মূলপাতা
লগইন

Color

Indigo
Red
Green
Teal
Blue
Purple
Rose

Mode

Light
EN

একটা পরমাণুর ভবিষ্যৎ অজানা, কিন্তু লক্ষ কোটির ভবিষ্যৎ নিখুঁত: তেজস্ক্রিয় ক্ষয়ের গল্প

তেজস্ক্রিয় নিউক্লিয়াসের হাতে ঘড়ি নেই, স্মৃতিও নেই। পরের এক সেকেন্ডে ভেঙে যাওয়ার একটা ছোট সম্ভাবনা আছে, আর সেই সম্ভাবনা কখনো বদলায় না। তবু কয়েক ট্রিলিয়ন নিউক্লিয়াস একসঙ্গে রাখলে তাদের সংখ্যা একটা মসৃণ বক্রেখা ধরে কমে। অর্ধায়ুর স্লাইডার টানো, দেখো এলোমেলো ব্যাপার কীভাবে সূত্রে পরিণত হয়। তারপর ভেদন দৃশ্যে গিয়ে দেখো এক টুকরো কাগজ কোন বিকিরণকে আটকে দেয়।

এখনও অক্ষতগোনা সংখ্যাসূত্র অনুযায়ী বক্ররেখা
গতি

নিয়ন্ত্রণ

দৃশ্য

৩.০ s

পরিমাপ

সময়, t
০.০s
অক্ষয়িত নিউক্লিয়াস, N
২৪০
এ পর্যন্ত ক্ষয়
০
সূত্র অনুযায়ী N
২৪০.০
অবশিষ্ট অংশ
১০০.০%
ক্ষয় ধ্রুবক, λ = ln2 / T½
০.২৩১s⁻¹
সক্রিয়তা, A = λN
৫৫.৫Bq

সিমুলেশনটি কীভাবে ব্যবহার করবে

  1. “নিউক্লিয়াসের ক্ষয়” দৃশ্যে ডিফল্ট অর্ধায়ু ৩ s নিয়ে শুরু করো। গ্রিডে ২৪০টি নিউক্লিয়াস, সবগুলো নীল। প্রতি টিকে প্রতিটি নীল নিউক্লিয়াস একবার করে ভাগ্য পরীক্ষা করে। যারা হেরে যায় তারা জ্বলে ওঠে, তারপর ফিকে একটা বৃত্তে বদলে যায়।
  2. লেখচিত্রের কমলা রেখাটা দেখো। শুরুতে নিউক্লিয়াস বেশি, তাই ক্ষয়ও বেশি, রেখা খাড়া নামে। নমুনা পাতলা হতে থাকলে রেখা ধীর হয়ে আসে। ধূসর ডটেড বক্রেখাটা সূত্রের হিসাব। কমলা রেখা তার চারপাশে একটু কাঁপে, কারণ ক্ষয় এলোমেলো।
  3. সবুজ চিহ্নগুলো খোঁজো। ৩ s (এক অর্ধায়ু) পরে সংখ্যা প্রায় ১২০, ৬ s পরে প্রায় ৬০, ৯ s পরে প্রায় ৩০। প্রতি অর্ধায়ুতে যা বাকি আছে তার অর্ধেক হয়ে যায়।
  4. লেখচিত্রের ওপরের ডান কোণে সক্রিয়তা A = λN দেখো। নিউক্লিয়াসের সংখ্যা কমার সঙ্গে সঙ্গে এটাও কমে, কারণ নিউক্লিয়াস কম মানে প্রতি সেকেন্ডে ক্ষয়ও কম।
  5. অর্ধায়ুর স্লাইডার বাড়াও। সিমুলেশন নতুন করে শুরু হবে আর বক্রেখা লম্বা হয়ে যাবে: λ ছোট হয়েছে, তাই ক্ষয় ধীর। ৬ s দিয়ে চেষ্টা করো, দেখো ২৫% নিউক্লিয়াসে পৌঁছাতে কত সময় লাগে।
  6. দৃশ্য বদলে “ভেদন” করো। আলফা কণা কাগজেই থেমে যায়, বিটা অ্যালুমিনিয়ামে, আর গামা রশ্মি দুটোই পার হয়ে যায়। সীসার পুরুত্বের স্লাইডার টানো। যে গামা রশ্মি টিকে যাচ্ছে তার ভাগ কমে, কিন্তু কখনো পুরো শূন্য হয় না।

একটা পরমাণুর জন্য এলোমেলো, অনেকের জন্য নিশ্চিত

একটা কার্বন-১৪ পরমাণু নাও। সে কখন ভাঙবে বলতে পারবে? পারবে না। তুমি না, কোনো পদার্থবিদ না, সবচেয়ে ভালো কম্পিউটারও না। পরের সেকেন্ডে ভাঙতে পারে, আবার দশ হাজার বছর পরেও পারে। ফলের মতো নিউক্লিয়াস “বুড়ো” হয় না: পুরনো অস্থিতিশীল নিউক্লিয়াস আর একদম নতুনটার পরের সেকেন্ডে ভাঙার সম্ভাবনা হুবহু সমান।

শুনে মনে হয় ভবিষ্যদ্বাণী করার আশা শেষ, কিন্তু আসলে এখান থেকেই শুরু। প্রতি সেকেন্ডে প্রতিটি নিউক্লিয়াসের ভাঙার সম্ভাবনা যদি একই ছোট একটা মান হয়, তাহলে বড় নমুনা অনেক মুদ্রা একসঙ্গে ছুড়ে দেওয়ার মতো আচরণ করে। একটা মুদ্রা কী দেখাবে বলা যায় না, কিন্তু প্রায় অর্ধেক মুদ্রা যে হেড দেখাবে সেটা বেশ ভালোভাবেই বলা যায়। আমাদের ২৪০টি নিউক্লিয়াসের গ্রিডেও তাই ঘটে: ঠিক কোন নিউক্লিয়াস পরে যাবে সেটা এলোমেলো, কিন্তু মোট সংখ্যা মসৃণ বক্রেখা ধরে নামে।

তেজস্ক্রিয় ক্ষয়ের মূল কথা এটাই। আর সেজন্যই আমরা একটা পরমাণুর আয়ুর বদলে অর্ধায়ুর কথা বলি। একটা পরমাণুর আয়ু জানা অসম্ভব, কিন্তু বড় নমুনার অর্ধেক শেষ হতে কত সময় লাগে সেটা নির্দিষ্ট, মাপা যায়।

অর্ধায়ু: অর্ধেক শেষ হতে যত সময়

অর্ধায়ু T½ হলো সেই সময়, যে সময়ে নমুনার অক্ষয়িত নিউক্লিয়াসের অর্ধেক ক্ষয় হয়ে যায়। এক অর্ধায়ু পর অর্ধেক বাকি থাকে। দুই অর্ধায়ু পর সেই অর্ধেকের অর্ধেক, অর্থাৎ এক-চতুর্থাংশ। তিন অর্ধায়ু পর এক-অষ্টমাংশ। বাকি অংশ সবসময় (½)-এর ঘাত, যার ঘাত হলো অর্ধায়ুর সংখ্যা।

গুরুত্বপূর্ণ কথা হলো, শুরুতে কতগুলো নিউক্লিয়াস ছিল তার ওপর এটা নির্ভর করে না। ডিফল্ট অর্ধায়ু ৩ s হলে ২৪০টি নিউক্লিয়াস ৩ s পরে ১২০টি হয়, আর ১২০টি নিউক্লিয়াসও একই ৩ s-এ তার অর্ধেক হয়ে যায়। ধাতুর গলনাঙ্কের মতোই অর্ধায়ু আইসোটোপের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য।

