মূলপাতা
লগইন

Color

Indigo
Red
Green
Teal
Blue
Purple
Rose

Mode

Light
EN

সমীকরণের দুই পাশ সমান করো: সমতাকরণ হাতে-কলমে

রাসায়নিক সমীকরণ সমতা করা মানে সহগ বসিয়ে তীরের দুই পাশে প্রতিটি মৌলের পরমাণু সংখ্যা সমান করা। কারণ বিক্রিয়ায় কোনো পরমাণু তৈরি হয় না, নষ্টও হয় না। যেমন 2H₂ + O₂ → 2H₂O: দুই পাশেই ৪টি হাইড্রোজেন আর ২টি অক্সিজেন।

বামে পরমাণুডানে পরমাণুমিলেছেমেলেনি

প্লাস-মাইনাস বোতামে সহগ বদলাও। কোন মৌলের দুই পাশের দণ্ড সমান নয়, সেটা দেখে ঠিক করো পরের ধাপ। সব দণ্ড সবুজ হলে সমীকরণ মিলেছে।

গতি

নিয়ন্ত্রণ

বিক্রিয়া বাছো

পানি তৈরি

সহগ বদলাও

H₂
১
O₂
১
H₂O
১

পরিমাপ

অবস্থা
এখনো মেলেনি
সহগের যোগফল
৩
পরমাণু H
২ : ২
পরমাণু O
২ : ১
বাম পাশের ভর
৩৪.০u
ডান পাশের ভর
১৮.০u

সিমুলেশনটি কীভাবে ব্যবহার করবে

  1. শুরুতে “বিক্রিয়া বাছো” থেকে H₂ + O₂ → H₂O নাও। সবগুলো সহগ ১, আর নিচের দণ্ডে দেখবে অক্সিজেনের বাম পাশে ২টি, ডান পাশে ১টি। তাই ওই সারিতে লাল বৃত্ত।
  2. যে মৌলের দুই দণ্ড সমান নয়, তার জন্য একটি সহগ বদলাও: প্লাস বোতামে চাপ দিলে সেই অণুর আরও একটি কপি আঁকা হয়, আর দণ্ড বাড়ে। এক সময়ে একটা সহগই বদলাও।
  3. একটা মৌল মিলে গেলে বাকিগুলো আবার দেখো। একটা সহগ বদলালে একাধিক মৌলের সংখ্যা বদলে যেতে পারে, তাই মেলানোর কাজটা কয়েকবার ঘুরে ঘুরে করতে হয়।
  4. সব সারি সবুজ হলে অবস্থা লেখা আসবে “ঠিকঠাক মিলেছে”। যদি “আরও ছোট করা যায়” আসে, সব সহগ একই সংখ্যা দিয়ে ভাগ করো।
  5. আটকে গেলে “উত্তর দেখাও” চাপো, তারপর আবার “শুরু” করে নিজে চেষ্টা করো। পাঁচটা বিক্রিয়াই একে একে মিলিয়ে ফেলো।

সাইকেল বানাতে কী কী লাগে, গুনে দেখো

ধরো, তুমি সাইকেল বানাচ্ছ। একটা সাইকেলে লাগে ১টি ফ্রেম, ২টি চাকা, ১টি সিট আর ২টি প্যাডেল। দোকানে গিয়ে বললে “একটা চাকা আর একটা ফ্রেম দাও”, দোকানদার জিজ্ঞেস করবেন, আরেকটা চাকা কোথায়? সাইকেল বানাতে চাকাকে দুইবার গুনতে হয়।

রাসায়নিক সমীকরণও এই হিসাবের মতো। বিক্রিয়ায় পরমাণুগুলো নতুন করে সাজে, ঠিক যেমন সাইকেলের যন্ত্রাংশ জোড়া লেগে নতুন জিনিস হয়। কিন্তু একটা যন্ত্রাংশও আকাশ থেকে আসে না, আবার হারিয়েও যায় না। বিক্রিয়ার আগে যতগুলো পরমাণু ছিল, পরেও ঠিক ততগুলোই থাকবে।

সমীকরণ লেখার সময় আমরা অনেক সময় শুধু সংকেত বসিয়ে দিই, যেমন H₂ + O₂ → H₂O। এটা “কঙ্কাল সমীকরণ”। এতে অক্সিজেন বাঁয়ে দুইটি, ডানে একটি। অর্থাৎ একটি অক্সিজেন পরমাণু যেন ম্যাজিকে উধাও হয়ে গেছে, যা সম্ভব নয়। সহগ বসিয়ে এই ঘাটতি দূর করার নামই সমতাকরণ।

কেন সমীকরণ মেলাতেই হবে

এর পেছনে আছে ভরের সংরক্ষণশীলতা সূত্র। ল্যাভয়সিয়ে নামে এক ফরাসি বিজ্ঞানী ঘনঘন ওজন মেপে দেখিয়েছিলেন, বন্ধ পাত্রে বিক্রিয়া করলে বিক্রিয়ার আগে ও পরে মোট ভর একই থাকে। সূত্রটা সংক্ষেপে: রাসায়নিক বিক্রিয়ায় ভর সৃষ্টি বা ধ্বংস হয় না।

ভর যদি না বদলায়, পরমাণুর সংখ্যাও বদলাতে পারে না, কারণ ভর আসে পরমাণু থেকেই। তাই সমীকরণের বাম পাশে প্রতিটি মৌলের যতগুলো পরমাণু থাকবে, ডান পাশেও ততগুলো থাকতে হবে। একটা মৌলও মিলতে বাকি থাকলে সমীকরণটা অসমাপ্ত।

