নিয়ন্ত্রণ
স্প্রিং কীভাবে লাগানো
স্প্রিংয়ের সংযোগ
পরিমাপ
- পর্যায়কাল, T = 2π√(m/k)
- ১.২৫৭s
- কম্পাঙ্ক, f = 1/T
- ০.৭৯৬Hz
- কৌণিক কম্পাঙ্ক, ω = √(k/m)
- ৫.০০rad/s
- কার্যকর স্প্রিং ধ্রুবক
- ২৫.০N/m
- সর্বোচ্চ দ্রুতি, Aω
- ১.০০m/s
- সর্বোচ্চ ত্বরণ, Aω²
- ৫.০০m/s²
সিমুলেশনটি কীভাবে ব্যবহার করবে
- শুরুতেই ডিফল্ট দেখো: ১ kg ভর, ২৫ N/m স্প্রিং, ০.২০ m বিস্তার। পর্যায়কাল দেখাচ্ছে ১.২৫৭ s। স্টপওয়াচে এক দোলনের সময় মেপে মিলিয়ে নাও।
- ভর স্লাইডারটি বাড়াও। ব্লক ভারী হলে দোলন ধীর হয়, পর্যায়কাল বাড়ে। এবার স্প্রিং ধ্রুবক বাড়াও, দোলন দ্রুত হবে।
- বিস্তার বদলাও। দেখবে বিস্তার দ্বিগুণ করলে সর্বোচ্চ দ্রুতি দ্বিগুণ হয়, কিন্তু পর্যায়কাল একটুও পাল্টায় না।
- “x–t লেখ” আর “দশা লেখ” একসঙ্গে দেখো। অবমন্দন শূন্য থাকলে দশা লেখে একটি বদ্ধ উপবৃত্ত তৈরি হয়, অবমন্দন বাড়ালে সেটা কেন্দ্রের দিকে পাক খেয়ে ঢোকে।
- নিচের শক্তি-বারগুলো দেখো: গতিশক্তি কমলে স্থিতিশক্তি বাড়ে, মোট শক্তি স্থির।
- সংযোগ বদলে “শ্রেণি” আর “সমান্তরাল” বেছে নাও। কার্যকর স্প্রিং ধ্রুবকের মান আর পর্যায়কাল কীভাবে পাল্টায় লক্ষ করো।
কলমের স্প্রিংটা আসলে একটা ঘড়ি
বলপয়েন্ট কলমের ভেতরের ছোট্ট স্প্রিংটা কখনো চেপে ছেড়ে দিয়েছ? সে লাফিয়ে ওঠে, নিচে নামে, আবার ওঠে। ঠিক একই তালে, একই ছন্দে। কেউ ঘড়ি ধরে বসে না, তবু প্রতিটা দোলনের সময় প্রায় সমান। স্প্রিংয়ের ভেতরে যেন একটা লুকোনো ঘড়ি বসানো।
এই ঘড়ির টিকটিক নির্ভর করে মাত্র দুটো জিনিসের ওপর: ভর কত, আর স্প্রিং কত শক্ত। ভারী ব্লক আলসে, ধীরে দোলে। শক্ত স্প্রিং ঝটকা দেয়, তাড়াতাড়ি দোলে। আর মজার কথা, তুমি স্প্রিংকে কতটা টানলে তার ওপর সময় নির্ভর করে না। কম টানো বা বেশি, দোলনের সময় একই।
এই পাঠে আমরা সেই লুকোনো ঘড়ির নিয়মটা বের করব। নাম তার সরল ছন্দিত স্পন্দন। গাড়ির শক-অ্যাবজর্বার, ঘড়ির পেন্ডুলাম, গিটারের তার, এমনকি পরমাণুর কম্পন, সবই এই একই গণিতে চলে।
একদম শুরু থেকে: দোলন মানে কী
ঘরের দেয়ালঘড়ির দোলক, দোলনায় বসা ছোট ভাই, বাতাসে নড়া গাছের ডাল, সবাই একটা নির্দিষ্ট জায়গার দুই পাশে বারবার যাওয়া-আসা করে। ওই নির্দিষ্ট জায়গাকে বলে সাম্যাবস্থা। বস্তুটি চুপচাপ ছেড়ে দিলে যেখানে থিতু হয়, সেটাই সাম্যাবস্থা।
সাম্যাবস্থা থেকে সরালে একটা বল বস্তুটিকে আবার সেদিকে টেনে আনে। এই বলের নাম পুনঃস্থাপক বল। স্প্রিংয়ে টান দিলে সে ফিরতে চায়, চাপ দিলেও ফিরতে চায়। কিন্তু ফেরার সময় বস্তুটি সাম্যাবস্থায় থামে না। তার গতি আছে, জাড্য আছে, তাই সে ওপারে চলে যায়। ওপারে গিয়ে আবার পুনঃস্থাপক বল তাকে ফেরত টানে। এভাবেই চলতে থাকে।
দোলনের সবচেয়ে দরকারি চারটি মাপ আছে: সাম্য থেকে সরণ x, সর্বোচ্চ সরণ বা বিস্তার A, এক পূর্ণ দোলনের সময় পর্যায়কাল T, আর প্রতি সেকেন্ডে কয়টি দোলন হলো তা কম্পাঙ্ক f। এদের সম্পর্ক সোজা: f = 1/T। পর্যায়কাল ০.৫ s হলে কম্পাঙ্ক ২ Hz।
যে শব্দগুলো জানতেই হবে
এই অধ্যায়ের প্রশ্নে শব্দগুলোই বারবার ঘুরে ফিরে আসে। অর্থ আর একক একসঙ্গে মুখস্থ রাখো।
| শব্দ | সহজ মানে | একক |
|---|---|---|
| সরল ছন্দিত স্পন্দন | সরণের সমানুপাতিক ও বিপরীতমুখী বলে ঘটা দোলন | নেই |
| সরণ, x | সাম্যাবস্থা থেকে বর্তমান দূরত্ব, দিকসহ | m |
| বিস্তার, A | সাম্যাবস্থা থেকে সর্বোচ্চ সরণ | m |
| পর্যায়কাল, T | এক পূর্ণ দোলনের সময় | s |
| কম্পাঙ্ক, f | প্রতি সেকেন্ডে পূর্ণ দোলনের সংখ্যা | Hz |
| কৌণিক কম্পাঙ্ক, ω | ২π সেকেন্ডে কয়টি দোলন, ω = 2πf | rad/s |
| দশা, ωt + φ | দোলনের কোন ধাপে আছে তা বলা কোণ | rad |
| স্প্রিং ধ্রুবক, k | স্প্রিং কত শক্ত, প্রতি মিটার প্রসারণে কত বল | N/m |
| পুনঃস্থাপক বল | যে বল বস্তুকে সাম্যাবস্থায় ফেরায় | N |
হুকের সূত্র: স্প্রিং কত জোরে টানে
স্প্রিং ধরে আস্তে টানলে সে একটু বাড়ে, জোরে টানলে অনেকটা। রবার্ট হুক দেখলেন, ছোট টানের মধ্যে সরণ আর বলের মধ্যে সোজা অনুপাত। দ্বিগুণ বল দিলে প্রসারণও দ্বিগুণ। এটাই হুকের সূত্র।
স্প্রিং যে বল ফিরিয়ে দেয়, তা সরণের উল্টো দিকে। ডান দিকে টানলে স্প্রিং বাঁ দিকে টানে। তাই সূত্রে একটা ঋণাত্মক চিহ্ন থাকে। k হলো স্প্রিং ধ্রুবক। বড় k মানে শক্ত স্প্রিং, ছোট k মানে নরম স্প্রিং।
