মূলপাতা
লগইন

Color

Indigo
Red
Green
Teal
Blue
Purple
Rose

Mode

Light
EN

পরমাণুরা কীভাবে সাজায় নিজেদের: তিন ঘন কোষ হাতে ঘুরিয়ে দেখো

কঠিন ধাতুর ভেতরে পরমাণুরা একটা নিয়মিত ছাঁচে সাজানো। ছাঁচের ছোট্ট একককে বলে একক কোষ। সরল ঘনে প্রতি কোষে ১টি পরমাণু, দেহকেন্দ্রিকে ২টি, ফলককেন্দ্রিকে ৪টি। FCC-তে ৭৪.০% জায়গা ভরা, আর ঘনত্ব ρ = ZM ÷ (N_A a³)।

কোণের পরমাণু (১/৮ ভাগ)ফলকের পরমাণু (১/২ ভাগ)যেখানে পরমাণু ছোঁয়াছুঁয়ি করে

কোষ আর দেখার ধরন বদলাও, ক্যানভাসে টেনে ঘোরাও। কিনারা a আর মোলার ভর M বদলালে ঘনত্ব কীভাবে বদলায় দেখো।

গতি

নিয়ন্ত্রণ

কেলাস গঠন বেছে নাও

দেখার ধরন

৩৬০ pm
৬৪ g/mol

পরিমাপ

প্রতি কোষে পরমাণু (Z)
৮ × ⅛ + ৬ × ½ = ৪
সন্নিবেশ সংখ্যা
১২
a ও r-এর সম্পর্ক
a = 2√2 r ≈ ২.৮৩ r
পরমাণুর ব্যাসার্ধ r (পিকোমিটার)
১২৭.৩
প্যাকিং দক্ষতা
৭৪.০ %
ফাঁকা জায়গা
২৬.০ %
ঘনত্ব ρ (গ্রাম/ঘন সেমি)
৯.১১
উদাহরণ
তামা, অ্যালুমিনিয়াম, সোনা, রুপা

সিমুলেশনটি কীভাবে ব্যবহার করবে

  1. শুরুতে FCC কোষ বাছা আছে। চালু করলে কোষটা নিজে নিজে ধীরে ঘোরে। ক্যানভাসে ধরে টানলে তুমি নিজের ইচ্ছেমতো ঘোরাতে পারবে, ছেড়ে দিলে আবার ধীরে ঘুরবে।
  2. নীল পরমাণু কোণের, সবুজ ফলকের, কমলা কেন্দ্রের। রিডআউটে প্রতি কোষে মোট পরমাণু দেখো: কোণের প্রতিটি ১/৮ ভাগ, ফলকের ১/২, কেন্দ্রেরটা পুরো।
  3. “গায়ে গায়ে লাগানো গোলক” বাছো। পরমাণুগুলো এবার আসল আকারে ফুলে ওঠে, আর লাল স্পর্শ-রেখা বরাবর ঠিক ছুঁয়ে থাকে। ওই রেখাই a আর r-এর সম্পর্ক ঠিক করে।
  4. SC, BCC, FCC পালা করে বাছো। সন্নিবেশ সংখ্যা, a ও r-এর সম্পর্ক আর প্যাকিং দক্ষতার রিডআউট তুলনা করো। সংখ্যাগুলো পরমাণুর অবস্থান গুনেই বের করা।
  5. কিনারা a আর মোলার ভর M-এর স্লাইডার সরাও। ঘনত্ব কীভাবে বদলায় দেখো: a বাড়লে কমে, M বাড়লে বাড়ে।

কমলালেবুর স্তূপ আর ধাতুর ভেতরটা

ফলের দোকানে কমলালেবু কীভাবে সাজায়? নিচে এক সারি, তার ফাঁকে ফাঁকে ওপরের সারি। এভাবে সাজালে সবচেয়ে কম জায়গায় সবচেয়ে বেশি লেবু ধরে। ধাতুর পরমাণুরাও গোলকের মতো, আর তারা ঠিক এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজে: কত ঘন করে গাদা যায়?

কেলাসে সাজানোর ছাঁচটা বারবার পুনরাবৃত্ত হয়। সেই ছাঁচের সবচেয়ে ছোট অংশ, যাকে সব দিকে বারবার বসালে পুরো কেলাস পাওয়া যায়, তাই একক কোষ। আমরা এখানে ঘনক আকারের তিন কোষ দেখব।

তামা, সোনা, লোহা বা সোডিয়ামের নানা ধর্ম, যেমন কঠিনতা, ঘনত্ব আর টেনে লম্বা করা যায় কি না, এই সাজানোর ধরনের ওপর অনেকটা নির্ভর করে। তাই HSC রসায়নের কঠিন অবস্থা অধ্যায়ে একক কোষ এত গুরুত্ব পায়।

একক কোষ, কিনারা a আর ব্যাসার্ধ r

ঘনক কোষের তিন কিনারাই সমান, তার দৈর্ঘ্য a। পরমাণুকে গোলক ধরলে তার ব্যাসার্ধ r। যে দিকে পরমাণুগুলো একে অপরকে ছোঁয়, সেই দিক বরাবর দূরত্ব ঠিক 2r। এই ছোঁয়ার দিকটাই জ্যামিতি দিয়ে a-কে r-এর সঙ্গে জুড়ে দেয়।

অ্যানিমেশনে সেই ছোঁয়ার রেখাটা লাল। SC-তে সেটা কিনারা বরাবর, BCC-তে ঘনকের কর্ণ বরাবর (কোণ থেকে কেন্দ্র পেরিয়ে উল্টো কোণ), FCC-তে ফলকের কর্ণ বরাবর।

