নিয়ন্ত্রণ
প্রবাহের ধরন
পরিমাপ
- বাম শাখার প্রবাহ, I₁
- ১.৩৩A
- ডান শাখার প্রবাহ, I₂
- -০.২২A
- মাঝের শাখার প্রবাহ, I₃
- ১.১১A
- ওপরের সংযোগ বিন্দুর বিভব
- ৬.৬৭V
- ব্যাটারি দুটির মোট ক্ষমতা
- ১৪.৭W
সিমুলেশনটি কীভাবে ব্যবহার করবে
- ডিফল্ট মান নিয়ে শুরু করো: ১২ V আর ৬ V-এর দুটি ব্যাটারি, রোধ ৪ Ω, ৩ Ω ও ৬ Ω। তিনটি তীর দেখাচ্ছে I₁ = ১.৩৩ A, I₂ = -০.২২ A, I₃ = ১.১১ A।
- I₂-এর দিকে তাকাও। মানটা ঋণাত্মক, তাই তীর নিচের দিকে আর চার্জের বিন্দুগুলোও উল্টো দিকে চলছে। দুর্বল ব্যাটারিটাকে শক্তিশালী ব্যাটারি পেছন দিক থেকে ঠেলছে।
- প্যানেলের প্রথম সারিটা দেখো, সেটা সংযোগ সূত্র। ওপরের সংযোগ বিন্দুতে ঢোকা দুই প্রবাহ যোগ করে I₃ বাদ দেওয়া হয়েছে। যে অবস্থানেই স্লাইডার রাখো, যোগফল শূন্য।
- এরপর তিনটি লুপের সারি দেখো। প্রতিটিতে ব্যাটারির ভোল্টেজ থেকে বিভব পতনগুলো বিয়োগ করলে শূন্য হয়। E₂ ধীরে ধীরে বাড়াও: I₂ কমে শূন্য হয়, তারপর চিহ্ন বদলে ফেলে।
- E₂ শূন্য করো। ডান ব্যাটারি উধাও, বর্তনী এখন একটা ব্যাটারি আর দুটি সমান্তরাল রোধ। নিচের তৃতীয় উদাহরণের সঙ্গে রিডিং মিলিয়ে নাও।
- “ইলেকট্রন প্রবাহ” বেছে দেখো চার্জগুলো তীরের উল্টো দিকে চলে। তীর আর যোগফল বদলায় না, কারণ সেগুলো প্রচলিত প্রবাহ ধরে হিসাব করা।
একটা সূত্রে কেন কুলায় না
ওহমের সূত্র V = IR একটা রোধের জন্য একদম ঠিক। শ্রেণি আর সমান্তরাল সমবায়ের সূত্র দিয়ে একটু জটিল বর্তনীও হয়ে যায়। কিন্তু সিমুলেশনের বর্তনীটা দেখো। মাঝের রোধ R₃ দুটি ব্যাটারি ভাগ করে ব্যবহার করছে। সে কারও সঙ্গে শ্রেণিতেও নেই, সমান্তরালেও নেই। তাই “তুল্য রোধ” বের করে বর্তনী ছোট করার কৌশল এখানে খাটে না।
জার্মান পদার্থবিদ গুস্তাভ কির্শফ ১৮৪৫ সালে দুটি নিয়ম দিলেন, যেগুলো যত জটিল জালই হোক সবখানে কাজ করে। নিয়ম দুটি নতুন কোনো পদার্থবিদ্যা নয়। তুমি যা এমনিতেই মানো, সেটাকেই হিসাব করার মতো রূপ দেওয়া: চার্জ কোথাও জমে না, আর শক্তি শূন্য থেকে তৈরি হয় না।
পরীক্ষায় এগুলো আসে “প্রতিটি শাখার প্রবাহ নির্ণয় করো” ধরনের অঙ্কে, সাধারণত দুটি কোষ আর কয়েকটি রোধ নিয়ে। সমীকরণ সাজাতে পারলে বাকিটা স্কুলের বীজগণিত।
দুটি নিয়ম সহজ কথায়
সংযোগ সূত্র (তড়িৎ প্রবাহ সূত্র, KCL): বর্তনীর যেকোনো সংযোগ বিন্দুতে যত প্রবাহ ঢোকে, ঠিক ততই বেরিয়ে যায়। যেখানে তিন বা তার বেশি তার মেলে, সেটাই সংযোগ বিন্দু।
বদ্ধ পথ সূত্র (ভোল্টেজ সূত্র, KVL): যেকোনো বদ্ধ লুপ ধরে একবার ঘুরে এসে সব বিভব বৃদ্ধি আর পতন যোগ করলে যোগফল শূন্য। তুমি একই বিন্দুতে ফিরে এসেছ, তাই বিভবও আগের মানেই ফিরতে হবে।
ΣI(ঢোকে) = ΣI(বেরোয়)সংযোগ সূত্র: চার্জের সংরক্ষণ
বদ্ধ লুপে ΣV = 0লুপ সূত্র: শক্তির সংরক্ষণ
সংযোগ সূত্র, সংখ্যা বসিয়ে
একটা সংযোগ বিন্দুতে ৫ A আর ৩ A ঢুকছে। বেরোচ্ছে ২ A আর আরও একটা অজানা প্রবাহ। ঢুকছে মোট ৫ + ৩ = ৮ A, তাই বেরোতেও হবে ৮ A। জানা বহির্গমন ২ A আর ১.৫ A, যোগ করলে ৩.৫ A। অতএব অজানা প্রবাহ ৮ − ৩.৫ = ৪.৫ A।
সিমুলেশনে ওপরের সংযোগ বিন্দুতে I₁ আর I₂ আসছে, I₃ যাচ্ছে। সূত্রটা তাই I₁ + I₂ = I₃, অর্থাৎ I₁ + I₂ − I₃ = 0। ডিফল্ট মানে ১.৩৩ + (-০.২২) − ১.১১ = 0।
খেয়াল করো, প্রবাহ আসলে কোন দিকে যায় তা আগে জানতে হয়নি। প্রতিটি প্রবাহের একটা দিক ধরে নাও, সূত্র লেখো, বাকিটা বীজগণিত বলে দেবে।
লুপ সূত্র আর চিহ্নের নিয়ম
