পদ্ধতি বদলাও, তারপর স্লাইডার সরাও। পাতনে তাপমাত্রা-রেখার সমতল অংশ দেখো: ওখানেই তরল ফুটছে।
নিয়ন্ত্রণ
পদ্ধতি বেছে নাও
মিশ্রণ
পরিমাপ
- কোন পার্থক্যে কাজ করে
- কণার আকারের পার্থক্য
- অবশেষ
- বালি: ২০ g
- ছাঁকনি-রস (গ্রাম)
- ৮০
- যোগফল (গ্রাম)
- ২০ + ৮০ = ১০০
সিমুলেশনটি কীভাবে ব্যবহার করবে
- উপরের তালিকা থেকে একটি পদ্ধতি বাছো। শুরুতে “ছাঁকন” আর বালি-পানি ঠিক করা আছে। চালু করলে ছাঁকনি কাগজে বালি জমে, নিচের বিকারে পরিষ্কার পানি জমতে থাকে।
- স্লাইডার সরাও। ছাঁকনে অদ্রবণীয় কঠিনের পরিমাণ বদলাবে, আর ডানের রিডআউটে অবশেষ আর ছাঁকনি-রসের যোগফল সবসময় ১০০ গ্রামই থাকবে।
- “সরল পাতন” বা “আংশিক পাতন” বাছো। নিচের লেখচিত্রে তাপমাত্রা-রেখা কোথায় সমতল হয়, দেখো: ওই সমতল অংশই স্ফুটনাঙ্ক। আংশিক পাতনে দুটি সমতল অংশ আসে, প্রথমে ইথানল, তারপর পানি।
- “কাগজ ক্রোমাটোগ্রাফি” বাছো। দ্রাবক ওঠার সঙ্গে সঙ্গে রঙিন দাগগুলো আলাদা হয়। প্রতিটির পাশে Rf-এর মান জ্বলজ্বল করে, আর বাঁ পাশে মিলিমিটারে দূরত্ব দেখানো থাকে।
- “স্ফটিকীকরণ” বাছো। প্রথমে গরম করে দ্রবণ ঘন হয়, তারপর ঠান্ডা হলে তলায় স্ফটিক জমে। গরম অবস্থায় কত গ্রাম দ্রবীভূত ছিল সেটা স্লাইডারে বদলে ফলন কেমন বদলায় দেখো।
রান্নাঘর থেকে কারখানা
ভাত রেঁধে ফ্যান ঝরানোর সময় তুমি ছাঁকন করছ। চায়ের ছাঁকনি, ডালের পানি ঝরানো, সবই এক। কক্সবাজারের লবণচাষিরা সমুদ্রের পানি রোদে শুকিয়ে লবণ বের করেন: ওটা স্ফটিকীকরণের কাছাকাছি কৌশল। আখের রস জ্বাল দিয়ে ঘন করে গুড় আর চিনি হয়, সেখানেও একই ধারণা।
কারখানায় একই কাজ বড় আকারে চলে। খনিজ তেল থেকে পেট্রোল, ডিজেল আর কেরোসিন আলাদা হয় আংশিক পাতনে। ওষুধ শিল্পে বিশুদ্ধ যৌগ পেতে ক্রোমাটোগ্রাফি আর স্ফটিকীকরণ ব্যবহার হয়। ফরেনসিক পরীক্ষায় কালির রঙ ধরতে কাগজ ক্রোমাটোগ্রাফি কাজে লাগে।
পরীক্ষায় প্রশ্ন সাধারণত এভাবে আসে: “এই মিশ্রণটি আলাদা করতে কোন পদ্ধতি নেবে এবং কেন?” উত্তর তৈরির সূত্র একটাই: উপাদান দুটির কোন ভৌত ধর্ম আলাদা, সেটা বলো, তারপর পদ্ধতির নাম।
মিশ্রণ কী, আর আলাদা করা সম্ভব কেন
মিশ্রণে উপাদানগুলো রাসায়নিকভাবে জোড়া লাগে না। প্রত্যেকে নিজের ধর্ম ধরে রাখে। লবণ-পানিতে লবণ নোনতা, পানি ফোটে ১০০°সে-এ। এই ধর্মগুলোই আলাদা করার হাতিয়ার। যৌগ ভাঙতে রাসায়নিক বিক্রিয়া লাগে, মিশ্রণ ভাঙতে শুধু ভৌত পদ্ধতিই যথেষ্ট।
দুটি শব্দ জানা থাকলে অনেক সুবিধা। অবশেষ হলো যা ছাঁকনিতে বা পাতন-ফ্লাস্কে পড়ে থাকে। পাতিত তরল বা ছাঁকনি-রস হলো যা পার হয়ে বা বাষ্প হয়ে আসে।
অ্যানিমেশন কীভাবে পড়বে
ওপরে পদ্ধতির নাম আর মিশ্রণের নাম লেখা। নিচের নিয়ন্ত্রণে পদ্ধতি, মিশ্রণ আর একটি স্লাইডার আছে। স্লাইডারটি পদ্ধতিভেদে বদলে যায়: ছাঁকনে কঠিনের পরিমাণ, পাতনে আয়তন, ক্রোমাটোগ্রাফিতে দ্রাবক কতদূর উঠবে, স্ফটিকীকরণে গরম অবস্থায় দ্রবীভূত লবণ।
পাতনে ক্যানভাসের ওপরের অর্ধেকে যন্ত্র, নিচের অর্ধেকে সময় বনাম তাপমাত্রার রেখা। লাল বিন্দু এখনকার তাপমাত্রা। যন্ত্রের থার্মোমিটারের পাঠ আর বিন্দুর উচ্চতা একই জিনিস দুভাবে দেখাচ্ছে।