অর্ধায়ু কারও ক্ষেত্রে হাস্যকরভাবে ছোট, কারও ক্ষেত্রে হাস্যকরভাবে বড়। ত্বরকে তৈরি কিছু নিউক্লিয়াস সেকেন্ডের ক্ষুদ্র ভগ্নাংশ টেকে। চিকিৎসায় ব্যবহৃত আয়োডিন-১৩১-এর অর্ধায়ু প্রায় আট দিন। কার্বন-১৪-এর ৫,৭৩০ বছর। ইউরেনিয়াম-২৩৮-এর প্রায় ৪৫০ কোটি বছর, মোটামুটি পৃথিবীর বয়সের সমান।

N = N₀ (½)^(t/T½)অর্ধায়ুর হিসাবে t সময় পর অবশিষ্ট নিউক্লিয়াস

অবশিষ্ট ভগ্নাংশ = (½)ⁿn = t ÷ T½ হলো অর্ধায়ুর সংখ্যা

সময়অর্ধায়ুর সংখ্যাঅবশিষ্ট ভগ্নাংশঅবশিষ্ট নিউক্লিয়াস (N₀ = ২৪০)
০০১০০%২৪০
৩ s১৫০.০%১২০
৬ s২২৫.০%৬০
৯ s৩১২.৫%৩০
১২ s৪৬.২৫%১৫.০
১৫ s৫৩.১৩%৭.৫০

ক্ষয় সূত্র ও ক্ষয় ধ্রুবক

গোল সংখ্যার অঙ্কে অর্ধায়ু সুবিধাজনক, কিন্তু পূর্ণ সূত্রটা যেকোনো সময়ের জন্য খাটে। একটা নির্দিষ্ট নিউক্লিয়াস প্রতি সেকেন্ডে ভাঙার যে সম্ভাবনা রাখে তার নাম ক্ষয় ধ্রুবক λ। প্রতি সেকেন্ডে ক্ষয়ের সংখ্যা অবশিষ্ট নিউক্লিয়াসের সংখ্যার সমানুপাতিক, তাই সংখ্যাটা সূচকীয় সূত্র মেনে চলে। চা ঠান্ডা হওয়া বা ক্যাপাসিটর নিরাহিত হওয়ার বক্রেখার আকৃতিও একই।

ক্ষয় ধ্রুবক আর অর্ধায়ু আসলে একই গতির দুটি নাম: λ = ln ২ ÷ T½। T½ = ৩ s হলে λ = ০.৬৯৩ ÷ ৩ = ০.২৩১ s⁻¹। অর্থাৎ প্রতিটি নিউক্লিয়াসের প্রতি সেকেন্ডে ভাঙার সম্ভাবনা প্রায় ০.২৩১, আর সেজন্যই লেখচিত্রের শুরুর অংশ এত খাড়া।

তৃতীয় একটা রাশি আছে, গড় আয়ু 1 ÷ λ = ৪.৩৩ s। এটা একটা নিউক্লিয়াস গড়ে কতক্ষণ টিকে থাকে তার মান, আর অর্ধায়ুর চেয়ে ১ ÷ ln ২ ≈ ১.৪৪ গুণ বড়। এক গড় আয়ু পর সংখ্যা শুরুর ৩৬.৮%-এ নেমে আসে, ক্যাপাসিটর আহিতকরণে যে 1/e নিয়ম দেখেছ, এটা সেটাই।

N = N₀ e^(−λt)ক্ষয় সূত্র

λ = ln 2 ÷ T½ = ০.৬৯৩ ÷ T½অর্ধায়ু থেকে ক্ষয় ধ্রুবক

T½ = ln 2 ÷ λআবার উল্টো দিকে

সক্রিয়তা: নমুনা কত দ্রুত “ভাঙছে”

সক্রিয়তা A হলো পুরো নমুনায় প্রতি সেকেন্ডে ক্ষয়ের সংখ্যা। একক বেকারেল (Bq), যেখানে 1 Bq মানে প্রতি সেকেন্ডে একটি ক্ষয়। গাইগার কাউন্টার সক্রিয়তার হারে টিক টিক করে।

অবশিষ্ট N সংখ্যক নিউক্লিয়াসের প্রতিটির প্রতি সেকেন্ডে ভাঙার সম্ভাবনা λ, তাই সক্রিয়তা A = λN। ডিফল্ট সিমুলেশনের শুরুতে সেটা ০.২৩১ × ২৪০ = ৫৫.৫ Bq। N সূচকীয়ভাবে কমে, তাই A-ও ঠিক একই বক্রেখায় একই অর্ধায়ু নিয়ে কমে। সিমুলেশনে সংখ্যা অর্ধেক হলেই সক্রিয়তার রিডিংও অর্ধেক হয়।

A = λNপ্রতি সেকেন্ডে ক্ষয়, একক বেকারেল (Bq)

A = A₀ e^(−λt)সক্রিয়তাও একই ক্ষয় সূত্র মানে

সময়অবশিষ্ট নিউক্লিয়াসসক্রিয়তা A = λN (Bq)
০২৪০৫৫.৫
৩ s১২০২৭.৭
৬ s৬০১৩.৯
৯ s৩০৬.৯
১২ s১৫.০৩.৫
১৫ s৭.৫০১.৭

কমলা রেখা কাঁপে কেন

কমলা রেখা ডটেড বক্রেখাকে হুবহু অনুসরণ করে না। এটা ত্রুটি নয়, এটাই পদার্থবিজ্ঞান। যেকোনো সময়ব্যবধানে ক্ষয়ের সংখ্যা এলোমেলো, আর N গণনার জন্য এই এলোমেলো বিচ্যুতির মান প্রায় √N। তাই আপেক্ষিক বিচ্যুতি 1 ÷ √N।

সবগুলো ২৪০টি নিউক্লিয়াস থাকতে আপেক্ষিক বিচ্যুতি প্রায় ৬.৫%। তিন অর্ধায়ু পর মাত্র ৩০টি বাকি, তখন বিচ্যুতি বেড়ে প্রায় ১৮.৩%। নমুনা যত ছোট, বক্রেখা তত এবড়োখেবড়ো।

এজন্য বাস্তব পরীক্ষায় অনেকক্ষণ গুনতে হয় বা অনেক পরমাণু নিতে হয়। ল্যাবে ১,২০০ কাউন্টে বিচ্যুতি প্রায় ২.৯%। ৩০০ কাউন্টে ৫.৮%। বিচ্যুতি ০.৫%-এ নামাতে হলে ৪০,০০০ কাউন্ট লাগে। অর্ধায়ু মাপার নির্ভুলতা নিয়ে পরীক্ষায় প্রশ্ন এলে কথাটা মনে রেখো।

উদাহরণ ১: হাসপাতালের আইসোটোপ

একটি হাসপাতাল এমন একটি উৎস পেয়েছে যার অর্ধায়ু ৮ দিন আর সক্রিয়তা ৪০০ MBq। ২৪ দিন পর এর সক্রিয়তা কত? আর কত দিনে সেটা শুরুর ১০%-এ নামবে?