অ্যানিমেশন কীভাবে পড়বে

ক্যানভাসে ঘনকের বারোটি কিনারা ধূসর রেখা, পরমাণুগুলো বল। “বল ও কাঠি” দৃশ্যে বল ছোট, যাতে ভেতরের কাঠামো দেখা যায়। “গায়ে গায়ে লাগানো গোলক” দৃশ্যে বল আসল ব্যাসার্ধে আঁকা, আর তখন বোঝা যায় কতটা জায়গা ভরা আর কতটা ফাঁকা।

যেটা সামনে সেটা বড় আর যেটা পেছনে সেটা একটু ছোট দেখায়, তাই ঘোরানোর সময় গভীরতা বোঝা যায়। নিচে a ও r-এর সম্পর্ক লেখা আছে, পাশে আসল সহগ।

ডানের রিডআউটে প্রতিটি সংখ্যা পরমাণুর অবস্থান গুনে হিসাব করা। সন্নিবেশ সংখ্যা মূল পরমাণুর সবচেয়ে কাছের প্রতিবেশী গুনে আসে। প্যাকিং দক্ষতা আসে ঘনকের আয়তন আর গোলকগুলোর আয়তনের অনুপাত থেকে।

প্রতি কোষে কয়টি পরমাণু

কোণের পরমাণু আটটি কোষের মধ্যে ভাগ হয়, তাই কোষের ভেতরে পড়ে তার ১/৮ ভাগ। ফলকের পরমাণু দুই কোষের মাঝখানে, তাই ১/২ ভাগ। কেন্দ্রের পরমাণু পুরোটাই ভেতরে।

SC: ৮টি কোণ × ১/৮ = ১। BCC: ৮ × ১/৮ + ১ = ২। FCC: ৮ × ১/৮ + ৬ × ১/২ = ৪। এই ভাগফলের জন্য অ্যানিমেশনের নীল, সবুজ আর কমলা রং আলাদা।

কোষকোণফলককেন্দ্রপ্রতি কোষে মোট
SC৮ × ১/৮––১
BCC৮ × ১/৮–১ × ১২
FCC৮ × ১/৮৬ × ১/২–৪

সন্নিবেশ সংখ্যা: কয়জন প্রতিবেশী

একটি পরমাণুকে যতজন পরমাণু সবচেয়ে কাছ থেকে ছুঁয়ে থাকে, সেই সংখ্যাই সন্নিবেশ সংখ্যা। SC-তে ৬ (সামনে-পেছনে, ডানে-বামে, ওপরে-নিচে), BCC-তে ৮, FCC-তে ১২। বেশি প্রতিবেশী মানে গাদাগাদি বেশি।

একটি পরমাণু কেবল এক কোষের নয়, পাশের কোষগুলোর সঙ্গেও ভাগাভাগি। তাই গোনার সময় পুরো কেলাস কল্পনা করো, শুধু আঁকা কোষটি নয়।

a ও r-এর সম্পর্ক

SC-তে পরমাণু কিনারা বরাবর ছোঁয়, তাই a = 2r (সহগ ২.০০)। BCC-তে কর্ণ বরাবর ছোঁয়। কর্ণের দৈর্ঘ্য √3 a, আর তাতে চারটি r আছে, তাই 4r = √3 a এবং a = 4r/√3 (সহগ ২.৩১)। FCC-তে ফলকের কর্ণ বরাবর। ফলক-কর্ণ √2 a এবং তাতে চারটি r, তাই a = 2√2 r (সহগ ২.৮৩)।

সহগ যত বড়, ব্যাসার্ধের তুলনায় কোষ তত ফাঁপা। তাই SC সবচেয়ে ঢিলে।

SC: a = 2rকিনারা বরাবর ছোঁয়

BCC: √3 a = 4rঘন-কর্ণ বরাবর

FCC: √2 a = 4rফলক-কর্ণ বরাবর

প্যাকিং দক্ষতা: কতটা জায়গা ভরা

প্যাকিং দক্ষতা = কোষের ভেতরের সব পরমাণুর আয়তন ÷ কোষের আয়তন। প্রতি পরমাণু গোলক, আয়তন (4/3)πr³। কোষের আয়তন a³। তাই দক্ষতা = Z × (4/3)πr³ ÷ a³, আর r-কে a দিয়ে প্রকাশ করলেই সংখ্যা বের হয়।

গণনা করলে SC ৫২.৪%, BCC ৬৮.০%, FCC ৭৪.০%। ফাঁকা জায়গা যথাক্রমে ৪৭.৬%, ৩২.০%, ২৬.০%। FCC-র চেয়ে ঘন করে একই আকারের গোলক আর সাজানো যায় না।

FCC ঘন-সংবদ্ধ বিন্যাসের একটি রূপ। এ কারণেই তামা, রুপা, সোনার মতো অনেক নমনীয় ধাতু FCC।

কোষZসন্নিবেশ সংখ্যাa ও rপ্যাকিং দক্ষতা
SC১৬a = ২.০০ r৫২.৪%
BCC২৮a = ২.৩১ r৬৮.০%
FCC৪১২a = ২.৮৩ r৭৪.০%

কোষ থেকে ঘনত্ব

একক কোষের ভর = Z × (এক পরমাণুর ভর) = Z × M ÷ N_A, যেখানে N_A = ৬.০২ × 10²³ প্রতি মোল। আয়তন a³। ঘনত্ব = ভর ÷ আয়তন, তাই ρ = ZM ÷ (N_A a³)। a কে পিকোমিটারে পেলে আগে সেমি-তে বদলাও: ১ pm = ১০⁻¹⁰ সেমি।

এক্ষেত্রে ঘনত্ব দিয়ে উল্টোটাও করা যায়: ρ জানা থাকলে a³ = ZM ÷ (ρ N_A)। অর্থাৎ ঘনত্ব মেপে কেলাসের গঠন চেনা সম্ভব।