সব সংখ্যা আদর্শ অবস্থায় ধরা: সমান হারে তাপ, বিশুদ্ধ তরল একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় ফোটে। বাস্তবে সামান্য ওঠানামা থাকে, কিন্তু ধারণা একই।
ছাঁকন: কণার আকারের খেলা
ছাঁকনি কাগজে অতি সূক্ষ্ম ছিদ্র থাকে। পানির অণু আর দ্রবীভূত পদার্থ সহজে পার হয়, কিন্তু বালি বা চকের মতো বড় কণা আটকে যায়। যা আটকায় সেটা অবশেষ, যা নামে সেটা ছাঁকনি-রস। কিছুই হারায় না: ১০০ গ্রাম নমুনায় ২০ গ্রাম বালি থাকলে ছাঁকনি-রস ৮০ গ্রাম।
ছাঁকন শুধু অদ্রবণীয় কঠিন আর তরলের জন্য। লবণ-পানি ছাঁকলে লবণ পার হয়ে যায়, কারণ সে পানিতে গলে অণুর আকারে মিশে আছে। ওখানে পাতন বা স্ফটিকীকরণ লাগবে।
নিয়ম মনে রাখার ছোট কৌশল: ফানেলে কাগজ বসিয়ে ভেজাও যাতে কাগজ সেঁটে থাকে, কাচের দণ্ড বেয়ে ঢালো যাতে ছিটকে না যায়, আর কাগজের কিনারের ওপরে তরল তুলো না।
সরল পাতন: তরলকে বাষ্প করে ধরা
লবণ-পানি ফ্লাস্কে গরম করলে পানি ফোটে ১০০°সে-এ, বাষ্প হয়ে শীতকে ঠান্ডা হয়ে আবার পানি হয়ে গ্রাহকে জমে। লবণ অবাষ্পীয়, তাই ফ্লাস্কে থেকে যায়। এই হলো সরল পাতন: দ্রবণীয় কঠিন থেকে তরল আলাদা।
অ্যানিমেশনে ৮০ মিলিলিটার দ্রবণ নাও। ঘরের তাপমাত্রা ২৫°সে থেকে ১০০°সে-এ উঠতে ৭৫ ডিগ্রি পার করতে হয়। সমান হারে তাপে এটা ৯.৪ একক সময় নেয়। তারপর রেখা সমতল হয়ে যায়, আর ১৬.০ একক সময় ধরে পানি পাতিত হয়। সমতল অংশে তাপ খরচ হচ্ছে তরলকে বাষ্প বানাতে, তাপমাত্রা বাড়াতে নয়।
শীতকের পানি নিচ দিক দিয়ে ঢোকে আর ওপর দিক দিয়ে বেরোয়, যাতে নলটি সবসময় পানিতে ভরা থাকে। থার্মোমিটারের বাল্ব থাকে পার্শ্বনলের মুখে, কারণ আমরা তরলের নয়, বাষ্পের তাপমাত্রা মাপতে চাই।
আংশিক পাতন: যখন দুটোই ফোটে
ইথানল ফোটে ৭৮°সে-এ, পানি ১০০°সে-এ। দুটোই উদ্বায়ী, তাই সরল পাতনে দুটোই কিছু কিছু করে বাষ্প হয়ে আসত। আংশিক পাতনে ফ্লাস্কের ওপরে একটা স্তম্ভ থাকে, ভেতরে কাচের পুঁতি। বাষ্প ওঠার পথে পুঁতিতে বারবার ঠান্ডা হয়ে ঝরে পড়ে, আবার বাষ্প হয়, আর প্রতিবারে কম স্ফুটনাঙ্কের উপাদান বেশি হয়।
১০০ মিলিলিটারের মিশ্রণে ৪০ মিলিলিটার ইথানল থাকলে থার্মোমিটার প্রথমে ৭৮°সে-এ থেমে থাকবে ৮.০ একক সময়, ইথানল জমবে। তারপর রেখা আবার ২২ ডিগ্রি ওপরে উঠে ১০০°সে-এ থামবে ১২.০ একক সময়, পানি জমবে। দ্বিতীয় সমতল অংশ প্রথমটির ১.৫ গুণ লম্বা, কারণ পানি ৬০ মিলিলিটার, ইথানল ৪০।
নলটা প্রথমে প্রথম গ্রাহকে, পরে দ্বিতীয় গ্রাহকে সরে যায়। বাস্তবে ল্যাবে এই অদলবদল তুমি হাতে করো। তেল শোধনাগারে একই নীতি আরও বড় স্তম্ভে কাজ করে, আর বিভিন্ন উচ্চতা থেকে বিভিন্ন অংশ বের হয়।
| সরল পাতন | আংশিক পাতন | |
|---|---|---|
| কী আলাদা করে | তরল ও দ্রবীভূত কঠিন | কাছাকাছি স্ফুটনাঙ্কের দুই তরল |
| স্তম্ভ | নেই | আছে (পুঁতি বা পাত) |
| তাপমাত্রা-রেখা | একটি সমতল অংশ | প্রতি উপাদানের জন্য একটি করে |
| উদাহরণ | লবণ-পানি থেকে পানি | ইথানল-পানি, খনিজ তেল |
কাগজ ক্রোমাটোগ্রাফি: রঙের দৌড়
কাগজের নিচের দিকে পেনসিলের দাগ (ভিত্তিরেখা) টেনে কালির ফোঁটা দাও। কাগজের নিচটা দ্রাবকে ডুবাও, তবে দ্রাবকের স্তর ভিত্তিরেখার নিচে রাখো। দ্রাবক কাগজ বেয়ে ওঠে আর কালির রঞ্জকগুলোকে সঙ্গে টানে। যে রঞ্জক দ্রাবকে বেশি গলে আর কাগজে কম লেগে থাকে, সে বেশি ওপরে ওঠে।