ধাপ ১: অর্ধায়ু গোনো

২৪ দিন ÷ ৮ দিন = ৩টি অর্ধায়ু।

ধাপ ২: ততবার অর্ধেক করো

A = ৪০০ × (½)^৩ = ৫০.০০ MBq। সময়টা অর্ধায়ুর পূর্ণ সংখ্যা, তাই সোজা ৩ বার অর্ধেক করলেই হয়।

A = A₀ (½)^(t/T½)

ধাপ ৩: ১০%-এ নামতে কত সময়

(½)ⁿ = ০.১ সমাধান করলে n = log₂(১০) = ৩.৩২। সময় = ৩.৩২ × ৮ = ২৬.৬ দিন। ক্যালকুলেটরে মিলিয়ে নাও: ln ১০ ÷ ln ২ = ৩.৩২।

n = ln(1/ভগ্নাংশ) ÷ ln 2

ধাপ ৪: সময় পূর্ণসংখ্যা না হলে

২০ দিন পর অর্ধায়ুর সংখ্যা ২০ ÷ ৮ = ২.৫, তাই A = ৪০০ × (½)^২.৫ = ৭০.৭ MBq। তিনবার অর্ধেক করলে ভুল হতো, কারণ ২.৫ আর ৩ এক নয়।

উদাহরণ ২: কাউন্ট থেকে অর্ধায়ু মাপা

একজন শিক্ষার্থী গাইগার কাউন্টার দিয়ে একটা উৎস মাপছে। t = ০ সময়ে কাউন্টার দেখাল প্রতি মিনিটে ১,২২০ কাউন্ট। ৩০ মিনিট পর দেখাল প্রতি মিনিটে ৩২০ কাউন্ট। উৎস সরিয়ে নিলে পটভূমি দাঁড়ায় প্রতি মিনিটে ২০ কাউন্ট। অর্ধায়ু কত?

ধাপ ১: পটভূমি বাদ দাও

কাউন্টার মহাজাগতিক রশ্মি আর পাথরের বিকিরণও শুনতে পায়। তাই শুধু উৎসের কাউন্ট ১,২২০ − ২০ = ১,২০০ এবং ৩২০ − ২০ = ৩০০ প্রতি মিনিট। এই ধাপ ভুলে যাওয়াই পুরো অধ্যায়ের সবচেয়ে সাধারণ ভুল।

ধাপ ২: অনুপাত

১,২০০ ÷ ৩০০ = ৪, অর্থাৎ কাউন্ট এক-চতুর্থাংশ হয়েছে। এক-চতুর্থাংশ মানে দুই অর্ধায়ু, কারণ (½)² = ¼। তাই n = log₂(৪) = ২।

ধাপ ৩: অর্ধায়ু

T½ = ৩০ min ÷ ২ = ১৫ মিনিট।

T½ = t ÷ log₂(A₀/A)

উদাহরণ ৩: কার্বন-১৪ দিয়ে হাড়ের বয়স

জীবিত প্রাণী বাতাস থেকে কার্বন-১৪ নেয়, মরে গেলে নেওয়া বন্ধ হয়ে যায়। তখন কার্বন-১৪ ৫,৭৩০ বছর অর্ধায়ুতে ক্ষয় হতে থাকে। একটা হাড়ে জীবিত হাড়ের তুলনায় কার্বন-১৪ আছে ৩০%। হাড়টির বয়স কত?

অর্ধায়ুর সংখ্যা n = ln(১০০ ÷ ৩০) ÷ ln ২ = ১.২০৪ ÷ ০.৬৯৩ = ১.৭৩৭। অতএব বয়স = ১.৭৩৭ × ৫,৭৩০ = প্রায় ৯,৯৫৩ বছর।

ক্ষয় ধ্রুবক দিয়েও করা যায়: λ = ln ২ ÷ T½ = ১.২১ × 10⁻⁴ প্রতি বছর, আর t = ln(N₀/N) ÷ λ একই বয়স দেয়। দুই পথে একই উত্তর আসা চাই। পরীক্ষায় নিজের উত্তর যাচাই করার ভালো উপায় এটা।

আলফা, বিটা ও গামা: এরা কারা

অস্থিতিশীল নিউক্লিয়াস তিন ধরনের বিকিরণ ছাড়ে, আর তিনটির আচরণ একেবারে আলাদা। নিউক্লিয়াসের কী পরিবর্তন হয় এবং নিউক্লিয় বিক্রিয়ার সমীকরণ কীভাবে মেলাতে হয়, সেই রসায়নের দিকটা রসায়ন বিভাগের Radioactivity অ্যানিমেশনে আছে। এই পাতায় আমরা পদার্থবিজ্ঞানের দিকটাই দেখছি, অর্থাৎ কোন বিকিরণ কতদূর যায়।

  • আলফা (α): হিলিয়াম নিউক্লিয়াস, দুটি প্রোটন আর দুটি নিউট্রন। ভারী, ধীর, আধান +২। শক্তি হারায় অসম্ভব দ্রুত, তাই বাতাসে মাত্র কয়েক সেন্টিমিটার যায়।
  • বিটা (β): নিউক্লিয়াসের ভেতর থেকে আসা দ্রুতগামী ইলেকট্রন (বা পজিট্রন)। হালকা, দ্রুত, আধান −১। বাতাসে প্রায় এক মিটার যায়।
  • গামা (γ): উচ্চশক্তির তড়িৎচুম্বকীয় বিকিরণ। ভর নেই, আধানও নেই। একে কখনো পুরোপুরি থামানো যায় না, শুধু দুর্বল করা যায়।

ভেদন ক্ষমতা ও আয়নায়ন ক্ষমতা

সিমুলেশনকে “ভেদন” দৃশ্যে নাও। এক টুকরো কাগজ প্রতিটি আলফা কণাকে আটকে দেয়। কয়েক মিলিমিটার অ্যালুমিনিয়াম বিটা কণাকে আটকায়, কিন্তু গামা পার হয়ে যায়। গামা রশ্মিকে কমাতে হলে পুরু সীসা বা কংক্রিটের ব্লক লাগে।

ভেদন ক্ষমতা আর আয়নায়ন ক্ষমতা উল্টো সম্পর্কে বাঁধা। আয়নায়ন মানে পরমাণু থেকে ইলেকট্রন খুলে নেওয়া। কোনো কণা একবার পরমাণুকে আয়নিত করলেই কিছু শক্তি খরচ হয়। আলফা ভারী আর আধানযুক্ত, তাই সবচেয়ে বেশি আয়নিত করে এবং সবার আগে শক্তি ফুরিয়ে ফেলে। গামা সবচেয়ে কম আয়নিত করে, তাই সবচেয়ে দূর যায়। আয়নায়ন ক্ষমতার মোটামুটি পাঠ্যবইয়ের অনুপাত α : β : γ ≈ ১০,০০০ : ১০০ : ১। সিমুলেশনের বারগুলো লগ স্কেলে আঁকা, যাতে তিনটাই একসঙ্গে ধরে।

এর ফলে একটা অবাক করা নিরাপত্তার তথ্য পাওয়া যায়। শরীরের বাইরে থাকা আলফা উৎস প্রায় নিরীহ, কারণ মৃত ত্বকই তাকে থামিয়ে দেয়। কিন্তু গিলে ফেললে বা শ্বাসের সঙ্গে ঢুকলে একই উৎস জীবন্ত কোষের গায়ে বসে সব শক্তি সেখানেই ঢেলে দেয়, তখন তিনটির মধ্যে সবচেয়ে বিপজ্জনক। উৎস বাইরে থাকলে আর সহজে ঢাকা না গেলে সমস্যা হয় গামা নিয়ে।

বিকিরণযা থামায়বাতাসে পাল্লাআয়নায়ন ক্ষমতা
আলফা (α)এক টুকরো কাগজ, মৃত ত্বককয়েক সেন্টিমিটারখুব বেশি
বিটা (β)কয়েক মিলিমিটার অ্যালুমিনিয়ামপ্রায় এক মিটারমাঝারি
গামা (γ)পুরু সীসা বা কংক্রিটে কমেশত শত মিটারকম

