিজ্ঞান
বৃত্তাকার গতি
পদার্থবিজ্ঞান
অনুপ্রস্থ ও অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ
পদার্থবিজ্ঞান
লিভার ও ভ্রামক
পদার্থবিজ্ঞান
ভরকেন্দ্র
পদার্থবিজ্ঞান
স্প্রিং-ভর ও সরল ছন্দিত স্পন্দন
পদার্থবিজ্ঞান
ভেক্টর যোগ: ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
আপেক্ষিক বেগ: ট্রেন ও নদী পারাপার
পদার্থবিজ্ঞান
কেপলারের সূত্র ও উপবৃত্তাকার কক্ষপথ
পদার্থবিজ্ঞান
নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র, g ও কৃত্রিম উপগ্রহ
পদার্থবিজ্ঞান
তার ও নলে স্থির তরঙ্গ
পদার্থবিজ্ঞান
অনুনাদ নল ও শব্দের দ্রুতি
পদার্থবিজ্ঞান
স্বরকম্প: কাছাকাছি দুই সুরের স্পন্দন
পদার্থবিজ্ঞান
ডপলার প্রভাব: চলমান উৎস, চলমান শ্রোতা ও সনিক বুম
পদার্থবিজ্ঞান
প্রিজম, আলোর বিচ্ছুরণ ও রামধনু
পদার্থবিজ্ঞান
কির্শফের সূত্র: সংযোগ সূত্র ও বদ্ধ পথ সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
হুইটস্টোন ব্রিজ ও মিটার ব্রিজ
পদার্থবিজ্ঞান
একক চিড়ে অপবর্তন
পদার্থবিজ্ঞান
চোখের ত্রুটি ও তার প্রতিকার
পদার্থবিজ্ঞান
আলোর সমবর্তন: ম্যালাসের সূত্র ও ব্রুস্টারের সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
ক্যাপাসিটরের আহিতকরণ ও নিরাহিতকরণ: আরসি সময় ধ্রুবক
পদার্থবিজ্ঞান
চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা: দণ্ডচুম্বক, তড়িৎবাহী সরল তার ও সলিনয়েড
পদার্থবিজ্ঞান
এসি জেনারেটর
পদার্থবিজ্ঞান
ট্রান্সফর্মার
পদার্থবিজ্ঞান
তাপের সঞ্চালন: পরিবহন, পরিচলন ও বিকিরণ
পদার্থবিজ্ঞান
আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া: আইনস্টাইনের সমীকরণ ও নিবৃত্তি বিভব
পদার্থবিজ্ঞান
মোটর ক্রিয়া: তড়িৎবাহী তারের ওপর বল ও ডিসি মোটর
পদার্থবিজ্ঞান
গ্যাসের অণু ও গতিতত্ত্ব: চাপ, তাপমাত্রা ও দ্রুতি
পদার্থবিজ্ঞান
অর্ধপরিবাহী ডায়োড: p–n সন্ধি, I–V বক্ররেখা ও রেক্টিফায়ার
পদার্থবিজ্ঞান
তেজস্ক্রিয় ক্ষয়: অর্ধায়ু, ক্ষয় সূত্র ও বিকিরণের ভেদন ক্ষমতা
পদার্থবিজ্ঞান
বোর পরমাণু মডেল: কক্ষপথ, শক্তিস্তর ও হাইড্রোজেনের বর্ণালি
রসায়ন
পরমাণুর গঠন
রসায়ন
এসিড, ক্ষারক ও pH স্কেল
রসায়ন
ইলেকট্রন বিন্যাস
রসায়ন
গ্যাসের সূত্র: বয়েল, চার্লস ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ
রসায়ন
আয়নিক বন্ধন কীভাবে গঠিত হয়
রসায়ন
তড়িৎ বিশ্লেষণ ও ফ্যারাডের সূত্র
রসায়ন
সমযোজী বন্ধন
রসায়ন
পর্যায়বৃত্ত ধর্ম
রসায়ন
বিক্রিয়ার হার ও সংঘর্ষ তত্ত্ব
রসায়ন
পদার্থের অবস্থা: কঠিন, তরল, গ্যাসীয় ও তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র
রসায়ন