ওঠার মাপটাই Rf: Rf = রঞ্জকের স্পট যত দূর গেছে ÷ দ্রাবকের অগ্রভাগ যত দূর গেছে। দুটোই ভিত্তিরেখা থেকে মাপা। Rf-এর একক নেই, আর মান ০ থেকে ১-এর মধ্যে। কালো কালিতে ৩টি রঞ্জক ধরা হয়েছে: হলুদ রঞ্জক, লাল রঞ্জক, নীল রঞ্জক। দ্রাবকের অগ্রভাগ ৮০ মিমি উঠলে স্পটগুলো ৬৪, ৪৪, ২০ মিমিতে থাকে, তাই Rf যথাক্রমে ০.৮০, ০.৫৫, ০.২৫।
একই দ্রাবক আর একই তাপমাত্রায় একই রঞ্জকের Rf প্রায় একই থাকে, তাই অজানা স্পটের Rf মেপে জানা রঞ্জকের সঙ্গে মেলানো যায়। দ্রাবক বদলালে Rf বদলায়, তাই তুলনা সবসময় একই দ্রাবকে।
Rf = স্পটের দূরত্ব ÷ দ্রাবকের দূরত্বদুটোই ভিত্তিরেখা থেকে, একই এককে
স্পটের দূরত্ব = Rf × দ্রাবকের দূরত্বঅগ্রভাগ কতদূর উঠবে জানলে স্পট কোথায় থাকবে
স্ফটিকীকরণ: ঠান্ডা করে দানা বাঁধানো
বেশিরভাগ লবণ গরম পানিতে বেশি গলে, ঠান্ডায় কম। গরমে প্রায় সম্পৃক্ত দ্রবণ ধীরে ঠান্ডা করলে বাড়তি লবণ আর গলে থাকতে পারে না, দানা বেঁধে স্ফটিক হয়। অ্যানিমেশনের কাল্পনিক লবণ ঠান্ডায় প্রতি ১০০ গ্রাম পানিতে ২০ গ্রাম গলে রাখে। এটা একটা উদাহরণ-মান, কোনো আসল লবণের নয়।
গরমে ৫০ গ্রাম গলানো থাকলে ঠান্ডায় ২০ গ্রাম থেকে যায়, স্ফটিক পাওয়া যায় ৩০ গ্রাম। ফলন = ৩০ ÷ ৫০ × ১০০ = ৬০.০%। বাকিটা মাতৃ-দ্রবণে গলে থেকে গেল, তাই ফলন কখনও ১০০% হয় না।
ধীরে ঠান্ডা করলে বড় সুন্দর স্ফটিক হয়, তাড়াহুড়ো করলে ছোট ছোট গুঁড়ো। স্ফটিক ছেঁকে, সামান্য ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে, ছাঁকনি কাগজের ভাঁজে শুকিয়ে নিতে হয়।
কোন মিশ্রণে কোন পদ্ধতি
এই তালিকা পরীক্ষার আগে একবার মুখস্থ না করে ঘুরিয়ে বোঝো।
| মিশ্রণ | পদ্ধতি | যে পার্থক্যে কাজ করে |
|---|---|---|
| বালি ও পানি | ছাঁকন | কণার আকার |
| লবণ-পানি থেকে পানি | সরল পাতন | পানি উদ্বায়ী, লবণ নয় |
| ইথানল ও পানি | আংশিক পাতন | স্ফুটনাঙ্ক ৭৮°সে ও ১০০°সে |
| কালির রঙগুলো | কাগজ ক্রোমাটোগ্রাফি | কাগজ ও দ্রাবকের প্রতি টান |
| দ্রবণ থেকে লবণের দানা | স্ফটিকীকরণ | ঠান্ডায় দ্রাব্যতা কমে |
সিমুলেশনে নিজে করে দেখো
আগে অনুমান লিখে নাও, তারপর অ্যানিমেশন চালাও।
- পরীক্ষা ১: ছাঁকনে “বালি ও পানি”, কঠিন ৫ গ্রাম, তারপর ৪০ গ্রাম। ছাঁকনি-রস কতটা বদলায়? যোগফল কত থাকে?
- পরীক্ষা ২: সরল পাতনে আয়তন ৪০ আর ১০০ মিলিলিটার করো। সমতল অংশের তাপমাত্রা বদলায়, না দৈর্ঘ্য?
- পরীক্ষা ৩: আংশিক পাতনে ইথানল ১০ থেকে ৮০ মিলিলিটার করো। কোন সমতল অংশ লম্বা হয়, কোনটা ছোট?
- পরীক্ষা ৪: ক্রোমাটোগ্রাফিতে দ্রাবকের অগ্রভাগ ৪ সেমি আর ৯ সেমি করো। স্পটের দূরত্ব বদলায়, Rf বদলায় কি?
- পরীক্ষা ৫: স্ফটিকীকরণে গরমে দ্রবীভূত ৩০ থেকে ৮০ গ্রাম করো। ফলন কেন বাড়ে?
সমাধান করা গাণিতিক সমস্যা
সব সংখ্যা অ্যানিমেশনের হিসাব থেকেই নেওয়া।
সমস্যা ১: ১০০ গ্রাম নমুনায় ২০ গ্রাম বালি। ছাঁকনি-রস কত?
বালি আটকায়, তাই অবশেষ ২০ গ্রাম। ছাঁকনি-রস = ১০০ − ২০ = ৮০ গ্রাম। যোগফল আবার ১০০।
সমস্যা ২: ৮০ মিমি দ্রাবক উঠলে হলুদ রঞ্জক ৬৪ মিমি যায়। Rf কত?
Rf = ৬৪ ÷ ৮০ = ০.৮০। একক নেই।
সমস্যা ৩: একই কালিতে দ্রাবক ৯০ মিমি উঠলে লাল স্পট কত দূর যাবে?