ρ = Z M ÷ (N_A a³)ρ গ্রাম/ঘন সেমি, M গ্রাম/মোল, a সেমি

a³ = Z M ÷ (ρ N_A)ঘনত্ব জানা থাকলে কিনারা

প্রতিটি কোষের জন্য একটি করে সম্পূর্ণ উদাহরণ

একই কাল্পনিক ধাতু ধরো, যার পরমাণুর ব্যাসার্ধ ১২৫ pm আর মোলার ভর ৬৪ গ্রাম/মোল। এখন দেখো তিন রকম সাজানোয় কী কী বদলায়। প্রতিটি ধাপের সংখ্যা মডেল নিজে গুনে বের করেছে।

SC কোষ

Z = ৮ × ১/৮ = ১। সন্নিবেশ সংখ্যা ৬। পরমাণুরা কিনারা বরাবর ছোঁয়, তাই a = 2r = ২.০০ × ১২৫ = ২৫০.০ pm। প্যাকিং দক্ষতা ৫২.৪%, মানে ফাঁকা ৪৭.৬%। ঘনত্ব = ১ × ৬৪ ÷ (৬.০২ × 10²³ × a³) = ৬.৮০ গ্রাম/ঘন সেমি।

BCC কোষ

Z = ৮ × ১/৮ + ১ = ২। সন্নিবেশ সংখ্যা ৮। কর্ণ বরাবর ছোঁয়, তাই a = 4r ÷ √3 = ২.৩১ × ১২৫ = ২৮৮.৭ pm। প্যাকিং দক্ষতা ৬৮.০%, ফাঁকা ৩২.০%। ঘনত্ব = ৮.৮৪ গ্রাম/ঘন সেমি।

FCC কোষ

Z = ৮ × ১/৮ + ৬ × ১/২ = ৪। সন্নিবেশ সংখ্যা ১২। ফলক-কর্ণ বরাবর ছোঁয়, তাই a = 2√2 r = ২.৮৩ × ১২৫ = ৩৫৩.৬ pm। প্যাকিং দক্ষতা ৭৪.০%, ফাঁকা ২৬.০%। ঘনত্ব = ৯.৬২ গ্রাম/ঘন সেমি।

তিনটি পাশাপাশি

একই পরমাণু, একই ভর, শুধু সাজানো আলাদা, আর ঘনত্ব ৬.৮০ থেকে ৮.৮৪ হয়ে ৯.৬২। কারণ প্রতি কোষে বেশি পরমাণু ঢোকে, আর কোষের আয়তন অনুপাতে বাড়ে না। এক পরমাণুর আয়তন ৮.১৮ × ১০⁶ pm³, আর FCC কোষের আয়তন ৪৪.১৯ × ১০⁶ pm³। চারটি পরমাণুর আয়তন যোগ করে কোষের আয়তন দিয়ে ভাগ করলে ঠিক ৭৪.০% আসে।

ফাঁকা জায়গা: গোলকের মাঝের গর্ত

গোলক যতই ঘন করে সাজাও, মাঝে ফাঁক থাকবেই। FCC-তে ফাঁকা জায়গা ২৬.০%। এই ফাঁকগুলো এলোমেলো নয়, নিয়মিত গর্ত, আর দুই রকমের। অষ্টতলকীয় গর্ত ছয়টি গোলক দিয়ে ঘেরা, চতুস্তলকীয় গর্ত চারটি দিয়ে।

FCC কোষে অষ্টতলকীয় গর্ত ৪টি আর চতুস্তলকীয় গর্ত ৮টি, অর্থাৎ প্রতি পরমাণুতে একটি আর দুটি। সবচেয়ে বড় গোলক যা অষ্টতলকীয় গর্তে ঢুকবে তার ব্যাসার্ধ ০.৪১৪ × r, আর চতুস্তলকীয় গর্তে ০.২২৫ × r। r = ১২৫ pm হলে এগুলো ৫১.৮ pm আর ২৮.১ pm।

এই গর্তগুলোতে ছোট পরমাণু বা আয়ন ঢুকে পড়তে পারে। ইস্পাতে লোহার জালকের গর্তে কার্বন বসে বলে লোহা শক্ত হয়। আয়নিক কেলাসও একইভাবে তৈরি।

অষ্টতলকীয় গর্তের সর্বোচ্চ ব্যাসার্ধ = (√2 − 1) rছয় প্রতিবেশী

চতুস্তলকীয় গর্তের সর্বোচ্চ ব্যাসার্ধ = (√(3/2) − 1) rচার প্রতিবেশী

বাস্তব জীবনে: ধাতু আর খাবার লবণ

ধাতুর আচরণ সাজানোর সঙ্গে মেলে। FCC ধাতুতে (তামা, অ্যালুমিনিয়াম, সোনা) পরমাণুর স্তরগুলো একটার ওপর দিয়ে সহজে পিছলে যায়, তাই এগুলো নরম আর তার করা যায়। BCC ধাতু (সোডিয়াম, পটাশিয়াম) কম ঘন, ৬৮.০% বনাম ৭৪.০%, তাই তাদের ঘনত্ব সাধারণত কম।

খাবার লবণ NaCl-এর কেলাসে ক্লোরাইড আয়নগুলো FCC ছাঁচে বসে, তাই প্রতি কোষে ৪টি। সোডিয়াম আয়নগুলো অষ্টতলকীয় গর্ত ভরে, গর্ত ৪টি, তাই আয়নও ৪টি। অনুপাত ৪ : ৪ = ১ : ১, মানে সংকেত NaCl। প্রতিটি আয়ন ঘিরে থাকে ছয় বিপরীত আয়ন, কারণ গর্তটি অষ্টতলকীয়।

কাজেই লবণের দানা চৌকো হয় কেন, তার উত্তরও এখানে: ভেতরের ঘন ছাঁচ বাইরে সোজা তল হয়ে ফুটে ওঠে। ভাঙলে দানাগুলো সমতল তল বরাবর ভাঙে।