নম্বর কাটা যায় সবচেয়ে বেশি চিহ্নে ভুল করে, তাই একটা পাকা অভ্যাস বানাও। লুপ ধরে হাঁটার একটা দিক ঠিক করো। তারপর যে উপাদানের ওপর দিয়ে যাচ্ছ, নিচের ছকে তার চিহ্ন দেখে নাও।
আগে একটা সরল লুপে হাতেখড়ি: ১২ V ব্যাটারি আর শ্রেণিতে ৩ Ω ও ৫ Ω। প্রবাহ ১২ ÷ (৩ + ৫) = ১.৫০ A। বিভব পতন ১.৫০ × ৩ = ৪.৫০ V আর ১.৫০ × ৫ = ৭.৫০ V। ঘুরে এসে: +১২ − ৪.৫০ − ৭.৫০ = 0। ব্যাটারি যতটা বিভব দিয়েছে, রোধ দুটো ঠিক ততটাই খরচ করেছে।
| যা পার হচ্ছ | কোন দিকে | যা লিখবে |
|---|---|---|
| ব্যাটারি | − প্লেট থেকে + প্লেটে (কোষের ভেতর দিয়ে) | +E |
| ব্যাটারি | + প্লেট থেকে − প্লেটে (কোষের উল্টো দিকে) | −E |
| রোধ | প্রবাহের দিকে | −IR |
| রোধ | প্রবাহের উল্টো দিকে | +IR |
সব অঙ্কে চলে এমন পদ্ধতি
কির্শফের যেকোনো অঙ্কে এই ধাপগুলো মেনে চলো। এক মিনিটের কাজ, আর প্রতিবার একই।
- প্রতিটি শাখার প্রবাহের নাম দাও (I₁, I₂, I₃) আর প্রত্যেকটায় একটা তীর আঁকো। যেমন খুশি ধরো, ভুল ধরলে কোনো ক্ষতি নেই।
- একটা সংযোগ বিন্দুর জন্য সংযোগ সূত্র লেখো। দুই সংযোগ বিন্দুর ক্ষেত্রে দ্বিতীয় সমীকরণটা প্রথমটারই পুনরাবৃত্তি, তাই একটাই যথেষ্ট।
- এমন কয়েকটি স্বাধীন লুপ বেছে নাও যাতে প্রতিটি শাখা অন্তত একবার পড়ে। চিহ্নের ছক মেনে প্রতিটির জন্য লুপ সূত্র লেখো।
- এখন যতগুলো অজানা প্রবাহ, ততগুলো সমীকরণ। প্রতিস্থাপন বা নির্ণায়ক দিয়ে সমাধান করো।
- উত্তরের চিহ্ন দেখো। ধনাত্মক হলে তোমার ধরা দিক ঠিক ছিল। ঋণাত্মক হলে আসল প্রবাহ তোমার তীরের উল্টো দিকে, মান ঠিকই আছে।
- যে লুপটা ব্যবহার করোনি, তাতে বসিয়ে মিলিয়ে দেখো। যোগফল শূন্য না হলে কোথাও ভুল আছে।
সিমুলেশনের বর্তনী, হাতে সমাধান
ডিফল্ট মান E₁ = ১২ V, E₂ = ৬ V, R₁ = ৪ Ω, R₂ = ৩ Ω, R₃ = ৬ Ω। ধরে নিচ্ছি I₁ আর I₂ ব্যাটারির ভেতর দিয়ে ওপরের দিকে যায়, আর I₃ মাঝের শাখা দিয়ে নিচে নামে।
ধাপ ১: তিনটি সমীকরণ লেখো
ওপরের সংযোগ বিন্দুতে: I₃ = I₁ + I₂।
বাম লুপ: E₁ ও R₁ দিয়ে ওপরে উঠে, ওপরের তার ধরে এসে, R₃ দিয়ে নেমে ফিরে যাও। পাওয়া যায় E₁ − I₁R₁ − I₃R₃ = 0।
ডান লুপ: একইভাবে E₂ ও R₂ নিয়ে E₂ − I₂R₂ − I₃R₃ = 0।
I₃ = I₁ + I₂
১২ = ৪ I₁ + ৬ I₃
৬ = ৩ I₂ + ৬ I₃
ধাপ ২: I₃ সরিয়ে ফেলো
দুই লুপের সমীকরণে I₃ = I₁ + I₂ বসিয়ে পদ গুছিয়ে নাও। দুই অজানার দুটি সমীকরণ পাবে।
১০ I₁ + ৬ I₂ = ১২(R₁ + R₃) I₁ + R₃ I₂ = E₁
৬ I₁ + ৯ I₂ = ৬R₃ I₁ + (R₂ + R₃) I₂ = E₂
ধাপ ৩: সমাধান
নির্ণায়ক ১০ × ৯ − ৬ × ৬ = ৫৪। তাহলে I₁ = (১২ × ৯ − ৬ × ৬) ÷ ৫৪ = ৭২ ÷ ৫৪ = ১.৩৩ A, আর I₂ = (১০ × ৬ − ৬ × ১২) ÷ ৫৪ = -১২ ÷ ৫৪ = -০.২২ A।
সবশেষে I₃ = ১.৩৩ + (-০.২২) = ১.১১ A। সিমুলেশনের রিডিং প্যানেলে ঠিক এই সংখ্যাগুলোই দেখছ। তবে ক্যানভাস এই হাতের বীজগণিত ব্যবহার করে না। সে তিনটি সমীকরণ একটা সাধারণ রৈখিক সমাধানকারী দিয়ে মেটায়, তাই স্লাইডারের যেকোনো মানে কাজ করে।
ধাপ ৪: বাইরের লুপ দিয়ে যাচাই
বাইরের লুপ দুটি ব্যাটারি আর দুটি বাইরের রোধ ছুঁয়ে যায়। E₁ − I₁R₁ + I₂R₂ − E₂ = ১২ − ৫.৩৩ + (-০.৬৭) − ৬ = 0। মিলে গেছে, মানে উত্তর সামঞ্জস্যপূর্ণ।
ঋণাত্মক প্রবাহের মানে কী
I₂ এসেছে -০.২২ A। এটা ভুল নয়। মানে ডান শাখায় আসল প্রবাহ ৬ V ব্যাটারির ভেতর দিয়ে নিচের দিকে, ধনাত্মক প্লেট থেকে ঋণাত্মক প্লেটে, ০.২২ A মানের প্রবাহ চলছে। ১২ V ব্যাটারি বেশি শক্তিশালী, সে দুর্বল ব্যাটারির ভেতর দিয়ে প্রবাহকে উল্টো দিকে ঠেলছে। ব্যাটারি চার্জ হওয়ার ঠিক এটাই নিয়ম।