লালের Rf = ৪৪ ÷ ৮০ = ০.৫৫। স্পট = ০.৫৫ × ৯০ = ৫০ মিমি। একই কালিতে হলুদ ৭২ আর নীল ২৩ মিমি। অগ্রভাগ বদলায়, কিন্তু Rf নয়।
সমস্যা ৪: অজানা স্পট ৩৩ মিমি, দ্রাবক ৬০ মিমি। কোন রঞ্জক?
Rf = ৩৩ ÷ ৬০ = ০.৫৫। এটা লাল রঞ্জকের Rf (০.৫৫)-এর সমান, তাই স্পটটি লাল রঞ্জকের।
সমস্যা ৫: গরমে ৭০ গ্রাম লবণ গলানো, ঠান্ডায় ২০ গ্রাম থাকে। স্ফটিক আর ফলন কত?
স্ফটিক = ৭০ − ২০ = ৫০ গ্রাম। ফলন = ৫০ ÷ ৭০ × ১০০ = ৭১.৪%। গরমে ৩০ গ্রাম হলে স্ফটিক ১০ গ্রাম, ফলন ৩৩.৩%: ঠান্ডায় যা গলে থাকে তা মোট থেকে বাদ যায় বলে কম লবণে ফলন খুব কমে।
যে ভুলগুলো সবাই করে
এখানেই প্রতি বছর নম্বর কাটে।
- লবণ-পানি ছাঁকতে চাওয়া। লবণ গলে অণুর আকারে মিশে আছে, ছাঁকনিতে আটকায় না।
- পাতনের সমতল অংশে তাপমাত্রা বাড়ছে না, তাই তাপ কাজ করছে না, এমন ভাবা। তাপ তখন তরলকে বাষ্প বানাচ্ছে।
- থার্মোমিটার ফ্লাস্কের তরলে ডোবানো। বাল্ব থাকবে পার্শ্বনলের মুখে, বাষ্পের তাপমাত্রা মাপতে।
- শীতকে পানির দিক উল্টে দেওয়া। নিচ দিয়ে ঢুকবে, ওপর দিয়ে বেরোবে।
- ক্রোমাটোগ্রাফিতে ভিত্তিরেখা কলমে টানা। কলমের কালিও দ্রাবকে উঠে আসবে, পেনসিল ব্যবহার করো।
- দ্রাবকের স্তর ভিত্তিরেখার ওপরে রাখা। নমুনা দ্রাবকে ধুয়ে যাবে।
- Rf-কে ১-এর বেশি লেখা বা একক বসানো। এটা অনুপাত, সবসময় ১-এর কম।
- স্ফটিকীকরণে ফলন ১০০% আশা করা। কিছু লবণ সবসময় মাতৃ-দ্রবণে গলে থাকে।
পরীক্ষার কোণ (SSC, HSC)
না দেখে করো, তারপর মিলিয়ে নাও।
- সরল ও আংশিক পাতনের দুটি পার্থক্য লেখো।
- ১০০ গ্রাম নমুনায় ২০ গ্রাম অদ্রবণীয় কঠিন থাকলে ছাঁকনি-রস কত? উত্তর: ৮০ গ্রাম।
- স্পট ৩৩ মিমি আর দ্রাবক ৬০ মিমি গেলে Rf কত? উত্তর: ০.৫৫।
- গরমে ৫০ গ্রাম দ্রবীভূত, ঠান্ডায় ২০ গ্রাম থাকলে স্ফটিক কত? উত্তর: ৩০ গ্রাম।
- ইথানল ও পানির মিশ্রণে কোন পদ্ধতি নেবে এবং কেন?
পুনরালোচনা: এক মিনিটে পুরো পাতা
পরীক্ষার আগে এটুকু পড়ে নাও।
- পদ্ধতি বাছাই = উপাদানের কোন ধর্ম আলাদা, সেটা খোঁজা।
- ছাঁকন: অদ্রবণীয় কঠিন + তরল। অবশেষ + ছাঁকনি-রস = নমুনা।
- সরল পাতন: তরল + দ্রবণীয় কঠিন। পানির সমতল অংশ ১০০°সে।
- আংশিক পাতন: কাছাকাছি স্ফুটনাঙ্কের তরল। ইথানল ৭৮°সে আগে, পানি ১০০°সে পরে।
- ক্রোমাটোগ্রাফি: Rf = স্পটের দূরত্ব ÷ দ্রাবকের দূরত্ব, ০ থেকে ১।
- স্ফটিকীকরণ: গরম সম্পৃক্ত দ্রবণ ধীরে ঠান্ডা করো; ফলন = স্ফটিক ÷ গরমে গলা × ১০০।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
মিশ্রণ আলাদা করার পদ্ধতি কীভাবে বাছব?
দেখো উপাদান দুটির কোন ভৌত ধর্ম আলাদা। কণার আকার আলাদা হলে ছাঁকন, স্ফুটনাঙ্ক আলাদা হলে পাতন, কাগজের প্রতি টান আলাদা হলে ক্রোমাটোগ্রাফি, আর ঠান্ডায় দ্রাব্যতা কমলে স্ফটিকীকরণ।
সরল পাতন ও আংশিক পাতনের পার্থক্য কী?
সরল পাতন তরল আর দ্রবীভূত কঠিন আলাদা করে। আংশিক পাতনে স্তম্ভ থাকে এবং কাছাকাছি স্ফুটনাঙ্কের দুই তরল আলাদা করা যায়, যেমন ইথানল ও পানি।
Rf মান কীভাবে বের করে?
Rf = স্পট ভিত্তিরেখা থেকে যত দূর গেছে ÷ দ্রাবক যত দূর গেছে। যেমন ৬৪ ÷ ৮০ = ০.৮০। মান সবসময় ০ থেকে ১-এর মধ্যে, একক নেই।
পাতনের সময় তাপমাত্রা কেন সমতল থাকে?
