নিয়ন্ত্রণ
কোন দৃশ্য
পরিমাপ
- প্রথম পোলারাইজারের পর I₀
- ৫০.০%
- অ্যানালাইজারের কোণ θ
- ৩০°
- I / I₀
- ০.৭৫০
- শেষ তীব্রতা I
- ৩৭.৫%
সিমুলেশনটি কীভাবে ব্যবহার করবে
- ম্যালাসের সূত্র দিয়ে শুরু করো। বাতি থেকে অসমবর্তিত আলো বের হচ্ছে, প্রথম ফিল্টার তার অর্ধেক রাখে: মিটারে উৎসের ৫০ % দেখাচ্ছে।
- অ্যানালাইজারের কোণ θ টানো। θ = ০°-তে দ্বিতীয় ফিল্টার প্রথমটির সঙ্গে মেলে, সব আলো পার হয়। θ = ৯০°-তে ফিল্টার দুটি আড়াআড়ি, আলোর মিটার অন্ধকার। θ = ৩০°-তে I / I₀ = ০.৭৫।
- তরঙ্গটা খেয়াল করো। ফিল্টারের মাঝখানে সেটা একটা তলে কাঁপছে; নিচের ছোট বৃত্তে সেই তল সোজাসুজি দেখা যায়। অ্যানালাইজার পেরোলে কাঁপুনি নতুন অক্ষের দিকে ঘুরে ছোট হয়ে যায়।
- মাঝের ফিল্টারে টিক দিয়ে ৪৫°-তে রাখো, অ্যানালাইজার থাকুক ৯০°-তে। দুটো আড়াআড়ি ফিল্টারের পরেও আলো ফিরে আসে। ψ-কে ০° থেকে ৯০° পর্যন্ত টানো, আউটপুট বাড়ে-কমে।
- ব্রুস্টার কোণ দৃশ্যে যাও। আপতন কোণ টানো আর প্রতিফলিত রশ্মির নীল বিন্দু (কাগজের লম্ব কাঁপুনি) ও হলুদ তীর (কাগজের তলে কাঁপুনি) দেখো। একটা কোণে তীরগুলো মিলিয়ে যায়।
- “ব্রুস্টার কোণে আটকাও” টিক দিয়ে সানগ্লাস পরো। প্রতিফলিত রশ্মি লেন্সের পেছনে হারিয়ে যায়, রিডিং বলছে প্রায় কিছুই পার হচ্ছে না।
আলো পাশাপাশি কাঁপে
লম্বা দড়ির এক প্রান্ত ওপর-নিচ ঝাঁকালে তরঙ্গ ছুটে যায়। দড়িটা বেড়ার একটা সরু খাড়া ফাঁক দিয়ে গলাও, তরঙ্গ পার হয়ে যাবে। ফাঁকটা আড়াআড়ি করে দাও, তরঙ্গ থেমে যাবে। দড়ি কাঁপে চলার দিকের আড়াআড়ি, তাই ফাঁক ঠিক করে দিতে পারে কোন দিকের কাঁপুনি পার হবে।
আলোও একই ধরনের তরঙ্গ, তার তড়িৎ ক্ষেত্র কাঁপে আলোর চলার দিকের আড়াআড়ি। একে বলে অনুপ্রস্থ তরঙ্গ, আর সমবর্তনই তার প্রমাণ। বাতাসে শব্দ অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ, বাতাসের কণা দোলে চলার দিক বরাবর, তাই যেকোনো দিকের ফাঁকই হোক, শব্দকে সমবর্তিত করা যায় না।
বাতি বা সূর্য একসঙ্গে সব পাশের দিকে কাঁপা তরঙ্গ পাঠায়, আর সেই দিক এত দ্রুত বদলায় যে ধরা যায় না। একেই বলে অসমবর্তিত আলো। অ্যানিমেশনে বাতির পরের অংশে ছয়টা কাঁপুনির দিক একসঙ্গে আঁকা। সমতল সমবর্তিত আলোয় দিক একটাই।
পোলারাইজার আর কেন সে আলো অর্ধেক করে
পোলারয়েড পাত হলো টানা-ধরনের প্লাস্টিক, যার লম্বা অণুগুলো সমান্তরাল সারিতে সাজানো। অণুর বরাবর কাঁপুনির অংশ সে শুষে নেয়, আড়াআড়ি অংশ ছেড়ে দেয়। যে দিকটা ছাড়া পায় তার নাম সঞ্চার অক্ষ; অ্যানিমেশনে ফিল্টারের গায়ে হলুদ রেখা দিয়ে আঁকা।
যেকোনো অসমবর্তিত তরঙ্গকে ভাগ করা যায় অক্ষ বরাবর অংশ আর অক্ষের আড়াআড়ি অংশে। সব দিকের গড় ধরলে শক্তি দুই ভাগে সমান। তাই আদর্শ পোলারাইজার অসমবর্তিত আলোর ৫০ % পার করে, বাকিটা শুষে নেয়। বেরিয়ে আসা আলো অক্ষ বরাবর সমবর্তিত, তার তীব্রতাকে বলি I₀। মনে রাখার নিয়ম: অসমবর্তিত আলো ঢুকলে I₀ = ½ I।
বাকি অর্ধেক কোথায় যায়? তাপ হয়ে শোষিত হয়। আলো সমবর্তিত কি না, আর কোন দিকে, তা বের করতে যখন দ্বিতীয় পাত ব্যবহার করা হয়, তখন তাকে বলে অ্যানালাইজার।
ম্যালাসের সূত্র: I = I₀ cos²θ
এবার পোলারাইজারের পেছনে অ্যানালাইজার বসাও, তার অক্ষ θ কোণে ঘোরানো। সমবর্তিত আলোর বিস্তার প্রথম অক্ষ বরাবর A। অ্যানালাইজার শুধু নিজের অক্ষ বরাবর উপাংশ A cos θ ছাড়ে। তীব্রতা বিস্তারের বর্গের সমানুপাতিক, তাই সঞ্চারিত তীব্রতা I = I₀ cos²θ, এখানে I₀ হলো অ্যানালাইজারে পৌঁছানো তীব্রতা। এই হলো ম্যালাসের সূত্র।