ক্ষমতার হিসাবেও একই কথা। ১ নম্বর ব্যাটারি দিচ্ছে ১৬.০০ W। ২ নম্বরের E₂ × I₂ = -১.৩৩ W, ঋণাত্মক চিহ্নের মানে সে দিচ্ছে না, শুষে নিচ্ছে ১.৩৩ W। দুই ব্যাটারি মিলে সরবরাহ করছে ১৪.৬৭ W।
এই শক্তি যাচ্ছে কোথায়? রোধে তাপ হয়ে: R₁-এ ৭.১১ W, R₂-এ ০.১৫ W, R₃-এ ৭.৪১ W, মোট ১৪.৬৭ W। সরবরাহ আর তাপ সমান। লুপ সূত্রের শক্তির সংরক্ষণ এখানে অন্য দিক থেকে দেখা গেল।
আরও কয়েকটি গাণিতিক উদাহরণ
উদাহরণ ক (প্রতিসম বর্তনী): দুটি সমান ১০ V ব্যাটারি, বাইরের রোধ দুটি প্রত্যেকে ৫ Ω, মাঝের রোধ ১০ Ω। প্রতিসমতার জন্য I₁ = I₂, তাই I₃ = 2I₁। লুপ সূত্র দেয় ৫ I₁ + ১০ × 2I₁ = ১০, অতএব I₁ = I₂ = ০.৪০ A আর I₃ = ০.৮০ A। ওপরের সংযোগ বিন্দু নিচেরটার চেয়ে ৮.০০ V বেশি বিভবে।
উদাহরণ খ (একটাই ব্যাটারি): ২ নম্বর ব্যাটারি সরিয়ে নাও: E₁ = ১২ V, R₁ = ৪ Ω, R₂ = ৩ Ω, R₃ = ৬ Ω, আর E₂ = 0। এখন R₂ আর R₃ সমান্তরালে, তুল্য রোধ ২.০০ Ω। মোট রোধ ৪ + ২.০০ = ৬.০০ Ω, তাই I₁ = ২.০০ A। সংযোগ বিন্দুর ভোল্টেজ ২.০০ × ২.০০ = ৪.০০ V, সুতরাং I₃ = ০.৬৭ A আর I₂ = −১.৩৩ A। কির্শফের সূত্র আর শ্রেণি-সমান্তরালের পদ্ধতি একই উত্তর দেয়, আর ঋণাত্মক চিহ্ন শুধু বলছে R₂-এর প্রবাহ নিচের দিকে।
দ্বিতীয় পথ: সংযোগ বিন্দুর বিভব
এই বর্তনী আরেকভাবেও সমাধান করা যায়: ওপরের সংযোগ বিন্দুর বিভব ধরে নাও V। তখন ওহমের সূত্র থেকে প্রতিটি শাখার প্রবাহ পাওয়া যায়, আর সংযোগ সূত্র থেকে শুধু V-এর একটা সমীকরণ।
এখানে পরিবাহিতা যোগ করলে 1/৪ + 1/৩ + 1/৬ = ০.৭৫ S, আর ব্যাটারির পদ যোগ করলে ১২/৪ + ৬/৩ = ৫.০০ A। অতএব V = ৫.০০ ÷ ০.৭৫ = ৬.৬৭ V, এবং I₃ = V ÷ ৬ = ১.১১ A। একই উত্তর, তিনটির বদলে একটি সমীকরণে। যে বর্তনীতে অনেকগুলো সমান্তরাল শাখা কিন্তু সংযোগ বিন্দু মাত্র দুটি, সেখানে এটা কাজে লাগে।
সাধারণ ভুল
এই চারটি ভুলে সবচেয়ে বেশি নম্বর যায়।
- নিজের আঁকা তীরকে সত্যি দিক ভেবে বসা। ওটা অনুমান, উত্তরের চিহ্নই তাকে শুধরে দেয়।
- লুপে হাঁটার সময় E আর IR-এর চিহ্ন গুলিয়ে ফেলা। ব্যাটারি আর রোধ দুটোই দিক অনুযায়ী বিভব বাড়ায় বা কমায়।
- সংযোগ সূত্রে তিনটি প্রবাহকেই ঢুকছে লেখা। একটা ঋণাত্মক না হলে তিনটি একসঙ্গে ঢুকতে পারে না।
- ভাগাভাগির রোধে যে মিলিত প্রবাহ চলে তা ভুলে যাওয়া। লুপের সমীকরণে R₃-এর সঙ্গে গুণ হবে I₃, I₁ বা I₂ নয়।
পরীক্ষার কোণ
নম্বর সাধারণত এভাবে ভাগ হয়: সূত্র বা নিয়মের বিবৃতি, নামাঙ্কিত চিত্রসহ সঠিক সমীকরণ, সমাধান, আর দিক ও একক। তীরসহ পরিষ্কার চিত্রের জন্যই আলাদা নম্বর আছে।
সংক্ষিপ্ত প্রশ্নে চাওয়া হয় সংযোগ সূত্র ও লুপ সূত্রের বিবৃতি এবং প্রতিটির পেছনের সংরক্ষণ নীতি (চার্জ ও শক্তি)। গাণিতিক প্রশ্নে সাধারণত দুটি কোষ আর তিনটি রোধ। হুইটস্টোন ব্রিজ এলে মনে রেখো সেটাও আসলে কির্শফের অঙ্ক, আর এই সিরিজের পরের অ্যানিমেশনে সেটা নিয়ে খেলা যাবে।
পরীক্ষার আগে ঝালিয়ে নেওয়ার তালিকা
পরীক্ষার আগে জোরে জোরে বলে দেখো।
- সংযোগ সূত্র: ঢোকা প্রবাহ = বেরোনো প্রবাহ, কারণ চার্জ সংরক্ষিত।
- লুপ সূত্র: বদ্ধ লুপে বিভব পরিবর্তনের যোগফল শূন্য, কারণ শক্তি সংরক্ষিত।
- রোধের ভেতর দিয়ে প্রবাহের দিকে গেলে −IR, উল্টো দিকে গেলে +IR।
- কোষের ভেতর দিয়ে − থেকে + এ গেলে +E, + থেকে − এ গেলে −E।
- যতগুলো অজানা প্রবাহ, ততগুলো স্বাধীন সমীকরণ লাগে।
- ঋণাত্মক উত্তর মানে সঠিক উত্তর, শুধু তীর উল্টো দিকে আঁকা হয়েছিল।
- আরেকটা লুপে বসিয়ে ফলাফল মিলিয়ে দেখো।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
কির্শফের সংযোগ সূত্র কী?