গামা রশ্মি আটকানো: অর্ধ-মান স্তর

গামা রশ্মির কোনো নির্দিষ্ট পাল্লা নেই। প্রতিটি স্তর একটা নির্দিষ্ট ভগ্নাংশ শুষে নেয়, তাই পুরুত্বের সঙ্গে তীব্রতা সূচকীয়ভাবে কমে, ক্ষয় সূত্রের মতোই। যে পুরুত্ব তীব্রতাকে অর্ধেক করে দেয় তার নাম অর্ধ-মান স্তর। কোবাল্ট-৬০-এর সাধারণ গামা রশ্মির জন্য সীসার অর্ধ-মান স্তর প্রায় ১.২ cm।

সীসার ডিফল্ট পুরুত্ব ৩ cm হলে সেটা ২.৫টি অর্ধ-মান স্তর, তাই ১৭.৭% গামা রশ্মি পার হয়ে যায়। সিমুলেশনে খেয়াল করো, সীসা পুরু হলেও কিছু গামা রশ্মি তবু বেরিয়ে আসে। গামাকে তুমি সবসময় কমাতে পারো, কিন্তু পুরোপুরি আটকাতে পারো না।

I = I₀ (½)^(x/HVL)x পুরুত্বের শোষকের পর তীব্রতা

x = HVL × log₂(I₀/I)লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছাতে প্রয়োজনীয় পুরুত্ব

উদাহরণ ৪: কতটা সীসা যথেষ্ট

অর্ধ-মান স্তর ১.২ cm ধরে বের করো গামা রশ্মির মাত্র ১% পার হতে দিতে কতটা সীসা লাগবে। আর ৩.৬ cm সীসায় কী হয় সেটাও দেখো।

৩.৬ cm যাচাই

৩.৬ ÷ ১.২ = ৩টি অর্ধ-মান স্তর, তাই (½)^৩ = ১২.৫% পার হয়।

লক্ষ্য ১%

(½)ⁿ = ১ ÷ ১০০ লাগবে, অতএব n = log₂(১০০ ÷ ১) = ৬.৬৪। পুরুত্ব = ৬.৬৪ × ১.২ = প্রায় ৮.০ cm।

x = HVL × log₂(100)

মজার একটা যাচাই

পাঁচটি অর্ধ-মান স্তর, অর্থাৎ ৬.০ cm সীসায় ৩.১% পার হয়। প্রতিটি বাড়তি স্তর বাকিটার অর্ধেক করে দেয়, আর সেজন্যই ঢাল দেখতে দেখতে পুরু হয়ে যায়।

সিমুলেশনে নিজে চেষ্টা করো

অর্ধায়ু ৬ s করো। ক্ষয় ধ্রুবক নেমে আসে ০.১১৬ s⁻¹-এ, আর ২৫% নিউক্লিয়াসে (৬০টি) পৌঁছাতে সময় হয় ৬ × ২ = ১২ s। অর্ধায়ু দ্বিগুণ করলে লেখচিত্রের সব সময় দ্বিগুণ হয়, কিন্তু আকৃতি একই থাকে।

এরপর কয়েকবার রান নতুন করে শুরু করো। প্রতিটি রান একটু আলাদা, কিন্তু সব কটাই একই ডটেড বক্রেখা অনুসরণ করে। একটা এলোমেলো ঘটনা আর বৃহৎ সংখ্যার নিয়মের পার্থক্য এখানেই।

যেসব ভুল সবাই করে

প্রতি বছর এই ভুলগুলোতে নম্বর কাটা যায়।

  • ভাবা যে দুই অর্ধায়ু পর সব শেষ। দুই অর্ধায়ু পর এক-চতুর্থাংশ বাকি থাকে।
  • অর্ধায়ু বের করার আগে পটভূমি কাউন্ট বাদ দিতে ভুলে যাওয়া।
  • বলা যে নমুনার পরিমাণ বা তাপমাত্রা বদলালে অর্ধায়ু বদলায়। বদলায় না।
  • অর্ধায়ুর জায়গায় গড় আয়ু 1/λ বসিয়ে দেওয়া। দুটোর পার্থক্য ১.৪৪ গুণ।
  • বলা যে সীসা গামা রশ্মিকে “থামায়”। সীসা তাকে কমায়। আলফা থামে, গামা শুধু দুর্বল হয়।
  • λ আর t-এর একক মিলিয়ে না নেওয়া। λ প্রতি সেকেন্ডে হলে t সেকেন্ডেই দিতে হবে।

পরীক্ষার আগে ঝালিয়ে নাও

পরীক্ষার আগে নিজে নিজে জোরে বলে দেখো।

  • একটা নিউক্লিয়াসের ক্ষয় এলোমেলো, অনেকগুলোর ক্ষয় অনুমানযোগ্য।
  • N = N₀e^(−λt) = N₀(½)^(t/T½)।
  • λ = ln 2 ÷ T½ = ০.৬৯৩ ÷ T½, আর গড় আয়ু = 1/λ।
  • সক্রিয়তা A = λN, একক বেকারেল (প্রতি সেকেন্ডে ক্ষয়)। এটাও প্রতি অর্ধায়ুতে অর্ধেক হয়।
  • অর্ধায়ু নমুনার আকার বা পরিবেশের ওপর নির্ভর করে না।
  • α থামে কাগজে, β কয়েক mm অ্যালুমিনিয়ামে, γ শুধু পুরু সীসায় কমে।
  • আয়নায়ন ক্ষমতা: α সবচেয়ে বেশি, γ সবচেয়ে কম। ভেদন পাল্লা তার উল্টো ক্রমে।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

অর্ধায়ু কী?

নমুনার অক্ষয়িত নিউক্লিয়াসের অর্ধেক ক্ষয় হতে যে সময় লাগে তাকে অর্ধায়ু বলে। এক অর্ধায়ু পর অর্ধেক বাকি থাকে, দুই অর্ধায়ু পর এক-চতুর্থাংশ, তিন অর্ধায়ু পর এক-অষ্টমাংশ। সিমুলেশনে T½ = ৩ s হলে ২৪০টি নিউক্লিয়াস ৩ s পরে প্রায় ১২০টি হয়।

তেজস্ক্রিয় নমুনা কি কখনো শূন্য হয়?

গণিতের হিসাবে কখনো না, কারণ চিরকাল অর্ধেক করতে থাকলে শূন্যের কাছে যাওয়া যায় কিন্তু ছোঁয়া যায় না। বাস্তবে শেষ কয়েকটা নিউক্লিয়াস এলোমেলোভাবে ভাঙে আর নমুনা একসময় শেষ হয়ে যায়। সেজন্যই লেখচিত্রের শেষ দিকটা এবড়োখেবড়ো দেখায়।

অর্ধায়ু আর ক্ষয় ধ্রুবকের পার্থক্য কী?

দুটোই ক্ষয়ের গতি বোঝায়। অর্ধায়ু একটা সময়, ক্ষয় ধ্রুবক λ একটা হার (প্রতি সেকেন্ডে সম্ভাবনা)। দুটোর সম্পর্ক λ = ln ২ ÷ T½। অর্ধায়ু ছোট হলে λ বড় হয়।

লেখচিত্র থেকে অর্ধায়ু কীভাবে বের করব?