অ্যানিমেশনের ডিফল্ট ধরো। উৎস দিচ্ছে ১০০ %, প্রথম ফিল্টারের পর I₀ = ৫০ %, আর θ = ৩০°-তে I / I₀ = cos²৩০° = ০.৭৫, তাই শেষ রিডিং উৎসের ৩৭.৫ %।
বিমের নিচের গ্রাফটা cos²-এর আকার: ০° আর ১৮০°-তে চূড়া, ৯০°-তে শূন্য ছুঁয়ে যাওয়া মসৃণ ঢেউ। লক্ষ করো, এটা ১৮০° পরপর পুনরাবৃত্ত হয়, ৩৬০° নয়, কারণ অক্ষকে অর্ধেক পাক ঘোরালে একই অক্ষ ফিরে আসে।
I = I₀ cos²θম্যালাসের সূত্র, I₀ হলো অ্যানালাইজারে পৌঁছানো সমবর্তিত আলোর তীব্রতা
I₀ = ½ I(অসমবর্তিত)প্রথম পোলারাইজারের পর
A = A₀ cos θঅ্যানালাইজারের পর বিস্তার
| কোণ θ (°) | cos²θ | I / I₀ (%) | উৎসের শতকরা I |
|---|---|---|---|
| ০ | ১.০০০ | ১০০.০ | ৫০.০ |
| ৩০ | ০.৭৫০ | ৭৫.০ | ৩৭.৫ |
| ৪৫ | ০.৫০০ | ৫০.০ | ২৫.০ |
| ৬০ | ০.২৫০ | ২৫.০ | ১২.৫ |
| ৯০ | ০.০০০ | ০.০ | ০.০ |
তিন ফিল্টারের ধাঁধা
দুটো ফিল্টার ৯০° কোণে আড়াআড়ি রাখলে সব আলো আটকে যায়। এবার মাঝখানে ৪৫° অক্ষের তৃতীয় ফিল্টার ঢোকাও। অবাক ব্যাপার, আলো পার হয়ে যায়। মাঝের ফিল্টার বেশি আলো ছাড়ছে না; সে কাঁপুনিকে দুই ধাপে ঘুরিয়ে দিচ্ছে, আর প্রতিটি ধাপে ক্ষতি এক লাফে ৯০° ঘোরার চেয়ে কম।
ম্যালাসের সূত্র দুইবার খাটিয়ে হিসাব করো। প্রথম ফিল্টারের পর I₀। ৪৫°-র ফিল্টারের পর I₀ cos²৪৫° = ½ I₀। অ্যানালাইজারের পর, যা মাঝের ফিল্টার থেকে ৪৫° দূরে, ½ I₀ cos²৪৫° = ¼ I₀। অর্থাৎ ডিটেক্টর দেখায় I₀-এর ২৫ %, বা উৎসের ১২.৫ %।
টেবিলে মাঝের কোণ ψ বদলানো হয়েছে, অ্যানালাইজার আড়াআড়ি রেখে। আউটপুট সবচেয়ে বেশি ৪৫°-তে, আর ০° ও ৯০°-তে শূন্য, কারণ তখন মাঝের ফিল্টার একটির সঙ্গে মিলে যায় আর বাকি জোড়া আড়াআড়িই থাকে।
I = I₀ cos²ψ cos²(90° − ψ)বাইরের দুই ফিল্টার আড়াআড়ি, মাঝেরটি ψ-তে
I = (I₀ / 4) sin²2ψএকই ফল, সর্বোচ্চ ψ = ৪৫°-তে
| মাঝের কোণ ψ (°) | I / I₀ (%) | উৎসের শতকরা I |
|---|---|---|
| ০ | ০.০ | ০.০০ |
| ১৫ | ৬.২ | ৩.১২ |
| ৩০ | ১৮.৮ | ৯.৩৮ |
| ৪৫ | ২৫.০ | ১২.৫০ |
| ৬০ | ১৮.৮ | ৯.৩৮ |
| ৭৫ | ৬.২ | ৩.১২ |
| ৯০ | ০.০ | ০.০০ |
প্রতিফলনে সমবর্তন: ব্রুস্টার কোণ
কাচ, পানি বা রাস্তা থেকে প্রতিফলিত আলো আংশিক সমবর্তিত হয়। তলের বরাবর কাঁপা আলো (আপতন তলের আড়াআড়ি) জোরে প্রতিফলিত হয়; আপতন তলের মধ্যে কাঁপা আলো দুর্বলভাবে। অ্যানিমেশনে প্রথমটি নীল বিন্দু, দ্বিতীয়টি হলুদ তীর।
একটা বিশেষ আপতন কোণে তলের মধ্যে কাঁপা অংশ একেবারেই প্রতিফলিত হয় না। তখন প্রতিফলিত রশ্মি পুরোপুরি সমতল সমবর্তিত, কাঁপুনি তলের বরাবর। এই কোণই ব্রুস্টার কোণ, আর ব্রুস্টারের সূত্র বলে tan θB = n, যেখানে n হলো তলটির প্রতিসরাঙ্ক।
n = ১.৫০-এর কাচের জন্য θB = ৫৬.৩১°। আটকে-রাখা বোতাম চালু করে সবুজ সমকোণ চিহ্ন দেখো: এই কোণে প্রতিফলিত আর প্রতিসৃত রশ্মি ঠিক ৯০° ব্যবধানে। প্রতিসরণ কোণ ৩৩.৬৯°, আর ৫৬.৩১° + ৩৩.৬৯° = ৯০°। এই সমকোণই কারণ: প্রতিসৃত আলোর তলের মধ্যের কাঁপুনি কাচের ইলেকট্রনকে প্রতিফলিত রশ্মির দিক বরাবর কাঁপাতে হতো, আর কম্পমান আধান নিজের অক্ষ বরাবর আলো পাঠায় না।
তবু s-উপাংশের কিছু অংশই প্রতিফলিত হয়: কাচে θB-তে ১৪.৮ %। তাই প্রতিফলিত বিম পুরোপুরি সমবর্তিত কিন্তু দুর্বল, আপতিত আলোর মাত্র ৭.৪ %। প্রতিসৃত বিম উজ্জ্বল, তবে আংশিক সমবর্তিত।
tan θB = nব্রুস্টারের সূত্র, বায়ু থেকে n প্রতিসরাঙ্কের মাধ্যমে আলো যাওয়ার ক্ষেত্রে
θB + r = 90°প্রতিফলিত ও প্রতিসৃত রশ্মি পরস্পর লম্ব
R₀ = ((n − 1) / (n + 1))²লম্ব আপতনে প্রতিফলন
| প্রতিসরাঙ্ক n | ব্রুস্টার কোণ θB (°) | প্রতিসরণ কোণ r (°) | ঝলক পুরো সমবর্তিত হওয়ার সূর্যের উচ্চতা (°) |