বর্তনীর যেকোনো সংযোগ বিন্দুতে প্রবেশকারী প্রবাহগুলোর যোগফল নির্গত প্রবাহগুলোর যোগফলের সমান। এটা চার্জের সংরক্ষণ নীতি থেকে আসে।
কির্শফের লুপ সূত্র কী?
বর্তনীর যেকোনো বদ্ধ পথে তড়িচ্চালক বলগুলোর বীজগাণিতিক যোগফল বিভব পতন IR-গুলোর বীজগাণিতিক যোগফলের সমান। অন্যভাবে, বদ্ধ লুপের সব বিভব পরিবর্তনের যোগফল শূন্য। এটা শক্তির সংরক্ষণ নীতি থেকে আসে।
কির্শফের অঙ্কে ঋণাত্মক প্রবাহের অর্থ কী?
আসল প্রবাহ তোমার ধরে নেওয়া দিকের উল্টো দিকে চলছে। মান ঠিকই আছে। সমাধানে কোনো ভুল নেই, শুধু তীরটা উল্টো দিকে ধরা হয়েছিল।
দুই-লুপ বর্তনীর জন্য কয়টি সমীকরণ লাগে?
তিনটি, কারণ তিনটি অজানা শাখা-প্রবাহ: একটি সংযোগ সমীকরণ আর দুটি স্বাধীন লুপ সমীকরণ। দ্বিতীয় সংযোগ বিন্দু নতুন কোনো তথ্য দেয় না।
বর্তনীতে কি ব্যাটারি ক্ষমতা শুষে নিতে পারে?
হ্যাঁ। বেশি শক্তিশালী ব্যাটারি যদি দুর্বল ব্যাটারির ভেতর দিয়ে প্রবাহকে উল্টো দিকে চালায়, দুর্বলটি চার্জ হয়। তখন E × I ঋণাত্মক হয়। ডিফল্ট বর্তনীতে ২ নম্বর ব্যাটারি ১.৩৩ W শুষে নিচ্ছে।
কির্শফের সূত্র কি শুধু DC বর্তনীর জন্য?
স্কুল পর্যায়ে স্থির (DC) প্রবাহেই ব্যবহার হয়। বর্তনী যথেষ্ট ছোট হলে AC-র প্রতিটি মুহূর্তেও এগুলো খাটে, উচ্চতর স্তরে ফেজর আর ইম্পিডেন্স দিয়ে।
সিমুলেশনের যোগফলগুলো সবসময় শূন্য হয় কেন?
কারণ বর্তনীটা সঠিকভাবে সমাধান করা হয়: তিনটি প্রবাহ একসঙ্গে সংযোগ সমীকরণ আর দুটি লুপ সমীকরণ মেটায়, তাই এদের থেকে বানানো যেকোনো যাচাইও শূন্য হয়।
এই বিষয়ের আরও পড়াশোনা
অ্যানিমেশনে ধারণা পরিষ্কার হলো, এবার পরীক্ষার প্রস্তুতি: সিলেবাস, সাজেশন, বই আর ভর্তি পরীক্ষার গাইড নিচে।
HSC
এইচএসসি পদার্থবিজ্ঞান: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
পাঠ্যবই
নবম-দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান বই
ভর্তি
ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি
SSC
এসএসসি পদার্থবিজ্ঞান: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
ভর্তি
ঢাবি বিজ্ঞান ইউনিট ভর্তি ২০২৬-২৭
English
Composition: The Uses of Electricity (ইংরেজিতে)
বাংলা
প্রতিবেদন: বিজ্ঞান মেলা
English
Paragraph: Science in Everyday Life (ইংরেজিতে)
SSC
এসএসসি সাজেশন
HSC
এইচএসসি সাজেশন
ভর্তি
বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার গাইড
SSC
এসএসসি সিলেবাস
HSC
এইচএসসি সিলেবাস
বিদেশে পড়াশোনা
জার্মানিতে উচ্চশিক্ষা
টেস্ট
Digital SAT Math guide (ইংরেজিতে)
স্কলারশিপ
বিদেশে পড়াশোনার স্কলারশিপ
IELTS
IELTS vocabulary: science and research (ইংরেজিতে)
টুল
GPA calculator (ইংরেজিতে)
ক্যারিয়ার
Civil engineer resume example (ইংরেজিতে)
আরও পদার্থবিজ্ঞান অ্যানিমেশন
SSC · HSC
আলোর প্রতিসরণ
আলোর প্রতিসরণ কাকে বলে, প্রতিসরণের সূত্র, সংকট কোণ ও পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন — সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা, ইন্টারঅ্যাকটিভ অ্যানিমেশন ও গাণিতিক উদাহরণসহ।
SSC · HSC
ওহমের সূত্র
ওহমের সূত্র কাকে বলে, বিবৃতি ও ব্যাখ্যা, V-I লেখচিত্র — বিভব পার্থক্য ও রোধ বদলে তড়িৎ প্রবাহ দেখো। শ্রেণি ও সমান্তরাল সমবায়, গাণিতিক উদাহরণসহ।
HSC
প্রাসের গতি
প্রাস কাকে বলে? কোণ ও আদিবেগ বদলে প্রাসের গতিপথ দেখো — বিচরণকাল, সর্বাধিক উচ্চতা ও আনুভূমিক পাল্লার সূত্র, গাণিতিক উদাহরণসহ।
SSC · HSC
সরল দোলক
সরল দোলক কাকে বলে, দোলনকালের সূত্র T=2π√(L/g) ও দোলকের সূত্রসমূহ — দৈর্ঘ্য বদলে দেখো। অভিকর্ষজ ত্বরণ নির্ণয়ের গাণিতিক উদাহরণসহ।
SSC · HSC
তড়িৎ ক্ষেত্র
তড়িৎ ক্ষেত্র কাকে বলে, তড়িৎ তীব্রতার সূত্র ও একক, বলরেখার বৈশিষ্ট্য — আধান বসিয়ে বলরেখা দেখো। কুলম্বের সূত্রের গাণিতিক উদাহরণসহ।