ফোটার সময় যে তাপ দেওয়া হয় তা তরলকে বাষ্পে পরিণত করতে খরচ হয়, তাপমাত্রা বাড়াতে নয়। বিশুদ্ধ তরল তাই একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় থেমে থাকে।
লবণ-পানি থেকে লবণ কীভাবে আলাদা করা যায়?
ছাঁকনে হবে না, কারণ লবণ গলে আছে। পানি বাষ্প করে শুকিয়ে স্ফটিকীকরণ করলে লবণ মেলে, আর সরল পাতনে পানিও আলাদাভাবে ফিরে পাওয়া যায়।
স্ফটিকীকরণে ফলন ১০০% হয় না কেন?
ঠান্ডা অবস্থাতেও কিছু লবণ দ্রবণে গলে থাকে, যাকে মাতৃ-দ্রবণ বলে। তাই পাওয়া স্ফটিক সবসময় গরমে গলানো লবণের চেয়ে কম।
এই বিষয়ের আরও পড়াশোনা
অ্যানিমেশনে ধারণা পরিষ্কার হলো, এবার পরীক্ষার প্রস্তুতি: সিলেবাস, সাজেশন, বই আর ভর্তি পরীক্ষার গাইড নিচে।
SSC
এসএসসি রসায়ন: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
HSC
এইচএসসি রসায়ন: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
পাঠ্যবই
নবম-দশম শ্রেণির রসায়ন বই
ভর্তি
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি
ভর্তি
ঢাবি বিজ্ঞান ইউনিট ভর্তি ২০২৬-২৭
English
Paragraph: Environment Pollution (ইংরেজিতে)
বাংলা
রচনা: পরিবেশ দূষণ
English
Composition: Wonders of Modern Science (ইংরেজিতে)
SSC
এসএসসি সাজেশন
HSC
এইচএসসি সাজেশন
ভর্তি
বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার গাইড
SSC
এসএসসি সিলেবাস
HSC
এইচএসসি সিলেবাস
বিদেশে পড়াশোনা
দক্ষিণ কোরিয়ায় উচ্চশিক্ষা
স্কলারশিপ
জাপানের MEXT স্কলারশিপ
IELTS
IELTS Writing Task 1: process diagrams (ইংরেজিতে)
IELTS
English tests: IELTS, TOEFL, Duolingo (ইংরেজিতে)
টুল
Final grade calculator (ইংরেজিতে)
বিদেশে পড়াশোনা
How to write a statement of purpose (ইংরেজিতে)
আরও রসায়ন অ্যানিমেশন
SSC · HSC
পরমাণুর গঠন
পরমাণুর গঠন চিত্রসহ ব্যাখ্যা: প্রোটন, নিউট্রন, ইলেকট্রন, পারমাণবিক সংখ্যা, ভরসংখ্যা, আইসোটোপ ও ইলেকট্রন বিন্যাস। নিজে পরমাণু বানিয়ে দেখো, গাণিতিক উদাহরণসহ।
SSC · HSC
এসিড, ক্ষারক ও pH স্কেল
pH কি বা কাকে বলে, pH স্কেল কীভাবে কাজ করে, এসিড ও ক্ষারকের পার্থক্য, নির্দেশক ও প্রশমন বিক্রিয়া: বুরেট থেকে ফোঁটা ফেলে নিজে টাইট্রেশন করে দেখো, গাণিতিক সমস্যাসহ।
SSC · HSC
ইলেকট্রন বিন্যাস
ইলেকট্রন বিন্যাস কাকে বলে, লেখার সহজ নিয়ম, আউফবাউ, পাউলির বর্জন ও হুন্ডের নীতি, Cr-Cu ব্যতিক্রম, আয়ন: ইলেকট্রন একটি একটি করে বসতে দেখো, ১-৩৬ মৌলের তালিকাসহ।
SSC · HSC
গ্যাসের সূত্র: বয়েল, চার্লস ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ
বয়েলের সূত্র, চার্লসের সূত্র, চাপীয় সূত্র, অ্যাভোগেড্রোর সূত্র ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ PV = nRT: পিস্টন টেনে নিজে দেখো, লেখচিত্র, R-এর মান ও গাণিতিক সমস্যাসহ।
SSC · HSC
আয়নিক বন্ধন কীভাবে গঠিত হয়
আয়নিক বন্ধন কাকে বলে, কীভাবে ধাতুর ইলেকট্রন অধাতুতে গিয়ে আয়ন তৈরি করে, আর সংকেত কীভাবে চার্জ মিলিয়ে বের হয়: NaCl, MgO, CaCl₂ বেছে নিয়ে নিজে দেখো, সূত্র ও অঙ্কসহ।
SSC · HSC
তড়িৎ বিশ্লেষণ ও ফ্যারাডের সূত্র
তড়িৎ বিশ্লেষণ কাকে বলে, ক্যাথোড-অ্যানোডে কী উৎপন্ন হয়, আর ফ্যারাডের সূত্রে ভর কীভাবে হিসাব হয়: গলিত NaCl, CuSO₄ বা অম্লীভূত পানি বেছে নিয়ে নিজে দেখো, সূত্র ও অঙ্কসহ।
SSC · HSC
সমযোজী বন্ধন
সমযোজী বন্ধন কাকে বলে, একক-দ্বি-ত্রিবন্ধন কীভাবে গঠিত হয়, অক্টেট নিয়ম কী: H₂O, NH₃, CH₄, CO₂ অণুর ডট-ক্রস চিত্র সিমুলেশনে নিজে বানিয়ে দেখো, পোলারিটিসহ।
SSC · HSC