একটি স্প্রিংকে ০.০৮ m টানতে ১২ N লাগলে তার ধ্রুবক k = ১২ ÷ ০.০৮ = ১৫০ N/m। এর মানে প্রতি এক মিটার টানের জন্য ১৫০ N বল লাগত, যদিও আমরা সবসময় ছোট প্রসারণেই কাজ করি।
সীমাও মনে রাখো। বেশি টানলে স্প্রিং আর আগের আকারে ফেরে না, হুকের সূত্র তখন খাটে না। এই সূত্র শুধু স্থিতিস্থাপক সীমার ভেতরে সত্যি।
F = −kxহুকের সূত্র: বল সরণের সমানুপাতিক, দিক উল্টো
k = F ÷ xস্প্রিং ধ্রুবকের সংজ্ঞা, একক N/m
কেন এটা সরল ছন্দিত স্পন্দন
বল জানলে ত্বরণ জানা যায়। নিউটনের দ্বিতীয় সূত্র বলে F = ma। এখানে বল −kx, তাই ma = −kx, অর্থাৎ a = −(k/m)x। দেখো কী চমৎকার: ত্বরণ সরণের সমানুপাতিক এবং সরণের উল্টো দিকে। এই শর্তটাই সরল ছন্দিত স্পন্দনের সংজ্ঞা।
k/m একটা ধনাত্মক ধ্রুবক। তাকে ω² নাম দিলে সূত্রটা সুন্দর হয়: a = −ω²x। এই ω-ই কৌণিক কম্পাঙ্ক। এখান থেকে ω = √(k/m)।
ত্বরণ যদি সরণের সমানুপাতিক না হতো, যেমন শুধু x² এর সমানুপাতিক, তবে দোলন চলত ঠিকই, কিন্তু সেটা সরল ছন্দিত হতো না। সুন্দর সাইন বা কোসাইন তরঙ্গ পেতে হলে ত্বরণকে হতে হবে ঠিক −ω²x।
a = −(k/m) x = −ω²xসরল ছন্দিত স্পন্দনের শর্ত
ω = √(k/m)কৌণিক কম্পাঙ্ক
পর্যায়কাল কীসের ওপর নির্ভর করে
ω = 2π/T, তাই T = 2π/ω। ω বসালে পাই T = 2π√(m/k)। এই সূত্রে তিনটি কথা লুকিয়ে আছে। এক: ভর বাড়লে T বাড়ে, বর্গমূল অনুযায়ী। দুই: k বাড়লে T কমে। তিন: সূত্রে A নেই, অর্থাৎ বিস্তারের সঙ্গে পর্যায়কাল পাল্টায় না।
চার গুণ ভর নিলে পর্যায়কাল দ্বিগুণ হয়। ডিফল্টে ১ kg ও ২৫ N/m নিয়ে T = ১.২৫৭ s। ভর চার গুণ করলে T হয় আগের ২.০ গুণ। আবার k চার গুণ করলে T হয় আগের ০.৫ গুণ, অর্থাৎ অর্ধেক। এই বর্গমূলের হিসাব মনে না থাকলে পরীক্ষায় ভুল হবেই।
নিচের সারণির প্রতিটি সংখ্যা সূত্র ধরে কোডে হিসাব করা। প্রতিটি ঘর সিমুলেশনে বসিয়ে মিলিয়ে দেখো।
আরেকটা অবাক করা তথ্য: এই T অভিকর্ষ g-এর ওপর নির্ভর করে না। তাই চাঁদে নিয়ে গেলেও ঝোলানো স্প্রিংয়ের পর্যায়কাল একই থাকবে। পেন্ডুলামের ঘড়ি কিন্তু চাঁদে আলাদা চলত।
T = 2π√(m/k)স্প্রিং-ভর ব্যবস্থার পর্যায়কাল
f = 1/T = (1/2π)√(k/m)কম্পাঙ্ক
| ভর (kg) ↓ / k (N/m) → | ২৫ | ১০০ | ৪০০ |
|---|---|---|---|
| ০.২৫ | ০.৬২৮ | ০.৩১৪ | ০.১৫৭ |
| ১.০০ | ১.২৫৭ | ০.৬২৮ | ০.৩১৪ |
| ৪.০০ | ২.৫১৩ | ১.২৫৭ | ০.৬২৮ |
এক দোলনের গল্প: সরণ, বেগ ও ত্বরণ
ব্লককে ০.২০ m টেনে ছেড়ে দিলে সে সাম্যবিন্দুর দিকে ছুটতে থাকে। শুরুতে বেগ শূন্য, কিন্তু বল সবচেয়ে বেশি, তাই ত্বরণও সবচেয়ে বেশি। যত এগোয়, বল কমে, কিন্তু বেগ বাড়ে। সাম্যবিন্দুতে বল শূন্য, ত্বরণ শূন্য, কিন্তু বেগ সর্বোচ্চ। এরপর ওপারে গিয়ে ব্লক ধীর হয়, আবার থেমে ফিরে আসে।
গাণিতিকভাবে সরণ একটি কোসাইন তরঙ্গ। যেহেতু আমরা ব্লককে প্রান্ত থেকে ছাড়ছি, সূচনা দশা φ = 0। বেগ হলো সরণের পরিবর্তনের হার, ত্বরণ বেগের পরিবর্তনের হার। তাই বেগের লেখ কোসাইনের বদলে সাইন, আর ত্বরণ সরণের উল্টো।
ফেজ বা দশা আসলে বলে দেয় দোলনের কোন ধাপে আছি। ωt + φ কোণটাই দশা। বেগ সরণের চেয়ে এক-চতুর্থাংশ দোলন এগিয়ে থাকে, অর্থাৎ π/2 কোণ। সরণ শিখরে পৌঁছলে বেগ শূন্য, সরণ শূন্য হলে বেগ শিখরে।
নিচের সারণি ডিফল্ট সেটিংয়ের (১ kg, ২৫ N/m, ০.২০ m) চারটি অবস্থান দেখায়। ω = ৫.০০ rad/s, সর্বোচ্চ দ্রুতি Aω = ১.০০ m/s, সর্বোচ্চ ত্বরণ Aω² = ৫.০০ m/s²।
x = A cos(ωt + φ)সরণ, φ হলো সূচনা দশা
v = −Aω sin(ωt + φ)বেগ
a = −Aω² cos(ωt + φ) = −ω²xত্বরণ
v = ±ω√(A² − x²)যেকোনো অবস্থানে দ্রুতি
| সরণ x (m) | দ্রুতি |v| (m/s) | ত্বরণ a (m/s²) | গতিশক্তি (J) | স্থিতিশক্তি (J) |
|---|---|---|---|---|
| ০.২০ | ০.০০ | -৫.০০ | ০.০০০ | ০.৫০০ |
| ০.১০ | ০.৮৭ | -২.৫০ | ০.৩৭৫ | ০.১২৫ |
| ০.০০ | ১.০০ | ০.০০ | ০.৫০০ | ০.০০০ |
| -০.২০ | ০.০০ | ৫.০০ | ০.০০০ | ০.৫০০ |
শক্তির লেনদেন: গতি আর স্থিতি
স্প্রিং টানা অবস্থায় শক্তি জমিয়ে রাখে, নাম স্থিতিশক্তি। ব্লক ছুটলে সেই শক্তি গতিশক্তিতে বদলায়। সাম্যবিন্দুতে স্থিতিশক্তি শূন্য, গতিশক্তি সর্বোচ্চ। প্রান্তে ঠিক উল্টো। মোট শক্তি স্থির থাকে, কারণ ঘর্ষণ ও বায়ুর বাধা ধরছি না।
ডিফল্ট সেটিংয়ে মোট শক্তি ½ × ২৫ × ০.২০² = ০.৫০০ J। সিমুলেশনের নিচের বারগুলোতে দেখো, লাল আর সবুজ বার একটা বাড়লে আরেকটা কমে, কিন্তু কালো মোট বারের দৈর্ঘ্য একই।