HSC
তরঙ্গের ব্যতিচার
তরঙ্গের উপরিপাতন নীতি ও ব্যতিচার কাকে বলে, গঠনমূলক ও ধ্বংসাত্মক ব্যতিচারের শর্ত, ডোরার প্রস্থ — দুই উৎস সরিয়ে নিজে দেখো, গাণিতিক উদাহরণসহ।
SSC · HSC
পড়ন্ত বস্তু ও পড়ন্ত বস্তুর সূত্র
পড়ন্ত বস্তুর তিনটি সূত্র কী, কে আবিষ্কার করেন, অভিকর্ষজ ত্বরণ ৯.৮ বলতে কী বোঝায়: মুদ্রা আর পালক ফেলে নিজে দেখো, সূত্র ও গাণিতিক সমস্যাসহ।
SSC · HSC
লেন্সে প্রতিবিম্ব গঠন
উত্তল লেন্স ও অবতল লেন্স কাকে বলে, প্রতিবিম্ব কীভাবে গঠিত হয়, লেন্সের সূত্র 1/u + 1/v = 1/f, বিবর্ধন ও লেন্সের ক্ষমতা: বস্তু টেনে সরিয়ে রশ্মি চিত্র নিজে দেখো।
SSC · HSC
নিউটনের গতির সূত্র
নিউটনের গতির তিনটি সূত্র, জড়তা, ভরবেগ, F = ma, ঘাত বল আর ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া: ট্রলি ঠেলে নিজে দেখো, সহজ উদাহরণ, সূত্র ও গাণিতিক সমস্যাসহ (SSC, HSC)।
SSC · HSC
গোলীয় দর্পণে প্রতিবিম্ব গঠন
অবতল দর্পণ ও উত্তল দর্পণ কাকে বলে, মেরু, বক্রতার কেন্দ্র, প্রধান ফোকাস, দর্পণের সূত্র 1/u + 1/v = 1/f ও বিবর্ধন: বস্তু টেনে সরিয়ে প্রতিবিম্ব গঠন নিজে দেখো।
SSC · HSC
তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ ও ফ্যারাডের সূত্র
তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ কাকে বলে, ফ্যারাডের সূত্র ও লেঞ্জের সূত্র কী বলে: চুম্বক টেনে কুণ্ডলীর ভেতর দিয়ে নিয়ে নিজে দেখো, গ্যালভানোমিটারের কাঁটা কেন দোলে, সূত্র ও অঙ্কসহ।
SSC · HSC
ভরবেগের সংরক্ষণ ও সংঘর্ষ
ভরবেগের সংরক্ষণ সূত্র কী, স্থিতিস্থাপক ও অস্থিতিস্থাপক সংঘর্ষের পার্থক্য কী: দুটো গাড়ি সংঘর্ষ করিয়ে নিজে দেখো, পুনরুদ্ধার সহগ e বদলে ভরবেগ ও গতিশক্তির বার-লেখচিত্র মিলিয়ে দেখো, সূত্র ও অঙ্কসহ।
SSC · HSC
কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি
কাজ কাকে বলে, গতিশক্তি ও বিভবশক্তির সূত্র কী, ক্ষমতা কীভাবে মাপা হয়: গড়িয়ে পড়া কার্টের সিমুলেশনে শক্তির রূপান্তর নিজে দেখো, সূত্র ও গাণিতিক সমস্যাসহ।
SSC · HSC
নততল
নততলে ওজন কীভাবে দুই উপাংশে ভাগ হয়, স্থিতি কোণ কী, ঘর্ষণ কীভাবে ব্লককে ধরে রাখে বা পিছলে দেয়: কোণ বদলে ব্লক নিজে ছেড়ে দিয়ে বল-চিত্র ও সূত্র দেখো।
SSC · HSC
বৃত্তাকার গতি
সুতায় ঘোরা বলের সিমুলেশনে বৃত্তাকার গতি, কেন্দ্রমুখী বল F=mv²/r, কৌণিক বেগ, পর্যায়কাল দেখো। সুতা কাটলে বল কোথায় যায়? ব্যাংকিং ও গাণিতিক সমাধানসহ।
SSC
অনুপ্রস্থ ও অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ
একই উৎস থেকে দড়ির অনুপ্রস্থ তরঙ্গ আর স্প্রিং বা শব্দের অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ পাশাপাশি দেখো। তরঙ্গশীর্ষ, তরঙ্গপাদ, সংকোচন, প্রসারণ, তরঙ্গদৈর্ঘ্য, v = fλ আর কণা কেন তরঙ্গের সাথে চলে না, গাণিতিক সমাধানসহ।
SSC · HSC
লিভার ও ভ্রামক
সিসম্যর সিমুলেশনে বলের ভ্রামক M = F × d, ভ্রামকের নীতি, লিভারের তিন শ্রেণি ও যান্ত্রিক সুবিধা নিজে হাতে পরীক্ষা করো। সমাধান ও সৃজনশীল প্রশ্নসহ।
SSC · HSC
ভরকেন্দ্র
দণ্ডে আর পাতে ভর সরিয়ে ভরকেন্দ্র x = Σmx/Σm বের করো। অবলম্বন কোথায় রাখলে দণ্ড ভারসাম্যে থাকে, বাস কখন উল্টে যায়, সুস্থির-অস্থির-নিরপেক্ষ সাম্যাবস্থা: সিমুলেশন ও সমাধানসহ।
SSC · HSC
স্প্রিং-ভর ও সরল ছন্দিত স্পন্দন
স্প্রিংয়ে ঝোলানো ভরের সরল ছন্দিত স্পন্দন নিজে চালিয়ে দেখো। হুকের সূত্র, T = 2π√(m/k), শক্তির রূপান্তর, শ্রেণি ও সমান্তরাল স্প্রিং, সমাধান ও সৃজনশীল প্রশ্নসহ।
SSC · HSC
ভেক্টর যোগ: ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র
দুটি ভেক্টরের লব্ধি, ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র, উপাংশ, নদীতে নৌকা আর বৃষ্টিতে ছাতার আপেক্ষিক বেগ নিজে টেনে পরীক্ষা করো। সমাধান ও সৃজনশীল প্রশ্নসহ।