সমতাকরণের আরেকটা বড় লাভ আছে। সহগগুলো বলে দেয় বিক্রিয়ায় কোন পদার্থ কত অনুপাতে লাগে। সেই অনুপাত না জানলে কারখানায় কতটুকু কাঁচামাল কিনতে হবে, সেই হিসাবই করা যায় না।

গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলো

সমতাকরণে সবচেয়ে বেশি গোলমাল হয় সহগ আর সাবস্ক্রিপ্ট নিয়ে। নিচের সারণি একবার মনোযোগ দিয়ে পড়ে নাও।

শব্দঅর্থউদাহরণ
বিক্রিয়কতীরের বাঁ পাশের পদার্থ, যা বিক্রিয়া করেH₂, O₂
উৎপাদতীরের ডান পাশের পদার্থ, যা তৈরি হয়H₂O
সহগসংকেতের সামনের সংখ্যা; ওই অণুর কয়টি কপি লাগছে তা বলে২H₂-এ ২টি অণু
সাবস্ক্রিপ্টসংকেতের ভেতরের ছোট সংখ্যা; এক অণুতে কয়টি পরমাণু তা বলেH₂O-তে H-এর ২
কঙ্কাল সমীকরণসংকেত আছে, সহগ এখনো বসেনিH₂ + O₂ → H₂O
সমতাকৃত সমীকরণদুই পাশে প্রতিটি মৌলের পরমাণু সমান2H₂ + O₂ → 2H₂O

সমতাকরণের পদ্ধতি: পাঁচ ধাপ

কোনো একটি ফর্মুলা মুখস্থ করতে হয় না। প্রতিটি সমীকরণ এই ধাপগুলোতেই মিলে যায়। একে বলে পরীক্ষা-নিরীক্ষা বা হিট-অ্যান্ড-ট্রায়াল পদ্ধতি, তবে নিয়ম মেনে চললে খুব কম চেষ্টায় হয়ে যায়।

ধাপগুলো

প্রতিবার এই ক্রমে এগোও।

  • ১. কঙ্কাল সমীকরণ লিখে প্রতিটি মৌলের পরমাণু দুই পাশে আলাদা করে গোনো।
  • ২. যে মৌল সবচেয়ে কম সংকেতে আছে, বা যেটা একবারই এসেছে, সেটা আগে ধরো। অক্সিজেন আর হাইড্রোজেন প্রায়ই অনেক সংকেতে থাকে, তাই এগুলো শেষে রাখো।
  • ৩. কম পড়া পাশের সংকেতের সামনে সহগ বসিয়ে মৌলটি মেলাও। দুই পাশের সংখ্যার ল.সা.গু. ধরলে সবচেয়ে সহজ হয়।
  • ৪. সহগ বদলালে অন্য মৌলের গোনা বদলে যায়, তাই আবার সবগুলো গুনে দেখো।
  • ৫. শেষে দেখো সব সহগের একটা সাধারণ গুণনীয়ক আছে কি না। থাকলে ভাগ করে সবচেয়ে ছোট পূর্ণসংখ্যায় আনো।

পাঁচটা সমীকরণ ধাপে ধাপে

সিমুলেশনের পাঁচটা বিক্রিয়াই এখানে হাতে কষে দেখানো হলো। সংখ্যাগুলো সিমুলেশনের দণ্ডের সঙ্গে হুবহু মিলবে।

বিক্রিয়া ১: পানি তৈরি, H₂ + O₂ → H₂O

শুরুতে হাইড্রোজেন ২ : ২, অক্সিজেন ২ : ১। অক্সিজেন কম পড়েছে ডানে, তাই H₂O-এর সামনে ২ বসাও। এবার অক্সিজেন ২ : ২ মিলল, কিন্তু হাইড্রোজেন বাঁয়ে ২, ডানে ৪।

হাইড্রোজেন মেলাতে H₂-এর সামনে ২ বসাও। ফলাফল: 2H₂ + O₂ → 2H₂O। হাইড্রোজেন ৪ : ৪, অক্সিজেন ২ : ২।

মৌলবামডানমিল
H৪৪✓
O২২✓

বিক্রিয়া ২: মিথেন পোড়ানো, CH₄ + O₂ → CO₂ + H₂O

কার্বন ১ : ১ মিলে আছে। হাইড্রোজেন বাঁয়ে ৪, ডানে ২, তাই H₂O-এর সামনে ২। এবার ডানে অক্সিজেন CO₂-এর ২টি আর পানির ২টি মিলে ৪টি।

বাঁয়ে O₂-এর সামনে ২ বসালে অক্সিজেন ৪টি, মিলে গেল। CH₄ + 2O₂ → CO₂ + 2H₂O। এটাই রান্নার গ্যাস বা বায়োগ্যাস পোড়ানোর সমীকরণ।

মৌলবামডানমিল
C১১✓
H৪৪✓
O৪৪✓

বিক্রিয়া ৩: লোহায় মরিচা, Fe + O₂ → Fe₂O₃

অক্সিজেন বাঁয়ে ২, ডানে ৩। জোড় আর বিজোড় সংখ্যা মেলাতে ল.সা.গু. ৬ ধরো: O₂-এর সামনে ৩ আর Fe₂O₃-এর সামনে ২। দুই পাশেই অক্সিজেন ৬টি।

এখন ডানে আয়রন ৪টি, বাঁয়ে ১টি। Fe-এর সামনে ৪ বসালেই শেষ: 4Fe + 3O₂ → 2Fe₂O₃। মরিচা ধরা জিনিস কেন ভারী হয়, এই সমীকরণ দেখলে বোঝা যায়: লোহা বাতাস থেকে অক্সিজেন টেনে নেয়।