পর্যায়বৃত্ত ধর্ম
পর্যায়বৃত্ত ধর্ম কাকে বলে, পারমাণবিক ব্যাসার্ধ ও আয়নিকরণ শক্তি পর্যায় ও গ্রুপে কীভাবে বদলায়: প্রথম ৩৬টি মৌলের হিটম্যাপে নিজে পরীক্ষা করে দেখো, ব্যতিক্রমসহ।
SSC · HSC
বিক্রিয়ার হার ও সংঘর্ষ তত্ত্ব
বিক্রিয়ার হার কীসের ওপর নির্ভর করে? সংঘর্ষ তত্ত্বের সিমুলেশনে তাপমাত্রা, ঘনমাত্রা আর প্রভাবক বদলে সক্রিয়ণ শক্তির লেখচিত্র ও উৎপাদের রেখা নিজের চোখে দেখো।
Class 9 · SSC
পদার্থের অবস্থা: কঠিন, তরল, গ্যাসীয় ও তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র
কঠিন, তরল ও গ্যাসীয় অবস্থায় কণা কেমন আচরণ করে নিজে দেখো। পানির তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র, গলন, স্ফুটন, সুপ্ততাপ, ঊর্ধ্বপাতন আর Q = mcΔT ও Q = mL-এর সমাধানসহ।
HSC
পরমাণুর অরবিটাল: s, p, d-এর আকৃতি, কোয়ান্টাম সংখ্যা ও নোড
1s, 2s, 2p ও 3d অরবিটাল ঘুরিয়ে 3D-তে দেখো। কক্ষপথ ও অরবিটালের পার্থক্য, চার কোয়ান্টাম সংখ্যা, রেডিয়াল ও কৌণিক নোড গোনা, উপস্তরের ইলেকট্রন ধারণক্ষমতা, সমাধানসহ।
HSC
আণবিক আকৃতি ও ভিএসইপিআর তত্ত্ব: বন্ধন জোড়, মুক্তজোড় ও বন্ধন কোণ
ত্রিমাত্রিক অণু বানিয়ে ঘোরাও। বন্ধন জোড় ও মুক্তজোড় ইলেকট্রন কীভাবে CH4, NH3, H2O, PCl5, SF6-এর আকৃতি, বন্ধন কোণ ও সংকরণ ঠিক করে, সমাধানসহ হাতেকলমে শেখো।
SSC · HSC
মোল ধারণা: মোলার ভর, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা ও মোলার আয়তন
মোল কাকে বলে, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা কত, মোলার ভর ও STP-তে মোলার আয়তন (২২.৪ লিটার) কী? পাল্লায় ওজন মেপে মোল ও অণুর সংখ্যা নিজে বের করো; শতকরা সংযুতি ও গাণিতিক সমস্যাসহ।
SSC · HSC
ব্যাপন ও নিঃসরণ: গ্রাহামের সূত্র
নলের ভেতর NH₃ ও HCl মিলে সাদা বলয় তৈরি করা দেখো, তারপর সূক্ষ্ম ছিদ্র দিয়ে গ্যাসের নিঃসরণের দৌড়। গ্রাহামের ব্যাপন সূত্রের প্রমাণ ও অঙ্ক সমাধানসহ।
SSC · HSC
রাসায়নিক সমীকরণ সমতাকরণ: পদ্ধতি, উদাহরণ ও অনুশীলন
রাসায়নিক সমীকরণ কীভাবে মেলাতে হয়? সহগ বদলে দুই পাশের পরমাণু গুনে দেখো। পানি, মিথেন, মরিচা, রান্নার গ্যাসসহ পাঁচটি সমীকরণ ধাপে ধাপে সমাধান, SSC ও HSC প্রস্তুতির জন্য।
HSC
রাসায়নিক সাম্যাবস্থা: সাম্যধ্রুবক Kc ও লা শাতেলিয়ের নীতি
রাসায়নিক সাম্যাবস্থা কী, সাম্যধ্রুবক Kc কীভাবে বের করে, আর ঘনমাত্রা, তাপ ও চাপ বদলালে বিক্রিয়া কোন দিকে সরে? হেবার প্রক্রিয়ার অ্যানিমেশনে হার-রেখা দেখে লা শাতেলিয়ের নীতি বোঝো।
SSC · HSC
টাইট্রেশন: অম্ল-ক্ষারের ঘনমাত্রা বের করার পদ্ধতি
টাইট্রেশন কী, ব্যুরেট ও নির্দেশক কীভাবে কাজ করে, শেষ বিন্দু আর সমতা বিন্দু কী এক জিনিস না, আর V₁M₁ = V₂M₂ দিয়ে ঘনমাত্রা কীভাবে বের করবে? pH লেখচিত্রসহ সিমুলেশনে হাতে-কলমে শেখো।
HSC
গ্যালভানিক কোষ: ড্যানিয়েল কোষ, EMF ও নার্নস্ট সমীকরণ
গ্যালভানিক কোষ কীভাবে বিদ্যুৎ বানায়? ড্যানিয়েল কোষে ইলেকট্রন আর লবণ সেতুর আয়ন কোন দিকে যায়, দণ্ডের ভর কীভাবে বদলায়, আদর্শ ও নার্নস্ট EMF কত? সিমুলেশনে ঘনমাত্রা বদলে নিজে দেখো।
SSC · HSC
জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া: জারণ সংখ্যা, ইলেকট্রন স্থানান্তর ও অর্ধ-সমীকরণ
জারণ ও বিজারণ কী, জারণ সংখ্যা কীভাবে বের করে, কোনটা জারক আর কোনটা বিজারক? পাঁচটি বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের চলাচল দেখো, অর্ধ-সমীকরণ ও সমাধান করা অঙ্কসহ।
SSC · HSC
হাইড্রোকার্বন: অ্যালকেন, অ্যালকিন, অ্যালকাইন ও কাঠামোগত সমাণু ত্রিমাত্রায়