যেকোনো শুরুর মান থেকে কাউন্ট (বা সক্রিয়তা) অর্ধেক হতে কত সময় লাগে তা পড়ো। আলাদা দুটি শুরুর বিন্দু থেকে দুইবার করলে একই উত্তর পাওয়া উচিত, তাতে প্রমাণ হয় ক্ষয়টা সূচকীয়। আগে পটভূমি বাদ দিতে ভুলো না।

আলফা কাগজে আটকে যায় কিন্তু গামা যায় না কেন?

আলফা কণা ভারী এবং +২ আধানযুক্ত, তাই পরমাণুকে প্রচণ্ড হারে আয়নিত করে এবং অতি অল্প দূরত্বে সব শক্তি হারায়। গামা রশ্মির আধান বা ভর নেই, তাই আয়নিত করে কম, আর শোষিত হওয়ার আগে অনেক দূর যেতে পারে।

কোনো পুরুত্বের সীসা কি গামা রশ্মিকে পুরোপুরি আটকাতে পারে?

না। প্রতিটি অর্ধ-মান স্তর বাকিটার অর্ধেক সরায়, তাই কিছু গামা রশ্মি সবসময় বেরিয়ে আসে। ৮.০ cm সীসায় মাত্র ১% রশ্মি টিকে থাকে, আর সীসা যত পুরু হয় সেটা আরও কমতে থাকে।

ছোট অর্ধায়ু কি বেশি বিপজ্জনক?

একই সংখ্যক পরমাণুর জন্য ছোট অর্ধায়ু মানে বেশি সক্রিয়তা, তাই যতক্ষণ থাকে ততক্ষণ তীব্র, কিন্তু তাড়াতাড়ি শেষও হয়ে যায়। খুব বড় অর্ধায়ুর সক্রিয়তা দুর্বল কিন্তু অনেক দীর্ঘ সময় ধরে থাকে। বিপদ নির্ভর করে বিকিরণের ধরন, মাত্রা আর উৎস শরীরের ভেতরে না বাইরে তার ওপর।

এই বিষয়ের আরও পড়াশোনা

অ্যানিমেশনে ধারণা পরিষ্কার হলো, এবার পরীক্ষার প্রস্তুতি: সিলেবাস, সাজেশন, বই আর ভর্তি পরীক্ষার গাইড নিচে।

HSC

এইচএসসি পদার্থবিজ্ঞান: সিলেবাস ও প্রস্তুতি

ভর্তি

ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি

ভর্তি

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি

SSC

এসএসসি পদার্থবিজ্ঞান: সিলেবাস ও প্রস্তুতি

পাঠ্যবই

নবম-দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান বই

ভর্তি

ঢাবি বিজ্ঞান ইউনিট ভর্তি ২০২৬-২৭

English

Composition: The Uses of Electricity (ইংরেজিতে)

বাংলা

প্রতিবেদন: বিজ্ঞান মেলা

English

Paragraph: Science in Everyday Life (ইংরেজিতে)

SSC

এসএসসি সাজেশন

HSC

এইচএসসি সাজেশন

ভর্তি

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার গাইড

SSC

এসএসসি সিলেবাস

HSC

এইচএসসি সিলেবাস

বিদেশে পড়াশোনা

জার্মানিতে উচ্চশিক্ষা

টেস্ট

Digital SAT Math guide (ইংরেজিতে)

স্কলারশিপ

বিদেশে পড়াশোনার স্কলারশিপ

IELTS

IELTS vocabulary: science and research (ইংরেজিতে)

টুল

GPA calculator (ইংরেজিতে)

ক্যারিয়ার

Civil engineer resume example (ইংরেজিতে)

আরও পদার্থবিজ্ঞান অ্যানিমেশন

SSC · HSC

আলোর প্রতিসরণ

আলোর প্রতিসরণ কাকে বলে, প্রতিসরণের সূত্র, সংকট কোণ ও পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন — সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা, ইন্টারঅ্যাকটিভ অ্যানিমেশন ও গাণিতিক উদাহরণসহ।

SSC · HSC

ওহমের সূত্র

ওহমের সূত্র কাকে বলে, বিবৃতি ও ব্যাখ্যা, V-I লেখচিত্র — বিভব পার্থক্য ও রোধ বদলে তড়িৎ প্রবাহ দেখো। শ্রেণি ও সমান্তরাল সমবায়, গাণিতিক উদাহরণসহ।

HSC

প্রাসের গতি

প্রাস কাকে বলে? কোণ ও আদিবেগ বদলে প্রাসের গতিপথ দেখো — বিচরণকাল, সর্বাধিক উচ্চতা ও আনুভূমিক পাল্লার সূত্র, গাণিতিক উদাহরণসহ।

SSC · HSC

সরল দোলক

সরল দোলক কাকে বলে, দোলনকালের সূত্র T=2π√(L/g) ও দোলকের সূত্রসমূহ — দৈর্ঘ্য বদলে দেখো। অভিকর্ষজ ত্বরণ নির্ণয়ের গাণিতিক উদাহরণসহ।

SSC · HSC

তড়িৎ ক্ষেত্র

তড়িৎ ক্ষেত্র কাকে বলে, তড়িৎ তীব্রতার সূত্র ও একক, বলরেখার বৈশিষ্ট্য — আধান বসিয়ে বলরেখা দেখো। কুলম্বের সূত্রের গাণিতিক উদাহরণসহ।

HSC

তরঙ্গের ব্যতিচার

তরঙ্গের উপরিপাতন নীতি ও ব্যতিচার কাকে বলে, গঠনমূলক ও ধ্বংসাত্মক ব্যতিচারের শর্ত, ডোরার প্রস্থ — দুই উৎস সরিয়ে নিজে দেখো, গাণিতিক উদাহরণসহ।

SSC · HSC

পড়ন্ত বস্তু ও পড়ন্ত বস্তুর সূত্র

পড়ন্ত বস্তুর তিনটি সূত্র কী, কে আবিষ্কার করেন, অভিকর্ষজ ত্বরণ ৯.৮ বলতে কী বোঝায়: মুদ্রা আর পালক ফেলে নিজে দেখো, সূত্র ও গাণিতিক সমস্যাসহ।

SSC · HSC

লেন্সে প্রতিবিম্ব গঠন

উত্তল লেন্স ও অবতল লেন্স কাকে বলে, প্রতিবিম্ব কীভাবে গঠিত হয়, লেন্সের সূত্র 1/u + 1/v = 1/f, বিবর্ধন ও লেন্সের ক্ষমতা: বস্তু টেনে সরিয়ে রশ্মি চিত্র নিজে দেখো।

SSC · HSC

নিউটনের গতির সূত্র

নিউটনের গতির তিনটি সূত্র, জড়তা, ভরবেগ, F = ma, ঘাত বল আর ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া: ট্রলি ঠেলে নিজে দেখো, সহজ উদাহরণ, সূত্র ও গাণিতিক সমস্যাসহ (SSC, HSC)।

SSC · HSC

গোলীয় দর্পণে প্রতিবিম্ব গঠন

অবতল দর্পণ ও উত্তল দর্পণ কাকে বলে, মেরু, বক্রতার কেন্দ্র, প্রধান ফোকাস, দর্পণের সূত্র 1/u + 1/v = 1/f ও বিবর্ধন: বস্তু টেনে সরিয়ে প্রতিবিম্ব গঠন নিজে দেখো।

SSC · HSC

তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ ও ফ্যারাডের সূত্র

তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ কাকে বলে, ফ্যারাডের সূত্র ও লেঞ্জের সূত্র কী বলে: চুম্বক টেনে কুণ্ডলীর ভেতর দিয়ে নিয়ে নিজে দেখো, গ্যালভানোমিটারের কাঁটা কেন দোলে, সূত্র ও অঙ্কসহ।