মৌলবামডানমিল
Fe৪৪✓
O৬৬✓

বিক্রিয়া ৪: অ্যালুমিনিয়াম ও অ্যাসিড, Al + HCl → AlCl₃ + H₂

ক্লোরিন বাঁয়ে ১, ডানে ৩। HCl-এর সামনে ৩ বসালে ক্লোরিন মিলবে, তখন হাইড্রোজেন বাঁয়ে ৩ আর ডানে ২। এই ৩ আর ২-এর ল.সা.গু. ৬।

তাই HCl-এর সামনে ৬, H₂-এর সামনে ৩। ক্লোরিন ডানে ৬টি হতে AlCl₃-এর সামনে ২, তখন অ্যালুমিনিয়াম ডানে ২টি, তাই Al-এর সামনে ২। 2Al + 6HCl → 2AlCl₃ + 3H₂।

মৌলবামডানমিল
Al২২✓
H৬৬✓
Cl৬৬✓

বিক্রিয়া ৫: রান্নার গ্যাস (প্রোপেন) পোড়ানো, C₃H₈ + O₂ → CO₂ + H₂O

ধাপে ধাপে: কার্বন ৩টি, তাই CO₂-এর সামনে ৩। হাইড্রোজেন ৮টি, তাই H₂O-এর সামনে ৪। এখন ডানে অক্সিজেন ১০টি, তাই O₂-এর সামনে ৫।

C₃H₈ + 5O₂ → 3CO₂ + 4H₂O। অক্সিজেন সবার শেষে মেলানোর কারণ: সে দুটো সংকেতে ছিল, তাই আগেই মেলাতে গেলে বারবার ভাঙতে হতো।

মৌলবামডানমিল
C৩৩✓
H৮৮✓
O১০১০✓

সত্যিই ভর সমান থাকে কি না, মেপে দেখো

সমতা করা সমীকরণে পরমাণু সমান, তাই ভরও সমান হওয়ার কথা। পাঠ্যবইয়ের পারমাণবিক ভর (H = ১, C = ১২, O = ১৬, Al = ২৭, Cl = ৩৫.৫, Fe = ৫৬) নিয়ে হিসাব করলে প্রমাণ মেলে।

বিক্রিয়াসহগের যোগফলবাম পাশের ভর (u)ডান পাশের ভর (u)
পানি তৈরি৫৩৬৩৬
মিথেন পোড়ানো৬৮০৮০
লোহায় মরচে৯৩২০৩২০
অ্যালুমিনিয়াম ও অ্যাসিড১৩২৭৩২৭৩
প্রোপেন (রান্নার গ্যাস) পোড়ানো১৩২০৪২০৪

সিমুলেশনে নিজে করে দেখো

এই পরীক্ষাগুলো একটার পর একটা করলে ধারণাটা হাতে বসে যাবে।

  • পরীক্ষা ১: পানি তৈরি বেছে অক্সিজেনের সারিটা দেখো। প্রথমে ২ : ১। H₂O-এর সহগ ২ করলে সারি সবুজ হবে কি? হাইড্রোজেনের সারির কী হলো?
  • পরীক্ষা ২: ইচ্ছে করে সব সহগ দ্বিগুণ করে দেখো। সব সারি সবুজ, তবু অবস্থা লেখা আসবে “আরও ছোট করা যায়”। কারণ সমীকরণ মিললেও সবচেয়ে ছোট পূর্ণসংখ্যা ধরতে হয়।
  • পরীক্ষা ৩: মরিচা বেছে প্রথমে অক্সিজেন মেলাও। ৩ আর ২ বসালে আয়রন কেন মিলছে না, তা দেখে Fe-এর সহগ ঠিক করো।
  • পরীক্ষা ৪: প্রোপেন বেছে অক্সিজেন সবার শেষে মেলাও। আগে মেলালে কী কী বারবার বদলাতে হয়, সেটা গুনে রাখো।
  • পরীক্ষা ৫: প্রতিটি সমীকরণ মেলানোর পর “বাম পাশের ভর” আর “ডান পাশের ভর” পাশাপাশি দেখো। সব সময় সমান!

যে ভুলগুলো সবাই করে

পরীক্ষার খাতায় নম্বর কাটা যাওয়ার সবচেয়ে সাধারণ কারণগুলো এখানে।

  • সাবস্ক্রিপ্ট বদলে সমীকরণ মেলানো: H₂O-কে H₂O₂ বানানো মানে অন্য পদার্থ লেখা।
  • বন্ধনীর ভেতরের সংখ্যা ভুলে যাওয়া: সহগ পুরো সংকেতের সব মৌলকে গুণ করে, শুধু প্রথমটিকে নয়।
  • একটা মৌল মিলিয়ে থেমে যাওয়া: সহগ বদলালে আগে মেলানো মৌল আবার বিগড়ে যেতে পারে।
  • সহগ ১ লেখা: “1H₂O” লেখার দরকার নেই, ফাঁকা থাকলেই ১ বোঝায়।
  • আরও ছোট করা যায় কি না না দেখা: ৪H₂ + ২O₂ → ৪H₂O ঠিক, কিন্তু সরলতম রূপ ২H₂ + O₂ → ২H₂O।