অ্যালকেন, অ্যালকিন ও অ্যালকাইনকে ঘূর্ণায়মান বল-স্টিক মডেলে দেখো। কার্বন সংখ্যা বদলাও, সাধারণ সংকেত ও IUPAC নাম পড়ো, আর বিউটেন, পেন্টেন, হেক্সেনের সব কাঠামোগত সমাণু দেখো।
HSC
কার্যকরী মূলক: অ্যালকোহল, অ্যালডিহাইড, কিটোন, অ্যাসিড, এস্টার ও অ্যামিন
কার্যকরী মূলক কী, অ্যালকোহল-অ্যালডিহাইড-কিটোন-অ্যাসিড-এস্টার-অ্যামিন কীভাবে চিনবে, IUPAC নাম কীভাবে লিখবে? আটটি পরিবারের গঠন দেখো, পরীক্ষা ও সমাধান করা অঙ্কসহ।
HSC
পলিমারকরণ: যোজন ও ঘনীভবন পলিমার, পলিথিন ও নাইলন
পলিমার কী, যোজন ও ঘনীভবন পলিমারকরণে পার্থক্য কী? ইথিন থেকে পলিথিন আর নাইলন-৬,৬ তৈরি দেখো, শিকলের আণবিক ভর ও নির্গত পানির হিসাবসহ।
HSC
কেলাস জালক: SC, BCC ও FCC একক কোষ, প্যাকিং দক্ষতা ও ঘনত্ব
সরল, দেহকেন্দ্রিক ও ফলককেন্দ্রিক ঘন একক কোষ ঘুরিয়ে দেখো। প্রতি কোষে পরমাণু, সন্নিবেশ সংখ্যা, প্যাকিং দক্ষতা (৫২.৪%, ৬৮%, ৭৪%) আর ঘনত্বের হিসাব।
HSC
তেজস্ক্রিয়তা: আলফা, বিটা, গামা ক্ষয় ও অর্ধায়ু
আলফা, বিটা, গামা ক্ষয়ে A ও Z কীভাবে বদলায় দেখো, পারমাণবিক সমীকরণ মেলাও, ১০০ পরমাণুর এলোমেলো ক্ষয় অর্ধায়ু রেখা ধরে চলতে দেখো। কার্বন-১৪ কালনির্ণয়সহ বিনা মূল্যের সিমুলেশন।
অন্য বিষয়ের অ্যানিমেশন
পদার্থবিজ্ঞান
আলোর প্রতিসরণ
পদার্থবিজ্ঞান
ওহমের সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
প্রাসের গতি
পদার্থবিজ্ঞান
সরল দোলক
পদার্থবিজ্ঞান
তড়িৎ ক্ষেত্র
পদার্থবিজ্ঞান
তরঙ্গের ব্যতিচার
পদার্থবিজ্ঞান
পড়ন্ত বস্তু ও পড়ন্ত বস্তুর সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
লেন্সে প্রতিবিম্ব গঠন
পদার্থবিজ্ঞান
নিউটনের গতির সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
গোলীয় দর্পণে প্রতিবিম্ব গঠন
পদার্থবিজ্ঞান
তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ ও ফ্যারাডের সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
ভরবেগের সংরক্ষণ ও সংঘর্ষ
পদার্থবিজ্ঞান
কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি
পদার্থবিজ্ঞান
নততল
পদার্থবিজ্ঞান
বৃত্তাকার গতি
পদার্থবিজ্ঞান
অনুপ্রস্থ ও অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ
পদার্থবিজ্ঞান
লিভার ও ভ্রামক
পদার্থবিজ্ঞান
ভরকেন্দ্র
পদার্থবিজ্ঞান
স্প্রিং-ভর ও সরল ছন্দিত স্পন্দন
পদার্থবিজ্ঞান
ভেক্টর যোগ: ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
আপেক্ষিক বেগ: ট্রেন ও নদী পারাপার
পদার্থবিজ্ঞান
কেপলারের সূত্র ও উপবৃত্তাকার কক্ষপথ
পদার্থবিজ্ঞান
নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র, g ও কৃত্রিম উপগ্রহ
পদার্থবিজ্ঞান
তার ও নলে স্থির তরঙ্গ
পদার্থবিজ্ঞান
অনুনাদ নল ও শব্দের দ্রুতি
পদার্থবিজ্ঞান
স্বরকম্প: কাছাকাছি দুই সুরের স্পন্দন
পদার্থবিজ্ঞান
ডপলার প্রভাব: চলমান উৎস, চলমান শ্রোতা ও সনিক বুম
পদার্থবিজ্ঞান
প্রিজম, আলোর বিচ্ছুরণ ও রামধনু
পদার্থবিজ্ঞান
কির্শফের সূত্র: সংযোগ সূত্র ও বদ্ধ পথ সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
হুইটস্টোন ব্রিজ ও মিটার ব্রিজ
পদার্থবিজ্ঞান
একক চিড়ে অপবর্তন
পদার্থবিজ্ঞান
চোখের ত্রুটি ও তার প্রতিকার
পদার্থবিজ্ঞান
আলোর সমবর্তন: ম্যালাসের সূত্র ও ব্রুস্টারের সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
ক্যাপাসিটরের আহিতকরণ ও নিরাহিতকরণ: আরসি সময় ধ্রুবক
পদার্থবিজ্ঞান
চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা: দণ্ডচুম্বক, তড়িৎবাহী সরল তার ও সলিনয়েড
পদার্থবিজ্ঞান
এসি জেনারেটর
পদার্থবিজ্ঞান