|---|---|---|---|
| ১.৩৩ | ৫৩.১ | ৩৬.৯ | ৩৬.৯ |
| ১.৫০ | ৫৬.৩ | ৩৩.৭ | ৩৩.৭ |
| ১.৬০ | ৫৮.০ | ৩২.০ | ৩২.০ |
| ২.০০ | ৬৩.৪ | ২৬.৬ | ২৬.৬ |
কতটা প্রতিফলিত হয়: ফ্রেনেলের সংখ্যা
টেবিলে n = ১.৫০-এর কাচের জন্য প্রতিটি উপাংশের প্রতিফলন দেওয়া আছে। Rs হলো আপতন তলের আড়াআড়ি কাঁপা অংশ, Rp তলের মধ্যে কাঁপা অংশ। লম্ব আপতনে দুটোই ৪.০ %, দোকানের কাচে নিজের ছায়া দেখার সেই চেনা কয়েক শতাংশ।
কোণ বাড়লে Rs ধীরে ধীরে বাড়ে, আর Rp প্রথমে কমে ব্রুস্টার কোণে শূন্য ছুঁয়ে আবার বাড়ে। এদের মাঝের ব্যবধানই প্রতিফলিত বিমের সমবর্তন: θB-তে ১০০ %, দুই দিকে কমতে থাকে। প্রায় স্পর্শক আপতনে প্রায় সবটাই প্রতিফলিত হয়, আর বিম আবার প্রায় অসমবর্তিত।
| আপতন কোণ (°) | Rs (%) | Rp (%) | প্রতিফলিত বিমের সমবর্তন (%) | আপতিতের কত অংশ প্রতিফলিত (%) |
|---|---|---|---|---|
| ০.০ | ৪.০ | ৪.০ | ০ | ৪.০ |
| ৩০.০ | ৫.৮ | ২.৫ | ৩৯ | ৪.২ |
| ৪৫.০ | ৯.২ | ০.৮ | ৮৩ | ৫.০ |
| ৫৬.৩ | ১৪.৮ | ০.০ | ১০০ | ৭.৪ |
| ৭০.০ | ৩০.০ | ৪.২ | ৭৫ | ১৭.১ |
| ৮৫.০ | ৭৩.২ | ৪৯.৩ | ২০ | ৬১.৩ |
পোলারয়েড সানগ্লাস
হ্রদ, ভেজা রাস্তা বা গাড়ির বনেট থেকে ঠিকরে আসা রোদ আসে সমতল তল থেকে, তাই তার কাঁপুনি বেশিরভাগ তলের বরাবর। অনুভূমিক তলের ক্ষেত্রে তা অনুভূমিক। পোলারয়েড সানগ্লাসের সঞ্চার অক্ষ খাড়া করে বানানো, তাই ওই ঝলক শুষে যায় আর বাকি দৃশ্য পার হয়।
পানির জন্য n = ১.৩৩, ব্রুস্টার কোণ ৫৩.১°, মানে সূর্য দিগন্ত থেকে প্রায় ৩৬.৯° ওপরে। তখন ঝলক পুরোপুরি অনুভূমিক, আর সানগ্লাস তার ১০০ % কেটে দেয় (অ্যানিমেশনে আপতিত আলোর ০.০ % পার হচ্ছে)। ৪০° কোণেও প্রতিফলিত আলো ৭৬ % সমবর্তিত, আর লেন্স ঝলকের ৮৮ % সরিয়ে দেয়।
দুটো মজার পরীক্ষা। পানির ডোবার দিকে তাকিয়ে মাথা ৯০° কাত করো, ঝলক ফিরে আসবে, কারণ অক্ষ এখন অনুভূমিক। আর লেন্সের ভেতর দিয়ে ফোন বা ল্যাপটপের পর্দা দেখো: অনেক এলসিডি পর্দা সমবর্তিত আলো ছাড়ে, মাথা ঘোরালে পর্দা ম্লান বা অন্ধকার হয়ে যেতে পারে। সাধারণ ছায়া-দেওয়া সানগ্লাস এসব পারে না, কারণ সে সব দিকের কাঁপুনিকেই সমান ম্লান করে।
সমাধান করা অঙ্ক
পরীক্ষার ধাঁচে পাঁচটি অঙ্ক, অ্যানিমেশনের ফাংশন দিয়েই হিসাব করা।
অঙ্ক ১: ম্যালাসের সূত্র
৮০ W/m² তীব্রতার সমতল সমবর্তিত আলো এমন অ্যানালাইজারে পড়ল যার অক্ষ সমবর্তনের সঙ্গে ৬০° কোণ করে। সঞ্চারিত তীব্রতা কত?
I = I₀ cos²θ = ৮০ × cos²৬০° = ৮০ × ০.২৫ = ২০.০ W/m²।
অঙ্ক ২: অসমবর্তিত আলো
২০০ W/m² অসমবর্তিত আলো দুটি পোলারয়েডের মধ্য দিয়ে গেল, যাদের অক্ষ ৪৫° ব্যবধানে। কত আলো বের হবে?
প্রথম পোলারয়েড অর্ধেক করে ১০০.০ W/m²। তারপর ম্যালাসের সূত্র: ১০০.০ × cos²৪৫° = ৫০.০ W/m²।
অঙ্ক ৩: ব্রুস্টার কোণ থেকে n
একটি স্বচ্ছ পদার্থের ব্রুস্টার কোণ ৬০°। তার প্রতিসরাঙ্ক ও ওই আপতনে প্রতিসরণ কোণ বের করো।
n = tan θB = tan ৬০° = ১.৭৩২। প্রতিসরণ কোণ ৯০° − ৬০° = ৩০.০°।
অঙ্ক ৪: ব্রুস্টার কোণে কাচ
বায়ুতে চলা আলো n = ১.৫০-এর কাচে পড়ল। কোন আপতন কোণে প্রতিফলিত রশ্মি সম্পূর্ণ সমবর্তিত হবে, আর প্রতিফলিত ও প্রতিসৃত রশ্মির মধ্যবর্তী কোণ কত?
tan θB = ১.৫০, তাই θB = ৫৬.৩১°। প্রতিসৃত রশ্মি r = ৩৩.৬৯°-তে। প্রতিফলিত ও প্রতিসৃত রশ্মির মধ্যবর্তী কোণ ১৮০° − ৫৬.৩১° − ৩৩.৬৯° = ৯০°।
অঙ্ক ৫: তিনটি পোলারয়েড
১৬০ W/m² অসমবর্তিত আলো প্রথমে একটি পোলারাইজার, তারপর তার সঙ্গে ৪৫° কোণের ফিল্টার, তারপর প্রথমটির সঙ্গে ৯০° কোণের অ্যানালাইজার পার হলো। প্রতিটির পর তীব্রতা কত?