বাস্তব জীবনে সমীকরণ মেলানো

সমতাকৃত সমীকরণ বইয়ের জিনিস নয়, কারখানা আর রান্নাঘর দুই জায়গাতেই কাজে লাগে।

  • রান্নার গ্যাস: C₃H₈ + 5O₂ → 3CO₂ + 4H₂O থেকে বোঝা যায় এক অণু প্রোপেন পোড়াতে ৫ অণু অক্সিজেন লাগে। বদ্ধ ঘরে চুলা জ্বালালে অক্সিজেন কমে গেলে অসম্পূর্ণ দহনে বিষাক্ত কার্বন মনোক্সাইড হয়।
  • সার কারখানা: ইউরিয়া তৈরির প্রতিটি ধাপের সহগ দেখে হিসাব করা হয় কত টন অ্যামোনিয়া লাগবে।
  • যানবাহন: ইঞ্জিনে জ্বালানি আর বাতাসের সঠিক অনুপাত রাখা হয় পোড়ানোর সমীকরণ দেখে।
  • মরিচা: লোহার জিনিস কেন রং করতে হয়, সেটা বোঝা যায় মরিচার সমীকরণ থেকে, কারণ রং অক্সিজেনকে লোহার কাছে আসতে দেয় না।
  • ওষুধ: ওষুধ তৈরির সময় কোন উপাদান কতটুকু মেশাতে হবে, তা সহগ থেকে আসে।

পরীক্ষার কোণ (SSC, HSC)

এই অধ্যায়ের প্রশ্ন সাধারণত সমীকরণ মেলানো আর সংজ্ঞা। নিচের তিনটি অনুশীলন নিজে করে তারপর উত্তর মিলিয়ে নাও।

  • সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন: ভরের সংরক্ষণশীলতা সূত্রটি লেখো। সহগ ও সাবস্ক্রিপ্টের পার্থক্য কী?
  • কৌশল: ইথেনের বেলায় ৩.৫টি O₂ আসে, ভগ্নাংশ। পুরো সমীকরণকে ২ দিয়ে গুণ করলে পূর্ণসংখ্যা মিলে যায়।
  • বর্ণনামূলক প্রশ্নে সমীকরণ মেলানোর ধাপগুলো দেখালে নম্বর বেশি পাওয়া যায়, তাই শুধু উত্তর নয়, পরমাণু গোনার ছকও আঁকো।
অসমতাকৃত সমীকরণসমতাকৃত সমীকরণপরীক্ষা
Fe + H₂O → Fe₃O₄ + H₂3Fe + 4H₂O → Fe₃O₄ + 4H₂Fe ৩, O ৪, H ৮ : ৮
Na + H₂O → NaOH + H₂2Na + 2H₂O → 2NaOH + H₂Na ২, O ২, H ৪ : ৪
C₂H₆ + O₂ → CO₂ + H₂O2C₂H₆ + 7O₂ → 4CO₂ + 6H₂OC ৪, H ১২, O ১৪ : ১৪

পুনরালোচনা: এক নজরে

পরীক্ষার আগের রাতে এই তালিকাটা একবার দেখে নাও।

  • পরমাণু সৃষ্টি বা ধ্বংস হয় না, তাই দুই পাশে প্রতিটি মৌলের পরমাণু সমান।
  • শুধু সহগ বদলাও, সাবস্ক্রিপ্ট নয়।
  • যে মৌল কম সংকেতে আছে তাকে আগে মেলাও; অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন শেষে।
  • একটা সহগ বদলালে সব মৌল আবার গুনে দেখো।
  • শেষে সহগগুলো সবচেয়ে ছোট পূর্ণসংখ্যায় আনো।
  • সহগ মোল অনুপাতও বলে: ২H₂ + O₂ → ২H₂O মানে ২ মোল H₂ আর ১ মোল O₂ থেকে ২ মোল পানি।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

রাসায়নিক সমীকরণ সমতাকরণ কী?

সমীকরণের বিক্রিয়ক ও উৎপাদের সামনে এমন সহগ বসানো, যাতে তীরের দুই পাশে প্রতিটি মৌলের পরমাণু সংখ্যা সমান হয়। যেমন H₂ + O₂ → H₂O সমতা করলে হয় 2H₂ + O₂ → 2H₂O।

রাসায়নিক সমীকরণ কেন সমতা করতে হয়?

ভরের সংরক্ষণশীলতা সূত্র অনুযায়ী বিক্রিয়ায় পরমাণু তৈরি বা ধ্বংস হয় না। তাই দুই পাশে পরমাণু সমান না হলে সমীকরণটি প্রকৃতির নিয়মের সঙ্গে মেলে না। সহগ থেকে বিক্রিয়ার মোল অনুপাতও জানা যায়।

সহগ আর সাবস্ক্রিপ্টের পার্থক্য কী?

সহগ সংকেতের সামনে থাকে এবং বলে কয়টি অণু বা সংকেত একক লাগছে। সাবস্ক্রিপ্ট সংকেতের ভেতরে থাকে এবং বলে একটি অণুতে কয়টি পরমাণু আছে। সমতাকরণে শুধু সহগ বদলানো যায়।

সমীকরণ মেলানোর সহজ উপায় কী?

কঙ্কাল সমীকরণে পরমাণু গোনো, যে মৌল কম সংকেতে আছে তাকে আগে মেলাও, অক্সিজেন আর হাইড্রোজেন শেষে রাখো, প্রতিবার সব মৌল আবার গুনো, আর শেষে সহগগুলো সরলতম অনুপাতে আনো। C₃H₈ + 5O₂ → 3CO₂ + 4H₂O এভাবেই মেলে।

সহগ কি ভগ্নাংশ হতে পারে?