পরমাণুর অরবিটাল: s, p, d-এর আকৃতি, কোয়ান্টাম সংখ্যা ও নোড
রসায়ন
আণবিক আকৃতি ও ভিএসইপিআর তত্ত্ব: বন্ধন জোড়, মুক্তজোড় ও বন্ধন কোণ
রসায়ন
মোল ধারণা: মোলার ভর, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা ও মোলার আয়তন
রসায়ন
ব্যাপন ও নিঃসরণ: গ্রাহামের সূত্র
রসায়ন
রাসায়নিক সমীকরণ সমতাকরণ: পদ্ধতি, উদাহরণ ও অনুশীলন
রসায়ন
রাসায়নিক সাম্যাবস্থা: সাম্যধ্রুবক Kc ও লা শাতেলিয়ের নীতি
রসায়ন
টাইট্রেশন: অম্ল-ক্ষারের ঘনমাত্রা বের করার পদ্ধতি
রসায়ন
গ্যালভানিক কোষ: ড্যানিয়েল কোষ, EMF ও নার্নস্ট সমীকরণ
রসায়ন
জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া: জারণ সংখ্যা, ইলেকট্রন স্থানান্তর ও অর্ধ-সমীকরণ
রসায়ন
হাইড্রোকার্বন: অ্যালকেন, অ্যালকিন, অ্যালকাইন ও কাঠামোগত সমাণু ত্রিমাত্রায়
রসায়ন
কার্যকরী মূলক: অ্যালকোহল, অ্যালডিহাইড, কিটোন, অ্যাসিড, এস্টার ও অ্যামিন
রসায়ন
পলিমারকরণ: যোজন ও ঘনীভবন পলিমার, পলিথিন ও নাইলন
রসায়ন
মিশ্রণ আলাদা করার পদ্ধতি: ছাঁকন, পাতন, ক্রোমাটোগ্রাফি, স্ফটিকীকরণ
রসায়ন
কেলাস জালক: SC, BCC ও FCC একক কোষ, প্যাকিং দক্ষতা ও ঘনত্ব
রসায়ন
তেজস্ক্রিয়তা: আলফা, বিটা, গামা ক্ষয় ও অর্ধায়ু
জীববিজ্ঞান
মাইটোসিস কোষ বিভাজন
জীববিজ্ঞান
ব্যাপন ও অভিস্রবণ
জীববিজ্ঞান
সালোকসংশ্লেষণ
জীববিজ্ঞান
মানব হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কাজ
জীববিজ্ঞান
মেন্ডেলের বংশগতি সূত্র
জীববিজ্ঞান
ডিএনএ রেপ্লিকেশন
জীববিজ্ঞান
কোষীয় শ্বসন
জীববিজ্ঞান
এনজাইম ক্রিয়া
জীববিজ্ঞান
স্নায়ু উদ্দীপনার পরিবহন ও অ্যাকশন পটেনশিয়াল
জীববিজ্ঞান
নেফ্রন ও মূত্র তৈরির প্রক্রিয়া
জীববিজ্ঞান
মিয়োসিস কোষ বিভাজন
জীববিজ্ঞান
পরিপাকতন্ত্র
জীববিজ্ঞান
শ্বাসক্রিয়ার কৌশল: প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস
জীববিজ্ঞান
প্রোটিন সংশ্লেষণ
জীববিজ্ঞান
রক্ত সংবহন: দ্বি-সংবহন ও কার্ডিয়াক আউটপুট
জীববিজ্ঞান
কোষের গঠন ও অঙ্গাণু: উদ্ভিদ কোষ বনাম প্রাণী কোষ
জীববিজ্ঞান
প্রতিবর্ত ক্রিয়া ও প্রতিবর্ত চাপ
জীববিজ্ঞান
মানুষের চোখ: গঠন, প্রতিবিম্ব ও উপযোজন
জীববিজ্ঞান
পেশি সংকোচন ও স্লাইডিং ফিলামেন্ট মডেল
জীববিজ্ঞান
উদ্ভিদে পরিবহন: জাইলেম, ফ্লোয়েম ও বাষ্পমোচন
জীববিজ্ঞান
খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজাল: শক্তির প্রবাহ ও ১০ % নিয়ম
জীববিজ্ঞান
জনসংখ্যা বৃদ্ধি: সূচকীয় ও লজিস্টিক রেখা
জীববিজ্ঞান
প্রাকৃতিক নির্বাচন: পেপার্ড মথ ও কালিঝুলি মাখা গাছ
জীববিজ্ঞান
রোগপ্রতিরোধ: প্রাথমিক ও গৌণ অ্যান্টিবডি সাড়া
জীববিজ্ঞান






