প্রথমের পর ৮০ W/m²। দ্বিতীয়ের পর ৮০ × cos²৪৫° = ৪০ W/m²। তৃতীয়ের পর, যা দ্বিতীয় থেকে ৪৫° দূরে: ৪০ × cos²৪৫° = ২০ W/m²।
যে ভুলে নম্বর কাটা যায়
পরীক্ষার আগে তালিকাটা মিলিয়ে নাও। প্রতিটি ভুলে কেউ না কেউ নম্বর হারিয়েছে।
- অসমবর্তিত আলোতে সরাসরি ম্যালাসের সূত্র খাটানো। আগে অর্ধেক করো। cos² শুধু আগে থেকে সমবর্তিত আলোর জন্য।
- দুইবার অর্ধেক করা। প্রশ্নে আলো সমতল সমবর্তিত বলা থাকলে অর্ধেক করার কিছুই নেই।
- শিকলের ভুল জায়গায় কোণ বসানো। প্রতিটি cos²-এ ওই ফিল্টার আর তার ঠিক আগের ফিল্টারের মধ্যবর্তী কোণ বসে।
- আড়াআড়ি পোলারাইজার আলো আটকায় কারণ প্রথমটি আলো সরিয়ে দেয়, এমন বলা। প্রথমটি শুধু সমবর্তিত করে। আটকায় ৯০°-তে বসা দ্বিতীয়টি।
- tan θB = 1/n লেখা। বায়ু থেকে পদার্থে যাওয়ার সময় tan θB = n।
- ব্রুস্টার কোণে প্রতিসৃত রশ্মি সমবর্তিত ভাবা। প্রতিসৃত রশ্মি শুধু আংশিক সমবর্তিত। পুরোপুরি সমবর্তিত হয় প্রতিফলিত রশ্মি।
- শব্দকে সমবর্তিত করা যায় বলা। শুধু অনুপ্রস্থ তরঙ্গই পারে।
আর কোথায় দেখা যায়
তরল স্ফটিক পর্দা (এলসিডি) কাজ করে দুটো আড়াআড়ি পোলারাইজারের মাঝে তড়িৎ ক্ষেত্র দিয়ে সমবর্তন তল ঘুরিয়ে। প্রকৌশলীরা পোলারাইজারের মাঝে স্বচ্ছ প্লাস্টিকের মডেল রেখে রঙিন ঝালর দেখে বুঝে নেন কোথায় চাপ পড়েছে। কিছু প্রাণী আকাশের সমবর্তন দেখে পথ চেনে। আর ক্যামেরার পোলারাইজিং ফিল্টার আসলে ঘোরানো যায় এমন একটা অ্যানালাইজার।
একটা ফিল্টার দিয়ে ছাঁকা নয়, দুই তরঙ্গ মিললে কী হয় দেখতে চাইলে তরঙ্গ ব্যতিচারের অ্যানিমেশন চালিয়ে দেখো। কাচে ঢোকার সময় আলো কীভাবে বাঁকে তা জানতে প্রতিসরণের পাতা দেখো, ব্রুস্টারের গল্পের স্নেলের সূত্র সেখানেই আছে।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
আলোর সমবর্তন কী?
আলোকতরঙ্গের পাশাপাশি কাঁপুনিকে একটি দিকে সীমিত করার নাম সমবর্তন। সাধারণ আলো সব পাশের দিকে কাঁপে, আর সমতল সমবর্তিত আলো কাঁপে একটি তলে। এটি প্রমাণ করে আলো অনুপ্রস্থ তরঙ্গ।
ম্যালাসের সূত্র কী?
অ্যানালাইজারের পর সমতল সমবর্তিত আলোর তীব্রতা I = I₀ cos²θ, যেখানে I₀ হলো সেখানে পৌঁছানো তীব্রতা আর θ হলো আলোর সমবর্তন ও অ্যানালাইজারের অক্ষের মধ্যবর্তী কোণ।
আদর্শ পোলারাইজার অসমবর্তিত আলোর অর্ধেক পার করে কেন?
অসমবর্তিত আলোয় সব দিকের কাঁপুনি সমান। সব দিকের গড়ে cos²θ হয় এক-দ্বিতীয়াংশ, তাই তীব্রতার অর্ধেক পার হয়।
ব্রুস্টার কোণ কী, আর তার সূত্র কী?
যে আপতন কোণে প্রতিফলিত আলো সম্পূর্ণ সমতল সমবর্তিত হয়, সেটাই ব্রুস্টার কোণ। ব্রুস্টারের সূত্র: tan θB = n, n হলো প্রতিফলক পদার্থের প্রতিসরাঙ্ক। এই কোণে প্রতিফলিত ও প্রতিসৃত রশ্মি পরস্পর ৯০°-তে থাকে।
পোলারয়েড সানগ্লাস ঝলক কমায় কীভাবে?
পানি বা রাস্তা থেকে প্রতিফলিত আলো বেশিরভাগ তলের বরাবর, অর্থাৎ অনুভূমিকভাবে, সমবর্তিত। লেন্সের সঞ্চার অক্ষ খাড়া, তাই সে অনুভূমিক কাঁপুনি শুষে নেয় আর বাকি দৃশ্য পার হতে দেয়।
শব্দতরঙ্গ কি সমবর্তিত হয়?