দুটো প্রশ্নের উত্তর এখান থেকেই বেরোয়। শক্তি বিস্তারের বর্গের সমানুপাতিক, তাই বিস্তার দ্বিগুণ করলে শক্তি চার গুণ। আর কোনো অবস্থানে গতিশক্তি = মোট শক্তি − স্থিতিশক্তি, তাই বেগ বের করতে সরণের সূত্র লাগে না।
E = ½kA²মোট যান্ত্রিক শক্তি
KE = ½mv², PE = ½kx²যেকোনো মুহূর্তে
½mv² + ½kx² = ½kA²শক্তির সংরক্ষণ
দুই স্প্রিং জুড়লে: শ্রেণি ও সমান্তরাল
এক স্প্রিংয়ে না কুলালে আমরা দুটো জুড়ি। দুটো উপায়ে জোড়া যায়। শ্রেণি সংযোগে স্প্রিংদুটো একটার পর একটা লাগানো, একই বল দুটোর ভেতর দিয়ে যায়, প্রসারণ যোগ হয়। ফলে ব্যবস্থা নরম হয়ে যায়। সমান্তরাল সংযোগে দুটো পাশাপাশি, প্রসারণ একই, বল ভাগ হয়ে যায়। ফলে ব্যবস্থা শক্ত হয়।
দুই ক্ষেত্রেই ব্লক এমনভাবে দোলে, যেন একটি মাত্র স্প্রিং আছে, যার ধ্রুবক কার্যকর k। তারপর T = 2π√(m/k) সূত্র আগের মতোই খাটে। সিমুলেশনে সংযোগ বদলে দেখো, পরিমাপ প্যানেলের “কার্যকর স্প্রিং ধ্রুবক” পাল্টে যায়।
ভুল করার একটা বিখ্যাত ফাঁদ আছে। বিদ্যুতের রোধের ক্ষেত্রে শ্রেণিতে যোগ হয়, সমান্তরালে ব্যস্তানুপাতিক। স্প্রিং ধ্রুবকের বেলায় ঠিক উল্টো: সমান্তরালে সরাসরি যোগ, শ্রেণিতে উল্টোগুলো যোগ। প্রসারণ কোথায় যোগ হচ্ছে, সেটা ভাবলেই ভুল হবে না।
1/k = 1/k₁ + 1/k₂শ্রেণি সংযোগ, k = k₁k₂ ÷ (k₁ + k₂)
k = k₁ + k₂সমান্তরাল সংযোগ
| k₁ (N/m) | k₂ (N/m) | শ্রেণিতে k (N/m) | সমান্তরালে k (N/m) |
|---|---|---|---|
| ৩০ | ৬০ | ২০.০ | ৯০ |
| ৪০ | ৪০ | ২০.০ | ৮০ |
| ২০ | ১০০ | ১৬.৭ | ১২০ |
| ৫০ | ১৫০ | ৩৭.৫ | ২০০ |
ঝোলানো স্প্রিং: অভিকর্ষ কোথায় গেল
স্প্রিং উল্লম্বভাবে ঝোলালে ব্লকের ওজন mg তাকে নিচে টানে। ব্লক থিতু হয় সেখানে, যেখানে স্প্রিংয়ের ঊর্ধ্বমুখী বল ওজনের সমান। অর্থাৎ kΔl = mg, প্রসারণ Δl = mg/k। এটাই নতুন সাম্যাবস্থা।
এখন সাম্যাবস্থা থেকে x নিচে টানলে মোট বল হয় −k(Δl + x) + mg = −kx। mg আর kΔl কাটাকাটি হয়ে যায়। দেখো, অভিকর্ষ উধাও। তাই ঝোলানো স্প্রিংও ঠিক সেই একই সরল ছন্দিত স্পন্দন করে, একই T = 2π√(m/k) সূত্রে।
এই ফল থেকে একটা কাজের সূত্র মেলে: T = 2π√(Δl/g)। স্প্রিং ধ্রুবক না জেনেও শুধু প্রসারণ মেপে পর্যায়কাল বের করা যায়। সিমুলেশনে উল্লম্ব বেছে নিলে “সাম্যে প্রসারণ” রিডআউট এই mg/k দেখাবে।
kΔl = mgসাম্যাবস্থায় বল সমান
T = 2π√(Δl/g)প্রসারণ থেকে সরাসরি পর্যায়কাল
অবমন্দন: দোলন থামে কেন
আসল জগতে দোলন চিরকাল চলে না। বাতাসের বাধা আর স্প্রিংয়ের ভেতরের ঘর্ষণ ধীরে ধীরে শক্তি শুষে নেয়। বিস্তার প্রতিটি দোলনে একটু একটু কমে। একে বলে অবমন্দিত স্পন্দন।
সিমুলেশনে অবমন্দন c ঢুকিয়ে দেখো। দশা লেখের উপবৃত্ত তখন ভেতরের দিকে পাক খেয়ে কেন্দ্রে মিলিয়ে যায়, কারণ বেগ ও সরণ দুটোই কমছে। ১ kg ভর আর c = ০.৫ N·s/m নিলে বিস্তার অর্ধেক হতে সময় লাগে ২.৭৭ s।
অবমন্দন কম হলে পর্যায়কাল প্রায় আগের মতোই থাকে, শুধু বিস্তার কমে। খুব বেশি হলে ব্লক আর দোলেই না, ধীরে ধীরে এসে সাম্যবিন্দুতে বসে যায়। গাড়ির শক-অ্যাবজর্বার ঠিক এই কাজই করে।
A(t) = A₀ e^(−ct/2m)কম অবমন্দনে বিস্তারের ক্ষয়
সিমুলেশনে হাতে-কলমে পরীক্ষা
প্রতিটি পরীক্ষা এক মিনিটের। ডিফল্ট থেকে শুরু করো, আর “আবার শুরু” চেপে যখন ইচ্ছা ফিরে এসো।
- পরীক্ষা ১: ভর চার গুণ করো। T কত গুণ হলো লিখে রাখো, তারপর ওপরের সারণির সঙ্গে মিলিয়ে দেখো।
- পরীক্ষা ২: বিস্তার ০.০৫ m থেকে ০.৩০ m পর্যন্ত নাড়াও। শুধু সর্বোচ্চ দ্রুতি আর ত্বরণ পাল্টায়, T একই থাকে কি না নিশ্চিত হও।
- পরীক্ষা ৩: গতি ০.২৫× করে ব্লক সাম্যবিন্দু পার হওয়ার মুহূর্তে থামাও। শক্তির কোন বার সর্বোচ্চ?
- পরীক্ষা ৪: “শ্রেণি” বেছে k₁ ও k₂ সমান রাখো। কার্যকর k কি অর্ধেক? এবার “সমান্তরাল” করে দেখো দ্বিগুণ।
- পরীক্ষা ৫: উল্লম্ব বেছে নিয়ে ভর বাড়াও। প্রসারণ বাড়ছে, কিন্তু T-এর সূত্র একই কেন, নিজের কথায় লেখো।
- পরীক্ষা ৬: অবমন্দন ধীরে ধীরে বাড়িয়ে দশা লেখের আকার লক্ষ করো। কখন দোলন প্রায় বন্ধ হয়ে যায়?
সমাধান করা অঙ্ক
ছয়টি অঙ্ক, ধাপে ধাপে। সংখ্যাগুলো কোডে হিসাব করা, সিমুলেশনে বসিয়ে মিলিয়ে নিতে পারো।
অঙ্ক ১: পর্যায়কাল ও কম্পাঙ্ক
০.৫ kg ভরকে ২০০ N/m স্প্রিংয়ে ঝোলানো হলো। পর্যায়কাল, কম্পাঙ্ক ও কৌণিক কম্পাঙ্ক কত?