গণিতের হিসাবে মাঝপথে পারে, যেমন ইথেনের জন্য ৩.৫টি O₂। কিন্তু চূড়ান্ত সমীকরণে সহগ পূর্ণসংখ্যা হতে হয় (অর্ধেক অণু বলে কিছু নেই), তাই পুরো সমীকরণকে গুণ করে পূর্ণসংখ্যায় আনতে হয়।

সব সহগ দ্বিগুণ করলে সমীকরণ কি ভুল হয়?

পরমাণু তবুও সমান থাকে, তাই ভুল নয়। কিন্তু প্রথা অনুযায়ী সমীকরণ লিখতে হয় সবচেয়ে ছোট পূর্ণসংখ্যা সহগ দিয়ে, নইলে পরীক্ষায় নম্বর কাটতে পারে।

বিক্রিয়ায় ভর সমান থাকে কেন?

কারণ বিক্রিয়ায় পরমাণু শুধু নতুনভাবে সাজে, সংখ্যায় একই থাকে। প্রতিটি পরমাণুর ভর নির্দিষ্ট, তাই মোট ভরও অপরিবর্তিত থাকে। উপরের সারণিতে পাঁচটি বিক্রিয়ায় বাম ও ডান পাশের ভর হুবহু সমান।

এই বিষয়ের আরও পড়াশোনা

অ্যানিমেশনে ধারণা পরিষ্কার হলো, এবার পরীক্ষার প্রস্তুতি: সিলেবাস, সাজেশন, বই আর ভর্তি পরীক্ষার গাইড নিচে।

আরও রসায়ন অ্যানিমেশন

SSC · HSC

পরমাণুর গঠন

পরমাণুর গঠন চিত্রসহ ব্যাখ্যা: প্রোটন, নিউট্রন, ইলেকট্রন, পারমাণবিক সংখ্যা, ভরসংখ্যা, আইসোটোপ ও ইলেকট্রন বিন্যাস। নিজে পরমাণু বানিয়ে দেখো, গাণিতিক উদাহরণসহ।

SSC · HSC

এসিড, ক্ষারক ও pH স্কেল

pH কি বা কাকে বলে, pH স্কেল কীভাবে কাজ করে, এসিড ও ক্ষারকের পার্থক্য, নির্দেশক ও প্রশমন বিক্রিয়া: বুরেট থেকে ফোঁটা ফেলে নিজে টাইট্রেশন করে দেখো, গাণিতিক সমস্যাসহ।

SSC · HSC

ইলেকট্রন বিন্যাস

ইলেকট্রন বিন্যাস কাকে বলে, লেখার সহজ নিয়ম, আউফবাউ, পাউলির বর্জন ও হুন্ডের নীতি, Cr-Cu ব্যতিক্রম, আয়ন: ইলেকট্রন একটি একটি করে বসতে দেখো, ১-৩৬ মৌলের তালিকাসহ।

SSC · HSC

গ্যাসের সূত্র: বয়েল, চার্লস ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ

বয়েলের সূত্র, চার্লসের সূত্র, চাপীয় সূত্র, অ্যাভোগেড্রোর সূত্র ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ PV = nRT: পিস্টন টেনে নিজে দেখো, লেখচিত্র, R-এর মান ও গাণিতিক সমস্যাসহ।

SSC · HSC

আয়নিক বন্ধন কীভাবে গঠিত হয়

আয়নিক বন্ধন কাকে বলে, কীভাবে ধাতুর ইলেকট্রন অধাতুতে গিয়ে আয়ন তৈরি করে, আর সংকেত কীভাবে চার্জ মিলিয়ে বের হয়: NaCl, MgO, CaCl₂ বেছে নিয়ে নিজে দেখো, সূত্র ও অঙ্কসহ।

SSC · HSC

তড়িৎ বিশ্লেষণ ও ফ্যারাডের সূত্র

তড়িৎ বিশ্লেষণ কাকে বলে, ক্যাথোড-অ্যানোডে কী উৎপন্ন হয়, আর ফ্যারাডের সূত্রে ভর কীভাবে হিসাব হয়: গলিত NaCl, CuSO₄ বা অম্লীভূত পানি বেছে নিয়ে নিজে দেখো, সূত্র ও অঙ্কসহ।

SSC · HSC

সমযোজী বন্ধন

সমযোজী বন্ধন কাকে বলে, একক-দ্বি-ত্রিবন্ধন কীভাবে গঠিত হয়, অক্টেট নিয়ম কী: H₂O, NH₃, CH₄, CO₂ অণুর ডট-ক্রস চিত্র সিমুলেশনে নিজে বানিয়ে দেখো, পোলারিটিসহ।

SSC · HSC

পর্যায়বৃত্ত ধর্ম

পর্যায়বৃত্ত ধর্ম কাকে বলে, পারমাণবিক ব্যাসার্ধ ও আয়নিকরণ শক্তি পর্যায় ও গ্রুপে কীভাবে বদলায়: প্রথম ৩৬টি মৌলের হিটম্যাপে নিজে পরীক্ষা করে দেখো, ব্যতিক্রমসহ।

SSC · HSC

বিক্রিয়ার হার ও সংঘর্ষ তত্ত্ব

বিক্রিয়ার হার কীসের ওপর নির্ভর করে? সংঘর্ষ তত্ত্বের সিমুলেশনে তাপমাত্রা, ঘনমাত্রা আর প্রভাবক বদলে সক্রিয়ণ শক্তির লেখচিত্র ও উৎপাদের রেখা নিজের চোখে দেখো।

Class 9 · SSC

পদার্থের অবস্থা: কঠিন, তরল, গ্যাসীয় ও তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র