না। বাতাসে শব্দ অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ, তার কাঁপুনি আগে থেকেই চলার দিক বরাবর। সমবর্তন শুধু আলোর মতো অনুপ্রস্থ তরঙ্গে সম্ভব।
এই বিষয়ের আরও পড়াশোনা
অ্যানিমেশনে ধারণা পরিষ্কার হলো, এবার পরীক্ষার প্রস্তুতি: সিলেবাস, সাজেশন, বই আর ভর্তি পরীক্ষার গাইড নিচে।
HSC
এইচএসসি পদার্থবিজ্ঞান: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
পাঠ্যবই
নবম-দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান বই
ভর্তি
ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি
SSC
এসএসসি পদার্থবিজ্ঞান: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
ভর্তি
ঢাবি বিজ্ঞান ইউনিট ভর্তি ২০২৬-২৭
English
Composition: The Uses of Electricity (ইংরেজিতে)
বাংলা
প্রতিবেদন: বিজ্ঞান মেলা
English
Paragraph: Science in Everyday Life (ইংরেজিতে)
SSC
এসএসসি সাজেশন
HSC
এইচএসসি সাজেশন
ভর্তি
বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার গাইড
SSC
এসএসসি সিলেবাস
HSC
এইচএসসি সিলেবাস
বিদেশে পড়াশোনা
জার্মানিতে উচ্চশিক্ষা
টেস্ট
Digital SAT Math guide (ইংরেজিতে)
স্কলারশিপ
বিদেশে পড়াশোনার স্কলারশিপ
IELTS
IELTS vocabulary: science and research (ইংরেজিতে)
টুল
GPA calculator (ইংরেজিতে)
ক্যারিয়ার
Civil engineer resume example (ইংরেজিতে)
আরও পদার্থবিজ্ঞান অ্যানিমেশন
SSC · HSC
আলোর প্রতিসরণ
আলোর প্রতিসরণ কাকে বলে, প্রতিসরণের সূত্র, সংকট কোণ ও পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন — সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা, ইন্টারঅ্যাকটিভ অ্যানিমেশন ও গাণিতিক উদাহরণসহ।
SSC · HSC
ওহমের সূত্র
ওহমের সূত্র কাকে বলে, বিবৃতি ও ব্যাখ্যা, V-I লেখচিত্র — বিভব পার্থক্য ও রোধ বদলে তড়িৎ প্রবাহ দেখো। শ্রেণি ও সমান্তরাল সমবায়, গাণিতিক উদাহরণসহ।
HSC
প্রাসের গতি
প্রাস কাকে বলে? কোণ ও আদিবেগ বদলে প্রাসের গতিপথ দেখো — বিচরণকাল, সর্বাধিক উচ্চতা ও আনুভূমিক পাল্লার সূত্র, গাণিতিক উদাহরণসহ।
SSC · HSC
সরল দোলক
সরল দোলক কাকে বলে, দোলনকালের সূত্র T=2π√(L/g) ও দোলকের সূত্রসমূহ — দৈর্ঘ্য বদলে দেখো। অভিকর্ষজ ত্বরণ নির্ণয়ের গাণিতিক উদাহরণসহ।
SSC · HSC
তড়িৎ ক্ষেত্র
তড়িৎ ক্ষেত্র কাকে বলে, তড়িৎ তীব্রতার সূত্র ও একক, বলরেখার বৈশিষ্ট্য — আধান বসিয়ে বলরেখা দেখো। কুলম্বের সূত্রের গাণিতিক উদাহরণসহ।
HSC
তরঙ্গের ব্যতিচার
তরঙ্গের উপরিপাতন নীতি ও ব্যতিচার কাকে বলে, গঠনমূলক ও ধ্বংসাত্মক ব্যতিচারের শর্ত, ডোরার প্রস্থ — দুই উৎস সরিয়ে নিজে দেখো, গাণিতিক উদাহরণসহ।
SSC · HSC
পড়ন্ত বস্তু ও পড়ন্ত বস্তুর সূত্র
পড়ন্ত বস্তুর তিনটি সূত্র কী, কে আবিষ্কার করেন, অভিকর্ষজ ত্বরণ ৯.৮ বলতে কী বোঝায়: মুদ্রা আর পালক ফেলে নিজে দেখো, সূত্র ও গাণিতিক সমস্যাসহ।
SSC · HSC
লেন্সে প্রতিবিম্ব গঠন
উত্তল লেন্স ও অবতল লেন্স কাকে বলে, প্রতিবিম্ব কীভাবে গঠিত হয়, লেন্সের সূত্র 1/u + 1/v = 1/f, বিবর্ধন ও লেন্সের ক্ষমতা: বস্তু টেনে সরিয়ে রশ্মি চিত্র নিজে দেখো।
SSC · HSC
নিউটনের গতির সূত্র
নিউটনের গতির তিনটি সূত্র, জড়তা, ভরবেগ, F = ma, ঘাত বল আর ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া: ট্রলি ঠেলে নিজে দেখো, সহজ উদাহরণ, সূত্র ও গাণিতিক সমস্যাসহ (SSC, HSC)।
SSC · HSC
গোলীয় দর্পণে প্রতিবিম্ব গঠন
অবতল দর্পণ ও উত্তল দর্পণ কাকে বলে, মেরু, বক্রতার কেন্দ্র, প্রধান ফোকাস, দর্পণের সূত্র 1/u + 1/v = 1/f ও বিবর্ধন: বস্তু টেনে সরিয়ে প্রতিবিম্ব গঠন নিজে দেখো।
SSC · HSC
তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ ও ফ্যারাডের সূত্র
তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ কাকে বলে, ফ্যারাডের সূত্র ও লেঞ্জের সূত্র কী বলে: চুম্বক টেনে কুণ্ডলীর ভেতর দিয়ে নিয়ে নিজে দেখো, গ্যালভানোমিটারের কাঁটা কেন দোলে, সূত্র ও অঙ্কসহ।
SSC · HSC
ভরবেগের সংরক্ষণ ও সংঘর্ষ
ভরবেগের সংরক্ষণ সূত্র কী, স্থিতিস্থাপক ও অস্থিতিস্থাপক সংঘর্ষের পার্থক্য কী: দুটো গাড়ি সংঘর্ষ করিয়ে নিজে দেখো, পুনরুদ্ধার সহগ e বদলে ভরবেগ ও গতিশক্তির বার-লেখচিত্র মিলিয়ে দেখো, সূত্র ও অঙ্কসহ।
SSC · HSC
কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি
কাজ কাকে বলে, গতিশক্তি ও বিভবশক্তির সূত্র কী, ক্ষমতা কীভাবে মাপা হয়: গড়িয়ে পড়া কার্টের সিমুলেশনে শক্তির রূপান্তর নিজে দেখো, সূত্র ও গাণিতিক সমস্যাসহ।
SSC · HSC
নততল
নততলে ওজন কীভাবে দুই উপাংশে ভাগ হয়, স্থিতি কোণ কী, ঘর্ষণ কীভাবে ব্লককে ধরে রাখে বা পিছলে দেয়: কোণ বদলে ব্লক নিজে ছেড়ে দিয়ে বল-চিত্র ও সূত্র দেখো।
SSC · HSC
বৃত্তাকার গতি
সুতায় ঘোরা বলের সিমুলেশনে বৃত্তাকার গতি, কেন্দ্রমুখী বল F=mv²/r, কৌণিক বেগ, পর্যায়কাল দেখো। সুতা কাটলে বল কোথায় যায়? ব্যাংকিং ও গাণিতিক সমাধানসহ।
SSC
অনুপ্রস্থ ও অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ
একই উৎস থেকে দড়ির অনুপ্রস্থ তরঙ্গ আর স্প্রিং বা শব্দের অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ পাশাপাশি দেখো। তরঙ্গশীর্ষ, তরঙ্গপাদ, সংকোচন, প্রসারণ, তরঙ্গদৈর্ঘ্য, v = fλ আর কণা কেন তরঙ্গের সাথে চলে না, গাণিতিক সমাধানসহ।
SSC · HSC
লিভার ও ভ্রামক
সিসম্যর সিমুলেশনে বলের ভ্রামক M = F × d, ভ্রামকের নীতি, লিভারের তিন শ্রেণি ও যান্ত্রিক সুবিধা নিজে হাতে পরীক্ষা করো। সমাধান ও সৃজনশীল প্রশ্নসহ।
SSC · HSC
ভরকেন্দ্র
দণ্ডে আর পাতে ভর সরিয়ে ভরকেন্দ্র x = Σmx/Σm বের করো। অবলম্বন কোথায় রাখলে দণ্ড ভারসাম্যে থাকে, বাস কখন উল্টে যায়, সুস্থির-অস্থির-নিরপেক্ষ সাম্যাবস্থা: সিমুলেশন ও সমাধানসহ।
SSC · HSC
স্প্রিং-ভর ও সরল ছন্দিত স্পন্দন
স্প্রিংয়ে ঝোলানো ভরের সরল ছন্দিত স্পন্দন নিজে চালিয়ে দেখো। হুকের সূত্র, T = 2π√(m/k), শক্তির রূপান্তর, শ্রেণি ও সমান্তরাল স্প্রিং, সমাধান ও সৃজনশীল প্রশ্নসহ।
SSC · HSC
ভেক্টর যোগ: ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র
দুটি ভেক্টরের লব্ধি, ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র, উপাংশ, নদীতে নৌকা আর বৃষ্টিতে ছাতার আপেক্ষিক বেগ নিজে টেনে পরীক্ষা করো। সমাধান ও সৃজনশীল প্রশ্নসহ।
SSC · HSC
আপেক্ষিক বেগ: ট্রেন ও নদী পারাপার
দুই ট্রেন আর নদী পার হওয়া সাঁতারুকে নিজে চালিয়ে দেখো। আপেক্ষিক দ্রুতি, ট্রেন পার হওয়ার সময়, মুখের কোণ, ভাটিতে সরণ, সবচেয়ে কম সময় বনাম সবচেয়ে ছোট পথ, সমাধানসহ।
HSC
কেপলারের সূত্র ও উপবৃত্তাকার কক্ষপথ
উৎকেন্দ্রতা স্লাইডার টেনে কক্ষপথ লম্বা হতে দেখো। সমান সময়ে সমান ক্ষেত্রফলের সেক্টর, পর্যায়কালের সূত্র T² ∝ a³ আর মুক্তিবেগ, সমাধানসহ।
HSC
নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র, g ও কৃত্রিম উপগ্রহ
দুটি বস্তুর টান, ব্যস্তবর্গ সূত্রের লেখচিত্র, পৃথিবীর ওপরে-নিচে g আর উপগ্রহের কক্ষপথ নিজের হাতে চালিয়ে দেখো। কক্ষীয় বেগ, পর্যায়কাল, মুক্তিবেগ আর সমাধান করা অঙ্কসহ।
HSC
তার ও নলে স্থির তরঙ্গ
সিমুলেশনে তার টানো আর খোলা-বন্ধ নলে ফুঁ দাও। নোড, অ্যান্টিনোড, সমমেল দেখো এবং দৈর্ঘ্য, টান ও তাপমাত্রা কীভাবে সুর ঠিক করে তা শেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।
HSC
অনুনাদ নল ও শব্দের দ্রুতি
অনুনাদ নলে পানির স্তর সরিয়ে নিজেই জোর শব্দের জায়গা খুঁজুন। L১ = λ/৪ − e আর L২ = ৩λ/৪ − e দেখুন, v = 2f(L₂ − L₁) দিয়ে শব্দের দ্রুতি বের করুন, সমাধানসহ অঙ্ক অনুশীলন করুন।
HSC
স্বরকম্প: কাছাকাছি দুই সুরের স্পন্দন
প্রায় সমান কম্পাঙ্কের দুই তরঙ্গ যোগ করে শব্দের জোর-আস্তে স্পন্দন দেখুন। এনভেলপ আঁকা, স্বরকম্প কম্পাঙ্ক |f₁ − f₂| পড়া, শব্দ শোনা আর গিটার সুর মেলানোর পদ্ধতি শিখুন, সমাধানসহ।
HSC
ডপলার প্রভাব: চলমান উৎস, চলমান শ্রোতা ও সনিক বুম
শব্দের উৎসকে ধীরে-জোরে চালাও আর দেখো সামনে তরঙ্গমুখ কীভাবে ঠাসাঠাসি হয়, পেছনে কীভাবে ছড়িয়ে পড়ে। ডপলারের সূত্র, অ্যাম্বুলেন্স ও ট্রেনের অঙ্ক এবং সনিক বুম শেখো।
SSC · HSC
প্রিজম, আলোর বিচ্ছুরণ ও রামধনু
সাদা আলো প্রিজমে ফেলো, প্রিজম কোণ আর আপতন কোণ বদলাও, আর দেখো বর্ণালি কীভাবে তৈরি হয়। বিচ্যুতি, ন্যূনতম বিচ্যুতি, বিচ্ছুরণ ক্ষমতা এবং বৃষ্টির ফোঁটায় রামধনু সৃষ্টির অঙ্কসহ ব্যাখ্যা।
HSC
কির্শফের সূত্র: সংযোগ সূত্র ও বদ্ধ পথ সূত্র
দুটি ব্যাটারি আর তিনটি রোধের দুই-লুপ বর্তনী নিজে সাজাও। সংযোগ বিন্দুতে প্রবাহ ভাগ হওয়া দেখো, বিভবের যোগফল শূন্য হতে দেখো আর কির্শফের সূত্রের অঙ্ক ধাপে ধাপে করতে শেখো।
HSC
হুইটস্টোন ব্রিজ ও মিটার ব্রিজ