সিমুলেশনে নিজে করে দেখো

আগে অনুমান লেখো, তারপর পরীক্ষা করো।

  • পরীক্ষা ১: FCC বাছো, তারপর দৃশ্য বদলাও। লাল রেখা কোন দিকে? কোণের দুই পরমাণুর মাঝখানে আরেকটি পরমাণু আছে কি?
  • পরীক্ষা ২: ঘুরিয়ে একটি ফলকের পরমাণু গুনে দেখো। ছয়টি ফলকে ছয়টি পরমাণু, প্রতিটি অর্ধেক। মোট ভাগ কত?
  • পরীক্ষা ৩: SC, BCC, FCC তিনটির প্যাকিং দক্ষতা পাশাপাশি লিখে ক্রম সাজাও।
  • পরীক্ষা ৪: FCC-তে a = ২৫০ থেকে ৬০০ pm করো। r-এর রিডআউট কীভাবে বদলায়? অনুপাত a ÷ r ঠিক থাকে কি?
  • পরীক্ষা ৫: M দ্বিগুণ করো। ঘনত্ব কত গুণ হয়? তারপর a দ্বিগুণ করো। এবার ঘনত্ব কত গুণ?

সমাধান করা গাণিতিক সমস্যা

নিচের সব সংখ্যা মডেলের একই গণনা থেকে, আর সমস্যার ধাতুগুলো কাল্পনিক।

সমস্যা ১: FCC কোষে প্রতি কোষে পরমাণু কত?

কোণে ৮টি, প্রতিটি ১/৮। ফলকে ৬টি, প্রতিটি ১/২। Z = ৮ × ১/৮ + ৬ × ১/২ = ৪।

সমস্যা ২: একটি ধাতু FCC-তে, পরমাণুর ব্যাসার্ধ ১২৫ pm। কিনারা কত?

a = 2√2 r = ২.৮৩ × ১২৫ = ৩৫৩.৬ pm।

সমস্যা ৩: ধাতু X, FCC, M = ৬৪ গ্রাম/মোল, a = ৩৬০ pm। ঘনত্ব কত?

a = ৩৬০ × ১০⁻¹⁰ সেমি, তাই a³ = ৪.৬৭ × ১০⁻²³ ঘন সেমি। Z = ৪, তাই কোষের ভর = ৪ × ৬৪ ÷ ৬.০২ × 10²³ = ৪.২৫ × 10⁻²² গ্রাম। ρ = ৯.১১ গ্রাম/ঘন সেমি।

সমস্যা ৪: ধাতু Y, BCC, M = ৫০, a = ৩০০ pm। ঘনত্ব?

Z = ২। ρ = ২ × ৫০ ÷ (৬.০২ × 10²³ × (৩০০ × ১০⁻¹⁰)³) = ৬.১৫ গ্রাম/ঘন সেমি।

সমস্যা ৫: FCC ধাতুর ঘনত্ব ৯ গ্রাম/ঘন সেমি, M = ৬৪। কিনারা কত?

a³ = ৪ × ৬৪ ÷ (৯ × ৬.০২ × 10²³); ঘনমূল নিলে a ≈ ৩৬১ pm।

কেন তিনটি সাজানোই প্রকৃতিতে দেখা যায়

SC সবচেয়ে ঢিলে (৫২.৪%) বলে প্রকৃতিতে প্রায় দেখাই যায় না। BCC (৬৮.০%) ঢিলেঢালা হলেও কিছু ধাতুর জন্য স্থিতিশীল, আর FCC (৭৪.০%) সবচেয়ে ঘন। একই ধাতু তাপমাত্রা বদলালে এক সাজানো থেকে অন্য সাজানোয় চলে যেতেও পারে, যেমন লোহা গরম হলে। তখন ঘনত্ব হঠাৎ বদলায়, কারণ প্রতি কোষে Z আর a দুটোই বদলে যায়।

পরীক্ষার প্রশ্নে তাই দুটি তথ্য সবসময় একসঙ্গে পড়ো: কোষের ধরন আর কোষের কিনারা। একটা জানা থাকলে অন্যটা থেকে অনেক কিছু বের করা যায়।

যে ভুলগুলো সবাই করে

এখানেই প্রতি বছর নম্বর কাটে।

  • কোণের পরমাণুকে পুরো ১ ধরা। সে আট কোষের শরিক, কোষে মাত্র ১/৮।
  • BCC-তে Z = ১ ধরা। কেন্দ্রের একটি যোগ করলে ২।
  • a = 2r সব কোষে ব্যবহার। এটা শুধু SC-তে। BCC-তে 4r = √3 a, FCC-তে 4r = √2 a।
  • a কে পিকোমিটারে রেখেই ঘনত্ব বের করা। সেমি-তে বদলাতে ১০⁻¹⁰ গুণ করতে হয়।
  • প্যাকিং দক্ষতাকে সন্নিবেশ সংখ্যার সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা। একটি গোনা, অন্যটি আয়তনের শতাংশ।
  • BCC আর FCC-র ক্রম উল্টে দেওয়া। FCC বেশি ঘন: ৭৪% বনাম ৬৮%।

পরীক্ষার কোণ (HSC, ভর্তি)

না দেখে করো, তারপর মিলিয়ে নাও।

  • SC, BCC, FCC-র প্রতি কোষে পরমাণু ও সন্নিবেশ সংখ্যা লেখো।
  • FCC কোষে a ও r-এর সম্পর্ক কী? r = ১২৫ pm হলে a কত? উত্তর: ৩৫৩.৬ pm।
  • FCC-র প্যাকিং দক্ষতা কত? উত্তর: ৭৪.০%।
  • BCC ধাতু, M = ৫০, a = ৩০০ pm হলে ঘনত্ব? উত্তর: ৬.১৫ গ্রাম/ঘন সেমি।
  • কেলাসে প্যাকিং দক্ষতার ক্রম কী?