কঠিন, তরল ও গ্যাসীয় অবস্থায় কণা কেমন আচরণ করে নিজে দেখো। পানির তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র, গলন, স্ফুটন, সুপ্ততাপ, ঊর্ধ্বপাতন আর Q = mcΔT ও Q = mL-এর সমাধানসহ।

HSC

পরমাণুর অরবিটাল: s, p, d-এর আকৃতি, কোয়ান্টাম সংখ্যা ও নোড

1s, 2s, 2p ও 3d অরবিটাল ঘুরিয়ে 3D-তে দেখো। কক্ষপথ ও অরবিটালের পার্থক্য, চার কোয়ান্টাম সংখ্যা, রেডিয়াল ও কৌণিক নোড গোনা, উপস্তরের ইলেকট্রন ধারণক্ষমতা, সমাধানসহ।

HSC

আণবিক আকৃতি ও ভিএসইপিআর তত্ত্ব: বন্ধন জোড়, মুক্তজোড় ও বন্ধন কোণ

ত্রিমাত্রিক অণু বানিয়ে ঘোরাও। বন্ধন জোড় ও মুক্তজোড় ইলেকট্রন কীভাবে CH4, NH3, H2O, PCl5, SF6-এর আকৃতি, বন্ধন কোণ ও সংকরণ ঠিক করে, সমাধানসহ হাতেকলমে শেখো।

SSC · HSC

মোল ধারণা: মোলার ভর, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা ও মোলার আয়তন

মোল কাকে বলে, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা কত, মোলার ভর ও STP-তে মোলার আয়তন (২২.৪ লিটার) কী? পাল্লায় ওজন মেপে মোল ও অণুর সংখ্যা নিজে বের করো; শতকরা সংযুতি ও গাণিতিক সমস্যাসহ।

SSC · HSC

ব্যাপন ও নিঃসরণ: গ্রাহামের সূত্র

নলের ভেতর NH₃ ও HCl মিলে সাদা বলয় তৈরি করা দেখো, তারপর সূক্ষ্ম ছিদ্র দিয়ে গ্যাসের নিঃসরণের দৌড়। গ্রাহামের ব্যাপন সূত্রের প্রমাণ ও অঙ্ক সমাধানসহ।

HSC

রাসায়নিক সাম্যাবস্থা: সাম্যধ্রুবক Kc ও লা শাতেলিয়ের নীতি

রাসায়নিক সাম্যাবস্থা কী, সাম্যধ্রুবক Kc কীভাবে বের করে, আর ঘনমাত্রা, তাপ ও চাপ বদলালে বিক্রিয়া কোন দিকে সরে? হেবার প্রক্রিয়ার অ্যানিমেশনে হার-রেখা দেখে লা শাতেলিয়ের নীতি বোঝো।

SSC · HSC

টাইট্রেশন: অম্ল-ক্ষারের ঘনমাত্রা বের করার পদ্ধতি

টাইট্রেশন কী, ব্যুরেট ও নির্দেশক কীভাবে কাজ করে, শেষ বিন্দু আর সমতা বিন্দু কী এক জিনিস না, আর V₁M₁ = V₂M₂ দিয়ে ঘনমাত্রা কীভাবে বের করবে? pH লেখচিত্রসহ সিমুলেশনে হাতে-কলমে শেখো।

HSC

গ্যালভানিক কোষ: ড্যানিয়েল কোষ, EMF ও নার্নস্ট সমীকরণ

গ্যালভানিক কোষ কীভাবে বিদ্যুৎ বানায়? ড্যানিয়েল কোষে ইলেকট্রন আর লবণ সেতুর আয়ন কোন দিকে যায়, দণ্ডের ভর কীভাবে বদলায়, আদর্শ ও নার্নস্ট EMF কত? সিমুলেশনে ঘনমাত্রা বদলে নিজে দেখো।

SSC · HSC

জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া: জারণ সংখ্যা, ইলেকট্রন স্থানান্তর ও অর্ধ-সমীকরণ

জারণ ও বিজারণ কী, জারণ সংখ্যা কীভাবে বের করে, কোনটা জারক আর কোনটা বিজারক? পাঁচটি বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের চলাচল দেখো, অর্ধ-সমীকরণ ও সমাধান করা অঙ্কসহ।

SSC · HSC

হাইড্রোকার্বন: অ্যালকেন, অ্যালকিন, অ্যালকাইন ও কাঠামোগত সমাণু ত্রিমাত্রায়

অ্যালকেন, অ্যালকিন ও অ্যালকাইনকে ঘূর্ণায়মান বল-স্টিক মডেলে দেখো। কার্বন সংখ্যা বদলাও, সাধারণ সংকেত ও IUPAC নাম পড়ো, আর বিউটেন, পেন্টেন, হেক্সেনের সব কাঠামোগত সমাণু দেখো।

HSC

কার্যকরী মূলক: অ্যালকোহল, অ্যালডিহাইড, কিটোন, অ্যাসিড, এস্টার ও অ্যামিন

কার্যকরী মূলক কী, অ্যালকোহল-অ্যালডিহাইড-কিটোন-অ্যাসিড-এস্টার-অ্যামিন কীভাবে চিনবে, IUPAC নাম কীভাবে লিখবে? আটটি পরিবারের গঠন দেখো, পরীক্ষা ও সমাধান করা অঙ্কসহ।