ω = √(k/m) = √(২০০ ÷ ০.৫) = ২০.০ rad/s। T = 2π/ω = ০.৩১৪ s। f = 1/T = ৩.১৮ Hz।
অঙ্ক ২: সর্বোচ্চ দ্রুতি, ত্বরণ ও শক্তি
২ kg ভর, ৫০ N/m স্প্রিং, বিস্তার ০.১০ m। সর্বোচ্চ দ্রুতি, সর্বোচ্চ ত্বরণ ও মোট শক্তি বের করো।
ω = ৫.০ rad/s। Aω = ০.৫০ m/s। Aω² = ২.৫০ m/s²। E = ½kA² = ০.২৫০ J।
x = ০.০৫ m অবস্থানে দ্রুতি v = ω√(A² − x²) = ০.৪৩৩ m/s। গতিশক্তি ০.১৮৭৫ J, স্থিতিশক্তি ০.০৬২৫ J। যোগ করলে ০.২৫০ J-ই হয়।
অঙ্ক ৩: k বের করে পর্যায়কাল
একটি স্প্রিংকে ০.০৮ m টানতে ১২ N বল লাগে। তাতে ৩ kg ঝোলালে পর্যায়কাল কত?
k = F/x = ১৫০ N/m। T = 2π√(৩ ÷ ১৫০) = ০.৮৮৯ s।
অঙ্ক ৪: শ্রেণি বনাম সমান্তরাল
৩০ N/m ও ৬০ N/m স্প্রিং দিয়ে ০.৮ kg ভর দোলানো হবে। দুই সংযোগে T কত?
শ্রেণিতে k = ২০ N/m, T = ১.২৫৭ s। সমান্তরালে k = ৯০ N/m, T = ০.৫৯২ s। শ্রেণির T সমান্তরালের ২.১২ গুণ।
অঙ্ক ৫: ঝোলানো স্প্রিংয়ের প্রসারণ থেকে T
০.৫ kg ঝোলালে স্প্রিং ০.০৪৯ m বাড়ে। T কত? g = ৯.৮ m/s²।
k = mg/Δl = ১০০ N/m। তাহলে T = 2π√(m/k) = ০.৪৪৪ s। সরাসরি 2π√(Δl/g) বসালেও ০.৪৪৪ s আসে।
অঙ্ক ৬: বিস্তার কখন অর্ধেক
১ kg ভর, c = ০.৫ N·s/m। বিস্তার অর্ধেক হতে কত সময় লাগবে, আর সিকি হতে?
t½ = 2m ln 2 ÷ c = ২.৭৭ s। সিকি হতে দুই অর্ধ-সময়, মানে ৫.৫৫ s।
যে ভুলগুলো সবাই করে
এই ভুলগুলো থেকে সাবধান থাকলে অর্ধেক নম্বর বাঁচে।
- বিস্তার বাড়ালে পর্যায়কালও বাড়ে ভাবা। সরল ছন্দিত স্পন্দনে T বিস্তারের ওপর নির্ভর করে না।
- ভরের একক গ্রামে রেখে হিসাব করা। m অবশ্যই kg-তে নাও, নইলে T ভুল বেরোবে।
- T = 2π√(k/m) লিখে ফেলা। ভর উপরে থাকে, k নিচে: √(m/k)।
- শ্রেণি সংযোগে k যোগ করে ফেলা। শ্রেণিতে উল্টোগুলো যোগ হয়, সমান্তরালে সরাসরি।
- ঝোলানো স্প্রিংয়ে অভিকর্ষকে আলাদা বল ধরে T বদলে ফেলা। সাম্যাবস্থা থেকে মাপলে g বেরিয়ে যায়।
- সাম্যবিন্দুতে ত্বরণ সর্বোচ্চ ভাবা। সেখানে ত্বরণ শূন্য, বেগ সর্বোচ্চ।
- শক্তির বদলে বলের হিসাব এক করে ফেলা। বল −kx, স্থিতিশক্তি ½kx², দুটো আলাদা জিনিস।
বাস্তব জীবনে কোথায় কোথায়
সরল ছন্দিত স্পন্দনের ধারণা আশপাশের সবখানে কাজ করছে।
- গাড়ি ও মোটরসাইকেলের সাসপেনশন: স্প্রিং ঝাঁকুনি শুষে নেয়, শক-অ্যাবজর্বার অবমন্দন জোগায়।
- যান্ত্রিক ঘড়ি: ব্যালান্স হুইল আর স্প্রিংয়ের জুটি নির্দিষ্ট ছন্দে টিকটিক করে।
- স্প্রিং নিক্তি: প্রসারণ মেপে ওজন বের করা হয়, কারণ F = kx।
- ইমারত ও সেতু: ভূমিকম্পে বা বাতাসে কাঁপে, প্রকৌশলীরা তার স্বাভাবিক কম্পাঙ্ক হিসাব করেন।
- গিটারের তার ও সুরশলাকা: সূক্ষ্ম সরল ছন্দিত কম্পনে নির্দিষ্ট সুর বাজে।
- অণুর বন্ধন: দুই পরমাণুর মধ্যকার বন্ধন প্রায় স্প্রিংয়ের মতো কাঁপে, তা থেকেই ইনফ্রারেড বর্ণালি আসে।
পরীক্ষার কর্নার: সৃজনশীল প্রশ্ন (SSC/HSC)
উদ্দীপক: একটি স্প্রিংয়ের নিচে ০.৪ kg ভর ঝোলানো আছে। স্প্রিং ধ্রুবক ১০০ N/m। ভরকে সাম্যাবস্থা থেকে ০.০৫ m নিচে টেনে ছেড়ে দেওয়া হলো।
ক. সরল ছন্দিত স্পন্দন কাকে বলে? (জ্ঞানমূলক, ১ নম্বর)
খ. স্প্রিংয়ের পর্যায়কাল বিস্তারের ওপর নির্ভর করে না কেন? (অনুধাবন, ২ নম্বর)। ইঙ্গিত: ত্বরণ −ω²x, ω-তে A নেই।
গ. ভরটির পর্যায়কাল নির্ণয় করো। (প্রয়োগ, ৩ নম্বর)। উত্তর: T = 2π√(০.৪ ÷ ১০০) = ০.৩৯৭ s। কৌণিক কম্পাঙ্ক ১৫.৮১ rad/s।
ঘ. ভরটির সর্বোচ্চ দ্রুতি ও মোট শক্তি বিশ্লেষণ করো এবং সাম্যবিন্দুতে সব শক্তি কোন রূপে থাকে বুঝিয়ে লেখো। (উচ্চতর দক্ষতা, ৪ নম্বর)। উত্তর: Aω = ০.৭৯১ m/s, E = ½kA² = ০.১২৫ J। সাম্যবিন্দুতে স্থিতিশক্তি শূন্য, পুরো ০.১২৫ J-ই গতিশক্তি।
বাড়তি: সর্বোচ্চ বল kA = ৫.০ N, সর্বোচ্চ ত্বরণ Aω² = ১২.৫০ m/s²।
এক নজরে পুনরালোচনা
পরীক্ষার আগের রাতে এই তালিকা একবার পড়ে নিলেই চলবে।
- হুকের সূত্র: F = −kx, ছোট প্রসারণে সত্যি।
- সরল ছন্দিত স্পন্দনে ত্বরণ সরণের সমানুপাতিক, বিপরীতমুখী: a = −ω²x।
- ω = √(k/m), T = 2π√(m/k), f = 1/T।
- পর্যায়কাল বিস্তারের ওপর নির্ভর করে না।
- সর্বোচ্চ দ্রুতি Aω সাম্যবিন্দুতে, সর্বোচ্চ ত্বরণ Aω² প্রান্তে।
- মোট শক্তি E = ½kA², গতি ও স্থিতিশক্তি পালা করে বদলায়।
- শ্রেণিতে 1/k = 1/k₁ + 1/k₂, সমান্তরালে k = k₁ + k₂।
- ঝোলানো স্প্রিংয়ে T = 2π√(Δl/g)।
- অবমন্দনে বিস্তার ঘাতকীয় হারে কমে।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
স্প্রিংয়ের পর্যায়কাল কীসের ওপর নির্ভর করে?
শুধু ভর m আর স্প্রিং ধ্রুবক k-এর ওপর, T = 2π√(m/k) সূত্র অনুযায়ী। ভর বাড়লে T বাড়ে, k বাড়লে T কমে। বিস্তার, অভিকর্ষ বা দোলনের দিকের ওপর পর্যায়কাল নির্ভর করে না।
বিস্তার বাড়ালে পর্যায়কাল পাল্টায় না কেন?