পুনরালোচনা: এক মিনিটে পুরো পাতা

পরীক্ষার আগে এটুকু পড়ে নাও।

  • Z: SC ১, BCC ২, FCC ৪। কোণ ১/৮, ফলক ১/২, কেন্দ্র ১।
  • সন্নিবেশ সংখ্যা: ৬, ৮, ১২।
  • a ও r: SC 2r = a; BCC 4r = √3 a; FCC 4r = √2 a।
  • প্যাকিং দক্ষতা: ৫২.৪%, ৬৮.০%, ৭৪.০%।
  • ঘনত্ব ρ = ZM ÷ (N_A a³), a সেমি-তে।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

একক কোষ কী?

কেলাসের সবচেয়ে ছোট পুনরাবৃত্ত অংশ, যাকে সব দিকে বারবার বসালে পুরো কেলাস তৈরি হয়।

SC, BCC ও FCC-তে প্রতি কোষে কয়টি পরমাণু?

যথাক্রমে ১, ২ ও ৪। কোণের পরমাণু ১/৮, ফলকের ১/২ এবং কেন্দ্রের ১ ভাগ কোষে পড়ে।

প্যাকিং দক্ষতা কত?

SC ৫২.৪%, BCC ৬৮.০% এবং FCC ৭৪.০%। FCC সবচেয়ে ঘন।

একক কোষ থেকে ঘনত্ব কীভাবে বের করব?

ρ = ZM ÷ (N_A a³) সূত্রে। a কে সেমি-তে বদলে নিতে ভুলো না: ১ pm = ১০⁻¹⁰ সেমি।

সন্নিবেশ সংখ্যা কী?

একটি পরমাণুর সবচেয়ে কাছের প্রতিবেশীর সংখ্যা। SC-তে ৬, BCC-তে ৮, FCC-তে ১২।

BCC-তে a ও r-এর সম্পর্ক কী?

ঘন-কর্ণ বরাবর পরমাণু ছোঁয়, তাই 4r = √3 a এবং a = ২.৩১ r।

এই বিষয়ের আরও পড়াশোনা

অ্যানিমেশনে ধারণা পরিষ্কার হলো, এবার পরীক্ষার প্রস্তুতি: সিলেবাস, সাজেশন, বই আর ভর্তি পরীক্ষার গাইড নিচে।

আরও রসায়ন অ্যানিমেশন

SSC · HSC

পরমাণুর গঠন

পরমাণুর গঠন চিত্রসহ ব্যাখ্যা: প্রোটন, নিউট্রন, ইলেকট্রন, পারমাণবিক সংখ্যা, ভরসংখ্যা, আইসোটোপ ও ইলেকট্রন বিন্যাস। নিজে পরমাণু বানিয়ে দেখো, গাণিতিক উদাহরণসহ।

SSC · HSC

এসিড, ক্ষারক ও pH স্কেল

pH কি বা কাকে বলে, pH স্কেল কীভাবে কাজ করে, এসিড ও ক্ষারকের পার্থক্য, নির্দেশক ও প্রশমন বিক্রিয়া: বুরেট থেকে ফোঁটা ফেলে নিজে টাইট্রেশন করে দেখো, গাণিতিক সমস্যাসহ।

SSC · HSC

ইলেকট্রন বিন্যাস

ইলেকট্রন বিন্যাস কাকে বলে, লেখার সহজ নিয়ম, আউফবাউ, পাউলির বর্জন ও হুন্ডের নীতি, Cr-Cu ব্যতিক্রম, আয়ন: ইলেকট্রন একটি একটি করে বসতে দেখো, ১-৩৬ মৌলের তালিকাসহ।

SSC · HSC

গ্যাসের সূত্র: বয়েল, চার্লস ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ

বয়েলের সূত্র, চার্লসের সূত্র, চাপীয় সূত্র, অ্যাভোগেড্রোর সূত্র ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ PV = nRT: পিস্টন টেনে নিজে দেখো, লেখচিত্র, R-এর মান ও গাণিতিক সমস্যাসহ।

SSC · HSC

আয়নিক বন্ধন কীভাবে গঠিত হয়

আয়নিক বন্ধন কাকে বলে, কীভাবে ধাতুর ইলেকট্রন অধাতুতে গিয়ে আয়ন তৈরি করে, আর সংকেত কীভাবে চার্জ মিলিয়ে বের হয়: NaCl, MgO, CaCl₂ বেছে নিয়ে নিজে দেখো, সূত্র ও অঙ্কসহ।

SSC · HSC

তড়িৎ বিশ্লেষণ ও ফ্যারাডের সূত্র

তড়িৎ বিশ্লেষণ কাকে বলে, ক্যাথোড-অ্যানোডে কী উৎপন্ন হয়, আর ফ্যারাডের সূত্রে ভর কীভাবে হিসাব হয়: গলিত NaCl, CuSO₄ বা অম্লীভূত পানি বেছে নিয়ে নিজে দেখো, সূত্র ও অঙ্কসহ।

SSC · HSC

সমযোজী বন্ধন

সমযোজী বন্ধন কাকে বলে, একক-দ্বি-ত্রিবন্ধন কীভাবে গঠিত হয়, অক্টেট নিয়ম কী: H₂O, NH₃, CH₄, CO₂ অণুর ডট-ক্রস চিত্র সিমুলেশনে নিজে বানিয়ে দেখো, পোলারিটিসহ।

SSC · HSC

পর্যায়বৃত্ত ধর্ম

পর্যায়বৃত্ত ধর্ম কাকে বলে, পারমাণবিক ব্যাসার্ধ ও আয়নিকরণ শক্তি পর্যায় ও গ্রুপে কীভাবে বদলায়: প্রথম ৩৬টি মৌলের হিটম্যাপে নিজে পরীক্ষা করে দেখো, ব্যতিক্রমসহ।