SSC · HSC

ভরবেগের সংরক্ষণ ও সংঘর্ষ

ভরবেগের সংরক্ষণ সূত্র কী, স্থিতিস্থাপক ও অস্থিতিস্থাপক সংঘর্ষের পার্থক্য কী: দুটো গাড়ি সংঘর্ষ করিয়ে নিজে দেখো, পুনরুদ্ধার সহগ e বদলে ভরবেগ ও গতিশক্তির বার-লেখচিত্র মিলিয়ে দেখো, সূত্র ও অঙ্কসহ।

SSC · HSC

কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি

কাজ কাকে বলে, গতিশক্তি ও বিভবশক্তির সূত্র কী, ক্ষমতা কীভাবে মাপা হয়: গড়িয়ে পড়া কার্টের সিমুলেশনে শক্তির রূপান্তর নিজে দেখো, সূত্র ও গাণিতিক সমস্যাসহ।

SSC · HSC

নততল

নততলে ওজন কীভাবে দুই উপাংশে ভাগ হয়, স্থিতি কোণ কী, ঘর্ষণ কীভাবে ব্লককে ধরে রাখে বা পিছলে দেয়: কোণ বদলে ব্লক নিজে ছেড়ে দিয়ে বল-চিত্র ও সূত্র দেখো।

SSC · HSC

বৃত্তাকার গতি

সুতায় ঘোরা বলের সিমুলেশনে বৃত্তাকার গতি, কেন্দ্রমুখী বল F=mv²/r, কৌণিক বেগ, পর্যায়কাল দেখো। সুতা কাটলে বল কোথায় যায়? ব্যাংকিং ও গাণিতিক সমাধানসহ।

SSC

অনুপ্রস্থ ও অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ

একই উৎস থেকে দড়ির অনুপ্রস্থ তরঙ্গ আর স্প্রিং বা শব্দের অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ পাশাপাশি দেখো। তরঙ্গশীর্ষ, তরঙ্গপাদ, সংকোচন, প্রসারণ, তরঙ্গদৈর্ঘ্য, v = fλ আর কণা কেন তরঙ্গের সাথে চলে না, গাণিতিক সমাধানসহ।

SSC · HSC

লিভার ও ভ্রামক

সিসম্যর সিমুলেশনে বলের ভ্রামক M = F × d, ভ্রামকের নীতি, লিভারের তিন শ্রেণি ও যান্ত্রিক সুবিধা নিজে হাতে পরীক্ষা করো। সমাধান ও সৃজনশীল প্রশ্নসহ।

SSC · HSC

ভরকেন্দ্র

দণ্ডে আর পাতে ভর সরিয়ে ভরকেন্দ্র x = Σmx/Σm বের করো। অবলম্বন কোথায় রাখলে দণ্ড ভারসাম্যে থাকে, বাস কখন উল্টে যায়, সুস্থির-অস্থির-নিরপেক্ষ সাম্যাবস্থা: সিমুলেশন ও সমাধানসহ।

SSC · HSC

স্প্রিং-ভর ও সরল ছন্দিত স্পন্দন

স্প্রিংয়ে ঝোলানো ভরের সরল ছন্দিত স্পন্দন নিজে চালিয়ে দেখো। হুকের সূত্র, T = 2π√(m/k), শক্তির রূপান্তর, শ্রেণি ও সমান্তরাল স্প্রিং, সমাধান ও সৃজনশীল প্রশ্নসহ।

SSC · HSC

ভেক্টর যোগ: ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র

দুটি ভেক্টরের লব্ধি, ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র, উপাংশ, নদীতে নৌকা আর বৃষ্টিতে ছাতার আপেক্ষিক বেগ নিজে টেনে পরীক্ষা করো। সমাধান ও সৃজনশীল প্রশ্নসহ।

SSC · HSC

আপেক্ষিক বেগ: ট্রেন ও নদী পারাপার

দুই ট্রেন আর নদী পার হওয়া সাঁতারুকে নিজে চালিয়ে দেখো। আপেক্ষিক দ্রুতি, ট্রেন পার হওয়ার সময়, মুখের কোণ, ভাটিতে সরণ, সবচেয়ে কম সময় বনাম সবচেয়ে ছোট পথ, সমাধানসহ।

HSC

কেপলারের সূত্র ও উপবৃত্তাকার কক্ষপথ

উৎকেন্দ্রতা স্লাইডার টেনে কক্ষপথ লম্বা হতে দেখো। সমান সময়ে সমান ক্ষেত্রফলের সেক্টর, পর্যায়কালের সূত্র T² ∝ a³ আর মুক্তিবেগ, সমাধানসহ।

HSC

নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র, g ও কৃত্রিম উপগ্রহ

দুটি বস্তুর টান, ব্যস্তবর্গ সূত্রের লেখচিত্র, পৃথিবীর ওপরে-নিচে g আর উপগ্রহের কক্ষপথ নিজের হাতে চালিয়ে দেখো। কক্ষীয় বেগ, পর্যায়কাল, মুক্তিবেগ আর সমাধান করা অঙ্কসহ।

HSC

তার ও নলে স্থির তরঙ্গ

সিমুলেশনে তার টানো আর খোলা-বন্ধ নলে ফুঁ দাও। নোড, অ্যান্টিনোড, সমমেল দেখো এবং দৈর্ঘ্য, টান ও তাপমাত্রা কীভাবে সুর ঠিক করে তা শেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।

HSC

অনুনাদ নল ও শব্দের দ্রুতি

অনুনাদ নলে পানির স্তর সরিয়ে নিজেই জোর শব্দের জায়গা খুঁজুন। L১ = λ/৪ − e আর L২ = ৩λ/৪ − e দেখুন, v = 2f(L₂ − L₁) দিয়ে শব্দের দ্রুতি বের করুন, সমাধানসহ অঙ্ক অনুশীলন করুন।

HSC

স্বরকম্প: কাছাকাছি দুই সুরের স্পন্দন

প্রায় সমান কম্পাঙ্কের দুই তরঙ্গ যোগ করে শব্দের জোর-আস্তে স্পন্দন দেখুন। এনভেলপ আঁকা, স্বরকম্প কম্পাঙ্ক |f₁ − f₂| পড়া, শব্দ শোনা আর গিটার সুর মেলানোর পদ্ধতি শিখুন, সমাধানসহ।

HSC

ডপলার প্রভাব: চলমান উৎস, চলমান শ্রোতা ও সনিক বুম

শব্দের উৎসকে ধীরে-জোরে চালাও আর দেখো সামনে তরঙ্গমুখ কীভাবে ঠাসাঠাসি হয়, পেছনে কীভাবে ছড়িয়ে পড়ে। ডপলারের সূত্র, অ্যাম্বুলেন্স ও ট্রেনের অঙ্ক এবং সনিক বুম শেখো।

SSC · HSC

প্রিজম, আলোর বিচ্ছুরণ ও রামধনু

সাদা আলো প্রিজমে ফেলো, প্রিজম কোণ আর আপতন কোণ বদলাও, আর দেখো বর্ণালি কীভাবে তৈরি হয়। বিচ্যুতি, ন্যূনতম বিচ্যুতি, বিচ্ছুরণ ক্ষমতা এবং বৃষ্টির ফোঁটায় রামধনু সৃষ্টির অঙ্কসহ ব্যাখ্যা।

HSC

কির্শফের সূত্র: সংযোগ সূত্র ও বদ্ধ পথ সূত্র

দুটি ব্যাটারি আর তিনটি রোধের দুই-লুপ বর্তনী নিজে সাজাও। সংযোগ বিন্দুতে প্রবাহ ভাগ হওয়া দেখো, বিভবের যোগফল শূন্য হতে দেখো আর কির্শফের সূত্রের অঙ্ক ধাপে ধাপে করতে শেখো।