বিস্তার বাড়ালে পুনঃস্থাপক বলও বাড়ে, ব্লককে বেশি দূরত্ব যেতে হয় কিন্তু বেশি জোরে ছুটে যায়। দুটো প্রভাব ঠিক কাটাকাটি হয়ে যায়। তাই এক দোলনের সময় একই থাকে।
সরল ছন্দিত স্পন্দন আর পর্যাবৃত্ত গতির পার্থক্য কী?
পর্যাবৃত্ত গতি যেকোনো গতি, যা নির্দিষ্ট সময় পরপর নিজেকে পুনরাবৃত্তি করে। সরল ছন্দিত স্পন্দন তার একটি বিশেষ রূপ, যেখানে ত্বরণ সরণের সমানুপাতিক ও বিপরীতমুখী। সব সরল ছন্দিত স্পন্দন পর্যাবৃত্ত, কিন্তু সব পর্যাবৃত্ত গতি সরল ছন্দিত নয়।
সাম্যবিন্দুতে বেগ সর্বোচ্চ কেন?
প্রান্ত থেকে সাম্যবিন্দু পর্যন্ত পুরো পথে বল গতির দিকেই কাজ করে, তাই ব্লক ক্রমাগত দ্রুততর হয়। সাম্যবিন্দুতে পৌঁছে বল শূন্য হয়, কিন্তু বেগ তখন সর্বোচ্চ। এরপর বল উল্টো দিকে কাজ করে ব্লককে ধীর করে।
শ্রেণি সংযোগে স্প্রিং নরম হয় কেন?
শ্রেণিতে একই বল দুটো স্প্রিংয়ের ওপর পড়ে এবং প্রতিটি আলাদাভাবে বাড়ে, মোট প্রসারণ যোগ হয়। একই বলে বেশি প্রসারণ মানে কম ধ্রুবক, তাই ব্যবস্থা নরম।
ঝোলানো স্প্রিংয়ে অভিকর্ষ কেন T-কে প্রভাবিত করে না?
অভিকর্ষ শুধু সাম্যাবস্থাকে নিচে সরিয়ে দেয়, প্রসারণ mg/k। সাম্য থেকে মাপলে নিট বল −kx হয়, g বেরিয়ে যায়। তাই চাঁদে বা পৃথিবীতে একই ভর ও স্প্রিংয়ের T সমান।
দশা লেখ কী বলে?
দশা লেখ বেগকে সরণের বিপরীতে আঁকে। অবমন্দনহীন সরল ছন্দিত স্পন্দনে এটি একটি বদ্ধ উপবৃত্ত, যার আকার শক্তি নির্ধারণ করে। অবমন্দন থাকলে লেখটি ভেতরের দিকে পাক খেয়ে কেন্দ্রে মিলিয়ে যায়।
পরীক্ষায় কোন সূত্রগুলো মুখস্থ রাখতে হবে?
F = −kx, a = −ω²x, ω = √(k/m), T = 2π√(m/k), v = ω√(A² − x²), E = ½kA², আর শ্রেণি-সমান্তরালের সূত্র। প্রতিটির একক জেনে রাখো।
এই বিষয়ের আরও পড়াশোনা
অ্যানিমেশনে ধারণা পরিষ্কার হলো, এবার পরীক্ষার প্রস্তুতি: সিলেবাস, সাজেশন, বই আর ভর্তি পরীক্ষার গাইড নিচে।
HSC
এইচএসসি পদার্থবিজ্ঞান: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
SSC
এসএসসি পদার্থবিজ্ঞান: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
ভর্তি
ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি
পাঠ্যবই
নবম-দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান বই
ভর্তি
ঢাবি বিজ্ঞান ইউনিট ভর্তি ২০২৬-২৭
English
Composition: The Uses of Electricity (ইংরেজিতে)
বাংলা
প্রতিবেদন: বিজ্ঞান মেলা
English
Paragraph: Science in Everyday Life (ইংরেজিতে)
SSC
এসএসসি সাজেশন
HSC
এইচএসসি সাজেশন
ভর্তি
বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার গাইড
SSC
এসএসসি সিলেবাস
HSC
এইচএসসি সিলেবাস
বিদেশে পড়াশোনা
জার্মানিতে উচ্চশিক্ষা
টেস্ট
Digital SAT Math guide (ইংরেজিতে)
স্কলারশিপ
বিদেশে পড়াশোনার স্কলারশিপ
IELTS
IELTS vocabulary: science and research (ইংরেজিতে)
টুল
GPA calculator (ইংরেজিতে)
ক্যারিয়ার
Civil engineer resume example (ইংরেজিতে)
আরও পদার্থবিজ্ঞান অ্যানিমেশন
SSC · HSC
আলোর প্রতিসরণ
আলোর প্রতিসরণ কাকে বলে, প্রতিসরণের সূত্র, সংকট কোণ ও পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন — সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা, ইন্টারঅ্যাকটিভ অ্যানিমেশন ও গাণিতিক উদাহরণসহ।
SSC · HSC
ওহমের সূত্র
ওহমের সূত্র কাকে বলে, বিবৃতি ও ব্যাখ্যা, V-I লেখচিত্র — বিভব পার্থক্য ও রোধ বদলে তড়িৎ প্রবাহ দেখো। শ্রেণি ও সমান্তরাল সমবায়, গাণিতিক উদাহরণসহ।
HSC
প্রাসের গতি
প্রাস কাকে বলে? কোণ ও আদিবেগ বদলে প্রাসের গতিপথ দেখো — বিচরণকাল, সর্বাধিক উচ্চতা ও আনুভূমিক পাল্লার সূত্র, গাণিতিক উদাহরণসহ।
SSC · HSC
সরল দোলক
সরল দোলক কাকে বলে, দোলনকালের সূত্র T=2π√(L/g) ও দোলকের সূত্রসমূহ — দৈর্ঘ্য বদলে দেখো। অভিকর্ষজ ত্বরণ নির্ণয়ের গাণিতিক উদাহরণসহ।
SSC · HSC
তড়িৎ ক্ষেত্র
তড়িৎ ক্ষেত্র কাকে বলে, তড়িৎ তীব্রতার সূত্র ও একক, বলরেখার বৈশিষ্ট্য — আধান বসিয়ে বলরেখা দেখো। কুলম্বের সূত্রের গাণিতিক উদাহরণসহ।
HSC
তরঙ্গের ব্যতিচার
তরঙ্গের উপরিপাতন নীতি ও ব্যতিচার কাকে বলে, গঠনমূলক ও ধ্বংসাত্মক ব্যতিচারের শর্ত, ডোরার প্রস্থ — দুই উৎস সরিয়ে নিজে দেখো, গাণিতিক উদাহরণসহ।
SSC · HSC
পড়ন্ত বস্তু ও পড়ন্ত বস্তুর সূত্র
পড়ন্ত বস্তুর তিনটি সূত্র কী, কে আবিষ্কার করেন, অভিকর্ষজ ত্বরণ ৯.৮ বলতে কী বোঝায়: মুদ্রা আর পালক ফেলে নিজে দেখো, সূত্র ও গাণিতিক সমস্যাসহ।
SSC · HSC
লেন্সে প্রতিবিম্ব গঠন
উত্তল লেন্স ও অবতল লেন্স কাকে বলে, প্রতিবিম্ব কীভাবে গঠিত হয়, লেন্সের সূত্র 1/u + 1/v = 1/f, বিবর্ধন ও লেন্সের ক্ষমতা: বস্তু টেনে সরিয়ে রশ্মি চিত্র নিজে দেখো।
SSC · HSC
নিউটনের গতির সূত্র