হুইটস্টোন ব্রিজের সাম্য নষ্ট করে গ্যালভানোমিটারের কাঁটা নড়তে দেখো। P/Q = R/S হলে কাঁটা শূন্যে আসে। মিটার ব্রিজে জকি সরিয়ে অজানা রোধ মাপো, গাণিতিক উদাহরণসহ।
HSC
একক চিড়ে অপবর্তন
চিড়ের প্রস্থ ও তরঙ্গদৈর্ঘ্য বদলে দেখো আলো কীভাবে ছড়ায়। তীব্রতার সূত্র I = I₀(sin β/β)², অন্ধকার পট্টির শর্ত a sin θ = mλ আর কেন্দ্রীয় পট্টির প্রস্থ 2λD/a, সমাধানসহ।
SSC · HSC
চোখের ত্রুটি ও তার প্রতিকার
স্বাভাবিক, ক্ষীণদৃষ্টি, দীর্ঘদৃষ্টি ও বার্ধক্যের চোখ বদলে বদলে দেখো। প্রতিবিম্ব কেন রেটিনার সামনে বা পেছনে পড়ে, আর কোন লেন্স কত ডায়োপ্টারে তা ঠিক করে, সিমুলেশনে হাতে-কলমে শেখো।
HSC
ক্যাপাসিটরের আহিতকরণ ও নিরাহিতকরণ: আরসি সময় ধ্রুবক
রোধের মধ্য দিয়ে ক্যাপাসিটর আহিত ও নিরাহিত করো। E, R, C বদলে V = E(1 − e^(−t/RC)) আর প্রবাহের বক্রেখা আঁকা দেখো, ৬৩% সময় ধ্রুবক আর সঞ্চিত শক্তি বের করো।
SSC · HSC
চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা: দণ্ডচুম্বক, তড়িৎবাহী সরল তার ও সলিনয়েড
দণ্ডচুম্বক, সরল তার ও সলিনয়েডের চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা দেখো। কম্পাস টানো, প্রবাহের দিক উল্টাও আর শেখো B = μ₀I/2πr, B = μ₀nI ও ডান হাতের মুষ্টি নিয়ম।
HSC
এসি জেনারেটর
চুম্বকের দুই মেরুর মাঝে কুণ্ডলী ঘুরিয়ে এসি জেনারেটরের সাইন তরঙ্গ নিজের চোখে দেখো। N, A, B আর rpm বদলে E₀ = NBAω ও কার্যকর মান বের করো, জানো কেন বাংলাদেশে মেইন ৫০ Hz।
SSC · HSC
ট্রান্সফর্মার
ট্রান্সফর্মারের প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি পাক বদলে দেখো ভোল্টেজ কীভাবে বাড়ে-কমে। Vs = Vp·Ns/Np, ক্ষমতার সংরক্ষণ, বাস্তব দক্ষতা আর উচ্চ ভোল্টেজে বিদ্যুৎ পাঠানোর কারণ বোঝো।
SSC · HSC
তাপের সঞ্চালন: পরিবহন, পরিচলন ও বিকিরণ
তামা, অ্যালুমিনিয়াম, কাচ বা কাঠের দণ্ড গরম করে Q/t = kAΔT/L দেখো, বিকারে পরিচলন স্রোত ঘুরতে দেখো, আর T⁴ মেনে বিকিরিত ক্ষমতা কীভাবে বাড়ে তা যাচাই করো। সারণি ও সমাধান করা অঙ্কসহ।
HSC
আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া: আইনস্টাইনের সমীকরণ ও নিবৃত্তি বিভব
ভ্যাকুয়াম নলে সোডিয়াম, দস্তা বা তামার পাতে যেকোনো তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো ফেলো। সূচন কম্পাঙ্কের নিচে ইলেকট্রন বের হয় না কেন, K = hf − φ কীভাবে নিবৃত্তি বিভব ঠিক করে, আর উজ্জ্বলতা কেন শুধু প্রবাহ বদলায় তা নিজে দেখো।
SSC · HSC
মোটর ক্রিয়া: তড়িৎবাহী তারের ওপর বল ও ডিসি মোটর
চৌম্বক ক্ষেত্রে তড়িৎবাহী তার রাখলে সেটা কীভাবে ধাক্কা খায় নিজের চোখে দেখো। B, I, L আর কোণ বদলাও, ফ্লেমিংয়ের বাম হাতের নিয়ম মিলিয়ে নাও, তারপর বিভক্ত-বলয় কম্যুটেটরসহ ডিসি মোটর ঘুরিয়ে টর্কের লেখচিত্র দেখো।
HSC
গ্যাসের অণু ও গতিতত্ত্ব: চাপ, তাপমাত্রা ও দ্রুতি
বাক্সের ভেতরে গ্যাসের অণুদের ছোটাছুটি দেখো। তাপমাত্রা বাড়াও, গ্যাস বদলাও, আয়তন চেপে ধরো, আর দেখো দেয়ালে ধাক্কা গুনে পাওয়া চাপ PV = NkT-এর সঙ্গে মিলে যাচ্ছে। ম্যাক্সওয়েল-বোল্টজম্যান বক্ররেখার সঙ্গে দ্রুতি মেলাও এবং গড়বর্গমূল দ্রুতির অঙ্ক করো।
HSC
অর্ধপরিবাহী ডায়োড: p–n সন্ধি, I–V বক্ররেখা ও রেক্টিফায়ার
p–n সন্ধিতে বায়াস দিয়ে দেখো নিঃশেষিত স্তর কীভাবে সরু বা চওড়া হয়, বাহক কীভাবে পার হয় আর শকলির I–V বক্ররেখা কেমন হয়। সিলিকন ও জার্মেনিয়ামের তুলনা, ভাঙন আর অর্ধতরঙ্গ রেক্টিফায়ার হাতে-কলমে।
SSC · HSC
তেজস্ক্রিয় ক্ষয়: অর্ধায়ু, ক্ষয় সূত্র ও বিকিরণের ভেদন ক্ষমতা
২৪০টি নিউক্লিয়াসকে এলোমেলোভাবে ক্ষয় হতে দেখো, N = N₀e^(−λt) সূত্র মিলিয়ে নাও, লেখচিত্র থেকে অর্ধায়ু মাপো, আর দেখো আলফা, বিটা ও গামা কাগজ, অ্যালুমিনিয়াম ও সীসা কতটা ভেদ করে।
HSC
বোর পরমাণু মডেল: কক্ষপথ, শক্তিস্তর ও হাইড্রোজেনের বর্ণালি
হাইড্রোজেনের ইলেকট্রনকে n = ১ থেকে ৬ কক্ষপথে লাফ দেওয়াও, 1/λ = R(1/n₁² − 1/n₂²) থেকে ফোটনের রং বের করো আর শক্তিস্তরের চিত্র ও বর্ণালির পট্টিতে লাইম্যান, বামার, পাশেন শ্রেণি দেখো।
অন্য বিষয়ের অ্যানিমেশন
রসায়ন
পরমাণুর গঠন
রসায়ন
এসিড, ক্ষারক ও pH স্কেল
রসায়ন
ইলেকট্রন বিন্যাস
রসায়ন
গ্যাসের সূত্র: বয়েল, চার্লস ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ
রসায়ন
আয়নিক বন্ধন কীভাবে গঠিত হয়
রসায়ন
তড়িৎ বিশ্লেষণ ও ফ্যারাডের সূত্র
রসায়ন
সমযোজী বন্ধন
রসায়ন
পর্যায়বৃত্ত ধর্ম