SSC · HSC
আপেক্ষিক বেগ: ট্রেন ও নদী পারাপার
দুই ট্রেন আর নদী পার হওয়া সাঁতারুকে নিজে চালিয়ে দেখো। আপেক্ষিক দ্রুতি, ট্রেন পার হওয়ার সময়, মুখের কোণ, ভাটিতে সরণ, সবচেয়ে কম সময় বনাম সবচেয়ে ছোট পথ, সমাধানসহ।
HSC
কেপলারের সূত্র ও উপবৃত্তাকার কক্ষপথ
উৎকেন্দ্রতা স্লাইডার টেনে কক্ষপথ লম্বা হতে দেখো। সমান সময়ে সমান ক্ষেত্রফলের সেক্টর, পর্যায়কালের সূত্র T² ∝ a³ আর মুক্তিবেগ, সমাধানসহ।
HSC
নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র, g ও কৃত্রিম উপগ্রহ
দুটি বস্তুর টান, ব্যস্তবর্গ সূত্রের লেখচিত্র, পৃথিবীর ওপরে-নিচে g আর উপগ্রহের কক্ষপথ নিজের হাতে চালিয়ে দেখো। কক্ষীয় বেগ, পর্যায়কাল, মুক্তিবেগ আর সমাধান করা অঙ্কসহ।
HSC
তার ও নলে স্থির তরঙ্গ
সিমুলেশনে তার টানো আর খোলা-বন্ধ নলে ফুঁ দাও। নোড, অ্যান্টিনোড, সমমেল দেখো এবং দৈর্ঘ্য, টান ও তাপমাত্রা কীভাবে সুর ঠিক করে তা শেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।
HSC
অনুনাদ নল ও শব্দের দ্রুতি
অনুনাদ নলে পানির স্তর সরিয়ে নিজেই জোর শব্দের জায়গা খুঁজুন। L১ = λ/৪ − e আর L২ = ৩λ/৪ − e দেখুন, v = 2f(L₂ − L₁) দিয়ে শব্দের দ্রুতি বের করুন, সমাধানসহ অঙ্ক অনুশীলন করুন।
HSC
স্বরকম্প: কাছাকাছি দুই সুরের স্পন্দন
প্রায় সমান কম্পাঙ্কের দুই তরঙ্গ যোগ করে শব্দের জোর-আস্তে স্পন্দন দেখুন। এনভেলপ আঁকা, স্বরকম্প কম্পাঙ্ক |f₁ − f₂| পড়া, শব্দ শোনা আর গিটার সুর মেলানোর পদ্ধতি শিখুন, সমাধানসহ।
HSC
ডপলার প্রভাব: চলমান উৎস, চলমান শ্রোতা ও সনিক বুম
শব্দের উৎসকে ধীরে-জোরে চালাও আর দেখো সামনে তরঙ্গমুখ কীভাবে ঠাসাঠাসি হয়, পেছনে কীভাবে ছড়িয়ে পড়ে। ডপলারের সূত্র, অ্যাম্বুলেন্স ও ট্রেনের অঙ্ক এবং সনিক বুম শেখো।
SSC · HSC
প্রিজম, আলোর বিচ্ছুরণ ও রামধনু
সাদা আলো প্রিজমে ফেলো, প্রিজম কোণ আর আপতন কোণ বদলাও, আর দেখো বর্ণালি কীভাবে তৈরি হয়। বিচ্যুতি, ন্যূনতম বিচ্যুতি, বিচ্ছুরণ ক্ষমতা এবং বৃষ্টির ফোঁটায় রামধনু সৃষ্টির অঙ্কসহ ব্যাখ্যা।
HSC
হুইটস্টোন ব্রিজ ও মিটার ব্রিজ
হুইটস্টোন ব্রিজের সাম্য নষ্ট করে গ্যালভানোমিটারের কাঁটা নড়তে দেখো। P/Q = R/S হলে কাঁটা শূন্যে আসে। মিটার ব্রিজে জকি সরিয়ে অজানা রোধ মাপো, গাণিতিক উদাহরণসহ।
HSC
একক চিড়ে অপবর্তন
চিড়ের প্রস্থ ও তরঙ্গদৈর্ঘ্য বদলে দেখো আলো কীভাবে ছড়ায়। তীব্রতার সূত্র I = I₀(sin β/β)², অন্ধকার পট্টির শর্ত a sin θ = mλ আর কেন্দ্রীয় পট্টির প্রস্থ 2λD/a, সমাধানসহ।
SSC · HSC
চোখের ত্রুটি ও তার প্রতিকার
স্বাভাবিক, ক্ষীণদৃষ্টি, দীর্ঘদৃষ্টি ও বার্ধক্যের চোখ বদলে বদলে দেখো। প্রতিবিম্ব কেন রেটিনার সামনে বা পেছনে পড়ে, আর কোন লেন্স কত ডায়োপ্টারে তা ঠিক করে, সিমুলেশনে হাতে-কলমে শেখো।
HSC
আলোর সমবর্তন: ম্যালাসের সূত্র ও ব্রুস্টারের সূত্র
পোলারাইজারের পেছনে অ্যানালাইজার ঘুরিয়ে গ্রাফে I = I₀cos²θ দেখো, তারপর কাচে আলো ফেলে ব্রুস্টার কোণ খুঁজে বের করো। পোলারয়েড সানগ্লাস, তিন ফিল্টারের ধাঁধা ও সমাধান করা অঙ্কসহ।
HSC
ক্যাপাসিটরের আহিতকরণ ও নিরাহিতকরণ: আরসি সময় ধ্রুবক
রোধের মধ্য দিয়ে ক্যাপাসিটর আহিত ও নিরাহিত করো। E, R, C বদলে V = E(1 − e^(−t/RC)) আর প্রবাহের বক্রেখা আঁকা দেখো, ৬৩% সময় ধ্রুবক আর সঞ্চিত শক্তি বের করো।
SSC · HSC
চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা: দণ্ডচুম্বক, তড়িৎবাহী সরল তার ও সলিনয়েড
দণ্ডচুম্বক, সরল তার ও সলিনয়েডের চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা দেখো। কম্পাস টানো, প্রবাহের দিক উল্টাও আর শেখো B = μ₀I/2πr, B = μ₀nI ও ডান হাতের মুষ্টি নিয়ম।