HSC

পলিমারকরণ: যোজন ও ঘনীভবন পলিমার, পলিথিন ও নাইলন

পলিমার কী, যোজন ও ঘনীভবন পলিমারকরণে পার্থক্য কী? ইথিন থেকে পলিথিন আর নাইলন-৬,৬ তৈরি দেখো, শিকলের আণবিক ভর ও নির্গত পানির হিসাবসহ।

SSC · HSC

মিশ্রণ আলাদা করার পদ্ধতি: ছাঁকন, পাতন, ক্রোমাটোগ্রাফি, স্ফটিকীকরণ

ছাঁকন, সরল ও আংশিক পাতন, কাগজ ক্রোমাটোগ্রাফি আর স্ফটিকীকরণ চোখের সামনে চলতে দেখো। Rf-এর হিসাব, পাতনের তাপমাত্রা-রেখা আর স্ফটিকের ফলন হাতে-কলমে।

HSC

কেলাস জালক: SC, BCC ও FCC একক কোষ, প্যাকিং দক্ষতা ও ঘনত্ব

সরল, দেহকেন্দ্রিক ও ফলককেন্দ্রিক ঘন একক কোষ ঘুরিয়ে দেখো। প্রতি কোষে পরমাণু, সন্নিবেশ সংখ্যা, প্যাকিং দক্ষতা (৫২.৪%, ৬৮%, ৭৪%) আর ঘনত্বের হিসাব।

HSC

তেজস্ক্রিয়তা: আলফা, বিটা, গামা ক্ষয় ও অর্ধায়ু

আলফা, বিটা, গামা ক্ষয়ে A ও Z কীভাবে বদলায় দেখো, পারমাণবিক সমীকরণ মেলাও, ১০০ পরমাণুর এলোমেলো ক্ষয় অর্ধায়ু রেখা ধরে চলতে দেখো। কার্বন-১৪ কালনির্ণয়সহ বিনা মূল্যের সিমুলেশন।

অন্য বিষয়ের অ্যানিমেশন

পদার্থবিজ্ঞান

আলোর প্রতিসরণ

পদার্থবিজ্ঞান

ওহমের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

প্রাসের গতি

পদার্থবিজ্ঞান

সরল দোলক

পদার্থবিজ্ঞান

তড়িৎ ক্ষেত্র

পদার্থবিজ্ঞান

তরঙ্গের ব্যতিচার

পদার্থবিজ্ঞান

পড়ন্ত বস্তু ও পড়ন্ত বস্তুর সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

লেন্সে প্রতিবিম্ব গঠন

পদার্থবিজ্ঞান

নিউটনের গতির সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

গোলীয় দর্পণে প্রতিবিম্ব গঠন

পদার্থবিজ্ঞান

তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ ও ফ্যারাডের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

ভরবেগের সংরক্ষণ ও সংঘর্ষ

পদার্থবিজ্ঞান

কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি

পদার্থবিজ্ঞান

নততল

পদার্থবিজ্ঞান

বৃত্তাকার গতি

পদার্থবিজ্ঞান

অনুপ্রস্থ ও অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ

পদার্থবিজ্ঞান

লিভার ও ভ্রামক

পদার্থবিজ্ঞান

ভরকেন্দ্র

পদার্থবিজ্ঞান

স্প্রিং-ভর ও সরল ছন্দিত স্পন্দন

পদার্থবিজ্ঞান

ভেক্টর যোগ: ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

আপেক্ষিক বেগ: ট্রেন ও নদী পারাপার

পদার্থবিজ্ঞান

কেপলারের সূত্র ও উপবৃত্তাকার কক্ষপথ

পদার্থবিজ্ঞান

নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র, g ও কৃত্রিম উপগ্রহ

পদার্থবিজ্ঞান

তার ও নলে স্থির তরঙ্গ

পদার্থবিজ্ঞান

অনুনাদ নল ও শব্দের দ্রুতি

পদার্থবিজ্ঞান

স্বরকম্প: কাছাকাছি দুই সুরের স্পন্দন

পদার্থবিজ্ঞান

ডপলার প্রভাব: চলমান উৎস, চলমান শ্রোতা ও সনিক বুম

পদার্থবিজ্ঞান

প্রিজম, আলোর বিচ্ছুরণ ও রামধনু

পদার্থবিজ্ঞান

কির্শফের সূত্র: সংযোগ সূত্র ও বদ্ধ পথ সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

হুইটস্টোন ব্রিজ ও মিটার ব্রিজ

পদার্থবিজ্ঞান

একক চিড়ে অপবর্তন

পদার্থবিজ্ঞান

চোখের ত্রুটি ও তার প্রতিকার

পদার্থবিজ্ঞান

আলোর সমবর্তন: ম্যালাসের সূত্র ও ব্রুস্টারের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

ক্যাপাসিটরের আহিতকরণ ও নিরাহিতকরণ: আরসি সময় ধ্রুবক

পদার্থবিজ্ঞান

চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা: দণ্ডচুম্বক, তড়িৎবাহী সরল তার ও সলিনয়েড

পদার্থবিজ্ঞান

এসি জেনারেটর

পদার্থবিজ্ঞান

ট্রান্সফর্মার

পদার্থবিজ্ঞান

তাপের সঞ্চালন: পরিবহন, পরিচলন ও বিকিরণ

পদার্থবিজ্ঞান

আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া: আইনস্টাইনের সমীকরণ ও নিবৃত্তি বিভব