SSC · HSC

বিক্রিয়ার হার ও সংঘর্ষ তত্ত্ব

বিক্রিয়ার হার কীসের ওপর নির্ভর করে? সংঘর্ষ তত্ত্বের সিমুলেশনে তাপমাত্রা, ঘনমাত্রা আর প্রভাবক বদলে সক্রিয়ণ শক্তির লেখচিত্র ও উৎপাদের রেখা নিজের চোখে দেখো।

Class 9 · SSC

পদার্থের অবস্থা: কঠিন, তরল, গ্যাসীয় ও তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র

কঠিন, তরল ও গ্যাসীয় অবস্থায় কণা কেমন আচরণ করে নিজে দেখো। পানির তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র, গলন, স্ফুটন, সুপ্ততাপ, ঊর্ধ্বপাতন আর Q = mcΔT ও Q = mL-এর সমাধানসহ।

HSC

পরমাণুর অরবিটাল: s, p, d-এর আকৃতি, কোয়ান্টাম সংখ্যা ও নোড

1s, 2s, 2p ও 3d অরবিটাল ঘুরিয়ে 3D-তে দেখো। কক্ষপথ ও অরবিটালের পার্থক্য, চার কোয়ান্টাম সংখ্যা, রেডিয়াল ও কৌণিক নোড গোনা, উপস্তরের ইলেকট্রন ধারণক্ষমতা, সমাধানসহ।

HSC

আণবিক আকৃতি ও ভিএসইপিআর তত্ত্ব: বন্ধন জোড়, মুক্তজোড় ও বন্ধন কোণ

ত্রিমাত্রিক অণু বানিয়ে ঘোরাও। বন্ধন জোড় ও মুক্তজোড় ইলেকট্রন কীভাবে CH4, NH3, H2O, PCl5, SF6-এর আকৃতি, বন্ধন কোণ ও সংকরণ ঠিক করে, সমাধানসহ হাতেকলমে শেখো।

SSC · HSC

মোল ধারণা: মোলার ভর, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা ও মোলার আয়তন

মোল কাকে বলে, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা কত, মোলার ভর ও STP-তে মোলার আয়তন (২২.৪ লিটার) কী? পাল্লায় ওজন মেপে মোল ও অণুর সংখ্যা নিজে বের করো; শতকরা সংযুতি ও গাণিতিক সমস্যাসহ।

SSC · HSC

ব্যাপন ও নিঃসরণ: গ্রাহামের সূত্র

নলের ভেতর NH₃ ও HCl মিলে সাদা বলয় তৈরি করা দেখো, তারপর সূক্ষ্ম ছিদ্র দিয়ে গ্যাসের নিঃসরণের দৌড়। গ্রাহামের ব্যাপন সূত্রের প্রমাণ ও অঙ্ক সমাধানসহ।

SSC · HSC

রাসায়নিক সমীকরণ সমতাকরণ: পদ্ধতি, উদাহরণ ও অনুশীলন

রাসায়নিক সমীকরণ কীভাবে মেলাতে হয়? সহগ বদলে দুই পাশের পরমাণু গুনে দেখো। পানি, মিথেন, মরিচা, রান্নার গ্যাসসহ পাঁচটি সমীকরণ ধাপে ধাপে সমাধান, SSC ও HSC প্রস্তুতির জন্য।

HSC

রাসায়নিক সাম্যাবস্থা: সাম্যধ্রুবক Kc ও লা শাতেলিয়ের নীতি

রাসায়নিক সাম্যাবস্থা কী, সাম্যধ্রুবক Kc কীভাবে বের করে, আর ঘনমাত্রা, তাপ ও চাপ বদলালে বিক্রিয়া কোন দিকে সরে? হেবার প্রক্রিয়ার অ্যানিমেশনে হার-রেখা দেখে লা শাতেলিয়ের নীতি বোঝো।

SSC · HSC

টাইট্রেশন: অম্ল-ক্ষারের ঘনমাত্রা বের করার পদ্ধতি

টাইট্রেশন কী, ব্যুরেট ও নির্দেশক কীভাবে কাজ করে, শেষ বিন্দু আর সমতা বিন্দু কী এক জিনিস না, আর V₁M₁ = V₂M₂ দিয়ে ঘনমাত্রা কীভাবে বের করবে? pH লেখচিত্রসহ সিমুলেশনে হাতে-কলমে শেখো।

HSC

গ্যালভানিক কোষ: ড্যানিয়েল কোষ, EMF ও নার্নস্ট সমীকরণ

গ্যালভানিক কোষ কীভাবে বিদ্যুৎ বানায়? ড্যানিয়েল কোষে ইলেকট্রন আর লবণ সেতুর আয়ন কোন দিকে যায়, দণ্ডের ভর কীভাবে বদলায়, আদর্শ ও নার্নস্ট EMF কত? সিমুলেশনে ঘনমাত্রা বদলে নিজে দেখো।

SSC · HSC

জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া: জারণ সংখ্যা, ইলেকট্রন স্থানান্তর ও অর্ধ-সমীকরণ

জারণ ও বিজারণ কী, জারণ সংখ্যা কীভাবে বের করে, কোনটা জারক আর কোনটা বিজারক? পাঁচটি বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের চলাচল দেখো, অর্ধ-সমীকরণ ও সমাধান করা অঙ্কসহ।

SSC · HSC

হাইড্রোকার্বন: অ্যালকেন, অ্যালকিন, অ্যালকাইন ও কাঠামোগত সমাণু ত্রিমাত্রায়

অ্যালকেন, অ্যালকিন ও অ্যালকাইনকে ঘূর্ণায়মান বল-স্টিক মডেলে দেখো। কার্বন সংখ্যা বদলাও, সাধারণ সংকেত ও IUPAC নাম পড়ো, আর বিউটেন, পেন্টেন, হেক্সেনের সব কাঠামোগত সমাণু দেখো।