নিউটনের গতির তিনটি সূত্র, জড়তা, ভরবেগ, F = ma, ঘাত বল আর ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া: ট্রলি ঠেলে নিজে দেখো, সহজ উদাহরণ, সূত্র ও গাণিতিক সমস্যাসহ (SSC, HSC)।
SSC · HSC
গোলীয় দর্পণে প্রতিবিম্ব গঠন
অবতল দর্পণ ও উত্তল দর্পণ কাকে বলে, মেরু, বক্রতার কেন্দ্র, প্রধান ফোকাস, দর্পণের সূত্র 1/u + 1/v = 1/f ও বিবর্ধন: বস্তু টেনে সরিয়ে প্রতিবিম্ব গঠন নিজে দেখো।
SSC · HSC
তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ ও ফ্যারাডের সূত্র
তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ কাকে বলে, ফ্যারাডের সূত্র ও লেঞ্জের সূত্র কী বলে: চুম্বক টেনে কুণ্ডলীর ভেতর দিয়ে নিয়ে নিজে দেখো, গ্যালভানোমিটারের কাঁটা কেন দোলে, সূত্র ও অঙ্কসহ।
SSC · HSC
ভরবেগের সংরক্ষণ ও সংঘর্ষ
ভরবেগের সংরক্ষণ সূত্র কী, স্থিতিস্থাপক ও অস্থিতিস্থাপক সংঘর্ষের পার্থক্য কী: দুটো গাড়ি সংঘর্ষ করিয়ে নিজে দেখো, পুনরুদ্ধার সহগ e বদলে ভরবেগ ও গতিশক্তির বার-লেখচিত্র মিলিয়ে দেখো, সূত্র ও অঙ্কসহ।
SSC · HSC
কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি
কাজ কাকে বলে, গতিশক্তি ও বিভবশক্তির সূত্র কী, ক্ষমতা কীভাবে মাপা হয়: গড়িয়ে পড়া কার্টের সিমুলেশনে শক্তির রূপান্তর নিজে দেখো, সূত্র ও গাণিতিক সমস্যাসহ।
SSC · HSC
নততল
নততলে ওজন কীভাবে দুই উপাংশে ভাগ হয়, স্থিতি কোণ কী, ঘর্ষণ কীভাবে ব্লককে ধরে রাখে বা পিছলে দেয়: কোণ বদলে ব্লক নিজে ছেড়ে দিয়ে বল-চিত্র ও সূত্র দেখো।
SSC · HSC
বৃত্তাকার গতি
সুতায় ঘোরা বলের সিমুলেশনে বৃত্তাকার গতি, কেন্দ্রমুখী বল F=mv²/r, কৌণিক বেগ, পর্যায়কাল দেখো। সুতা কাটলে বল কোথায় যায়? ব্যাংকিং ও গাণিতিক সমাধানসহ।
SSC
অনুপ্রস্থ ও অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ
একই উৎস থেকে দড়ির অনুপ্রস্থ তরঙ্গ আর স্প্রিং বা শব্দের অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ পাশাপাশি দেখো। তরঙ্গশীর্ষ, তরঙ্গপাদ, সংকোচন, প্রসারণ, তরঙ্গদৈর্ঘ্য, v = fλ আর কণা কেন তরঙ্গের সাথে চলে না, গাণিতিক সমাধানসহ।
SSC · HSC
লিভার ও ভ্রামক
সিসম্যর সিমুলেশনে বলের ভ্রামক M = F × d, ভ্রামকের নীতি, লিভারের তিন শ্রেণি ও যান্ত্রিক সুবিধা নিজে হাতে পরীক্ষা করো। সমাধান ও সৃজনশীল প্রশ্নসহ।
SSC · HSC
ভরকেন্দ্র
দণ্ডে আর পাতে ভর সরিয়ে ভরকেন্দ্র x = Σmx/Σm বের করো। অবলম্বন কোথায় রাখলে দণ্ড ভারসাম্যে থাকে, বাস কখন উল্টে যায়, সুস্থির-অস্থির-নিরপেক্ষ সাম্যাবস্থা: সিমুলেশন ও সমাধানসহ।
SSC · HSC
ভেক্টর যোগ: ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র
দুটি ভেক্টরের লব্ধি, ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র, উপাংশ, নদীতে নৌকা আর বৃষ্টিতে ছাতার আপেক্ষিক বেগ নিজে টেনে পরীক্ষা করো। সমাধান ও সৃজনশীল প্রশ্নসহ।
SSC · HSC
আপেক্ষিক বেগ: ট্রেন ও নদী পারাপার
দুই ট্রেন আর নদী পার হওয়া সাঁতারুকে নিজে চালিয়ে দেখো। আপেক্ষিক দ্রুতি, ট্রেন পার হওয়ার সময়, মুখের কোণ, ভাটিতে সরণ, সবচেয়ে কম সময় বনাম সবচেয়ে ছোট পথ, সমাধানসহ।
HSC
কেপলারের সূত্র ও উপবৃত্তাকার কক্ষপথ
উৎকেন্দ্রতা স্লাইডার টেনে কক্ষপথ লম্বা হতে দেখো। সমান সময়ে সমান ক্ষেত্রফলের সেক্টর, পর্যায়কালের সূত্র T² ∝ a³ আর মুক্তিবেগ, সমাধানসহ।
HSC
নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র, g ও কৃত্রিম উপগ্রহ
দুটি বস্তুর টান, ব্যস্তবর্গ সূত্রের লেখচিত্র, পৃথিবীর ওপরে-নিচে g আর উপগ্রহের কক্ষপথ নিজের হাতে চালিয়ে দেখো। কক্ষীয় বেগ, পর্যায়কাল, মুক্তিবেগ আর সমাধান করা অঙ্কসহ।
HSC
তার ও নলে স্থির তরঙ্গ
সিমুলেশনে তার টানো আর খোলা-বন্ধ নলে ফুঁ দাও। নোড, অ্যান্টিনোড, সমমেল দেখো এবং দৈর্ঘ্য, টান ও তাপমাত্রা কীভাবে সুর ঠিক করে তা শেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।
HSC
অনুনাদ নল ও শব্দের দ্রুতি
অনুনাদ নলে পানির স্তর সরিয়ে নিজেই জোর শব্দের জায়গা খুঁজুন। L১ = λ/৪ − e আর L২ = ৩λ/৪ − e দেখুন, v = 2f(L₂ − L₁) দিয়ে শব্দের দ্রুতি বের করুন, সমাধানসহ অঙ্ক অনুশীলন করুন।
HSC
স্বরকম্প: কাছাকাছি দুই সুরের স্পন্দন
প্রায় সমান কম্পাঙ্কের দুই তরঙ্গ যোগ করে শব্দের জোর-আস্তে স্পন্দন দেখুন। এনভেলপ আঁকা, স্বরকম্প কম্পাঙ্ক |f₁ − f₂| পড়া, শব্দ শোনা আর গিটার সুর মেলানোর পদ্ধতি শিখুন, সমাধানসহ।
HSC
ডপলার প্রভাব: চলমান উৎস, চলমান শ্রোতা ও সনিক বুম
শব্দের উৎসকে ধীরে-জোরে চালাও আর দেখো সামনে তরঙ্গমুখ কীভাবে ঠাসাঠাসি হয়, পেছনে কীভাবে ছড়িয়ে পড়ে। ডপলারের সূত্র, অ্যাম্বুলেন্স ও ট্রেনের অঙ্ক এবং সনিক বুম শেখো।
SSC · HSC
প্রিজম, আলোর বিচ্ছুরণ ও রামধনু