রসায়ন
বিক্রিয়ার হার ও সংঘর্ষ তত্ত্ব
রসায়ন
পদার্থের অবস্থা: কঠিন, তরল, গ্যাসীয় ও তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র
রসায়ন
পরমাণুর অরবিটাল: s, p, d-এর আকৃতি, কোয়ান্টাম সংখ্যা ও নোড
রসায়ন
আণবিক আকৃতি ও ভিএসইপিআর তত্ত্ব: বন্ধন জোড়, মুক্তজোড় ও বন্ধন কোণ
রসায়ন
মোল ধারণা: মোলার ভর, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা ও মোলার আয়তন
রসায়ন
ব্যাপন ও নিঃসরণ: গ্রাহামের সূত্র
রসায়ন
রাসায়নিক সমীকরণ সমতাকরণ: পদ্ধতি, উদাহরণ ও অনুশীলন
রসায়ন
রাসায়নিক সাম্যাবস্থা: সাম্যধ্রুবক Kc ও লা শাতেলিয়ের নীতি
রসায়ন
টাইট্রেশন: অম্ল-ক্ষারের ঘনমাত্রা বের করার পদ্ধতি
রসায়ন
গ্যালভানিক কোষ: ড্যানিয়েল কোষ, EMF ও নার্নস্ট সমীকরণ
রসায়ন
জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া: জারণ সংখ্যা, ইলেকট্রন স্থানান্তর ও অর্ধ-সমীকরণ
রসায়ন
হাইড্রোকার্বন: অ্যালকেন, অ্যালকিন, অ্যালকাইন ও কাঠামোগত সমাণু ত্রিমাত্রায়
রসায়ন
কার্যকরী মূলক: অ্যালকোহল, অ্যালডিহাইড, কিটোন, অ্যাসিড, এস্টার ও অ্যামিন
রসায়ন
পলিমারকরণ: যোজন ও ঘনীভবন পলিমার, পলিথিন ও নাইলন
রসায়ন
মিশ্রণ আলাদা করার পদ্ধতি: ছাঁকন, পাতন, ক্রোমাটোগ্রাফি, স্ফটিকীকরণ
রসায়ন
কেলাস জালক: SC, BCC ও FCC একক কোষ, প্যাকিং দক্ষতা ও ঘনত্ব
রসায়ন
তেজস্ক্রিয়তা: আলফা, বিটা, গামা ক্ষয় ও অর্ধায়ু
জীববিজ্ঞান
মাইটোসিস কোষ বিভাজন
জীববিজ্ঞান
ব্যাপন ও অভিস্রবণ
জীববিজ্ঞান
সালোকসংশ্লেষণ
জীববিজ্ঞান
মানব হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কাজ
জীববিজ্ঞান
মেন্ডেলের বংশগতি সূত্র
জীববিজ্ঞান
ডিএনএ রেপ্লিকেশন
জীববিজ্ঞান
কোষীয় শ্বসন
জীববিজ্ঞান
এনজাইম ক্রিয়া
জীববিজ্ঞান
স্নায়ু উদ্দীপনার পরিবহন ও অ্যাকশন পটেনশিয়াল
জীববিজ্ঞান
নেফ্রন ও মূত্র তৈরির প্রক্রিয়া
জীববিজ্ঞান
মিয়োসিস কোষ বিভাজন
জীববিজ্ঞান
পরিপাকতন্ত্র
জীববিজ্ঞান
শ্বাসক্রিয়ার কৌশল: প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস
জীববিজ্ঞান
প্রোটিন সংশ্লেষণ
জীববিজ্ঞান
রক্ত সংবহন: দ্বি-সংবহন ও কার্ডিয়াক আউটপুট
জীববিজ্ঞান
কোষের গঠন ও অঙ্গাণু: উদ্ভিদ কোষ বনাম প্রাণী কোষ
জীববিজ্ঞান
প্রতিবর্ত ক্রিয়া ও প্রতিবর্ত চাপ
জীববিজ্ঞান
মানুষের চোখ: গঠন, প্রতিবিম্ব ও উপযোজন
জীববিজ্ঞান
পেশি সংকোচন ও স্লাইডিং ফিলামেন্ট মডেল
জীববিজ্ঞান
উদ্ভিদে পরিবহন: জাইলেম, ফ্লোয়েম ও বাষ্পমোচন
জীববিজ্ঞান
খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজাল: শক্তির প্রবাহ ও ১০ % নিয়ম
জীববিজ্ঞান
জনসংখ্যা বৃদ্ধি: সূচকীয় ও লজিস্টিক রেখা
জীববিজ্ঞান
প্রাকৃতিক নির্বাচন: পেপার্ড মথ ও কালিঝুলি মাখা গাছ
জীববিজ্ঞান
রোগপ্রতিরোধ: প্রাথমিক ও গৌণ অ্যান্টিবডি সাড়া
জীববিজ্ঞান
পরাগায়ন ও নিষেক
গণিত
পিথাগোরাসের উপপাদ্য
গণিত
ত্রিকোণমিতিক অনুপাত ও একক বৃত্ত
গণিত
দ্বিঘাত সমীকরণ ও দ্বিঘাত ফাংশনের লেখচিত্র
গণিত
বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য
গণিত
দূরত্ব ও উচ্চতা: উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ
গণিত
সম্ভাবনা: পরীক্ষালব্ধ বনাম তাত্ত্বিক সম্ভাবনা
গণিত
সমান্তর ও গুণোত্তর ধারা
গণিত
গড়, মধ্যক ও প্রচুরক
গণিত
সেট ও ভেনচিত্র
গণিত
সরল সহসমীকরণ ও সরলরেখার লেখচিত্র
গণিত
sin, cos, tan-এর লেখচিত্র
গণিত
পূর্ণবর্গ পদ্ধতি ও দ্বিঘাত সমীকরণের সমাধান
গণিত
বৃত্তের ক্ষেত্রফল: সূত্র, প্রমাণ ও সমাধান
গণিত
ঘনবস্তুর আয়তন ও তলের ক্ষেত্রফল: ঘনক, আয়তঘন, বেলন, কোণক, গোলক
গণিত
সদৃশ ত্রিভুজ: স্কেল ফ্যাক্টর, AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়া থেকে উচ্চতা
গণিত
স্থানাঙ্ক জ্যামিতি: দূরত্ব, মধ্যবিন্দু, ঢাল, বিভক্তিকরণ সূত্র ও সঞ্চারপথ
গণিত
শাঙ্কব ছেদ: বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত ও অধিবৃত্ত
গণিত
ফাংশনের রূপান্তর: সরানো, টানা ও উল্টানো
গণিত
অন্তরীকরণ: স্পর্শকের ঢাল ও ছেদক থেকে স্পর্শক
গণিত
রিম্যান যোগফল ও সমাকলন: বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফল
গণিত
সীমা ও ε–δ সংজ্ঞা: ছবিতে বোঝা
গণিত
ত্রিমাত্রিক ভেক্টর: যোগ, ডট গুণ ও ক্রস গুণ
গণিত
ম্যাট্রিক্স রূপান্তর: ঘূর্ণন, প্রতিফলন, শিয়ার ও নির্ণায়ক
গণিত
জটিল সংখ্যা: আরগান্ড সমতলে যোগ, গুণ, ঘাত ও মূল
গণিত






