HSC
এসি জেনারেটর
চুম্বকের দুই মেরুর মাঝে কুণ্ডলী ঘুরিয়ে এসি জেনারেটরের সাইন তরঙ্গ নিজের চোখে দেখো। N, A, B আর rpm বদলে E₀ = NBAω ও কার্যকর মান বের করো, জানো কেন বাংলাদেশে মেইন ৫০ Hz।
SSC · HSC
ট্রান্সফর্মার
ট্রান্সফর্মারের প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি পাক বদলে দেখো ভোল্টেজ কীভাবে বাড়ে-কমে। Vs = Vp·Ns/Np, ক্ষমতার সংরক্ষণ, বাস্তব দক্ষতা আর উচ্চ ভোল্টেজে বিদ্যুৎ পাঠানোর কারণ বোঝো।
SSC · HSC
তাপের সঞ্চালন: পরিবহন, পরিচলন ও বিকিরণ
তামা, অ্যালুমিনিয়াম, কাচ বা কাঠের দণ্ড গরম করে Q/t = kAΔT/L দেখো, বিকারে পরিচলন স্রোত ঘুরতে দেখো, আর T⁴ মেনে বিকিরিত ক্ষমতা কীভাবে বাড়ে তা যাচাই করো। সারণি ও সমাধান করা অঙ্কসহ।
HSC
আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া: আইনস্টাইনের সমীকরণ ও নিবৃত্তি বিভব
ভ্যাকুয়াম নলে সোডিয়াম, দস্তা বা তামার পাতে যেকোনো তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো ফেলো। সূচন কম্পাঙ্কের নিচে ইলেকট্রন বের হয় না কেন, K = hf − φ কীভাবে নিবৃত্তি বিভব ঠিক করে, আর উজ্জ্বলতা কেন শুধু প্রবাহ বদলায় তা নিজে দেখো।
SSC · HSC
মোটর ক্রিয়া: তড়িৎবাহী তারের ওপর বল ও ডিসি মোটর
চৌম্বক ক্ষেত্রে তড়িৎবাহী তার রাখলে সেটা কীভাবে ধাক্কা খায় নিজের চোখে দেখো। B, I, L আর কোণ বদলাও, ফ্লেমিংয়ের বাম হাতের নিয়ম মিলিয়ে নাও, তারপর বিভক্ত-বলয় কম্যুটেটরসহ ডিসি মোটর ঘুরিয়ে টর্কের লেখচিত্র দেখো।
HSC
গ্যাসের অণু ও গতিতত্ত্ব: চাপ, তাপমাত্রা ও দ্রুতি
বাক্সের ভেতরে গ্যাসের অণুদের ছোটাছুটি দেখো। তাপমাত্রা বাড়াও, গ্যাস বদলাও, আয়তন চেপে ধরো, আর দেখো দেয়ালে ধাক্কা গুনে পাওয়া চাপ PV = NkT-এর সঙ্গে মিলে যাচ্ছে। ম্যাক্সওয়েল-বোল্টজম্যান বক্ররেখার সঙ্গে দ্রুতি মেলাও এবং গড়বর্গমূল দ্রুতির অঙ্ক করো।
HSC
অর্ধপরিবাহী ডায়োড: p–n সন্ধি, I–V বক্ররেখা ও রেক্টিফায়ার
p–n সন্ধিতে বায়াস দিয়ে দেখো নিঃশেষিত স্তর কীভাবে সরু বা চওড়া হয়, বাহক কীভাবে পার হয় আর শকলির I–V বক্ররেখা কেমন হয়। সিলিকন ও জার্মেনিয়ামের তুলনা, ভাঙন আর অর্ধতরঙ্গ রেক্টিফায়ার হাতে-কলমে।
SSC · HSC
তেজস্ক্রিয় ক্ষয়: অর্ধায়ু, ক্ষয় সূত্র ও বিকিরণের ভেদন ক্ষমতা
২৪০টি নিউক্লিয়াসকে এলোমেলোভাবে ক্ষয় হতে দেখো, N = N₀e^(−λt) সূত্র মিলিয়ে নাও, লেখচিত্র থেকে অর্ধায়ু মাপো, আর দেখো আলফা, বিটা ও গামা কাগজ, অ্যালুমিনিয়াম ও সীসা কতটা ভেদ করে।
HSC
বোর পরমাণু মডেল: কক্ষপথ, শক্তিস্তর ও হাইড্রোজেনের বর্ণালি
হাইড্রোজেনের ইলেকট্রনকে n = ১ থেকে ৬ কক্ষপথে লাফ দেওয়াও, 1/λ = R(1/n₁² − 1/n₂²) থেকে ফোটনের রং বের করো আর শক্তিস্তরের চিত্র ও বর্ণালির পট্টিতে লাইম্যান, বামার, পাশেন শ্রেণি দেখো।
অন্য বিষয়ের অ্যানিমেশন
রসায়ন
পরমাণুর গঠন
রসায়ন
এসিড, ক্ষারক ও pH স্কেল
রসায়ন
ইলেকট্রন বিন্যাস
রসায়ন
গ্যাসের সূত্র: বয়েল, চার্লস ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ
রসায়ন
আয়নিক বন্ধন কীভাবে গঠিত হয়
রসায়ন
তড়িৎ বিশ্লেষণ ও ফ্যারাডের সূত্র
রসায়ন
সমযোজী বন্ধন
রসায়ন
পর্যায়বৃত্ত ধর্ম
রসায়ন
বিক্রিয়ার হার ও সংঘর্ষ তত্ত্ব
রসায়ন
পদার্থের অবস্থা: কঠিন, তরল, গ্যাসীয় ও তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র
রসায়ন
পরমাণুর অরবিটাল: s, p, d-এর আকৃতি, কোয়ান্টাম সংখ্যা ও নোড
রসায়ন
আণবিক আকৃতি ও ভিএসইপিআর তত্ত্ব: বন্ধন জোড়, মুক্তজোড় ও বন্ধন কোণ
রসায়ন
মোল ধারণা: মোলার ভর, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা ও মোলার আয়তন
রসায়ন
ব্যাপন ও নিঃসরণ: গ্রাহামের সূত্র
রসায়ন
রাসায়নিক সমীকরণ সমতাকরণ: পদ্ধতি, উদাহরণ ও অনুশীলন
রসায়ন