সাদা আলো প্রিজমে ফেলো, প্রিজম কোণ আর আপতন কোণ বদলাও, আর দেখো বর্ণালি কীভাবে তৈরি হয়। বিচ্যুতি, ন্যূনতম বিচ্যুতি, বিচ্ছুরণ ক্ষমতা এবং বৃষ্টির ফোঁটায় রামধনু সৃষ্টির অঙ্কসহ ব্যাখ্যা।
HSC
কির্শফের সূত্র: সংযোগ সূত্র ও বদ্ধ পথ সূত্র
দুটি ব্যাটারি আর তিনটি রোধের দুই-লুপ বর্তনী নিজে সাজাও। সংযোগ বিন্দুতে প্রবাহ ভাগ হওয়া দেখো, বিভবের যোগফল শূন্য হতে দেখো আর কির্শফের সূত্রের অঙ্ক ধাপে ধাপে করতে শেখো।
HSC
হুইটস্টোন ব্রিজ ও মিটার ব্রিজ
হুইটস্টোন ব্রিজের সাম্য নষ্ট করে গ্যালভানোমিটারের কাঁটা নড়তে দেখো। P/Q = R/S হলে কাঁটা শূন্যে আসে। মিটার ব্রিজে জকি সরিয়ে অজানা রোধ মাপো, গাণিতিক উদাহরণসহ।
HSC
একক চিড়ে অপবর্তন
চিড়ের প্রস্থ ও তরঙ্গদৈর্ঘ্য বদলে দেখো আলো কীভাবে ছড়ায়। তীব্রতার সূত্র I = I₀(sin β/β)², অন্ধকার পট্টির শর্ত a sin θ = mλ আর কেন্দ্রীয় পট্টির প্রস্থ 2λD/a, সমাধানসহ।
SSC · HSC
চোখের ত্রুটি ও তার প্রতিকার
স্বাভাবিক, ক্ষীণদৃষ্টি, দীর্ঘদৃষ্টি ও বার্ধক্যের চোখ বদলে বদলে দেখো। প্রতিবিম্ব কেন রেটিনার সামনে বা পেছনে পড়ে, আর কোন লেন্স কত ডায়োপ্টারে তা ঠিক করে, সিমুলেশনে হাতে-কলমে শেখো।
HSC
আলোর সমবর্তন: ম্যালাসের সূত্র ও ব্রুস্টারের সূত্র
পোলারাইজারের পেছনে অ্যানালাইজার ঘুরিয়ে গ্রাফে I = I₀cos²θ দেখো, তারপর কাচে আলো ফেলে ব্রুস্টার কোণ খুঁজে বের করো। পোলারয়েড সানগ্লাস, তিন ফিল্টারের ধাঁধা ও সমাধান করা অঙ্কসহ।
HSC
ক্যাপাসিটরের আহিতকরণ ও নিরাহিতকরণ: আরসি সময় ধ্রুবক
রোধের মধ্য দিয়ে ক্যাপাসিটর আহিত ও নিরাহিত করো। E, R, C বদলে V = E(1 − e^(−t/RC)) আর প্রবাহের বক্রেখা আঁকা দেখো, ৬৩% সময় ধ্রুবক আর সঞ্চিত শক্তি বের করো।
SSC · HSC
চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা: দণ্ডচুম্বক, তড়িৎবাহী সরল তার ও সলিনয়েড
দণ্ডচুম্বক, সরল তার ও সলিনয়েডের চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা দেখো। কম্পাস টানো, প্রবাহের দিক উল্টাও আর শেখো B = μ₀I/2πr, B = μ₀nI ও ডান হাতের মুষ্টি নিয়ম।
HSC
এসি জেনারেটর
চুম্বকের দুই মেরুর মাঝে কুণ্ডলী ঘুরিয়ে এসি জেনারেটরের সাইন তরঙ্গ নিজের চোখে দেখো। N, A, B আর rpm বদলে E₀ = NBAω ও কার্যকর মান বের করো, জানো কেন বাংলাদেশে মেইন ৫০ Hz।
SSC · HSC
ট্রান্সফর্মার
ট্রান্সফর্মারের প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি পাক বদলে দেখো ভোল্টেজ কীভাবে বাড়ে-কমে। Vs = Vp·Ns/Np, ক্ষমতার সংরক্ষণ, বাস্তব দক্ষতা আর উচ্চ ভোল্টেজে বিদ্যুৎ পাঠানোর কারণ বোঝো।
SSC · HSC
তাপের সঞ্চালন: পরিবহন, পরিচলন ও বিকিরণ
তামা, অ্যালুমিনিয়াম, কাচ বা কাঠের দণ্ড গরম করে Q/t = kAΔT/L দেখো, বিকারে পরিচলন স্রোত ঘুরতে দেখো, আর T⁴ মেনে বিকিরিত ক্ষমতা কীভাবে বাড়ে তা যাচাই করো। সারণি ও সমাধান করা অঙ্কসহ।
HSC
আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া: আইনস্টাইনের সমীকরণ ও নিবৃত্তি বিভব
ভ্যাকুয়াম নলে সোডিয়াম, দস্তা বা তামার পাতে যেকোনো তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো ফেলো। সূচন কম্পাঙ্কের নিচে ইলেকট্রন বের হয় না কেন, K = hf − φ কীভাবে নিবৃত্তি বিভব ঠিক করে, আর উজ্জ্বলতা কেন শুধু প্রবাহ বদলায় তা নিজে দেখো।
SSC · HSC
মোটর ক্রিয়া: তড়িৎবাহী তারের ওপর বল ও ডিসি মোটর
চৌম্বক ক্ষেত্রে তড়িৎবাহী তার রাখলে সেটা কীভাবে ধাক্কা খায় নিজের চোখে দেখো। B, I, L আর কোণ বদলাও, ফ্লেমিংয়ের বাম হাতের নিয়ম মিলিয়ে নাও, তারপর বিভক্ত-বলয় কম্যুটেটরসহ ডিসি মোটর ঘুরিয়ে টর্কের লেখচিত্র দেখো।
HSC
গ্যাসের অণু ও গতিতত্ত্ব: চাপ, তাপমাত্রা ও দ্রুতি
বাক্সের ভেতরে গ্যাসের অণুদের ছোটাছুটি দেখো। তাপমাত্রা বাড়াও, গ্যাস বদলাও, আয়তন চেপে ধরো, আর দেখো দেয়ালে ধাক্কা গুনে পাওয়া চাপ PV = NkT-এর সঙ্গে মিলে যাচ্ছে। ম্যাক্সওয়েল-বোল্টজম্যান বক্ররেখার সঙ্গে দ্রুতি মেলাও এবং গড়বর্গমূল দ্রুতির অঙ্ক করো।
HSC
অর্ধপরিবাহী ডায়োড: p–n সন্ধি, I–V বক্ররেখা ও রেক্টিফায়ার
p–n সন্ধিতে বায়াস দিয়ে দেখো নিঃশেষিত স্তর কীভাবে সরু বা চওড়া হয়, বাহক কীভাবে পার হয় আর শকলির I–V বক্ররেখা কেমন হয়। সিলিকন ও জার্মেনিয়ামের তুলনা, ভাঙন আর অর্ধতরঙ্গ রেক্টিফায়ার হাতে-কলমে।
SSC · HSC
তেজস্ক্রিয় ক্ষয়: অর্ধায়ু, ক্ষয় সূত্র ও বিকিরণের ভেদন ক্ষমতা
২৪০টি নিউক্লিয়াসকে এলোমেলোভাবে ক্ষয় হতে দেখো, N = N₀e^(−λt) সূত্র মিলিয়ে নাও, লেখচিত্র থেকে অর্ধায়ু মাপো, আর দেখো আলফা, বিটা ও গামা কাগজ, অ্যালুমিনিয়াম ও সীসা কতটা ভেদ করে।
HSC
বোর পরমাণু মডেল: কক্ষপথ, শক্তিস্তর ও হাইড্রোজেনের বর্ণালি
হাইড্রোজেনের ইলেকট্রনকে n = ১ থেকে ৬ কক্ষপথে লাফ দেওয়াও, 1/λ = R(1/n₁² − 1/n₂²) থেকে ফোটনের রং বের করো আর শক্তিস্তরের চিত্র ও বর্ণালির পট্টিতে লাইম্যান, বামার, পাশেন শ্রেণি দেখো।