HSC

কার্যকরী মূলক: অ্যালকোহল, অ্যালডিহাইড, কিটোন, অ্যাসিড, এস্টার ও অ্যামিন

কার্যকরী মূলক কী, অ্যালকোহল-অ্যালডিহাইড-কিটোন-অ্যাসিড-এস্টার-অ্যামিন কীভাবে চিনবে, IUPAC নাম কীভাবে লিখবে? আটটি পরিবারের গঠন দেখো, পরীক্ষা ও সমাধান করা অঙ্কসহ।

HSC

পলিমারকরণ: যোজন ও ঘনীভবন পলিমার, পলিথিন ও নাইলন

পলিমার কী, যোজন ও ঘনীভবন পলিমারকরণে পার্থক্য কী? ইথিন থেকে পলিথিন আর নাইলন-৬,৬ তৈরি দেখো, শিকলের আণবিক ভর ও নির্গত পানির হিসাবসহ।

SSC · HSC

মিশ্রণ আলাদা করার পদ্ধতি: ছাঁকন, পাতন, ক্রোমাটোগ্রাফি, স্ফটিকীকরণ

ছাঁকন, সরল ও আংশিক পাতন, কাগজ ক্রোমাটোগ্রাফি আর স্ফটিকীকরণ চোখের সামনে চলতে দেখো। Rf-এর হিসাব, পাতনের তাপমাত্রা-রেখা আর স্ফটিকের ফলন হাতে-কলমে।

HSC

তেজস্ক্রিয়তা: আলফা, বিটা, গামা ক্ষয় ও অর্ধায়ু

আলফা, বিটা, গামা ক্ষয়ে A ও Z কীভাবে বদলায় দেখো, পারমাণবিক সমীকরণ মেলাও, ১০০ পরমাণুর এলোমেলো ক্ষয় অর্ধায়ু রেখা ধরে চলতে দেখো। কার্বন-১৪ কালনির্ণয়সহ বিনা মূল্যের সিমুলেশন।

অন্য বিষয়ের অ্যানিমেশন

পদার্থবিজ্ঞান

আলোর প্রতিসরণ

পদার্থবিজ্ঞান

ওহমের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

প্রাসের গতি

পদার্থবিজ্ঞান

সরল দোলক

পদার্থবিজ্ঞান

তড়িৎ ক্ষেত্র

পদার্থবিজ্ঞান

তরঙ্গের ব্যতিচার

পদার্থবিজ্ঞান

পড়ন্ত বস্তু ও পড়ন্ত বস্তুর সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

লেন্সে প্রতিবিম্ব গঠন

পদার্থবিজ্ঞান

নিউটনের গতির সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

গোলীয় দর্পণে প্রতিবিম্ব গঠন

পদার্থবিজ্ঞান

তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ ও ফ্যারাডের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

ভরবেগের সংরক্ষণ ও সংঘর্ষ

পদার্থবিজ্ঞান

কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি

পদার্থবিজ্ঞান

নততল

পদার্থবিজ্ঞান

বৃত্তাকার গতি

পদার্থবিজ্ঞান

অনুপ্রস্থ ও অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ

পদার্থবিজ্ঞান

লিভার ও ভ্রামক

পদার্থবিজ্ঞান

ভরকেন্দ্র

পদার্থবিজ্ঞান

স্প্রিং-ভর ও সরল ছন্দিত স্পন্দন

পদার্থবিজ্ঞান

ভেক্টর যোগ: ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

আপেক্ষিক বেগ: ট্রেন ও নদী পারাপার

পদার্থবিজ্ঞান

কেপলারের সূত্র ও উপবৃত্তাকার কক্ষপথ

পদার্থবিজ্ঞান

নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র, g ও কৃত্রিম উপগ্রহ

পদার্থবিজ্ঞান

তার ও নলে স্থির তরঙ্গ

পদার্থবিজ্ঞান

অনুনাদ নল ও শব্দের দ্রুতি

পদার্থবিজ্ঞান

স্বরকম্প: কাছাকাছি দুই সুরের স্পন্দন

পদার্থবিজ্ঞান

ডপলার প্রভাব: চলমান উৎস, চলমান শ্রোতা ও সনিক বুম

পদার্থবিজ্ঞান

প্রিজম, আলোর বিচ্ছুরণ ও রামধনু

পদার্থবিজ্ঞান

কির্শফের সূত্র: সংযোগ সূত্র ও বদ্ধ পথ সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

হুইটস্টোন ব্রিজ ও মিটার ব্রিজ

পদার্থবিজ্ঞান

একক চিড়ে অপবর্তন

পদার্থবিজ্ঞান

চোখের ত্রুটি ও তার প্রতিকার

পদার্থবিজ্ঞান

আলোর সমবর্তন: ম্যালাসের সূত্র ও ব্রুস্টারের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

ক্যাপাসিটরের আহিতকরণ ও নিরাহিতকরণ: আরসি সময় ধ্রুবক

পদার্থবিজ্ঞান

চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা: দণ্ডচুম্বক, তড়িৎবাহী সরল তার ও সলিনয়েড

পদার্থবিজ্ঞান

এসি জেনারেটর

পদার্থবিজ্ঞান

ট্রান্সফর্মার

পদার্থবিজ্ঞান

তাপের সঞ্চালন: পরিবহন, পরিচলন ও বিকিরণ

পদার্থবিজ্ঞান

আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া: আইনস্টাইনের সমীকরণ ও নিবৃত্তি বিভব