রাসায়নিক সাম্যাবস্থা: সাম্যধ্রুবক Kc ও লা শাতেলিয়ের নীতি
রসায়ন
টাইট্রেশন: অম্ল-ক্ষারের ঘনমাত্রা বের করার পদ্ধতি
রসায়ন
গ্যালভানিক কোষ: ড্যানিয়েল কোষ, EMF ও নার্নস্ট সমীকরণ
রসায়ন
জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া: জারণ সংখ্যা, ইলেকট্রন স্থানান্তর ও অর্ধ-সমীকরণ
রসায়ন
হাইড্রোকার্বন: অ্যালকেন, অ্যালকিন, অ্যালকাইন ও কাঠামোগত সমাণু ত্রিমাত্রায়
রসায়ন
কার্যকরী মূলক: অ্যালকোহল, অ্যালডিহাইড, কিটোন, অ্যাসিড, এস্টার ও অ্যামিন
রসায়ন
পলিমারকরণ: যোজন ও ঘনীভবন পলিমার, পলিথিন ও নাইলন
রসায়ন
মিশ্রণ আলাদা করার পদ্ধতি: ছাঁকন, পাতন, ক্রোমাটোগ্রাফি, স্ফটিকীকরণ
রসায়ন
কেলাস জালক: SC, BCC ও FCC একক কোষ, প্যাকিং দক্ষতা ও ঘনত্ব
রসায়ন
তেজস্ক্রিয়তা: আলফা, বিটা, গামা ক্ষয় ও অর্ধায়ু
জীববিজ্ঞান
মাইটোসিস কোষ বিভাজন
জীববিজ্ঞান
ব্যাপন ও অভিস্রবণ
জীববিজ্ঞান
সালোকসংশ্লেষণ
জীববিজ্ঞান
মানব হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কাজ
জীববিজ্ঞান
মেন্ডেলের বংশগতি সূত্র
জীববিজ্ঞান
ডিএনএ রেপ্লিকেশন
জীববিজ্ঞান
কোষীয় শ্বসন
জীববিজ্ঞান
এনজাইম ক্রিয়া
জীববিজ্ঞান
স্নায়ু উদ্দীপনার পরিবহন ও অ্যাকশন পটেনশিয়াল
জীববিজ্ঞান
নেফ্রন ও মূত্র তৈরির প্রক্রিয়া
জীববিজ্ঞান
মিয়োসিস কোষ বিভাজন
জীববিজ্ঞান
পরিপাকতন্ত্র
জীববিজ্ঞান
শ্বাসক্রিয়ার কৌশল: প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস
জীববিজ্ঞান
প্রোটিন সংশ্লেষণ
জীববিজ্ঞান
রক্ত সংবহন: দ্বি-সংবহন ও কার্ডিয়াক আউটপুট
জীববিজ্ঞান
কোষের গঠন ও অঙ্গাণু: উদ্ভিদ কোষ বনাম প্রাণী কোষ
জীববিজ্ঞান
প্রতিবর্ত ক্রিয়া ও প্রতিবর্ত চাপ
জীববিজ্ঞান
মানুষের চোখ: গঠন, প্রতিবিম্ব ও উপযোজন
জীববিজ্ঞান
পেশি সংকোচন ও স্লাইডিং ফিলামেন্ট মডেল
জীববিজ্ঞান
উদ্ভিদে পরিবহন: জাইলেম, ফ্লোয়েম ও বাষ্পমোচন
জীববিজ্ঞান
খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজাল: শক্তির প্রবাহ ও ১০ % নিয়ম
জীববিজ্ঞান
জনসংখ্যা বৃদ্ধি: সূচকীয় ও লজিস্টিক রেখা
জীববিজ্ঞান
প্রাকৃতিক নির্বাচন: পেপার্ড মথ ও কালিঝুলি মাখা গাছ
জীববিজ্ঞান
রোগপ্রতিরোধ: প্রাথমিক ও গৌণ অ্যান্টিবডি সাড়া
জীববিজ্ঞান
পরাগায়ন ও নিষেক
গণিত
পিথাগোরাসের উপপাদ্য
গণিত
ত্রিকোণমিতিক অনুপাত ও একক বৃত্ত
গণিত
দ্বিঘাত সমীকরণ ও দ্বিঘাত ফাংশনের লেখচিত্র
গণিত
বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য
গণিত
দূরত্ব ও উচ্চতা: উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ
গণিত
সম্ভাবনা: পরীক্ষালব্ধ বনাম তাত্ত্বিক সম্ভাবনা
গণিত
সমান্তর ও গুণোত্তর ধারা
গণিত
গড়, মধ্যক ও প্রচুরক
গণিত
সেট ও ভেনচিত্র
গণিত
সরল সহসমীকরণ ও সরলরেখার লেখচিত্র
গণিত
sin, cos, tan-এর লেখচিত্র
গণিত
পূর্ণবর্গ পদ্ধতি ও দ্বিঘাত সমীকরণের সমাধান
গণিত
বৃত্তের ক্ষেত্রফল: সূত্র, প্রমাণ ও সমাধান
গণিত
ঘনবস্তুর আয়তন ও তলের ক্ষেত্রফল: ঘনক, আয়তঘন, বেলন, কোণক, গোলক
গণিত
সদৃশ ত্রিভুজ: স্কেল ফ্যাক্টর, AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়া থেকে উচ্চতা
গণিত
স্থানাঙ্ক জ্যামিতি: দূরত্ব, মধ্যবিন্দু, ঢাল, বিভক্তিকরণ সূত্র ও সঞ্চারপথ
গণিত
শাঙ্কব ছেদ: বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত ও অধিবৃত্ত
গণিত
ফাংশনের রূপান্তর: সরানো, টানা ও উল্টানো
গণিত
অন্তরীকরণ: স্পর্শকের ঢাল ও ছেদক থেকে স্পর্শক
গণিত
রিম্যান যোগফল ও সমাকলন: বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফল
গণিত
সীমা ও ε–δ সংজ্ঞা: ছবিতে বোঝা
গণিত
ত্রিমাত্রিক ভেক্টর: যোগ, ডট গুণ ও ক্রস গুণ
গণিত
ম্যাট্রিক্স রূপান্তর: ঘূর্ণন, প্রতিফলন, শিয়ার ও নির্ণায়ক
গণিত
জটিল সংখ্যা: আরগান্ড সমতলে যোগ, গুণ, ঘাত ও মূল
গণিত






