অন্য বিষয়ের অ্যানিমেশন
রসায়ন
পরমাণুর গঠন
রসায়ন
এসিড, ক্ষারক ও pH স্কেল
রসায়ন
ইলেকট্রন বিন্যাস
রসায়ন
গ্যাসের সূত্র: বয়েল, চার্লস ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ
রসায়ন
আয়নিক বন্ধন কীভাবে গঠিত হয়
রসায়ন
তড়িৎ বিশ্লেষণ ও ফ্যারাডের সূত্র
রসায়ন
সমযোজী বন্ধন
রসায়ন
পর্যায়বৃত্ত ধর্ম
রসায়ন
বিক্রিয়ার হার ও সংঘর্ষ তত্ত্ব
রসায়ন
পদার্থের অবস্থা: কঠিন, তরল, গ্যাসীয় ও তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র
রসায়ন
পরমাণুর অরবিটাল: s, p, d-এর আকৃতি, কোয়ান্টাম সংখ্যা ও নোড
রসায়ন
আণবিক আকৃতি ও ভিএসইপিআর তত্ত্ব: বন্ধন জোড়, মুক্তজোড় ও বন্ধন কোণ
রসায়ন
মোল ধারণা: মোলার ভর, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা ও মোলার আয়তন
রসায়ন
ব্যাপন ও নিঃসরণ: গ্রাহামের সূত্র
রসায়ন
রাসায়নিক সমীকরণ সমতাকরণ: পদ্ধতি, উদাহরণ ও অনুশীলন
রসায়ন
রাসায়নিক সাম্যাবস্থা: সাম্যধ্রুবক Kc ও লা শাতেলিয়ের নীতি
রসায়ন
টাইট্রেশন: অম্ল-ক্ষারের ঘনমাত্রা বের করার পদ্ধতি
রসায়ন
গ্যালভানিক কোষ: ড্যানিয়েল কোষ, EMF ও নার্নস্ট সমীকরণ
রসায়ন
জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া: জারণ সংখ্যা, ইলেকট্রন স্থানান্তর ও অর্ধ-সমীকরণ
রসায়ন
হাইড্রোকার্বন: অ্যালকেন, অ্যালকিন, অ্যালকাইন ও কাঠামোগত সমাণু ত্রিমাত্রায়
রসায়ন
কার্যকরী মূলক: অ্যালকোহল, অ্যালডিহাইড, কিটোন, অ্যাসিড, এস্টার ও অ্যামিন
রসায়ন
পলিমারকরণ: যোজন ও ঘনীভবন পলিমার, পলিথিন ও নাইলন
রসায়ন
মিশ্রণ আলাদা করার পদ্ধতি: ছাঁকন, পাতন, ক্রোমাটোগ্রাফি, স্ফটিকীকরণ
রসায়ন
কেলাস জালক: SC, BCC ও FCC একক কোষ, প্যাকিং দক্ষতা ও ঘনত্ব
রসায়ন
তেজস্ক্রিয়তা: আলফা, বিটা, গামা ক্ষয় ও অর্ধায়ু
জীববিজ্ঞান
মাইটোসিস কোষ বিভাজন
জীববিজ্ঞান
ব্যাপন ও অভিস্রবণ
জীববিজ্ঞান
সালোকসংশ্লেষণ
জীববিজ্ঞান
মানব হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কাজ
জীববিজ্ঞান
মেন্ডেলের বংশগতি সূত্র
জীববিজ্ঞান
ডিএনএ রেপ্লিকেশন
জীববিজ্ঞান
কোষীয় শ্বসন
জীববিজ্ঞান
এনজাইম ক্রিয়া
জীববিজ্ঞান
স্নায়ু উদ্দীপনার পরিবহন ও অ্যাকশন পটেনশিয়াল
জীববিজ্ঞান
নেফ্রন ও মূত্র তৈরির প্রক্রিয়া
জীববিজ্ঞান
মিয়োসিস কোষ বিভাজন
জীববিজ্ঞান
পরিপাকতন্ত্র
জীববিজ্ঞান
শ্বাসক্রিয়ার কৌশল: প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস
জীববিজ্ঞান
প্রোটিন সংশ্লেষণ
জীববিজ্ঞান
রক্ত সংবহন: দ্বি-সংবহন ও কার্ডিয়াক আউটপুট
জীববিজ্ঞান
কোষের গঠন ও অঙ্গাণু: উদ্ভিদ কোষ বনাম প্রাণী কোষ
জীববিজ্ঞান
প্রতিবর্ত ক্রিয়া ও প্রতিবর্ত চাপ
জীববিজ্ঞান
মানুষের চোখ: গঠন, প্রতিবিম্ব ও উপযোজন
জীববিজ্ঞান
পেশি সংকোচন ও স্লাইডিং ফিলামেন্ট মডেল
জীববিজ্ঞান
উদ্ভিদে পরিবহন: জাইলেম, ফ্লোয়েম ও বাষ্পমোচন
জীববিজ্ঞান
খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজাল: শক্তির প্রবাহ ও ১০ % নিয়ম
জীববিজ্ঞান
জনসংখ্যা বৃদ্ধি: সূচকীয় ও লজিস্টিক রেখা
জীববিজ্ঞান
প্রাকৃতিক নির্বাচন: পেপার্ড মথ ও কালিঝুলি মাখা গাছ
জীববিজ্ঞান
রোগপ্রতিরোধ: প্রাথমিক ও গৌণ অ্যান্টিবডি সাড়া
জীববিজ্ঞান
পরাগায়ন ও নিষেক
গণিত
পিথাগোরাসের উপপাদ্য
গণিত
ত্রিকোণমিতিক অনুপাত ও একক বৃত্ত
গণিত
দ্বিঘাত সমীকরণ ও দ্বিঘাত ফাংশনের লেখচিত্র
গণিত
বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য
গণিত
দূরত্ব ও উচ্চতা: উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ
গণিত
সম্ভাবনা: পরীক্ষালব্ধ বনাম তাত্ত্বিক সম্ভাবনা
গণিত
সমান্তর ও গুণোত্তর ধারা
গণিত
গড়, মধ্যক ও প্রচুরক
গণিত
সেট ও ভেনচিত্র
গণিত
সরল সহসমীকরণ ও সরলরেখার লেখচিত্র
গণিত
sin, cos, tan-এর লেখচিত্র
গণিত
পূর্ণবর্গ পদ্ধতি ও দ্বিঘাত সমীকরণের সমাধান
গণিত
বৃত্তের ক্ষেত্রফল: সূত্র, প্রমাণ ও সমাধান
গণিত
ঘনবস্তুর আয়তন ও তলের ক্ষেত্রফল: ঘনক, আয়তঘন, বেলন, কোণক, গোলক
গণিত
সদৃশ ত্রিভুজ: স্কেল ফ্যাক্টর, AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়া থেকে উচ্চতা
গণিত
স্থানাঙ্ক জ্যামিতি: দূরত্ব, মধ্যবিন্দু, ঢাল, বিভক্তিকরণ সূত্র ও সঞ্চারপথ
গণিত
শাঙ্কব ছেদ: বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত ও অধিবৃত্ত
গণিত
ফাংশনের রূপান্তর: সরানো, টানা ও উল্টানো
গণিত
অন্তরীকরণ: স্পর্শকের ঢাল ও ছেদক থেকে স্পর্শক
গণিত
রিম্যান যোগফল ও সমাকলন: বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফল
গণিত
সীমা ও ε–δ সংজ্ঞা: ছবিতে বোঝা
গণিত
ত্রিমাত্রিক ভেক্টর: যোগ, ডট গুণ ও ক্রস গুণ
গণিত
ম্যাট্রিক্স রূপান্তর: ঘূর্ণন, প্রতিফলন, শিয়ার ও নির্ণায়ক
গণিত
জটিল সংখ্যা: আরগান্ড সমতলে যোগ, গুণ, ঘাত ও মূল
গণিত






