HSC

হুইটস্টোন ব্রিজ ও মিটার ব্রিজ

হুইটস্টোন ব্রিজের সাম্য নষ্ট করে গ্যালভানোমিটারের কাঁটা নড়তে দেখো। P/Q = R/S হলে কাঁটা শূন্যে আসে। মিটার ব্রিজে জকি সরিয়ে অজানা রোধ মাপো, গাণিতিক উদাহরণসহ।

HSC

একক চিড়ে অপবর্তন

চিড়ের প্রস্থ ও তরঙ্গদৈর্ঘ্য বদলে দেখো আলো কীভাবে ছড়ায়। তীব্রতার সূত্র I = I₀(sin β/β)², অন্ধকার পট্টির শর্ত a sin θ = mλ আর কেন্দ্রীয় পট্টির প্রস্থ 2λD/a, সমাধানসহ।

SSC · HSC

চোখের ত্রুটি ও তার প্রতিকার

স্বাভাবিক, ক্ষীণদৃষ্টি, দীর্ঘদৃষ্টি ও বার্ধক্যের চোখ বদলে বদলে দেখো। প্রতিবিম্ব কেন রেটিনার সামনে বা পেছনে পড়ে, আর কোন লেন্স কত ডায়োপ্টারে তা ঠিক করে, সিমুলেশনে হাতে-কলমে শেখো।

HSC

আলোর সমবর্তন: ম্যালাসের সূত্র ও ব্রুস্টারের সূত্র

পোলারাইজারের পেছনে অ্যানালাইজার ঘুরিয়ে গ্রাফে I = I₀cos²θ দেখো, তারপর কাচে আলো ফেলে ব্রুস্টার কোণ খুঁজে বের করো। পোলারয়েড সানগ্লাস, তিন ফিল্টারের ধাঁধা ও সমাধান করা অঙ্কসহ।

HSC

ক্যাপাসিটরের আহিতকরণ ও নিরাহিতকরণ: আরসি সময় ধ্রুবক

রোধের মধ্য দিয়ে ক্যাপাসিটর আহিত ও নিরাহিত করো। E, R, C বদলে V = E(1 − e^(−t/RC)) আর প্রবাহের বক্রেখা আঁকা দেখো, ৬৩% সময় ধ্রুবক আর সঞ্চিত শক্তি বের করো।

SSC · HSC

চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা: দণ্ডচুম্বক, তড়িৎবাহী সরল তার ও সলিনয়েড

দণ্ডচুম্বক, সরল তার ও সলিনয়েডের চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা দেখো। কম্পাস টানো, প্রবাহের দিক উল্টাও আর শেখো B = μ₀I/2πr, B = μ₀nI ও ডান হাতের মুষ্টি নিয়ম।

HSC

এসি জেনারেটর

চুম্বকের দুই মেরুর মাঝে কুণ্ডলী ঘুরিয়ে এসি জেনারেটরের সাইন তরঙ্গ নিজের চোখে দেখো। N, A, B আর rpm বদলে E₀ = NBAω ও কার্যকর মান বের করো, জানো কেন বাংলাদেশে মেইন ৫০ Hz।

SSC · HSC

ট্রান্সফর্মার

ট্রান্সফর্মারের প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি পাক বদলে দেখো ভোল্টেজ কীভাবে বাড়ে-কমে। Vs = Vp·Ns/Np, ক্ষমতার সংরক্ষণ, বাস্তব দক্ষতা আর উচ্চ ভোল্টেজে বিদ্যুৎ পাঠানোর কারণ বোঝো।

SSC · HSC

তাপের সঞ্চালন: পরিবহন, পরিচলন ও বিকিরণ

তামা, অ্যালুমিনিয়াম, কাচ বা কাঠের দণ্ড গরম করে Q/t = kAΔT/L দেখো, বিকারে পরিচলন স্রোত ঘুরতে দেখো, আর T⁴ মেনে বিকিরিত ক্ষমতা কীভাবে বাড়ে তা যাচাই করো। সারণি ও সমাধান করা অঙ্কসহ।

HSC

আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া: আইনস্টাইনের সমীকরণ ও নিবৃত্তি বিভব

ভ্যাকুয়াম নলে সোডিয়াম, দস্তা বা তামার পাতে যেকোনো তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো ফেলো। সূচন কম্পাঙ্কের নিচে ইলেকট্রন বের হয় না কেন, K = hf − φ কীভাবে নিবৃত্তি বিভব ঠিক করে, আর উজ্জ্বলতা কেন শুধু প্রবাহ বদলায় তা নিজে দেখো।

SSC · HSC

মোটর ক্রিয়া: তড়িৎবাহী তারের ওপর বল ও ডিসি মোটর

চৌম্বক ক্ষেত্রে তড়িৎবাহী তার রাখলে সেটা কীভাবে ধাক্কা খায় নিজের চোখে দেখো। B, I, L আর কোণ বদলাও, ফ্লেমিংয়ের বাম হাতের নিয়ম মিলিয়ে নাও, তারপর বিভক্ত-বলয় কম্যুটেটরসহ ডিসি মোটর ঘুরিয়ে টর্কের লেখচিত্র দেখো।

HSC

গ্যাসের অণু ও গতিতত্ত্ব: চাপ, তাপমাত্রা ও দ্রুতি

বাক্সের ভেতরে গ্যাসের অণুদের ছোটাছুটি দেখো। তাপমাত্রা বাড়াও, গ্যাস বদলাও, আয়তন চেপে ধরো, আর দেখো দেয়ালে ধাক্কা গুনে পাওয়া চাপ PV = NkT-এর সঙ্গে মিলে যাচ্ছে। ম্যাক্সওয়েল-বোল্টজম্যান বক্ররেখার সঙ্গে দ্রুতি মেলাও এবং গড়বর্গমূল দ্রুতির অঙ্ক করো।

HSC

অর্ধপরিবাহী ডায়োড: p–n সন্ধি, I–V বক্ররেখা ও রেক্টিফায়ার

p–n সন্ধিতে বায়াস দিয়ে দেখো নিঃশেষিত স্তর কীভাবে সরু বা চওড়া হয়, বাহক কীভাবে পার হয় আর শকলির I–V বক্ররেখা কেমন হয়। সিলিকন ও জার্মেনিয়ামের তুলনা, ভাঙন আর অর্ধতরঙ্গ রেক্টিফায়ার হাতে-কলমে।

HSC

বোর পরমাণু মডেল: কক্ষপথ, শক্তিস্তর ও হাইড্রোজেনের বর্ণালি

হাইড্রোজেনের ইলেকট্রনকে n = ১ থেকে ৬ কক্ষপথে লাফ দেওয়াও, 1/λ = R(1/n₁² − 1/n₂²) থেকে ফোটনের রং বের করো আর শক্তিস্তরের চিত্র ও বর্ণালির পট্টিতে লাইম্যান, বামার, পাশেন শ্রেণি দেখো।

অন্য বিষয়ের অ্যানিমেশন

রসায়ন

পরমাণুর গঠন

রসায়ন

এসিড, ক্ষারক ও pH স্কেল

রসায়ন

ইলেকট্রন বিন্যাস

রসায়ন

গ্যাসের সূত্র: বয়েল, চার্লস ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ

রসায়ন

আয়নিক বন্ধন কীভাবে গঠিত হয়

রসায়ন

তড়িৎ বিশ্লেষণ ও ফ্যারাডের সূত্র

রসায়ন

সমযোজী বন্ধন

রসায়ন

পর্যায়বৃত্ত ধর্ম

রসায়ন

বিক্রিয়ার হার ও সংঘর্ষ তত্ত্ব

রসায়ন

পদার্থের অবস্থা: কঠিন, তরল, গ্যাসীয় ও তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র

রসায়ন

পরমাণুর অরবিটাল: s, p, d-এর আকৃতি, কোয়ান্টাম সংখ্যা ও নোড

রসায়ন

আণবিক আকৃতি ও ভিএসইপিআর তত্ত্ব: বন্ধন জোড়, মুক্তজোড় ও বন্ধন কোণ

রসায়ন

মোল ধারণা: মোলার ভর, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা ও মোলার আয়তন

রসায়ন

ব্যাপন ও নিঃসরণ: গ্রাহামের সূত্র

রসায়ন

রাসায়নিক সমীকরণ সমতাকরণ: পদ্ধতি, উদাহরণ ও অনুশীলন

রসায়ন

রাসায়নিক সাম্যাবস্থা: সাম্যধ্রুবক Kc ও লা শাতেলিয়ের নীতি

রসায়ন

টাইট্রেশন: অম্ল-ক্ষারের ঘনমাত্রা বের করার পদ্ধতি

রসায়ন

গ্যালভানিক কোষ: ড্যানিয়েল কোষ, EMF ও নার্নস্ট সমীকরণ

রসায়ন

জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া: জারণ সংখ্যা, ইলেকট্রন স্থানান্তর ও অর্ধ-সমীকরণ

রসায়ন

হাইড্রোকার্বন: অ্যালকেন, অ্যালকিন, অ্যালকাইন ও কাঠামোগত সমাণু ত্রিমাত্রায়

রসায়ন

কার্যকরী মূলক: অ্যালকোহল, অ্যালডিহাইড, কিটোন, অ্যাসিড, এস্টার ও অ্যামিন

রসায়ন

পলিমারকরণ: যোজন ও ঘনীভবন পলিমার, পলিথিন ও নাইলন

রসায়ন

মিশ্রণ আলাদা করার পদ্ধতি: ছাঁকন, পাতন, ক্রোমাটোগ্রাফি, স্ফটিকীকরণ

রসায়ন

কেলাস জালক: SC, BCC ও FCC একক কোষ, প্যাকিং দক্ষতা ও ঘনত্ব

রসায়ন

তেজস্ক্রিয়তা: আলফা, বিটা, গামা ক্ষয় ও অর্ধায়ু

জীববিজ্ঞান

মাইটোসিস কোষ বিভাজন

জীববিজ্ঞান

ব্যাপন ও অভিস্রবণ

জীববিজ্ঞান

সালোকসংশ্লেষণ

জীববিজ্ঞান

মানব হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কাজ

জীববিজ্ঞান

মেন্ডেলের বংশগতি সূত্র

জীববিজ্ঞান

ডিএনএ রেপ্লিকেশন

জীববিজ্ঞান

কোষীয় শ্বসন

জীববিজ্ঞান

এনজাইম ক্রিয়া

জীববিজ্ঞান

স্নায়ু উদ্দীপনার পরিবহন ও অ্যাকশন পটেনশিয়াল

জীববিজ্ঞান

নেফ্রন ও মূত্র তৈরির প্রক্রিয়া

জীববিজ্ঞান

মিয়োসিস কোষ বিভাজন

জীববিজ্ঞান

পরিপাকতন্ত্র

জীববিজ্ঞান

শ্বাসক্রিয়ার কৌশল: প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস

জীববিজ্ঞান

প্রোটিন সংশ্লেষণ

জীববিজ্ঞান

রক্ত সংবহন: দ্বি-সংবহন ও কার্ডিয়াক আউটপুট

জীববিজ্ঞান

কোষের গঠন ও অঙ্গাণু: উদ্ভিদ কোষ বনাম প্রাণী কোষ

জীববিজ্ঞান

প্রতিবর্ত ক্রিয়া ও প্রতিবর্ত চাপ

জীববিজ্ঞান

মানুষের চোখ: গঠন, প্রতিবিম্ব ও উপযোজন

জীববিজ্ঞান

পেশি সংকোচন ও স্লাইডিং ফিলামেন্ট মডেল

জীববিজ্ঞান

উদ্ভিদে পরিবহন: জাইলেম, ফ্লোয়েম ও বাষ্পমোচন

জীববিজ্ঞান

খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজাল: শক্তির প্রবাহ ও ১০ % নিয়ম

জীববিজ্ঞান

জনসংখ্যা বৃদ্ধি: সূচকীয় ও লজিস্টিক রেখা

জীববিজ্ঞান

প্রাকৃতিক নির্বাচন: পেপার্ড মথ ও কালিঝুলি মাখা গাছ

জীববিজ্ঞান

রোগপ্রতিরোধ: প্রাথমিক ও গৌণ অ্যান্টিবডি সাড়া

জীববিজ্ঞান

পরাগায়ন ও নিষেক

গণিত

পিথাগোরাসের উপপাদ্য

গণিত

ত্রিকোণমিতিক অনুপাত ও একক বৃত্ত

গণিত

দ্বিঘাত সমীকরণ ও দ্বিঘাত ফাংশনের লেখচিত্র

গণিত

বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য

গণিত

দূরত্ব ও উচ্চতা: উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ

গণিত

সম্ভাবনা: পরীক্ষালব্ধ বনাম তাত্ত্বিক সম্ভাবনা

গণিত

সমান্তর ও গুণোত্তর ধারা

গণিত

গড়, মধ্যক ও প্রচুরক

গণিত

সেট ও ভেনচিত্র

গণিত

সরল সহসমীকরণ ও সরলরেখার লেখচিত্র

গণিত

sin, cos, tan-এর লেখচিত্র

গণিত

পূর্ণবর্গ পদ্ধতি ও দ্বিঘাত সমীকরণের সমাধান

গণিত

বৃত্তের ক্ষেত্রফল: সূত্র, প্রমাণ ও সমাধান

গণিত

ঘনবস্তুর আয়তন ও তলের ক্ষেত্রফল: ঘনক, আয়তঘন, বেলন, কোণক, গোলক

গণিত

সদৃশ ত্রিভুজ: স্কেল ফ্যাক্টর, AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়া থেকে উচ্চতা

গণিত

স্থানাঙ্ক জ্যামিতি: দূরত্ব, মধ্যবিন্দু, ঢাল, বিভক্তিকরণ সূত্র ও সঞ্চারপথ

গণিত

শাঙ্কব ছেদ: বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত ও অধিবৃত্ত

গণিত

ফাংশনের রূপান্তর: সরানো, টানা ও উল্টানো

গণিত

অন্তরীকরণ: স্পর্শকের ঢাল ও ছেদক থেকে স্পর্শক

গণিত

রিম্যান যোগফল ও সমাকলন: বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফল

গণিত

সীমা ও ε–δ সংজ্ঞা: ছবিতে বোঝা

গণিত

ত্রিমাত্রিক ভেক্টর: যোগ, ডট গুণ ও ক্রস গুণ

গণিত

ম্যাট্রিক্স রূপান্তর: ঘূর্ণন, প্রতিফলন, শিয়ার ও নির্ণায়ক

গণিত

জটিল সংখ্যা: আরগান্ড সমতলে যোগ, গুণ, ঘাত ও মূল

গণিত

বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি: স্থানীয় মান, রূপান্তর ও যোগ