পদার্থবিজ্ঞান

মোটর ক্রিয়া: তড়িৎবাহী তারের ওপর বল ও ডিসি মোটর

পদার্থবিজ্ঞান

গ্যাসের অণু ও গতিতত্ত্ব: চাপ, তাপমাত্রা ও দ্রুতি

পদার্থবিজ্ঞান

অর্ধপরিবাহী ডায়োড: p–n সন্ধি, I–V বক্ররেখা ও রেক্টিফায়ার

পদার্থবিজ্ঞান

তেজস্ক্রিয় ক্ষয়: অর্ধায়ু, ক্ষয় সূত্র ও বিকিরণের ভেদন ক্ষমতা

পদার্থবিজ্ঞান

বোর পরমাণু মডেল: কক্ষপথ, শক্তিস্তর ও হাইড্রোজেনের বর্ণালি

জীববিজ্ঞান

মাইটোসিস কোষ বিভাজন

জীববিজ্ঞান

ব্যাপন ও অভিস্রবণ

জীববিজ্ঞান

সালোকসংশ্লেষণ

জীববিজ্ঞান

মানব হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কাজ

জীববিজ্ঞান

মেন্ডেলের বংশগতি সূত্র

জীববিজ্ঞান

ডিএনএ রেপ্লিকেশন

জীববিজ্ঞান

কোষীয় শ্বসন

জীববিজ্ঞান

এনজাইম ক্রিয়া

জীববিজ্ঞান

স্নায়ু উদ্দীপনার পরিবহন ও অ্যাকশন পটেনশিয়াল

জীববিজ্ঞান

নেফ্রন ও মূত্র তৈরির প্রক্রিয়া

জীববিজ্ঞান

মিয়োসিস কোষ বিভাজন

জীববিজ্ঞান

পরিপাকতন্ত্র

জীববিজ্ঞান

শ্বাসক্রিয়ার কৌশল: প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস

জীববিজ্ঞান

প্রোটিন সংশ্লেষণ

জীববিজ্ঞান

রক্ত সংবহন: দ্বি-সংবহন ও কার্ডিয়াক আউটপুট

জীববিজ্ঞান

কোষের গঠন ও অঙ্গাণু: উদ্ভিদ কোষ বনাম প্রাণী কোষ

জীববিজ্ঞান

প্রতিবর্ত ক্রিয়া ও প্রতিবর্ত চাপ

জীববিজ্ঞান

মানুষের চোখ: গঠন, প্রতিবিম্ব ও উপযোজন

জীববিজ্ঞান

পেশি সংকোচন ও স্লাইডিং ফিলামেন্ট মডেল

জীববিজ্ঞান

উদ্ভিদে পরিবহন: জাইলেম, ফ্লোয়েম ও বাষ্পমোচন

জীববিজ্ঞান

খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজাল: শক্তির প্রবাহ ও ১০ % নিয়ম

জীববিজ্ঞান

জনসংখ্যা বৃদ্ধি: সূচকীয় ও লজিস্টিক রেখা

জীববিজ্ঞান

প্রাকৃতিক নির্বাচন: পেপার্ড মথ ও কালিঝুলি মাখা গাছ

জীববিজ্ঞান

রোগপ্রতিরোধ: প্রাথমিক ও গৌণ অ্যান্টিবডি সাড়া

জীববিজ্ঞান

পরাগায়ন ও নিষেক

গণিত

পিথাগোরাসের উপপাদ্য

গণিত

ত্রিকোণমিতিক অনুপাত ও একক বৃত্ত

গণিত

দ্বিঘাত সমীকরণ ও দ্বিঘাত ফাংশনের লেখচিত্র

গণিত

বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য

গণিত

দূরত্ব ও উচ্চতা: উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ

গণিত

সম্ভাবনা: পরীক্ষালব্ধ বনাম তাত্ত্বিক সম্ভাবনা

গণিত

সমান্তর ও গুণোত্তর ধারা

গণিত

গড়, মধ্যক ও প্রচুরক

গণিত

সেট ও ভেনচিত্র

গণিত

সরল সহসমীকরণ ও সরলরেখার লেখচিত্র

গণিত

sin, cos, tan-এর লেখচিত্র

গণিত

পূর্ণবর্গ পদ্ধতি ও দ্বিঘাত সমীকরণের সমাধান

গণিত

বৃত্তের ক্ষেত্রফল: সূত্র, প্রমাণ ও সমাধান

গণিত

ঘনবস্তুর আয়তন ও তলের ক্ষেত্রফল: ঘনক, আয়তঘন, বেলন, কোণক, গোলক

গণিত

সদৃশ ত্রিভুজ: স্কেল ফ্যাক্টর, AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়া থেকে উচ্চতা

গণিত

স্থানাঙ্ক জ্যামিতি: দূরত্ব, মধ্যবিন্দু, ঢাল, বিভক্তিকরণ সূত্র ও সঞ্চারপথ

গণিত

শাঙ্কব ছেদ: বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত ও অধিবৃত্ত

গণিত

ফাংশনের রূপান্তর: সরানো, টানা ও উল্টানো

গণিত

অন্তরীকরণ: স্পর্শকের ঢাল ও ছেদক থেকে স্পর্শক

গণিত

রিম্যান যোগফল ও সমাকলন: বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফল

গণিত

সীমা ও ε–δ সংজ্ঞা: ছবিতে বোঝা

গণিত

ত্রিমাত্রিক ভেক্টর: যোগ, ডট গুণ ও ক্রস গুণ

গণিত

ম্যাট্রিক্স রূপান্তর: ঘূর্ণন, প্রতিফলন, শিয়ার ও নির্ণায়ক

গণিত

জটিল সংখ্যা: আরগান্ড সমতলে যোগ, গুণ, ঘাত ও মূল

গণিত

বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি: স্থানীয় মান, রূপান্তর ও যোগ