পদার্থবিজ্ঞান

মোটর ক্রিয়া: তড়িৎবাহী তারের ওপর বল ও ডিসি মোটর

পদার্থবিজ্ঞান

গ্যাসের অণু ও গতিতত্ত্ব: চাপ, তাপমাত্রা ও দ্রুতি

পদার্থবিজ্ঞান

অর্ধপরিবাহী ডায়োড: p–n সন্ধি, I–V বক্ররেখা ও রেক্টিফায়ার

পদার্থবিজ্ঞান

তেজস্ক্রিয় ক্ষয়: অর্ধায়ু, ক্ষয় সূত্র ও বিকিরণের ভেদন ক্ষমতা

পদার্থবিজ্ঞান

বোর পরমাণু মডেল: কক্ষপথ, শক্তিস্তর ও হাইড্রোজেনের বর্ণালি

জীববিজ্ঞান

মাইটোসিস কোষ বিভাজন

জীববিজ্ঞান

ব্যাপন ও অভিস্রবণ

জীববিজ্ঞান

সালোকসংশ্লেষণ

জীববিজ্ঞান

মানব হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কাজ

জীববিজ্ঞান

মেন্ডেলের বংশগতি সূত্র

জীববিজ্ঞান

ডিএনএ রেপ্লিকেশন

জীববিজ্ঞান

কোষীয় শ্বসন

জীববিজ্ঞান

এনজাইম ক্রিয়া

জীববিজ্ঞান

স্নায়ু উদ্দীপনার পরিবহন ও অ্যাকশন পটেনশিয়াল

জীববিজ্ঞান

নেফ্রন ও মূত্র তৈরির প্রক্রিয়া

জীববিজ্ঞান

মিয়োসিস কোষ বিভাজন

জীববিজ্ঞান

পরিপাকতন্ত্র

জীববিজ্ঞান

শ্বাসক্রিয়ার কৌশল: প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস

জীববিজ্ঞান

প্রোটিন সংশ্লেষণ

জীববিজ্ঞান

রক্ত সংবহন: দ্বি-সংবহন ও কার্ডিয়াক আউটপুট

জীববিজ্ঞান

কোষের গঠন ও অঙ্গাণু: উদ্ভিদ কোষ বনাম প্রাণী কোষ

জীববিজ্ঞান

প্রতিবর্ত ক্রিয়া ও প্রতিবর্ত চাপ

জীববিজ্ঞান

মানুষের চোখ: গঠন, প্রতিবিম্ব ও উপযোজন

জীববিজ্ঞান

পেশি সংকোচন ও স্লাইডিং ফিলামেন্ট মডেল

জীববিজ্ঞান

উদ্ভিদে পরিবহন: জাইলেম, ফ্লোয়েম ও বাষ্পমোচন

জীববিজ্ঞান

খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজাল: শক্তির প্রবাহ ও ১০ % নিয়ম

জীববিজ্ঞান

জনসংখ্যা বৃদ্ধি: সূচকীয় ও লজিস্টিক রেখা

জীববিজ্ঞান

প্রাকৃতিক নির্বাচন: পেপার্ড মথ ও কালিঝুলি মাখা গাছ

জীববিজ্ঞান

রোগপ্রতিরোধ: প্রাথমিক ও গৌণ অ্যান্টিবডি সাড়া

জীববিজ্ঞান

পরাগায়ন ও নিষেক

গণিত

পিথাগোরাসের উপপাদ্য

গণিত

ত্রিকোণমিতিক অনুপাত ও একক বৃত্ত

গণিত

দ্বিঘাত সমীকরণ ও দ্বিঘাত ফাংশনের লেখচিত্র

গণিত

বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য

গণিত

দূরত্ব ও উচ্চতা: উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ

গণিত

সম্ভাবনা: পরীক্ষালব্ধ বনাম তাত্ত্বিক সম্ভাবনা

গণিত

সমান্তর ও গুণোত্তর ধারা

গণিত

গড়, মধ্যক ও প্রচুরক

গণিত

সেট ও ভেনচিত্র

গণিত

সরল সহসমীকরণ ও সরলরেখার লেখচিত্র

গণিত

sin, cos, tan-এর লেখচিত্র

গণিত

পূর্ণবর্গ পদ্ধতি ও দ্বিঘাত সমীকরণের সমাধান

গণিত

বৃত্তের ক্ষেত্রফল: সূত্র, প্রমাণ ও সমাধান

গণিত

ঘনবস্তুর আয়তন ও তলের ক্ষেত্রফল: ঘনক, আয়তঘন, বেলন, কোণক, গোলক

গণিত

সদৃশ ত্রিভুজ: স্কেল ফ্যাক্টর, AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়া থেকে উচ্চতা

গণিত

স্থানাঙ্ক জ্যামিতি: দূরত্ব, মধ্যবিন্দু, ঢাল, বিভক্তিকরণ সূত্র ও সঞ্চারপথ

গণিত

শাঙ্কব ছেদ: বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত ও অধিবৃত্ত

গণিত

ফাংশনের রূপান্তর: সরানো, টানা ও উল্টানো

গণিত

অন্তরীকরণ: স্পর্শকের ঢাল ও ছেদক থেকে স্পর্শক

গণিত

রিম্যান যোগফল ও সমাকলন: বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফল

গণিত

সীমা ও ε–δ সংজ্ঞা: ছবিতে বোঝা

গণিত

ত্রিমাত্রিক ভেক্টর: যোগ, ডট গুণ ও ক্রস গুণ

গণিত

ম্যাট্রিক্স রূপান্তর: ঘূর্ণন, প্রতিফলন, শিয়ার ও নির্ণায়ক

গণিত

জটিল সংখ্যা: আরগান্ড সমতলে যোগ, গুণ, ঘাত ও মূল

গণিত

বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি: স্থানীয় মান, রূপান্তর ও যোগ