ট্রান্সফর্মার
পদার্থবিজ্ঞান
তাপের সঞ্চালন: পরিবহন, পরিচলন ও বিকিরণ
পদার্থবিজ্ঞান
আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া: আইনস্টাইনের সমীকরণ ও নিবৃত্তি বিভব
পদার্থবিজ্ঞান
মোটর ক্রিয়া: তড়িৎবাহী তারের ওপর বল ও ডিসি মোটর
পদার্থবিজ্ঞান
গ্যাসের অণু ও গতিতত্ত্ব: চাপ, তাপমাত্রা ও দ্রুতি
পদার্থবিজ্ঞান
অর্ধপরিবাহী ডায়োড: p–n সন্ধি, I–V বক্ররেখা ও রেক্টিফায়ার
পদার্থবিজ্ঞান
তেজস্ক্রিয় ক্ষয়: অর্ধায়ু, ক্ষয় সূত্র ও বিকিরণের ভেদন ক্ষমতা
পদার্থবিজ্ঞান
বোর পরমাণু মডেল: কক্ষপথ, শক্তিস্তর ও হাইড্রোজেনের বর্ণালি
জীববিজ্ঞান
মাইটোসিস কোষ বিভাজন
জীববিজ্ঞান
ব্যাপন ও অভিস্রবণ
জীববিজ্ঞান
সালোকসংশ্লেষণ
জীববিজ্ঞান
মানব হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কাজ
জীববিজ্ঞান
মেন্ডেলের বংশগতি সূত্র
জীববিজ্ঞান
ডিএনএ রেপ্লিকেশন
জীববিজ্ঞান
কোষীয় শ্বসন
জীববিজ্ঞান
এনজাইম ক্রিয়া
জীববিজ্ঞান
স্নায়ু উদ্দীপনার পরিবহন ও অ্যাকশন পটেনশিয়াল
জীববিজ্ঞান
নেফ্রন ও মূত্র তৈরির প্রক্রিয়া
জীববিজ্ঞান
মিয়োসিস কোষ বিভাজন
জীববিজ্ঞান
পরিপাকতন্ত্র
জীববিজ্ঞান
শ্বাসক্রিয়ার কৌশল: প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস
জীববিজ্ঞান
প্রোটিন সংশ্লেষণ
জীববিজ্ঞান
রক্ত সংবহন: দ্বি-সংবহন ও কার্ডিয়াক আউটপুট
জীববিজ্ঞান
কোষের গঠন ও অঙ্গাণু: উদ্ভিদ কোষ বনাম প্রাণী কোষ
জীববিজ্ঞান
প্রতিবর্ত ক্রিয়া ও প্রতিবর্ত চাপ
জীববিজ্ঞান
মানুষের চোখ: গঠন, প্রতিবিম্ব ও উপযোজন
জীববিজ্ঞান
পেশি সংকোচন ও স্লাইডিং ফিলামেন্ট মডেল
জীববিজ্ঞান
উদ্ভিদে পরিবহন: জাইলেম, ফ্লোয়েম ও বাষ্পমোচন
জীববিজ্ঞান
খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজাল: শক্তির প্রবাহ ও ১০ % নিয়ম
জীববিজ্ঞান
জনসংখ্যা বৃদ্ধি: সূচকীয় ও লজিস্টিক রেখা
জীববিজ্ঞান
প্রাকৃতিক নির্বাচন: পেপার্ড মথ ও কালিঝুলি মাখা গাছ
জীববিজ্ঞান
রোগপ্রতিরোধ: প্রাথমিক ও গৌণ অ্যান্টিবডি সাড়া
জীববিজ্ঞান
পরাগায়ন ও নিষেক
গণিত
পিথাগোরাসের উপপাদ্য
গণিত
ত্রিকোণমিতিক অনুপাত ও একক বৃত্ত
গণিত
দ্বিঘাত সমীকরণ ও দ্বিঘাত ফাংশনের লেখচিত্র
গণিত
বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য
গণিত
দূরত্ব ও উচ্চতা: উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ
গণিত
সম্ভাবনা: পরীক্ষালব্ধ বনাম তাত্ত্বিক সম্ভাবনা
গণিত
সমান্তর ও গুণোত্তর ধারা
গণিত
গড়, মধ্যক ও প্রচুরক
গণিত
সেট ও ভেনচিত্র
গণিত
সরল সহসমীকরণ ও সরলরেখার লেখচিত্র
গণিত
sin, cos, tan-এর লেখচিত্র
গণিত
পূর্ণবর্গ পদ্ধতি ও দ্বিঘাত সমীকরণের সমাধান
গণিত
বৃত্তের ক্ষেত্রফল: সূত্র, প্রমাণ ও সমাধান
গণিত
ঘনবস্তুর আয়তন ও তলের ক্ষেত্রফল: ঘনক, আয়তঘন, বেলন, কোণক, গোলক
গণিত
সদৃশ ত্রিভুজ: স্কেল ফ্যাক্টর, AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়া থেকে উচ্চতা
গণিত
স্থানাঙ্ক জ্যামিতি: দূরত্ব, মধ্যবিন্দু, ঢাল, বিভক্তিকরণ সূত্র ও সঞ্চারপথ
গণিত
শাঙ্কব ছেদ: বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত ও অধিবৃত্ত
গণিত
ফাংশনের রূপান্তর: সরানো, টানা ও উল্টানো
গণিত
অন্তরীকরণ: স্পর্শকের ঢাল ও ছেদক থেকে স্পর্শক
গণিত
রিম্যান যোগফল ও সমাকলন: বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফল
গণিত
সীমা ও ε–δ সংজ্ঞা: ছবিতে বোঝা
গণিত
ত্রিমাত্রিক ভেক্টর: যোগ, ডট গুণ ও ক্রস গুণ
গণিত
ম্যাট্রিক্স রূপান্তর: ঘূর্ণন, প্রতিফলন, শিয়ার ও নির্ণায়ক
গণিত
জটিল সংখ্যা: আরগান্ড সমতলে যোগ, গুণ, ঘাত ও মূল
গণিত






















